Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Panchayat Vote: রাজ্যে আসছে আরও ৩১৫ কোম্পানি বাহিনী, কমিশনকে জানাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

    Panchayat Vote: রাজ্যে আসছে আরও ৩১৫ কোম্পানি বাহিনী, কমিশনকে জানাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২২ কোম্পানির পরে আসতে চলেছে আরও ৩১৫ কোম্পানি বাহিনী। আগেই জানা গিয়েছিল মোট ৮২২ কোম্পানি বাহিনী ধাপে ধাপে আসেব। সেই মতো এদিন রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছে, ৩১৫ কোম্পানি বাহিনী অবিলম্বে বিভিন্ন জেলায় জেলায় যাবে। ৩১৫ কোম্পানি বাহিনী কোথায় কত মোতায়েন হবে, তা নিয়েই একটা জটিলতা তৈরি হচ্ছিল। অমিত শাহের মন্ত্রক এনিয়ে কমিশনকে চিঠিও পাঠায়। জানা গিয়েছে, সোমবার বাহিনী মোতায়েন নিয়ে একটা প্রাথমিক তালিকা তৈরি করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে দিয়েছে কমিশন। সেই তালিকা অনুযায়ী, আলিপুরদুয়ারের জন্য ৬ কোম্পানি, বাঁকুড়ায় ২৪ কোম্পানি, বীরভূমে ১৯ কোম্পানি, কোচবিহারে ১৪ কোম্পানি, কোচবিহারের ১৪ কোম্পানি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৬ কোম্পানি, দার্জিলিংয়ে ৫ কোম্পানি, হুগলি ১২ কোম্পানি, হাওড়ায় ১০ কোম্পানি বাহিনী চাওয়া হয়েছে।

    বাকি ৪৮৫ কোম্পানি বাহিনী কবে মিলবে?

    পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Vote) ঘোষণার পর থেকেই যেন অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে বাংলা। শাসকদলের বিরুদ্ধে লাগাম ছাড়া সন্ত্রাসের অভিযোগ এনেছে বিজেপি সমেত বিরোধী দলগুলি। ভোট ঘোষণার পর থেকে ঝরেছে ১০টি তাজা প্রাণ। মঙ্গলবারও দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়েছে দিনহাটা। এমতো অবস্থায় মালদায় বাহিনীকে ফুল ছুড়ে স্বাগত জানাতে দেখা গিয়েছে সাধারণ মানুষকে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, রাজ্য প্রশাসনের ওপর ক্রমশই ভরসা হারচ্ছেন সাধারণ মানুষ। তাঁদের ধারণা, ‘‘কেন্দ্রীয় বাহিনীই মানুষকে ভোটাধিকার দিতে পারে।’’ সূত্রের খবর, বাহিনী ইস্যুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নোডাল অফিসার বিএসএফের আইজি ও সিআরপিএফের ডেপুটি কম্যান্ড্যান্টের সঙ্গে কমিশন চার দফা বৈঠকও করে।  বাকি ৪৮৫ কোম্পানি বাহিনী কবে মিলবে? বিশেষজ্ঞদের ধারণা, সেটা বুধবার স্পষ্ট হতে পারে। ওই দিন বাহিনী সংক্রান্ত মামলার শুনানি রয়েছে।

    কী বলছে বিজেপি?

    বাহিনী ইস্যুতে বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘বাহিনী বিষয়ে জটিলতা থাকল কী থাকল না তা নিয়ে সাধারণ মানুষ চিন্তিত নয়। নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই শাসক দল নিজের কাজ দেখিয়েছে। ওদের লক্ষ্যই হল লুঠ করা। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ভোট করা। এর জন্যই রাজ্য কেন্দ্রীয় বাহিনী চাইছিল না। এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক বাকী ৪৯৫ কোম্পানি বাহিনী যদি কেন্দ্র দিয়েও দেয় তাহলে তা কি দ্রুত মোতায়েন সম্ভব?’’ একদফার ভোট নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। শমীকের কথায়, ‘‘একদিনে ভোট (Panchayat Vote) করিয়ে মানুষকে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করানোর ক্ষমতা এই নির্বাচন কমিশনের আছে? এগারো দিনে ৯ জন খুন হয়ে গেল। এই হচ্ছে এই রাজ্যের পরিস্থিতি।’’ 

    আরও পড়ুন: আলিপুরদুয়ারে বাড়ি বাড়ি জনসংযোগে বিজেপি, তৃণমূল ব্যস্ত কোন্দলেই

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: ১২ বছর পর পঞ্চায়েত প্রচারে মমতা! ‘‘বিজেপির কৃতিত্ব’’, বললেন সুকান্ত

