Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Sandeshkhali: ‘সুন্দরী কম বয়সী বউদের পার্টি অফিসে পাঠিয়ে দিতে হত’, গর্জে উঠলেন মহিলারা

    Sandeshkhali: ‘সুন্দরী কম বয়সী বউদের পার্টি অফিসে পাঠিয়ে দিতে হত’, গর্জে উঠলেন মহিলারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ছিল না মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার! বাড়ির কম বয়সী বউদের তুলে নিয়ে যেত তৃণমূলের নেতারা। এরপর পার্টি অফিসে রাতভর চলত বাড়ির মাহিলাদের উপর অমানবিক পৈশাচিক অত্যাচার। যৌনশোষণ করে তৃণমূল নেতাদের মন ভরলে তবেই ছাড় মিলত।” এই ভাবেই অভিযোগ করেন জেলিয়াখালির গ্রামবাসীরা। রেশন দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত তৃণমূলের পলাতক নেতা শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ অনুগামি উত্তম সর্দার এবং শিবু হাজরাদের বিরুদ্ধে গ্রামের মহিলারা ব্যাপকভাবে সরব হওয়ায় শোরগোল পড়েছে রাজ্যজুড়ে। প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার প্রথমে লাঠি, ঝাটা নিয়ে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভ-প্রতিবাদে এবং শুক্রবার অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছিল সন্দেশখালি। সেই সঙ্গে অভিযোগ উঠেছে, গতকাল রাতভর প্রতিবাদী মহিলাদের টার্গেট করে ব্যাপক মারধর করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যে কয়েকজন মহিলা গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

    বাড়ির বউকে ছেড়ে দিতে হত!

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মহিলাদের বক্তব্য বলেন, “তৃণমূল পার্টির লোকেরা আগে এসে দেখে যাবে কোন বাড়ির বউ বেশি সুন্দরী। এরপর তাঁদের মধ্যে যে কম বয়সী তাঁর বাড়িতে হুমকি চলে আসত। বাড়ির বউকে ছেড়ে দিতে হতো তাঁদের হাতে। তুমি স্বামী হতে পারো, কিন্তু তোমার কোনও অধিকার ছিল না। তুলে নিয়ে চলে যেত তৃণমূলের পার্টি অফিসে। এক দিনের জন্য নয়, রাতের পর রাত ভোগ করত নেতারা। ততক্ষণ পর্যন্ত রেহাই নেই ঠিক যতক্ষণ পর্যন্ত নেতাদের মন না ভরত। সারারাত পার্টি অফিসে রেখে, ভোর বেলায় ছেড়ে দেওয়া হতো বউদের। ঠিক এই ভাবে দিনের পর দিন আমাদের গ্রামবাসীর উপর অত্যাচার এবং যৌন নির্যাতন চালাতো সন্দেশখালির কুখ্যাত নেতা শাহজাহান বাহিনী।”

    সন্দেশখালি নিয়ে সরব হয়েছেন শুভেন্দু

    শেখ শাহজাহান ঘনিষ্ঠ শিবু হাজরার বিরুদ্ধেই এলাকার মানুষের মূল অভিযোগ। তাঁর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে থানায় (Sandeshkhali) এফআইআর করা হয়েছে। প্রধান অভিযোগ হল, শাহজাহান শেখ, শিবু হাজরা এবং উত্তম সর্দারকে গ্রেফতার করতে হবে। এই দাবিতে এদিনও আগের মতোই লাঠি, বাঁশ, দা এবং কাটারি হাতে রাস্তায় নামেন মহিলারা। মানুষের সম্পত্তি জমি জোর করে দখল করে নিয়েছে তৃণমূলের গুন্ডারা। প্রাপ্য টাকা চাইতে গেলে প্রাণের ভয় দেখানো হত। আর তাই জেলিয়াখালিতে মূল অভিযুক্ত শিবু হাজরার পোল্ট্রি ফার্মে শুক্রবার উত্তেজিত জনতা আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল। রাজ্যের বিরোধী দলের নেতা শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেছেন, “চোর মমতার বিরুদ্ধে বাংলায় হিন্দু সমাজের জনজাগরণ ঘটেছে। বাংলার মায়েরাই সেই রাস্তা দেখিয়েছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: ১০০ দিনের তালিকায় স্কুল ছাত্রের নাম, সরকারি কর্মীদের ঘিরে বিক্ষোভ

    South 24 Parganas: ১০০ দিনের তালিকায় স্কুল ছাত্রের নাম, সরকারি কর্মীদের ঘিরে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কুলপি বিধানসভার করঞ্জলী গ্রাম পঞ্চায়েতে ১০০ দিনের জব কার্ডের বেনিয়মের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন এলাকার মহিলারা। শনিবার দিন করঞ্জলী গ্রাম পঞ্চায়েতের কাঁটাবেনিয়া এলাকায় কুলপি ব্লক উন্নয়ন আধিকারিকের প্রতিনিধিরা ১০০ দিনের জব কার্ডের লিস্ট নিয়ে যায়। আর সেখানেই ঘটে বিপত্তি। সরকারি কর্মীদের ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখান।

