Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Panchayat Election 2023: কেন্দ্রীয় বাহিনী নয়, পঞ্চায়েত নির্বাচনে বুথের দায়িত্ব রাজ্য পুলিশের হাতেই!

    Panchayat Election 2023: কেন্দ্রীয় বাহিনী নয়, পঞ্চায়েত নির্বাচনে বুথের দায়িত্ব রাজ্য পুলিশের হাতেই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালতের গুঁতোয় কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) আনতে বাধ্য হয়েছে নির্বাচন কমিশন। তবে প্রয়োজনের তুলনায় তা নিতান্তই কম। তাই আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) রাজ্যের প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান মোতায়েন করা সম্ভব নয়। সেই কারণে কেন্দ্রীয় বাহিনী এলেও তাদের গতিবিধি সীমাবদ্ধ থাকবে এলাকা টহলদারির কাজের মধ্যেই। পঞ্চায়েত নির্বাচনে বুথের নিরাপত্তা ও নজরদারির ক্ষেত্রে রাজ্য পুলিশের ওপরই ভরসা রাখতে চায় রাজ্য নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা পঞ্চায়েত নির্বাচনের নিরাপত্তা নিয়ে রাজ্য পুলিশের এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর নোডাল অফিসারদের সঙ্গে বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।

    কেন্দ্রীয় বাহিনী

    আগামী ৮ জুলাই রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election 2023)। ভোট হবে এক দফায়। আদালতে ধাক্কা খেয়ে ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে পাঠিয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। পরে ফের আদালতের গুঁতোয় আরও আটশো কোম্পানি বাহিনী চেয়ে আবেদন করে নির্বাচন কমিশন। তবে সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ৩৩৭ কোম্পানি বাহিনী পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। তাই সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান মোতায়েন করা সম্ভব নয়।

    ভোটারদের আস্থা ফেরাতে

    কমিশনের সিদ্ধান্ত, ওই পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মোতায়েন করা হবে মূলত এরিয়া ডমিনেশন ও নাকা চেকিংয়ের কাজে। ভোটারদের আস্থা ফেরাতে, রাজ্য ও আন্তর্জাতিক সীমানার চেক পয়েন্ট ও প্যাট্রলিংয়ের কাজে ব্যবহার করা হবে তাদের। মূলত যেসব এলাকা থেকে অশান্তির (Panchayat Election 2023) খবর এসেছে, সেই সব এলাকায় রুট মার্চ ও প্যাট্রলিংয়ের কাজ আরও বেশি করে করবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। গোটা জেলায় ভ্রাম্যমান বাহিনী হিসেবেও কাজ করবে ওই বাহিনী। তবে কমিশন সূত্রে খবর, এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনের দিনের জন্য নয়।

    আরও পড়ুুন: বারে বারে হামলা, জেড প্লাস নিরাপত্তা দেওয়া হল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথকে

    রাজ্যে বুথ রয়েছে ৬১ হাজার ৩৪০টি। তাই প্রতিটি বুথে গড়ে একজন করে জওয়ান মোতায়েন করা সম্ভব নয়। সেই কারণেই বুথ (Panchayat Election 2023) সামলাবে রাজ্য পুলিশ। বুথের বাইরে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এছাড়াও সার্ভিলেন্স টিম, কুইক রেসপন্স টিম, হেভি রেডিও ফ্লাইং ভেহিকেল স্কোয়াড রাখা হবে। এসবের দায়িত্বে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। তবে স্পর্শকাতর এলাকায় নজরদারি চালাবে কেন্দ্রীয় বাহিনীই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: প্রচার দূরের কথা এলাকায় ঢুকতেই পারছেন না বিজেপি প্রার্থী, কী বলছে তৃণমূল?

    North 24 Parganas: প্রচার দূরের কথা এলাকায় ঢুকতেই পারছেন না বিজেপি প্রার্থী, কী বলছে তৃণমূল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাসতে (North 24 Parganas) বাম আমলে মুচলেকা দিয়ে বাড়ি ছাড়তে হয়েছিল তাঁকে। সেই যে ঘরছাড়া হয়েছিলেন তারপর ২২ বছর পরও ফিরতে পারেননি গ্রামের বাড়িতে। সন্ত্রাসের জেরে লাগাতার হুমকির মুখে পড়েতে হয়েছে তাঁকে। স্ত্রী, সন্তান নিয়ে আজ বসবাস করতে হচ্ছে ভাড়া বাড়িতে। তাও পরিবার ছেড়ে শত যোজন দূরে! ঘরছাড়া হয়েও তিনি এবারের পঞ্চায়েত ভোটে গেরুয়া শিবিরের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জেলা পরিষদ আসনে।

    কোথায় লড়াই করছেন (North 24 Parganas)?

