Blog

  • Election Commission: ইভিএম কতটা ভরসাযোগ্য? উত্তর পেতে মক পোলের ব্যবস্থা করছে নির্বাচন কমিশন

    Election Commission: ইভিএম কতটা ভরসাযোগ্য? উত্তর পেতে মক পোলের ব্যবস্থা করছে নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের ফল বেরোলে বহু ক্ষত্রে পরাজয়ের জন্য প্রার্থীরা ইভিএম মেশিনকে দায়ী করেন। বলা হয়, তাতে কারচুপির জন্যই হার মানতে হয়েছে। সেই অভিযোগ দূর করতে ইভিএম মেশিনগুলো কতটা গ্রহণযোগ্য , তা দেখার জন্য মক পোলের (Mock Poll) আয়োজন করল নির্বাচন কমিশন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতোই এই আয়োজন করেছে কমিশন। কিন্তু তাতে প্রার্থীদের তেমন সাড়া মিলছে না বলে কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর। 

    কীভাবে হবে মক পোল (Election Commission)

    এই মক পোলের (Mock Poll) ক্ষেত্রে ভোটদানের সময় ইভিএমের কন্ট্রোল ইউনিট, ব্যালট ইউনিট এবং ভিভিপ্যাট মেশিন পাশাপাশি বসাতে হবে। সবগুলিই সংশ্লিষ্ট প্রার্থী বা তাঁর প্রতিনিধি ব্যবহার করবেন। নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) আধিকারিকেরা শুধু পর্যবেক্ষকের ভূমিকায় থাকবেন। ভিভিপ্যাটের কাগজও গোনা হবে সকলের সামনে। 

    কী বলেছিল শীর্ষ আদালত

    ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ নিয়ে বিরোধীরা বারবার সরব হয় বলে, এবার ভোটের আগেই সুপ্রিম কোর্ট ইভিএম কতটা ভরসাযোগ্য নির্বাচন মেটার পরও সে ব্যাপারে পরীক্ষা নিরীক্ষার সুযোগ দেওয়ার কথা বলেছিল। ইভিএম কতটা ভরসাযোগ্য, তাতে আদৌ কারচুপি সম্ভব কিনা তা খতিয়ে দেখতে ভোটের আগে একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রটোকল তৈরি করে দিয়েছিল আদালত। সেই সঙ্গে সর্বোচ্চ আদালত আরও বলে, নির্বাচনের ফল বেরোনোর পর দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারী প্রার্থীরা তাঁর নির্বাচনী কেন্দ্রে ব্যবহৃত ইভিএমের বাছাই করা কয়েকটিতে ১৪০০টি করে ভোট দিতে পারবেন। প্রার্থীর পরিবর্তে তাঁর কোনও প্রতিনিধিও এই ভোট দিতে পারবেন বলে নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট।

    আরও পড়ুন: ভারতীয় ডাক বিভাগে ৪৪ হাজার কর্মী নিয়োগ! জেনে নিন কীভাবে আবেদন করবেন

    প্রার্থীদের অনীহা (Mock Poll)

    শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মতো কমিশন (Election Commission) সবকিছু ব্যবস্থা করলেও প্রার্থীদের মধ্যে এই পদক্ষেপ করতে অনীহা চোখে পড়েছে। তাঁরা মুখে অভিযোগ করলেও এখনও পর্যন্ত মাত্র আটজন প্রার্থী নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করেছেন। তাঁরা সকলেই ওডিশা ও অন্ধ্রপ্রদেশের বাসিন্দা। ওই দুই রাজ্যে লোকসভার সঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনও হয়েছে। আট জন বিধানসভা ভোটে প্রার্থী হয়েছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Justice Amrita Sinha: ‘‘মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যানেলই প্রকাশ করুন’’, টেটের ৪২০০০ নিয়োগ নিয়ে নির্দেশ হাইকোর্টের

    Justice Amrita Sinha: ‘‘মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যানেলই প্রকাশ করুন’’, টেটের ৪২০০০ নিয়োগ নিয়ে নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসিতে ২৬ হাজারের চাকরি নিয়ে অনিশ্চয়তা চলছেই। এরই মাঝে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High court) প্রশ্ন উঠল, প্রাথমিকের ৪২ হাজার পদের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে। মঙ্গলবারই হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা (Justice Amrita Sinha) ওই ৪২ হাজার চাকরির নিয়োগ প্যানেল দেখতে চান। এছাড়া, এ বিষয়ে তিনি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে বিশেষ নির্দেশও দিয়েছেন। হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে প্রাথমিকের ওই নিয়োগ প্যানেল আদালতে জমা করতে হবে বলে জানা গিয়েছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে আগামী ৩০ জুলাই।

    নিয়োগ প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন জনৈক সোমনাথ সেন নামে এক চাকরিপ্রার্থী

    মঙ্গলবারে বিচারপতি অমৃতা সিনহার (Justice Amrita Sinha) এজলাসে শুনানির জন্য ওঠে ২০১৪ সালের প্রাথমিক টেট পরীক্ষার নিয়োগ সংক্রান্ত একটি মামলা। প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে যে টেট পরীক্ষা হয়েছিল তার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয় ২০১৬ সালে। সে সময় রাজ্যের প্রাথমিক স্কুলগুলিতে ৪২০০০ পদে শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছিল, এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। কিন্তু ২০১৬ সালের এই নিয়োগ প্রক্রিয়া বিতর্কের ঊর্ধ্বে ছিল না। নিয়োগে নানা অনিয়মের অভিযোগ আনেন চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ। নিয়োগ প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন জনৈক সোমনাথ সেন নামে এক চাকরিপ্রার্থী। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি হয় বিচারপতি অমৃতা সিনহার (Justice Amrita Sinha) এজলাসে। 

    বিচারপতির (Justice Amrita Sinha) প্রশ্ন

    মামলা চলাকালীন বিচারপতি (Justice Amrita Sinha) সিনহা জানতে চান, ‘‘ওই ৪২ হাজার নিয়োগের তালিকা কোথায়? কারা ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় চাকরি পেয়েছিলেন?’’ জবাবে মামলাকারীর যুক্তি শোনার পর তাঁর পর্যবেক্ষণ, ‘‘প্যানেল মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেলেও নিয়োগের তালিকা থাকা দরকার। কারা যোগ্য এবং কারা চাকরি পেলেন, তা প্যানেল থেকেই জানা সম্ভব।’’ এর পরেই বিচারপতি নির্দেশ দেন, ‘‘নিয়োগ যখন হয়েছে, প্যানেল তো থাকবেই। সেই প্যানেলই আদালত দেখতে চায়।’’ এখন দেখার আগামী ৩০ জুলাই এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন বিচারপতি কী নির্দেশ দেন। তার আগে অবশ্য ২০১৪ সালের টেটের ৪২ হাজার পদে নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্যানেল আদালতে (Calcutta High court) জমা দিতে হবে পর্ষদকে।
     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bhagwati Devi Temple: ৩৪ বছর আগে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল, ফের খুলল কাশ্মীরের এই মন্দির

