Blog

  • Jay Shah: আইসিসির চেয়ারম্যান হতে পারেন জয় শাহ! কী বলছে ক্রিকেট মহল?

    Jay Shah: আইসিসির চেয়ারম্যান হতে পারেন জয় শাহ! কী বলছে ক্রিকেট মহল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইসিসি চেয়ারম্যান হতে চলেছেন বিসিসিআই সচিব জয় শাহ। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মহলে এমনই গুঞ্জন। এই মুহূর্তে আইসিসি চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন নিউজিল্যান্ডের বার্কলে। তিনি বিশ্ব নিয়ামক সংস্থার চেয়ারম্যান পদে এসেছিলেন জয় শাহের সমর্থনের জোরেই। সেই কারণেই জয় শাহ আইসিসি-র চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলে বার্কলে লড়াই থেকে সরে আসবেন, এমনই অনুমান। দীর্ঘদিন ধরে বিসিসিআই (BCCI) সচিব পদের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন জয় শাহ (Jay Shah)। এশিয়ার ক্রিকেট সংস্থারও প্রেসিডেন্ট তিনি। 

    কেন আলোচনায় জয় শাহ (Jay Shah)

    সদ্য শেষ হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজন করতে গিয়ে আইসিসির (ICC) মুখ পুড়েছে। বর্ষার মরসুমে আমেরিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে বিশ্বকাপ করায় অনেক ম্যাচই ভেস্তে গিয়েছে। তাতে আইসিসির রোজগার কমেছে। উল্টে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। যার পর বলা হচ্ছে, আইসিসিকে অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরাতে যোগ্য লোক হতে পারেন জয়। যদিও বিসিসিআইয়ের সচিব এ নিয়ে একটিও শব্দ খরচ করেননি। জয় (Jay Shah) অবশ্য আইসিসির ফিন্যান্স কমিটির চেয়ারম্য়ান। শুধু তাই নয়, বিসিসিআইয়ের সচিব হওয়ার দরুণ আইসিসিতেও যথেষ্ট দাপট রয়েছে তাঁর।

    আরও পড়ুন: ‘‘ভারতবাসীর হিতে সময় নষ্ট না করে আপনি সিদ্ধান্ত নেন’’, মোদির প্রশংসায় পুতিন

    দুবাই থেকে মুম্বইয়ে (Jay Shah)

    ক্রীড়া মহলে গুঞ্জন, আগামী বছর জয়ের বোর্ডের (BCCI) মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে। তারপর তিনি কুলিং অব পিরিয়ডে চলে যাবেন। সেই অঙ্ক কষেই জয় (Jay Shah) আইসিসি-তে চলে যেতে চাইছেন। সেক্ষেত্রে দুবাই থেকে আইসিসি-র দফতর চলে আসতে পারে মুম্বইয়ে। আগামী ১৯-২২ জুলাই কলম্বোতে হবে আইসিসি-র বার্ষিক সম্মেলন। ওই সভায় অবশ্য চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবে না। সেটি হবে নভেম্বর মাসে। সেইসময় জয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। নভেম্বরে চেয়ারম্যান পদের নির্বাচন। হাতে তিন মাস সময় আছে। জয়ের বয়স মাত্র ৩৫। যদি আইসিসির চেয়ারম্যান হন, সর্বকনিষ্ঠ হিসেবে ওই পদে বসবেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: তৃণমূলের সন্ত্রাস, চাষ করতে পারছেন না বিজেপি কর্মীরা, পুলিশের দ্বারস্থ গেরুয়া শিবির

    Birbhum: তৃণমূলের সন্ত্রাস, চাষ করতে পারছেন না বিজেপি কর্মীরা, পুলিশের দ্বারস্থ গেরুয়া শিবির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমে (Birbhum) চাষ করতে দেওয়া হচ্ছে না বিজেপি কর্মীদের। জেলার বিভিন্ন গ্রামে চাষ করতে পারছেন না তাঁরা। গ্রামে গ্রামে বিজেপি কর্মীদের চাষের ওপর ফতোয়া জারি করেছে শাসক দল। এমনই অভিযোগ করে জেলার (Birbhum) পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হলেন বিজেপির বীরভূম সাংগঠনিক জেলার সভাপতি ধ্রুব সাহা।  প্রসঙ্গত, এদিন লম্বোদর দাস, দামোদর পাল নামের জনৈক বিজেপি (BJP) কর্মীরা এই অভিযোগ দায়ের করেন। প্রত্যেকেই গ্রামে গ্রামে তৃণমূলের লাগামছাড়া সন্ত্রাসের কথা তুলে ধরেন নিজেদের অভিযোগে।

    সিউড়ি-২ নম্বর ব্লকের একাধিক গ্রামে সন্ত্রাস (Birbhum)

    আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার বিজেপির বীরভূম (Birbhum) সাংগঠনিক জেলার সভাপতি ধ্রুব সাহা জেলা পুলিশ সুপারের সঙ্গে দেখা করেন। তাঁর অভিযোগ, ‘‘নির্বাচনের পর থেকেই সিউড়ি-২ নম্বর ব্লকের একাধিক গ্রামে সন্ত্রাস চলাচ্ছেন তৃণমূল কর্মীরা। বিজেপি (BJP) কর্মীদের বাড়িতে থাকতে দিচ্ছে না। চাষ করতে দেওয়া হচ্ছে না তাঁদের, ট্রাক্টর ভাড়া দেওয়া হচ্ছে না বিজেপি কর্মীদের। তাঁরা যাতে নিরাপদে তাঁদের বাড়িতে থাকতে পারে এবং চাষ করতে পারে তার ব্যবস্থা করতে হবে প্রশাসনকে।’’

