Blog

  • Cow Smuggling: অনুব্রত তিহার জেলে, তারপরেও বঙ্গে ফের শুরু গরু পাচার, শোরগোল

    Cow Smuggling: অনুব্রত তিহার জেলে, তারপরেও বঙ্গে ফের শুরু গরু পাচার, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত তিহার জেলে, তারপরেও বঙ্গে ফের শুরু গরু পাচার, শোরগোল। বেশ কয়েক বছর উত্তর ২৪ পরগনার সীমান্তে গরু পাচার (Cow Smuggling) বন্ধ থাকলেও এবার ফের গরু পাচার হচ্ছে বলে এলাকায় অভিযোগ উঠেছে। সূত্রে জানা গিয়েছে, বাগদার কুলিয়া ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে এই গরু পাচার ফের শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে গ্রামবাসীদের মধ্যে আতঙ্কের সূত্রপাত হয়েছে। অবশ্য বিএসএফের দাবি, গরু পাচার ঠেকাতে সবরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

    বিএসএফ সূত্রে খবর (Cow Smuggling)

    উত্তর ২৪ পরগনার বাগদার সীমান্ত এলাকায় গরু পাচার (Cow Smuggling) নিয়ে বিএসএফ জানিয়েছেন, পাচার আটকাতে নিরাপত্তা আরও শক্ত করা হয়েছে। তবে গরু রোজ পাচার হচ্ছে না। সীমান্তে যাঁরা গরু পোষেন তাঁদের বাড়িতে টাকা দিয়ে সাময়িক ভাবে রেখে দেওয়া হয়। তারপর সেগুলি পাচার হয়। আবার গ্রামবাসীদের বিক্রি করা গরু পাচারকারীদের কাছে চলে যাচ্ছে। সপ্তাহে এক বা দুই দিন সুযোগ বুঝে পাচারের চেষ্টা করা হয়। এলাকাগুলিকে চিহ্নিত করে সিসিটিভি বসানোর কথাও চলছে বলে জানা গিয়েছে।

    আগেও হয়েছে গরু পাচারের রমরমা

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই জেলার বনগাঁ, বসিরহাট মহকুমার সীমান্ত দিয়ে রমরমিয়ে গরু পাচার (Cow Smuggling) হত। বেশ কিছু এলাকাকে সেফ করিডর করে পাচারের জন্য ব্যবহার করা হয়। উল্লেখ্য এখনো বেশ কিছু এলাকার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নেই। রাতের অন্ধকারে অন্য রাজ্য থেকে ট্রাকে করে গরু এনে ফসলের জমিতে হাঁটিয়ে হাঁটিয়ে নিয়ে গিয়ে পাচার করা হয়। ফলে বিঘা বিঘা জমির ফসল নষ্ট হয়ে যায় এই গরু পাচারের কারণে। অনেক সময় এমন অভিযোগ শোনা গিয়েছে রীতিমতো আগ্নেয় অস্ত্র হাতে নিয়ে বাংলাদেশ থেকে পাচারকারীরা ভারতে ঢুকে গরু নিয়ে যায়। পরিস্থিতির অবনতি হলে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী গরু পাচার বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন। একই ভাবে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং এই এলাকায় এসে একই কথা বলে গিয়েছিলেন।

    এলাকার মানুষের বক্তব্য

    ভারত-বাংলাদেশের কুলিয়া সীমান্ত এলাকায় চাষি সুভাষ সরকার বলেন, “পাচারকারীরা রাতের অন্ধকারে চাষের জমির মধ্যে দিয়ে গরু নিয়ে যায়। ফলে চাষের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। পাচারকারীদের (Cow Smuggling) হাতে দা, কুড়ুল, ভোজালি থাকছে।” আরেক চাষি কালীপদ বিশ্বাস বলেন, “রাত তিনটে থেকে গরু পাচার হচ্ছে। আমরা চাই বিএসএফ এবং পুলিশ কড়া ব্যবস্থা নেক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: উলট পুরাণ, তৃণমূলের ডাকাবুকো নেতারাও খুন হওয়ার আশঙ্কায় কমিশনারেটের দ্বারস্থ!

    Barrackpore: উলট পুরাণ, তৃণমূলের ডাকাবুকো নেতারাও খুন হওয়ার আশঙ্কায় কমিশনারেটের দ্বারস্থ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এলাকার সাধারণ মানুষকে যাদের রক্ষা করার কথা, ভাটপাড়া এলাকার তৃণমূলের সেই ডাকাবুকো জনপ্রতিনিধিরা চরম আতঙ্কে ভুগছেন। প্রকাশ্যে পোস্টার গলায় ঝুলিয়ে বারাকপুর পুলিশ কমিশনারের কাছে তাঁরা নিজেদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। মূলত দলেরই অন্য গোষ্ঠীর (সাংসদ অর্জুন সিংয়ের অনুগামী) দিকে তাঁরা আঙুল তুলেছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। বারাকপুরের (Barrackpore) পুলিশ কমিশনার অলোক রাজোরিয়া বলেন, ‘কয়েকজন এসে স্মারকলিপি দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ শুনেছি। সব কিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে’।

