Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • WB Assembly Election 2026: বঙ্গে ‘বিবেচনাধীন’ ভোটারের সংখ্যা আরও কমল, দাঁড়াল ৪০ লাখের কাছাকাছি

    WB Assembly Election 2026: বঙ্গে ‘বিবেচনাধীন’ ভোটারের সংখ্যা আরও কমল, দাঁড়াল ৪০ লাখের কাছাকাছি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে ‘বিবেচনাধীন’ ভোটারের সংখ্যা আরও কমল (WB Assembly Election 2026)। এই সংখ্যাটা ছিল ৬০ লাখের কাছাকাছি। সোমবার পর্যন্ত কতজনের তথ্য নিষ্পত্তি হয়ে যাচ্ছে (CEO), তা জানিয়ে দিল রাজ্যের সিইও-র দফতর। জানা গিয়েছে, এই সংখ্যাটা কমবেশি ২০ লাখ। অর্থাৎ, বাকি প্রায় ৪০ লক্ষের মতো। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে নিষ্পত্তির কাজ করছেন ৭০৫ জন বিচারপতি। কমিশন জানিয়েছে, তারাও চায়, বিবেচনাধীনের তালিকায় থাকা বাকি ভোটারদের তথ্যের নিষ্পত্তি হোক দ্রুত। এক সপ্তাহের মধ্যেই বিবেচনাধীন প্রথম অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।

    এসআইআর ছাঁকনিতে আটকে যাঁরা (WB Assembly Election 2026)

    এ রাজ্যে এসআইআর নামক ছাঁকনিতে আটকে গিয়েছিল ৬৩ লাখ ভোটারের নাম। এঁদের অনেকে মৃত, কেউ অন্যত্র চলে গিয়েছেন, কেউ আবার গরহাজির, কারও আবার অন্য জায়গায় নাম রয়েছে। এছাড়াও বিবেচনাধীন ছিলেন ৬০ লাখ ৬ হাজার ৬৭৫ জন ভোটার। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এঁদের নথি খতিয়ে দেখছেন ওই বিচারকরা। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানান, এখনও পর্যন্ত ২০ লাখ ভোটারের তথ্যের নিষ্পত্তি হয়েছে।

    বিবেচনাধীন ভোটার

    এসআইআরের প্রথম দফার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর দেখা গিয়েছিল, রাজ্যে সব চেয়ে বেশি সংখ্যক বিবেচনাধীন ভোটার রয়েছে মুর্শিদাবাদ এবং মালদায়। প্রকাশিত তালিকায় দেখা গিয়েছে, মালদায় ভোটার সংখ্যা ২৯ লাখ ৮৬ হাজার ২০৩। বিবেচনাধীন তালিকায় রয়েছেন ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮০ জন। প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মোতাবেক তালিকা নিয়ে ভোটারদের কোনও অভাব-অভিযোগ থাকলে বিচার করবে ট্রাইব্যুনাল (WB Assembly Election 2026)। এই ট্রাইব্যুনালে থাকবেন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ও কয়েকজন বিচারক। তালিকা নিষ্পত্তির জন্য কলকাতা হাইকোর্ট যেসব বিচারককে দায়িত্ব দিয়েছে, তাতে হস্তক্ষেপ করতে বারণ করেছে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ।

    রবিবারই বঙ্গে নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। তার পরেই প্রশ্ন ওঠে, বিবেচনাধীন তালিকায় থাকা ৬০ লাখের কিছু বেশি ভোটারের তথ্য যাচাই করে নিষ্পত্তি করতে আর কতদিন সময় পাবেন বিচারকরা। কমিশন সূত্রে খবর, নির্দিষ্ট কেন্দ্রের মনোনয়ন জমা (CEO) দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ভোটার তালিকায় যাঁদের নাম উঠবে, তাঁরাই পারবেন ভোট দিতে (WB Assembly Election 2026)।

     

  • West Bengal Elections 2026: ‘টাকার বিনিময়ে আসন বিক্রি’! কোথাও গণইস্তফা, কোথাও জ্বলল আগুন, প্রার্থী ঘোষণা হতেই তৃণমূলে শুরু বিদ্রোহ

    West Bengal Elections 2026: ‘টাকার বিনিময়ে আসন বিক্রি’! কোথাও গণইস্তফা, কোথাও জ্বলল আগুন, প্রার্থী ঘোষণা হতেই তৃণমূলে শুরু বিদ্রোহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৭ মার্চ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে তৃণমূল। আর এই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন দিকে শাসকদলের অন্দরে শুধু হয়েছে চাপানউতোর। কারও অভিযোগ, টাকার বিনিময়ে আসন বিক্রি হয়েছে। কেউ বলছেন, দল তাঁকে ব‍্যবহার করে তেজপাতা করে দিয়েছে। কেউ টিকিট না পেয়ে ‘তৃণমূল হারবে’ বলে দলকে হুঁশিয়ারিও দিয়ে রাখলেন। কেউ আবার বিদ্রোহ ঘোষণা করে ছাড়লেন দল! সব মিলিয়ে প্রার্থীতালিকা নিয়ে চরম বিড়ম্বনায় তৃণমূল।

    তমলুকে ইস্তফা সাংগঠনিক জেলা মহিলা সভানেত্রীর

    দলের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে পদ ছাড়ার কথা ঘোষণা করলেন পূর্ব মেদিনীপুরের তৃণমূল কংগ্রেসের মহিলা নেত্রী শিবানী দে কুণ্ডু। নন্দকুমার পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতিও তিনি। তমলুক সাংগঠনিক জেলা মহিলা সভানেত্রীও তিনি। মঙ্গলবার রাতেই সোশ্যাল মিডিয়াতে পদ ছাড়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। শিবানী দে কুণ্ডুর দাবি, জেলায় মহিলা প্রার্থীদের গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এই কারণেই পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, মহিলাদের ৫০% আসন সংরক্ষণের কথা দল বললেও কার্যক্ষেত্রে তা দেখা যায়নি। এই কারণেই পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন শিবানী। বুধবারেই পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পদ থেকে অব্যাহতি নেবেন বলেও সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানিয়েছেন নন্দকুমার পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি।

    আরাবুল-শওকত নিয়ে ভাঙড়-ক্যানিংয়ে অস্বস্তি তৃণমূলে

    আবার ভোটের মুখে গরম ভাঙড়। তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ দেখিয়ে দল ছাড়লেন আরাবুল ইসলাম। তাঁর নিশানায় মমতা, ফিরহাদ, শওকত। দলের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ আরাবুলের। দলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক কাইজার-ও। সব মিলিয়ে ভাঙড়ে তৃণমূলের অস্তিত্বের সঙ্কট! ক্যানিং পূর্বের বদলে ভাঙড় থেকে প্রার্থী করা হয়েছে সওকত মোল্লাকে। যা নিয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জীবনতলা চৌমাথা বাজারে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান তাঁর অনুগামীরা। ক্যানিং পূর্বের প্রার্থী নিয়ে ক্ষোভ তৃণমূলের। তাঁদের দাবি, ক্যানিং পূর্বে শওকত মোল্লাকে প্রার্থী করতে হবে। টিকিট না পেয়ে বিদ্রোহী আমডাঙার ৩ বারের তৃণমূল বিধায়ক রফিকুর রহমান। আমডাঙা-কাঁকিনাড়া রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ তাঁর অনুগামীদের।

