Noida Twin Towers: মাত্র ৯ সেকেন্ডেই ধূলিসাৎ নয়ডার সেই টুইন টাওয়ার!

twin_tower

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাটিতে মিশে যেতে সময় লাগল মাত্র ৯ সেকেন্ড। সেই সময়ের মধ্যেই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল নয়ডার (Noida) টুুইন টাওয়ার (Twin Towers)। মুহূর্তে ধুলোয় ঢাকল এলাকা। জোড়া এই টাওয়ার তৈরি করেছিল সুপারটেক লিমিটেড (Supertech Ltd.)। এদিন বেলা আড়াইটে নাগাদ বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। তার পরেই কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় টুইন টাওয়ার।

নয়ডার সেক্টর ৯৩এ-তে সুপারটেক তৈরি করেছিল ওই জোড়া টাওয়ার। নাম দেওয়া হয়েছিল অ্যাপেক্স (Apex) ও সিয়ানে (Ceyane)। অ্যাপেক্সে ছিল ৩২টি ফ্লোর, আর সিয়ানে ছিল ২৯টি। দেশের উচ্চতম বহুতল এই জোড়া টাওয়ার। দুটি টাওয়ারে ছিল ৯১৫টি ফ্ল্যাট, ২১টি দোকান এবং দুটি বেসমেন্ট। জোড়া এই বহুতল দিল্লির কুতুব মিনারের চেয়েও উঁচু ছিল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে এদিন ভেঙে ফেলা হয় ওই জোড়া টাওয়ার। এদিন সকাল থেকেই এলাকায় ছিল সাজ সাজ রব। দুপুর ২ টো ১৫ মিনিট থেকে ২ টো ৪৫ পর্যন্ত বন্ধ করে দেওয়া হয় নয়ডা-গ্রেটার নয়দা এক্সপ্রেসওয়ে। টাওয়ারের চারপাশে মোতায়েন করা হয় ৫০০ পুলিশ কর্মী। তার ঢের আগেই এলাকাটিকে ঘোষণা করা হয় নো-ফ্লাই জোন। সরিয়ে দেওয়া হয় টুইন টাওয়ার লাগোয়া দুটি বহুতলের হাজার পাঁচেক বাসিন্দাকে। সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় পথকুকুরদের। ঘড়ির কাঁটা ২.৩০ ছুঁতেই ঘটানো হয় বিস্ফোরণ। ৯ সেকেন্ডেই ধূলিসাৎ হয়ে যায় জোড়া টাওয়ার।

নির্মাতা সংস্থা সুপারটেকের তরফে জানানো হয়, নয়ডা ডেভেলপমেন্ট অথরিটি প্ল্যান অনুমোদন করার পরে প্ল্যান মেনেই তৈরি করা হয়েছিল টুইন টাওয়ার। সুপার টেকের চেয়ারম্যান আরকে অরোরা বলেন, টাওয়ার তৈরিতে কোনও বিচ্যুতি ঘটেনি। দেশের শীর্ষ আদালতের রায়কে সম্মান জানাতেই ভেঙে ফেলা হল টুইন টাওয়ার। টাওয়ার ভাঙার কাজ করছিল মুম্বইয়ের ইডিফিস ইঞ্জিনিয়ারিং। কন্ট্রোলড ইমপ্লোশান পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে মাটিতে মিশিয়ে দেওয়া হয় দেশের সর্ব্বোচ্চ ওই টাওয়ারকে। এলাকায় ক্ষতি যাতে কম হয়, তাই কাজে লাগানো হয় এই পদ্ধতি।

আরও পড়ুন : চোখের পলকে ধূলিসাৎ! ১০০ মিটার উচ্চতার ‘সুপারটেক টুইন টাওয়ার’ ভেঙে ফেলার প্রস্তুতি তুঙ্গে

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share