    নতুন করে অশান্তির আশঙ্কা তৃণমূল নেতা-কর্মীদের (Barrackpore)

    পাশাপাশি জগদ্দল, ভাটপাড়া অঞ্চলে নতুন করে অশান্তি পাকানোর অভিযোগ তুলে সোমবার বিকেলে বারাকপুর (Barrackpore) পুলিশ কমিশনারের অফিসের সামনে গলায় ফেস্টুন ঝুলিয়ে মৌন প্রতিবাদ জানালেন জগদ্দল বিধানসভা অঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা। সেখানে জগদ্দলের তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদব খুনে মাস্টারমাইন্ডকে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়। ওই দলে ছিলেন নিহত তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদবের মা নীলম দেবীও। গত কয়েক মাসে জগদ্দল, ভাটপাড়া অঞ্চলে খুন এবং আক্রান্তদের ছবি সহযোগে গলায় ফেস্টুন ঝুলিয়ে বিক্ষোভকারীরা প্রশ্ন তোলেন, এবার টার্গেট কি আমি? বিক্ষোভকারীদের তরফে ছয় জনের একটি প্রতিনিধিদল পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে একটি স্মারকলিপিও জমা দেন। যেখানে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায়, সেখানে শাসক দলেরই লোকজন অশান্তির আশঙ্কায় পুলিশ কমিশনারের অফিসে বিক্ষোভ প্রদর্শনের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    বিক্ষোভকারী জনপ্রতিনিধি কী বললেন?

    বিক্ষোভকারীদের দলে ছিলেন জগদ্দল বিধানসভার অধীন ভাটপাড়া পুরসভার ১৮ জন কাউন্সিলার, চারটি গ্রাম পঞ্চায়েতের ৯৮ জন সদস্য, দুজন জেলা পরিষদ সদস্য এবং সাত জন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য সহ ওই এলাকার তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। ওই প্রতিনিধি দলের সদস্য তথা ভাটপাড়া পুরসভার কাউন্সিলার বিপ্লব মালো বলেন, ২০১৯ সাল পরবর্তী সময়ে যেভাবে বিজেপির বাহিনী (সেই সময় অর্জুন সিং বিজেপিতে ছিলেন) ভাটপাড়া, জগদ্দল জুড়ে অশান্তি পাকিয়েছিল, একই ভাবে গত ছয়-আট মাস ধরে নতুন করে অশান্তি পাকিয়ে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। সম্ভাব্য কিছু জায়গার নাম আমরা পুলিশ কমিশনারকে দিয়েছি, যেখান থেকে দুস্কৃতীরা বেরিয়ে অশান্তি পাকাচ্ছে। পুলিশ কমিশনার আশ্বাস দিয়েছেন যারা জড়িত তাদের সকলকেই ধরা হবে’।

    তৃণমূল বিধায়ক কী বললেন?

    জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম বলেন, ‘দলের কর্মীরা আতঙ্কিত। তাই তাঁরা পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন। আমি এতে অন্যায়ের কিছু দেখছি না। আশা করি মেঘনা জুটমিল লাইন সহ যে যে এলাকা থেকে অশান্তি পাকানো হচ্ছে, পুলিশ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে’।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tamil Nadu Flood: প্রবল বর্ষণে প্লাবিত দক্ষিণ তামিলনাড়ু! উদ্ধার কাজে নৌসেনা-বায়ুসেনা

    Tamil Nadu Flood: প্রবল বর্ষণে প্লাবিত দক্ষিণ তামিলনাড়ু! উদ্ধার কাজে নৌসেনা-বায়ুসেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল ভারী বর্ষণে জলমগ্ন দক্ষিণ তামিলনাড়ু (Tamil Nadu Flood)। উদ্ধার কাজে নেমেছে সেনা। জেলাগুলির মধ্যে তিরুনেলভেলি এবং তুথুকড়ি সহ বেশ কিছু এলাকায় বন্যার পরিস্থিতিতে সাধারণ জনজীবন অত্যন্ত বিপর্যস্ত। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে ত্রাণ সহায়তায় জন্য রাজ্য এবং কেন্দ্র সরকার একযোগে কাজ করছে বলে জানা গিয়েছে। আকাশ পথে সবরকম সাহায্যের সামগ্রী পাঠানোর কাজ করছে ভারতীয় বায়ুসেনা। জানা গিয়েছে, ঘূর্ণাবর্তের কারণে তুতিকোরিন, তেনকাশি, তিরুনেলভেলি এবং কন্যাকুমারী জেলায় শনিবার ভোর থেকে বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে।

    কী বলেছে বায়ু সেনা (Flood Tamil Nadu)?

