Blog

  • Haifa Port: বিক্রি হয়ে গেল ইজরায়েলের প্রধান বন্দর হাইফা, বর্তমান মালিক আদানি 

    Haifa Port: বিক্রি হয়ে গেল ইজরায়েলের প্রধান বন্দর হাইফা, বর্তমান মালিক আদানি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিক্রি হয়ে গেল ভূমধ্য সাগরের তীরে অবস্থিত ইসরায়েলের প্রধান বন্দর হাইফা (Haifa Port)। ভারতের আদানি গ্রুপ (Adani Ports) এবং ইসরায়েলের (Israel) বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গাগত যৌথভাবে কিনেছে সেই বন্দর। ১১৮ কোটি মার্কিন ডলারে রফা হয়েছে। গতকাল বিষয়টি জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স। 

    রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২ বছরের দরপত্র প্রক্রিয়ার শেষে কম মূল্যে আমদানি ও স্বল্প সময়ে পণ্য খালাসের শর্তে আদানি ও গাগতের কাছে হাইফা বন্দর বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী আভিগদর লিবারম্যান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “হাইফা বন্দরের বেসরকারিকরণ, অন্যান্য বন্দরগুলির মধ্যে প্রতিযোগিতা বাড়াবে এবং জীবনযাত্রার খরচ কমাবে।” সংশ্লিষ্ট এক আধিকারিক জানান, হাইফা বন্দরের অংশীদারিত্বের ৭০ শতাংশ আদানি গ্রুপ ও ৩০ শতাংশ গাদত পেয়েছে। 

    আরও পড়ুন: পিছিয়ে পড়লেন আদানি! আবারও এশিয়ার ধনীতম ব্যক্তি আম্বানি 

    আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানি (Gautam Adani) ট্যুইটে লেখেন, “দরপত্রে জয়ী হতে পেরে আনন্দিত। ২ দেশের কাছেই এর কৌশলগত ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম। হাইফায় আসতে পেরে গর্বিত। ১৯১৮ সালে এখানে নেতৃত্ব দিয়েছে ভারত। সামরিক ইতিহাসের অন্যতম সেরা ঘটনা।”

    [tw]


    [/tw]

    হাইফা বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দরপত্রে বিজয়ী প্রতিষ্ঠান ২টি ২০৫৪ সাল পর্যন্ত বন্দর পরিচালনা করবে।      

    গত বছর বন্দরে কর্মীর অভাব, লকডাউন, বিশ্বের অনেক অংশে পরিবহন জট ও ভাড়ায় চালিত জাহাজের খরচের কারণে বন্দর বিশাল ক্ষতির মুখ দেখে। যার প্রভাব ইসরায়েলেও পড়ে। দেশটির সমস্ত পণ্যের প্রায় ৯৮ শতাংশ সমুদ্রপথে আসা-যাওয়া করে। কারমেল পর্বত দ্বারা বেষ্টিত হাইফা বন্দর শতাব্দি পুরোনো। ইসরায়েলের প্রধান এই বন্দর দিয়ে গত বছর অর্ধেক পণ্য পরিবহন করা হয়েছে। 

    আদানি গ্রুপ বন্দর ব্যবস্থাপনা, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণ, জ্বালানি, খনি, বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনা, প্রাকৃতিক গ্যাস, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ করে থাকে। বিশ্বের ৫০টি দেশের ৭০টি স্থানে তারা ব্যবসা করে। তাদের বার্ষিক আয় ২ হাজার কোটি ডলারেরও বেশি।    

     

  • new railway line: ১১৬ কিমি বিস্তৃত নয়া রেললাইন! যুক্ত করবে দুটি রাজ্য, তিনটি ধর্মীয় স্থানকে

    new railway line: ১১৬ কিমি বিস্তৃত নয়া রেললাইন! যুক্ত করবে দুটি রাজ্য, তিনটি ধর্মীয় স্থানকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তেরঙ্গা হিল-অম্বাজি-আবু রোড নতুন রেললাইন চালু করতে চলেছে কেন্দ্র।  ১১৬ কিমি বিস্তৃত এই রেললাইন তৈরি করতে সময় লাগবে প্রায় চার বছর। খরচ পড়বে আনুমানিক দুই হাজার ৭৯৮ কোটি টাকা। নতুন এই প্রকল্পের কথা জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

    অনুরাগ জানান, নরেন্দ্র মোদি সরকার যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করার জন্য এই নতুন রেললাইনের অনুমোদন দিয়েছে। তিনি বলেন,“এই প্রকল্পের আনুমানিক খরচ পড়বে ২৭৯৮.১৬ কোটি টাকা। ২০২৬-২৭ সালের মধ্যেই এই নয়া রেলপথের কাজ সম্পন্ন হবে। নতুন রেললাইন দুটি রাজ্য, তিনটি ধর্মীয় স্থানকে যুক্ত করবে। এই নয়া লাইনের ফলে মূল রেল লাইনে চাপ অনেকটা কমে যাবে।” 