    Panchayat Election 2023: ১২ বছর পর পঞ্চায়েত প্রচারে মমতা! ‘‘বিজেপির কৃতিত্ব’’, বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহুদিন পর পঞ্চায়েতের প্রচারে ময়দানে নেমেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) প্রচারে উত্তরবঙ্গে গিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এটাই বিজেপির সাফল্য দাবি, রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের। তিনি বলেছেন, স্থানীয় নির্বাচনে মমতার প্রচারে নামাই রাজ্যে বিজেপির ক্রমবর্ধমান শক্তিকে বৈধতা দিয়েছে।

    কঠোর বিরোধিতার মুখে তৃণমূল

    রাজ্য বিজেপির সভাপতি বলেছেন, এই তৃণমূল কংগ্রেস গত ২০২১-এর ২ মের পর বলেছিল বিজেপি রাজ্য থেকে হারিয়ে গিয়েছে। কিন্তু এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো নেত্রী ১২ বছর পর পঞ্চায়েত নির্বাচনের ( Panchayat Election 2023) জন্য প্রচারে নামতে বাধ্য হচ্ছেন। সেখানে এটাই প্রমাণিত হচ্ছে বিজেপি রাজ্যে কতটা শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। সুকান্তের কথায়, “১২ পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পঞ্চায়েতের প্রচারে নেমেছেন। তার মানে এমন একটা বিরোধিতা আমরা বিরোধী দল হিসাবে তৈরি করতে পেরেছি যাতে তাঁকে রাস্তায় নামতে হয়েছে। এ তো রাজ্য সভাপতি হিসাবে আমার এবং আমাদের টিমের সাফল্য।” সুকান্ত আরও বলেন, “তৃণমূলনেত্রী পঞ্চায়েতের প্রচার শুরু করেছেন উত্তরবঙ্গ থেকে। যেখানে এমনিতেই তৃণমূলের দফারফা হয়ে রয়েছে।”

    সোমবার কোচবিহার থেকে পঞ্চায়েতের প্রচার কর্মসূচি শুরু করেছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার দিদির সভা রয়েছে জলপাইগুড়িতে। সুকান্ত মজুমদার দাবি করেছেন,মুখ্যমন্ত্রীর পতন শুরু হবে উত্তরবঙ্গ থেকে। তৃণমূল তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী প্রচারের সময় সম্ভাব্য হিংসার বিষয়ে উদ্বেগের কথা তুলে ধরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সুকান্ত। তিনি বলেছেন, তৃণমূলের আশ্রিত গুণ্ডারা বিজেপিকে ভয় দেখাতে আরও হিংসার আশ্রয় নিতে পারে। তবে তিনি দলের নেতা কর্মীদের আশ্বস্ত করে বলেছেন, বিজেপি এতে ভয় পাবে না, তৃণমূলকে উপযুক্ত জবাব দেবে। 

    আরও পড়ুন: ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বংশটাই চোর’’, ভোটপ্রচারে শুভেন্দুর নিশানায় মুখ্যমন্ত্রী

    দিলীপ ঘোষের দাবি

    ২০১৮-র পঞ্চায়েতে একচ্ছত্র আধিপত্য নিয়ে জিতেছিল তৃণমূল। প্রায় ৩৩ শতাংশ আসন বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছিল শাসকদল। কিন্তু এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। বিজেপির সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষও পঞ্চায়েত নির্বাচনী প্রচারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অংশগ্রহণকে কটাক্ষ করেছেন। তিনি বলেছেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনে ( Panchayat Election 2023) তাঁর অংশগ্রহণ ফলাফল নিয়ে উদ্বেগের কারণেই হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বংশটাই চোর’’, ভোটপ্রচারে শুভেন্দুর নিশানায় মুখ্যমন্ত্রী

    Suvendu Adhikari: ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বংশটাই চোর’’, ভোটপ্রচারে শুভেন্দুর নিশানায় মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলির আরামবাগ মহকুমার পুরশুড়ার পশ্চিমপাড়ায় পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারে শাসক দল তৃণমূলকে একহাত নিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পাশাপাশি নাম করে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বংশকে চোর বলে তীব্র কটাক্ষ করেন।

    কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)?

