Blog

  • DA Protest: মমতা-অভিষেকের পাড়াতেই মিছিল ডিএ আন্দোলনকারীদের! অনুমতি দিল হাইকোর্ট

    DA Protest: মমতা-অভিষেকের পাড়াতেই মিছিল ডিএ আন্দোলনকারীদের! অনুমতি দিল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বকেয়া মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ-র (DA Protest) দাবিতে কলকাতার রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। আজ, বৃহস্পতিবার একদিকে নবান্ন অভিযানে সামিল হয় কো-অর্ডিনেশন কমিটি (Coordination Committee)। মিছিল করে নবান্নর পথে যান আন্দোলনকারীরা। অন্যদিকে, আজ খুশির খবর মিলল হাইকোর্ট থেকে। আগামী ৬ তারিখ হরিশ মুখার্জি রোড দিয়ে ডিএ-আন্দোলনকারীদের মিছিল নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিল বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বেঞ্চ।

    মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছে মিছিলের অনুমতি

    বকেয়া মহার্ঘ ভাতার দাবিতে আগামী ৬ মে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) পাড়াতেই মহামিছিলের ডাক দিয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। কিন্তু সেই মিছিলের অনুমতি না মেলায় হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হন আন্দোলনকারীরা। রাজ্যের রুট বদলের আবেদনে সাড়া দেননি আন্দোলনকারীরা। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা বৃহস্পতিবার, মিছিল নিয়ে রাজ্যের আপত্তিতে প্রশ্ন তোলেন। আন্দোলনকারীদের পূর্ব প্রস্তাবিত রুটেই মিছিলের অনুমতি দেয় হাইকোর্ট। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার নির্দেশ, শান্তি বজায় রেখে ওই রাস্তা দিয়ে মিছিল করা যাবে। কিন্তু মিছিল থেকে কোনও রকম কুমন্তব্য করা যাবে না। 

    আদালতের যুক্তি

    কলকাতা পুলিশের তরফে ডিএ আন্দোলনকারীদের তিনটি বিকল্প রুটে মিছিলের প্রস্তাব দেওয়া হলেও তাতে রাজি ছিলেন না তাঁরা। অন্য দিকে, হরিশ মুখার্জি রোড নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিল পুলিশ। রাজ্যের দাবি ছিল, শহরের অন্যতম স্পর্শকাতর এলাকা ওই রাস্তা। বিচারপতি এদিন রাজ্যকে প্রশ্ন করেন, ‘প্রতি একদিন অন্তর হাজরা মোড়ে ধর্না বিক্ষোভ হয়। হঠাৎ হরিশ মুখার্জি রোড নিয়ে আপত্তি কেন?’ বিচারপতির প্রশ্নে রাজ্যের আইনজীবী জানান, ওই এলাকা খুবই স্পর্শকাতর। ওই এলাকায় মিছিল করতে গিয়ে যদি ভিড় ছাড়িয়ে যায় তবে তার দায়িত্ব কে নেবে? ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা রয়েছে। 

    আরও পড়ুুন: এবার শুভেন্দুর দুটি মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি মান্থা

    আন্দোলনকারীদের পক্ষের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, ‘আমরা আদালতে আবেদন করার পরই ওই এলাকার কিছু জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।’ তখন বিচারপতি মান্থা বলেন, ‘‘তা হলে তো মিছিল ওই রুটে হলে বলতে হবে, শহরের সবচেয়ে শান্ত এলাকা দিয়ে মিছিল যাচ্ছে।’’এর পরে বিকাশরঞ্জনের উদ্দেশে বিচারপতি মান্থা বলেন, ‘‘সকলে যে আশঙ্কা করছে, আদালত তা বুঝতে পেরেছে। ওই এলাকায় কোনও রকম অশান্তি হবে না সেই ভাবে মিছিল করতে হবে। দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টের মধ্যে ওই এলাকায় শান্তিপূর্ণ ভাবে কর্মসূচি শেষ করতে হবে।’’

