Blog

  • Success Story: শূন্য থেকে শুরু করে ৫০০ কোটির টার্নওভারে! অক্লান্ত পরিশ্রমেরই পুরস্কার?

    Success Story: শূন্য থেকে শুরু করে ৫০০ কোটির টার্নওভারে! অক্লান্ত পরিশ্রমেরই পুরস্কার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘বিষ্ণু ইন্ডাস্ট্রিয়াল কেমিক্যাল কোম্পানি’। নামটা চেনেন? ছোট করে বলি, VICCO। হ্যাঁ, এবার নিশ্চয় চিনতে পেরেছেন? ছোটবেলা থেকেই যে কোম্পানির সঙ্গে আমরা পরিচিত, সেই কোম্পানির কর্ণধার পেনধারকর শূন্য থেকে শুরু করেছিলেন তাঁর জীবন, যাঁর প্রতিষ্ঠানের টার্নওভার এখন ৫০০ কোটির মাত্রা ছাড়িয়ে ফেলেছে (Success Story)। এই সবকিছুর পিছনেই আছে অক্লান্ত পরিশ্রম আর ধৈর্য।

    কীভাবে লক্ষ্যে পৌঁছলেন? (Success Story)

    পেনধারকর মহারাষ্ট্রের নাগরপুর জেলায় তাঁর প্রথম জীবিকা শুরু করেছিলেন একটি মুদির দোকান দিয়ে। ছোট্ট লক্ষ্য, পরিবারের ভরণপোষণ। পরে নিজের জীবিকাকে আরও মজবুত করার জন্য অন্যান্য বেশ কয়েকটি কাজ করেছিলেন (Success Story)। কিন্তু এর পর তিনি সরাসরি পরিবার নিয়ে মুম্বইয়ে পাড়ি দেন। প্রথম মুম্বইয়ের বান্দ্রাতে বসবাস শুরু করলেও শেষ পর্যন্ত পেরেলে চলে যান। সেখানে থাকাকালীন লক্ষ্য করেন, মানুষের মধ্যে অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ ও বিদেশী প্রসাধনী পণ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এই সময়েই তিনি জনপ্রিয় বিদেশী প্রসাধনী ব্র্যান্ডগুলির বিকল্প হিসাবে নিজের ব্র্যান্ড চালু করার সিদ্ধান্ত নেন।

    আয়ুর্বেদিক জ্ঞান কীভাবে? (Success Story)

    নানারকম প্রসাধনী দ্রব্য উৎপাদন করতে আয়ুর্বেদিক জ্ঞান অনিবার্য। তাই নিজস্ব ব্র্যান্ড ভিকো চালু করার আগে আয়ুর্বেদিক বিষয়ক জ্ঞানও পেনধারকরকে অর্জন করতে হয়েছিল। বিভিন্ন প্রাচীন শাস্ত্র অধ্যয়ন করেছিলেন তিনি। তাছাড়া তাঁর শ্যালকের কাছ থেকে নানা ভাবে সাহায্য পেয়েছিলেন, যিনি একজন আয়ুর্বেদিক ওষুধ বিশেষজ্ঞ ছিলেন।

    VICCO ব্র্যান্ডের প্রথম পথচলা (Success Story) 

    পেনধারকর বাড়ির রান্নাঘরকেই তাঁর পণ্য প্রস্তুতকারী ইউনিট হিসাবে বেছে নিয়েছিলেন। রান্নাঘর ছাড়াও তাঁর সঙ্গে একটি গোডাউনের ব্যবস্থা করেছিলেন। ১৯৫০ এর দশকে বিদেশি টুথ পেস্টের ব্যবহার তাঁর নজরে আসে। এর পরেই তিনি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে নিজের সম্পূর্ণ দেশীয় আয়ুর্বেদিক পদ্ধতিতে তৈরি করেন টুথ পাউডার। যেটি সেই সময় মানুষ মারাত্মক ভাবে পছন্দ করতে থাকেন। পেনধারকর নিজের পণ্যকে মানুষের কাছে আরও বেশি ভাবে পৌঁছে দেওয়ার জন্য নিজে লোকের বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার করতে থাকেন। যা আস্তে আস্তে এক বিশাল জায়গা করে নেয় মানুষের মনে। চার বছরের মধ্যে তাঁর কোম্পানি এক ভালো জায়গায় পৌঁছে যায়। ১৯৭১ সালে কেশব পেনধারকর মারা যান এবং কোম্পানির সমস্ত দায়ভার তাঁর ছেলে গজানন গ্রহণ করেন। এর পর থেকেই কোম্পানি আরও নানা পণ্যের ওপর গবেষণা করতে থাকে ও নানান প্রসাধনী সামগ্রীও তৈরি করেছিল। সেই সময়েই তৈরি হয় VICCO-র দেশীয় আয়ুর্বেদিক ক্রিম, যেটি সম্পূর্ণ হলুদের গুণে সমৃদ্ধ ছিল। এর পর ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য VICCO সুগার ফ্রি পেস্ট, মাল্টিপারপাস আয়ুর্বেদিক ক্রিম, পাউডার প্রভৃতির উৎপাদন শুরু হয় (Success Story)।

