Blog

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে নিপীড়িত হিন্দুরা, ভিডিও শেয়ার করে পাশে দাঁড়ালেন সোনু সুদ

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে নিপীড়িত হিন্দুরা, ভিডিও শেয়ার করে পাশে দাঁড়ালেন সোনু সুদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলন এখন সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর নির্যাতনের (Bangladesh Crisis) রূপ নিয়েছে। হিন্দু নিধনের বিরুদ্ধে ভারতের বিশ্বহিন্দু পরিষদ ইতিমধ্যে অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। গত সোম–মঙ্গলবার চলেছে লাগাতার হিন্দুদের উপর অত্যাচার। নির্বিচারে মন্দির ও মূর্তি ভাঙার ধ্বংসযজ্ঞ চলেছে। সামাজিক মাধ্যমে উঠে আসছে নিপীড়িত হিন্দুদের বাড়িঘর, দোকানপাট ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ছবি। এবার ‘হিন্দুদের ওপর নির্যাতন’ নিয়ে ভিডিও শেয়ার করলেন বলিউড অভিনেতা সোনু সুদ (Sonu Sood)। তিনি স্পষ্ট অবস্থান নিয়ে বলেছেন, “এটা খালি আমাদের সরকারের দায়িত্ব নয়, ওঁদের জীবনে যাতে শান্তি ফেরে তার জন্য সকলের ভাবা উচিত।”

    কী বললেন সোনু সুদ (Bangladesh Crisis)?

    রাজনৈতিক সঙ্কটের মধ্যে চলেছে বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis)। আইন-শৃঙ্খলার চূড়ান্ত অবনতি ঘটেছে। আন্দোলনকারীরা গণভবন লুট করার পর থেকেই টানা ৪৮ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে রংপুর, ঢাকা, খুলনা, যশোর, সিলেট, চট্টগ্রাম, দিনাজপুর, গোপালগঞ্জে চলছে নির্বিচারে হিন্দুদের উপর অত্যাচার। সমাজিক মাধ্যমে লাইভ করে নিজেদের ওপর হওয়া অত্যাচারের বিবরণ দিয়ে ভেঙে পড়ছেন হিন্দুরা। ঠিক এমন এক মহিলার ওপর অত্যাচারের ভিডিও বিনিময় করে সোনু (Sonu Sood) বলেছেন, “আমাদের সবটা দিয়ে নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। ভারতীয় নাগরিকদের অবিলম্বে বাংলাদেশ থেকে ফিরিয়ে আনতে হবে। অত্যাচারের শিকার হওয়া মানুষদের জীবন সুরক্ষিত করতে সকলকে একসঙ্গে কাজে নামতে হবে। শুধু ভারত সরকারের একক কাজ নয়। ওঁদের জন্য একটি শান্তিপূর্ণ জীবন দেওয়ার প্রচেষ্টা করা প্রয়োজন। ওঁরাও নিজের মতো করে আপ্রাণ চেষ্টা করছে। আমাদেরও একটা বড় দায়িত্ব রয়েছে। জয় হিন্দ।”

    আরও পড়ুনঃ ‘‘একমাত্র মোদি পারবেন বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের রক্ষা করতে’’, দাবি বিজেপি সাংসদের

    আইনের শাসন প্রয়োগে কি ব্যর্থ সেনা বাহিনী?

    বাংলাদেশে বিক্ষোভকারীদের (Bangladesh Crisis) চূড়ান্ত রাজনৈতিক সন্ত্রাসের কারণে হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। সেই দেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন এবং নাগরিকদের জান-মালের সুরক্ষার কথা জানিয়ে দায়িত্ব নিয়েছিলেন সেনাপ্রধান। কিন্তু বাস্তবে আইনের শাসন প্রয়োগে ব্যর্থ হয় সেনাবাহিনী। পুলিশকে লক্ষ্য করে আন্দোলনকারীরা সারা দেশজুড়ে তাণ্ডব চালাচ্ছে। আওয়ামি লীগের নেতা-মন্ত্রী-সাংসদ-সমর্থক, প্রাক্তন ক্রিকেটার, অভিনেতা, সাংবাদিক কাউকেই রেহাই দেওয়া হচ্ছে না। তবে সব থেকে বড় টার্গেট করা হয়েছে সংখ্যালঘু হিন্দুদের বাড়ি-ঘর, সম্পত্তি এবং মন্দিরকে। বাংলাদেশের একাধিক অভিনেতা-অভিনেত্রীরা শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার আবেদন জানিয়েছেন। একই ভাবে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার বন্ধ করার আবেদন জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একাংশ।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rabindranath Tagore: ছোট বালুকণার মধ্যেও অসীমের স্পর্শ পেতেন, প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধা কবিগুরুকে

    Rabindranath Tagore: ছোট বালুকণার মধ্যেও অসীমের স্পর্শ পেতেন, প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধা কবিগুরুকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ২২ শ্রাবণ (Baishe Shrabon)। আজ থেকে ৮৩ বছর আগে, ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের ২২ শ্রাবণ,(ইংরেজি ১৯৪১ সালের ৭ অগাস্ট) প্রয়াত হয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (Rabindranath Tagore)। দীর্ঘ দিন থেকে কবি মূত্রনালী সমস্যায় ভুগছিলেন। ১৯৪১ সালের ৩০ জুলাই, জোড়াসাঁকোর বাড়িতে কবির শরীরে অস্ত্রোপচার হয়। তার কিছু পূর্বে তিনি শেষ কবিতা রচনা করেন ‘তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছ আকীর্ণ করি, বিচিত্র ছলনাজালে হে ছলনাময়ী।’ চিকিৎসকরা অস্ত্রোপচার করে নিস্ফল হন। অবস্থা দ্রুত সংকটজনক হতে শুরু করে। ব্যর্থ হয় সকলের সব প্রচেষ্টা। মধ্যাহ্নের সূর্য যখন মধ্য গগনে তখন অস্তনমিত হয় সাহিত্যের রবি। প্রয়াত হন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। দিনটি ছিল রাখীপূর্ণিমার দিন। আজ কবিগুরুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে শ্রদ্ধাঞ্জলি। 