    Bhagwati Devi Temple: ৩৪ বছর আগে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল, ফের খুলল কাশ্মীরের এই মন্দির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনন্তনাগের শাঙ্গাসের ঐতিহাসিক উমা ভগবতী দেবীর মন্দির (Bhagwati Devi Temple) ৩৪ বছর পর রবিবার ভক্তদের জন্য খুলে দেওয়া হল। মন্দিরের দরজা খুলে দেবীর দর্শন করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই। এ সময় বিপুল সংখ্যক ভক্তবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। দক্ষিণ কাশ্মীরের অনন্তনাগ এক সময় সন্ত্রাসের ঘাঁটি ছিল। ১৯৯০ সালে, সন্ত্রাসবাদের কারণে, ভগবতী উমা দেবী মন্দিরটি বন্ধ হয়ে যায়। মৌলবাদী জঙ্গিরা এই মন্দিরে আগুন দেওয়া হয়েছিল।

    ২০১০ সাল পর্যন্ত জরাজীর্ণ ছিল (Bhagwati Devi Temple)

    একসময় এখানে (Uma Bhagwati Temple) ভক্তদের থাকার জন্য দুটি যাত্রী নিবাস ছিল। এতে একসঙ্গে দেড় হাজার ভক্ত থাকতে পারতেন। এসব যাত্রী নিবাসও সন্ত্রাসের শিকার হয়। মন্দিরে স্থাপিত মাতার মূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যায়। ২০১০ সাল পর্যন্ত এই মন্দিরটি জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। এরপর থেকে এর সংস্কার শুরু হয়।

    গর্ভগৃহে মায়ের মূর্তি স্থাপিত 

    সংস্কার চলাকালীন মন্দিরের সমস্ত অংশ মেরামত করা হয়েছে। কাজ শেষ হওয়ার পর ধর্মীয় মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে গর্ভগৃহে মায়ের মূর্তি স্থাপন করা হয়। রাজস্থান থেকে নয়া মূর্তি আনা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দের উপস্থিতিতে রবিবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্দিরটি ভক্তদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। স্থানীয় মানুষ, মুসলিম সম্প্রদায় সহ কাশ্মীরি হিন্দুরাও (Bhagwati Devi Temple) মন্দির খুলে যাওয়ায় আনন্দ প্রকাশ করেছেন।

    এক বছর পর মন্দিরে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন

    স্থানীয় বাসিন্দা গুলজার আহমেদ বলেন, “আমরা এখানে আমাদের কাশ্মীরি হিন্দু ভাইদের সম্ভাব্য সব উপায়ে সাহায্য করতে এসেছি। ৩৪ বছর পর (Uma Bhagwati Temple) মন্দিরে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করায় আমরা খুশি। ১০ জুলাই, জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ হাইকোর্ট রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণের জন্য প্রাচীন রঘুনাথ মন্দির এবং অনন্তনাগ জেলার নাগবল গৌতমনাগ মন্দির প্রশাসনকে হস্তান্তর করেছে।

    শান্তির অনুভূতি

    মন্দির দর্শনে আসা ভক্তরা জানান, এখানে এসে তাঁরা শান্তি অনুভব করছেন। সব ধর্মের মানুষ এখানে পৌঁছেছেন। এখন অন্যান্য মন্দিরেরও সংস্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে কাশ্মীরের সব মন্দির স্বাভাবিক হয়ে যাবে। উমা ভগবতী দেবী মন্দিরের দায়িত্বে থাকা উমা ভগবতী ট্রাস্টের সহ-সভাপতি পুষ্কর নাথ কৌল বলেন, “মন্দিরের দরজা খোলার আগে মন্দিরে হবন ও যজ্ঞ করা হয়।”

    ইতিহাস (Uma Bhagwati Temple)

    উমা ভগবতী দেবী মন্দিরের (Uma Bhagwati Temple) ইতিহাস সত্যযুগের সঙ্গে সম্পর্কিত। মা পার্বতী আবার মহাদেবের অর্ধাঙ্গিনী হওয়ার চেষ্টা করছিলেন। তারপর তিনি হিমালয়ের গর্ভ থেকে জন্মগ্রহণ করেন এবং উমা নামে ডাকা হয়। মা মীনার কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে তিনি মহাদেবের সন্ধানে ব্রায়াঙ্গন (শাঙ্গাস এলাকার সেই স্থান যেখানে এই মন্দিরটি প্রতিষ্ঠিত) পৌঁছেন।

    আরও পড়ুন: এই ধরণের সেতু ভারতের এই প্রথম, জানুন নতুন পামবান সেতুর বৈশিষ্ট্য

    ভগবতী উমা এই স্থানে তপস্যা করেছিলেন। এরপর এই স্থানের নাম হয় উমা নগরী। এই স্থানে একটি মন্দির নির্মিত হয় এবং নাম দেওয়া হয় উমা ভগবতী দেবী মন্দির।

    বছরে দুটি উৎসব পালিত হত 

    এই মন্দিরে প্রতি বছর দুটি উৎসব পালিত হত। একটি হল উমা জয়ন্তী যা এপ্রিল মাসে পালিত হয় এবং অন্যটি হল শিবরাম সন্তের নির্বাণ দিবস (যিনি ১৭ শতকে উমা শহরের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন) যা পালিত হয় জানুয়ারিতে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

     

  • Singur: সিঙ্গুরে যেন উলট পুরাণ! অনাবাদি জমিকে চাষের যোগ্য করে বাকি অংশে শিল্প চান তৃণমূল নেতা

    Singur: সিঙ্গুরে যেন উলট পুরাণ! অনাবাদি জমিকে চাষের যোগ্য করে বাকি অংশে শিল্প চান তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের আরও একটি বর্ষার মরসুম চলছে, কিন্তু সিঙ্গুরের (Singur) জমির একাংশে এখনও চাষের কাজ শুরু হয়নি। জমির মালিকরা এখনও চাষ করতে পারেননি। উল্লেখ্য এই জমিতে সিপিএম টাটার কারখানা করতে চেয়েছিল, কিন্তু জমি আন্দোলনের চাপে তা হয়নি। ক্ষমতায় এসে তৃণমূল নেত্রী ওই জমিতে সর্ষে ফেলেছিলেন, দিয়েছিলেন জমি ফেরানোর প্রতিশ্রুতি। এখন জমি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত তৃণমূল নেতারাই চাষের যোগ্য জমি এবং শিল্প চেয়ে সরকারের দ্বারস্থ হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এই বিস্ফোরক দাবিতে সিঙ্গুরে উলট পুরাণ!

