Blog

  • Ayodhya: বিশ্বমানের শহর হিসেবে রামনগরীকে গড়ে তুলতে সরকারের ৮ নীতি কী কী?

    Ayodhya: বিশ্বমানের শহর হিসেবে রামনগরীকে গড়ে তুলতে সরকারের ৮ নীতি কী কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামনগরী অযোধ্যাকে (Ayodhya) নতুন ভাবে গড়ে তুলতে উদ্যোগী হয়েছে যোগী আদিত্যনাথ সরকার। সেখানে চলছে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প। চলতি মাসের ১৫ তারিখ অযোধ্যায় বিমানবন্দরেরও উদ্বোধন হতে চলেছে। জানা গিয়েছে যোগী আদিত্যনাথ সরকার অযোধ্যাকে নতুনভাবে একটি সোলার সিটিতে পরিবর্তন করতে চলেছে এবং বৈদ্যুতিক শক্তির ব্যবহার কমাতেই সরকারের এই সিদ্ধান্ত। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার ৮টি নীতি গ্রহণ করেছে অযোধ্যাকে (Ayodhya) নতুনভাবে গড়ে তুলতে। অযোধ্যাতে বর্তমানে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের ১৭৮টি প্রকল্প চলছে। এখানে বিনিয়োগ করা হয়েছে ৩০ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।

    নয়া অযোধ্যা নির্মাণে সরকারের ৮ নীতি

    সাংস্কৃতিক অযোধ্যা

    এই নীতির মাধ্যমে সারা ভারতের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসাবে অযোধ্যাকে গড়ে তুলতে চায় কেন্দ্র ও রাজ্য। মঠ, মন্দির, আশ্রম এই সমস্ত কিছুই বানানো হচ্ছে এই নীতির আওতায়।

    সক্ষম অযোধ্যা

    নরেন্দ্র মোদি সবসময় আত্মনির্ভরতার কথা বলেন। সক্ষম অযোধ্যা মানে হল আত্মনির্ভর অযোধ্যা (Ayodhya)। চাকরি, পর্যটন সমস্ত ক্ষেত্রে অযোধ্যা যেন আত্মনির্ভর হয়।

    আধুনিক অযোধ্যা

    এই নীতির মাধ্যমে অযোধ্যাকে (Ayodhya) বিশ্বমানের শহর হিসেবে গড়ে তুলতে চায় কেন্দ্র ও রাজ্য।

    সুগময় অযোধ্যা

    এই নীতির মাধ্যমে অযোধ্যার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি করতে চায় কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার। এর জন্য সেখানে তৈরি করা হচ্ছে মর্যাদা পুরুষোত্তম শ্রীরামচন্দ্র ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট। এর পাশাপাশি সরযূ নদীর জলপথকেও ব্যবহার করা হচ্ছে অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে।

    সুরময় অযোধ্যা

    এই নীতির মাধ্যমে অযোধ্যার সৌন্দর্যায়নে দৃষ্টি দিচ্ছে রাজ্য ও কেন্দ্র সরকার।

    ভাবনাত্মক অযোধ্যা

    এই নীতির মাধ্যমে অযোধ্যাকে কেন্দ্র করে সনাতন ধর্মের মানুষের আবেগকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

    স্বচ্ছ অযোধ্যা

    এই নীতির মাধ্যমে অযোধ্যাকে সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

    অযোধ্যার উল্লেখ মেলে পুরাণেও

    অত্যন্ত পুরাতন নগর বলে পরিচিত অযোধ্যার কথা পাওয়া যায় পুরাণ থেকে শুরু করে বেদ সর্বত্র। ভগবান রামের জন্মস্থান হিসেবেও তা প্রসিদ্ধ। ২০১৪ সালে মোদি সরকার আসার পর থেকেই অযোধ্যার উপরে বিশেষ দৃষ্টি দেয় কেন্দ্র সরকার। পরবর্তীকালে ২০১৭তে উত্তরপ্রদেশের ক্ষমতাতেও আসে বিজেপি সরকার। সেই সময় থেকেই কেন্দ্র এবং রাজ্য যৌথভাবে অযোধ্যার উন্নয়নে দৃষ্টি দেয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Maithon: পানীয় জল, শৌচাগারের অভাব, নেই পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট! মাইথন নিয়ে সোচ্চার পর্যটকরা

    Maithon: পানীয় জল, শৌচাগারের অভাব, নেই পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেট! মাইথন নিয়ে সোচ্চার পর্যটকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতের মরশুম শুরু হতেই পর্যটকদের ভিড় বাড়ছে মাইথন জলাধারে। বলা বাহুল্য, জায়গাটি প্রাকৃতিক ভাবে খুবই সুন্দর। যেখানে পাহাড়, জঙ্গল ও জলাধারের সমাবেশ ঘটেছে একসাথে। প্রকৃতি যেন ঢেলে সাজিয়েছে এই জলাধারকে। স্বাভাবিক ভাবেই সপ্তাহান্তে ও প্রতি বছর শীতের মরশুমে পর্যটকদের ঢল নামে একে ঘিরে। পাশাপাশি পিকনিকের সময় বাংলার বিভিন্ন প্রান্ত সহ ঝাড়খণ্ড থেকেও দলে দলে লোক আসে এই জলাধারে। যেখানে নৈস্বর্গিক দৃশ‍্যের সাথে থাকে জলবিহার বা নৌকাতে ভ্রমণের ব‍্যবস্থা। আগত পর্যটকদের দিকে খেয়াল রেখে প্রশাসন থেকে কিছু পরিষেবার ব‍্যবস্থা করা হয় প্রতি বছর। পাশাপাশি পর্যটকদের সুরক্ষা, দূষণের থেকে রক্ষা পেতে বেশ কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। এর জন‍্য সরকারের পক্ষ থেকে পর্যটকদের কাছ থেকে ট‍্যাক্সও আদায় করা হয়।