    দেবতার সঙ্গে প্রিয়ের সম্পর্ক

    মঙ্গলকাব্যের সময় থেকেই বঙ্গজাতি দেবতাদের সঙ্গে এক প্রিয়ত্বের সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। রবীন্দ্রনাথ (Rabindranath Tagore) সেই সম্পর্কে শৈল্পিক প্রলেপ দেন। একটি ছোট বালুকণার মধ্যেও অসীমের স্পর্শ অনুভব করেন রবীন্দ্রনাথ। বহু প্রতিভার এক আপন সত্ত্বার অধিকারী এই কবি তার প্রতিভার আলোয় উদ্ভাসিত করে বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতিকে তুলে ধরেছিলেন বিশ্ব দরবারে। পেয়েছিলেন বিশ্বকবির সম্মান। তিনি বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ কবি। 

    অন্য রবীন্দ্রনাথ

    রবীন্দ্রনাথ ছিলেন খুব মজার মানুষ। একদিন শান্তিনিকেতনের ছেলেদের সঙ্গে অন্য এক প্রতিষ্ঠানের ছেলেদের ফুটবল খেলা ছিল। শান্তিনিকেতনের ছেলেরা আট-শূন্য গোলে জেতে। সবাই দারুণ খুশি। তবে এ জয় দেখে রবীন্দ্রনাথ মন্তব্য করলেন “জিতেছে ভালো, তা বলে আট গোল দিতে হবে? ভদ্রতা বলেও তো একটা কথা আছে!”

    ভোজনরসিক রবিঠাকুর

    কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (Rabindranath Tagore) নানা ধরনের খাবার ভালোবাসতেন এবং কখনও কখনও নিজ হাতে রান্নাও করতেন। দেশি খাবারের মধ্যে পছন্দ করতেন ইলিশের ঝোল, চিতল মাছ আর চালতা দিয়ে মুগের ডাল এবং নারকেল চিংড়ি। এছাড়া, তিনি কাবাব খেতে খুব পছন্দ করতেন। এর মধ্যে ছিল শ্রুতি মিঠা কাবাব, হিন্দুস্তানি তুর্কি কাবাব, চিকেন কাবাব নোসি। কবিগুরু ছিলেন পানের ভক্ত।

    আরও পড়ুন: অযোধ্যা রাম জন্মভূমি আন্দোলনের এই ‘অজ্ঞাত নায়ক’দের চেনেন?

    মৃত্যুই সত্য

    রবীন্দ্রনাথের (Rabindranath Tagore) কথায়, “মহারাক্ষস মৃত্যু জীবনকে গ্রাস করে চিরদিন বেঁচে রয়েছে।” কবির অনুভব জীবন যেন চার দিকে মৃত্যুরূপী কালো জল দিয়ে ঘেরা দ্বীপ। মুহূর্তে যে কালো জলের প্রবল বন্যায় জীবনরূপ দ্বীপ ডুবে যেতে পারে। সেই প্রকাণ্ড কালীদহ মন্থন করে আলোর কমল তুলে আনা যে কী প্রাণান্তকর কাজ, যিনি জানেন তিনিই জানেন শুধু। তিনিই একমাত্র পারেন ‘মরণ রে তুঁহু মম শ্যাম সমান’ বলে সম্বোধন করতে। মৃত্যুই জীবনের প্রথম ও শেষ সত্য। মানুষ যে দিন জন্মায়, সে দিন থেকে নিশ্চিত হয়ে যায় পরিণতি— জন্মেছি যখন, তখন আর কিছু হোক না হোক, মরণ হবেই। রবীন্দ্রনাথের কথায়, ‘মরণ বলে আমি তোমার জীবন তরী বাই’। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: প্রাণ বাঁচাতে ভারতে আওয়ামি নেতা! খুশিতে বাংলাদেশ ফিরছেন বিএনপি কর্মী

    Bangladesh Crisis: প্রাণ বাঁচাতে ভারতে আওয়ামি নেতা! খুশিতে বাংলাদেশ ফিরছেন বিএনপি কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একজন চরম আতঙ্ক নিয়ে প্রাণ বাঁচাতে নিজের জন্মভিটে ছেড়ে ভারতে চলে এসেছেন। আর অন্যজন খুশির মেজাজে ভারত থেকে বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) ফিরছেন। প্রথমজন আওয়ামি লিগের নেতা মহম্মদ রুবেল ইসলাম। আর দ্বিতীয় জন বিএনপি-র সমর্থক ইশাক জমান পাটোয়ারি। হাসিনার সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর একই সময়ে বাংলাদেশের দু’রকম ছবি উঠে এল শিলিগুড়িতে।

    দেশ ছাড়ার অভিজ্ঞতার কথা বললেন রুবেল (Bangladesh Crisis)

    জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) দিনাজপুর পুরসভার বাসিন্দা মহম্মদ রুবেল ইসলাম সাত বছর ধরে হাসিনার দলের সঙ্গে যুক্ত। মঙ্গলবার তিনি শিলিগুড়িতে এক আত্মীয়ের বাড়িতে চলে এসেছেন। পেশায় তিনি ব্যবসায়ী। ফুলবাড়ি সীমান্ত দিয়ে তিনি ভারতে এসেছেন। সেখান থেকে আসার সময় তাঁর অভিজ্ঞতার কথা বলছিলেন। তিনি বলেন, “ভয়াবহ! আসার সময় রাস্তায় দেখলাম কোথাও কোথাও আগুন জ্বলছে। দোকানপাট খোলা থাকলেও লোক নেই। বেশির ভাগ দোকানেই লুট হয়েছে। কোনও মালপত্র নেই। আমার স্ত্রী এবং তিন সন্তান বাড়িতে রয়েছে। অনুমতি পেলে তাদেরও সঙ্গে করে নিয়ে আসতাম। চিন্তায় আছি। প্রধানমন্ত্রী দেশ ছাড়ার পর নাকি তারা (বাংলাদেশিরা) স্বাধীনতা পেয়েছে! আসলে যারা লুটপাট চালাচ্ছে, তাদের স্বাধীনতা হয়েছে। যারা দেশ চালাবে বলে ভাবছে, তারা দেশপ্রেমী না। সংসদ ভবন, গণভবন লুট করছে।”

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে ইস্কনের মন্দির ভাঙচুর, ছত্রখান বিগ্রহও

    আওয়ামি লিগের নেতা-কর্মীদের থাকার অবস্থা নেই!