    খণ্ডঘোষে গণ-ইস্তফা, মন্তেশ্বরে বোমাবাজি, মিনাখাঁয় আগুন

    প্রার্থী ঘোষণা হতেই মঙ্গলবার প্রকাশ্যে খণ্ডঘোষ ও মন্তেশ্বরের তৃণমূল নেতৃত্বের ঝামেলা৷ একদিনে মন্তেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্রে সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর নাম ঘোষণার পরেই তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর কোন্দলে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে চলল বোমাবাজি। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশকে লাঠি উঁচিয়ে তেড়ে যেতে হয় । ঘটনায় একজন আহত হয়েছেন বলে খবর। অন্যদিকে, খণ্ডঘোষ বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী নবীন বাগের নাম ঘোষণার পরেই ক্ষোভ বাড়তে থাকে দলের অন্দরে। নেতা কর্মীদের একাংশ সাফ হুঁশিয়ারি দেন, প্রার্থী বদল না হলে খণ্ডঘোষের ব্লক সভাপতি, একাধিক অঞ্চল সভাপতি, জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ-সহ একাধিক তৃণমূল নেতা দলের পদ ছেড়ে নির্বাচনে নিষ্ক্রিয় থাকবেন৷ যার জেরে এদিন রাত পর্যন্ত সরগরম খণ্ডঘোষ ও মন্তেশ্বর বিধানসভা এলাকা। মিনাখাঁয় ঊষারানি মণ্ডলকে প্রার্থী করেছে দল। প্রার্থীর নাম ঘোষণা হতেই সেখানে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রার্থী বদলের দাবি জানিয়ে রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ তৃণমূলের একাংশের। হাড়োয়ায় রোড অবরোধ। বাঁশ-লাঠি দিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ। ঘটনায় জখম তৃণমূলের ২ কর্মী। জখম তৃণমূল কর্মীরা হাড়োয়া গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি।

    “আমি কি চাকর নাকি”, টিকিট না পেয়ে বিদ্রোহী বিধায়ক

    প্রার্থীর নাম ঘোষণা হতে না হতেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবায় সামনে এল তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীকোন্দল। বিপ্রদাসপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল এলাকা। ঘটনায় আক্রান্ত হয়েছেন বিপ্রদাসপুর পঞ্চায়েতের উপপ্রধান এবং তাঁর অনুগামীরাই। ভোটের মুখে শাসকদলের এই প্রকাশ্য কোন্দল ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। উপপ্রধানের অভিযোগ, বর্তমান বিধায়ক তথা প্রার্থী সুব্রত মণ্ডলের অনুগামীরা এই হামলা চালিয়েছেন। টিকিট না পেয়ে বিক্ষুব্ধ চুঁচুড়ার তিনবারের বিধায়ক অসিত মজুমদার। প্রতিক্রিয়ায় বললেন, ‘আমরা তো চুনোপুটি লোক, তাহলে আমাদের সঙ্গে কেন কথা বলবে?’ ‘আমি মনে করেছি খামতি নেই, ওরা মনে করেছে আমার খামতি আছে। না হলে তিনবার আমাকে দিল এবার দিল না কেন? দলের লোকের আমাকে ভালোবাসে, ওদের মন ভেঙে গেছে। ধন্যবাদ জানালাম দলকে।’ অসিত বলেন, “রাজনীতি আর করব না। রাজনীতি থেকে বিশ্রাম নিলাম।” এরপরেই তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, “দল কাজ করতে বললে কী করবেন?” উত্তরে তিনি বলেন, “দল কাজ করতে বললেই করতে হবে নাকি, আমি কি চাকর নাকি?”

    “এবার তৃণমূল হারবে”, টিকিট না পেয়ে হুঁশিয়ারি বিধায়কের

    জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ আসনে পরপর চারবার জয়ী হওয়ার পরেও বিধায়ক খগেশ্বর রায়কে ছাব্বিশের ভোটে প্রার্থী করেনি তৃণমূল কংগ্রেস। তাঁর জায়গায় প্রার্থী করা হল এশিয়াডে সোনা জয়ী স্বপ্না বর্মনকে৷ সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়লেন খগেশ্বর। জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা করেন তিনি। বিদায়ী বিধায়ক বলেন, “আমার প্রতি যে অবিচার হল, তার জন্য দলীয় পদ থেকে ইস্তফা দিলাম। রাজগঞ্জ আসন এবার তৃণমূল হারবে। এখানে দলের ভিত আমি তৈরি করেছি। অন্য দলে যাব কি না তা এখনও চিন্তা করিনি। তবে দলকে চিঠি পাঠালাম। দেখি দল কী সিদ্ধান্ত জানায়।” তাঁর আক্ষেপ, “টাকার কাছে হেরে গেলাম!” প্রার্থী ঘোষণা হতেই রাজগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ শুরু হয়। কিছু জায়গায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শনের পাশাপাশি ‘বহিরাগত’ বা ‘অরাজনৈতিক’ প্রার্থী হঠানোর স্লোগানও ওঠে।

  • Assembly Election 2026: রাজ্য পুলিশে ফের রদবদল কমিশনের, এক ধাক্কায় সরানো হল ২ এডিজি, ১২ সুপারকে

    Assembly Election 2026: রাজ্য পুলিশে ফের রদবদল কমিশনের, এক ধাক্কায় সরানো হল ২ এডিজি, ১২ সুপারকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য পুলিশে ফের রদবদল। এবার নির্বাচন কমিশন (Assembly Election 2026) এক ধাক্কায় বদল করে দিল রাজ্যের ১২ জন পুলিশ সুপারকে (Election Commission)। সরানো হয়েছে কলকাতার ডিসি (সেন্ট্রাল) ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়কেও। সরানো হয়েছে চার পুলিশ কমশনারেটের কমিশনার, এডিজি পদমর্যাদার দু’জনকেও। ইন্দিরার জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইয়েলওয়াড় শ্রীকান্ত জগন্নাথ রাওকে। বদলে দেওয়া হল রাজ্যের ১২ পুলিশ জেলার সুপারকেও।

    এসপি বদল (Assembly Election 2026)

    বীরভূমের পুলিশ সুপার করা হয়েছে সূর্যপ্রতাপ যাদবকে। তিনি ২০১১ ব্যাচের আইপিএস। এই জেলার পুলিশ সুপার ছিলেন আমনদীপ। কোচবিহারের এসপি সন্দীপ কাররাকে সরিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ২০১৬ ব্যাচের আইপিএস জসপ্রীত সিংকে। বারাসত পুলিশ জেলার নয়া এসপি হলেন ২০১২ ব্যাচের আইপিএস মিস পুষ্পা। এখানে ছিলেন প্রিয়ব্রত রায়। এক সময় কলকাতা পুলিশের ডিসি (দক্ষিণ) ছিলেন প্রিয়ব্রত। সরানো হয়েছে ডয়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার সুপারকেও। বিশপ সরকারকে সরিয়ে এই পদে বসানো হয়েছে চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসি (সদর) ঈশানী পালকে। ইসলামপুর পুলিশ জেলার সুপার জোবি থমাসকে সরিয়ে ওই পদে বসানো হয়েছে ২০১৪ ব্যাচের আইপিএস রাকেশ সিংকে। মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলার এসপি ধৃতিমান সরকারকে সরিয়ে বসানো হয়েছে ২০১৩ ব্যাচের আইপিএস সচিনকে।

