Blog

  • Astra Mark 1: ভারতীয় বায়ুসেনার সুখোই-৩০, তেজস যুদ্ধবিমানে বসতে চলেছে নতুন ‘অস্ত্র’

    Astra Mark 1: ভারতীয় বায়ুসেনার সুখোই-৩০, তেজস যুদ্ধবিমানে বসতে চলেছে নতুন ‘অস্ত্র’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুখোই-৩০ ও এলসিএ তেজস যুদ্ধবিমানে বসানোর জন্য ভারত ডায়নামিকস লিমিটেডকে এয়ার-টু-এয়ার ‘অস্ত্র মার্ক-১’ (Astra Mark 1) ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির ছাড়পত্র দিল ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF)। দেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র ভান্ডার বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে এই মিসাইল তৈরি করেছে প্রতিরক্ষা গবেষণা এবং উন্নয়ন সংস্থা ডিআরডিও। এটি একটি আকাশ-থেকে-আকাশ বিভিআর মিসাইল। জানা গিয়েছে, এই মিসাইলের রেঞ্জ ১০০ কিলোমিটার। অস্ত্র মার্ক-২ বর্তমানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর্যায়ে রয়েছে। এর রেঞ্জ হতে চলেছে ৩০০ কিলোমিটার।

    ২৯০০ কোটি টাকার বেশি প্রকল্পের অনুমোদন (Astra Mark 1)

    ভারতীয় বায়ুসেনার (IAF) তরফে জানানো হয়েছে, এয়ার মার্শাল আশুতোষ দীক্ষিত হায়দরাবাদ সফরের সময় বিডিএলকে উৎপাদনের ছাড়পত্র প্রদান করেছিলেন। তিনি ডিআরডিও-র পরীক্ষাগার পরিদর্শন করেছিলেন, যেখানে (Astra Mark 1) এই মিসাইল তৈরি হয়েছিল। প্রতিরক্ষা সূত্রের খবর, ২০২২-২৩ সালে ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল বা প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয় পরিষদ ২৯০০ কোটি টাকার বেশি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছিল। সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে উৎপাদন সংক্রান্ত ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল। এই মিসাইল সুখোই-৩০ এবং এলসিএ তেজস বিমানে ব্যবহার করা হবে।

    ক্ষেপণাস্ত্রের জন্য দেশীয় প্রকল্পে সাহায্য বায়ুসেনার (IAF)

    প্রসঙ্গত, অস্ত্র মার্ক-১ (Astra Mark 1) ছাড়াও আকাশ থেকে ভূমি নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র সহ তিন থেকে চারটি বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। এছাড়াও বায়ুসেনা (IAF) তরঙ্গ শক্তি মহড়া শুরু করেছে। প্রথম ধাপে ৬ থেকে ১৪ অগাস্ট এবং দ্বিতীয় ধাপে ২৯ অগাস্ট থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই মহড়া চলবে।

    আরও পড়ুন: হাসিনার জন্য তৈরি ছিল রাফাল! বাংলাদেশের উপর কড়া নজর কেন্দ্রের

    ১০ দেশ এই মহড়ায় অংশ নেবে। ১৮টি দেশ পর্যবেক্ষক দেশ হিসেবে অংশগ্রহণ করবে। ভারতীয় নৌসেনাও মিগ-২৯ বিমান সহ এই মহড়ায় অংশ নেবে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Waqf Reform: ওয়াকফ সংস্কার নিয়ে মোদির উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা সুফি ধর্মগুরুদের

    Waqf Reform: ওয়াকফ সংস্কার নিয়ে মোদির উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা সুফি ধর্মগুরুদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়াকফ সংস্কার (Waqf Reform) নিয়ে কেন্দ্রকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন অল ইন্ডিয়া ইমাম অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মৌলানা সাজিদ রশিদি। রশিদি যখন উস্কানি দিয়ে বাজার গরম করতে চাইছেন, তখন ওয়াকফ সংস্কার নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করল অল ইন্ডিয়া সুফি সাজ্জাদানশিন কাউন্সিল। মঙ্গলবার সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজুর (Kiren Rijiju) সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন কাউন্সিলের প্রতিনিধিরা। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন সৈয়দ নাসিরউদ্দিন চিস্তি।

    কী বললেন মন্ত্রী? (Waqf Reform)