    বেছে বেছে বিজেপি কর্মীদের টার্গেট করছে পুলিশ

    একই সঙ্গে ধ্রুব সাহার দাবির, ‘‘মল্লারপুরের (Birbhum) পাথাই গ্রামে পুলিশকে মারধরের ঘটনার পর বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট করার হুমকি দিচ্ছে সিভিক ভলেন্টিয়াররা।’’ এই ঘটনাতেও পুলিশ সুপারের দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি। ধ্রুব সাহা অভিযোগ করেছেন, ‘‘মাস কয়েক আগে এখানে পুলিশকে মারধরের ঘটনা ঘটেছিল। কয়েকজন পুলিশ কর্মী আহত হয়েছিলেন। এই ঘটনার পর পুলিশ দোষী ব্যক্তিদের ধরতে না পেরে বেছে বেছে বিজেপি কর্মীদের টার্গেট করছে, বাড়িতে থাকতে পারছেন না গ্রামের মানুষেরা। সিভিক ভলেন্টিয়াররা বাড়িতে গিয়ে গিয়ে হুমকি দিচ্ছে বাড়ি ভাঙচুর করার, লুটপাট করে নেওয়ার।’’ পাশাপাশি তিনি এও জানিয়েছেন, যাঁরা প্রকৃত দোষী, যাঁরা পুলিশকে মারধর করেছেন, তাঁদেরকে চিহ্নিত করুক পুলিশ। এই ঘটনায় বিজেপি কর্মীদের টার্গেট করছে পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistan: ভিক্ষের ঝুলি নিয়ে ঘুরছে পাকিস্তান, অথচ ভিক্ষুকদের পাসপোর্ট বাতিলের সিদ্ধান্ত!

    Pakistan: ভিক্ষের ঝুলি নিয়ে ঘুরছে পাকিস্তান, অথচ ভিক্ষুকদের পাসপোর্ট বাতিলের সিদ্ধান্ত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশবাসীর মুখে দু’মুঠো অন্ন জোগাতে নিজেই ভিক্ষের ঝুলি নিয়ে বিশ্বের দরবারে ঘুরছে পাকিস্তান (Pakistan)। সেই পাকিস্তান সরকারই কিনা এবার বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দু’হাজারেরও বেশি ভিক্ষুকের (Beggars) পাসপোর্ট। পুণ্যার্থীর ছদ্মবেশে পাকিস্তানের বহু মানুষে ছোটেন সৌদি আরব, ইরান এবং ইরাকের মতো ইসলামিক রাষ্ট্রগুলিতে। সেখানে গিয়েই খুলে ফেলেন তীর্থযাত্রীর মুখোশ।

    ‘বেওসা’ বন্ধে পাসপোর্ট বাতিলের সিদ্ধান্ত (Pakistan)

    পুণ্যার্থীর বেশে যিনি এসেছিলেন এই সব দেশে, সে-ই তিনিই কিনা মুখোশ সরিয়ে রেখে হয়ে পড়েন ভিখিরি! এতে বিশ্বের দরবার কলঙ্কিত হচ্ছে পাকিস্তানের ভাবমূর্তি। সেই কারণেই দু’হাজারেরও বেশি ভিক্ষুকের পাসপোর্ট বাতিল করতে চলেছে পাক সরকার। পাকিস্তানের ‘ডন’ সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী সাত বছরের জন্য বাতিল করা হবে এই পাসপোর্টগুলি। জানা গিয়েছে, পাকিস্তানে এরকম একাধিক চক্র রয়েছে। এই চক্রের মাধ্যমেই পুণ্যার্থীর বেশে বিদেশে নিয়ে যাওয়া হয় ভিক্ষুকদের। তার পরেই দিব্যি চলে ‘বেওসা’। পাক সংবাদ মাধ্যমের খবর, এই এজেন্টদেরও পাসপোর্ট বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে সরকার।

    তীর্থে যাওয়ার নাম করে গিয়ে ভিক্ষে!

    সৌদি আরব, ইরাক এবং ইরানে রয়েছে ইসলামিক একাধিক তীর্থক্ষেত্র। সেই তীর্থ দর্শনে যাওয়ার নাম করে গিয়ে তীর্থক্ষেত্রগুলিতে ভিক্ষে করতে বসে যান এজেন্টের মাধ্যমে পাকিস্তান থেকে যাওয়া লোকজন (Pakistan)। পাক সংবাদ মাধ্যম সূত্রেই খবর, সৌদি আরব, ইরাক এবং ইরানের শতকরা ৯০ শতাংশ ভিক্ষুকই পাকিস্তানি নাগরিক। এদের অনেকের কাছেই বৈধ কাগজপত্র না থাকায় প্রায়ই ঠাঁই হয় বিভুঁইয়ের জেলে। ফলে ওই দেশগুলিতে ক্রমেই বাড়ছে ভিনদেশি বন্দির সংখ্যা।

    গেল অক্টোবরে মুলতান বিমানবন্দরে বিমান থেকে নামিয়ে দেওয়া হয় ১৬ জন পাকস্তানিকে। এঁদের মধ্যে নারীদের পাশাপাশি ছিল কয়েকজন শিশুও। তীর্থযাত্রার নাম করে এঁদের ভিক্ষে করতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ। গত ডিসেম্বরেও মুলতান বিমানবন্দর থেকে বের করে দেওয়া হয় ন’জন ভিক্ষুককে।

    আর পড়ুন: গাড়ি চালাচ্ছেন পুতিন, সওয়ার মোদি, রাশিয়ায় ‘দুই হুজুরের গপ্পো’