    বর্তমানের VICCO

    বর্তমানে কেশব পেনধারকরের তৃতীয় প্রজন্ম সঞ্জীব পেনধারকর কোম্পানির দায়ভার গ্রহণ করেছেন। আজও কোম্পানি সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে তাদের নিজস্ব পণ্য উৎপাদন করে চলছে। যা এখন শুধু ভারতবর্ষ নয়, গোটা বিশ্ব জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে (Success Story)। কোম্পানির মানও পৌঁছে গিয়েছে আকাশছোঁয়া জায়গায়। ২০২৩ হওয়া শেষ অর্থবর্ষে কোম্পানির ৫০০ কোটি টাকারও বেশি আয় হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chaudah Kosi Parikrama: চৌদ্দ কোশী পরিক্রমা উৎসবে প্রায় ৩০ লাখ ভক্ত সমাগম অযোধ্যায়

    Chaudah Kosi Parikrama: চৌদ্দ কোশী পরিক্রমা উৎসবে প্রায় ৩০ লাখ ভক্ত সমাগম অযোধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩০ লাখেরও বেশি ভক্ত সমাগমে গমগম করছে অযোধ্যা। তবে এই বিপুল তীর্থযাত্রীদের একত্রিত হওয়ার কারণ রামমন্দির নয়। চৌদ্দ কোশী (Chaudah Kosi Parikrama) পরিক্রমা উৎসবের জন্যই এই ভিড়। হিন্দুধর্ম মতে এটি একটি পবিত্র উৎসব। এই উৎসবে শ্রদ্ধার বস্তুকে কেন্দ্র করে তার চারপাশে ঘুরতে থাকেন ভক্তরা। এই উৎসব সম্পন্ন হয় কার্তিক অক্ষয় নবমীতে। জনপ্রিয় উৎসব চৌদ্দ কোশী পরিক্রমা ব্রত শুরু হয় গত ২০ নভেম্বর রাত্রি ২:০৯ মিনিট থেকে, শেষ হয় ২১ নভেম্বর রাত্রি ১১:৩৮ মিনিটে। ভক্তরা এই সময়ের মধ্যে চৌদ্দ কোশী পরিক্রমার (Chaudah Kosi Parikrama) বিভিন্ন আচার পালন করেন। এখনও পর্যন্ত বেশিরভাগ ভক্তই রয়েছেন রামনগরীতে।

    কার্তিক পূর্ণিমার স্নান শুরু হবে আগামী ২৬ নভেম্বর

    জানা গিয়েছে, কার্তিক পূর্ণিমার স্নান শুরু হবে আগামী ২৬ নভেম্বর বেলা ৩টে ১১ মিনিটে এবং তা শেষ হবে ২৭ নভেম্বর ২টো ৩৬ মিনিটে। বিপুল ভক্তদের সমাগমের কারণে অযোধ্যায় ঢেলে সাজানো হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আধা সামরিক বাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও সন্ত্রাস দমন শাখা সেখানে সর্বক্ষণে নজরদারি চালাচ্ছে। এমনিতেই দুমাস পরে অযোধ্যায় রামমন্দিরের উদ্বোধন রয়েছে ঠিক সে কারণেই সাজোসাজো রব চলছে এখন। উত্তরপ্রদেশের উপর দিয়ে যাওয়া ২২৭বি জাতীয় সড়কের একটি বড় অংশের নামই হয়ে গিয়েছে চৌদ্দ কোশী পরিক্রমা মার্গ (Chaudah Kosi Parikrama)। এই পথ ধরেই হাঁটতে দেখা যাচ্ছে তীর্থযাত্রীদের।

    তীর্থযাত্রীদের জন্য হাসপাতালগুলিতে বেড সংরক্ষণ রাখা হয়েছে

    উত্তরপ্রদেশের যোগী সরকার তীর্থযাত্রীদের যাতে কোনওরকমের অসুবিধা না হয় সেদিকে নজর দিয়েছে। সেখানে স্বাস্থ্য পরিষেবার জন্য জায়গায় জায়গায় স্বাস্থ্য পরীক্ষা ক্যাম্পও বসানো হয়েছে। এর পাশাপাশি যদি কোনও তীর্থযাত্রী অসুস্থ হয়ে যায় ঠিক সেই কারণেই উত্তরপ্রদেশের নামী মেডিক্যাল কলেজগুলির হাসপাতালের বেড সংরক্ষণ রাখা হয়েছে। জানা গিয়েছে, মেডিক্যাল কলেজ এবং জেলা হাসপাতালগুলিতে (Chaudah Kosi Parikrama) ২০টি করে বেড সংরক্ষণ করা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Health: মেডিক্যাল কলেজগুলির বিশেষজ্ঞ কোর্সে প্রায় সমস্ত আসন খালি! কেন এই অনীহা?

