Blog

  • Ration Scam: বালুর অসুখ নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই নয়া মেডিক্যাল বোর্ড গঠন, দলে কার্ডিওলজিস্টও

    Ration Scam: বালুর অসুখ নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই নয়া মেডিক্যাল বোর্ড গঠন, দলে কার্ডিওলজিস্টও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার রাতেই শারীরিক অসুস্থতা দেখিয়ে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হন রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে (Ration Scam) ধৃত মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তাঁর অসুস্থতা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়। অবশেষে মন্ত্রীর চিকিৎসার জন্য ১১ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করার কথা জানাল এসএসকেএম কর্তৃপক্ষ। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, নিউরোমেডিসিন মেডিসিন, কার্ডিওলজি, নেফ্রোলজি, ইউরোলজি, অর্থোপেডিক এন্ডোক্রিনোলজি বিভাগের চিকিৎসকদের নিয়ে এই নতুন মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। প্রথমে মন্ত্রী ভর্তি হন কার্ডিওলজি বিভাগে, অথচ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেয় তাঁর হার্টের কোনও সমস্যাই নেই (Ration Scam)। এরপর চাপে পড়ে বালুর মেডিক্যাল বোর্ডে রাতারাতি অন্তর্ভুক্ত করা হল হৃদরোগ-বিশেষজ্ঞকে।

    সহকর্মীদের ধারা বজায় রাখলেন বালু

    প্রথমে এসএসকেএম-এর ইমার্জেন্সিতে আড়াই ঘণ্টা ধরে তাঁর পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হয়। সেই সময় কার্ডিওলজি বিভাগের ডাক্তাররা তাঁকে দেখে জানান, তাঁর হার্টের কোনও সমস্যা নেই। এরপর মন্ত্রীর চিকিৎসা শুরু করেন নিউরোমেডিসিন বিভাগের ডাক্তাররা। আদৌ কি মন্ত্রী অসুস্থ! নাকি তাঁর পুরনো সহকর্মীদের ধারা তিনি বজায় রাখছেন! এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। কারণ সিবিআই-ইডির সমন পেয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতা-মন্ত্রী এর আগে ভর্তি হয়েছেন এসএসকেএম হাসপাতালে (Ration Scam)। ১০ বছর আগে মদন মিত্রকে দিয়ে শুরু হয়েছিল, এরপরে পার্থ চট্টোপাধ্যায় থেকে অনুব্রত মণ্ডল কেউই বাদ যাননি। এসএসকেএম-কে ঘুঘুর বাসা বলে গতকালই তোপ দাগেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। অন্যদিকে, বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘জেলে যাওয়া নেতা-মন্ত্রীদের অভয়ারণ্য হয়ে উঠেছে এসএসকেএম হাসপাতাল।’’

    হাসপাতালে ইডি

    বুধবারই হাসপাতালে আসেন ইডি আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, গতকাল হাসপাতালের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন ইডি অফিসাররা। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ভর্তি হওয়া মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতেই হাসপাতালে এসেছিলেন ইডি-এর অফিসাররা। পাশাপাশি মনে করা হচ্ছে, নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার হওয়া সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রর শারীরিক অবস্থা জানতেও হাসপাতালে আসতে পারেন ইডি গোয়েন্দারা। প্রসঙ্গত, গত ২২ আগস্ট কালীঘাটের কাকু ভর্তি হন এসএসকেএম-এ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: ভোট পরবর্তী হিংসায় ক্ষতিপূরণ দেয়নি রাজ্য! হাইকোর্ট গঠন করল বৃহত্তর বেঞ্চ

    Calcutta High Court: ভোট পরবর্তী হিংসায় ক্ষতিপূরণ দেয়নি রাজ্য! হাইকোর্ট গঠন করল বৃহত্তর বেঞ্চ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর রাজ্যজুড়ে লাগামছাড়া সন্ত্রাসের অভিযোগ উঠেছিল শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। রাজনৈতিক হত্যা, লুট, বাড়ি ভাঙচুর সমেত একাধিক মামলা দায়ের হয়েছিল। বিরোধী মহিলা কর্মীদের উপরও ব্যাপক নির্যাতন হয়েছিল বলে অভিযোগ। এই সংক্রান্ত মামলাগুলিতে ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। অভিযোগ, সেই নির্দেশ মানেনি রাজ্য। তাই গত বছর ২৮ নভেম্বর আদালত অবমাননার অভিযোগ তুলে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে। সেই মামলার শুনানির জন্য গঠন করা হল পাঁচজন বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের তরফে এই বৃহত্তর বেঞ্চ গঠনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

