Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Calcutta High Court: জাঙ্গিপাড়ায় ব্যালট উদ্ধার-কাণ্ড, কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: জাঙ্গিপাড়ায় ব্যালট উদ্ধার-কাণ্ড, কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলির জাঙ্গিপাড়ায় রাস্তার নর্দমার পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া ব্যালট মামলায় রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে ভর্ৎসনা কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অমৃতা সিনহার। বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানি হয় বিচারপতি সিনহার এজলাসে। সেখানেই তিরস্কৃত হয় কমিশন। আদালতের পর্যবেক্ষণ, “পঞ্চায়েতে জিতলেই হাতে টাকা। আর সেই জন্যই এত দ্বন্দ্ব।” “রাস্তায় ব্যালট পড়ে থাকলে আর নির্বাচনের স্বচ্ছতা কোথায়?” প্রশ্ন বিচারপতি সিনহার। বৈধ ব্যালট পেপার গণনার আগে কীভাবে সেগুলো গণনা কেন্দ্রের বাইরে গেল ২০ জুলাইয়ের মধ্যে হলফনামায় তা জানানোর নির্দেশও দিয়েছে আদালত। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ২৫ জুলাই।

    জাঙ্গিপাড়ার বিডিওকে তলব

    বুধবার জাঙ্গিপাড়ায় একটি রাস্তার ধার থেকে উদ্ধার হয় শয়ে শয়ে বৈধ ব্যালট পেপার। ব্যালট পেপারগুলিতে সিপিএমের প্রতীকে ভোট দেওয়া ছিল। সেগুলি কুড়িয়ে নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন হুগলির বাম নেতারা। রাস্তায় ব্যালট পেপার পড়ে থাকার কারণ জানতে চেয়ে জাঙ্গিপাড়ার বিডিওকে তলব করেছিলেন বিচারপতি সিনহা। বৃহস্পতিবার বেলা ২টোয় আদালতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল তাঁকে। একই সঙ্গে তলব করা হয়েছিল পঞ্চায়েতের রিটার্নিং অফিসারকেও। ওই বুথের ভোটের দায়িত্বে যাঁরা ছিলেন, তাঁদেরও নামের তালিকা চেয়েছিলেন বিচারপতি। গণনা কেন্দ্রের সিসিটিভি ফুটেজ এবং ভিডিও ফুটেজও আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি।

    কমিশনের আইনজীবীকে তিরস্কার

    এদিন জাঙ্গিপাড়ার বিডিও আদালতে (Calcutta High Court) জানান, প্রিসাইডিং অফিসার জয়দেব দে-কে ব্যালটগুলি ইস্যু করা হয়েছিল। কিন্তু সই মিলছে না। পঞ্চায়েত রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব ছিল ভোটের দিন বিষয়টি খতিয়ে দেখার। কিন্তু তার পরে আর আমার কোনও দায়িত্ব নেই। এই বুথ থেকে সন্ত্রাসের কোনও খবর রিপোর্ট হয়নি। কমিশনের আইনজীবীকে তিরস্কার করেন বিচারপতি সিনহা। বলেন, “প্রিসাইডিং অফিসারকে একজন আইনজীবী হিসেবে নয়, একজন নাগরিক হিসেবে বলুন তো, কী চলছে এটা? কীসের জন্য এত গোলমাল, গন্ডগোল? আসলে এটা একটা কাজ। জয় পেলে টাকা ইনকাম করার রাস্তা খুলে যাবে। তাই এত লড়াই। মামলার পাহাড় জমছে আদালতগুলোতে। কতগুলো ইলেকশন পিটিশনের সমাধান হয়েছে, তথ্য ঘেঁটে বলুন তো। প্র্যাক্টিক্যাল অভিজ্ঞতা থেকে বলুন।”

    আরও পড়ুুন: প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রি বিতর্ক, কেজরিওয়াল, সঞ্জয় সিংহকে হাজিরার নির্দেশ গুজরাটের আদালতের

    এর পরেই আইনজীবী (Calcutta High Court) বলেন, “এখনও কিছু প্রমাণিত নয়। ইলেকশন পিটিশন করতে হবে। এই মামলা গ্রহণযোগ্য নয়।” প্রত্যুত্তরে বিচারপতি সিনহা বলেন, “ভোট গণনার সময় গোছা গোছা ব্যালট পেপার রাস্তায় পাওয়া গেল, এরপরও বলছেন কিছু প্রমাণিত নয়! এটা বাড়াবাড়ি না? আপনাদের বিডিও স্বীকার করছেন এগুলো আসল ব্যালট, তার পরেও কিছু প্রমাণিত নয় বলে বিষয়টা লঘু করার চেষ্টা করছেন!”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rajya Sabha Election: মনোনয়নপত্র পেশ অনন্তর, “দিনটি গর্বের”, বললেন শুভেন্দু, “ঐতিহাসিক মুহূর্ত”, মন্তব্য সুকান্তর