    পাকিস্তানের অর্থনীতির ভিত নড়বড়ে। সৌদি আরব, চিন মায় আন্তর্জাতিক অর্থ ভান্ডারের দুয়ারেও বারংবার হাত পেতেছে পাকিস্তানের সরকার। কেউ বাড়িয়ে দেয়নি সাহায্যের হাত। রাজনৈতিক অস্থিরতা, ইসলামি সন্ত্রাসবাদ, ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ভুল অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত পাকিস্তানকে ঠেলে দিয়েছে খাদের কিনারে। তা সত্ত্বেও বিদেশে দেশের সম্মান বাঁচাতে মরিয়া পাক (Pakistan) সরকার। সেই কারণেই পাসপোর্ট বাতিলের সিদ্ধান্ত ভিক্ষুকদের (Beggars)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • TET Recruitment Case: সাইবার বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে নিয়ে টেটের উধাও ওএমআর তথ্য উদ্ধারে সিবিআই হানা

    TET Recruitment Case: সাইবার বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে নিয়ে টেটের উধাও ওএমআর তথ্য উদ্ধারে সিবিআই হানা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও সংবাদ শিরোনামে প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি। ২০১৪ সালে হওয়া রাজ্যের প্রাথমিক স্কুলে নিয়োগের পরীক্ষায় (TET Recruitment Case) দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে উত্তরপত্র (ওএমআর শিট)। বার বার প্রশ্ন উঠেছে, ওই ওএমআর কোথায় উধাও হয়ে গেল? ওএমআর উদ্ধারের জন্য সম্প্রতি অন্য একটি সংস্থাকে নিয়োগ করতে সিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta HighCourt)। সেই নির্দেশ মেনেই এবার সিবিআই তৃতীয় পক্ষ হিসাবে সঙ্গে নিল এক কম্পিউটার বিশেষজ্ঞ এবং এক সাইবার বিশেষজ্ঞকে। 

    টেটের উধাও হওয়া ওএমআরের তথ্যের খোঁজে সিবিআই

    টেটের (TET Recruitment Case) ওএমআরের স্ক্যান করার দায়িত্ব ছিল এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানির হাতে। সেই সূত্র ধরেই মঙ্গলবার দুপুরে ওই দুই বিশেষজ্ঞকে সঙ্গে নিয়ে সাদার্ন অ্যাভিনিউয়ের ৫১৮ নম্বর বাড়িতে হাজির হন সিবিআই গোয়েন্দারা। সিবিআই সূত্রে খবর, সেখানে এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানির কম্পিউটারে থাকা তথ্য খতিয়ে দেখে ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষার ওএমআর শিটের তথ্য খুঁজে বার করার চেষ্টা করবেন বিশেষজ্ঞেরা।
    এ প্রসঙ্গে (TET Recruitment Case) সিবিআইয়ের দাবি, ওএমআরের স্ক্যানিং হয়েছিল ধৃত কৌশিক মাজির নজরদারিতে। তিনি ওই সংস্থার অংশীদার। ওএমআরের সমস্ত ডেটা ছিল ওই সংস্থার হাতে। সিবিআইয়ের আরও দাবি, এই সংক্রান্ত কোনও নথি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে দেওয়া হয়নি। ওই সংস্থা আসল ওএমআর প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদে পাঠায়নি। নিয়ম না-মেনে নথিগুলো তারা গুদামে রেখে দেয়। পরে ওজন দরে বিক্রি করা হয়। 

    আরও পড়ুন: ‘চোপড়াকাণ্ডে কী পদক্ষেপ?’ নবান্নর রিপোর্ট তলব বোসের

    হাইকোর্টে বিস্ফোরক পর্ষদ (Calcutta HighCourt)

    অন্যদিকে, প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (TET Recruitment Case) আবারও নাম জড়াল মানিক ভট্টাচার্যের। মঙ্গলবার ছিল ২০১৭ সালে প্রাথমিকের নিয়োগ দুর্নীতি মামলার শুনানি। সংশ্লিষ্ট মামলাটিতে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তরফে জানানো হয়েছে ওএমআর শিট নষ্ট করেছেন মানিক ভট্টাচার্য। পর্ষদের বোর্ডের সদস্যরা এই বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেননি। প্রাথমিকের নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টে এদিন এমনই বিস্ফোরক দাবি করল পর্ষদ। পর্ষদের বক্তব্য, মানিক ভট্টাচার্য নিজে বোর্ডের সিদ্ধান্ত নিতেন। তিনি বোর্ডের অন্যান্য সদস্যদের জানাননি। ওএমআর শিটের বিষয়ে বোর্ডের মিটিংয়ে কোনও ‘রেজলিউশন’ নেওয়া হয়নি। যা শুনে বিস্মিত হন বিচারপতি রাজা শেখর মন্থর। আগামী শুক্রবার মামলার পরবর্তী শুনানিতে মিটিংয়ের ‘রিজলিউশন’ কপি জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট (Calcutta HighCourt)। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi In Russia: গাড়ি চালাচ্ছেন পুতিন, সওয়ার মোদি, রাশিয়ায় ‘দুই হুজুরের গপ্পো’

    PM Modi In Russia: গাড়ি চালাচ্ছেন পুতিন, সওয়ার মোদি, রাশিয়ায় ‘দুই হুজুরের গপ্পো’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছোট্ট একটা ইলেকট্রিক গাড়ি। চালকের আসনে বসে রয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin)। তাঁর পাশে বসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী (PM Modi In Russia)। বিদ্যুৎচালিত এই গাড়িতে করেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে তাঁর বাসভবনের চতুর্দিক ঘুরিয়ে দেখালেন পুতিন। রাশিয়ার এক সাংবাদিক এক্স হ্যান্ডেলে ছবিটি পোস্ট করায় যে বিরল দৃশ্যের সাক্ষী রইল দুনিয়া।

