Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Bengal BJP: পঞ্চায়েত নির্বাচনে সন্ত্রাস! ১৯ জুলাই কলকাতায় বিজেপির মহামিছিল

    Bengal BJP: পঞ্চায়েত নির্বাচনে সন্ত্রাস! ১৯ জুলাই কলকাতায় বিজেপির মহামিছিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোট পরবর্তী বাংলায় ফের মিছিলের ডাক রাজ্য বিজেপির (Bengal BJP)। রাজ্যে সন্ত্রাসের প্রতিবাদে আগামী ১৯ জুলাই কলকাতায় মহা মিছিলের ডাক দিয়েছে গেরুয়া শিবির।  চূড়ান্ত পরিকল্পনা না হলেও ঠিক হয়েছে কলেজ স্ট্রিট থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত হবে মিছিল। পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাস ও গণনায় কারচুপির অভিযোগ এই মিছিলের সামনে থাকবেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    বিজেপির সাংগঠনিক বৈঠক

    পঞ্চায়েত ভোটের পর রবিবার বিজেপির (Bengal BJP) পর্যালোচনা বৈঠক ছিল। আলোচনায় বারবার ভোটের সন্ত্রাস যেমন উঠে এসেছে, উঠে এসেছে বিজেপির সামগ্রিক ফল নিয়েও কাটাছেঁড়া। এদিন বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, “সাংগঠনিক বৈঠক নিয়ে বাইরে আমি বলতে পারব না। এটুকু বলতে পারি এতদিন কী কাজ হয়েছে তার পর্যালোচনা, পঞ্চায়েত ভোটের পর্যালোচনা এবং তাকে পাথেয় করে আগামী লোকসভা ভোটের প্রস্তুতি শুরুকে সামনে রেখে এই বৈঠক হয়েছে।” সুকান্ত জানান, পঞ্চায়েত ভোটের জন্য বহু কর্মসূচি বিজেপি পালন করে উঠতে পারেনি। এবার তা শুরু হবে। নরেন্দ্র মোদির সরকারের ৯ বছর পূর্ণ হওয়ার নানা কর্মসূচি রয়েছে তালিকায়। এদিনের বৈঠকে বিজেপির সাংগঠনিক জেলা ৪২ থেকে ৪৫ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। একইসঙ্গে মোদি সরকারের ৯ বছরের উদযাপনে ১৬ অগাস্ট ১ হাজার সভা করার সিদ্ধান্তও হয়েছে। একইসঙ্গে পঞ্চায়েতে লড়াই দিয়েছেন এমন জয়ী বিজিত সমস্ত প্রার্থীকেই দলের তরফে সংবর্ধনা দেওয়া হবে। জেলায় জেলায় সেখানকার প্রার্থীদের নিয়ে সংবর্ধনা সভা আয়োজন করার নির্দেশও দিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।

    আরও পড়ুন: বিপর্যস্ত যাত্রী পরিবহণ! উত্তর হাওড়া থেকে কলকাতা গামী বহু বাসরুট বন্ধ

    মিছিল নিয়ে নানা পরিকল্পনা

    আগামী শুক্রবার, ২১ জুলাই তৃণমূলের ‘শহিদ দিবস’ রয়েছে। তার আগেই শহরের রাজপথে মিছিলের ডাক দিল বিজেপি (Bengal BJP)। রবিবার বিজেপির  বৈঠকে ছিলেন সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষও। রবিবারের বৈঠকে ডাকা হয়েছিল দলের বিভিন্ন মোর্চার নেতাদেরও। সেখানেই আগামী বুধবারের কর্মসূচি ঠিক হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে ঠিক হয়েছে হাওড়া ও শিয়ালদহে জড়ো হবেন কলকাতার আশপাশের জেলা থেকে আসা কর্মী, সমর্থকরা। সেখান থেকে মিছিল আসবে কলেজ স্ট্রিটে। কলকাতা উত্তর ও দক্ষিণের কর্মীরা সরাসরি কলেজ স্ট্রিটে চলে আসবেন। সেখান থেকেই মূল মিছিল শুরু হয়ে ধর্মতলার দিকে যাবে। সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আগামী ১৯ তারিখ আমরা কলকাতায় একটা মিছিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সন্ত্রাসের প্রতিবাদে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই এই বিরোধিতা হবে। পরে সবটাই জানিয়ে দেওয়া হবে।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • C V Ananda Bose: নন্দিনীর পর এবার প্রেস সচিবকেও সরিয়ে দিলেন রাজ্যপাল, কী কারণে জানেন?