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচার মঞ্চ থেকে তিনি বলেন, ‘‘জেলাশাসককে কাজে লাগিয়ে আরামবাগ লোকসভা ভোটে কারচুপি করে জিতেছে তৃণমূল। চুরি করা ওদের অভ্যাস। গোটা পরিবারটাই চোর। ভাইপো চোর, ভাইপোর বউ চোর, ভাইপোর শালি চোর, ভাইপোর বাবা চোর, ভাইপোর মা চোর, গরু চোর, কয়লা চোর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বংশ চোর।’’ 

    শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লজ্জা নেই। ওনার পুলিশ রাজবংশী মৃত্যুঞ্জয় বর্মনকে মাঝ রাত্রে গুলি করে খুন করেছে। উনি একবারও শোক প্রকাশ করেননি। তাই ওনার লজ্জা থাকা উচিত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী সম্পর্কে বলছেন, গুলি চললে সরকার ও পুলিশ ব্যবস্থা নেবে। গুন্ডাদের মতো কথাবার্তা। জেন্ডার চেঞ্জ করে কি বলা যায়, গুন্ডিদের মতো কথাবার্তা।’’

    তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, যাকে ইচ্ছা চড়থাপ্পড় মেরে দেবেন। আমি বলছি, কেষ্টর মতো অবস্থা হবে। কেষ্টকে বলেছিল আমি (পড়ুন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) আছি। যারা অপকর্ম করবে তাদের অবস্থা কেষ্টর মতো হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর ভাইপো ছাড়া কারও জন্য নয়। আমি এই কথা বলে দিলাম।’’ 

    এদিন কংগ্রসে-সিপিএমকেও কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “ডোমজুড়ে গুলি-বোমার লড়াই। রাজ্য জুড়েই সন্ত্রাস, গুলি, বোমা চলছে। কংগ্রেস ও সিপিএমের নেতা রাহুল গান্ধী ও সীতারাম ইয়েচুরি যোগাযোগ করুক। পাটনায় শান্তি চুক্তি পড়েও কেন বোমা গুলি চলছে?’’

    নওশাদ সিদ্দিকি ও শওকতকে সাদা পায়রা ওড়ানোর পরামর্শ শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

    ভাঙড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নওশাদ সিদ্দিকি ও শওকত মোল্লাকে সাদা পতাকা ও সাদা পায়রা নিয়ে গ্ৰামে গ্ৰামে মিছিল করার পরামর্শ দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হুগলির জাঙ্গিপাড়ায় এক জনসভায় এসে নওশাদ সিদ্দিকি ও শওকত মোল্লার সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে একথা বললেন বিজেপি নেতা ।

    পঞ্চায়েতের মনোনয়ন পর্ব ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল ভাঙড়। আইএসএস ও শাসকদলের সংঘর্ষে মারা গেছে দু পক্ষেরই বেশ কয়েকজন কর্মী। শান্তির রফাসূত্র খুঁজতে ইতিমধ্যেই ভাঙড় পরিদর্শন করেছেন রাজ্যপাল। আইএসএফ প্রধান নওশাদ সিদ্দিকি ও তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা ভাঙড়ের সংঘর্ষ নিয়ে একাধিকবার পরস্পর বিরোধী অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগ করেছেন। এই পরিস্থিতিতে সোমবার বিধানসভায় বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি ও বিধায়ক শওকত মোল্লা পাশাপাশি দাঁড়িয়ে হাসিমুখে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন তৈরি করেছে।।

    এই প্রসঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন জাঙ্গিপাড়ার এক সভামঞ্চ থেকে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘‘এই উদ্যোগটা ভালো। তবে দুজনে যদি ভাঙড়ের গ্ৰামে গ্ৰামে গিয়ে  শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারেন তাহলে ভালো হয়। ঠান্ডা ঘরে বসে, নিরাপদ জায়গায় বসে এটা করবেন না। কারণ দু পক্ষের লোকই মারা গেছে। সব গরীব মানুষ।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: ভাঙড়ে ৮২ জন আইএসএফ প্রার্থীর নাম ‘মুছে গেল’ কীভাবে? প্রশ্ন হাইকোর্টের

    Panchayat Election 2023: ভাঙড়ে ৮২ জন আইএসএফ প্রার্থীর নাম ‘মুছে গেল’ কীভাবে? প্রশ্ন হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাঙড়ে আইএসএফ প্রার্থীদের মনোনয়নের বিষয়টি রাজ্য নির্বাচন (Panchayat Election 2023) কমিশনকে খতিয়ে দেখতে বললেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। ভাঙড়ে ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ)-এর যে ৮২ জন প্রার্থীর নাম ওয়েবসাইট থেকে মুছে গিয়েছে, তাঁদের প্রত্যেকের অভিযোগ আলাদা করে খতিয়ে দেখতে হবে। তাঁদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দিতে হবে। এই পদক্ষেপ করতে হবে ২৮ জুনের মধ্যে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে সোমবার এই নির্দেশই দিলেন বিচারপতি।