    এই ধর্মগুরুরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বের প্রশংশা করেন। স্বচ্ছতা আনার স্বার্থে ওয়াকফ সংশোধনীকে সমর্থনও জানান। এক্স হ্যান্ডেলে মন্ত্রী লেখেন, “ভারতজুড়ে বিভিন্ন দরগা থেকে সব চেয়ে শ্রদ্ধেয় ও বিশিষ্ট সাজ্জাদানশিনদের নিয়ে গঠিত অল ইন্ডিয়া সুফি সাজ্জাদানশিন কাউন্সিলের একটি প্রতিনিধি দল আমার সঙ্গে দেখা করেছে। এই দলের নেতৃত্বে ছিলেন সৈয়দ নাসিরউদ্দিন চিস্তি। তিনি আজমেড় দরগার বর্তমান আধ্যাত্মিক প্রধানের উত্তরসূরি এবং চেয়ারম্যান। মুসলিম সম্প্রদায়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন তাঁরা। আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে বলেও জানান তিনি।

    মোদির প্রশংসা

    রিজিজু বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজির নেতৃত্বে সমগ্র সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের যে উন্নয়ন হয়েছে এবং হচ্ছে, তার ভূয়সী প্রশংসাও করেন তাঁরা। ২০৪৭ সালের মধ্যে যে ‘বিকশিত ভারত’-এর সঙ্কল্প নেওয়া হয়েছে, তার প্রতিও যে তাঁরা দায়বদ্ধ, তাও জানান সুফি ধর্মগুরুরা। বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র শাহজাদ পুন্নাওয়ালাও উপস্থিত ছিলেন বৈঠকে। ওয়াকফ সম্পত্তিতে স্বচ্ছতা আনতে যে সংশোধনীর প্রয়োজন রয়েছে, তাও স্বীকার করেন তাঁরা।

    আরও পড়ুন: ‘‘একমাত্র মোদি পারবেন বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের রক্ষা করতে’’, দাবি বিজেপি সাংসদের

    সোমবারই মন্ত্রী দাবি করেছিলেন, দরিদ্র ও সাধারণ মুসলমান মহিলারা ওয়াকফ সম্পত্তি (Waqf Reform) সংস্কারের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তাঁরা এও বলেছিলেন, মোদি সরকারের এই উদ্যোগে ওয়াকফ সম্পত্তিতে স্বচ্ছতা আসবে। তাতে আখেরে লাভ হবে মুসলমান সম্প্রদায়েরই। রিজিজু বলেন, “দীর্ঘদিন ধরেই দরিদ্র মুসলমান ও গরিব মহিলারা ওয়াকফ সম্পত্তিত স্বচ্ছতা আনার দাবি জানাচ্ছিলেন। তাঁদের (Kiren Rijiju) বক্তব্য, মুসলমান সম্প্রদায়ের স্বার্থেই এটা করা প্রয়োজন (Waqf Reform)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Dengue: “পশ্চিমবঙ্গ সরকার কেন ডেঙ্গির তথ্য কেন্দ্রের কাছে নথিভুক্ত করাচ্ছে না?”, আক্রমণ নাড্ডার

    Dengue: “পশ্চিমবঙ্গ সরকার কেন ডেঙ্গির তথ্য কেন্দ্রের কাছে নথিভুক্ত করাচ্ছে না?”, আক্রমণ নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের সরকার কেন ডেঙ্গির (Dengue) তথ্য লুকিয়ে রাখে? মঙ্গলবার রাজ্যসভায় রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে প্রশ্ন তুলে আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জগৎ প্রকাশ নাড্ডা। তাঁর প্রশ্নে এই রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে কাঠগড়ায় তুলেছেন বিজেপির এই সর্বভারতীয় সভাপতি। উল্লেখ্য, মমতার সরকারের বিরুদ্ধে করোনা কাল থেকেই সংক্রমণ রোগ বা মশা বাহিত রোগে আক্রান্ত এবং মৃত্যুর সংখ্যা প্রকাশে তথ্য গোপন করার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    ঠিক কী বলেন জেপি নাড্ডা (Dengue)?

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী জেপি নাড্ডা আজ রাজ্যসভায় বাংলার সরকারের ডেঙ্গি (Dengue) মোকাবিলা নিয়ে বলেছেন, “পশ্চিমবঙ্গ সরকার কেন ডেঙ্গির তথ্য কেন্দ্রের কাছে নথিভুক্ত করাচ্ছে না? তথ্য গোপন করার কী আছে? আমি রাজ্য সরকারের কাছে জানতে চাই। তবে এই প্রশ্ন তোলার মধ্যে আমার কোনও রাজনৈতিক অভিপ্রায় নেই। সব পক্ষের কথা শোনার ধৈর্য এবং বলবার অবসর থাকা একান্ত প্রয়োজন।” এই বক্তব্যের ভিডিও বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয়মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন।

