Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Assembly Elections 2026: আইন ভাঙলে কড়া পদক্ষেপ! পুলিশকে হুঁশিয়ারি, সিভিক ভলান্টিয়রদের কী বলল কমিশন?

    Assembly Elections 2026: আইন ভাঙলে কড়া পদক্ষেপ! পুলিশকে হুঁশিয়ারি, সিভিক ভলান্টিয়রদের কী বলল কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচন (Assembly Elections 2026) করতে বদ্ধপরিকর কমিশন। ভোটের আগে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের তরফ থেকে একগুচ্ছ কড়া নির্দেশিকা জারি করা হল। রাজ্যের সিভিক ভলান্টিয়র, ভিলেজ পুলিশ এবং গ্রিন পুলিশদের নিয়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করছে কমিশন (Election Commission)। নির্বাচন কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ, ভোটের তিন দিন আগেই এই কর্মীদের ‘রিজার্ভ লাইনে’ পাঠিয়ে দিতে হবে। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় যাতে তাঁদের কোনওভাবেই ব্যবহার করা না হয়, তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনকে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    কেন সরানো হচ্ছে সিভিকদের

    কমিশনের (Election Commission) আশঙ্কা, এই কর্মীরা যদি ভোটের দিন ইউনিফর্ম পরে কর্তব্যরত থাকেন, তবে তাঁরা ভোটারদের প্রভাবিত করতে পারেন বা পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ উঠতে পারে। তাই শুধু রিজার্ভ লাইনে পাঠানোই নয়, স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, ভোটের দিনগুলোতে (Assembly Elections 2026)যদি বিশেষ প্রয়োজনে তাঁদের মোতায়েন করতেই হয়, তবে কোনওভাবেই পুলিশের পোশাক বা ইউনিফর্ম পরা যাবে না। তাঁদের সাধারণ পোশাকে থাকতে হবে। ভোটের কয়েকদিন আগে এই নির্দেশিকা জারি করে কমিশন বার্তা দিল, কোনও অবস্থাতেই যাতে ভোটারদের ওপর কোনো প্রকার প্রভাব বিস্তার না করা হয়।

    পুলিশ আধিকারিকদের বার্তা

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) দফতর সূত্রে খবর, বিভানসভা ভোটপর্ব (Assembly Elections 2026) শুরুর আগে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের একাংশের তরফে বিভিন্ন থানার ওসি এবং মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (এসডিপিও)-দের কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের কঠোর সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে যে, ভোট-সংক্রান্ত অশান্তির ক্ষেত্রে কোনও রকম সহনশীলতা দেখানো হবে না। কোনও ধরনের গন্ডগোল ঘটলে সংশ্লিষ্ট থানার ওসি এবং এসডিপিও দায়ী থাকবেন। কর্তব্যে অবহেলার জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশকর্তার বিরুদ্ধে কড়া শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করবে বলে বার্তা দিয়ে কমিশনের (Election Commission) হুঁশিয়ারি— আইন ভাঙার ঘটনায় জড়িত থাকলে সংশ্লিষ্ট ওসি বা এসডিপিও-কে বরখাস্ত করা হতে পারে। ভোটের সময় বোমা বা আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে বলে জানিয়ে কমিশন বার্তা দিয়েছে, গুরুতর অশান্তির ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট থানার ওসি-কে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হতে পারে! অর্থাৎ ভোটে অশান্তির ঘটনা ঘটলে তার মূল দায় নিতে হবে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিককে।

  • West Bengal Elections 2026: রাজ্যের মানুষকে পরিযায়ী শ্রমিক করেছে কে? বহিরাগত করার দায় একমাত্র মমতা সরকারের, তৃণমূলকে তোপ শমীকের

    West Bengal Elections 2026: রাজ্যের মানুষকে পরিযায়ী শ্রমিক করেছে কে? বহিরাগত করার দায় একমাত্র মমতা সরকারের, তৃণমূলকে তোপ শমীকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) প্রেক্ষাপটে ‘বহিরাগত’ ভোটার ইস্যু নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন এখন উত্তপ্ত। তৃণমূল কংগ্রেসের তোলা এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ তথা প্রধান মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya) কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “কর্মসংস্থান বা অন্য কারণে বাইরে থাকা রাজ্যের বাসিন্দাদের ‘বহিরাগত’ তকমা দেওয়া অনভিপ্রেত।”

    বাংলার সন্তানরা বহিরাগত নন (West Bengal Elections 2026)

    শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya) স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “বাংলার যে সমস্ত ভূমিপুত্র কাজের তাগিদে ভিন রাজ্যে থাকেন এবং ভোটের সময় নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে যারা বাড়ি ফেরেন, তারা কোনোভাবেই বহিরাগত নন। ভোটে (West Bengal Elections 2026) তাঁদের সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে।”

    ভয় প্রদর্শনের অভিযোগ

    শাসকদল সাধারণ ভোটারদের মনে বিভ্রান্তি এবং ভয় তৈরি করার চেষ্টা করছে বলে শমীক পালটা অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, “এটি ভোটারদের (West Bengal Elections 2026) গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করার একটি অপকৌশল মাত্র। মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যে শিল্প, কলকারখানা এবং বিনিয়োগ আনতে ব্যর্থ। রাজ্যে বেকারত্ব চরম সীমায়। লক্ষ লক্ষ মানুষকে পরিযায়ী করেছে তৃণমূল সরকার।”

    সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধা

    রাজ্যসভাপতি শমীক এদিন স্মরণ করিয়ে দেন যে, ভারতের যেকোনো প্রান্তে বসবাসকারী নাগরিকের নিজ রাজ্যে ভোটাধিকার (West Bengal Elections 2026) প্রয়োগ করার পূর্ণ সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে। একে কেন্দ্র করে বিভাজনের রাজনীতি করা উচিত নয়। নির্বাচনী আবহে এই বহিরাগত ইস্যুটি সবসময়ই অত্যন্ত স্পর্শকাতর। শমীক ভট্টাচার্যের এই বক্তব্যের মাধ্যমে প্রবাসী বাঙালিদের সমর্থনকে নিশ্চিত করতে চাইছে, যারা ভোটের সময় রাজ্যে ফেরেন। অন্যদিকে, এই বাদানুবাদ রাজ্যের রাজনৈতিক তরজা আরও স্পষ্ট করে তুলছে।

  • Sona Pappu-Joy Kamdar Nexus: চার মাসে ৫০০ কোটি টাকা নগদ জমা! সোনা পাপ্পু-জয় কামদারের দুর্নীতির জালে টান ইডির, ২৫টি ভুয়ো সংস্থার সন্ধান

    Sona Pappu-Joy Kamdar Nexus: চার মাসে ৫০০ কোটি টাকা নগদ জমা! সোনা পাপ্পু-জয় কামদারের দুর্নীতির জালে টান ইডির, ২৫টি ভুয়ো সংস্থার সন্ধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে বিল্ডার তথা ব্যবসায়ী জয় কামদারকে (Joy Kamdar) গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate) বা ইডি। নির্মাণ সংস্থা ‘সান এন্টারপ্রাইজ’-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীদের দাবি, দক্ষিণ কলকাতার কুখ্যাত সমাজবিরোধী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুর সম্পর্কের শিকড় অনেক গভীরে। দুজনের এই ‘অশুভ আঁতাত’ এখন কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের আতস কাচের নীচে।

    সোনা পাপ্পুর স্ত্রীর বিদেশি পিস্তল-রহস্য

    সম্প্রতি, জমি দখল ও বেআইনি নির্মাণ সংক্রাম্ত মামলায় তল্লাশি অভিযানের সময় সোনা পাপ্পুর (Sona Pappu) বাড়িতে উদ্ধার হওয়া বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রের উৎস খুঁজতে গিয়ে বড়সড় আর্থিক দুর্নীতির হদিস পায় ইডি (ED)। ১ এপ্রিল বালিগঞ্জে সোনা পাপ্পুর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে গড়িয়াহাট থানার পুলিশ একটি ৭ এমএম বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করে, যার গায়ে ‘মেড ইন ইউএসএ’ লেখা ছিল। তদন্তে জানা যায়, ১৫ জানুয়ারি ওই অস্ত্রটি সোনা পাপ্পুর স্ত্রী সোমা পোদ্দারের নামে কেনা হয়েছিল। তদন্তকারীদের দাবি, আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি কেনা হয়েছিল জয়ের সংস্থা থেকে। তদন্তে উঠে আসে, বেহালার প্রোমোটার জয় কামদারের সংস্থার মাধ্যমেই অস্ত্রটি কেনা হয়েছিল। অশ্বিনী দত্ত রোডে জয়ের অফিস থেকেই এই কেনাবেচা হয় বলে অভিযোগ। যদিও সোমা পোদ্দার দাবি করেছেন, তিনি এই কেনাকাটা বা তাঁর নামে কোনও ব্যবসা সম্পর্কে কিছুই জানেন না।

    সোনা পাপ্পুর স্ত্রী-র নামে সংস্থা, অথচ তিনিই জানেন না!

    পাশাপাশি, সোনা পাপ্পু ও জয়ের মধ্যে প্রায় দেড় কোটি টাকার আর্থিক লেনদেনের তথ্যও সামনে এসেছে। ইডির তদন্তে আরও জানা যায়, জয়ের সংস্থার সঙ্গে সোনা পাপ্পু ও তাঁর স্ত্রীর নামে থাকা একাধিক সংস্থার সঙ্গে বিপুল টাকার লেনদেন হয়েছে। ‘সুপ্রিম ক্রেডিট কর্পোরেশন লিমিটেড’ নামের সংস্থায় ডিরেক্টর হিসেবে নাম রয়েছে জয়ের। এছাড়া ‘এসপি কনস্ট্রাকশন’ নামে আর একটি সংস্থা সোনা পাপ্পুর নামে রয়েছে। এসব সংস্থার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখে প্রায় দেড় কোটি টাকার লেনদেনের তথ্য মিলেছে। পাশাপাশি, ‘হেভেন ভ্যালি’ নামে সোমা পোদ্দারের সংস্থার সঙ্গেও আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ পেয়েছে ইডি—যদিও তিনি সবকিছুই অস্বীকার করেছেন।

    ৪ মাসে ৫০০ কোটি নগদ জমা, মোট লেনদেন ১১০০ কোটি!