    পরিষেবা প্রদানে গাফিলতি

    যদিও এই বছর শীতের শুরুতে মাইথন জলাধারে উপস্থিত হয়ে দেখা গেল, পর্যটকদের আসা-যাওয়া শুরু হলেও পরিষেবা প্রদানের ক্ষেত্রে বেশ কিছু গাফিলতি রয়েছে। যেমন এলাকায় বিশেষ পানীয় জলের ব‍্যবস্থা নেই। নেই পর্যাপ্ত শৌচালয়। তাছাড়া যেসব শৌচালয় রয়েছে, সেগুলি অপরিচ্ছন্ন ও ব‍্যবহারের অযোগ‍্য। অথচ সেই শৌচালয় ব‍্যবহারের জন‍্যই আদায় করা হচ্ছে টাকা। জলবিহারের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত লাইফ জ‍্যাকেটের ব‍্যবস্থা নেই। পাশাপাশি নিষেধের কড়াকড়িতে পর্যটকরা উৎসাহ হারাচ্ছেন এই জলাধারের প্রতি, এমনটাই জানালেন নৌ চালকরা। পর্যটকরা এই পর্যটন কেন্দ্রে ঘুরতে এসে অব‍্যবস্থার প্রতি সোচ্চার হচ্ছেন।

    সরব পর্যটকরাও

    তাঁরা ক‍্যামেরার সামনেই জানাচ্ছেন, মনোরম এই জায়গায় ঘোরার জন‍্য সরকারি ভাবে টোল আদায় করা হলেও পর্যপ্ত পরিষেবার ব‍্যবস্থা নেই। নৌকা চালকরাও জানাচ্ছেন, তাঁদের কাছে পর্যাপ্ত লাইফ জ‍্যাকেট দেওয়া হয়নি। তাই অধিক যাত্রী তাঁরা নৌকা বা বোটে তুলতে পারছেন না। এই বিষয়গুলি নিয়ে বিডিও দেবাঞ্জন বিশ্বাস পানীয় জলের অসুবিধার কথা মেনে নেন। যদিও জানান, নৌকা চালকদের লাইফ জ‍্যাকেট রয়েছে। তবে কম থাকলে বিষয়টি নৌ চালকদের জানাতে বলেন। একই সাথে তিনি জানিয়েছেন, পর্যটকদের সুরক্ষার ব‍্যবস্থাটি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পর্যটন কেন্দ্রটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়টিতেও জোর দেওয়া হয়েছে। তবে সারা বছরের এই পিকনিক সিজনের অপেক্ষায় থাকেন নৌচালক থেকে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। কারণ পর্যটকরা এলে তাঁদের অর্থ উপার্জন হবে। তবে এই বছর এখনও টোল আদায় শুরু হয়নি বলেই জানা যায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: চক্ষুশূল বিজেপির ‘বিকশিত ভারত’ রথযাত্রাও, হামলা চালিয়ে লন্ডভন্ড করে দিল তৃণমূল!

    Cooch Behar: চক্ষুশূল বিজেপির ‘বিকশিত ভারত’ রথযাত্রাও, হামলা চালিয়ে লন্ডভন্ড করে দিল তৃণমূল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্র সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের বার্তা দিতে বিজেপি-র উদ্যোগে তৈরি “বিকশিত ভারত” নামে একটি সুসজ্জিত রথ আটকে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সোমবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহার (Cooch Behar) এলাকায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Cooch Behar)

    কেন্দ্র সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের বার্তা দিতে সোমবার থেকে কোচবিহার (Cooch Behar) জেলা জুড়ে এই রথ ঘুরবে বলে ঠিক ছিল। কিন্তু, সেই সুসজ্জিত রথ যখন কোচবিহারের নিউ কোচবিহার রেলওয়ে স্টেশনের সামনে আসে। ঠিক সেই মুহূর্তে তৃণমূল নেতৃত্ব সেই রথ আটকে দিয়ে আন্দোলন শুরু করেন তৃণমূল কর্মীরা। শুধু আন্দোলনই নয় তারা সেই গাড়ির ফেস্টুন ছিড়ে দেয় এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ফেষ্টুনে কালি পর্যন্ত ছিটিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। গাড়ি আটতে দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। পরে, পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

    রথযাত্রা করতে দেব না, হঁশিয়ারি তৃণমূল নেতৃত্বের

    এই বিষয়ে হামলাকারী তৃণমূলের জেলা সভাপতি অরুপ দে ভৌমিক বলেন, কেন্দ্র সরকার যখন ভারতের আবাস যোজনার টাকা, ১০০ দিনের টাকা দিচ্ছে না, সাধারণ মানুষ তাদের প্রাপ্য টাকা না পেয়ে দিনের পর দিন কষ্টের সম্মুখীন হচ্ছেন। অথচ আগামী ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচনের আগে সাধারণ মানুষের কাছে তারা নতুন করে ভুল বোঝাতে এই রথ যাত্রার শুভ সূচনা করতে চাইছেন। মানুষ তা মেনে নেবে না। এই জেলায় এই ধরনের কর্মসূচি করা চলবে না। আমরা রাস্তায় নেমে আন্দেলন করছি। আগামীদিনেও করব।

     তৃণমূলীদের বাধা আমরা মানব না, সরব বিজেপির জেলা সভাপতি

    বিজেপির জেলা সভাপতি সুকুমার রায় বলেন, মোদি সরকার যে উন্নয়ন সেটা মানুষ জানলে তৃণমূলকে আর কেউ ভোট দেবেনা। তৃণমূলের দুর্নীতি এখন মানুষের মুখে মুখে। এরপর তিনি বলেন, আমরা জানি সারা ভারতবর্ষ জুড়ে কেন্দ্র সরকার উন্নয়নের যে প্রচার চলছে তার যে পারমিশন রয়েছে, সেই পারমিশনই চলবে। কিন্তু লোকাল থানা থেকে বলছে তাদেরও পারমিশন নিতে হবে। আমরা এই রথ যাত্রা করব, তৃণমূলীদের বাধা আমরা মানব না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Article 370: জমি কেনা থেকে শুরু করে চাকরি, বিয়ে…জেনে নিন কী কী নিষেধাজ্ঞা ছিল ৩৭০ ধারায়?