    ধনধান্য প্রেক্ষাগৃহে রাজ্যের বৈঠক

    বর্ষার মরসুমে প্রত্যেক বছরই ডেঙ্গির (Dengue) প্রকোপ দেখা যায়। রাজ্য সরকার প্রতিবছর ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়া, টাইফয়েড সহ একাধিক রোগের সঠিক তথ্যে কেন্দ্রকে যে পাঠায় না, সেই বিষয়ে রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্বরাও সরব হয়েছেন। এদিকে রাজ্যে লাগাতার বর্ষণের ফলে বর্ষায় জল জমে একাধিক জেলায় ডেঙ্গি প্রকোপ মারাত্মক আকার নিয়েছে। কলকাতায়ও অবস্থা বেশ সঙ্কটজনক। একাধিক জেলা সহ কলকাতায় মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। রাজ্যের পুরসভাগুলির বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। আগামী ৮ অগাস্ট ধনধান্য প্রেক্ষাগৃহে রাজ্যের সব পুরসভার চেয়ারম্যান এবং দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের ডাকা হয়েছে। একই ভাবে এই বৈঠকে থাকবেন কলকাতা স্বাস্থ্য বিভাগের আধিকারিকরাও। ইতিমধ্যে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর থেকে জেলা এবং মহাকুমা শাসক, স্বাস্থ্য আধিকারিকদের বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বর্ষার জমা জল এবং নিকাশি ব্যবস্থার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Red Fort: নারী ক্ষমতায়নে জোর, ১৫ অগাস্ট লালকেল্লায় সম্মানিত হবেন ১৫০ জন মহিলা পঞ্চায়েত প্রধান

    Red Fort: নারী ক্ষমতায়নে জোর, ১৫ অগাস্ট লালকেল্লায় সম্মানিত হবেন ১৫০ জন মহিলা পঞ্চায়েত প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১৫ অগাস্ট ৭৭তম স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লা (Red Fort) থেকে নারী ক্ষমতায়নের বার্তা দিতে চলেছে মোদি সরকার। ইতিমধ্যেই জোর কদমে শুরু হয়ে গিয়েছে তার প্রস্তুতি। জানা গিয়েছে, এবারে দিল্লিতে স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের দিন মহিলা ক্ষমতায়নের উপর বিশেষ জোর দিয়ে গোটা দেশ থেকে ১৫০ জন মহিলা পঞ্চায়েত প্রধানকে লালকেল্লায় সম্মানিত করবে কেন্দ্রীয় সরকার।

    কেন এই সিদ্ধান্ত? (Women Sarpanches)   

    স্বাধীনতা দিবসের দিন ১৫০ জন মহিলা পঞ্চায়েত প্রধানকে ডাকার পেছনে মূল উদ্দেশ্য হল, নারী ক্ষমতায়নে জোর। এটি আসলে সরকারের একটি দ্বিমুখী প্রচার উদ্যোগ যা পঞ্চায়েত স্তরে রাজনৈতিক নেতৃত্বকে উৎসাহিত দেওয়ার উপর জোর দেয়। এ প্রসঙ্গে এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত একজন সিনিয়র অফিসার বলেছেন, ”এর লক্ষ্য গ্রামীণ এলাকায় রাজনীতি ও প্রশাসনে নারীদের সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের জন্য উৎসাহিত করা।”     

    ইতিমধ্যেই ১৫০ জন পঞ্চায়েত প্রধানকে (Women Sarpanches) আমন্ত্রণ জানাতে সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে চিঠি পাঠিয়েছে কেন্দ্রের পঞ্চায়েত মন্ত্রক। মহিলা প্রতিনিধিদের স্বামীসহ আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই মহিলা প্রতিনিধিদের জন্য ১৪ অগাস্ট সকাল ১০টা থেকে দিল্লির ভীমরাও আম্বেদকর ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে ‘পঞ্চায়েত রাজে নারী নেতৃত্ব’ শীর্ষক একটি জাতীয় কর্মশালার আয়োজন করা হবে।

    আরও পড়ুন: ‘‘শেষ মুহূর্তেও দেশ ছাড়তে চাননি মা’’, জানালেন হাসিনার ছেলে সাজিব 

    লালকেল্লায় দেশের প্রত্যন্ত গ্রামের মহিলা প্রতিনিধিরা (Red Fort) 