    অভিযোগ সত্য হলে, তাঁকে ভোটে লড়ার সুযোগ দিতে হবে

    এদিন, বিচারপতি সিনহা বলেন, নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) কেউ বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় জয়ী হতে পারেন না। উল্লেখ্য, গত ১৫ জুন মনোনয়ন পেশের শেষ দিনে আদালতের নির্দেশে ভাঙড় ২ নম্বর ব্লকের আইএসএফ প্রার্থীদের এসকট করে নিয়ে যাচ্ছিল পুলিশ। পথে তৃণমূলি দুষ্কৃতীরা হামলা চালায়। বিকেল পর্যন্ত অনেক চেষ্টা করে বিডিও অফিসে ঢোকেন আইএসএফ প্রার্থীরা। এর পর মনোনয়নপত্র পেশ করেন। যদিও ততক্ষণে মনোনয়ন পেশের আনুষ্ঠানিক সময় শেষ হয়ে গিয়েছে। মনোয়ন পরীক্ষার কাজ শুরু হলে ওই ৮২ জন প্রার্থীর নাম কমিশনের তালিকায় দেখা যায়। কিন্তু ২০ জুন মনোয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন সন্ধ্যায় তালিকা থেকে গায়েব হয়ে যায় তাদের নাম। এর পর আদালতের দ্বারস্থ হন ওই ৮২ জন  প্রার্থী।

    আরও পড়ুন: বিশ্বের উন্নয়ন, মঙ্গলের শক্তি হল ভারত-মার্কিন বন্ধুত্ব! অভিমত মোদির

    গত বুধবার মামলার শুনানি হয়েছিল হাইকোর্টে। সেদিনই বিচারপতি অমৃতা সিনহা মন্তব্য করেছিলেন, ‘‘একটি নির্বাচন (Panchayat Election 2023) ঘিরে এত অভিযোগ। এটা রাজ্যের পক্ষে লজ্জার! রাজ্যের উচিত, আদালতের নির্দেশ মতো আইনশৃঙ্খলার বিষয়টি সঠিক ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা। তা না হলে বা অশান্তি, রক্তপাত, জীবনহানি হলে নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়া উচিত।’’ সোমবার এই মামলাতেই বিচারপতির নির্দেশ, ৮২ জন আইএসএফ প্রার্থীর প্রত্যেকের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে হবে। কারও অভিযোগ সত্য হলে, তাঁকে ভোটে লড়ার সুযোগ করে দিতে হবে কমিশনকে। 
     
    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Group C Scam: গ্রুপ সি নিয়োগ সংক্রান্ত ‘ফাইল’ উধাও! সিবিআইকে জানাল বিকাশ ভবন

    Group C Scam: গ্রুপ সি নিয়োগ সংক্রান্ত ‘ফাইল’ উধাও! সিবিআইকে জানাল বিকাশ ভবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি দফতর থেকে নিয়োগ সংক্রান্ত নথির খোঁজ মিলছে না। গ্রুপ-সি-র (Group C Scam) মামলায় সিবিআই বিকাশ ভবনের কাছে কিছু তথ্য চেয়ে পাঠিয়েছিল। কিন্তু সেই তথ্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে দিতে পারবে না বলে জানিয়ে দিল পর্ষদ।  সিবিআই সূত্রে খবর, তাদের বলা হয়েছে, ওই ফাইলটি পর্ষদের কাছে নেই। বেশ কয়েক মাস ধরেই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। পর্ষদের এই জবাবে বিস্মিত সিবিআই।

    কীভাবে হারাল ফাইল? 