    সূত্রে জানা গিয়েছে দীপঙ্কর হালদার নামে ওই বিজেপি নেতা বারাসত (North 24 Parganas) জেলা পরিষদের ৩৮ নম্বর আসন থেকে লড়াই করছেন। আরও জানা যায়, একদা এই শাসনের বারাসত ২ নম্বর ব্লকের বেতাজ বাদশা ছিলেন মজিদ মাস্টার। তবে, বহু বাধা, বিপত্তি অতিক্রম করে ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও সন্ত্রাসের জেরে এখনও এলাকায় ঢুকতেই পারেননি এই বিজেপি প্রার্থী। প্রচার তো দুরের কথা! এলাকা ছাড়া হয়ে আছেন এই প্রার্থী। ফলে, এই নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরে সরগরম হয়ে উঠেছে শাসন অঞ্চল।

    জেলা বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপি (North 24 Parganas) জেলা সভাপতি তাপস মিত্র বলেন, এলাকায় ভোটের প্রচার করতে গেলে শাসক দলের দুষ্কৃতীরা হুমকি দেয়। এই এলাকায় শাসক দলের সন্ত্রাস চলছে। বিজেপি প্রার্থীর পোস্টার, ব্যানার লাগাতে দেওয়া হচ্ছে না। বিজেপি প্রার্থী এবং কর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে হুমিক দেওয়া হচ্ছে বলে বিশেষ অভিযোগ করেন বিজেপির এই জেলা সভাপতি। এই এলাকাকে বিরোধী শূন্য করে শাসক দল একতরফা জয়ী হতে চাইছে। সকল অভিযোগ পত্র নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে জানানো হবে বলে জানান এই বিজেপি নেতা।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    শাসক দলের খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষকে (North 24 Parganas) জেলা পরিষদের বিজেপি প্রার্থীর প্রচার করতে না পারার বিষয়ে জানতে চাহিলে সাংবাদিকদের উত্তরে তিনি বলেন, আমার কাছে এমন কোনও অভিযোগ নেই। তাছাড়া ওই এলাকা আমার বিধানসভার মধ্যে পড়ছে না, হাড়োয়া বিধানসভার মধ্যে পড়ছে। এখানে বিরোধী প্রার্থীদের প্রচারে আটকানোর কোনও ঘটনা ঘটছে না। ওই প্রার্থীর সমস্যা হলে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানাতে পারেন বলে উল্লেখ করেন তৃণমূল শাসক দলের এই মন্ত্রী।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nisith Pramanik: বারে বারে হামলা, জেড প্লাস নিরাপত্তা দেওয়া হল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথকে

    Nisith Pramanik: বারে বারে হামলা, জেড প্লাস নিরাপত্তা দেওয়া হল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের (Nisith Pramanik) কনভয়ে হয়েছিল হামলা। তার জেরে এবার নিশীথের নিরাপত্তা আরও আঁটোসাঁটো করা হল। এতদিন জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা পেতেন নিশীথ। এখন থেকে তাঁকে দেওয়া হল জেড প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা। দেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য থাকে এসপিজির (SPG) নিরাপত্তা বলয়। দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা হল জেড প্লাস। এই নিরাপত্তাই দেওয়া হল অমিত শাহের ডেপুটি নিশীথকে। বিজেপি বিধায়ক মিহির গোস্বামী বলেন, “মন্ত্রীর নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। তাঁকে দেওয়া হয়েছে জেড প্লাস নিরাপত্তা।”

    একাধিকবার হামলা মন্ত্রীর ওপর

    তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই নিশীথের (Nisith Pramanik) ওপর হামলা হয়েছে বারে বারে। মাস কয়েক আগে সিতাইয়ে যাওয়ার পথে কোচবিহারের সাংসদের কনভয়ে হামলা চালানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। ২৫ ফেব্রুয়ারি দিনহাটার বুড়িরহাটেও হামলা চালানো হয়েছিল নিশীথের কনভয়ে। ওই দিন আক্রান্ত এক দলীয় কর্মীকে দেখতে যাওয়ার পথে হামলা হয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর কনভয়ে। সেদিন নিশীথের গাড়ির কাচ ভাঙা হয়েছিল। চালানো হয়েছিল গুলি। বোমাবাজির অভিযোগও উঠেছিল।

    মন্ত্রীর কনভয়ে তির

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের স্ক্রুটিনির দিনও ফের এক দফা হামলা হয় নিশীথের (Nisith Pramanik) কনভয়ে। সাহেবগঞ্জে তাঁর কনভয় লক্ষ্য করে তির ছোড়ে দুষ্কৃতীরা। নিশীথ বলেছিলেন, “পুলিশ-প্রশাসনের ভূমিকা নিন্দনীয়। তির মারা হল, পর পর দুটো বোম চার্জ করা হল। প্রার্থীদের ওপর নির্মম অত্যাচার।” এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে নিশীথের নিরাপত্তা বাড়ানো প্রয়োজন বলে রিপোর্ট দেন গোয়েন্দারা। তার পরেই জেড প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয় অমিত শাহের ডেপুটিকে।

    আরও পড়ুুন: কোচবিহারে রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিশীথ প্রামাণিকের, কী কথা হল?

