Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Calcutta High Court: ভোটে কারচুপি! বিডিও-র বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের অনুমতি হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: ভোটে কারচুপি! বিডিও-র বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের অনুমতি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচন সংক্রান্ত মামলা গুলো জনস্বার্থ মামলা হিসেবে দায়ের করা যেতে পারে। শুক্রবার পঞ্চায়েত ভোট সংক্রান্ত একটি মামলায় এমনই তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করল কলকাতা হাইকোর্ট। এদিন হাওড়ার সলপে বিরোধীদের জয়ী ঘোষণা করেও শাসকদলের পরাজিত প্রার্থীদের শংসাপত্র দেওয়ার অভিযোগ সংক্রান্ত মামলার শুনানি চলাকালীন ওই মন্তব্য করেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। 

    বিডিও-র বিরুদ্ধে মামলা

    এদিন শুনানির সময় মামলাকারীদের উদ্দেশে বিচারপতি সিনহা বলেন, ‘পঞ্চায়েত নির্বাচন সংক্রান্ত মামলা গুলো আপনারা জনস্বার্থ মামলা হিসেবে দায়ের করছেন না কেন? বৃহত্তর পরিসরে এই ঘটনাগুলির সঙ্গে সরাসরি জনস্বার্থ জড়িয়ে রয়েছে। এইগুলো জনস্বার্থেরই বিষয়।’ বিরোধীদলের প্রার্থীরা ভোটে জিতলেও শাসকদলের প্রার্থীদের জয়ের শংসাপত্র দেওয়ার অভিযোগ ওঠে হাওড়ার সলপে। মামলাকারী প্রার্থীরা স্থানীয় বিডিও-র বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। বিচারপতি সিনহা এদিন বিডিও-র বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন। 

    ব্যালট পেপার ছিনতাই-মামলা

    অন্যদিকে, বালিতে গণনাকেন্দ্রের বাইরে ব্যালট পেপার পাওয়া যাওয়ার ঘটনায় আদালতে হাজিরা দিলেন জগাছার বিডিও। শুক্রবার বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে হাজিরা দিয়ে গণনাকেন্দ্রের সিসিটিভি ফুটেজ আদালতে পেশ করেন তিনি। আদালতের তরফে এই সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি বলেন, দেখতে হবে, কে বা কারা ব্যালট পেপার গণনাকেন্দ্রের বাইরে নিয়ে এল। এদিন আদালতে জগাছার বিডিও বলেন, বালির ওই গণনাকেন্দ্র থেকে ব্যালট পেপার ছিনতাই হয়েছে। সেকথা জানিয়ে পুলিশে এফআইআর করেছেন তিনি। কমিশনকেও ঘটনার কথা জানিয়েছেন। তবে কমিশন এব্যাপারে কী পদক্ষেপ করেছে তা তাঁর জানা নেই। ওদিকে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে রাজ্যে ৬৯৬টি বুথে পুনর্নির্বাচন হয়েছে। এছাড়া ৬০০০টি বেনিয়মের অভিযোগ কমিশনে জমা পড়েছে। সেগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোনও বেনিয়ম ধরা পড়লে পদক্ষেপ করবে কমিশন। এদিন আদালতে পেশ হওয়া সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। আগামী ২৫ জুলাই মামলাটির ফের শুনানি হবে।

    আরও পড়ুন: ভাঙড়ের পথে নওশাদকে আটকাল পুলিশ! গাড়িতেই বসে আইএসএফ বিধায়ক

    রামনগরেও বিতর্ক

    রামনগরের জেলা পরিষদে জয়ী ঘোষণা পরেও সার্টিফিকেট দেওয়া হয়নি বিজেপি প্রার্থীকে। জয়ের সার্টিফিকেট চেয়ে মামলা করেন তিনি। এদিন এই মামলার প্রেক্ষিতে বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে হাজিরা দিলেন সেখানকার বিডিও। সশরীরে এজলাসে হাজিরা দিলেন রামনগরের পঞ্চায়েতের রিটার্নিং অফিসার। রামনগর-২-এর বিডিও অখিল মণ্ডল জানান, ভোটের ফলাফল রেকর্ডিং এর সময় অদলবদল হয়। রামনগর ২ নং ব্লকের গণনা কেন্দ্রের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ হাইকোর্টে জমা রাখতে নির্দেশ দেন বিচারপতি সিনহা। বিডিও-এর কাছে হলফনামা তলব করেন তিনি। ২৫ জুলাই এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘ভোট-পরবর্তী হিংসায় ফের আক্রান্ত গ্রামবাংলা, এটাই কি গণতন্ত্র?’’ নিন্দা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘ভোট-পরবর্তী হিংসায় ফের আক্রান্ত গ্রামবাংলা, এটাই কি গণতন্ত্র?’’ নিন্দা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী অশান্তির আঁচ ক্রমেই বাড়ছে। চারিদিকে আক্রান্ত রাজনৈতিক কর্মীরা। বোমা, গুলি, আগুন, আক্রমণ চলছেই। হাওড়ার আমতা জয়পুরে দুই বিজেপির (BJP) প্রার্থীর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল এলাকায়। গভীর রাতে একের পর এক বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। এই পরিস্থিতিতে ট্যুইটে কড়া ভাষায় রাজ্য প্রশাসনকে আক্রমণ করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ট্যুইটে তিনি লিখলেন, ভোটে অংশ নেওয়ায় শাসকের অত্যাচার, এটাই কি গণতন্ত্র? 