    C V Ananda Bose: নন্দিনীর পর এবার প্রেস সচিবকেও সরিয়ে দিলেন রাজ্যপাল, কী কারণে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফেব্রুয়ারি মাসে তাঁর প্রধান সচিবের পথ থেকে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (C V Ananda Bose) সরিয়ে দিয়েছিলেন নন্দিনী চক্রবর্তীকে। রাজ্যপালের ওই সিদ্ধান্ত নিয়ে তিক্ততার সৃষ্টি হয়েছিল রাজভবন-নবান্নের মধ্যে। এবার রাজ্যপাল সরিয়ে দিলেন তাঁর প্রেস সচিব শেখর বন্দ্যোপাধ্যায়কে। রাজ্যপাল সরিয়ে দিতেই নন্দিনীকে পাঠানো হয়েছিল পর্যটন দফতরের সচিব পদে। জানা গিয়েছে, শেখরকে অব্যাহতি দেওয়ার পর তাঁকে ফেরানো হয়েছে নবান্নে তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের পুরনো পদে।

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে ব্যাপক অশান্তি

    সদ্য সমাপ্ত ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্যে ব্যাপক অশান্তি হয়। রাজনৈতিক হিংসার বলি হয়েছেন ৫২ জন। এর মধ্যে কেবল নির্বাচনের দিনই ঝরে গিয়েছে ২২টি তরতাজা প্রাণ। রাজ্যে হিংসার পরিস্থিতি এমনই আকার ধারণ করেছিল যে স্বয়ং রাজ্যপালকে পথে নামতে হয়। পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে অভিযোগ জানাতে রাজভবনে শান্তিকক্ষ খুলেছিলেন রাজ্যপাল (C V Ananda Bose)। গঠন করেছিলেন প্রাক্তন বিচারপতির নেতৃত্বে শান্তি সম্প্রীতি কমিটি। এসব নিয়েই রাজভবন-নবান্নের মধ্যে দিয়ে বয়ে গিয়েছে অশান্তির চোরা স্রোত। এমতাবস্থায় রাজ্য সরকারের মনোনীত প্রেস সচিবকে সরিয়ে রাজ্যপাল নবান্নকে বার্তা দিতে চাইলেন বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

    নবান্নকে কড়া বার্তা

    রাজ্যপালের প্রেস সচিবের প্রধান কাজ হল রাজ্যপাল ও রাজভবনের কথা সংবাদমাধ্যম মারফৎ সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। এহেন প্রেস সচিবকেই সরিয়ে দিয়ে রাজভবন নবান্নকে কড়া বার্তা দিল বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিংহের নিয়োগপত্র নবান্নে ফেরত পাঠিয়ে একবার নবান্নকে বার্তা দিয়েছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (C V Ananda Bose)। তা নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। বিতর্ক হয়েছে নন্দিনীকে সরানোর পরেও। এবার সরিয়ে দেওয়া হল শেখরকেও।

    আরও পড়ুুন: পাহাড় থেকে পাথর গড়িয়ে অমরনাথের পথে মৃত্যু পুণ্যার্থীর, জখম ২ পুলিশ কর্মীও

    গত জানুয়ারি মাসেই নবান্নের পাঠানো তিনটি নামের মধ্যে থেকে নিজের প্রেস সচিব হিসেবে শেখরকেই বেছে নিয়েছিলেন রাজ্যপাল। সেই শেখরকেই অব্যাহতি দেওয়ায় দানা বেঁধেছে জল্পনা। পঞ্চায়েত নির্বাচনকে ঘিরে ব্যাপক অশান্তি হয়েছে রাজ্যে। সূত্রের খবর, সেই হিংসার অনেক খবরই তাঁকে দেওয়া হয়নি। এই কাজটি করার কথা প্রেস সচিবের। হিংসার খবর না দেওয়ার বিষয়টি রাজ্যপাল আলোচনা করেছিলেন ঘনিষ্ঠমহলে। তার পর সরিয়ে দেওয়া হয় শেখরকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayet Elections 2023: পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়ে বিজেপির দেওয়া বুথের তালিকা খতিয়ে দেখতে নির্দেশ জেলাশাসকদের

    Panchayet Elections 2023: পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়ে বিজেপির দেওয়া বুথের তালিকা খতিয়ে দেখতে নির্দেশ জেলাশাসকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোথাও বুথ দখল, কোথাও আবার অবাধে ছাপ্পা। এভাবে ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayet Elections 2023) বেশ কিছু আসনে তৃণমূল ভোট করিয়েছে বলে অভিযোগ। এমনই প্রায় ৫ হাজার বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে (State Election Commission) চিঠি দিয়েছিল বিজেপি। পদ্ম শিবিরের দেওয়া সেই সব বুথের তালিকা খতিয়ে দেখার নির্দেশ জেলাশাসককে দিল কমিশন। এই মর্মে জেলাশাসকদের চিঠিও পাঠিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।

    রক্তের হোলি

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকেই উত্তপ্ত হয়েছে রাজ্য। ওই দিনই মুর্শিদাবাদের খড়গ্রামে খুন হন এক কংগ্রেস কর্মী। তার পর থেকে আক্ষরিক অর্থেই রক্তের হোলি খেলা চলেছে রাজ্যে। কোথাও তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হাতে খুন হয়েছেন বিরোধী দলের নেতা-কর্মী-সমর্থক। কোথাও আবার তৃণমূলের সঙ্গে যুব তৃণমূলের (Panchayet Elections 2023) লড়াইয়ের বলি হয়েছেন জোড়াফুল শিবিরের কোনও কর্মী। পঞ্চায়েত নির্বাচন হয়েছে ৮ জুলাই।