    নারী ক্ষমতায়নের গুরুত্ব বুঝে ইতিমধ্যেই কোমর বেঁধে ময়দানে নেমেছে মোদি সরকার। পুরুষদের সঙ্গে পায়ে পা মিলিয়ে নারী শক্তিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে একাধিক জাতীয় কর্মসূচির আয়োজনের পাশাপাশি আনা হয়েছে বহু সামাজিক প্রকল্প। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে মহিলাদের আধিপত্য বাড়িতে তুলতে আনা হয়েছে নয়া আইন। এমনকী, কেন্দ্রীয় সরকারের প্রচারের মুখ হিসেবে তুলে আনা হয়েছে নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত একাধিক মহিলাকে। এবার সেই পথে হেঁটেই ১৫ অগাস্ট লালকেল্লায় (Red Fort) জায়গা পেতে চলেছেন দেশের প্রত্যন্ত গ্রামের মহিলা প্রতিনিধিরা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বিক্ষোভকারীরা দিয়েছিলেন হুঁশিয়ারি! বাংলাদেশের সংসদ ভেঙে দিলেন প্রেসিডেন্ট

    Bangladesh Crisis: বিক্ষোভকারীরা দিয়েছিলেন হুঁশিয়ারি! বাংলাদেশের সংসদ ভেঙে দিলেন প্রেসিডেন্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) সংসদ ভেঙে দিলেন প্রেসিডেন্ট মহম্মদ শাহবুদ্দিন (Bangladesh President)। প্রসঙ্গত, এ নিয়ে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল আন্দোলনকারী ছাত্রদের জোট। সোমবার রাতেই জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন প্রেসিডেন্ট এবং সেখানেই তিনি সংসদ ভেঙে যাওয়ার কথা জানান। ইতিমধ্যে বাংলাদেশের একাধিক সংবাদমাধ্যমে সংসদ ভেঙে দেওয়ার খবরও প্রতিবেদন হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে।

    আন্দোলনকারী ছাত্রদের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) সেনা প্রধান

    প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) পরিস্থিতি সোমবারই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন দখল করে নেন আন্দোলনকারীরা। ইস্তফা দিয়ে তড়িঘড়ি দেশ ত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। বর্তমানে তিনি ভারতেই রয়েছেন। এরপর থেকেই আন্দোলনকারীরা সংসদ ভেঙে দেওয়ার দাবি জানাতে থাকেন। আন্দোলনকারী ছাত্ররা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছিলেন, মঙ্গলবার বিকেল তিনটের মধ্যে যদি বাংলাদেশের সংসদ ভেঙে না দেওয়া হয় সেক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠবে। প্রসঙ্গত, সোমবারে ছাত্র আন্দোলনের নেতারা জানিয়েছিলেন যে, সেনার সমর্থনে অথবা রাষ্ট্রপতি শাসনে থাকা কোনও সরকারকেই সমর্থন করা হবে না। প্রস্তাবিত সরকার তৈরি করতে হবে। নতুন সরকারের রূপরেখা গঠনের জন্য ২৪ ঘণ্টা সময়ও দেন পড়ুয়ারা। অন্যদিকে, মঙ্গলবার আন্দোলনকারী ছাত্রদের সঙ্গে বসার কথা রয়েছে বাংলাদেশের সেনা প্রধানের।

    জাতির উদ্দেশে ভাষণে কী বললেন প্রেসিডেন্ট?

    সোমবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) প্রেসিডেন্ট (Bangladesh President) বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন এবং আমি তা গ্রহণ করেছি। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান সংসদ বিলুপ্ত করা হবে। দ্রুত নতুন নির্বাচন করে সরকার নির্বাচিত হবে।’’ বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘‘তিন বাহিনীর প্রধান, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, সমাজের প্রতিনিধি ছাত্র আন্দোলনের কয়েকজন প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠকে জরুরিভিত্তিতে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক দল ও অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনা করে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে।’’ এর পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট এও ঘোষণা করেন, সংরক্ষণ বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় আটক সকল বন্দিদের অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া হবে। ছাত্র আন্দোলনের নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথাও জানান প্রেসিডেন্ট। প্রসঙ্গত, প্রেসিডেন্টের নির্দেশেই সোমবার বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেওয়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: ‘‘একমাত্র মোদি পারবেন বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের রক্ষা করতে’’, দাবি বিজেপি সাংসদের

    Bangladesh Crisis: ‘‘একমাত্র মোদি পারবেন বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের রক্ষা করতে’’, দাবি বিজেপি সাংসদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) কার্ফু তুলে দেওয়া হলেও দেশজুড়ে আতঙ্কের পরিবেশ রয়েছে। সোমবারও দেশের একাধিক জায়গায় হিন্দুদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে লুটপাট চালানো হয়েছে। একাধিক জেলায় বহু হিন্দু মন্দিরে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের এই সার্বিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার (Jagannath Sarkar)।

    কী বললেন বিজেপি সাংসদ? (Bangladesh Crisis)

    রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ বলেন, ‘‘বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) সংখ্যালঘুদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা হচ্ছে। তাদের সম্পত্তি লুট করা হয়েছে। আর এসব ঘটনার পিছনে সেখানকার সেনাবাহিনীর সমর্থন রয়েছে। এটা ভবিষ্যতে আমাদের দেশের জন্য উদ্বেগের বিষয়। আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তাঁদের সুরক্ষা দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। তবে, এই বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।’’ জগন্নাথ সরকারের (Jagannath Sarkar) মতে, শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিই এই ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারেন। তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশের অসহায় সংখ্যালঘুদের জীবন ও সম্পত্তি রক্ষা করতে পারেন মোদি-ই। আমি হিন্দু বেঙ্গল ইউনিটের একজন সদস্য হিসেবে এসব কথা বলছি। বাংলাদেশে যেই সরকার গঠন করুক আমি তা নিয়ে চিন্তা করি না। আমার একমাত্র উদ্বেগ হল সংখ্যালঘুদের জীবন ও সম্পত্তির যেন কোনও ক্ষতি না হয়।’’

    আরও পড়ুন: ‘‘১ কোটির ওপর বাংলাদেশি হিন্দু আসবেন পশ্চিমবঙ্গে’’, বড় দাবি শুভেন্দুর

    বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক

    ক্রমবর্ধমান বিক্ষোভের মধ্যে শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখনও শান্ত হয়নি। সোমবার আওয়ামি লিগের বহু নেতাকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। সাংসদের বাড়িতে আগুন লাগানো হয়েছে। আওয়ামি লিগের নেতার হোটেলে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগিয়ে ২১ জন পুড়িয়ে মারা হয়েছে। সোমবার মোট ১০৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। শতাধিক মানুষ জখম হয়েছেন। পদত্যাগের পর সোমবার সন্ধ্যায় ভারতে পৌঁছন শেখ হাসিনা। তিনি দিল্লিতে থাকবেন, নাকি অন্য জায়গায় যাবেন তা স্পষ্ট নয়, কিছু রিপোর্টে বলা হয়েছে যে তিনি লন্ডনে যেতে পারেন। অন্যদিকে, সংকট মোকাবিলায় সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনে নিরাপত্তা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক হয়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এই বৈঠকে বাংলাদেশের পরিস্থিতির ওপর আলোচনা করা হয়। সেখানে কয়েক হাজার ভারতীয় রয়েছেন। তাঁদের ফিরিয়ে নিয়ে আসার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Neeraj Chopra: প্যারিসে দুরন্ত শুরু ‘সোনার ছেলে’র, প্রথম থ্রোতেই জ্যাভলিনের ফাইনালে নীরজ

    Neeraj Chopra: প্যারিসে দুরন্ত শুরু ‘সোনার ছেলে’র, প্রথম থ্রোতেই জ্যাভলিনের ফাইনালে নীরজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুকুট ধরে রাখতে বদ্ধ পরিকর নীরজ চোপড়া (Neeraj Chopra)। প্যারিসেও (Paris Olympics 2024) সোনাই লক্ষ্য টোকিওর চ্যাম্পিয়নের। মঙ্গলবার শুরুতেই তা স্পষ্ট করলেন ভারতের এই তরুণ জ্যাভলিন থ্রোয়ার। নীরজ প্রথম থ্রোয়ে ৮৯.৩৪ মিটার দূরে জ্যাভলিন ছুড়লেন। ফলে সরাসরি ফাইনালে পৌঁছে গেলেন তিনি। প্রথম থ্রোতে নীরজ দেখালেন তিনি স্বপ্নের ছন্দে রয়েছেন। প্যারিসে তিনি যা পারফরম্যান্স দেখালেন, তাতে বৃহস্পতিবার ফাইনালে ওই ফর্ম দেখাতে পারলে নীরজের সোনা নিশ্চিত।

    নীরজের স্বপ্ন

    নীরজের (Neeraj Chopra) স্বপ্ন ছিল তিনি ৯০ মিটার দূরে জ্যভলি ছুড়বেন। এদিন অবশ্য সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি নীরজের। ফাইনালের জন্যই কি তা তুলে রাখলেন নীরজ? প্যারিস অলিম্পিক্সের (Paris Olympics 2024) মঞ্চে শুরুতেই বিশাল থ্রো। প্রথমবারই ৮৯.৩৪ মিটার বর্শা ছোড়েন টোকিও অলিম্পিকের সোনাজয়ী। যেকোনও আন্তর্জাতিক মঞ্চে নীরজের সবচেয়ে ভাল শুরু এটি। অলিম্পিক্স শুরু হওয়ার দশদিন পর নামলেন নীরজ। এলেন, দেখলেন জয় করলেন। মরশুমের সেরা থ্রো ভারতীয় তারকার। যোগ্যতা অর্জনের মাপকাঠি ছিল ৮৪ মিটার। সেখানে ৮৯.৩৪ মিটার ছোড়েন নীরজ। প্যারিসের যোগ্যতামান পর্বে নীরজের পারফরম্যান্স নিয়ে বিশেষজ্ঞরা দুটি বিষয় ভাবছেন। এটি যদি তাঁর ক্ষেত্রে আত্মতুষ্টি হয়, তা হলে সমস্যা হয়ে যাবে। কিন্তু এই ফর্ম যদি তাঁকে আত্মবিশ্বাস দেয়, তা হলে বৃহস্পতিবারেও সোনা ফলবে, বলেই আশা ভারতের।