    অভিযোগ ছিল মুখ্যসচিবের বিরুদ্ধে 

    মূলত রাজ্যের মুখ্যসচিবের বিরুদ্ধেই আদালত অবমাননার অভিযোগ করা হয়েছিল। ওই মামলার শুনানির জন্য হাইকোর্টের (Calcutta High Court) গঠন করা নতুন বৃহত্তর বেঞ্চে দুই প্রবীণ বিচারপতি রয়েছেন। এই বেঞ্চে থাকবেন বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায়, বিচারপতি চিত্তরঞ্জন দাস, বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন, বিচারপতি সৌমেন সেন এবং বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী। প্রসঙ্গত, ভোট পরবর্তী হিংসায় অনেক ক্ষেত্রে প্রশাসনের বিরুদ্ধেও অভিযোগ জমা পড়ে। প্রশাসনের সামনেই একাধিক ক্ষেত্রে হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। লাখের ওপর বিজেপি কর্মীকে সেই সময় ঘরছাড়া হতে হয়। ফলে এসবেরই বিচার এবার হতে চলেছে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে।

    মামলায় আর কী বলা হয়েছিল?

    গত ২৮ নভেম্বর হাইকোর্টে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলায় বলা হয়েছিল, দুষ্কৃতীরা যাদের সম্পত্তিহানি, বাড়িঘর ভাঙচুর, লুট এবং ক্ষতি করেছে, তাদের অভিযোগ জমা নিয়েছে ‘রাজ্য লিগ্যাল সার্ভিসেস অথরিটি’। সেখানে মামলা বিচারাধীন। পাশাপাশি এখনও পর্যন্ত উচ্চ আদালতের নির্দেশ মেনে কোনও ক্ষতিপূরণই দেওয়া হয়নি। এক্ষেত্রে রাজ্যের দাবি ছিল, কলকাতা হাইকোর্টের নিয়ম অনুযায়ী যেসব বিচারপতির দেওয়া নির্দেশ কার্যকর করা হয়নি, তাঁরাই আদালত অবমাননার মামলা শুনতে পারবেন। তবে আগের পাঁচ বিচারপতির মধ্যে দুইজন বিচারপতি বর্তমানে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) নেই। তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দাল বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে রয়েছেন, অন্যদিকে অবসর নিয়েছেন বিচারপতি সুব্রত তালুকদার। নতুন বেঞ্চ গঠনের মধ্যে দিয়ে সেই বিষয়টিও পরিষ্কার হয়ে গেল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বৃহস্পতিবার, ২৩/১১/২০২৩)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বৃহস্পতিবার, ২৩/১১/২০২৩)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য–কেমন কাটবে দিন?

    মেষ

    ১) কাজের চাপে অবসাদ আসতে পারে।

    ২) ব্যবসায় অশান্তির আশঙ্কা।

    বৃষ

    ১) বুদ্ধির ভুলে কোনও ক্ষতি হতে পারে, একটু সাবধান থাকা দরকার।

    ২) ভাল কাজে নিরাশ হয়ে ফিরে আসতে হবে। 

    মিথুন

    ১) প্রেমের ব্যাপারে অবসাদ।

    ২) ব্যবসায় লাভ বৃদ্ধি, তবে খরচও বাড়বে। 

    কর্কট

    ১) কোনও সন্দেহজনক মহিলা থেকে সাবধান।

    ২) নতুন কাজের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে।
      
    সিংহ 

    ১) দিনটি ভাল-খারাপ মিশিয়ে কাটবে।

    ২) বাড়ির কাছে ভ্রমণের ব্যাপারে আলোচনা।

    কন্যা

    ১) পুরাতন রোগ থেকে মুক্তিলাভ।

    ২) ব্যবসায় মন্দা দেখা দিতে পারে।

    তুলা 

    ১) শিক্ষাগত যোগ্যতার কারণে ভাল কাজ হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে।