    ভারতীয় বায়ুসেনা একটি পোস্টে বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, “তামিলনাড়ুতে (Tamil Nadu Flood) গত ২৪ ঘণ্টায় অতি বর্ষণে তামিলনাড়ুর বিস্তৃত এলাকা জলমগ্ন হয়ে গিয়েছে। তিরুনেলভেলি এবং তুথুকড়ি জেলার অবস্থা সবথেকে বেশি এলাকা প্লাবিত। ইতিমধ্যে এইএএফ উদ্ধার কাজে নেমেছে। বর্তমানে এমআই-১৭ ভি৫ হেলি কাপ্টার উদ্ধার কাজে নামানো হয়েছে।”

    কী বলেছে ভারতীয় সেনা?

    ভারতীয় সেনার তরফ থেকে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, “তামিলনাড়ুতে (Tamil Nadu Flood) লাগাতার বৃষ্টিপাতের কারণে সেনাবাহিনীর ত্রাণ কলামটি ভাসাইপুরমে বন্যার পরিমাণ অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত সেনার প্রথম কলাম ১৭ জন মহিলা এবং শিশু সহ সাধারণ ১৩ জনকে উদ্ধার করে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে। আবার দ্বিতীয় কলাম একজন গর্ভবতী সহ মত ১২ জন মহিলাকে অন্যত্র সরিয়েছে। পাশাপাশি এক সদ্যজাত সহ ৬ শিশু এবং ১২ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। এরপর তৃতীয় কলাম একসঙ্গে আরও ২৬ মহিলা, ১০ শিশু এবং ১৮ জনকে উদ্ধার করে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে।”

    তৎপর রাজ্য সরকার

    এই প্রবল বর্ষণকে কেন্দ্র করে রবিবার তামিলনাড়ুর (Flood Tamil Nadu) মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিশেষ বৈঠক করেন। ইতিমধ্যে সোমবার থেকে ত্রাণের কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েছে উদ্ধারকারী দল। তিন জেলার বন্যা পরিস্থিতির জন্য একজন আমলা নিয়োগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী নিজে। এছাড়াও ৫০ সদস্যের আরও দুটি বিপর্যয় মোকাবিলা দল নিয়োগ করা হয়েছে উদ্ধার কাজে। ইতিমধ্যে ৮ হাজার মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং ৮৪টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Mandir: লেগেছে ১ কেজি সোনা, ৭ কেজি রুপো! রামলালার পাদুকাজোড়া শোভা পাবে রাম মন্দিরে

    Ayodhya Ram Mandir: লেগেছে ১ কেজি সোনা, ৭ কেজি রুপো! রামলালার পাদুকাজোড়া শোভা পাবে রাম মন্দিরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১ কেজি সোনা এবং ৭ কেজি  রুপোয় তৈরি করা হয়েছে রামলালার একটি পাদুকাজোড়া। আগামী ২২ জানুয়ারি উদ্বোধন করা হবে শ্রীরাম মন্দিরের। অযোধ্যায় শ্রীরাম লালার (Ayodhya Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে। প্রভু রামের মূর্তির সঙ্গে স্থাপন করা হবে এই পাদুকাজোড়াও। উল্লেখ্য, এই পাদুকা নিয়েই সারা দেশে রামমন্দিরের ব্যাপক অভিযান চালানো হচ্ছে। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের আগে এই রামমন্দির নির্মাণের কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার ফলে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে দেশের রাজনীতিতে। এমনটাই মত প্রকাশ করেছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ।

    কে তৈরি করলেন রামের পাদুকা (Ram Mandir Ayodhya)?

    প্রভু রামের এই পাদুকা তৈরি করেছেন হায়দরাবাদের শীচল্লা শ্রীনিবাস শাস্ত্রী। গত রবিবার ১৭ ডিসেম্বর রামেশ্বর ধাম থেকে আমেদাবাদ আনা হয় তাঁকে। পাদুকা যুগল নিয়ে তিনি সোমনাথ জ্যোতির্লিঙ্গ ধাম, দ্বারকাধীশ নগরী এবং তারপর বদ্রীনাথে পরিক্রমা করেন। এবার এই পাদুকা নিয়ে ৪১ দিন ধরে অযোধ্যায় (Ayodhya Ram Mandir) নির্মীয়মাণ মন্দির প্রদক্ষিণ করলেন শ্রীচল্লা শ্রীনিবাস। পাদুকা জোড়া এক কেজি সোনা এবং সাত কেজি রুপো দিয়ে তৈরি। মন্দিরের নির্মাণ কাজ প্রায় ৮০ শতাংশ সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। মন্দিরের গায়ে লাগানো পাথরের স্তম্ভগুলিতে শেষ পর্যায়ের কাজ চলছে বলে জানা গিয়েছে।

    মন্দির ট্রাস্টের বক্তব্য (Ram Mandir Ayodhya)