    তদন্তে সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য, জয়ের বিরুদ্ধে প্রায় ১১০০ কোটি টাকার বেআইনি লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। তাঁর ডিজিটাল ডিভাইস থেকে ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে বলে দাবি ইডির। ‘ক্যালকাটা গুজরাতি এডুকেশন সোসাইটি’-র অ্যাকাউন্ট থেকে ৪০ কোটি টাকা জয়ের ভুয়ো কোম্পানিতে স্থানান্তরের তথ্যও সামনে এসেছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, মাত্র চার মাসে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা নগদ জমা হয়েছে জয়ের বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে। তাঁর সঙ্গে যুক্ত অন্তত ২৫টি ভুয়ো সংস্থার খোঁজ মিলেছে। বর্তমানে ইডি জয়ের হেফাজত চেয়ে আদালতে আবেদন জানিয়েছে। সংস্থার আইনজীবীর কথায়, “তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যপ্রমাণ মিলেছে এবং অন্যান্য সন্দেহভাজনের সঙ্গেও অভিযুক্তের যোগ রয়েছে।”

    রবিবার দীর্ঘ জেরার পর বিকেল ৫টা নাগাদ জয় কামদারকে গ্রেফতার করে ইডি। কিন্তু গ্রেফতারির পরপরই তিনি অসুস্থ বোধ করায় তাঁকে প্রথমে সল্টলেকের সেবা হাসপাতাল ও পরে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের কাছ থেকে ‘ফিট সার্টিফিকেট’ পাওয়ার পর সোমবার দুপুরে তাঁকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হলে জয়কে আগামী ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।

  • West Bengal Elections 2026: “গুন্ডারা হয় ঘরে ঢুকে যাবে, নয় জেলে থাকবে, নয়তো ওপরে চলে যাবে”, নানুরে সভা থেকে তৃণমূলকে তোপ রাজনাথের

    West Bengal Elections 2026: “গুন্ডারা হয় ঘরে ঢুকে যাবে, নয় জেলে থাকবে, নয়তো ওপরে চলে যাবে”, নানুরে সভা থেকে তৃণমূলকে তোপ রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তৎপরতা এখন তুঙ্গে। এই প্রেক্ষাপটে বীরভূমের নানুরে এক জনসভায় দাঁড়িয়ে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং রাজনৈতিক পরিবেশ নিয়ে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “তৃণমূল মানে হল ‘টোটাল মিসরুল অ্যান্ড করাপশন, সম্পূর্ণ অপশাসন ও দুর্নীতি ‘মা-মাটি-মানুষ’ আজ তৃণমূলের হাতে চরমভাবে বঞ্চিত।”

    দুর্নীতির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি (West Bengal Elections 2026)

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) অভিযোগ করেন যে, রাজ্যের বর্তমান প্রশাসনিক ব্যবস্থা জনকল্যাণের চেয়ে ব্যক্তিগত ও দলীয় স্বার্থপূরণেই বেশি ব্যস্ত। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান বলেন, “জনস্বার্থ বিঘ্নিত হলে কেন্দ্র নীরব দর্শক হয়ে থাকবে না। জোড়া ঘাসফুল হবে ছারখার। দুর্নীতি থাকবে না আর। ফুটবে এবার পদ্মফুল, এক নতুন বাংলা (West Bengal Elections 2026) গড়বে ফুল। বিজেপি ক্ষমতায় এলেই এইসব গুন্ডাদের সিধে করে দেওয়া হবে। একবার বাংলায় আমাদের সরকার হতে দিন, গুন্ডারা হয় ঘরে ঢুকে যাবে, নয় জেলে থাকবে, নয়তো ওপরে চলে যাবে!”

    শান্তি ও গণতন্ত্র রক্ষা

    নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) নানুরের সংবেদনশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে তিনি দলীয় কর্মীদের নির্ভয়ে কাজ করার সাহস জোগান রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “অনুপ্রবেশকারী ইস্যু থেকে শুরু করে তোষণনীতি এবং নিয়োগ দুর্নীতি চরম সীমায়। অনুপ্রবেশকারীদের প্রশ্রয় দিয়ে তৃণমূল শুধু বাংলার নয়, গোটা দেশের ক্ষতি করছে। এই সরকারের অপশাসনের কারণেই বাংলার মেধাবী যুবকদের আজ কাজের খোঁজে ভিন রাজ্যে চলে যেতে হচ্ছে।”

    উন্নয়ন বনাম অরাজকতা

    রাজনাথ সিং (Rajnath Singh) বলেন, “বাংলা একসময় দেশের শিক্ষা ও সংস্কৃতির পথপ্রদর্শক ছিল, কিন্তু বর্তমানে এখানে অরাজকতা বিরাজ করছে।” তিনি রাজ্যের হৃত গৌরব পুনরুদ্ধারের জন্য বিজেপিকে জয়ী করার আহ্বান জানান। নানুর অঞ্চলটি বীরভূমের রাজনীতির (West Bengal Elections 2026) অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। সেখান থেকে রাজনাথ সিংয়ের এই ‘কড়া বার্তা’ রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তিনি কেবল রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে আক্রমণই করেননি, বরং ভোটারদের সামনে একটি বিকল্প শাসনব্যবস্থার রূপরেখাও তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। নির্বাচনী প্রচার এখন ব্যাপক ভাবে জমজমাট।

  • Election Commission India: “সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে ও কোনও রাজনৈতিক চাপের কাছে নতিস্বীকারে না”, মুচলেকা দেওয়ার নির্দেশ প্রিসাইডিং অফিসারদের