    ২) সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়ে সমস্যা হতে পারে। 

    বৃশ্চিক

    ১) উচ্চাভিলাষী কোনও মহিলার পাল্লায় পড়ে অর্থব্যয়।

    ২) মধুর ভাষণের দ্বারা শ্রোতাদের মন জয় করতে পারবেন।

    ধনু

    ১) সকালের দিকে কাজের ব্যাপারে শুভ যোগাযোগ আসতে পারে।

    ২) কর্মস্থানে গুপ্তশত্রু বাড়তে পারে। 

    মকর

    ১) অন্যের জিনিসের উপর লোভ সামলাতে না পারলে বিপদে পড়তে পারেন।

    ২) সংসারে মনঃকষ্ট। 

    কুম্ভ

    ১) বাড়িতে গুরুজনদের স্বাস্থ্যের উন্নতি হতে পারে।

    ২) কারও প্রতি অতিরিক্ত বিশ্বাসের খেসারত দিতে হতে পারে।

    মীন

    ১) চাকরির জায়গায় বিরোধী ব্যক্তির সঙ্গে মিত্রতা হয়ে যেতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীদের চিকিৎসার জন্য সময় ব্যয়। 

     

     

     
    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Uttarakhand tunnel: উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গে আটকে স্বামী! দুশ্চিন্তায় তুফানগঞ্জের হাসপাতালে ভর্তি স্ত্রী

    Uttarakhand tunnel: উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গে আটকে স্বামী! দুশ্চিন্তায় তুফানগঞ্জের হাসপাতালে ভর্তি স্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০ দিন ধরে উত্তরকাশীতে সিল্কিয়ারা সুড়ঙ্গে (Uttarakhand tunnel) আটকে থাকা ৪১ জনের শ্রমিকের মধ্যে রয়েছেন তুফানগঞ্জের এক শ্রমিক। মঙ্গলবার প্রশাসনের তরফ থেকে খোঁজ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাশপাশি পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, আতঙ্কের মধ্যে দিয়ে পরিবারের লোকজন দিন গুনছেন। স্বামীর জন্য দুশ্চিন্তায় ইতিমধ্যেই স্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। প্রশাসন জোর কদমে অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে সুড়ঙ্গ থেকে শ্রমিকদের উদ্ধারে প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন।

    আটকে পড়া শ্রমিকের পরিচয় (Uttarakhand tunnel)

    উত্তরাখণ্ডের সুড়ঙ্গে (Uttarakhand tunnel) উদ্ধার কাজে প্রশাসন নেমেছে। মঙ্গলবার ৬ ইঞ্চি পাইপ লাইনের মাধ্যমে আটকে থাকা শ্রমিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। শ্রমিকদের অনেকেই পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন। আটকে থাকা শ্রমিকের মধ্যে তুফানগঞ্জের এক শ্রমিকের পরিচয় জানা গিয়েছে। তাঁর নাম মানিক তালুকদার। বাড়ি কোচবিহারের তুফানগঞ্জে। তাঁর সঙ্গে পরিবারের সারাসরি কথা না হলেও প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অপরে স্বামীর চিন্তায় স্ত্রী মণি তালুকদার অস্থির হয়ে অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। পরে তাঁকে তুফানগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    শ্রমিকদের ভিডিও ধরা পড়েছ

    সুড়ঙ্গের  (Uttarakhand tunnel) মধ্যে আটকে থাকা শ্রমিকদের এন্ডোস্কোপিক ফ্লেক্সি ক্যামেরা সুড়ঙ্গের ভিতরে প্রবেশ করিয়ে ভিতের খবরাখবর নেওয়া হয়। একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে। পাইপের মাধ্যেমেই পাঠানো হয় মোবাইল ফোন, চার্জার। এর মাধ্যমেই বাইরের প্রশাসন এবং পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই পাইপের মধ্যে দিয়েই খিচুড়ি, ডালিয়া এবং নানা রকম ফল সরবরাহ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে শ্রমিকদের দেওয়া হয়েছে মনোবল।

    উদ্ধার কাজে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ দল

    উত্তরকাশীতে ৬০ মিটারের বেশি গভীর সুড়ঙ্গের  (Uttarakhand tunnel) মধ্যে আটকে রয়েছেন ৪০ জন শ্রমিক। এই সুড়ঙ্গ হল চারধামকে সংযোগ করার একটি সরল সড়ক। ভিতরে চারিদিকে ধ্বংসস্তূপের অবশেষ জমে রয়েছে। উদ্ধার কাজ করতে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদলও ঘটনাস্থলে কাজ করে চলেছে বলে জানা গিয়েছে। পাশ থেকে সুড়ঙ্গে ঢোকা সম্ভব নয়, তাই উপর থেকে মাটি খুঁড়ে শ্রমিকদের উদ্ধার করার চেষ্টা করা হচ্ছে। উদ্ধারে আরও চার থেকে পাঁচ দিন সময় লাগার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panihati: দু’বছর ধরে চলছে রেশনে দুর্নীতি! মানুষ রাস্তায় নামতে ঘুম ভাঙল প্রশাসনের?