    West Bengal Health: মেডিক্যাল কলেজগুলির বিশেষজ্ঞ কোর্সে প্রায় সমস্ত আসন খালি! কেন এই অনীহা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সরকারি হাসপাতালে রোগীর অনুপাতে চিকিৎসকের সংখ্যা অনেকটাই কম। দীর্ঘদিনের অভিযোগ, চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতালে দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হয়। এমনকি জরুরি অস্ত্রোপচারের দিন পেতেও মাসের পর মাস কেটে যায়। এসএসকেএম, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের মতো প্রথম সারির সরকারি হাসপাতাল হোক কিংবা পিছিয়ে পড়া কোনও জেলার হাসপাতাল, রোগী-ভোগান্তির চিত্র সর্বত্র এক। সেই ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা করছে সংশ্লিষ্ট মহল। তবে, চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাজ্য প্রশাসনের সক্রিয়তার অভাবের জেরেই স্বাস্থ্যক্ষেত্রে আগামী দিনে আরও ভোগান্তি বাড়বে (West Bengal Health)।

    কেন বাড়তি ভোগান্তির আশঙ্কা? (West Bengal Health) 

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের সরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলিতে সম্প্রতি স্নাতকোত্তর পর্বের বিশেষজ্ঞ কোর্সে প্রায় সমস্ত আসন খালি। অধিকাংশ বিভাগেই পড়ুয়া নেই। বিশেষত কার্ডিওভাসকুলার সার্জারি, কার্ডিওথোরাসিক সার্জারি, পেডিয়াট্রিক সার্জারি, নিউরো সার্জারি এবং ক্রিটিক্যাল কেয়ারের মতো বিভাগে একেবারেই পড়ুয়া নেই। 
    শিক্ষক-চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শল্য চিকিৎসায় স্নাতকোত্তর পাশ করার পরে কার্ডিওথোরাসিক সার্জারি, কার্ডিওভাসকুলার সার্জারি, পেডিয়াট্রিক সার্জারির মতো বিষয়গুলিতে বিশেষজ্ঞ হওয়ার জন্য পড়াশোনা হয়। কিন্তু স্বাস্থ্যকর্তারা জানাচ্ছেন, সর্বশেষ কাউন্সেলিংয়ে এই বিভাগগুলিতে দশজন করেও পড়ুয়া পাওয়া যায়নি। অধিকাংশ বিভাগ একেবারেই শূন্য। অর্থাৎ, চিকিৎসকেরা এই সমস্ত বিভাগে বিশেষজ্ঞ হওয়ার ইচ্ছা হারিয়ে ফেলছেন। এর ফলে সরাসরি প্রভাব পড়বে স্বাস্থ্য পরিষেবায়। সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়বে (West Bengal Health)। 
    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাজ্যের অধিকাংশ হাসপাতালেই হৃদরোগের অস্ত্রোপচার কিংবা স্নায়ুর জটিল অস্ত্রোপচার করতে অপেক্ষা করতে হয়। রোগী দীর্ঘ অপেক্ষার পরে পরিষেবা পান। তার কারণ, চিকিৎসকের অভাব। তার উপরে এই প্রবণতা চলতে থাকলে সেই অপেক্ষার সময় আরও দীর্ঘ হবে। সবচেয়ে করুণ পরিস্থিতি শিশু বিভাগে। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল শিশু শল্য বিভাগ ও চিকিৎসকের অভাবে ভুগছে। এ বছরেও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পর্যাপ্ত পাওয়া গেল না। ফলে, এর জেরে ভোগান্তি আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

    কেন অনীহা ঝুঁকিপূর্ণ চিকিৎসায়? (West Bengal Health) 

    প্রবীণ চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাজ্যের পরিস্থিতির জন্য চিকিৎসক পড়ুয়াদের মধ্যে এই অনীহা তৈরি হয়েছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, গত দশ বছরে রাজ্যে একাধিক চিকিৎসক হেনস্থার ঘটনা ঘটেছে। শারীরিক নিগ্রহের শিকার হওয়ার পরে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রশাসনকে পাশে পাওয়া যায়নি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপের নির্দশন খুবই কম। যার ফলে, চিকিৎসক পড়ুয়াদের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করার ইচ্ছে কমেছে। পেডিয়াট্রিক সার্জারি হোক কিংবা জরুরি চিকিৎসা, এই ধরনের বিভাগে কাজ করার ক্ষেত্রে নানান জটিলতা তৈরি হয়। রোগীর প্রাণ বাঁচাতে কখনোই ১০০ শতাংশ সাফল্য পাওয়া যায় না। কিন্তু সব সময় রোগী মৃত্যুর দায় চিকিৎসকের নয়। চিকিৎসায় গাফিলতিতে রোগী মারা যান, এমনটাও নয়। এই ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ চিকিৎসা করতে হলে চিকিৎসকের সুরক্ষা নিশ্চিত থাকা জরুরি। পরিস্থিতি অন্যরকম হলে যদি চিকিৎসকদের নিগ্রহের শিকার হতে হয়, তাহলে এই ঝুঁকিপূর্ণ চিকিৎসার প্রতি তরুণ চিকিৎসকদের আরও বেশি অনীহা তৈরি হবে বলেই মনে করছেন রাজ্যের চিকিৎসক মহল। অধিকাংশ চিকিৎসক সংগঠন জানাচ্ছে, এ রাজ্যে সরকারি হাসপাতালে প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরি করতে হবে। জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ চিকিৎসা করার মতো পরিবেশ ও পরিস্থিতি তৈরি করতে হবে। আর সে দায়িত্ব প্রশাসনের। সেই কাজ রাজ্য প্রশাসন ঠিকমতো করতে না পারলে আগামী দিনে এ রাজ্যে জটিল চিকিৎসা আর হবে না (West Bengal Health) বলেই আশঙ্কা করছেন রাজ্যের অধিকাংশ প্রবীণ চিকিৎসক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kalna: কাজের গতি থমকে গিয়েছে, দলের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরব তৃণমূলের সিংহভাগ কাউন্সিলার

