Maharashtra Crisis: সুপ্রিম কোর্টে শিন্ডে-গোষ্ঠী! বিধায়ক পদ খারিজের বিরুদ্ধে আদালতে একনাথরা

eknath

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিবসেনার (Shiv Sena) অন্দরে বিদ্রোহের আঁচ পৌঁছল দেশের শীর্ষ আদালত পর্যন্ত। বিদ্রোহী নেতা একনাথ শিন্ডে-সহ ১৬ জনের বিধায়ক পদ বাতিল করেছে উদ্ধব গোষ্ঠী। বিধায়ক পদ খারিজের নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হন শিন্ডে (Eknath Shinde)। একনাথ শিবিরের তরফে দুজন প্রতিনিধি সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছেন। আজই সেই মামলার শুনানি হবে। 

সূত্রের খবর, মূলত তিনটি পয়েন্ট এই আবেদনে তুলে ধরা হয়েছে – প্রথমত বিধানসভার দলনেতা হিসাবে অজয় চৌধুরীকে মনোনীত করার বিষয়টিকে চ্য়ালেঞ্জ জানিয়েছে একনাথ শিন্ডের শিবির। দ্বিতীয়ত একনাথ শিবিরের পক্ষ থেকে আদালতে আবেদন জানানো হয়েছে তাদেরকে বরখাস্ত করার পদক্ষেপ যেন ডেপুটি স্পিকার না নেন। পাশাপাশি একনাথ শিবিরে থাকা বিধায়কদের বরখাস্ত করার ব্যাপারে যে নোটিশ জারি করা হয়েছে সেটিকেও চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে শিন্ডেরা। একনাথদের হয়ে আদালতে লড়ছেন আইনজীবী হরিশ সালভে। মহারাষ্ট্র সরকারের হয়ে লড়ার কথা আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙভির। বিচারপতি সূর্যকান্ত ও জে বি পাটিয়ালার ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি শুরু হয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে উদ্ধব সরকার, পিটিশনে দাবি করেছেন বিদ্রোহীরা। শিন্ডে দাবি করেছেন, তাঁকে সমর্থন করছেন ৫০ জন বিধায়ক। যাঁর মধ্যে ৪০ জন শিবসেনার। তিনি নিজের প্রাণ সংশয়ের কথাও আদালতে জানান। এই আবহে বিদ্রোহী ১৬ জনকে ওয়াই প্লাস নিরাপত্তা দিয়েছে কেন্দ্র সরকার।

আরও পড়ুন: বালাসাহেব কার? গৃহযুদ্ধ শিবসেনায়

সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে কী হয়, তার উপর নির্ভর করছে মহারাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ। সোমবার সকালে বিদ্রোহীদের সঙ্গে বৈঠক করেন শিন্ডে। বিদ্রোহী সেনা বিধায়ক একনাথ মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা (এমএনএস) প্রধান রাজ ঠাকরের সঙ্গেও কথা বলেছেন। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করার জন্য দুপুর দুটোর সময় শিন্ডে তাঁর সমর্থক বিধায়কদের সঙ্গে গুয়াহাটির হোটেলে আরও একটি বৈঠক ডেকেছেন। আলোচনা চালাচ্ছে উদ্ধব-বাহিনীও।  সূত্রের খবর, বিদ্রোহীদের সঙ্গে মেসেজে যোগাযোগ রাখছেন উদ্ধবও।

বিদ্রোহী-বিধায়কেরা নিজেদের দায়িত্ব পালন করেননি বলে শিবসেনার তরফে এদিন মুম্বই হাইকোর্টে অভিযোগ দায়ের করা হয়। বলা হয়, জনগনের স্বার্থে কর্তব্য পালনে ব্যর্থ শিন্ডে গোষ্ঠী। দলের মুখপাত্র সঞ্জয় রাউত আজ বলেন, ‘যারা ৪০ বছর একটি পার্টিতে থাকে এবং তারপর পালিয়ে যায়, তাদের আত্মা মারা গিয়েছে। তাদের মধ্যে কিছুই অবশিষ্ট নেই। এই লাইনগুলি ডাঃ রাম মনোহর লোহিয়া বলেছেন। আমি বলিনি। কারো অনুভূতিতে আঘাত করতে চাই না, আমি শুধু সত্য বলেছি।’ প্রসঙ্গত, একদিন আগেই সঞ্জয় গুয়াহাটিতে বিদ্রোহী দলের বিধায়কদের ‘জীবন্ত মৃতদেহ’ বলে অভিহিত করেছিলেন।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share