    কাকে, কোথায় সরানো হল

    বেলডাঙায় অশান্তির পর সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল সানি রাজকে। পাঠানো হয়েছিল এসবিতে। মঙ্গলবার কমিশন তাঁকে পাঠিয়ে দিলেন হুগলি (গ্রামীণ)-এর পুলিশ সুপার করে। বসিরহাট পুলিশ জেলার সুপার আরিশ বিলালকে সরিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ২০১৭ ব্যাচের আইপিএস অলকানন্দা ভাওয়ালকে। মালদার পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অনুপম সিংকে। পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার পারিজাত বিশ্বাসকে সরিয়ে ওই পদে বসানো হয়েছে ২০১২ ব্যাচের আইপিএস অংশুমান সাহাকে। পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার পলাশ ঢালিকে সরিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ২০১৫ ব্যাচের আইপিএস পাপিয়া সুলতানাকে। জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার সুপার হোসেন মেহেদি রহমানকে সরিয়ে বসানো হল ২০১৬ ব্যাচের আইপিএস সুরিন্দর সিংকে। পুলিশ সুপার ছাড়াও বদল করা হয়েছে দু’জায়গার এডিজিকেও। দক্ষিণবঙ্গের নয়া এডিজি হয়েছেন ১৯৯৭ ব্যাচের আইপিএস রাজেশকুমার সিং (Election Commission)। আগে এই পদে ছিলেন রাজীব মিশ্র। উত্তরবঙ্গের এডিজি করা হয়েছে ১৯৯৭ ব্যাচের আইপিএস কে জয়রামনকে (Assembly Election 2026)। ওই পদে ছিলেন সুকেশ জৈন।

    পুলিশ কমিশনারও বদল

    চার কমিশনারেটের পুলিশ কমিশনারও বদল করা হয়েছে। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের নয়া সিপি হয়েছেন প্রণব কুমার। সুনীল কুমার চৌধুরীকে সরিয়ে বসানো হয়েছে তাঁকে। হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটের নয়া সিপি হয়েছেন অখিলেশ চতুর্বেদী। এই পদে ছিলেন আকাশ মাঘারিয়া। ব্যারাকপুরের নয়া সিপি হয়েছেন অমিতকুমার সিং। আগে ছিলেন প্রবীণ ত্রিপাঠী। সুশীলকুমার যাদবকে বসানো হয়েছে চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের সিপি পদে। আগে এই পদে ছিলেন কোটেশ্বর রাও।প্রসঙ্গত, সোমবারই রাজ্য পুলিশের ডিজি পীযূষ পাণ্ডেকে সরিয়ে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।

    মমতার চিঠির পাল্টা বদলির নির্দেশ

    এদিকে, রাজ্য সরকারের সঙ্গে কোনও আলোচনা না করেই বা রাজ্যের মতামত না নিয়েই পুলিশ-প্রশাসনে রদবদলে যারপরনাই ক্ষুব্ধ বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এজন্য তিনি সোমবার রাতে চিঠি দেন জাতীয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে। চিঠিতে তিনি লেখেন, আগে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের তরফে রাজ্যের কাছে তিনজনের একটি প্যানেল চেয়ে পাঠানো হত। সেই তালিকা থেকেই কমিশন একজনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এবার সেই প্রচলিত রীতি মেনে চলা হয়নি। কমিশনের কাছে মুখ্যমন্ত্রীর আর্জি, ভবিষ্যতে এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা হোক এবং দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক রীতি অনুসরণ করা হোক (Assembly Election 2026)। মুখ্যমন্ত্রীর এই চিঠি লেখার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নবান্নে চলে এল কমিশনের তরফে নতুন বদলির নির্দেশ (Election Commission)।

     

  • West Bengal Assembly Polls: “বেড়াতে নয়, দায়িত্ব পালন করতে এসেছেন”, ভোট ঘোষণা হতেই বাহিনীকে স্মরণ করাল কমিশন

    West Bengal Assembly Polls: “বেড়াতে নয়, দায়িত্ব পালন করতে এসেছেন”, ভোট ঘোষণা হতেই বাহিনীকে স্মরণ করাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কড়া বার্তা দিল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনকে ঘিরে আইন-শৃঙ্খলা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে উদ্দেশ করে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ কুমার আগরওয়াল স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, “এখানে বেড়াতে আসেননি, দায়িত্ব পালন করতে এসেছেন। কাজ ঠিকমতো না হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” একই সঙ্গে রাজ্যের জন্য নিযুক্ত বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তও ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন, “বাংলায় ভোটের যে কালচার ছিল, এবার তার পরিবর্তন হবে।” রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বাংলায় ভোট মানেই হিংসার অভিযোগ—এবার সেই সংস্কৃতি বদলাতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ কমিশন।

    দু’দফায় ভোটের সিদ্ধান্ত

    সোমবার সর্বদলীয় বৈঠকের পর সিইও জানান, দীর্ঘদিন পর পশ্চিমবঙ্গে দু’দফায় নির্বাচন হবে। রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    • ● প্রথম দফা: ২৩ এপ্রিল — ১৫২টি আসন
    • ● দ্বিতীয় দফা: ২৯ এপ্রিল — ১৪২টি আসন
    • ● ভোটগণনা: ৪ মে
    • ● সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া শেষ: ৬ মে

    আসনসংখ্যা ও সংরক্ষণ

    পশ্চিমবঙ্গে মোট ২৯৪টি বিধানসভা আসন রয়েছে। এর মধ্যে—

    • ● ৬৮টি এসসি (তফশিলি জাতি)
    • ● ১৬টি এসটি (তফশিলি উপজাতি) আসন সংরক্ষিত

    কড়া নজরদারি ও নিরাপত্তা

    কমিশন সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই ৫৫টি ক্রিটিক্যাল বুথ চিহ্নিত হয়েছে। স্পর্শকাতর ও অতিস্পর্শকাতর বুথের তালিকা এখনও প্রস্তুত হচ্ছে, ফলে সংখ্যা বাড়তে পারে। সিইও জানান, যদি কোনও বুথের মধ্যে অশান্তি হয়, তবে তার দায় সিআরপিএফের। প্রতি দফায় ভোট করাতে কত করে কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন, তারও আভাস দিলেন মনোজ। অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে বদ্ধপরিকর কমিশন। তার জন্য কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তা-ও তুলে ধরেন তিনি। সেই বিষয়ে জানাতে গিয়েই কেন্দ্রীয় বাহিনীর বাড়তি গুরুত্বের কথা বলেন মনোজ। তিনি বলেন, ‘‘সিআরপিএফ ঠিক ভাবে কাজ করবে। আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলছি।’’ কমিশন জানিয়েছে, বুথের ভিতরে কোনও রকম অনিয়ম হলে কেন্দ্রীয় বাহিনী সেক্টর অফিসে জানাবে। তারা প্রিসাইডিং অফিসারকে ফোন করবে। বুথের মধ্যে যে কোনও ধরনের গন্ডগোলের জন্য দায়ী করা হবে সিআরপিএফ-কেই। সিইও বলেন, ‘‘সুষ্ঠু এবং অবাধ ভোট করাতে হবে সকলকে। দায়িত্বে গাফিলতি হলে পদক্ষেপ করা হবে।’’ নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু করতে একাধিক কড়া পদক্ষেপের কথা জানালেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক—