    Article 370: জমি কেনা থেকে শুরু করে চাকরি, বিয়ে…জেনে নিন কী কী নিষেধাজ্ঞা ছিল ৩৭০ ধারায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৯ সালের ৫ অগাস্ট ৩৭০ ধারা বাতিল করে মোদি সরকার। সোমবার কেন্দ্রীয় সরকারের সেই সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিল সুপ্রিম কোর্ট। ৩৭০ ধারার মাধ্যমে উপত্যকার মানুষজনকে কিছু বিশেষ এবং বাড়তি সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। এই ধারার মাধ্যমে জম্মু ও কাশ্মীরের ছিল আলাদা পতাকাও। এমনকী সেখানকার জমি পর্যন্ত কিনতে পারেতেন না অন্য রাজ্যের মানুষজন। এক কথায়, ভারতের অভ্যন্তরে জম্মু ও কাশ্মীর হয়ে উঠেছিল আলাদা একটি রাষ্ট্র। তবে ৩৭০ ধারা বাতিলের পর সেসব আর কিছু থাকল না। আসুন দেখে নিই, কী কী নিষেধাজ্ঞা ছিল এবং সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর পরিস্থিতি কী দাঁড়াল।

    ৩৭০ ধারা বাতিলের আগে ও পরে…

    ১) উপত্যকার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে পারবে কেন্দ্র

    সংবিধানে ৩৭০ নম্বর ধারা (Article 370) অনুযায়ী, ২০১৯ সালের অগাস্ট মাসের আগে পর্যন্ত প্রতিরক্ষা, বিদেশ, অর্থ এবং যোগাযোগ ছাড়া জম্মু-কাশ্মীরের অন্য কোনও বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার অধিকার ছিল না ভারত সরকারের। কিন্তু বর্তমানে উপত্যকার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ করাতে আর কোনও বাধাই রইল না।

    ২) জম্মু ও কাশ্মীরের ছিল আলাদা পতাকা, এখন আর তা রইল না

    ৩৭০ ধারা (Article 370) যখন লাগু ছিল, তখন জম্মু ও কাশ্মীরের জন্য কোনও আইন প্রণয়ন করতে পারত না ভারতের সংসদ। আইন প্রণয়ন করতে হলে সে রাজ্যের সম্মতির প্রয়োজন ছিল। তাছাড়া আলাদা পতাকাও ছিল জম্মু ও কাশ্মীরের। ৫ অগাস্ট ২০১৯ সালের পর কোনও আলাদা পতাকা নেই উপত্যকায়। ভারতের সংসদ এখন জম্মু ও কাশ্মীরে আইন প্রণয়নের ব্যাপারে পূর্ণ ক্ষমতার অধিকারী।

    ৩) উপত্য়কায় জমি কিনতে পারতেন না ভারতের অন্য রাজ্যের লোকজন, এখন তা বাতিল

    ভারতবর্ষের অন্যান্য অংশের লোক জম্মু-কাশ্মীরের জমিও কিনতে পারতেন না। তার কারণ, স্থায়ী বাসিন্দা ছাড়া কেউ কাশ্মীরে জমি কিনতে পারবেন না, এমন নিয়ম সেখানে জারি করা ছিল। ধারা ৩৫-এ অনুযায়ী বলা হয়, যে সে রাজ্যের স্থায়ী বাসিন্দা কে, তা স্থির করতে পারবে একমাত্র জম্মু কাশ্মীরের বিধানসভা। বর্তমানে দেশের যে কোনও নাগরিক জমি কিনতে পারেন উপত্যকায়।

    ৪) জম্মু ও কাশ্মীরে চাকরির আবেদনও করতে পারতেন না অন্য রাজ্যের বাসিন্দারা, এখন তা কার্যকর নয়

    জম্মু-কাশ্মীরে যে কোনও চাকরির ক্ষেত্রে আবেদন করতে পারতেন না অন্য রাজ্যের মানুষ। সে রাজ্যের কোনও মহিলা স্থায়ী বাসিন্দা ভারতের অন্য অংশের মানুষকে বিয়ে করলে তিনি সম্পত্তির অধিকার থেকেও বঞ্চিত হতেন। বর্তমানে দেশের অন্যান্য রাজ্যের মতোই জম্মু ও কাশ্মীরে চাকরির আবেদন করতে পারেন সবাই।

    প্রসঙ্গত, জম্মু ও কাশ্মীরকে ৩৭০ ধারার মাধ্যমে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছিল ভারতের সংবিধান সভা। কিন্তু ১৯৫৭ সালে সংবিধান সভাকেই ভেঙে দেওয়া হয়। ১৯৫০ সালে সংবিধান প্রণয়নের সময় ৩৭০ ধারার মাধ্যমে জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হলেও সেখানে লেখা ছিল অস্থায়ী সংস্থান অর্থাৎ তা সামরিক হিসেবেই গণ্য করা হয়। ৩৭০ ধারার ৩ নম্বর উপধারায় বলা হয় যে রাষ্ট্রপতি ইচ্ছা করলে ওই বিশেষ মর্যাদা যে কোনও সময় তুলে নিতে পারেন। রাষ্ট্রপতির সেই ক্ষমতাকে ব্যবহার করেই এই বিশেষ মর্যাদাকে প্রত্যাহার করে মোদি সরকার। ২০১৯ সালের ৫ অগাস্ট তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ ৩৭০ ধারা বাতিলের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা দেন। সরকারের তরফে তখন জানানো হয় কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা অস্থায়ী একটি ব্যবস্থা। এরপর মামলা এবং যার চূড়ান্ত পরিণতি এদিনের সুপ্রিম কোর্টের রায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Article 370: জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপ বৈধ! রায় সুপ্রিম কোর্টের, জানেন এই ধারার ইতিহাস?