    Rajya Sabha Election: মনোনয়নপত্র পেশ অনন্তর, “দিনটি গর্বের”, বললেন শুভেন্দু, “ঐতিহাসিক মুহূর্ত”, মন্তব্য সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র জমা দিলেন বিজেপি (BJP) প্রার্থী অনন্ত মহারাজ। রাজ্যসভায় (Rajya Sabha Election) তাঁর নামে শিলমোহর দিয়েছিলেন অমিত শাহ স্বয়ং। তাঁর নাম নিয়ে সহমত হয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। বুধবারই অনন্তর মনোনয়ন সংক্রান্ত সব কাজ সেরে রেখেছিল বিজেপির পরিষদীয় দল।

    মনোনয়নে শুভেন্দু-সুকান্ত

    এদিন মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগে বিধায়কদের নিয়ে অনন্ত যান গান্ধী মূর্তির পাদদেশে। পরে দেন মনোনয়নপত্র জমা। উপস্থিত ছিলেন সুকান্ত, শুভেন্দু এবং নিশীথও। শুভেন্দু বলেন, “শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্য পশ্চিমবঙ্গ তৈরি হয়েছিল। সেই রাজ্য থেকে বিজেপি এই প্রথম কোনও রাজ্যসভার (Rajya Sabha Election) সাংসদ পাচ্ছে। তাই আমাদের বিজেপি কর্মীদের কাছে এই দিনটি গর্বের।” রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও বলেন, “ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এই প্রথম বাংলা থেকে আমাদের কোনও সাংসদ রাজ্যসভায় যাচ্ছেন। উত্তরবঙ্গের অনুন্নয়নের জন্য রাজ্যই দায়ী। এছাড়া বিভিন্ন ভাগের দাবি উঠেছে। মূল কারণ হল পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন কলকাতা কেন্দ্রিক। বৈমাতৃসুলভ আচরণ করছে রাজ্য। এই অনুন্নয়ন সরে গেলে আর বাংলা ভাগের দাবি উঠবে না।”  

    ডামি প্রার্থী

    এদিকে, এদিন বিজেপির তরফে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন ডামি প্রার্থী রথীন্দ্র বসু। তিনি বিজেপির রাজ্য সহ সভাপতি। অনন্তর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পরেই মনোনয়নপত্র জমা দেন উত্তরবঙ্গের ভূমিপুত্র রথীন্দ্র। বিজেপি সূত্রে খবর, ১৮ জুলাই মনোনয়নপত্র (Rajya Sabha Election) প্রত্যাহারের শেষ দিন। সেদিন মনোনয়নপত্র তুলে নেবেন রথীন্দ্র। এদিন তৃণমূলকেও নিশানা করেছেন সুকান্ত। বলেন, “আমরা গণতান্ত্রিকভাবে লড়াই করছি। ভোটে একটা দল জিতবে, একটা হারবে, সেটা স্বাভাবিক। ২০১১ সালে তৃণমূলের কী ছিল? আমাদের ভোট তার কাছাকাছি। সাঁকরাইলের বিধায়ক ভোট লুঠ করেছেন। চোর বিধায়ক। টাকা লুঠ করেছিলেন। পঞ্চায়েতের টাকা চুরি করতে চেয়েছিলেন।”

    আরও পড়ুুন: “আক্রান্তদের অপরাধ, তাঁরা মোদিকে ভালবাসেন”, ‘শান্তিকক্ষ’ থেকে বেরিয়ে বললেন রবিশঙ্কর

    বিরোধীদের নিশানা করে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, “কেন্দ্রের দিকে নজর রাখুন। ২০২৪-এ কী হয় দেখুন। ২৪ এর পর বাঘে-গরুতে এক ঘাটে জল খাবে। ২৬-এর রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল, সিপিএম, কংগ্রেস একজোট হয়ে লড়াই করলেও, অবাক হব না।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Panchayat Election 2023: ‘টাকা নয়, মানুষ বিচার চায়’, মমতার ক্ষতিপূরণের ঘোষণাকে কটাক্ষ দিলীপের

    Panchayat Election 2023: ‘টাকা নয়, মানুষ বিচার চায়’, মমতার ক্ষতিপূরণের ঘোষণাকে কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রয়োজন কেন পড়বে? কেন রাজনৈতিক হিংসার বলি হতে হবে মানুষকে? প্রশ্ন তুললেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বুধবারই ভোটের (Panchayat Election 2023) হিংসায় মৃতদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ ও পরিবারের একজন সদস্যকে হোমগার্ডের চাকরি দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণাকে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ বলেন, “স্বজন হারিয়ে কেউ টাকা চায় না, সবাই জীবনের সুরক্ষা চায়। জাস্টিস চায়।”

    মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ 

    বৃহস্পতিবার সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে  রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, “উনি সব দেখতে পান না, শুনতে পান না। যতটা দৃষ্টি বা বোঝার ক্ষমতা, ততটাই বলছেন। বাস্তব যেটা, যেটা মিডিয়া তুলে ধরছে। সেটা তো অস্বীকার করা যাবে না। এখনও পর্যন্ত অসমর্থিত ভাবে মৃত ৪৭, মুখ্যমন্ত্রী বলছেন ১৯। উনি কাল বলেছেন, আমার কি দোষ? ৪৭ জন মরে যাওয়ার পরেও যদি দোষ দেখতে না পান, বা অনুভব করতে না পারেন তাঁর কী ত্রুটি, তাহলে তো আমরা ভগবান ভরসায় বেঁচে আছি। এমন লোককে দায়িত্ব দিয়েছি যার চোখ নেই, কান নেই, কিছু বুঝতেও পারেন না। নিজের দোষ ছাড়া আর সব দেখতে পান। এরকম লোকের কাছে আর কিছু আশা করা যায় না।”

    আরও পড়ুুন: রাজভবনে জমা সব হিংসার অভিযোগ পাঠাতে হবে হাইকোর্টে, নির্দেশ রাজ্যপালের

    গণনায় কারচুপি

    গণনার দিন যে বিপুল কারচুপি হয়েছে, সেই অভিযোগও তুলেছেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর অভিযোগ গণনার দিন ফোন নামিয়ে রেখেছিলেন বিডিও-রা। জেলাশাসকের কাছে অভিযোগ জানাতে গেলে তাঁরা দাবি করেছেন, বিডিও যা বলার বলে দিয়েছে। রাজভবনের পিস রুমে ভোট সংক্রান্ত ৭৫০০ অভিযোগ জমা পড়েছে বলে সূত্রের খবর, যা আদালতে পেশ করা হবে। দিলীপ ঘোষের দাবি, এমন হাজার হাজার অভিযোগ জমা পড়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে। কোনও সুরাহা হয়নি। ভাঙড়ের অশান্তি নিয়েও মুখ খোলেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকা সত্বেও ভাঙড়ে অশান্তি হয়েছে। বাহিনীর যিনি প্রমুখ, তিনি আগেই বলেছেন, তাঁর কাছে স্পর্শকাতর বুথের লিস্ট ছিল না। কোথাও যেতেও বলা হয়নি। ওনারা নিজে থেকে কিছু জায়গায় গেছেন। “

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Elections 2023: “আক্রান্তদের অপরাধ, তাঁরা মোদিকে ভালবাসেন”, ‘শান্তিকক্ষ’ থেকে বেরিয়ে বললেন রবিশঙ্কর

    Panchayat Elections 2023: “আক্রান্তদের অপরাধ, তাঁরা মোদিকে ভালবাসেন”, ‘শান্তিকক্ষ’ থেকে বেরিয়ে বললেন রবিশঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনকে (Panchayat Elections 2023) ঘিরে যাতে অশান্তি না হয়, সেজন্য রাজভবনে ‘শান্তিকক্ষ’ খুলেছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Anand Bose)। বৃহস্পতিবার সকালে রাজভবনে পৌঁছলেন বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির সদস্যরা। এদিন রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে যান বিএসএফের স্পেশাল ডিজি পর্যায়ের এক আধিকারিকও।

    রাজভবনে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম

    রাজ্যে নির্বাচনোত্তর হিংসা খতিয়ে দেখতে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম গঠন করেছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। বুধবার ওই দলের সদস্যরা পৌঁছান এ রাজ্যে। সেদিন ঘুরে দেখেন উত্তর ২৪ পরগনা। বৃহস্পতিবার যান রাজভবনে। ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ। এদিন রাজভবন থেকে বেরিয়ে তিনি বলেন (Panchayat Elections 2023), আমরা বুধবার সন্ত্রাসের শিকার কয়েকটি পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছি। আশ্চর্য হয়ে দেখেছি, ১২-১৩ বছরের শিশুও হামলার শিকার হয়েছে। মিনাখাঁর রাজমিস্ত্রি শান্তনু পাত্রের বাড়িতে গিয়েছিলাম। তামিলনাড়ুতে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করা শান্তনু তাঁর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ছবি লাগিয়েছিলেন। সেই অপরাধে তাঁর বাড়ি তছনছ করা হয়েছে।