    Election Commission India: “সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে ও কোনও রাজনৈতিক চাপের কাছে নতিস্বীকারে না”, মুচলেকা দেওয়ার নির্দেশ প্রিসাইডিং অফিসারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) অবাধ ও স্বচ্ছ করতে ভারতের নির্বাচন কমিশন (Election Commission India) একগুচ্ছ নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এবারের নির্বাচনে প্রিসাইডিং অফিসারদের জন্য ‘আন্ডারটেকিং’ বা অঙ্গীকারনামা জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যা অতীতে সচরাচর দেখা যায়নি। এই নির্দেশিকা কমিশনের পক্ষ থেকে জারি করায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। হিংসামুক্ত, ভয়মুক্ত, অবাদ এবং শান্তিপূর্ণ করতে কমিশনের এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।

    অঙ্গীকারনামা গ্রহণ (Election Commission India) 

    কমিশন জানিয়েছে, ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার আগে ২০ মিনিট থেকে আধঘণ্টার একটি ট্রেনিং হবে। ট্রেনিংয়ের পর প্রিসাইডিং অফিসারদের অঙ্গীকারনামা দিতে হবে। সব কাগজপত্র বুঝে নিয়েছেন কি না, যা প্রশিক্ষণ দরকার ছিল তা পেয়েছেন কিনা, সেটাই মুচলেকায় লিখে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। নির্দেশিকায় আরও জানিয়েছে, প্রিসাইডিং অফিসারদের ডিউটি সংক্রান্ত নির্দেশ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হবে। তারপর ব্রিফিং শেষে অফিসারদের একটি নির্দিষ্ট ফর্মে সই করতে হবে। ভোটগ্রহণ (West Bengal Elections 2026) শুরুর আগে প্রিসাইডিং অফিসারদের এই মর্মে লিখিত প্রতিশ্রুতি দিতে হবে যে, তারা সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে এবং কোনও রাজনৈতিক চাপের কাছে নতিস্বীকার না করে দায়িত্ব পালন করবেন।

    স্বচ্ছতা বজায় রাখা

    নির্বাচনে (West Bengal Elections 2026) বুথের ভেতর কোনও প্রকার অনিয়ম বা ছাপ্পা ভোটের ঘটনা ঘটলে, তার দায়ভার সরাসরি সংশ্লিষ্ট প্রিসাইডিং অফিসারের ওপর বর্তাবে। এই অঙ্গীকারনামাটি মূলত আইনি রক্ষাকবচ এবং সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে। এই মর্মে স্বচ্ছতা বজায় রেখে নির্বাচন করতে হবে। এমনটাই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission India)।

    কমিশনের কড়া বার্তা

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission India) লক্ষ্য হলো ভোট প্রক্রিয়ায় বিন্দুমাত্র ত্রুটি বা পক্ষপাতের অবকাশ না রাখা। কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করতেই এই প্রশাসনিক কড়াকড়ি। মূলত ভোটের ময়দানে স্বচ্ছতা ফেরাতে এবং ভোটকর্মীদের (West Bengal Elections 2026) দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতেই কমিশন এই প্রথা চালু করছে। এর ফলে মাঠপর্যায়ের নির্বাচনী কর্মকর্তাদের ওপর নৈতিক ও আইনি চাপ উভয়ই বৃদ্ধি পাবে, যা একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের সহায়ক হতে পারে।

  • West Bengal Elections 2026: “গত ১৫ বছরে জনসম্পদ আত্মসাৎ ও লুটপাটে পিএইচডি করেছে তৃণমূল”, জনসভায় আক্রমণ মোদির

    West Bengal Elections 2026: “গত ১৫ বছরে জনসম্পদ আত্মসাৎ ও লুটপাটে পিএইচডি করেছে তৃণমূল”, জনসভায় আক্রমণ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) প্রাক্কালে মেদিনীপুরের রাজনৈতিক জনসভায় দাঁড়িয়ে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দুর্নীতির অভিযোগে সরব হয়ে তিনি এক বিশেষ শব্দবন্ধ ব্যবহার করে এই শাসনকালকে বিদ্ধ করেছেন। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন যে, গত ১৫ বছরে তৃণমূল কংগ্রেস জনকল্যাণমূলক কাজের পরিবর্তে জনসম্পদ আত্মসাৎ এবং ‘লুটপাট’-এ এক প্রকার পিএইচডি অর্জন করেছে। তাই পরিবর্তন চাই বাংলায়।”

    একাধিক ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগ

    রাজ্যের নির্বাচনী (West Bengal Elections 2026) প্রচারে এসে শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, শিক্ষক নিয়োগ, মিড-ডে মিল, একশো দিনের কাজ (MGNREGA) এবং ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী ত্রাণ তহবিলের মতো একাধিক সংবেদনশীল বিষয়ে ব্যাপক আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তোলেন। প্রধানমন্ত্রীর মতে, তৃণমূলের মূল আদর্শ মা-মাটি-মানুষ আজ তার লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত। তিনি দাবি করেন, এই সরকার বর্তমানে কেবল অনুপ্রবেশকারী এবং ভোটব্যাংক রক্ষার স্বার্থে কাজ করছে। তিনি সাফ কথায় বলেন, “তৃণমূলের এই নির্মম শাসনে স্কুল শিক্ষক নিয়োগে লুট হয়েছে। শিশুদের মিড-ডে মিলের টাকায় লুট। মনরেগার কাজে লুট। গরিবদের বাড়ির জন্য আসা টাকায় লুট। গ্রামের রাস্তা তৈরিতে লুট। সাইক্লোন ত্রাণের টাকায় লুট। ১৫ বছরে ওরা লুটপাটে পিএইচডি করে ফেলেছে।”