    উত্তপ্ত আমতা

    বৃহস্পতিবার রাতে বিজেপির গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রার্থী সোমা রায় সহ ৬ বিজেপি কর্মীর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় এক বৃদ্ধা অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন বলেও সূত্রের খবর। বিজেপির দাবি, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী ছাড়া আর কেউ এ কাজ করতে পারে না। আমতা বিধানসভার অন্তর্গত আমড়াগোড়ি অঞ্চলের বিজেপির গ্রামসভার প্রার্থী সোমা রায়। বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটা নাগাদ দুষ্কৃতীরা তাঁর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। হাওড়া গ্রামীণের বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক দ্বিজেন অধিকারী জানিয়েছেন, অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় বৃদ্ধাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘পুলিশ ওদের দলদাস। মনোনয়ন থেকে দেখছি, পুলিশ ওদের কথা মতো চলছে। বিজেপি বারবার আক্রান্ত হওয়া সত্ত্বেও পুলিশ কিছু করছে না।’

    আরও পড়ুন: জেতার পরও মেলেনি সার্টিফিকেট, আলিপুরদুয়ারে সরব একাধিক বিজেপি প্রার্থী

    শুভেন্দুর ট্যুইট বার্তা

    এ প্রসঙ্গেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ( Suvendu Adhikari ) লেখেন, ‘ভোট-পরবর্তী হিংসায় ফের আক্রান্ত গ্রামবাংলা। হাজার হাজার বিরোধী দলের প্রার্থী, পার্টি কর্মী ও সমর্থক রাজ্য জুড়ে আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছেন। তাঁদের বাড়িতে হামলা করা হচ্ছে। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বা তাঁদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে গ্রাম থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় সাবাং ব্লকের বিজেপি জেলা পরিষদের প্রার্থী তাপসী দাস বর্মণের মাথার উপর কোনও ছাদ নেই এবং তিনি ও তাঁর পরিবার বর্ষায় আশ্রয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ঘর খুঁজছে। শতাধিক সেফ হাউস চালু করেছে রাজ্য বিজেপি। পঞ্চায়েত নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য  বিজেপি এবং অন্যান্য বিরোধী প্রার্থীদের তৃণমূলের গুন্ডারা  নির্যাতন করছে। এটাই কি গণতন্ত্র?’  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: আমতায় একের পর এক বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে ভাঙচুর, আগুন

    Howrah: আমতায় একের পর এক বিজেপি সমর্থকের বাড়িতে ভাঙচুর, আগুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট মিটে গেলেও এখনও পর্যন্ত জেলায় জেলায় অশান্তি থামেনি। বৃহস্পতিবারই উচ্চ আদালত নির্দেশ দিয়েছে, যে কোনও ধরনের অশান্তি ঘটলে কেন্দ্রীয় বাহিনী সরাসরি ঘটনাস্থলে পৌঁছে ব্যবস্থা নিতে পারে। কিন্তু তার পরেও পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন হয়নি। বৃহস্পতিবার আদালতের নির্দেশ দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরেই গভীর রাতে হাওড়ার (Howrah) আমতায় একের পর এক বিজেপি সমর্থকের বাড়ি ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটল। গণনার পর থেকেই আমতার ওই এলাকা উত্তপ্ত ছিল। বৃহস্পতিবার রাতে কয়েকটি বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনায় এলাকা আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠল। এমনকী শাসক দলের নেতারা হুমকি দিচ্ছে বলেও অভিযোগ বিরোধী দলের। বৃহস্পতিবার রাতে বিজেপির গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রার্থী সোমা রায় সহ ৬ বিজেপি কর্মীর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় এক বৃদ্ধা অগ্নিদগ্ধ হন। বিজেপির দাবি, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী ছাড়া আর কেউ এ কাজ করতে পারে না।