    রাম মন্দির (Ayodhya Ram Mandir) ট্রাস্টের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, মন্দিরের শেষ পর্যায়ের কাজকে আরও দ্রুত শেষ করতে শ্রমিকের সংখ্যা ৩২০০০ থেকে বাড়িয়ে ৩৫০০০ করা হয়েছে। একদিনের সময়কে তিনটি পর্যায়ে ভাগ করে আট ঘণ্টা করে ইঞ্জিনিয়ারদের তত্ত্বাবধানে কাজ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে মন্দিরের গর্ভগৃহের কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। তবে পুরো মন্দিরের কাজ শেষ হতে সময় লাগবে আরও দুই বছর। তবে ভক্তদের কাছে বলা হয় উদ্বোধনের দিনে অযোধ্যায় যেন না যান। নিজের বাড়ির আশেপাশে মন্দিরগুলিতে প্রভু রামের পুজো দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

    আমেরিকায় সাজো সাজো রব

    এদিকে, অয্যোধ্যায় রাম মন্দিরকে (Ayodhya Ram Mandir) ঘিরে সুদূর আমেরিকায় বসবাসকারী হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে সাজো সাজো রব চোখে পড়েছে। ওয়াশিংটন ডিসির মেরিল্যান্ডের ফ্রেডরিক সিটিতে একটি শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। রাম মন্দিরকে ঘিরে চলবে মাসব্যাপী অনুষ্ঠান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: বড়দিনের আগে বাড়বে তাপমাত্রা! কী বলছে আলিপুর হাওয়া অফিস?

    Weather Update: বড়দিনের আগে বাড়বে তাপমাত্রা! কী বলছে আলিপুর হাওয়া অফিস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীত কাতুরেদের কাছে খুশির খবর। আর শীত বিলাসীদের চোখে জল। বড়দিনের আগে ফের বাড়বে কলকাতার তাপমাত্রা (Weather Update)। সোমবার কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের তাপমাত্রা ছিল ১৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস অর্থাৎ স্বাভাবিকের তুলনায় এক ডিগ্রি কম। মঙ্গলবার সকালেই সেই তাপমাত্রা বেড়ে হয়েছে ১৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আলিপুর আবহাওয়া দফতর  সূত্রে খবর, আগামী কয়েকদিনে আরও চড়বে তাপমাত্রার পারদ।

    কবে থেকে হাওয়া-বদল

    ২৫ ডিসেম্বর শীতের আমেজ গায়ে মেখে আনন্দে মেতে উঠতে চান সাধারণ মানুষ। কিন্তু, বড়দিনের আগেই শীতপ্রেমীদের জন্য বড় ধাক্কা। তাপমাত্রার পারদ চড়তে পারে অনেকটাই। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, বঙ্গোপসাগর থেকে জলীয় বাষ্প ঢুকতে শুরু করেছে। জলীয় বাষ্প ঢুকলে রাতের তাপমাত্রা নামতে পারে না। এছাড়া উত্তর ভারত থেকে শুকনো বাতাস প্রবেশ করতে পারে না, সেই কারণেই শীতের চরিত্র বদলে যাচ্ছে। অর্থাৎ শীত মানে যে শুষ্ক আবহাওয়া আর হিমেল হাওয়া, তার কোনওটাই মিলবে না আগামী কয়েকদিনে। সপ্তাহান্তে অর্থাৎ শনি এবং রবিবার তাপমাত্রা ছুঁতে পারে ১৬ থেকে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। 

    আরও পড়ুন: ফের মানতে হবে কোভিড বিধি! করোনার গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী, নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    শুক্রবার পর্যন্ত শীতের আমেজ

    মঙ্গলবার সকালে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা ছিল। পরে প্রায় সর্বত্রই পরিষ্কার হয়ে যায় আকাশ। মঙ্গলবার কলকাতা (Kolkata Winter) ও সংলগ্ন জেলাগুলির তাপমাত্রা ১৪ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকবে। অন্যদিকে, পশ্চিমের জেলাগুলিতে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি তাপমাত্রা থাকবে। কোথাও ১০ ডিগ্রির নিচেও নামতে পারে পারদ। কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫.১ ডিগ্রি। বাঁকুড়া ৯.৪, দার্জিলিং ৪.৮, বর্ধমান ১০। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৪৬ থেকে ৯১ শতাংশ। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে শীতের আমেজ। আপাতত উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টিপাতের কোনও সম্ভাবনা নেই। তাপমাত্রারও খুব একটা বেশি হেরফের হবে না। কিছুদিন আগেই দার্জিলিঙে তুষারপাত হয়েছিল। কিন্তু, নতুন করে আর শৈল শহরে তুষারপাতের সম্ভাবনা নেই। তবে শীতের আমেজ থাকবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • IPL 2024: সামনে লোকসভা ভোট, কবে থেকে শুরু আইপিএল? সম্ভাব্য দিন জানাল বোর্ড

