Blog

  • Pineapple: কাশি এবং ডায়ারিয়া কমায় আনারস! বর্ষার মরশুমের এই ফল কি কারও পক্ষে বিপজ্জনকও?

    Pineapple: কাশি এবং ডায়ারিয়া কমায় আনারস! বর্ষার মরশুমের এই ফল কি কারও পক্ষে বিপজ্জনকও?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    উত্তর থেকে দক্ষিণ, রাজ্য জুড়ে বৃষ্টি চলছেই। বর্ষায় যেমন বাঙালির পাতে থাকে ইলিশ, তেমনি বর্ষার মরশুমের আরেক খাবারও বাঙালির প্রিয়। আর সেটা হল আনারস। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, আনারস খুবই উপকারী। বিশেষত এই সময়ে আনারস (Pineapple) নিয়মিত খেলে একাধিক উপকার পাওয়া যায়। তবে কিছু ক্ষেত্রে সতর্কতাও জরুরি। না হলে আনারস বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। প্রথমে দেখে নেওয়া যাক, আনারসের উপকার কতখানি?

    আনারস কমায় ডায়ারিয়ার ঝুঁকি

    বর্ষায় (Rainy Season) ডায়ারিয়ার মতো রোগের প্রকোপ বাড়ে। বিভিন্ন জায়গায় জমা ও অপরিচ্ছন্ন জলের জেরে ডায়ারিয়ার মতো পেটের অসুখের ঝুঁকি তৈরি হয়। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, আনারস ডায়ারিয়ার ঝুঁকি কমায়। তাই বর্ষার সময় অন্তত সপ্তাহে দু’দিন আনারস খেলে একাধিক পেটের অসুখের মোকাবিলা সহজ হয়। আনারস পেটের জন্য খুবই উপকারী। তাই ডায়ারিয়ার মতো রোগকেও সহজেই মোকাবিলা করা সম্ভব হয়।

    কাশি কমাতে সাহায্য করে আনারস (Pineapple)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, বর্ষায় অনেকেই মারাত্মক সর্দি-কাশিতে ভোগেন। আনারস এই ধরনের সমস্যা মোকাবিলায় সাহায্য করে। আনারস গলার সংক্রমণের ঝুঁকি কমায়। তাই আনারস খেলে কাশির সমস্যার সহজেই মোকাবিলা করা যায়।

    ত্বকের সমস্যা কমায় আনারসের রস

    বর্ষায় স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়া থাকে। আর তার জেরেই অনেকে নানান ফাঙ্গাস ইনফেকশনে আক্রান্ত হয়। দেহের বিভিন্ন জায়গায় চুলকানি বা লাল হয়ে থাকা এর প্রধান লক্ষণ। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, আনারসের (Pineapple) রস সেই জায়গায় লাগালে দারুণ উপকার হয়। দ্রুত সংক্রমণ কমে। চুলকানির সমস্যাও কমে।

    কিডনি ভালো রাখে আনারস

    কিডনির জন্য আনারস ভীষণ উপকারী। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, আনারস মূত্রনালীর সংক্রমণ ও কিডনির সমস্যা মোকাবিলায় বিশেষ সাহায্য করে। অনেকেই মূত্রনালীর সংক্রমণে ভোগেন। বিশেষত মহিলাদের এই ধরনের সমস্যা বেশি দেখা যায়। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এক কাপ আনারসের রস নিয়মিত খেলে কিডনি সুস্থ থাকে‌। কিডনিতে পাথরের মতো জটিল রোগের ঝুঁকি অনেক কমে। আবার মূত্রনালীর সংক্রমণের ঝুঁকিও কমে। তাই মহিলাদের বিশেষ করে এই দিকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কাদের বিপদ বাড়াতে পারে বর্ষার এই ফল? (Pineapple)

    লিভার, কিডনি কিংবা ত্বকের জন্য উপকারী হলেও আনারস নিয়মিত খেলে কিছু ক্ষেত্রে তা বিপজ্জনক হতে পারে বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, মাঝেমধ্যে খাওয়া যেতে পারে। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে নিয়মিত আনারস খেলে বিপদ হতে পারে। এবার দেখে নেওয়া যাক, সেগুলি কী কী।

    ক্যাভেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়! 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দাঁতের জন্য অনেক সময়েই আনারস (Pineapple) ঝুঁকি তৈরি করে‌। ক্যাভেটিস এবং জিংজাইভেটিসের মতো রোগের ঝুঁকি অনেক সময় আনারস বাড়িয়ে দেয়।

    রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়

    আনারস মিষ্টি ফল। আবার অনেকেই চিনি মিশিয়ে আনারস খান। আর তার জেরেই বিপদ বাড়ে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডায়াবেটিস আক্রান্তরা নিয়মিত আনারস খেলে অনেক সময়েই রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায়। তাই বাড়তি বিপদ তৈরি হয়।

    অ্যালার্জি থাকলে ভোগান্তি বাড়াবে

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকেই অ্যালার্জিপ্রবণ হন।‌ বিভিন্ন ধরনের খাবারে তাঁদের চুলকানি, ঠোঁট ও গলা ফুলে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা যায়। তাঁদের জন্য আনারস বাড়তি ভোগান্তি তৈরি করতে পারে। তাই আনারস খাওয়ার আগে ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ (Rainy Season)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Post: ভারতীয় ডাক বিভাগে ৪৪ হাজার কর্মী নিয়োগ! জেনে নিন কীভাবে আবেদন করবেন