    নিয়োগ দুর্নীতির (Group C Scam) তদন্তে নেমে সিবিআইয়ের হাতে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য এসেছে। বিভিন্ন সময়ে নানা তথ্য যাচাই করে স্কুল সার্ভিস কমিশন বা মধ্যশিক্ষা পর্ষদ কিংবা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের থেকে বিভিন্ন নথি চেয়েছে সিবিআই। এমনকী প্রয়োজনে একাধিক আধিকারিকের সঙ্গে কথাও বলেছে তারা। সেই মতোই তদন্তের স্বার্থে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি পর্ষদের থেকে চেয়ে পাঠিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কিন্তু সেই গুরুত্বপূর্ণ নথি হারিয়ে যাওয়ায় অবাকই হয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। সিবিআই সূত্রে খবর,  শিক্ষা সচিব মণীশ জৈনকে জিজ্ঞাসাবাদের পর বেশ কিছু তথ্য প্রমাণ হাতে পেয়েছিলেন গোয়েন্দা আধিকারিকরা। যার ভিত্তিতেই কমিশনের কাছে সেই সংক্রান্ত নথি চেয়ে পাঠান তাঁরা। কিন্তু সেই গুরুত্বপূর্ণ নথি কীভাবে উধাও হল, কে সেই তথ্যগুলি সংরক্ষণের দায়িত্বে ছিলেন তা সব কিছুই এবার খতিয়ে দেখবেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।

    আরও পড়ুন: বিশ্বের উন্নয়ন, মঙ্গলের শক্তি হল ভারত-মার্কিন বন্ধুত্ব! অভিমত মোদির

    পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে পারে সিবিআই

    সিবিআই সূত্রে খবর, কমিশন গোয়েন্দা সংস্থাকে জানিয়েছে নির্দিষ্ট একটি ফাইল দফতরে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এক বছর ধরে তার খোঁজ মেলেনি। এমনকী ফাইলটি খুঁজে পেতে বিধাননগর উত্তর থানায় জেনারেল ডাইরিও করা হয়। কিন্তু এরপরও ওই ফাইলের খোঁজ নেই। সিবিআইকে এমনটাই জানিয়েছে কমিশন।  যেহেতু বিধাননগর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল, সেই কারণে সিবিআই এবার পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলতে পারে। খতিয়ে দেখা হবে ফাইলটি খোঁজার জন্য কী কী পদক্ষেপ করা হয়েছিল থানা থেকে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Panchayat Election 2023: রাজীব সিনহার নিয়োগ অবৈধ! জনস্বার্থ মামলা দায়ের হাইকোর্টে

    Panchayat Election 2023: রাজীব সিনহার নিয়োগ অবৈধ! জনস্বার্থ মামলা দায়ের হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য নির্বাচন কমিশনার পদে রাজীব সিনহার নিয়োগ বৈধ নয়। তাঁর নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে  সোমবার জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হল কলকাতা হাইকোর্টে। মামলাটি দায়ের করেছেন আইনজীবী নবেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন মামলার করার অনুমতি চেয়ে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের বেঞ্চের দ্বারস্থ হন ওই ব্যক্তি। মামলা দায়েরের অনুমতি দেন প্রধান বিচারপতি। চলতি সপ্তাহে এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

    রাজীবের নিয়োগ নিয়ে টানাপড়েন

    গত ৭ জুন রাজীবকে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার হিসাবে নিয়োগ করেছিলেন রাজ্যপাল। রাজ্য নির্বাচন কমিশনার হিসাবে রাজীবের নিয়োগ নিয়ে প্রথম থেকেই সরব বিরোধীরা। গত বুধবার রাজীবের যোগদান রিপোর্ট (জয়েনিং রিপোর্ট) ফেরত পাঠান রাজ্যপাল। তারপর রবিবার রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে বৈঠক করেন রাজীব। সেই বৈঠকে যোগদান রিপোর্ট নিয়ে দু’জনের কথা হয়েছে। রাজভবন সূত্রে খবর, পঞ্চায়েত ভোটে বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে আলোচনা হয় রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের। এখনও পর্যন্ত ভোটের জন্য কী কী প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, রাজ্যপালকে তা জানান রাজীব। বৈঠকে রাজ্যপাল পরামর্শ দেন, ‘‘আপনি স্বাধীন ভাবে কাজ করুন। ভোটে অশান্তি কোনও ভাবেই যেন বরদাস্ত না করা হয়। শান্তিপূর্ণ ভোটের লক্ষ্যে সমস্ত পদক্ষেপ করতে হবে। কমিশনের যেন নিরপেক্ষ ভূমিকা থাকে।’’

    আরও পড়ুন: বিশ্বের উন্নয়ন, মঙ্গলের শক্তি হল ভারত-মার্কিন বন্ধুত্ব! অভিমত মোদির

    রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাসের মেয়াদ শেষের পর রাজভবনে রাজীব সিনহা সহ তিন জনের নাম পাঠায় রাজ্য সরকার। প্রথমে রাজীবের নামে অনুমতি দেননি রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। পরে রাজীব সিনহার নামে অনুমোদন দেয় রাজভবন। তারপই পঞ্চায়েত নির্বাচনের মনোনয়ন পর্বে হিংসার সাক্ষী থাকে রাজ্যবাসী। বিরোধীরা নির্বাচন কমিশনারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে থাকেন। এর মধ্যে আদালতে এই জনস্বার্থ মামলা নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: লোকসভা, বিধানসভার পর এবার লক্ষ্য জেলা পরিষদ দখল, আলিপুরদুয়ারে ঝাঁপাল বিজেপি