    রুবেল বলেন, “আওয়ামি লিগের (Awami League) নেতা-কর্মীদের বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) থাকা দুর্বিষহ হয়ে গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পরিস্থিতি আরও বেশি খারাপ হয়েছে। যেখানেই আওয়ামি লিগের নেতা-কর্মী, সমর্থকদের পাচ্ছে, সেখানেই মারধর করা হচ্ছে। বাড়ি লুট করা হচ্ছে। আমি নিজের পরিবার ছেড়ে ভারতে এসে প্রাণ বাঁচালাম। আওয়ামি লিগের নেতা-কর্মীদের মেরে ফেলছে, গুম করে দিচ্ছে। যাকে যেভাবে পারছে বিএনপি আর জামাত শিবির অত্যাচার করছে। আন্দোলন শুরু হয়েছিল ছাত্রদের। কিন্তু, এখন ছাত্রদের ঘাড়ে বন্দুক রেখেছে জামাত শিবির। দেশের একের পর এক শপিং মল, সরকারি কার্যালয়ে হামলা চালাচ্ছে। আসলে জামাতরা দেশটাকে দ্বিতীয় পাকিস্তান বানাতে চাইছে, আফগানিস্তান বানাতে চাইছে।”

    খুশির মেজাজে বাড়ি ফিরছেন বিএনপি কর্মী

    সোমবার থেকেই ফুলবাড়ির ইন্দো-বাংলাদেশ সীমান্তে দেশ পারাপারের ভিড় অনেকটাই থমকে গিয়েছে। গত দু’দিন আগেও দুই দেশের যে সংখ্যক মানুষের যাতায়াত ছিল, তা আর চোখে পড়ছে না। তবে, খুশির মেজাজে মঙ্গলবার ভারত থেকে বাংলাদেশ ফিরতে দেখা গেল পঞ্চগড়ের এক বাসিন্দাকে। ইশাক জমান পাটোয়ারি নামে ওই যুবক পড়াশোনার জন্য সিকিমে ছিলেন। তবে, দেশের উত্তাল পরিস্থিতি সময় তিনি বাড়ি ফিরছেন। ইশাকের দাবি, তিনি বিএনপির সমর্থক। তাই আগে দেশে ফিরতে চেয়ে পারেননি। এবার আনন্দে তিনি বাড়ি ফিরছেন। তিনি বলেন, “আওয়ামি লিগের (Awami League) তাণ্ডবে আমার বাবাকে টানা ১৭ দিন বাড়ি থেকে পালিয়ে বাঁচতে হয়েছে। মা একা থেকেছেন। আমার বাড়ি যাওয়া অসম্ভব হয়ে উঠেছিল। আমরা বিরোধী দল করি বলেই এত অত্যাচার। হাসিনা সরকারের পতন হয়েছে। এখন আমি খুশির মেজাজে দেশে ফিরছি। দেশের পরিস্থিতি এখন ঠিক আছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Muhammad Yunus: শেখ মুজিবুরের ভক্ত, হাসিনা বিরোধী! অশান্ত বাংলাদেশকে শান্ত করতে পারবেন ইউনূস?

    Muhammad Yunus: শেখ মুজিবুরের ভক্ত, হাসিনা বিরোধী! অশান্ত বাংলাদেশকে শান্ত করতে পারবেন ইউনূস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণ-আন্দোলনের রেশে বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) এখনও জারি মৃত্যু মিছিল। দিকে দিকে জ্বলছে আগুন, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে সংসদ-চতুর্দিকে লুটপাট, ভাঙচুরের ছবি। এরই মধ্যে বাংলাদেশে অন্তবর্তী সরকার গঠনের প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে। ঢাকার বঙ্গভবনে প্রেসিডেন্ট মহম্মদ শাহবুদ্দিনের সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের বৈঠকে নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসকে (Muhammad Yunus) অন্তবর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। একদা মুজিবের অনুরাগী কিন্তু পরবর্তীতে ঘোর হাসিনা বিরোধী ইউনূসের হাতেই অশান্ত বাংলাদেশকে শান্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। 

    মুজিবের অনুরাগী

    এক সময়ে হাসিনার পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের অনুরাগী ছিলেন ইউনূস। মুক্তিযুদ্ধের সময়ে ‘বাংলাদেশ সিটিজেনস কমিটি’ (বিসিসি) গড়ে পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যলায়ের অর্থনীতির এই ছাত্র। সেই সময়ে বিসিসি-র প্রচার পুস্তিকার সম্পাদকও হন ইউনূস। ইউনূসের জন্ম ১৯৪০ সালের ২৮ জুন। চট্টগ্রামের বাথুয়া গ্রামে জন্মানো ইউনূস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬০ সালে অর্থনীতিতে স্নাতক এবং ১৯৬১ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পান।  এর পরে চট্টগ্রাম কলেজের অর্থনীতির অধ্যাপক হিসাবে যোগ দিয়েছিলন ইউনূস (Muhammad Yunus)। 