    এলাকাবাসীর কী অভিযোগ? (South 24 Parganas)

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কুলপি বিধানসভার করঞ্জলী পঞ্চায়েত এলাকায় ১০০ দিনের তালিকায় রয়েছে একাধিক বেনিয়ম। যাঁরা কাজ করেছেন তাঁদের অনেকেরই নাম নেই, আবার যাঁরা কাজ করেননি এমন অনেকের নাম রয়েছে তালিকায়। তালিকায় নাম রয়েছে, বরণ হালদার। সে একাদশ শ্রেণির ছাত্র। স্কুলে যায়। কখনও কোদাল হাতে ধরেনি। অথচ তার নাম রয়েছে। আর চন্দনা সরকার, প্রভুরানি শিকারির মতো বাসিন্দার তালিকায় নাম নেই। আর তালিকার বিষয়টি জানতে পেরেই মহিলারা রীতিমতো ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁদের বক্তব্য, যাঁরা কাজ করেছেন অবিলম্বে তাঁদেরকে বকেয়া টাকা পরিশোধ করতে হবে। আমরা এই তালিকা মানি না।

    দলের প্রাক্তন প্রধানের বিরুদ্ধে সরব পঞ্চায়েত সদস্য

    করঞ্জলী পঞ্চায়েতেরই কাটাবেনিয়া এলাকার পঞ্চায়েত সদস্যার পাশাপাশি তাঁর  স্বামী বুবুন চক্রবর্তী বলেন, প্রাক্তন প্রধান ১০০ দিনের কাজের টাকা নিয়ে নিজের স্বার্থে লাগিয়েছে। এমনকী নিজের ব্যক্তিগত কাজ এই ১০০দিনের মাধ্যমে তিনি করিয়েছেন। আবাস যোজনার বাড়ি তৈরির টাকাও আমরা পাইনি। কুড়ি হাজার টাকা করেও তিনি দেননি। পরে,  ঘটনাস্থলে কুলপি থানার পুলিশ এসে বিক্ষোভকারীদের আশ্বস্ত করলে বিক্ষোভ ওঠে। করঞ্জলী গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান শান্তনু কয়াল বলেন, এলাকার মানুষ যে অভিযোগ করছেন তা সম্পূর্ণ সঠিক নয়।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপির মহিলা মোর্চার সভানেত্রী  আম্বিয়া বিবি বলেন, তৃণমূল টাকা লুটের জন্য এই তালিকা তৈরি করেছে। প্রশাসন ওদের হয়ে কাজ করছে। মানুষ আর ওদের মেনে নিচ্ছে না। তাই, ক্ষোভে ফেটে পড়ছেন। যারা এই তালিকা তৈরি করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: মাধ্যমিক পরীক্ষার মধ্যেই শব্দবিধি ভেঙে গান-নাচ, বিতর্কে তৃণমূল নেত্রী সায়ন্তিকা

    Purba Bardhaman: মাধ্যমিক পরীক্ষার মধ্যেই শব্দবিধি ভেঙে গান-নাচ, বিতর্কে তৃণমূল নেত্রী সায়ন্তিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিকে চলছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। ঠিক তার মধ্যেই মাইক বাজিয়ে উল্লাস করলেন তৃণমূল নেত্রী সায়ন্তিকা বৃহস্পতিবার গুসকরায় (Purba Bardhaman) শুরু হয় রটন্তি কালীপুজো। এই পুজোকে ঘিরে চলল ব্যাপক হৈ-হুল্লোড়। এই নিয়ে এলাকাবাসী ব্যাপক অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলে জানা গিয়েছে।

    তারস্বরে গান সায়ন্তিকার (Purba Bardhaman)

    রটন্তি কালীপুজোতে গুসকরায় (Purba Bardhaman) শুরু হয়েছে পুর উৎসব। উৎসবের প্রথম দিনের অনুষ্ঠানে তারস্বরে গান গাইলেন যুব তৃণমূলের অন্যতম নেত্রী তথা টলিউডের অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। গোটা এলাকা জুড়ে চলল উচ্চস্বরে মাইকে গান। মাধ্যমিক পরীক্ষার আবহের মধ্যেই এই ভাবে শব্দবিধি ভেঙে মাইক বাজানোর ঘটনায় বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনার পর থেকেই এলাকার মানুষ এবং বিরোধীরা সমালোচনায় সরব হয়েছেন।