    Panihati: দু’বছর ধরে চলছে রেশনে দুর্নীতি! মানুষ রাস্তায় নামতে ঘুম ভাঙল প্রশাসনের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতি নিয়ে রাজ্য জুড়ে তোলপাড় চলছে।  দুর্নীতির অভিযোগে প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী এখন জেলে রয়েছেন। রেশন সামগ্রী না পাওয়ার অভিযোগে মঙ্গলবারের পর বুধবারও পানিহাটি (Panihati) পুরসভার ৩২নম্বর ওয়ার্ডের ঘোলায় ৩৯৮ নম্বর রেশন দোকানের সামনে  বিক্ষোভ দেখালেন রেশন গ্রাহকরা।

    রেশন ডিলারকে সাসপেন্ড করা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন (Panihati)

    অনিয়মিত রেশন দেওয়ার অভিযোগে মঙ্গলবার পানিহাটি (Panihati) পুরসভার ৩২নম্বর ওয়ার্ডের ঘোলায় ৩৯৮ নম্বর রেশন দোকানের সামনে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন গ্রাহকরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। এরপরই রেশন ডিলার রাহুল সাহাকে সাসপেন্ড করে খাদ্যদফতর। পাশে রেশন দোকান থেকে রেশন সামগ্রী পাওয়া যাবে বলে খাদ্য দফতর থেকে জানানো হয়েছিল। কিন্তু প্রয়োজন মতো রেশন সামগ্রী পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ জানিয়েছিলেন গ্রাহকরা। সেই অভিযোগে তাঁরা এদিন বিক্ষোভ দেখান। বুধবার গ্রাহকরা বিক্ষোভ দেখিয়ে বলেন, গত দুবছর ধরে চলছে দুর্নীতি। বার বার বলার পরও প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। গ্রাহকরা জোটবদ্ধ হয়ে আন্দোলন করতে রেশন ডিলারকে সাসপেন্ড করে দুর্নীতি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। আমাদের বক্তব্য, শুধু সাসপেন্ড নয় গত দুবছর ধরে রেশন নিয়ে যে দুর্নীতি হয়েছে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

    রেশন অফিসের বৈঠকে কী আলোচনা হল?

    পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে বুধবার বিকেলে পানিহাটি (Panihati) রেশন অফিসে একটি জরুরী বৈঠক হয়। এবিষয়ে স্থানীয় কাউন্সিলর শম্ভু চন্দ বলেন, বিগত দু’বছর ধরে ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের রেশন নিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। তাই খাদ্যদফতর ডিলারকে সাসপেন্ড করেছে। বিষয়টি জানিয়ে রেশন দোকানে নোটিশও দেওয়া হয়েছে। ওয়ার্ডের বাসিন্দারা যাতে বিকল্প স্থান থেকে রেশন পান, তারজন্য এদিন পানিহাটি রেশন অফিসে বৈঠক হয়েছে। প্রসঙ্গত, ৩৯৮ নম্বর রেশন দোকানটি রাহুল সাহার। অভিযোগ, তিনি নির্দিষ্ট সময়ে দোকান খোলেন না। দোকান খুললেও বেশিরভাগ সময় কেউ থাকেন না। এছাড়াও দোকানে পর্যাপ্ত রেশন নেই জানিয়েও গ্রাহকদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়। ফলে মাসের পর মাস গ্রাহকদের রেশন বকেয়া রয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ডিলার রাহুল সাহা বর্তমানে পলাতক বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: “বিজেপিকে ভোট দিলে লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ করে দেব” হুমকি তৃণমূল নেতার

    Birbhum: “বিজেপিকে ভোট দিলে লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ করে দেব” হুমকি তৃণমূল নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “লোকসভার ভোটে বিজেপিকে ভোট দিলে লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ করে দেব”। সরকারি প্রকল্প বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিলেন তৃণমূল নেতা বাবু দাস। যা ঘিরে চরম বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বীরভূমের এই নিয়ে তীব্র শোরগোল পড়ে গিয়েছে। পাল্টা বিজেপির বক্তব্য রাজ্যে তৃণমূল সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়ে ভোট লুট করতে চাইছে। লোকসভা ভোটে মানুষ দুর্নীতিগ্রস্থ তৃণমূলকে ভোট দেবে না।  

    কোন তৃণমূল নেতা বলেন (Birbhum)?

