Blog

  • Murshidabad: বিপন্ন শৈশব! স্কুলে খিচুড়ি আনতে যাচ্ছিল শিশুরা, আচমকা বোমা বিস্ফোরণ

    Murshidabad: বিপন্ন শৈশব! স্কুলে খিচুড়ি আনতে যাচ্ছিল শিশুরা, আচমকা বোমা বিস্ফোরণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বল ভেবে খেলতে গিয়ে ফরাক্কায় (Murshidabad) বোমা ফেটে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটল। স্কুল সংলগ্ন অঙ্গনওয়াড়ির সামনেই ঘটল এই বিস্ফোরণের ঘটনা। শিশুরা স্কুলের সামনে খেলতে গিয়ে এই বিপত্তি ঘটে। ঘটনায় এলাকায় তীব্র শোরগোল পড়েছে। উল্লেখ্য, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময়ে সবথেকে বেশি বোমা বিস্ফোরণ, বোমা উদ্ধার এবং মৃত্যু এই জেলায় ঘটেছিল। অবৈধ বোমা উদ্ধারে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তৃণমূল নেতাদের নাম ঘটনাগুলির সঙ্গে যুক্ত বলে বিজেপি বারবার অভিযোগ করেছে। শুধু তাই নয় রাজ্যে শীতলকুচি, ভাঙড়, ভাটপাড়া, হাবড়া, এগরা ইত্যাদি এলাকায় ব্যাপক বোমাবিস্ফোরণের ঘটনায় রাজ্য রাজনীতি উত্তাল হয়ে উঠেছিল। এত কিছুর পরেও বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় ফের একবার প্রশাসনের বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠছে।

    ফরাক্কার কোথায় ঘটল ঘটনা (Murshidabad)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনা ঘটেছে ফরাক্কার ইমামনগর (Murshidabad) এলাকায়। স্কুলে খিচুড়ি আনতে যাচ্ছিল ওই শিশুরা। স্কুলের পাশেই অঙ্গনওয়াড়ির কেন্দ্র। এখানে খিচুড়ি রান্না চলছিল জোর কদমে। এরপর খুচুড়ি নিতে গিয়ে সামনেই খেলা করছিল ওই ছাত্ররা। হঠাৎ এক সময়, শিশুদের মধ্যে এক শিশু গোলাকার একটা বস্তু দেখে, খেলার বল ভেবে হাতে তুলে নেয়। আর তারপর আচমকা বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। একই ভাবে পাশে থাকা আরও দুই শিশু বোমার তীব্রতায় গুরুতর আহত হয় বলে জানা গিয়েছে।

    আহত শিশুদের নেওয়া হল হাসপাতালে

    বোমার বিস্ফোরণের শব্দ শুনে আশেপাশের মানুষ ছুটে আসেন। এরপর আহত শিশুদের দ্রুত উদ্ধার করে জঙ্গিপুর (Murshidabad) মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বোমার আঘাতে শিশুদের দেহে দারুণ ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে যে শিশুটি বোমা হাতে তুলে নিয়েছিল, তার অবস্থা বেশ সঙ্কটজনক। দেহের মধ্যে বোমার অংশ বিশেষ গেঁথে গিয়ে অনেকটা পরিমাণে শরীর ঝলসে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    পুলিশের বক্তব্য

    অঙ্গনওয়াড়ির সামনে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলা সুপার আনন্দ রায় বলেছেন, “বিস্ফোরণের খবর পেয়েই ফরাক্কা (Murshidabad) থানার পুলিশ ঘটনা স্থলে পৌঁছে যায়। এখন পুরো ঘটনার তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। কারা বোমা রেখেছিল? কোনও প্রকার ষড়যন্ত্র রয়েছে কিনা তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।” তবে ঘটনায় তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Exercise: ঘণ্টার পর ঘণ্টা শরীরচর্চা কি বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে ? কী বলছে নয়া গবেষণা?

    Exercise: ঘণ্টার পর ঘণ্টা শরীরচর্চা কি বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে ? কী বলছে নয়া গবেষণা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    স্থূলতার সমস্যা হোক কিংবা ডায়বেটিস, যে কোনও রোগের নিরাময়ের জন্য ওষুধের পাশপাশি শরীরচর্চায় (Exercise) বিশেষ নজরদারির পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞ মহল। এমনকি মানসিক চাপ কমাতেও প্রয়োজন নিয়মিত শরীরচর্চা। কিন্তু সেই শরীরচর্চাও ডেকে আনতে পারে বিপদ! শরীরচর্চার জেরেই শরীরে বাসা বাঁধে নানা রোগ! এমনই কথা জানা গেল এক সাম্প্রতিক গবেষণায়। তাই বিশেষজ্ঞ মহলের পরামর্শ, যে কোনও কাজেই লাগাম জরুরি। তা না হলেই বিপত্তি।

    কী বলছে সাম্প্রতিক গবেষণা? 