    এক ঘণ্টা গান করেন অভিনেত্রী

    এদিন গুসকরায় (Purba Bardhaman) পুজোর পর থেকেই পুর উৎসবের সূচনা করে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ছ’টা নাগাদ মঞ্চে ওঠেন সায়ন্তিকা। মঞ্চে প্রায় এক ঘণ্টা ছিলেন। একদিকে যেমন গান করেন, তেমনই সেই সঙ্গে নাচও করেন তিনি। একই সঙ্গে চলে উচ্চস্বরে সাউন্ড সিস্টেমের ব্যবহার। শব্দবিধির নিয়ম না মেনে এই ভাবে মাইক বাজানোর ঘটনায় স্থানীয়রা ব্যাপক আপত্তি তোলেন। এক এলাকাবাসী বলেন, “পুরসভা কীভাবে এমন অনুষ্ঠানের অনুমতি দিল?” পাশাপাশি এই শব্দের দৌরাত্ম্য নিয়ে বিরোধী দল বিজেপিও তীব্র সমালোচনা করেছে।

    বিজেপির বক্তব্য

    স্থানীয় (Purba Bardhaman) বিজেপির নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, “তৃণমূল কংগ্রসের দলের মধ্যে কোনও শিষ্টাচার নেই। ওরা আইনের শাসন মানে না। ওদের কাছে এ সবই আশা করা যায়। সায়ন্তিকার মতো একজন অভিনেত্রীর পক্ষে কীভাবে সম্ভব হল এই কাজে যোগদান করা?”

    পুরসভার বক্তব্য

    এই ঘটনায় স্থানীয় গুসকরা (Purba Bardhaman) পুরসভার চেয়ারম্যান কুশল কুমার মুখোপাধ্যায় বলেন, “আমরা শব্দবিধি মেনেই অনুষ্ঠান করেছি। মাধ্যমিক পরীক্ষার বিষয় আমাদের মাথায় রয়েছে। যে জায়গায় অনুষ্ঠান হয়েছে, তার ৫০০ মিটার এলাকায় কোনও বসতি নেই। বিজেপি অপ্রচার করছে। তাছাড়া এলাকায় অনুষ্ঠান করলে একটু নিয়মভঙ্গ হয়ে যায়। মাইক ছাড়া তো অনুষ্ঠান করা যায় না।”      

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: ‘কেষ্ট’র নাকি শনির দশা চলছে! ৫০ কেজি ঘি দিয়ে বিরাট হোম-যজ্ঞের আয়োজন বোলপুরে

    Birbhum: ‘কেষ্ট’র নাকি শনির দশা চলছে! ৫০ কেজি ঘি দিয়ে বিরাট হোম-যজ্ঞের আয়োজন বোলপুরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনির দশা কাটাতে শনিবারে কেষ্টর নামে বিরাট যজ্ঞের আয়োজন। এই যজ্ঞ মহোৎসবের মহাপ্রসাদ খাবেন ১০ থেকে ১২ হাজার মানুষ। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্তে বীরভূমের (Birbhum) জেলা তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল গরু পাচার এবং কয়লা পাচার মামলায় দিল্লির তেহার জেলে বন্দি রয়েছেন। তৃণমূলের অবশ্য বক্তব্য, কেষ্ট বিহনে জেলা তৃণমূল কার্যত অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে। আর তাই তাঁর অনুগামীরা মঙ্গল কামনায় বিশেষ হোম-যজ্ঞের আয়োজন করেছেন। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারিতে হবে এই মহাযজ্ঞ। জেলায় এই নিয়ে তীব্র শোরগোল।

    কোথায় অনুষ্ঠিত হবে যজ্ঞ (Birbhum)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরভূমের (Birbhum) বোলপুর রেলওয়ে ময়দানে সর্বজনীন দুর্গামন্দিরে করা হবে এই মহাযজ্ঞ। তাকে ঘিরেই এখন জেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি, সেই সঙ্গে চলছে বিশাল আয়োজন। দুর্গামন্দিরের সামনে যে পোস্টার দেওয়া হয়েছে তাতে স্পষ্ট করে লেখা রয়েছে, অনুব্রত মণ্ডল হলেন বীরভূমের রূপকার। তাঁর মঙ্গল কামনা করে দীর্ঘায়ুর জন্য শুভাকাঙ্খীগণ এই যজ্ঞের আয়োজন করেছেন। তাই সকলকে বিশেষ ভাবে আমন্ত্রণ।

    আয়োজকদের বক্তব্য

    বোলপুরের (Birbhum) স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক সুনীল সিংহ এই মহাযজ্ঞ সম্পর্কে জানিয়েছেন, “৫০ কেজি ঘি, ৫ কুইন্টাল বেলকাঠ প্রজ্বলন করে যজ্ঞ করা হবে। সকাল ৯ টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত চলবে এই যজ্ঞ। এরপর শুরু হবে মহাপ্রসাদ বিতরণ। প্রথমে ভেবেছিলাম ৫ থেকে ৬ হাজার লোকসমাগম হবে। কিন্তু দাদার ভক্তদের প্রবল উৎসাহে মনে হচ্ছে সংখ্যাটা ১০ হাজারের বেশি হবে।” তিনি এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, “আমরা দাদার অন্ধভক্ত, তিনি আমাদের অভিভাবক। মিথ্যা মামলায় তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। এজেন্সি জোর করে তাঁকে ধরে রেখেছে। কেষ্টদার মঙ্গল কামনায় আমরা মা দুর্গার কাছে যজ্ঞের আয়োজন করেছি। আমরা আশা করছি তিনি যেন দ্রুত আমাদের কাছে ফিরে আসেন।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BSF: পাচারের আগেই সীমান্তের গ্রামে হানা দিয়ে উদ্ধার সাপের বিষ, বাজারমূল্য ১২ কোটি!