    ৫ হাজার বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি

    সেদিনও রক্তাক্ত হয়েছে বাংলা। এই একদিনেই রাজনৈতিক হিংসার বলি হয়েছেন ২২ জন। সব মিলিয়ে পুরো নির্বাচন পর্বে খালি হয়ে গিয়েছে ৫২ জন মায়ের কোল। নির্বাচনোত্তর অশান্তির ঘটনাও ঘটেছে। নির্বাচনের পরের দিনই কমিশনকে ইমেল করা হয় গেরুয়া শিবিরের তরফে। তাতে প্রায় ৫ হাজার বুথে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানানো হয়। পাঠানো হয় বুথের তালিকাও। সেই তালিকাই যাচাই করতে বলল কমিশন। শুধু তাই নয়, যেসব বুথের উল্লেখ করা হয়েছে, সেসব বুথে পুনর্নির্বাচনের কোনও কারণ রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখে একদিনের মধ্যেই কমিশনকে জানাতে বলা হয়েছে। স্ক্রুটিনি ও পুনর্নির্বাচন করানো হয়েছে, এমন বুথ বাদে বাকি বুথগুলোতে কী কী অভিযোগ রয়েছে, সেই অভিযোগের ভিত্তি রয়েছে কিনা, পুনর্নির্বাচন করার মতো কিনা, তাও জানাতে হবে। 

    আরও পড়ুুন: বাড়ি কিনে তোলাবাজির মুখে শিক্ষক, ৫ লক্ষ টাকা না দেওয়ায় বাড়িতে তাণ্ডব, অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলার

    এদিকে, পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayet Elections 2023) ফল নিয়ে রবিবার পর্যালোচনায় বসছে বঙ্গ বিজেপি। সল্টলেকের বিজেপি অফিসে হবে বৈঠক। উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরাও। ভোট-সন্ত্রাস, রাজ্য প্রশাসনের রাজনীতিকরণের অভিযোগ নিয়ে হবে আলোচনা। পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলের নিরিখে কোন জেলায় দলের সাংগঠনিক অবস্থা কেমন, তাও খতিয়ে দেখা হবে রবিবারের বৈঠকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Ananta Maharaj: মনোনয়ন প্রত্যাহার রথীন্দ্রর, রাজ্যসভায় যাচ্ছেন বিজেপির অনন্ত, শংসাপত্র সোমে

    Ananta Maharaj: মনোনয়ন প্রত্যাহার রথীন্দ্রর, রাজ্যসভায় যাচ্ছেন বিজেপির অনন্ত, শংসাপত্র সোমে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভা নির্বাচনে ডামি প্রার্থী দিয়েছিল বিজেপি (BJP)। ১৭ জুলাই ছিল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। তার দুদিন আগেই মনোনয়নপত্র (Ananta Maharaj) প্রত্যাহার করে নিলেন ডামি প্রার্থী উত্তরবঙ্গের ভূমিপুত্র রথীন্দ্র বসু। তিনি বিজেপির রাজ্য সহ সভাপতিও। শনিবার বিধানসভায় এসে সহ-সচিবের কাছে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেন তিনি। যেহেতু রাজ্যসভায় বাংলার ৬টি আসনেই কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী নেই, তাই আর নির্বাচন হচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সোমবার ওই ৬ প্রার্থীকেই জয়ের শংসাপত্র দেওয়া হবে। ওই দিনই জয়ের শংসাপত্র দেওয়া হবে উপনির্বাচনে মনোনীত এক প্রার্থীকেও। রথীন্দ্র মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করায় বাংলা থেকে এই প্রথমবার বিজেপির কোনও সদস্য যাচ্ছেন রাজ্যসভায়।

    মনোনয়ন প্রত্যাহার রথীন্দ্রর

    কৌশলগত কারণেই যে অনন্ত মহারাজের (Ananta Maharaj) পাশাপাশি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন রথীন্দ্রও, তা আগেই জানিয়েছিল বিজেপি। এদিন রথীন্দ্র মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করার পর নাটাবাড়ির বিধায়ক বিজেপির মিহির গোস্বামী বলেন, দল একটা অতিরিক্ত প্রার্থী দিয়ে রেখেছিল। এই ধরনের প্রার্থী সাধারণত নির্বাচনে দেওয়া হয়ে থাকে। প্রার্থী নিয়ে শেষ পর্যন্ত কোনও সমস্যা হলে, যাতে বিকল্প ব্যবস্থা রাখা যায়, তাই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দল।

    গর্বিত বিজেপি

    মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন আমাদের ডামি প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেওয়ায় আর নির্বাচনের সুযোগ রইল না। তিনি বলেন, অনন্ত মহারাজ কোচবিহারের বাসিন্দা। তিনি উত্তরবঙ্গে বহু সমাজিক সংস্কারের কাজ করেছেন। তাই তাঁর মতো একজন ব্যক্তিকে বিজেপি রাজ্যসভার মনোনয়ন দেওয়ায় আমরা গর্বিত। প্রার্থী হিসেবে উত্তরবঙ্গের ভূমিপুত্র অনন্তর (Ananta Maharaj) নাম ঘোষণার পরে পরেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, আমরা বাংলা ভাগের পক্ষে নই। কিন্তু উত্তরবঙ্গের মানুষের সঙ্গে টানা বঞ্চনা করে চলেছে সরকার। উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি গোটা রাজ্যের মানুষের স্বার্থেই সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হয়ে অনন্ত মহারাজ কাজ করবেন বলে আমার বিশ্বাস।