    India Post: ভারতীয় ডাক বিভাগে ৪৪ হাজার কর্মী নিয়োগ! জেনে নিন কীভাবে আবেদন করবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ডাক বিভাগে (India Post) প্রায় ৪৪ হাজার কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হল। গ্রামীণ ডাক সেবকের (GDS Recruitment) ৪৪ হাজার ২২৮ শূন্যপদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে৷ ওই বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, পশ্চিমবঙ্গ, অন্ধ্রপ্রদেশ, অসম, বিহার, ছত্তিশগড়, দিল্লি, গুজরাট, হরিয়ানা, হিমাচল প্রদেশ, জম্মু ও কাশ্মীর, ঝাড়খণ্ড, কর্ণাটক, কেরল, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, উত্তর-পূর্ব ভারত, ওড়িশা, পঞ্জাব, রাজস্থান, তামিলনাড়ু, তেলেঙ্গানা, উত্তরপ্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ড-সহ ২৩টি রাজ্যে গ্রামীণ ডাক সেবক পদে নিয়োগ করা হবে।

    কবে থেকে আবেদন করবেন (India Post) 

    চাকরির জন্য আবেদন করতে পারবেন সোমবার অর্থাৎ ১৫ জুলাই থেকে৷ ৫ অগাস্ট পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। ৬,৭ ও ৮ অগাস্ট আবেদনে কোনও ভুল থাকলে তা সংশোধন করতে পারবেন। অগাস্টের ৮ তারিখের পর আর কিছু করা যাবে না। গ্রামীণ ডাক সেবক (GDS Recruitment) পদে আবেদনের জন্য যেতে হবে ডাক বিভাগের (India Post) অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে indiapostgdsonline.gov.in। আবেদনের ফি ১০০ টাকা।

    কারা আবেদন করতে পারবেন (GDS Recruitment)

    দশম শ্রেণির পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে গ্রামীণ ডাক সেবকের (GDS Recruitment) পদের প্রার্থীদের নির্বাচন হবে। এর পাশাপাশি সকল আবেদনকারীকে সাইকেল চালাতে জানতে হবে৷ কম্পিউটার জানাও বাধ্যতামূলক ৷ আবেদনকারীকে একটি স্বীকৃত বোর্ড থেকে দশম পাশ করতে হবে ৷ স্থানীয় ভাষাও জানতে হবে৷ একই সঙ্গে প্রার্থীদের বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। সংরক্ষিত বিভাগের প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ছাড় দেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে তফসিলি জাতি/তফসিলি উপজাতিদের জন্য ৫ বছর, অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির জন্য ৩ বছর, বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের ১০ বছরের উপরে সর্বোচ্চ বয়সসীমায় ছাড় দেওয়া হবে৷ তবে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল বিভাগের জন্য বয়সের ক্ষেত্রে কোনও শিথিলতা নেই ৷

    কীভাবে আবেদন করবেন

    প্রথম ধাপ: indiapostgdsonline.gov.in অফিসিয়াল ওয়েবসাইট যান।

    দ্বিতীয় ধাপ: ইন্ডিয়া পোস্ট গ্রামীণ ডাক সেবক (জিডিএস) নিয়োগ ২০২৪ লিঙ্কে ক্লিক করুন।

    তৃতীয় ধাপ: রেজিস্ট্রেশনের ফি দিন।

    চতুর্থ ধাপ: প্রয়োজনীয় নথি আপলোড করুন।

    পঞ্চম ধাপ: প্রয়োজনীয় বিবরণ-সহ আবেদনপত্র পূরণ করুন এবং জমা দিন।

    ষষ্ঠ ধাপ: আবেদনপত্রটি ডাউনলোড করুন এবং ভবিষ্যতের জন্য ফর্মের একটি প্রিন্টআউট নিয়ে রাখুন।

    আরও পড়ুন: অ্যাপলের পর গুগল! ভারতেই তৈরি হবে পিক্সেল ফোন, যাবে ইউরোপ-আমেরিকায়

    নজরে রাখুন (India Post) 

    আবেদনকারীদের অবশ্যই ফর্ম পূরণের সময় বৈধ ইমেল আইডি এবং মোবাইল নম্বর দিতে হবে। যাতে পরবর্তীকালে ডাক বিভাগ কর্তৃপক্ষ ওই ইমেল বা ফোন নম্বারে যোগাযোগ করতে পারে। ওয়াবসাইটে সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি যাচাইয়ের সময় আবেদনকারীদের অবশ্যই উপস্থিত থাকতে হবে। ফি একবার পরিশোধ করা হলে কোনোভাবেই সেটা ফেরত পাওয়া যাবে না। তাই ভালো করে দেখেশুনে ফর্ম ফিলাপ ও ফি জমা দিতে হবে ৷

    বেতন কত (India Post) 

    গ্রামীণ ডাক সেবক নিয়োগে (GDS Recruitment) দুটি পদ রয়েছে ৷ একটি হল সহকারী শাখা পোস্টমাস্টার এবং শাখা পোস্ট মাস্টার। সহকারী শাখা পোস্টমাস্টারের বেতন স্কেল ১০,০০০ থেকে ২৪,৪৭০ টাকার মধ্যে। যদিও শাখা পোস্টমাস্টারের বেতন স্কেল ১২০০০ থেকে ২৯,৩৮০ টাকার মধ্যে। চৌকিদার পদে যারা নির্বাচিত হবেন তারা মাসিক ২০,০০০ টাকা বেতন পাবেন৷