    দুর্ভাগ্যের বিষয়

    প্রাক্তন আইনমন্ত্রী বলেন, রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে আবেদন করেছি, সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পত্তির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া, যেখানে হামলা হয়েছে, সেখানে পুলিশের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হোক। প্রয়োজন মনে হলে আপনি সেই সব জায়গা পরিদর্শন করুন। কোথাও তো বিচার হওয়া উচিত। মমতার রাজ্যে সুবিচারের আবেদন জানানোর সুযোগও শেষ হয়ে গিয়েছে।

    পুলিশ আক্রান্তদের সুবিচার দিতে চায় না, প্রশাসন শোনে না। এরা সবাই ওঁর সরকারের অপরাধমূলক আচরণের শামিল হয়ে হয়ে পড়েছে। এটা খুবই দুর্ভাগ্যের।

    আরও পড়ুুন: রাজভবনে জমা সব হিংসার অভিযোগ পাঠাতে হবে হাইকোর্টে, নির্দেশ রাজ্যপালের

    রবিশঙ্কর (Panchayat Elections 2023) বলেন, যেখানে তৃণমূলের সঙ্গে তৃণমূলের সংঘর্ষ চলছে, সেখানেও পুলিশ পদক্ষেপ করছে না। আমরা এটা রাজ্যপালকে জানিয়েছি। রাজ্যপাল কী করবেন, সেটা আমি বলতে পারব না। কিন্তু আমরা এখানকার মানুষের যন্ত্রণার কথা তুলে ধরেছি। তিনি বলেন, আমরা ভোট-হিংসার যন্ত্রণাদায়ক ছবি দেখেছি। যাঁদের ওপর হামলা হয়েছে, তাঁদের বাড়িতে গিয়েছি। আক্রান্তদের একটাই অপরাধ, তাঁরা নরেন্দ্র মোদিকে ভালবাসেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Tmc: ব্যালট খেয়ে নিয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী! সেই বুথেও ফের ভোটের নির্দেশ

    Tmc: ব্যালট খেয়ে নিয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী! সেই বুথেও ফের ভোটের নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোছা গোছা ব্যালট পেপার ছিঁড়ে, মুখে পুরে দিয়ে রাতারাতি খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিলেন তৃণমূলের (Tmc) এক প্রার্থী। দিনভর আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন তিনিই। ভোটে জিততে যে কত রকমের ছলাকলার আশ্রয় নেওয়া যায়, তা দেখিয়ে দিয়েছিলেন তৃণমূলের ওই প্রার্থী। কিন্তু সেদিন যেমন শেষ রক্ষা হয়নি, ফলাফল ঘোষণার পরও তা হল না। ওই কেন্দ্রে ফের ভোট করানোর নির্দেশ দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার কমিশন মোট ২০টি বুথে পুনরায় নির্বাচন করার নির্দেশ দিয়েছে। তার মধ্যে সব চেয়ে বেশি বুথ রয়েছে হাওড়া জেলার সাঁকরাইলে, ১৫ টি। এরপরই স্থান উত্তর ২৪ পরগনার। সেখানে পুনরায় ভোট হবে ৪ টি বুথে। এছাড়া ভোট হবে সিঙ্গুরের একটি বুথে।

    কী হয়েছিল সেদিন?

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) সিপিআইএম প্রার্থীকে হারাতেই ব্যালট পেপার চিবিয়ে খেয়ে নিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের (Tmc) ওই প্রার্থী। ঘটনাটি উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া ২ নম্বর ব্লকের অশোকনগর সেক্রেটারি বয়েজ হাই স্কুলের। জানা গিয়েছে, গণনার শেষে ৪ ভোটে জয়ী হন সিপিআইএম প্রার্থী রবীন্দ্রনাথ মজুমদার। অভিযোগ, এরপর গণনা কেন্দ্রে ঢুকে যান তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মহাদেব মাটি। তারপর তিনি সিপিএম প্রার্থীর ৪টি ব্যালট ছিঁড়ে খেয়ে নেন এবং বাকি ব্যালট ছড়িয়ে দিয়ে পালিয়ে যান। এর পর প্রায় ১৫ মিনিট বন্ধ ছিল ওই কেন্দ্রের গণনা।

    সিপিএম প্রার্থী রবীন্দ্রনাথ মজুমদার জানিয়েছিলেন, ৪ ভোটে জেতার পর জয় নিশ্চিত করার আগে ফের গণনা হওয়ার কথা ছিল। এমনটা তাঁকে জানানোও হয়েছিল। তখন সেখানে এসে পৌঁছন তৃণমূল প্রার্থী। এজেন্টের সঙ্গে কথা বলার পর সোজা ব্যালটের দিকে এগিয়ে গিয়ে ২৫ টা ব্যালটের তোড়া হাতে তুলে নিয়ে তা ছিঁড়ে অর্ধেক মুখে পুরে খেয়ে নেন তৃণমূল প্রার্থী (Tmc)। আর বাকিটা ছড়িয়ে ছিটিয়ে ফেলে দেন।

    কোন ২০ টি বুথে ফের ভোট?