    [tw]


    [/tw]

    গুজরাটের মেহসানা জেলায় অবস্থিত তেরঙ্গা একটি তিন-চূড়া পাহাড়। এটি বৌদ্ধ এবং জৈন দুই সম্প্রদায়ের মানুষের কাছেই তাৎপর্যপূর্ণ। গুজরাট পর্যটন দফতরের ওয়েবসাইট অনুসারে, এখানে অবস্থিত প্রাচীনতম জৈন মন্দিরটি ১২ শতকে নির্মিত হয়েছিল। এই পাহাড়ের নানা জায়গায় বৌদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভগুলি চতুর্থ শতাব্দীর।

    মন্দির শহর অম্বাজি গুজরাটের বানাসকান্থা জেলায় অবস্থিত। এটি দেবী আরাসুরি অম্বার প্রধান মন্দির। যা প্রাক-বৈদিক যুগ থেকে পূজিত হয়ে আসছে। আবু রোড হল রাজস্থানের সিরোহিত জেলার একটি শহর। দেশের নানা প্রান্ত থেকে বহু পর্যটন-প্রেমী মানুষ এখানে আসেন। 

    আরও পড়ুন: কয়লা পাচার কাণ্ডে ফের তলব মলয় ঘটককে! ইডির সমন বাঘমুণ্ডির তৃণমূল বিধায়ককেও

    বহুদিন ধরে রাজস্থান-গুজরাট দুই রাজ্যের মানুষ আমদাবাদ-আবু রোড বিকল্প এই রেললাইনের দাবি জানিয়ে আসছেন। কেন্দ্রের অভিমত, এই নতুন প্রকল্প মানুষের মধ্যে সংযোগ বাড়াবে। কম সময়ে অনেকটা পথ অতিক্রম করা যাবে। এই রেললাইনের মধ্য দিয়ে কৃষি ও স্থানীয় পণ্য দ্রুত আমদানি-রফতানি করা যাবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নও হবে। প্রকল্পটি রূপায়নের সময় আনুমানিক ৪০ লক্ষ মানুষ কাজ পাবেন। 

     

  • ASIA Cup 2022: কোথায় এশিয়া কাপ? শ্রীলঙ্কা না বাংলাদেশ

    ASIA Cup 2022: কোথায় এশিয়া কাপ? শ্রীলঙ্কা না বাংলাদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনৈতিক অস্থিরতায় জেরবার শ্রীলঙ্কা (Srilanka)। তাই দ্বীপরাষ্ট্র থেকে আসন্ন এশিয়া কাপ (ASIA Cup 2022) সরানোর কথা ভাবছে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (ACC)। আগামী অগস্টে শ্রীলঙ্কায় এশিয়া কাপ হওয়ার কথা। একটি সূত্রে পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (Asian Cricket Council) বাংলাদেশ  ক্রিকেট বোর্ডকে (Bangladesh Cricket Board) তৈরি থাকতে বলেছে। কয়েক দিন আগেও শ্রীলঙ্কা থেকে এশিয়া কাপ সরিয়ে নেওয়ার কথা ভাবেনি এসিসি। কিন্তু শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষে ও প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমসিঙ্ঘের বাসভবন বিক্ষোভকারীদের দখলে চলে যাওয়ার পরেই আর ঝুঁকি নিতে চাইছে না এসিসি।

    শ্রীলঙ্কার অবস্থা একেবারেই ভাল নয়। শ্রীলঙ্কায় কী শেষ পর্যন্ত এশিয়া কাপের ম্যাচ হবে? প্রশ্ন ক্রিকেট মহলে। অবস্থা খারাপ থেকে খারাপের দিকে যাওয়ার পর সেখানকার মানুষ সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছে। শ্রীলঙ্কার রাষ্ট্রপতি দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। তাঁর বাসভবন সাধারণ মানুষের দখলে। এ প্রসঙ্গে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (BCCI) সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমি কিছু বলতে পারছি না। তবে আমরা নজর রাখছি। অস্ট্রেলিয়া দল বর্তমানে সেখানে খেলছে। সত্যি বলতে শ্রীলঙ্কা দলও ভাল পারফর্ম করছে। এমন পরিস্থিতিতে এখন আরও এক মাস অপেক্ষা করা যাক।’