    তৃণমূল নেতা ‘শিল্প’ চান (Singur)!

    সিঙ্গুরের জমি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত পরিচিত মুখ তথা তৃণমূল নেতা দুধকুমার ধাড়া বলেছেন, “জমিকে চাষযোগ্য করার জন্য কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু সেই কাজ থমকে গিয়েছে। এবার এই কাজ শুরু হোক। এই নিয়ে ঘরোয়া ভাবে আমরা ইতিমধ্যে পাঁচটি বৈঠক করেছি। বৈঠকে সকলে একমত হয়েছেন যে ওই জমির একাংশে আর চাষ করা সম্ভব নয়। তাই ওই অংশে কোনও শিল্পোদ্যোগী শিল্প করুক আর বাকি অংশে চাষ হোক। এই জমি চাষযোগ্য করে দিতে রাজ্য সরকারের কাছে আমরা আবেদন করব।” উল্লেখ্য এই তৃণমূল নেতারা কারখানা চাইছেন আবার চাষযোগ্য জমিও চাইছেন। অপরে সিঙ্গুরের মাটিতে কারখানা চাননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, জমি বাঁচাও আন্দোলনের নামে কারখানার বিরোধিতা করেছিলেন তখন, ফলে চাষ বা শিল্প কোনটাই জোটেনি সিঙ্গুরবাসীর কপালে।

    ১২টি কালভাট ছাড়া কোনও কাজ এগোয়নি

    সিঙ্গুরের চাষিরা বলেছেন, “গোপাল নগর, খাসেরভেড়ি এবং সিংহেরভেড়ির ওই জমিতে মূল কারখানা (Industry) হয়েছিল। ওই অংশের জমি বেশি ক্ষতিগ্রস্থ। সরকার জমির চেহারা ফেরাতে ডিনামাইট ফাটিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়। ফলে জমিতে কোঁদলে উঠে আসছে কংক্রিট। একই ভাবে সেচের জন্য নিকাশি ১২টি কালভাট তৈরি হলেও আর কোনও কাজ এগোয়নি। তাই এই বর্ষায় জমিতে চাষ করতে না পারায় সকলের মনে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।” আবার সিঙ্গুরের বিধায়ক তথা মন্ত্রী বেচারাম মান্না বলছেন, ‘‘যাঁরা এই আবেদন করবেন, নিশ্চিত ভাবে প্রশাসনের তরফে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’’

    প্রশাসনের বক্তব্য

    জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এক কর্তা বলেছেন, “সিঙ্গুরের (Singur) ওই জমিতে যে সমস্যা আছে তা দূর করতে আগেই কাজ শুরু হয়েছিল। প্রথমে বর্ষা ও পরে নির্বাচনের কারণে তা বিলম্বিত হয়েছে। সেই কাজের পরিকল্পনা এখনও রয়েছে। তবে কেউ পরামর্শ দিলে ভেবে দেখার সুযোগ রাখব।”

    আরও পড়ুনঃইউরোপের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস জয়, ভারতীয় হিসেবে নজির গড়লেন হুগলির শুভম

    মমতার প্রতিশ্রুতি ছিল চাষযোগ্য করে দেবো

    বাম আমলে টাটার গাড়ি কারখানার (Industry) জন্য সিঙ্গুরে (Singur) প্রায় এক হাজার একর জমি অধিগ্রহণ করেছিল। সুপ্রিম কোর্ট ২০১৬ সালে এই অধিগ্রহণকে অবৈধ জানিয়ে জমি ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। এরপর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওই জমিকে চাষযোগ্য করে ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কাজ শুরু হলেও অর্ধেকের বেশি জমি এখনও চাষের অযোগ্য বলে চাষিদের একাংশের দাবি। কিন্তু রাজ্য প্রশাসন এই দাবি ঠিক নয় বলে মানতে নারাজ। প্রশাসনের দাবি মাত্র অল্প পরিমাণ জমি চাষের আওতার বাইরে আছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rajmata Ahilyabai Holkar: তাঁর রাজত্ব মন্দির পুনরুদ্ধারের স্বর্ণযুগ, জানুন রানি অহল্যাবাঈয়ের জীবনী

    Rajmata Ahilyabai Holkar: তাঁর রাজত্ব মন্দির পুনরুদ্ধারের স্বর্ণযুগ, জানুন রানি অহল্যাবাঈয়ের জীবনী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একজন আধুনিক ও আদর্শবাদী রানি ছিলেন অহল্যাবাঈ হোলকার (Rajmata Ahilyabai Holkar)। রানির জন্ম ১৭২৫ সালের ৩১ মে। তিনি ছিলেন মারাঠা মালওয়া রাজ্যের রানি। রাজমাতা অহল্যাবাঈ মহারাষ্ট্রের আহমেদনগরের জামখেদ অঞ্চলের চৌন্ডী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন বলে জানা যায়। ১৭৫৪ সালে কুমহেরের যুদ্ধে অহল্যাবাঈয়ের স্বামী খান্দেরাও হোলকর নিহত হন। এর ঠিক বারো বছর পরে, তাঁর শ্বশুর মল্লার রাও হোলকর মারা যান। এক বছর পর তিনি মালওয়া রাজ্যের রানি হিসেবে দায়িত্বভার নেন। যুদ্ধক্ষেত্রে রানি অহল্যাবাঈ নিজেই সেনাকে নেতৃত্ব দিতেন। তিনি তুকোজিরাও হোলকরকে সেনাপ্রধান হিসেবে নিযুক্ত করেছিলেন বলে জানা যায়। 

     রানি ছিলেন (Rajmata Ahilyabai Holkar) একজন বিচক্ষণ ও অত্যন্ত মমতাময়ী শাসক

    মারাঠা মালওয়া রাজ্যের এই রানি (Rajmata Ahilyabai Holkar) তাঁর পিতা ও পরিবারের পরামর্শে স্বামীর মৃত্যুর পরে সতী না হওয়ার পথকেই বেছে নিয়েছিলেন। ভারতবর্ষের ইতিহাসের রানি অহল্যাবাঈয়ের একটি বিশেষ জায়গা রয়েছে। রানি হিসেবে তিনি ছিলেন একজন বিচক্ষণ ও অত্যন্ত মমতাময়ী শাসক। তাঁর প্রশাসনে প্রতিফলিত হত ন্যায়বিচার ও জনকল্যাণ। জানা যায়, তিনি অসংখ্য মন্দিরও নির্মাণ (Hindu Heritage) করেছিলেন। অনেক ভগ্নপ্রায় মন্দিরকে পুনঃনির্মাণ করেছিলেন। নদীর ঘাট নির্মাণ থেকে কূপ খনন, সড়ক নির্মাণ করেছিলেন এই রানি। তিনি ছিলেন দেবাদিদেব মহাদেবের ভক্ত। রানি অহল্যাবাঈয়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কৃতিত্ব ছিল বারাণসীর কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের জ্যোতির্লিঙ্গ পুনঃপ্রতিষ্ঠা।