    Kalna: কাজের গতি থমকে গিয়েছে, দলের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সরব তৃণমূলের সিংহভাগ কাউন্সিলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল পরিচালিত পুরসভার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আস্থা নেই দলের সিংহভাগ কাউন্সিলারের। আর তাই চেয়ারম্যানকে সরাতে জোটবদ্ধ হয়েছেন দলের বিক্ষুব্ধ কাউন্সিলাররা। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কালনা (Kalna) পুরসভায় তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। কালনা শহর জুড়়ে এই বিষয় নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কতজন কাউন্সিলার আনল অনাস্থা? (Kalna)

    দলীয় ও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কালনা (Kalna) পুরসভার আসন সংখ্যা ১৮টি। এরমধ্যে ১টি আসনে সিপিএম জয়ী হয়েছে। বাকি ১৭ জন কাউন্সিলার তৃণমূলের। পুরসভার চেয়ারম্যান আনন্দ দত্তের বিরুদ্ধে দলের ১৪ জন কাউন্সিলার ক্ষুব্ধ। সকলে মিলে আনন্দ দত্তের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আসেন। সেই সম্মিলিত চিঠি বুধবার ই মেল করে জেলাশাসক, মহকুমা শাসক, পুরসভায় পাঠিয়েছেন তাঁরা। যদিও সেই অনাস্থা সম্মিলিত চিঠি পুরসভায় জমা করতে গেলে কালনা পুরসভা কর্তৃপক্ষ তা নিতে অস্বীকার করে বলে বিক্ষুব্ধ কাউন্সিলারদের অভিযোগ।

    কেন অনাস্থা?

    কালনা (Kalna) পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বিক্ষুব্ধ কাউন্সিলার সুনিল চৌধুরী বলেন, চেয়ারম্যান আনন্দ দত্তের আমলে কাজের গতি থমকে গিয়েছে। নেই উন্নয়ন। মিটিংয়ে যা সিদ্ধান্ত হয় তা পরে তিনি তা মানেন না। নিজের খেয়ালখুশি মতো অফিসে আসেন। কাউন্সিলারদের কথা শোনেন না। নিজের মতো যা খুশি করে যাচ্ছেন। সাধারণ মানুষ পুরসভায় এসে পরিষেবা পাচ্ছেন না। চেয়ারম্যানের জন্য দলের প্রতি মানুষের ক্ষোভ বাড়ছে। কাউন্সিলার হিসেবে আমরা ঠিকমতো কাজ করতে পারছি না। উন্নয়নমূলক কাজ করা যাচ্ছে না, তাতে মানুষের সমস্যা হচ্ছে। যার ফলে মানুষের কাছে আমাদের কথা শুনতে হচ্ছে। তাই আমরা সকলের ওই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছি।

    চেয়ারম্যান কী সাফাই দিলেন?

    কালনা (Kalna) পুরসভার চেয়ারম্যান আনন্দ দত্ত বলেন, শুনেছি কয়েকজন কাউন্সিলার অনাস্থা প্রস্তাব দাবি করেছে। কিন্তু সেই সংক্রান্ত কোনও কাগজ আমি হাতে পাইনি। কাগজ হাতে আসলে আমি বিষয়টি নিয়ে যা বলার বলব। সকলকে নিয়ে চলি। এখন কেন তাঁরা এই ধরনের কথা বলছেন জানি না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BGBS: বিনিযোগের অঙ্কে ইচ্ছামতো শূন্য বসিয়ে শিল্পের গ্যাস বেলুন ওড়াচ্ছেন মমতা?

    BGBS: বিনিযোগের অঙ্কে ইচ্ছামতো শূন্য বসিয়ে শিল্পের গ্যাস বেলুন ওড়াচ্ছেন মমতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা অনুযায়ী, এবার বিজিবিএস (BGBS) সম্মেলন থেকে রাজ্যে বিনিয়োগের প্রস্তাব এসেছে ৩,৭৬,২৮৮ কোটি টাকার! এর আগে রাজ্যে ছ’টি ‘বিশ্ববঙ্গ শিল্প সম্মেলন’ করেছেন তিনি। ২০১৫ থেকে ২০২২, প্রতিবার এমনই গর্বের ঘোষণা করে জানিয়েছেন বিনিয়োগের প্রস্তাবের পরিমাণ। রাজ্য সরকারে তথ্য বলছে, গত ছ’টি সম্মেলনে রাজ্যে বিনিয়োগের প্রস্তাব এসেছে মোট ১৩ লক্ষ ৭২ হাজার ৩২৯ কোটি টাকার!

