Blog

  • Justice DY Chandrachud: সহনশীল হও, তবে ‘হেট স্পিচ’কে স্বীকৃতি দিও না! জানুন কী বললেন বিচারপতি চন্দ্রচূড়

    Justice DY Chandrachud: সহনশীল হও, তবে ‘হেট স্পিচ’কে স্বীকৃতি দিও না! জানুন কী বললেন বিচারপতি চন্দ্রচূড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্যের মতামত গ্রহণ এবং সহনশীল হওয়ার অর্থ এই নয় যে একজনকে ঘৃণামূলক বক্তব্যও (Hate Speech) মেনে নিতে হবে। সম্প্রতি এমনই অভিমত ব্যক্ত করলেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় (dy chandrachud)। গুজরাটের গান্ধীনগরে গুজরাট ন্যাশনাল ল ইউনিভার্সিটির (GNLU) সমাবর্তন অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি। স্নাতক শিক্ষার্থীদের তাঁদের “নিজের বিবেক এবং ন্যায়সঙ্গত কারণ” দ্বারা পরিচালিত হওয়ার আহ্বান জানান চন্দ্রচূড়। স্নাতকস্তরের আইনি পড়ুয়াদের তিনি  বলেন, ”নিজের বিবেক এবং নিরপেক্ষ যুক্তির উপর ভিত্তি করে চলতে হবে।”

    সম্প্রতি সোশাল মিডিয়ার বিভিন্ন পোস্ট নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে ৷ “সামাজিক মাধ্যমে মানুষের মনোযোগ সীমাবদ্ধ ৷ এটাও মনে করিয়ে দেয় যে, আমরা এমন অনেক কাজ করি, যার দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব রয়েছে ৷ প্রতিদিনের ঝঞ্ঝাট নিয়ে দুশ্চিন্তা করা উচিত নয়”, বলেন দেশের ভাবী প্রধান বিচারপতি ৷ উল্লেখ্য, দেশের প্রধান বিচারপতি এন ভি রামানা অবসর নিলে বিচারপতি ইউইউ ললিত প্রধান বিচারপতি হবেন ৷ তারপর বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের সেই আসনে বসার কথা ৷

    আরও পড়ুন: স্থায়ী রাজ্যপাল নেই, স্বাধীনতার ৭৫ বছরে রাজভবনের অ্যাট-হোম কি বাতিল?

    তিনি ফরাসি দার্শনিক ভলতেয়ারের (Voltaire) একটি উক্তি তুলে বলেন, “তুমি যা বলছো, আমি তা নাও মানতে পারি ৷ কিন্তু তোমার বলার অধিকারের জন্য আমি মৃত্যু পর্যন্ত লড়ব ৷” এই উদ্ধৃতিটি নিজেদের জীবনে কার্যকর করতে বলেন সর্বোচ্চ আদালতের বিচারপতি ৷ ভুল করা, কোনও কারণ ছাড়া নিজেকে গ্রহণযোগ্য ও সহনীয় করে তোলার অর্থ অন্ধের মতো আচরণ ৷ এর মানে এটা নয় যে, হেট স্পিচের বিরুদ্ধে গলা তোলা যাবে না, জানান বিচারপতি ৷

    বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে “বাড়তে থাকা কোলাহল এবং সংখ্যাগরিষ্ঠের রাজনৈতিক ধন্দ, সামাজিক এবং নৈতিক সংঘাতে”র মধ্যে গিয়ে পড়বেন তাঁরা ৷ সেখানে তাঁদের নিজের বিবেক, বিচারবুদ্ধি দিয়ে চলতে হবে, ভবিষ্যৎ আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে বার্তা বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের ৷

     

  • Sukanta Majumdar: রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি সুকান্তর, কী লিখলেন তিনি?

    Sukanta Majumdar: রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি সুকান্তর, কী লিখলেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (President Draupadi Murmu) দ্বারস্থ বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে নালিশ জানালেন তিনি। রাষ্ট্রপতির হাতে একটি স্মারকলিপিও তুলে দেন সুকান্ত। সেখানে এসএসসি কাণ্ড (SSC scam) ও পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) থেকে শুরু করে গরুপাচারকাণ্ড (Cattle smuggling) ও অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)-সহ একাধিক ইস্যুতে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে স্মারকলিপি দেন সুকান্ত মজুমদার।

    আরও পড়ুন: কেন অনুব্রতর বাড়িতে ডাক্তার? হাসপাতাল সুপারকে ধমক স্বাস্থ্য কর্তার, দায় নেবে না নবান্ন

    রাষ্ট্রপতিকে লেখা চিঠিতে সুকান্ত বলেছেন, রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন। তাঁর ঘনিষ্ঠর বাড়ি থেকে বিপুল নগদ টাকা উদ্ধার হয়েছে। গরু পাচার মামলায় সিবিআই তলব করা সত্ত্বেও হাজিরা এড়িয়ে যাচ্ছেন অনুব্রত মণ্ডল। 

    চিঠিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন দুর্নীতি ও বেআইনি কার্যকলাপের জেরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, পরেশ অধিকারী, শওকত মোল্লার মতো তৃণমূলের একাধিক নেতা রয়েছেন সিবিআই বা ইডি-র রাডারে। একইসঙ্গে ১৯ জন নেতার সম্পত্তি সংক্রান্ত যে মামলায় ইডি-কে পার্টি করতে বলেছে কলকাতা হাইকোর্ট, সেই প্রসঙ্গও চিঠিতে উল্লেখ করেন দেন সুকান্ত।

    চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, শিক্ষা সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগের মাঝেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য পদে বসতে চাইছেন। এ সব বিষয় উল্লেখ করে সুকান্ত মজুমদারের আর্জি, যাতে রাষ্ট্রপতি এ রাজ্যের পরিস্থিতির ওপর নজর দেন।

    আরও পড়ুন: ধনখড়ের প্রশ্নের মুখে মমতার ১৯ বিল, নতুন রাজ্যপাল কি আদৌ সই করবেন?

  • HIV Prevention: ফের মাথা চাড়া দিচ্ছে এইচআইভি, কী করে এই রোগ থেকে দূরে থাকবেন?

    HIV Prevention: ফের মাথা চাড়া দিচ্ছে এইচআইভি, কী করে এই রোগ থেকে দূরে থাকবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে ফের মাথা চাড়া দিচ্ছে এইচআইভি (HIV) সংক্রমণ। সম্প্রতি স্থানীয় পার্লার থেকে ট্যাটু করার পরে ১৪ জনের শরীরে এইচআইভির হদিশ মিলেছে। উত্তরপ্রদেশের বারানসীতে ঘটেছে এই ভয়ঙ্কর ঘটনা। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী খরচ বাঁচানোর জন্যে একই সূচ ব্যবহার করা হয়েছিল। তাই ট্যাটু করার আগে সবাইকে খেয়াল করতে হবে যে নতুন সূচ ব্যবহার করা হচ্ছে কি না।

    আরও পড়ুন: ভাইরাল হেপাটাইটিস থেকে দূরে থাকতে চান? বদল আনুন জীবনশৈলীতে

    এইচআইভি এক অন্যতম মারণ ভাইরাস। এর পুরো নাম হিউম্যান ইমিউনো ডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস। এই ভাইরাস থেকেই জন্ম দেয় এইডস (AIDS) রোগ। এইচআইভি মূলত শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ওপর আঘাত করে। সময়মত চিকিৎসা না হলে এই ভাইরাসের আক্রমণে শরীরের টি সেল কমে যায়। এই টি সেলই রোগের সঙ্গে শরীরকে লড়াই করতে সাহায্য করে। ফলে বিভিন্ন ধরনের রোগ নিশ্চিন্তে বাসা বাঁধে শরীরের আনাচে কানাচে। 

    পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ঙ্কর রোগগুলির মধ্যে এটি একটি। এবং এই রোগের এখনও অবধি কোনও চিকিৎসা নেই। তাই এই রোগ থেকে কী করে নিজেকে দূরে রাখা যায়, সেদিকে নজর রাখাই সব থেকে জরুরী। 

    আরও পড়ুন: কী করলে নিয়ন্ত্রণে থাকবে কোলেস্টেরল? জেনে নিন

    কী ভাবে দূরে থাকবেন এইচআইভি থেকে?  

    ১। শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমেই সবচেয়ে বেশি ছড়ায় এই রোগ। তাই শারীরিক সম্পর্কের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন। শারীরিক সম্পর্কের আগে নিজের এবং সঙ্গীর ডাক্তারি পরীক্ষা করিয়ে নিন। কন্ডোমের ব্যবহার সেক্ষেত্রে অত্যন্ত জরুরী। একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক এড়িয়ে চলুন। 

    ২। রক্তের মাধ্যমেও দ্রুত ছড়ায় এই রোগ। যদি রক্ত দেওয়া বা নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে তাহলে সেক্ষেত্রে দাতা এবং গ্রহীতা দুজনকেই অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে। পরীক্ষা না করে রক্ত নেওয়া যাবে না। এছাড়া একই সূচের ব্যবহারেও এই রোগ ছড়ায়। সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। একই সূচ, ব্লেড একাধিক ব্যক্তির শরীরে ঠেকানো যাবে না। নতুন সূচ বা ব্লেড ব্যবহার করতে হবে। 

    ৩। মায়ের থেকে সন্তানের শরীরেও ছড়ায় এইচআইভি। তাই যে মায়েরা এই রোগে আক্রান্ত তাঁরা শিশুকে স্তন্যপান করাবেন না। গর্ভবতীদের ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। 

    ৪। বডিলি ফ্লুইডের মাধ্যমেও ছড়ায় এই রোগ। তাই সতর্ক থাকুন। মাঝে মাঝেই এই রোগের পরীক্ষা করান। তাহলেই রোগ থেকে দূরে থাকতে পারবেন। 

  • Anubrata Mondal: পার্থ এফেক্ট! “অনুব্রতকে হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন নেই”, জানাল এসএসকেএম মেডিক্যাল বোর্ড