    নবান্ন অভিযান

    এদিন নবান্ন (Nabanna) অভিযান করে কো-অর্ডিনেশন কমিটি (Coordination Committee)। হাওড়া স্টেশন থেকে হাওড়া ময়দান পর্যন্ত মিছিল করছে তারা। নেতৃত্বদের দাবি, প্রতিটা জেলা থেকে সরকারি চাকুরিজীবী, এমনকী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকুরিজীবীরা মিছিলে পা মিলিয়েছেন। সব মিলিয়ে কয়েক হাজার মানুষ মিছিলে পা মিলিয়েছেন। তবে নির্দিষ্টভাবে জমায়েতের সংখ্যা এখনও জানা যায়নি। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে শুরু করে সরকারি কর্মীরা রয়েছেন মিছিলে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bilawal Bhutto Zardari: লাদেনের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন মোদিকে, ভারত সফরে এলেন সেই বিলাওয়াল

    Bilawal Bhutto Zardari: লাদেনের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন মোদিকে, ভারত সফরে এলেন সেই বিলাওয়াল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ ভারতে (India) এলেন পাকিস্তানের (Pakistan) বিদেশমন্ত্রী বিলাওয়াল ভু্ট্টো জারদারি (Bilawal Bhutto Zardari)। বৃহস্পতি ও শুক্র দু দিন ধরে গোয়ায় হচ্ছে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (SCO) বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক। ওই বৈঠকে যোগ দিতেই ভারতে এসেছেন বিলাওয়াল। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে তাঁর কথা হতে পারে বলেও সরকারি সূত্রে খবর। পুঞ্চে জঙ্গি হামলা হয়েছে দিন কয়েক আগে। শহিদ হয়েছেন ভারতের পাঁচ জওয়ান। এহেন আবহে বৃহস্পতিবার ভারতে এলেন বিলাওয়াল।

    জয়শঙ্করের আমন্ত্রণে ভারতে বিলাওয়াল ভু্ট্টো জারদারি (Bilawal Bhutto Zardari)…

    ২০১৪ সালে দিল্লির তখতে আসে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি সরকার। প্রধানমন্ত্রী পদে মোদি যেদিন শপথ নেন, সেদিন ভারতে এসেছিলেন পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। তার পর আর পাকিস্তানের কোনও শীর্ষ নেতৃত্ব ভারতে আসেননি। দীর্ঘ ৯ বছর পর এলেন বিলাওয়াল। তিনি যে ভারতে আসবেন, তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল এপ্রিলেই। পাক বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র মুমতাজ জারাহ বালোচ জানিয়েছিলেন, জয়শঙ্করের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়েই ভারতে যাচ্ছেন বিলাওয়াল (Bilawal Bhutto Zardari)।

    সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের বৈঠক হচ্ছে গোয়ায়। এদিন গোয়াগামী বিমানে উঠে ট্যুইট-বার্তায় বিলাওয়াল লেখেন, বৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য আমার সিদ্ধান্ত সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের সনদের প্রতি পাকিস্তানের দৃঢ় প্রতিশ্রুতিকে তুলে ধরেছে। মিত্র দেশগুলির সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনায় আমি উদগ্রীব। সাংহাই কো-অপারেশনের পূর্ণাঙ্গ সদস্য আট দেশ। এই দেশগুলি হল, ভারত, চিন, রাশিয়া, পাকিস্তান, কাজাখস্তান, কিরঘিজস্তান, তাজিকিস্তান এবং উজবেকিস্তান। পর্যবেক্ষক হিসেবে রয়েছে আফগানিস্তান, বেলারুশ, ইরান এবং মঙ্গোলিয়া। ডায়লগ পার্টনার হিসেবে রয়েছে মিশর, কাতার, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, তুরস্ক, কম্বোডিয়া, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান এবং সৌদি আরব, এই ৯টি দেশ।

    আরও পড়ুুন: “পুলিশের নেতৃত্বেই খুন”! ময়নায় বিস্ফোরক জাতীয় এসসি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান

    বিলাওয়াল (Bilawal Bhutto Zardari) সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনে যোগ দেবেন বলে পাকিস্তান জানালেও, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকেই ভেবেছিলেন তিনি শেষমেশ ভারতে আসবেন না। কারণ ডিসেম্বরে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে বিলাওয়াল বলেছিলেন, ওসামা বিন লাদেন নিহত হয়েছেন। কিন্তু গুজরাটের কসাই এখনও জীবিত। তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এর পরেই ভারত-পাক সম্পর্ক আরও তলানিতে গিয়ে ঠেকে। সম্প্রতি পুঞ্চে ভারতীয় সেনা বাহিনীর টহলদারি ভ্যানে হামলা চালায় জঙ্গিরা। তাতে নিহত হন পাঁচ জওয়ান। ওই ঘটনায়ও সন্দেহের তির পাকিস্তানের দিকেই। এহেন পরিস্থিতিতে ভারতে এলেন বিলাওয়াল (Bilawal Bhutto Zardari)। তবে তাঁর এই ভারত সফরে খুব একটা লাভ হবে না-ই বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। কারণ, পাকিস্তানের যাবতীয় সিদ্ধান্তই নেয় সেনাবাহিনী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • National SC Commission: “পুলিশের নেতৃত্বেই খুন”! ময়নায় বিস্ফোরক জাতীয় এসসি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান

    National SC Commission: “পুলিশের নেতৃত্বেই খুন”! ময়নায় বিস্ফোরক জাতীয় এসসি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নায় পরিদর্শনে এসে রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন জাতীয় এসসি কমিশনের (National SC Commission) ভাইস চেয়ারম্যান অরুণ হালদার। উল্লেখ্য বিজেপি কর্মী বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়ার খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখানকার পরিস্থিতি এখনও উত্তপ্ত। হাইকোর্ট ইতিমধ্যেই মৃতদেহের দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। বিজেপির নেতৃত্বে এখানে পালিত হয়েছে বনধ। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীও রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন। এরকম একটা প্রেক্ষাপটে বৃহস্পতিবার সেখানে পৌঁছন এসসি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান। 

    কী বললেন এসসি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান?

    এদিন ঘটনাস্থলে পৌঁছেই জেলার ডিএম এবং এসপিকে না দেখতে পেয়ে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। সেখানে তখন উপস্থিত ছিলেন ময়না থানার ওসি। তাঁকে ধমক দিয়ে তিনি (National SC Commission) বলেন, আগে থেকেই আমি খবর দিয়েছিলাম এবং এসপিকে ঘটনাস্থলে থাকতে বলেছিলাম। কিন্তু উনি আসেননি। এরকম একটা ঘটনায় উনারা কেন এলেন না? সাংবাদিকদের সামনে তিনি বলেন, সবার সঙ্গে কথা বলার পর একটা জিনিস পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে যে, পুলিশের নেতৃত্বেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, এরকম একটি মর্মান্তিক ঘটনায় আমি দিল্লি থেকে ছুটে আসতে পারলাম, অথচ জেলার এসপি নিজে না এসে পাঠিয়ে দিলেন থানার আইসিকে। পুলিশ এভাবে যে তাঁকে কার্যত অপমান করেছে, সে কোথাও তিনি জানিয়ে দেন। তাঁর আশঙ্কা, কালিয়াগঞ্জের মতো এখানেও পুলিশ কোনও কিছু গোপন করতে চাইছে।

    একই অভিজ্ঞতা হয়েছিল কালিয়াগঞ্জেও

    উল্লেখ্য কালিয়াগঞ্জের ঘটনাতেও দিল্লি থেকে ছুটে এসেছিলেন অরুণ হালদার। তখনও তাঁকে একই অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল। তারপরে তিনি (National SC Commission) ক্ষুব্ধ হয়ে জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপারকে দিল্লিতে হাজির হওয়ার জন্য নোটিশ পাঠান। ময়নার ঘটনাতেও তিনি একাধিক প্রশ্ন তোলেন। তাঁর অভিযোগ, নিহত বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধারের পর আনুষঙ্গিক তথ্যপ্রমাণ রেখে দেওয়ার জন্য পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। এমনকী দেহ উদ্ধারের পর খবর দেওয়া হয়নি তাঁর পরিবারের লোকজনকেও। এদিনের ঘটনার পরও তিনি পুলিশ-প্রশাসনের আধিকারিকদের দিল্লিতে তলব করবেন বলে জানিয়ে দেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP Murder: দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের উদ্দেশ্যে ময়নার বিজেপি নেতার দেহ পৌঁছল কলকাতায়

