Blog

  • Indian Railway: ১৫ অগাস্টের ছুটিতে গন্তব্য উত্তরবঙ্গ! স্পেশাল ট্রেন চালাচ্ছে রেল, জানেন তো?

    Indian Railway: ১৫ অগাস্টের ছুটিতে গন্তব্য উত্তরবঙ্গ! স্পেশাল ট্রেন চালাচ্ছে রেল, জানেন তো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে স্পেশাল ট্রেন চালাবে ভারতীয় রেলওয়ে (Indian Railway)। ঘুরতে পেলে বাঙালি যে আর কিছুই চায় না! একথা ভারতীয় রেল নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছে। ভ্রমণপিপাসু বাঙালি স্বাধীনতা দিবসের ছুটি উপভোগ করতে পারবেন উত্তরবঙ্গের কোনও অরণ্য বা পার্বত্য নদীর কিনারায়। অন্তত ভারতীয় রেলের (Indian Railway) উদ্যোগ তেমনই। চলতি বছরের স্বাধীনতা দিবস পড়েছে মঙ্গলবার। সোমবার অবশ্য ১৪ অগাস্ট, কর্মক্ষেত্রে এই দিনটি ম্যানেজ করতে পারলেই আর চিন্তা নেই। কারণ ১২ ও ১৩ অগাস্ট হচ্ছে শনিবার ও রবিবার। আপনার যে কোনও ভাবে চারদিনের একটি ছোটখাট ট্যুর হয়ে যেতেই পারে।

    কবে ছাড়ছে স্পেশাল ট্রেন

    এই সমস্ত দিক বিবেচনা করে ০৩১০৩ শিয়ালদা-নিউ জলপাইগুড়ি এক্সপ্রেস স্পেশাল ট্রেন (Indian Railway) চালানোর বন্দোবস্ত করছে ভারতীয় রেল। রেলের তরফে জানা গিয়েছে, আগামী ১১ অগাস্ট শুক্রবার রাতে শিয়ালদহ থেকে ছাড়বে স্পেশাল ট্রেন। রাত ১১টা ৪০মিনিটে শিয়ালদহ স্টেশন ছেড়ে, এই ট্রেন নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনের উদ্দেশে রওনা দেবে। ভ্রমণপ্রিয় বাঙালিকে নিয়ে ছুটবে উত্তরবঙ্গের মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশের দিকে। ট্রেনের এই যাত্রাপথে নৈহাটি, ব্যান্ডেল কাটোয়া, আজিমগঞ্জ, জঙ্গিপুর, মালদা স্টেশনে দাঁড়াবে এই ট্রেন। শনিবার, ১২ অগাস্ট ঠিক বেলা ১০:৪৫ মিনিট নাগাদ এই ট্রেন পৌঁছাবে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে। তারপর নিজের মতো করে পর্যটকরা কেউ পৌঁছাবেন পার্বত্য দার্জিলিং, সিকিমে অথবা ডুয়ার্সের কোনও রিসর্টে।

    কবে কাটতে পারবেন স্পেশাল ট্রেনের টিকিট

    রেলের তরফে জানানো হয়েছে, আজ, বৃহস্পতিবার ১০ অগাস্ট সকাল আটটা থেকে যে কোনও সংরক্ষণের জন্য নির্ধারিত টিকিট কাউন্টার থেকে এই ট্রেনের (০৩১০৩ শিয়ালদা-নিউ জলপাইগুড়ি এক্সপ্রেস) জন্য টিকিট কাটা যাবে। তবে যাত্রীরা তৎকাল টিকিটের সুবিধা পাবেন না এই ট্রেনে। ট্রেনে এসি কোচের সুবিধাও মিলবে। তবে অন্যান্য ট্রেনের থেকে এই স্পেশাল ট্রেনের (Indian Railway) ভাড়া একটু বেশি পড়বে। তবে তাতে নিশ্চিতভাবেই হতাশ হবেন না ভ্রমণপ্রিয় বাঙালি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বৃহস্পতিবার, ১০/০৮/২০২৩)

    Daily Horoscope: জেনে নিন আপনার রাশিফল (বৃহস্পতিবার, ১০/০৮/২০২৩)

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য–কেমন কাটবে দিন?

