Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Nitin Nabin: “পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশ বানানোর ষড়যন্ত্র চলছে”, মমতা সরকারকে আক্রমণ নিতিন নবীনের

    Nitin Nabin: “পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশ বানানোর ষড়যন্ত্র চলছে”, মমতা সরকারকে আক্রমণ নিতিন নবীনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম পশ্চিমবঙ্গ সফরে এলেন নিতিন নবীন (Nitin Nabin)। ভোটমুখী পশ্চিমবঙ্গে নতুন সর্ব ভারতীয় সভাপতি  বিজেপির কর্মী সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক অনুপ্রেরণা দেবেন বলে মনে করছেন অভিজ্ঞ মহল। বঙ্গের মাটিতে পা রেখেই তিনি বঙ্গভূমিকে প্রণাম জানান। রাজা রামমোহন রায়, ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর, রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর, মহানায়ক উত্তম কুমার সহ বিশিষ্টজন এবং বঙ্গের সংস্কৃতির প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধা জানান। বুধবার দুর্গাপুরের (Durgapur) মাটি থেকেই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের রাজনৈতিক স্বৈরাচার এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে চরম নিশানা করেন তিনি। নিতিন বলেন, “শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতিতে জড়িয়ে কিছু নেতা জেলে আছেন, কিছু নেতা বেলে আছেন। যারা বেলে আছেন তাঁদেরও জেলে যেতে হবে। কাউকে ছেড়ে কথা বলা হবে না, সে যেই হোক।”

    সনাতনীদের বাঁচতে হবে (Nitin Nabin)

    হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে নিতিন নবীন (Nitin Nabin) বলেন, “শক্তির আরাধনা দুর্গাপুজো থেকে হয়। সেটা এই বাংলা থেকে পুরো দেশে পৌঁছয়। কিন্তু মায়ের পুজোও বন্ধ করার চেষ্টা করে এই সরকার। আমি বলতে পারি, আজান পড়ার সময় কোনও সমস্যা হয় না তবে দুর্গার আরাধনার সময় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয়। এটা কোনও হিন্দু বরদাস্ত করবে না। আমরা পরম্পরা রক্ষায় যে কোনও বলিদান দেব। এখানে ভৌগলিক অবস্থান বদলের চেষ্টা চলছে। তামিলনাড়ুতে দীপমে পুজো করার জন্য প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে আজানের জন্য। সেখানকার সরকার ইন্ডি জোটে রয়েছে। এরা এই পুজো রোধ করার জন্য কোর্ট পর্যন্ত চলে গিয়েছে। আদালত বলল পুজো হবে, তখন বিচারপতিকে সরাতে ইমপিচমেন্টের জন্য কংগ্রেসের আর তৃণমূলের নেতারা একজোট হয়ে গেল। সনাতনীদের বাঁচাতে হবে। বাংলার পাশাপাশি আমরা ভারতের সংস্কৃতিকে বাঁচানোর লড়াই লড়ছি।”

    ডিএম, এসডিও- সরকারি আমলাদের হুঁশিয়ারি

    নিতিন নবীন বলেন, “ডিএম-এসডিওদের বলছি, এটা চারদিনের সরকার। এদের কথায় নাচবেন না। কাঠের পুতুল হবেন না। আপনারা প্রশাসনের লোক, জনতার পাশে দাঁড়ান। বিজেপি কর্মীদের বলছি, আমাদের সাধারণ মানুষের ঘরে-ঘরে পৌঁছে জানাতে হবে তৃণমূলের দুর্নীতির কথা। আর দিদিকে বলছি, এখন থেকে বাংলার রাজনীতিতে যে অরাজকতা তৈরি করেছেন, বাংলার জনতা আপনার উল্টো গোনা শুরু করেছে। এখন ওই দিন দূরে নেই বাংলার বিকাশে বিজেপি পাশে থাকবে।”

    কোন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের স্থান নেই

    বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন (Nitin Nabin) বলেন, “এসআইআর নিয়েও খেলা করছে। এখন দিল্লি গিয়ে কাঁদবে। এসপি, ডিএমদের কাঠের পুতুলের মতো নাচাচ্ছেন আর এখানকার মানুষদের খেলাচ্ছেন আর বলছেন নির্বাচন কমিশন করছেন? কমিশন তো অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াতে চাইছে। যাঁদের জন্ম বাংলায়, যাঁরা এই বাংলার মাটিতে রয়েছেন তাঁদেরই বাংলার অধিকার মিলবে। বাংলাদেশ থেকে আসা কোনও অনুপ্রবেশকারীকে থাকার অধিকার দেওয়া হবে না।”

    পশ্চিমবঙ্গে জঙ্গলরাজের অবসান

    জঙ্গলরাজের প্রসঙ্গ টেনে নিতিন নবীন (Nitin Nabin) বলেন, “এখানকার তৃণমূলের বিধায়ক-মন্ত্রীরা তোলাবাজি করেন। পূর্বের সরকারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সময় আপনি বাংলার মানুষদের আশ্বাস দিয়ে বলেছিলেন সমস্ত দুর্নীতি আপনি রোধ করবেন। কিন্তু এখন তার থেকে বড় কারখানা আপনি খুলেছেন, যেখানে তোলাবাজি আর দুর্নীতি ক্রমাগত তৃণমূলের বিধায়ক আর মন্ত্রীরাই করে চলেছেন। স্পষ্টভাবে বলছি, আমরা অনেক রাজ্যেই এমন জঙ্গলরাজ ধ্বংস করে দিয়েছি। উত্তরপ্রদেশ-বিহারেও আগের সরকারকে উৎখাত করেছি। এবার বাংলার সময়। জনগণ তৈরি হোন, বিজেপির কর্মকর্তারাও তৈরি হন এই সরকারকে উপড়ে ফেলার সময় এসে গিয়েছে।কোনও বিজেপি কর্মী চিন্তা করবেন না, এক একজন বিজেপির কর্মকর্তার পিছনে পুরো বিজেপি পরিবার রয়েছে। আপনারা সংঘর্ষ করুন খালি।”

    মহিলাদের সুরক্ষা দেননি

    রাজ্যের মহিলা সুরক্ষা এবং শিল্পের সম্ভাবনার কথা মনে করিয়ে দিয়ে বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি (Nitin Nabin) বলেন, “আমি যখন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছি, দুর্গাপুরে শিল্পাঞ্চলে আগে বিভিন্ন জায়গা থেকে যুবরা চাকরির জন্য আসতেন। মমতার সরকার আসার সময় যুবদের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন ইন্ডাস্ট্রি হবে, কিন্তু হয়নি। আর এখন চাকরির খোঁজে অন্য রাজ্যে যাচ্ছে এই শহরের যুবরা। যে সিঙ্গুরে আন্দোলন করেছিলেন, এখন সেখানকার লোক দুঃখে আছেন। কারণ সেখানে কিছুই উন্নয়ন করেননি। মহিলাদের সুরক্ষা দেননি, যুবকরা পালিয়ে যাচ্ছে, এর দোষী কে?