    BJP Murder: দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের উদ্দেশ্যে ময়নার বিজেপি নেতার দেহ পৌঁছল কলকাতায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের উদ্দেশ্যে কলকাতার কমান্ড হাসপাতালে পৌঁছল নিহত বিজেপি নেতা বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়ার দেহ (BJP Murder)। এদিন সকালে তমলুক হাসপাতালের মর্গ থেকে দেহ কলকাতায় নিয়ে যেতে পুলিশ গড়িমসি করে বলে অভিযোগ করে নিহতের পরিবার। এনিয়ে হাসপাতাল চত্বরেই বিবাদ শুরু হয় সুপার ও ওসির মধ্যে। নিহত বিজেপি নেতার ছেলে, প্রসেনজিত ভুঁইয়া সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সকাল ৮টা থেকে তমলুক হাসপাতালে উপস্থিত থাকলেও পুলিশ দেহ (BJP Murder) নিয়ে যেতে কোনও উদ্যোগ নেয়নি। প্রসঙ্গত, ১ মে খুন হন বিজেপির বাকচার বুথ সভাপতি বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়া। ঘটনার তিন দিন পর পুলিশ আজই প্রথম গ্রেফতার করতে পারল এক অভিযুক্তকে। জানা গেছে, ধৃতের নাম মিলন ভৌমিক, তিনি তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য। হত্যার (BJP Murder) পরপরই পুলিশের বিরুদ্ধে খুনীদের আড়াল করার অভিযোগ তোলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামের বিধায়ক দাবি করেন, খুনীরাই পুলিশের হাতে দেহ (BJP Murder) তুলে দিয়েছে। পুলিশি তদন্তে ভরসা নেই বলে জানায় পরিবারও। ময়নাতদন্তে তথ্য প্রমাণ লোপাট করতে পারে পুলিশ, এই আশঙ্কায় কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার দৃষ্টি আকর্ষণ করে শুভেন্দু অধিকারী।

    হাইকোর্টের নির্দেশ….

    এই মর্মে কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দেয় দেহের দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত করানো হবে আলিপুরের কমান্ড হাসপাতালে। উচ্চ আদালত আরও জানায়, ময়নাতদন্ত করতে গঠন করা হবে একটি দল, যেখানে থাকবেন দুজন ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞ। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের একটি কপি জমা দিতে হবে সংশ্লিষ্ট থানায় এবং অপর একটি কপি নিহতের পরিবারের হাতে তুলে দিতে হবে বলে জানায় হাইকোর্ট। অন্যদিকে ময়নাতে দেহ (BJP Murder) পৌঁছালে তা নিয়ে মিছিল করার কথা ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। অন্যদিকে, নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে আজ ময়নাতে আসছে কেন্দ্রীয় তফশিলি কমিশনের একটি প্রতিনিধি দল।

    পর্ব ১: গলায় সিসিটিভি-র তার পেঁচিয়ে, পাথর দিয়ে থেঁতলে খুন করা হয়েছিল অভিজিৎ সরকারকে!

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ajay Banga: মার্কিন বংশোদ্ভূত ভারতীয় নাগরিক হিসেবে প্রথম! জানুন বিশ্ব ব্যাঙ্কের নয়া প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গার পরিচয়

    Ajay Banga: মার্কিন বংশোদ্ভূত ভারতীয় নাগরিক হিসেবে প্রথম! জানুন বিশ্ব ব্যাঙ্কের নয়া প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গার পরিচয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব ব্যাঙ্কের প্রেসিডেন্ট হতে চলেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত, মাস্টারকার্ডের প্রাক্তন সিইও অজয় বাঙ্গা। গত ফেব্রুয়ারিতে বিশ্বব্যাঙ্কের প্রেসিডেন্ট পদের জন্য তাঁকে মনোনীত করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সম্প্রতি বিশ্ব ব্যাঙ্কের ২৫ সদস্যের কার্যনির্বাহী পরিষদ সংস্থার নতুন প্রেসিডেন্ট হিসাবে ভারতীয়-আমেরিকান অজয়কে নির্বাচিত করেছে।