    মেষ

    ১) টাকা-পয়সার বিষয়ে কারও সঙ্গে তর্কাতর্কি হতে পারে।

    ২) আয়ের চেয়ে বেশি ব্যয় বা লোকসান হবে।   
         
    বৃষ

    ১) আজ ঋণ নেওয়ার কোনও চেষ্টাই করবেন না, তা না-হলে হতাশ হবেন।

    ২) শত্রুদের থেকে সতর্ক থাকুন।

    মিথুন

    ১) ঋণ নেওয়ার ইচ্ছা না-থাকলেও পরিস্থিতির সামনে মাথা নত করে ঋণ নিতে হবে।

    ২) কাঁধ বা পিঠে ব্যথা হতে পারে।
      
    কর্কট

    ১)  দীর্ঘযাত্রার পরিকল্পনা তৈরি করবেন। খাওয়া-দাওয়ায় সংযমী হন।

    ২) পরবর্তীকালে পেটে ব্যথা হতে পারে।

                 
    সিংহ 

    ১) সন্ধ্যাবেলা আর্থিক লাভ হওয়ায় স্বস্তি পাবেন। ঋণ নিতে হবে।

    ২) যাত্রা এড়িয়ে যান, না-হলে অর্থের অপচয় হবে ও স্বাস্থ্য দুর্বল হতে পারে।        

    কন্যা

    ১) পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি ঈর্ষা ও স্বার্থপরতা থাকবে। 

     ২) পরিবারের কোনও সদস্য হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন। ব্যয়ের যোগ রয়েছে।        

    তুলা 

    ১) বিলম্ব হওয়া সত্ত্বেও লাভ হবে, তবে প্রত্যাশার চেয়ে কম।

    ২) বিলাসিতা কামনা করবেন ও আমোদ-প্রমোদে ব্যয় করবেন।
     
    বৃশ্চিক

    ১) নিজের কাজ ছেড়ে অন্যের সমস্যার সমাধানে সময় নষ্ট করবেন।

    ২) চাকরিজীবীরা অতিরিক্ত কাজের চাপে অস্বস্তিতে পড়বেন।

    ধনু

    ১) লগ্নির পূর্বে কোনও অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শ নিতে ভুলবেন না।

    ২) মানসিক অবসাদ থাকবে।

    মকর

    ১) চাকরিজীবীরা শীঘ্র কাজ সম্পন্ন করার চেষ্টায় ব্যস্ত থাকবেন। তবে কাজের চাপের কারণে তা সম্ভব হবে না।
     
    ২) স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।        

    কুম্ভ

    ১) পারিবারিক পরিবেশে অশান্তি থাকবে।

    ২) পরিজন কোনও দামি জিনিসের জন্য জেদ করে আপনাকে সমস্যায় জড়িয়ে দিতে পারেন।
             

    মীন

    ১) কাজের সময়ে অন্য কোনও জায়গায় আপনার মন ছুটবে। যার ফলে ভুল হওয়ার আশঙ্কা থেকে যাবে।

    ২) স্বাস্থ্য দুর্বল থাকতে পারে।     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • TMC: বোর্ড গঠনের পর খড়গ্রামে জয়ী কংগ্রেস সদস্যের ছেলেকে কুপিয়ে খুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    TMC: বোর্ড গঠনের পর খড়গ্রামে জয়ী কংগ্রেস সদস্যের ছেলেকে কুপিয়ে খুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনের দিন ফের রক্ত ঝড়ল মুর্শিদাবাদে। আবারও খুনের অভিযোগ মুর্শিদাবাদের খড়গ্রামে। ফের বলি আরও এক প্রাণ।  এলোপাথাড়ি কুপিয়ে খুন করা হয়েছে পঞ্চায়েত ভোটে জয়ী কংগ্রেস প্রার্থীর ছেলেকে। হামলার ঘটনায় জড়িত তৃণমূল (TMC)। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। পঞ্চায়েত ভোটে বোর্ড গঠন পর্ব শুরু হতেই ফের খুনের ঘটনা ঘটল।

    ঠিক কী কারণে খুন?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,  বুধবার মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দি মহকুমার খড়গ্রাম ব্লকের শাদল গ্রাম পঞ্চায়েতের রুহি গ্রাম এলাকায় ধারালো অস্ত্রের কোপে মৃত্যু হল এক ব্যক্তির। মৃত ওই ব্যক্তির নাম হুমায়ুন খামারু। তাঁর বাড়ি খরগ্রাম থানার রুহিগ্রামে। পঞ্চায়েত নির্বাচনে হুমায়ুন খামারুর মা সানোয়ারা খামারু জাতীয় কংগ্রেসের টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়লাভ করেন। তাঁর ওই আসনে তৃণমূল (TMC) প্রার্থী হেরে যায়। ফলে, সানোয়ারা ও তাঁর পরিবারের লোকজনের রাগ ছিল। গত রবিবার সানোয়ারা বিবি কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন। ওই এলাকায় পঞ্চায়েত নির্বাচনে পরাজিত হন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী। বুধবার বোর্ড গঠনের পরই পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী ও তার দলবল মিলে সানোয়ারা বিবির ছেলে হুমায়ুন খামারুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করে বলে অভিযোগ। ভোটে জিতে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী। ভোটে হারের প্রতিশোধ নিতেই হামলার অভিযোগ পরাজিত তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে।

    কী বললেন মৃতের পরিবারের লোকজন?