    ভারত-রাশিয়া সম্পর্ক (PM Modi In Russia)

    তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী পদে বসেই রুশ প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণে দুদিনের রাশিয়া সফরে গিয়েছেন মোদি। সোমবার তাঁর সম্মানে নৈশভোজের আয়োজন করেছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। তার পরেই মোদিকে নিয়ে পুতিন বেরিয়ে পড়েন ‘হাওয়া খেতে’। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষিতে পুতিন-মোদির এই ছোট্ট ছবির ব্যাপ্তি বড় বিশাল। কারণ এই যুদ্ধের কারণেই আমেরিকা এবং ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ প্রায় একঘরে করে রেখেছে রাশিয়াকে। ভারতও গত কয়েক বছর ধরে এড়িয়ে চলছিল পুতিনের দেশকে। তার পর ভারতের গঙ্গা এবং রাশিয়ার মস্কোভা নদী দিয়ে অনেক জল গড়িয়েছে। শুরু হয়েছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। যার জেরে ভারতকে রাশিয়ার সঙ্গে বিশেষ মাখামাখি করতে প্রকারান্তরে না বলেছিল আমেরিকা। মার্কিন সেই ‘চোখ রাঙানি’ উপেক্ষা করেই মোদির রাশিয়া সফর এবং একই গাড়িতে করে পুতিন-মোদির ‘বায়ুসেবন’।

    ‘দুই হুজুরের গপ্পো’

    রুশ সাংবাদিকের পোস্ট করা ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, ধীর গতিতে বিদ্যুৎচালিত গাড়িটি চালাচ্ছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। কথা বলছেন মোদির সঙ্গে (PM Modi In Russia)। প্রেসিডেন্টের বাসভবন ঘুরিয়ে দেখানোর সময় এক জায়গায় গাড়ি থামিয়ে দেন পুতিন। নেমে পড়েন দুজন। তার পরেই দুই রাষ্ট্রপ্রধানকে দেখা গেল খোশমেজাজে গল্প করতে। অন্য সময় দোভাষীর সাহায্যে বার্তালাপ করেন মোদি-পুতিন। এবার দেখা গেল, ভাষার বেড়াজাল ভেঙেই দিব্যি চলছে ‘দুই হুজুরের গপ্পো’।

    আর পড়ুন: বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরাই প্রধান ইস্যু আসন্ন ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনে?

    এই ‘বায়ুসেবনে’র আগেই হয়ে গিয়েছে মোদির সম্মানে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের দেওয়া ভোজসভা। সেখানে নানা বিষয়ের মধ্যেও উঠেছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসঙ্গও। সূত্রের খবর, সেখানে পুতিনকে মোদি জানান, রাষ্ট্রসঙ্ঘের প্রাতিষ্ঠানিক চুক্তিকে সম্মান করে ভারত। বিশ্বাস করে প্রাদেশিক ঐক্য এবং সার্বভৌমত্বেও। সেই ভাবনা থেকেই তিনি মনে করেন, যুদ্ধ কোনও সমস্যার সমাধান হতে পারে না। পুতিনকে (Vladimir Putin) মোদি পইপই করে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন, আলোচনা ও কূটনীতিই এ ক্ষেত্রে সাফল্য এনে দিতে পারে, যুদ্ধ নৈব নৈব চ (PM Modi In Russia)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।  

  • Informal Sector: গত ৭ বছরে অসংগঠিত ক্ষেত্রে বাংলায় কাজ হারিয়েছেন ৩০ লক্ষ মানুষ

    Informal Sector: গত ৭ বছরে অসংগঠিত ক্ষেত্রে বাংলায় কাজ হারিয়েছেন ৩০ লক্ষ মানুষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় কাজ নেই বিরোধীদের এই অভিযোগে সিল মোহর দিল সমীক্ষা। ন্যাশনাল স্ট্যাটিসটিক্যাল অফিসের (NSO) তথ্য বলছে, সাত বছরে অসংগঠিত ক্ষেত্রে (Informal Sector) বাংলায় (West Bengal) কাজ হারিয়েছেন ৩০ লক্ষ মানুষ। সেখানে মহারাষ্ট্রে এই সাত বছরে আরও ২৪ লক্ষ মানুষ কাজ পেয়েছেন। অসংগঠিত ক্ষেত্রে ২০২১-২২ অর্থবর্ষ ও ২০২২-২৩ অর্থবর্ষের বার্ষিক সার্ভের রিপোর্ট গত শুক্রবার প্রকাশ করেছে এনএসও। 

    কী বলছে সমীক্ষা (Informal Sector)