    আমরা দেখেছি এই দুর্গাপুরে (Durgapur) কীভাবে ধর্ষণ হয়েছে। আর তারপর এখানকার সরকার অপরাধীদের বাঁচিয়ে যাচ্ছে। ধর্ষণ নিয়ে কী ধরনের মন্তব্য করা হয়েছে তা সব দেখেছি। আমি ওই মানসিকতার বিরোধিতা করি। আমি তীব্র নিন্দা করছি মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের, উনি বলেছিলেন সন্ধেবেলা বেরনোর প্রয়োজনীতা কী মহিলাদের। বাংলার মহিলারা আধুনিকা। তাঁরাই বাংলার সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তাঁদেরই ঘরে থাকতে বলছেন?”

    বাংলাদেশ বানানোর চেষ্টা

    বাংলাদেশকে কোন শক্তি পরিচালিত করছে এই ভাবনার কথা উস্কে দিয়ে নিতিন নবীন (Nitin Nabin) বলেন, “বাংলাকে ফের বাংলাদেশ বানাতে চাইছে। অনুপ্রবেশকারীদের ঢোকানোর সরকার এখানে রয়েছে। ওরা চাইছে বাংলাকে বাংলাদেশে নিয়ে যায়। আমরা যে কোনও বলিদান দিতে প্রস্তুত, তবে কোনও ভাবেই বাংলাকে বাংলাদেশ বানাতে দেব না। তাই এই সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন প্রস্তুত করুন। মমতা সরকারকে স্পষ্ট বলছি, তৃণমূলের গুণ্ডারা যেভাবে মহিলাদের সুরক্ষা নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে, এটা হতে পারে না। আমাদের কার্যকর্তারা প্রস্তুত রয়েছে মহিলাদের সুরক্ষা দেওয়ার জন্য।”

  • ECI: তিন ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষকের বদলির নির্দেশ প্রত্যাহার করতে রাজ্যকে নির্দেশ কমিশনের

    ECI: তিন ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষকের বদলির নির্দেশ প্রত্যাহার করতে রাজ্যকে নির্দেশ কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন করে সংঘাত তৈরি হয়েছে ভারতের নির্বাচন কমিশন (ইসিআই) (ECI) এবং পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের মধ্যে। এসআইআর প্রক্রিয়ার মধ্যে তিনজন ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষকের (IAS Officers) বদলির নির্দেশ প্রত্যাহার করতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর কাছে নির্দেশ পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনের সচিব সুজিত কুমার মিশ্র মুখ্যসচিবকে লেখা চিঠিতে জানান, ওই বদলির নির্দেশ অবিলম্বে বাতিল করতে হবে এবং ভবিষ্যতে এই ধরনের কোনও নির্দেশ জারি করার আগে নির্বাচন কমিশনের আগাম অনুমোদন নিতে হবে।

    বদলির নির্দেশ বাতিল করতে হবে (ECI)

    সম্প্রতি রাজ্য সরকার আইএএস আধিকারিক স্মিতা পাণ্ডে, অশ্বিনী কুমার যাদব এবং রণধীর কুমারকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে দফতর বদলির নির্দেশ জারি করেছিল। চিঠিতে বলা হয়েছে, “বদলির নির্দেশগুলি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। ভবিষ্যতে এই ধরনের কোনও নির্দেশ জারি করার আগে নির্বাচন কমিশনের আগাম অনুমোদন নিতে হবে।” এছাড়াও চিঠির ৪ নম্বর অনুচ্ছেদের উল্লেখ করে বলা হয়েছে, এসআইআর চলাকালীন মুখ্যসচিবকে নিশ্চিত করতে হবে যে কমিশনের পূর্বানুমোদন ছাড়া এসআইআর প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত কোনও আধিকারিককে বদলি করা যাবে না। চিঠিতে আরও বলা হয়, “কমিশন ২৭.১০.২০২৫ তারিখের চিঠির মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর ঘোষনা করেছে। ওই চিঠির ৪ নম্বর অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, এসআইআর চলাকালীন কমিশনের পূর্বানুমোদন ছাড়া এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত কোনও আধিকারিককে বদলি করা যাবে না।”

    নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য

    নির্বাচন কমিশন আরও জানিয়েছে, “২৮.১১.২০২৫ তারিখের চিঠির মাধ্যমে কমিশন ডিভিশনাল কমিশনারদের সঙ্গে ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে। এসআইআর (IAS Officers) পরিচালনার জন্য এই আধিকারিকদের নির্বাচন কমিশনে ডিমড ডেপুটেশনে পাঠানো হয়েছে।” চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কমিশনের নজরে এসেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার ০১.১২.২০২৫, ২০.০১.২০২৬ এবং ২১.০১.২০২৬ তারিখের বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে যথাক্রমে অশ্বিনী কুমার যাদব, আইএএস উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরের ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষক, রণধীর কুমার, আইএএস উত্তর ২৪ পরগনা ও কলকাতা উত্তরের ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষক, এবং স্মিতা পাণ্ডে, আইএএস পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান ও বীরভূমের ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষক – এই তিন আধিকারিকের দফতর বদলির নির্দেশ জারি করেছে (ECI)।

    কমিশনের অনুমোদন ছাড়াই বদলি!

    চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, “এই বদলিগুলি নির্বাচন কমিশনের পূর্বানুমোদন ছাড়াই করা হয়েছে, যা ২৭.১০.২০২৫ তারিখের কমিশনের নির্দেশের সরাসরি লঙ্ঘন। উপরোক্ত পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী এই বদলির আদেশ অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। ভবিষ্যতে এই ধরনের কোনও নির্দেশ জারি করার আগে কমিশনের আগাম অনুমোদন নিতে হবে। এ বিষয়ে গৃহীত পদক্ষেপের রিপোর্ট ২৮.০১.২০২৬ তারিখ বিকেল ৩টার মধ্যে কমিশনে পাঠাতে হবে।” এর আগেও নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য প্রশাসনের মধ্যে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, যখন মুর্শিদাবাদ জেলা প্রশাসন ফারাক্কা বিডিও অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগে তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ২৪ ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও এফআইআর দায়ের করেনি (IAS Officers)।

    উল্লেখ্য, গত বছর অগাস্ট মাসে নির্বাচন কমিশন বারুইপুর পূর্ব এবং ময়না বিধানসভা কেন্দ্রে ১২৭ জন ভুয়ো ভোটার নথিভুক্তির অভিযোগে চার সরকারি আধিকারিক এবং এক চুক্তিভিত্তিক কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। এই চার আধিকারিকের মধ্যে ছিলেন বারুইপুর পূর্বের ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ইআরও) দেবোত্তম দত্ত চৌধুরী, ময়নার ইআরও বিপ্লব সরকার, বারুইপুরের সহকারী ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (এইআরও) তথাগত মণ্ডল, ময়নার এইআরও সুদীপ্ত দাস (ECI)। চুক্তিভিত্তিক ডেটা এন্ট্রি অপারেটর সুরজিৎ হালদারের বিরুদ্ধেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। যদিও রাজ্য সরকার সুরজিৎকে আগেই সাসপেন্ড করেছে, তবে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত এফআইআর দায়ের করা হয়নি।

  • Suvendu Adhikari: “আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ড ম্যান মেড”, প্রশাসনের গাফিলতি, ব্যর্থতা নিয়ে মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ড ম্যান মেড”, প্রশাসনের গাফিলতি, ব্যর্থতা নিয়ে মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডকে (Anandapur Fire) ম্যান মেড তত্ত্ব দিয়ে তৃণমূল সরকারের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটলেও রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলেন না। সেখানে দেখা গেল বিদ্যুৎমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে। এই প্রশ্নই শাসক দলের বিরুদ্ধে জনরোষ এখন তীব্র আকার ধারণ করেছে। সরকার কীভাবে এই রকম একটি অগ্নিকাণ্ড বিষয়ে চুপচাপ বসে থাকতে পারে? অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।