    হুমায়ুনের বউদি বলেন, আমার দেওর সৌদি আরবে থাকত। ও কয়েক মাস আগে বাড়ি ফিরেছে। ওর সদ্য বিয়ে হয়েছে। ও কোনও দল করত না। আমার শাশুড়ি ভোটে জিতে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে (TMC)  যোগ দেন। এদিন তৃণমূল পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করে। তারপরই তৃণমূলের লোকজনই তাকে কুপিয়ে খুন করে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bomb Blast: কামারহাটিতে বোমা বাঁধতে গিয়ে বিস্ফোরণ, জখম ২, এলাকায় আতঙ্ক

    Bomb Blast: কামারহাটিতে বোমা বাঁধতে গিয়ে বিস্ফোরণ, জখম ২, এলাকায় আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার বিকেলে কামারহাটির ধুবিয়াবাগান এলাকায় বোমা বিস্ফোরণে (Bomb Blast) কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। বিস্ফোরণে জখম হলেন দুজন। জনবহুল এলাকায় এই ধরনের বিস্ফোরণের ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জখম দুজনের নাম শেখ নিশান এবং আব্দুল নঈম। ইতিমধ্যেই জখমদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে বোমা বাঁধতে গিয়ে বিস্ফোরণ হয়েছে। বাড়িটি সিল করে দেওয়া হয়েছে। বোমা বাঁধার কাজে আর কারা কারা ছিল তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কামারহাটির ধুবিয়াবাগান এলাকায় শেখ নিশানের বাড়ির ভিতরেই বোমা তৈরির কাজ চলছিল। শেখ নিশানের সঙ্গে আব্দুল নঈম নামে আরও এক ব্যক্তি ছিল। বোমা বাঁধতে গিয়ে আচমকাই বিস্ফোরণ (Bomb Blast) হয়। তাতে নিশানের দুহাতের বেশ কিছুটা অংশ উড়ে যায়। শরীরের নীচের অংশে গুরুতর চোট লাগে। জখম হয় আব্দুল নঈম। তবে, বোমা তৈরির কাজে আর কেউ ছিল কি না তা এখনও পরিষ্কার নয়। শেখ নিশান কামারহাটির দাপুটে তৃণমূল নেতার অনুগামীর ঘনিষ্ঠ। তবে, তাদের রাজনৈতিক পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

     প্রতিবেশীদের  কী বক্তব্য?

    প্রতিবেশীদের বক্তব্য, বিকট শব্দে গোটা এলাকা কেঁপে ওঠে। একবারই আওয়াজ হয়। তাতে গোটা এলাকার বাড়ি ঘর সব কেঁপে ওটে। আমরা ঘর থেকে বেরিয়ে দেখি নিশানের বাড়ি থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে। প্রথমে আমরা সিলিন্ডার ফেটে এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে বলে আশঙ্কা করি।  ঘরের ভিতরে গিয়ে দেখি, রক্তাক্ত অবস্থায় দুজন ছটফট করছে। আমরা সঙ্গে সঙ্গে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করি। এমনিতেই এলাকাটি অত্যন্ত ঘিঞ্জি। তাই, শুধু একটি বাড়ি নয় বিস্ফোরণে (Bomb Blast) আশপাশে আরও বাড়ির ক্ষতি এবং অনেকেই জখম হতে পারত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: ছাপ্পা ভোটের অভিযোগে বিডিও অফিসে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ বিজেপির

    South 24 Parganas: ছাপ্পা ভোটের অভিযোগে বিডিও অফিসে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নামখানা (South 24 Parganas) ব্লকের শিবরামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে আজ প্রধান গঠন ছিল। আর সেখানেই শাসক দলের হয়ে নির্বাচন অফিসার ছাপ্পা ভোট করিয়েছে এমনই অভিযোগ তুলে বিডিও অফিস ঘেরাও করল বিজেপি। সেই সঙ্গে বিজেপি কর্মীরা বিক্ষোভ দেখিয়ে তালা ঝুলিয়ে দেয় বিডিও অফিসের সামনে। অপর দিকে বোর্ড গঠনের পর ফের বোমাবাজিতে উত্তপ্ত ভাঙড়। বোমায় আহত ৫ আইএসএফ কর্মী, অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে।

    কেন তালা লাগানো হলো (South 24 Parganas)?

