Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • SIR in Bengal: এখনও প্রায় ২৮ লক্ষের মতো ফর্ম আন কালেক্টড! স্পেশাল রোল অবজার্ভার নিয়োগ, কী জানাল কমিশন?

    SIR in Bengal: এখনও প্রায় ২৮ লক্ষের মতো ফর্ম আন কালেক্টড! স্পেশাল রোল অবজার্ভার নিয়োগ, কী জানাল কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী সপ্তাহেই এনুমারেশন ফর্ম (SIR in Bengal) জমা দেওয়ার শেষ দিন। এর মধ্যে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার পর্যন্ত ২৭ লক্ষ ৭১ হাজার ফর্ম আন কালেকটেড। এর মধ্যে মৃত ১৫ লক্ষ ৫৩ হাজার মৃত। খুঁজে পাওয়া যায়নি ২ লক্ষ ৬১ হাজার ভোটারকে। স্থানান্তরিত হয়েছেন ৮ লক্ষ ৮৮ হাজার। ডুপ্লিকেট বা ডবল এন্ট্রি রয়েছে ৫৮ হাজার ১৬৪ ভোটারের নাম। তাঁদের নাম খসড়ায় আসবে না। তাঁদের আলাদা তালিকা বের করবে কমিশন। শুক্রবার পর্যন্ত ডিজিটাইজড হয়েছে ৬ কোটি ৭৩ লক্ষ। আগামী ৯ ডিসেম্বর খসড়া তালিকার পর এটা প্রকাশিত হবে। একই সঙ্গে রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ করতে রোল অবজার্ভার নিয়োগ করেছে কমিশন।

    আলাদা আলাদা করে প্রকাশিত হবে তালিকা

    কমিশনের (Election Commission) তরফ থেকে জানানো হয়েছে, যাঁরা ফর্ম জমা দিয়েছেন, সবার নামই থাকবে খসড়া তালিকায়। কমিশনের ওয়েবসাইট ও সংশ্লিষ্ট বুথে তালিকা বেরোবে। মৃত বা অন্য কারণে বাদ পড়াদের তালিকা আলাদাভাবে প্রকাশ করা হবে। মৃত ভোটারদের জন্য আলাদা তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম ছিল, কিন্তু বাড়ি গিয়ে ফর্ম দিতে গিয়ে যখন বিএলও-রা দেখতে পাবেন, সেই ব্যক্তি মৃত, সেটা মার্ক করে ডিলিট করা যাবে। ২০২৫-এর তালিকায় নাম রয়েছে, অথচ নির্দিষ্ট ঠিকানায় বাড়ি গিয়ে তাঁকে খুঁজে পাওয়া গেল না, তাঁদের নাম বাদ যাবে। যাঁদের ‘ডবল এন্ট্রি’ রয়েছে, অর্থাৎ একই কেন্দ্রে বা আলাদা কেন্দ্রে নাম রয়েছে ভোটারের, সেই নাম বাদ যাবে।

    বহুতলেও হতে পারে কেন্দ্র

    একই সঙ্গে কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, আরও বেশি সংখ্যক ভোট গ্রহণ কেন্দ্র তৈরির ক্ষেত্রে নতুন ভাবনা-চিন্তা শুরু করা হয়েছে। বহুতলেও হতে পারে কেন্দ্র। ভোটের পার্সেন্টেজ বাড়ানোর জন্য এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। গোটা দেশের মতো পশ্চিমবঙ্গেও বস্তি এলাকা, উঁচু বহুতল আসান, আর গেটেড কমপ্লেক্সে নতুন ভোটকেন্দ্র তৈরি করতে হবে। আর পুরো কাজ করতে হবে কমিশনের নির্দেশ মেনেই। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে ইতিমধ্যেই সেই চিঠি এসেছে। সেই চিঠিতেই কমিশন জানিয়েছে, বিশেষ নিবিড় সংশোধনের মধ্যে ভোটার সংখ্যা বৃদ্ধি হলে সেই অনুযায়ী করতে হবে পদক্ষেপ। বাস্তবতা মাথা রেখেই বহুতল আবাসন, বস্তি, নতুন টাউনশিপের জন্য নতুন ভোটকেন্দ্র তৈরি করতে হবে। বর্তমানে রাজ্যে বুথের সংখ্যা ৮০ হাজারের সামান্য বেশি। এবার প্রায় আরও ১৪ হাজার বুথ বাড়তে চলেছে বলে খবর। সেই ক্ষেত্রের রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা আসনে বুথের সংখ্যা হতে পারে ৯৪ হাজারের বেশি।

    রোল অবজার্ভার নিয়োগ

    রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া (SIR in Bengal) আরও স্বচ্ছ ও ত্রুটিমুক্ত করতে কমিশন পশ্চিমবঙ্গের জন্য একজন স্পেশাল রোল অবজার্ভার নিয়োগ করেছে। ১৯৯০ ব্যাচের রাজ্য ক্যাডারের আইএএস সুব্রত গুপ্তকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নির্দেশও জারি হয়েছে। এবার রাজ্যের প্রতিটি জেলায় আলাদা করে নির্বাচনী রোল অবজার্ভারও নিয়োগ করেছে কমিশন। ১২টি বড় জেলার জন্য ১২ জন অভিজ্ঞ আইএএস অফিসারকে রোল অবজার্ভার পদে নিযুক্ত করা হচ্ছে। তাদের কাজ হবে-জেলা স্তরে ডিইও অর্থাৎ জেলা শাসক এবং ইআরও-দের কাজ পর্যালোচনা করা। কোথাও ভুল হলে ধরিয়ে দেওয়া এবং এসআইআরের প্রতিটি ধাপ যেন কমিশনের নির্দেশ মতো হয়, তা নিশ্চিত করা। পাশাপাশি কোনও রাজনৈতিক দলকে সিইওর সঙ্গে দেখা করতে হলে আগাম সময় চেয়ে নিতে হবে বলে বিজ্ঞপ্তিও জারি হয়।