    কমিশন যে নির্দেশ দিয়েছে, তাতে মোট ওই ২০টি বুথে ভোট বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। এগুলি হল সাঁকরাইলের মানিকপুর ২৪৭ থেকে ২৫৪ নম্বর পর্যন্ত মোট ন’টি বুথ, সারেঙ্গার ২৬৭, ২৬৮ (দু’টি), ২৭১ (দু’টি) এবং ২৭৭ নম্বর বুথ। সিঙ্গুরের বেরাবেরির ১৩ নম্বর বুথ এবং হাবড়া ২-এর ভুরকুণ্ডার ১৮ নম্বর বুথ (দু’টি), ৩১ নম্বর বুথ এবং গুমা পঞ্চায়েত কেন্দ্রের ১২০ নম্বর বুথ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: ভোটে জেতার পর দত্তপুকুরে পরাজিত তিন বিজেপি প্রার্থীর বাড়িতে হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: ভোটে জেতার পর দত্তপুকুরে পরাজিত তিন বিজেপি প্রার্থীর বাড়িতে হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট শেষ হলেও হিংসা থামার কোনও লক্ষ্মণই নেই। ভোট পরবর্তী অশান্তি যেন বেড়েই চলেছে। রাতের অন্ধকারে এবার গ্রাম পঞ্চায়েতে পরাজিত বিজেপির (BJP) তিন প্রার্থীর বাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভাঙচুর,বাড়ি লক্ষ্য করে মদের বোতল ছোঁড়া কিছুই বাদ যায়নি। ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার ব‍্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরের পশ্চিম খিলকাপুর পঞ্চায়েত এলাকায়। অভিযোগ,ঘটনায় সময় রাস্তার আলো নিভিয়ে অন্ধকার করে তারপর ওই তিন বিজেপি প্রার্থীর বাড়িতে তাণ্ডব চালায় তৃণমূল দুষ্কৃতীরা। ঘটনার পর থেকে আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন পঞ্চায়েতের তিন বিজেপি প্রার্থী নৃপেন ধর, অনিমা মণ্ডল, নিতীশ মণ্ডল এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরা।

    কী বললেন আক্রান্ত বিজেপি (BJP) প্রার্থী?

    বিজেপি (BJP) প্রার্থী নৃপেন ধর বলেন, “যেদিন নির্বাচন সংগঠিত হয়, সেদিন কিছু লোকজন ফোন করে জানান, গণনার দিন বাড়িতে না থাকতে। তখন বলি, গণনার দিন কোথায় যাব? যা-ই হোক বাড়িতে থাকব। সেই মোতাবেক পুলিশকে জানাই, হুমকি আসছে, আমাদের বাড়িতে অসুবিধা হতে পারে। পুলিশ বলে, দেখছি যাতে সমস্যা না হয়। তৃণমূলের যারা নেতা রয়েছে, তাঁদের সঙ্গে কথা বলছি। যেদিন ভোট গণনা হয়েছে, সেদিন কিছু হয়নি। বুধবার রাতে ওদের একটা বিজয় মিছিল গিয়েছে। মিছিল চলাকালীন আমাদের বাড়িতে আবির ছোড়া হয়। আমরা বিষয়টা মেনে নিই। বুধবার ২টো ৪০ মিনিট নাগাদ যখন ঘুমিয়েছিলাম বাচ্চাটাকে নিয়ে, সেই সময় দুমদাম আওয়াজ হচ্ছিল। পরিবার নিয়ে ঘরের এক কোণে বসেছিলাম। ওরা তাণ্ডব চালিয়েছে ঘরে। কাচ ভেঙেছে। বাচ্চার গায়ে লেগেছে। আমার পায়ে লেগেছে।” এই ঘটনার পর দত্তপুকুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূল নেতা তথা পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য গোপাল রায় যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ঘটনার পিছনে বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রয়েছে। তৃণমূলের নামে বিজেপি (BJP) মিথ্যা অভিযোগ করছে। পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: রাজভবনে জমা সব হিংসার অভিযোগ পাঠাতে হবে হাইকোর্টে, নির্দেশ রাজ্যপালের