    মূলত শিবরামপুর (South 24 Parganas) পঞ্চায়েতে মোট ২৮ টি সিট রয়েছে। যার মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস দখল করেছে ১৭ টি, অন্যদিকে বিজেপি দখল করেছে ১০ টি এবং সিপিআইএম ১টি। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে প্রধান, উপপ্রধানের নাম ঘোষণা করা হলেও বিজেপির পক্ষ থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের জয়ী প্রার্থী অনিতা মন্ডলের নাম ঘোষণা করা হয়। আর সেখানেই নির্বাচন অফিসারের বিরুদ্ধে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ তোলে বিজেপি। এরপর বিডিও’র বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বিক্ষোভ দেখিয়ে বিডিওর অফিসে তালা ঝুলিয়ে দেয় বিজেপির কর্মী সমর্থকরা।

    বিজেপির বক্তব্য

    মূলত বিজেপির অভিযোগ, বিডিও (South 24 Parganas) হলেন বোর্ড গঠনের নির্বাচন অফিসার, তিনি শাসকদলেকে মদত করতে, শাসক দলের হয়ে ছাপ্পা ভোট করান। ফলে শাসকদলের মনোনীত অর্চনা মাইতিকে প্রধান ও দেবাশীষ দাসকে উপপ্রধান হিসেবে নাম ঘোষণা করেছেন বিডিও। বিজেপিকে বোর্ড গঠনে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি এবং ভোটদান করতেও দেওয়া হয়নি। আর এই নিয়ে আজ বুধবার দিন নামখানা বিডিও অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। পাশাপাশি পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনের পর ভাঙড় আবারও উত্তপ্ত হয়ে পড়েছে। তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বোমাবাজি করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

    ফের বোমাবাজি ভাঙড়ে

    পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠনের পর আবারো উত্তপ্ত ভাঙড় (South 24 Parganas)। পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠনের পরে আইএসএফ কর্মীদের লক্ষ্য করে বোমা ছোড়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এমনই ঘটনা ঘটেছে কাশিপুর থানার মাঝেরহাট গ্রামে। বোর্ড গঠনের পরে এই ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে কাশিপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। তৃণমূল কর্মীদের মারা বোমের আঘাতে পাঁচ জন আইএসএফ কর্মী আহত হয়েছে বলে দাবি। আহতদের উদ্ধার করে জিরান গাছা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। গোটা ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছে মাঝেরহাট গ্রামের আইএসএফ কর্মীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: ‘টাকার বিনিময়ে তৃণমূলের উপ প্রধান বদল’, সরব দলের একাংশ, শাসক দলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    TMC: ‘টাকার বিনিময়ে তৃণমূলের উপ প্রধান বদল’, সরব দলের একাংশ, শাসক দলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বোর্ড গঠনের দিনই তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এল। ব্লক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ এনে সরব হলেন দলেরই একাংশ। বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে মালদার চাঁচল গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। বোর্ড গঠনের আগেই প্রকাশ্যে তৃণমূলের দলীয় কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে আসে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    খেলেনপুর বুথ থেকে তৃণমূলের (TMC) জয়ী প্রার্থী হেলি খাতুনকে উপ প্রধান করা হয়েছে। তাঁর অনুগামীদের দাবি, উপপ্রধান হিসেবে রাজ্য নেতৃত্ব হেলি খাতুনের নাম পাঠিয়েছে। কিন্তু, সেই সিদ্ধান্ত অমান্য করে ব্লক নেতৃত্ব বিরস্থল বুথ থেকে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী মুক্তার হোসেনকে উপপ্রধান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর প্রতিবাদে বোর্ড গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগেই চাঁচল গ্রাম পঞ্চায়েতের সামনে ধর্ণা দিয়ে বিক্ষোভ দেখান হেলি খাতুনের অনুগামীরা। পঞ্চায়েতের সামনে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন তৃণমূলের নেতারা। পরিস্থিতি সামাল দিতে চাঁচল থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

    বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মীদের কী বক্তব্য?