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের আবহে উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে কোচ রাজাদের ভূমি। অশান্তির ঘটনা ঘটছে আকছার। সম্প্রতি ৬ বার ঘটেছে গুলি চালানোর ঘটনা। নির্বাচন যত এগিয়ে আসবে, ততই চড়বে উত্তেজনার পারদ। সেই কারণেই নিশীথের (Nisith Pramanik) পাশাপাশি কোচবিহারের পাঁচ বিজেপি বিধায়কের নিরাপত্তাও বাড়ানো হয়েছে। এই পাঁচ বিধায়ক হলেন সুকুমার রায়, মালতি রাভা, নিখিল রঞ্জন দে, সুশীল বর্মন ও বরেনচন্দ্র বর্মন। এতদিন এঁদের সঙ্গে চারজন করে সিআইএসএফ জওয়ান থাকতেন। এখন থেকে থাকবেন পাঁচজন করে  সিআইএসএফ  জওয়ান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sundarban: সুন্দরবনে বাঘে মানুষের লড়াই, দুই মহিলার মারে রণে ভঙ্গ দিল বাঘ!

    Sundarban: সুন্দরবনে বাঘে মানুষের লড়াই, দুই মহিলার মারে রণে ভঙ্গ দিল বাঘ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুন্দরবন (Sundarban) কলস জঙ্গলে মানুষ এবং বাঘের লড়াই, শেষ পর্যন্ত রণে ভঙ্গ দিল বাঘ, গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে মৎস্যজীবী। এলাকায় বাঘ এবং মানুষের লড়াইতে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

    কী ঘটেছে ঘটনা (Sundarban)?

    স্বামী-স্ত্রী এবং মেয়ে নৌকায় করে কলস জঙ্গলে (South 24 Parganas) কাঁকড়া ধরার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলেন। পাথর প্রতিমার জি প্লট গ্রাম পঞ্চায়েতের সত্যদাসপুর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন এই মৎসজীবী পরিবার। সারাদিন কাঁকড়া ধরার পর বেলা চারটের দিকে কলস জঙ্গলে কাঁকড়া ধরতে ব্যস্ত ছিলেন তিন জনেই। হঠাৎ দক্ষিণ রায় স্বামী দীনু মল্লিকের ঘাড়ে দাঁত বসিয়ে থাবায় করে হিড় হিড় করে টানতে থাকে! দৃশ্য দেখে এবং দিনুবাবুর চিৎকারে মেয়ে এবং স্ত্রী ছুটে আসেন। এরপর হাতে থাকা শাবল নিয়ে বাঘের উপর মারতে থাকেন মেয়ে ও মা। আর বাঘে মানুষে লড়াই চলতে থাকে বেশ কিছুক্ষণ। স্ত্রী এবং মেয়ে লাঠি শাবল নিয়ে আঘাত করতে থাকেন বাঘকে। কোনও রকমে ছিটকে জলে পড়ে যান দিনু মল্লিক। আর জলে পড়েই কোন ক্রমে প্রাণটা বাঁচাতে সক্ষম হন দিনুবাবু, অন্যদিকে স্ত্রী মেয়ে স্বামীর জন্য জলে লাফিয়ে পড়ে স্বামীকে উদ্ধার করেন। অপর দিকে ততক্ষণে বাঘ জঙ্গলের দিকে পালতে শুরু করে দিয়েছে। সেই রক্তাক্ত স্বামীকে নিয়ে স্ত্রী-মেয়ে নৌকা চালিয়ে পাথরপ্রতিমা হাসপাতাল পৌঁছান। কিন্তু বাঘের আঘাতে দিনু রায়ের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে কলকাতায় স্থানান্তরিত করেন চিকিৎসকেরা।

    পরিবারের বক্তব্য

    পরিবারের (Sundarban) তরফ থেকে বলা হয়, আমাদের অভাবের সংসার, মাছ ও কাঁকড়া ধরে এবং বিক্রি করে আমাদের পরিবার চলে। পরিবারে একদিকে অভাব এবং জলে জঙ্গলে বাঘের ভয়কে নিয়েও আমাদের প্রত্যেক দিনের জীবন চলছে। পরিবারের তরফে আগেও বলা হয়, কলস জঙ্গলে আমরা মূলত কাঁকড়া ধরতে পরিবারের তিন জন গিয়েছিলাম। হঠাৎ বাঘের আক্রমণে আমরা ভীষণ ভাবে আতঙ্কিত হয়েছি। এছাড়াও মেয়ে বলেন, বাবাকে অনেক কষ্ট করে বাঘের সঙ্গে লড়াই করে ফিরিয়ে নিয়ে এসেছি। বাবার ঘাড়ে এবং মাথায় ভীষণ ক্ষত হয়েছে। প্রচুর রক্ত ক্ষরণ হয়েছে। ভগবানের অশেষ কৃপা যে আমরা শেষ পর্যন্ত লড়াই করে ফিরে আসতে পেড়েছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Student-VC: দেশে প্রথম! ছাত্ররাও হতে পারেন উপাচার্য, অভিনব ভাবনা রাজ্যপালের