    কাশীর বিশ্বেশ্বর মন্দির পুনঃনির্মাণ (Hindu Heritage)

    রাজমাতা অহল্যাবাঈয়ের (Rajmata Ahilyabai Holkar) গল্প শুরু হয় তাঁর শ্বশুর মল্লার রাও হোলকারকে দিয়েই। যিনি স্বপ্ন দেখতেন কাশীর ঐতিহাসিক বিশ্বেশ্বর মন্দিরকে পুনঃপ্রতিষ্ঠার। হিন্দু সমাজকে সংঘটিত করার স্বপ্ন দেখতেন অহল্যাবাঈয়ের শ্বশুর। কাশীর এই মন্দিরই মসজিদে পরিণত করেছিলেন সম্রাট ঔরঙ্গজেব ১৬৬৯ সালে। কিন্তু মল্লার রাও হোলকারের এই স্বপ্ন পূরণে বাধা ছিল অযোধ্যার নবাব। কারণ তিনি কখনই চাননি ঔরঙ্গজেবের তৈরি করা মসজিদকে সরিয়ে সেখানে মন্দির নির্মাণ করা হোক। পরবর্তীকালে ১৭৫০ সাল নাগাদ জয়পুরের রাজা কাশীর বিশ্বেশ্বর মন্দির নির্মাণের জন্য একটি সমীক্ষা শুরু করেন কিন্তু পরবর্তীকালে তাঁর প্রচেষ্টাটিও মাঠে মারা যায়। কিন্তু শ্বশুরের দেখানো পথে চলেই পরবর্তীকালে ১৭৮০ সাল নাগাদ প্রচেষ্টা শুরু করেন অহল্যাবাঈ (Rajmata Ahilyabai Holkar)। আদি মন্দিরটি ছিল ১২টি জ্যোতির্লিঙ্গের একটি। জানা যায়, মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের ধ্বংস করা মন্দিরের কাছেই ১৭৮০ সাল নাগাদ নতুন ভাবে বিশ্বেশ্বর মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। এই মহান কাজে হিন্দুরা হারিয়ে যাওয়া জ্যোতির্লিঙ্গের পূজা পুনরায় শুরু করতে পারে। তবে শুধুমাত্র কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরে তিনি থামেননি তিনি।

    ১৭৯১ সালে বারাণসীতে সমগ্র মনিকর্ণিকা ঘাট পুনঃনির্মাণ 

    ১৭৯১ সালে বারাণসীতে সমগ্র মনিকর্ণিকা ঘাট পুনঃনির্মাণ করেন রানী অহল্যাবাঈ। ১৭৮৭ সালে তিনি বিষ্ণুপদ মন্দিরও পুনঃনির্মাণ করেন। প্রসঙ্গত, এই মন্দিরটি বিহার রাজ্যের গয়াতে অবস্থিত। ফল্গু নদীর তীরে অবস্থিত এই মন্দির ভগবান বিষ্ণুকে উৎসর্গ করা হয়েছে। এখানে ভক্তরা ভগবান বিষ্ণুর পদচিহ্নের পূজা করেন। সোমনাথ মন্দিরের নামও এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য। বারবার মুসলিম আক্রমণের শিকার হতে হয় এই মন্দিরকে। ঐতিহাসিকরা বলেন, গজনীর সুলতান মামুদ, আলাউদ্দিন খিলজি এবং জাফর খানের নেতৃত্বে সতেরোবার লুট চালানো হয় এই মন্দিরে। কিংবদন্তি অনুসারে, রানি একটি স্বয়ম্ভূ লিঙ্গের স্বপ্ন দেখেছিলেন। এই স্বপ্নই তাঁকে মন্দির নির্মাণে অনুপ্রাণিত করে।

    নেপালের কাঠমান্ডুতেও মন্দির নির্মাণে তাঁর অবদান দেখা যায়

    এভাবে মুসলিম আক্রমণকারীদের ভেঙে ফেলা মন্দিরের জায়গায় তিনি হিন্দুদের মন্দির নতুনভাবে গড়ে তোলেন। হিন্দু জাতির ধর্ম ও উপাসনা কেন্দ্রগুলি পুনরুদ্ধার করার জন্য অহল্যাবাঈ হোলকারের প্রচেষ্টা সারা ভারত জুড়ে বন্দিত। তিনি অসংখ্য মন্দির নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণ করেছিলেন। শ্রীনগর, হরিদ্বার, কেদারনাথ, বদ্রীনাথ, ঋষিকেশ, প্রয়াগরাজ, নাসিক, ওমকারেশ্বর, মহাবালেশ্বর, পুণে, ইন্দোর এমনকি নেপালের কাঠমান্ডুতেও মন্দির নির্মাণে তাঁর অবদান দেখা যায়। জানা যায়, হিন্দু সমাজের আধ্যাত্মিকতা ও সাংস্কৃতিক কাঠামোকে অত্যন্ত শক্তিশালী করার জন্যই তিনি মন্দির নির্মাণে ব্রতী (Rajmata Ahilyabai Holkar) হয়েছিলেন। তাঁর রাজত্বে মন্দির পুনরুদ্ধারের একটি স্বর্ণযুগ হিসেবে স্মরণ করা হয়। তাঁর অবদান আজও প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।

    অহল্যাবাঈ হোলকারের জীবনী আধুনিক নারীদের জন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে

    অহল্যাবাঈ হোলকারের জীবনী আধুনিক নারীদের জন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। অহল্যাবাঈ হোলকার দেখিয়েছিলেন একজন রানি সহানুভূতিশীল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শক্তিশালীও হতে পারেন। রাজমাতা অহল্যাবাঈ ছিলেন একজন দূরদর্শী সম্পন্ন নারী। হিন্দু সমাজকে সংঘটিত করার ক্ষেত্রে তাঁর অবিরাম প্রচেষ্টা  ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ভারতীয়ত্ববোধের প্রতি তাঁর আস্থা নিশ্চিত ভাবে বর্তমান প্রজন্মের অনুপ্রেরণা হতে পারে। ১৭৯৫ সালের ১৩ অগাস্ট তিনি প্রয়াত হন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: খাটের নীচেই মিলল গোপন সুড়ঙ্গ, কুলতলিতে সাদ্দামের পর্দাফাঁস