    আরও পড়ুুন: ভারতের পতাকা ভেসে উঠল বুর্জ খলিফায়, লেখা হল, ‘স্বাগতম প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি’

    প্রসঙ্গত, গোয়া, গুজরাট এবং বাংলা সহ রাজ্যসভার মোট ১০টি আসনে ভোট হওয়ার কথা ছিল। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গেই ৬টি আসন। প্রতিটি আসনেই একজন করে প্রার্থী থাকায় হচ্ছে না ভোটাভুটি। সোমবার যাঁদের জয়ী বলে ঘোষণা করা হবে, তাঁরা হলেন, তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক-ও-ব্রায়েন, উপ-দলনেতা সুখেন্দুশেখর রায়, শ্রমিক সংগঠনের নেত্রী দোলা সেন, অধ্যাপক সামিরুল ইসলাম এবং তৃণমূলের আলিপুরদুয়ার জেলা সভাপতি প্রকাশ বরাইক। বিজেপির তরফে রাজ্যসভায় যাচ্ছেন অনন্ত মহারাজ। একটি আসনে উপনির্বাচন হচ্ছে। ওই আসনে জয়ী হতে চলেছেন দিল্লির বাসিন্দা তৃণমূলের সাকেত গোখলে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Panchayat Election 2023: হাইকোর্টই ঠিক করবে জয়ী প্রার্থীর ভবিষ্যত! সমস্ত জেলাশাসককে চিঠি নির্বাচন কমিশনের

    Panchayat Election 2023: হাইকোর্টই ঠিক করবে জয়ী প্রার্থীর ভবিষ্যত! সমস্ত জেলাশাসককে চিঠি নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election 2023) জয়ী কোনও প্রার্থীকে এখনই জয়ী বলা যাবে না। হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশ মেনে সমস্ত জেলাশাসককে এমনই নির্দেশ পাঠাল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সমস্ত জেলাশাসকদের (DM) চিঠি দিয়ে জানানো হয়, ‘সমস্ত জয়ী প্রার্থীকে দ্রুত কমিশনের নোটিস সম্বন্ধে অবহিত করতে হবে জেলাশাসকদের।’

    কী বলল কমিশন 

    পঞ্চায়েত নির্বাচন সংক্রান্ত একাধিক মামলা চলছে কলকাতা হাইকোর্টে। তার মধ্যে, একটি মামলায়, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ আগেই মন্তব্য করেছিল, জয়ী প্রার্থীদের মনে রাখতে হবে যে তাঁদের ভবিষ্যৎ সংশ্লিষ্ট মামলার উপর নির্ভর করছে। সেই সূত্রেই আরও বলা হয়েছিল, পঞ্চায়েত ভোট সংক্রান্ত যাবতীয়  নথি, সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ করতে হবে। ঘটনা হল, মনোনয়ন পর্ব থেকে ভোটগ্রহণের নানা পর্বে কারচুপির অভিযোগ উঠেছে। সেই সমস্ত অভিযোগই হাইকোর্টে বিচারাধীন। এবার সেই মামলার রায়ে কী বেরোয়, তার উপরই নির্ভর করবে পঞ্চায়েত নির্বাচনে জয়ী প্রার্থীদের ভবিষ্যৎ। রাজ্য নির্বাচন কমিশন এই বিষয়টিই একেবারে চিঠি দিয়ে সমস্ত জেলাশাসকদের জানিয়েছে। সঙ্গে এও জানানো হয়েছে, যে সংশ্লিষ্ট জেলার প্রত্যেক জয়ী প্রার্থীকে যেন কমিশনের নোটিস সম্পর্কে অবিলম্বে জানানো হয়। 

    রাজ্যে নানা প্রান্তে হিংসা

    রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই জেলায় জেলায় হিংসার ছবি ফুটে উঠেছে। এই আবহেই ভোট সম্পন্ন হয়। ভোট গণনা হয়। ফল প্রকাশিত হয়। প্রতিদিনই রক্ত ঝড়েছে গ্রাম বাংলায়। এই প্রসঙ্গে একটি মামলায়,হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, পঞ্চায়েত ভোটে প্রার্থীদের জয় নির্ভর করবে মামলার রায়ের উপরেই। ভোট-হিংসা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, ‘‘রাজ্য যদি নাগরিককে নিরাপত্তা না দিতে পারে, তা হলে সেটি খুবই গুরুতর বিষয়।’’ 

    আরও পড়ুন: ‘‘আসন সংখ্যায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি বিজেপির’’! সুকান্ত-শুভেন্দুদের প্রশংসা শাহের, অগাস্টেই বঙ্গ-সফরে?