     

     

     

     

     

  • Waqf Amendment Act: নতিস্বীকার মমতার! রাজ্যকে মানতেই হল কেন্দ্রের নতুন ওয়াক্‌ফ আইন, চুপিসাড়ে নির্দেশ নবান্নর

    Waqf Amendment Act: নতিস্বীকার মমতার! রাজ্যকে মানতেই হল কেন্দ্রের নতুন ওয়াক্‌ফ আইন, চুপিসাড়ে নির্দেশ নবান্নর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদি সরকার ওয়াক্‌ফ সংশোধন বিল পাশ করানোর পর বাংলায় প্রতিবাদ বিক্ষোভ হয়েছিল। সেই সময়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন— তিনি পশ্চিমবঙ্গে নতুন ওয়াক্‌ফ সংশোধন আইন (Waqf Amendment Act) কার্যকর হতে দেবেন না। মাস সাতেক পর অবশেষে নতিস্বীকার করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মেনে নিতে বাধ্য হলেন কেন্দ্রের নতুন আইনকে। তথ্যাভিজ্ঞ মহলের দাবি, মানতেই হত, এ ছাড়া আর কোনও উপায়ও ছিল না রাজ্যের কাছে।

    চুপিসাড়ে নির্দেশ নবান্নর

    চুপিসাড়ে রাজ্যের ওয়াক্‌ফ সম্পত্তি সংক্রান্ত সব তথ্য সেন্ট্রাল পোর্টালে আপলোড করতে সব জেলাশাসককে নির্দেশ দিল নবান্ন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সংখ্যালঘু ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের সচিব ড. পিবি সালিম এই সংক্রান্ত চিঠি পাঠান। সেখানে বলা হয়েছে, ‘umeedminority.gov.in’ পোর্টালে প্রতিটি জেলার ওয়াক্‌ফ সম্পত্তির খতিয়ান আপলোড করতে হবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে। আইন অনুযায়ী, দেশের সব নিবন্ধিত ওয়াক্‌ফ সম্পত্তির তথ্য ছয় মাসের মধ্যে পোর্টালে তুলতে হবে। এই সময়সীমা শেষ হচ্ছে ৫ ডিসেম্বর ২০২৫।

    চিঠিতে আরও জানানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে ৮২ হাজারের বেশি ওয়াক্‌ফ সম্পত্তি রয়েছে। এগুলি ৮ হাজারের বেশি ওয়াক্‌ফ এস্টেটের অধীনে। এসব সম্পত্তির তথ্য আপলোড করবেন সংশ্লিষ্ট মুতাওয়াল্লিরা। জেলাশাসকদের চারটি দিকনির্দেশও দেওয়া হয়েছে। সেগুলি হল–
    মুতাওয়াল্লি, ইমাম, মোয়াজ্জিন ও মাদ্রাসা শিক্ষকদের নিয়ে বৈঠক করে আপলোডের নিয়ম বুঝিয়ে দিতে হবে।
    শুধু অ-বিতর্কিত সম্পত্তির তথ্য আপলোড করতে হবে।
    প্রয়োজন হলে প্রযুক্তিগত সাহায্যের জন্য সহায়ক কেন্দ্র খুলতে হবে।
    সংখ্যালঘু দফতরের রাজ্যস্তরের অফিসারদের জেলায় পাঠানো হয়েছে কাজ তদারকির জন্য।

    রাজনৈতিক ভাবে তাৎপর্যপূর্ণ

    রাজনৈতিক ভাবেও এই সিদ্ধান্ত তাৎপর্যপূর্ণ। চলতি বছরের এপ্রিলের শুরুতে ওয়াক্‌ফ সংশোধনী বিল পাশ হয় সংসদের দুই কক্ষে। এরপর রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সেই বিলে স্বাক্ষর করেন। দেশজুড়ে ওয়াক্‌ফ সংশোধনী আইন (Waqf Amendment Act) লাগু হয়। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বলেছিলেন, রাজ্যে লাগু হবে না এই আইন। গত ৯ এপ্রিল একটি জৈন সম্প্রদায়ের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, “বাংলায় ওয়াক্‌ফ অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট কার্যকর হতে দেব না। মুসলমানদের ‘ডিভাইড অ্যান্ড রুল’ আমি চলতে দেব না।” তিনি আরও বলেছিলেন, “আমাদের এখানে ৩৩ শতাংশ মুসলিম আছেন। তাঁরা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এখানে থাকছেন। তাঁদের সুরক্ষা দেওয়া আমার কর্তব্য।”

