Blog

  • Rahul Gandhi: জানেন কীভাবে বাইডেন ঘনিষ্ঠ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক সেরেছিলেন রাহুল?

    Rahul Gandhi: জানেন কীভাবে বাইডেন ঘনিষ্ঠ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক সেরেছিলেন রাহুল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার কয়েকজন কুটনীতিক ও কয়েকটি গোষ্ঠীর দ্বারা চালিত হন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। রাহুল সম্প্রতি পার্টির বিদেশী ইউনিট, ইন্ডিয়ান ওভারসিজ কংগ্রেস (IOC) থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং ইউরোপ সফরের আমন্ত্রণ পেয়েছেন। আইওসি আহ্বায়ক রাজবিন্দর সিংয়ের নেতৃত্বে একদল এনআরআই এই বিষয়ে তাঁর সঙ্গে একটি বৈঠক করেছে বলেন খবর। যদিও কংগ্রেসের (Rahul in US) তরফে এই বিষয়ে কিছুই বলা হয়নি। সম্প্রতি ওপিইন্ডিয়া একটি অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদনে জানায়,২০২৩ সালে রাহুল তাঁর শেষ মার্কিন সফরের সময় হোয়াইট হাউজে ‘গোপন’ বৈঠক করেছিলেন। বহু গণ্য মান্য মার্কিনদের সঙ্গে সাক্ষাত করেছিলেন তিনি। যদিও কংগ্রেসের তরফে এই খবর অস্বীকার করা হয়।

    রাহুল গান্ধীর  সফর (Rahul Gandhi)

    রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) সঙ্গে ঘনিষ্ঠ আলোচনার কথা প্রকাশ্যে এনেছিলেন সীমা সিরোহি। তাঁর কথায়, “হোয়াইট হাউসের বৈঠকটি গোপন রাখার ক্ষেত্রে মত দিয়েছিল দুই পক্ষই। রাহুলের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা সামনে আনতে চায়নি মার্কিন প্রশাসন। আর রাহুলও বিষয়টি প্রকাশ্যে এনে অস্বস্তিত্ পড়তে চাননি।” সীমা আরও জানান, তাঁকে এই বৈঠকের কথা বলেছিল, কংগ্রেস নেতা প্রবীণ চক্রবর্তী। যদিও প্রবীণ পরে এই বৈঠকের কথা অস্বীকার করেন। প্রবীণ বলেন, “হোয়াইট হাউসে কোনও গোপন বৈঠক হয়নি।” তবে, রাহুল গান্ধী তাঁর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় সেনেটর এবং সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করেছিলেন, এর আরও অনেক প্রমাণ রয়েছে। 

    ডিপ স্টেটের ভূমিকা (Rahul in US) 

    সম্প্রতি ওপিইন্ডিয়া ইন্ডিয়ান ওভারসিজ কংগ্রেসের চেয়ারম্যান স্যাম পিত্রোদা এবং তার সন্দেহজনক এনজিও, গ্লোবাল নলেজ ইনিশিয়েটিভ সম্পর্কে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ওই সংস্থা মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট এবং রকফেলার ফাউন্ডেশন থেকে অর্থ পায়। এনজিওটি স্যাম পিত্রোদা, রকফেলার ফাউন্ডেশনের বর্তমান ভিপি এবং মার্কিন সরকারের (Rahul in US) প্রাক্তন উপদেষ্টা দ্বারা প্রতিষ্ঠিত। এতেই বোঝা যায় যে, কংগ্রেস মার্কিন ডিপ স্টেটের সাথে সমঝোতায় রয়েছে। রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) বরাবর ভারতে কোনও কাজের জন্য বিদেশী হস্তক্ষেপের দাবি করেন। যা আত্মনির্ভর ভারতের বিপরীত। এই প্রতিবেদন প্রকাশের একদিন পর, কংগ্রেস নেতা প্রবীণ চক্রবর্তী ওপিইন্ডিয়াকে হুমকি দেন। প্রবীণ চক্রবর্তী দাবি করেন যে হোয়াইট হাউসের “গোপন” বৈঠকের খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা। আসলে কংগ্রেস বুঝতে পারে এই খবর প্রকাশ্যে এলে তাদের সমস্যায় পড়তে হবে। এই ধরনের বৈঠক ভারতের জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী। প্রবীণ প্রকাশিত প্রতিবেদনের বিরোধিতা করলেও কোনও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেননি। তিনি রিপোর্টে উল্লেখিত অন্য কোনও লিঙ্ককে অস্বীকার করেননি। তিনি মার্কিন ডিপ স্টেটের সাথে স্যাম পিত্রোদা এবং রাহুল গান্ধীর সম্পর্ক নিয়েও কোনও প্রশ্ন তোলেননি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Assam: অসমে সেমি কন্ডাক্টর প্ল্যান্টের ভূমি পূজন, বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ

    Assam: অসমে সেমি কন্ডাক্টর প্ল্যান্টের ভূমি পূজন, বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেমি কন্ডাক্টর (Semiconductor Assembly) প্ল্যান্টের ভূমি পূজন হয়ে গেল অসমে (Assam)। শনিবার, ৩ অগাস্ট এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এবং টাটা সন্সের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরণ।

    প্ল্যান্ট গড়বে টাটা (Assam)

    ২৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে প্ল্যান্টটি গড়বে টাটা ইলেকট্রনিক্স প্রাইভেট লিমিটেড। এই প্ল্যান্ট হবে ভারতের প্রথম দেশিয় সেমিকন্ডাক্টর অ্যাসেম্বলি এবং টেস্টের সুবিধা যুক্ত। প্ল্যান্টটি তৈরি হবে মরিগাঁও জেলার জাগিরোডে। স্তোস্ত্র পাঠ করে পুজোয় অংশ নেন মুখ্যমন্ত্রী বিশ্ব শর্মা এবং চন্দ্রশেখরণ। পুজোয় অংশ নিয়েছিলেন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের পুরোহিতরা। প্ল্যান্টের একটি থ্রি-ডি মডেলের আবরণ উন্মোচন করেন মুখ্যমন্ত্রী। ভাষণ দেন সমাবেশে।