    কিন্তু বাস্তব কী? (BGBS)

    একই রাজ্য সরকারের অন্য আরেকটি রিপোর্ট আছে, যা তারা কেন্দ্র সরকারের কাছে পাঠায়। কেন্দ্রীয় সরকারের একটি মন্ত্রক “ডিপার্টমেন্ট অফ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পলিসি অ্যান্ড প্রোমোশন” সংক্ষেপে ‘ডিআইপিপি’। তাদের দায়িত্ব কোন রাজ্যে কত বিনিয়োগ প্রস্তাব এলো, কতগুলির বাস্তব রূপায়ন হল  তার হিসাব রাখা। এবং প্রকাশ করা। সেই ডিআইপিপি তার রিপোর্টে জানাচ্ছে, ২০১৫ থেকে ২০২২-এই সময়ে পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগের লিখিত প্রস্তাব এসেছে মাত্র ৫৭ হাজার ১২৩ কোটি টাকার। অর্থাৎ বিশ্ববঙ্গ শিল্প সম্মেলনগুলিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষিত মোট প্রস্তাবের মাত্র ৪.১৬ শতাংশ। বুঝতেই পারা যাচ্ছে, বাস্তবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণার মাত্র ৪.১৬% বিনিয়োগের প্রস্তাব এসেছে রাজ্যে। 

    বিগত শিল্প সম্মেলনগুলির আসল ছবি কী? (BGBS)

    ২০১৫ সালে রাজ্যের শিল্প উন্নয়ন নিগম জানাচ্ছে ৪০ হাজার ১৯৭ কোটি ২৫ লক্ষ টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাবের কথা। কিন্তু কেন্দ্রের নথি জানাচ্ছে, ওই বছর প্রস্তাব এসেছিল ১৭ হাজার ৬৬০ কোটি টাকার। ২০১৬ তে রাজ্যের শিল্প উন্নয়ন নিগম এবং কেন্দ্র সরকারের ডিআইপিপি’র রিপোর্ট মোতাবেক বিনিয়োগ প্রস্তাব যথাক্রমে ২,৫০,২৫৩ কোটি ৭৪ লক্ষ এবং ৫২০৪ কোটি টাকার। ২০১৭ সালে রাজ্যের শিল্প উন্নয়ন নিগম এবং কেন্দ্র সরকারের ডিআইপিপি’র তথ্যে বিনিয়োগ প্রস্তাব যথাক্রমে ২,৩৫,২৯০ কোটি ৩ লক্ষ এবং ৪০৭৪ কোটি টাকার। ২০১৮ সালের তুলনামূলক তথ্য হল এইরকম-বিনিয়োগ প্রস্তাব রাজ্যের শিল্প উন্নয়ন নিগমের হিসাবে ২,১৯,৯২৫ কোটি টাকা এবং কেন্দ্র সরকারের ডিআইপিপি’র হিসাবে ৪৭২২ কোটি টাকার। ২০১৯ সালের তথ্য হল-রাজ্যের শিল্প উন্নয়ন নিগম ২,৮৪,২৮৮ কোটি টাকা এবং কেন্দ্র সরকারের ডিআইপিপি’র হিসাবে বিনিয়োগ প্রস্তাব (BGBS) ৫৮৪৪ কোটি টাকার। ২০২২ সালে রাজ্যের শিল্প উন্নয়ন নিগম এবং কেন্দ্র সরকারের ডিআইপিপি দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিনিয়োগ প্রস্তাব যথাক্রমে ৩, ৪২,৩৭৫ কোটি টাকা এবং ৪৫৩২ কোটি টাকা। মাঝে করোনার জন্য দু’বছর এই বিশ্ববঙ্গ শিল্প সম্মেলন করা যায়নি। ফলে শিল্প সম্মেলনের নামে কোটি কোটি টাকা অপচয়ের হাত থেকে বেঁচেছিল রাজ্যের সরকার। কিন্তু রাজ্যে বিনিয়োগ প্রস্তাব এসেছিল। ডিআইপিপি জানাচ্ছে, ২০২০ এবং ২০২১ সালে রাজ্যে বিনিয়োগের প্রস্তাব এসেছে যথাক্রমে ৯৫৫২ কোটি টাকা এবং ৫৫৩৫ কোটি টাকার।

    শিল্প সম্মেলনের গ্যাস বেলুন? (BGBS)

    তবে মনে রাখতে হবে, এই সবগুলোই প্রস্তাব। শিল্প স্থাপন নয়। বাস্তবায়নের হিসাব দেখলে এর পরিমাণ আরও অনেকটাই কম (BGBS)। কারণ, প্রস্তাবকে প্রকল্পে রূপায়িত করতে ন্যূনতম যে কাজগুলি একটা রাজ্যের সরকারকে করতে হয়, তার কিছুই এই রাজ্যের শিল্পমন্ত্রীরা করেননি। বরং শিল্প-কর্মসংস্থান নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নিজস্ব স্টাইলে ঢক্কা-নিনাদ চালিয়ে গেছেন (BGBS) এবং যে কোনও সংখ্যার ডানদিকে শূন্য, শূন্য বসিয়ে শিল্প সম্মেলনের গ্যাস বেলুন ফুলিয়েছেন আর দেখিয়ে গেছেন রাজ্যবাসীকে। এবারও রাজ্যের সব বড় সংবাদপত্রে প্রায় পাতাজোড়া বিজ্ঞাপনের ছবিতে দাবি, রাজ্যে বিনিয়োগ প্রস্তাব ৩ লক্ষ ৭৬ হাজার ২৮৮ কোটি টাকার। কিন্তু ভিতরটা যে আক্ষরিক অর্থেই কঙ্কালসার, তা ওইসব তথ্য এবং পরিসংখ্যানেই স্পষ্ট। 