    Anubrata Mondal: পার্থ এফেক্ট! “অনুব্রতকে হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন নেই”, জানাল এসএসকেএম মেডিক্যাল বোর্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগেভাগেই প্রস্তুত রাখা ছিল উডবার্ন ওয়ার্ডের (Woodburn ward) ২১৬ নম্বর কেবিন। সেইমতো, সিবিআই হাজিরা (CBI summon) এড়িয়ে এসএসকেএমেই (SSKM) পৌঁছলেন অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। কিন্তু, কেষ্টকে পরীক্ষা করে মেডিক্যাল বোর্ড জানিয়ে দিল, “অনুব্রতকে হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন নেই।” 

    আজই গরু পাচার মামলায় নিজাম প্যালেসে (Nizam Palace) হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল অনুব্রত মণ্ডলের। কিন্তু, আইনজীবী মারফৎ কেষ্ট তদন্তকারী সংস্থাকে চিঠি পাঠিয়ে জানিয়েছেন, ফিসচুলার পুরনো সমস্যা নাকি ফের মাথাচাড়া দিয়েছে।  সঙ্গে নাকি কাশি হচ্ছে, ঘাড়ের পিছনে প্রবল ব্যথা-ও নাকি রয়েছে কেষ্টর। কাধিক শারীরিক জটিলতা থাকার জন্য মেডিক্যাল চেক আপের প্রয়োজন রয়েছে তৃণমূল নেতার। এমনটাই জানিয়েছেন আইনজীবী। এমতাবস্থায় অনুব্রতর পক্ষে সম্ভব নয়, হাজিরা দেওয়ার। তাঁকে পরে কোনও একটা সময় দেওয়া হোক। 

    এদিকে, অনুব্রতর ভর্তি হওয়া নিয়ে এসএসকেএমে-র অন্দরেই দেখা দেয় বিতর্ক। অনুব্রতর চিকিৎসা নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত ছিল মেডিক্যাল বোর্ড। একদল চাইছিলেন, তাঁকে ভর্তি রেখে চিকিৎসা করতে। আরেকদল অনুব্রতকে পরীক্ষা না করে ভর্তি করতে নারাজ ছিলেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এই নিয়ে দীর্ঘ বৈঠক হয় মেডিক্যাল বোর্ডের। শেষমেশ, কেষ্টকে এদিন পরীক্ষা করে মেডিক্যাল বোর্ড জানিয়ে দিল, “অনুব্রতকে হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন নেই।”

    আরও পড়ুন: ‘দিদি’ ফোন ধরছেন না, সিবিআই ডাকে বিচলিত কেষ্টর চোখে ঘুম নেই

    হাসপাতালের এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে অনেকেই একে “পার্থ-এফেক্ট” বলে অভিহিত করছেন। সম্প্রতি, এসএসসি কাণ্ডে ইডি-র হাতে গ্রেফতার হওয়া তৃণমূলের প্রাক্তন মহাসচিবও অসুস্থ হওয়ায় তাঁকে এসএসকেএমে ভর্তি করার নির্দেশ দেয় নিম্ন আদালত। এসএসকেএমে-র চিকিৎসকরা পার্থকে আইসিইউ-তে রাখার সুপারিশ করে। এদিকে, নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডি-র তরফে দাবি করা হয়, এসএসকেমে পার্থ ‘ডন’-এর মতো আচরণ করছেন। তাঁকে এইমসে স্থানান্তর করে সেখানে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হোক। ইডি-র আবেদনকে মান্যতা দিয়ে হাইকোর্ট ভুূবনেশ্বর এইমসে পার্থর স্বাস্থ্য পরীক্ষার নির্দেশ দেয়।

    সেখানে পরীক্ষা করে ভুবনেশ্বর এইমসের মেডিক্যাল বোর্ড সাফ জানিয়ে দেয়, হাসপাতালে পার্থকে ভর্তি করার কোনও প্রয়োজন নেই। তাঁর  যা যা সমস্যা রয়েছে সবই ক্রনিক। বাড়িতে থেকে নিয়মিত ওষুধ খেলেই হবে। এই ঘটনায় এসএসকেএমের মুখ যে পোড়ে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ ছিল না। পার্থ-এপিসোডে মুখে কিছু না বললেও, ভেতর ভেতর শাসক দলের সিদ্ধান্ত নিয়ে অসন্তুষ্ট চিকিৎসকদের একাংশ।

    এর আগেও, সিবিআই-ইডির তলব পেয়ে বিভিন্ন দুর্নীতিতে নাম উঠে আসা শাসক দলের একাধিক হেভিওয়েট নেতাদের এসএসকেএমে ভর্তি হওয়া ঘিরে জলঘোলা হয়েছে বিস্তর। বিরোধী দল বারবার এই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। এমনকী, মহামান্য হাইকোর্টেও তীব্র সমালোচিত হতে হয়েছে রাজ্য প্রশাসনকে। আদালতের পর্যবেক্ষণে মুখ পুড়েছে রাজ্যের এই প্রথম সারির হাসপাতালের।

    আরও পড়ুন: কোথায় কেষ্ট? পার্থর পর এবার কি অনুব্রতর পালা? জোর জল্পনা! 