    আরও পড়ুন: শ্যুটিং বিশ্বকাপে সোনা জয় বঙ্গকন্যা মেহুলির

    ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান, বাংলাদেশের এশিয়া কাপে খেলার কথা। ষষ্ঠ দেশ হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কুয়েত, হংকং, সিঙ্গাপুরের মধ্যে যে কোনও একটি দেশের খেলার কথা। এই চারটি দেশকে নিয়ে একটি যোগ্যতা অর্জন প্রতিযোগিতা হওয়ার কথা। জানা গিয়েছে, বিভিন্ন দেশের ক্রিকেটাররাও এই মুহূর্তে একেবারেই শ্রীলঙ্কায় গিয়ে খেলতে চাইছেন না। তাঁরা তাঁদের আপত্তির কথা নিজেদের দেশের বোর্ডকে জানিয়ে দিয়েছে। সব থেকে বড় কথা, শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট বোর্ডও বর্তমান পরিস্থিতিতে এশিয়া কাপের মতো বহুদেশীয় প্রতিযোগিতা আয়োজন করার ব্যাপারে খুব একটা আত্মবিশ্বাসী নয়। তবে তারা এখনই কিছু বলতে চাইছে না। এশিয়া কাপ আয়োজনের আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে সিংহলীরা। তবে শ্রীলঙ্কা যদি একান্তই না পারে তাহলে এ ব্যাপারে এখন বাংলাদেশই এগিয়ে রয়েছে। 

  • CUET UG: কুয়েট পরীক্ষায় বসছেন? জেনে নিন এই নিয়মগুলি

    CUET UG: কুয়েট পরীক্ষায় বসছেন? জেনে নিন এই নিয়মগুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে স্নাতকস্তরে ভরতির জন্যে প্রবেশিকা পরীক্ষা (CUET) নেবে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA)। দুটি ভাগে নেওয়া হবে এই পরীক্ষা। ১৫,১৬,১৯,২০ জুলাই হবে এই পরীক্ষা। অগাস্টের ৪-৮ নেওয়া হবে পরীক্ষার দ্বিতীয় ভাগ। 

    দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রবেশিকা পরীক্ষা কুয়েট। প্রায় ১৫ লক্ষ পরীক্ষার্থী বসবেন পরীক্ষা। দেশজুড়ে ৫৪,৫৫৫ বিষয়ে পড়ার জন্যে আবেদন করেছেন ছাত্রছাত্রীরা। দুটি টাইম স্লটে নেওয়া হবে পরীক্ষা। একটি স্লট সকালে এবং অপরটি বিকালে।

    আরও পড়ুন: কুয়েট পরীক্ষায় আবেদন ১১ লক্ষ পরীক্ষার্থীর, জানাল ইউজিসি

    কীভাবে দেওয়া হবে নম্বর?

    দুটি পরীক্ষারই পার্সেন্টাইল আলাদাভাবে হিসেব করা হবে। নম্বর নয় কোন প্রার্থীর কী অবস্থান তার তালিকা প্রকাশ করা হবে। 

    যেসব প্রার্থীরা একাধিক বিষয়ে আবেদন করেছেন তাঁরা কী দুটি স্লটের মধ্যে বিরতি পাবেন?

    পরীক্ষার হল থেকে বেরোতে পারবেন না পরীক্ষার্থী। যতক্ষণ না পরীক্ষাটি শেষ হবে, পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষার হলেই বসে থাকতে হবে।

    আরও পড়ুন: ‘কুয়েট’ স্নাতক প্রবেশিকা পরীক্ষার দিন ঘোষণা এনটিএ-র, বিশদে জেনে নিন

    সব প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে? নেগেটিভ নম্বর আছে?

    সাহিত্যের বিষয়ে ৫০ টি করে প্রশ্ন থাকবে। কমপক্ষে ৪০ টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। 

    জেনারেল টেস্ট পেপারে ৭৫টি প্রশ্ন থাকবে। অন্তত ৬০টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। 

    প্রতি ভুল উত্তরের জন্যে ১ নম্বর করে কাটা যাবে।

    কম্পিউটার সায়েন্সের ক্ষেত্রে ৮৫টি প্রশ্ন থাকবে। তার মধ্যে ১৫টি জেনারাল প্রশ্ন বাধ্যতামূলক। 

    অঙ্কের ক্ষেত্রেও ৮৫টি প্রশ্ন থাকবে।

    একজন পরীক্ষার্থী একাধিক বিষয়ের জন্যে পরীক্ষা দিলে কী প্রশ্ন কোনও নির্দিষ্ট নিয়মে আসবে?

    কোন বিষয়ে আগে পরীক্ষা দেবেন তা ঠিক করবেন পরীক্ষার্থী। 

    কী কী বিষয় মাথায় রাখতে হবে?

    পরীক্ষার ২ ঘণ্টা  আগে রিপোর্ট করতে হবে পরীক্ষার্থীকে। 

    অ্যাডমিট কার্ডে যে সময় দেওয়া থাকবে সেই সময়েই পরীক্ষা কেন্দ্রে আসতে হবে। তার আগে বা পরে না।

    গেট বন্ধ হওয়ার পরে আর কোনও পরীক্ষার্থীকে ঢুকতে দেওয়া হবে না।

    অ্যাডমিট কার্ডের প্রিন্টেড কপি নিজের সই করে নিয়ে যেতে হবে। 

    একটি আইডি কার্ডও সঙ্গে রাখতে হবে। 

    কী নিয়ে যাওয়া যাবে, কী নেওয়া যাবে না?