    • ● প্রতিটি দফায় ২২০০–২৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সম্ভাবনা
    • ● প্রতি বুথে ৩৬০ ডিগ্রি ওয়েব কাস্টিং
    • ● প্রয়োজনে ড্রোন নজরদারি
    • ● ২৯৪টি আসনে ২৯৪ জন পর্যবেক্ষক
    • ● পুলিশ প্রশাসনের ওপর কড়া নজর

    মনোজ জানান, প্রতিটি বুথে কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। প্রতি বুথে ৩৬০ ডিগ্রি ওয়েব কাস্টিং থাকবে, যা তিনটি আলাদা কেন্দ্র থেকে পর্যবেক্ষণ করা হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী ড্রোনের মাধ্যমেও নজরদারি চালানো হবে। কোনও বুথের ভোটগ্রহণ নিয়ে সন্দেহ তৈরি হলে, সেই ক্ষেত্রে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্তও নেওয়া হতে পারে। এছাড়াও জানানো হয়েছে, রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা আসনের জন্য ২৯৪ জন জেনারেল অবজারভার নিয়োগ করা হবে। এছাড়া, রাজ্যের ২৮টি পুলিশ জেলা ও ৬টি পুলিশ কমিশনারেটে দুজন করে বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক থাকবেন। কলকাতায় ঝুঁকি বেশি হওয়ায় অতিরিক্ত পর্যবেক্ষক নিয়োগের সম্ভাবনাও রয়েছে।

    প্রশাসনকে কড়া নির্দেশ

    থানার ওসিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এলাকায় অবৈধ অস্ত্র বা বোমা মজুত থাকলে ১৯ মার্চের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। ভোট চলাকালীন বা ভোট-পরবর্তী হিংসার জন্য পুলিশকেই জবাবদিহি করতে হবে বলে স্পষ্ট করে দিয়েছে কমিশন। সিইও সতর্ক করে বলেন, ইচ্ছাকৃত গাফিলতি ধরা পড়লে সংবিধানের ৩১১ ধারা প্রয়োগ করা হবে।

    ভোট প্রক্রিয়ায় নতুন উদ্যোগ

    স্বচ্ছতা বাড়াতে এবার একাধিক নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে—

    • ● প্রতিটি ইভিএমে থাকবে প্রার্থীদের রঙিন ছবি
    • ● ভোটার ইনফরমেশন স্লিপ এবার সরাসরি নির্বাচন কমিশন দেবে
    • ● বিএলওরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্লিপ পৌঁছে দেবেন
    • ● এই স্লিপে থাকবে ভোটারের নাম, বুথের বিবরণ ও পার্ট নম্বর।

    ভোটার তালিকা ও বিশেষ উদ্যোগ

    ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিচারাধীন ৬০ লক্ষ নামের মধ্যে ইতিমধ্যে প্রায় ২০ লক্ষ নিষ্পত্তি হয়েছে। এই কাজে রাজ্যজুড়ে ৭০৫ জন বিচারপতি নিযুক্ত রয়েছেন। প্রতিদিন গড়ে ১.৫-২ লক্ষ আবেদন নিষ্পত্তি করা হচ্ছে।

    বয়স্ক ভোটারদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা

    • ● ৮৫ বছরের ঊর্ধ্ব ভোটারদের জন্য গাড়ির ব্যবস্থা (ওলা/উবারের সঙ্গে আলোচনা)
    • ● বাড়িতে ১২ডি ফর্ম পূরণ করে ভোট
    • ● রাজ্যে ১০০ বছরের বেশি ভোটার: ৬,৬৫৩ জন

    মনোজ বলেন, ‘‘ভোটার ইনফর্মেশন স্লিপে কিউআর কোড থাকবে। এর আগে রাজনৈতিকদল ওই স্লিপ দিত। এ বার বিএলও-রা বাড়ি বাড়ি গিয়ে দিয়ে আসবেন।’’ ৮৫ বা তার বেশি বয়সি ভোটারেরা বাড়ি থেকে ভোটদান করতে পারবেন। সিইও বলেন, ‘‘ওই ভোটারেরা বাড়িতে ১২ডি ফর্ম পূরণ করে ভোট দিতে পারবেন। বাড়িতে গিয়ে তাঁর ভোট নিয়ে আসা হবে।’’

  • Suvendu Slams Mamata: “ভুয়ো, কেউ কোনও অর্থ পাবেন না”, মমতার ডিএ ঘোষণা নিয়ে শুভেন্দু, ‘ভাঁওতা’ দাবি সরকারি কর্মীদের একাংশেরও

    Suvendu Slams Mamata: “ভুয়ো, কেউ কোনও অর্থ পাবেন না”, মমতার ডিএ ঘোষণা নিয়ে শুভেন্দু, ‘ভাঁওতা’ দাবি সরকারি কর্মীদের একাংশেরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করে। তবে সেই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা (Mamata Banerjee DA Hike) করে জানান, পুরোহিত ও মোয়াজ্জিনদের মাসিক ভাতা ৫০০ টাকা বাড়ানো হবে। পাশাপাশি, বকেয়া ২৫ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা (DA Hike Announcement) মার্চ মাস থেকেই দেওয়া শুরু করবে রাজ্য সরকার। গত ১৫ বছর ধরে রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস সরকার। ফলে শাসকদলের বিরুদ্ধে কিছুটা স্বাভাবিক প্রতিষ্ঠান-বিরোধিতা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আসন্ন নির্বাচনে ভাতা-নির্ভর ভোটব্যাঙ্কের উপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে শাসকদল, এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

    “কেউ কোনও অর্থ পাবেন না” বললেন শুভেন্দু

    মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণাকে তীব্র কটাক্ষ করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Slams Mamata)। তাঁর দাবি, “এই ঘোষণাগুলি সম্পূর্ণ ভুয়ো। কেউ কোনও অর্থ পাবেন না। সবটাই মুখ্যমন্ত্রীর টুইট হিসেবেই থেকে যাবে।” কেন এমন মন্তব্য করছেন, তার ব্যাখ্যাও দেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, নির্বাচনী আচরণবিধি কার্যকর হওয়ার পর ভাতা বা সুবিধার পরিমাণ এবং উপভোক্তার সংখ্যা বাড়ানো যায় না। সেই কারণেই এই ঘোষণাগুলি বাস্তবে কার্যকর হবে না বলে দাবি করেন তিনি। এমনকি তিনি অভিযোগ করেন, বিষয়টি প্রতারণার সামিল। শুভেন্দু অধিকারীর মূল অভিযোগ দুটি স্তরে— প্রথম, মডেল কোড অব কন্ডাক্ট (MCC) কার্যকর হওয়ার সময়সীমা। দ্বিতীয়, ভোট ঘোষণার পর নতুন আর্থিক সুবিধা বাড়ানোর বিধিনিষেধ। তাঁর দাবি, নির্বাচন ঘোষণার পর কোনওভাবেই “ভাতার পরিমাণ” বা “সুবিধাভোগীর সংখ্যা” বাড়ানো যায় না। ফলে এই ঘোষণা বাস্তবে কার্যকর হবে না এবং এটি শুধুমাত্র রাজনৈতিক বার্তা হিসেবেই থেকে যাবে। এমনকি তিনি ইঙ্গিত দেন, সুপ্রিম কোর্ট বা নির্বাচন কমিশনের বিশেষ অনুমতি ছাড়া এই সুবিধা কার্যকর করা সম্ভব নয়।