    বিক্ষুব্ধ তৃণমূল (TMC) কর্মীদের বক্তব্য, রাজ্য নেতৃত্বের পাঠানো তালিকায় এদিন সকাল পর্যন্ত উপ প্রধান হিসেবে হেলি খাতুনের নাম ছিল। এক ঘণ্টার মধ্যে ব্লক নেতৃত্ব খাম পরিবর্তন করে দেন। টাকার বিনিময়ে ব্লক নেতৃত্ব সব করেছে। আমরা এই  উপ প্রধানকে মানব না।

    বোর্ড গঠন নিয়ে কালিয়াচকে উত্তেজনা

    পঞ্চায়েত ভোট গঠন নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ালো মালদার কালিয়াচকের আলিপুর- ২ গ্রাম পঞ্চায়েতে। এদিন ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের (TMC) পক্ষের মধ্যে ব্যাপক হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়ন করা হয়। জানা গিয়েছে, আলিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে মোট আসন সংখ্যা ২৪টি। এর মধ্যে কংগ্রেস পায় দশটি আসন, নির্দল একটি, সিপিআইএম একটি আসন এবং তৃণমূল কংগ্রেস পায় ১২টি আসন। বুধবার বোর্ড গঠনের সময় কংগ্রেস পক্ষ দাবি করে তাদের সমর্থন করছে সিপিএম ও নির্দল ছাড়াও একজন তৃণমূল জয়ী সদস্য। স্বভাবতই তাদের দল থেকেই প্রধান পদের দাবী জানানো হয়। অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি তাদের পক্ষেই রয়েছে সংখ্যা গরিষ্ঠ সমর্থন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রথমে বিরোধীদের সঙ্গে ও পরে নিজেদের দলেরই অপর গোষ্ঠীর সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে তৃণমূল কংগ্রেস। নেতাকর্মীরা ঘটনার জেরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। স্থগিত করে দেওয়া হয় বোর্ড গঠন প্রক্রিয়া। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মোতায়ন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Medinipur: তৃণমূলের দৌরাত্ম্যে খড়্গপুর আইআইটির মেডিক্যাল কলেজের বহির্বিভাগের পরিষেবা বন্ধ

    Paschim Medinipur: তৃণমূলের দৌরাত্ম্যে খড়্গপুর আইআইটির মেডিক্যাল কলেজের বহির্বিভাগের পরিষেবা বন্ধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইআইটি খড়্গপুরের (Paschim Medinipur) নবনির্মিত মেডিক্যাল কলেজের বহির্বিভাগের পরিষেবা সম্প্রতি চালু হয়েছিল। তবে, স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের একটি অংশের দৌরাত্ম্যে এই পরিষেবাও সোমবার থেকে বন্ধ হয়ে গেল। বলা ভালো, শাসক দলের চাপে পরিষেবা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হলেন আইআইটি খড়্গপুর কর্তৃপক্ষ।

    মূল অভিযোগ কী (Paschim Medinipur)?

    প্রধান অভিযোগ হল, হাসপাতালের (Paschim Medinipur) ঠিকা কর্মীদের ঢুকতে বাধা দেওয়া হচ্ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, স্থানীয় বাসিন্দাদের কাজে ঢোকাতে হবে। আর কাজে বাধা দেওয়ার ফল ভুগতে হল স্থানীয় রোগীদের। মঙ্গলবার আইআইটি কর্তৃপক্ষের তরফে নোটিশ দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, অনির্দিষ্টকালের জন্য শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী মাল্টি স্পেশালিটি হাসপাতাল ( বি.সি রায় ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি) এর ‘আউটডোর’ (বহির্বিভাগ) পরিষেবা বন্ধ রাখা হচ্ছে।