    ভয়াবহ সেই ঘটনার (Howrah) বিবরণ

    আমতা (Howrah) বিধানসভার অন্তর্গত আমড়াগোড়ি অঞ্চলের কাঁকরোল গ্রামে বিজেপির গ্রামসভার প্রার্থী সোমা রায়ের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটে নাগাদ দুষ্কৃতীরা তাঁর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। আতঙ্কে গ্রামছাড়া এলাকার একাধিক পরিবার। বিজেপির আরও অভিযোগ, ঘরগুলোতে বাইরে থেকে শিকল লাগিয়ে দেওয়া হয়। প্রতিবশীরাই তাদের দরজার শিকল খুলে ঘর থেকে বেরিয়ে আসতে সাহায্য করে। এই ঘটনায় কোনওক্রমে বাড়ির বাসিন্দারা বেরোতে পারলেও আগুনে পুড়ে মরেছে হাঁস, মুরগি সহ গবাদি পশু। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে জয়পুর থানার পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী জওয়ানরা। অভিযোগ, ভোটে বিজেপির হয়ে দাঁড়ানোর পর থেকেই হুমকি আসছিল। তৃণমূলের নেতারা বাড়িঘর জ্বালিয়ে দিয়ে এলাকা ছাড়া করার হুমকি দিয়ে আসছিল। কিন্তু তারা তৃণমূলের হুমকি উপেক্ষা করেই সেখানে বসবাস করছিলেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার রাতে তৃণমূল সত্যিই যে ঘরদোর জ্বালিয়ে দেবে, তাঁরা তা বুঝে উঠতে পারেননি।

    কী বলছে বিজেপি প্রার্থীর পরিবা (Howrah) ?

    ভূদেব রায় ও স্বপন রায় দুই ভাই। ভূদেবের স্ত্রী কল্পনা রায় ও স্বপনের স্ত্রী ঝুমা রায়। দুই জা বিজেপির হয়ে এবারে পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। অমরাগড়ি এলাকার ৪৩ ও ৩৭ নম্বর দুটি বুথ থেকে দুজনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। স্বপন রায় বলেন, স্থানীয় তৃণমূলের নেতারা আমাদের ভোটে দাঁড়াতে বারণ করেছিল। আমরা তাদের বারণ উপেক্ষা করে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করি। তারপর থেকেই আমাদের হুমকি দিয়ে আসছিল। কিন্তু সত্যিই যে তারা আমাদের ঘরে (Howrah) পেট্রোল ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে দেবে, তা আমরা বুঝতে পারিনি।

    তীব্র নিন্দা শুভেন্দু অধিকারীর

    হাওড়া গ্রামীণের বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক দ্বিজেন অধিকারী বলেন, পুলিশ ওদের দলদাস। মনোনয়ন থেকে দেখছি, পুলিশ ওদের কথা মতো চলছে। বিজেপি বারবার আক্রান্ত হওয়া সত্ত্বেও পুলিশ কিছু করছে না। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সোমা রায়ের বাড়ি (Howrah) কীভাবে পুড়েছে, সেই ছবি তিনি ট্যুইটারে পোস্ট করেছেন। তাঁর দাবি, গ্রামাঞ্চলে ভোট পরবর্তী হিংসার শিকার কয়েক হাজার বিরোধী দলের কর্মী। তাঁদের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে গ্রামছাড়া করা হচ্ছে বলেও দাবি করেছেন শুভেন্দু।

    কী বলছে তৃণমূল?

    যদিও তৃণমূল তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছে। আমতা কেন্দ্র তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সেলিমুল আলম জানান, যে জায়গায় ঘরগুলি আগুনে পুড়ে গেছে সেই জায়গা নিয়ে আইনি জটিলতা চলছিল। আইনি জটিলতা কাটাতে ইচ্ছে করে ঘরে আগুন লাগিয়ে দিয়ে তৃণমূলের নামে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Coal Scam: ছত্তিসগড় কয়লা-ব্লক বণ্টন দুর্নীতি মামলায় দোষী সাব্যস্ত প্রাক্তন সাংসদ, কয়লা সচিব

    Coal Scam: ছত্তিসগড় কয়লা-ব্লক বণ্টন দুর্নীতি মামলায় দোষী সাব্যস্ত প্রাক্তন সাংসদ, কয়লা সচিব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিসগড়ে কোল-ব্লক বিলি কেলেঙ্কারি (Coal Scam) মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলেন রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ বিজয় দারদা (Vijay Darda)। দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে প্রাক্তন কয়লা সচিব এইচসি গুপ্তাকেও। এছাড়াও আরও পাঁচজনকে বৃহস্পতিবার দোষী বলে ঘোষণা করে দিল্লির রাউস অ্যাভেনিউ আদালত। এই আদালতের স্পেশাল জাজ সঞ্জয় বনশাল রায় ঘোষণা করেন। এ নিয়ে কয়লা কেলেঙ্কারি মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা হল ১৩ জনকে। এদিন যাঁদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে, তাঁরা হলেন দেবেন্দর দারদা, আইএসএস অফিসার কেএস কোরফা এবং কেসি সামরিয়া। একটি বেসরকারি সংস্থার ডিরেক্টর মনোজ কুমার জয়সওয়ালও রয়েছেন। ষড়যন্ত্র, প্রতারণা এবং প্রিভেনশন অফ কোরাপশান অ্যাক্টে তাঁদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। অভিযুক্তদের এদিন দোষী সাব্যস্ত করা হলেও, সাজা ঘোষণা হয়নি। সাজা ঘোষণা হবে ১৮ জুলাই।