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Hasina: তিস্তা প্রকল্প রূপায়ণ করুক ভারত, চাইছেন হাসিনা, জানালেন কারণও

    Sheikh Hasina: তিস্তা প্রকল্প রূপায়ণ করুক ভারত, চাইছেন হাসিনা, জানালেন কারণও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিস্তা প্রজেক্ট (Teesta Project) করুক ভারত। চান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। এই প্রকল্পটি করতে চেয়েছিল চিনও। এগিয়েছিল ভারতও। এহেন আবহে দিন কয়েক আগে চিন সফরে যান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। তার আগেই ভারত সফর সেরে গিয়েছেন তিনি।

    কী বলছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী? (Sheikh Hasina)

    কমিউনিস্ট শাসিত শি জিনপিংয়ের দেশ থেকে ফিরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিলেন, তিনি চান তিস্তা প্রকল্পটি করুক ভারত। কী জন্য এই প্রকল্প রূপায়ণে তিনি ভারতকে চান, তাও ব্যাখ্যা করেছেন আওয়ামি লিগের সর্বময় কর্ত্রী। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে হাসিনা বলেন, “ভারতের পাশাপাশি এই প্রকল্পে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চিন-ও। তবে সব দিক বিবেচনা করে আমি চাই তিস্তা প্রকল্পটি রূপায়ণ করুক ভারত।” তিনি বলেন, “তিস্তার জল ভারতের নিয়ন্ত্রণে। তাই তারা এই প্রজেক্ট করুক। তারা যদি এই প্রকল্পটি রূপায়ণ করতে চায়, তাহলে সর্বোতভাবে সাহায্য করা হবে।”

    তিস্তার জলবণ্টন চুক্তি

    তিস্তার জলবণ্টন চুক্তিকে ঘিরে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্কে জটিলতা তৈরি হয়েছে। ভারত থেকে নদীটি গিয়ে ঢুকেছে বাংলাদেশে। তাই তিস্তার জলের ন্যায্য দাবিদার বাংলাদেশও। তবে বাংলাদেশকে দেওয়ার মতো যথেষ্ট পরিমাণ জল নেই বলে তিস্তা চুক্তিতে সায় দেননি পশ্চিমবাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিস্তা চুক্তি প্রসঙ্গে কেন্দ্রকে নিশানা করেছিলেন (Sheikh Hasina) তিনি। বলেছিলেন, “ওরা কীভাবে তিস্তার জল দিতে পারে? সিকিম ১৪টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প তৈরি করেছে। সিকিমের প্রজেক্ট তৈরির সময় খেয়াল রাখা উচিত ছিল কেন্দ্রের। সব জল সিকিম নিয়ে যাচ্ছে…।” মমতার দাবি, বাংলাদেশকে তিস্তার জল দিলে সমস্যায় পড়বেন পশ্চিমবঙ্গের উত্তর প্রান্তের বাসিন্দারা।

    আরও পড়ুন: নিশানায় ছিল অমরনাথ! সীমান্তে ফের অনুপ্রবেশ রুখল সেনা, খতম তিন জঙ্গি

    প্রসঙ্গত, তিস্তার অববাহিকায় বিরাট জলাধার নির্মাণ করে বৃষ্টির জল ধরে রাখার পরিকল্পনা করেছে বাংলাদেশ। এই প্রকল্পই রূপায়ণ করতে চায় শি জিনপিংয়ের দেশ। আগ্রহী নরেন্দ্র মোদির ভারতও। টানটান করা (Teesta Project) স্নায়ুর লড়াইয়ে যে শেষ হাসি হাসল ভারতই, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর (Sheikh Hasina) কথায়ই তা স্পষ্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Murshidabad: পঞ্চায়েত সদস্য হতে জাতিগত শংসাপত্র জাল! কোর্টের গুঁতোয় পদ হারালেন তৃণমূল নেত্রী

    Murshidabad: পঞ্চায়েত সদস্য হতে জাতিগত শংসাপত্র জাল! কোর্টের গুঁতোয় পদ হারালেন তৃণমূল নেত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংরক্ষিত আসনে জাল জাতিগত শংসাপত্র (ওবিসি সার্টিফিকেট) ব্যবহার করে ভোটে লড়ার দায়ে হাইকোর্টের নির্দেশে তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যার সদস্যপদ বাতিল করল জেলা প্রশাসন। ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ফরাক্কা ব্লকের বেওয়া-২ গ্রাম পঞ্চায়েতে। জঙ্গিপুরের মহকুমা শাসক শ্রীকান্ত জি সিং ইতিমধ্যেই রেখা খাতুন নামে ওই পঞ্চায়েত সদস্যার সদস্যপদ বাতিলের চিঠি সকল আধিকারিককে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Murshidabad)

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলাফলের প্রকাশ হওয়ার কিছুদিন পর সিপিএমের তিলডাঙা (Murshidabad) শাখা কমিটির সম্পাদক শাকির শেখ তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যা রেখা খাতুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন, তিনি তাঁর ওবিসি সার্টিফিকেট জাল করে পঞ্চায়েত নির্বাচনে লড়েছিলেন এবং আসনে জয়লাভ করেছেন। এরপর অভিযোগকারী কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন এবং কোর্টের নির্দেশে রেখা খাতুনকে ‘শোকজ’ করে জেলা প্রশাসনের তরফে এই ঘটনার শুনানি শুরু হয়। ওবিসি সার্টিফিকেট জাল করে পঞ্চায়েত ভোটে জেতার পর সেই ওবিসি সার্টিফিকেট জাল প্রমাণিত হওয়ায় তৃণমূলের সদস্য পদ বাতিল করা হয়েছে। মহকুমা শাসক বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশে পঞ্চায়েত সদস্যার সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: জগন্নাথদেবের রত্নভাণ্ডারের ভিতরে নাগ দেবতা! দরজা খুলে কী দেখা গেল?