    Student-VC: দেশে প্রথম! ছাত্ররাও হতে পারেন উপাচার্য, অভিনব ভাবনা রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্নাতকোত্তর উত্তীর্ণ বা গবেষণার কাজে যুক্ত পড়ুয়াকে অন্তর্বর্তী উপাচার্য (Interim Vice Chancellor) নিয়োগ করতে চান রাজ্যপাল। সেরা উজ্জ্বল ছাত্রকেই অন্তর্বর্তী উপাচার্য করতে চান আচার্য তথা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (Governor CV Ananda Bose), রাজভবন সূত্রে খবর এমনটাই। যদি এমনটা করা হয়, তাহলে তা অভূতপূর্ব এক ঘটনা হতে চলেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনও পড়ুয়ার উপাচার্য হওয়ার কোনও নজির ভারতে কোথাও কোনও নেই।

    ছাত্ররাই আগামীতে উপাচার্য

    কালিম্পং কলেজে বক্তব্য রাখার সময় সিভি আনন্দ বোস বলেন, ‘দেশের মধ্যে প্রথমবার পশ্চিমবঙ্গে ছাত্র-উপাচার্য হবে। যেসব উজ্জ্বল-মেধাবি পড়ুয়া স্নাতকোত্তর শেষ করেছেন এবং গবেষণা করছেন, তাঁরাই আগামীতে উপাচার্য হবেন। দেশে এমন ঘটনা এই প্রথমবার হবে।’এই ‘ছাত্র-উপাচার্য’-র ধারনা আগামী দিনে গোটা বিশ্বের কাছে একটি ট্রেন্ডে পরিণত হবে বলেই মনে করছেন রাজ্য়পাল। কালিম্পং কলেজে বক্তব্য রাখার সময় রাজ্যপাল বলেন, রাজ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাক্ষেত্রে থেকে দুর্নীতি দূর করতে হবে। শুধু তাই নয়, সমাজ থেকে হিংসা দূরীকরণেরও ডাক দিয়েছেন তিনি। এর জন্য সকলকে একসঙ্গে এগিয়ে এসে হাতে হাত মিলিয়ে উদ্যোগ নিতে হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। আগামী দিনে পড়ুয়ারাই যে ভারতের ভবিষ্যৎ স্থির করবে, এমনও মনে করেন তিনি। তাঁর কথায়, পশ্চিমবঙ্গ দেশের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ‘এডুকেশন হাব’ হয়ে উঠবে।

    দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষাক্ষেত্র

    ‘পড়ুয়া-উপাচার্য’ প্রসঙ্গ টানার আগে এ দিন শিক্ষা ক্ষেত্রকে দুর্নীতিমুক্ত এবং সমাজকে হিংসামুক্ত করার বার্তা দেন রাজ্যপাল। পড়ুয়ারা দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষাক্ষেত্র আর হিংসামুক্ত সমাজ চান কি না, তা জানতে চান। কালিম্পং কলেজ অডিটোরিয়ামের দর্শকাসনে বসা ছাত্রছাত্রীরা প্রথমে কিছুটা নীরব থাকায় রাজ্যপাল তাঁদের উচ্চস্বরে উত্তর দিতে বলেন। সবাই ‘হ্যাঁ’ বলার পরে, তিনি বলেন, ‘‘সম্প্রতি উপাচার্যদের নিয়ে বৈঠক করেছি। তাতে কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাদের অন্যতম দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষাঙ্গন তৈরি করা। একই সঙ্গে দরকার হিংসামুক্ত সমাজ। এ বিষয়ে তরুণ প্রজন্মকে দায়িত্ব নিতে হবে।’’

    আরও পড়ুন: তৃণমূল নেতার পাশে ছত্রধর পুলিশ! ভিডিও পোস্ট করে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    দুর্নীতি দমনের জন্য কমিটি রাজ্যপালের

    ইতিমধ্যেই শিক্ষা ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগে যখন জেরবার রাজ্য সরকার, তখন সেই দুর্নীতি দমনের জন্য কমিটি তৈরি করেছেন রাজ্যপাল (Governor CV Ananda Bose)। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০ উপাচার্যের সঙ্গে বৈঠকে বসে বেশ কয়েকটি কমিটি গঠন করেন তিনি। কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে সেটা খতিয়ে দেখবে এই ‘অ্যান্টি কোরাপশন কমিটি’। এছাড়া থাকছে, ‘গ্লোবাল আউটরিচ কমিটি’, যে কমিটির সদস্যরা বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আলোচনা করবে, বাড়বে আদান-প্রদান। থাকছে ‘অ্যাকাডেমিক এক্সিলেন্স কমিটি’, যাদের মূল আলোচ্য বিষয় হবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলির গবেষণামূলক কাজ। রাজ্যপালের তৈরি করা ‘ফ্যাকাল্টি ডেভেলপমেন্ট কমিটি’ মূলত অধ্যাপকদের বিভিন্ন ওয়ার্কশপ বা সেমিনারের বিষয়গুলি দেখবে। আর শিল্পের সঙ্গে শিক্ষার সংযোগ তৈরি করতে তৈরি করা হয়েছে ‘ইন্ডাস্ট্রি অ্যাকাডেমিয়া পার্টনারশিপ কমিটি’। আর রাজ্যের সব বিশ্ববিদ্যালয়গুলি বিভিন্ন ক্ষেত্রে যাত্রে একত্রে কাজ করতে পারে, তার জন্য তৈরি করা হয়েছে, ‘ইউনিভার্সিটি কো-অর্ডিনেশন সেন্টার’ বা বিশ্ববিদ্যালয় সমন্বয় কমিটি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ

     

  • Nadia: বিজেপি প্রার্থীকে তুলে নিয়ে হত্যার হুমকি, অভিযোগের তীর তৃণমূল প্রধানের দিকে

    Nadia: বিজেপি প্রার্থীকে তুলে নিয়ে হত্যার হুমকি, অভিযোগের তীর তৃণমূল প্রধানের দিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়া (Nadia) বিজেপির পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থীকে তুলে নিয়ে যাওয়া এবং হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল। এই হুমকির অভিযোগ বিদায়ী তৃণমূল প্রধানের বিরুদ্ধে। হুমকির অডিও ভাইরাল হতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাঞ্চল্য। এমনকি ক্যামেরার সামনেও তুলে আনার হুমকি দিলেন বিদায়ী তৃণমূল প্রধান। প্রাণহানির আশঙ্কায় ভুগছেন বিজেপি প্রার্থী।

    কোথায় ঘটল ঘটনা (Nadia)?

    নদিয়ার (Nadia) শান্তিপুর ব্লকের বেলগড়িয়া ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘটনা। বেলগড়িয়া দুই নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিদায়ী প্রধান দীপক মন্ডলের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার পর থেকে বিরোধীরা সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলছে। কোথাও মনোনয়নপত্র জমা না দেওয়ার জন্য হুমকি, আবার কোথাও মনোনয়নপত্র তুলে নেওয়ার জন্য বিরোধী প্রার্থীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। সব অভিযোগ উঠেছে শাসকদলের বিরুদ্ধেই। এবার বেলঘড়িয়া ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে বিজেপির সমিতির প্রার্থীকে ফোন করে তুলে নিয়ে আসার হুমকি দিল ওই অঞ্চলেরই বিদায়ী তৃণমূল প্রধান দীপক মন্ডল। সেই অডিও ভাইরাল হতে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

    বিজেপি প্রার্থীর বক্তব্য

    বিজেপির পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী (Nadia) গোবিন্দ রাজবংশী, তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, এর আগেও বিধানসভা ভোটে বিজেপি করার অপরাধে তাঁর বাড়ি ভাঙচুর চালায় শাসক দলের দুষ্কৃতীরা। ওই এলাকায় তৃণমূলের সমর্থন দিন দিন কমে যাওয়ার কারণে, তাঁকে বিজেপি থেকে তৃণমূলে যোগদান করানোর জন্য একাধিকবার শাসানি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাতেও কর্ণপাত করেনি তিনি। এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে তিনি বিজেপির প্রার্থী হয়ে সমিতিতে লড়াই করছেন। সেই কারণে এলাকায় আতঙ্ক ছড়ানোর জন্য তাঁকে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। এর পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, বর্তমানে প্রাণনাশের আশঙ্কায় ভুগছেন। প্রচন্ড আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন তিনি। আপাতত পুলিশকে জানিয়েছেন।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    অন্যদিকে ঘটনার কথা স্বীকার করে নিয়ে বিদায় তৃণমূল প্রধান (Nadia) দীপক মন্ডল বলেন, আমি ওই এলাকায় পুনরায় পঞ্চায়েত প্রার্থী হিসেবে তৃণমূল হয়ে লড়াই করছি। কিন্তু বিজেপির সমিতি প্রার্থী গোবিন্দ রাজবংশী আমার এলাকায় এসে আমার নামে কুপ্রচার করছেন। মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হচ্ছে আমাকে। সেই কারণেই আমি বারংবার তাঁকে বলেছি আমার বিরুদ্ধে যে অপপ্রচার করা হচ্ছে তার প্রমাণ দিতে। কিন্তু সে আমার সঙ্গে দেখা করছে না! এরপরেই তিনি আবার হুমকির সুরে বলেন,“দেখা করতেই হবে! না করলে প্রয়োজনের তুলে আনবো!” ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক উত্তেজনা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Panchayat Election 2023: বিজেপি প্রার্থী ও কর্মীদের মারধর, বাড়ি ভাঙচুর! থানায় শুভেন্দু

    Panchayat Election 2023: বিজেপি প্রার্থী ও কর্মীদের মারধর, বাড়ি ভাঙচুর! থানায় শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election 2023) উপলক্ষে শুভেন্দু অধিকারীর সভায় যাওয়ায় বিজেপি কর্মীদের উপর চড়াও হল তৃণমূল। ঘটনায় পাঁচ জন বিজেপি কর্মী আহত হন বলে অভিযোগ। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর তাঁরা বিরোধী দলনেতার সভায় হাজিরও হন।