    ব্যাঙ্ক স্থাপন

    ১৯৮৩ সালে বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) গ্রামীণ ব্যাঙ্কের জন্ম দেন ইউনূস। প্রথমে এক নারীকে ঋণ দিয়ে কাজ শুরু করেন। পরে ৪২ জন নারীর একটি দলকে টাকা ধার দেন। সেই পদক্ষেপ থেকে একটি ‘মাইক্রোক্রেডিট’ গবেষণা প্রকল্প তৈরি করেন। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের দরিদ্র মানুষকে জামানত ছাড়াই ঋণ দেওয়ার কাজটা করেছিলেন মুহাম্মদ ইউনূস। তাঁকে ‘গরিবের ব্যাঙ্কার’ বলা হত। ২০০৬ সালে তাঁর ঝুলিতে আসে নোবেল শান্তি পুরস্কার।

    হাসিনার সঙ্গে সম্পর্ক

    মুজিবুরের মৃত্যুর পরে হাসিনার সঙ্গেও একটা সময় পর্যন্ত সুসম্পর্ক ছিল তাঁর। ১৯৯৭ সালে ওয়াশিংটনে হওয়া মাইক্রোক্রেডিট (ক্ষুদ্র ঋণ) কনভেনশনে আমেরিকার তৎকালীন ফার্স্ট লেডি হিলারি ক্লিন্টনের সঙ্গে হাসিনাকে যুগ্ম সভাপতিত্বের দায়িত্ব দিয়েছিলেন ইউনূসই (Muhammad Yunus)। কিন্তু পরে হাসিনার সঙ্গে ইউনূসের সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকে। শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লীগ ‘গরিবের রক্তচোষা’ বলে অভিহিত করেছিল ইউনূসকে। জালিয়াতি, অর্থ নয়ছয়ের অভিযোগে ২০০টিরও বেশি মামলা হয় তাঁর বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুন: ‘‘১ কোটির ওপর বাংলাদেশি হিন্দু আসবেন পশ্চিমবঙ্গে’’, বড় দাবি শুভেন্দুর

    কঠিন সময়ে দেশের দায়িত্বে

    এবার দেশের এক কঠিন সময়ে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ মুহাম্মদ ইউনূসকে (Muhammad Yunus) বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান কে হবেন এবং সরকারের রূপরেখা তৈরি করতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে প্রেসিডেন্ট শাহবুদ্দিনের সঙ্গে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর ১৩ জন সদস্যের একটি দল বৈঠকে বসে। বৈঠকে ছিলেন তিন সেনাবাহিনীর প্রধান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপকরা। সেই বৈঠকেই সর্বসম্মতিতে ইউনূসকে বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে ইস্কনের মন্দির ভাঙচুর, ছত্রখান বিগ্রহও

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে ইস্কনের মন্দির ভাঙচুর, ছত্রখান বিগ্রহও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৭১ আর ২০২৪ সালের মধ্যে সময়ের ফারাক বিস্তর। কালের নিয়মে এই সময়-পর্বে পদ্মা দিয়ে বয়ে গিয়েছে অনেক জল। তবে নানা অছিলায় বাংলাদেশে হিন্দু নিধন যজ্ঞ (Bangladesh Crisis) বন্ধ হয়নি। ১৯৭১ আর ২০২৪ সাল দুটোর প্রেক্ষাপট আলাদা। তবে বাংলাদেশি মুসলমানদের (Islamist Mob) চাঁদমারি কিন্তু সেই হিন্দুরা। যেন-তেন-প্রকারে হিন্দু বিতাড়ন কিংবা নিধন করে জমিজমা দখল করাই পরোক্ষ লক্ষ্য বাংলাদেশি মুসলমানদের, এমনটাই বলছেন অভিজ্ঞরা। প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও সেই কারণেই হিন্দুদের মন্দিরে হানা দিচ্ছে বাংলাদেশি মুসলমানরা। বাংলাদেশের মেহেরপুরে রয়েছে ইস্কনের মন্দির। এই মন্দিরের মুখপাত্র সুমোহন মুকুন্দ দাস সেই অবর্ণনীয় (Bangladesh Crisis) ছবির ভিডিও শেয়ার করেছেন। ৫ অগাস্ট রাতে এই মন্দিরে ভাঙচুর চালায় মুসলমানরা। ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় নিরপরাধ দেব বিগ্রহগুলিকে।

    কী বলছেন ইস্কনের সেবায়েত

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেছেন, “বর্তমান পরিস্থিতি ১৯৭০ সালের চেয়ে খুব একটা আলাদা কিছু নয়। বেছে বেছে আক্রমণ করা হচ্ছে হিন্দু রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী এবং মন্দিরগুলিকে।” ইস্কনের ওই মন্দিরের মুখপাত্র বলেন, “ওরা আমাদের ইস্কন মন্দিরকে টার্গেট করেছিল। ভাঙচুর করেছে। মন্দিরের ভেতরে বোমা বিস্ফোরণও করা হয়েছে।” প্রাণ বাঁচাতে বিগ্রহকে অন্তর্যামীর ভরসায় রেখে রাতের অন্ধকারে জঙ্গলে আশ্রয় নেন তাঁরা। তিনি বলেন, “আমি এখনও জঙ্গলেই লুকিয়ে রয়েছি। স্থানীয় কয়েকজনের বাড়িতে (Bangladesh Crisis) আশ্রয় নিতে গিয়েছিলাম। তারা মুখের ওপর দরজা বন্ধ করে দিয়েছিল। বলেছিল, আপনাদের আশ্রয় দিলে ওরা (মুসলমানরা) আমাদের ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেবে। অগত্যা জঙ্গলেই আশ্রয় নিতে হল। এখনও জঙ্গলেই লুকিয়ে রয়েছি। আপনাদের মাধ্যমে গোটা বিশ্বকে বলতে চাই, বাংলাদেশে হিন্দুরাই টার্গেট মুসলমানদের। ১৯৭১ থেকে ২০২৪ – হিন্দু-পীড়ন চলছেই।”