    রাজনৈতিক খুন, অনুপ্রবেশকারীদের বাড়বাড়ন্ত

    মেদিনীপুরের এই বিশাল সমাবেশ থেকে তিনি রাজ্যের যুবসমাজ ও মহিলাদের আশ্বস্ত করে নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন যে, বিজেপি ক্ষমতায় এলে দুর্নীতির সাথে যুক্ত কাউকেই রেয়াত করা হবে না এবং জনগণের লুণ্ঠিত অর্থ ফিরিয়ে দেওয়া হবে। তৃণমূলের ১৫ বছরের শাসনকালকে ‘মহা জঙ্গলরাজ’ বলে অভিহিত করেছেন মোদি। তিনি বলেন, “দাঙ্গা, রাজনৈতিক খুন, অনুপ্রবেশকারীদের বাড়বাড়ন্ত এবং মহিলাদের উপর অত্যাচার চরম সীমায়। মা, মাটি, মানুষ—তৃণমূল কাউকেই ছাড়েনি। আমি এবার দেখছি, বাংলার নির্বাচন বিজেপি লড়ছে না, বিজেপির প্রার্থী বা কর্মীরা লড়ছে না… এই নির্বাচন (West Bengal Elections 2026) লড়ছে আমার বাংলার মানুষ… আর সেই কারণেই আজ তৃণমূলের গুন্ডারা ভয়ে কাঁপছে।”

    লুটেরাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে

    মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের এই নির্বাচনী জনসভা (West Bengal Elections 2026) থেকে স্বচ্ছ প্রশাসন এবং কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকারও করেছেন। মোদি (PM Modi) বলেন, “আমি আশ্বস্ত করতে চাই বিজেপি সবকা সাথ, সবকা বিকাশ-এর পথেই চলবে, কিন্তু আগ্রাসনকারী ও লুটেরাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমি বাংলার যুবকদের আশ্বস্ত করতে চাই যে বিজেপি সরকার রোজগার মেলার মাধ্যমে ভাতা এবং নিয়োগপত্র দেবে। তবে, যারা হাজার হাজার যুবকের সঙ্গে অবিচার করেছে, তাদের ছাড়া হবে না। আমি সমস্ত তৃণমূলের গুন্ডা, সিন্ডিকেট এবং দুর্নীতিগ্রস্তদের শেষ সুযোগ দিচ্ছি। ২৯ এপ্রিলের আগে নিকটতম থানায় আত্মসমর্পণ করুন। ৪ মে-র পর কাউকে ছাড়া হবে না। বিষ্ণুপুরের মাফিয়া এবং তৃণমূলের সিন্ডিকেট, মন দিয়ে শুনুন, এটা আর বরদাস্ত করা হবে না।”

  • Sona Pappu-Joy Kamdar Nexus: সোনা পাপ্পু ও সান গ্রুপের জয় কামদারের মধ্যে হাজার কোটি টাকার লেনদেন! ইডির তলব ডিসিপি শান্তনুকে

    Sona Pappu-Joy Kamdar Nexus: সোনা পাপ্পু ও সান গ্রুপের জয় কামদারের মধ্যে হাজার কোটি টাকার লেনদেন! ইডির তলব ডিসিপি শান্তনুকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার সকালে বেহালার বাড়ি থেকে এক ব্যবসায়ীকে আটক করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদের পর সোনা পাপ্পুর (Sona Pappu) ঘনিষ্ঠ জয় কামদারকে (Joy Kamdar) গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ভর্তি করা হয়েছে। যদিও তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে এবং একের পর এক আর্থিক লেনদেনের তথ্য উঠে আসছে তদন্তকারীদের হাতে। পাশাপাশি জয় ও সোনা পাপ্পুর নতুন সংস্থার খোঁজও মিলেছে।

    জয় কামদার-সোনা পাপ্পুর মধ্যে কোটি কোটি টাকার লেনদেন!

    ইডির হাতে উঠে এসেছে সোনা পাপ্পু ও জয়ের একাধিক সংস্থার মধ্যে কোটি টাকার লেনদেনের তথ্য। ধৃত ব্যবসায়ীর সংস্থার সঙ্গে প্রায় দেড় কোটি টাকার লেনদেন করেছে সোনা পাপ্পু। ইডি আদালতে জানিয়েছে, জয়ের নামে ‘সুপ্রিম ক্রেডিট কর্পোরেশন লিমিটেড’ নামে একটি সংস্থার অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, আরেকটি কোম্পানির খোঁজ মিলেছে এস পি কনস্ট্রাকশন নামে, যার মালিকানা রয়েছে সোনা পাপ্পুর নামে। ইডির দাবি, সেই কোম্পানির অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখে জানা যাচ্ছে, সুপ্রিম ক্রেডিট কর্পোরেশন লিমিটেডের সঙ্গে সোনা পাপ্পুর সংস্থার প্রায় দেড় কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। শুধু তাই নয়। ইডির আরও দাবি, ‘ক্যালকাটা গুজরাটি এডুকেশন সোসাইটি’ নামে একটি ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে জয় কামদার প্রায় ৪০ কোটি টাকা স্থানান্তর করেছেন। পাশাপাশি, ‘চিরাস এন্টারপ্রাইজ’ নামে আরও একটি ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে প্রায় ১১০০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে বলেও দাবি কেন্দ্রীয় সংস্থার। কামদারের ডিজিটাল ডিভাইস থেকে এই সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। অন্যদিকে, সোনা পাপ্পুর স্ত্রীর নামেও একটি সংস্থার সন্ধান মিলেছে। যদিও জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি দাবি করেন, তাঁর নামে কোনও কোম্পানি রয়েছে কি না, সে বিষয়ে তিনি অবগত নন।