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

    এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, ‘মা কামাখ্যা ও শ্রীমন্ত শঙ্করদেব এবং আমাদের লোকজন ভূমি পূজন অনুষ্ঠানে অংশ নিলেন। অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন টাটা সন্সের চেয়ারম্যান শ্রী এন চন্দ্রশেখরণ।’ তিনি এও লিখেছেন, ‘প্ল্যান্ট তৈরিতে ব্যয় হবে ২৭ হাজার কোটি টাকা। কর্মসংস্থান হবে ২৭ হাজার মানুষের। ওয়ার্ল্ড ক্লাস ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইকো সিস্টেম আকর্ষণ করবে এই প্ল্যান্ট।এটি নয়া যুগের প্রযুক্তিতে বিশ্বব্যাপী নেতা হওয়ার জন্য ভারতের অনুসন্ধানকে উৎসাহিত করবে।’ অসমের জন্য এটি একটি ঐতিহাসিক দিন হয়ে থাকবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী (Assam)।

    মুখ্যমন্ত্রীর অফিসের তরফে ট্যুইট-বার্তায় বলা হয়েছে, প্ল্যান্টটি চালু হয়ে গেলে এটি অসমের ল্যান্ডস্কেপ বদলে দেবে। সমৃদ্ধির নয়া যুগের অগ্রদূত হয়ে থাকবে। চলতি বছরই গ্রিনফিল্ড অ্যাসেম্বলি, টেস্টিং, মার্কিং অ্যান্ড প্যাকেজিং ফেসিলিটি মিলবে এমন প্ল্যান্টের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মন্ত্রিসভায় পাশ হওয়ার পর ১৩ মার্চ তিনি আরও দুটি সেমি কন্ডাক্টর প্ল্যান্টের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন।

    আরও পড়ুন: হিন্দু সহপাঠীকে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা, লন্ডনের স্কুলে বহিষ্কৃত ৩ পড়ুয়া

    অসম পারলেও, এখনও বাংলায় এই জাতীয় প্রজেক্ট হয়নি বলেই অভিযোগ। অথচ ফি বছর কাঁড়ি কাঁড়ি সরকারি টাকা খরচ করে শিল্প সম্মেলনের নামে মোচ্ছব হয় (Semiconductor Assembly)। তার পরেও রাজ্যে হা-শিল্প দশা।

    অসমকে (Assam) দেখে শিক্ষা নেবে কি বাংলা?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Income Tax: নয়া আয়কর কাঠামোতেই বাজিমাত, নতুন ব্যবস্থা পছন্দ সিংহভাগ করদাতার

    Income Tax: নয়া আয়কর কাঠামোতেই বাজিমাত, নতুন ব্যবস্থা পছন্দ সিংহভাগ করদাতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা পেরিয়ে গিয়েছে। এখন জরিমানা দিয়ে রিটার্ন দাখিল করা যাচ্ছে। নতুন নিয়মে এবার আয়কর (Income Tax) রিটার্ন ফাইলিংয়ের শেষ দিনে সেকেন্ডে সর্বোচ্চ ৯১৭টি আয়কর রিটার্ন জমা পড়েছে। যা রেকর্ড বলে দফতর সূত্রে খবর।

    কত আয়কর রিটার্ন জমা পড়ল? (Income Tax)

    কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, গত ৩১ জুলাই পর্যন্ত ৭.২৮ কোটির বেশি আয়কর (Income Tax) রিটার্ন (২০২৪-২৫) ফাইল করা হয়েছে। যা গত বছরের থেকে ৭.৫ শতাংশ বেশি। গত বছর ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে ৬.৭৭ কোটি আয়কর রিটার্ন দাখিল করা হয়েছিল। আগের তিন বছর সেই সংখ্যাটা ৫.৭ কোটি থেকে ৫.৮ কোটির মধ্যে ঘোরাফেরা করছিল।  শুধুমাত্র ৩১ জুলাই জমা পড়েছে ৬৯.৯২ লাখের বেশি আয়কর রিটার্ন। ঘণ্টার নিরিখে সবথেকে আয়কর রিটার্ন জমা পড়েছে সন্ধ্যা সাতটা থেকে রাত আটটার মধ্যে। সেই সময় ৫.০৭ লাখ ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন জমা পড়েছে। উল্লেখ্য, ৩১ জুলাই ছিল আয়কর রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন। এদিন ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন দাখিলের পোর্টালে ৩.২ কোটির বেশি লগইন হয়েছে। কেন্দ্রের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শেষ দিনে প্রতি সেকেন্ডেও হু হু করে আয়কর রিটার্ন দাখিল করা হয়েছে। সেকেন্ডের নিরিখে সর্বোচ্চ আয়কর রিটার্ন জমা পড়েছে সকাল ৮ টা ১৩ মিনিট ৫৪ সেকেন্ডে। সংখ্যাটা হল ৯১৭। মিনিটের নিরিখে সর্বোচ্চ ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন জমা পড়েছে রাত ৮ টা ৮ মিনিটে। সংখ্যাটা হল ৯,৩৬৭।  

    আরও পড়ুন: ৫০০ টাকা থেকে ৫ কোটির সাম্রাজ্য! কৃষ্ণার ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই অনুপ্ররণা শত শত নারীর

    নয়া আয়কর কাঠামোয়ই বাজিমাত

    কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, পুরনো আয়কর (Income Tax) কাঠামোকে ‘গোল’ দিয়েছে নয়া কাঠামো। এবার মোট যে পরিমাণ আয়কর রিটার্ন (IT Return) দাখিল করা হয়েছে, তার ৭২ শতাংশই জমা পড়েছে নয়া আয়কর কাঠামোয়। নয়া আয়কর কাঠামোর আওতায় ৫.২৭ কোটি আয়কর রিটার্ন দাখিল করা হয়েছে। পুরনো আয়কর কাঠামোয় দাখিল করা আয়কর রিটার্নের সংখ্যা ২.০১। তবে, জরিমানা ছাড়াই আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বাড়ানো হবে কিনা, সে বিষয়ে আপাতত কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে কিছু জানানো হয়নি। কেন্দ্রের তরফে জনানো হয়েছে যে, ৩১ জুলাই পর্যন্ত এবার প্রথমবারের জন্য আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন ৫৮.৫৭ লাখের বেশি মানুষ। আর সার্বিকভাবে আয়কর রিটার্নের (IT Return) মধ্যে আইটিআর-১ ফর্মে সব থেকে বেশি রিটার্ন জমা পড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Draupadi Murmu: নিউজিল্যান্ড-ফিজি-তিমুর সফরে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে জোর