    IPL 2024: সামনে লোকসভা ভোট, কবে থেকে শুরু আইপিএল? সম্ভাব্য দিন জানাল বোর্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুক্ষণের মধ্যে বসবে আইপিএল মিনি নিলামের আসর। তার আগেই পরের বছরের প্রতিযোগিতা শুরু হওয়ার সম্ভাব্য দিন জানা গেল। সব ঠিকঠাক থাকলে ২২ মার্চের পর যে কোনও দিন থেকে শুরু হতে পারে আইপিএল। চলবে মে মাসের শেষ পর্যন্ত। এই মর্মে চিঠি পাঠিয়ে সব দলগুলিকে জানিয়ে দিয়েছে ভারতীয় বোর্ড। আগামী বছর লোকসভা নির্বাচন। শুধু তাই নয়, জুন মাসে টি২০ বিশ্বকাপও আছে। সবকিছু মাথায় রেখেই আইপিএল সূচি তৈরি করতে হবে বিসিসিআইকে।

    কবে থেকে শুরু আইপিএল

    সূত্রের খবর, ২২ মার্চ থেকে শুরু হবে আইপিএলের পরবর্তী সংস্করণ। আর ফাইনাল হবে মে-র শেষ দিকে। আইপিএলের চূড়ান্ত সূচি স্থির হবে লোকসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণার পরই। এর আগে যে তিন বার লোকসভা নির্বাচনের মধ্যে আইপিএল পড়েছে, তার মধ্যে দু’বারই অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে প্রতিযোগিতা। ২০০৯ সালে গোটা আইপিএলই হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকায়। ২০১৪ সালে প্রথম পর্ব সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে হয়। পরের পর্ব হয় ভারতে। তবে ২০১৯ সালে পুরো প্রতিযোগিতাই ভারতে আয়োজিত হয়। আইপিএল শুরুর সম্ভাব্য তারিখ ইতিমধ্যেই ১০ ফ্র্যাঞ্চাইজিকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। যাতে তারা সেই তারিখ মাথায় রেখে নিজেদের পরিকল্পনা স্থির করতে পারে। পাশাপাশি, কোন ক্রিকেটারকে কত দিনের জন্য পাওয়া যাবে, তাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে আইপিএলের গভর্নিং বডির তরফে। 

    আরও পড়ুন: ক্রিকেটে বিনিয়োগ করলেন বিগ-বি! টেনসি বলের প্রতিযোগিতায় মুম্বই দলের মালিক অমিতাভ

    আইপিএল নিলাম

    আজ, মঙ্গলবার ভারতীয় সময় দুপুর ১ থেকে দুবাইয়ে শুরু হবে আইপিএলের মিনি নিলাম। আইপিএলের নিলাম পর্ব টিভিতে স্টার স্পোর্টসে দেখা যাবে। এছাড়া লাইভ স্ট্রিমিং দেখা যাবে জিও সিনেমায়। এবারের নিলামে মোট ৩৩৩ জন প্লেয়ার তাঁর নাম দিয়েছেন। সেখান থেকে মোট ৭৭ জন প্লেয়ারকে বেছে নেবে ১০টি দল। ফ্র্যাঞ্চাইজিদের মধ্যে চেন্নাইয় সুপারকিংসের (Chenai Super Kings) কাছে রয়েছে ৩১.৪ কোটি টাকা। দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে রয়েছে ২৮.৯৫ কোটি, গুজরাট টাইটান্সের কাছে রয়েছে ৩৮.১৫ কোটি টাকা, কেকেআরের হাতে ৩২.৭ কোটি টাকা, লখনউ সুপার জায়ান্টসের ১৩.১৫ কোটি টাকা, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের রয়েছে ১৭.৭৫ কোটি টাকা, পঞ্জাব কিংসের রয়েছে ২৯.১ কোটি টাকা, আরসিবির হাতে রয়েছে ২৩.২৫ কোটি টাকা। এছাড়া রাজস্থান রয়্যালসের হাতে রয়েছে ১৪.৫ কোটি টাকা ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে রয়েছে ৩৪ কোটি টাকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • COVID-19: ফের মানতে হবে কোভিড বিধি! করোনার গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী, নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    COVID-19: ফের মানতে হবে কোভিড বিধি! করোনার গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী, নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধীরে ধীরে ফের দেশে বাড়ছে কোভিড (COVID-19) সংক্রমণ। লকডাউনের পরিস্থিতি যাতে ফের ফিরে না আসে, তাই আগে থেকেই কোভিড নিয়ে সতর্ক কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। সব রাজ্যের কাছে চিঠি পাঠাল দিল্লি। সোমবারই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব সুধাংশু পন্থ চিঠি পাঠিয়েছেন সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে। নির্দেশিকায় আসন্ন উৎসবের মরশুমে সতর্ক হতে বলার পাশাপাশি জানাল, ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো রোগের বাড়বাড়ন্ত হচ্ছে কি না, নজর রাখতে হবে। 