    আদালতের অভিমত

    প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ বলে, ‘‘নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরেও যে সব ঘটনা ঘটছে আদালত তা দেখে বিস্মিত। প্রাথমিক ভাবে মনে হচ্ছে, যে সন্ত্রাস, হিংসা চলছে রাজ্য তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। মানুষের জীবনধারণের স্বাধীনতার সঙ্গে আপস করা হচ্ছে। পুলিশ নিরীহ মানুষকে সাহায্য করছে না বলে অভিযোগ। সাধারণ মানুষের শান্তি যাতে ভঙ্গ না হয় তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাজ্যের। যদি এটি তারা না করতে পারে তা খুবই উদ্বেগের।”  ডিভিশন বেঞ্চ বলে, সমস্ত মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত প্রার্থীদের জয়ের বিষয়টি ফয়সালা হবে না। তাঁদের মামলা নিষ্পত্তি হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। হাইকোর্টের এই নির্দেশ মাথায় রেখেই নির্বাচন কমিশন বিজ্ঞপ্তি জারি করে জেলাশাসকদেরও সতর্ক করে দিয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kuntal Ghosh: অভিষেকের নাম বলার জন্য চাপ! কুন্তলের চিঠির অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি সিবিআই-এর

    Kuntal Ghosh: অভিষেকের নাম বলার জন্য চাপ! কুন্তলের চিঠির অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি সিবিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম বলতে তাঁকে চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছিলেন কুন্তল ঘোষ। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ জানিয়ে জেলে বসে চিঠি লিখেছিলেন কুন্তল। এই অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে আদালতে জানিয়ে দিল সিবিআই। শুক্রবার বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে সিবিআই জানায়, কুন্তলকে কেউ চাপ দিচ্ছেন এমন কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এমনকী জেলের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেও কোনও সূত্র পাননি তদন্তকারীরা। এরপরই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার উদ্দেশে বিচারপতি সিনহা বলেন, ‘‘এখনও কেন কিং পিন অবধি পৌঁছনো যাচ্ছে না।’’

    অভিযোগ ভিত্তিহীন

    গত ২৯ মার্চ ধর্মতলায় শহিদ মিনারের সভা থেকে অভিষেক দাবি করেছিলেন, হেফাজতে থাকার সময় মদন মিত্র, কুণাল ঘোষকে তাঁর নাম নিতে বলেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এর পরেই রাজ্যে শিক্ষায় নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত তৃণমূলের বহিষ্কৃত যুবনেতা কুন্তল ঘোষ দাবি করেন যে, অভিষেকের নাম বলার জন্য তাঁকে ‘চাপ’ দিচ্ছে ইডি, সিবিআই। এই সংক্রান্ত অভিযোগ জানিয়ে নিম্ন আদালতে চিঠিও দেন কুন্তল। পুলিশি হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি পাঠান কলকাতার হেস্টিংস থানাতেও। তার পর হাই কোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর পর্যবেক্ষণে জানান, প্রয়োজনে সিবিআই বা ইডি এই ঘটনায় অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে। 

    আরও পড়ুন: ‘‘ভোট-পরবর্তী হিংসায় ফের আক্রান্ত গ্রামবাংলা, এটাই কি গণতন্ত্র?’’ নিন্দা শুভেন্দুর

     শুক্রবার হাই কোর্টে রিপোর্ট দিয়ে সিবিআই জানায় যে, কুন্তলের অভিযোগ ভিত্তিহীন। সিবিআইয়ের তরফে এ-ও জানানো হয়েছে যে, কুন্তলের জেলযাত্রার প্রথম দিন থেকে ওই চিঠি লেখা পর্যন্ত সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখতে যে নির্দেশ দিয়েছিল আদালত, তাতে মাত্র কয়েক দিনের ফুটেজ পাওয়া গিয়েছে। বাকি ফুটেজ নেই। জেল থেকে মাত্র কয়েকদিনের ফুটেজ দেওয়া হয়। সেই ফুটেজে কোথাও কোনও চাপ দেওয়ার ঘটনা দেখা যায়নি। এরপরই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার উদ্দেশে বিচারপতি সিনহা বলেন, ‘‘এখনও কেন কিং পিন অবধি পৌঁছনো যাচ্ছে না।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Calcutta High Court: ভোটে কারচুপি! বিডিও-র বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের অনুমতি হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: ভোটে কারচুপি! বিডিও-র বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের অনুমতি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচন সংক্রান্ত মামলা গুলো জনস্বার্থ মামলা হিসেবে দায়ের করা যেতে পারে। শুক্রবার পঞ্চায়েত ভোট সংক্রান্ত একটি মামলায় এমনই তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করল কলকাতা হাইকোর্ট। এদিন হাওড়ার সলপে বিরোধীদের জয়ী ঘোষণা করেও শাসকদলের পরাজিত প্রার্থীদের শংসাপত্র দেওয়ার অভিযোগ সংক্রান্ত মামলার শুনানি চলাকালীন ওই মন্তব্য করেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। 

    বিডিও-র বিরুদ্ধে মামলা

    এদিন শুনানির সময় মামলাকারীদের উদ্দেশে বিচারপতি সিনহা বলেন, ‘পঞ্চায়েত নির্বাচন সংক্রান্ত মামলা গুলো আপনারা জনস্বার্থ মামলা হিসেবে দায়ের করছেন না কেন? বৃহত্তর পরিসরে এই ঘটনাগুলির সঙ্গে সরাসরি জনস্বার্থ জড়িয়ে রয়েছে। এইগুলো জনস্বার্থেরই বিষয়।’ বিরোধীদলের প্রার্থীরা ভোটে জিতলেও শাসকদলের প্রার্থীদের জয়ের শংসাপত্র দেওয়ার অভিযোগ ওঠে হাওড়ার সলপে। মামলাকারী প্রার্থীরা স্থানীয় বিডিও-র বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। বিচারপতি সিনহা এদিন বিডিও-র বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন। 