    পার্থকাণ্ডের জেরে যেভাবে এই সুপার-স্পেশালিটি হাসপাতাল নিয়ে যেভাবে একাধিক অভিযোগের তির ধেয়ে এসেছে, অনেকেই মনে করছেন, নতুন করে আর বিতর্ক ঘৃতাহুতি দিতে চায়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বিরোধীদের কটাক্ষ, এসএসকেএম তো উপলক্ষ্য। আসলে সরকারের মনোভাবই ফুটে উঠেছে। তৃণমূল সূত্রে খবর,  অনুব্রতর বিষয়ে “উদাসীন” মনোভাব দেখাতে শুরু করেছে তৃণমূল। ঠিক যেমনটা পার্থর ক্ষেত্রে হয়েছিল। তৃণমূল সূত্রে খবর, বহু চেষ্টা করেও, ‘দিদি’-র সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি কেষ্ট। আর এখন, হাসপাতাল ভর্তিতে ‘না’ শুনতে হল। 

    সবমিলিয়ে সময়টা একেবারেই ভালো যাচ্ছে না কেষ্ট মণ্ডলের!

     

     

     

     

     

     

  • Sourav Ganguly: সৌরভের ট্যুইট ঘিরে সমালোচনা! জানেন বিসিসিআই প্রেসিডেন্টকে কী বলছেন নেটিজেনরা?

    Sourav Ganguly: সৌরভের ট্যুইট ঘিরে সমালোচনা! জানেন বিসিসিআই প্রেসিডেন্টকে কী বলছেন নেটিজেনরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কমনওয়েলথ গেমসের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মাত্র ৯ রানে হেরে রুপো জিতেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে হরমনপ্রীত, স্মৃতি মন্ধানাদের। অথচ ম্যাচে একসময় জয়ের পাল্লা ভারী ছিল ভারতের পক্ষেই। সেই কথা জানিয়ে ট্যুইট করেন বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। ট্যুইট বার্তায় তিনি লেখেন, ‘রুপো জয়ের জন্য ভারতীয় মহিলা দলকে অভিনন্দন। তবে ওরা হতাশ হয়েই বাড়ি ফিরবে কারণ আজ রাতে ম্যাচটা ওদেরই ছিল।’ প্রাক্তন ভারত অধিনায়কের এই ট্যুইট ঘিরে সমালোচনার ঝড় উঠেছে নেট দুনিয়ায়। 

    সৌরভের মতো ক্রিকেটার বিসিসিআইয়ের দায়িত্বে থাকা সত্ত্বেও মহিলাদের আইপিএল এখনও সম্পূর্ণ রূপে চালু করা যায়নি কেন সে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটের সিস্টেম,পরিকাঠামোও খারাপ, বলে দাবি একাংশের। হরমনপ্রীতদের হারের নেপথ্যে  সৌরভকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন নেটিজেনদের একাংশ।


    প্রসঙ্গত, কমনওয়েলথ ফাইনালে স্নায়ু চাপে জেতা ম্যাচ হেরে এসেছে ভারত।  টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করে ১৬১ রান করে মেগ ল্যানিংয়ের অস্ট্রেলিয়া। রান তাড়া করার শুরুটা দুর্দান্ত হয়েছিল ভারতের। অধিনায়ক হরমনপ্রীত এবং জেমাইমা রডরিগেজের পার্টনারশিপে তর তর করে এগোচ্ছিল ভারতের ইনিংস। কিন্তু ১১৮ রানে দুই উইকেট থেকে দলের ব্যাটিং বিপর্যয় শুরু হয় এবং শেষ পর্যন্ত ১৫২ রানে অল আউট হয়ে যায় ভারত। দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান হরমনপ্রীতের ৬৫। দলের অন্যান্য ব্যাটাররা একটু বুঝেশুনে খেললে সোনা জিতত ভারতই। 

     

  • Commonwealth Games: নীরজও আমাদের ছেলের মতো! জানেন কী বললেন পাক জ্যাভলিন  কোচ সৈয়দ হুসেন বুখারি

    Commonwealth Games: নীরজও আমাদের ছেলের মতো! জানেন কী বললেন পাক জ্যাভলিন কোচ সৈয়দ হুসেন বুখারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোটের কারণে ২০২২ কমনওয়েলথ গেমস থেকে বাদ পড়েছিলেন নীরজ চোপড়া। বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপে ৮৮.১৩ মিটার জ্যাভেলিন ছুড়ে রুপো জিতেছিলেন নীরজ। তাঁর লক্ষ্য ৯০ মিটারের বেশি ছোড়া জানিয়েছিলেন নীরজ। সেই স্বপ্ন এখনও পূর্ণ হয়নি। তাঁর দেখা স্বপ্নই পূরণ করলেন নীরজের বন্ধু, পাকিস্তানের আরশাদ নাদিম। কমনওয়েলথ গেমসে ৯০ মিটারের বেশি জ্যাভেলিন ছুড়ে রেকর্ড গড়ে সোনা জিতলেন পাকিস্তানের নাদিম। 