    BJP: লোকসভা, বিধানসভার পর এবার লক্ষ্য জেলা পরিষদ দখল, আলিপুরদুয়ারে ঝাঁপাল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত লোকসভা এবং বিধানসভার পর গেরুয়া শিবিরের কাছে এবার পাখির চোখ আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদ। আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের ১৮ টি আসনের মধ্যে সবকটিতেই এবার প্রার্থী দিয়েছে বিজেপি (BJP)। ২০১৮ সালে একটিমাত্র আসনে জয়ী হয়েছিল বিজেপি প্রার্থী। তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে ছিল ১৭ টি আসন। যদিও গেরুয়া শিবিরের নেতাদের অভিযোগ, ২০১৮ সালে ভোট  লুট হয়েছে, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া থেকে ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা দেওয়া হয়েছে।

    কী বললেন বিজেপির (BJP) জেলা সভাপতি?

    বিজেপির (BJP) শক্ত ঘাঁটি আলিপুরদুয়ার জেলায় গত লোকসভা ভোটে বিজেপির সাংসদ জন বারলা জয়ী হয়ে পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়েছেন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জেলার পাঁচটি বিধানসভা আসনের সবকটিতে জয়ী হন বিজেপির প্রার্থীরা। জেলার বিধায়ক সব বিজেপির দখলে থাকলেও জেলার উন্নয়নের কাজে রাজ্য থেকে প্রশাসনের বিরুদ্ধে বারবার অসহযোগিতার অভিযোগ করেছেন বিজেপির সাংসদ ও বিধায়করা। গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে জেলা পরিষদ ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের মাধ্যমেই সরাসরি মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ থাকায়, এবারে গেরুয়া শিবির জেলা পরিষদকে টার্গেট করে ময়দানে নেমেছে। জেলা পরিষদ দখল হলেই অধিকাংশ গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি দখলে আসবে। বিজেপির এক বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল শাসক দলে নাম লেখালেও তাঁর সঙ্গে দলের কোনও অনুগামী, এমনকী কার্যকর্তারাও কেউ দল ছাড়েননি। বিজেপির জেলা সভাপতি ভূষণ মোদক বলেন, এবারে মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারলে আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়ী হবেন বিজেপি প্রার্থীরা। তাঁরাই বোর্ড গঠন করবেন।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    লোকসভা ও বিধানসভা ভোটেও পরপর ধাক্কা খেয়ে শাসকদল  ঘুরে দাঁড়াতে ভোট ময়দানে ঝাঁপিয়েছে। আলিপুরদুয়ারে নিচু তলার বিজেপির (BJP) কর্মী-সমর্থক থেকে সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও বিজেপির প্রতি ঝোঁক একটা রয়ে গিয়েছে। ফলে, শাসক দলের উন্নয়নকে হাতিয়ার করে যতই প্রচার চালাক না কেন, শেষ পর্যন্ত মানুষের ভোট কার বাক্সে যায়, সে দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল। তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি প্রকাশ চিক বরাইক বলেন, বিজেপির সাংসদ-বিধায়কদের কার্যকলাপ দেখে বিরক্ত জেলার মানুষ। তাই ভোটে ওদেরকে মোক্ষম জবাব দেবেন ভোটাররা। জেলা পরিষদ তৃণমূলেরই দখল থাকবে।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: “আপনি স্বাধীনভাবে কাজ করুন,” রাজীব-রাজ্যপাল বৈঠকে বার্তা আনন্দ বোসের

    CV Ananda Bose: “আপনি স্বাধীনভাবে কাজ করুন,” রাজীব-রাজ্যপাল বৈঠকে বার্তা আনন্দ বোসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আপনি স্বাধীনভাবে কাজ করুন। ভোটে অশান্তি কোনওভাবেই যেন বরদাস্ত করা না হয়। শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের লক্ষ্যে সমস্ত পদক্ষেপ করতে হবে। কমিশনের যেন নিরপেক্ষ ভূমিকা থাকে।” রবিবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহাকে এমনই বার্তা দিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)।