    South 24 Parganas: খাটের নীচেই মিলল গোপন সুড়ঙ্গ, কুলতলিতে সাদ্দামের পর্দাফাঁস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নকল সোনা বিক্রির চক্রের পান্ডা কুলতলির পয়তারহাটে সাদ্দাম সর্দারের ডেরায় হানা দিয়ে চক্ষু চড়কগাছ পুলিশের। খাটের নীচে হদিশ মিলল বিশাল সুড়ঙ্গের। অতীতে রাজা বাদশাহ, সুলতানদের বাসভবনে এই ধরনের সুড়ঙ্গের কথা শোনা যেত। সেসব সুরঙ্গে আজও অনেকের কাছে কৌতুহল জাগায়। দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) পয়তারহাটে বসেই দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে নকল সোনার কারবার চালাচ্ছিল প্রতারক সাদ্দাম সর্দার, তার ভাই সায়রুল-সহ গোটা পরিবার। কিন্তু, শুধুই কি সোনা পাচার? নাকি তলায় তলায় চলত দুর্নীতির এক বিরাট চক্র ? উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশি তদন্তে উঠে আসছে জাল টাকার ব্যবসার আশঙ্কার কথাও।

    কেন সুড়ঙ্গ তৈরি করা হয়েছিল? (South 24 Parganas)

    পুলিশ সূত্রে খবর, নকল সোনা বিক্রির পাশাপাশি, জাল নোট চক্রের সঙ্গেও যুক্ত ছিল কুলতলির (South 24 Parganas) সাদ্দামরা। খাটের নীচেই তাই কাটা হয়েছিল সুড়ঙ্গ। যাতে লোকচক্ষুর আড়াল দিয়েই বেরিয়ে যাওয়া যায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৫ বছর ধরে নকল সোনার মূর্তির কারবারে হাত পাকিয়ে ফেলেছিল তারা। ক্রেতাদের টোপ দিয়ে কুলতলির ডেরায় ডেকে মারধর করে টাকা লুট করায় সিদ্ধহস্ত হয়ে উঠেছিল এই পরিবার। ছিল জাল নোটের কারবারও। গ্রেফতারের পর এই সব তথ্য স্বীকার করেছে সাদ্দাম ও সায়রুলের স্ত্রী।

    আরও পড়ুন: ইউরোপের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস জয়, ভারতীয় হিসেবে নজির গড়লেন হুগলির শুভম

    কীভাবে খোঁজ মিলল এই সুড়ঙ্গের?

    সাদ্দামের বাড়িতে চড়াও হয় পুলিশ। বাড়ির ভিতরে তল্লাশি চালানো হয়। ঘরের ভিতরে খাট সরাতেই বেরিয়ে এল সুড়ঙ্গ। সেই সুড়ঙ্গের মুখটা খুব একটা বড় নয়। তবে, সেই সুরঙ্গের মুখে একটি গেটও রয়েছে। সেই সুরঙ্গ সোজা গিয়ে পড়েছে খালের জলে। আর সেই খালে রাখা থাকত ডিঙি নৌকা। পুলিশ তাড়া করলে সেই খাল পথেই পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিল অভিযুক্তদের। সেই খালের সঙ্গে যোগ রয়েছে মাতলা নদীর। সেই পথে বাংলাদেশে বা অন্য দ্বীপে পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। এদিকে ঘরের মধ্যে এই সুরঙ্গ দেখে কার্যত হতবাক পুলিশ কর্তারাও। সূত্রের খবর, কুলতলিতে নকল সোনার কারবার চলছে বলে পুলিশ খবর পেয়েছিল। এরপরই পুলিশ তদন্তে নামে। পুলিশ ওই গ্রামে গেলে পুলিশের ওপর সাদ্দামের লোকজন চড়াও হয় বলে অভিযোগ। এরপর পুলিশকে লক্ষ্য করে সাদ্দামের ভাই গুলি চালানোর চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। পরে, বিরাট পুলিশ বাহিনী এলাকায় যায়। ততক্ষণে বেপাত্তা সাদ্দাম ও তার সহযোগীরা। এরপর সাদ্দামের বাড়িতে যায় পুলিশ। আর সেখানে সাদ্দামের খাট সরাতেই বেরিয়ে এল সুড়ঙ্গ। কিন্তু, প্রশ্ন উঠছে সুড়ঙ্গ একদিনে তৈরি হয়েছে এমনটা নয়। দিনের পর দিন সময় লেগেছে কংক্রিটের সুড়ঙ্গ তৈরি করতে। কিন্তু, তারপরেও কেন জানতে পারল না পুলিশ? আর সেই সুড়ঙ্গে মুখটা খোলা রয়েছে। তারপরেও তা জানতে পারল না পুলিশ।

    সাদ্দামের বাড়ি থেকে উদ্ধার হল যন্ত্র

    কুলতলির (Kultuli) সাদ্দামদের বাড়ি থেকেই উদ্ধার করা হয়েছে একটি যন্ত্র। মনে করা হচ্ছে, এই যন্ত্র দিয়ে ধাতু গলানো হত। আসলে লোক ঠকানোর জন্য নানা পদ্ধতি নিত সাদ্দামরা। বড় টিম কাজ করত। সোনা বলে ভুল বুঝিয়ে মানুষকে সর্বস্বান্ত করত তারা। সোনার মূর্তি, সোনার কয়েনের নাম করে এরা সাধারণ মানুষকে ধোঁকা দিত। এরপর পুলিশ বিরাট বাহিনী নিয়ে কুলতলি (Kultuli) এলাকায় যায়। আর সেই অভিযানে মিলল সুড়ঙ্গ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • China: শ’য়ে শ’য়ে মসজিদ ভাঙছে চিন, নিশ্চিহ্ন করছে উইঘুরদের, নীরব মুসলিম দুনিয়া

    China: শ’য়ে শ’য়ে মসজিদ ভাঙছে চিন, নিশ্চিহ্ন করছে উইঘুরদের, নীরব মুসলিম দুনিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন (China) কি দেশ থেকে নিশ্চিহ্ন করে দেবে মসজিদ? উৎখাত করবে উইঘুরদের (চিনা মুসলমান) (Uyghur)? তাঁদের মিশিয়ে দেবে চিনা সংস্কৃতির সঙ্গে? অন্তত সাম্প্রতিক এক রিপোর্টেই মিলেছে এহেন তথ্য। জানা গিয়েছে, গত কয়েক বছরে চিনের শি জিনপিংয়ের সরকার শ’য়ে শ’য়ে মসজিদ ভেঙে দিয়েছে, মাটিতে মিশিয়ে দিয়েছে মাজার-সহ অন্যান্য ইসলামিক শ্রাইন।