    স্বাভাবিক কারণেই রাজ্যের মানুষ প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন, আর কতদিন তাঁদের সঙ্গে এই প্রবঞ্চনা চলবে?! 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।    

  • Police: মুখ্যমন্ত্রীর পুলিশকে বার বার আক্রমণ তৃণমূলের নেতাদের, দলের লাগাম নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    Police: মুখ্যমন্ত্রীর পুলিশকে বার বার আক্রমণ তৃণমূলের নেতাদের, দলের লাগাম নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পদাধিকার বলে পুলিশমন্ত্রী। আর সেই পুলিশকেই (Police) নিশানা করছেন শাসকদলের বিধায়করা। কেউ পুলিশকে দেখে নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন, কেউ আবার পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। ভাঙড় থেকে মহিষাদল। শাসক দলের নেতাদের নিশানায় পুলিশ। দলের লাগাম নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

    পুলিশকে (Police) কেন হুঁশিয়ারি দিলেন বিধায়ক শওকত মোল্লা?

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার জীবনতলায় কয়েকদিন আগে একটি ফুটবল ম্যাচের শেষে বাজি ফাটানোকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয় ভাঙড় কলেজ মাঠে। সেই সময় পুলিশ কর্তারা বিশৃঙ্খলা থামানোর চেষ্টা করলে বিধায়ক মাইক্রোফোন হাতে পুলিশকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা।  তিনি বলেন, ‘আমরা তো বলেছি বাজি ফাটবে না। কোন পুলিশ (Police) অ্যারেস্ট করবে? ইয়ার্কি হচ্ছে? মগের মুল্লুক পেয়েছেন নাকি? একবার অ্যারেস্ট করে দেখান।’ মাইক্রোফোন হাতে উত্তেজিত ভাবে কথা বলতে বলতে বিধায়ক মঞ্চের নীচে নেমে গিয়ে পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে তর্কাতর্কিও জুড়ে দেন শওকত। সূত্রের খবর, ওই পুলিশ কর্তা দমে না গিয়ে পাল্টা বিধায়ককে বলেন, ‘আপনি ঘোষণা করলেও ছেলেরা শুনছে না, বাজি ফাটানো বন্ধ করছে না।’ সেই সময় শওকত ঘনিষ্ঠ সাদেক মল্লিককে আবার মাইক্রোফোন হাতে পুলিশের উদ্দেশ্যে বলতে শোনা যায়, ‘আপনারা শান্ত থাকুন, অযথা হুজ্জোতি করবেন না।’

    মহিষাদলের তৃণমূল বিধায়কও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন

    কয়েকদিন আগে পূর্ব মেদিনীপুরে মহিষাদল ব্লকের কেশবপুর জালপাই রাধাকৃষ্ণ সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতি লিমিটেডের শতবর্ষ পূর্তি উৎসবের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে। এই অনুষ্ঠানে তুমুল গণ্ডগোল বাধে বিজেপি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান রামকৃষ্ণ দাসের অনুগামীদের সঙ্গে তৃণমূল বিধায়ক তিলক কুমার চক্রবর্তীর অনুগামীদের। সেদিন বিজেপি প্রধানকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পালটা, তৃণমূল বিধায়ককে কুরুচিপূর্ণ আক্রমণ, মারধরের চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ। ঘটনার পর তৃণমূল বিধায়ক তিলক কুমার চক্রবর্তীরকে ফোনে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করা হয়। এরপরই তৃণমূল বিধায়ক বলেন, ‘পুলিশের (Police) ওইদিন যে ধরনের ভূমিকা নেওয়া উচিত ছিল, সেই ধরনের ভূমিকা পুলিশ নেয়নি।’ বিধায়কের এই মন্তব্যকে সমর্থন করে তমলুক সাংগঠনিক জেলার যুব তৃণমূলের সভাপতি আজগর আলি বলেন,’পুলিশ সব জায়গায় নিরপেক্ষতা বজায় রেখে কাজ করছে না। অনেক জায়গায় পক্ষপাতিত্ব করছে। ‘

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BGBS 2023: ‘‘শিল্পের নামে চলছে মোচ্ছব’’! বাণিজ্য সম্মেলনকে কটাক্ষ ডিএ আন্দোলনকারীদের

    BGBS 2023: ‘‘শিল্পের নামে চলছে মোচ্ছব’’! বাণিজ্য সম্মেলনকে কটাক্ষ ডিএ আন্দোলনকারীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “হকের ডিএ চাইতে গিয়ে পার হয়ে গেল ৩০০ দিন, শিল্পের নামে করের টাকায় মোচ্ছব করে বিবেকহীন।” এই স্লোগান বিরোধীদের নয়, ডিএ-র দাবিতে লাগাতার আন্দোলনে বসা রাজ্য সরকারি কর্মীদের। নিউ টাউনে চলছে বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন (BGBS 2023)। বুধবার শুরু হওয়া এই সম্মেলন শেষ হবে বৃহস্পতিবার। এমতাবস্থায় এই সম্মেলনকেই বিঁধলেন ডিএ-র দাবিতে আন্দোলনকারীরা। 