    ছিটকে গেলেন কিশোর (Paris Olympics 2024) 

    গ্রুপ বি-তে ছিলেন নীরজ (Neeraj Chopra)। গ্রুপ এ-তে ছিলেন কিশোর জেনা। তিনি যোগ্যতা অর্জন করতে পারলেন না। কিশোর ৮০.৭৩ মিটার দূরে জ্যাভলিন ছোড়েন। কিন্তু ফাইনালে সেরা ১২ জন যোগ্যতা অর্জন করবেন। কিশোর প্রথম ১২ জনের মধ্যে থাকতে পারলেন না। গ্রুপ এ থেকে সরাসরি যোগ্যতা অর্জন করেছেন জার্মানির জুলিয়ান ওয়েবার (৮৭.৭৬), কেনিয়ার জুলিয়াস ইয়েগো (৮৫.৯৭), চেকিয়ার ইয়াকুব ভাদলেক (৮৫.৬৩) এবং ফিনল্যান্ডের টনি কেরানেন (৮৫.২৭)। গ্রুপ বি থেকে নীরজ ছাড়াও এখনও পর্যন্ত সরাসরি যোগ্যতা অর্জন করেছেন গ্রেনাডার অ্যান্ডরসন পিটার্স (৮৮.৬৩) এবং পাকিস্তানের আরশাদ নাদিম (৮৬.৫৯)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।
     

  • Suvendu Adhikari: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে বিপন্ন হিন্দুরা, দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে কথা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে বিপন্ন হিন্দুরা, দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে কথা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা চরমে পৌঁছেছে। এমন পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও আঁটসাঁট করা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে। মঙ্গলবারই সীমান্ত পরিদর্শন করেন বিএসএফের ডিজি। ঠিক এই আবহে হঠাৎই দিল্লি উড়ে গিয়ে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডার সঙ্গে দেখা করেন। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা এরপর সাংবাদিকদের বলেন, “অমিত শাহ যেহেতু সিকিউরিটি কাউন্সিলের সদস্য, আমি তাঁর কাছে অনুরোধ করেছি যাতে বাংলাদেশের হিন্দু এবং হিন্দু মন্দিরের যেন আর কোনও ক্ষতি না হয়, সেটা দেখতে। আমি অনেক উদ্বেগ নিয়ে এসেছিলাম। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাকে আশ্বস্ত করেছেন, প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়টি দেখছেন।”

    আমার মা নিজে বরিশাল থেকে এক কাপড়ে চলে এসেছিলেন

    চিন্তিত শুভেন্দু উদ্বেগ প্রকাশ করে সাংবাদিকদের সামনে এও বলেছেন, “আমার মা নিজে বরিশাল থেকে এক কাপড়ে চলে এসেছিলেন। যন্ত্রণাটা আমার ভিতরে রয়েছে। তাই উদ্বেগটা ছিল। উদ্বেগটা নিরসনের জন্য এসেছিলাম। সেটা নিরসন হয়েছে।” নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক জেপি নাড্ডার সঙ্গে বৈঠক সেরে বলেন, “মাননীয় রাষ্ট্রীয় অধ্যক্ষর সঙ্গে নির্বাচনের পর দেখা হয়নি। ফোনে কথা হয়েছিল। উনি আমাকে কিছু কাজ দিয়েছিলেন। সেটা নিয়ে কথা হয়েছে।”