    সম্প্রতি এক আন্তর্জাতিক গবেষণাপত্রে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, অতিরিক্ত শরীরচর্চা (Exercise) শরীরে সংক্রামক রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। গত কয়েক বছর ধরে ব্রিটেন এবং সুইজারল্যান্ডের একদল বিজ্ঞানী বিশ্বের পাঁচ হাজার মানুষের উপর গবেষণা চালিয়েছেন। আর তার পরে তাঁরা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত শরীরচর্চা আসলে বিপজ্জনক। ওই গবেষণাপত্রে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, অতিরিক্ত জিম বা শরীরচর্চার জেরে দেহে রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমতে থাকে। আর তার ফলেই যে কোনও ধরনের সংক্রামক রোগে আক্রান্তের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই অতিরিক্ত শরীরচর্চা করলে সাধারণ ভাইরাসঘটিত রোগ হোক কিংবা করোনার মতো মহামারি, যে কোনও ভাইরাসঘটিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি হয়।

    কেন বাড়ছে সংক্রমণের ঝুঁকি? 

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীর চর্চা (Exercise) প্রয়োজন অনুযায়ী করা উচিত। কিন্তু অনেকেই দিনের বেশির ভাগ সময় জিমে কাটাচ্ছেন। প্রয়োজনের অতিরিক্ত ক্যালোরি বার্ন করছেন। পেশিকে দুর্বল করে তুলছেন। আবার সেই অনুযায়ী প্রয়োজনীয় খাবার খাওয়া হচ্ছে না। এর ফলে, শরীর দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। পেশি ক্লান্ত থাকছে। তাই শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমছে। আর এর জেরেই যে কোনও সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে।

    কী পরামর্শ দিচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল? 

    চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, জিমের প্রয়োজন আছে কিনা, তা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে তবেই করা উচিত। শুধুমাত্র সখের জন্য নয়। শারীরচর্চা কতখানি জরুরি, তা না জেনে করলে বিপদ বাড়বে। চিকিৎসকদের পরামর্শ, নিয়মিত হাঁটা শরীরের জন্য সবচেয়ে উপকারি। তাই নিয়ম করে ৪০ মিনিট হাঁটলে, স্থূলতা, ডায়বেটিস কিংবা হৃদরোগের মতো এড়ানো যাবে একাধিক সমস্যা। পাশপাশি যোগাভ্যাসে অভ্যস্থ হলেও একাধিক শারীরিক সমস্যা এড়ানো সম্ভব। তবে, নিয়মিত জিম করলেও উপকার পাওয়া যায়। কিন্তু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া জিম করলে সমস্যা হতে পারে। তাই সেক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মতো শরীরচর্চা করা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। তবে, শরীরচর্চার পাশপাশি পুষ্টিকর পরিমিত খাবার নিয়ম করে খেতে হবে বলেও জানাচ্ছেন চিকিৎসকেরা। কারণ, একদিকে শরীর সুস্থ রাখতে যেমন শরীরচর্চা (Exercise) জরুরি, তেমনি রোগ প্রতিরোধ শক্তি বজায় রাখতে পুষ্টিকর খাবার প্রয়োজন। তা না হলে শরীরচর্চায় বিপদ বাড়বে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: হার্টের সমস্যা নেই, অথচ বালু রয়েছেন এসএসকেএম-এর কার্ডিওলজি বিভাগে!

    Ration Scam: হার্টের সমস্যা নেই, অথচ বালু রয়েছেন এসএসকেএম-এর কার্ডিওলজি বিভাগে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শারীরিক অসুস্থতার কারণে এসএসকেএম-এ ভর্তি হলেন রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে (Ration Scam) ধৃত জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। রাজ্যের মন্ত্রীর নেই হার্টের সমস্যা, অথচ ভর্তি কার্ডিওলজি বিভাগে। বিরোধীরা অবশ্য বলছেন, এটা রাজনৈতিক অসুখ। এদিনই বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ মন্ত্রীকে নিশানা করে বলেন, ‘‘এসএসকেএম একটা ঘুঘুর বাসা। সব নেতা ওখানে যেতে চান। ওখানে রিপোর্ট তৈরি করা হয়। রাজ্য সরকারের মন মোতাবেক সব কিছু হয়। প্রথম থেকেই সবাই ওখানে যাওয়ার চেষ্টা করেন। জানিনা কোর্ট কেন অনুমতি দিচ্ছে। ইডি-সিবিআই আটকানোর চেষ্টা করে হয়তো সফল হয়নি। ওখানে গিয়ে ওরা একটা মৃত সঞ্জীবনী পায়। হয় জামিন হবে, নাহলে সুস্থ হবেন। অসুস্থ কেউ নয়। আরাম করার ভালো ব্যবস্থা।’’

    দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদের আশ্রয়স্থল এসএসকেএম

    এসএসকেএম যেন সিবিআই-ইডির (Ration Scam) হাত থেকে বাঁচার একটা বড় আস্তানা হয়ে উঠেছে। এখন নয়, ১০ বছর আগেই সারদাকাণ্ডে সমন পেয়ে মদন মিত্র শুরু করেছিলেন। এর পরবর্তীকালে একই ধারা বজায় রাখেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে এসএসকেএম থেকে সোজা পাঠানো হয় ভুবনেশ্বরের এইমস হাসপাতালে। সেখানে অবশ্য চিকিৎসকরা তাঁকে ফিট সার্টিফিকেট দেন। এরপরে ইডি তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। অনুব্রত মণ্ডলের ক্ষেত্রেও একই ছবি দেখা গিয়েছে। আবার সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকু এক বেসরকারি হাসপাতাল থেকে বাইপাস সার্জারি করে ভর্তি হন এসএসকেএম-এ।