    মানতেই হবে সব রাজ্যকে

    সুপ্রিম কোর্টে ওয়াক্‌ফ সংশোধনী আইনের (Waqf Amendment Act) বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়। রাজ্য এই আইনের বিরুদ্ধে আদালতে গেলেও আশানুরূপ ফল পায়নি। সংশোধিত ওয়াক্‌ফ আইনের উপর সম্পূর্ণ স্থগিতাদেশ জারি করেনি শীর্ষ আদালত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শীর্ষ আদালত ওয়াক্‌ফ সংশোধনী আইনে স্থগিতাদেশ না দেওয়ায় এই আইন মানতে হবে সব রাজ্যকে। এ ছাড়া আর কোনও উপায়ও নেই রাজ্যের কাছে। দেশের সব নিবন্ধিত ওয়াক্‌ফ সম্পত্তির তথ্য ৬ মাসের মধ্যে কেন্দ্রীয় পোর্টালে আপলোড করতে হত। এই সময়সীমা শেষ হচ্ছে আগামী ৫ ডিসেম্বর। তাই, তড়িঘড়ি রাজ্য সরকারের তরফে সব তথ্য কেন্দ্রীয় পোর্টালে আপলোড করতে বলা হল।

  • SIR in Bengal: মৃত ভোটারদের নাম বাদ দিতে তৎপর কমিশন, শুধুমাত্র অনলাইনেই নাম তুলতে পারবেন নতুন ভোটাররা

    SIR in Bengal: মৃত ভোটারদের নাম বাদ দিতে তৎপর কমিশন, শুধুমাত্র অনলাইনেই নাম তুলতে পারবেন নতুন ভোটাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর পেরোলেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। ভোটার তালিকাকে নির্ভুল রাখতে ক্রমাগত তৎপরতায় নির্বাচন কমিশন। চলছে এসআইআর (SIR in Bengal) প্রক্রিয়া। প্রাথমিক কাজ প্রায় শেষের পথে। এদিকে, এসআইআর নিয়ে নিয়ম ঘিরে বহু প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে। সদ্য কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন ভোটাররা অফলাইনে তাঁদের নাম তুলতে পারবেন না। কেবলমাত্র অনলাইনেই তাঁরা নাম তুলতে পারবেন। অনলাইনে ফর্ম-৬ পূরণ করে তাঁরা নাম তুলতে পারবেন।

    মৃত ভোটারের নাম বাদ দিতে তৎপরতা

    এতদিন পর্যন্ত অফলাইন ও অনলাইন দুই ভাবেই নাম তোলা যেত নতুন ভোটারের। এছাড়াও বৃহস্পতিবার কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, মৃত ভোটারের ফর্ম পূরণ করা হলে, কমিশন কঠোর ব্যবস্থা নেবে। ভোটার তালিকা থেকে মৃত ভোটারের নাম বাদ দিতে তৎপরতায় রয়েছে কমিশন। কোথাও যদি মৃত ভোটারের নামে এনুমারেশন ফর্ম পূরণ হয়, তাহলে যিনি পূরণ করছেন তিনি জিজ্ঞাসাবাদের কোপে পড়বেন। এছাড়াও মৃত ভোটারের নামে এনুমারেশন ফর্ম পূরণ হলে, ডিইও থেকে বিএলও সকলের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে কমিশন বলে জানানো হয়েছে। ফলত, কোনও মৃত ভোটারের নাম যাতে তালিকায় না থাকে, তা নিয়ে কড়া হতে চলেছে কমিশন। ইউআইডিএআই, কমিশনকে জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে মৃত ভোটারের সংখ্যা। সেই সংখ্যা এই প্রতিষ্ঠানের কাছে আগেই জানতে চেয়েছিল কমিশন। আপাতত জেলার ভিত্তিতে সেই তালিকা তৈরি হচ্ছে। রাজ্যের ২৪ জেলার নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে তা পাঠানো হবে।

    আধার কার্ড বাধ্যতামূলক

    কমিশন সূত্রে খবর, নতুন ভোটারদের নাম অনলাইনে তোলার ক্ষেত্রে আধার কার্ড বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এক্ষেত্রে ‘ই-সাইন’ আধার কার্ডের মাধ্যমে ওটিপি দিয়ে করা হবে। তবে নতুন ভোটারদের নাম তোলার আবেদন আগামী ৯ ডিসেম্বর এসআইআর-র খসড়া তালিকা প্রকাশের পরই করা যাবে অনলাইনে। এসআইআরে (SIR in Bengal) বহু ভোটারের নাম বাদ যাওয়ার আশঙ্কা ছড়িয়েছিল। সেই আশঙ্কাকে সত্যি প্রমাণ করে রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ম্যাচিং হওয়া ৬ কোটি ভোটারের মধ্যে প্রায় ২৬ লক্ষ ভোটারের হদিশ মিলছে না বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর। জমা পড়া এমুনারেশন ফর্মের ম্যাচিং যত এগোবে, এই সংখ্যা তত বাড়বে বলে জানাচ্ছেন কমিশনের এক কর্তা। একই সঙ্গে ম্যাচিংয়ের সময় অনলাইনে নাম না মিললে ছাপানো ভোটার তালিকার সাহায্যও নেওয়া যাবে বলে নতুন নির্দেশিকায় জানিয়েছে কমিশন।

     

     

     

     

     

     

  • SLST Tainted Candidates: হাইকোর্টের গুঁতোয় নিয়োগ দুর্নীতি কেসে দাগিদের নামের তালিকা প্রকাশ এসএসসির

    SLST Tainted Candidates: হাইকোর্টের গুঁতোয় নিয়োগ দুর্নীতি কেসে দাগিদের নামের তালিকা প্রকাশ এসএসসির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের গুঁতোয় শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় দাগিদের নামের তালিকা (SLST Untainted Candidates) প্রকাশ করেছে এসএসসি। নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির সহকারী শিক্ষকদের তালিকায় মোট ১৮০৬ জনের নাম আছে বলে জানা গিয়েছে। এই লিস্ট ২০১৬ সালের নিয়োগ তালিকা বলে জানা গিয়েছে। একই ভাবে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে এবার এসএসসি (SSC) যে নতুন করে পরীক্ষা নিয়েছে তাতে যতজন পরীক্ষা দিয়েছেন, তাঁদের সকলের ওএমআর শিট প্রকাশ করতে হবে।