    চার মাস পর ২০২৪ সালের লোকসভা ভোট, পাখির চোখ করে লোকসভা ভোটের প্রচার শুরু করে দিল তৃণমূল নেতা বাবু দাস। এদিন বোলপুর (Birbhum) পৌরসভার অন্তর্গত এক নম্বর ওয়ার্ডের প্রান্তিক এলাকায় তৃণমূলের কর্মী সমর্থকদেরকে নিয়ে একটি সভার আয়োজন করেন এক নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সংগীতা দাস। আর সেই সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে ব্লকের তৃণমূলের নেতা বাবু দাস বলেন, “বিজেপিকে গোহারা হারিয়ে দিন। লক্ষ্মীর ভান্ডার থেকে স্বাস্থ্য সাথী সমস্ত প্রকল্পের সুবিধা নিন। আর যদি কেউ ভাবে বিজেপিকে ভোট দিব, তাহলে লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা বন্ধ করে দেব। কথা দিয়ে গেলাম এমনকী সরকারি সব বন্ধ করে দেবো।” ঘটনায় অবশ্য বিরোধীরা তীব্র সমালোচনা করেছেন তৃণমূলের নেতাকে।

    বিজেপির প্রতিক্রিয়া

    তৃণমূল নেতা প্রকল্পের সুবিধা বন্ধ করার নিদান দিলে চরম বিতর্ক ছড়ায় বীরভূমে (Birbhum)। পাল্টা বিজেপি নেতা কাঞ্চন ঘোষ বলেন, “সরকারি প্রকল্প বন্ধ করে দেওয়া আর হুমকি দিচ্ছেন নেতারা। তৃণমূলের গুন্ডারা রাজ্যের আইন-কানুনকে পরোয়া করে না। তবে মানুষ লোকসভার ভোটে বিজেপিকেই ভোট দেবে। তৃণমূল নেতারা কী করতে আমরাও দেখবো।”

    সংবাদ মাধ্যমে তৃণমূল নেতার সাফাই

    পরে বোলপুরের (Birbhum) তৃণমূল নেতা বাবু দাস সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সাফাই দিয়ে বলেন, “চার মাস পরেই তো লোকসভার ভোট, তাই মহিলাদেরকে নিয়ে ভোট প্রচার শুরু করে দিলাম। কেন্দ্রীয় সরকার যেভাবে বাংলার মানুষকে বঞ্চিত করে রেখেছে, বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা আটকে রেখেছে। তাই সমস্ত মহিলাদেরকে বুঝিয়ে দিয়েছি লক্ষ্মীর ভান্ডার থেকে স্বাস্থ্য সাথী সবকিছুই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিচ্ছেন। বিপুল ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জয়ী করুন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Saffron Cultivation: কাশ্মীরের মতো এবার বাংলায় চাষ হবে কেশর, জানালো কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

    Saffron Cultivation: কাশ্মীরের মতো এবার বাংলায় চাষ হবে কেশর, জানালো কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধু কাশ্মীরে নয় এবার থেকে বাংলায়ও চাষ হবে কেশর (Saffron Cultivation)। উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই নিয়ে পরীক্ষামূলক গবেষণায় সাফল্য পাওয়া গিয়েছে। উত্তরবঙ্গে চাষিদেরকে এই ফলনের জন্য দিশা দেখাবে সেন্টার অফ ফ্লোরিকালচার অ্যান্ড এগ্রিবিজনেস ম্যানেজমেন্ট বা কোফাম বিভাগ। চাষিরাও কেশর চাষে অত্যন্ত উৎসাহী বলে জানা গিয়েছে।   

    কোফাম বিভগের উদ্যোগ (Saffron Cultivation)

    উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোফাম বিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাহাড়ে এই কেশরের (Saffron Cultivation) চাষ বিশেষ উপযুক্ত হবে। বিশেষ করে কালিম্পংয়ে পরীক্ষালব্ধ ভাবে চাষের সাফল্য পেয়েছে। কাশ্মীর থেকে বীজ এনে এবার উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের এই বিভাগে চাষ করা হচ্ছে। যদিও বাংলার জলবায়ু এবং প্রাকৃতিক পরিবেশে কেশর চাষ করা খুব একটা উপযুক্ত নয়। কিন্তু এই অসাধ্য কাজকে সাধন করেছে কোফাম বিভাগ।

    মাত্র ১০০ বর্গ ফুট ছোট্ট জমিতে করা যাবে চাষ

    খুব বেশি বড় জায়গা দরকার নেই স্যাফ্রন বা কেশর (Saffron Cultivation) চাষের জন্য। মাত্র ১০০ বর্গ ফুটের মধ্যে ঘর থাকলেই কেশর চাষ করা যাবে। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, খুব কম জায়গায় বেকার যুবক-যুবতীরা চাষ করেও ব্যাপক আর্থিক ভাবে লাভবান হতে পারবেন। মাত্র ১৫ দিনেই চাষ করে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। সূত্রে জানা গিয়েছে, কালিম্পংয়ের দাঁড়াগাঁও এলাকায় আশিটি বীজ দিয়ে পরীক্ষামূলক ভাবে চাষ করা হয়।

    তিনটি পদ্ধতিতে চাষ করা হবে

    সূত্রে জানা গিয়েছে, কেশর (Saffron Cultivation) চাষ তিনটি ক্ষেত্রে পদ্ধতি মেনে চাষ করা হবে। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগারে, দ্বিতীয়টি কালিম্পংয়ে এবং তৃতীয়টি হল হাইড্রোফোনিক পদ্ধতিতে চাষ করা হবে। এই কেশর চাষের প্রশিক্ষণ উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দেওয়া হবে। সাধারণত অক্টোবর মাসে কেশরের বীজে ফলন ফলানো হবে। ফুল পেতে সময় লাগবে ১৫ থেকে ২০ দিন।

    বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য

    উত্তরবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোফাম বিভাগের বায়ো টেকনিস্ট অমরেন্দ্র পাণ্ডে বলেছেন, “১০০ বর্গফুট জায়গায় ১০০০ গাছ লাগানো যাবে। বাজারে ১ কেজি কেশরের দাম ৩ লাখ টাকা। পাহাড়ে এই কেশরের চাষ ভালো হবে। পরীক্ষায় আরও সফলতা আসলে সমতলেও চাষের চেষ্টা করা হবে।”এই প্রসঙ্গে কৃষক মহেন্দ্র ছেত্রী বলেন, “কেশর (Saffron Cultivation) খুব লাভ জনক ফলন শুনেছি। আগেও চাষের কথা ভেবে ছিলাম। কিন্তু বীজ পাইনি। বিশ্ববিদ্যালয় বীজ দিয়েও আমাকে সাহায্য করেছে। চাষের সাফল্যে আমি আরও খুশি হবো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: বাকিবুর সম্পর্কে আরও তথ্য পেতে এবার খাদ্য দফতরে চিঠি পাঠাল ইডি

    Ration Scam: বাকিবুর সম্পর্কে আরও তথ্য পেতে এবার খাদ্য দফতরে চিঠি পাঠাল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন দুর্নীতি (Ration Scam) মামলায় গ্রেফতার হওয়া বাকিবুর রহমান সম্পর্কে তথ্য পেতে এবার খাদ্য দফতরের কাছে চিঠি পাঠাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে জানা গিয়েছে, ফুড কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া থেকে বাকিবুর রহমানের মিলে কত পরিমাণ চাল এবং গম এসেছে এবং কত আটা ও চাল বিলি করা হয়েছে, সেই তথ্যই চাওয়া হয়েছে। বাকিবুরের মিল যতদিন এই কাজ করেছে খাদ্য দফতরের সঙ্গে, ঠিক ততদিনেরই হিসাব চাওয়া হয়েছে।

    খোলাবাজারে বিক্রি হতো রেশনসামগ্রী

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের দুর্গা্পুজোর আগেই গ্রেফতার করা হয় বাকিবুর রহমানকে (Ration Scam)। জানা গিয়েছে, খাদ্য দফতর থেকে বাকিপুরের মিলেই আসতো চাল-গম এবং সেখান থেকে গম ভাঙিয়ে আটা ও চাল বিলি করা হতো। প্রথমে বাকিবুরকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পরে তদন্তকারীরা হদিশ পান নদিয়ার আটা এবং চাল কল ‘মেসার্স এমপিজি রাইস মিল প্রাইভেট লিমিটেড’-এর। জানা গিয়েছে, ওই চাল এবং আটাকল সংস্থার ডিরেক্টর খোদ বাকিবুর। এখান থেকেই খোলা বাজারে বিক্রি করার জন্য সরকারি রেশন সরানো হতো।

    কীভাবে এই দুর্নীতি হত?