    ইসলামিক সংস্কৃতি মুছে ফেলার উদ্যোগ! (China)

    শিনজিং প্রদেশ থেকে তারা ইসলামিক সংস্কৃতি মুছে ফেলতে চাইছে বলে অভিযোগ। উইঘুরদের আত্তীকরণ করতে বাধ্য করছে হান চাইনিজ সংস্কৃতি। এই তথ্য যে অতিরঞ্জিত নয়, তা জানিয়েছে ওয়ার্ল্ড উইঘুর কংগ্রেসও। এক্স হ্যান্ডেলে তারা জানিয়েছে, ‘সেই ষোড়শ শতাব্দী থেকে অধিকাংশ উইঘুর ইসলাম ধর্মাচরণ করছেন। কিন্তু চিনের এতে আগ্রহ নেই। তার বদলে চিন থেকে তারা উইঘুরদের মুছে ফেলতে চাইছে। গত কয়েক বছরে তারা শ’য়ে শ’য়ে মসজিদ ভেঙে দিয়েছে, গুঁড়িয়ে দিয়েছে মুসলিম শ্রাইনগুলিও’। প্রকাশিত এই রিপোর্টের শিরোনাম, ‘চায়না ইজ ইউজিং আর্কিওলজি অ্যাজ ওয়েপন’। এই রিপোর্টেই বিশদে বলা হয়েছে, কীভাবে ইসলামি ঐতিহাসিক নিদর্শন মুছে ফেলতে উদ্যোগী হয়েছে চিন। শি জিনপিংয়ের রাজত্বকালেই যে এটা হচ্ছে, তারও উল্লেখ করা হয়েছে ওই রিপোর্টে। কাশগড়ে যে মিউজিয়াম রয়েছে, সেখানে ইসলামের উল্লেখ নগন্য। সেখানে এ-ও উল্লেখ করা হয়েছে, উইঘুররা প্রকৃতিগতভাবে মুসলমান নন।

    উইঘুর মুসলমানদের ধর্মত্যাগ করানো হচ্ছে!

    বছর চারেক আগেও চিনের (China) এই উইঘুর-ধ্বংসযজ্ঞের খবর শিরোনাম হয়েছিল সংবাদমাধ্যমের। সেবার জানা গিয়েছিল, শিনজিয়াং প্রদেশের ১৬ হাজার মসজিদ মাটিতে মিশিয়ে দিয়েছে চিন। ১০ লাখ উইঘুর মুসলমানকে ধর্মত্যাগ করানো হয়েছে। সেবার এ খবর জানিয়েছিল অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিশি ইনস্টিটিউটের একটি রিপোর্ট। এই রিপোর্ট সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদনে এ-ও বলা হয়েছিল, তুর্কিভাষী ১০ লাখ উইঘুর মুসলমানকে শিনজিয়াংয়ের বিভিন্ন ডিটেনশন ক্যাম্পে আটকে রাখা হয়েছে। আধুনিক শিক্ষা দেওয়ার নামে সেখানে মুসলমানদের অন্য ধর্মের আচার-আচরণ পালন করতে বাধ্য করা হচ্ছে। ইসলামিক সংস্কৃতির সঙ্গে কোনও সম্পর্কই রাখতে দেওয়া হচ্ছে না।

    আরও পড়ুন: তিস্তা প্রকল্প রূপায়ণ করুক ভারত, চাইছেন হাসিনা, জানালেন কারণও

    তসলিমার কটাক্ষ

    চিন উইঘুরদের ওপর নির্যাতন চালালেও, অদ্ভুতভাবে নীরব বিশ্বের মুসলিম দেশগুলি। এনিয়ে ওই দেশগুলির রাষ্ট্রনায়কদের কটাক্ষ করেছিলেন বিশিষ্ট লেখিকা তসলিমা নাসরিন। শিনজিয়াং প্রদেশে প্রচুর মসজিদ ভেঙে সুলভ শৌচালয় বানানো হয়েছিল বলেও অভিযোগ। সেই প্রেক্ষিতেই ট্যুইট-বাণ হেনেছিলেন তসলিমা। লিখেছিলেন, “চিন উইঘুর মুসলমানদের ওপর অত্যাচার করছে। কিন্তু ক’টা মুসলিম দেশ এর বিরোধিতা করছে? আসলে চিন মুসলিম দেশগুলিতে বিপুল পরিমাণে অর্থ বিনিয়োগ করে। তারা ভালো করেই জানে, ধর্মের চেয়ে অর্থ অনেক বেশি প্রয়োজন।”

    চিনা প্রত্নতাত্ত্বিকদের দাবি

    কেবল মসজিদ নয়, বৌদ্ধস্তূপ এবং মন্দির ধ্বংসেও মেতেছে ড্রাগনের দেশ। রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, শিনজিয়াংয়ের পশ্চিমাঞ্চলের শহর কাশগড়ের একটি বৌদ্ধ স্তূপ ও তার পাশের একটি মন্দির নির্মিত হয়েছিল প্রায় ১৭০০ বছর আগে। পরে সেগুলি পরিত্যক্ত হয়ে যায়। ২০১৯ সালে ওই জায়গায় খননকার্য চালান চিনা প্রত্নতাত্ত্বিকরা। পাথরের হাতিয়ার, তামার মুদ্রা ও একটি বুদ্ধ মূর্তির অংশ বিশেষ উদ্ধার করেন তাঁরা। প্রত্নতাত্ত্বিকদের দাবি, এসব নিদর্শন প্রাচীন চিনা ঐতিহ্যের নিদর্শন। তাঁদের বিবৃতির উল্লেখ করে রিপোর্টে বলা হয়েছে, মোয়ের মন্দিরে যেসব প্রত্ন-নিদর্শন আবিষ্কৃত হয়েছে, সেগুলির সঙ্গে মিল রয়েছে হাজার হাজার মাইল দূরের হান সংস্কৃতির নিদর্শন স্বরূপ পাওয়া প্রত্নরত্নের। চিনের প্রধান এথনিক গ্রুপ হল হানেরা। মন্দিরের কিছু অংশ হান বৌদ্ধদের স্টাইলে বানানো হয়েছিল। সপ্তম শতকে সেন্ট্রাল এশিয়া থেকে এই মন্দির দর্শনে এসেছিলেন সুয়াঝাং। বৌদ্ধ ধর্ম প্রসারের জন্য বিখ্যাত ছিলেন তিনি। চিনের বিরুদ্ধে সাংস্কৃতিক জেনোসাইডের অভিযোগ তুলেছেন সমালোচকরা। আধিকারিকদের মতে, ধর্মীয় উগ্রবাদকে দূর করার চেষ্টা চলছে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, শিনজিংয়ের বাসিন্দারা যদি চিনাই হন, তবে তাঁদের আত্তীকরণের যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা ভিত্তিহীন।

    কী বলছে ব্রিটেনের সংবাদ মাধ্যম?