    BSF: পাচারের আগেই সীমান্তের গ্রামে হানা দিয়ে উদ্ধার সাপের বিষ, বাজারমূল্য ১২ কোটি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাঁটাতার পার করে পাচারের আগে ফের সাপের বিষভর্তি জার উদ্ধার করল বিএসএফ (BSF)। উদ্ধার হওয়া সাপের বিষের আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য ১২ কোটি বলে বিএসএফের তরফে জানানো হয়েছে। এই ঘটনায় একজনকে গ্রেফতারও করেছে বন দফতর। এদিন হিলি থানার ভীমপুর বিওপির উত্তর জামালপুর এলাকায় কাঁটাতারের ওপারের ভারতীয় গ্রামে এদেশের নাগরিক মমিনুল মণ্ডলের বাড়ি থেকে সাপের বিষভর্তি জার উদ্ধার করেন বিএসএফের ৬১ নম্বর ব্যাটালিয়নের জওয়ানরা। ধৃতের নাম তপন অধিকারী (৫০)। বাড়ি হিলির ত্রিমোহিনীতে। তবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে মমিনুলের বাড়িতে ভাড়া থাকেন। বিএসএফ সূত্রে খবর, ধৃত ব্যক্তি সাপের বিষ দেখাশোনার দায়িত্বে ছিলেন। বিএসএফের তরফে উদ্ধার হওয়া সাপের বিষ ও আটক ব্যক্তিকে বালুরঘাট বন দফতরের হাতে তুলে দেওয়া হয়। প্রায় ছ’মাসের ব্যবধানে আবারও হিলিতে উদ্ধার হল সাপের বিষ। তবে এবার উদ্ধার হওয়া সাপের বিষ তরল প্রকৃতির ছিল।

    কোন প্রজাতির সাপের বিষ? (BSF)

    বিএসএফের ৬১ নম্বর ব্যাটালিয়নের কাছে গোপন সূত্রে খবর আসে, হিলির উত্তর জামালপুরে কাঁটাতারের ওপারে এক ভারতীয়র বাড়িতে রাখা রয়েছে সাপের বিষ। যে কোনও সময় তা কাঁটাতার পেরিয়ে ভারতে ঢুকবে। সেই খবর পেয়ে এদিন মমিনুল মণ্ডলের বাড়িতে হানা দেন বিএসএফ জওয়ানরা। সেই খবর পেয়ে পালিয়ে যান বাড়ির মালিক। তবে ধরা পড়ে যান সাপের বিষ দেখভাল করার দায়িত্বে থাকা তপন অধিকারী। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বাড়ির খড়ির মাচার নীচে লুকিয়ে রাখা সাপের বিষের জার উদ্ধার হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান বন দফতরের আধিকারিকরা।বিএসএফের তরফে জানানো হয়েছে, ২৮ সেমি উচ্চতাবিশিষ্ট জারটি ফ্রান্সে নির্মিত। সেখান থেকে চোরাপথে বাংলাদেশ হয়ে ভারতে পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল। যার ওজন ২ কেজি ৩৫০ গ্রাম। ওই সাপের বিষভর্তি জারের আন্তর্জাতিক বাজারমূল্য ১২ কোটি টাকা। তবে ওই জারে কোন প্রজাতির সাপের বিষ রয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত করতে পারেননি বিএসএফ (BSF) কর্তারা।

    কী বললেন বন দফতরের রেঞ্জার?

    বালুরঘাট বন দফতরের রেঞ্জার সুকান্ত ওঝা বলেন, ‘বিএসএফের (BSF) ৬১ নম্বর ব্যাটালিয়নের তরফে সাপের বিষভর্তি একটি জার আমাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত এক ব্যক্তিকেও আমাদের হাতে তুলে দিয়েছে বিএসএফ। ধৃত ব্যক্তি ও সাপের বিষ বালুরঘাট জেলা আদালতে তোলা হবে। আদালতের নির্দেশ পেলে সাপের বিষের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য মুম্বইয়ে পাঠানো হবে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’ এদিকে তপন অধিকারীর দাবি, তিনি সাপের বিষ পাচারের সঙ্গে যুক্ত নন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: জনরোষে জ্বলছে সন্দেশখালি, শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে ফের লাঠি, দা হাতে পথে মহিলারা