    কোলব্লক বণ্টন বেআইনি

    প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালেই নিলাম না করে সরকারের মর্জিমাফিক কয়লার ব্লক (Coal Scam) বণ্টনকে বেআইনি বলে ঘোষণা করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। সর্বোচ্চ আদালত জানিয়েছিল, ১৯৯৩ সাল থেকে শুরু করে ২০১০ পর্যন্ত কয়লার যত ব্লক বণ্টিত হয়েছে, সব অবৈধ। ২০১২ সালের ক্যাগ রিপোর্টে প্রথম প্রকাশ্যে আসে ১ লক্ষ ৮৬ হাজার কোটি টাকার এই কেলেঙ্কারির খবর।

    আরও পড়ুুন: ‘অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ’, প্রস্তাব পাশ মার্কিন সেনেটে

    সেখানে নানা অনিয়মের কথা বলা হয়। সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে শুরু হয় তদন্ত। তদন্তের রিপোর্ট সন্তোষজনক না হওয়ায় সিবিআইকে খাঁচার তোতা বলে ভর্ৎসনা করেছিল দেশের শীর্ষ আদালত। তার পরেও তদন্ত চালিয়ে যায় সিবিআই। তদন্তের শুনানির জন্য সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সিবিআই স্পেশ্যাল কোর্টও গঠন করে।

    প্রধানমন্ত্রীকে ভুল তথ্য

    এদিন আদালত সাফ জানায়, দোষী সাংসদ (Coal Scam) তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে ভুল তথ্য দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছিলেন। ওই সাংসদ তখন কোল পোর্ট ফোলিওর দায়িত্বে ছিলেন। এটা করা হয়েছিল ছত্তিসগড়ের একটি বেসরকারি সংস্থাকে ফতেপুরের ওই কোল-ব্লকটি পাইয়ে দিতে। ২০০৫ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০০৮ এর নভেম্বর পর্যন্ত গুপ্তা ছিলেন কয়লা সচিব। ইউপিএ সরকারের আমলে কোল-ব্লক বিলিতে তাঁর বিরুদ্ধে অনিয়মের ১২টি মামলা রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: জাঙ্গিপাড়ায় ব্যালট উদ্ধার-কাণ্ড, কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: জাঙ্গিপাড়ায় ব্যালট উদ্ধার-কাণ্ড, কমিশনকে তীব্র ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলির জাঙ্গিপাড়ায় রাস্তার নর্দমার পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া ব্যালট মামলায় রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে ভর্ৎসনা কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অমৃতা সিনহার। বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানি হয় বিচারপতি সিনহার এজলাসে। সেখানেই তিরস্কৃত হয় কমিশন। আদালতের পর্যবেক্ষণ, “পঞ্চায়েতে জিতলেই হাতে টাকা। আর সেই জন্যই এত দ্বন্দ্ব।” “রাস্তায় ব্যালট পড়ে থাকলে আর নির্বাচনের স্বচ্ছতা কোথায়?” প্রশ্ন বিচারপতি সিনহার। বৈধ ব্যালট পেপার গণনার আগে কীভাবে সেগুলো গণনা কেন্দ্রের বাইরে গেল ২০ জুলাইয়ের মধ্যে হলফনামায় তা জানানোর নির্দেশও দিয়েছে আদালত। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ২৫ জুলাই।

    জাঙ্গিপাড়ার বিডিওকে তলব

    বুধবার জাঙ্গিপাড়ায় একটি রাস্তার ধার থেকে উদ্ধার হয় শয়ে শয়ে বৈধ ব্যালট পেপার। ব্যালট পেপারগুলিতে সিপিএমের প্রতীকে ভোট দেওয়া ছিল। সেগুলি কুড়িয়ে নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন হুগলির বাম নেতারা। রাস্তায় ব্যালট পেপার পড়ে থাকার কারণ জানতে চেয়ে জাঙ্গিপাড়ার বিডিওকে তলব করেছিলেন বিচারপতি সিনহা। বৃহস্পতিবার বেলা ২টোয় আদালতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল তাঁকে। একই সঙ্গে তলব করা হয়েছিল পঞ্চায়েতের রিটার্নিং অফিসারকেও। ওই বুথের ভোটের দায়িত্বে যাঁরা ছিলেন, তাঁদেরও নামের তালিকা চেয়েছিলেন বিচারপতি। গণনা কেন্দ্রের সিসিটিভি ফুটেজ এবং ভিডিও ফুটেজও আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি।

    কমিশনের আইনজীবীকে তিরস্কার

    এদিন জাঙ্গিপাড়ার বিডিও আদালতে (Calcutta High Court) জানান, প্রিসাইডিং অফিসার জয়দেব দে-কে ব্যালটগুলি ইস্যু করা হয়েছিল। কিন্তু সই মিলছে না। পঞ্চায়েত রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব ছিল ভোটের দিন বিষয়টি খতিয়ে দেখার। কিন্তু তার পরে আর আমার কোনও দায়িত্ব নেই। এই বুথ থেকে সন্ত্রাসের কোনও খবর রিপোর্ট হয়নি। কমিশনের আইনজীবীকে তিরস্কার করেন বিচারপতি সিনহা। বলেন, “প্রিসাইডিং অফিসারকে একজন আইনজীবী হিসেবে নয়, একজন নাগরিক হিসেবে বলুন তো, কী চলছে এটা? কীসের জন্য এত গোলমাল, গন্ডগোল? আসলে এটা একটা কাজ। জয় পেলে টাকা ইনকাম করার রাস্তা খুলে যাবে। তাই এত লড়াই। মামলার পাহাড় জমছে আদালতগুলোতে। কতগুলো ইলেকশন পিটিশনের সমাধান হয়েছে, তথ্য ঘেঁটে বলুন তো। প্র্যাক্টিক্যাল অভিজ্ঞতা থেকে বলুন।”