    জলাভূমির চরিত্র বদলে ফেলা হয়েছে (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ড (Anandapur Fire) কোনও দুর্ঘটনা নয়। এই সরকারের গাফিলতির ফল। এটি কোনও সাধারণ দুর্ঘটনা নয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের দীর্ঘদিনের গাফিলতি, অযোগ্যতা এবং শাসন ব্যবস্থার সম্পূর্ণ ব্যর্থতার সরাসরি পরিণতি। প্রশাসনিক নজরদারির অভাবের ফলেই নিয়ম-কানুন উপেক্ষিত হয় এবং শেষ পর্যন্ত এমন ভয়াবহ প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। পূর্ব কলকাতার জলাভূমির চরিত্র বদলে ফেলা হয়েছে। রাজ্যে কারখানা বলে কিছু নেই। বেআইনি নির্মাণ রুখতে সম্পূর্ণ ভাবে ব্যর্থ এই সরকার। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারানো নিরীহ শ্রমিকেদের পরিবারগুলোর প্রতি আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি। আন্তরিক সমবেদনা জানাই। সব মিলিয়ে ৮ জনের মৃত্যু খবর পাওয়া গিয়েছে। তবে আগামী সময়ে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ২০ জনের বেশি নিখোঁজ রয়েছেন বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। অনেক মৃত দেহকে সঠিক ভাবে শনাক্ত করা যায়নি।”

    জরুরি বেরনোর পথ ছিল না

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, “অগ্নিকাণ্ডে মৃত ও নিখোঁজ অধিকাংশ পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরের বাসিন্দা। নিহতদের অধিকাংশই ছিলেন অত্যন্ত তরুণ এবং তাঁদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। তাঁদের বড় অংশ তো বড় অংশই পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলার বাসিন্দা। আনন্দপুরের (Anandapur Fire) নাজিরাবাদ এলাকায় এই মানবসৃষ্ট বিপর্যয় ঘটেছে পূর্ব কলকাতা জলাভূমি অঞ্চলে, যেখানে বেআইনিভাবে জমির চরিত্র বদলে দেওয়া হয়েছে। একেরপর অবৈধ শিল্প ইউনিট গড়ে উঠেছে। সরকারি বিধিনিষেধকে অমান্য করে অবৈধ নির্মাণের জন্যই এই বিরাট অগ্নিকাণ্ড। দাহ্য পদার্থে ভর্তি তালাবদ্ধ গুদামের ভেতরে মানুষ আটকে পড়েছিলেন। সেখানে কোনও জরুরি বেরনোর পথ ছিল না, সংকীর্ণ গলির কারণে উদ্ধারকাজে ব্যাহত হয়েছে। ঘটনাস্থলে আগুন নেভানোর কোনও সরঞ্জামও ছিল না। ফলে প্রশ্ন উঠেছে-এটা কীভাবে সম্ভব হল? কলকাতার একেবারে কাছেই এত বিপজ্জজনক গুদামে শ্রমিকদের রাত কাটাতে বাধ্য করা হল? কেউ কীভাবে কিছু জানতে পারলেন না কেন? রাজ্যের দমকল দফতর, অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা কোথায় ছিল? একাধিক নানা প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু অধিকারী।”

    ৩০ ঘণ্টার পর কেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু?

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) দমকলমন্ত্রীকে তোপ দেগে বলেন, “৩০ ঘণ্টারও বেশি সময় পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। যাঁর বাড়ি ওই এলাকা থেকে মাত্র এক ঘণ্টার দূরত্বে। অথচ তিনি নির্লজ্জভাবে প্রশ্ন তোলেন, কেন মানুষ গুদামের ভেতরে ছিল। লজ্জাজনক! প্রশ্ন তোলার বদলে তাঁর প্রশাসনের উচিত ছিল এর উত্তর দেওয়া। এই ঘটনার সম্পূর্ণ দায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের উদাসীনতা, দুর্নীতি ও অপশাসনের ওপরই বর্তায়। এএমআরআই হাসপাতাল থেকে বড়বাজার, আর এবার আনন্দপুর (Anandapur Fire)—একটির পর একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটছে, অথচ কোনও শিক্ষা নেওয়া হচ্ছে না, কোনও দায়ও স্বীকার করা হচ্ছে না। এটাই পশ্চিমবঙ্গের ‘নো গভর্নমেন্ট’-এর প্রমাণ।”

    আগুন লাগিয়ে জমি দখল!

    উল্লেখ্য আনন্দপুরের (Anandapur Fire) মতো রাজ্যে প্রত্যেকবার শীতের মরশুমে ঝুপড়ি, ছোট ছোট গুদাম, কারখানা এবং বস্তি এলাকায় বারবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সম্প্রতি বড়বাজার, বাগরি মার্কেট, গড়িয়াহাট, সখের বাজার, খিদিরপুর, মঙ্গলাহাট সহ একাধিক এলাকায় বড় বড় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। একই ভাবে বেআইনি নির্মাণের ফলে অধিক ঘন বসতি, বিদ্যুৎ চুরি, শর্ট সার্কিটের ঘটনায় বার বার আগুন লাগানোর ঘটনা পুরসংস্থা, দমকল বাহিনী, অগ্নিনির্বাপক সরঞ্জামের ব্যবহার ঠিক ভাবে করা হয় না বলে বিরোধীরা তৃণমূলের বিরুদ্ধে বার বার অভিযোগ তুলেছে। একবার আগুন লাগিয়ে এলাকা দখলের গভীর ষড়যন্ত্রের সঙ্গেও যুক্ত থাকেন তৃণমূলের নেতারা। মুখ্যমন্ত্রী বারবার প্রতিশ্রুতি দিলেও কথা এবং কাজের সঙ্গে মিল নেই বলে মনে করছেন অভিজ্ঞ মহল।

  • Calcutta High Court: ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার বসাতে কড়া নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার বসাতে কড়া নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া বসানোর কাজ নিয়ে রাজ্যের গাফিলতিতে কড়া অবস্থান নিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থ সারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে রাজ্যকে সীমান্তবর্তী ন’টি জেলায় কাঁটাতার বসানোর জন্য প্রয়োজনীয় জমি বিএসএফের (BSF) হাতে তুলে দিতে হবে। আদালত জানিয়েছে, এই জমি অধিগ্রহণের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যেই টাকা মিটিয়ে দিয়েছে এবং অধিগ্রহণ প্রক্রিয়াও শেষ হয়েছে। অথচ এখনও পর্যন্ত সেই জমি বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হয়নি। অবিলম্বে জমি হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়ে আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এসআইআর প্রক্রিয়ার অজুহাত আর গ্রহণযোগ্য নয়।

    জমি অধিগ্রহণ (Calcutta High Court)