    কার্ডিওলজি বিভাগের পাঁচ নম্বর কেবিনে বালু

    রাজ্যের বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক অবশ্য কার্ডিওলজি বিভাগের (Ration Scam) পাঁচ নম্বর কেবিনে বর্তমানে রয়েছেন। ভর্তি হয়েছেন কার্ডিওলজি বিভাগে, অথচ তিনি হার্টের চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে নেই। নিউরোলজি বিভাগের চিকিৎসকরা তাঁকে চিকিৎসা করছেন বলে জানা গিয়েছে। জ্যোতিপ্রিয়র চিকিৎসার জন্য যে মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে সেখানেও কার্ডিওলজি বিভাগের কোনও চিকিৎসক নেই বলে জানা গিয়েছে। এসএসকেএম-এ আসার পরেই ইমার্জেন্সিতে আড়াই ঘণ্টা ডাক্তারদের পর্যবেক্ষণে ছিলেন বালু। এই সময়ের মধ্যেই তাঁকে একাধিক পরীক্ষা করানো হয়। দেখে যান কার্ডিওলজি বিভাগের চিকিৎসকরা। তাঁরা বলেন, বুকে সেরকম কোনও সমস্যা নেই মন্ত্রীর। তাঁদের পরেই আসেন নিউরোলজি বিভাগের চিকিৎসকরা। এরপরই ঠিক হয় মন্ত্রীকে নিউরোলজি মেডিসিনের চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা করা হবে।

    হাসপাতালে ইডি

    বুধবারই হাসপাতালে আসেন ইডি আধিকারিকরা। এই প্রতিবেদন যখন লেখা হচ্ছে তার ঠিক দু’ঘণ্টা আগেও হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনে দেখা গিয়েছে ইডি আধিকারিকদের (Ration Scam)। জানা গিয়েছে, হাসপাতালের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন ইডি অফিসাররা। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ভর্তি হওয়া মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতেই হাসপাতালে এসেছেন ইডি-এর অফিসাররা। পাশাপাশি মনে করা হচ্ছে, নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার হওয়া সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রর শারীরিক অবস্থা জানতেও হাসপাতালে আসতে পারেন ইডি গোয়েন্দারা। প্রসঙ্গত, গত ২২ আগস্ট কালীঘাটের কাকু ভর্তি হন এসএসকেএম-এ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: রাজ্যে চাকরি নেই! হতাশ হয়ে মর্মান্তিক পরিণতি বিএড পড়ুয়ার

    Murshidabad: রাজ্যে চাকরি নেই! হতাশ হয়ে মর্মান্তিক পরিণতি বিএড পড়ুয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক দুর্নীতি নিয়ে রাজ্যজুড়ে তোলপাড় চলছে। নিয়োগ নিয়ে চলছে নানা আইনি জটিলতা। এরই মধ্যে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) দৌলতাবাদে এক বিএড পড়ুয়ার আত্মহত্যাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের চাকরির অবস্থা কতটা খারাপ, নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিল। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম অনুরাগ সরকার। ২৪ বছরের ওই যুবক বিএডের প্রথম বর্ষের পড়ুয়া ছিলেন। তাঁর বাড়ি দৌলতাবাদের বাজারপাড়া এলাকায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অনুরাগ বিএড কোর্সে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই হতাশায় ভুগছিলেন। আইনি জটিলতায় শিক্ষকের নিয়োগ হচ্ছে না দেখে বন্ধুদের কাছেও প্রায়শই হতাশার কথা বলতেন তিনি। অনুরাগের এক আত্মীয় বলেন, বিএডে ভর্তি হওয়ার পর থেকে প্রায়ই বলত, ভুল করলাম। চাকরিটা কি হবে? না, ফালতু পয়সা নষ্ট হল। অন্য কিছু করলে ভাল হত। সকালে জলখাবার খেয়ে নিজের ঘরে ঢুকে যান তিনি। দীর্ঘ ক্ষণ ঘর থেকে না বেরোনোয় সন্দেহ হয় বাড়ির লোকজনের। প্রথমে ডাকাডাকি করেও সাড়া পাননি কেউ। ভিতর থেকে দরজা বন্ধ ছিল। শেষে দরজা ভেঙে ঘরের ভিতরে ঢুকতেই তাঁরা যুবককে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু, কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) দৌলতাবাদ থানার পুলিশ। ঘরে তল্লাশি চালিয়ে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়। তাতে লেখা রয়েছে, আমি হতাশতবে, কারণ ব্যাখ্যা করা নেই। তবে, পরিবারের লোকজনের দাবি, চাকরির অবস্থা নিয়ে ও হকাশ ছিল। সেই কারণেই ও এরকম মর্মান্তিক সিদ্ধান্ত নিল। একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছে পুলিশ।

    মনোরোগ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান কী বললেন?