    স্বচ্ছ জলের বোতল, স্যানিটাইজার এবং বল পেন নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়া যাবে। সঙ্গে রাখতে হবে অ্যাডমিট। 

    একটি পাসপোর্ট সাইজের ছবিও রাখতে হবে সঙ্গে। 

    নিজের মাস্ক পরে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢোকা যাবে না। পরীক্ষা কেন্দ্র থেকেই দেওয়া হবে মাস্ক। 

     

  • Gotabaya Rajapaksa:  সিঙ্গাপুরেই স্বস্তি! আপাতত ১১ আগস্ট পর্যন্ত সেখানে থাকতে পারবেন গোতাবায়া রাজাপক্ষে

    Gotabaya Rajapaksa: সিঙ্গাপুরেই স্বস্তি! আপাতত ১১ আগস্ট পর্যন্ত সেখানে থাকতে পারবেন গোতাবায়া রাজাপক্ষে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপাতত ১১ আগস্ট পর্যন্ত সিঙ্গাপুরে (Singapore) থাকতে পারবেন দ্বীপরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট (Former President) গোতাবায়া রাজাপক্ষ (Gotabaya Rajapaksa)। সিঙ্গাপুর থেকে শীঘ্রই দেশে ফিরবেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট এমনই জানিয়েছিলেন শ্রীলঙ্কা (Sri Lanka) মন্ত্রিসভার মুখপাত্র (Spokesperson) বান্দুলা গুণবর্ধণে। তবে দেশে ফিরলে আবারও বিক্ষোভের মধ্যে পড়তে পারেন এই আশঙ্কায় আরও কিছুদিন দেশের বাইরেই থাকতে চাইছেন গোতাবায়া। তাই সিঙ্গাপুর প্রশাসনের কাছে আর্জি জানিয়েছিলেন। সেই আর্জি মেনে নিয়েই গোতাবায়ার সিঙ্গাপুরে থাকার মেয়াদ আরও ২ সপ্তাহ বাড়িয়েছে সেখানকার প্রশাসন।

    আরও পড়ুন: আশ্রয় দেবে না ভারত, কোথায় যাবেন শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি গোতাবায়া?

    প্রসঙ্গত ১৪ জুলাই মালদ্বীপ (Maldives) থেকে সিঙ্গাপুরে যান গোতাবায়া রাজাপক্ষে। ওই সময় ১৪ দিনের জন্যে সিঙ্গাপুরে থাকার অনুমতি পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেই মেয়াদ বেড়ে যাওয়ায় ১১ আগস্ট পর্যন্ত সিঙ্গাপুরে থাকতে পারবেন গোতাবায়া। চরম আর্থিক সঙ্কটে ডুবে থাকা শ্রীলঙ্কায় সাধারণ মানুষের ক্ষোভের বিস্ফোরণ হতেই দেশ ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট। গত ১৩ জুলাই তিনি মালদ্বীপে পৌঁছন। কিন্তু সেখানেও তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়ে যাওয়ায় তড়িঘড়ি বিশেষ চার্টাড বিমানে করে মলদ্বীপ থেকে সিঙ্গাপুরে যান সস্ত্রীক গোতাবায়া। সেখান থেকেই তিনি প্রেসিডেন্ট পদের ইস্তফাপত্র পাঠান। কার্যনির্বাহী প্রেসিডেন্ট হিসাবে নিয়োগ করেন রনিল বিক্রমসিঙ্ঘেকে।

    আরও পড়ুন: শ্রীলঙ্কায় জরুরি ব্যবস্থা জারি রনিল বিক্রমাসিঙ্ঘের, সিঙ্গাপুরেও স্বস্তিতে নেই গোতাবায়া

    সিঙ্গাপুর প্রশাসন (Singapore Administration) সূত্রে খবর, বর্তমানে রাজধানীর একটি বিলাসবহুল হোটেলে রয়েছেন রাজাপক্ষে। তিনি হোটেল ছেড়ে কোনও পরিচিতের বাড়িতে চলে যেতে পারেন বলেও অনুমান। তবে রাজাপক্ষে কোনও রাজনৈতিক আশ্রয় (Political Asylum) চাননি বলে দাবি সিঙ্গাপুর সরকারের। সিঙ্গাপুরের আইন অনুযায়ী সাধারণত কাউকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়া হয় না। চলতি সপ্তাহেই শ্রীলঙ্কা ক্যাবিনেটের মুখপাত্র বান্দুলা গুণবর্ধনে জানান, প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট মোটেও আত্মগোপন করে নেই। তিনি সিঙ্গাপুরে রয়েছেন বিশেষ দরকারে। শীঘ্রই তিনি দেশে ফিরে আসবেন। তবে এবার তাঁর দেশের বাইরে থাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আর তাঁকে দেশে ফেরানো যাবে কি না তা নিয়েও সংশয় রয়েছে। 