    Article 370: জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপ বৈধ! রায় সুপ্রিম কোর্টের, জানেন এই ধারার ইতিহাস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের সঙ্গে সহমত দেশের শীর্ষ আদালত। ৩৭০ ধারা (Article 370 in Jammu and Kashmir) একটি ‘অস্থায়ী বিধান’। রাষ্ট্রপতির হাতে এটি বাতিল করার ক্ষমতা ছিল। সোমবার এমনই রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। সর্বোচ্চ আদালত আরও জানিয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীর সাংবিধানিক পরিষদ ভেঙে যাওয়ার পরেও ৩৭০ ধারা রদের বিজ্ঞপ্তি জারি করার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির আছে। উল্লেখ্য, জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ অধিকার প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের রায়কে ‘ঐতিহাসিক’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, এটি আশা, অগ্রগতি এবং ঐক্যের বার্তা দেয়। 

    ৩৭০ ধারা কী?

    ৩৭০ ধারা ভারতীয় সংবিধানের একটি অস্থায়ী সংস্থান (‘টেম্পোরারি প্রভিশন’)। এই ধারায় জম্মু-কাশ্মীরকে (Article 370 in Jammu and Kashmir) বিশেষ মর্যাদা ও বিশেষ স্বায়ত্তশাসন দেওয়া হয়েছিল। সংবিধানের ১১ নম্বর অংশে অস্থায়ী, পরিবর্তনশীল এবং বিশেষ সংস্থানের কথা বলা হয়েছে। সেই অনুযায়ীই জম্মু-কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ সংবিধানের ধারাগুলি অন্য সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও জম্মু-কাশ্মীরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নাও হতে পারে।

    কবে অন্তর্ভুক্ত?

    ৩৭০ ধারা সংবিধানের অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল ১৯৪৯ সালের ১৭ অক্টোবর। এই ধারা বলে জম্মু-কাশ্মীরকে ভারতীয় সংবিধানের আওতামুক্ত রাখা হয় (অনুচ্ছেদ ১ ব্যতিরেকে) এবং ওই রাজ্যকে নিজস্ব সংবিধানের খসড়া তৈরির অনুমতি দেওয়া হয়। এই ধারা বলে ওই রাজ্যে সংসদের ক্ষমতা সীমিত। ১৯৪৭ সালে এই ৩৭০ ধারার খসড়া প্রস্তুত করেন শেখ আবদুল্লা। জম্মু-কাশ্মীরের প্রধানমন্ত্রী মহারাজা হরি সিংহ এবং জওহরলাল নেহরু তাঁকে নিয়োগ করেন। ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত জম্মু-কাশ্মীরে রাজ্যপালের জন্য সদর-এ-রিয়াসত চালু ছিল। মুখ্যমন্ত্রীর বদলে ছিল প্রধানমন্ত্রী। যদিও ১৯৬৫ সালের পর তা উঠে যায়।

    ৩৭০ ধারায় বিশেষ সুবিধা

    ৩৭০ নম্বর ধারা অনুযায়ী, ২০১৯ সালের অগাস্ট মাসের আগে পর্যন্ত প্রতিরক্ষা, বিদেশ, অর্থ এবং যোগাযোগ ছাড়া অন্য কোনও বিষয়ে জম্মু ও কাশ্মীরে হস্তক্ষেপের অধিকার ছিল না কেন্দ্রের। জম্মু ও কাশ্মীরে কোনও আইন প্রণয়নের অধিকার ছিল না সংসদেরও। আইন প্রণয়ন করতে হলে রাজ্যের সম্মতি নিতে হত। তাছাড়া আলাদা পতাকাও ছিল জম্মু ও কাশ্মীরের। ৩৭০ ধারার (Article 370 in Jammu and Kashmir) অধীনেই ছিল ৩৫এ ধারা। এই ৩৫এ ধারা অনুযায়ী কাশ্মীরের স্থায়ী বাসিন্দারাও বিশেষ সুবিধা পেতেন। স্থায়ী বাসিন্দা ছাড়া অন্য রাজ্যের কেউ সেখানে স্থাবর সম্পত্তি কিনতে পারতেন না। কিনতে হলে অন্তত ১০ বছর জম্মু-কাশ্মীরে থাকতে হত। এবার যে কোনও রাজ্যের বাসিন্দা সেখানে জমি কিনতে পারবেন।

    ৩৭০ ধারার ইতিহাস

    ১৯৪৭ সালের ২৬ শে অক্টোবর শেষ শাসক মহারাজা হরি সিং জম্মু ও কাশ্মীরকে ভারতের পক্ষে আনার ক্ষেত্রে একটি চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেছিলেন। ঠিক পরের দিন অর্থাৎ ২৭ অক্টোবর, তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড মাউন্টব্যাটেন সেই চুক্তি অনুমোদন করেন। পুরো বিষয়টি কয়েকটি ক্ষেত্রের মধ্যেই সীমাবন্ধ ছিল। ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি, তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদ ধারা ৩৭০ অনুযায়ী প্রথম আদেশ জারি করেন। যা ছিল জম্মু এবং কাশ্মীরের জন্য। যার মাধ্যমে বেশ কিছু বিষয় স্পষ্ট করা হয় এবং যা সূচিবন্ধ করা হয়। ১৭ নভেম্বর, ১৯৫৬ সালে জম্মু-কাশ্মীরের সংবিধান হয়। ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল এবং থাকবে , সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: “৩৭০ ধারা বাতিল অসাংবিধানিক নয়”, ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের

    ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার

    ২০১৯ সাল, ৫ অগাস্ট জম্মু-কাশ্মীর থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয় ৩৭০ ধারা। জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা তুলে নেয় মোদি সরকার। আর সেই মতো পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল তৈরি করা হয় জম্মু এবং কাশ্মীরকে ভেঙে। মোদি সরকারের এহেন সাহসী সিদ্ধান্ত ঘিরে প্রশ্ন ওঠে। আইনগত এবং সংবিধানিক ভাবে এই সিদ্ধান্ত কতটা বৈধ, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। কেন্দ্রের যুক্তি, দেশের সংবিধান সভা জম্মু ও কাশ্মীরকে ৩৭০ ধারায় বিশেষ মর্যাদা দিয়েছিল। কিন্তু স্বাধীন দেশে সংবিধান প্রণয়নের পর ১৯৫৭ সালে সংবিধান সভা ভেঙে দেওয়া হয়। ১৯৫০ সালে সংবিধান প্রণয়নের সময় ৩৭০ ধারায় জম্মু-কাশ্মীরকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হলেও সেই মর্যাদা স্থায়ী ছিল না, বরং ছিল ‘অস্থায়ী সংস্থান’ ওই অনুচ্ছেদের ৩ নম্বর উপধারায় বলা হয়, রাষ্ট্রপতি ইচ্ছে করলে ওই ‘বিশেষ মর্যাদা’ তুলে নিতে পারেন। রাষ্ট্রপতির ওই ক্ষমতাকে ব্যবহার করেই ২০১৯ সালে ‘বিশেষ মর্যাদা’ প্রত্যাহার করে মোদি সরকার। 

    সুপ্রিম সিদ্ধান্ত

    যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জম্মু ও কাশ্মীরে সংবিধানের ৩৭০ ধারা (Article 370 in Jammu and Kashmir) প্রয়োগ করা হয়েছিল। তা ছিল অস্থায়ী ব্যবস্থা। চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ছিল না। সংবিধানের ৩৫৬ ধারা মোতাবেক জম্মু ও কাশ্মীরে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয়েছিল। তাই জম্মু কাশ্মীর থেকে কেন্দ্রের ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্তে কোনও ভুল নেই। এমনটাই জানাল সুপ্রিম কোর্ট। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত বলল, ৩৭০ ধারা ছিল অস্থায়ী। জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পরে তাদের সার্বভৌমত্ব ভারতের কাছে সমর্পণ করেছে। কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: কষ্টের পয়সায় বাড়ি করবেন, তাতেও লাগবে তৃণমূলের অনুমতি! না হলে খুনের হুমকি?

    Asansol: কষ্টের পয়সায় বাড়ি করবেন, তাতেও লাগবে তৃণমূলের অনুমতি! না হলে খুনের হুমকি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টাকা খরচ করে নিজের বাড়ি তৈরি করবেন। আর তার জন্য তৃণমূলের অনুমতি নিতে হবে। আসানসোলের (Asansol) ফতেপুরের এলাকাবাসীর একাংশের এমনই অভিযোগ। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    এলাকাবাসীর উদ্যোগে প্রতিবাদ সভা ভেস্তে দেওয়ার চেষ্টা! (Asansol)

    আসানসোলের (Asansol) ফতেপুর এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে জমি মাফিয়ারা। অতিষ্ঠ হয়ে তৃণমূলের নেতার কাছে এলাকাবাসী দরবার করেন। কিন্তু, কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ফলে, দৌরাত্ম্য বন্ধ করতে প্রতিবাদ সভার আয়োজন করেন এলাকাবাসী। ৫৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দারা সভাটির আয়োজন করেন। সেখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল তৃণমূলের স্থনীয় পুরপ্রতিনিধি সমিত মাজিকেও। সকাল ১১টা নাগাদ সমিত সভামঞ্চে আসেন। অভিযোগ, সভা শুরুর কিছুক্ষণ পরেই কয়েকজন সেই সভা বন্ধ করার দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। সেই সভা ভেস্তে দেওয়ার চেষ্টা হয়। তবে, আয়োজকেরা সভার কাজ চালিয়ে যাওয়ার দাবিতে অনড় থাকেন। সভার জন্য পুলিশের থেকে আগাম অনুমতি নেওয়া ছিল। কিছুক্ষণের মধ্যেই কমিশনারেটের এসিপি (সেন্ট্রাল) দেবরাজ দাসের নেতৃত্বে র‍্যাফের একটি দল ঘটনাস্থলে আসে। তার পরে, পুলিশের উপস্থিতিতেই সভার কাজ শেষ হয়।

    প্রতিবাদ সভার আয়োজকদের কী বক্তব্য?

    সভার অন্যতম আয়োজক তথা বড়তোড়িয়ার বাসিন্দা দীনবন্ধু মণ্ডল বলেন, কয়েক মাস আগে নিজের জমিতে আমি বাড়ি করতে গিয়েছিলাম। জমি মাফিয়ারা বাধা দেয়। দেওয়া হয় খুনের হুমকিও। তাদের অনুমতি নেওয়ার কথা বলা হয়। নির্মাণ সামগ্রীও তাদের থেকে নেওয়ার কথা বলা হয়। এমনকী বাড়ি করার আগে তৃণমূলের স্থানীয় কার্যালয় থেকে অনুমতি নেওয়ার কথাও বলা হয়। ফতেপুরের স্বরূপকুমার মাজির আবার অভিযোগ, নিজের জমি বিক্রি করতে গেলেও, এক দল লোক এসে জমি বিক্রিতে বাধা দিচ্ছে। পাশাপাশি, এলাকার পরিকাঠামোগত সমস্যা নিয়েও সরব হয়েছেন বাসিন্দাদের একাংশ। তাঁদের অভিযোগ, বরাচকের হনুমান মন্দির থেকে বরাচক স্টেশন পর্যন্ত রাস্তাটি বেহাল। পথবাতি নেই। নিকাশি পরিস্থিতি বেহাল। বিষয়টি পুরপ্রতিনিধিকে জানানো হলেও লাভ হয়নি।

    পুর প্রতিনিধির কী বক্তব্য?