    Draupadi Murmu: নিউজিল্যান্ড-ফিজি-তিমুর সফরে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে জোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করতে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu) ৫ থেকে ১০’ই অগাস্ট পর্যন্ত ফিজি, নিউজিল্যান্ড এবং তিমোর লেস্তে সফর করবেন। নতুন দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে বিদেশ মন্ত্রকের পূর্ব বিষয়ক সচিব জয়দীপ মজুমদার একথা জানান। তিনি বলেন, ভারতের রাষ্ট্রপতির (President Of India) এটিই প্রথম ফিজি ও তিমোর সফর। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে সরকার ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ নীতি কার্যকর করেছে। দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলির ওপর বিশেষভাবে নজর দেওয়া হচ্ছে।

    ফিজিতে রাষ্ট্রপতির কী কর্মসূচি? (Draupadi Murmu)

    বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu) আগামী সপ্তাহে তিন দেশের সফরে যাচ্ছেন। তাঁর প্রথম সফর ফিজি থেকে শুরু হবে। সেই দেশের সংসদে তিনি ভাষণ দেবেন। তাঁর ফিজি সফর ৫ অগাস্ট থেকে শুরু হবে। ৭ তারিখ পর্যন্ত তিনি সেখানেই থাকবেন। ফিজিতে রাষ্ট্রপতি মুর্মু সেই দেশের রাষ্ট্রপতি উইলিয়াম কাটোনিভের এবং  প্রধানমন্ত্রী সিটিভেনি রাবুকার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করবেন। বিদেশ মন্ত্রকের পূর্ব বিষয়ক সচিব জয়দীপ মজুমদার বলেন, “ফিজির সঙ্গে আমাদের জনগণের মধ্যে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী সম্পর্ক রয়েছে। ফিজির জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশেরও বেশি ভারতীয় বংশোদ্ভূত এবং তাঁরা ভারতের ভাষা, রীতিনীতি এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণ করেছে। এই সফরের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তাঁদের কথাবার্তা হবে। আমাদের দুই দেশের জনগণের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির জন্য ভারত ও ফিজির সম্পর্ককে আরও সুনিশ্চিত করবে। ভারত-ফিজির একটি শক্তিশালী উন্নয়ন অংশীদার হয়েছে। অনেক প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কয়েক বছর আগে ঘোষণা মতো আমরা সুভাতে একটি ১০০-শয্যার তৃতীয় হাসপাতাল তৈরি করব।”

    আরও পড়ুন: ৫০০ টাকা থেকে ৫ কোটির সাম্রাজ্য! কৃষ্ণার ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই অনুপ্ররণা শত শত নারীর

    তিন দেশের সফর নিয়ে কী বললেন বিদেশ সচিব?

    রাষ্ট্রপতি মুর্মুর (Draupadi Murmu) তিন দেশ সফরের আরও বিশদ বিবরণ দিয়ে বিদেশ মন্ত্রকের পূর্ব বিষয়ক সচিব জয়দীপ  মজুমদার বলেন, “প্রেসিডেন্ট (President Of India) প্রথমে ফিজি এবং পরে নিউজিল্যান্ড এবং তারপরে তিমুর-লেস্তে যাবেন। ভারতের রাষ্ট্রপতির এই সফরের একটি বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। কারণ, এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি ঘোষণা করেছিলেন। এই তিনটি অঞ্চলই আমাদের অ্যাক্ট ইস্ট নীতির মধ্যে পড়ে। নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে আমাদের একটি খুব পুরানো এবং শক্তিশালী অংশীদারিত্ব রয়েছে, যা আমরা প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ দেশগুলির সঙ্গে আমাদের সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Infiltration: মাত্র ৫ হাজার টাকায় ভারত-বাংলাদেশে সীমান্তে মুসলমান অনুপ্রবেশ! কীভাবে হয় জানেন 

    Infiltration: মাত্র ৫ হাজার টাকায় ভারত-বাংলাদেশে সীমান্তে মুসলমান অনুপ্রবেশ! কীভাবে হয় জানেন 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যে কোনও মুসলিম ব্যক্তি বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশ (Infiltration) করতে পারে মাত্র ৫ হাজার টাকার  বিনিময়ে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের (India-Bangladesh border) পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী জেলা হল চোরা পথের প্রধান প্রবেশ দ্বার, এই তথ্য স্বীকার করেছে খোদ এক অনুপ্রবেশকারী। এই ব্যক্তি বেঙ্গালুরু থেকে পুলিশের জালে ধরা পড়েছে। ধৃতের নাম মহম্মদ হাফিজুল। বাংলাদেশি মুসলমান অনুপ্রবেশকারীদের মুক্তাঞ্চল যে পশ্চিমবঙ্গ, তা বারবার সংসদ এবং বিধানসভায় বিজেপির সাংসদ-বিধায়করা প্রশ্ন তুলে সরব হয়েছেন। তাহলে এই রাজ্যের তৃণমূল শাসক কী কিরছে? অবশ্য লোকসভার ভোটের আগে হাবড়ার এক তৃণমূল নেত্রী অনুপ্রবেশকারীদের প্রকাশ্যে আধার কার্ড, ভোটার কার্ড করার কথা ঘোষণা করেছিলেন। ফলে পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত এলাকাগুলি কতটা সুরক্ষিত, তা নিয়ে রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকায় উঠছে প্রশ্ন।

    অনুপ্রবেশকারী যুবকের বক্তব্য (Infiltration)

    অনুপ্রবেশকারী (Infiltration) মুসলমান যুবক মহম্মদ হাফিজুল পুলিশের কাছে ধরা পড়ে অনর্গল হিন্দিতে বলছে, “বাংলাদেশের খুলনায় আমার বাড়ি। টাকা দিলে ওপার থেকে এপারে (India-Bangladesh border) আসা যায়। জনপ্রতি ভারতীয় টাকায় ৫ হাজার দিলে পশ্চিমবঙ্গে খুব সহজেই ঢোকা যায়। পুলিশ, বিএসএফ কেউ ধরেও না, কিছু জিজ্ঞেসাও করে না। তবে আমি চোর নই।”

    অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় পশ্চিমবঙ্গ

    বাংলাদেশ থেকে মুসলিম অনুপ্রবেশকারীরা (Infiltration) দীর্ঘদিন ধরেই পশ্চিমবঙ্গ হয়ে সারা ভারতে যাচ্ছে। এই বিষয় নিয়ে অনেক বার রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ করতে দেখা গিয়েছে। কিন্তু সমস্যার সমাধান হয়নি। সীমান্তের বিএসএফ এবং পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে বার বার প্রশ্ন উঠেছে। পশ্চিমবঙ্গের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে এজেন্টরা সক্রিয় রয়েছে। তাদের চোরাকারবার এবং অনুপ্রবেশ করানো নিত্যদিনের ব্যবসা। একই সঙ্গে শুধু সীমান্তে অনুপ্রবেশ করানো নয়, তাদের আশ্রয় দিয়ে প্রয়োজনীয় ভোটার কার্ড, আধার কার্ডও টাকার বিনিময়ে করে দেওয়া হয়। আর এই কাজে সাহায্য করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। বাংলাদেশের অনুপ্রেবশকারীদের অধিকাংশের জাল প্রমাণপত্রের সূত্র সন্ধানে এই রাজ্যের নাম বার বার উঠে আসে। এমন দৃষ্টান্ত ছিল ২০১৪ সালের খাগড়াগড় বিস্ফোরণ কাণ্ডের মাস্টার মাইন্ড। ওই অভিযুক্তিও অনুপ্রবেশকারী ছিল। এইরকম অবৈধ পাচারচক্র একই ভাবে অসম, ত্রিপুরা প্রদেশের সীমান্ত বরাবরও সক্রিয় বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: জমা জলে প্লাবিত কলকাতা বিমানবন্দর! আগামী ১২ ঘণ্টায় আরও ভারী বৃষ্টির ইঙ্গিত

    সীমান্ত কতটা সুরক্ষিত?

    সম্প্রতি সংসদে ঝাড়খণ্ডের সাংসদ নিশিকান্ত দুবে, পশ্চিমবঙ্গের মালদা, মুর্শিদাবাদ, বিহারের পূর্ণিয়া, কিষানগঞ্জ এবং ঝাড়খণ্ডের পাকুর সহ একাধিক অঞ্চলে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী (Infiltration) মুসলমানদের সংখ্যা বৃদ্ধির ফলে আঞ্চলিক জনবিন্যাস ও ভারসাম্য বিঘ্নিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছিলেন। তিনি অবিলম্বে কেন্দ্রীয় সরকারকে পূর্ব ও উত্তরপূর্বের সীমান্ত এলাকায় সুরক্ষা এবং জনবিন্যাস বদলে যাওয়া নিয়ে সমীক্ষা করে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলেছেন। একই ভাবে রাজ্যের মুর্শিদবাদের বিজেপি বিধায়ক গৌরীশঙ্কর ঘোষ এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার অত্যন্ত আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশি মুসলমান অনুপ্রবেশ নিয়ে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indo US Space Mission: ফের মহাবিশ্বে ভারত! নাসার সঙ্গে মহাকাশে যাচ্ছেন উইং কমান্ডার শুভাংশু শুক্ল

    Indo US Space Mission: ফের মহাবিশ্বে ভারত! নাসার সঙ্গে মহাকাশে যাচ্ছেন উইং কমান্ডার শুভাংশু শুক্ল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মহাবিশ্বে, মহাকাশে মহাকালো মাঝে” ফের পা পড়তে চলেছে কোনও ভারতীয় মহাকাশচারীর। আসন্ন ভারত-মার্কিন মহাকাশ অভিযানের (Indo US Space Mission) জন্য প্রধান মহাকাশ-চারী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে উইং কমান্ডার শুভাংশু শুক্লকে ৷ শুক্রবার, ইসরোর (ISRO) তরফ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তারা হিউম্যান স্পেস সেন্টার অক্সিওম ৪ মিশনের জন্য একটা মহাকাশ ফ্লাইট চুক্তি স্বাক্ষর করেছে৷ এই মিশনের জন্য ন্যাশানাল মিশন অ্যসাইমেন্ট বোর্ড শুভাংশু শুক্লকে (Subhanshu Shukla) দেশের প্রথম প্রধান মহাকাশ যাত্রী রূপে নির্বাচিত করেছে৷ ক্যাপ্টেন বালকৃষ্ণান নায়ারকে মিশনের ব্যাকআপ রূপে সুপারিশ করা হয়েছে৷

    বাহিনীতে যোগদান

    লখনউয়ের বাসিন্দা গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু শুক্ল। প্রায় ১৮ বছর আগে তিনি ভারতীয় বায়ুসেনায় (Indo US Space Mission)  যোগ দিয়েছিলেন। গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুক্লর দিদি জানিয়েছেন, কার্গিল যুদ্ধই ছিল তাঁর বাহিনীতে যোগদানের অনুপ্রেরণা। ১৯৯৯ সালে, কার্গিল যুদ্ধের সময় গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুক্লর (Subhanshu Shukla) বয়স ছিল মাত্র ১৪ বছর। কিন্ত, ভারতীয় সেনাদের বীরত্ব ও আত্মত্যাগের বীরগাথা পড়তে পড়তেই তিনি ঠিক করে নিয়েছিলেন সশস্ত্র বাহিনীতে যোগ দেবেন। শুভাংশুর কথায় তাঁর কর্মজীবন ছিল ‘রোলারকোস্টার রাইড’৷ দীর্ঘ কর্মজীবনে তাঁর সু-৩০ এমকেআই, মিগ-২১, মিগ-২৯, জাগুয়ার-সহ একাধিক যুদ্ধবিমান চালানোর অভিজ্ঞতা লাভের মধ্যে দিয়ে তিনি একজন ফাইটার কমব্যাট লিডার এবং টেস্ট পাইলট হয়ে উঠেছেন৷