    অভিযোগকারী কী বললেন?

    অভিযোগকারী শাকির শেখ বলেন, ” তৃণমূল সদস্যা রেখা খাতুন (Trinamool Congress) ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা। প্রায় ৭-৮ বছর আগে তিলডাঙা গ্রামে তাঁর বিয়ে হয়েছে। ওই পঞ্চায়েত সদস্যার দুটি জাতিগত শংসাপত্র রয়েছে। একটি শংসাপত্রে তাঁর বাবার নাম রয়েছে গিয়াসউদ্দিন শেখ এবং অপরটিতে ধর্মডাঙা গ্রামের বাসিন্দা জনৈক গিয়াসউদ্দিন মোমিনকে তাঁর বাবা বলে দেখানো হয়েছে। আমরা জালিয়াতির বিরুদ্ধে লড়াই করি। সাধারণ মানুষের জন্য লড়াই করি। তৃণমূলের (Trinamool Congress) ওই সদস্যা ওবিসি শংসাপত্র জাল করে তিনি মানুষের সঙ্গেই জালিয়াতি করেছেন। জালিয়াতি করা তৃণমূলের কাজ। ওবিসি শংসাপত্র জাল করার পিছনে তৃণমূল নেতাদের বড় ভূমিকা রয়েছে। আমাদের লড়াইয়ে আমরা জিতবই। তৃণমূলের জালিয়াতি মানুষের সামনে এনে দিয়েছি। প্রশাসন পদক্ষেপ নেওয়ায় আমরা খুশি। আমরা চাই, ওই আসনে পুনরায় ভোট হোক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “তৃণমূলে মুষল পর্ব শুরু হয়েছে, এবারেই ধ্বংস হয়ে যাবে”, উল্টোরথে হাওড়ায় তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “তৃণমূলে মুষল পর্ব শুরু হয়েছে, এবারেই ধ্বংস হয়ে যাবে”, উল্টোরথে হাওড়ায় তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার উল্টোরথের অনুষ্ঠানে যোগদান করে তৃণমূলকে আক্রমণ করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। হাওড়ার সাঁকরাইলের নবঘরায় তিনি বলেছেন, “তৃণমূলে মুষল পর্ব শুরু হয়েছে, এবারেই ধ্বংস হয়ে যাবে।” তবে তাঁর এই ভাষণের সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। 

    ঠিক কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    রথযাত্রার দিনেই রাজ্যে তৃণমূলের (TMC) চলা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তীব্র কটাক্ষ করেন বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এরপর একাধিক বিষয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মন্তব্য করেন। তিনি বলেছেন, “যদু বংশ ধ্বংসের সময় মুষল পর্ব শুরু হয়েছিল। তৃণমূলেও তাই শুরু হয়েছে। এই ভাবেই তাঁদের দল শেষ হয়ে যাবে।” শুধু তাই নয় এই বর্ষায় সবজির দাম বৃদ্ধি নিয়ে মমতার সরকারে সমালোচনা করেছেন তিনি। তিনি আরও বলেছেন, “দেশের বিভিন্ন রাজ্য পেট্রোপণ্যের দাম কমিয়েছে। আর বাংলায় তৃণমূল সরকার অতিরিক্ত কর বসিয়েছে। গ্রাম থেকে সবজি, আনাজ, ফল গাড়িতে করে শহরে আসে। ফলে জ্বালানির দাম না কমালে সবজির দাম কমবে না, লোক দেখানো টাস্ক ফোর্স দিয়েও কমবে না।”

    আরও পড়ুনঃ রথে চড়ে তারাপীঠ ঘুরলেন মা-তারা, কেন মন্দিরের বাইরে বের হন দেবী?

    উপনির্বাচনে ব্যাপক রিগিং করেছে তৃণমূল!

    এদিন এই সভা থেকে রাজ্যে চার আসনের উপনির্বাচনের ফলাফল নিয়ে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেছেন, “তৃণমূল (TMC) উপনির্বাচনে ব্যাপক ভাবে রিগিং করেছে। মাত্র এক মাস আগেই লোকসভার ভোটে যে কেন্দ্রগুলিকে বিজেপি এগিয়ে ছিল, সেখানে তৃণমূল কোন কাজ করল যে মানুষ এতো পরিমাণে ভোট দিল! এটা সম্পূর্ণ ভাবে রিগিং এবং ছাপ্পার ফলাফল। আগে হুগলির আরামবাগে সিপিএম নেতা অনিল বসু তিন-চার লাখ ভোটে জিতে মমতাকে পশ্চাৎদেশ দেখিয়ে ছিলেন। আজ সেই অনিল বসু এবং সিপিএমকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তৃণমূলের অবস্থা আরও খারাপ হবে। না হলে এক একটি বুথে বিজেপি মাত্র ২-৩টি করে ভোট পায়? আগে সিপিএম যা করেছে, তৃণমূল এখন তাই করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Donald Trump: মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরেই প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ট্রাম্প! নিজেই ঘোষণা করলেন ভাইস প্রেসিডেন্টের নাম