    কেন ইডির নজরে জয় কামদার?

    জয় কামদার মূলত প্রোমোটিং ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, এর আগেও তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল এবং সেই সময় বিপুল পরিমাণ নগদ উদ্ধার হয়, যা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। সম্প্রতি কসবার ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে ‘সোনা পাপ্পু’-র বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে আর্থিক লেনদেনের বেশ কিছু সূত্র পায় ইডি। সেই সূত্র ধরেই সামনে আসে জয়ের নাম। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, সোনা পাপ্পু মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জয় কামদারকে একাধিকবার তলব করা হলেও তিনি হাজিরা এড়িয়ে যান। এরপরই রবিবার সকালে বেহালায় তাঁর বাড়িতে হানা দিয়ে তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

    আরজি করে ভর্তি জয় কামদার

    গ্রেফতারের পর ব্যাঙ্কশাল আদালতে নিয়ে আসার পথে অসুস্থ হয়ে পড়েন জয় কামদার। উচ্চ রক্তচাপের সমস্যার জেরেই জয় অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে জানা যাচ্ছে। আদালতে পেশ করতে না পারায় ইডির তরফে এদিন ব্যাঙ্কশাল আদালতে ধৃত ব্যবসায়ীর জেল হেফাজতের আবেদন জানানো হয়। পরে সুস্থ হলে তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জেরা করতে চায় ইডি। এদিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালীনও জয়ের ওপর নজরদারির জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানকে মোতায়েন করার আবেদন জানানো হয় আদালতে। এদিকে, সোনা পাপ্পুর সূত্র ধরে রবিবার বেহালার পাশাপাশি বালিগঞ্জেও অভিযান চালায় ইডি।

    কলকাতা পুলিশের ডিসিকে তলব ইডির

    একই দিনে কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়। শেষ খবর, শান্তনুকে সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। শুধু তা-ই নয়, পুলিশ আধিকারিকের দুই পুত্রকেও তলব করা হয়েছে। সোনা পাপ্পু এবং বেহালার প্রোমোটার জয় কামদারের সঙ্গে কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি শান্তনুর ‘যোগসূত্র’-এর ইঙ্গিত মিলেছে বলে দাবি করেছে ইডি। উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারিতে কাঁকুলিয়া রোডে গুলিচালনার ঘটনায় সোনা পাপ্পুর নাম জড়ায়। সেই ঘটনায় তাঁর কয়েকজন সহযোগী গ্রেফতার হলেও মূল অভিযুক্ত সোনা পাপ্পু এখনও অধরা।

  • I-PAC ED Probe: গ্রেফতার এক কর্তা, তলব আরও একজনকে— ইডির নজরে আইপ্যাক, বাড়ছে রাজনৈতিক চাপ

    I-PAC ED Probe: গ্রেফতার এক কর্তা, তলব আরও একজনকে— ইডির নজরে আইপ্যাক, বাড়ছে রাজনৈতিক চাপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের ঠিক আগে বিরাট চাপে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাক (I-PAC)। এক শীর্ষ কর্তাকে গ্রেফতারের পর সংস্থার আরও এক শীর্ষ কর্তা ঋষি রাজ সিং-কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। হাওয়ালা লেনদেন ঘিরে অর্থ পাচারের অভিযোগে আজ, সোমবার ২০ এপ্রিল, দিল্লিতে ইডি দফতরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে তাঁকে। সেখানে ‘অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইন’ (PMLA)-এর আওতায় তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

    ইডি হেফাজতে সংস্থার অন্যতম কর্তা ভিনেশ চান্ডেল

    ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত ভোটকুশলী সংস্থা আই-প্যাক একাধিক রাজনৈতিক দলের পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করে আসছে। বর্তমানে ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস (পশ্চিমবঙ্গ) এবং ডিএমকে (তামিলনাড়ু)-সহ বেশ কয়েকটি দলের সঙ্গে যুক্ত এই সংস্থা। আইপ্যাকের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালকদের মধ্যে রয়েছেন ঋষি রাজ সিং, ভিনেশ চান্ডেল এবং প্রতীক জৈন। এর মধ্যে ভিনেশ চান্ডেলকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে ইডি। এর আগে, প্রতীক জৈনের ভাই ও স্ত্রীকেও ডাকা হয়েছিল। তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে খবর, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংস্থা থেকে পাওয়া অর্থের হাওয়ালা লেনদেনের অভিযোগে এই তদন্ত চলছে। এরই অংশ হিসেবে গত ২ এপ্রিল বেঙ্গালুরুতে ঋষি রাজ সিং-এর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। পরে ১৩ এপ্রিল দিল্লিতে জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয় ভিনেশ চান্ডেলকে, যিনি বর্তমানে ইডি হেফাজতে রয়েছেন।