    ব্যালট পেপার ছিনতাই-মামলা

    অন্যদিকে, বালিতে গণনাকেন্দ্রের বাইরে ব্যালট পেপার পাওয়া যাওয়ার ঘটনায় আদালতে হাজিরা দিলেন জগাছার বিডিও। শুক্রবার বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে হাজিরা দিয়ে গণনাকেন্দ্রের সিসিটিভি ফুটেজ আদালতে পেশ করেন তিনি। আদালতের তরফে এই সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি বলেন, দেখতে হবে, কে বা কারা ব্যালট পেপার গণনাকেন্দ্রের বাইরে নিয়ে এল। এদিন আদালতে জগাছার বিডিও বলেন, বালির ওই গণনাকেন্দ্র থেকে ব্যালট পেপার ছিনতাই হয়েছে। সেকথা জানিয়ে পুলিশে এফআইআর করেছেন তিনি। কমিশনকেও ঘটনার কথা জানিয়েছেন। তবে কমিশন এব্যাপারে কী পদক্ষেপ করেছে তা তাঁর জানা নেই। ওদিকে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে রাজ্যে ৬৯৬টি বুথে পুনর্নির্বাচন হয়েছে। এছাড়া ৬০০০টি বেনিয়মের অভিযোগ কমিশনে জমা পড়েছে। সেগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোনও বেনিয়ম ধরা পড়লে পদক্ষেপ করবে কমিশন। এদিন আদালতে পেশ হওয়া সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। আগামী ২৫ জুলাই মামলাটির ফের শুনানি হবে।

    আরও পড়ুন: ভাঙড়ের পথে নওশাদকে আটকাল পুলিশ! গাড়িতেই বসে আইএসএফ বিধায়ক

    রামনগরেও বিতর্ক

    রামনগরের জেলা পরিষদে জয়ী ঘোষণা পরেও সার্টিফিকেট দেওয়া হয়নি বিজেপি প্রার্থীকে। জয়ের সার্টিফিকেট চেয়ে মামলা করেন তিনি। এদিন এই মামলার প্রেক্ষিতে বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে হাজিরা দিলেন সেখানকার বিডিও। সশরীরে এজলাসে হাজিরা দিলেন রামনগরের পঞ্চায়েতের রিটার্নিং অফিসার। রামনগর-২-এর বিডিও অখিল মণ্ডল জানান, ভোটের ফলাফল রেকর্ডিং এর সময় অদলবদল হয়। রামনগর ২ নং ব্লকের গণনা কেন্দ্রের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ হাইকোর্টে জমা রাখতে নির্দেশ দেন বিচারপতি সিনহা। বিডিও-এর কাছে হলফনামা তলব করেন তিনি। ২৫ জুলাই এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘ভোট-পরবর্তী হিংসায় ফের আক্রান্ত গ্রামবাংলা, এটাই কি গণতন্ত্র?’’ নিন্দা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘ভোট-পরবর্তী হিংসায় ফের আক্রান্ত গ্রামবাংলা, এটাই কি গণতন্ত্র?’’ নিন্দা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী অশান্তির আঁচ ক্রমেই বাড়ছে। চারিদিকে আক্রান্ত রাজনৈতিক কর্মীরা। বোমা, গুলি, আগুন, আক্রমণ চলছেই। হাওড়ার আমতা জয়পুরে দুই বিজেপির (BJP) প্রার্থীর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল এলাকায়। গভীর রাতে একের পর এক বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। এই পরিস্থিতিতে ট্যুইটে কড়া ভাষায় রাজ্য প্রশাসনকে আক্রমণ করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ট্যুইটে তিনি লিখলেন, ভোটে অংশ নেওয়ায় শাসকের অত্যাচার, এটাই কি গণতন্ত্র? 

    উত্তপ্ত আমতা

    বৃহস্পতিবার রাতে বিজেপির গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রার্থী সোমা রায় সহ ৬ বিজেপি কর্মীর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় এক বৃদ্ধা অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন বলেও সূত্রের খবর। বিজেপির দাবি, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী ছাড়া আর কেউ এ কাজ করতে পারে না। আমতা বিধানসভার অন্তর্গত আমড়াগোড়ি অঞ্চলের বিজেপির গ্রামসভার প্রার্থী সোমা রায়। বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটা নাগাদ দুষ্কৃতীরা তাঁর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। হাওড়া গ্রামীণের বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক দ্বিজেন অধিকারী জানিয়েছেন, অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় বৃদ্ধাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘পুলিশ ওদের দলদাস। মনোনয়ন থেকে দেখছি, পুলিশ ওদের কথা মতো চলছে। বিজেপি বারবার আক্রান্ত হওয়া সত্ত্বেও পুলিশ কিছু করছে না।’