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) মেডিক্যাল কলেজ  হাসপাতালের মনোরোগ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন,তরুণ এবং যুবকদের মধ্যে অতিরিক্ত প্রত্যাশা থেকে হতাশার জন্ম নিচ্ছে। মাত্রাতিরিক্ত প্রত্যাশার সঙ্গে সাফল্য মেলাতে না পেরেই চরম সিদ্ধান্তের পথ বেছে নিচ্ছে যুবক-যুবতীরা। অতি দ্রুত এ বিষয়ে আমাদের সবাইকে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন রয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tata Technologies IPO: খুলেছে টাটা টেকনোলজিস আইপিও, বিনিয়োগ করতে চান? জানুুন পদ্ধতি

    Tata Technologies IPO: খুলেছে টাটা টেকনোলজিস আইপিও, বিনিয়োগ করতে চান? জানুুন পদ্ধতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুড়ি বছর পর ভারতীয় শেয়ার বাজারে এসেছে টাটা গোষ্ঠীর কোনও সংস্থার আইপিও। বুধবারেই খুলেছে টাটা টেকনোলজিস (Tata Technologies IPO) সংস্থার আইপিও। সংস্থাটি প্রথম সারির ইঞ্জিনিয়ারিং পরিষেবা প্রদান করে। সংস্থার প্রধান প্রধান বিষয় হল আটোমোটিভ, মহাকাশ এবং ভারী যন্ত্রপাতি ইত্যাদির শিল্প। এই সংস্থায় কীভাবে বিনিয়োগ করবেন জেনে নিন।

    কারা আবেদন করতে পারবেন (Tata Technologies IPO)?

    সেবি নির্দেশিকা অনুযায়ী আইপিও (Tata Technologies IPO)-তে চার ধরনের বিনিয়োগকারীরা আবেদন করতে পারবেন— প্রাতিষ্ঠানিক ক্রেতা (কিউআইবি), খুচরা ক্রেতা, ব্যক্তিগত বিনিয়োগকারী এবং চতুর্থ প্রতিষ্ঠান নয় এমন সংগঠন (এনআইআই)। লগ্নিকারীর ট্রেডিং অ্যাকাউন্ট, ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। সেই সঙ্গে লাগবে প্যান কার্ড।

    আবেদন করতে কী কী লাগবে?

    আইপিও (Tata Technologies IPO)-তে বিনিয়োগ করতে প্রথমেই লাগবে ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট। আপনার একটি ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট থাকলে তবেই আপনি আইপিওতে বিনিয়োগ করতে পারবেন। ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট হলে আপনার সেই জায়গায় কোম্পানির দ্বারা বরাদ্দ শেয়ারের অঙ্ক সংরক্ষণ করা থাকবে। এছাড়া লাগবে একটি ট্রেডিং অ্যাকাউন্ট। পাবলিক ইস্যুর জন্য আবেদন করার আগে একটি ট্রেডিং অ্যাকাউন্ট থাকা অপরিহার্য। এর সঙ্গে লাগবে একটি ইউপিআই আইডি। আপনি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে লিঙ্ক করা একটি ইউপিআই আইডি ব্যবহার করতে পারবেন। এছাড়াও ভিম অ্যাপে একটি ইউপিআই আইডি তৈরি করতে পারেন। সর্বশেষ একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট লাগবেই। লেনদেনের জন্য আপনার একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকা প্রয়োজন।

    কীভাবে আবেদন করবেন?

    বিনিয়োগ করতে ব্রোকারের সঙ্গে আপনার অনলাইন অ্যাকাউন্টে লগ ইন করতে হবে। আপনার যদি একটি অনলাইন অ্যাকাউন্ট না থাকে তবে আপনাকে আপনার ইমেল আইডি এবং ফোন নম্বর দিয়ে লগ ইন করতে হবে এবং এরপর একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। এরপরে আইপিও তালিকা থেকে আইপিও নাম নির্বাচন করুন। তারপর লট সাইজ বা শেয়ারের সংখ্যা জমা দিন যার জন্য আপনাকে বিডে উল্লেখ করতে হবে। এছাড়াও, বিড মূল্য নির্বাচন করতে হবে। পরবর্তী ধাপে আপনার ইউপিআই আইডি লিখুন এবং সাবমিট বোতামে ক্লিক করুন। আপনাকে আপনার ইউপিআই অ্যাপে লেনদেন অনুমোদন করতে বলা হবে এবং এরপর এক্সচেঞ্জ আপনার বিড অনুমোদন করবে। আপনি ইউপিআই অ্যাপে বিজ্ঞপ্তি পাবেন। আইপিও (Tata Technologies IPO) বরাদ্দের তারিখ পর্যন্ত আবেদনে অর্থের পরিমাণ দেখাবে।

    ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিংয়ে আবেদন পদ্ধতি

    ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিংয়ের মাধ্যেমে আপনার লগ ইন আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং অ্যাকাউন্টে লগ ইন করুন। এরপর এএসবিএ-তে ক্লিক করতে হবে। এরপর আইপিও-তে ক্লিক করতে হবে। এরপর নাম আর প্যান নম্বর দিয়ে পরিমাণ রবং মূল্য ক্লিক করে সাবমিট করতে হবে।

    ফেসভ্যালু কত (Tata Technologies IPO)?