    Panchayat Election 2023: রাজভবনে জমা সব হিংসার অভিযোগ পাঠাতে হবে হাইকোর্টে, নির্দেশ রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্রাবাচনের সময় (Panchayat Election 2023) রাজভবনে জমা হওয়া সব অভিযোগ আদালতে জমা দেওয়ার জন্য রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (C V Ananda Bose)। রাজভবন সূত্রে খবর, ভোটে হিংসা সংক্রান্ত প্রায় সাড়ে সাত হাজার অভিযোগ জমা পড়েছিল রাজভবনের পিস রুমে। ভোটে অনিয়ম ও সন্ত্রাস নিয়ে মামলা হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। সেই মামলায় রাজভবনে জমা পড়া সব অভিযোগ আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যপাল।

    রাজ্যপালের নির্দেশ 

    উল্লেখ্য, পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election 2023) নির্ঘন্ট প্রকাশের পর থেকেই উত্তপ্ত হয়েছে রাজ্য। মনোনয়ন পর্ব থেকে শুরু হয়ে ভোটের দিন ও তার পর পর্যন্ত জারি রয়েছে অশান্তি। অসমর্থিত সূত্র বলছে, সবমিলিয়ে মোট পঞ্চাশের কাছাকাছি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বিরোধীদের দাবি, সেন্ট্রাল ফোর্সকে এনেও বসিয়ে রাখা হয়েছিল। তার ফলেই ভোটের দিনে এত মৃত্যু। রাজভবন থেকে নির্বাচনে হিংসা সংক্রান্ত নানা অভিযোগ একসঙ্গে করে সিল খামে কমিশনে পাঠানো হয়েছিল। তার সঙ্গে রাজ্যপাল (C V Ananda Bose) একটি নোটও পাঠান কমিশনে। সূত্রের খবর সেই নোটে লেখা হয় ওইসব অভিযোগের যতক্ষণ পর্যন্ত তদন্ত ও বিচার হয় ততক্ষণ পর্যন্ত যেন নির্বাচনের ফল স্থগিত রাখা হয়। কিন্তু তা হয়নি। রাজভবন সূত্রে খবর, বিচার বিভাগীয় স্ক্রুটিনি করার জন্য রাজভবনে জমা পড়া অভিযোগগুলো আদালতের সামনে পেশ করার নির্দেশ ইতিমধ্যেই দিয়েছে হাইকোর্ট। সেই রায়ের প্রেক্ষিতেই নির্বাচন কমিশনকে এই নির্দেশ দিলেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। এ প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, রাজ্যপালের এই নির্দেশ প্রত্যাশিতই ছিল। 

    আরও পড়ুুন: “ভারতীয় গণতন্ত্রকে আমি অন্তর থেকে কুর্নিস করি,” বললেন মুসলিম ওয়ার্ল্ড লিগ কর্তা

    বিএসএফের স্পেশাল ডিজির রিপোর্ট

    কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বসিয়ে রাখার অভিযোগ তুলেছিল বিরোধীরা। ভোটপর্ব (Panchayat Election 2023) মিটতেই রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করলেন বিএসএফের স্পেশাল ডিজি। সূত্রের খবর, ভোটে কীভাবে ব্যবহার করা হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে, রাজ্যপালকে তা নিয়ে রিপোর্ট দেবেন তিনি। এর আগে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে স্পর্শকাতর বুথের তালিকা না দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিল বিএসএফ। রাজভবন সূত্রে খবর, ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে কী ভূমিকা হবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর? সেই বিষয়েও রাজ্যপালের কাছে রিপোর্ট দেবেন বিএসএফের স্পেশাল ডিজি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: ভোটের ফল বের হতেই কনিষ্ক পণ্ডাকে গ্রেফতার, শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ হওয়ায় কি অপরাধ!

    BJP: ভোটের ফল বের হতেই কনিষ্ক পণ্ডাকে গ্রেফতার, শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ হওয়ায় কি অপরাধ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি বিজেপির (BJP) কোনও পদে নেই। সক্রিয় কর্মী হিসেবে তাঁকে দলের নেতারা মানতে পারছেন না। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ঘনিষ্ঠ বলেই কী কনিষ্ক পণ্ডাকে গ্রেফতার করা হল। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা জুড়ে এখন এই বিষয় নিয়ে চর্চা চলছে।

    কনিষ্ককে গ্রেফতার করতে কতজন পুলিশ কর্মী এসেছিলেন, জানেন?