  • Rhea Chakraborty: গাঁজা কিনে সুশান্তের কাছে পৌঁছে দিতেন রিয়া চক্রবর্তী! চার্জশিটে দাবি এনসিবি-র

    Rhea Chakraborty: গাঁজা কিনে সুশান্তের কাছে পৌঁছে দিতেন রিয়া চক্রবর্তী! চার্জশিটে দাবি এনসিবি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বস্তি নেই রিয়া চক্রবর্তীর (Rhea Chakraborty )। ফের বিপাকে প্রয়াত অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের (Sushant Singh Rajput) বান্ধবী। সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর ঘটনার সঙ্গে যুক্ত মাদক মামলায় অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তীর নামে চার্জশিট জমা দিল নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (Narcotics Control Bureau )। বুধবার তাঁর বিরুদ্ধে চার্জশিট ফাইল করে এনসিবি (NCB)। তাঁর বিরুদ্ধে গাঁজা কেনার অভিযোগ আনা হয়েছে। এই মামলায় রিয়ার ভাই শৌভিক চক্রবর্তীরও (Showik Chakraborty) নাম রয়েছে। রিয়া ছাড়াও চার্জশিটে নাম রয়েছে আরও ৩৪ জনের৷

    আরও পড়ুন: বলিউড মাদক মামলায় এনসিবির খসড়া চার্জশিটে উঠল রিয়া, সৌভিকের নাম

    বুধবার সুশান্ত সিং-এর রহস্য মৃত্যু মামলায় বিশেষ কোর্টের কাছে একটি খসড়া জমা দেয় এনসিবি। সেখানে বলা হয়, ২০২০-র মার্চ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত অভিযুক্তরা গাঁজা কিনত, এর সঙ্গে সঙ্গে বণ্টন, বিক্রি ও পাচার করত বলিউডের (Bollywood) বিভিন্ন হাই-প্রোফাইল পার্টিতে। এনসিবির ড্রাফ্ট চার্জে দাবি করা হয়েছে যে, রিয়া চক্রবর্তী অভিযুক্ত স্যামুয়েল মিরান্ডা (Samuel Miranda), ভাই শৌভিক (Showik), দীপেশ সাওয়ান্ত (Dipesh Sawant) এবং অন্যান্যদের থেকে ‘গাঁজা’-র অনেক ডেলিভারি নিয়েছেন এবং তা নিয়ে সুশান্তকে দিয়েছেন। মার্চ ২০২০ থেকে সেপ্টেম্বর ২০২০-র মধ্যে এঁদেরকে টাকা দেওয়ারও অভিযোগ করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ১৪ জুন সুশান্ত সিং রাজপুতের (Sushant Singh Rajput) ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। এরপরেই রিয়া-সহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করেছিল সুশান্তের পরিবার। পরে মাদক মামলায় গ্রেফতার করা হয় রিয়াকে। প্রায় এক মাস জেলে কাটিয়েছিলেন রিয়া। রিয়ার ভাই শৌভিককেও মাদক যোগের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে যদিও দুজনই জামিনে ছাড়া পেয়ে যান।

    আরও পড়ুন: ঠিক কী অবস্থায় দাঁড়িয়ে সুশান্তের মৃত্যু তদন্ত?

    এবারে আবার রিয়া ও তাঁর ভাই শৌভিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে, নিয়মিত মাদক পাচারকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার জন্যে ও তাঁদের থেকে গাঁজা কিনে সুশান্ত সিং রাজপুতকে দেওয়ার জন্যে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে রিয়ার ১০ থেকে ২০ বছরের জেল হতে পারে।

     

  • SSC Scam: এসএসসি-র বাজেয়াপ্ত কম্পিউটার থেকে  গোছা গোছা ‘নকল’ নিয়োগপত্র, মাথা কে?   