    থানায় শুভেন্দু 

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সভায় যোগ দেওয়া যাবে না। তৃণমূল কংগ্রেসের এই চাপের কাছে নতি স্বীকার না করা বিজেপি কর্মীদের মারধর ও বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ উঠল তৃণমূলে বিরুদ্ধে। আক্রান্ত কর্মীকে নিয়ে সটান থানায় হাজির হলেন শুভেন্দু অধিকারী। থানার আইসির সঙ্গে কথা বলে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের আর্জিও জানান তিনি। থানা থেকে বেরিয়ে শুভেন্দু বলেন, “থানার আইসি অভিযোগ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। আগে অভিযোগ দায়ের হোক। তার পর ব্যবস্থা না নিলে যেখানে যাওয়ার দরকার আমরা সেখানেই যাব।”

    কী ঘটেছিল

    বাঁকুড়ার খাতড়ায় হুল দিবসের অনুষ্ঠান ও জগদল্লা গোরাবাড়ি গ্রামে নির্বাচনী সভা সেরে শুক্রবার সন্ধ্যায় গঙ্গাজলঘাটিতে একটি নির্বাচনী সভায় যোগ দেন বিরোধী দলনেতা । শুভেন্দুর এই সভাকে ঘিরে শুক্রবার দুপুর থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গঙ্গাজলঘাঁটি ব্লকের বড়শাল এলাকা। বিজেপি কর্মীদের দাবি, শুভেন্দুর সভায় যাওয়ার জন্য যখন গ্রামের বিজেপি কর্মীরা প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন সেই সময় স্থানীয় ১০-১২ জন তৃণমূল কর্মী তাঁদের সভায় যেতে নিষেধ করেন। নিষেধ মানতে অস্বীকার করতেই রড, লাঠি ও কাটারি নিয়ে বিজেপি কর্মীদের উপর তৃণমূলের কর্মীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় পাঁচ জন বিজেপি কর্মী আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা করানো হয়। পরে সন্ধ্যায় শুভেন্দুর গঙ্গাজলঘাঁটির সভায় হাজিরও হন ওই পাঁচ বিজেপি কর্মী।বিরোধী দলনেতা মঞ্চ থেকেই ওই পাঁচ বিজেপি কর্মীর উপর হামলার ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আর্জি জানান।

    আরও পড়ুন: তৃণমূল নেতার পাশে ছত্রধর পুলিশ! ভিডিও পোস্ট করে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    বিজেপির বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি বিল্লেশ্বর সিনহা বলেন, “শুভেন্দু অধিকারীর জনসভায় যাতে মানুষ না আসে সেই জন্যই তৃণমূল এই হামলা চালিয়েছে। এ ভাবে মানুষকে আটকে রাখা যায় না। এর হিসেব পঞ্চায়েত ভোটের পরে মানুষ বুঝে নেবে।”

    পথে অগ্নিমিত্রা

    বাঁকুড়ার ওই ঘটনার পাশাপাশি বর্ধমানের দুর্গাপুরে বিজেপির দুই প্রার্থীকে হুমকি ও মারধরের অভিযোগে তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে পথে নামলেন বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল। দুর্গাপুর ফরিদপুর ব্লকের কাঁটাবেড়িয়া এলাকার প্রতাপপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের দুই বিজেপি প্রার্থী সন্তোষ গুঁই ও টুম্পা সেনকে হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। তৃণমূলের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলেছেন বিজেপি প্রার্থীরা। পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা গ্রহণ না করার অভিযোগ তুলে কাঁটাবেরিয়া এলাকায় বিক্ষোভ শুরু করে দেন বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি জানিয়ে দেন, যাঁরা তাদের প্রার্থীদের ওপর হামলা চালিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে থানা ঘেরাও করেও আন্দোলনে নামবেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari:  “জাল এসসি, এসটি সার্টিফিকেট দিয়ে সাধারণ মানুষকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari:  “জাল এসসি, এসটি সার্টিফিকেট দিয়ে সাধারণ মানুষকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল (TMC) জমানায় উঠেছে একের পর এক দুর্নীতির আভিযোগ। কখনও টাকার বিনিময়ে বিক্রি হয়েছে শিক্ষকতার চাকরি, কখনও আবার চড়া দরে বিক্রি হয়েছে পুরসভার চাকরি। যার জেরে ফুলে ফেঁপে উঠেছেন তৃণমূলের ছোট-বড় সব স্তরের নেতারাই। নিয়োগের প্রতিটি ক্ষেত্রেই অযোগ্যদের চাকরি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। অভিযোগের এই দীর্ঘ তালিকায় নয়া সংযোজন!