    Sandeshkhali: জনরোষে জ্বলছে সন্দেশখালি, শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে ফের লাঠি, দা হাতে পথে মহিলারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জনরোষ কী জিনিস, তা বৃহস্পতিবারই দেখিয়ে দিয়েছিল সন্দেশখালি (Sandeshkhali)। কিন্তু শুক্রবার সকাল থেকে এলাকা থমথমেই ছিল। পুলিশি ধড়পাকড় বা অন্যান্য কারণে বাসিন্দাদের কিছুটা ভীত এবং সন্ত্রস্ত মনে হয়েছিল। কিন্তু বেলা বাড়তেই দেখা গেল অন্য চিত্র। সন্দেশখালির জেলিয়াখালিতে শাহজাহান বাহিনীর মাতব্বর এবং মূল অভিযুক্ত শিবু হাজরার পোল্ট্রি ফার্মে এদিন উত্তেজিত জনতা আগুন ধরিয়ে দেয়। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে অধিকাংশই মহিলা। হামলা চালানো হয় শিবু হাজরার পৈতৃক বাড়িতেও। সব মিলিয়ে ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সন্দেশখালি।

    উল্লেখ্য, এই শিবু হাজরার বিরুদ্ধেই এলাকার মানুষের মূল অভিযোগ। তাঁর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে থানায় (Sandeshkhali) এফআইআরও করেছেন তাঁরা। একই সঙ্গে তাঁদের দাবি হল, শাহজাহান শেখ, শিবু হাজরা এবং উত্তম সর্দারকে গ্রেফতার করতে হবে। এই দাবিতে এদিনও আগের মতোই লাঠি, বাঁশ, দা এবং কাটারি হাতে রাস্তায় নামেন মহিলারা। তাঁদের একটাই বক্তব্য, শাহজাহানের দলবল একালায় সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করেছে। রাতে মহিলাদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয় পার্টি অফিসে। শিশুদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র। বোঝাই যায়, অত্যাচারের মাত্রা এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে তাঁদের দেওয়ালে পিঠ থেকেছে। এবার এলাকার ‘বাঘে’দের বিরুদ্ধেই গর্জে উঠেছেন অত্যাচারিতরা।

    আক্রান্ত সংবাদ মাধ্যম (Sandeshkhali)

    এদিকে ওই খবর সংগ্রহে গেলে শিবু হাজরার দলের লোকজনের হাতে আক্রান্ত হন সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধি। পোল্ট্রি ফার্মের আগুনের ছবি তুলতে বাধা দেওয়া হয় এবং ক্যামেরা ছিনিয়ে নিয়ে পুকুরের জলে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বাইকে চেপে এসে তারা নাকি মারমুখী হয়ে ওঠে। 

    কেন ফের পথে নেমেছিলেন মহিলারা? (Sandeshkhali) 

    শাহজাহান (Sandeshkhali) বিরোধী ক্ষোভ দানা বাঁধছিল অনেক আগে থেকেই। সেটা টের পেয়ে বুধবার শাহজাহানের নিজস্ব বাহিনী এলাকায় মিছিল করে। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হয়। আর সেটাই বুমেরাং হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা তাড়া করে শাহজাহান বাহিনীকে ভাগানোর পর বৃহস্পতিবার দাপুটে ওই তৃণমূল নেতার গ্রেফতারি চেয়ে আবার পথে নামেন এলাকাবাসী, বিশেষত মহিলারা। বুধবার রাতের দিকে তৃণমূল নেতাদের পোলট্রি ফার্মে আগুন লাগানোর অভিযোগ ওঠে। তৃণমূল নেতা উত্তম সর্দার এবং শিবু হাজরার লোকজন নিজেদের পোল্ট্রি ফার্মে ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়, এমনই অভিযোগ আন্দোলনকারীদের। আর এই হামলার দায় ঠেলে গ্রামবাসীদের বিরুদ্ধে। তারই প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন এলাকার মহিলারা। বৃহস্পতিবার লাঠি, বাঁশ হাতে সন্দেশখালি থানা ঘেরাও করার চেষ্টা করেন মহিলারা। পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। প্রতিবাদে রাস্তায় বসে পড়েন মহিলারা। পর পর দুদিন তৃণমূল বিরোধী যে ক্ষোভ মাথাচাড়া দিয়েছে তা এর আগে দেখেননি সন্দেশখালির মানুষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: ব্যালটের পর এবার বিজেপি কর্মীর কান কামড়ে গিলে খেলেন তৃণমূল কর্মী!