    Donald Trump: মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরেই প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ট্রাম্প! নিজেই ঘোষণা করলেন ভাইস প্রেসিডেন্টের নাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মৃত্যুর দোরগোড়া থেকে ফিরে ফের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। দিনদুয়েক আগেই নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে ‘গুলিবিদ্ধ’ হয়েছিলেন। এবার সরকারিভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পদপ্রার্থী হলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডোনাল্ড ট্রাম্পই প্রথম ব্যক্তি যিনি যুক্তরাষ্ট্রে তিনবার প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হচ্ছেন। সেই সঙ্গে তিনি বেছে নিলেন নয়া রানিং মেট, অর্থাৎ ভাইস প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীকে। তিনি নিজেই সেই নাম প্রস্তাব করেন। ট্রাম্পের সহাকারী হওয়ার জন্য নির্বাচনে লড়বেন ৩৯ বছর বয়সি জেডি ভ্যান্স। 

    আনুষ্ঠানিক ভাবে সিলমোহর 

    চলতি বছরের শেষেই আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন (US President Election 2024) রয়েছে। তবে ট্রাম্পই (Donald Trump) যে আসন্ন নির্বাচনে তাঁর দল রিপাবলিকান পার্টির প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী, তা এক প্রকার নিশ্চিতই ছিল। সোমবার সেই খবরেই সিলমোহর পড়ল। এদিন মিলাউকিতে ছিল রিপাবলিকানদের সম্মেলন। সেখানে কার্যত নায়কের মতো করে বরণ করে স্বাগত জানানো হয় মৃত্যুমুখ থেকে ফিরে আসা ট্রাম্পকে। রিপাবলিকান পার্টির এই জাতীয় সম্মেলনেই আনুষ্ঠানিক ভাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকেই প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসাবে মনোনীত করা হয়। সম্মেলনে ভোটাভুটিতে প্রায় আড়াই হাজার প্রতিনিধির সবকটি ভোটই পেয়েছেন ট্রাম্প। কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকলেও ১ হাজার ২১৫টি ভোটের (US President Election 2024) দরকার ছিলো ট্রাম্পের। নিজের ছেলে এরিক ট্রাম্প যখন ফ্লোরিডার প্রতিনিধিদের ভোটের ফলাফল ঘোষণা করেন তখনই চূড়ান্ত হয়ে যায় ট্রাম্পের প্রার্থিতা। তুমুল করতালি, হর্ষধ্বনি ও বাদ্য বাজিয়ে ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানান সকলে।

    আরও পড়ুন: জগন্নাথদেবের রত্নভাণ্ডারের ভিতরে নাগ দেবতা! দরজা খুলে কী দেখা গেল?

    ট্রাম্প বিরোধী ভ্যান্স এবার ‘বন্ধুর’ ভূমিকায়  

    এর আগেও একাধিক বার সংবাদের শিরোনামে উঠে এসেছেন ওহাইওর সেনেটর জেডি ভ্যান্স। পেশায় আইনজীবী ভ্যান্স ২০২৩ সালে ওহাইওর সেনেটর হিসাবে নির্বাচিত হন। একটা সময় তাঁকে ট্রাম্পের (Donald Trump) সবচেয়ে বড় সমালোচক বলে মনে করা হত। এমনকি ট্রাম্পকে ‘আমেরিকার হিটলার’ বলেও অভিহিত করেছিলেন ভ্যান্স। তবে ২০২১ সাল থেকে ভ্যান্স এবং ট্রাম্পের মধ্যে বরফ গলতে শুরু করে। ফলে একসময় ট্রাম্পের ঘোরতর বিরোধী ভ্যান্স এবার ‘বন্ধুর’ ভূমিকায় থাকবেন। 

    সমাজমাধ্যমে পোস্ট ট্রাম্পের (Donald Trump)

    এ প্রসঙ্গে সমাজমাধ্যমে ট্রাম্প একটি পোস্ট করে লেখেন, ‘‘ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসাবে জেডি আমাদের সংবিধানের জন্য লড়াই চালিয়ে যাবেন। আমাদের সেনাবিহিনীর পাশে দাঁড়াবেন। আমেরিকাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আমার পাশে থাকবেন।’’

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tarapith Ratha Yatra: রথে চড়ে তারাপীঠ ঘুরলেন মা-তারা, কেন মন্দিরের বাইরে বের হন দেবী?

    Tarapith Ratha Yatra: রথে চড়ে তারাপীঠ ঘুরলেন মা-তারা, কেন মন্দিরের বাইরে বের হন দেবী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন ধর্মের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উৎসব হল রথযাত্রা। স্নানযাত্রার পর নিভৃতবাস থেকে বেরিয়ে আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে রথে চড়ে দাদা বলরাম ও বোন সুভদ্রাকে নিয়ে মাসির বাড়ি যান জগন্নাথদেব। এর সাতদিন পরে তাঁরা যখন ফিরে আসেন, সেটাই উল্টো রথ নামে পরিচিত। এই রথযাত্রা ও উল্টোরথের শুভ দিনে বীরভূমের (Birbhum) তারাপীঠ মন্দিরে ভিড় জমান হাজার হাজার ভক্তরা। মা-তারার (Tarapith Ratha Yatra)  বিগ্রহকে গর্ভগৃহের বাইরে আনা হয় শুধুমাত্র রথের এই দু’দিন। এরপর রথে বিগ্রহকে বসিয়ে প্রদক্ষিণ করা হয় তারাপীঠ।