    এছাড়া যে সব জমির অধিগ্রহণ এখনও রাজ্য মন্ত্রিসভার অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে, সে সংক্রান্ত বিষয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের বক্তব্য শোনার পর আদালত পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে। জাতীয় নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে আইন অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে সীমান্ত এলাকায় জমি অধিগ্রহণ সম্ভব কি না, সে বিষয়ে সব পক্ষকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। ২ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানি। এই মামলাটি দায়ের করেছিলেন প্রাক্তন সেনাকর্মী সুব্রত সাহা। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যে অবস্থিত ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তের একাংশ দিয়ে অবাধে বেআইনি চোরাচালান ও অনুপ্রবেশ চলছে এবং সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া না থাকায় তার দায় রাজ্যের ওপরই বর্তায়। এর আগের শুনানিতে রাজ্যের জমি অধিগ্রহণ দফতরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারিকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। মঙ্গলবার রাজ্য সরকার জানায়, সীমান্তে জরুরি ভিত্তিতে কাঁটাতার বসানোর জন্য কেন্দ্র যে ১৮১ কিলোমিটার জমির অধিগ্রহণ বাবদ অর্থ দিয়েছে, সেই জমি আগামী মার্চ মাসের মধ্যেই বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হবে। সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত ৩১ মার্চকে ডেডলাইন হিসেবে স্থির করে দেয়।

    আদালতের প্রশ্ন

    এই মামলায় অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল অশোক চক্রবর্তী আদালতে জানান, বিষয়টি সরাসরি জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত। আইন অনুযায়ী জেলা কালেক্টর জরুরি পরিস্থিতিতে জমি অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। মামলাকারীর আইনজীবী তখন উল্লেখ করেন, ২০১৩ সালের জমি অধিগ্রহণ আইনের ৪০ নম্বর ধারা অনুযায়ী জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে জরুরি ভিত্তিতে জমি অধিগ্রহণ করা যায়। তবে প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, “যতই জরুরি অবস্থা হোক, কালেক্টর কি এককভাবে সেই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন? (BSF)” রাজ্যের পক্ষে আইনজীবী শীর্ষাণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় জানান (Calcutta High Court), ২০১৩ সালের নির্দিষ্ট জমি অধিগ্রহণ নীতিকে অগ্রাহ্য করে রাজ্যের পক্ষে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। প্রধান বিচারপতি বলেন, “জাতীয় নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে একাধিকবার আলোচনা সত্ত্বেও অধিগ্রহণ না হলে কেন ৪০ নম্বর ধারা প্রয়োগ করা হচ্ছে না?”

    জমি অধিগ্রহণের জন্য বরাদ্দ টাকা পাওয়া সত্ত্বেও বিএসএফের হাতে জমি হস্তান্তর না হওয়ার বিষয়ে রাজ্যের আইনজীবী জানান, ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। যদিও কিছু জেলায় এক–দু’মাস অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে। দক্ষিণ দিনাজপুরে মে মাসে, জলপাইগুড়িতে জুনে এবং মুর্শিদাবাদে জুন মাসের মধ্যে জমি হস্তান্তরের কথা জানানো হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় ঘন ঘন জমির মালিকানা বদলের কারণেই এই বিলম্ব হচ্ছে বলে আদালতে দাবি করে রাজ্য। পাশাপাশি, বাকি যে জমিগুলি অধিগ্রহণ করা প্রয়োজন, সেগুলিও বর্তমানে প্রক্রিয়ায় রয়েছে বলে জানানো হয়েছে (Calcutta High Court)।

     

  • Kolkata Air Pollution: ধূলিকণার সঙ্গে মিশছে বিষাক্ত গ্যাস! কেন কলকাতায় বায়ুদূষণ লাগামহীন?

    Kolkata Air Pollution: ধূলিকণার সঙ্গে মিশছে বিষাক্ত গ্যাস! কেন কলকাতায় বায়ুদূষণ লাগামহীন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    নতুন বছরের প্রথম মাসেই বারবার কলকাতার বাতাস উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। রাজ্যের রাজধানীর বাতাসে যে হারে দূষণ বাড়ছে, তাতে স্বাস্থ্য সঙ্কট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। কলকাতার বাতাসে শুধুই ধূলিকণা নয়, উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বিষাক্ত গ্যাসের দাপট। যা আরও বড় বিপদ তৈরি করতে পারে। এমনটাই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। বারবার কেন কলকাতার বায়ুদূষণ লাগামহীন হয়ে উঠছে সে নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। আর প্রশ্ন উঠছে প্রশাসনের সক্রিয়তা নিয়েও। সাম্প্রতিক এক গবেষণা কলকাতার বায়ুদূষণ নিয়ে উদ্বেগজনক তথ্য সামনে এনেছে। সংশ্লিষ্ট মহল জানাচ্ছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কড়া পদক্ষেপ না নিলে, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়বে।

    কী বলছে সাম্প্রতিক তথ্য?

    সম্প্রতি এক সর্বভারতীয় সংস্থা কলকাতা সহ দেশের বিভিন্ন বড় শহরের বায়ুদূষণ নিয়ে সমীক্ষা ও গবেষণা চালায়। সেই গবেষণাতেই কলকাতার বায়ুদূষণ নিয়ে মারাত্মক তথ্য উঠে‌ আসছে। দেখা গিয়েছে, এই শহরের বাতাসের গুণমান খারাপ হওয়ার নেপথ্যে শুধুই ধূলিকণা নেই। বরং রয়েছে বিষাক্ত গ্যাস। শীতের মরশুমে কলকাতার বাতাসে বিষাক্ত গ্যাসের দাপট বেড়েছে। আর তাই নতুন বছরের প্রথম মাসেই বারবার লাগামহীন বায়ুদূষণ জানান দিচ্ছে। কলকাতার বাতাসে অতিরিক্ত পরিমাণ নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড, কার্বন মোনো অক্সাইড, গ্রাউন্ড লেভেল ওজোন, কার্বন ডাই অক্সাইডের মতো ক্ষতিকারক গ্যাসের উপস্থিতি রয়েছে। যা কলকাতার বায়ুদূষণ নিয়ে বাড়তি উদ্বেগ তৈরি করছে। সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশ জানাচ্ছেন, দেশের বিভিন্ন শহরে বায়ুদূষণের প্রধান কারণ হয় বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ বেড়ে যাওয়া। কিন্তু কলকাতায় বায়ুদূষণের কারণ শুধুই ধূলিকণা নয়। বরং এই বিষাক্ত গ‌্যাসের দাপট। ফলে, জনস্বাস্থ্যে এর প্রভাব আরও গভীর ও ক্ষতিকারক।

    কেন কলকাতার বাতাসে বিষাক্ত গ্যাসের দাপট বেড়েছে?

    বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ জানাচ্ছেন, কলকাতার বাতাসে বিষাক্ত গ্যাসের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ অনিয়ন্ত্রিত ভাবে শহরের বিভিন্ন জায়গায় বর্জ্য পোড়ানো। চলতি শীতের মরশুমে তাপমাত্রার পারদ পতন অনেকখানি হয়েছিল। আর শীতের হাত থেকে রেহাই পেতে শহর জুড়ে একাধিক জায়গায় বর্জ্য জ্বালানো হয়েছে। এর ফলে বাতাসে নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড, কার্বন মোনো অক্সাইড, গ্রাউন্ড লেভেল ওজোন গ্যাসের মতো বিষাক্ত গ্যাসের পরিমাণ বেড়েছে। এমনকি একটি বিষাক্ত গ‌্যাসের সঙ্গে আরেকটি গ্যাস মিশে আরও ক্ষতিকারক উপাদান তৈরি হয়েছে। ফলে কলকাতার বায়ুদূষণ লাগামহীন হয়ে উঠছে।

    কলকাতার বায়ুদূষণ কেন বাড়তি উদ্বেগ বাড়াচ্ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দূষণের জেরে স্বাস্থ্য সঙ্কট তৈরি হয়। কলকাতায় যে হারে বায়ুদূষণ বাড়ছে তা স্বাস্থ্য সঙ্কট তৈরি করছে। বিশেষত শুধু ধূলিকণা নয়। বাতাসে বিষাক্ত গ্যাসের যে হারে উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে, তাতে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল। বাতাসের বিষাক্ত গ্যাস শ্বাসনালী, বক্ষঃনালী, ফুসফুসের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াবে। ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেবে। হাঁপানি, শ্বাসকষ্টের মতো রোগের দাপট বাড়বে। এমনকি ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকিও কয়েক গুণ বেড়ে যাবে। এই পরিস্থিতির জেরে শিশুদের ভোগান্তি সবচেয়ে বেশি হবে বলেই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। খুব কম বয়স থেকেই শ্বাসকষ্ট, সিওপিডি-র মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়বে। এমনকি নিউমোনিয়ার মতো রোগের দাপট ও বাড়বে। এমনটাই আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    প্রশাসনের ভূমিকা কেন প্রশ্নের মুখে?

    পরিবেশবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, কলকাতার বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন রয়েছে। শহর জুড়ে নির্মাণ কাজ চলে। বড় বড় বহুতল তৈরি হয়। কিন্তু অধিকাংশ জায়গায় সেই নির্মাণ কাজে কিছুই ঢাকা দেওয়া থাকে না। এমনকি পুরসভাও সে নিয়ে নজরদারি চালায় না।‌ ফলে বাতাসে ধূলিকণার পরিমাণ বেড়ে যায়। যা বাতাসকে দূষিত করে। আবার যত্রতত্র বর্জ্য পোড়ানো নিয়েও পুর কর্তৃপক্ষের কড়া পদক্ষেপ নজরে পড়ে না।‌ দেশের বিভিন্ন বড় শহরের বর্জ্য পুনঃব্যবহারযোগ্য করার জন্য নানান প্রক্রিয়া চলে। কলকাতায় এখনো যত্রতত্র বর্জ্য পোড়ানোর ঘটনা জানান দিচ্ছে, এই শহরে রিসাইকেল প্রক্রিয়া একেবারেই ঠিকমতো চলে না। ফলে, শহর জুড়ে বিষাক্ত গ্যাসের দাপট বাড়ছে। যা রাজ্যবাসীর বিপদের কারণ হতে পারে। সাধারণ মানুষকে বায়ুদূষণ নিয়ে সতর্ক করার পাশপাশি বায়ুদূষণ রুখতে প্রশাসনের সক্রিয়তা জরুরি। তবেই কলকাতার বাতাস ‘শুদ্ধ’ হয়ে উঠতে পারবে।

  • Saraswati Puja: তৃণমূলের তুষ্টিকরণের রাজনীতি, সরস্বতীপুজো বন্ধ একাধিক জায়গায়

    Saraswati Puja: তৃণমূলের তুষ্টিকরণের রাজনীতি, সরস্বতীপুজো বন্ধ একাধিক জায়গায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের তুষ্টিকরণের রাজনীতির বিষবৃক্ষে ফলতে শুরু করেছে বিষময় ফল! তার জেরে এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল-শাসিত (TMC) রাজ্যের একাধিক জায়গায় ব্যাহত হয়েছে বার্ষিক হিন্দু উৎসব সরস্বতী পুজো (Saraswati Puja)। শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি ছিল সরস্বতী পুজো। উত্তর ২৪ পরগনার কামারহাটি শহরে শাসক দল তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে বাধা সৃষ্টি হয় সরস্বতী পুজোয়।

    তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে মন্দিরে তালা (Saraswati Puja)

    সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেলঘরিয়া সর্বজনীন শ্রীশ্রী দুর্গা চৌক সোসাইটি মন্দিরটিতে তৃণমূলের এক গোষ্ঠী তালা ঝুলিয়ে দেয়। এর ফলে স্থানীয় হিন্দু মহিলারা সরস্বতীর আরাধনা করতে পারেননি। সমস্যার সমাধান করতে পারেননি সংশ্লিষ্ট টিএমসি কাউন্সিলরও। পুলিশ জানিয়েছে, টিএমসির বিবদমান দুই গোষ্ঠী কোনও সমঝোতায় না পৌঁছনো পর্যন্ত তারা তালা ভাঙবে না বা হস্তক্ষেপ করবে না। স্থানীয় এক মহিলা বলেন, “আমরা চাই এই মন্দিরটি সকলের জন্য একটি সাধারণ উপাসনাস্থল হোক। এখানে একটি মাত্র তালা থাকবে, যার দুটি চাবি থাকবে, একটি ওদের কাছে, অন্যটি আমাদের কাছে।” আর এক মহিলা বলেন, “এটি কোনও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। এটি সবার।”

    পুজো বন্ধ কলেজ-স্কুলেও

    এদিকে, দক্ষিণ কলকাতার সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত যোগেশচন্দ্র চৌধুরী কলেজের এক ছাত্রী জানান, সরস্বতী পুজোর আয়োজন করার জন্য তাঁদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ, হুমকি দেওয়া টিএমসি নেতার নাম দাউদ আলম মোল্লা। ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে ওই ছাত্রী বলেন, “দাউদ আলম মোল্লা বাইরে দাঁড়িয়ে রয়েছে। সে আমায় হুমকি দিয়েছে যে সে আমার এলএলএম (LLM) নষ্ট করে দেবে।” উল্লেখ্য, যোগেশচন্দ্র চৌধুরী ল’ কলেজই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা টিএমসি সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী (TMC), কীভাবে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য তৃণমূল ছাত্র পরিষদের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ শব্বির আলি সরস্বতী পুজোর আয়োজন করলে ছাত্রছাত্রীদের ধর্ষণ ও খুনের হুমকি দিয়েছিলেন।

    এদিন, কোচবিহার জেলার দিনহাটা কলেজে টিএমসির দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হলে সরস্বতী পূজার মণ্ডপ পরিত্যক্ত হয়ে যায়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে তলব করা হয়। খবর পেয়ে দিনহাটা থানার ওসি এবং এসডিপিও কলেজ চত্বরে পৌঁছন (Saraswati Puja)। পুজোয় অংশ নিতে আসা হিন্দু ভক্তদের নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে এলাকা ছেড়ে পালাতে বাধ্য করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া দৃশ্যে দেখা যায়, শাসক দলের দুষ্কৃতীরা কলেজ ক্যাম্পাসকে কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত করেছে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বারাসত শহরের আর একটি ঘটনায়, স্কুল চত্বরে সরস্বতী পুজো আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হয়নি হিন্দু ছাত্রছাত্রীদের। জানা গিয়েছে, ওই স্কুলে ৫০ শতাংশের বেশি মুসলিম ছাত্রছাত্রী থাকায় পুজোর অনুমতি নাকচ করা হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ আধিকারিকরা ছাত্রছাত্রীদের দেবী সরস্বতীর পুজো করতে বাধা দিচ্ছেন।

    ফুটপাতে পুজোর আয়োজন!