    ভারতেই কেটেছে শিক্ষাজীবন

    প্রথম ভারতীয়-আমেরিকান এবং শিখ আমেরিকান হিসেবে বিশ্বের দুটি সেরা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডার এবং বিশ্বব্যাঙ্ক) শীর্ষপদে বসতে চলেছেন বাঙ্গা। ৬৩ বছর বয়সি বাঙ্গা জন্মসূত্রে ভারতীয়। ১৯৫০ সালে মহারাষ্ট্রের পুণেতে, এক শিখ পরিবারে জন্ম। বাবা ছিলেন সেনা আধিকারিক। সিমলা এবং হায়দ্রাবাদে কেটেছে স্কুল জীবন। অর্থনীতিতে স্নাতক হন দিল্লির সেন্ট স্টিফেন্স কলেজ থেকে। এর পর, আমদাবাদের আইআইএম থেকে উচ্চশিক্ষা লাভ করেন। ২০০৭ সালে আমেরিকার নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন বাঙ্গা।

    দীর্ঘ কর্মজীবনের শুরুও ভারতে

    ‘নেসলে ইন্ডিয়া’-র হাত ধরে কর্মজীবন শুরু হয়েছিল তাঁর। এর পর কাজ করেন সিটি ব্যাঙ্কেও। ১৯৯৬ সালে আমেরিকা পাড়ি দিয়েছিলেন অজয়। সেখানে ‘পেপসিকো’ সংস্থায় যোগ দেন। ১৩ বছর ওই সংস্থায় কর্মরত ছিলেন তিনি। সিইও-সহ সংস্থার একাধিক পদে দায়িত্ব সামলেছেন। ২০০৯ সালে মাস্টারকার্ডের প্রেসিডেন্ট এবং চিফ অপারেটিং অফিসার হিসাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন অজয়। পরে ওই সংস্থার সিইও হন। তাঁরই নেতৃত্বে বিশ্ব দরবারে মাস্টারকার্ডের ব্যাপ্তি ঘটে।

    আরও পড়ুুন: ভোররাতে কৃষ্ণ কল্যাণীকে নিয়ে রওনা গোয়েন্দাদের! কোথায় গেলেন?

    কবে থেকে দায়িত্ব গ্রহণ

    ভারত মুক্ত অর্থনীতির পথে হাঁটলে পিৎজা হাট, কেএফসি-কে দেশে ব্যবসার সুযোগ করে দেওয়ার নেপথ্যেও বাঙ্গার হাত ছিল।  ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অফ কমার্সের চেয়ারম্যানও নিযুক্ত হন তিনি। ২০১৬ সালে ভারত সরকার তাঁকে ‘পদ্মশ্রী’ সম্মানে ভূষিত করে। ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল’, ‘ইউএস-ইন্ডিয়া সিইও ফোরাম’-এর মতো অলাভজনক সংস্থারও সদস্য বাঙ্গা।  ২০২৫ সালের মধ্যে ১০০ কোটি মানুষ এবং ৫০ কোটি ক্ষুদ্র অর্থনীতি ও ছোট ব্যবসাকে ডিজিটাল অর্থনীতির আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিলেন তিনি। আপাতত বিশ্ব ব্যাঙ্কের প্রেসিডেন্ট পদে আছেন ডেভিড মালপাস। এক মাস পরে তাঁর থেকেই দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন বাঙ্গা।  আগামী ২ জুন থেকে তাঁর কার্যকাল শুরু হতে চলেছে। পাঁচ বছরের জন্য এই গুরুদায়িত্ব সামলাবেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: এলাকাবাসীর তাড়া খেয়ে নদীতে ঝাঁপ যুবকের, উদ্ধার দেহ