    তারাপীঠে রথের প্রচলন কবে শুরু হয়? (Tarapith Ratha Yatra)  

    তারাপীঠে রথযাত্রার (Tarapith Ratha Yatra) মাহাত্ম্যই আলাদা। জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রাকে নিয়ে রথযাত্রা উৎসব নয়, তারাপীঠে তারা-মা-ই জগন্নাথের প্রতিভূ। একাধারে তিনিই কালী, তিনিই কৃষ্ণ। সোজা রথ থেকে উল্টো রথ-দুই পর্যায়ের রথেই মা-তারাই অধিষ্ঠিতা থাকেন। তারাপীঠের ইতিহাস ঘাটলে জানা যায়, আনুমানিক ১৭৮০ সালে নাটোরের রানি ভবানীর দত্তকপুত্র রাজা রামকৃষ্ণ তারাপীঠে রথের প্রচলন করেছিলেন। পরবর্তীকালে কলকাতার আশালতা সাধুখাঁ নামে এক ভক্ত রথঘর নির্মাণ করেন। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী অজয় মুখোপাধ্যায়ের হাত ধরে যার উদ্বোধন হয়েছিল। সেই সময় কাঠের তৈরি একটি রথে তারা-মাকে বসিয়ে গোটা চণ্ডীপুর গ্রাম (বর্তমানে তারাপীঠ নামে পরিচিত) প্রদক্ষিণ করানো হত। সেই সময় রথের রশিতে টান দিতে স্থানীয় মানুষ ছাড়াও আশপাশের বাসিন্দারাও ভিড় জমাতেন। হরিনাম সংকীর্তন, বিভিন্ন রকমের বাজনা ও ‘জয় তারা’ ধ্বনি সহযোগে তারা মাকে রথে চাপিয়ে গ্রাম ঘোরানো হত। সময় যত গড়িয়েছে, তারা মায়ের রথের মাহাত্ম্য ততই প্রসিদ্ধি লাভ করেছে।

    আরও পড়ুন: জগন্নাথদেবের রত্নভাণ্ডারের ভিতরে নাগ দেবতা! দরজা খুলে কী দেখা গেল?

    উল্টোরথে তারা মাকে দেখতে ভক্তদের ঢল নামে

    রথযাত্রার দিনের মতো, উল্টো রথের দিন, সোমবার বিকেলে মা-তারার বিগ্রহকে (Tarapith Ratha Yatra) প্রদক্ষিণ করানো হল তারাপীঠে। যেহেতু তারাপীঠে মা-তারা একমাত্র অধিষ্ঠাত্রী দেবী, তাই মা তারাকেই এখানে দেবদেবী রূপে পুজো করা হয়ে থাকে। আর বছরের তিনটি দিনে মা-তারাকে মূল মন্দির থেকে বের করা হয়। এক, শুক্লা চতুর্দশীর দিনে আবির্ভাব দিবসে। অন্যদিন, এই রথযাত্রার দিনে এবং উল্টো রথের দিনে। উল্টো রথযাত্রার দিনে মা-তারাকে রথে চাপিয়ে তারাপীঠ এলাকা প্রদক্ষিণ করা হয়। তারপর আবার মাকে মূল মন্দিরে ফিরিয়ে নিয়ে আনা হয়। মা-তারার এই বিশেষ রথযাত্রা দেখতে তারাপীঠে (Birbhum) প্রচুর ভক্তের ভিড় হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu-Kashmir: জম্মু-কাশ্মীরে ফের জঙ্গি হামলা! নিহত মেজর-সহ চার জওয়ান, ডোডায় চলছে তল্লাশি অভিযান

    Jammu-Kashmir: জম্মু-কাশ্মীরে ফের জঙ্গি হামলা! নিহত মেজর-সহ চার জওয়ান, ডোডায় চলছে তল্লাশি অভিযান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তল্লাশি অভিযানের সময় জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াইতে শহিদ চার সেনা জওয়ান। এক মেজর সহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে কাশ্মীরের ডোডায় (Doda)। সূত্রের খবর, সোমবার জঙ্গিদের উপস্থিতির খবর পেয়ে ডোডা ও দেসায় যৌথভাবে হামলা চালায় ভারতীয় সেনা ও কাশ্মীর পুলিশ। জঙ্গিদের সন্ধান চালানোর সময়ই শুরু হয় দু পক্ষের গুলির লড়াই। শহিদ জওয়ানদের মধ্যে একজন অফিসারও আছেন। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে জম্মু-কাশ্মীরের বেশ কয়েকটি জায়গায় সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। সেই কারণে জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu-Kashmir) বিস্তীর্ণ এলাকায় ‘হাই অ্যালার্ট’ জারি করা হয়েছে। 

    জঙ্গি দমনে অভিযান (Jammu-Kashmir)

    সোমবার রাতে জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu-Kashmir) ডোডায় জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াই শুরু হয় ভারতীয় সেনার। সঙ্গে ছিল জম্মু-কাশ্মীর পুলিশও। দুই পক্ষের লড়াইয়ে অনন্ত চার জন জওয়ান এবং এক জন পুলিশ কর্মী গুরুতর আহত হন। তাঁদের ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় জওয়ানদের। ভারতীয় সেনার সঙ্গে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের স্পেশ্যাল অপারেশন গ্রুপ (এসওজি) যৌথ ভাবে সোমবার সন্ধ্যায় ডোডা জেলার (Doda) দেসা জঙ্গল এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিল। এক পুলিশ আধিকারিক জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়েই এই অভিযান চালানো হয়। ওই এলাকায় জঙ্গিদের লুকিয়ে থাকার খবর ছিল। ভারতীয় সেনার তরফে এক্স মাধ্যমে জানানো হয়েছে, সোমবার রাত ৯ টা নাগাদ জঙ্গিদের উপস্থিতির খোঁজ পায় সেনা জওয়ানরা। এরপরই শুরু হয় ব্যাপক গুলির লড়াই।

    আরও পড়ুন: জগন্নাথদেবের রত্নভান্ডারের ভিতরে নাগ দেবতা! দরজা খুলে কী দেখা গেল?