    মামলার সূত্রপাত দিল্লি পুলিশের একটি এফআইআর থেকে

    এই মামলার সূত্রপাত দিল্লি পুলিশের একটি এফআইআর থেকে। সেখানে আইপ্যাকের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, হিসাবপত্রে কারচুপি এবং সংস্থার পরিচালকদের মাধ্যমে ‘হিসাব-বহির্ভূত’ তহবিল লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়েছে। ইডির দাবি, সংস্থাটি হিসাবভুক্ত ও অঘোষিত তহবিল গ্রহণ, জামানত ছাড়াই ঋণ নেওয়া, ভুয়ো বিল ও ইনভয়েস তৈরি, তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ এবং হাওয়ালা চ্যানেলে নগদ লেনদেনের মতো একাধিক অনিয়মে জড়িত। তদন্তে আরও দাবি করা হয়েছে, প্রায় ৫০ কোটি টাকার অর্থ পাচারের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে আইপ্যাক। এই মামলার সঙ্গে কয়লা দুর্নীতি তদন্তেরও সম্ভাব্য যোগসূত্র রয়েছে বলে জানিয়েছে ইডি।

    কলকাতায় প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং আই-প্যাকের দফতরে তল্লাশি ইডির

    এর আগে, ৮ জানুয়ারি কয়লা দুর্নীতি মামলায় প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং কলকাতায় আই-প্যাকের দফতরে তল্লাশি চালায় ইডি। সেই সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিছু নথি সরিয়ে নিয়ে যান বলে অভিযোগ ওঠে। তাঁর দাবি ছিল, ইডি আসলে নির্বাচনী কৌশল সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি বাজেয়াপ্ত করার চেষ্টা করছে। এই ঘটনার জেরে ইডি মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছে এবং সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছে। এদিকে, রবিবার পশ্চিমবঙ্গে আইপ্যাক-এর কাজ ২০ দিনের জন্য বন্ধের খবর ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে জোর জল্পনা শুরু হয়। তবে, তা ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে তৃণমূল।

  • PM Modi in Jhargram: “বিনা পয়সায় খাব না”, ঝাড়গ্রামে মোদির অন্য রূপ, শিশুদের সঙ্গে ঝালমুড়ি ভাগ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi in Jhargram: “বিনা পয়সায় খাব না”, ঝাড়গ্রামে মোদির অন্য রূপ, শিশুদের সঙ্গে ঝালমুড়ি ভাগ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এর আগে তাঁকে দেখা গিয়েছিল চায়ের দোকানে। এবার প্রচারের ফাঁকে ঝালমুড়ির দোকানে ঢুকে পড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। মাত্র ১০ টাকার ঝালমুড়ি কিনে খোশমেজাজে খেতেও দেখা গেল তাঁকে। দোকান থেকে ঝালমুড়ি নিয়ে শুধু নিজেই খাননি, আশপাশে থাকা শিশুদেরও ভাগ করে দেন। কিছু সময় সাধারণ মানুষের সঙ্গে গল্পগুজব করে কাটান। তাঁকে সামনে পেয়ে ছবি তোলার হিড়িক পড়ে যায়, বিশেষ করে স্থানীয় মহিলাদের মধ্যে উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। ঝাড়গ্রামের ঝালমুড়ি খেয়ে মোদি (PM Modi in Jhargram) যে খুশি, তা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানান—একদিনে চারটি জনসভার মাঝেই এই ছোট্ট বিরতি ছিল তাঁর জন্য বিশেষ এক মুহূর্ত।

    আপনার ঝালমুড়ি খাওয়ান!

    রবিবার একটি ভিডিওতেও দেখা যায়, ঝাড়গ্রামে নির্বাচনী প্রচারের ফাঁকে ঝালুড়ির দোকানে ঢুকে পড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi in Jhargram) । তিনি বলেন, “ভাই, আমায় আপনার ঝালমুড়ি খাওয়ান।” দাম জিজ্ঞেস করলে দোকানদার জানান ১০ ও ২০ টাকার অপশন আছে। তখন তিনি নিজেই ১০ টাকার নোট এগিয়ে দেন। দোকানদার নিতে না চাইলে তিনি স্পষ্ট করে দেন—বিনা পয়সায় খাবেন না। ঝালমুড়ি মাখার সময় পেঁয়াজ খাবেন কিনা জানতে চাইলে হাস্যরসের সুরে উত্তর দেন, “হ্যাঁ, পেঁয়াজ খাই, শুধু মাথা খাই না।” এদিকে পিছন থেকে সমর্থকদের ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি শোনা যায়। ঝাড়গ্রাম স্টেডিয়ামে সভা শেষে ফেরার পথে কলেজ মোড়ের একটি দোকানের এই ছবি সবাইকে চমকে দেয়। দোকানদার বিক্রম সাউ জানান, প্রধানমন্ত্রী তাঁর নাম, পরিবার ও আয় সম্পর্কে জানতে চান এবং ঝালমুড়ি খেয়ে প্রশংসাও করেন।