    শেষ পর্যন্ত হিন্দু ছাত্রছাত্রীদের স্কুল প্রাঙ্গণের বাইরে, ফুটপাতে পুজোর আয়োজন করতে বাধ্য করা হয় (Saraswati Puja)। প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তি বলেন, “তারা বলেছে, এই স্কুলে হিন্দুরা সংখ্যালঘু হওয়ায় এখানে পুজো করা যাবে না। পশ্চিমবঙ্গে থাকা হিন্দুদের অবস্থা আর বাংলাদেশের হিন্দুদের অবস্থার মধ্যে কোনও পার্থক্য নেই (TMC)।” তিনি এও বলেন, “পুলিশ দেবী সরস্বতীকেও স্কুল থেকে বের করে দিয়েছে, ফলে ছাত্রছাত্রীদের রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে ফুল দিতে হয়েছে।” এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। টুইট-বার্তায় তাঁর প্রশ্ন, “পশ্চিমবঙ্গ কি এখন বাংলাদেশে পরিণত হয়েছে?” তিনি এও লেখেন, “এই ঘটনা আমাদের একটি বিষয় শেখায়, যদি হিন্দুরা সংখ্যালঘু হয়ে যায়, তাহলে তাদের সঙ্গে কেমন আচরণ করা হবে।” উপরোক্ত চারটি ঘটনা স্থানীয় একাধিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে প্রায়ই যেমন দেখা যায়, হিন্দুদের অধিকার সংক্রান্ত বহু খবরই মূলধারার সংবাদমাধ্যমে উপেক্ষিত থেকে যায়। তাই সরস্বতী পুজো ব্যাহত হওয়ার ঘটনার সংখ্যা (TMC) কয়েক ডজন ছাড়িয়ে গেলেও আশ্চর্য হওয়ার কিছু থাকবে না (Saraswati Puja)।

  • SIR in Bengal: রাজ্যে আসছেন আরও ২৯৪ সিনিয়র মাইক্রো অবজারভার, কী ভাবছে নির্বাচন কমিশন?

    SIR in Bengal: রাজ্যে আসছেন আরও ২৯৪ সিনিয়র মাইক্রো অবজারভার, কী ভাবছে নির্বাচন কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এসআইআর-এর (SIR in Bengal) কাজে স্বচ্ছতা ও দ্রুততা আনতে ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড এবং বিহার থেকে ২৯৪ জন সিনিয়র মাইক্রো অবজারভার আসছেন বাংলায়। রাজ্যের কাজে আর কোনওরকম ভরসা করতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। অগত্যা তাই স্ক্রুটিনি ও নিখুঁত ভোটার তালিকা তৈরি করার জন্য নির্বাচন কমিশন এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে খবর।

    কেন এই পদক্ষেপ

    পশ্চিমবঙ্গ-সহ মোট ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে (State and Union Territory) এই মুহূর্তে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের কাজ চলছে, যাকে বলা হচ্ছে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর (SIR in Bengal)। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, কমিশনের থেকে নির্দেশ পাওয়ার পরেই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল তিন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের চিঠি পাঠিয়েছিলেন ২৯৪ জন আধিকারিককে এই রাজ্যে পাঠানোর জন্য। যাদের সিনিয়র মাইক্রো অবজারভার হিসেবে কাজে ব্যবহার করা হবে রাজ্যের এসআইআর এর চূড়ান্ত পর্যায়ে। আগামী সোমবারের মধ্যে এই ২৯৪ জন আধিকারিক রাজ্যে এসে পৌঁছে যাবেন এবং প্রত্যেকেই ২৯৪ টি এলাকার ইআরওদের সঙ্গে মিলে কাজ করবেন। একদিকে স্ক্রুটিনি, অন্যদিকে নিখুঁত ভোটার তালিকা তৈরি করার জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশন এই রাজ্যের ওপর আর কোনওরকমেই ভরসা করতে পারছে না। সেই কারণেই নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে খবর।

    সিনিয়র মাইক্রো অবজারভার নিয়োগের নির্দেশ

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে রাজ্য সরকারের কাছে ডেটা এন্ট্রি অপারেটরের জন্য বারংবার চিঠি দিলেও পর্যাপ্ত সংখ্যক লোক দিতে পারেনি রাজ্য সরকার। সেই কারণেই রাজ্যে চলা এসআইআর (SIR in Bengal) এর কাজে অনেক বড় সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়েছে নির্বাচন কমিশনকে। তাই আর সময় নষ্ট না করে এবং কোনওভাবেই রাজ্যের ওপর ভরসা না করে নির্বাচন কমিশন (Election Commission) সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের ২৯৪ টি বিধানসভা ক্ষেত্রে ২৯৪ জন সিনিয়র মাইক্রো অবজারভারকে নিয়োগ করার। অন্যদিকে সুপ্রিম কোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছে শনিবার লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ করতে হবে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরকে। সেখানেও দেখা দিয়েছে বড় সমস্যা। এখনও পর্যন্ত সব তালিকা প্রস্তুত নেই জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের কাছে। খুব স্বাভাবিকভাবেই তাই রাজ্যের প্রত্যেকটি জেলায় এই তালিকা শনিবার কতটা প্রকাশ পায় সেটাও একটা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের কাছে।

  • Election Commission: গাফিলতি দেখলেই পদক্ষেপ করতে পারবেন সিইও! বিএলও-দের কড়া হুঁশিয়ারি নির্বাচন কমিশনের

    Election Commission: গাফিলতি দেখলেই পদক্ষেপ করতে পারবেন সিইও! বিএলও-দের কড়া হুঁশিয়ারি নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুথ লেভেল অফিসারদের (BLO) কড়া বার্তা দিল দিল্লির নির্বাচন সদন (Election Commission of India)। পশ্চিমবঙ্গকে (West Bengal) সামনে রেখেই এই হুঁশিয়ারি বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অর্থাৎ সিইও-দের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠল। বিধি মেনেই সব রাজ্যের সিইও-দের সেই এক্তিয়ার দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ইতিমধ্যেই সব রাজ্যের সিইও-দের কাছে চিঠি করেছেন। কোনও বিএলও-র বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে আইন অনুযায়ী দ্রুত পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    বিএলও-দের গাফিলতিতেই ভুল

    বিএলও-দের বিরুদ্ধে আরও কড়া কমিশন (Election Commission)। নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষণ, পশ্চিমবঙ্গে একাধিক ক্ষেত্রে বিএলওদের ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত ভুলের কারণে সাধারণ মানুষের কাছে কমিশনকে দোষী হতে হচ্ছে। ভোটার তালিকা সংশোধন ঘিরে বিভ্রান্তি, অভিযোগ আর অসন্তোষ বাড়ছে পাল্লা দিয়ে। এই পরিস্থিতিতে আর নরম মনোভাব নয়, স্পষ্ট নির্দেশ পাঠানো হল দিল্লি থেকে। নির্দেশিকায় পরিষ্কার করে বলা হয়েছে, ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন (Representation of the People Act, 1950) অনুযায়ী বিএলওরা সম্পূর্ণভাবে নির্বাচন কমিশনের অধীনস্থ কর্মচারী। তাঁদের দায়বদ্ধতা একমাত্র কমিশনের প্রতিই। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, অনেক জায়গায় কমিশনের নির্দেশিকা উপেক্ষা করে নিজের মতো করে কাজ করছেন তাঁরা। এই প্রবণতা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।