    আরও পড়ুুন: প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রি বিতর্ক, কেজরিওয়াল, সঞ্জয় সিংহকে হাজিরার নির্দেশ গুজরাটের আদালতের

    এর পরেই আইনজীবী (Calcutta High Court) বলেন, “এখনও কিছু প্রমাণিত নয়। ইলেকশন পিটিশন করতে হবে। এই মামলা গ্রহণযোগ্য নয়।” প্রত্যুত্তরে বিচারপতি সিনহা বলেন, “ভোট গণনার সময় গোছা গোছা ব্যালট পেপার রাস্তায় পাওয়া গেল, এরপরও বলছেন কিছু প্রমাণিত নয়! এটা বাড়াবাড়ি না? আপনাদের বিডিও স্বীকার করছেন এগুলো আসল ব্যালট, তার পরেও কিছু প্রমাণিত নয় বলে বিষয়টা লঘু করার চেষ্টা করছেন!”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rajya Sabha Election: মনোনয়নপত্র পেশ অনন্তর, “দিনটি গর্বের”, বললেন শুভেন্দু, “ঐতিহাসিক মুহূর্ত”, মন্তব্য সুকান্তর

    Rajya Sabha Election: মনোনয়নপত্র পেশ অনন্তর, “দিনটি গর্বের”, বললেন শুভেন্দু, “ঐতিহাসিক মুহূর্ত”, মন্তব্য সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র জমা দিলেন বিজেপি (BJP) প্রার্থী অনন্ত মহারাজ। রাজ্যসভায় (Rajya Sabha Election) তাঁর নামে শিলমোহর দিয়েছিলেন অমিত শাহ স্বয়ং। তাঁর নাম নিয়ে সহমত হয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। বুধবারই অনন্তর মনোনয়ন সংক্রান্ত সব কাজ সেরে রেখেছিল বিজেপির পরিষদীয় দল।

    মনোনয়নে শুভেন্দু-সুকান্ত

    এদিন মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগে বিধায়কদের নিয়ে অনন্ত যান গান্ধী মূর্তির পাদদেশে। পরে দেন মনোনয়নপত্র জমা। উপস্থিত ছিলেন সুকান্ত, শুভেন্দু এবং নিশীথও। শুভেন্দু বলেন, “শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্য পশ্চিমবঙ্গ তৈরি হয়েছিল। সেই রাজ্য থেকে বিজেপি এই প্রথম কোনও রাজ্যসভার (Rajya Sabha Election) সাংসদ পাচ্ছে। তাই আমাদের বিজেপি কর্মীদের কাছে এই দিনটি গর্বের।” রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও বলেন, “ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এই প্রথম বাংলা থেকে আমাদের কোনও সাংসদ রাজ্যসভায় যাচ্ছেন। উত্তরবঙ্গের অনুন্নয়নের জন্য রাজ্যই দায়ী। এছাড়া বিভিন্ন ভাগের দাবি উঠেছে। মূল কারণ হল পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন কলকাতা কেন্দ্রিক। বৈমাতৃসুলভ আচরণ করছে রাজ্য। এই অনুন্নয়ন সরে গেলে আর বাংলা ভাগের দাবি উঠবে না।”  

    ডামি প্রার্থী

    এদিকে, এদিন বিজেপির তরফে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন ডামি প্রার্থী রথীন্দ্র বসু। তিনি বিজেপির রাজ্য সহ সভাপতি। অনন্তর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার পরেই মনোনয়নপত্র জমা দেন উত্তরবঙ্গের ভূমিপুত্র রথীন্দ্র। বিজেপি সূত্রে খবর, ১৮ জুলাই মনোনয়নপত্র (Rajya Sabha Election) প্রত্যাহারের শেষ দিন। সেদিন মনোনয়নপত্র তুলে নেবেন রথীন্দ্র। এদিন তৃণমূলকেও নিশানা করেছেন সুকান্ত। বলেন, “আমরা গণতান্ত্রিকভাবে লড়াই করছি। ভোটে একটা দল জিতবে, একটা হারবে, সেটা স্বাভাবিক। ২০১১ সালে তৃণমূলের কী ছিল? আমাদের ভোট তার কাছাকাছি। সাঁকরাইলের বিধায়ক ভোট লুঠ করেছেন। চোর বিধায়ক। টাকা লুঠ করেছিলেন। পঞ্চায়েতের টাকা চুরি করতে চেয়েছিলেন।”