    আজ দুপুরে আচমকাই জনা ৩০ পুলিশ বাহিনী গিয়ে তার বাড়ি ঘিরে ফেলে। হকচকিয়ে যান শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ কনিষ্ক পণ্ডা। তার নামে ওয়ারেন্ট আছে বলে তাকে বেরোতে বলে পুলিশ। কি কারণে ওয়ারেন্ট জানতে চান কনিষ্ক পণ্ডা। পাশাপাশি পুলিশের কথায় না বেরোতে চাইলে দরজা ধাক্কা মেরে ভাঙার উপক্রম করে পুলিশ। তারপর তিনি বেরিয়ে আসেন। তাঁকে গ্রেফতার করে এখন মারিশদা থানায় রাখা হয়েছে।

    কে এই কনিষ্ক?

    কাঁথি তথা পূর্ব মেদিনীপুর জেলার রাজনীতিতে কনিষ্ক পণ্ডা পরিচিত নাম হলেও রাজ্য রাজনীতিতে কনিষ্ক পণ্ডা পরিচিত হয়ে ওঠেন শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ নেতা হিসাবে। তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের সময় শুভেন্দু অধিকারীর ভবিষ্যৎ পথ চলা নিয়ে সবাই যখন সন্ধিহান সেই সময় প্রচারের আলোয় চলে আসেন কাঁথির এই নেতা। সেটা ২০২০ সালের শেষ সময়। দীর্ঘদিন জাতীয় কংগ্রেসের হয়ে রাজনীতি করেছেন। তারপর বিজেপিও করেছেন কিছুদিন। তারপর যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসে। শেষে  শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ হিসাবে তৃণমূলের সঙ্গ ত্যাগ করেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে (BJP) যোগদান করার পর নন্দীগ্রাম থেকে ভোটে লড়াই করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হয়েছেন। কিন্তু, এই দু বছরে সেভাবে দেখা যায়নি কনিষ্ককে। মাঝেমধ্যে কখনো কখনো শুভেন্দু অধিকারীর বিভিন্ন দলীয় অনুষ্ঠানে তাঁকে দেখা গেলেও বিজেপির কোনও পদে ছিলেন না তিনি। এহেন কনিষ্ককে পঞ্চায়েত ভোটের ফলাফলের পরের দিন পুলিশ কেন গ্রেফতার করল তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, পুরানো বহু রাজনৈতিক মামলাতে অভিযুক্ত রয়েছেন কনিষ্ক পন্ডা। কোনও অভিযোগ করেছে সিপিএম, কোনটা তৃণমূল কংগ্রেস। ঠিক কোনও অভিযোগের ভিত্তিতেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ, তা জানা যায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: নিয়োগ দুর্নীতি! মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতিকে তলব বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    Calcutta High Court: নিয়োগ দুর্নীতি! মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতিকে তলব বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় এবার মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়কে এবং পর্ষদের ডেপুটি সেক্রেটারিকে সশরীরে তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। আগামী ১৮ জুলাই  তাঁদের হাজিরা দিতে হবে। এক মামলায় এমনই নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। শম্পা ঘোড়ুই নামে এক আবেদনকারীর আদালত অবমাননার মামলায় এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    আদালতের নির্দেশ

    আইনজীবী দিব্যেন্দু চট্টোপাধ্যায় জানান, শম্পা ঘোড়ুইয়ের আবেদন খতিয়ে দেখে নথিপত্র-সহ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি ও ডেপুটি সেক্রেটারিকে তলব করেছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের বেঞ্চ। আদালতের (Calcutta High Court) নির্দেশ অনুযায়ী আগামী ১৮ তারিখ তাঁদের হাজিরা দেওয়ার কথা।  তিনি আরও জানান, শম্পা ঘোড়ুই ২০১৬ সালে শিক্ষক নিয়োগ প্যানেলে নাম ওঠা সত্ত্বেও চাকরি পাননি। নিয়োগ কেন হল না, তা নিয়ে আদালতে মামলা করেন তিনি। মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফে তাঁকে জানানো হয়, সাধারণ শ্রেণির আবেদনকারী হওয়া সত্ত্বেও তিনি সংরক্ষিত প্রার্থীদের মতো রেজিস্ট্রেশন ফি জমা করেছিলেন। সেই কারণে পর্ষদ তাঁর কাছে অতিরিক্ত ৫০০ টাকা ফিজও নেয় বলে অভিযোগ। কিন্তু এরপরও নিয়োগপত্র না পাওয়ায় আদালতের দ্বারস্থ হন শম্পা। তাঁর আবেদন ছিল, ফিজ দেওয়া নিয়ে যে সমস্যার কথা যুক্তি হিসেবে বলেছিল পর্ষদ, সেই সমস্যার তো সমাধান হয়ে গিয়েছে। তাহলে তিনি কেন প্যানেলে নাম থাকা সত্বেও নিয়োগ পাচ্ছেন না? এনিয়ে সওয়াল-জবাবে নিজেদের যুক্তি পেশ করে আবেদনকারীর আইনজীবী দিব্যেন্দু চট্টোপাধ্যায়।