    আইপিও (Tata Technologies IPO) খোলার তারিখ হল ২২ নভেম্বর এবং বন্ধের তারিখ ২৪ নভেম্বর। ফেসভ্যালু শেয়ার প্রতি ২ টাকা। লট সাইজ ৩০ শেয়ার। মোট ইস্যু সাইজ হল ৬০,৮৫০,২৭৮ শেয়ার, টাকার মোট পরিমাণ ৩০৪২.৫১ কোটি টাকা। শেয়ার বাজারে টাটা টেকনোলজিসের শেয়ারে লিস্টিং হবে ৫ ডিসেম্বর। শেয়ার প্রতি ৪৭৫-৫০০ টাকায় ইস্যুর প্রাইস ব্যান্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রাইস ব্যান্ড কোম্পানির মূল্য দাঁড়াবে ২০,২৮৩ কোটি টাকা। লট সাইজ সম্পর্কে জানা গিয়েছে, বিনিয়োগকারীদের ন্যূনতম ৩০টি ইক্যুইটি শেয়ার এবং ৩০০ গুণিতকের শেয়ারের জন্য বিড করতে পারবেন। খুচরা এবং পাইকারিদের ন্যূনতম বিনিয়োগ হবে ১৪,২৫০ টাকা।

    গ্রে মার্কেটে কত চলছে দাম?

    গ্লোবাল ইঞ্জিনিয়ারিং পরিষেবা সংস্থার শেয়ারগুলি গ্রেমার্কেট প্রতি ৮৫০ টাকায় পাওয়া যাবে। প্রতি শেয়ার ৫০০ টাকার উপরের প্রাইস ব্যান্ডের ৭০ শতাংশ প্রিমিয়ার গ্রে মার্কেটে দর উঠেছে। গ্রে মার্কেট হল একটি আনুষ্ঠানিক প্ল্যাটফর্ম যেখানে আইপিও (Tata Technologies IPO) শেয়ারগুলি বেচা-কেনা করা যাবে।

    কী কী নেতিবাচক বিষয় রয়েছে?

    টাটা টেকনোলজিসের এই আইপিওর (Tata Technologies IPO) ভিডিও টাটা মোটরস লিমিটেড এবং জাগুয়ার ল্যান্ড রোভারের টোটাল অপারেটিং ইনকাম প্রায় ৪০ শতাংশ। কোনও কোম্পানির ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু রাজস্ব নির্ভর করলে অত্যন্ত চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।

    কোম্পানির বেশিরভাগ আয়ের অনেকটাই ইলেকট্রনিক বা নিউ এনার্জির যানবাহনের উপর নির্ভর করে। স্টার্টআপ কোম্পানি হিসাবে এই কোম্পানিগুলির ফান্ড পরিচালনা, পণ্যের চাহিদা, সংস্থার বৃদ্ধি, ঋণ, মালিকানা পরিবর্তনের ফলে অনিশ্চয়তা রয়েছে। ফলে বিরূপ প্রভাবও ফেলতে পারে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ICC: ক্রিকেটে নয়া নিয়ম! সময় নষ্ট বন্ধ করতে উদ্যোগী আইসিসি, আসছে স্টপ-ক্লক

    ICC: ক্রিকেটে নয়া নিয়ম! সময় নষ্ট বন্ধ করতে উদ্যোগী আইসিসি, আসছে স্টপ-ক্লক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ওভার শেষ করতে সক্রিয় আইসিসি। ক্রিকেট ম্যাচে সময় নষ্ট করা আটকাতে নতুন পদক্ষেপ হিসেবে সাদা বলের ক্রিকেটে স্টপ-ক্লক (Stop-Clock) চালু করতে চলেছে আইসিসি (ICC)। ২০২৩-এর ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত পরীক্ষামূলকভাবে স্টপ-ক্লক ব্যবহার করা হবে। এক ওভার শেষ হওয়ার পর পরের ওভার শুরু করতে ফিল্ডিং টিম অতিরিক্ত সময় নিয়ে ফেলছে কি না, সেটাই মেপে দেখা হবে স্টপ-ক্লকে।

    স্টপ ওয়াচ-এর ব্যবহার

    সদ্য শেষ হওয়া বিশ্বকাপেও একাধিক দলকে মন্থর বোলিংয়ের জন্য শাস্তি পেতে হয়েছে। এই সমস্যা সমাধানে নতুন নিয়ম আনতে চলেছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। একটি দল নির্দিষ্ট সংখ্যক ওভার শেষ করতে ঠিক কত সময় নিচ্ছে, তা নিশ্চিত করতে স্টপ ওয়াচ ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপাতত পরীক্ষামূলক ভাবে ব্যবহার করা হবে স্টপ ওয়াচ। বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে আমদাবাদে হওয়া আইসিসির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সব আন্তর্জাতিক এক দিনের এবং টি-টোয়েন্টি ম্যাচে এই পদ্ধতির পরীক্ষামূলক ব্যবহার করা হবে।