    আরও পড়ুুন: “আক্রান্তদের অপরাধ, তাঁরা মোদিকে ভালবাসেন”, ‘শান্তিকক্ষ’ থেকে বেরিয়ে বললেন রবিশঙ্কর

    বিরোধীদের নিশানা করে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, “কেন্দ্রের দিকে নজর রাখুন। ২০২৪-এ কী হয় দেখুন। ২৪ এর পর বাঘে-গরুতে এক ঘাটে জল খাবে। ২৬-এর রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল, সিপিএম, কংগ্রেস একজোট হয়ে লড়াই করলেও, অবাক হব না।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Panchayat Election 2023: ‘টাকা নয়, মানুষ বিচার চায়’, মমতার ক্ষতিপূরণের ঘোষণাকে কটাক্ষ দিলীপের

    Panchayat Election 2023: ‘টাকা নয়, মানুষ বিচার চায়’, মমতার ক্ষতিপূরণের ঘোষণাকে কটাক্ষ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রয়োজন কেন পড়বে? কেন রাজনৈতিক হিংসার বলি হতে হবে মানুষকে? প্রশ্ন তুললেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বুধবারই ভোটের (Panchayat Election 2023) হিংসায় মৃতদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ ও পরিবারের একজন সদস্যকে হোমগার্ডের চাকরি দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণাকে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ বলেন, “স্বজন হারিয়ে কেউ টাকা চায় না, সবাই জীবনের সুরক্ষা চায়। জাস্টিস চায়।”

    মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ 

    বৃহস্পতিবার সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে  রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, “উনি সব দেখতে পান না, শুনতে পান না। যতটা দৃষ্টি বা বোঝার ক্ষমতা, ততটাই বলছেন। বাস্তব যেটা, যেটা মিডিয়া তুলে ধরছে। সেটা তো অস্বীকার করা যাবে না। এখনও পর্যন্ত অসমর্থিত ভাবে মৃত ৪৭, মুখ্যমন্ত্রী বলছেন ১৯। উনি কাল বলেছেন, আমার কি দোষ? ৪৭ জন মরে যাওয়ার পরেও যদি দোষ দেখতে না পান, বা অনুভব করতে না পারেন তাঁর কী ত্রুটি, তাহলে তো আমরা ভগবান ভরসায় বেঁচে আছি। এমন লোককে দায়িত্ব দিয়েছি যার চোখ নেই, কান নেই, কিছু বুঝতেও পারেন না। নিজের দোষ ছাড়া আর সব দেখতে পান। এরকম লোকের কাছে আর কিছু আশা করা যায় না।”

    আরও পড়ুুন: রাজভবনে জমা সব হিংসার অভিযোগ পাঠাতে হবে হাইকোর্টে, নির্দেশ রাজ্যপালের

    গণনায় কারচুপি

    গণনার দিন যে বিপুল কারচুপি হয়েছে, সেই অভিযোগও তুলেছেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর অভিযোগ গণনার দিন ফোন নামিয়ে রেখেছিলেন বিডিও-রা। জেলাশাসকের কাছে অভিযোগ জানাতে গেলে তাঁরা দাবি করেছেন, বিডিও যা বলার বলে দিয়েছে। রাজভবনের পিস রুমে ভোট সংক্রান্ত ৭৫০০ অভিযোগ জমা পড়েছে বলে সূত্রের খবর, যা আদালতে পেশ করা হবে। দিলীপ ঘোষের দাবি, এমন হাজার হাজার অভিযোগ জমা পড়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে। কোনও সুরাহা হয়নি। ভাঙড়ের অশান্তি নিয়েও মুখ খোলেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকা সত্বেও ভাঙড়ে অশান্তি হয়েছে। বাহিনীর যিনি প্রমুখ, তিনি আগেই বলেছেন, তাঁর কাছে স্পর্শকাতর বুথের লিস্ট ছিল না। কোথাও যেতেও বলা হয়নি। ওনারা নিজে থেকে কিছু জায়গায় গেছেন। “

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Elections 2023: “আক্রান্তদের অপরাধ, তাঁরা মোদিকে ভালবাসেন”, ‘শান্তিকক্ষ’ থেকে বেরিয়ে বললেন রবিশঙ্কর

    Panchayat Elections 2023: “আক্রান্তদের অপরাধ, তাঁরা মোদিকে ভালবাসেন”, ‘শান্তিকক্ষ’ থেকে বেরিয়ে বললেন রবিশঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনকে (Panchayat Elections 2023) ঘিরে যাতে অশান্তি না হয়, সেজন্য রাজভবনে ‘শান্তিকক্ষ’ খুলেছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Anand Bose)। বৃহস্পতিবার সকালে রাজভবনে পৌঁছলেন বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির সদস্যরা। এদিন রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে যান বিএসএফের স্পেশাল ডিজি পর্যায়ের এক আধিকারিকও।