    উইঘুরদের ওপর চিন প্রশাসনের অত্যাচার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংগঠনের। সেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে বলেও অভিযোগ। কালচারাল জেনোসাইডের অভিযোগও উঠেছে। সম্প্রতি বিষয়টিতে আলোকপাত করেছে ব্রিটেনের স্কাই নিউজও। এই রিপোর্টেই উল্লেখ করা হয়েছে, কী কঠোর বিধিনিষেধ এবং নজরদারির মধ্যে থাকতে হচ্ছে উইঘুরদের (China)। বিশেষ করে মুসলমান অধ্যুষিত অঞ্চলে এসব ঘটছে। রিপোর্টের এক জায়গায় বলা হয়েছে, সেন্ট্রাল চিনের একটি ধুলোময় ঠান্ডা জায়গায় একটি ছোট্ট মসজিদের সামনে ঠায় দাঁড়িয়ে রয়েছেন একজন মুসলমান নেতা। ‘ধর্ম মৃতপ্রায়’ বলে বিলাপ করছেন তিনি। এই রিপোর্টেও বলা হয়েছে, চিনে মসজিদ ধ্বংসের কথা। কীভাবে ধর্মীয় আচার পালানে জারি করা হচ্ছে কঠোর নিষেধাজ্ঞা, কীভাবে ধর্মীয় পোশাক পরায় জারি করা হচ্ছে (Uyghur) নিষেধাজ্ঞা, সেনসর করা হচ্ছে ইসলামিক টেক্সট (China)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kedarnath temple: দিল্লিতে কেদারনাথ মন্দির তৈরি হবে, ধাম নয়! জানালেন কেদারনাথ ধাম ট্রাস্টের সভাপতি

    Kedarnath temple: দিল্লিতে কেদারনাথ মন্দির তৈরি হবে, ধাম নয়! জানালেন কেদারনাথ ধাম ট্রাস্টের সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে খাড়াই-বন্ধুর পথ অতিক্রম করে উত্তরাখণ্ডের কেদারনাথ (Kedarnath temple) যান ভক্তরা। তবে এবার থেকে আর মহাদেবের দর্শনের জন্য কেদারনাথ পাড়ি দিতে হবেনা, কারন এবার দিল্লিতেই দর্শন হবে কেদারনাথের। গত বুধবার উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামী ঘোষণা করেছেন, এবার দেশের রাজধানীতেই কেদারনাথ দর্শন সম্পন্ন হবে। দিল্লির বুরারিতে ৩ একর জমির ওপর মন্দির তৈরি করছে কেদারনাথ দিল্লি ধাম ট্রাস্ট। ধামীর মতে, দিল্লির কেদারনাথ মন্দির ভক্তদের মনোবাঞ্ছা পূরণ করবে। 

    দিল্লিতে কেদারনাথ মন্দির তৈরি হবে, ধাম নয়

    এ প্রসঙ্গে রবিবার কেদারনাথ ধাম ট্রাস্টের সভাপতি সুরিন্দর রাউতেলা বলেছেন, ”দিল্লিতে তৈরি করা কেদারনাথ মন্দিরটি (Kedarnath temple) একটি মন্দির হিসেবে তৈরি হবে, এটি কোনও ধাম নয় এবং এর সাথে উত্তরাখণ্ড সরকারের কোনও সম্পর্ক নেই। পুষ্কর সিং ধামী এই মন্দিরের ভূমি পুজোর জন্য আমাদের অনুরোধে দিল্লি এসেছিলেন। এ বিষয়ে সরকারের কিছু করার নেই। মন্দিরটি ট্রাস্টিদের সহায়তায় নির্মিত হচ্ছে। উল্লেখ্য এই ট্রাস্টিদের মধ্যে অনেকেই উত্তরাখণ্ডের বাসিন্দা।”   
    এছাড়াও তিনি বলেন, “দেশের বিভিন্ন শহরে বিখ্যাত ধামের নামে ইতিমধ্যেই অনেক মন্দির তৈরি করা হয়েছে, তা ইন্দোরের কেদারনাথ মন্দির হোক বা মুম্বইয়ের বদ্রিনাথ মন্দির। এই মন্দিরগুলিও উদ্বোধন করেছিলেন উত্তরাখণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হরিশ রাওয়াত।”

    আরও পড়ুন: মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরেই প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ট্রাম্প! নিজেই ঘোষণা করলেন ভাইস প্রেসিডেন্টের নাম

    সুরিন্দর রাউতেলার বার্তা 

    উল্লেখ্য, ১০ জুলাই, উত্তর-পশ্চিম দিল্লির বুরারির কাছে হিরাঙ্কি পাড়ায় এই মন্দিরের ভূমি পূজায় অংশ নিয়েছিলেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামী। ওইদিন সেখানে নতুন কেদারনাথ মন্দির নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এরপর থেকেই শুরু হয় বিতর্ক। নয়া এই মন্দির নির্মাণ নিয়ে তীব্র বিরোধিতা করেন উত্তরাখণ্ডের কেদারনাথ মন্দিরের (Kedarnath temple) পুরোহিতরা। এ প্রসঙ্গে  সুরিন্দর রাউতেলা বলেছেন, “দিল্লিতে নির্মিত মন্দিরের নাম শ্রী কেদারনাথ ধাম রাখার বিষয়ে ইতিমধ্যেই যে রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, তা এড়ানো উচিত। কিছু নেতা তাদের রাজনৈতিক প্রয়োজন মেটানোর জন্য বিতর্ক সৃষ্টি করছেন। উত্তরাখণ্ডের কেদারনাথ ধাম ১২টি জ্যোতির্লিঙ্গের একটি। আমরা শুধু দিল্লিতে একটি মন্দির তৈরি করছি। এর আগে ভারতের বিভিন্ন শহরে এরকম বিভিন্ন মন্দির তৈরি রয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • United Nations: রাষ্ট্রসঙ্ঘে বক্তব্য রাখবেন মোদি, তুলতে পারেন নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদের দাবি

    United Nations: রাষ্ট্রসঙ্ঘে বক্তব্য রাখবেন মোদি, তুলতে পারেন নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদের দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসঙ্ঘে (United Nations) বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সভায় ২৬ সেপ্টেম্বর তাঁর বক্তব্য রাখার কথা রয়েছে। ইতিমধ্যেই রাষ্ট্রসঙ্ঘের তরফে যে বক্তার তালিকা প্রকাশিত করা হয়েছে তাতে নাম রয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর। রাষ্ট্রসঙ্ঘের ৭৯তম সাধারণ সভা ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। এর মাঝেই ২৬ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) বক্তব্য রাখবেন।  