    ইসরোর স্পেস ফ্লাইট চুক্তি

    ভারতের মহাকাশে (Indo US Space Mission) প্রথম মানুষ পাঠানোর অভিযান, গগনযান মিশন হবে ২০২৬ সালে। তিন দিন ধরে পৃথিবীর কক্ষপথে ৪০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেবেন তিন ভারতীয় নভোশ্চর। তারপর, তাঁদের নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরিয়ে নিয়ে আসা হবে। ভারতীয় জলসীমায় এসে ল্যান্ড করবে তাদের মহাকাশযান। তার আগেই আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে আসন্ন অক্সিওম-৪ (Axiom-4) অভিযানে যাচ্ছে নাসা এবং মার্কিন বেসরকারি মহাকাশ সংস্থা অক্সিওম স্পেস (Axiom Space)। এই অভিযানে একজন ভারতীয় নভোশ্চরকে অংশ করার বিষয়ে অক্সিওম স্পেস এবং নাসার সঙ্গে, স্পেস ফ্লাইট চুক্তি করেছে ইসরো। সম্প্রতি সংসদে এই তথ্য জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং।

    আরও পড়ুন: ‘‘প্রধানমন্ত্রীর এনার্জি তুলনাহীন, তাঁর কাছে অনেক শেখার আছে’’, মোদিতে মুগ্ধ কামাথ

    কবে থেকে প্রশিক্ষণ

    এই অভিযানের (Indo US Space Mission) জন্য অগাস্টের প্রথম সপ্তাহেই গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুক্ল (Subhanshu Shukla) এবং গ্রুপ ক্যাপ্টেন নায়ারের প্রশিক্ষণ শুরু হবে। এই অভিযানে, তাঁরা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে নির্দিষ্ট কিছু বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং প্রযুক্তিগত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবেন। প্রসঙ্গত, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তিরুবন্তপুরমের বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টারে গগনযান মিশনের জন্য অন্য তিন মহাকাশ-চারীর সঙ্গে শুভাংশুর নামও ঘোষণা করেছিলেন৷

    ইতিহাসের সন্ধিক্ষণে

    ১৯৮৪ সালের ৩ এপ্রিল, ‘সোভিয়েত ইন্টারকসমস’ প্রোগ্রামের অধীনে, সয়ুজ টি-১১ মহাকাশযানে (Indo US Space Mission) চড়ে মহাকাশে গিয়েছিলেন ভারতীয় বায়ুসেনার প্রাক্তন পাইলট, উইং কমান্ডার রাকেশ শর্মা। এখনও পর্যন্ত তিনিই একমাত্র ভারতীয়, যিনি মহাকাশে পা রেখেছেন। আর তার ৪০ বছর পর দ্বিতীয় ভারতীয় হিসেবে মহাকাশে পা রাখতে চলেছেন শুভাংশু (Subhanshu Shukla)। শেষ মুহূর্তে কোনও কারণে গ্রুপ ক্যাপ্টেন শুক্ল মহাকাশে যেতে না পারলে, গ্রুপ ক্যাপ্টেন নায়ার যাবেন নাসার সঙ্গে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: ভারত খাদ্য উদ্বৃত্ত দেশ; বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তার সমাধানে কাজ করছি, বার্তা মোদির 

    Narendra Modi: ভারত খাদ্য উদ্বৃত্ত দেশ; বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তার সমাধানে কাজ করছি, বার্তা মোদির 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত একটি খাদ্য উদ্বৃত্ত দেশ; বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তার (Global food security) সমাধান দিতে কাজ করছি আমরা। আজ দেশ খাদ্যশস্য, ফল, শাকসবজি, তুলা, চিনি এবং চায়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম উত্পাদনকারী দেশ হয়ে উঠেছে। নতুন দিল্লিতে কৃষি অর্থনীতিবিদদের ৩২ তম আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এই ভাবেই বক্তব্য রাখলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)।

    কী বললেন মোদি (Narendra Modi)?

    প্রায় ৬৫ বছর পর ভারতে আয়োজিত কৃষি অর্থনীতিবিদদের (ICAE) ৩২ তম আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন করার পরে একটি বিশেষ ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি (Narendra Modi) বলেছেন, “কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৪-২৫ সালে দেশের জন্য একটি মজবুত এবং টেকসই কৃষিনীতির উপর জোর দিয়েছি। শেষবার যখন নতুনদিল্লিতে এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল, সেই সময় ভারত সবেমাত্র স্বাধীনতা অর্জন করেছিল। তখন ভারতের মতো দেশের কাছে কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তার জন্য একটি অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির পর্ব ছিল। বর্তমানে আমাদের দেশ একটি খাদ্য উদ্বৃত্ত দেশ। ভারত এখন বিশ্বের এক নম্বর দুধ, ডাল এবং মশলা উৎপাদনে। সেই সঙ্গে খাদ্যশস্য, ফল, শাকসবজি, তুলা, চিনি এবং চায়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।”

    আরও পড়ুন: এসি ছাড়াই ঠাণ্ডা হয় ব্যাঙ্গালুরুর এই অফিস! কীভাবে সম্ভব?

    ডিজিটাল কৃষি পদ্ধতির ব্যবহার বৃদ্ধি করা (Narendra Modi)