    রাজভবনে রাজীব

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকেই অশান্ত হয়েছে রাজ্য। মনোনয়নপত্র পেশ-পর্বে রাজনৈতিক হিংসার বলি হয়েছেন ৭ জন (প্রশাসনের দাবি ৫ জন)। রাজ্যজুড়ে হিংসার আবহে রাজীবকে তলব করেছিলেন রাজ্যপাল। নির্বাচনের কাজে ব্যস্ত থাকার কারণ দেখিয়ে রাজভবন এড়িয়ে যান রাজীব। এর পরেই নির্বাচন কমিশনার হিসেবে রাজীবের যোগদান রিপোর্ট ফেরত পাঠিয়ে দেন রাজ্যপাল। তার পরেই রবিবার বিকেল সাড়ে ৫টা নাগাদ রাজভবনে যান রাজীব। বের হন ঘণ্টা দুয়েক পর।

    রাজ্যপালের বার্তা

    এদিন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)-রাজীব বৈঠকে নির্বাচন সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি কী কী নেওয়া হয়েছে, রাজ্যপালকে তা বিশদে অবগত করেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার। তার পরেই রাজীবকে রাজ্যপালের বার্তা, “আপনি স্বাধীনভাবে কাজ করুন।” রাজীবকে রাজ্যপাল আরও বলেন, “রাজনৈতিক দল নির্বিশেষে পদক্ষেপ করতে হবে। কোথাও গন্ডগোলের অভিযোগ পাওয়া গেলেই ব্যবস্থা নিতে হবে। মানুষ যেন নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। ভোটাররা যেন বাধা না পান। অভিযোগ পেলেই গুরুত্বের সঙ্গে তা খতিয়ে দেখতে হবে। রাজভবন কোনও রিপোর্ট চাইলে তাও দিতে হবে।”

    আরও পড়ুুন: মোদির মুকুটে নয়া পালক, পিরামিডের দেশের সর্বোচ্চ সম্মানে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী

    নির্বাচনের কাজে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে যাতে ঠিকঠাক কাজে লাগানো হয়, সে কথাও রাজীবকে জানিয়ে দেন রাজ্যপাল। স্পর্শকাতর বুথে বাড়তি নজর দেওয়ার কথাও বলেছেন। রাজ্যে হিংসার আবহে রাজভবনে খোলা হয়েছিল পিস রুম। সেখানে যেসব অভিযোগ জমা পড়েছে, এদিনের বৈঠকে সেসব নিয়েও আলোচনা হয়। তবে এদিন যে রাজীবকে তিনি তলব করেননি, তা সাফ জানিয়ে দেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। বলেন, “আমি নির্বাচন কমিশনারকে ডাকিনি। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকেই বৈঠকের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। আমি জানিয়েছিলাম, পঞ্চায়েত ভোট সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কমিশনারের সঙ্গে কথা বলতে চাই। তিনি যদি আলোচনার জন্য প্রস্তুত থাকেন, তাহলে তিনি যে কোনও দিন আসতে পারেন। আজও আসতে পারেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: ময়না তদন্তের রিপোর্টে চিকিৎসকের দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন, মৃত্যু ঘিরে বাড়ছে রহস্য

    Barrackpore: ময়না তদন্তের রিপোর্টে চিকিৎসকের দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন, মৃত্যু ঘিরে বাড়ছে রহস্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাকপুরে (Barrackpore) চিকিৎসক প্রজ্ঞাদীপা হালদারের মৃত্যু রহস্য ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছে। ইতিমধ্যেই তাঁর ময়না তদন্তের রিপোর্ট পুলিশের কাছে জমা পড়ল। রিপোর্ট অনুযায়ী তাঁর শরীরের একাধিক জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ওই চিকিৎসক আত্মহত্যা করেছেন, না তাঁকে বেধড়ক পিটিয়ে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে পুলিশ আধিকারিকরা ধন্দে রয়েছেন। কারণ, একজন আত্মহত্যা করলে তাঁর শরীরে এত আঘাতের চিহ্ন থাকতে পারে না। ফলে, পুলিশ আধিকারিকরা সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।

    কী বললেন প্রজ্ঞাদীপার মা?