    পুরপ্রতিনিধি সমিত মাজি বলেন, কারও নাম উল্লেখ না করে জমি মাফিয়াদের বিষয়ে অভিযোগ করা হয়েছে। বিস্তারিত খোঁজখবর করব। বাসিন্দাদের নিজেদের জমি কেনাবেচার আগে বা বাড়ি তৈরি করার আগে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে অনুমতি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় না। কে বা কারা এই কাজ করছেন, তা-ও দেখা হবে। পাশাপাশি, পরিকাঠামোগত উন্নয়নের বিষয়েও উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    বিজেপি আসানসোল (Asansol) সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বাপ্পাদিত্য চট্টোপাধ্যায়ের অভিযোগ, ওই এলাকায় জমি মাফিয়াদের বখরাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের অন্দরে দু’টি গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে। তা নিয়েই গোলমাল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSKM: শিশুদের বেডে ‘কালীঘাটের কাকু’! সাধারণের চিকিৎসার সুযোগও কি কেড়ে নেবেন তৃণমূল নেতারা?

    SSKM: শিশুদের বেডে ‘কালীঘাটের কাকু’! সাধারণের চিকিৎসার সুযোগও কি কেড়ে নেবেন তৃণমূল নেতারা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    পশ্চিমবঙ্গের সরকারি হাসপাতাল একাধিক রোগে আক্রান্ত। রেফার রোগ থেকে দালালচক্র, সরকারি হাসপাতালের একাধিক রোগে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে।‌ তার মধ্যেই সরকারি হাসপাতালে আরেক রোগের জেরে জেরবার সাধারণ মানুষ। শাসক দলের দাপটে সরকারি হাসপাতালে (SSKM) সাধারণ মানুষের চিকিৎসা করাতে অপেক্ষা হচ্ছে আরও দীর্ঘ।‌

    কোথায় বাড়ছে এই রোগ? 

    এসএসকেএম থেকে জেলার হাসপাতাল, পশ্চিমবঙ্গের সর্বত্র এই সমস্যা রয়েছে। ভুক্তভোগীদের একাংশ জানাচ্ছেন, যে কোনও সরকারি হাসপাতালে শাসক‌ দলের নেতারাই চিকিৎসায় অগ্রাধিকার পায়। আর তার জেরেই সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সময়মতো হচ্ছে না। সম্প্রতি কালীঘাটের কাকু নামে পরিচিত সুজয় ভদ্র এসএসএকেএম (SSKM) হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় সেই বিতর্ক আরও জোরালো হয়েছে। 
    সূত্রের খবর, এসএসকেএম হাসপাতালে শিশুদের বিশেষ অস্ত্রোপচারের জন্য নির্ধারিত শয্যায় ভর্তি রয়েছেন সুজয় ভদ্র। তবে, এই ঘটনা ব্যতিক্রম নয় বলেই জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারা। দফতরের অন্দরের খবর, রাজ্যের সর্বত্র এরকম চলছে। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ, আরজিকর হাসপাতালের মতো প্রথম সারির মেডিক্যাল কলেজ হোক কিংবা জেলার হাসপাতাল, সাধারণ মানুষকে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। কিন্ত তৃণমূলের নেতারা দিনের পর দিন সরকারি হাসপাতালের শয্যায় থাকছেন। বিশেষত এসএসকেএমে এই রোগ আরও বেশি জাঁকিয়ে বসেছে। ইডি কিংবা সিবিআই গ্রেফতার করার পরেই একাধিক নেতা অসুস্থ হয়ে ওই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। যে বিতর্ক আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। কিন্তু সেই হাসপাতালে সাধারণ মানুষ চিকিৎসার জন্য মাসের পর মাস অপেক্ষা করেছেন।

    কী বলছেন ভুক্তভোগীরা? 

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের একাধিক সরকারি হাসপাতালে পর্যাপ্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নেই। বিশেষত হৃদরোগ, শিশুরোগ, স্নায়ু শল্য চিকিৎসায় পরিকাঠামোর অভাব রয়েছে‌। এসএসকেএম-এর (SSKM) মতো রাজ্যের প্রথম সারির হাসপাতালে যে কোনও রোগীর চিকিৎসার জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হয়। হৃদপিণ্ডের অস্ত্রোপচার হোক কিংবা স্নায়ুর চিকিৎসা, যে কোনও রোগে রোগীকে কয়েক মাস অপেক্ষা করতে হয়। তার উপরে রাজ্যের অধিকাংশ সরকারি হাসপাতালে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের অভাব রয়েছে। পর্যাপ্ত শয্যা এবং পরিকাঠামো নেই। তার জেরে রোগীকে মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হচ্ছে। কিন্তু সেই সরকারি হাসপাতালে শিশুর জন‌্য বরাদ্দ শয্যায় ভর্তি থাকছেন দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার শাসক দল ঘনিষ্ঠ নেতা‌। ভুক্তভোগীদের একাংশের অভিযোগ, সরকারি হাসপাতালে তাদের চিকিৎসার ন্যূনতম সুযোগ পাওয়া যায় না। এদিকে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করানোর সামর্থ্য নেই। স্বাস্থ্য সাথী থেকেও ঠিকমতো পরিষেবা পাওয়া যাচ্ছে না। কার্যত স্বাস্থ্য পরিষেবা এ রাজ্যে অনিশ্চিত। তাই চিকিৎসার জন্য অনেকেই ভিন রাজ্যে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।

    কী বলছেন এসএসকেএম কর্তৃপক্ষ? 