    সরকারি তথ্য বলছে, গত সাত বছরে দেশের অর্ধেকের বেশি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে অসংগঠিত ক্ষেত্রে (Informal Sector) লাখে লাখে মানুষ কর্মহীন হয়েছেন। তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ শীর্ষে রয়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষের সার্ভের সঙ্গে ২০২২-২৩ অর্থবর্ষের সার্ভের তুলনা করে দেখা যাচ্ছে, ২৮টি রাজ্যের মধ্যে ১৩টি রাজ্যে অসংগঠিত ক্ষেত্রে কাজ হারিয়েছেন মানুষ। তিনটি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলেও অসংগঠিত ক্ষেত্রে কাজ হারিয়েছেন অনেকে। যার মধ্যে সবার উপরে রয়েছে বাংলা (West Bengal)। এখানে ২০১৫-১৬ থেকে ২০২২-২৩ অর্থাৎ সাতবছরে কর্মহীন হয়েছেন ৩০ লক্ষ মানুষ। অসংগঠিত ক্ষেত্রের মধ্যে পড়ে ক্ষুদ্র ব্যবসা, যা নিজস্ব কিংবা অংশীদারি ভিত্তিতেও হতে পারে। এছাড়া হকার এবং ফেরিওয়ালার মতো বৃহৎ পুঁজির ব্যবসা নয় এমন মানুষরা রয়েছেন।  ২০১৫-১৬ অর্থবর্ষে যেখানে বাংলায় অসংগঠিত শ্রমিকের সংখ্যা ছিল ১ কোটি ৩৫ লক্ষ, সেই সংখ্যা সাত বছর পর কমে হয়েছে ১ কোটি ৫ লক্ষ। 

    আরও পড়ুন: ‘‘ভারতবাসীর হিতে সময় নষ্ট না করে আপনি সিদ্ধান্ত নেন’’, মোদির প্রশংসায় পুতিন

    বাংলার উল্টো ছবি (Informal Sector)

    বাংলার (West Bengal) বিপরীত ছবি ধরা পড়েছে মহারাষ্ট্রে। এই সাত বছরে কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে প্রথমে রয়েছে মহারাষ্ট্র। ২৪ লক্ষ কর্মী সংযোজন করেছে তারা। গুজরাটে জীবিকা লাভ করেছেন অতিরিক্ত ৭ লক্ষ ৬২ হাজার মানুষ। তৃতীয় স্থানে রয়েছে ওড়িশা (৭ লক্ষ ৬১ হাজার), রাজস্থান (৭ লক্ষ ৫৬ হাজার)। পশ্চিমবঙ্গের পরেই কাজ ও ব্যবসা বন্ধের তালিকায় রয়েছে কর্নাটক। সেখানে ওই একই সময়ে ১৩ লক্ষ মানুষ কাজ হারিয়েছেন। তামিলনাড়ুতে ১২ লক্ষ, অন্ধ্র প্রদেশে ৬ লক্ষ ৭৭ হাজার, কেরলে ৬ লক্ষ ৪০ হাজার মানুষ এই সাত বছরে অসংগঠিত ক্ষেত্রে (Informal Sector) কাজ হারিয়েছেন। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে দিল্লিতে এই সাত বছরে অসংগঠিত ক্ষেত্রে কাজ হারিয়েছেন ৩ লক্ষ মানুষ। তবে বাংলা এ ক্ষেত্রে সবাইকে পিছনে ফেলেছে। সরকারি বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিয়োগ আটকে রয়েছে বাংলায়। রাজ্যে বেসরকারি ক্ষেত্রেও চাকরি হচ্ছে না বলে বিরোধীদের অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে ন্যাশনাল স্ট্যাটিসটিক্যাল অফিসের রিপোর্ট চিন্তায় ফেলেছে বঙ্গবাসীকে। যদিও মুখ্যমন্ত্রী এখনও উৎসব আর মেলা-গানেই আটকে থাকবেন বলে অভিমত বিরোধীদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kamarhati: পিস্তল চালানোর প্রশিক্ষণ, ক্লাবে এনে নৃশংস অত্যাচার, প্রকাশ্যে জয়ন্তর কুকীর্তির ভিডিও

    Kamarhati: পিস্তল চালানোর প্রশিক্ষণ, ক্লাবে এনে নৃশংস অত্যাচার, প্রকাশ্যে জয়ন্তর কুকীর্তির ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পিছনে তৃণমূলের ব্যানার। আর সামনে কামারহাটির (Kamarhati) আড়িয়াদহের তালতলা স্পোর্টিং ক্লাব। সেই ক্লাবকে সামনে রেখে চলত কামারহাটির তৃণমূল নেতা জয়ন্ত সিংয়ের দাদাগিরি। তাঁর কথা না মানলেই ক্লাবে নিয়ে এসে চলত নৃশংস অত্যাচার। মহিলাদের ওপর অত্যাচার করতে হাত কাঁপত না জয়ন্তের বাহিনীর। সমাজ মাধ্যমে পর পর এই ধরনের দুটি ভি়ডিও সামনে এসেছে। (যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম)। আড়িয়াদহে মা এবং ছেলেকে নৃশংসভাবে মারধর করার অভিযোগে গ্রেফতার হন তৃণমূল নেতা জয়ন্ত। এরপরই তাঁর একের পর এক কুকীর্তি সামনে আসতে শুরু করেছে।

    ভিডিওতে কী দেখা যাচ্ছে? (Kamarhati)

    একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ক্লাবের (Kamarhati) ভিতরে একজনের হাত এবং পা ধরে রেখেছে জনা চারেক মিলে। চ্যাংদোলা করে ঝুলিয়ে রাখা অবস্থাতেই চলছে মারধর। কয়েক জন মিলে ঘিরে ধরে, নানা দিক থেকে লাঠিপেটা করে চলেছে অনবরত। জয়ন্তর সঙ্গে আরও কয়েকজন রয়েছে। বারাকপুর পুলিশের তরফে অবশ্য এ নিয়ে পদক্ষেপ করা হয়েছে। তারা ভিডিওটির বিষয়ে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, ভিডিওটি পুরানো। যাদের দেখা যাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা হবে। দু’জন ইতিমধ্যে জেলে রয়েছে।