    হাসপাতালের বক্তব্য

    খড়্গপুর (Paschim Medinipur) আইআইটির নবনির্মিত এই মেডিক্যাল কলেজ বা মাল্টি স্পেশালিটি হাসপাতালের একটি সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় তৃণমূল নেতা মিলন বক্সী, রূপচাঁদ মুর্মু, শারাফত আলি সহ আরও কিছু ব্যাক্তিরা কর্তৃপক্ষের উপর চাপ দেওয়া হচ্ছে। তৃণমূলের নেতাদের বক্তব্য, তাঁদের লোককে কাজে যোগদান করাতে হবে। শুধু তাই নয়, ইতিমধ্যে হাসপাতালে নিয়োগ পাওয়া কিছু প্রার্থীদের বাদ দেওয়ার দাবিও করা হয়েছে। পাল্টা কর্তৃপক্ষের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এখনে এই ধরনের অনৈতিক দাবি মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। ইতিমধ্যে যাঁরা ঠিকা কর্মী হিসাবে কাজ পেয়েছেন, তাঁরাই কাজ করবেন। আইআইটি খড়্গপুরের রেজিস্ট্রার অমিত জৈন সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, “স্থানীয়রা দিনের পর দিন, আমাদের ওই হাসপাতালে কর্মরত ঠিকা কর্মীদের ঢুকতে বাধা দিচ্ছিলেন। এমনকি তাঁদের গায়ে হাতও তোলা হয়েছে। এই হাসপাতাল তো জাতীয় সম্পত্তি। তাকে পরিচ্ছন্ন করার জন্য সাফাই কর্মীরা আসতে না পারায় বন্ধ করা ছাড়া উপায় ছিলো না!” আইআইটি খড়গপুর কর্তৃপক্ষের তরফে পুলিশ-প্রশাসনকে এই বিষয়ে জানিয়েও কাজ না হওয়ায়, শেষে হাসপাতালের বহির্বিভাগ পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয় অনির্দিষ্টকালের জন্য।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তৃণমূল কংগ্রেসের ২৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর চন্দন সিংহ সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, আইআইটি (Paschim Medinipur) কর্তৃপক্ষ স্থানীয় গ্রামবাসীদের কাজে নেওয়ার আশ্বাস দিয়েও, তা পূরণ করেননি! আর, এই সমস্ত অশান্তির কারণেই আইআইটি কর্তৃপক্ষের তরফে জেলা পুলিশ প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়ে আউটডোর পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। যদিও, এই বিষয়ে জেলা পুলিশের তরফে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে, জেলা তৃণমূলের সভাপতি সুজয় হাজরা জানান, “এই বিষয়ে এখনো পর্যন্ত আমি কিছুই জানি না। কারণ, আমরা পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন নিয়ে ব্যস্ত আছি। তবে, বিষয়টি খোঁজ নেব এবং দ্রুত উপযুক্ত ব্যবস্থা নিয়ে আউটডোর পরিষেবা চালু করার আবেদন জানাব কর্তৃপক্ষের কাছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: ভাইরাল জ্বরে কাবু হাইকোর্ট, আক্রান্ত বিচারপতি থেকে আইনজীবীরা

    Calcutta High Court: ভাইরাল জ্বরে কাবু হাইকোর্ট, আক্রান্ত বিচারপতি থেকে আইনজীবীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্বরের উত্তাপে কাঁপছে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। উচ্চ আদালতের প্রায় ৭ জন বিচারপতির জ্বর এবং অন্যান্য উপসর্গ নিয়ে অসুস্থ হয়ে রয়েছেন। এর ফলে তাঁরা বিগত কয়েকদিন ধরেই আদালতের স্বাভাবিক কাজকর্মে অংশগ্রহণ করতে পারছেন না। আক্রান্তদের তালিকায় রয়েছেন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমও। মঙ্গলবার তিনি সশরীরে এজলাসে হাজির থাকতে পারেনি। তাই ভার্চুয়াল মাধ্যমেই মঙ্গলবার বেশ কিছু মামলার শুনানি হয়।

    জ্বরে আক্রান্ত বিচারপতিরা

    প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে এদিন তাঁকে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘আশা করি আপনি ভালো আছেন।’’ তখন প্রধান বিচারপতি উত্তর দেন, ‘‘আর ৭ জন বিচারপতি জ্বরে অসুস্থ। আবহাওয়ার বদল নাকি অন্য কোনও কারণে বোঝা যাচ্ছে না। প্রধান বিচারপতি এদিন আরও জানান যে চিকিৎসকের সঙ্গে তাঁর আলোচনা হয়েছে। এবং তাঁকে সাবধানে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক। তিনি দুর্বল রয়েছেন বলেও জানান।  হাইকোর্টের (Calcutta High Court) অনেকে আবার কনজাঙ্কটিভাইটিস-এ আক্রান্ত হচ্ছে বলেও জানা গিয়েছে।

    বেশ কয়েকজন আইনজীবীও জ্বরে আক্রান্ত

    তবে মঙ্গলবার এজলাসে হাজির থাকতে না পারলেও বুধবার সশরীরে প্রধান বিচারপতি উপস্থিত হন হাইকোর্টে। এবং এজলাসেও বসেছেন। জানা গিয়েছে, হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ও জ্বরে আক্রান্ত। তবে বুধবার তিনি আদালতে (Calcutta High Court) এসেছেন। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষকেও বুধবার আদালতে দেখা গিয়েছে। হাইকোর্ট সূত্রে জানা গিয়েছে, বিচারপতি সম্পা সরকার এবং বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্থ বুধবারেও আদালতে (Calcutta High Court) আসতে পারেন নি। জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার কারণে অনেক আইনজীবীও শুনানির সময় হাজির থাকতে পারেন নি। হাইকোর্টের স্টাফদের এই পরিস্থিতি দেখে ঠিক যেন করোনাকালের কথা মনে পড়ছে। বছর দু’য়েক আগে করোনার থাবায় বেশ কয়েকজন বিচারপতি আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাঁরা দীর্ঘদিন ধরেই তখন বিরতি নেন দৈনন্দিন কোর্টের কাজ থেকে। এবারও যেন সেই ছবিই ধরা পড়েছে হাইকোর্টে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “প্রাক্তন না করতে পারলে আমরা ক্ষুদিরামের দেশের লোক নই”, শুভেন্দুর তোপ মমতাকে