    নাম, রোল নম্বর, বিষয়, পিতার নাম, জন্মতারিখ লিস্টে (SLST Untainted Candidates)

    দাগিদের প্রকাশিত তালিকায় প্রার্থীদের নামের সঙ্গে রোল নম্বর, বিষয়, অভিভাবকের নাম, জন্মতারিখও উল্লেখ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, আগে যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল সেখানে শুধু দাগিদের অযোগ্য বলে (SLST Untainted Candidates) নাম ও রোলনম্বর দেওয়া হয়েছিল। এবার বৃহস্পতিবার যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে তাতে আদালতের নির্দেশ মতো নাম, রোল নম্বর, বিষয়, পিতার নাম, জন্মতারিখ উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ২০১৬ সাল থেকে কে কে কোন কোন স্কুলে পড়িয়েছেন, সেই বিষয়েও কোনও উল্লেখ করা হয়নি। অযোগ্যরা কোন কোন স্কুলের শিক্ষক ছিলেন, তালিকায় তা কেন নেই, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ওয়াকিবহাল মহল। একই ভাবে বিচারপতি অমৃতা সিনহা নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে এসএসসিকে নিজেদের ওয়েবসাইটে যারা যারা পরীক্ষায় বসেছে তাদের নামের ওএমআরসিট প্রকাশ করতে হবে। বিচারপতি বিশেষ ডেডলাইন দিয়ে দ্রুত কার্যকর করার নির্দেশ দিয়েছেন।

    পুরাতন এবং ফ্রেশার্সদের একই সঙ্গে পরীক্ষা কেন?

    গতকাল বুধবার এবং বৃহস্পতিবার সুপ্রিমকোর্ট-হাইকোর্ট এসএসসিকে (SSC) মন্তব্য করে জানিয়েছে, নিয়োগের পরীক্ষা নিয়ে এবং পরীক্ষার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। চাকরি প্রার্থীদের মনে সংশয় এই নিয়োগে কি স্বচ্ছতা রয়েছে? ২০১৬ সালের প্যানেল বাতিলের সময় সাফ বলা হয়েছে দাগিরা যেন কোনও ভাবেই পরীক্ষায় বসতে না পারেন। অথচ পরীক্ষার এসময় এটাও বলা হয়েছিল অযোগ্য নয় এমন প্রার্থীদের পরীক্ষা নিতে হবে। তবে পুরাতন এবং ফ্রেসার্সদের একই সঙ্গে নেওয়া হবে কিনা সেই বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। সবটাই একটা গোলমালের বিষয়। তবে চাকরি প্রার্থীদের অধিকাংশের স্পষ্ট মত তৃণমূল সরকার চাকরি দিতে চায় না।

  • Suvendu Adhikari: “আপনাকে বাটি নিয়ে কালীঘাটের সামনে বসাব”, মমতার ‘ভারত হেলিয়ে দেব’ মন্তব্যের পাল্টা শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “আপনাকে বাটি নিয়ে কালীঘাটের সামনে বসাব”, মমতার ‘ভারত হেলিয়ে দেব’ মন্তব্যের পাল্টা শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আপনাকে বাটি নিয়ে কালীঘাটের সামনে বসাব।” রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঠিক এই ভাবেই আক্রমণ করলেন বিরোধীদল নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। হলদিয়ায় বিজেপির পরিবর্তন যাত্রায় অংশগ্রহণ করে মমতার “ভারত হেলিয়ে দেব” মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন শুভেন্দু। রাজ্যের নানা ক্ষেত্রে দুর্নীতি এবং অগণতান্ত্রিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে তৃণমূলকে নিশানা করেছেন তিনি। সেই সঙ্গে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে মমতাকে সরিয়ে বিজেপির সরকার গড়ার ডাকও দেন।

    মৃত মানুষের চোখও তুলে বিক্রি (Suvendu Adhikari)

    বনগাঁতে এসআইআর (SIR) বিরোধিতার কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, “আমাকে আঘাত করলে আমি সারা ভারত হেলিয়ে দেব। এটা মাথায় রেখো।” এরপর শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন, “আপনি ভারত হেলাবেন বলেছেন, আপনাকে পশ্চিমবঙ্গের লোক এপ্রিল মাসে এমন হেলাবে, এমন হেলাবে যে আপনার ভাইপো যাবে জেলে। আর আপনাকে বাটি নিয়ে কালীঘাটের সামনে বসাব। আমাদের নাম মেদিনীপুর। আপনি কাল বারাসাতে কী দেখলেন? তৃণমূল মৃত মানুষের চোখও তুলে বিক্রি করে দেয়। ভাবতে পারেন, কোন রাজ্যে বসবাস করছেন আপনারা? আমরা পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূল নেতাকে ব্যালট খেতে দেখেছি। এই সর্বভুক তৃণমূল সব খেয়ে হজম করে দিচ্ছে। তাই, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে এই চোরদের আমাদের হারাতে হবে। আমাদের সংকল্প, প্রতি হাতে কাজ। প্রতি পেটে ভাত, প্রতি মাথায় ছাদ। আমাদের সংকল্প, সোনার বাংলা। আমাদের সংকল্প কী ? টাটাকে ফেরাব বাংলায়। আমাদের সংকল্প কী? শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি আবার নতুন করে সেজে উঠুক। আমাদের সংকল্প, নারীর সুরক্ষা। আমাদের সংকল্প, কন্যা সুরক্ষা।”