    Jalpaiguri: ব্যালটের পর এবার বিজেপি কর্মীর কান কামড়ে গিলে খেলেন তৃণমূল কর্মী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনৈতিক হিংসা কতটা নৃশংস হতে পারে, তা তৃণমূল নেতার আচরণে স্পষ্ট হল। এবার বিজেপি কর্মীর কান কামড়ে গিলে খাওয়ার ঘটনা ঘটল। অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী। ঘটনাটি ঘটেছে জলাপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার মহকুমা ধূপগুড়ি এলাকায়। উল্লেখ্য, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ছাপ্পা, লুট, মারধর, বোমাবাজির পাশপাশি গননা কেন্দ্রে ব্যালট গিলে খেয়ে নিজের জয়কে সুনিশ্চিত করেছিলেন এক তৃণমূল প্রার্থী। এবার ফের মানুষের কান খেয়ে নেওয়ার মতো অমানবিক ঘটনা ঘটেছে এই রাজ্যে। বিজেপির বক্তব্য, “আগে বালি, কয়লা, ব্যালট খেত, এখন মানুষের কান কামড়ে খাচ্ছে। দোষীর শাস্তি চাই।”

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Jalpaiguri)?

    স্থানীয় (Jalpaiguri) সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার ধূপগুড়ি স্টেশন মোড়ের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে এই অমানবিক ঘটনা ঘটে। ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত হয়েছেন এলাকার এক তৃণমূল কর্মী রাশিদুল রহমান। স্টেশনের পাশে থাকা এক চপের দোকানে এসেছিলেন অপর এক যুবক। এরপর এই যুবককে নানা ভাবে উত্যক্ত করেছিলেন তৃণমূল নেতা। অভিযোগ এটাও ছিল যে তাঁকে উলঙ্গ করার চেষ্টা করা হচ্ছিল। এরপর পাশেই বিনয় রায় নামে এক ব্যক্তি রশিদুলকে এই আচরণ করতে বাধা দেন। বিনয় নিজে এলাকায় বিজেপি করেন। এরপর ঘটনায় লাগে রাজনৈতিক রঙ। উভয় পক্ষের মধ্যে ব্যাপক বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। ঠিক এরপর পরস্পরের মধ্যে মারামারি বাধে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, বিনয়ের কান কামড়ে ছিড়ে খান রশিদুল। এরপর অসুস্থ বিজেপি কর্মীকে স্থানীয় হাসপাতলে নিয়ে যাওয়া হয়।

    আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর বক্তব্য

    ঘটনায় আহত বিজেপি কর্মী বিনয় জানিয়েছেন, “একজনের প্যান্ট জোর করে খুলে দেওয়া হচ্ছিল। আমি বাধা দিতেই আমার কানের অংশ কামড়ে ছিড়ে খেয়ে নিয়েছে। আগে এই তৃণমূল নেতা হকারি করত, এখন এই সব করছে। আমি বিজেপি করি, তাই এই আচরণ করল।” আবার এক স্থানীয় (Jalpaiguri) প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, “কানের একটা অংশ ছিল না। কান সেলাই করার মতো অবস্থায় ছিল না।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    স্থানীয় (Jalpaiguri) তৃণমূল নেতা বিপুল ইসলাম বলেন, “ওরা কী খেয়ে নিজেদের মধ্যে মজা করছিল আমি জানি না। আমার জানার কথাও নয়।” তবে ঘটনার পর থেকে তৃণমূল নেতা এখন পলাতক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: থমথমে সন্দেশখালিতে বন্ধ দোকানপাট, এফআইআর-পাল্টা এফআইআরে চাপা উত্তেজনা

    Sandeshkhali: থমথমে সন্দেশখালিতে বন্ধ দোকানপাট, এফআইআর-পাল্টা এফআইআরে চাপা উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার শাহজাহান শেখের বিরুদ্ধে প্রবল বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছিল সন্দেশখালি (Sandeshkhali)। মহিলারা যেভাবে ঝাঁটা এবং লাঠি হাতে পথে নেমে  বিক্ষোভ দেখিয়েছেন, তাতে এরকম ঘটনা আগে কোথাও ঘটেছে বলে অনেকেই মনে করতে পারছেন না। শুধু বিক্ষোভ দেখানোই নয়, মহিলারা প্রকাশ্যে শাহজাহান এবং তার সাগরেদদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক সব অভিযোগ তোলেন। সব মিলিয়ে দিনভর উত্তেজনায় টগবগ করে ফুটেছে সন্দেশখালি। তৃণমূলের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতাদের বিরুদ্ধে মহিলারা যেভাবে সরব হয়েছেন, তাতে অনেকেই অবাক।

    থমথমে এলাকা, দোকান বন্ধ (Sandeshkhali)

    সেই সন্দেশখালি শুক্রবার ছিল থমথমে। বৃহস্পতিবারের সেই বিক্ষোভ, উত্তেজনা কিছুই ছিল না। কিছু দোকান খোলা থাকলেও অধিকাংশই বন্ধ। রাস্তাঘাটে মানুষের সংখ্যাও বেশ কম। বোঝা গেল অশান্তি বা নতুন করে হাঙ্গামার ভয়ে অনেকেই বাড়ির বাইরে বের হতে চাইছেন না। উল্লেখ্য বৃহস্পতিবারের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত থানায় দুটি এফআইআর দায়ের হয়েছে। একটি করেছেন অভিযুক্ত শিবু হাজরা। তিনি শতাধিক মহিলার নামে ভাঙচুর এবং খুনের চেষ্টার অভিযোগ জানিয়েছেন। অন্যদিকে বিক্ষোভকারীরাও পাল্টা  এফআইআর করেছেন তার বিরুদ্ধে। সেখানে শিবু হাজরার সঙ্গে তৃণমূলের কয়েকজন মাতব্বরের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশ (Sandeshkhali) জানিয়েছে, গতকালই গ্রেফতার করা হয়েছে মোট পাঁচজনকে। একই দিনে তাদের তিন দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ হয়েছে।