    কেন নির্দেশিকা

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে বর্তমানে যে সংশোধিত গাইডলাইন রয়েছে কোভিড (COVID-19) নিয়ে, তা মেনে চলার উপর প্রতিটি রাজ্যকে জোর দিতে বলা হয়েছে। দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে কেরলের সাম্প্রতিক কোভিড পরিস্থিতি। দক্ষিণের এই রাজ্যে হঠাৎ করে করোনা আক্রান্তের সংখ্যার গ্রাফ সামান্য বেড়ে গিয়েছে। কেরলের তিরুঅনন্তপুরমে ৭৯ বছরের এক মহিলার নমুনা পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, তিনি জেএন.১-এ আক্রান্ত হয়েছেন। এর আগে তামিলনাড়ুর তিরুচিরাপল্লি থেকে সিঙ্গাপুর গিয়েছিলেন এক মহিলা। তাঁর শরীরেও ধরা পড়েছিল করোনা ভাইরাসের জেএন.১ উপপ্রজাতি। তাই, রাজ্যগুলিকে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিচ্ছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

    আরও পড়ুন: অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকবাজদের হানায় পাকিস্তানে খতম লস্কর জঙ্গি হাবিবুল্লা

    কেন্দ্রের পরামর্শ

    আসন্ন উৎসবের মরশুমের কথা মাথায় রেখে জনস্বাস্থ্যের দিকটি নজর রাখা উচিত। রোগ যাতে না ছড়ায়, সে বিষয়ে পদক্ষেপ করতে হবে। বর্তমানে কোভিড পরিস্থিতির উপর নজরদারির জন্য কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যে গাইডলাইন রয়েছে, তা মেনে চলার জন্য বলা হয়েছে। ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো কোনও অসুস্থতা বা শ্বাসজনিত কোনও অসুস্থতার উপর জেলাস্তরে নজরদারি আরও বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নিয়মিতভাবে সেই তথ্য ইন্টিগ্রেটেড হেল্থ ইনফরমেশন পোর্টালে তোলার জন্য বলা হয়েছে। জোর দিতে বলা কোভিড পরীক্ষার গাইডলাইনের উপরেও। জেলাস্তরে যাতে নির্দিষ্ট অনুমাতে আরটি-পিসিআর ও অ্যান্টিজেন টেস্ট হয়, সেই পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। কোনও নমুনায় করোনার সংক্রমণ ধরা পড়লে, সেটি সঙ্গে সঙ্গে জিনোম সিকোয়েন্সিং-এর জন্য বলা হয়েছে। যাতে কোনও নতুন ভ্যারিয়েন্ট ঢুকে পড়েছে কি না, তা আগে ভাগে শনাক্ত করা যায়। প্রতিটি সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পর্যাপ্ত প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রয়েছে কি না, তাও দেখে নিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা আরও বাড়ানোর পরামর্শও দিয়েছে কেন্দ্র।

    সতর্কবার্তা হু-এর

    দেশগুলিকে কোভিড (COVID-19) সংক্রমণ নিয়ে সতর্ক থাকার বার্তা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও। বিশ্বে কোভিড কেসের বাড়বাড়ন্ত ঠেকানোর জন্য আগেভাগেই সতর্ক হতে বলা হয়েছে দেশগুলিকে। পাশাপাশি জিনোম সিকোয়েন্সের তথ্য শেয়ার করতেও বলা হয়েছে।  সামনেই বর্ষশেষের উৎসবের মরসুম। ভিড় হবে। তাই সেই সময় অতিরিক্ত সতর্কতার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মেনে চলতে বলা হয়েছে কোভিড বিধি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • China Earthquake: শক্তিশালী ৬.২ তীব্রতার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল চিন, মৃত শতাধিক, জখম বহু

    China Earthquake: শক্তিশালী ৬.২ তীব্রতার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল চিন, মৃত শতাধিক, জখম বহু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল চিন (China Earthquake)। সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, সোমবার রাতে উত্তর-পশ্চিম চিনের গানসু এবং কিংহাই প্রদেশে ভূমিকম্প হয়। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৬.২। এই দুই জায়গা মিলিয়ে শতাধিক মানুষ মারা গিয়েছেন। এখনও পর্যন্ত যা জানা যাচ্ছে, তাতে ১১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। জখমের সংখ্যা আশঙ্কা করা হচ্ছে কয়েক’শ হতে পারে। এর মধ্যে গানসুতে ১০০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অন্যদিকে, কিংহাই প্রদেশের হাইডং শহরে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। 