    সরকারি হাসপাতালে শাসক দলের শয্যা আটকে রাখার নতুন রোগ নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ স্বাস্থ্য দফতর। এই নতুন রোগ কীভাবে মোকাবিলা হবে, সে নিয়েও কোনো মন্তব্য করতে চাননি স্বাস্থ্য কর্তারা। আর এসএসকেএম-এ (SSKM) সুজয় ভদ্রের চিকিৎসা নিয়ে কর্তৃপক্ষকে প্রশ্ন করলে, তাঁরা সাফ জানান, কোনও মন্তব্য করতে পারবেন না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: মুর্শিদাবাদে ২৪ ঘণ্টায় ১১ শিশুর মৃত্যু! বাল্যবিবাহ এবং অপুষ্টিরই করুণ পরিণতি?

    Murshidabad: মুর্শিদাবাদে ২৪ ঘণ্টায় ১১ শিশুর মৃত্যু! বাল্যবিবাহ এবং অপুষ্টিরই করুণ পরিণতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১১ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর এই মৃত্যুর ঘটনার জন্য পরিবারের লোকজন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। নজরদারি অভাব বা গাফিলতির জন্য পর পর এই শিশুমৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, এমনই দাবি মৃতের পরিবারের লোকজনের।

    শিশুমৃত্যুর তদন্তে কী উঠে এল? (Murshidabad)

    একের পর এক শিশুমৃত্যুর কারণ নিয়ে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) মেডিক্যাল কলেজ এবং জঙ্গিপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল একে অন্যের দিকে দায় ঠেলেছে। পরিস্থিতি দেখে তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। শিশুমৃত্যুর কারণ খোঁজার চেষ্টা করেছে স্বাস্থ্য দফতরের প্রতিনিধি দল। তাতে উঠে আসে একটি তথ্য। দেখা যাচ্ছে, সদ্য সন্তান হারানো মায়েদের ঠিকানা আলাদা হলেও তাদের বেশির ভাগের মধ্যে একটি মিল, অপরিণত বয়সে বিয়ে এবং মা হওয়া। ১১ জন শিশুর মধ্যে সাত জনের মা নাবালিকা। জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ার ১৬ বছর বয়সি এক কিশোরী ৪৬০ গ্রাম ওজনের একটি সন্তানের জন্ম দেয়। জঙ্গিপুরের ১৭ বছর ৩ মাস বয়সি এক নাবালিকা যে সন্তান প্রসব করে, তার ওজন ছিল ৫১০ গ্রাম। শুধু এই দুই মা নয়, ২৪ ঘণ্টায় যে ১১ সদ্যোজাতের মৃত্যু হয়েছে, তাদের মায়েরা সবাই হয় নাবালিকা নয়তো সবে আঠারো পেরোনো। আসলে শৈশব পেরিয়ে কৈশোরে পা দিতে না দিতেই মেয়েদের পাত্রস্থ করার চল এখনও রয়েছে মুর্শিদাবাদের গ্রামগঞ্জে। বাল্যবিবাহ রুখতে কেন্দ্র এবং রাজ্যের একাধিক প্রকল্প রয়েছে। কিন্তু মুর্শিদাবাদের গ্রামে গ্রামে গেলে দেখা যাবে বাল্যবিবাহের ছবি। বাড়ির মেয়েরা ভালো খাবার না পেয়ে অপুষ্টিতে ভোগেন। আর তারই ফলশ্রুতিতে অপুষ্টিজনিত সমস্যা নিয়ে শিশুদের জন্ম হয়। জন্মের পর থেকেই বিভিন্ন অসুখে ভুগে থাকে তারা।

    বাবা-মায়েরা কন্যাসন্তানের প্রতি যত্নবান নন

    গ্রামবাংলার আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে পশ্চিমবঙ্গ শিশু অধিকার কমিশনের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য প্রসূন ভৌমিক বলেন, ‘আসলে এখনও বাবা-মায়েরা ছেলেদের প্রতি যতটা যত্নবান হন, কন্যাসন্তানের প্রতি ততটা নন। এই ভয়াবহ সামাজিক অভিশাপেই এক নাবালিকার অল্প বয়সে মা হতে হয়। প্রসবের সময় প্রাণের ঝুঁকি থাকে তাদের দু’জনেরই।’

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কী বক্তব্য?

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ অমিত দাঁ বলেন,  আমাদের হাসপাতালে প্রচুর রেফার হচ্ছে। নার্সিংহোম থেকে শেষ মুহূর্তে রেফার করা হচ্ছে। আর ডাক্তার বা নার্সদের কোনও গাফিলতি রয়েছে কি না তা জানতে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া ১৬ থেকে ১৭ বছরের মেয়ে মা হচ্ছে। তার ফলে কম ওজনের সন্তানের জন্ম হচ্ছে। পাশাপাশি জন্মগত ত্রুটি নিয়ে সন্তানের জন্ম হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TET: গীতাপাঠের দিনেই টেট ঘোষণা রাজ্যের, হাইকোর্টে বিজেপি

    TET: গীতাপাঠের দিনেই টেট ঘোষণা রাজ্যের, হাইকোর্টে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২৪ ডিসেম্বর ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ‘লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ’ কর্মসূচিতে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেদিনই রাজ্য সরকার প্রাথমিক টেট (TET) পরীক্ষার দিন ঘোষণা করেছে। প্রসঙ্গত, এর আগের টেট পরীক্ষার দিন পাল্টে সেদিনই রাখে মমতা সরকার। প্রধানমন্ত্রী এলে যানজটের সমস্যায় পড়তে পারেন পরীক্ষার্থীরা, এই দাবি নিয়ে টেট পরীক্ষার দিন বদলের আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করল বিজেপি। মামলাটি করতে চান বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ। সোমবার এ বিষয়ে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। এদিন তাতে অনুমতি দিল হাইকোর্ট। এনিয়ে দিলীপ ঘোষের বক্তব্য হল, ‘‘এ রাজ্যের শাসকদল এবং মুখ্যমন্ত্রী যে সনাতন বিরোধী, তা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। উনি নিজেই তাঁর নানা কাজকর্ম দিয়ে সেটা বুঝিয়ে দেন। পরীক্ষা পিছিয়ে একটি সনাতন কর্মসূচির দিনে ফেলা সেই মনোভাবেরই পরিচয়।’’

    ১০ ডিসেম্বর টেটের দিন ঘোষণা করেও কেন পিছল সরকার?