    রাজভবনে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম

    রাজ্যে নির্বাচনোত্তর হিংসা খতিয়ে দেখতে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম গঠন করেছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। বুধবার ওই দলের সদস্যরা পৌঁছান এ রাজ্যে। সেদিন ঘুরে দেখেন উত্তর ২৪ পরগনা। বৃহস্পতিবার যান রাজভবনে। ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ। এদিন রাজভবন থেকে বেরিয়ে তিনি বলেন (Panchayat Elections 2023), আমরা বুধবার সন্ত্রাসের শিকার কয়েকটি পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছি। আশ্চর্য হয়ে দেখেছি, ১২-১৩ বছরের শিশুও হামলার শিকার হয়েছে। মিনাখাঁর রাজমিস্ত্রি শান্তনু পাত্রের বাড়িতে গিয়েছিলাম। তামিলনাড়ুতে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করা শান্তনু তাঁর বাড়িতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ছবি লাগিয়েছিলেন। সেই অপরাধে তাঁর বাড়ি তছনছ করা হয়েছে।

    দুর্ভাগ্যের বিষয়

    প্রাক্তন আইনমন্ত্রী বলেন, রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে আবেদন করেছি, সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পত্তির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া, যেখানে হামলা হয়েছে, সেখানে পুলিশের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হোক। প্রয়োজন মনে হলে আপনি সেই সব জায়গা পরিদর্শন করুন। কোথাও তো বিচার হওয়া উচিত। মমতার রাজ্যে সুবিচারের আবেদন জানানোর সুযোগও শেষ হয়ে গিয়েছে।

    পুলিশ আক্রান্তদের সুবিচার দিতে চায় না, প্রশাসন শোনে না। এরা সবাই ওঁর সরকারের অপরাধমূলক আচরণের শামিল হয়ে হয়ে পড়েছে। এটা খুবই দুর্ভাগ্যের।

    আরও পড়ুুন: রাজভবনে জমা সব হিংসার অভিযোগ পাঠাতে হবে হাইকোর্টে, নির্দেশ রাজ্যপালের

    রবিশঙ্কর (Panchayat Elections 2023) বলেন, যেখানে তৃণমূলের সঙ্গে তৃণমূলের সংঘর্ষ চলছে, সেখানেও পুলিশ পদক্ষেপ করছে না। আমরা এটা রাজ্যপালকে জানিয়েছি। রাজ্যপাল কী করবেন, সেটা আমি বলতে পারব না। কিন্তু আমরা এখানকার মানুষের যন্ত্রণার কথা তুলে ধরেছি। তিনি বলেন, আমরা ভোট-হিংসার যন্ত্রণাদায়ক ছবি দেখেছি। যাঁদের ওপর হামলা হয়েছে, তাঁদের বাড়িতে গিয়েছি। আক্রান্তদের একটাই অপরাধ, তাঁরা নরেন্দ্র মোদিকে ভালবাসেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Tmc: ব্যালট খেয়ে নিয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী! সেই বুথেও ফের ভোটের নির্দেশ

    Tmc: ব্যালট খেয়ে নিয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী! সেই বুথেও ফের ভোটের নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোছা গোছা ব্যালট পেপার ছিঁড়ে, মুখে পুরে দিয়ে রাতারাতি খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিলেন তৃণমূলের (Tmc) এক প্রার্থী। দিনভর আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন তিনিই। ভোটে জিততে যে কত রকমের ছলাকলার আশ্রয় নেওয়া যায়, তা দেখিয়ে দিয়েছিলেন তৃণমূলের ওই প্রার্থী। কিন্তু সেদিন যেমন শেষ রক্ষা হয়নি, ফলাফল ঘোষণার পরও তা হল না। ওই কেন্দ্রে ফের ভোট করানোর নির্দেশ দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার কমিশন মোট ২০টি বুথে পুনরায় নির্বাচন করার নির্দেশ দিয়েছে। তার মধ্যে সব চেয়ে বেশি বুথ রয়েছে হাওড়া জেলার সাঁকরাইলে, ১৫ টি। এরপরই স্থান উত্তর ২৪ পরগনার। সেখানে পুনরায় ভোট হবে ৪ টি বুথে। এছাড়া ভোট হবে সিঙ্গুরের একটি বুথে।

    কী হয়েছিল সেদিন?

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) সিপিআইএম প্রার্থীকে হারাতেই ব্যালট পেপার চিবিয়ে খেয়ে নিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের (Tmc) ওই প্রার্থী। ঘটনাটি উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া ২ নম্বর ব্লকের অশোকনগর সেক্রেটারি বয়েজ হাই স্কুলের। জানা গিয়েছে, গণনার শেষে ৪ ভোটে জয়ী হন সিপিআইএম প্রার্থী রবীন্দ্রনাথ মজুমদার। অভিযোগ, এরপর গণনা কেন্দ্রে ঢুকে যান তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মহাদেব মাটি। তারপর তিনি সিপিএম প্রার্থীর ৪টি ব্যালট ছিঁড়ে খেয়ে নেন এবং বাকি ব্যালট ছড়িয়ে দিয়ে পালিয়ে যান। এর পর প্রায় ১৫ মিনিট বন্ধ ছিল ওই কেন্দ্রের গণনা।