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) অভিযোগ

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) অভিযোগ, সংরক্ষিত আসনে ভুয়ো এসসি, এসটি সার্টিফিকেট দিয়ে সাধারণ মানুষকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। শুক্রবার বাঁকুড়ার খাতড়ায় হুল দিবস উদযাপন মঞ্চে বক্তব্য রাখেন শুভেন্দু। সেখানেই নিশানা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলকে। জাল এসসি, এসটি সার্টিফিকেট দিয়ে পুলিশে চাকরি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে। উঠেছে ভুয়ো ব্যালট পেপার ছাপার অভিযোগও। 

    নিশানায় মমতার সরকার

    এদিনের অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “ভুয়ো এসসি, এসটি সার্টিফিকেট জমা দিয়ে সম্প্রতি রাজ্য পুলিশে নিয়োগ করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। আর এই পঞ্চায়েত নির্বাচনে ডিএম, এসপি এবং পুলিশ আধিকারিকরা অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ দফতরের আধিকারিকদের চাপ দিয়ে এসসি, এসটি, ওবিসি নন, এমন মানুষদের সার্টিফিকেট দিতে বাধ্য করেছেন। আর সেই ভুয়ো সার্টিফিকেট জমা দিয়ে তৃণমূল বিভিন্ন সংরক্ষিত আসনে সাধারণ মানুষকে প্রার্থী করেছে। এভাবে আদিবাসী, জনজাতিদের অধিকার কেড়ে নিচ্ছে এ রাজ্যের সরকার।”

    আরও পড়ুুন: তৃণমূল নেতার পাশে ছত্রধর পুলিশ! ভিডিও পোস্ট করে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “সম্প্রতি এ ব্যাপারে তথ্য জানার অধিকার আইনে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে আমি জানতে চেয়েছি সংরক্ষিত আসনে যে তৃণমূল প্রার্থীরা মনোনয়ন করেছে, তাঁদের নাম, বাবার নাম ও সাবকাস্ট। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সনাতনীদের মধ্যে ভাগ করতে চায়। সংখ্যালঘুদের ৩০ শতাংশ ভোট নিজেদের পকেটে রেখে বাকি সনাতনীদের ভাগ করে পিসি-ভাইপো রাজ চালাতে চান।” 

    সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, “আমি তথ্য জানার অধিকার আইনে জানতে চেয়েছি নির্বাচন কমিশনের কাছে। নির্বাচন কমিশন উত্তর দিতে বাধ্য। উত্তর দিলে আশাকরি, আর একটি বড় দুর্নীতি সামনে আনতে পারব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: কোচবিহারে রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিশীথ প্রামাণিকের, কী কথা হল?

    Panchayat Election 2023: কোচবিহারে রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিশীথ প্রামাণিকের, কী কথা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর এক সপ্তাহ বাকি নেই রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023)। এই আবহে, শনিবার সকালে কোচবিহার সার্কিট হাউসে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করলেন বিজেপি সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik Meets Governor)। 

    সকাল থেকেই কোচবিহার সার্কিট হাউসে ব্যস্ততা

    পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election 2023) দামামা বাজতেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হিংসার অভিযোগ আসতে শুরু করেছে। পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণার পর রাজ্যে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অভিযোগের আঙুল উঠেছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। উত্তরবঙ্গের কোচবিহারে ঘটে গিয়েছে একাধিক অশান্তির ঘটনা। ঝরেছে রক্ত, গিয়েছে প্রাণ। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে উত্তরবঙ্গ সফরে রয়েছেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। বর্তমানে তিনি রয়েছেন কোচবিহারে। এই আবহে, রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলেন কোচবিহারের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik Meets Governor)। সঙ্গে ছিলেন বিজেপির ৫ বিধায়ক। এদিন নিশীথের সঙ্গে দেখা যায় বিজেপি জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক সুকুমার রায়, বিধায়ক মালতি রাভা, বিধায়ক সুশীল বর্মন, বিধায়ক বরেনচন্দ্র বর্মন ও বিধায়ক মিহির গোস্বামীকে।

    রাজ্যপালকে কী বললেন নিশীথ প্রামাণিক?

    এদিন সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ সার্কিট হাউসে ঢোকেন নিশীথ প্রামাণিক। তাঁর আগে বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘‘গোটা উত্তরবঙ্গজুড়ে সন্ত্রাসের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে, সেই বিষয়ে অভিযোগ জানাব। একইসঙ্গে নির্বাচন প্রক্রিয়া যাতে শান্তিপূর্ণভাবে হতে পারে, সেই বিষয়েও কথা বলব।’’ পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election 2023) ঘোষণার পর থেকে মনোনয়ন–পর্ব ও তার পরও কোচবিহারে অশান্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে। স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যস্ত। অশান্তি ঠেকাতে রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ এদিন দাবি করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী (Nisith Pramanik Meets Governor)। বিধায়ক মালতি রাভা বলেন, ‘‘তৃণমূল কর্মীরা একের পর এক বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালাচ্ছে৷ বাড়িঘর ভাঙচুর করছে৷ সেসব নিয়ে রাজ্যপালের কাছে অভিযোগ জানাব।’’

    আরও পড়ুন: দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষা ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গড়ার ডাক দিলেন রাজ্যপাল! কেন জানেন?