    জনগণের করের টাকায় ‘মোচ্ছব’

    বিশ্ববঙ্গ সম্মেলনকে কটাক্ষ করেছিলেন বিরোধীরাও। তাঁরাও জানিয়েছিলেন, এটা আসলে জনগণের করের টাকায় ‘মোচ্ছব’। এবার প্রায় একই ভাষায় সম্মেলনকে তুলোধনা করলেন আন্দোলনকারীরা। বৃহস্পতিবার ৩০০ দিনে পড়ল তাঁদের আন্দোলন। সেদিনই ধর্নাস্থলে দেখা গেল হরেক কিসিমের পোস্টার। তারই একটিতে লেখা, “হকের ডিএ চাইতে গিয়ে পার হয়ে গেল ৩০০ দিন, শিল্পের নামে করের টাকায় মোচ্ছব করে বিবেকহীন।” অন্য একটিতে লেখা, “৬ লক্ষ শূন্যপদ আর বকেয়া ডিএ তোমার দান, কোন মুখেতে বলছ, তুমি করবে কর্মসংস্থান।”

    ‘কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করুন মুখ্যমন্ত্রী’

    সংগ্রামী যৌথমঞ্চের (এই ব্যানারেই আন্দোলন করছেন আন্দোলনকারীরা) তরফে বলা হয়েছে, ‘বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন (BGBS 2023) চলছে। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন, রাজ্যে প্রচুর বিনিয়োগ সুনিশ্চিত হয়েছে। আমরা মুখের কথা শুনতে রাজি নই। এবার শিল্প এনে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করুন মুখ্যমন্ত্রী।’ আন্দোলনকারীদের দাবি, সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ডিএ দেওয়ার মতো টাকার সংস্থান রয়েছে রাজ্যের। অথচ সেটা দেওয়া হচ্ছে না। তাতে সঙ্কটে পড়েছেন পেনশনভোগীরা। তাঁদের অনেকের এখন মাসে ওষুধ কেনারও পয়সা নেই। তাঁরা জানান, বকেয়া না মেটানো পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে। বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনকে কটাক্ষ করেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীও। এক্স হ্যান্ডেলে তাঁর প্রশ্ন, “এতদিনে কত লগ্নি হয়েছে, কত কর্মসংস্থান হয়েছে, সেই সব তথ্য কি সামনে আনবে রাজ্য সরকার?”

    আরও পড়ুুন: ভোট পরবর্তী হিংসায় ক্ষতিপূরণ দেয়নি রাজ্য, আদালত অবমাননার মামলা দায়ের হাইকোর্টে

    প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে রাজ্যের কুর্সি দখল করে তৃণমূল। এর ঠিক চার বছর পরে শুরু হয় বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন। এই সম্মেলনের মাধ্যমে লগ্নি হবে, শিল্প হবে, কর্মসংস্থান হবে বলেও ধুয়ো তুলেছিল তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার। তার পর ৬টি সম্মেলন হয়েছে। বুধবার শুরু হয়েছে সপ্তম বাণিজ্য সম্মেলন (BGBS 2023)। বিরোধীদের অভিযোগ, তারপরেও যে রাজ্যের ভোল বিশেষ বদল হয়নি, তা বলছে বেকারত্বের পরিসংখ্যানই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jind Shocker: ১৪২ জন নাবালিকাকে ৬ বছর ধরে ‘যৌন নির্যাতন’! হরিয়ানায় ধৃত স্কুলের প্রিন্সিপাল

    Jind Shocker: ১৪২ জন নাবালিকাকে ৬ বছর ধরে ‘যৌন নির্যাতন’! হরিয়ানায় ধৃত স্কুলের প্রিন্সিপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৪২ জন নাবালিকা ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের (Sexual Assault) অভিযোগ উঠল হরিয়ানার (Haryana) ঝিন্দের (Jind) একটি সরকারি স্কুলের প্রিন্সিপালের (Principal) বিরুদ্ধে। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ৬ বছর ধরে ধৃত ওই কুকর্ম করছিল বলে অভিযোগ। গত ৩১ অগাস্ট ১৫ জন ছাত্রী রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ভারতের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, জাতীয় মহিলা কমিশন ও রাজ্য মহিলা কমিশন-সহ বিভিন্ন জায়গায় চিঠি পাঠিয়েছিল। তার ভিত্তিতে গত ১৩ সেপ্টেম্বর সিদ্ধান্ত নিয়ে হরিয়ানার মহিলা কমিশন ১৪ তারিখ ঝিন্দ পুলিশকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেয়।