    আরও পড়ুন: রায়গঞ্জে বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে সুকান্ত-শুভেন্দুর মিছিলে পড়ল ডিম, অভিযুক্ত তৃণমূল

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    ভিডিওটি (Kamarhati) যে পুরানো, মানছেন এলাকাবাসীও। তাঁদের বক্তব্য, এলাকায় জয়ন্তর লোকজনের দাপট রয়েছে। নানা ভাবে এলাকায় তারা ত্রাস সৃষ্টি করে। ভাইরাল ভিডিওতে যাদের দেখা গিয়েছে, তাদের কয়েক জনকে শিবম গুপ্ত, রাজদীপ বর্মণ, লালু, গঙ্গা, লাল, দীপু, সুমন নামে চিহ্নিত করেছেন স্থানীয়েরা। সকলেই জয়ন্তর ঘনিষ্ঠ বলে এলাকায় পরিচিত। কেউ কেউ বলছেন, একটি চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিযুক্তকে ক্লাবের ভিতরে এ ভাবে মারধর করা হয়েছিল।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    তৃণমূল নেতার দাদাগিরির সেই ভিডিও (Kamarhati) সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। রাজ্য বিজেপির তরফেও তা পোস্ট করা হয়। বিজেপি ওই ভিডিও পোস্ট করে লেখে, “কামারহাটির তালতলা ক্লাবে মদন-ঘনিষ্ঠ জয়ন্ত সিং কী ভাবে নিরস্ত্র মহিলাকে মারছেন, তা দেখা যাচ্ছে। যে রাজ্যের সরকার নারীদের সুরক্ষা নিয়ে গর্ব করে, সেখানেই এই বর্বরতা মানবতার কলঙ্ক। এর দ্রুত তদন্ত এবং বিচার চাই।” ভিডিও প্রসঙ্গে বিজেপির পাল্টা পোস্ট করেছে তৃণমূল। দলের মুখপাত্র ঋজু দত্ত এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে লেখেন, “এটি ২০২১ সালের মার্চ মাসের ভিডিও। অভিযুক্তেরা জয়ন্ত সিং এবং তাঁর অনুগামী। ভিডিওতে যাঁদের দেখা যাচ্ছে, তাঁদের মধ্যে অন্তত দু’জন এখন জেলে।” বিজেপি দাবি করেছে, ভিডিয়োয় মহিলাকে মারধর করতে দেখা যাচ্ছে। তৃণমূল সে প্রসঙ্গে দাবি করছে, যিনি মার খাচ্ছেন, তিনি পুরুষও হতে পারেন। তা খতিয়ে দেখা দরকার।

    পিস্তল চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া হত

    সমাজমাধ্যমে জয়ন্তর আরও একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, একটি অন্ধকার ঘরে দেওয়ালের দিকে মুখ করে দু’জন দাঁড়িয়ে আছে। তাদের এক জনের হাতে পিস্তল। সেই পিস্তল সে অন্য জনের হাতে তুলে দিচ্ছে। কীভাবে পিস্তল চালাতে হয়, তা শেখানো হচ্ছে ওই ব্যক্তিকে। পিছনে দাঁড়ানো কেউ ভিডিওটি রেকর্ড করছিল। দেখা যায়, দ্বিতীয় ব্যক্তি পিস্তল হাতে পাওয়ার পর পিছন ঘুরেছে। ভিডিও রেকর্ডিংয়ে সে আপত্তি করছে বলে মনে হচ্ছে। তবে ভিডিয়োটিতে কোনও শব্দ নেই। ফলে কে কী বলছে, তা স্পষ্ট নয়। স্থানীয় সূত্রে দাবি, যার হাতে পিস্তল তুলে দেওয়া হয়েছে, সে বাপ্পা। জয়ন্তের সঙ্গী হিসাবে এলাকায় পরিচিত। তবে বাঁ দিকে যে দাঁড়িয়ে আছে এবং পিস্তল হাতে তুলে দিচ্ছে, তার মুখ দেখা যায়নি। তাই সে জয়ন্ত কি না, তা স্পষ্ট নয়।

    পুরসভার চেয়ারম্যান কী বললেন?

    এই প্রসঙ্গে কামারহাটি (Kamarhati) পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সাহা বলেন, “তৃণমূলে (Trinamool Congress) এই ধরনের কোনও ঘটনাকে প্রশ্রয় দেওয়া হয় না। হবেও না। যাঁরা দোষী, তাঁরা অবশ্যই শাস্তি পাবেন। ঘটনাটি দুর্ভাগ্যজনক। যাঁরা তা ঘটিয়েছেন, তাঁরা তৃণমূলে (Trinamool Congress) থাকলেও বা না থাকলেও, শাস্তি পাবেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bus Service: মহানগরীতে এক ধাক্কায় উধাও হয়ে যাবে ২৫০০ বাস, মাথায় হাত যাত্রীদের

    Bus Service: মহানগরীতে এক ধাক্কায় উধাও হয়ে যাবে ২৫০০ বাস, মাথায় হাত যাত্রীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় এক ধাক্কায় প্রায় ২৫০০ বেসরকারি বাস কমে যেতে চলেছে। ফলে মহানগরের গণপরিবহণে (Bus Service) একটা বড় ধাক্কা লাগতে চলেছে। চলতি মাস থেকে পূজোর মধ্যে কলকাতায় প্রায় ২৫০০ হয়ে যাওয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যেই হাওড়া ও কলকাতার মধ্যে চলাচল করে, এমন একাধিক রুট কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ার মুখে। বেসরকারি বাস মালিকদের বক্তব্য, তাঁদের হাতে নতুন বাস নামানোর অর্থ নেই। কারণ আগের মতন লাভজনক নয় এই পেশা।