    বাংলাদেশের আর একটি ইস্কনের মুখপাত্র যুধিষ্ঠির গোবিন্দ দাস বলেন, “খবর যা পেয়েছি, তাতে জেনেছি মেহেরপুরে আমাদের ইস্কনের মন্দিরে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। মন্দিরে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার বিগ্রহ ছিল। মন্দিরে যে তিন ভক্ত ছিলেন, তাঁরা কোনওক্রমে পালিয়ে বেঁচেছেন। দুষ্কৃতীরা রেহাই (Bangladesh Crisis) দেয়নি বিগ্রহদের।” আধপোড়া বিগ্রহের ছবি ভাইরাল হয়েছে। তাতে দুঃখ পেয়েছেন ভারতীয় হিন্দুরা। তাতে অবশ্য কিছু যায় আসে না বাংলাদেশি মুসলমানদের।

    সুপ্ত ইচ্ছে (Bangladesh Crisis)

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, হিন্দুদের সম্পত্তি দখল যদি একটা উদ্দশ্যে হয়, তাহলে আরও একটা সুপ্ত ইচ্ছে আছে বাংলাদেশি মুসলমানদের। সেটা হল, বাংলাদেশকে হিন্দুশূন্য রাষ্ট্রে পরিণত করা। সেই কাজটাই সুচারুভাবে করে চলেছে বাংলাদেশি মুসলমানদের একটা বড় অংশ। তাই কোনও একটা ছুতো পেলেই বাংলাদেশি মুসলমানদের সফট টার্গেটে পরিণত হয় হিন্দুদের মন্দির ও আরাধ্য দেবতা। হিন্দু মতে বিগ্রহ নাবালক, তাই তাঁর সেবা করতে হয় শিশুপুত্র কিংবা শিশুকন্যার মতো। অভিভাবক যে গৃহস্থ, খুন করা হয় তাঁকেও। 

    স্পিকটি নট ‘সোনার বাংলা’র বুদ্ধিজীবীরা

    যারা যুক্তি-বুদ্ধির ধার ধারে না, তারা যে দেবতাকেও রেহাই দেবে না, তা তো জলের মতোই পরিষ্কার। সংখ্যালঘুদের পালক চাপা দিয়ে রক্ষা করা যে সংখ্যাগুরুদের কর্তব্য, তা ধর্তব্যের মধ্যেই আনে না বাংলাদেশের সিংহভাগ মুসলমান। তাই দেশে হিন্দু নিধন যজ্ঞ হলেও, স্পিকটি নট ‘সোনার বাংলা’র বুদ্ধিজীবীরা। মুখে কুলুপ এঁটে বসে থাকেন বাংলাদেশের ভারতীয় জামাইরাও। তাই মুসলমানদের হাতে লাঞ্ছিত হতে হয় হিন্দুর দেবতাকে। ১৯৭১ সালে যখন স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়, তখন সেই ডামাডোলের বাজারেও বাংলাদেশে লাঞ্ছিত হতে হয়েছে হিন্দুদের। যার জেরে প্রাণ বাঁচাতে কাতারে কাতারে বাংলাদেশি হিন্দু রাতের (Bangladesh Crisis) আঁধারের বুক চিরে চলে এসেছেন ভারতে। সেই সঙ্কটকালেও স্রেফ দেশমাতৃকাকে ভালোবেসে যাঁরা রয়ে গিয়েছিলেন ওপার বাংলায়, তাঁদের অবস্থা করুণ।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে হিন্দুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুক ভারত সরকার, আর্জি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    নিত্য কমছে হিন্দুর হার

    পরিসংখ্যান (Islamist Mob) বলছে, স্বাধীন বাংলাদেশ গঠিত হওয়ার সময় সে দেশে হিন্দুর হার ছিল মোট জনসংখ্যার ১৩ শতাংশের আশপাশে। কমতে কমতে ৫৪-৫৫ বছরে সেটাই এসে দাঁড়িয়েছে মাত্র আট শতাংশে। এই সামান্য শতাংশকেও ভিটেমাটি ছাড়া করতে পারলে কেল্লাফতে। বাংলাদেশ হয়ে যাবে একশো শতাংশ মুসলমানের দেশ। এই মুসলমানের ‘দ্যাশ’ করতে গিয়েই খুন করা হচ্ছে সে দেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের (Bangladesh Crisis)। ২০২৪ সালের ছবিটাও সেই সময়কার চিত্রের চেয়ে খুব একটা আলাদা নয়। 

    অকৃতজ্ঞ!

    সনাতন ধর্মের আঁতুড়ঘর যে ভারতের সাহায্য ছাড়া স্বাধীন হতে পারত না বাংলাদেশ, যে ভারতের আর্থিক সাহায্য ছাড়া বাংলা হতে পারত না সোনার বাংলা, সেই দেশেই স্লোগান ওঠে ‘ইন্ডিয়া আউট’। দিনের বেলায় যারা ‘ইন্ডিয়া আউট’ স্লোগান দেয়, সূর্য অস্ত গেলে তারাই লোটাকম্বল নিয়ে সীমান্ত পেরিয়ে দুমুঠো ভাতের আশায় চলে আসে ভারতে। তুষ্টিকরণের রাজনীতির কারবারিদের আশ্রয়ে এবং প্রশ্রয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জোগাড় করে তারা মিশে যায় ভারতীয় জনারণ্যে। ভারত হয়ে ওঠে ‘বিবিধের মাঝে মিলন মহানে’র দেশ। আর ‘আ-মরি বাংলা ভাষা’র দেশের (Islamist Mob) হিন্দুরা বলতে ভয় পান (Bangladesh Crisis), “আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি…”।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Shree Jagannath Temple: রত্ন ভান্ডারের ভিতর গোপন সুড়ঙ্গ! পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে হতে পারে লেজার স্ক্যানিং