    অবৈধ ভোটারদের দ্রুত তালিকা থেকে বাদ যাবে

    উল্লেখ্য, এসআইআর প্রসঙ্গে রাজ্যরাজনীতি উত্তাল! তৃণমূল কংগ্রেস প্রথম থেকেই নিবিড় তালিকা সংশোধনের বিষয়ে অপপ্রচার করছে বলে বিজেপির অভিযোগ। মতুয়া ভোটকে নিজের ঘরে টানতে মমতাবালা ঠাকুর অনশনে বসেছিলেন। একটাই দাবি ছিল তাঁর এসআইআর (SIR) হলে মতুয়াদের নাম বাদ দেবে নির্বাচন কমিশন। অথচ জাতীয় নির্বাচন কমিশন বার বার বলছে একজন বৈধ ভোটারের নাম বাদ যাবেনা। একই ভাবে কমিশন এটাও জানিয়েছে অবৈধ ভোটারদের নাম ভোটার তালিকায় থাকবে না। আর তাই অবৈধ ভোটারদের দ্রুত তালিকা থেকে বাদ দিয়ে অনুপ্রবেশকারীদের যাতে ভারতের বাইরে পাঠানো হয় সেই কথা বলেই চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

  • SIR in Bengal: রাজ্যে এখনও ২৬ লক্ষ ভোটারের নাম ম্যাপিং-এ মেলেনি! কী হবে এদের, কী বলছে কমিশন?

    SIR in Bengal: রাজ্যে এখনও ২৬ লক্ষ ভোটারের নাম ম্যাপিং-এ মেলেনি! কী হবে এদের, কী বলছে কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছর বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। রাজ্যে এসআইআর (SIR in Bengal) প্রক্রিয়া প্রায় শেষের পথে। এখন হিসেব-নিকেশের পালা। ফর্ম বিলি করার পর সংগ্রহ করার কাজও প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রায় ৬ কোটি ভোটারের ডিজিটাইজেশনের কাজ শেষ হওয়ার পথে। সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত ডিজিটাইজেশনের পর ১৪ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। আর এবার সামনে এল আরও একটি হিসেব। কমিশন (Election Commission) সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৬ লক্ষ ভোটারের ম্যাপিং হয়নি। চলতি এসআইআর প্রক্রিয়ায় বুধবার দুপুর পর্যন্ত রাজ্যে ৬ কোটির বেশি এনুমারেশন ফর্ম ডিজিটাইজেশন হয়েছে। পরবর্তী পর্যায়ে সেগুলি ম্যাপিংয়ের আওতায় আনা হয়। তাতে দেখা যায় আপাতত রাজ্যের ২৬ লক্ষ ভোটারের নাম শেষ এসআইআরের সঙ্গে ম্যাপিং করানো যাচ্ছে না।

    ম্যাপিং কী, কীভাবে হয়

    এসআইআর-এর (SIR in Bengal) নিয়ম হল, ২০০২-এর সমীক্ষার লিস্টের সঙ্গে নাম মেলাতে হবে। যদি কোনও ভোটার ২০০২-এর পরে ভোটার হয়ে থাকেন, সে ক্ষেত্রে ওই সমীক্ষার লিস্টে থাকা বাবা-মা বা দাদু-দিদার নাম মেলাতে হবে। এটাই হল ম্যাপিং। সেই ম্যাপিং-এ ২৬ লক্ষ নাম মেলেনি বলেই জানা যাচ্ছে। অর্থাৎ ৫ শতাংশের নাম মেলেনি। এ বছর প্রকাশিত সর্বশেষ ভোটার তালিকার সঙ্গে ২০০২ সালে শেষ এসআইআর-তালিকা ইতিমধ্যেই মিলিয়ে দেখা হয়েছে। দুই তালিকায় কত জনের নাম অভিন্ন, দেখা হয় তা। সঙ্গে দেখা হয়, এখনকার ভোটার তালিকায় থাকা কোনও ভোটারের মা-বাবার নাম গত এসআইআরের তালিকায় রয়েছে কি না। এই মিল পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টরা চিহ্নিত হয়ে যান এমনিতেই। এবার ম্যাপিংয়ে অন্য রাজ্যকেও জুড়ে দেওয়া হয়েছে বলে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও)-এর দফতর সূত্রে এ কথা জানা গিয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, ২০০২ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত রাজ্য ধরে ধরে বিভিন্ন পর্যায়ে দেশে এসআইআর হয়েছিল। তখনকার তালিকায় কোনও ভোটার বা তাঁর পরিবারের নাম থাকলেও, পরে তাঁরা বাংলায় চলে আসেন। ফলে সেই সব ভোটারকেও ম্যাপিংয়ে আনা প্রয়োজন। কারণ, তাঁরাও দেশের নাগরিক। তাই বাংলার সঙ্গে অন্য রাজ্যের ভোটার তালিকা মিলিয়ে দেখা হয়েছে। সেখানেই এই ২৬ লক্ষের নাম উঠে এসেছে। তবে সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে। এখনও অনেক ডিজিটাইজেশনের কাজ বাকি। তাই সংখ্যাটা যে বাড়বে তা স্বাভাবিক।