    Balurghat: এলাকাবাসীর তাড়া খেয়ে নদীতে ঝাঁপ যুবকের, উদ্ধার দেহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোর সন্দেহে এক যুবককে স্থানীয় লোকজন তাড়া করে বলে অভিযোগ। তাড়া খেয়ে ওই যুবক ছুটে গিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেন। পরে, নদীতে তিনি তলিয়ে যান। দুদিন ধরে ডুবুরি নামিয়ে তল্লাশি চালিয়ে তাঁর হদিশ মেলেনি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর অবশেষে ওই যুবকের দেহ উদ্ধার হয়। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট (Balurghat) শহরের আত্রেয়ী নদীর শ্মশানঘাট এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত যুবকের নাম কুশ সরকার (২৩)। তাঁর বাড়ি বালুরঘাটের চকভৃগু এলাকায়। এদিন নদী থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হওয়ায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    কুশের নিজের একটি পিকআপ ভ্যান ছিল। তিনি নিজেই সেই গাড়ি চালাতেন। ২ মে তিনি ভাড়ার টাকা আনতে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। তারসঙ্গে একটি সাইকেল ছিল। সন্ধ্যার পর তিনি সাইকেল নিয়ে মাসিরবাড়ি বালুরঘাটের (Balurghat) সাহেব কাছারিতে যান। কিন্তু, বাড়িতে মাসি ছিলেন না। সাইকেল রেখে বাড়ির সামনে তিনি ঘোরাঘুরি করছিলেন। আচমকাই এলাকার কয়েকজন যুবক তাঁকে চোর সন্দেহ করে তাড়া করতে শুরু করে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, এক যুবক আমাদের সামনে দিয়ে ছুটছিল। আর পিছনে কয়েকজন তাঁকে তাড়া করছিল। ওই যুবক শুধু চিৎকার করে বলেন, আমি চোর নয়। এরপরই ওই যুবক আত্রেয়ী নদীতে ঝাঁপ দেন। নদীর পাড়ে অনেকেই দাঁড়িয়েছিলেন। ও ভয়ে আর নদীর পাড়ে উঠতে পারেননি। একসময় ও নদীতে তলিয়ে যায়।

    কী বললেন মৃতের পরিবারের লোকজন?

    মৃত যুবকের মা রীতা সরকার বলেন, ২ মে দুপুরের দিকে আমার ছেলে গাড়ি ভাড়ার টাকা আনতে বেরিয়েছিল। আর সে বাড়ি ফেরেনি। অনেকবার ফোনে তার সঙ্গে কথা হয়েছে। ও বাড়ি ফেরার কথা বললেও সে আর ফেরেনি। পরে, শুনলাম আমার ছেলেকে চোর বদনাম দিয়ে তাড়া করেছিল। তারজন্য নদীতে ঝাঁপ দিয়ে ও মারা গিয়েছে। আমার ছেলেকে খুন করা হয়েছে। বালুরঘাট (Balurghat) থানায় অভিযোগ জানিয়েছি। যে বা যারা এই কাজ করেছে তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: হাইকোর্টের নির্দেশ ভেঙে লাঠিচার্জ করেছে সিভিক পুলিশ! ট্যুইটে অভিযোগ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: হাইকোর্টের নির্দেশ ভেঙে লাঠিচার্জ করেছে সিভিক পুলিশ! ট্যুইটে অভিযোগ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পটাশপুরের ওসি রাজু কুণ্ডুর নেতৃত্বে বিজেপি কর্মীদের আন্দোলনে লাঠিচার্জ করেছে সিভিক পুলিশ, যা হাইকোর্টের নির্দেশের বিরোধী। বুধবার এই মর্মে ট্যুইট করে রাজ্য পুলিশের ডিজিপিকে অভিযোগ জানালেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। প্রসঙ্গত, আইন-শৃঙ্খলাজনিত কোনও কাজে লাগানো যাবেনা সিভিকদের, এমনটাই ছিল হাইকোর্টের নির্দেশ। উচ্চ আদালত বেঁধে দেয় কোন কোন ক্ষেত্রে সিভিক ব্যবহার করা যাবে, মাস কয়েক আগেই রাজ্য পুলিশের আইজিকে গাইডলাইন তৈরি করতে নির্দেশ দেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। সেই নির্দেশ মোতাবেক রাজ্য সরকার সিভিক ভলান্টিয়ারদের নিয়ে নয়া নির্দেশিকা জারি করে। নির্দেশ অনুযায়ী, ভিড় নিয়ন্ত্রণ, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ এবং উৎসবের সময় ধর্মস্থানগুলিতে স্বেচ্ছাসেবকের কাজ করতে পারবে সিভিকরা এর পাশাপাশি গাড়ির পার্কিং দেখাশোনার কাজ করতে পারবে তারা। কিন্তু সিভিকদের দিয়ে আইনশৃঙ্খলার কাজ করানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করে বিজেপি, কালিয়াগঞ্জ কাণ্ডেও এমন অভিযোগ তোলে তারা। দানা বাঁধে বিতর্ক। বিজেপির অভিযোগ, শাসকদলের বদান্যতায় কাজ পেয়েছেন সিভিকরা, কোথাও কোথাও তাদের নাম শাসকদলের কমিটিতেও দেখা যাচ্ছে। কোনও কোনও মহল বলছে, আসলে ইউনিফর্ম পরে শাসক দলের কর্মীর কাজই করে চলেছেন সিভিকরা।

    শুভেন্দুর(Suvendu Adhikari) অভিযোগ….