    Shree Jagannath Temple: রত্ন ভান্ডারের ভিতর গোপন সুড়ঙ্গ! পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে হতে পারে লেজার স্ক্যানিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরীর (Puri) জগন্নাথ মন্দিরের রত্ন ভান্ডারের ভিতর কোনও গোপন সু়ড়ঙ্গ রয়েছে কিনা, তা জানতে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে অনুসন্ধান চালানোর সিদ্ধান্ত নিল মন্দির (Shree Jagannath Temple) পরিচালন কমিটি। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে অনুসন্ধান কী ভাবে এগোবে, তা স্থির করতে সোমবার জরুরি বৈঠক হয় জগন্নাথ মন্দিরে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন পুরীর মহারাজা গজপতি মহারাজ দিব্যসিং দেব।

    কীভাবে হবে লেজার স্ক্যানিং

    মন্দিরের (Shree Jagannath Temple) মুখ্য প্রশাসক অরবিন্দ পাধি জানান, খনন করতে হবে না, এমন পদ্ধতিতে রত্ন ভান্ডারের গোপন সুড়ঙ্গ বা কুঠুরির খোঁজ করা হবে। এই বিষয়ে রাজ্য প্রশাসন এবং ভারতের পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ (এএসআই)-এর অনুমতি মিলেছে। তবে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের কাজ শুরুর আগে মন্দির কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন আইআইটি এবং সেন্ট্রাল বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সঙ্গে কথা বলা হবে। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, রহস্যময় রত্নভান্ডারের ভিতরের চিত্রটি বুঝতে ‘লেজার স্ক্যানিং’ করা হতে পারে। এএসআই লেজার স্ক্যান করার জন্য একটি অত্যন্ত অত্যাধুনিক যন্ত্র ব্যবহার করবে। পুরো রত্ন ভান্ডারটির সংস্কার করবে এএসআই।

    আরও পড়ুন: ভারতেই হাসিনা, বাংলাদেশের পরিস্থিতির দিকে নজর কেন্দ্রের, সর্বদল বৈঠকে জয়শঙ্কর

    প্রচলিত বিশ্বাস

    বেশ কয়েকজন সেবাইত দাবি করছেন পুরীর (Puri) জগন্নাথ মন্দিরের (Shree Jagannath Temple) রত্ন ভান্ডারের ভিতরের কক্ষে একটি গোপন সুড়ঙ্গ আছে। অনেকের ধারনা সেই সুড়ঙ্গ গিয়ে মিশেছে সাগরে। সেখানেই নাকি জগন্নাথ মন্দিরের আসল ধন-সম্পদ লুকোনো আছে। তবে, সুপারভাইজারি প্যানেলের চেয়ারম্যান, বিচারপতি বিশ্বনাথ রথ জানিয়েছিলেন, এই ধরনের কোনও সুড়ঙ্গের ঐতিহাসিক প্রমাণ নেই। তিনি বলেছেন, “আমরা কখনই সুড়ঙ্গ তত্ত্ব বিশ্বাস করিনি। এই নিয়ে কোনও ঐতিহাসিক প্রমাণ নেই। আমরা সব ধন-সম্পদ সরিয়ে ভিতরের কক্ষের দেওয়ালগুলি পরীক্ষা করে দেখেছি। কোথাও কোনও সূড়ঙ্গ পাইনি।” রত্ন ভান্ডারের ভিতর এবং বাহির ভান্ডারের আলমারি এবং সিন্দুকগুলি সরানোর বিষয়েও এদিন আলোচনা হয়। এই বিষয়ে কী বিধি মেনে চলা হবে, তার একটি খসড়া তৈরি করে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য ওড়িশা সরকারের কাছে পাঠিয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: হাসিনার ‘ঘনিষ্ঠ’ মেজর জেনারেলকে বরখাস্ত, বাংলাদেশে সেনার শীর্ষস্তরে একাধিক রদবদল

    Bangladesh Crisis: হাসিনার ‘ঘনিষ্ঠ’ মেজর জেনারেলকে বরখাস্ত, বাংলাদেশে সেনার শীর্ষস্তরে একাধিক রদবদল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আন্দোলনকারীদের শান্ত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু, তারপরও বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। বরং, দুপুরের পর থেকে রাতভর দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যথেচ্ছ পরিমাণে হামলা, বাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট চালানো হয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আওয়ামি লিগের নেতা, সাংসদদের বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে। আগুন জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে অনেককে। যদিও সোমবারের পর মঙ্গলবার পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে দেশে কার্ফু তুলে নেওয়া হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের আগেই বাংলাদেশ সেনায় বড়সড় রদবদল হয়েছে। মূলত হাসিনা ঘনিষ্ঠদের সেনার গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর তিন শাখার জনসংযোগ দফতর (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছে।

    হাসিনার ‘ঘনিষ্ঠ’ মেজর জেনারেল জিয়াউলকে বরখাস্ত! (Bangladesh Crisis)

    বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) রাষ্ট্রপতি মহম্মদ শাহবুদ্দিনের অনুমোদনে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সেনার এই রদবদলের নির্দেশ কার্যকর করেছেন। তাৎপর্যপূর্ণভাবে অপসারিত এবং বদলি হওয়া অফিসারদের অধিকাংশই সদ্যপ্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘ঘনিষ্ঠ’ বলে পরিচিত। আইএসপিআর-এর বিবৃতি জানাচ্ছে, মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, মেজর জেনারেল জিয়াউলের বিরুদ্ধে ফোনে আড়িপাতা এবং গুপ্তহত্যায় হাসিনাকে মদত দেওয়ার সরাসরি অভিযোগ তুলেছিলেন আন্দোলনকারী পড়ুয়া ও বিরোধী নেতারা।

    আরও পড়ুন: ‘‘১ কোটির ওপর বাংলাদেশি হিন্দু আসবেন পশ্চিমবঙ্গে’’, বড় দাবি শুভেন্দুর