    আরও পড়ুন: ঘরের মাঠে অপরাজেয় তকমা হাতছাড়া! কাতারের বিরুদ্ধে ৩-০ গোলে হার ভারতের

    নয়া নিয়মে জরিমানা

    নতুন নিয়মে বলা হয়েছে, প্রতিটি ওভার শেষ হওয়ার ১ মিনিটের মধ্যে পরের ওভার করার জন্য প্রস্তুত হতে হবে দলগুলিকে। নিয়ম না মানলে থাকছে জরিমানা। নতুন ওভার শুরু করতে ১ মিনিটের বেশি দেরি ফিল্ডিং টিম যদি তিনবার করে ফেলে, তাহলে তাদের পাঁচ রান জরিমানা হবে। ব্যাটিং টিম ভালো খেললে অনেক সময় খেলার গতি মন্থর করে দেওয়ার চেষ্টা করে বোলাররা। তাতে সম্পূর্ণ মদত থাকে অধিনায়ক এবং অন্যান্য ফিল্ডারদের। এসব আটকাতেই স্টপ-ক্লকের আমদানি। আইসিসি কর্তাদের ধারণা নতুন এই নিয়ম দুই ওভারের মাঝে ক্রিকেটারদের সময় নষ্ট করার প্রবণতা কমাবে। তাতে বৃদ্ধি পাবে খেলার গতি। মন্থর বোলিংয়ের প্রবণতা কমানোর পাশাপাশি পিচ এবং আউটফিল্ডের মানের সার্বিক উন্নয়নের উপরেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে আইসিসির বৈঠকে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: মরশুমে প্রথম বার ২০ ডিগ্রি কলকাতায়! শীত কি চলে এল?

    Weather Update: মরশুমে প্রথম বার ২০ ডিগ্রি কলকাতায়! শীত কি চলে এল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হালকা চাদর গায়ে তুলেছে কলকাতা। রাতে কিংবা ভোরের দিকে হিমেল হাওয়ায় শিরশিরে ভাব। গ্রামাঞ্চলে তো বটেই, কলকাতা ও শহরতলিতেও অনায়াসেই ঠাওর করা যাচ্ছে পারদ পতন। এসবের মধ্যেই বুধবার চলতি মরশুমে এই প্রথম ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে নামল কলকাতার তাপমাত্রা (Weather Update)। বুধবার সকালে আলিপুরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

    মেঘ সরতেই পারদ-পতন

    ডিসেম্বর আসতে হাতে মাত্র কিছুদিন। মেঘ সরতেই পারদ নেমেছে কলকাতায় (Weather Update)। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস বলছে, আগামী কয়েকদিনে আরও কিছুটা নামতে পারে কলকাতার পারদ। তবে শীত আসতে এখনও ঢের দেরি বলেই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, চলতি সপ্তাহেই তাপমাত্রার পারদ নামতে শুরু করবে দক্ষিণবঙ্গে। ২০ ডিগ্রির পাশাপাশি আসতে পারে তাপমাত্রা। পশ্চিমের জেলাগুলিতে বর্তমানে ২০ ডিগ্রির নিচে রয়েছে তাপমাত্রা। শনি-রবিবারের মধ্যে এই জেলাগুলিতে ১৫ ডিগ্রিতে পৌঁছবে তাপমাত্রা। তবে, এখনই কড়া শীত পড়বে না। হেমন্তের এই সময়ে প্রতি বছরই আবহাওয়া এরকমই থাকে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

    আরও পড়ুন: ঘরের মাঠে অপরাজেয় তকমা হাতছাড়া! কাতারের বিরুদ্ধে ৩-০ গোলে হার ভারতের

    কী বলছে হাওয়া অফিস

    হাওয়া অফিসের (Weather Update) পূর্বাভাস রয়েছে, আগামী শুক্র-শনিবারে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে যেতে পারে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। আগামী ৪-৫ দিন দক্ষিণবঙ্গের (South Bengal) সমস্ত জেলার আবহাওয়াই শুষ্ক থাকবে। কোনও জেলায় আপাতত বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। তবে, উত্তরবঙ্গের দুই জেলাতে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। উত্তরবঙ্গের (North Bengal) দার্জিলিং এবং কালিম্পং জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মৌসম ভবন সূত্রে খবর, একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে আন্দামান সাগর সংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপাসগারে এবং অন্যটি অবস্থান করছে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরের কোরোমিন অঞ্চলে। মাঝেমাঝেই এই নিম্নচাপ শীত প্রবেশে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: শিষ্টাচারের সীমা লঙ্ঘন! মোদিকে ‘অপয়া’ বলে আক্রমণ রাহুলের, তীব্র প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    Narendra Modi: শিষ্টাচারের সীমা লঙ্ঘন! মোদিকে ‘অপয়া’ বলে আক্রমণ রাহুলের, তীব্র প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনৈতিক শিষ্টাচারের সমস্ত সীমা লঙ্ঘন করে নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) ‘পনৌতি’ বা ‘অপয়া’ বললেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। মঙ্গলবার গান্ধী নেহরু পরিবারের যুবরাজের দাবি করেন, গুজরাটের আহমেদাবাদের ভারত-অস্ট্রেলিয়া ফাইনালের দিন মাঠে নরেন্দ্র মোদির হাজির থাকার জন্যই ভারত ম্যাচ ছেড়েছে। মঙ্গলবার রাজস্থানের বারমেরে এক নির্বাচনী জনসভা থেকে এ কথা বলেন রাহুল গান্ধী। এবার তারই পাল্টা প্রতিক্রিয়া শোনা গেল বিজেপির কাছ থেকে। অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ফিরহাদ হাকিমকে এই ইস্যুতে একহাত নিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