    আরও পড়ুন: জেতার পরও মেলেনি সার্টিফিকেট, আলিপুরদুয়ারে সরব একাধিক বিজেপি প্রার্থী

    শুভেন্দুর ট্যুইট বার্তা

    এ প্রসঙ্গেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ( Suvendu Adhikari ) লেখেন, ‘ভোট-পরবর্তী হিংসায় ফের আক্রান্ত গ্রামবাংলা। হাজার হাজার বিরোধী দলের প্রার্থী, পার্টি কর্মী ও সমর্থক রাজ্য জুড়ে আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছেন। তাঁদের বাড়িতে হামলা করা হচ্ছে। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বা তাঁদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে গ্রাম থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় সাবাং ব্লকের বিজেপি জেলা পরিষদের প্রার্থী তাপসী দাস বর্মণের মাথার উপর কোনও ছাদ নেই এবং তিনি ও তাঁর পরিবার বর্ষায় আশ্রয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ঘর খুঁজছে। শতাধিক সেফ হাউস চালু করেছে রাজ্য বিজেপি। পঞ্চায়েত নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য  বিজেপি এবং অন্যান্য বিরোধী প্রার্থীদের তৃণমূলের গুন্ডারা  নির্যাতন করছে। এটাই কি গণতন্ত্র?’  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: আমতায় একের পর এক বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে ভাঙচুর, আগুন

    Howrah: আমতায় একের পর এক বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে ভাঙচুর, আগুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট মিটে গেলেও এখনও পর্যন্ত জেলায় জেলায় অশান্তি থামেনি। বৃহস্পতিবারই উচ্চ আদালত নির্দেশ দিয়েছে, যে কোনও ধরনের অশান্তি ঘটলে কেন্দ্রীয় বাহিনী সরাসরি ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্যবস্থা নিতে পারে। কিন্তু তার পরেও পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন হয়নি। বৃহস্পতিবার আদালতের নির্দেশ দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরেই গভীর রাতে হাওড়ার (Howrah) আমতায় একের পর এক বিজেপি সমর্থকের বাড়ি ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটল। গণনার পর থেকেই আমতার ওই এলাকা উত্তপ্ত ছিল। বৃহস্পতিবার রাতে কয়েকটি বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনায় এলাকা আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠল। এমনকী শাসক দলের নেতারা হুমকি দিচ্ছে বলেও অভিযোগ বিরোধী দলের। বৃহস্পতিবার রাতে বিজেপির গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রার্থী সোমা রায় সহ ৬ বিজেপি কর্মীর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় এক বৃদ্ধা অগ্নিদগ্ধ হন। বিজেপির দাবি, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী ছাড়া আর কেউ এ কাজ করতে পারে না।

    ভয়াবহ সেই ঘটনার (Howrah) বিবরণ

    আমতা (Howrah) বিধানসভার অন্তর্গত আমড়াগোড়ি অঞ্চলের কাঁকরোল গ্রামে বিজেপির গ্রামসভার প্রার্থী সোমা রায়ের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটে নাগাদ দুষ্কৃতীরা তাঁর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। আতঙ্কে গ্রামছাড়া এলাকার একাধিক পরিবার। বিজেপির আরও অভিযোগ, ঘরগুলোতে বাইরে থেকে শিকল লাগিয়ে দেওয়া হয়। প্রতিবশীরাই তাদের দরজার শিকল খুলে ঘর থেকে বেরিয়ে আসতে সাহায্য করে। এই ঘটনায় কোনওক্রমে বাড়ির বাসিন্দারা বেরোতে পারলেও আগুনে পুড়ে মরেছে হাঁস, মুরগি সহ গবাদি পশু। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে জয়পুর থানার পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী জওয়ানরা। অভিযোগ, ভোটে বিজেপির হয়ে দাঁড়ানোর পর থেকেই হুমকি আসছিল। তৃণমূলের নেতারা বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিয়ে এলাকা ছাড়া করার হুমকি দিয়ে আসছিল। কিন্তু তারা তৃণমূলের হুমকি উপেক্ষা করেই সেখানে বসবাস করছিলেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার রাতে তৃণমূল সত্যিই যে ঘরদোর জ্বালিয়ে দেবে, তাঁরা তা বুঝে উঠতে পারেননি।

    কী বলছে বিজেপি প্রার্থীর পরিবা (Howrah) ?

    ভূদেব রায় ও স্বপন রায় দুই ভাই। ভূদেবের স্ত্রী কল্পনা রায় ও স্বপনের স্ত্রী ঝুমা রায়। দুই জা বিজেপির হয়ে এবারে পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। অমরাগড়ি এলাকার ৪৩ ও ৩৭ নম্বর দুটি বুথ থেকে দুজনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। স্বপন রায় বলেন, স্থানীয় তৃণমূলের নেতারা আমাদের ভোটে দাঁড়াতে বারণ করেছিল। আমরা তাদের বারণ উপেক্ষা করে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করি। তারপর থেকেই আমাদের হুমকি দিয়ে আসছিল। কিন্তু সত্যিই যে তারা আমাদের ঘরে (Howrah) পেট্রোল ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে দেবে, তা আমরা বুঝতে পারিনি।