    হীমাঙ্কের নিচে তাপমাত্রা, নেই বিদ্যুৎ

    মার্কিন ভূতাত্ত্বিক গবেষণা সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, মধ্যরাতে হওয়া এই কম্পনের উৎসস্থল ছিল গানসু প্রদেশের রাজধানী লানঝৌর ১০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। ভূমিকম্প-বিধ্বস্ত জায়গায় (China Earthquake) শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ। বহু জায়গায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। তার মধ্যে এখন ওই এলাকায় তাপমাত্রা প্রায় হীমাঙ্কের নিচে পৌঁছে গিয়েছে। ফলে, তীব্র প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ব্যাহত হচ্ছে উদ্ধারের প্রক্রিয়া। প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ওই দুই প্রদেশের আধিকারিকদের ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় পৌঁছে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

    ভূমিকম্পের (China Earthquake) জেরে তীব্র ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ভেঙে পড়েছে বহু বাড়ি। সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, ভূমিকম্পের ফলে আতঙ্কিত হয়ে লোক জন রাস্তায় দৌড়চ্ছেন এবং নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজ করছেন। ধ্বংসস্তূপের ছবিও দেখা গিয়েছে বেশ কিছু ভিডিওতে। যদিও সেই ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম।

    অতীতেও ভূমিকম্পের কবলে চিন

    শক্তিশালী ভূমিকম্প (China Earthquake) চিনে নতুন নয়। গত বছর সেপ্টেম্বর মাসেও তীব্র ভূমিকম্পে লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছিল চিনের বিস্তীর্ণ এলাকা। রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৬.৮। তাতে কমপক্ষে ৬৫ জনের মৃত্য হয়। ২০২২ সালে সিচুয়ান প্রদেশে ৬.৬ মাত্রার ভূমিকম্পে প্রায় ১০০ জনের মৃত্যু হয়। ২০০৮ সালে সিচুয়ান প্রদেশে ৭.৯ মাত্রার ভূমিকম্পে প্রায় ৯০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। এর মধ্যে পাঁচ হাজারেরও বেশি ছিল শিশু। আহতের সংখ্যা ছিল প্রায় চার লক্ষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Teacher Recruitment Case: নিয়োগ প্যানেল নিয়ে বিচারপতি সিনহার নির্দেশের বিরুদ্ধে ডিভিশন বেঞ্চে প্রাথমিক পর্ষদ!

    Teacher Recruitment Case: নিয়োগ প্যানেল নিয়ে বিচারপতি সিনহার নির্দেশের বিরুদ্ধে ডিভিশন বেঞ্চে প্রাথমিক পর্ষদ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশকে (Teacher Recruitment Case) চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে গেল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। ১২ ডিসেম্বর জেলা ভিত্তিক নিয়োগের প্যানেল আদালতে পেশ করার নির্দেশ দেন বিচারপতি সিনহা। সেই নির্দেশকেই চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে গিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। বিচারপতি সৌমেন সেন ও বিচারপতি উদয় কুমারের বেঞ্চে আগামী সপ্তাহে শুনানি হতে পারে এই মামলার।

    সিঙ্গল বেঞ্চের রায়

    ২০১৪ সালের পর রাজ্যে টেট পরীক্ষা হয় দু বার। একবার ২০১৬ সালে। আর দ্বিতীয়বার ২০২০ সালে। নিয়োগ হওয়ার কথা ছিল ৪২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক। এই দুই নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্যানেল প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি সিনহা। পর্ষদকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছিল বিচারপতি সিনহার সিঙ্গল বেঞ্চ। সেই সময় পর্ষদ আদালতে জানিয়েছিল, বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে ইতিমধ্যেই একটি প্যানেল প্রকাশ করা হয়েছে। তবে নিয়োগের রীতি মেনে ২০১৬ সালের প্যানেল প্রকাশের নিয়ম নেই।

    বিচারপতি সিনহার মন্তব্য

    যদিও আদলত চেয়েছিল দুটি নিয়োগ প্রক্রিয়ারই সম্পূর্ণ প্যানেল দেখাতে। বিচারপতি সিনহার মন্তব্য ছিল, “আমি প্রাথমিকের প্যানেল (Teacher Recruitment Case) দেখতে চাই। মেয়াদ শেষের আগে একটা প্যানেল প্রস্তুত হয়। সেটি দেখতে চাই। নিয়োগের প্যানেল খতিয়ে দেখার অধিকার রয়েছে আদালতের।” তাঁর পর্যবেক্ষণ ছিল, “নিয়োগের প্যানেল প্রকাশ না করে কি পর্ষদ কাউকে আড়াল করতে চাইছে? এই প্যানেল বাড়িতে গচ্ছিত রাখার সম্পত্তি নয়। প্যানেল প্রকাশ হলে অসুবিধা কোথায়?” বিচারপতি সিনহার সেই প্যানেল প্রকাশের নির্দেশকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ।

    আরও পড়ুুন: “ভিখারি হয়ে গিয়েছে রাজ্য, মোদির পা ধরতেই মমতা দিল্লিতে”, কটাক্ষ শুভেন্দুর