    কেন ফের পথে নেমেছিলেন মহিলারা? (Sandeshkhali) 

    ক্ষোভে ফুঁসছে সন্দেশখালি। শাহজাহান (Sandeshkhali) বিরোধী ক্ষোভ দানা বাঁধছিল। সেটা টের পেয়ে বুধবার শাহজাহানের নিজস্ব বাহিনী এলাকায় মিছিল করে। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হয়। আর সেটাই বুমেরাং হয়।  স্থানীয় বাসিন্দারা তাড়া করে শাহজাহান বাহিনীকে ভাগানোর পর বৃহস্পতিবার দাপুটে ওই তৃণমূল নেতার গ্রেফতারি চেয়ে আবার পথে নামেন এলাকাবাসী, বিশেষত মহিলারা। বুধবার রাতের দিকে তৃণমূল নেতাদের পোলট্রি ফার্মে আগুন লাগানোর অভিযোগ ওঠে। তৃণমূল নেতা উত্তম সর্দার এবং শিবু হাজরার লোকজন নিজেদের পোল্ট্রি ফার্মে ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়, এমনই অভিযোগ আন্দোলনকারীদের। আর এই হামলার দায় ঠেলে গ্রামবাসীদের বিরুদ্ধে। তারই প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন এলাকার মহিলারা। বৃহস্পতিবার লাঠি, বাঁশ হাতে সন্দেশখালি থানা ঘেরাও করার চেষ্টা করেন মহিলারা। পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। প্রতিবাদে রাস্তায় বসে পড়েন মহিলারা। পর পর দুদিন তৃণমূল বিরোধী যে ক্ষোভ মাথাচাড়া দিয়েছে তা এর আগে দেখেননি সন্দেশখালির মানুষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arabul Islam: গ্রেফতার হলেন ভাঙড়ের দাপুটে তৃণমূল নেতা আরাবুল, নিয়ে যাওয়া হল লালবাজার

    Arabul Islam: গ্রেফতার হলেন ভাঙড়ের দাপুটে তৃণমূল নেতা আরাবুল, নিয়ে যাওয়া হল লালবাজার

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাঙড়ের বেতাজ বাদশা আরাবুল ইসলামকে (Arabul Islam) পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তবে, সঠিক কী কারণে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, দাপুটে এই নেতার বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ রয়েছে। পঞ্চায়েত ভোটে একাধিক ঝামেলার অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। অন্য একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, খুনের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। উত্তর কাশীপুর থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। ইতিমধ্যেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এর আগে ২০১৫ সালে গ্রেফতার হয়েছিলেন ভাঙড়ের এই দাপুটে নেতা। বোমাবাজি, তোলাবাজি, খুনের চেষ্টার অভিযোগ ছিল। লোকসভা ভোটের আগে আরাবুলের গ্রেফতারি নিয়ে জোর চর্চা শুরু।

    কেন গ্রেফতার আরাবুল? (Arabul Islam)

    সূত্রের খবর, পঞ্চায়েত ভোটে ঝামেলার ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয় তাঁকে। একইসঙ্গে আইএসএফ কর্মী খুনের ঘটনাতেও আরাবুল ইসলামকে (Arabul Islam) গ্রেফতার বলে পুলিশ সূত্রে খবর। দু’টি ঘটনাতেই আরাবুলের নামে অভিযোগ দায়ের হয়। পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়ন দেওয়ার সময় ভাঙড়ের বিজয়গঞ্জ বাজারে যে ঝামেলা হয়েছিল তাতেই এই গ্রেফতারি বলে জানা যাচ্ছে। পাশাপাশি বৈদিক ভিলেজে তোলাবাজির অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। বামনঘাটায় রেজ্জাক মোল্লাকে মাথা ফাটানোর অভিযোগ রয়েছে। পঞ্চায়েত ভোটে আইএসএফ-তৃণমূল সংঘর্ষে খুন হয়। তাতেও নাম জড়ায় তাঁর। গত বছর ১৫ জুন বিজয়গঞ্জ বাজারে গন্ডগোলের ঘটনায় খুন, অস্ত্র আইন, খুনের চেষ্টা, সরকারি কর্মচারীদের কাজে বাধা-সহ একাধিক ধারায় মামলা হয়। সেই সূত্রে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উত্তর কাশীপুর থানায় তাঁকে ডাকা হয়। আরাবুল ইসলাম ও তাঁর ছেলে আসেন উত্তর কাশীপুর থানায়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ভাঙড় ডিভিশনের ডিসি সৈকত ঘোষ। মূলত, ১৫ জুন সেই পুরানো মামলায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গ্রেফতার করা হয় আরাবুলকে। গ্রেফতারের পর লালবাজারে আনা হয় তাঁকে। পঞ্চায়েত ভোটে অশান্তির মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয় বলে খবর। শুক্রবার তাঁকে বারুইপুর আদালতে পেশ করা হবে।