    কমিশনের কাছে দায়বদ্ধ

    যদি কোনও বিএলও কোনও ধরনের অনিয়ম বা গাফিলতিতে যুক্ত থাকেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচনী আধিকারিক বা ডিইও (District Election Officer), যিনি পদাধিকার বলে জেলাশাসক (District Magistrate), তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজন হলে ওই বিএলওর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিশনের বক্তব্য, ভোটার তালিকা সংশোধনের মতো সংবেদনশীল কাজে কোনও ঢিলেমি নয়। নিয়ম ভাঙলে তার দায় নিতে হবে সংশ্লিষ্ট আধিকারিককেই। এবার থেকে সিইও-রা নিজে থেকেই স্বতঃপ্রণোদিতভাবে পদক্ষেপ করতে পারেন। এর মধ্যে সাময়িক বরখাস্ত, বিভাগীয় তদন্ত শুরু করা বা এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দিতে পারেন সিইও। এত দিন সিইও-কে বাদ রেখে জাতীয় কমিশন সিদ্ধান্ত নিত৷ এবার সেই স্বাধীনতা দেওয়া হল সিওকে। চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে, কোনও বিএলও-র বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা, গাফিলতি, অসদাচরণ, কমিশনের (Election Commission) নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে অমান্য করা, কিংবা ভোটার নিবন্ধন বিধি অমান্য করলে, তাঁর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে পারেন সিইও। পাশাপাশি, কোনও এসআইআর-এর কাজে বিএলও-দের ওপর হামলার অভিযোগ উঠলেও তৎক্ষণাৎ এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • SSC Corruption: চরম চাপে তৃণমূল! এসএসসি দুর্নীতি মামলায় জীবনকৃষ্ণের সাড়ে ৫৭ কোটির বেশি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত

    SSC Corruption: চরম চাপে তৃণমূল! এসএসসি দুর্নীতি মামলায় জীবনকৃষ্ণের সাড়ে ৫৭ কোটির বেশি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC Corruption) নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বড়সড় পদক্ষেপ নিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। টাকা নিয়ে চাকরি বিক্রি করার অপরাধে তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা (Jibankrishna-Prasannas) এবং মামলায় মিডলম্যান হিসেবে চিহ্নিত প্রসন্নকুমার রায়ের বিপুল সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ইডি সূত্রে খবর এখনও পর্যন্ত মোট ৫৭ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

    অযোগ্য প্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন (SSC Corruption)

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে খবর, বাজেয়াপ্ত তালিকায় রয়েছে নগদ টাকা, হোটেল, রিসর্ট-সহ একাধিক স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি। অযোগ্য প্রার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া টাকার সঙ্গে এই সব সম্পত্তির যোগসূত্র রয়েছে। তবে সম্পত্তি যে কেবল নিজের নামেই কিনেছেন তা নয়, আত্মীয় পরিজনদের নামেও কিনেছেন অভিযুক্তরা। এমন কি নানা ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানেও ব্যবহার করেছেন।

    ২০২৩ সালে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (SSC Corruption) মুর্শিদবাদের বড়ঞার তৃণমূল বিধাক জীবনকৃষ্ণ সাহাকে (Jibankrishna-Prasannas) গ্রেফতার করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই সময় নিজের মোবাইল পুকুরে ফেলে শিরোনামে উঠে এসেছিলেন। পরে অবশ্য জামিনে মুক্ত হয়েছেন। তবে তদন্ত থেমে ছিল না। ২০২৫ সালের অগাস্ট মাসে ফের একবার গ্রেফতার করা হয় জীবনকৃষ্ণকে। তবে এইবার গ্রেফতার হয়েছেন ইডির হাতে। এবার ফোন ফেলে দেন পাশের নর্দমায়। সেখান থেকে তা উদ্ধার করেন গোয়েন্দারা। পাঁচিল টপকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও রেহাই মেলেনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে।

    প্রসন্ন রায়ের বাজেয়াপ্ত ১ কোটির বেশি

    অপর দিকে এসএসসিতে শিক্ষক দুর্নীতি মামলায় (SSC Corruption) প্রসন্নকুমার রায়কে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। আর্থিক দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার করেছে ইডি। প্রসন্ন বর্তমানে জেল হেফাজতে। তদন্তে ইডি বিভিন্ন সংস্থার অ্যাকাউণ্ট ২৬ কোটি ১ লক্ষ ৮৯ হাজার ৬৭২ টাকা থাকা সন্ধান মিলেছে। প্রসন্নের অবশ্য দাবি সব অর্থের উৎস কৃষিকাজ। তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, গ্রেফতার হওয়া বিধায়ক জীবন কৃষ্ণ সাহা (Jibankrishna-Prasannas) এই দুর্নীতির অন্যতম মাস্টারমাইন্ড। তিনি গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি এবং সহকারী শিক্ষক পদে বেআইনি নিয়োগের জন্য সংগৃহীত অর্থ সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।

  • Kolkata Air Pollution: কলকাতার বাতাসে বিষাক্ত গ্যাসের দাপট! শিশু এবং বয়স্কদের বাড়ির বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ

    Kolkata Air Pollution: কলকাতার বাতাসে বিষাক্ত গ্যাসের দাপট! শিশু এবং বয়স্কদের বাড়ির বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধূলিকণা বা পার্টিকুলেট ম্যাটার নয়, বরং শহরের বাতাসের গুণমাণ নষ্ট করার নেপথ্যে খলনায়ক বিষাক্ত গ্যাস। নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (NO₂) এবং গ্রাউন্ড-লেভেল ওজোন (O₃)-এর মতো ক্ষতিকারক গ্যাসগুলি কলকাতার বাতাসকে (Kolkata Air Pollution) বিষিয়ে তুলছে। শহরের বায়ুদূষণের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ জায়গায় পৌঁছেছে। বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন মেয়র ফিরহাদ হাকিমও। তিনি বলেছেন, দিল্লি এবং কলকাতার কারণে দূষণ বাড়ছে। দু’টি শহরের কাছে কোনও সমুদ্র নেই। ফলে যে দূষণ তৈরি হচ্ছে, তা বসে যাচ্ছে। দক্ষিণা বাতাস না থাকায় সেই দূষণ শহর থেকে বেরিয়ে যেতে পারছে না। ফলে বায়ু দূষণের মাত্রা এই জায়গায় পৌঁছেছে।