    রবিশঙ্কর প্রসাদের বিবৃতি 

    বিজেপির মুখপাত্র তথা সাংসদ রবিশঙ্কর প্রসাদ বলেন, ‘‘তোমার মা মোদিজিকে ‘মৌত কা সওদাগর’ বলার ফল সবাই দেখছে। এবার তুমি বলে চলেছ।’’ ঘটনা হল ২০০৭ সালে গুজরাটের বিধানসভা ভোটের আগে নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) ‘মৌত কা সওদাগর’ বলে তোপ দেগেছিলেন সোনিয়া গান্ধী। সেই নির্বাচনে বিপুল ভরাডুবি হয় কংগ্রেসের। রবিশঙ্কর প্রসাদ রাহুল গান্ধীকে ১৬ বছর আগের সেই কথাই স্মরণ করালেন বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    বিজেপি নেতার ট্যুইট ও কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া 

    অন্যদিকে বিজেপি নেতা রাজীব চন্দ্রশেখর রাহুল গান্ধীকে তীব্র আক্রমণ করে তাঁর এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘‘তাহলে এখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজি’কে (Narendra Modi) পনৌতি বলছেন রাহুল। এখানে ভণ্ডামিরও বেশি কিছু আছে। ৫৫ বছরের যে ব্যক্তি নিজে জীবনে একটা দিনেও কাজ করেননি, যাঁর পরিবার দুর্নীতির মাধ্যমে পরজীবীর মতো দশকের পর দশক ধরে দেশকে শোষণ করেছে এবং যাঁদের সরকার আর্থিক দিক থেকে দেশকে ধ্বংস করে দিয়েছিল, সেই তিনি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে যে এরকম কথা বলছেন, সেটা হতাশা এবং মানসিক অস্থিরতার পরিচয় দিচ্ছে।’’

    কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বলেন, ‘‘এটা খুবই জঘন্য মন্তব্য। ম্যাচ খেলা হয়। ম্যাচে কেউ জেতে, কেউ হারে। উনি কংগ্রেসের ঐতিহ্য বজায় রাখছেন।’’

    শুভেন্দুর প্রতিক্রিয়া

    এই ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ফিরহাদ হাকিমকে তুলোধনা করে শুভেন্দু বলেন, ‘‘আমাদের দেশে কিছু লোক আছেন যাঁরা এখানে খান, এখানে ঘুমোন, এখানেই দাদাগিরি, মাতব্বরি করেন আর রাষ্ট্রবিরোধী কথা লেখেন সোশ্য়াল মিডিয়ায়, ফেসবুকে পোস্ট করেন। ভারত কাল হেরে যাওয়ার পর দেশের সরকারকে দায়ী করেন। প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে মিম করেন। এটা অন্যায়। বিদেশি শক্তির সঙ্গে লড়াইয়ের আগে দেশের ভিতরে থাকা এই সমস্ত হামাসগুলিকে চিহ্নিত করে উৎখাত করার দরকার আছে। যা হয়েছে তা অত্যন্ত আপত্তিকর, ঘৃণ্য। এগুলি হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশ্রয়ে। তিনি ভারতীয় দলের প্র্যাকটিস জার্সির গেরুয়া রং নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। ছাপ্পা মেরে ভোটে জেতা কলকাতার মেয়র বলেছেন, নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) নামাঙ্কিত স্টেডিয়ামে ফাইনাল না হলেই ভারত জিততো। এমনটা কোথাও হয় না।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India vs Qatar: ঘরের মাঠে অপরাজেয় তকমা হাতছাড়া! কাতারের বিরুদ্ধে ৩-০ গোলে হার ভারতের

    India vs Qatar: ঘরের মাঠে অপরাজেয় তকমা হাতছাড়া! কাতারের বিরুদ্ধে ৩-০ গোলে হার ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন (FIFA World Cup Qualifiers) পর্বে দ্বিতীয় ম্যাচেই ধাক্কা খেল ভারত। এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন কাতারের বিরুদ্ধে ০-৩ গোলে পরাজিত হল ব্লু টাইগার্সরা। আপাতত দুই ম্যাচ খেলে একটি জয় ও একটি হারের সুবাদে গ্রুপ ‘এ’-তে ভারতীয় দল দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। কাতার দুই ম্যাচ জিতে আপাতত শীর্ষে। 