    সন্ত্রাস রুখতে কঠোর পদক্ষেপ (Jammu-Kashmir)

    গোয়েন্দা সূত্রে খবর, অন্তত ৬০ জন জঙ্গির উপস্থিতি রয়েছে কাশ্মীরে (Jammu-Kashmir)। অন্তত ১০ জেলায় ছড়িয়েছে আতঙ্কের ছায়া। এই নিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে পরপর দুবার জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটল ভূস্বর্গে। গত সপ্তাহেই কাঠুয়ায় পাঁচ জওয়ানের মৃত্যু হয়। তারপর সোমবার ফের হামলার ঘটনা ঘটল ডোডায় (Doda)। কখনও সেনা কনভয়ে, কখনও আবার সেনাগাড়ি লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছে গোলাগুলি। জঙ্গিদের খোঁজে এখনও তল্লাশি চালাচ্ছে সেনা। সকালের পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ বা সেনার তরফে কিছু জানানো হয়নি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন যে ‘জিরো টেরর’ পরিকল্পনার মাধ্যমে যেভাবে কাশ্মীর উপত্যকায় সন্ত্রাসবাদকে নিয়ন্ত্রণে আনা গিয়েছে, ঠিক সেই কাজটাই চালানো হবে। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অল-আউট যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর ঘোষণামতো পোর্টাল খুলল বিজেপি, ভোট না দিতে পারলে নথিভুক্ত করা যাবে নাম

    Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর ঘোষণামতো পোর্টাল খুলল বিজেপি, ভোট না দিতে পারলে নথিভুক্ত করা যাবে নাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত রবিবার রাজভবনের সামনে ধর্না মঞ্চ থেকে যাঁরা ভোট দিতে পারেননি, তাঁদের জন্য পোর্টাল খোলার কথা ঘোষণা করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এবার সেই ঘোষণামতোই নতুন পোর্টাল (LoP Portal) খুলল বিজেপি। সোমবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে এই নতুন পোর্টালের বিষয়ে জানিয়েছেন। পোর্টালটির নাম দেওয়া হয়েছে savedemocracywb. Com. জানা গিয়েছে, যে সমস্ত ভোটার বিগত লোকসভা নির্বাচন অথবা সদ্য সমাপ্ত ৪ বিধানসভা উপনির্বাচনে ভোট দিতে পারেন নি তাঁরা নিজেদের অভিযোগ জানাতে পারবেন এই পোর্টালে।

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) ট্যুইট

    এদিন এক্স হ্যান্ডেলে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) লেখেন, “কথা দিয়েছিলাম। সেইমতোই পোর্টাল লঞ্চ করলাম। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোট ও সদ্য সমাপ্ত উপনির্বাচনে যারা ভোট দিতে পারেননি তাঁরা নাম নথিভুক্ত করতে পারেন। তাঁদের নাম পরিচয় গোপন থাকবে।” পোর্টালের নাম দেওয়া হয়েছে ‘সেভ ডেমোক্রেসি ডব্লুবি’।

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এ বিষয়ে আরও জানিয়েছেন, পোর্টালে (LoP Portal) ভোটাররা নিজেদের নাম নথিভুক্ত করার পাশাপাশি নিজেদের অভিজ্ঞতার কথাও জানাতে পারবেন। অর্থাৎ কোন পরিস্থিতিতে তাঁরা ভোট দিতে পারেননি, সেকথা জানাতে পারবেন ভোটাররা। ভোটারদের গোপনীয়তা বজায় রাখা হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। এর পাশাপাশি গণতন্ত্রপ্রিয় পশ্চিমবঙ্গবাসীর কাছে, গণতন্ত্র ফেরানোর লড়াইয়ে সামিল হওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। পোর্টালে যাঁরা ভোট দিতে পারেননি তাঁদের নাম নথিভুক্ত করার পরে আইনি লড়াইয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।

    ২১ জুলাই ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’

    প্রথমত লোকসভা নির্বাচন পরবর্তী সন্ত্রাস ও বিধানসভা উপনির্বাচনের ব্যাপক ভোট লুটের অভিযোগ উঠে শাসক দলের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে প্রতিবাদে আন্দোলনে নেমেছে বিজেপি। ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসে আক্রান্তদের নিয়ে রবিবারের রাজভবনের সামনে ধর্নায় বসেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। সেখানেই ২১ জুলাই ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ পালন করার ডাকও দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন ২১ জুলাই দুপুর একটায় রাজ্যের প্রতিটি থানার সামনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাবে বিজেপি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Puri Jagannath Temple: জগন্নাথদেবের রত্নভান্ডারের ভিতরে নাগ দেবতা! দরজা খুলে কী দেখা গেল?