    ইডির নথিতে বলা হয়েছে, মিল মালিকরা সরকারি অর্থ মিলিয়ে নিতেন। তবে তার বিনিময়ে যে পরিমাণ চাল এবং আটা সরবরাহ করা হত, তার হিসাব মিলত না (Ration Scam)। প্রতি এক কেজি আটার দামে ২০০ গ্রাম করে কম আটা দেওয়া হত। কখনও সখনও এই চুরির পরিমাণ দাঁড়াতো ৪০০ গ্রাম। রেশন দুর্নীতির তদন্তে নেমে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। জানা গিয়েছে চাল এবং আটাকলের মালিকদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই এই তথ্য পাওয়া গিয়েছে।

    বুধবারই বাকিবুরকে কোর্টে হাজির করা হয়

    অন্যদিকে বুধবারই বাকিবুর রহমানকে আদালতে হাজির করানো হয়। আদালত এদিন তাঁকে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে। ইডির আইনজীবী এদিন কোর্টে (Ration Scam) জানান, গমের পর এখন চালের কারবার নিয়েও তদন্ত চালাচ্ছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। ইডির আরও দাবি, ধান কেনার ক্ষেত্রে খাদ্য দফতরে ভুয়ো অফিসার এবং ভুয়ো সমবায় সমিতির মাধ্যমেই লেনদেন করা হত। কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনার সময় অনেকেই খাদ্য দফতরের ভুয়ো অফিসার সেজে যেতেন, আবার ভুয়ো সমবায় সমিতির সিলও ব্যবহার করা হতো।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Knight Riders: ছিলেন অধিনায়ক, এবার কেকেআর-এর মেন্টর গম্ভীর!  উচ্ছ্বসিত নাইট অধিপতি শাহরুখ

    Kolkata Knight Riders: ছিলেন অধিনায়ক, এবার কেকেআর-এর মেন্টর গম্ভীর! উচ্ছ্বসিত নাইট অধিপতি শাহরুখ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা নাইট রাইডার্সে ফিরছেন গৌতম গম্ভীর। গত বছর লখনউ সুপার জায়ান্টসের মেন্টর ছিলেন গম্ভীর। আইপিএলে লখনউ দলের মালিক ছিলেন বাংলার শিল্পপতি সঞ্জীব গোয়েঙ্কা। যিনি মোহনবাগান সুপার জায়ান্টেরও মালিক। বাংলার এই ব্যবসায়ীর আইপিএল দলেরই মেন্টর ছিলেন গম্ভীর। সেখান থেকে তিনি চলে এলেন একেবারে বাংলায়। এবার তাঁকে মেন্টর হিসাবে নিয়ে এলেন কেকেআরের মালিক শাহরুখ খান। কোচ চন্দ্রকান্ত পণ্ডিতের সঙ্গে কাজ করবেন ২০১১-র বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য। 

    গম্ভীরের সময়ই খেতাব

    ২০১১ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত কলকাতার হয়ে খেলেছেন গম্ভীর। এই সময়ের মধ্য়ে তাঁর অধিনায়কত্ব ২০১২ ও ২০১৪-য় দু’বার আইপিএল জেতে নাইটরা। শুধু তাই নয়, তাঁর সময় পাঁচবার প্লে অফ গিয়েছে শাহরুখের টিম। ২০১৪-য় চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি-র যোগ্যতা অর্জনও করেছিল কেকেআর। তাঁকে মেন্টর করে শাহরুখ বলেন, “গম্ভীর আমাদের পরিবারের সদস্য ছিল। অধিনায়ক থেকে মেন্টর হল ও। গম্ভীরের অভাব বোধ করছিলাম আমরা। কোচ চন্দ্রকান্ত পণ্ডিতের সঙ্গে গম্ভীরের জুটি দেখার জন্য মুখিয়ে আছি। ওরা হারতে জানে না। কেকেআরের জন্য ওরা ম্যাজিক তৈরি করবে।”