    SSC Scam: এসএসসি-র বাজেয়াপ্ত কম্পিউটার থেকে গোছা গোছা ‘নকল’ নিয়োগপত্র, মাথা কে?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ এসএসসি দুর্নীতির (SSC Scam) তদন্তে নেমে যেন গুপ্তধন পেল সিবিআই (CBI)! কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশে কমিশনের দফতর থেকে সমস্ত নথিপত্র, কম্পিউটার বাজেয়াপ্ত করতে গিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। পরে তা পাঠানো হয়েছিল ফরেনসিক তদন্তের জন্য। দিন কয়েক আগে ফরেনসিক তদন্তের রিপোর্ট হাতে পেয়েছে সিবিআই। সেখান থেকে উদ্ধার হয়েছে গোছা গোছা জাল নিয়োগপত্র। রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে গ্রুপ-সি এবং গ্রুপ-ডি পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে কেন এত ‘নকল’ নিয়োগপত্র তৈরি হয়েছিল, কার নির্দেশে হয়েছিল এবং নিয়োগপত্র পাওয়া ব্যক্তিরা কাজে যোগ দিয়েছিলেন কি না, সেটাই খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী দল।

    তদন্তকারী দল সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন চাকরি খোয়ানো শিক্ষক সিবিআইয়ের সঙ্গে সহযোগিতা করতে শুরু করেছেন। তাতে তদন্ত অনেকটা এগিয়েওছে। বাড়তি পাওনা এসএসসি-র দফতর খেকে উদ্ধার হওয়া নথি। তদন্তকারীদের দাবি, হাইকোর্টের নির্দেশে কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রহরায় রাতভর তল্লাশি চালিয়ে কম্পিউটার উদ্ধার করা হয়েছিল। হার্ডডিস্কে সবই মজুত ছিল। ফরেনসিক করাতেই দুর্নীতির শিকড়ে পৌঁছেছে সিবিআই।

    আরও পড়ুন : মন্ত্রীই সর্বেসর্বা, ‘অবৈধ’ প্যানেলেও সম্মতি দিয়েছিলেন, তদন্ত কমিটিকে লিখিত বয়ান শিক্ষাসচিবের

    তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, ২০১৬-১৭ সালের বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে ২০২১ সালেও নিয়োগ হয়েছে। প্যানেলের ভ্যালিডিটির কথা মাথায় রাখেননি কর্তারা। কারও নামে সুপারিশ এলেই নিয়োগপত্র দিয়ে দেওয়া হয়েছে। তলিয়ে দেখা হয়নি আদৌ তিনি বা তাঁরা চাকরির পরীক্ষায় বসেছিলেন কিনা। ফলে এই ধরনের সমস্ত নিয়োগপত্রের কোনও মূল্য আছে বলেই মনে করছেন না তদন্তকারীরা। একটি ফাইলেই ৩৬টি এমন নিয়োগপত্র পাওয়া গিয়েছে যেগুলি একেবারেই নকল। কার ইন্ধনে এই নিয়োগ হয়েছে, তা এখন খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে সিবিআই।

    আরও পড়ুন : এসএসসি মামলায় মধ্যশিক্ষা পর্ষদের অফিস, শান্তিপ্রসাদের বাড়িতে সিবিআই

    এসএসসি-র সাধারণ কর্মীরা অনেকেই বুঝে গিয়েছেন সত্যি কথা না বললে নিস্তার নেই। তাই তদন্তের কাজে কর্মীরা অনেকেই সহযোগিতা করছেন। রাঘব বোয়ালদের কাছে পৌঁছানো স্রেফ সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করছেন তদন্তের খোঁজ খবর রাখা ব্যক্তিরা।

     

  • Bengal SSC scam: মন্ত্রিত্ব খোয়ালেন পার্থ! কোন মন্ত্রক কার হাতে জল্পনা, একটু পরেই তৃণমূলের জরুরি বৈঠক

    Bengal SSC scam: মন্ত্রিত্ব খোয়ালেন পার্থ! কোন মন্ত্রক কার হাতে জল্পনা, একটু পরেই তৃণমূলের জরুরি বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি দুর্নীতি মামলায় আপাতত ইডি হেফাজতে রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী তথা তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। গ্রেফতারির পর থেকেই দলের অভ্যন্তরে তাঁর অপসারণের দাবি জানিয়ে আসছেন নেতা-কর্মীরা। তৃণমূল সূত্রে খবর, এই নিয়েই আজ বিকেলে দলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির বৈঠক ডাকলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বৈঠকেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ নিয়ে আলোচনা হবে। এর আগেই পার্থকে মন্ত্রিত্ব থেকে সরিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে, দলনেত্রী মমতা জানিয়ে দেন, পার্থ আর তাঁর মন্ত্রিসভায় নেই।

    তৃণমূল সূত্রে খবর, পার্থকে শিল্পমন্ত্রীর পদ থেকে অপসারণের পর শিল্প দফতর নিজের হাতেই রাখতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তথ্যপ্রযুক্তি দফতরের দায়িত্বে আনা হতে পারে ব্রাত্য বসুকে। অন্যদিকে পরিষদীয় মন্ত্রী হতে পারেন তাপস রায় বা নির্মল ঘোষ। এদিন বিকেল ৫টায় তৃণমূল ভবনে শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির বৈঠক ডেকেছেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গত শুক্রবার বর্তমান শিল্পমন্ত্রী তথা প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থর নাকতলার বাড়িতে হানা দিয়েছিল ইডি। প্রায় ২৭ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর শনিবার গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। আপাতত ১০ দিনের ইডি হেফাজতে রয়েছেন পার্থ। 