    জয়ের পর নাদিম জানান, গেমস ভিলেজে নীরজকে খুব মিস করেছেন তিনি। আরশাদ বলেন, ” চোট এই খেলার একটি অংশ তবে তিনি নীরজ চোপড়ার অনুপস্থিতি অনুভব করেছি।” আরশাদের জয়ের পর নীরজ তাঁকে ফোন করে পদক জয়ের জন্য অভিনন্দন জানান। চার বছর আগে এশিয়ান গেমসে নীরজের কাছে হেরেছিলেন আরশাদ। রুপো জিতে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল তাঁকে। তার পরে চোটের কারণে কয়েকটি প্রতিযোগিতায় নামতে পারেননি আরশাদও। বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপে পঞ্চম স্থানে শেষ করেন পাকিস্তানের এই প্রতিযোগী। অথচ কয়েক সপ্তাহ পরে কমনওয়েলথে নেমে বাজিমাত করেছেন তিনি।

    কমনওয়েলথের আসরে আরশাদ নাদিম ৯০.১৮ মিটার থ্রো করে সোনা জেতেন। ৯০ মিটারের কাছাকাছি পৌঁছতে পারেননি তাঁর প্রতিপক্ষ, বিশ্বের সেরা জ্যাভলিন নিক্ষেপকারী অ্যান্ডারসন পিটার্স। দ্বিতীয় হয়ে রুপোর পদক জিতেছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: দেশের অ্যাথলিটদের পাশে দাঁড়াতে জানেন মোদি! জানুন কী বললেন পাক সাংবাদিক

    শুধু আরশাদই নন তাঁর কোচ  সৈয়দ হুসেন বুখারি জানিয়েছেন, নাদিম ও নীরজ খুব ভাল বন্ধু। দু’জনের মধ্যে ২০১৬ সাল থেকে বন্ধুত্ব রয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি লাহোর এবং ইসলামাবাদের অ্যাকশন প্যাক স্টেডিয়ামে নীরজ এবং আরশাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখতে চাই। নীরজও আমাদের ছেলের মতো এবং একজন পাকিস্তানি হিসেবে আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে নীরজ যদি বিজয় লাভ করে, আমরা ১৯৬০ সালে মিলখা সিংয়ের জয়ে যেমন খুশি হয়েছিলাম, তেমনই খুশি হব।’ এর পাশাপাশি বুখারি বলেন, ‘নীরজ চোপড়া যদি জেতে তাহলে তারাও নীরজের প্রশংসা করবেন। তিনি বলেন, নীরজ চোপড়া এবং আরশা নাদিমের বন্ধুত্ব অনেকটা আবদুল খালিক ও মিলখা সিংয়ের মতোই।’

     

  • Dhankhar stalled 19 Bills: ধনখড়ের প্রশ্নের মুখে মমতার ১৯ বিল, নতুন রাজ্যপাল কি আদৌ সই করবেন?

    Dhankhar stalled 19 Bills: ধনখড়ের প্রশ্নের মুখে মমতার ১৯ বিল, নতুন রাজ্যপাল কি আদৌ সই করবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ তাঁর তিন বছরের মেয়াদকালে বিধানসভায় পাশ হওয়া ১৯টি বিল রুখে দিয়েছিলেন সদ্য প্রাক্তন রাজ্যপাল তথা দেশের উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়(Jagdeep Dhankhar)।সই করেননি একটিতেও। তাঁর তোলা প্রশ্নের জবাব দিতে পারেনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।  সরকারের প্রতিনিধিরা নানা অনুনয়-বিনয় থেকে অনৈতিক আক্রমণ করে গেলেও প্রাক্তন রাজ্যপাল সাংবিধানিক প্রশ্নগুলির জবাব চাইতে থাকেন। কোনওটির বিল পাশের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তার কোনও জবাব ছিল না নবান্নর কাছে।ধনখড় দিল্লি চলে যাওয়ায় এখন সেই সব বিলের ভবিষ্যত কি, তা নিয়ে প্রশাসনিক মহলে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। রাজভবন সূত্রের খবর, ১৯টির মধ্যে ৩টি বিল নিয়ে নবান্ন উচিৎ পদক্ষেপ করলে তা সই করতে পারেন পরবর্তী রাজ্যপাল। মমতা চাইলেও বাকি ১৬টি বিলের যে কোনও ভবিষ্যৎ নেই তা একপ্রকার স্পষ্ট।

    জানেন কি ধনখড়ের আমলে রাজ্য সরকারের কোন কোন বিলে আপত্তি জানিয়ে অনুমোদন করেনি রাজভবন। সরকারি সূত্রের খবর, গত পাঁচ বছরে যে ১৯টি বিল আটকে রয়েছে। তার মধ্যে ২০১৬-র ফেব্রুয়ারিতে ডানলপ এবং জেশপের অধিগ্রহণ সংক্রান্ত দুটি বিল পাশ করেছিল বিধানসভা। তৎকালীন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠিও তাতে সই করেননি। ধনখড় রাজভবনে আসার পর নিজের মতামত জানিয়ে তা পাঠান রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য। শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দও এই দুটি বিলে অনুমোদন না দিয়ে ফেরত পাঠিয়ে দেন। আইনত ধাক্কা খেয়ে সরকারও জেশপ এবং ডানলপ কারখানা অধিগ্রহণ নিয়ে আর জোরাজুরি করেনি। রাজ্যপালের তোলা প্রশ্নের জবাবও দিতে পারেনি।

    স্থায়ী রাজ্যপাল নেই, স্বাধীনতার ৭৫ বছরে রাজভবনের অ্যাট-হোম কি বাতিল?