    গণপরিবহণে বড় ধাক্কা (Bus Service)

    ১৫ বছরের বেশি মেয়াদ হয়ে গিয়েছে এমন শহরে প্রায় ২৫০০ বাস আছে কলকাতায়। প্রায় চার হাজারের কাছাকাছি বেসরকারি বাস (Bus Service) চলে বিভিন্ন রুটে। এদের মধ্যে আদালতের নির্দেশে ২৫০০ বাস চলাচল বন্ধ করে দিলে গণপরিবহণে একটা সমস্যা সৃষ্টি হবে। নতুন বাস নামানোর জন্য প্রস্তুত নন বাস মালিকরা। কোভিডের কারণে দু’বছর রাস্তায় নামেনি বহু বাস। এক্ষেত্রে বাস মালিকরা চাইছেন, সরকার কোনও ব্যবস্থা নিক। কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে ১৫ বছরের ঊর্ধ্বসীমা পেরিয়ে গেলে কলকাতা শহরে এবং কেএমডিএ এলাকায় এই ধরনের বাস আর চালানো যাবে না।

    আদালতের নির্দেশ

    আদালত নির্দেশ দিয়েছে, ২০২৪ সালের ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে ১৫ বছরের সীমা পেরিয়ে যাওয়া বাসগুলি বন্ধ করে দিতে হবে। পরিবহণ দফতর (Transport Dept) সূত্রের খবর, কলকাতায় প্রতিদিন চার থেকে পাঁচ হাজার বেসরকারি বাস (Bus Service) চলে। কিন্তু আদালতের নির্দেশ কার্যকর হলে মাস ছয়েক পর এই সংখ্যা অর্ধেক নেমে আসবে। ২০০৯ সালের পরিবেশ দূষণ সংক্রান্ত একটি মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট জানিয়ে দিয়েছে ১৫ বছরের বেশি বয়স হয়েছে কোনও বাস কলকাতায় আর চলতে পারবে না।

    সমাধান সূত্র (Transport Dept)

    ধাপে ধাপে ২০২৪ সালের ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে প্রায় ২৫০০ হাজার বাস কলকাতার রাস্তা থেকে উধাও হয়ে যাবে। ফলে শহরের একাধিক রুটে বাসে ভিড় বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অটো অল্প দূরত্বের যাত্রীদের জন্য উপযোগী হলেও, বেশি দূরত্বের যাত্রার জন্য একমাত্র ট্রেন এবং বাস ছাড়া আর কোন বিকল্প নেই শহরে। এখনও কলকাতা জুড়ে মেট্রো তৈরি হয়নি। ফলে বাসের উপরেই নির্ভরশীল বেশিরভাগ যাত্রীরা। বর্তমানে একটি নতুন বাসের মূল্য প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা।

    আরও পড়ুন: নয় মাস মেলেনি বেতন, হাসপাতালে কাজ বন্ধ করলেন সাফাই কর্মীরা, পরিষেবা শিকেয়

    নতুন বাসের জন্য এত বিপুল টাকা বিনিয়োগ করতে চাইছেন না বাস মালিকরা। ডিজেল মহার্ঘ্য হয়ে ওঠায় আগের মত লাভ নেই পরিবহণ ব্যবসায় দাবি বাস মালিকদের।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Chaukori: কুমায়ুন হিমালয়ের চৌকোরি থেকে তুষারধবল শৃঙ্গ দর্শন এক স্বর্গীয় অভিজ্ঞতা

    Chaukori: কুমায়ুন হিমালয়ের চৌকোরি থেকে তুষারধবল শৃঙ্গ দর্শন এক স্বর্গীয় অভিজ্ঞতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুমায়ুন হিমালয়ের (Kumaon Himalayas) পিথোরাগড় জেলার এক অপরূপ নৈসর্গিক সৌন্দর্যে ভরপুর পার্বত্য পর্যটন কেন্দ্র চৌকোরি (Chaukori)। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২০১০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত ওক, পাইন, দেওদার, রডোডেনড্রন, ফার গাছের জঙ্গলে ঢাকা এই চৌকোরি প্রকৃতিপ্রেমিক পর্যটকের এক অত্যন্ত প্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। চৌকোরি থেকে নন্দাদেবী, পঞ্চচুল্লি প্রভৃতি হিমালয়ের তুষারধবল শৃঙ্গগুলি দর্শন করা এক স্বর্গীয় অভিজ্ঞতা।

    কাছেই প্রচুর দর্শনীয় স্থান (Chaukori)

    মূলত এই অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দূরন্ত আকর্ষণের জন্যই বারবার এখানে ছুটে আসেন পর্যটকরা। একই সঙ্গে ঘুরে নেওয়া যায় চৌকোরি থেকে প্রায় ৩-৪ কিমি দূরের মাস্ক ডিয়ার রিসার্চ সেন্টার, মহাত্মা গান্ধীর সুযোগ্য শিষ্যা সরলা বেনের আশ্রমও। চৌকোরি থেকে প্রায় ১০ কিমি দূরে রয়েছে আরও একটি জনপ্রিয় এবং মনোরম পর্যটন কেন্দ্র বেরিনাগ। ২৪ কিমি দূরে গঙ্গোলী হাট। চৌকোরি থেকে পাতাল ভুবনেশ্বর যাওয়ার পথে অবস্থিত এই গঙ্গোলী হাট হল কুমায়ুনী শিল্প-সংস্কৃতির এক অন্যতম পীঠস্থান। এখানে রয়েছে মহাকালী মন্দির।