    প্রতিটি সভাতেই তৃণমূলকে নিশানা

    পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী প্রচারে রবিবার একদিনে চারটি সভা করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। বাঁকুড়ার বড়জোড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদার প্রতিটি সভাতেই তৃণমূলকে নিশানা করে মোদি (PM Modi in Jhargram) জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল মহিলাদের স্বার্থ রক্ষা করতে ব্যর্থ, এবং আসন্ন নির্বাচনে মহিলারাই এর জবাব দেবেন। তিনি বলেন, “তৃণমূল মহিলাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে ৷ তারা মহিলাদের ক্ষমতায়ন ও নিরাপত্তা চায় না ৷ আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে মহিলারা তৃণমূলকে যথোপযুক্ত শাস্তি দেবে ৷”

  • I-PAC: তৃণমূল-সঙ্গ ছাড়ল আইপ্যাক, ভোটের মুখে দিশেহারা মমতার সাধের দল!

    I-PAC: তৃণমূল-সঙ্গ ছাড়ল আইপ্যাক, ভোটের মুখে দিশেহারা মমতার সাধের দল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে কার্যত গাড্ডায় পড়ে গেল তৃণমূল! ওয়াকিবহাল মহলের মতে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে (Assembly Election 2026) বিজেপির হাতে বধ হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে গড়া সাধের দল তৃণমূল। সেই কলঙ্কের কালি যাতে গায়ে না লাগে, তাই তৃণমূল-বধ নিশ্চিত জেনেই পগার পার হল তৃণমূলের পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাক (I-PAC)। জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে সমস্ত কাজ বন্ধ করে দিয়েছে আইপ্যাক।

    আইপ্যাকের বক্তব্য (I-PAC)

    নির্দিষ্ট কিছু আইনি ‘বাধ্যবাধকতা’র কথা উল্লেখ করে সংস্থার কর্মচারীদের ইমেলে কাজ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভোটকুশলী সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, আইনি ‘বাধ্যবাধকতা’র কারণে পশ্চিমবঙ্গে কাজ আপাতত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কর্মচারীদের ২০ দিনের সাময়িক ছুটিতে পাঠানো হচ্ছে। ১১ মে-র পর আবার তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে এবং পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করা হবে। ইমেলে ওই সংস্থার কর্মীদের বলা হয়েছে, ‘‘আইনকে আমরা শ্রদ্ধা করি এবং গোটা প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করছি। নির্দিষ্ট সময়ে বিচার মিলবে, আমরা নিশ্চিত।’’ আইপ্যাক কর্মীদের ধৈর্য ধরতে বলা হয়েছে। আইপ্যাকের এই সিদ্ধান্ত রাজ্যে বিধানসভা ভোটের মুখে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে বিপাকে ফেলল বলেই ধারণা ভোট-বিশেষজ্ঞদের (I-PAC)।

    আইপ্যাক কর্তা গ্রেফতার

    এ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হবে দু’দফায় – ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল। আইপ্যাক ২০ দিনের বিরতির কথা বলেছে। ভোটকুশলী এই সংস্থার এই বিরতি-পর্বেই রাজ্যে চুকে যাবে নির্বাচন-পর্ব। গড়া হয়ে যাবে নয়া সরকারও (Assembly Election 2026)। প্রসঙ্গত, কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্তের সূত্রে গত সোমবার নয়াদিল্লিতে আইপ্যাকের অন্যতম পরিচালক তথা সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিনেশ চান্দেলকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। তিনি এখন রয়েছেন কেন্দ্রীয় সংস্থার হেফাজতেই। এর আগে আইপ্যাকের কলকাতার দফতর এবং সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে হানা দিয়েছিল ইডি। তল্লাশি চলাকালীন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেখানে পৌঁছে গিয়েছিলেন। অভিযোগ, তল্লাশি চলাকালীনই বেশ কিছু নথি তিনি ফাইলে করে নিয়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন।

    চোরের মায়ের বড় গলা!

    তৃণমূল সুপ্রিমো মমতার অভিযোগ, প্রতীকের বাড়ি এবং আইপ্যাকের দফতর থেকে তাঁর দলের নির্বাচন সংক্রান্ত পরিকল্পনা, গুরুত্বপূর্ণ এবং গোপন নথি ‘চুরি’ করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এই মামলার জল গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত (I-PAC)। মামলাটি আপাতত দেশের শীর্ষ আদালতে বিচারাধীন। এহেন আবহেই পশ্চিমবঙ্গে কাজ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল আইপ্যাক। এদিকে, কেন্দ্রীয় সংস্থার এক আধিকারিক জানান, পশ্চিমবঙ্গে কয়লা কেলেঙ্কারি মামলায় তৃণমূলের রাজনৈতিক উপদেষ্টা সংস্থার ডিরেক্টরকে সোমবার রাতের দিকে আর্থিক তছরুপ বিরোধী আইনের (পিএমএলএ) আওতায় গ্রেফতার করা হয়েছে (Assembly Election 2026)। দুয়ারে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে আইপ্যাকের এহেন সিদ্ধান্তে ঘোর বিপাকে তৃণমূলের ভোট ম্যানেজাররা। এখন দেখার, তৃণমূল এবার কীভাবে পার হয় আসন্ন বিধানসভার ভোট-বৈতরণী (I-PAC)!

     

LinkedIn
Share