    Suvendu Adhikari: “প্রাক্তন না করতে পারলে আমরা ক্ষুদিরামের দেশের লোক নই”, শুভেন্দুর তোপ মমতাকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালতের নির্দেশে পিংবনিতে সভা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বিশ্ব আদিবাসী দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন তিনি। বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যের শাসক শিবিরকে কড়া ভাষায় নিশানা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। ওবিসিতে বিশেষ সম্প্রদায়ের মানুষকে কেবল মাত্র ভোটের অঙ্ক হিসাবে ব্যবহার করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। 

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) তোপ মমতাকে

    পিংবনির সভা থেকে শুভেন্দু রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র তোপ দাগলেন। এই আক্রমণের প্রধান তির ছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে। তিনি বলেন, ‘‘রানিমা হেলিকপ্টারে করে জঙ্গলমহলে কুম্ভকার-দলিতরা কেমন আছেন, তা দেখতে এসেছেন। সাধারণ জনগণের ট্যাক্সের টাকা খরচ করে ঝাড়গ্রামে মুখ্যমন্ত্রী সভা করছেন। আপনারা না চিনলেও আমি পিসিকে হারে হারে চিনি। ২১ বছর সঙ্গে ছিলাম। জঙ্গলমহলে ঢোকার রাস্তা খুঁজে পাননি। কীভাবে লালগড় যেতে হয়, সেই রাস্তাটাও জানতেন না। ২০০৯ সালে আমি রাস্তা চিনিয়েছিলাম।’’ শুভেন্দু আরও বলেন, ‘‘হারিয়েছি নন্দীগ্রামে, আদালতে ফাইনও জমা করেছিলেন তিনি। তাই মুখ্যমন্ত্রী আপনাকে যদি প্রাক্তন না করতে পারি, ক্ষুদিরামের দেশের লোক নই আমরা। আপনার আদরের দুলালটি জেলে যাবে। বালি, পাথর, গরুর পর এখন ব্যালট খায় তৃণমূল।’’

    ওবিসিদের নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু?

    পিংবনি সভা থেকে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘এই রাজ্যে তোষণ ও দুর্নীতির জন্য সবচেয়ে বেশি অবহেলিত ওবিসিরা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে ওবিসিতে বিশেষ ধর্মের মানুষকে অতিরিক্ত সুবিধা পাইয়ে দিয়েছেন। সংরক্ষণ নীতিকে নিজের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করছেন। এই ওবিসিদের মধ্যে আছেন কুড়মি, কুম্ভকার, স্বর্ণকার। কিন্তু তাঁরা বঞ্চিত।‘‘ চাকরি দুর্নীতি কাণ্ড নিয়েও সরব হয়েছেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, ‘‘এই রাজ্যে শিক্ষা ব্যবস্থার বারোটা বাজিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অষ্টম তফসিলে সাঁওতালি ভাষার মর্যাদা দিয়েছেন অটল বিহারী বাজপেয়ী। মুখ্যমন্ত্রীর মারাং প্রকল্পের সমালোচনা করেন শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রীর কথিত অলচিকি ভাষা আদতে লিপি। তাই শুভেন্দু বলেছেন, ওসব ভুলভাল, মারাং কী জিনিস মমতা জানেন না, আদতে মুখ্যমন্ত্রী অশিক্ষিত। রাজেশ মাহাতো বিক্রি হতে পারেন, তবে মাহাতো সমাজ বিক্রি হওয়ার লোক নয়। কুড়মিরা বিক্রি হওয়ার লোক নয়।‘‘