    Puri Jagannath Temple: জগন্নাথদেবের রত্নভান্ডারের ভিতরে নাগ দেবতা! দরজা খুলে কী দেখা গেল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভক্তদের বিশ্বাস জগন্নাথদেবের (Puri Jagannath Temple) দুর্মূল্য রত্নরাজি আগলে রেখেছেন নাগ দেবতা। তা স্পর্শ করা সহজ সাধ্য নয়। ৪৬ বছর পর রবিবার, সেই রত্নভান্ডার (Ratna Bhandar) খোলা হয়েছিল। পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রত্নভান্ডারকে ঘিরে মানুষের কৌতূহল দীর্ঘদিনের। ভান্ডারে বৈদুর্যমণি, নীলকণ্ঠমণি-সহ অসংখ্য মূল্যবান রত্ন রয়েছে বলে দাবি পাণ্ডাদের। উল্টো রথের আগের দিন মাহেন্দ্রক্ষণে সেই রত্নভান্ডারে প্রবেশ করে ওড়িশা সরকারের তৈরি ১১ জন প্রতিনিধির একটি দল। রত্নভান্ডারের অন্ধকার কক্ষে কী রয়েছে তার ধারণা দিল সেই দল।

    কী জানা গেল (Puri Jagannath Temple)

    রাজ্য সরকারের তৈরি ওই প্রতিনিধি দলের সভাপতি ওড়িশা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বনাথ রথ  জানান, ‘‘রত্নভান্ডারে যে দলটি প্রবেশ করেছিল, তাতে সাত থেকে আট জন মন্দির কমিটির সদস্যও ছিলেন। বহুদা যাত্রা শুরু হয়েছে বলে তাঁরা ব্যস্ত ছিলেন। সে কারণে আমরা ভালো করে খতিয়ে দেখার এবং সব রত্ন সরানোর সময় পাইনি। বিগ্রহের অলঙ্কার, রত্ন সরানোর জন্য অন্য একটি দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এত বছর পর যখন জগন্নাথ মন্দিরের রত্নভান্ডার খোলা হল সেই সময় কোনও সাপ ওখানে ছিল না। এমনকী কোনও পোকামাকড় বা অন্য কোনও সরীসৃপও পাওয়া যায়নি ওখানে।’’ 

    কী আছে রত্ন রত্নভান্ডারে (Ratna Bhandar) 

    মন্দির ট্রাস্টের তরফে জানানো হয়, রত্নভান্ডারের দুটি ভাগ, বাহির ভান্ডার ও ভিতর ভান্ডার। জগন্নাথদেবের (Puri Jagannath Temple) যা কিছু আভূষণ থাকে বাহির ভান্ডারে। আর ভিতর ভান্ডারে থাকে মূল্যবান সামগ্রী, অলঙ্কার। বছরে ১৫ দিন বাহির ভান্ডার খোলা হয়, বন্ধ থাকে ৩৫০ দিন। বহু বছর খোলা হয়নি ভিতর ভান্ডার। শোনা যায়, রত্নভান্ডারে রয়েছে অসংখ্য কাঠের সিন্দুক। সেগুলির উচ্চতা ৩ ফুট, লম্বায় ৯ ফুট। ১৯৭৮ সালের অডিট অনুযায়ী, রত্নভান্ডারে রয়েছে ১ হাজার ৩৩৩ রকমের অলঙ্কার। যার মধ্যে ৪৫৪ ধরনের খাঁটি সোনার অলঙ্কার রয়েছে। কিছু কিছু অলঙ্কারের ওজন এক কেজির বেশি। মোট সোনার অলঙ্কারের ওজন ১২ হাজার ৮৮৩ ভরি। আছে ২৯৩ রকমের রুপোর গয়না, যেগুলির ওজন ২২ হাজার ১৫৩ ভরি। 

    আরও পড়ুন: চন্দ্রযান ৩ বর্ষ পূর্তি! নতুন এক ইতিহাস রচনা ভারতের

    অলঙ্কার রয়েছে মন্দির চত্বরেই (Puri Jagannath Temple)

    শ্রী জগন্নাথ মন্দির (Puri Jagannath Temple) প্রশাসন (এসজেটিএ)-এর প্রধান অরবনিন্দা পাঢ়ি জানিয়েছেন, বাইরের রত্নকক্ষের (Ratna Bhandar) চাবি রাখা ছিল পুরীর রাজা গজপতি মহারাজের কাছে। তিনি বলেন, ‘‘তাঁর থেকে চাবি নিয়েই বাইরের রত্নকক্ষে প্রবেশ করেছি আমরা।’’ তিনি আরও জানিয়েছেন, সেখানে থাকা অলঙ্কার মন্দির চত্বরেই ‘অস্থায়ী স্ট্রং রুম’-এ রাখা হয়েছে। জেলাশাসকের উপস্থিতিতে তা সিল করে দেওয়া হয়েছে। তবে ভিতরের কক্ষে প্রবেশের জন্য ভাঙা হয় তালা। ওড়িশার বিজেপি সরকারের তরফে বলা হয়েছে, ‘‘প্রভু জগন্নাথের ইচ্ছায় ওড়িয়া অস্মিতার পরিচয় নিয়ে এগিয়ে চলেছেন ওড়িশাবাসী। এর আগে মানুষের ইচ্ছায় জগন্নাথ মন্দিরের চারটি দরজা খোলা হয়েছিল। ৪৬ বছর পর রত্নভান্ডারের দরজা খোলা হল। মানুষ যা চায়, তাই করতে বদ্ধ পরিকর সরকার।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share