    এই মামলায়ই বেআইনিভাবে চাকরি পেয়েছেন এমন ৯৪জনকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার কথা জানিয়েছিলেন বিচারপতি সিনহা। পর্ষদের তরফে আদালতে জানানো হয়েছিল, যে দুটি প্যানেল প্রকাশ করা হয়েছে, তা ঠিক নয়। প্যানেলের জন্য আরও সময় প্রয়োজন। তখনই বিচারপতি সিনহার মন্তব্য ছিল, “আর কতদিন অপেক্ষায় থাকবেন বঞ্চিতেরা? তাঁদের (Teacher Recruitment Case) কাছে প্রতিটি দিনের মূল্য রয়েছে। চাকরি প্রার্থীদের বয়স পেরিয়ে যাচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • NIA: ভেস্তে গেল প্রজাতন্ত্র দিবসে নাশকতার ছক, এনআইএ হানায় ধৃত ৮ জঙ্গি

    NIA: ভেস্তে গেল প্রজাতন্ত্র দিবসে নাশকতার ছক, এনআইএ হানায় ধৃত ৮ জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঠিক ন’ দিনের মাথায় ফের গ্রেফতার ৮ আইএস জঙ্গি। প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে ফের একবার ইসলামিক স্টেটসের (isis) নাশকতার ছক ভেস্তে দিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা সংক্ষেপে, এনআইএ (NIA)। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, সোমবার কর্নাটকের বল্লারি সহ জঙ্গিদের বিভিন্ন ডেরায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে সন্দেহভাজন ওই জঙ্গিদের।

    জঙ্গি ডেরায় কী মিলল জানেন?

    জঙ্গিদের খোঁজে এদিন অভিযান চালানো হয়েছে মুম্বই, পুণে এবং দিল্লিরও কয়েকটি ঠিকানায়। উদ্ধার হয়েছে বিস্ফোরক তৈরির উপকরণ পটাশিয়াম ও সালফার নাইট্রেট, বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম, গান পাউডার, চারকোল, সুগার, ইথানল, ধারাল অস্ত্র, নগদ টাকা, স্মার্টফোন, একাধিক ডিজিটাল ডিভাইস এবং বিভিন্ন নথিপত্র। ন’ দিন আগেই মহারাষ্ট্র ও কর্নাটকের ধারাবাহিক অভিযান চালিয়েছিল এনআইএ (NIA)। সেই অভিযানে গ্রেফতার হয়েছিল ১৫জন জঙ্গি।

    গ্রেফতার এক চাঁই

    ওই অভিযানে গ্রেফতার হয়েছিল আইএসের এক মাথাও। সোমবার এনআইএ হানা দিয়েছিল জঙ্গিদের ১৯টি ডেরায়। গ্রেফতার করা হয়েছে আরও ৮জনকে। এদের মধ্যে রয়েছে বল্লারি মডিউলের ওই জঙ্গিদের নেতা মহম্মদ সুলেমান ওরফে মিনাজও। ধৃতদের মধ্যে বল্লারি ছাড়াও ছিল বেঙ্গালুরু, পুণে, মুম্বই, দিল্লি ও বোকারোর বাসিন্দারা। এনআইএ জেনেছে, দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জনবহুল শহরের ব্যস্ততম এলাকায় নাশকতার ছক কষেছিল ধৃত জঙ্গিরা।

    আরও পড়ুুন: “ভিখারি হয়ে গিয়েছে রাজ্য, মোদির পা ধরতেই মমতা দিল্লিতে”, কটাক্ষ শুভেন্দুর

    এনআইএ-র তরফে জারি করা বিবৃতিতে মুখপাত্র জানিয়েছেন, “আজ আমরা মিনাজ ওরফে মহম্মদ সুলেমান ও সঈদ সমীরকে বল্লারি থেকে গ্রেফতার করেছি। মুম্বই থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে আনাস ইকবাল শেখকে। বেঙ্গালুরু থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে মহম্মদ মুনিরুদ্দিন, সঈদ সামিউল্লা ওরফে সামি এবং মহম্মদ মুজাম্বেলকে। দিল্লি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে সঈদ রহমানকে। আর জামশেদপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে মহঃ শাহবাজ ওরফে জুলফিকার গুড্ডুকে।”

    তিনি বলেন, “এদিনের অভিযানে যে আট জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছে তারা প্রত্যেকেই আইএসের সন্ত্রাসবাদী কাজকর্মের সঙ্গে যুক্ত। মিনাজ ওরফে মহঃ সুলেমানের নেতৃত্বে তারা কাজকর্ম করছিল।” এনআইএ (NIA) জানিয়েছে, দেশে ইরাক ও সিরিয়ার ইসলামিক স্টেটের মেরুদণ্ড ভাঙতে অভিযান চালানো হয়েছে। নিষিদ্ধ এই সংগঠন ভারত-বিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। যেসব রাজ্যে এদিন হানা দেওয়া হয়েছে, সেখানকার পুলিশকেও শামিল করা হয়েছিল অভিযানে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share