    ঘটনার পর থেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন তাঁর মা ঝর্না হালদার। মেয়ে আত্মঘাতী হয়েছে বলে মেনে নিতে পারছেন না তিনি। ইতিমধ্যেই বারাকপুরের (Barrackpore) পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করে সুবিচারের আর্জি জানিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে মেয়েকে খুন করা হয়েছে বলে পুলিশ আধিকারিকদের তিনি জানান।

    খোঁজ নেই চার বাংলাদেশির

    ১৯ জুন লেফটেন্যান্ট কর্নেল কৌশিক সর্বাধিকারীর ঘরের ভিতর থেকে প্রজ্ঞার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। বাড়ির সিলিং অনেক উঁচুতে। সেখানে কী করে ওই মহিলা চিকিৎসক কাপড় ঝোলালেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। চিকিৎসকের মৃত্যুর দিনই সন্ধ্যায় চার বাংলাদেশি বন্ধুর সঙ্গে কৌশিক বারাকপুরের (Barrackpore) একাধিক দ্রষ্টব্য স্থান পরিদর্শন করেছিলেন। তাঁদের একটি গেস্ট হাউসে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। তবে, ২০ জুন মৃতদেহ উদ্ধারের পর থেকে বাংলাদেশি চার বন্ধুর খোঁজে তল্লাশি চালায় পুলিশ। এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশি চারজনের খোঁজ মেলেনি। তাদের খোঁজ চালাচ্ছেন তদন্তকারী অফিসাররা। কৌশিক শুধু পুলিশকে বলেছেন, ওই চার বাংলাদেশি আমার পরিচিত বন্ধু। আমি তাদের বারাকপুরের (Barrackpore) বিভিন্ন জায়গা ঘুরিয়ে দেখিয়েছি। শনিবারই বিকেলের পর ফরেন্সিক টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। যে ঘরের মধ্যে থেকে চিকিৎসকের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছিল, সেই ঘরের ভিতর থেকে একাধিক নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যায় তারা। কলকাতায় কৌশিকের স্ত্রী ও দুই সন্তান রয়েছে। তিনি প্রজ্ঞার সঙ্গে একত্রবাসে থাকতেন। এই ঘটনার পর সুইসাইড নোটে নাম থাকায় সেনা চিকিৎসক কৌশিক সর্বাধিকারীকে পুলিশ গ্রেফতার করে। তবে, এখনও পর্যন্ত তাঁর স্ত্রী এবং সন্তানরা কেউ পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। উলটে পুলিশই তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: মালদায় বিজেপি প্রার্থীর স্বামীকে বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Malda: মালদায় বিজেপি প্রার্থীর স্বামীকে বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে আবারও উত্তপ্ত মালদার মানিকচক। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপি প্রার্থীর স্বামীকে প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টার অভিযোগ। অভিযোগ উঠেছে একই গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রার্থীর স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে মালদার (Malda) মানিকচক ব্লকের এনায়েতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মোহনা-১ নম্বর কলোনি এলাকায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    জানা যায় মানিকচক ব্লকের এনায়েতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৩৮ নম্বর বুথের বিজেপি প্রার্থী হয়েছেন সামিনা খাতুন। বিজেপি প্রার্থীর স্বামী রেজাউল হকের অভিযোগ, মনোনয়নপত্র জমা করার পর থেকেই তাঁকে প্রাণে মারার হুমকি দেওয়া হত। শুক্রবার রাতে আমাকে ফোন করে একই বুথের তৃণমূল প্রার্থী সালমা সুলতানের স্বামী তথা তৃণমূল নেতা এমডি আনোয়ার আলি ডেকে পাঠায়। এরপর এমডি আনোয়ার আলি সহ ছয়-সাতজন মিলে আমাকে বেধড়ক মারধর করে। আমাকে প্রাণে মারার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু কোনওমতে সেখান থেকে পালিয়ে প্রাণ রক্ষা হয় আমার। রাতেই বিজেপি প্রার্থীর স্বামীকে উদ্ধার করে মানিকচক গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার সকালে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে মালদা (Malda) মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এই বিষয়ে মালদা (Malda) জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি শুভময় বসু বলেন, পঞ্চায়েতে সব আসনে বিজেপি প্রার্থী দিতে পারেনি। জেলায় বিজেপির কোনও সংগঠন নেই। তাই, এই সমস্ত মিথ্যা অভিযোগ তুলে মানিকচকে বাজার গরম করতে চাইছে বিজেপি। আসলে বিরোধীদের পায়ের তলার মাটি সরে গিয়েছে। তাই তারা ভয় পাচ্ছে। মালদা জেলায় সব থেকে শান্তিপূর্ণভাবে মনোনয়ন পর্ব মিটেছে। তাই এই সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এই ধরনের কোনও হামলার ঘটনা ঘটেনি। নিজেরা হেরে যাওয়ার ভয়ে এই ধরনের মিথ্যা নাটক করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share