    মোদির পাশাপাশি বক্তব্য রাখেবন বাইডন (United Nations)

    জানা গিয়েছে, এবারের সভায় রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে প্রথম বক্তা হতে চলেছেন ব্রাজিলের রাষ্ট্রপতি লুইজ ইনাসিও লুলা ডা সিল্ভা। ২৪ সেপ্টেম্বর বক্তব্য রাখবেন তিনি। রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের আগে রাষ্ট্রসঙ্ঘে (United Nations) তাঁর শেষ বক্তব্য রাখবেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন। এরই মাঝে বিশ্বের নানান দেশের রাষ্ট্রপ্রধান বক্তব্য রাখতে চলেছেন। শেষবার, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ২০২১ সালে রাষ্ট্রসঙ্ঘে বক্তব্য রেখেছেন। এর আগে বহুবার রাষ্ট্রসঙ্ঘে বক্তব্য রেখেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। এবার তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় এসেছেন তিনি। অকংগ্রেসী সরকার হিসেবে এটি একটি রেকর্ড। এবার রাষ্ট্রসঙ্ঘের প্রধান অ্যানটনিও গুতেরেস সাধারণ সভা শুরু হওয়ার আগে তাঁর রিপোর্ট পেশ করবেন। বিভিন্ন দেশের নেতারা এবার প্রতিবারের রাষ্ট্রসঙ্ঘের উপস্থিত হবেন।

    আরও পড়ুন: তিস্তা প্রকল্প রূপায়ন করুক ভারত, চাইছেন হাসিনা

    এবারের উদ্দেশ্য হল ভবিষ্যতের জন্য বিভিন্ন চুক্তি, বিশ্বস্তরে ডিজিটাল সহযোগিতায় বৃদ্ধি এবং আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ। এছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে হয়ে চলা যুদ্ধ ও সন্ত্রাসবাদ নিয়েও কথা হতে পারে এবারের সাধারণ সভায়।

    নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারের দাবি ভারতের (PM Modi)

    প্রসঙ্গত ভারত রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার ও সম্প্রসারণের দাবি তুলেছে। বেশ কয়েক বছর ধরে, ভারত রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী স্থানের জন্য যুক্তি দিয়ে আসছে যে, বর্তমান সংস্থাটি প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে সীমিত। কয়েক বছর ধরে চিন ছাড়া চারটি স্থায়ী সদস্য সহ বেশ কয়েকটি দেশ ভারতের (PM Modi) দাবিকে সমর্থন করেছে। এবারও ভারত নিজের দাবি এবং নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যের সংখ্যাবৃদ্ধির দাবি তুলতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: ইউরোপের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস জয়, ভারতীয় হিসেবে নজির গড়লেন হুগলির শুভম

    Hooghly: ইউরোপের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস জয়, ভারতীয় হিসেবে নজির গড়লেন হুগলির শুভম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউরোপের সবচেয়ে দুর্গম এবং উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস জয় করে ভারতীয় হিসেবে নজির গড়েছেন হুগলির (Hooghly) ছেলে শুভম চট্টোপাধ্যায়। তাঁর এই জয়ে উজ্জ্বল হয়েছে বাংলার মান। তিনিই প্রথম ভারতীয় বাঙালি যুবক, যিনি এই পর্বত আরোহণ করেছেন। আগেও মাউন্ট কিলিমাঞ্জার জয় করেছেন তিনি, পরবর্তী মিশন ওশিয়ানিয়া।

    ৫৬৪২ মিটার উচ্চতায় পর্বত শৃঙ্গ জয় (Hooghly)

    ইউরোপের এই সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস হল রাশিয়ায় অবস্থিত। শুভম এই পর্বতশৃঙ্গ জয় করতে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন গত জুলাই মাসে। শুভমের বাড়ি হুগলির (Hooghly) হিন্দমোটর এলাকায়। টানা ৯ দিনের কঠিন পথকে অতিক্রম করে ৫৬৪২ মিটার উচ্চতায় পর্বতশৃঙ্গ জয় করেছেন তিনি। তবে এই পর্বত আরোহণের পথ অত্যন্ত কষ্টকর ছিল। নানা সমস্যা এবং প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছিল তাঁকে। একদিকে তুষার ঝড় অপর দিকে বরফে ঢাকা পাহাড়ে বড় বড় গর্ত। এই সব কিছুকে অতিক্রম করে ভারতের পতাকা উড়িয়ে ছিলেন শুভম। তবে তুষার ঝড়ের তাপে মুখের চামড়া পুড়ে গিয়েছিল। কিন্তু তবুও নিজের লক্ষ্যে অবিচল ছিলেন তিনি। তাঁর জয়ে রাজ্য সহ গোটা দেশ কুর্নিশ জানিয়েছে। পরিবারে উচ্ছ্বাস এবং খুশির আবহ।

    বাঙালি হিসেবে প্রথম এই সাফল্য

    এই পর্বতশৃঙ্গ জয়ের পর শুভম (Hooghly) বলেছেন, “মাউন্ট এলব্রুস একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল, সমস্ত বাধাকে অতিক্রম করে সফল হতে পেরে খুব আনন্দিত আমি। ভারতীয় হিসেবে আমি প্রথম এই দুর্গম পর্বতশৃঙ্গের উত্তর দিক থেকে উঠে আবার উত্তর দিক ধরেই নামতে পেরেছি। তবে আমার সঙ্গে আরও একজন ভারতীয় ছিলেন। তিনি অবশ্য উত্তর দিক থেকে উঠে আবার দক্ষিণ দিকে অবতরণ করেছেন। ফলে বাঙালি হিসেবে প্রথম এই সাফল্যে অত্যন্ত গর্ব অনুভব হচ্ছে। তবে অভিযানে ভাষার একটা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। সকলে সকলকে সহযোগিতা করায় অভিযান সফল হয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ “তৃণমূলে মুষল পর্ব শুরু হয়েছে, এবারেই ধ্বংস হয়ে যাবে”, উল্টোরথে হাওড়ায় তোপ সুকান্তর

    পরিবারের বক্তব্য

    শুভমের মা তাঁর এই সাফল্যে বলেছেন, “ছেলের কর্মের জন্য আজ আমার বেশ গর্ব হচ্ছে, তবে অনেক ভয়ের মধ্যে ছিলাম। কখনও কখনও সাত-আট দিন পর্যন্ত কথা হতো না। খুব উদ্বেগের মধ্যে থাকতে হতো। তবে ছেলে প্রতি বছর কোথাও না কোথাও আরোহণ করে থাকে। আবার বাড়ি (Hooghly) ফিরেই প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। ওর স্বপ্ন পূরণ হোক এই কামনা করি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share