    সিপিএম প্রার্থী রবীন্দ্রনাথ মজুমদার জানিয়েছিলেন, ৪ ভোটে জেতার পর জয় নিশ্চিত করার আগে ফের গণনা হওয়ার কথা ছিল। এমনটা তাঁকে জানানোও হয়েছিল। তখন সেখানে এসে পৌঁছন তৃণমূল প্রার্থী। এজেন্টের সঙ্গে কথা বলার পর সোজা ব্যালটের দিকে এগিয়ে গিয়ে ২৫ টা ব্যালটের তোড়া হাতে তুলে নিয়ে তা ছিঁড়ে অর্ধেক মুখে পুরে খেয়ে নেন তৃণমূল প্রার্থী (Tmc)। আর বাকিটা ছড়িয়ে ছিটিয়ে ফেলে দেন।

    কোন ২০ টি বুথে ফের ভোট?

    কমিশন যে নির্দেশ দিয়েছে, তাতে মোট ওই ২০টি বুথে ভোট বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। এগুলি হল সাঁকরাইলের মানিকপুর ২৪৭ থেকে ২৫৪ নম্বর পর্যন্ত মোট ন’টি বুথ, সারেঙ্গার ২৬৭, ২৬৮ (দু’টি), ২৭১ (দু’টি) এবং ২৭৭ নম্বর বুথ। সিঙ্গুরের বেরাবেরির ১৩ নম্বর বুথ এবং হাবড়া ২-এর ভুরকুণ্ডার ১৮ নম্বর বুথ (দু’টি), ৩১ নম্বর বুথ এবং গুমা পঞ্চায়েত কেন্দ্রের ১২০ নম্বর বুথ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: ভোটে জেতার পর দত্তপুকুরে পরাজিত তিন বিজেপি প্রার্থীর বাড়িতে হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: ভোটে জেতার পর দত্তপুকুরে পরাজিত তিন বিজেপি প্রার্থীর বাড়িতে হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট শেষ হলেও হিংসা থামার কোনও লক্ষ্মণই নেই। ভোট পরবর্তী অশান্তি যেন বেড়েই চলেছে। রাতের অন্ধকারে এবার গ্রাম পঞ্চায়েতে পরাজিত বিজেপির (BJP) তিন প্রার্থীর বাড়িতে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভাঙচুর,বাড়ি লক্ষ্য করে মদের বোতল ছোঁড়া কিছুই বাদ যায়নি। ঘটনার জেরে বৃহস্পতিবার ব‍্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরের পশ্চিম খিলকাপুর পঞ্চায়েত এলাকায়। অভিযোগ,ঘটনায় সময় রাস্তার আলো নিভিয়ে অন্ধকার করে তারপর ওই তিন বিজেপি প্রার্থীর বাড়িতে তাণ্ডব চালায় তৃণমূল দুষ্কৃতীরা। ঘটনার পর থেকে আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন পঞ্চায়েতের তিন বিজেপি প্রার্থী নৃপেন ধর, অনিমা মণ্ডল, নিতীশ মণ্ডল এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরা।

    কী বললেন আক্রান্ত বিজেপি (BJP) প্রার্থী?

    বিজেপি (BJP) প্রার্থী নৃপেন ধর বলেন, “যেদিন নির্বাচন সংগঠিত হয়, সেদিন কিছু লোকজন ফোন করে জানান, গণনার দিন বাড়িতে না থাকতে। তখন বলি, গণনার দিন কোথায় যাব? যা-ই হোক বাড়িতে থাকব। সেই মোতাবেক পুলিশকে জানাই, হুমকি আসছে, আমাদের বাড়িতে অসুবিধা হতে পারে। পুলিশ বলে, দেখছি যাতে সমস্যা না হয়। তৃণমূলের যারা নেতা রয়েছে, তাঁদের সঙ্গে কথা বলছি। যেদিন ভোট গণনা হয়েছে, সেদিন কিছু হয়নি। বুধবার রাতে ওদের একটা বিজয় মিছিল গিয়েছে। মিছিল চলাকালীন আমাদের বাড়িতে আবির ছোড়া হয়। আমরা বিষয়টা মেনে নিই। বুধবার ২টো ৪০ মিনিট নাগাদ যখন ঘুমিয়েছিলাম বাচ্চাটাকে নিয়ে, সেই সময় দুমদাম আওয়াজ হচ্ছিল। পরিবার নিয়ে ঘরের এক কোণে বসেছিলাম। ওরা তাণ্ডব চালিয়েছে ঘরে। কাচ ভেঙেছে। বাচ্চার গায়ে লেগেছে। আমার পায়ে লেগেছে।” এই ঘটনার পর দত্তপুকুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূল নেতা তথা পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য গোপাল রায় যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ঘটনার পিছনে বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রয়েছে। তৃণমূলের নামে বিজেপি (BJP) মিথ্যা অভিযোগ করছে। পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share