    শুনানিতে ডাকা হবে ভোটারকে

    কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, নাম মিলছে না মানেই চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ যাবে এমনটা নয়। ২০০২-এর সঙ্গে ম্যাপিং না হলে শুনানিতে ডাকা হবে সংশ্লিষ্ট ভোটারকে। তাঁকে প্রমাণপত্র বা যোগ্য ভোটার হওয়ার জন্য নথিপত্র জমা করতে হবে। তাতে যদি কমিশন সন্তুষ্ট হয়, তাহলে নতুন এসআইআর তালিকায় জায়গা পাবে ওই ভোটারের নাম, নাহলে নাম বাদ যাবে। কমিশনের বক্তব্য, যাঁদের তথ্য মিলেছে, তাঁদের আলাদা করে কোনও নথিপত্র বা প্রমাণ দাখিল করতে হবে না। কমিশনের দেওয়া আবেদনপত্র (এনুমারেশন ফর্ম) ভর্তি করলেই চলবে। যাঁদের নামের মিল বা সূত্র পাওয়া যাবে না, তাঁদের ক্ষেত্রে নথিপত্র-যাচাই করা হবে। রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা আসনে ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজারেরও বেশি। তার মধ্যে বুধবার পর্যন্ত বিলি হয়েছে ৭ কোটি ৬৪ লক্ষ ৬৮ হাজারেরও বেশি ফর্ম। অর্থাৎ, প্রায় ৯৯.৮ শতাংশ। ডিজিটাইজেশন হয়েছে ৬ কোটি ১ লক্ষ অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ৭৮ শতাংশ এনুমারেশন ফর্ম।

  • Election Commission: রাজ্যে আসছেন নির্বাচন কমিশনের ৩ কর্তা, থাকবেন এসআইআর-এর কাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত

    Election Commission: রাজ্যে আসছেন নির্বাচন কমিশনের ৩ কর্তা, থাকবেন এসআইআর-এর কাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এসআইআর (SIR) কাজ চলছে। আগামী ডিসেম্বর মাসে এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার শেষ দিন। তার আগেই রাজ্যের সিইও দফতরে তিন অফিসারকে পাঠাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। তবে নিবিড় সংশোধনী তালিকার কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদেরকে এই রাজ্যেই থাকতে হবে। তাঁরা সকলেই সিইও দফতরে নিযুক্ত থাকবেন এবং সমস্ত কাজ খতিয়ে দেখবেন। তবে এই তিন অফিসার দিল্লিত নির্বাচন সদনে কাজ করতেন বলে জানা গিয়েছে। কমিশন যে এই রাজ্যে এসআইআর-এর কাজে বিন্দুমাত্র গাফিলিতিকে বরদাস্ত করছে না সেই কথা আরও একবার প্রমাণিত হলো।

    রাজ্যে এসআর নিয়ে খুশি নয় তৃণমূল (SIR)

    জাতীয় নির্বাচন (Election Commission) দফতরের পক্ষে বলা হয়েছে, প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি বিসি পাত্র, সেক্রেটারি সৌমজিৎ ঘোষ এবং আন্ডার সেক্রেটারি ভৈরব আগরওয়ালকে পশ্চিমবঙ্গের সিইও অফিসে পাঠানো হয়েছে। তাঁরা সকলে রাজ্যের সিইও-র অধীনে কাজ করবেন। এসআইআরের কাজ সম্পূর্ণ ভাবে শেষ না হওয়া পর্যন্ত এখানেই কাজ দেখভাল করবেন। এদিকে রাজ্যে এসআর নিয়ে খুশি নয় তৃণমূল। তৃণমূল সমর্থিত বিএলও-দের একাংশ অতিরিক্ত কাজের চাপের অভিযোগ তুলে সিইও-র অফিসে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখায়। রীতিমতো অফিসের ভিতরে কয়েকজন ঢুকে অবস্থানও করে। আর তাতেই কমিশন অত্যন্ত চিন্তা ও উদ্বেগ প্রকাশ করছে দফতরের কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে। গোটা ঘটনায় কলকাতা পুলিশের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

    অ্যাকশেন টেকেন রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ

    সিইও অফিসের দফতরে নিরাপত্তা নিয়ে রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। তাতে স্পষ্ট বলা হয়েছে দুদিনের মধ্যে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। অবিলম্বে অ্যাকশেন টেকেন রিপোর্ট জমা দিতে হবে। গত ২৪ নভেম্বর হাতে রিপোর্ট পেয়েই কমিশনের এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে। কলকাতা পুলিশেকে চিঠি পাঠিয়ে কমিশন জানিয়েছে, সিইও দফতরে যে পর্যায়ে নিরাপত্তা থাকা উচিত তা খুবই কম। ফলে সিইও, অতিরিক্ত সিইও, জয়েন্ট এবং ডেপুটি সিইও সহ সকল আধিকারিকদের নিরাপত্তা অত্যন্ত সংকটের মুখে। পরিস্থিতিকে মোটেই হালকা ভাবে নেওয়ার পক্ষপাতী নয় কমিশন। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সংশোধন জরুরি এবং দফতরের ভিতরে-বাইরে যাতায়াতকারী সব কর্মীর সুরক্ষাকে আগে প্রধান্য দিতে হবে। অবিলম্বে বাড়তি ব্যবস্থা নিতে হবে। কলকাতা পুলিশকে চিঠি লিখে কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ।

  • Weather Update: বঙ্গোপসাগরে জোড়া নিম্নচাপ! কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে বাড়বে তাপমাত্রা?