    আরও পড়ুন: সোনার ‘সংসার’! গয়না থেকে সোনার বাট কী নেই অর্পিতার আলমারিতে

    গত শনিবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) হাতে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী পার্থ। গ্রেফতারির পর ছ’দিন কেটে গেলেও তাঁকে মন্ত্রিত্ব থেকে সরাননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই বিরোধী শিবির এবং দলের অন্দরে দাবি উঠছে, পার্থকে মন্ত্রিসভা থেকে বরখাস্ত করার। পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে অপসারণের দাবিতে এদিন বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। কলেজ স্ট্রিট থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিল করে গেরুয়া শিবির।

    [tw]


    [/tw]

    তৃণমূলের মুখপাত্র তথা রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বৃহস্পতিবার পার্থকে দল থেকেই বহিষ্কারের দাবি তোলেন। নিজের ট্যুইটার একাউন্টে তিনি লিখেছেন, ‘পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে অবিলম্বে মন্ত্রিত্ব এবং সমস্ত দলীয় পদ থেকে অপসারণ করা উচিত। তাঁকে বহিষ্কার করা উচিত। যদি এই বক্তব্য ভুল বলে মনে করা হয়, তাহলে আমাকে সব পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার অধিকার দলের রয়েছে। আমি দলের একজন সৈনিক হিসাবে লড়াই চালিয়ে যাব’। যদিও, পরে, পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে বহিষ্কারের দাবিতে আগের ট্যুইট সরিয়ে নেন কুণাল ঘোষ। দ্বিতীয় ট্যুইটে তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক লেখেন, আগের ট্যুইটে ব্যক্তিগত মতামত জানিয়েছিলাম। দল এখন গোটা বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে। বিকেলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠক ডেকেছেন। আমাকেও বৈঠকে হাজির থাকতে বলা হয়েছে। দল বিষয়টি গ্রহণ করায় আমার ব্যক্তিগত পোস্ট মুছে দিচ্ছি।

     

  • cervical cancer vaccine: করোনার পর সারভাইক্যাল ক্যান্সারের টিকা দেশের মাটিতে

    cervical cancer vaccine: করোনার পর সারভাইক্যাল ক্যান্সারের টিকা দেশের মাটিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘মেক ইন ইন্ডিয়া, মেক ফর ইন্ডিয়া’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) এই স্বপ্ন সব ক্ষেত্রেই পূরণ করতে চায় দেশবাসী। চিকিৎসা পরিষেবাও তার বাইরে নয়। দেশের মাটিতেই উৎপাদন করা হয়েছে করোনার ভ‌্যাকসিন (COVID vaccine)। এর পর এবার হিউম‌্যান প‌্যাপিলোমা ভাইরাস মোকাবিলায় টিকা আনতে চলেছে সেরাম ইনস্টিটিউট। সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার (Serum Institute of India) সিইও আদর পুনাওয়ালা জানিয়েছেন, এ বিষয়ে তাঁদের সবুজ সংকেত দিয়েছে ডিসিজিআই (Drugs Controller General)। বিশ্বে আপাত নিরীহ কিন্তু ভয়াবহ প্রাণঘাতী ক‌্যানসারের (Cancer) অন‌্যতম সারভাইক‌্যাল ক‌্যানসার (Cervical cancer)। এখনও পর্যন্ত এই ক‌্যানসারের ক্ষেত্রেই কার্যকর হয়েছে টিকার প্রয়োগ।  এই ক‌্যানসারের সঙ্গেই সরাসরি ভাইরাসের যোগ মিলেছে। ভাইরাসটি হল হিউম‌্যান প‌্যাপিলোমা ভাইরাস।

    [tw]


    [/tw]

    সাধারণভাবে কৈশোরে যৌনসংসর্গে লিপ্ত হওয়ার আগেই এই ভ‌্যাকসিনের তিনটি ডোজ দেওয়া গেলে সারভাইক‌্যাল ক‌্যানসার প্রতিরোধে তা অনেকাংশে কার্যকর হয়। এতদিন পর্যন্ত দেশের বাজারে প্রাপ্ত ক‌্যানসারের দুটি টিকা সার্ভারিক্স এবং গার্ডাসিল এইচপিভি-র দু’টি স্ট্রেনের সঙ্গে মোকাবিলায় উপযোগী। কিন্তু তা আনতে হত বিদেশ থেকেই। আর সেরাম ইনস্টিটিউট যে ভ‌্যাকসিনটি আনতে চলেছে তা চারটি স্ট্রেনের মোকাবিলায় উপযুক্ত। পুনাওয়ালা বলেছেন, “এই প্রথম ভারতে এইচপিভি-র টিকা আসতে চলেছে। এই বছরের শেষের দিকেই এটি বাজারে এসে যাবে বলে আমরা আশা করছি।” অনুমোদন দেওয়ায় ডিসিজিআই এবং কেন্দ্রীয় স্বাস্থ‌্য ও পরিবার কল‌্যাণ মন্ত্রককে ধন‌্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: সাবধান! ভুলেও অবহেলা করবেন না, হার্ট অ্যাটাকের এই ৮টি লক্ষণ

  • Supermoon 2022: ২০২২-এর বৃহত্তম চাঁদ দেখা যাবে আকাশে, কবে জানেন?