    নিছক লোক দেখানো গ্রেফতারি, কটাক্ষ শুভেন্দুর

    আরাবুল (Arabul Islam) প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি এই বিষয়টিকে খুব বেশি গুরুত্ব দেননি। বরং, তিনি বলেন, “এই গ্রেফতারিকে নিছক লোক দেখানো। পুলিশ গ্রেফতার করেছে। একটু বিরিয়ানি দেবে, ভাল কম্বল দেবে। ও ওখানে ভালভাবেই থাকবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: মেয়ের সামনে মাকে বিবস্ত্র করে মার! অভিযুক্ত তিন তৃণমূল নেতা

    Hooghly: মেয়ের সামনে মাকে বিবস্ত্র করে মার! অভিযুক্ত তিন তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রৌঢ়া মা এবং দুই মেয়েকে গণধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত তিন তৃণমূল নেতা। নিচুজাত বলে গালি দিলে প্রথমে থানায় ডায়েরি করা হয়। এরপর পুলিশ কোনও তদন্ত করেনি বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় পালাটা তৃণমূল নেতারা অত্যাচার শুরু করে ওই পরিবারের উপর। এমনকী থানায় ডায়েরি তুলে নেওয়ার জন্য প্রথমে হুমকি, এরপর ধর্ষণ করার চেষ্টাও করা হয়। বাড়িতে ঢুকে মাকে সন্তানদের সামনেই বিবস্ত্র করা অত্যাচার করা হয়। একই ভাবে দুই মেয়েকে গণধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয়। এমন ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে হুগলিতে (Hooghly)।

    পুলিশ সূত্রে খবর (Hooghly)

    স্থানীয় (Hooghly) পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুই মেয়ে এবং এক ছেলেকে নিয়ে ৫০ বছরের এক প্রৌঢ়া নিজের হুগলির বাড়িতে থাকতেন। ১২ বছর ধরে তাঁর স্বামী নিখোঁজ। মহিলা পরিচারিকার কাজ করতেন। এলাকায় তাঁকে নিচু জাত বলে খোঁটা দেওয়া শুরু করে এলাকারই তিন তৃণমূল নেতা। সম্প্রতি অত্যাচার বাড়ে, এলাকায় জল নেওয়া বন্ধ করে দেয় তৃণমূল নেতারা। এরপর একদিন অভিযুক্তরা বাড়িতে ঢুকে বিবস্ত্র করে ব্যাপক মারধর করে। সন্তানদেরও মারধর করা হয়। উচ্চ মাধ্যমিকে পড়া দুই মেয়েকে গণধর্ষণ করে মারার হুমকি দেওয়া হয়। এরপর ফেব্রুয়ারির প্রথমেই থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।

    প্রৌঢ়ার বক্তব্য

    চুঁচুড়া (Hooghly) আদালতে গোপন জবানবন্দি দিয়ে প্রৌঢ়া বলেন, “অত্যাচার থেকে বাঁচতে তৃণমূলের পঞ্চায়েত উপপ্রধানের পায়ে ধরি। কিন্তু কেউ প্রতিবাদ না করে বিষয় নিয়ে মজা করেন। আমি সুবিচার চাই। এই সব মামলা করার সামর্থ নেই।” আবার প্রৌঢ়ার এক মেয়ে বলেন, “বাড়ি ফিরতে ভয় লাগে। শ্লীলতাহানি করেছে বাড়িতে ঢুকে। বোনের সঙ্গে আমারাও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা, কীভাবে দেবো সেটা জানিনা।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    এলাকার (Hooghly) অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা বলেন, “হুমকি বা ধর্ষণের অভিযোগ মিথ্যা। জাত তুলে গালাগাল দেওয়া হয়নি। মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে।” আবার এলাকার উপপ্রধানের বক্তব্য, “এই বিষয় খুব একটা গুরুতর কিছু নয়। আমার কাছে কোনও অভিযোগ জানানো হয়নি। স্থানীয়রা আমাদের জানিয়েছেন বিষয়টি, বড় কিছু ঘটেনি।”

    বিজপির বক্তব্য

    এলাকার (Hooghly) বিজেপি নেতা ঘটনায় জানিয়েছে, “দলের নেতার না চাইলে এমন ঘটনা ঘটতে পাড়ে না। তৃণমূল এই নির্যাতনের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ভাবে যুক্ত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share