    আরও পড়ুুন: জয়ী প্রার্থীদের দেওয়া হচ্ছে না সার্টিফিকেট, মালদায় রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ বিজেপির

    এই মামলার শুনানিতে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় সাফ জানালেন, নিজেদের নথিপত্র নিয়ে আগামী ১৮ জুলাই পর্ষদ সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়কে সশরীরে হাজিরা দিতে হবে। একই সঙ্গে হাজিরা দিতে হবে পর্ষদের ডেপুটি সেক্রেটারিকেও। তবে পর্ষদের সিদ্ধান্তের উপর এখনই কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি আদালত। কিন্তু পর্ষদ সভাপতিকে তলব করে হাইকোর্ট কড়া অবস্থানের কথা স্পষ্ট করে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ravi Shankar Prasad: “আপনার জয়ের নেপথ্যে ৪৫ জনের রক্তের দাগ লেগে রয়েছে”, মমতাকে নিশানা রবিশঙ্করের

    Ravi Shankar Prasad: “আপনার জয়ের নেপথ্যে ৪৫ জনের রক্তের দাগ লেগে রয়েছে”, মমতাকে নিশানা রবিশঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, আপনি গণতন্ত্রকে লজ্জা দিয়েছেন।” বুধবার কলকাতায় এসে এই ভাষায়ই মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ শানালেন সাংসদ বিজেপির (BJP) রবিশঙ্কর প্রসাদ (Ravi Shankar Prasad)। নির্বাচনোত্তর হিংসা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে রাজ্যে আসার কথা ছিল ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের। এই টিম গড়ে দিয়েছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। এই টিমেই রয়েছেন প্রাক্তন আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর।

    “আমার রাজ্যেও শান্তিতে ভোট হয়”

    এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, “আমরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় যাব। আমি বিহার থেকে এসেছি। যেখানে এ ধরনের ঘটনা (নির্বাচনোত্তর হিংসা) অতীতে ঘটত। আমার রাজ্যেও এখন শান্তিতে নির্বাচন হয়। আমি শুনেছি, ভোট গণনার দিনও একটা খুন হয়েছে। আপনি গণতন্ত্রকে লজ্জিত করেছেন।” প্রাক্তন আইনমন্ত্রী (Ravi Shankar Prasad) বলেন, “মমতাজিকে আমি আজ মনে করিয়ে দিতে চাই বাংলার রাজনীতিতে তিনিই পরিবর্তন এনেছিলেন। বাম জমানার বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। কিন্তু বামেদের থেকেও নোংরা রাজনীতিতে আপনি নামলেন কী করে? কেন আপনার রাজনীতি এভাবে সম্পূর্ণ নিষ্ঠুর হয়ে গেল? আপনি তাহলে কী করলেন? নির্বাচনের প্রতি মুহূর্তে আদালতকে হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে। কড়া কড়া পর্যবেক্ষণ দিতে হয়েছে। এমনকী সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত বাংলার ভোট-হিংসা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।”

    “গণনায়ও খুন?”

    সাংসদ বলেন, “গণনায়ও খুন? জয়ী প্রার্থীরা তৃণমূলে যোগ না দেওয়ায় সার্টিফিকেট দেওয়া হয়নি…কেন বাংলায় এমনটা হচ্ছে? গণনার দিনও খুন হচ্ছে!” প্রাক্তন আইনমন্ত্রী বলেন, “আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটা সোজা প্রশ্ন করতে চাই যে যদি আপনি সন্ত্রাস না করতেন তাহলে কতগুলি আসন জিততে পারতেন? রাজ্য সরকার ও রাজ্য পুলিশ এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সহায়তা না থাকলে আপনি কতগুলি আসন পেতে পারতেন?”

    রবিশঙ্কর (Ravi Shankar Prasad) বলেন, “কেন আপনি সংবাদ মাধ্যমের সামনে মুখ দেখাতে পারছেন না? আপনি যে লজ্জিত! আপনার জয়ের নেপথ্যে ৪৫ জনের রক্তের দাগ লেগে রয়েছে। আমরা আগামিকাল দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তরবঙ্গে যাব। সব জায়গায়ই ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলব। আশা করি, আমাদের সেখানে যেতে দেওয়া হবে।” তিনি বলেন, “বাংলার মানুষ বিজেপির সঙ্গে রয়েছে, থাকবেও। গণতন্ত্রের ওপর এই আক্রমণের জবাব দেবে বিজেপি।”

    আরও পড়ুুন: ভোটের হিংসায় ফের মুর্শিদাবাদ ও মালদায় মৃত্যু হল ২ জনের! 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share