    ওয়েস্টবেঙ্গল এস্টেট অ্যাকুইজিশন(সংশোধনী)বিল ২০১৭, ওয়েস্টবেঙ্গল কমিশন ফর ব্যাকওয়ার্ড ক্লাসেস(সংশোধনী)-২০১৮ এবং দ্য কোড অব ক্রিমিন্যাল প্রসিডিওর(পশ্চিমবঙ্গ সংশোধনী ২০১৮ বিল তিনটি ধনখড়ের রাজভবনে প্রবেশের আগে থেকেই ঝুলে ছিল। কেশরীনাথ ত্রিপাঠি তাতে সই করেননি। জগদীপ ধনখড়ও জমিদারি প্রথা বিলোপের বিল এবং ফৌজদারি দণ্ডবিধি সংশোধনের বিল রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠিয়ে দেন। এই তিনটি বিল আজও দিনের আলো দেখেনি।

    বর্তমান উপরাষ্ট্রপতির প্রথম বিতর্কিত বিল আসে গণপিটুনি সংক্রান্ত। ২০১৯-এর অগষ্টে বিলটি পাশ করান মমতা(Mamata)। রাজ্যপাল এই বিল সম্পর্কে একাধিক প্রশ্ন তুলে স্বরাষ্ট্র দফতরে ফেরত পাঠান। তিন বছর কেটে গেলেও ধনখড়ের প্রশ্নের জবাব দিতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী। ফল গণপিটুনি প্রতিরোধ বিলটি আজও আইনে পরিণত হয়নি। ২০২১ এর নভেম্বরে পাশ হয় হাওড়া পুরনিগম(সংশোধনী)আইন। এই আইনে বালি পুরসভাকে ফের হাওড়া পুরনিগম থেকে পৃথক করার পরিকল্পনা করা হয়। প্রক্রিয়াগত প্রশ্ন তুলে রিপোর্ট চেয়ে পাঠান রাজ্যপাল। জবাব দিতে ব্যর্থ হয় নবান্ন। আজও বিলটি ঝুলে রয়েছে। এরপর ২০২২ এর মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত শিক্ষা ক্ষেত্রে রাজ্যপালের যাবতীয় ক্ষমতা খর্ব করে ৯টি বিল পাশ হয়েছে বিধানসভায়। তাতে রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য হিসাবে সরকার রাজ্যপালের বদলে মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়োগ করেছে। বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয়েও এ সংক্রান্ত পৃথক বিল পাশ করানো হয়েছে। যদিও তার একটিতেও সই করেননি ধনখড়।

    দিল্লি গিয়ে সেটিং কি হল, দিদিকে কী বললেন মোদি?

    আরও তিনটি বিল  সম্পর্কে অবশ্য রাজভবন রাজ্যের ব্যাখ্যা চেয়েছে। সেই তিনটি বিল হল ওয়েস্ট বেঙ্গল ফায়ার সার্ভিসেস(সংশোধনী)-২০২২, ওয়েস্টবেঙ্গল ক্লিনিক্যাল এস্টাব্লিশমেন্ট(সংশোধনী)২০২২ এবং ওয়েষ্টবেঙ্গল ইউনিভার্সিটি অব টিচার্স, ট্রেনিং, এডুকেশন প্ল্যানিং অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেশন(সংশোধনী)-২০২২। সরকার যদি রাজভবনের তলব করা ব্যাখ্যা দিতে পারে তা হলে এগুলি পরবর্তী রাজ্যপাল সই করে দিতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে।ধনখড়ের কালির আঁচড় যে সব বিলে পড়েছে তা দিনের আলো দেখার আশা আপাতত নেই বলেই প্রশাসনিক সূত্রের খবর।       

  • Nallathamby Kalaiselvi: সিএসআইআরে ডিজি পদে প্রথম মহিলা বিজ্ঞানী, জানুন পরিচয়

    Nallathamby Kalaiselvi: সিএসআইআরে ডিজি পদে প্রথম মহিলা বিজ্ঞানী, জানুন পরিচয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘কাউন্সিল অব সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ’- এর ডিরেক্টর জেনারেল (DG) পদে  নিযুক্ত হলেন নাল্লাথাম্বি কালাইসেলভি (Nallathamby Kalaiselvi)। এই প্রথম কোনও মহিলা বিজ্ঞানী এই পদে নির্বাচিত হলেন। দেশ জুড়ে মোট ৩৮টি গবেষণা কেন্দ্রের কনসর্টিয়াম  সিএসআইআর-এর (CSIR) দায়িত্ব পেলেন তিনি।  

    লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি নিয়ে গবেষণার জন্য বিখ্যাত  নাল্লাথাম্বি কালাইসেলভি। ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি ইলেক্ট্রোকেমিক্যাল পাওয়ার সিস্টেম নিয়ে কাজ করছেন তিনি। বর্তমানে তামিলনাড়ুর কারাইকুড়িতে সিএসআইআর-সেন্ট্রাল ইলেক্ট্রোকেমিক্যাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট-এর ডিরেক্টর পদে নিযুক্ত রয়েছেন। 