    Weather Update: বঙ্গোপসাগরে জোড়া নিম্নচাপ! কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে বাড়বে তাপমাত্রা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গোপসাগরে ফের জোড়া নিম্নচাপের (Weather Update) সম্ভাবনা। ভারতীয় মৌসম ভবন জানিয়েছে, মলাক্কা প্রণালীতে ঘূর্ণিঝড় ‘সেনিয়ার’ জন্ম নিয়েছে। এবার ইন্দোনেশিয়ায় আছড়ে পড়বে এই ঘূর্ণিঝড়। তবে ঘূর্ণিঝড় সেনিয়ারের প্রভাব ভারতের মূলভূখণ্ডে পড়বে না। কিন্তু শ্রীলঙ্কা উপকূলে আরও একটি নিম্নচাপের জন্ম হয়েছে। ক্রমে ক্রমেই শক্তি বেড়ে উঠেছে। আবহাওয়া দফতরের কোনও খারাপ ইঙ্গিত না থাকলেও বঙ্গবাসীর জন্য খুব একটা ভয়ের কিছু নেই। এই মাসের শেষেই তাপমাত্রা বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।

    রাতে এবং ভোর বেলায় বেশ শীত (Weather Update)

    হাওয়া অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, আন্দামান এবং নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে প্রবল বৃষ্টির (West Bengal Weather Report) সম্ভাবনা রয়েছে। পর্যটক এবং মৎস্যজীবীদের জন্য ইতিমধ্যেই সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। তবে বাংলায় খুব একটা প্রভাব পরবে না বলে জানা গিয়েছে। দক্ষিণবঙ্গে বেশ কিছু জেলায় তাপমাত্রা সামান্য কমলেও আবহাওয়ার খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। কলকাতায় এদিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। দিনের বেলায় সামান্য শীত অনুভূত হলেও রাতে এবং ভোর বেলায় বেশ শীত অনুভূত হবে। একই ভাবে আগামী ৩-৪ দিন রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জায়গায় সকালের দিকে হালকা কুয়াশা দেখা যাবে। হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ার আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। আগামী ২ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের কোনও জেলায় বৃষ্টি হবে না।

    সকালে কুয়াশার ইঙ্গিত

    অপরদিকে উত্তরবঙ্গে আপাতভাবে বৃষ্টির (West Bengal Weather Report) কোনও সম্ভাবনা নেই। দার্জিলিংয়ে আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। সেখানে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে। কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারে সকালের দিকে কুয়াশা থাকবে। উত্তরবঙ্গের সর্বত্র যেমন— বিশেষ করে উত্তর দিনাজপুর, মালদা, দক্ষিণ দিনাজপুরে আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। এখন শীতের আমেজ, সব জেলাতেই শুষ্ক আবহাওয়া এবং তাপমাত্রা স্বাভাবিকের কাছে।

  • SIR in Bengal: এসআইআরে বাদ পড়ল আরও নাম, মঙ্গলবার পর্যন্ত সংখ্যাটা প্রায় ১৪ লক্ষ

    SIR in Bengal: এসআইআরে বাদ পড়ল আরও নাম, মঙ্গলবার পর্যন্ত সংখ্যাটা প্রায় ১৪ লক্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে চলছে এসআইআর প্রক্রিয়া (SIR in Bengal)। আগামী ৯ ডিসেম্বর নতুন খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। তার আগে প্রতিদিনই ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাচ্ছে লক্ষ লক্ষ ভোটার। মঙ্গলবার বেলা ১২টা পর্যন্ত প্রায় ১৪ লক্ষ ভোটার বাদ গিয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর। প্রতিদিন যে হারে তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ছে, তাতে সংখ্যাটা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তা নিয়ে উদ্বিগ্ন কমিশনও।

    বাদ আরও কয়েক লক্ষ নাম

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এসআইআরে সোমবার পর্যন্ত ভোটারের নাম বাদ যাওয়ার হিসাব ছিল ১০ লক্ষ। ২৪ ঘণ্টা পর তা আরও কিছুটা বেড়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১২টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্য বলছে ওই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ লক্ষ ৯২ হাজার। প্রতিদিনই লক্ষ লক্ষ এনুমারেশন ফর্ম কমিশনের সাইটে আপলোড করছেন বিএলওরা। ফলে প্রতিদিনই নাম বাদ দেওয়ার হিসেব বাড়বে। সব এনুমারেশন ফর্ম জমা হওয়ার পরে চূড়ান্ত হিসেব পাওয়া যাবে। সে ক্ষেত্রে বাদ পড়ার সংখ্যা যে অনেক বেশি হবে, তা এক প্রকার নিশ্চিত। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এদিনও বলেন, “আমি ৯৫ সাল থেকে ভোটে লড়ছি। আমি বলছি, লিখে রাখুন ১ কোটির উপর নাম বাদ যাবে। যদিও এখানে ১০০ শতাংশ এসআইআর হবে না। তারপরও এক কোটির উপর নাম বাদ যাবে। ১০০ শতাংশ হলে আর একটু বেশি নাম বাদ যেত।”