    ফের কলকাতায় ফিরে খুশি

    কেকেআরে নতুন দায়িত্ব পেয়ে গম্ভীর বলেন, “আমি আবেগে ভেসে যাই না। কিন্তু এই ঘটনা আমার মধ্যেও আবেগ এনে দিয়েছে। আমি সেই জায়গায় ফিরে গিয়েছি, যেখান থেকে সব কিছু শুরু হয়েছিল। আমার গলা বুজে আসছে। কিন্তু বুকে আগুন অনুভব করছি এটা ভেবে যে, আবার কেকেআরের জার্সি পরতে পারব। আমি শুধু কেকেআরে ফিরছি না। আমি কলকাতায় ফিরছি। জয়ের খিদে নিয়ে ফিরছি। আমি কেকেআরের ২৩ নম্বর। আমি কেকেআর।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: ঠিক যেন বলিউডের ‘স্পেশাল ২৬’! সোনা গলানোর দোকানে কী কাণ্ডটাই না ঘটল

    Hooghly: ঠিক যেন বলিউডের ‘স্পেশাল ২৬’! সোনা গলানোর দোকানে কী কাণ্ডটাই না ঘটল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন অক্ষয় কুমারের স্পেশাল ২৬ সিনেমা। সিনেমার কায়দায় সোনা গলানোর দোকানে লুট ভুয়ো আয়কর আধিকারিকদের। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির (Hooghly) শ্রীরামপুর কুমিরজলা রোডে একটি সোনা গলানোর দোকানে। নকল অভিযান চালায় কয়েকজন। ঠিক যেমন বলিউড ছবি স্পেশাল ২৬ এ অক্ষয় কুমার অনুপম খেররা করেছিলেন। ইতিমধ্যেই ব্যবসায়ীদের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    সোনার গয়না, টাকা হাতিয়ে উধাও ভুয়ো আয়কর আধিকারিকরা (Hooghly)

    হুগলির (Hooghly) পোলবার মদের খারখানায় আয়কর হানার ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই নকল আয়কর হানার ঘটনা ঘটল শ্রীরামপুরে। মঙ্গলবার রাত ৮টা নাগাদ হঠাৎ শুট বুট পরে চারজন কুমিরজলা রোডের ওই দোকানে হাজির হন। প্রত্যেকের গলায় আয়কর দফতরের আই কার্ড ঝোলানো ছিল। তাঁরা নিজেদের ইনকাম ট্যাক্স অফিসার পরিচয় দিয়ে তল্লাসি শুরু করেন। দোকানের মালিক মহারাষ্ট্রের যুবক। নাম অজয় ওরফে ভগবন্ত গেজগে। তাঁর মতো আরও কয়েকটি দোকান রয়েছে কুমির জলা রোডে। যাঁরা মূলত সোনা গালাই এর কাজ করেন। স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা সোনার বাট দিয়ে যায় গলানোর জন্য। সেখানে কোনও কাগজ থাকে না। সেই সুযোগ নিয়ে অজয়কে ভয় দেখানো হয়। তাঁর কাছে থেকে নগদ টাকা ও সোনা নিয়ে যায় নকল আই টি অফিসাররা। যাওয়ার সময় অজয়কে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। কিছুটা যাওয়ার পর দিল্লি রোডের কাছে নামিয়ে দিয়ে চলে যান। অজয়বাবুকে তাঁরা বলে যান, আয়কর অফিসে যোগাযোগ করতে।

    নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগে ব্যবসায়ীরা

    স্থানীয় ব্যবসায়ীরা পুলিশকে জানায় বিষয়টি। শ্রীরামপুর থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। আয়কর অফিসার পরিচয় দেওয়া ব্যাক্তিরা আসলে কারা তা খতিয়ে দেখথে ভুয়ো বলেই প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে পুলিশ। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভুয়ো আয়কর হানার ঘটনায় তাদের নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কায় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

    সিসি টিভি দেখে কী পেল পুলিশ?

    চন্দননগর পুলিশ কমিশনার অমিত পি জাভালগি বলেন. সিসিটিভি ফুটেজে পাওয়া গেছে তিনজন ছিল। সন্দেহ এই গ্যাং আগেও এই ধরনের অপরাধ করেছে। ফুটেজ দেখে অভিযুক্তদের চিহ্নিতের কাজ চলছে। আশা করি, খুব দ্রুত ধরা পড়ে যাবে

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share