    প্রসঙ্গত, প্রথমে ১০ ডিসেম্বর প্রাইমারি টেট (TET) পরীক্ষার দিন ঘোষণা করেছিল রাজ্য সরকার। সেই মোতাবেক প্রস্তুতিও শুরু করেছিলেন চাকরিপ্রার্থীরা। রীতিমতো বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয় দুপুর বারোটা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত টেট পরীক্ষা চলবে। এরপরে গত সপ্তাহের সোমবারই পর্ষদ হঠাৎ জানায় ১০ ডিসেম্বর টেট (TET) পরীক্ষা হচ্ছে না। তার পরিবর্তে তা হবে ২৪ ডিসেম্বর। তবে পরীক্ষার কোনও সময় বদল হচ্ছে না এবং তা দুপুর বারোটা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত চলবে। কিন্তু কী কারণে এই দিন বদলের সিদ্ধান্ত তা কোনওভাবেই জানানো হয়নি নতুন বিজ্ঞপ্তিতে। এতেই দানা বেঁধেছে বিতর্ক। তবে কি প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচির দিন দেখে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ওইদিন টেট পরীক্ষা ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার? এমন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তার কারণ ২৪ ডিসেম্বর যে গীতাপাঠের অনুষ্ঠান হতে চলেছে তা বিগত কয়েক মাস ধরেই সংবাদমাধ্যমের দৌলতে সবাই জানতে পেরেছেন।

    ক্ষুদ্ধ উদ্যোক্তারাও

    গীতা পাঠের দিন টেট পরীক্ষা (TET) ফেলা নিয়ে রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উদ্যোক্তারা। রবিবারই এ বিষয়ে উদ্যোক্তা কমিটির সভাপতি স্বামী প্রদীপ্তানন্দ মহারাজ, ‘মাধ্যম’- কে ফোনে বলেন, ‘‘কেন এরকম করা হল, সেটা বোঝা যাচ্ছে না। আমরা তো গীতা পাঠের দিনক্ষণ অনেক আগেই স্থির করে ফেলেছিলাম।’’ কোনও কোন মহল এ নিয়ে ষড়যন্ত্রও দেখছে এবং তাঁদের মতে, ‘‘রাজ্য সরকার জেনে বুঝে ২৪ ডিসেম্বর টেট পরীক্ষার দিন ঘোষণা করল, তার কারণ এতে যদি পরীক্ষার্থীরা অসুবিধা পড়েন সে ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার সুযোগ পাবে শাসক দল।’’ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ জানিয়েছে যে চলতি বছরে টেট পরীক্ষা দিচ্ছেন ৩ লাখ ১০ হাজার পরীক্ষার্থী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Covid-19 India: ফের কোভিড আতঙ্ক! দেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত ১৬৬ জন

    Covid-19 India: ফের কোভিড আতঙ্ক! দেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত ১৬৬ জন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের কোভিড ১৯ (Covid-19 India) এর আতঙ্ক বাড়তে শুরু করেছে দেশে। এই মুহূর্তে গোটা দেশে নতুন করে ১৬৬ জন করোনা ভাইরাস আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। যার জেরে বাড়ছে উদ্বেগ। রবিবার, ভারতে করোনা সংক্রমণ নিয়ে একটি রিপোর্ট দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক।  রিপোর্ট বলছে ১৬৬ টি নতুন করোনা ভাইরাস মামলার মধ্যে বেশিরভাগই এই মুহূর্তে কেরল থেকে এসেছে। 

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের রিপোর্ট

    সম্প্রতি বের হওয়া কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট দেখে কপালে চিন্তার ভাঁজ চিকিৎসক মহলের। সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী এখনো পর্যন্ত ভারতে করোনা ভাইরাসের (Covid-19 India) আক্রান্ত সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৮৯৫ জন। ইতিমধ্যেই দেশের কোভিড-১৯ (Covid-19 India) মামলার সংখ্যা ৪,৫০,০৩,০৫৫ (৪.৫০ কোটি) এবং মৃতের সংখ্যা ৫,৩৩,৩০৬ (৫.৩৩ লাখ)। দেশে করোনা সংক্রমণের হার গত ২৪ ঘণ্টায় দৃষ্টান্তমূলক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলে এই মুহূর্তে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সক্রিয় রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৯৫ জন। রিপোর্ট বলছে, ভারতে ১৬৬ টি নতুন কোভিড আক্রান্তের বেশিরভাগই এসেছে কেরল থেকে। যা বেশ উদ্বেগজনক। এই মুহূর্তে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা লোকের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪,৪৪,৬৮,৮৫৪ (৪.৪৪ কোটি) এবং করোনা সংক্রমণ থেকে সুস্থ হয়ে ঘরে ফেরা রোগীর হার ৯৮.৮১ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে করোনায় মৃত্যুর হার দাঁড়িয়েছে ১.১৯ শতাংশে।

    আরও পড়ুন: অস্বস্তিকর আবহাওয়ায় শীতের আমেজে ছন্দপতন ! সতর্ক না হলেই বড় বিপদ

    তবে, এখনই এ নিয়ে আশঙ্কার কোনও কারণ নেই, বলে মনে করেছেন বিশেষজ্ঞরা। দেশে কোভিড (Covid-19 India) পরিস্থিতি স্থিতিশীল আছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে, আবহাওয়া পরিবর্তনের জেরে ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো লক্ষণগুলির উপর নজরদারি চালানোর কথা বলেছেন চিকিৎসকেরা। বিশেষজ্ঞরা আগাম সতর্কতা হিসেবে জিনোম সিকোয়েন্সিং টেস্টের উপর জোর দিয়েছেন। সেই সঙ্গে কোভিড পরীক্ষা আরও বাড়ানোর জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share