    নিশীথের পাশাপাশি এদিন রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেন সিপিএম ও কংগ্রেসের প্রতিনিধিদলও। তাঁদেরও অভিযোগ, শাসক দল তৃণমূল ভোটের প্রচারে করতে বাধা দিচ্ছে। ভয় দেখাচ্ছে। এআইসিসি সদস্য পিয়া রায় চৌধুরী বলেন, ‘‘কোচবিহার জেলা জুড়ে বিভিন্ন এলাকায় তৃণমূল সন্ত্রাস চালাচ্ছে৷ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে রাজ্যপালের কাছে এসেছি।’’

    আজ দিনহাটায় যাবেন রাজ্যপাল

    পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Election 2023) ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই উত্তপ্ত কোচবিহার। দিনহাটা, গিতালদহ, শীতলকুচির মত এলাকায় লাগাতার অশান্তি লেগেছে। একাধিক মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। কিছুদিন আগে দিনহাটার শিমূলতলা এলাকায় বিজেপির মন্ডল সম্পাদক খুন হয়েছেন। এরপর দিনহাটা-২ ব্লকের টিয়াদহ গ্রামে বিজেপি প্রার্থীর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে পাটখেত থেকে। এর পর দিনহাটা-১ ব্লকের গিতালদহ-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের জারিধরলা গ্রামে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে গুলিও চলেছে। শীতলকুচিতেও তৃনমূল-বিজেপির সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই পরিস্থিতিতে আজ, শনিবার সেই সন্ত্রাস কবলিত এলাকায় পরিদর্শনে যাবেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। পাশাপাশি, কোচবিহারের বেসরকারি হাসপাতালেও যাবেন রাজ্যপাল। আক্রান্ত এবং মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন দিনহাটায়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: তৃণমূল নেতার পাশে ছত্রধর পুলিশ! ভিডিও পোস্ট করে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: তৃণমূল নেতার পাশে ছত্রধর পুলিশ! ভিডিও পোস্ট করে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশের ভূমিকা নিয়ে আবার প্রশ্ন তুললেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পঞ্চায়েত নির্বাচনে  এই অভিযোগে বারবারই সরব বিরোধী দলনেতা। এবার তিনি দেখালেন ছত্রধর পুলিশের ছবি। মঞ্চে বক্তৃতা করছেন তৃণমূল নেতা তথা পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুর পুরসভার প্রাক্তন মেয়র পারিষদ প্রভাত চট্টোপাধ্যায়। বৃষ্টির মধ্যে তাঁর মাথায় ছাতা ধরে আছেন উর্দিপরা এক পুলিশকর্মী। বৃহস্পতিবার এমন একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেন শুভেন্দু।

    ছত্রধর পুলিশ

    কাঁকসার তৃণমূল (TMC) নেতার মাথায় পুলিশকর্মীর ছাতা ধরে থাকার ভিডিও পোস্ট করে বিরোধী দলনেতা ট্যুইটে লেখেন, ‘আরও এক উদাহরণ, যাতে বোঝা যাচ্ছে মমতা পুলিশ কতটা পক্ষপাতদুষ্ট। কিছু আধিকারিক আঞ্চলিক দল তৃণমূলের রাজনৈতিক মিছিলে অংশগ্রহণ করছেন, মনোনয়ন প্রত্যাহার না করায় কিছু জন বিজেপি প্রার্থীদের মারধর করছেন এবং মঞ্চে তৃণমূল নেতা বক্তব্য রাখার সময় কেউ দাসের মতো ছাতা ধরে থাকছেন।’শুভেন্দু আরও লেখেন ‘ভিডিওতে দেখুন, একজন পুলিশকর্মী ছাতা ধরে আছেন, যখন পশ্চিম বর্ধমানের কাঁকসা ব্লকের টিএমসি ট্রেড ইউনিয়ন নেতা প্রভাত চট্টোপাধ্যায় মঞ্চে রাজনৈতিক ভাষণ দিচ্ছেন। ‘

    শুভেন্দু অধিকারী কলকাতা বা রাজ্য পুলিশকে ডাকেন মমতা পুলিশ হিসেবে। এদিন ভিডিও শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, মমতা পুলিশ যে নিরপেক্ষতা বজায় রাখে না তা আবার সামনে আনল এই ঘটনা। শুভেন্দু লিখেছেন, ‘এ সবই হচ্ছে যখন রাজ্যে জারি রয়েছে নির্বাচনী আচরণবিধি। আশা রাখব, আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট ও রাজ্য পুলিশ বাংলার সর্বত্র অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সুনিশ্চিত করবে।’

    আরও পড়ুন: ১১ ঘণ্টা ইডির জেরা! নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে বুধবার ফের তলব সায়নীকে

    বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, “মমতা-পুলিশের কাজ, তৃণমূলকে রোদ, জল, ঝড় থেকে বাঁচানো আর ছাপ্পা ভোট করানো।” রাজ্যের এই পরিস্থিতিতে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন যে সম্ভব নয়, তা নিয়ে একমত বিরোধীরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share