    বেশি নাম বাদ পড়তে পারে কলকাতাতেই

    গত ৪ নভেম্বর থেকে রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগামী ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত এনুমারেশন ফর্ম বিলি ও জমা নেওয়ার কাজ চলবে। সূত্রের খবর, রাজ্যের মধ্যে এখনও পর্যন্ত শতাংশের বিচারে সবচেয়ে বেশি নাম বাদ পড়তে পারে উত্তর এবং দক্ষিণ কলকাতায়। তার পরেই রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও হিসেবই চূড়ান্ত নয়। যেসব তথ্যের ভিত্তিতে নাম বাদ যাওয়ার প্রাথমিক সংখ্যা মিলছে, সেগুলি হল, মৃত ভোটার, একাধিক জায়গায় নাম, স্থানান্তরিত এবং নিরুদ্দেশ ভোটার।

  • Suvendu Adhikari: পুলিশ সংগঠনকে ভোটের কাজে না-রাখার দাবি, কেন? প্রমাণ-সহ জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: পুলিশ সংগঠনকে ভোটের কাজে না-রাখার দাবি, কেন? প্রমাণ-সহ জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের কাজে এ রাজ্যের পুলিশকে রাখা যাবে না! পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ওয়েলফেয়ার কমিটির বিরুদ্ধে দেশের মুখ‍্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নির্দিষ্ট তিন পুলিশ আধিকারিকের নাম করে এবং তাঁদের ভাষণের ভিডিয়ো পাঠিয়ে ওই অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। চিঠিতে বিরোধী দলনেতার দাবি, পুলিশ ওয়েলফেয়ার কমিটির সঙ্গে যুক্ত কাউকে যেন আগামী বিধানসভা নির্বাচনে ভোট সংক্রান্ত কোনও কাজে লাগানো না হয়।

    পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন

    মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করে দিঘার পুলিশ ওয়েলফেয়ার কমিটির (Digha Police Welfare Committee) অনুষ্ঠানের প্রসঙ্গ টানেন শুভেন্দু অধিকারী। অভিযোগ করেন, সেই অনুষ্ঠান থেকে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) প্রশংসা করা হয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাদের ভোটের কাজ থেকে বিরত রাখার দাবি জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। সম্প্রতি পুলিশকর্মীদের ওই সংগঠনের আয়োজনে পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘায় মহিলা পুলিশকর্মীদের একটি রাজ‍্য স্তরের সম্মেলন হয়েছে। সেই সম্মেলনে কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার পদমর্যাদার আধিকারিক তথা মুখ‍্যমন্ত্রীর ‘আস্থাভাজন’ হিসেবে পরিচিত শান্তনু সিং বিশ্বাস যে ভাষণ দিয়েছেন, শুভেন্দু মঙ্গলবার তার ভিডিও সাংবাদিক বৈঠক ডেকে দেখিয়েছেন। বিজিতাশ্ব রাউত নামে এক ইন্সপেক্টর এবং রুহুল আমিন আলি শাহ নামে এক সাব-ইন্সপেক্টরের ভাষণের অংশবিশেষও তিনি দেখান।

    ভিডিয়ো দেশের মুখ‍্য নির্বাচন কমিশনারকে পাঠানো হয়েছে

    শুভেন্দু জানান, ওই ভিডিয়ো দেশের মুখ‍্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার সকালেই ইমেল করে চিঠি ও ভিডিয়ো পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। সাংবাদিক বৈঠকে উল্লেখ না করলেও চিঠিতে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার সৌম্যদীপ ভট্টাচার্যের নামও। শুভেন্দু দাবি করেছেন, পুলিশ ওয়েলফেয়ার কমিটি কোনও ‘রাজনৈতিক সংগঠন’ নয়। সেই কারণেই তারা ‘রাজনৈতিক’ কথা বলতে পারে না। তাঁর কথায়, ‘‘সরকার লিখিত ভাবে এই সংগঠন তৈরি করে দিয়েছিল।’’ পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) ছাড়া অন্য কোনও রাজ্যের পুলিশ এমন আচরণ করে না বলেও দাবি করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সংযোজন, এ রাজ্যের পুলিশ নিজেদের মর্যাদা, আত্মসম্মান জলাঞ্জলি দিয়ে তৃণমূল সরকারের (TMC Govt) হয়ে এমন কাজ করছেন।

    পুলিশকে ভোটের ডিউটিতে রাখা যাবে না

    পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে শুভেন্দু সাফ জানান, ওঁদের সরিয়ে নির্বাচন করতে হবে। দলদাস পুলিশকে ভোটের ডিউটিতে রাখা যাবে না। বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘‘ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচনী আচরণবিধি কার্যকর হয়ে যাবে বলে ধরে নিতে পারি। তখন থেকে শুরু করে ভোট সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ওয়েলফেয়ার কমিটির সঙ্গে যুক্ত কেউ যাতে ভোটের কাজের সঙ্গে প্রত‍্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে না থাকে, আমরা তা কমিশনকে নিশ্চিত করতে বলেছি।’’ তাঁর বক্তব্য, কমিশন যাতে এখন থেকেই বিকল্প ব‍্যবস্থার কথা ভেবে নিতে পারে এবং তার প্রস্তুতি নিতে পারে, সে কথা মাথায় রেখে আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর হওয়ার তিন মাস আগেই তিনি কমিশনকে ওই বিষয়ে অবহিত করে রাখলেন। শুভেন্দুর কথায়, ‘’কেন্দ্রীয় বাহিনী সব কাজ পারবে না। কিছু কাজ পুলিশকেই করতে হয়। সেই কাজ অন‍্য রাজ‍্য থেকে পুলিশ এনে করাবে নাকি অন‍্য কোনও ব‍্যবস্থা করবে, তা নির্বাচন কমিশন এখন থেকে ভেবে নিক।’’

LinkedIn
Share