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: বোর্ড গঠনের দিনই পঞ্চায়েত অফিস লক্ষ্য করে বোমাবাজি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: বোর্ড গঠনের দিনই পঞ্চায়েত অফিস লক্ষ্য করে বোমাবাজি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে বোমাবাজির ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠল উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জ থানার মোস্তাফানগর গ্রাম পঞ্চায়েত দফতর। বুধবার কালিয়াগঞ্জ ব্লকের অনন্তপুর, মোস্তাফানগর ও ধনকৈল গ্রাম পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনের দিন স্থির করেছিল জেলা প্রশাসন। সেই মতো এদিন নির্ধারিত সময়ে বোর্ড গঠনের জন্য ব্লক প্রশাসনের তরফে তোড়জোড় শুরু হয়। কিন্তু আচমকাই মোস্তাফানগর গ্রাম পঞ্চায়েত দফতরে বাইরে শুরু হয় ব্যাপক বোমাবাজি। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। ভেঙে যায় দফতরের জানলার কাচ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    জানা গিয়েছে, ৮ নম্বর মোস্তফানগর গ্রাম পঞ্চায়েত মোট আসন ৩০ টি। ম্যাজিক ফিগার ১৬টি। তার মধ্যে তৃণমূল জয়ী হয় ১৩ টি আসনে। বিজেপি (BJP) পেয়েছে ৮ টি,কংগ্রেস ৩ টি, সিপিএম ২ টি ও নির্দল ৪ টি আসনে জয়লাভ করে। ২০১৮ সালে এই গ্রাম পঞ্চায়েতে বিজেপি বোর্ড গঠন করলেও ২০২৩ সালের নির্বাচনে এই পঞ্চায়েত ত্রিশঙ্কু হয়। এদিন পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠনের দিন ধার্য্য করেছিল ব্লক প্রশাসন। কিন্তু, বোর্ড গঠন শুরুর মুহূর্তে পঞ্চায়েত দফতরে বোমাবাজি চালায় দুষ্কৃতীরা। বোমার আঘাতে কেউ হতাহত না হলেও জানলার কাঁচ ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যায়। ঘটনায় তীব্র আতঙ্ক ছড়ায় এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে কালিয়াগঞ্জ থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি (BJP) নেতা গৌরাঙ্গ দাস বলেন, বোর্ড গঠনে বাধা দিতেই তৃণমূল এই গণ্ডগোল পাকানোর চেষ্টা করেছে। পেট্রোল বোমা ছোঁড়া হয় পঞ্চায়েত দফতরে। গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র পুড়ে গিয়েছে। যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

    বোর্ড গঠনের দিনই বিজেপি প্রার্থীদের অপহরণের অভিযোগ

    অন্যদিকে, বোর্ড গঠনের আগে রাস্তা থেকেই বিজেপির (BJP) ৩ ও ১ নির্দল সদস্যকে অপহরণের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়াল উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জের ধনকৈল গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। জানা গিয়েছে অপহৃত চার পঞ্চায়েত সদস্যর নাম ধীরেন রায়,অষ্টমি রায়, আদোরি বর্মন ও পঞ্চমী রায়৷ এদের মধ্যে পঞ্চমী রায় নির্দল জয়ী পঞ্চায়েত সদস্য।

    ঠিক কী ঘটেছে?

    এদিন বোর্ড গঠন উপলক্ষ্যে চার জন সদস্য গাড়ি করে পঞ্চায়েত দফতরে যাচ্ছিলেন। সেই সময় ডালিমগাঁ পেট্রোল পাম্পের সামনে থেকে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁদের রাস্তা থেকে অপহরণ করে বলে অভিযোগ। আর এই ঘটনার পর থেকে এখনও কোনও খোঁজ নেই বিজেপির ৩ ও নির্দল পঞ্চায়েত সদস্যর। উল্লেখ্য ধনকৈল গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট আসন ২৮ টি। ২০২৩ সালে ধনকৈল গ্রাম পঞ্চায়েতে সর্বাধিক আসনে জয়ী হয় বিজেপি (BJP)। তাদের মোট আসন ১২ টি। অন্যদিকে তৃণমূলের দখলে যায় ১১ টি আসন। বাকী সিপিএম ২ টি, কংগ্রেস ২ টি ও নির্দল ১ টি আসনে জয়লাভ করে। এদিন বোর্ড গঠনের আগেই বিরোধী চার পঞ্চায়েত সদস্যকে অপহরণের অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। প্রতিবাদে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপির নেতা কর্মীরা।

    অপহরণ নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি (BJP) নেতা গৌতম বিশ্বাস বলেন, বিজেপি যাতে বোর্ড করতে না পারে সেজন্য দলের পঞ্চায়েত সদস্যদের অপহরণ করেছে তৃণমূল। এদিকে এই ঘটনায় পালটা বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বলে তোপ দেগেছে তৃণমূল। তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি সাধন সরকার বলেন, বিজেপির প্রধান কে হবেন তা নিয়েই গোলমালের সূত্রপাত। বিজেপির অভিযোগ ভিত্তিহীন।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share