    ‘ভাঁওতা’ দাবি সরকারি কর্মীদের একাংশেরও

    শুধু বিরোধী দলনেতা নন, মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) ঘোষণাকে ‘আইওয়াশ’ বা ‘ভাঁওতা’ বলে সরব হয়েছেন রাজ্য সরকারি কর্মীদের একাংশও। বিশেষ করে, এই সংক্রান্ত অর্থ দফতরের বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তর অস্বচ্ছতা রয়েছে বলে দাবি করেন তাঁরা। অর্থ দফতরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রথমত, এখনই সমস্ত বকেয়া মিটিয়ে দেওয়া হচ্ছে না। প্রথম পর্যায়ে জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত সময়ের বকেয়া ডিএ মেটানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, ২০০৮ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বকেয়া ডিএ মেটানোর বিষয়ে এখনই কোনও দিশা দেখায়নি সরকার। দ্বিতীয়ত, বকেয়া অর্থ দেওয়া হবে দুটি সমান কিস্তিতে। প্রথম কিস্তি মিলবে চলতি বছরের মার্চ মাসে এবং দ্বিতীয় কিস্তি দেওয়া হবে সেপ্টেম্বরে। অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স’ (AICPI Index) অনুযায়ী এই বকেয়া গণনা করা হবে। তৃতীয়ত, চতুর্থ শ্রেণির কর্মী এবং পেনশনভোগীরা তাঁদের বকেয়া টাকা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নগদ হিসেবে পেলেও, গ্রুপ এ, বি এবং সি এই তিন বিভাগের কর্মীদের বকেয়া টাকা সরাসরি তাঁদের জিপিএফ (জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড) অ্যাকাউন্টে জমা হবে। তবে, ওই অর্থ দুই বছর পর্যন্ত তোলা যাবে না বলে নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে। যে কারণে, আন্দোলনকারী সরকারি কর্মীরা সরকারের এই ঘোষণাকে ‘ভাঁওতা’ বলে উল্লেখ করছেন।

  • West Bengal Elections 2026: নির্বাচন বিঘ্নহীন করতে বাংলায় হবে আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন

    West Bengal Elections 2026: নির্বাচন বিঘ্নহীন করতে বাংলায় হবে আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে এবার সব চেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হতে পারে (West Bengal Elections 2026) বলে মনে করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন এমন এক রাজ্যে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ভোটার তালিকায় এসআইআর নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ দেখা গিয়েছে (Central Forces)।

    ২,০০০-এর বেশি কোম্পানি (West Bengal Elections 2026)

    নির্বাচন কমিশনের এক প্রবীণ আধিকারিক বলেন, “ব্যাপক কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে এবং যে কোনও ধরনের অশান্তি রোধ করতে সাহায্য করবে।” প্রধান নির্বাচনী আধিকারিকের (CEO) দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোট গণনা শেষ হওয়া পর্যন্ত রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ২,০০০-এর বেশি কোম্পানি প্রয়োজন হতে পারে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ার আগে পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠিয়েছে। এই মোতায়েনের পরিমাণ ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। সেই নির্বাচনে ভোটের আগে এবং ভোটের সময় মোট প্রায় ৭০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৩৫০-৩৭০ কোম্পানি ছিল সিআরপিএফ। আধিকারিকদের মতে, এবার বাহিনীর সংখ্যা বাড়ানোর কারণ হল আরও ভালো পরিকল্পনা এবং প্রস্তুতি নেওয়া, যাতে পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়া বিঘ্নহীন হয়।

    ওয়েবকাস্টের মাধ্যমে নজরদারি

    বাহিনী মোতায়েনের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতার দিকেও বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। রাজ্যের সব ভোটকেন্দ্র সম্পূর্ণ ওয়েবকাস্টের মাধ্যমে নজরদারিতে থাকবে, যাতে আধিকারিকরা রিয়েল-টাইমে ভোটগ্রহণ পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। আধিকারিকদের মতে, এর ফলে নির্বাচন প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ হবে এবং ভোটারদের আস্থা বাড়বে (Central Forces)।আরও একটি বড় পার্থক্য রয়েছে ভোটগ্রহণের ধাপের সংখ্যায়। ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচন হয়েছিল আট দফায়। এবার নির্বাচন হবে মাত্র দু’দফায়। কর্তাদের ধারণা, কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতির জেরে নির্বাচন হবে শান্তিপূর্ণ (West Bengal Elections 2026)।

     

  • WB Assembly Election 2026: বিজেপির প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা, কে, কোন কেন্দ্রে?

    WB Assembly Election 2026: বিজেপির প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা, কে, কোন কেন্দ্রে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবারই বাংলায় নির্বাচনের (WB Assembly Election 2026) নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সোমবারই প্রথম দফায় ১৪৪ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিল বিজেপি (BJP)। মাধ্যম আগেই জানিয়েছিল যে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা এবার ভবানীপুরের পাশাপাশি আরও একটি কেন্দ্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। এদিন প্রার্থী তালিকায়ই দেখা গেল সেই ছবি। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক পদ্ম সৈনিকদের কে, কোন আসনে লড়ছেন।

    উত্তরবঙ্গে কে, কোন আসনে (WB Assembly Election 2026)

    • কোচবিহার উত্তরে  সুকুমার রায়
    • শীতলকুচিতে সাবিত্রী বর্মন
    • দিনহাটায় অজয় রায়
    • তুফানগঞ্জে  মালতি রাভা রায়
    • কুমারগ্রামে মনোজ কুমার ওরাওঁ
    • কালচিনিতে বিশাল লামা
    • আলিপুরদুয়ারে পরিতোষ দাস
    • ফালাকাটায় দীপক বর্মন
    • ডাবগ্রাম-ফুলবাড়িতে শিখা চট্টোপাধ্যায়
    • নাগরাকাটায় পুনা ভেংরা
    • মাটিগাড়া-নকশালবাড়িতে আনন্দময় বর্মন
    • শিলিগুড়িতে শঙ্কর ঘোষ
    • ফাঁসিদেওয়ায় দুর্গা মুর্মু
    • গোয়ালপোখরে সরজিৎ বিশ্বাস
    • চাকুলিয়ায় মনোজ জৈন (WB Assembly Election 2026)
    • করণদিঘিতে বিরাজ বিশ্বাস
    • কালিয়াগঞ্জে উৎপল মহারাজ
    • রায়গঞ্জে কৌশিক চৌধুরী
    • কুশমন্ডিতে তাপস চন্দ্র রায়
    • কুমারগঞ্জে শুভেন্দু সরকার
    • বালুরঘাটে বিদ্যুৎ রায়
    • তপনে বুধরাই টুডু (BJP)
    • গঙ্গারামপুরে সত্যেন্দ্রনাথ রায়
    • হরিরামপুরে দেবব্রত মজুমদার
    • হাবিবপুরে জোয়েল মুর্মু
    • গাজোলে তন্ময় দেব বর্মন
    • চাঁচলে রতন দাস
    • মালতিপুরে আশিস দাস
    • রতুয়ায় অভিষেক সিংহানিয়া
    • মানিকচকে গৌর চন্দ্র মন্ডল
    • মালদায় গোপাল চন্দ্র সাহা
    • মোথাবাড়িতে নিবারণ ঘোষ