    এই সম্মেলনে প্রায় ৭০টি দেশের প্রায় ১০০০ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করছেন। এবারের এই সম্মেলনের থিম হল “সুরক্ষিত কৃষি-খাদ্য (Global food security) ব্যবস্থার দিকে রূপান্তর”। প্রধানমন্ত্রী মোদি (Narendra Modi) আরও বলেছেন, “একটা সময় ছিল যখন ভারতের খাদ্য নিরাপত্তা বিশ্বের জন্য উদ্বেগজনক ছিল। এখন, ভারত বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক পুষ্টি নিরাপত্তার সমাধান দেওয়ার জন্য কাজ করে চলেছে। ভারত গত ১০ বছরে ১৯০০টি নতুন জলবায়ু-সহনশীল ফসলের প্রজনন করার কাজ করেছি আমরা। ভারত রাসায়নিক মুক্ত প্রাকৃতিক চাষের প্রচার করছে। দেশ বর্তমানে পেট্রোলের বদলে ২০ শতাংশ ইথানল মিশ্রণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের দিকে এগিয়ে চলেছে। এই সম্মেলনে বিশ্বজুড়ে কৃষি সমস্যার বিষয়ে ভারতের সক্রিয় দৃষ্টিভঙ্গিকে তুলে ধরা হবে। একই সঙ্গে কৃষি গবেষণা ও নীতিতে দেশের অগ্রগতি প্রদর্শন করবে কীভাবে, সেই দিকগুলির কথা তুলে ধরা হবে এই সম্মেলনে। তরুণ গবেষক এবং নেতৃস্থানীয় পেশাদারদের জন্য তাদের কাজ একটি প্ল্যাটফর্ম প্রদান করবে বলে আশা রাখছি। এর লক্ষ্য হল গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে অংশগ্রহণকে জোরদার করা। দেশব্যাপী এবং বৈশ্বিক উভয় স্তরে নীতিনির্ধারণকে প্রভাবিত করা। একই সঙ্গে ডিজিটাল কৃষি এবং টেকসই কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থার অগ্রগতি সহ ভারতের কৃষি অগ্রগতি প্রদর্শন করা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mindspace Architects: এসি ছাড়াই ঠাণ্ডা হয় ব্যাঙ্গালুরুর এই অফিস! কীভাবে সম্ভব?

    Mindspace Architects: এসি ছাড়াই ঠাণ্ডা হয় ব্যাঙ্গালুরুর এই অফিস! কীভাবে সম্ভব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মনে করুন আপনি অফিসে বসে ল্যাপটপে কাজ করছেন, আর কাজের ফাঁকে জানলার বাইরে তাকালেই ঘন সবুজে ঘেরা প্রকৃতি দেখতে পাচ্ছেন। না আমি কোনও অবাস্তব কথা বলছি না, আমি বলছি ব্যাঙ্গালুরুর মাইন্ডস্পেস আর্কিটেক্টসের (Mindspace Architects) কথা। ব্যাঙ্গালুরুর (Bengaluru) এই অফিসকে ঘিরে রয়েছে শতাধিক গাছ, যার ফলে এই অসিফে কোনও এসির প্রয়োজন হয়না, প্রাকৃতিক উপায়েই শীতল থাকে অফিসের পরিবেশ। 

    মাইন্ডস্পেস আর্কিটেক্টসের বিশেষত্ব (Mindspace Architects) 

    মাইন্ডস্পেস আর্কিটেক্টস আসলে ব্যাঙ্গালুরুতে (Bengaluru) অবস্থিত একটা স্থাপত্য। এর গঠন অনেকটা ভাসমান ক্রুজের মতো। অফিসটির পূর্ব দিকে ৬.৫ একর জায়গা জুড়ে একটি হ্রদ অবস্থিত। ২০০৪ সালের অক্টোবরে সঞ্জয় মোহে, বাসুকি প্রকাশ, সূর্যনারায়ণন এবং স্বেতার হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এই মাইন্ডস্পেস আর্কিটেক্টস। তবে মাইন্ডস্পেস বর্তমানে সঞ্জয় মোহে, মেদাপ্পা, সূর্যনারায়ণন, অমিত সোয়াইন এবং স্বেতা সহ ২১ জন কর্মী নিয়ে গঠিত, যারা সকলেই এখন একটি দল হিসাবে কাজ করে।

    কী জানালেন মাইন্ডস্পেসের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা স্বেতা? 

    মাইন্ডস্পেসের (Mindspace Architects) অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা স্বেতা জানিয়েছেন, তাদের এই স্থাপত্যে আবহাওয়ার একটা বিরাট ভূমিকা রয়েছে। যেহেতু এই অফিসের আকার ক্রুজের মতো, তাই এর প্রত্যেকটা ফ্লোরের ছাদেই সবুজে ঘেরা বাগান রয়েছে। এর ফলে অফিসের কোনও ছাদেই সরাসরি সূর্যের আলো পড়ে গরম করতে পারেনা। স্বাভাবিকভাবেই এর জন্য সব ফ্লোরই প্রাকৃতিক উপায়ে ঠাণ্ডা থাকে। অন্যদিকে, ছাদের ওপর সবুজ ঘাসের ৬৫০ মিটারের লম্বা রাস্তাও রয়েছে। মন চাইলে খালি পায়ে সবুজে ঘেরা ছাদ বাগানে ঘুরে আসাই যায়। অনেক ভাবনা চিন্তা করেই এমন একটি স্থাপত্যে বানিয়েছেন তাঁরা। এমনটাই জানালেন স্বেতা। বললেন, “আমরা সবসময়ই চেয়েছি চোখের শান্তির সঙ্গে যেন মনেও শান্তি আসে।” 

    আরও পড়ুন: চাঁদের মাটির নমুনায় জলের উপস্থিতি! নিশ্চিত করল চিনা বিজ্ঞানীরা

    জানা গিয়েছে, এই গোটা স্থাপত্যটি (Mindspace Architects) অপরিশোধিত গ্রানাইট ব্যবহার করে তৈরি হয়েছে। এর ফলে সূর্যের প্রচণ্ড তাপ দেওয়াল ভেদ করে ভেতরে প্রবেশ করতে পারবে না, ফলে অফিসের ভেতরের তাপমাত্রা সবসময় বাইরের তাপমাত্রার তুলনায় অনেক শীতল থাকে। এই গোটা এলাকা জুড়ে সবুজে ঘেরা প্রকৃতির মধ্যে একাধিক মিটিং স্পেস বা বসার জায়গা রয়েছে। এছাড়াও লেকের ধারে মনোরম দৃশ্যের সঙ্গে ঠাণ্ডা হাওয়া সারাদিনের কর্ম ক্লান্তিকে এক নিমেষেই দূর করতে সাহায্য করে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Iran-Israel Tensions: উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য! ইজরায়েলে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের জন্য সতর্কবার্তা