    Supermoon 2022: ২০২২-এর বৃহত্তম চাঁদ দেখা যাবে আকাশে, কবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি কিছুদিন আগেই চাঁদের এক অন্য রূপ দেখতে পেয়েছে গোটা বিশ্বব্যাপী মানুষ। সাধারণত জুন মাসের মাঝ বরাবর এই সুপারমুন দেখা গিয়েছিল। যা ‘স্ট্রবেরি মুন’ (Strawberry Moon) নামে পরিচিত ছিল। আবার আগামী ১৩ জুলাই মধ্যরাতে আকাশে সুপারমুন দেখতে পাবে সারা বিশ্বের মানুষ। চলতি মাসে চাঁদকে ফের নয়া রূপে দেখবে বিশ্ববাসী। বুধবার অর্থাৎ ১৩ জুলাই নতুনভাবে দেখা যাবে চাঁদকে। এদিন পৃথিবীর সবথেকে কাছে আসছে চাঁদ। তার ফলে চাঁদকে পৃথিবীতে বিরাট আকারে দেখা যাবে। বিজ্ঞানীদের মতে, বুধবারের চাঁদটি ২০২২ সালের বৃহত্তম ‘সুপারমুন’ (Supermoon)।

    কী এই সুপারমুন?

    এই নির্দিষ্ট দিনে চাঁদ পৃথিবীর চারপাশে তার কক্ষপথের সবচেয়ে কাছের বিন্দুতে থাকবে, যাকে পেরিজি (perigee) বলা হয়, সেই কারণে ১০ গুণ বেশি উজ্জ্বল দেখাবে তাকে। পৃথিবী থেকে এদিন মাত্র ৩,৫৭,২৬৪ কিমি দূরে অবস্থান করবে চাঁদ। আর এর ফলে সবথেকে বড় পূর্ণ চাঁদ দেখা যাবে। চাঁদের এমন রূপকেই বলা হয় সুপারমুন। ১৯৭৯ সালে মহাকাশ বিজ্ঞানী রিচার্ড নোল্লে (Richard Nolle) চাঁদের এই বিশেষ অবস্থানের নামকরণ করেন ‘সুপারমুন’। এবারের সুপারমুনটিকে তাদের মধ্যে সবথেকে বড় বলে চিহ্নিত করেছে নাসা (NASA)।

    আরও পড়ুন: আজ আকাশে দেখা যাবে স্ট্রবেরি মুন! কী এর বিশেষত্ব, জানুন

    ২০২২-এর বৃহত্তম চাঁদ

    ১৩ জুলাই অর্থাৎ বুধবার রাতের আকাশে যে সুপারমুন দেখা যাবে, তা এ বছরের সবথেকে বড়। এই সুপারমুনকে বাক মুনও (Buck Moon) বলা হয়। সারা বিশ্বে এর অন্য নামও রয়েছে। যেমন, থান্ডার মুন (Thunder Moon), হে মুন (Hay Moon) এবং উইর্ট মুন (Wyrt Moon)। আমেরিকানরা একে সালমন মুন (Salmon Moon), রাস্পবেরি মুন (Raspberry Moon) এবং ক্যালমিং মুন (Calming Moon) বলে থাকেন। চাঁদ এদিন পৃথিবীর অনেক কাছে আসায় সুপারমুনের প্রভাব বেশ জোরালো ভাবে জোয়ার-ভাটায় পড়বে।

    কখন দেখা যাবে এই সুপারমুনটি?

    ১৩ জুলাই রাত ১২টা ৭ মিনিটে দেখা যাবে। এরপর ফের ৩ জুলাই, ২০২৩ সালে দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উল্লেখ্য, বছরের শেষ সুপারমুন দেখা গিয়েছিল চলতি বছরের জুনে। যা স্ট্রবেরি মুন নামে পরিচিত। তখন চাঁদ পৃথিবী থেকে ৩,৬৩,৩০০ কিলোমিটার দূরে ছিল। কিন্তু এবার মাত্র ৩,৫৭,২৬৪ কিমি দূরে অবস্থান করবে চাঁদ।

    আরও পড়ুন: একনজরে দেখে নিন স্ট্রবেরি মুনের বিভিন্ন দৃশ্য

     

     

LinkedIn
Share