    দক্ষিণে গেরুয়া সৈনিকরা

    • সুজাপুরে অভিরাজ চৌধুরী
    • সুতিতে মহাবীর ঘোষ
    • রঘুনাথগঞ্জে সুরজিৎ পোদ্দার
    • লালগোলায় অমর কুমার দাস
    • ভগবানগোলায় ভাস্কর সরকার
    • মুর্শিদাবাদে গৌরী শঙ্কর ঘোষ
    • রেজিনগরে বাপন ঘোষ
    • বেলডাঙ্গায় ভরত কুমার ঝাওয়ার
    • বহরমপুরে সুব্রত মৈত্র
    • হরিহরপাড়ায় তন্ময় বিশ্বাস
    • নওদায় রানা মন্ডল
    • ডোমকলে নন্দ দুলাল পাল
    • জলঙ্গিতে নবকুমার সরকার
    • করিমপুরে অমরেন্দ্রনাথ ঘোষ
    • পলাশিপাড়ায় অনিমা দত্ত
    • কালীগঞ্জে বাপন ঘোষ
    • রানাঘাট উত্তর পশ্চিমে পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়
    • রানাঘাট উত্তর পূর্বে অসীম বিশ্বাস
    • চাকদহে বঙ্কিম চন্দ্র ঘোষ
    • হরিণঘাটায় অসীম কুমার সরকার
    • বাদুড়িয়ায় সুকৃতি সরকার
    • আমডাঙায় অরিন্দম দে
    • নৈহাটিতে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়
    • ভাটপাড়ায় পবন কুমার সিং
    • বরানগরে সজল ঘোষ

    দক্ষিণবঙ্গের আরও তালিকা

    • দেগঙ্গায় তরুণকান্তি ঘোষ
    • বসিরহাটে উত্তরে নারায়ণচন্দ্র মন্ডল (BJP)
    • বাসন্তীতে বিকাশ সর্দার
    • কুলতলিতে মাধবী মহলদার
    • পাথরপ্রতিমায় অসিত কুমার হালদার
    • কাকদ্বীপে দীপঙ্কর জানা
    • রায়দিঘিতে পলাশ রানা
    • ক্যানিং পূর্বে অসীম সাঁপুই
    • ডায়মন্ড হারবারে দীপক কুমার হালদার
    • বিষ্ণুপুরে অগ্নিশ্বর নস্কর
    • বজবজে তরুণ কুমার আদক
    • মেটিয়াবুরুজে বীর বাহাদুর সিং
    • ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারী
    • রাসবিহারীতে স্বপন দাশগুপ্ত
    • হাওড়া উত্তরে উমেশ রায়
    • শিবপুরে রুদ্রনীল ঘোষ
    • উলুবেড়িয়া দক্ষিণে স্বামী মঙ্গলানন্দ পুরী মহারাজ
    • আমতায় অমিত সামন্ত
    • ডোমজুড়ে গোবিন্দ হাজরা

    হুগলিতে কারা 

    • সপ্তগ্রামে স্বরাজ ঘোষ
    • তারকেশ্বরে সন্তু পান
    • পুরশুড়ায় বিমান ঘোষ
    • আরামবাগে হেমন্ত বাগ
    • গোঘাটে প্রশান্ত দিঘর
    • খানাকুলে সুশান্ত ঘোষ
    • পাশকুঁড়া পূর্বে সুব্রত মাইতি
    • পাশকুঁড়া পশ্চিমে সিন্টু সেনাপতি
    • ময়নায় অশোক দিন্দা
    • মহিষাদলে সুভাষ পাঞ্জা
    • হলদিয়ায় প্রদীপ কুমার বিজলি
    • নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারী
    • পটাশপুরে তপন মাইতি
    • কাঁথি উত্তরে সুমিতা সিনহা
    • কাঁথি দক্ষিণে অরূপ কুমার দাস
    • রামনগরে চন্দ্রশেখর মন্ডল
    • দাঁতনে অজিত কুমার জানা

    পশ্চিম মেদিনীপুরে বিজেপির বাজি

    • নয়াগ্রামে অমিয় কিস্কু
    • গোপীবল্লভপুরে রাজেশ মাহাতো
    • ঝাড়গ্রামে লক্ষ্মীকান্ত সাহু
    • কেশিয়াড়িতে ভদ্র হেমব্রম
    • খড়গপুর সদরে দিলীপ ঘোষ
    • নারায়ণগড়ে রামপ্রসাদ গিরি
    • সবংয়ে  অমল পান্ডা
    • খড়গপুরে তপন ভূঁইয়া
    • ডেবরায় শুভাশিস ওম
    • দাসপুরে তপন দত্ত
    • ঘাটালে শীতল কপাট
    • চন্দ্রকোণায় সুকান্ত দলুই
    • শালবনীতে বিমান মাহাতো
    • কেশপুরে শুভেন্দু সামন্ত
    • বিনপুরে প্রণত টুডু

    বাঁকুড়া-পুরুলিয়ায় কারা

    • বান্দোয়ানে লবসেন বাস্কে
    • বলরামপুরে জলধর মাহাতো
    • মানবাজারে ময়না মুর্মু
    • কাশীপুরে কমলকান্ত হাঁসদা
    • পাড়া নদিয়ার চাঁদ বাউরি
    • রঘুনাথপুরে মামণি বাউরি
    • শালতোড়ায় চন্দনা বাউরি
    • ছাতনায় সত্যনারায়ণ মুখোপাধ্যায়
    • রানিবাঁধে ক্ষুদিরাম টুডু
    • রায়পুরে ক্ষেত্রমোহন হাঁসদা
    • তালডাংরায় সৌভিক পাত্র
    • বড়জোড়ায় বিলেশ্বর সিংহ
    • ওন্দায় অমরনাথ শাখা
    • কোতুলপুরে লক্ষ্মীকান্ত মজুমদার
    • ইন্দাসে নির্মল কুমার ধাড়া
    • সোনামুখীতে দিবাকর ঘরামি
    • রায়নায় সুভাষ পাত্র
    • জামালপুরে অরুণ হালদার
    • মন্তেশ্বরে সৈকত পাঁজা
    • বর্ধমান উত্তরে সঞ্জয় দাস
    • ভাতাড়ে সৌমেন করফা
    • কেতুগ্রামে অনাদি ঘোষ (মথুরা)
    • আউশগ্রামে কলিতা মাজি
    • পাণ্ডবেশ্বরে জিতেন্দ্র কুমার তিওয়ারি
    • দুর্গাপুর পূর্বে চন্দ্র শেখর ব্যানার্জি
    • দুর্গাপুর পশ্চিমে লক্ষ্মণ চন্দ্র ঘোড়ুই
    • জামুড়িয়ায় বিজন মুখার্জি
    • আসানসোল দক্ষিণে অগ্নিমিত্রা পাল
    • আসানসোল উত্তরে কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়
    • কুলটিতে অজয় কুমার পোদ্দার
    • দুবরাজপুরে অনুপ কুমার সাহা
    • সিউড়িতে জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়
    • বোলপুরে দিলীপ কুমার ঘোষ
    • নানুরে খোকন দাস
    • ময়ূরেশ্বরে দুধ কুমার মন্ডল
    • হাঁসনে নিখিল ব্যানার্জি

    প্রসঙ্গত, তৃণমূল সুপ্রিমো তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারাতে মরিয়া রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই কারণেই নন্দীগ্রামের পাশাপাশি তাঁকে প্রার্থী করা হয়েছে ভবানীপুরে। এই কেন্দ্রেই তৃণমূলের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী তথা বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা লড়বেন (WB Assembly Election 2026)।

     

  • West Bengal Assembly Elections: সরানো হল বঙ্গের দুই পুলিশ কর্তাকে, তাঁদের জায়গায় এলেন কারা?