    সাম্প্রদায়িক রূপ নিয়েছে হিংসা

    প্রসঙ্গত, গোটা বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) জুড়েই বর্তমানে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি। থানা-হোটেল-বাড়ি সবকিছুই পুড়ছে, যথেচ্ছ হামলা চলছে সংখ্যালঘু হিন্দুদের মন্দিরেও, একাধিক হিন্দুকে পিটিয়ে মারার ঘটনাও সামনে এসেছে। জানা গিয়েছে, গতকাল সোমবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অন্ততপক্ষে ১০৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।  এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুরা অত্যন্ত আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। দিকে দিকে হিংসা সাম্প্রদায়িক রূপ নিয়েছে। ওপার বাংলার এমন পরিস্থিতিতে শুভেন্দু অধিকারীর হঠাৎ করেই দিল্লি উড়ে যাওয়া যথেষ্ঠ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুক ভারত সরকার, আর্জি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুক ভারত সরকার, আর্জি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপ করুক ভারত সরকার। এমনই দাবি জানালেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (Vishwa Hindu Parishad) আন্তর্জাতিক কার্যনির্বাহী সভাপতি অলোক কুমার। হাসিনার পদত্যাগ এবং দেশ ছাড়ার পর থেকেই বিক্ষোভকারীরা সেই দেশের হিন্দু মন্দির ও বাড়ি-ঘরে ব্যাপক আক্রমণ (Bangladesh Crisis) শুরু করেছে। দিল্লিতে তাই সাংবাদিক সম্মেলন করে তিনি বলেন, “প্রত্যেক হিন্দুর সম্পত্তি, সম্মান এবং প্রাণের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করছি।”

    কী বললেন অলোক কুমার (Bangladesh Crisis)?

    ভিএইচপি নেতা অলোক কুমার (Vishwa Hindu Parishad) বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং হিন্দুদের ওপর নির্যাতনের কথা তুলে ধরে বলেন, “সমস্ত সংখ্যালঘু হিন্দু ও শিখদের পাশে আমরা রয়েছি। হিন্দুদের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, বাড়ি-ঘর, মন্দিরকে লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীরা হামলা চালাচ্ছে। সম্পত্তি লুটপাট এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেই চলেছে। সোমবার রাত পর্যন্ত শুধুমাত্র পঞ্চগড় জেলায় ২২টি বাড়ি, ঝিনাইদহে ২০টি বাড়ি এবং যশোরে ২২টি দোকান মৌলবাদীদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। সেই সঙ্গে অনেক জেলায় শ্মশানও ভাঙচুর করা হয়েছে। বাংলাদেশে এমন কোনও জেলা নেই, যা তাদের হিংসা ও সন্ত্রাসের শিকার হয়নি। এটি লক্ষণীয় যে বাংলাদেশে হিন্দুরা, যাদের সংখ্যা এক সময় ৩২ শতাংশ ছিল, এখন তারা ৮ শতাংশেরও কম। ক্রমাগত জিহাদি নিপীড়নের শিকার হয়ে চলেছে হিন্দুরা।”

    আরও পড়ুনঃ ভারতেই হাসিনা, বাংলাদেশের পরিস্থিতির দিকে নজর কেন্দ্রের, সর্বদল বৈঠকে জয়শঙ্কর

    “ভারত অন্ধ হয়ে থাকতে পারে না”

    এই প্রসঙ্গে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা অলোক কুমার আরও বলেন, “ভারত অবশ্যই বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) পরিস্থিতিতে অন্ধ হয়ে থাকতে পারে না। ভারত ঐতিহ্যগতভাবে সারা বিশ্বের নিপীড়িত সমাজকে সাহায্য করেছে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (Vishwa Hindu Parishad) বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার জন্য সম্ভাব্য সব পদক্ষেপ নিতে ভারত সরকারকে আহ্বান জানিয়েছে। এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে ৪,০৯৬ কিলোমিটার (২,৫৪৫ মাইল) দীর্ঘ সীমান্তের ওপার থেকে অনুপ্রবেশের বড় চেষ্টা চালানো হতে পারে। আমরা চাই, বাংলাদেশে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষ সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হোক। মানুষের মানবাধিকারকে যেন সুরক্ষিত করা হয়। ভারতীয় সমাজ এই বিষয়ে সব সময় বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব বজায় রাখবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: ভারতেই হাসিনা, বাংলাদেশের পরিস্থিতির দিকে নজর কেন্দ্রের, সর্বদল বৈঠকে জয়শঙ্কর

    Bangladesh Crisis: ভারতেই হাসিনা, বাংলাদেশের পরিস্থিতির দিকে নজর কেন্দ্রের, সর্বদল বৈঠকে জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্বলছে বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis)। দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন শেখ হাসিনা। তারপরেও নেভেনি হিংসার আগুন। হিংসার শিকার হচ্ছেন সংখ্যালঘুরা। সমগ্র পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে ভারত। এখনও অবস্থা অতটা জটিল নয় তবে, প্রয়োজন পড়লেই বাংলাদেশে থাকা ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনা হবে। কেন্দ্রে সর্বদল বৈঠকে এমনই জানালেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। শেখ হাসিনা আপাতত ভারতেই গোপন ঠিকানায় রয়েছেন। তাঁকে সরকার সময় দিয়েছে জানান বিদেশমন্ত্রী।