    বুধবার কোলাঘাটে সাংবাদিক সম্মেলনে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ট্যাপরপাড়া এলাকায় বিজেপি নেতা মোহনলালকে পশুর মতো পিটিয়েছে পটাশপুর থানার ওসি রাজু কুণ্ডু, সঙ্গে ছিল মাথায় হেলমেট পরা সিভিকরা। এরপরই তিনি প্রশ্ন তোলেন হাইকোর্টের নির্দেশের পর কীভাবে সিভিক পুলিশ লাঠিচার্জ করতে পারে। আইজি ওয়েলফেয়ারের পক্ষ থেকে একটি সার্কুলারও দেওয়া হয়েছে এই নিয়ে, তবে তা কোনওভাবেই মানা হচ্ছেনা বলেও অভিযোগ করেন বিরোধী দলনেতা। বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) ট্যুইটে ট্যাগ করেছেন রাজ্য পুলিশের ডিজিপিকে, এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার আর্জিও জানিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Partha Chatterjee: পার্থ ‘ঘনিষ্ঠ’ একাধিক নেতা, আমলার বাড়িতে তল্লাশি সিবিআইয়ের, কেন জানেন?  

    Partha Chatterjee: পার্থ ‘ঘনিষ্ঠ’ একাধিক নেতা, আমলার বাড়িতে তল্লাশি সিবিআইয়ের, কেন জানেন?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সংবাদের শিরোনামে কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। বৃহস্পতিবার তাঁর দুটি বাড়িতে হানা দিল সিবিআই (CBI)। সিবিআইয়ের অন্য একটি দল তল্লাশি অভিযান চালায় রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত বেহালার ১২৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তৃণমূলের (TMC) পার্থ সরকার ওরফে ভজার বাড়িতে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, দুজনের বাড়িতেই নিয়োগ কেলেঙ্কারি সংক্রান্ত মামলার তদন্তের রেশ ধরেই চালানো হয়েছে তল্লাশি অভিযান।

    পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) ‘ঘনিষ্ঠ’ আমলার বাড়িতেও হানা…

    এর পাশাপাশি সন্তু গঙ্গোপাধ্যায় নামে বেহালার এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছেন সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। বারাকপুর পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জয়দীপ দাসের বাড়িতেও চলছে তল্লাশি। সিবিআই তল্লাশি চালাচ্ছে নিউটাউনের একটি ফ্ল্যাটেও। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক সুকান্ত আচার্যের বাড়িতেও হানা দিয়েছে সিবিআই। তিনি সরকারি আমলা। পার্থর দফতরে স্পেশাল ডিউটি অফিসার হিসেবেও নিযুক্ত ছিলেন। তাঁর বাড়ি নিউ বারাকপুরের জগদীশচন্দ্র রোডে। বৃহস্পতিবার সেখানেই হানা দেন সিবিআইয়ের আধিকারিকরা।

    সিবিআইয়ের এই হানার আগে ইডি অভিযান চালিয়েছিল সুকান্তর বাড়িতে। একাধিকবার ইডির তলব পেয়ে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে এবং সিবিআইয়ের ডাকে নিজাম প্যালেসে হাজিরা দিয়েছেন তিনি। এবার তাঁর বাড়িতেই অভিযান চালাল সিবিআই। পার্থকে জিজ্ঞাসাবাদ করে নয়া তথ্য হাতে এসেছে সিবিআইয়ের। তার পরেই হানা সুকান্তর বাড়িতে। এদিন সকালে সিবিআই একযোগে অভিযান চালায় শহরের বিভিন্ন জায়গায়। একটি দল যায় কালীঘাটের কাকুর বাড়িতে। এই কালীঘাটের কাকুর কথা প্রথম প্রকাশ্যে আনেন নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে ধৃত তাপস মণ্ডল।