    আরও পড়ুন: ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র সাফল্য! এই প্রথমবার মেরামতির জন্য ভারতে মার্কিন রণতরী

    নাল্লাথাম্বি কালাইসেলভি, সিএসআইআর-এর  ডিজি নির্বাচিত হওয়ার আগে এই পদের দায়িত্ব সামলেছেন শেখর মান্ডে। তিনি এপ্রিলে অবসর নিয়েছেন। তারপর থেকে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে এই পদ সামলাচ্ছিলেন জীবপ্রযুক্তি বিভাগের সচির রাজেশ গোখলে। বিজ্ঞানী নাল্লাথাম্বি কালাইসেলভি সিএসআইআর-এর পাশাপাশি ডিপার্টমেন্ট অব সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ-এর সচিবের দায়িত্বও পালন করবেন। ২০১৯ সালে ফেব্রুয়ারিতে সিএসআইআর-সেন্ট্রাল ইলেক্ট্রোকেমিক্যাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট-এর প্রথম মহিলা ডিরেক্টর হিসেবে মনোনীত হয়েছিলেন এই নাল্লাথাম্বি কালাইসেলভি।  

    আরও পড়ুন: জবাব সন্তোষজনক নয়, সোনিয়া-রাহুলকে ফের জেরা করতে পারে ইডি

    পরবর্তী অর্ডার না আসা অবধি দুবছরের জন্যে এই পদে বহাল থাকবেন নাল্লাথাম্বি কালাইসেলভি। এমনটাই জানানো হয়েছে কেন্দ্রের তরফ থেকে। 

    ডাঃ কালাইসেলভির ছোট বেলা তামিলনাড়ুর তিরুনেলভেলি জেলার একটি ছোট শহর আম্বাসামুদ্রমে কেটেছে। তামিল মিডিয়াম স্কুলে পড়াশোনা করেন। সেখান থেকেই বিজ্ঞানের প্রতি আকর্ষন জন্মায়। সিএসআইআর – এ এন্ট্রি লেভেল বিজ্ঞানী হিসাবে তিনি তাঁর গবেষণার জীবন শুরু করেন। তারপর আর ফিরে তাকাতে হয়নি। 

     

     

     

     

  • Budget 5G Smartphone: বাজেট ফোনে ৫জি সাপোর্ট ও ফিচার পাওয়া মুশিকল, মানছেন বিশেষজ্ঞরা

    Budget 5G Smartphone: বাজেট ফোনে ৫জি সাপোর্ট ও ফিচার পাওয়া মুশিকল, মানছেন বিশেষজ্ঞরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজোর মরসুমেই ভারতে আসছে ৫জি (5G) পরিষেবা।  যার গতি হবে এখনকার থেকে ১০ গুণ বেশি। স্পেকট্রাম বণ্টনের পরেই পরিষেবাপ্রদানকারী সংস্থাগুলোকে প্রস্তুত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন টেলিকম মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। প্রথম ধাপে কলকাতা, আমেদাবাদ, বেঙ্গালুরু, চণ্ডীগড়, চেন্নাই, দিল্লি, গান্ধীনগর, গুরুগ্রাম, হায়দরাবাদ, জামনগর, লখনউ, মুম্বই, পুণেতে মিলবে ৫জি পরিষেবা। ছড়িয়ে পড়বো দেশের নানা প্রান্তে। তাই সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে আপনার ফোনটিও হতে হবে ৫জি। কিন্তু ভারতে মানুষের সাধ্যের মধ্যে ৫জি ফোনের নানান ধরনের ভ্যারিয়েশন পাওয়া মুশকিল, এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। ৫জি নেটওয়ার্ক রোল আউট করে গেলেও বাজারে বাজেট ফোনগুলো বেশিরভাগই থাকবে ৪জি। এখনও ভারতীয় বাজারে বেশ কিছুদিন নিজের আধিপত্য বজায় রাখবে ৪জি সাপোর্টেড ফোন। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, আগামী দুই থেকে তিন বছরও ৪জি ফোনই থাকবে সাধারণের বাজেটের মধ্যে।

    আরও পড়ুন: ওজন কমাতে চান? ভুল করেও এই ৫টি কাজ কখনই করবেন না

    সম্প্রতি রিলায়েন্স জানিয়েছে, চলতি বছর অক্টোবরেই ভারতে ৫জি পরিষেবা চালু করবে রিলায়েন্স জিও (Jio 5G)। শোনা গিয়েছে, অক্টোবরেই ভারতী এয়ারটেলও ভারতে ৫জি (Airtel 5G) নেটওয়ার্কের রোল আউট শুরু করবে। জিও এবং এয়ারটেলের পাশাপাশি ভোডাফোন-আইডিয়াও ভারতে ৫জি পরিষেবা লঞ্চ করতে চায় বলে জানা যাচ্ছে। এর পাশাপাশি সরকারি সংস্থা বিএসএনএল (BSNL) এবং আদানি (Adani) গ্রুপের ৫জি পরিষেবা লঞ্চের কথাও শোনা গিয়েছে। নোকিয়া সংস্থাও নাকি ভারতে ৫জি পরিষেবা চালু করতে পারে। কিন্তু বিভিন্ন ফোন প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি কবে তাদের ৫জি মডেলের বাজেট সেজমেন্টে লঞ্চ করবে তা নিশ্চিত নয়। শুধু ৫জি ফোন বাজারে আনলে হবে না তার দামও থাকতে হবে আমজনতার সাধ্যের মধ্যে। তবেই সেই ফোন মার্কেটে চলতে পারবে, অভিমত বাণিজ্যিক মহলের।