    West Bengal Assembly Elections: সরানো হল বঙ্গের দুই পুলিশ কর্তাকে, তাঁদের জায়গায় এলেন কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন ঘোষণা (West Bengal Assembly Elections) করার পর পরই কলকাতা পুলিশ কমিশনার এবং রাজ্য পুলিশের ডিজিকেও বদলে দিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ডিজিপি পদ থেকে পীযূষ পাণ্ডেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন সিদ্ধিনাথ গুপ্ত। ডিজি এবং আইজিপি (ভারপ্রাপ্ত) পদে তাঁকে নিয়োগ করা হয়েছে। কলকাতার পুলিশ কমিশনের পদ থেকে সুপ্রতিম সরকারকে সরিয়ে নিয়োগ করা হয়েছে আইপিএস অফিসার অজয় নন্দকে।

    নয়া পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ (West Bengal Assembly Elections)

    কলকাতার নয়া পুলিশ কমিশনার অজয় ১৯৯৬ ব্যাচের আইপিএস। পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার ছিলেন তিনি। মাওবাদী দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে তাঁর। আসানসোল-দুর্গাপুরের কমিশনার হিসেবেও তিনি কাজ করেছেন। কলকাতা পুলিশের পাশাপাশি তিনি ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ এসটিএফের প্রথম আইজি। রবিবার বিকেলেই দিল্লিতে সাংবিধানিক বৈঠক করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার পশ্চিমবঙ্গ-সহ চার রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেন। এ রাজ্যে ভোট হবে দু’দফায়-২৩ এবং ২৯ এপ্রিল। ভোট ঘোষণার ঠিক পরেই রাজ্য প্রশাসনে রদবদল করা হচ্ছে। ভোট ঘোষণার পরেই জ্ঞানেশ জানিয়েছিলেন, পশ্চিমবঙ্গে অবাধ, শান্তিপূ্র্ণ এবং হিংসামুক্ত নির্বাচনের আয়োজন করতে বদ্ধপরিকর কমিশন। সূত্রের খবর, সেই লক্ষ্যেই রদবদল করা হচ্ছে প্রশাসনে।

    জ্ঞানেশের কড়া বার্তা

    কয়েক দিন আগেই পশ্চিমবঙ্গে জ্ঞানেশের নেতৃত্বে এ রাজ্যে এসেছিল নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। তারা রাজ্যের সব রাজনৈতিক দল এবং প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছিল। ওই বৈঠকে জ্ঞানেশ সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, জেলাশাসক হোন কিংবা পুলিশ কমিশনার, গাফিলতি দেখলে কাউকেই রেয়াত করা হবে না। রাজ্যে নার্কোটিক্স অ্যাডভাইসরি কমিটি না থাকায় (West Bengal Assembly Elections) জ্ঞানেশ ভর্ৎসনা করেছিলেন এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) বিনীতকে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জানান, কমিশন সব তথ্য রেখেছে। এর সাতদিনের মাথায়ই সরিয়ে দেওয়া হল বিনীতকে। জানা গিয়েছে, কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে ভোটের দফা কমানোর অনুরোধ করেছিল সব রাজনৈতিক দলই। তাদের দাবি মেনেই দফা কমিয়ে দেয় নির্বাচন কমিশন। এবার এরাজ্যে বিধানসভার ভোট হবে দু’দফায়। প্রথম দফায় নির্বাচন হবে ১৫২টি আসনে , পরের দফায় হবে বাকি ১৪২টি কেন্দ্রে (Election Commission)। প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল আট দফায় (West Bengal Assembly Elections)।

     

  • Mamata Banerjee: মমতার সভায় মিশনের ভুয়ো অধ্যক্ষ, আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের

    Mamata Banerjee: মমতার সভায় মিশনের ভুয়ো অধ্যক্ষ, আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতার (Mamata Banerjee) এসআইআর ধর্না নিয়ে ফের বিতর্ক সামনে এল। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের নাম অপব্যবহারের অভিযোগ উঠল। এনিয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছে মিশন। মমতার সভায় গেরুয়া পোশাক পরা এক ব্যক্তি নিজেকে মিনাখাঁ শাখার রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের সন্ন্যাসী ও সভাপতি বলে দাবি করেন। তিনি দাবি করেন, ১৪ বছর ধরে সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার পরেও এসআইআর প্রক্রিয়ায় তাঁর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। এই সমস্যার সমাধানের আশায় তিনি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এসেছেন বলেও জানান। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বলেন, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকা একজন সন্ন্যাসীকেও এভাবে হয়রানি করা লজ্জার বিষয়। তবে ঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ পর, ১৫ মার্চ সংবাদপত্রে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে রামকৃষ্ণ সারদা মিশন স্পষ্ট জানায়, মিনাখাঁয় তাদের কোনও শাখা নেই এবং ওই ব্যক্তির দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

    মিশনের বিবৃতি

    সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক প্রব্রাজিকা অতন্দ্রপ্রাণার সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মিনাখাঁয় রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের কোনও শাখা নেই এবং কোনও পুরুষ সন্ন্যাসী সেখানে সভাপতি—এমন দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, “শ্রী সারদা মঠ” এবং “রামকৃষ্ণ সারদা মিশন” নাম, সিলমোহর ও প্রতীক আইনগতভাবে সুরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এগুলি ব্যবহার করলে Emblems and Names (Prevention of Improper Use) Act, 1950 অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    শ্রী সারদা মঠ ১৯৫৪ সালে , ১৯৬০ সালে রামকৃষ্ণ সারদা মিশন গঠিত হয়

    বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনের ইতিহাসও তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, শ্রী সারদা মঠ ১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৫৯ সালে নিবন্ধিত হয়। স্বামী বিবেকানন্দের ভাবনা অনুযায়ী এই মঠ প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরে ১৯৬০ সালে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সমাজসেবামূলক কাজের জন্য রামকৃষ্ণ সারদা মিশন গঠিত হয় (Ramakrishna Sarada Mission)।

  • Assembly Election 2026: ভোট ঘোষণা, রাজ্যের মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে সরাল কমিশন! আজই নয়া দায়িত্বে কারা?