    হাসিনা ঘনিষ্ঠদের সেনার নিয়ন্ত্রণ থেকে সরানো হল

    হাসিনা (Sheikh Hasina) ঘনিষ্ঠ কয়েকজন শীর্ষস্তরের অফিসারকে সরাসরি সেনার নিয়ন্ত্রণ থেকে সরিয়ে অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ পদে পাঠানো হয়েছে। লেফটেন্যান্ট জেনারেল মহম্মদ সাইফুল আলমকে সেনা থেকে সরিয়ে পাঠানো হয়েছে বিদেশ দফতরে! আর এক লেফটেন্যান্ট জেনারেল মহম্মদ মজিবুর রহমানকে জিওসি আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া নতুন নির্দেশিকায় লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহম্মদ তাবরেজ শামস চৌধুরীকে সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল, লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামিমকে সেনাবাহিনীর চিফ অফ জেনারেল স্টাফ, লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ শাহিনুল হককে কমান্ড্যান্ট এনডিসি (ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ) এবং মেজর জেনারেল এএসএম রিজওয়ানুর রহমানকে এনটিএমসি (ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার)-র ডিরেক্টর হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Bangladesh Rail Service: ভারত-বাংলাদেশের বাতিল ট্রেনের টিকিটের টাকা ফেরত দিচ্ছে রেল

    India Bangladesh Rail Service: ভারত-বাংলাদেশের বাতিল ট্রেনের টিকিটের টাকা ফেরত দিচ্ছে রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-বাংলাদেশ (India Bangladesh Rail Service) বাতিল ট্রেনের টিকিটের (Train Ticket) টাকা ফেরত দিচ্ছে রেল। মৈত্রী ও বন্ধন এক্সপ্রেসের যাত্রীদের জন্য এই বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বাংলাদেশের পরিস্থিতি এখন অগ্নিগর্ভ। ওই দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত সঙ্কটজনক। হাসিনাকে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়তে হয়েছে। রাষ্ট্রপতি আওয়ামী লীগ সরকার ভেঙে দিয়েছেন। সেনাবাহিনী আইনের শাসন ফেরাতে ব্যর্থ। সোমের পর মঙ্গলবারও বহু জায়গায় খুন, হত্যা, লুটপাট, ভাঙচুর, অগ্নি সংযোগের খবর উঠে আসছে। দেশের বেশিরভাগ থানায় নেই কোনও পুলিশ। রাজধানী ঢাকা সহ একাধিক জেলায় জেলায় চলছে ব্যাপক হিংসাত্মক ঘটনা। সংখ্যালঘু হিন্দু সামাজের ওপরও চলছে নির্বিচারে অত্যাচার।

    বাংলাদেশ রেলওয়ে সূত্রে খবর (India Bangladesh Rail Service)

    বাংলাদেশ রেলওয়ে সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৯ জুলাইয়ের কলকাতা থেকে ঢাকাগামী মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্রেনটি (India Bangladesh Rail Service) এবং ২০ জুলাই কলকাতা থেকে খুলনাগামী বন্ধন এক্সপ্রেস বাতিল আগেই করা হয়েছিল। এই দুই ট্রেনে অনেক মানুষ নিজেদের প্রয়োজনে টিকিট (Train Ticket) কেটে ছিলেন, কিন্তু ট্রেন বাতিল হওয়ায় যাত্রীরা গন্তব্যে যাত্রা করতে পারেননি। এবার যাত্রীরা যাতে টিকিটের সম্পূর্ণ মূল্য ফেরত পান, সেই দিকে রেল বিশেষভাবে নজর দিয়েছে। কবে কখন কোন কাউন্টার থেকে ট্রেনের টিকিট দাম ফেরত পাওয়া যাবে, সেই সব কিছু বিশদে জানিয়ে দেওয়া হবে সামজিক মাধ্যমে। তবে বেশির ভাগ যাত্রীই এই সকল সুবিধা পাবেন কলকাতা স্টেশন ও ফেয়ারলি প্লেসের টিকিট কাউন্টারগুলিতে।

    আরও পড়ুনঃ ভারতীয় বায়ুসেনার সুখোই-৩০, তেজস যুদ্ধবিমানে বসতে চলেছে নতুন ‘অস্ত্র

    এখনও পর্যন্ত ৮ লক্ষ টাকার উপর ফেরত দেওয়া হয়েছে

    রেলের তরফ থেকে জানা গিয়েছে, গত ২০ জুলাই, ২০২৪ থেকে ০৪ অগাস্ট, ২০২৪ পর্যন্ত ৮ লক্ষ ১২ হাজার ৮৯০ টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে। কলকাতা-ঢাকা মৈত্রী এবং কলকাতা-খুলনা বন্ধন এক্সপ্রেস (India Bangladesh Rail Service) পরিষেবা বন্ধ থাকবে আগামী ৭ অগাস্ট পর্যন্ত। বাংলাদেশের অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতির জন্য ভারতীয় রেলের তরফ থেকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ রেলের তরফ থেকে পরবর্তী বার্তা না আসা পর্যন্ত রেল চালানোর তেমন কোনও ঘোষণা আপাতত নেই। জুলাই মাসের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে ভারত-বাংলাদেশে রেল পরিষেবা বন্ধ করা হয়েছিল।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশ সেনার সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে, জানালেন জয়শঙ্কর

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশ সেনার সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে, জানালেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনের নাটকীয় পতনের (Bangladesh Crisis) পর ভারত সরকার বাংলাদেশের সামরিক নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেছে। মঙ্গলবার এ কথা জানিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)।

    আন্দোলনের জেরে হাসিনা সরকারের পতন (Bangladesh Crisis)

    সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটার ব্যবস্থা বাতিলের দাবিতে ছাত্ররা জুলাই মাস থেকে আন্দোলন শুরু করে। তাতে যোগ দেয় জামাত এবং বিএনপি। এরপর আন্দোলনের মোড় ঘুরে যায়। হাসিনা প্রশাসনের উপর ক্ষুব্ধ বিভিন্ন গোষ্ঠী এই বিক্ষোভ এবং হিংসায় যোগ দেওয়ার কারণে আন্দোলন উগ্র রূপ নেয় (Bangladesh Crisis) এবং অবশেষে সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেন এবং ভারতে চলে আসেন। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে টানা চতুর্থবারের জন্য জয়ী হাসিনাকে ছয় মাসের মাথায় ক্ষমতাচ্যুত হতে হয়।

    বিদেশমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া (S Jaishankar)

    বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) রাজ্যসভায় বলেন, “স্থিতিশীলতা এবং শান্তি গুরুত্বপূর্ণ। ১৯ হাজার ভারতীয় নাগরিক বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। তাঁদের মধ্যে একটা বড় অংশকে ফিরিয়ে নিয়ে আসা হলেও, অনেকেই ওখানে থেকে গিয়েছেন। বাংলাদেশের বর্তমান সামরিক নেতৃত্বের সামনে তাঁদের নিরাপত্তার কথা তুলে ধরা হয়েছে। সংখ্যালঘুদের উপরে অত্যাচার চলছে, মন্দির (Bangladesh Crisis) ভাঙচুর হচ্ছে। এটা বন্ধ হওয়া দরকার। সেটাও বলা হয়েছে। সূত্রের খবর, ভারতের উচ্চপদস্থ সরকারি আধিকারিকরা বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং হিংসা বন্ধ করতে অনুরোধ করেছেন দরকার।

    সাহায্যের জন্য প্রস্তুত ভারত

    ভারতের (S Jaishankar) তরফে জানানো হয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা এবং শান্তি বজায় রাখতে তাঁদের প্রয়োজনীয় সাহায্য করতে ভারত প্রস্তুত। হাসিনার ভারতে আগমনের পর এখনও পরিস্থিতির বদল হচ্ছে। ফলে ভারত নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেছে। হাসিনা সরকারের পতনের পর সোমবার থেকে এ পর্যন্ত ১৫০ জনের বেশি মানুষ খুন হয়েছেন। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে খুন করার পর তালিবানি কায়দায় রাস্তায় ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বিদেশ মন্ত্রকের রিপোর্টে বলা হয়েছে, স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসার লক্ষণ দেখা দিয়েছে। সারাদিনের অস্থিরতা এবং উত্তেজনার পর ধীরে ধীরে মঙ্গলবার থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: জ্বলছে বাংলাদেশ! আওয়ামি নেতার হোটেলে আগুন, মৃত ২১, খুন অভিনেতাও

    বাস ও যানবাহন রাস্তায় নামতে শুরু করেছে। ব্যবসায়ীরা অল্প হলেও কিছু দোকানপাট খুলেছেন। ব্যাংক খুলেছে ফের। তবুও মানুষ রাস্তায় বের হতে ভয় পাচ্ছেন। পরিস্থিতি এখনও থমথমে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Embassy: অগ্নিগর্ভ ব্রিটেন! আন্দোলনের আঁচ থেকে বাঁচতে ভারতীয়দের নির্দেশিকা হাইকমিশনের

    Indian Embassy: অগ্নিগর্ভ ব্রিটেন! আন্দোলনের আঁচ থেকে বাঁচতে ভারতীয়দের নির্দেশিকা হাইকমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুষ্কৃতী হামলাকে কেন্দ্র করে যে আন্দোলন (UK issues) শুরু হয়েছে ব্রিটেনে, এবার সেই আন্দোলনের আঁচ থেকে ব্রিটেনে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের বাঁচাতে সতর্কবার্তা জারি করেছে ভারতীয় হাইকমিশন (Indian Embassy)। যাঁরা ভারত থেকে ব্রিটেনে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন সতর্কবার্তা দেওয়া হচ্ছে তাঁদেরকেও। 

    কী কারণে এই বিক্ষোভ? (UK issues) 

    সম্প্রতি ব্রিটেনের সাউথপোর্টে এক নাচের ক্লাসে ছুরি নিয়ে হামলা চালায় এক দুষ্কৃতী। এই ঘটনায় মৃত্যু হয় ৩ জনের। রটে যায় ওই হামলাকারী একজন অভিবাসী এবং ইসলামিক কট্টরপন্থী। তার পর থেকেই সরকারের বিরুদ্ধে অভিবাসন বিরোধী বিক্ষোভ শুরু করেন সাধারণ মানুষ। দেশের নানা প্রান্তে প্রতিবাদ দেখাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। বর্তমানে কার্যত যা দাঙ্গার রূপ নিয়েছে। জায়গায় জায়গায় আগুন জ্বালিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি দোকান ভাঙচুর, লুটপাটের অভিযোগ উঠছে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে। এই পরিস্থিতিতেই ব্রিটেনে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের সতর্ক করল ভারতীয় হাইকমিশন (Indian Embassy)। তবে ইতিমধ্যেই এ ঘতনায় ঘটনায় ১৫০ জন বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: নারী ক্ষমতায়নে জোর, ১৫ অগাস্ট লালকেল্লায় সম্মানিত হবেন ১৫০ জন মহিলা পঞ্চায়েত প্রধান

    এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট ভারতীয় হাইকমিশনের (Indian Embassy)

    মঙ্গলবার এক্স হ্যান্ডেলে নির্দেশিকা জারি করে হাইকমিশনের তরফে জানানো হয়, ‘গত কয়েকদিন ধরে ব্রিটেনের বেশ কিছু জায়গায় অশান্তি ও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে এখানে যে ভারতীয়রা রয়েছেন এবং যাঁরা ভারত থেকে আসছেন, তাঁদের ভ্রমণের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বনের কথা বলা হচ্ছে। গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে ভারতীয় হাইকমিশন। সকলকে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে, স্থানীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর খবরে নজর রাখুন, তারপর ভ্রমণের সিদ্ধান্ত নিন। যেখানে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ সেই জায়গাগুলোয় এড়িয়ে চলুন। কোনও প্রয়োজন হলে হাইকমিশনের এমারজেন্সি নম্বর ৪৪২০৭৮৩৬৯১৪৭ এবং মেল আইডি inf.london@mea.gov.in-তে যোগাযোগ করুন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share