    আরও পড়ুন: ‘গুগল মিট’-এ আসতে চলেছে নতুন ফিচার, মিটিং-এ মিউট আনমিউট করা হবে আরও সহজ!

    ৫জি সাপোর্ট করা যে কোনও ফোনের নূন্যতম দাম হতে পারে ১২ হাজার টাকা। ১৫ হাজার টাকা হলে তার ফিচার হবে মোটের উপর ভাল। ২০ হাজার টাকার উপরে উঠলে তবেই ৫জি ফোনে ভাল ফিচার দেওয়া সম্ভব বলে মানছেন ফোন প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলি। কিন্তু ১০ হাজারের নীচে ৫জি সাপোর্টেড ফোন দেওয়া এখনই সম্ভব নয় অভিমত বিশেজ্ঞদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
  • Pegasus Spyware: পেগাসাস বিতর্কে স্বস্তি কেন্দ্রের! মাত্র ৫টি ফোনে ম্যালওয়ারের অস্তিত্ব মত শীর্ষ আদালতের

    Pegasus Spyware: পেগাসাস বিতর্কে স্বস্তি কেন্দ্রের! মাত্র ৫টি ফোনে ম্যালওয়ারের অস্তিত্ব মত শীর্ষ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পেগাসাস মামলায় সুপ্রিম কোর্টে রিপোর্ট পেশ করল বিশেষজ্ঞ কমিটি। ফোনে আড়িপাতা সংক্রান্ত মামলায় বিশেষজ্ঞ কমিটির দেওয়া রিপোর্টে বলা হয়, কমিটি যে ২৯টি ফোন পরীক্ষার জন্য নিয়েছিল, তার মধ্যে ৫-টিতে মিলেছে সন্দেহজনক ম্যালওয়ারের অস্তিত্ব। তবে তা পেগাসাস স্পাইওয়্যার কিনা তার নিশ্চিত প্রমাণ মেলেনি।

    পেগাসাস ইস্যুতে লোকসভা থেকে রাজ্যসভা-সহ একাধিক জায়গায় কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছিলেন বিরোধীরা। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণে কিছুটা স্বস্তি পেল কেন্দ্র। সুপ্রিম কোর্টের মনোনীত কমিটি জানিয়েছে, জমা দেওয়া ২৯টি মোবাইল ফোন পরীক্ষা করা হয়েছিল। মাত্র পাঁচটি ফোনেই ম্যালওয়ার পাওয়া গিয়েছে। তবে তা আদৌ পেগাসাস কি না তার কোনও প্রমাণ মেলেনি। বৃহস্পতিবার এমনটাই জানিয়েছেএদিন প্রধান বিচারপতি এন ভি রমণ নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ।

    আরও পড়ুন: ৯ অগাস্ট থেকে সুপ্রিম কোর্টে ২৫টি সাংবিধানিক বেঞ্চের মামলার শুনানি শুরু

    এদিকে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতাকে উদ্দেশ্য করে বিচারপতি এন ভি রমণ জানিয়েছেন, কমিটির দাবি অনুযায়ী এই তদন্তে কেন্দ্রীয় সরকার সহযোগিতা করেনি। এই কমিটি পেগাসাস ইস্যুতে তদন্তের পর একটি রিপোর্ট পেশ করেছে। সেই রিপোর্ট যাচাই করা হচ্ছে সুপ্রিম কোর্টের তরফে। তিনটি ভাগে এই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। দুটি রিপোর্ট টেকনিক্যাল কমিটির। বাকি একটি রিপোর্ট সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি আরভি রবীন্দ্রণের তদারকি কমিটির। এই তৃতীয় রিপোর্টটি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে আপলোড করা হবে বলেও জানিয়েছেন রমণ। তবে কিছু আবেদনকারী বাকি দুটি রিপোর্ট প্রকাশের কথা বলেন। সেই বিষয়ে ভেবে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। আপাতত চার সপ্তাহের জন্য এই মামলার মুলতুবি ঘোষণা করা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের সালের জুলাই মাসে বিশ্বব্য়াপী অনুসন্ধান মূলক একটি তদন্তে দেখা যায় যে, পেগাসাস, একটি শক্তিশালী স্পাইওয়্যার যা ইসরায়েলি সাইবারসিকিউরিটি কোম্পানি এনএসও গ্রুপ দ্বারা তৈরি করা হয়েছে। এই স্পাইওয়্যারকে কাজে লাগিয়ে ভারত সহ বিভিন্ন দেশে প্রতিষ্ঠিত একাধিক ব্যক্তির মোবাইলে আড়িপাতা হয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share