    Iran-Israel Tensions: উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য! ইজরায়েলে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের জন্য সতর্কবার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় সম্মুখ সমরে ইজরায়েল ও ইরান (Iran-Israel Tensions)। হামলা পালটা হামলায় নতুন করে উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য। যে কোনও সময়ে ওই অঞ্চলে (Middle East) থাকা ভারতীয় নাগরিকরাও আক্রান্ত হতে পারেন। তাঁদের জন্য গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারতীয় দূতাবাস। জারি করা হয়েছে সতর্কবার্তা।

    হামলা-পাল্টা হামলা

    সম্প্রতি তেহরানে বাড়িতে ঢুকে খুন করা হয়েছে হামাসের প্রধান ইসমাইল হানিয়াকে। হামাস এবং ইরান (Iran-Israel Tensions) সেনার বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, ‘জিয়োনিস্ট’রা হানিয়ার বাড়িতে ঢুকে হামলা চালিয়েছে। ঘটনার তদন্ত করে দেখা হবে বলে জানিয়েছে তারা। উল্লেখ্য, ইরানের নয়া প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতেই তেহরান গিয়েছিলেন হানিয়া। অন্যদিকে নিহত হয়েছেন ইরানের মদতপুষ্ট সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লার অন্যতম নেতা ফুয়াদ শুক্রও, এমন দাবি করেছে ইজরায়েল। মঙ্গলবার থেকে সিরিয়াকে কেন্দ্র করে লড়াই শুরু হয়েছিল ইজরায়েল এবং হিজবুল্লার মধ্যে। হিজবুল্লা, তাদের অধিকৃত ‘সিরিয়ান গোলান মালভূমি’ (গোলান হাইটস) এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল বলে অভিযোগ। পাল্টা জবাব দেয় ইজরায়েলের সেনাও। দু’পক্ষের লড়াইয়েই খতম ফুয়াদ, দাবি ইজরায়েলের।

    ভারতীয়দের জন্য সতর্কতা

    এই ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্য (Middle East) আরও উত্তাল হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে ভারত এবং অন্যান্য বেশ কয়েকটি দেশ এই অঞ্চলে সতর্কতা জারি করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইজরায়েল ও হিজবুল্লার (Iran-Israel Tensions) মধ্যে যে সংঘাত শুরু হয়েছে তাতে হামাসের ষড়যন্ত্রই কার্যত সফল হচ্ছে। হিজবুল্লার যুক্তি ছিল গাজায় হামাসকে সমর্থন জানিয়েই এই আক্রমণ শানানো হচ্ছে। পাশাপাশি লোহিত সাগর উত্তপ্ত করে রেখেছে ইরানের মদতপুষ্ট ইয়েমেনের হাউথিরা। কয়েকদিন আগেই তারা তেল আভিভের মার্কিন দূতাবাসের সামনে ড্রোন হামলা চালায়। সেখানেও ঘটে প্রাণহানি। ফলে সবদিক থেকে ইজরায়েলকে কার্যত ঘিরে ফেলেছে সশস্ত্র সংগঠনগুলো। এজন্য ইজরায়েলে থাকা ভারতীয়দের সতর্ক থাকতে বলেছে দিল্লি।

    আমেরিকার সাহায্যের আশ্বাস

    বৈরুতে (Middle East) ভারতীয় দূতাবাস ভারতীয় নাগরিকদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত লেবানন ভ্রমণের ক্ষেত্রেও সতর্ক হত বলা হয়ছে। এমনকি লেবানন ছাড়ারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা প্রোটোকল মানতে বলা হয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়া তেল আভিভ থেকে তাদের বিমান বন্ধ রেখেছে। পেন্টাগন জানিয়েছে, ইরান এবং তার মিত্রদের সম্ভাব্য হামলা থেকে ইজরায়েলকে রক্ষা করতে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত যুদ্ধজাহাজ এবং ফাইটার জেট পাঠাবে। আমেরিকা জানিয়েছে তারা যুদ্ধ চায় না কিন্তু ইজরায়েলকে (Iran-Israel Tensions) সবরকম সাহায্য করা হবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Assassination:  ‘অ্যাসেসিনেশন’ শব্দটা এসেছে মুসলমান গাঁজা সেবনকারীদের থেকে?

    Assassination:  ‘অ্যাসেসিনেশন’ শব্দটা এসেছে মুসলমান গাঁজা সেবনকারীদের থেকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অ্যাসেসিনেশন’ (Assassination)। ছোট্ট এই শব্দটি নিয়েই বর্তমানে চলছে চুলচেরা (Muslims) বিশ্লেষণ। শব্দটির অর্থ ‘হত্যা’। ১৩ জুলাই পেনসিলভানিয়ার বাটলারে একটি জনসভায় যোগ দেওয়ার সময় হত্যার চেষ্টা করা হয় প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট তথা রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। তার পর থেকেই ‘অ্যাসেসিনেশন’ শব্দটি নিয়ে চলছে জোর চর্চা।

    ‘অ্যাসেসিনেশন’ শব্দটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ

    গোটা বিশ্বের ইতিহাসে যুদ্ধ এবং স্পাইক্র্যাফ্টের ক্ষেত্রে ‘অ্যাসেসিনেশন’ শব্দটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শব্দটি প্রায়ই ব্যবহৃত হয় প্রধান চরিত্রগুলোকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য। প্রতিপক্ষ যাতে সব সময় অস্থিতিশীল থাকে, সেজন্যও এই শব্দ ব্যবহার করা হয়। ইতিহাসে বহু সফল অ্যাসেসিনেশনের ঘটনা ঘটেছে। এই তালিকায় যেমন রয়েছেন জুলিয়াস সিজার (৪৪ বিসিই), তেমনি রয়েছেন ৩৫তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডিও। এই তালিকায়ই চলে এসেছেন ট্রাম্প। ট্রাম্পকে অবশ্য হত্যা করতে পারেনি দুষ্কৃতী। হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল। তার পর থেকেই ব্যাপক চর্চায় চলে এসেছে ‘অ্যাসেসিনেশন’ শব্দটি।