    ঘুরে আসুন পাতাল ভুবনেশ্বর

    আবার ইচ্ছে এবং হাতে সময় থাকলে ঘুরে নেওয়া যায় চৌকোরি (Chaukori) থেকে প্রায় ৩৮ কিমি দূরে পাতাল ভুবনেশ্বরও। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৩৫০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত পাতাল ভুবনেশ্বরের অন্যতম খ্যাতি শৈবতীর্থ হিসেবে। স্বয়ং আদি শঙ্করাচার্যর পদধূলিধন্য এই পাতাল ভুবনেশ্বর। এখানকার প্রাচীন গুহা মন্দিরটি কুমায়ুন অঞ্চলের অন্যতম পবিত্র ও প্রসিদ্ধ শৈবতীর্থ। প্রচলিত বিশ্বাস, এখানে হিন্দু সম্প্রদায়ের ৩৩ কোটি দেবতার আবাস। এখানে একাধিক গুহায় জল চুঁইয়ে স্ট্যালাকটাইট এবং স্ট্যালাগমাইটে সৃষ্টি হয়েছে বেশ কিছু অবয়ব। অনেকটা অন্ধ্রপ্রদেশের বোরহালু কেভ বা বোরহা কেভের মতোই চমৎকার সব সৃষ্টি। চৌকোরি থেকে সকালে বেরিয়ে পাতাল ভুবনেশ্বর ঘুরে আবার চকৌরিতেই রাত্রিবাস করা যায়। 

    যাতায়াত এবং থাকা-খাওয়া (Chaukori)

    যাতায়াত-ট্রেনে এলে নামতে হবে কাঠগুদাম। এখান থেকে গাড়িতে যেতে হবে চৌকোরি। দূরত্ব প্রায় ১৯৮ কিমি। আসা যায় লালকূয়া বা হলদোয়ানি থেকেও। সরাসরি গাড়ি নিয়ে আসা যায় ৮৬ কিমি দূরের আলমোড়া বা ১৭৩ কিমি দূরের নৈনিতাল থেকেও।
    থাকা-খাওয়া-চৌকোরিতে (Kumaon Himalayas) আছে কেএমভিএন (KMVN)-এর ট্যুরিস্ট রেস্ট হাউস ফোন-০৮৬৫০০০২৫৪২) এবং বেশ কিছু বেসরকারি হোটেল। আর পাতাল ভুবনেশ্বরে থাকতে চাইলে এখানেও আছে কেএমভিএনের ট্যুরিস্ট রেস্ট হাউস (ফোন-০৮৬৫০০০২৫৪৩) এবং কিছু বেসরকারি হোটেল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: ‘চোপড়াকাণ্ডে কী পদক্ষেপ?’ নবান্নর রিপোর্ট তলব বোসের

    CV Ananda Bose: ‘চোপড়াকাণ্ডে কী পদক্ষেপ?’ নবান্নর রিপোর্ট তলব বোসের

    নিউজ ডেস্ক: ফের প্রকাশ্যে রাজভবন-নবান্ন সংঘাত। সম্প্রতি চোপড়ায় (Chopra Incident) দম্পতিকে রাস্তায় ফেলে মারার ঘটনায় সরকারের তরফ থেকে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তা জানতে চেয়ে রিপোর্ট তলব করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। একইসঙ্গে কলকাতা পুলিশের সিপি বিনীত গোয়েল এবং ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে যে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক, সেই নির্দেশের পর রাজ্যের তরফে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তার রিপোর্টও জানতে চাইলেন রাজ্যপাল।

    মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি রাজ্যপালের 

    সম্প্রতি চোপড়াকাণ্ড (Chopra Incident) ও রাজ্যের দুই শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহনের প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্ধ্যোপাধ্যায়ের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। চিঠিতে তিনি জানতে চেয়েছেন কলকাতা পুলিশের দুই উচ্চপদস্থ কর্তার বিরুদ্ধে নবান্ন কী ব্যবস্থা নিয়েছে। তাছাড়া মাথাভাঙা এবং চোপড়ায় দুই তরুণীকে অত্যাচারের ঘটনা ঘিরে তোলপাড় হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। এদের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্ত হচ্ছে কিনা তাও জানতে চাওয়া হয়েছে রাজ্যপালের তরফে। 

    আরও পড়ুন: চোপড়া থানার আইসিকে শোকজ! মহিলা নির্যাতনে নিন্দার জবাবেই কি পুলিশের পদক্ষেপ?

    এক্স হ্যান্ডেলে কী লিখলেন রাজ্যপাল? (CV Ananda Bose)

    রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস নিজের এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেছেন। সেই পোস্টে তিনি লিখেছেন, ভারতের সংবিধানের ১৬৭ অনুচ্ছেদের অধীনে মাননীয় রাজ্যপালের উপর অর্পিত কর্তৃত্বের ভিত্তিতে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীকে দু’টি রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য বলা হচ্ছে। প্রথমত, মাননীয় রাজ্যপাল কর্তৃক ভারত সরকার এবং মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পাঠানো রিপোর্টের ভিত্তিতে পুলিশ কমিশনার এবং কলকাতার ডেপুটি পুলিশ কমিশনারের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে ? দ্বিতীয়ত, জনসমক্ষে একজন মহিলাকে বিবস্ত্র করে মারধর এবং সালিশি সভায় দম্পতিকে প্রকাশ্যে বেত্রাঘাতে পুলিশের কোনও কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি। সেক্ষত্রে ঘটনায় সিবিআই তদন্ত হওয়া উচিত কিনা।

    তবে নবান্নর তরফে পাল্টা এখনও কিছু জানানো হয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share