    পরিবার ও লোকক্ষুর আড়ালে কুকীর্তি

    অভিযোগ, হরিয়ানার ঝিন্দে ওই স্কুলের প্রধানশিক্ষক দিনের পর দিন নাবালিকা ছাত্রীদের নিজের অফিসে ডেকে তাদের শ্লীলতাহনির চেষ্টা করত। এসব কুকীর্তি ঢাকতে ৫৫ বছরের প্রধানশিক্ষক নিজের অফিসের দরজায় রঙিন কাচ ব্যবহার করত, যাতে ভেতরে সে কি করছে, তা কেউ টের না পায়। শুধু অফিসে ডেকে শ্লীলতাহানি নয়, নাবালিকা ছাত্রীদের ফোন নম্বর নিয়ে তাদেরকে বিরক্তও করত সে। এসবের জন্যে বেশ কয়েকটি ফোনও ব্যবহার করত। যার খবর শিক্ষকের পরিবারের কাছে ছিল না। গত অক্টোবরের ৩০ তারিখ ওই স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে পুলিশ। চলতি মাসের ৪ তারিখ গ্রেফতার করা হয়। ৭ তারিখ আদালত তোলা হয় ধৃতকে। তারপর থেকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছে সে।

    আরও পড়ুন: আটক শ্রমিকদের খুব কাছে উদ্ধারকারী দল, আর কিছুক্ষণের অপেক্ষা

    কী বলছে ঝিন্দ পুলিশ

    বুধবার এপ্রসঙ্গে ঝিন্দ (Jind Shocker) জেলার সহকারি পুলিশ কমিশনার মহম্মদ ইমরান রেজা বলেন, “সাব ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বাধীন একটি তদন্ত কমিটি মোট ৩৯০ জন মেয়ের বক্তব্য রেকর্ড করা হয়েছে। তার মধ্যে ১৪২ জনের যৌন নির্যাতনের অভিযোগ আমরা শিক্ষা দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের কাছে পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য পাঠিয়েছি। অভিযোগকারিণীদের মধ্য়ে বেশিরভাগই তাদের উপর হওয়া যৌন নির্যাতনের বিষয়ে জানিয়েছে আর অন্যরা সেইসব ঘটনা নিজেদের চোখে দেখেছেন বলে উল্লেখ করেছে। অভিযুক্ত প্রিন্সিপাল বর্তমানে জেলে রয়েছে।”

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘রাজ্যে কর্মসংস্থান নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা’, তথ্যপ্রমাণ দিয়ে বললেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: ‘রাজ্যে কর্মসংস্থান নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা’, তথ্যপ্রমাণ দিয়ে বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তুলোধনা করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। রীতিমতো তথ্য দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী যে মিথ্যা বলছেন, তা প্রমাণ করলেন। পাশাপাশি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন।

    বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী ঠিক কী বলেছেন?

    সপ্তম বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘রাজ্যে কর্মসংস্থানের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। গোটা দেশে কমেছে কর্মসংস্থান, তবে বাংলায় কর্মসংস্থানের হার বেড়েছে। বাংলায় মোট ৪২ শতাংশ কর্মসংস্থান বেড়েছে। মূলত ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্যেই রাজ্যে কর্মসংস্থান অনেকটাই বেড়েছে। যা গোটা দেশের সামনে নজির তৈরি করছে। দেশে সার্বিকভাবে গত কয়েক বছরে বেকারত্বের পরিমাণ বাড়লেও রাজ্য কর্মসংস্থানের দিক থেকে উল্টো রাস্তায় হাঁটছে বলেই শিল্পপতিদের সামনে তিনি ব্যাখ্যা করেন। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের বড় বড় শিল্পপতিদের পিছনে এজেন্সি লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। শিল্পপতিরা ভয়াবহ বাতাবরণের মধ্যে রয়েছেন।’

    মুখ্যমন্ত্রীর দাবি যে মিথ্যা তার তথ্য প্রমাণ দিলেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘রাজ্য একশো দিনের কাজের প্রকল্পে কর্মদিবস তৈরির দিক থেকে এক নম্বরে ছিল। অর্থাৎ, কতদিনের কাজ আছে সেই দিক থেকে এক নম্বরে ছিল। তার মানে পশ্চিমবঙ্গে কাজ নেই। সেই কারণেই মানুষ একশো দিনের কাজ করে অর্থ উপার্জনের চেষ্টা করেন। আসলে মুখ্যমন্ত্রী আগেও মিথ্যা কথা বলেছিলেন, এখনও মিথ্যা কথা বলছেন। গোটা ভারতবর্ষে ইপিএফের ডেটা বলছে দেশে মানুষের কাজের পরিমাণ অনেকটাই বেড়েছে।’ আর শিল্পপতিদের পিছনে এজেন্সি লাগানো প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, অনেক বড় বড় কোম্পানি রয়েছে যারা সৎভাবে কাজ করছে। টাটা, আম্বানি, আদানি, উইপ্রোদের কাছে তো এজেন্সি যায় না। যদি কেউ টালির চালের বাড়িতে থেকে শিল্পপতি হয়ে যান তাহলে ইনকাম ট্যাক্স তো ধরবে। জিজ্ঞেস করবে যে এত টাকা কোথায় থেকে এসেছে?’

    পুলিশ-প্রশাসনকে তোপ বিজেপির রাজ্য সভাপতির

    সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘পুলিশ তো নিজের মেরুদন্ড বিক্রি করে রেখেছে।’ পুলিশকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শওকত মোল্লা। সেই প্রসঙ্গ টেনে তাঁর কটাক্ষ, ‘ যা অবস্থা তাতে তিনি চাইলে পুলিশকে ডেকে বাথরুম পরিষ্কার করাতে পারেন। ‘

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share