    সর্বদল বৈঠক 

    মঙ্গলবার সংসদে সর্বদলীয় বৈঠকের ডাক দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৈঠকে ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, সংসদ বিষয়কমন্ত্রী কিরেন রিজেজু। এনডিএ-র সাংসদদের পাশাপাশি বিরোধী জোটের একাধিক সাংসদও উপস্থিত ছিলেন। কংগ্রেসের তরফে বৈঠকে যোগ দেন রাহুল গান্ধী ও মল্লিকার্জুন খাড়্গে। গান্ধী ছাড়াও প্রবীণ কংগ্রেস নেতা কে সি বেনুগোপাল, ডিএমকে নেতা টি আর বালু, জনতা দল (ইউনাইটেড) নেতা লল্লন সিং, সমাজবাদী পার্টির রাম গোপাল যাদব, তৃণমূল কংগ্রেসের সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ডেরেক ও’ব্রায়েন, রাষ্ট্রীয় জনতা দলের মিশা ভারতী, শিবসেনার (উদ্ধব ঠাকরে) অরবিন্দ সাওয়ান্ত, বিজু জনতা দলের সম্বিত পাত্র, এনসিপির (শরদ পাওয়ার) সুপ্রিয়া সুলে এবং তেলুগু দেশম পার্টির রাম মোহন নাইডু বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। জানা গিয়েছে, কংগ্রেস সহ বিরোধী দলগুলি বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে মোদি সরকারকে সব রকমের সমর্থন জানাবে বলেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

    পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত

     বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) এই অশান্তি-হিংসার পিছনে কি অন্য কোনও দেশ, বিশেষ করে পাকিস্তানের হাত রয়েছে? সর্বদলীয় বৈঠকে এই প্রশ্নই তুলেছেন বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। এর জবাবে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেন, “পরিস্থিতি প্রতি মুহূর্তে বদলাচ্ছে। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হচ্ছে। কিছু জায়গায় ভারত-বিরোধী মনোভাব দেখা যাচ্ছে, যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক না কেন, ভারত সরকার সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে।” জয়শঙ্কর জানান, বাংলাদেশে ভারতীয়দের পরিস্থিতি কী, সে দিকে নজর রেখেছে কেন্দ্রীয় সরকার। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে এখনই ভারতীয় নাগরিকদের সরিয়ে আনা হচ্ছে না। প্রয়োজন হলে দ্রুত পদক্ষেপ করা হবে।

    ভারতীয়দের অবস্থা

    সর্বদল বৈঠকে জয়শঙ্কর (S Jaishankar) জানিয়েছেন, বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। বাংলাদেশে প্রায় ১০ হাজার ভারতীয় ছাত্রছাত্রী রয়েছেন। তাঁদের নিরাপত্তার বিষয়ে কথা হয়েছে। তার পরেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, আপাতত তাঁদের বাংলাদেশ থেকে সরিয়ে আনা হবে না। তবে ভারত যে কোনও পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকবে। প্রয়োজন হলেই দ্রুত যাতে বাংলাদেশ থেকে ভারতীয়দের সরিয়ে আনা যায়, সেই বন্দোবস্ত করা হচ্ছে। বাংলাদেশ সীমান্ত পরিস্থিতির দিকেও নজর রয়েছে ভারতের। তবে সূত্রের খবর, জয়শঙ্কর সর্বদল বৈঠকে জানিয়েছেন, সীমান্ত পরিস্থিতি ‘তেমন গুরুতর নয়’। 

    আরও পড়ুন: তাঁর আমলেই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, বাংলাদেশকে গণতন্ত্রের পথ দেখিয়েছিলেন হাসিনা

    ভারতেই হাসিনা

    বৈঠকে জয়শঙ্কর (S Jaishankar) জানিয়েছেন হাসিনার কথাও। তাঁর বক্তব্য, হাসিনা এই মুহূর্তে রয়েছেন দিল্লিতে। তিনি মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত। তাই তাঁকে বেশ কিছুটা সময় দেওয়া হয়েছে। হাসিনা নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা এখনও ভারত সরকারকে জানাননি। সময় নিয়ে তিনি সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। ভারত সরকার তাঁর বক্তব্য শুনে পরবর্তী পদক্ষেপ স্থির করবে। জয়শঙ্করের তাঁর বিবৃতিতে বলেন, “খুব অল্প সময়ের মধ্যে আমাদের কাছে হাসিনা আবেদন করেন এ দেশে আসার জন্য। আমরা তাতে সাড়া দিই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share