    কলকাতার দূষণ মানতে বাধ্য হল পুরসভা

    পরিবেশবিদদের মতে, কলকাতার দূষণ কখনোই মানতে চাননি পুরসভার কর্তারা। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে কার্যত মেয়র বাধ্য হলেন কলকাতা পুরসভায় পরিবেশ নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ডাকতে। গত কয়েকদিন ধরে শহরের বায়ুদূষণের অবস্থা ক্রমশ খারাপ হয়েছে। বায়ু দূষণের সূচক অনুযায়ী, বাতাসের দূষণের মাত্রা ক্রমশ খারাপ হয়েছে। বুধবার রেল বিকাশ নিগম লিমিটেড, কলকাতা পুরসভা, কলকাতা পুলিশ, পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদকে নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়। সম্প্রতি ‘রেস্পাইরার লিভিং সায়েন্সেস’-এর (Respirer Living Sciences) একটি সমীক্ষায় এই উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে । তাদের ‘অ্যাটলাস একিউ’ (Atlas AQ) প্ল্যাটফর্মের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে, ২০২৫ সালে মোট ৮২ দিন এমন ছিল, যখন বাতাসের গুণমান সূচক বা একিউআই (AQI) নিয়ন্ত্রিত হয়েছে মূলত বিষাক্ত গ্যাসের দ্বারা। অর্থাৎ, পার্টিকুলেট ম্য়াটার বা ধূলিকণার থেকেও এই দিনগুলিতে বাতাসে গ্যাসের প্রকোপ ছিল বেশি। এই পরিসংখ্যান স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, কলকাতার দূষণ এখন আর একমুখী নয়, বরং তা ‘মাল্টি-পলিউট্যান্ট’ বা বহু উপাদান-নির্ভর হয়ে উঠছে। সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী, ওই ৮২ দিন ধূলিকণা প্রধান দূষক ছিল না, তার মধ্যে ৬৮ দিনই বাতাসে নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইডের আধিপত্য ছিল। ১২ দিন দাপট দেখিয়েছে গ্রাউন্ড-লেভেল ওজোন এবং ২ দিন কার্বন মনোক্সাইড। তবে বছরের বাকি দিনগুলিতে অবশ্য ধূলিকণাই ছিল প্রধান। ১৬৬ দিন পিএম ১০ (PM10) এবং ১১৭ দিন পিএম ২.৫ (PM2.5) ছিল দূষণের মূল কারণ ৷ কিন্তু গ্যাসের এই ক্রমবর্ধমান দাপট নতুন করে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে পরিবেশবিদদের কপালে।

    স্বাস্থ্য ঝুঁকির সম্মুখীন শহরবাসী

    রেস্পাইরার লিভিং সায়েন্সেস-এর সিইও রৌনক সুতারিয়া বলেন, “আমরা প্রায়শই বাতাসের গুণমান বা একিউআই বলতে শুধুই ধূলিকণা-জনিত দূষণকে বুঝি । কিন্তু তথ্য বলছে পরিস্থিতি আরও জটিল। শহরবাসীরা এমন সব স্বাস্থ্য ঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছেন, যা শুধুমাত্র ধূলিকণার হিসেব দিয়ে বোঝা সম্ভব নয়।” তিনি সতর্ক করে জানান, শহরগুলি যদি দূষণকে শুধুমাত্র ধূলিকণার সমস্যা হিসেবে দেখে, তবে জনস্বাস্থ্যের উপর যে বড় বিপদ ঘনিয়ে আসছে, তার একটা বড় অংশ অদেখা থেকে যাবে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বাতাসে নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড বাড়লে শ্বাসনালীতে প্রদাহ, হাঁপানির টান বাড়া এবং বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। অন্যদিকে, গ্রাউন্ড-লেভেল ওজোন ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে।

    কেন এই অবস্থা

    বসু বিজ্ঞান মন্দিরের অধ্যাপক অভিজিৎ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “এবছর তাপমাত্রা কম থাকায় মানুষ উষ্ণতার জন্য প্রচুর পরিমাণে বর্জ্য, প্লাস্টিক এবং বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম পুড়িয়েছেন। এর ফলে কার্বন মনোক্সাইড এবং ক্যানসার সৃষ্টিকারী পলিনিউক্লিয়ার অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন বাতাসে মিশছে, যা গুরুতর শ্বাসকষ্টের কারণ।” তিনি আরও জানান, এই দূষকগুলি একে অপরের সঙ্গে মিশে ‘পারোক্সিয়াসিটাইল নাইট্রেট’ (PAN) তৈরি করে, যা এবছর শীতের সকালে দেখা দেওয়া ধোঁয়াশার অন্যতম কারণ ৷ বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধুমাত্র ধূলিকণা কমানোর চেষ্টা করলেই হবে না, বিষাক্ত গ্যাস নিয়ন্ত্রণেও অবিলম্বে বহুমুখী কৌশল বা ‘মাল্টি-পলিউট্যান্ট স্ট্র্যাটেজি’ নেওয়া প্রয়োজন ৷ পাশাপাশি বর্জ্য পোড়ানো বন্ধ করতে কড়া নজরদারির পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা।

    দূষণের কারণ ও জনস্বাস্থ্যের সতর্কতা

    শহরের (Kolkata Air Pollution) ডানলপ, উল্টোডাঙা, মৌলালি, রবীন্দ্র সরোবর এবং হাওড়া ব্রিজ সংলগ্ন এলাকাগুলিকে ‘হটস্পট’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কেবল আবহাওয়ার কারণে শহরের দূষণ বাড়ছে, তেমনটা নয়। যানবাহনের ধোঁয়া, নির্মাণ কাজের ধুলো এবং স্থানীয় কলকারখানার ধোঁয়া কলকাতার দূষণের মূল কারণ। যার জেরে তাপমাত্রা বাড়লেও দূষিত বাতাস মাটি থেকে উপরে উঠতে পারছে না। এর ফলে সাধারণ মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। বিশেষ করে শিশু এবং বয়স্কদের এই সময়ে বাড়ির বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

    দূষণ কমাতে নির্দেশ

    কলকাতা পুলিশকে (Kolkata Air Pollution) মেয়র নির্দেশ দিয়েছেন, দূষণ যাচাই সংক্রান্ত সার্টিফিকেট যে গাড়িগুলিতে নেই, সেগুলি নিয়ে কড়া ব্যবস্থা নিতে হবে। গাড়িগুলিকে ভালভাবে পরীক্ষা করতে হবে। দীর্ঘক্ষণ গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকায়, এখানে যেভাবে ধোঁয়া বেরোচ্ছে, তাতে দূষণ তৈরি হচ্ছে। দ্রুত গাড়িগুলিকে রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করাতে হবে। যানজট মুক্ত করতে হবে। একইসঙ্গে কলকাতা পৌরসভার আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, রাস্তায় বালি যাতে না পড়ে থাকে। পাশাপাশি, রাস্তায় যত্রতত্র নির্মাণ সামগ্রী পড়ে থাকছে। যেখান থেকে ধুলো উড়ে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে বলে মত পরিবেশবিদদের। একইসঙ্গে নির্মীয়মান আবাসন বা নির্মাণের কাজ চললে সেগুলোকে বাইরে দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। কাপড় দিয়ে বা নির্দিষ্ট আচ্ছাদন দিয়ে ঢেকে না রাখলে, কাজ বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মেয়রের তরফে। অপরদিকে, রেল বিকাশ নিগম লিমিটেডকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, শহর জুড়ে একাধিক জায়গায় মেট্রোর কাজ চলছে। বেশ কিছু জায়গায় খোঁড়ার কাজ হয়েছে। লাইন বসানো হচ্ছে। কিন্তু সেগুলো নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে হচ্ছে না। ঠিকমতো ঢেকে না রাখার জেরে, সেই জায়গাগুলি থেকে ধুলো উড়ে পরিবেশ দূষণ তৈরি হচ্ছে। একইসঙ্গে শহরে স্প্রিংকলার এবং ফগ ওয়াটার মেশিন ব্যবহার করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শহর জুড়ে জল স্প্রে করে দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে মেয়র জানিয়েছেন। প্রয়োজনে শহরে আনাচে-কানাচে জলের ট্যাঙ্ক রাখা হবে। সেখান থেকে জল সরবরাহ করে স্প্রে করা হবে।

LinkedIn
Share