    অন্ধকারের গর্ভ হতে জন্মানোর পরিচয়

    ঘাতকরা প্রাচ্য এবং প্রতীচ্য দুই অঞ্চলের ইতিহাসেই দীর্ঘস্থায়ী একটা ছাপ রেখে গিয়েছে। ‘অ্যাসেসিনেশন’ (Assassination) শব্দটি বয়ে বেড়াচ্ছে অন্ধকারের গর্ভ হতে তার জন্মানোর পরিচয়। এটি ইচ্ছাকৃত ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত হত্যার রীতিকে বোঝায়। যারা হত্যা করে, সেই ঘাতকদের গল্পটা ভয়ের স্থায়ী শক্তির স্মারক হয়ে দাঁড়ায়। সেই কারণেই মানুষ জানতে চায় ঘাতকদের সম্পর্কে। জানতে চায়, কীভাবেই বা তারা খুনটা করেছিল, খুন করতে গিয়ে তারা গঞ্জিকা সেবন করেছিল কিনা।

    আরও পড়ুন: হিন্দু সহপাঠীকে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা, লন্ডনের স্কুলে বহিষ্কৃত ৩ পড়ুয়া

    শব্দটির অশুভ উৎস

    এই ‘অ্যাসেসিনেশন’ শব্দটির একটি আকর্ষণীয় (Muslims) এবং অশুভ উৎস রয়েছে। এটি নিহিত ছিল একটি মধ্যযুগীয় শিয়া মুসলমান সম্প্রদায়ের ইতিহাসে। এই সম্প্রদায়টি ঘাতক হিসেবে পরিচিত। মুসলমানদের এই গোষ্ঠীটিকে বলা হয় ‘নিজারি ইসমাইলিস’। একাদশ শতাব্দীর শেষাশেষি জনৈক হাসান-ই সাব্বাহের নেতৃত্বে পারস্য ও সিরিয়ার পার্বত্য অঞ্চলে আবির্ভুত হয়েছিল এই গোষ্ঠী। বলা হয়, একাধিক মুসলমান সম্প্রদায় ভেঙে তৈরি হয়েছিল শিয়া ইসমাইলিসের। অষ্টম শতাব্দীর ষষ্ঠ ইমাম জাফর আল সিদ্দিকির বড় ছেলে ইসমাইলের প্রতি আনুগত্য দেখাতেই একাদশ শতাব্দীতে জন্ম হয়েছিল মুসলমানদের এই গোষ্ঠীটির।

    গোঁড়া শিয়া

    এদিকে, গোঁড়া শিয়ারা সপ্তম ইমাম হিসেবে মেনে নিয়েছিল ইসমাইলের ভাই মুসা আল কাজিমকে। তখন ইসমাইলিদের সমর্থন জুগিয়েছিলেন মুহাম্মদ আল মাহদি। এই ইসমাইলিরা বিশ্বাস করত, মাহদি আসবেন এবং শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করবেন। ইসমাইলিদের এই জগৎ একেবারেই আলাদা গোঁড়া শিয়া এবং আলাদা বাগদাদ ভিত্তিক আব্বাসীয় খিলাফতের থেকে। একাদশ শতকে রাজবংশ সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ইসমাইলি সম্প্রদায় দুটি দলে বিভক্ত হয়ে যায়। এর পরেই আবু মঞ্জুর নিজারের সমর্থকরা (Assassination) নিজারি ইসমাইলিস নামে পরিচিত হয়। এরাই অতঃপর হত্যাকারীতে পরিণত হয়।

    নিজারি ইসমাইলি

    ১১৩০ থেকে ১১৫১ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে সম্প্রদায়টি প্রসার লাভ করে। এরা প্রথমে বিভিন্ন পাহাড়ের চূড়ার দুর্গগুলির কয়েকটির দখল নেয়। পরে উত্তর সিরিয়ায় তারা বেশ শক্তিশালী একটি ঘাঁটি গড়ে তোলে। এর মধ্যে জাবাল আনসারিয়া অঞ্চলে এদের সংগঠন বেশ মজবুত ছিল। এই আনসারিয়া ছিল সিরিয়ার ক্রুসেডার রাষ্ট্রগুলির সীমান্ত এলাকা। সিরিয়ার ওরন্টেস উপত্যকার দুর্গযুক্ত শহর মাসয়াফকে নিজারি ইসমাইলিরা দখল করেছিল ১১৪১ খ্রিস্টাব্দে। এই শহরই হয়ে উঠেছিল, নিজারি ইসমাইলিদের রাজধানী। মুসলমানদের হাত থেকে এডেসার নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করতে হয় দ্বিতীয় ক্রুসেড। এই ক্রুসেড ব্যর্থ হয়। 

    ক্রুসেডার রাষ্ট্রগুলিকে শ্রদ্ধাঞ্জলি

    নিজারি ইসমাইলিরা (যারা হাসান-ই সাব্বাহের অনুগামী হিসেবেও পরিচিত) কখনও কখনও তাদের পৃথক অস্তিত্ব বজায় রাখতে ক্রুসেডার রাষ্ট্রগুলিকে শ্রদ্ধাঞ্জলি দিত। আবার এই হাসাশিনরা কখনও কখনও সুন্নি মুসলমানদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ক্রুসেডারদের সমর্থনও করেছিল। এই হাসাশিন থেকেই এসেছে ‘অ্যাসেসিনেশন’ শব্দটি। ‘হাসাশিন’ নামটি হাসান-ই সাব্বাহের অনুগামীদের দেওয়া। এঁর অনুগামীদের হাসাশিন আখ্যা দেওয়া হত। কারণ কাউকে হত্যা করার আগে তারা সেবন করত গঞ্জিকা অর্থাৎ গাঁজা। হাসাশিন আরবি শব্দ। এর অর্থ হল, যে হাসিস বা গাঁজা খায়। কালক্রমে বিবর্তিত হতে হতে এই শব্দটিই প্রথমে ল্যাটিন ভাষায় হত্যাকারী এবং পরে ইউরোপীয় ভাষায়ও হত্যাকারীতে রূপান্তরিত হয়। যা থেকে আধুনিক ‘অ্যাসেসিনেশন’ শব্দের জন্ম বলে অনুমান ভাষাতত্ত্ববিদদের। বর্তমানে ‘অ্যাসেসিনেশন’ শব্দের অর্থ ইচ্ছাকৃতভাবে একজন বিশিষ্ট বা গুরুত্বপূর্ণ (সাধারণত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব) ব্যক্তিকে (Muslims) হত্যা করা বোঝায় (Assassination)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।    

LinkedIn
Share