    Assembly Election 2026: ভোট ঘোষণা, রাজ্যের মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে সরাল কমিশন! আজই নয়া দায়িত্বে কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, সোমবারই রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব পদে দায়িত্ব নিচ্ছেন দুষ্মন্ত নারিওয়ালা। স্বরাষ্ট্রসচিব পদে আসছেন সংঘমিত্রা ঘোষ। এদিন দুপুর ৩টের মধ্যে তাঁদের দায়িত্ব গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে ভোট ঘোষণার (Assembly Election 2026) কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কার্যত নজিরবিহীন পদক্ষেপ করেছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসনিক স্তরে বদল আনা হয়েছে। মুখ্যসচিবের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে নন্দিনী চক্রবর্তীকে। দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশপ্রসাদ মীনাকেও। জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ভোট শেষ না-হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজ করতে পারবেন না তাঁরা।

    চেনেন দুষ্মন্ত নারিওয়ালা ও সংঘমিত্রা ঘোষকে

    নতুন মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালা বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের সচিব ছিলেন। এছাড়াও তিনি ছিলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতর ও কারা দফতরের অতিরিক্ত দায়িত্বে। ১৯৯৩ সালের ব্যাচের আইএএস আধিকারিক তিনি। নতুন স্বরাষ্ট্রসচিব হলেন সঙ্ঘমিত্রা ঘোষ ১৯৯৭ ব্যাচের পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইএএস অফিসার। এত দিন তিনি নারী ও শিশুকল্যাণ দফতরের প্রধান সচিব ছিলেন।

    কেন বদল করা হল

    চলতি বছরের প্রথমদিনই রাজ্যের মুখ্যসচিবের দায়িত্ব নিয়েছিলেন নন্দিনী চক্রবর্তী। বাংলার ইতিহাসে তিনিই প্রথম মহিলা মুখ্যসচিব। অন্তত ৮ জন সিনিয়র অফিসারকে এড়িয়ে তাঁকে মুখ্যসচিব করা হয়েছিল। ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়ায় একাধিক নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি তাঁকে দিল্লিতে তলব করেছিল নির্বাচন কমিশন। ১৩ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন ভবনে কমিশনের ফুল বেঞ্চের সামনে কড়া সতর্কবার্তার মুখে পড়েছিলেন নন্দিনী। অন্যদিকে, রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশ প্রসাদ মীনাকে ভিন রাজ্যের (অসম, কেরালা, তামিলনাড়ু ইত্যাদি) বিধানসভা নির্বাচনে ‘কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক’ (Central Observer) হিসেবে নিয়োগ করেছে কমিশন। সাধারণত কোনও রাজ্যের মুখ্যসচিব বা স্বরাষ্ট্রসচিবদের এই ধরনের দায়িত্ব দেওয়া হয় না। শনিবার দিল্লির নির্বাচন সদন থেকে রাজ্যের মুখ্যসচিবের উদ্দেশে পাঠানো চিঠিতে জানানো হয়েছে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখার পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    কীভাবে প্রশাসনিক স্তরে বড় রদবদল

    সূত্রের খবর, সোমবার দুপুর ৩টের মধ্যে নতুন দুই আধিকারিক নিজ নিজ দায়িত্ব গ্রহণ করার পর নির্দেশ কার্যকর করার রিপোর্ট পাঠাতে বলেছে কমিশন। নির্বাচন ঘোষণার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে প্রশাসনিক স্তরে এত বড় রদবদল নিয়ে রাজ্যজুড়ে আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে রবিবার ভোট ঘোষণা হতেই রাজ্যে আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর হয়ে গিয়েছে। কমিশনের হাতে বিশেষ ক্ষমতা রয়েছে রাজ্যের আমলা, আধিকারিক, পুলিশকর্তাদের বদলি করার। সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করেই রাজ্যের দুই শীর্ষস্থানীয় আমলাকে সরিয়ে দিল কমিশন।

    অতীতে এই ধরনের ঘটনা

    অতীতেও বিভিন্ন পুলিশকর্তা এবং সরকারি আধিকারিক বদল করেছে কমিশন। নির্বাচনের আগে পুলিশ সুপার, কলকাতার পুলিশ কমিশনার বদলেরও নজির রয়েছে। এমনকি স্বরাষ্ট্রসচিব বদলের উদাহরণও আছে। তবে একেবারে মুখ্যসচিব পর্যায়ে পরিবর্তন সাম্প্রতিক সময়ে কবে হয়েছে, মনে করতে পারছেন না কেউই। অতীতে ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের সময়ে পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন স্বরাষ্ট্রসচিব অত্রি ভট্টাচার্যকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছিল কমিশন। ওই সময় কমিশনের অভিযোগ ছিল, অত্রি নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় এমন কিছু পদক্ষেপ করেছিলেন, যা কমিশনের নির্দেশের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। পুলিশকর্তা রাজীব কুমারকেও ওই বছর লোকসভা ভোটের সময়ে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছিল কমিশন। রাজীব তখন ছিলেন সিআইডি-র অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক পদে। তবে একই সঙ্গে রাজ্যের দুই শীর্ষস্থানীয় আমলাকে সরিয়ে দেওয়াটা সম্ভবত এই প্রথম।

    রাজ্য পুলিশের ডিজি পদেও বদলের ইঙ্গিত

    কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্য পুলিশের ডিজি পদ থেকে পীযূষ পাণ্ডে ও কলকাতার পুলিশ কমিশনার পদ থেকে সুপ্রতীম সরকারকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে। সরকারের শীর্ষ সূত্রে খবর, দুঁদে দুই পুলিশ কর্তাকে এই দুই পদে নিয়োগ করা হবে। এঁদের মধ্যে একজন রাজ্য পুলিশের ডিজি পদের জন্য যোগ্য ছিলেন। কিন্তু নবান্ন তাঁকে ডিজি পদের জন্য বেছে নেয়নি। দ্বিতীয় আইপিএস কর্তাও সৎ এবং একনিষ্ঠ বলে পরিচিত। কিন্তু ক্ষমতার অলিন্দে আলোচনা যে তিনি নবান্নের গুড বুকে ছিলেন না। তাই তাঁকে তুলনামূলক ভাবে লঘু দায়িত্ব দিয়ে রাখা হয়েছিল।

    অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সবরকম পদক্ষেপ

    রবিবার ভোটের নির্ঘণ্ট (Assembly Election 2026) ঘোষণার সময় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বলেছিলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সবরকম পদক্ষেপ করা হবে। এই আবহে কমিশন আবার জানতে চেয়েছে, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময় কোন কোন পুলিশ অফিসারের এলাকায় হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। সোমবার সন্ধে ৬টার মধ্যে সেইসব অফিসারদের নামের তালিকা পাঠাতে বলেছে কমিশন। ওই অফিসারদের নামের তালিকা পাওয়ার পর কমিশন কী পদক্ষেপ করে, সেটাই দেখার।

    রাজ্যের কবে-কোথায় ভোট

    রবিবারই পশ্চিমবঙ্গ সহ ৫ রাজ্যে ভোটের দিনক্ষণ (Assembly Election 2026) ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এবার দু’দফায় ভোট হবে বঙ্গে। প্রথম দফার ভোট ২৩ এপ্রিল। সেদিন মোট ১৫২ আসনে ভোট হবে। দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ২৯ এপ্রিল, ১৪২ আসনে। ভোটের ফল ঘোষণা হবে ৪ মে। ২৩ এপ্রিল ভোটগ্রহণ হবে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়। দ্বিতীয় দফায় ভোট ১৪২ আসনে। ২৯ এপ্রিলের সেই ভোট হবে। কলকাতা ও তার আশপাশের জেলাগুলিতে। সেগুলি হল, কলকতা, হাওড়া, নদিয়া, পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা।

LinkedIn
Share