Giant Panda Fossil: চিন থেকে উদ্ধার ৬০ লক্ষ বছরের পুরনো জায়েন্ট পান্ডার জীবাশ্ম

602d9ac5-f939-4cde-97ba-55b2e2bb3de9_cx0_cy5_cw0_w1200_r1

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডাইনোসরের জীবাশ্মের খোঁজ, এসব এখন অতীত। সম্প্রতি ৬ মিলিয়ন অর্থাৎ ৬০ লক্ষ বছর পুরনো জায়েন্ট পান্ডার (Giant Panda) জীবাশ্ম উদ্ধার করা হয়েছে চিন (China) থেকে। আর এই নিয়েই আবারও চর্চা শুরু হয়েছে। কিছুদিন আগেই পান্ডার উৎপত্তি কোথা থেকে হয়েছে এই নিয়ে অনেক আলোচনা চলছিল। জানা গিয়েছিল, জায়েন্ট পান্ডার হদিশ নাকি চিন থেকেই পাওয়া যায়। কিন্তু এবারে এত বছরের পুরনো বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া পান্ডার জীবাশ্ম উদ্ধার করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে সাধারণ মানুষের।

ওই দুই মহিলার মধ্যে একজন অস্ট্রিয়ান ও অন্যজন রোমানিয়ান ছিলেন।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, যে প্রজাতির পান্ডার হাড়ের জীবাশ্ম উদ্ধার করা হয়েছে তার নাম Ailurarctos। জীবাশ্মটি চিনের ইউনানের (Yunnan) জাওটং (Zhaotong) শহরের থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এটি ৬০ লক্ষ বছরের পুরনো জীবাশ্ম ও এই প্রজন্মের পান্ডাদের থেকেই বর্তমান প্রজন্মের পান্ডারা এসেছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এই হাড়গুলো থেকে বর্তমান প্রজন্মের পান্ডাদের হাড়ের পরিবর্তনের কথা জানতে পারবেন বিজ্ঞানীরা। ‘ফলস থাম্প’ নামক হাড়ের গঠনে কী কী পরিবর্তন এসেছে এই নিয়ে বিস্তারিত জানতে এই জীবাশ্ম অনেক সাহায্য করে থাকবে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এই ফলস থাম্পের সাহায্যেই পান্ডারা হাতে কোনও খাবার বা বাঁশ নিয়ে খেতে পারে। বর্তমান প্রজন্মের পান্ডাদের ফলস থাম্পের সঙ্গে এর মিলও খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। শুধুমাত্র এটি আকারে বড় ধরণের ছিল ও এতে হুক নেই যা বর্তমান প্রজন্মের পান্ডাদের আছে।

আরও পড়ুন: অদ্ভুত কাণ্ড! ৫ লাখ টাকার গয়না চুরি করল ইঁদুর!

এর আগে ২০১০ সালে প্রথম Ailurarctos প্রজাতির পান্ডার হাতের হাড় পাওয়া গিয়েছিল ও ২০১৫ সালে দাঁত ও ফলস থাম্প উদ্ধার করেছিল বিশেষজ্ঞরা। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই জীবাশ্মের সাহায্যেই বিজ্ঞানীরা জানতে পেরেছেন যে,  Ailurarctos প্রজাতির পান্ডার ফলস থাম্পের থেকে বর্তমান প্রজন্মের পান্ডাদের ফলস থাম্পের গঠন বেশি ভালো। এদের থাম্পে হুক থাকায় কোনও জিনিসকে বা কোনও খাবারকে এরা ভালোভাবে ধরতে পারে। ফলে এই জীবাশ্মের সন্ধান পাওয়ার পরে বিজ্ঞানীরা জায়েন্ট পান্ডাদের সম্পর্কে বিভিন্ন অজানা তথ্য জানতে পারেন ও এখনকার পান্ডাদের সঙ্গে আগের প্রজন্মের পান্ডাদের কী কী মিল ও অমিল রয়েছে তাও জানতে পারেন। বিজ্ঞানীরা এই জীবাশ্ম নিয়ে এখনও গবেষণা করে চলেছে, তাই ভবিষ্যতে আর কী কী নতুন তথ্য পাওয়া যেতে পারে এটিই এখন দেখার।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share