Angkrish Raghuvanshi: ‘গিলের সঙ্গে বহু মিল’! নাইটদের তরুণ তুর্কি অংকৃষে মজে নেটিজেনরা

PTI03_18_2024_000191A_(1)

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’জনেই অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের মঞ্চ থেকে উঠে এসেছেন। দুজনেরই আইপিএলে হাতেখড়ি কেকেআর-এর হয়ে। তাঁরা হলেন ভারতীয় ক্রিকেটে তারকা ব্যাটার শুভমন গিল ও চলতি আইপি এলে দিল্লি ম্যাচে অর্ধশতরানকারী নাইট তারকা অংকৃষ রঘুবংশী (Angkrish Raghuvanshi)। দু’জনের খেলার ধরনও অনেকটা একইরকম। আইপিএল ২০২৪-এর সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হলেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের রঘুবংশী। 

গিলের সঙ্গে মিল

২০১৮ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়েছিলেন গিল। ভারতের হয়ে সর্বাধিক রান করেছিলেন। ছ’টি ম্যাচে (পাঁচটি ইনিংস) করেছিলেন ৩৭২ রান। অন্যদিকে, ২০২২ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেছিলেন অংকৃষ। সার্বিকভাবে বিশ্বকাপের চতুর্থ সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন। ছ’টি ম্যাচে করেছিলেন ২৭৮ রান।অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের পরে আইপিএল নিলামে তাঁদের দলে নিয়েছে কেকেআর। ২০১৮ সালের আইপিএলে গিলকে ১.৮ কোটি টাকায় নিয়েছিল নাইট ব্রিগেড। আর ২০২৪ সালের আইপিএলের মিনি নিলামে অংকৃষকে ২০ লাখ টাকায় পেয়ে গিয়েছেন গৌতম। অংকৃষের (Angkrish Raghuvanshi) মধ্যে গিলের ছায়া দেখতে পাচ্ছেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক মাইকেল ভন। তিনি বলেন, ‘দেখে দারুণ তরুণ খেলোয়াড় মনে হচ্ছে। লম্বা, স্টাইলিশ (খেলোয়াড়)। অনেকটা শুভমন গিলের মতো।’

কে এই অংকৃষ

চলতি আইপিএলে সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার। ৫ জুন ২০০৫-এ দিল্লিতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ১০ বছর বয়সে দিল্লি থেকে মুম্বই আসার পর অভিষেক নায়ার তাঁকে মুম্বইতে প্রশিক্ষণ দেন। মুম্বইতে অভিষেক নায়ারের বাড়িতে থাকার সময়ই রঘুবংশী (Angkrish Raghuvanshi) তার ক্রিকেট প্রশিক্ষণ নেন।

রঘুবংশীর বাবা-মাও খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত। অংকৃষ রঘুবংশীর মা মালেকা ভারতীয় দলের হয়ে বাস্কেটবল খেলেছেন এবং বাবা অবনীশ রঘুবংশী টেনিসে ভারতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। অংকৃষ রঘুবংশীর ছোট ভাইও টেনিস খেলায় আগ্রহী। তার পুরো পরিবার মূলত দিল্লির বাসিন্দা। বুধবার দিল্লির বিপক্ষে ম্যাচে ২৭ বলে ৫৪ রান করেন অংকৃষ। পাঁচটি চার মারেন। হাঁকান তিনটি ছক্কা। স্ট্রাইক রেট ছিল ২০০। অভিষেকেই দুরন্ত ইনিংসের পর অংকৃষ বলেন, ‘আমি যখন ব্যাট করতে নেমেছিলাম, আমি শুধুমাত্র বলটা দেখছিলাম, সেটাই মূল বিষয় ছিল। আমি যেরকম অনুশীলন করেছি, তাতে নিজের উপর আস্থা রেখেছিলাম।’

 

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share