    তীব্র নিন্দা শুভেন্দু অধিকারীর

    হাওড়া গ্রামীণের বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক দ্বিজেন অধিকারী বলেন, পুলিশ ওদের দলদাস। মনোনয়ন থেকে দেখছি, পুলিশ ওদের কথা মতো চলছে। বিজেপি বারবার আক্রান্ত হওয়া সত্ত্বেও পুলিশ কিছু করছে না। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোমা রায়ের বাড়ি (Howrah) কীভাবে পুড়েছে, সেই ছবি তিনি ট্যুইটারে পোস্ট করেছেন। তাঁর দাবি, গ্রামাঞ্চলে ভোট পরবর্তী হিংসার শিকার কয়েক হাজার বিরোধী দলের কর্মী। তাঁদের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে গ্রামছাড়া করা হচ্ছে বলেও দাবি করেছেন শুভেন্দু।

    কী বলছে তৃণমূল?

    যদিও তৃণমূল তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছে। আমতা কেন্দ্র তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সেলিমুল আলম জানান, যে জায়গায় ঘরগুলি আগুনে পুড়ে গেছে সেই জায়গা নিয়ে আইনি জটিলতা চলছিল। আইনি জটিলতা কাটাতে ইচ্ছে করে ঘরে আগুন লাগিয়ে দিয়ে তৃণমূলের নামে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Coal Scam: ছত্তিসগড় কয়লা-ব্লক বণ্টন দুর্নীতি মামলায় দোষী সাব্যস্ত প্রাক্তন সাংসদ, কয়লা সচিব

    Coal Scam: ছত্তিসগড় কয়লা-ব্লক বণ্টন দুর্নীতি মামলায় দোষী সাব্যস্ত প্রাক্তন সাংসদ, কয়লা সচিব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিসগড়ে কোল-ব্লক বিলি কেলেঙ্কারি (Coal Scam) মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলেন রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ বিজয় দারদা (Vijay Darda)। দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে প্রাক্তন কয়লা সচিব এইচসি গুপ্তাকেও। এছাড়াও আরও পাঁচজনকে বৃহস্পতিবার দোষী বলে ঘোষণা করে দিল্লির রাউস অ্যাভেনিউ আদালত। এই আদালতের স্পেশাল জাজ সঞ্জয় বনশাল রায় ঘোষণা করেন। এ নিয়ে কয়লা কেলেঙ্কারি মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা হল ১৩ জনকে। এদিন যাঁদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে, তাঁরা হলেন দেবেন্দর দারদা, আইএসএস অফিসার কেএস কোরফা এবং কেসি সামরিয়া। একটি বেসরকারি সংস্থার ডিরেক্টর মনোজ কুমার জয়সওয়ালও রয়েছেন। ষড়যন্ত্র, প্রতারণা এবং প্রিভেনশন অফ কোরাপশান অ্যাক্টে তাঁদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। অভিযুক্তদের এদিন দোষী সাব্যস্ত করা হলেও, সাজা ঘোষণা হয়নি। সাজা ঘোষণা হবে ১৮ জুলাই।

    কোলব্লক বণ্টন বেআইনি

    প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালেই নিলাম না করে সরকারের মর্জিমাফিক কয়লার ব্লক (Coal Scam) বণ্টনকে বেআইনি বলে ঘোষণা করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। সর্বোচ্চ আদালত জানিয়েছিল, ১৯৯৩ সাল থেকে শুরু করে ২০১০ পর্যন্ত কয়লার যত ব্লক বণ্টিত হয়েছে, সব অবৈধ। ২০১২ সালের ক্যাগ রিপোর্টে প্রথম প্রকাশ্যে আসে ১ লক্ষ ৮৬ হাজার কোটি টাকার এই কেলেঙ্কারির খবর।

    আরও পড়ুুন: ‘অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ’, প্রস্তাব পাশ মার্কিন সেনেটে

    সেখানে নানা অনিয়মের কথা বলা হয়। সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে শুরু হয় তদন্ত। তদন্তের রিপোর্ট সন্তোষজনক না হওয়ায় সিবিআইকে খাঁচার তোতা বলে ভর্ৎসনা করেছিল দেশের শীর্ষ আদালত। তার পরেও তদন্ত চালিয়ে যায় সিবিআই। তদন্তের শুনানির জন্য সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সিবিআই স্পেশ্যাল কোর্টও গঠন করে।

    প্রধানমন্ত্রীকে ভুল তথ্য

    এদিন আদালত সাফ জানায়, দোষী সাংসদ (Coal Scam) তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে ভুল তথ্য দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছিলেন। ওই সাংসদ তখন কোল পোর্ট ফোলিওর দায়িত্বে ছিলেন। এটা করা হয়েছিল ছত্তিসগড়ের একটি বেসরকারি সংস্থাকে ফতেপুরের ওই কোল-ব্লকটি পাইয়ে দিতে। ২০০৫ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০০৮ এর নভেম্বর পর্যন্ত গুপ্তা ছিলেন কয়লা সচিব। ইউপিএ সরকারের আমলে কোল-ব্লক বিলিতে তাঁর বিরুদ্ধে অনিয়মের ১২টি মামলা রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share