    পরপর তিনটি গোল কাতারের

    বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে প্রথম ম্যাচে কুয়েতকে হারিয়েছিলেন সুনীলরা। ফলে এই ম্যাচে ভারতকে নিয়ে আশা বাড়ে। নিজেদের গত ম্য়াচ থেকে এই ম্যাচের প্রথম একাদশে ভারতীয় দল পাঁচ বদল করে মাঠে নামে। অমরিন্দর সিংহের বদলে তেকাঠির নিচে গোল আগলানোর দায়িত্ব দেওয়া হয় গুরপ্রীত সিং সান্ধুকে। গোলের দরজা খুলতে বেশি সময় লাগেনি কাতারের। চার মিনিটে মুস্তাফা নিজের দলকে ম্যাচে এগিয়ে দেন। প্রথমার্ধ কাতারের পক্ষে ১-০ শেষ হয়। দ্বিতীয়ার্ধে আলমোয়েজ গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। ম্যাচের ৮৬ মিনিটে কাতারের হয়ে হেডে তৃতীয় গোলটি করে কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন ইউসুফ।

    ঘরের মাঠেও হার

    এর আগে ভারত ঘরের মাঠে টানা ১৫ ম্যাচ অপরাজিত ছিল। তাই মঙ্গলবার ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে ভারতীয় দলের জন্য স্বপ্নের জাল বুনেছিলেন কোচ স্টিম্যাচ। কিন্তু এদিন ঘরের মাঠে শক্তিশালী কাতারের সঙ্গে পেরে উঠল না ভারত। খেলা দেখতে এদিন স্টেডিয়ামে উপস্থিত ছিলেন  আর্সেনালের প্রাক্তন কোচ আর্সেন ওয়েঙ্গার। বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে  এরপর ভারতীয় দল আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে মার্চ মাসে হোম এবং অ্যাওয়ে লেগের ম্যাচ খেলবে। তারপর কুয়েতের বিরুদ্ধে ম্যাচ। গ্রুপে শীর্ষে থাকা দুই দল ফিফা বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জন পর্বের তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Patanjali: রোগ নিরাময়ের বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন বন্ধ না করলে পতঞ্জলিকে জরিমানা, জানাল শীর্ষ আদালত

    Patanjali: রোগ নিরাময়ের বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন বন্ধ না করলে পতঞ্জলিকে জরিমানা, জানাল শীর্ষ আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে, বিভ্রান্তিকর ওষুধের বিজ্ঞাপনী প্রচার বন্ধ না করলে রামদেবের সংস্থা পতঞ্জলিকে (Patanjali) জরিমানার মুখে পড়তে হবে। আইন অনুযায়ী, রোগ নিরাময়ের জন্য কোনও রকমের ওষুধের বিজ্ঞাপন দেওয়া যায় না। এর জন্য ১৯৫৪ সালেই পাশ হয়েছিল The Drugs and Magic Remedies Act (Objectionable Advertisement)। এই আইন অনুযায়ী, বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে কোনও ব্যক্তি বা সংস্থা দাবি করতে পারবে না যে তাদের কোম্পানির ওষুধ ব্যবহার করলে নির্দিষ্ট রোগ নিরাময় হবে। অথবা যে কোনও রকমের কালাজাদুর মাধ্যমে রোগনিরাময় হবে, এমন দাবিও বেআইনি।

    ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের আবেদনের শুনানি 

    প্রসঙ্গত, ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের একটি আবেদনের শুনানি ছিল মঙ্গলবার। এখানে বিচারপতি আহসানউদ্দিন আমানুল্লাহ এবং বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রর ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে যে, এই ধরনের বিজ্ঞাপনী প্রচার বন্ধ না করলে পতঞ্জলির (Patanjali) প্রতিটি পণ্যের উপরে ১ কোটি টাকা করে জরিমানা করা হবে। প্রসঙ্গত লকডাউনের সময় করোনিল কিট বাজারে এনেছিল পতঞ্জলি। রামদেবের সংস্থার দাবি ছিল, এই কিট ব্যবহারে করোনা থেকে রেহাই মিলবে। তখনও পতঞ্জলির (Patanjali) বিরুদ্ধে মিথ্যা বিজ্ঞাপনী প্রচারের অভিযোগ এনেছিল আইএমএ। ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের দায়ের করা ওই পিটিশনে অভিযোগ আনা হয় যে অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসাকে টার্গেট করে এবং ছোট করে রোগ নিরাময়ের বিষয়ে মিথ্যা দাবি করে পতঞ্জলি।

    মামলার পরবর্তী শুনানি ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

    সুপ্রিম কোর্ট এদিন আরও জানিয়েছে, সংবাদপত্রে অথবা যে কোনও টিভি চ্যানেলে অপ্রমাণিত এই জাতীয় বিজ্ঞাপন দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে পতঞ্জলিকে (Patanjali)। এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে ২০২৪ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি। শীর্ষ আদালত এদিন তাদের পর্যবেক্ষণে আরও জানিয়েছে যে তাঁরা এই মামলাটিকে আয়ুর্বেদিক বনাম অ্যালোপ্যাথিক ওষুধ করতে চান না। বরং যে বিষয়ে পিটিশন দাখিল হয়েছে সেটারই সমাধান করতে চান।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share