    আরও পড়ুুন: এবার শুভেন্দুর দুটি মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি মান্থা

    এদিন পার্থ (Partha Chatterjee) ঘনিষ্ঠ ভজার বাড়িতেও হানা দেয় সিবিআই। তদন্ত চলাকালীন একাধিকবার উঠে এসেছে এই তৃণমূল নেতার নাম। লোকনাথ আবাসনে তাঁর একটি ফ্ল্যাটেও এদিন সকাল থেকে তল্লাশি চালাচ্ছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় প্রাক্তন তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষের বিরুদ্ধে সম্প্রতি চার্জশিট পেশ করে ইডি। ওই চার্জশিটে নাম ছিল আমলা সুকান্তের। নাম ছিল শিক্ষাসচিব, আইএএস মণীশ জৈনেরও। চার্জশিটে ইডির অভিযোগ, শিক্ষাক্ষেত্রে পাকা চাকরির আশ্বাস দিয়ে অযোগ্য প্রার্থীদের আলাদাভাবে ইন্টারভিউয়ের ব্যবস্থা করা হত। আর সেটা করা হত শুধু টাকা নেওয়ার জন্য। ইডির আরও অভিযোগ, মূলত পার্থর নির্দেশেই সেই ইন্টারভিউয়ের আয়োজন করতেন মণীশ, সুকান্তর মতো আধিকারিকরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: এবার শুভেন্দুর দুটি মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি মান্থা

    Calcutta High Court: এবার শুভেন্দুর দুটি মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি মান্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) দুটি মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। হাইকোর্টে এই দুটি মামলার দ্রুত শুনানি হচ্ছে না বলে দুবার সুপ্রিম কোর্টে অভিযোগ জানিয়েছিল রাজ্য। কিন্তু শীর্ষ আদালত এই দুটি মামলায় কোনও হস্তক্ষেপ না করে দ্রুত শুনানির পরামর্শ দিয়েছিল হাইকোর্টকে। এ প্রসঙ্গে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার পর্যবেক্ষণ, শীর্ষ আদালতে রাজ্যের আবেদন দেখে মনে হয়েছে যেন মামলাকারীর জন্যই শুনানিতে দেরি হয়েছে। কিন্তু এই আদালত দেখেছে যে কোনও পক্ষই দ্রুত শুনানিতে আগ্রহী নয়।

    কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতির পর্যবেক্ষণ…

    বিচারপতি মান্থার মন্তব্য, দীর্ঘ শুনানি করার সময় এই এজলাসের (Calcutta High Court) নেই। আদালতে আরও ৫৩ জন বিচারপতি রয়েছেন। অন্য কোনও এজলাসে মামলা পাঠানো হোক। এর পরেই এই দুটি মামলা থেকে সরে দাঁড়ান বিচারপতি মান্থা। এর আগে এই মামলা (Suvendu Adhikari) থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টেরই আর এক বিচারপতি পার্থসারথি সেন। ডিসেম্বর মাসে বিচারপতি মান্থার বেঞ্চ শুভেন্দুর বিরুদ্ধে রাজ্য পুলিশের দায়ের করা ২৬টি এফআইআরে স্থগিতাদেশ দেয়। শুভেন্দুর বিরুদ্ধে নতুন মামলা করতে গেলেও আদালতের অনুমতি নিতে হবে বলেও নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। তার বিরুদ্ধে হাইকোর্টের অন্য এজলাসে আর্জি জানিয়েও সমস্যার সমাধান না হওয়ায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। তার প্রেক্ষিতেই সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের বেঞ্চ জানায়, রাজ্য সরকারকে আগের নির্দেশে রদবদলের জন্য হাইকোর্টেই আবেদন করতে হবে।

    আরও পড়ুুন: ভোররাতে কৃষ্ণ কল্যাণীকে নিয়ে রওনা গোয়েন্দাদের! কোথায় গেলেন?

    এদিকে, শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) বিরুদ্ধে নগর দায়রা আদালতের প্রধান বিচারকের বেঞ্চে দাখিল হল মানহানির মামলা। কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের হয়ে আবেদন করেছে রাজ্য। প্রসঙ্গত, ১৭ এপ্রিল একটি ট্যুইট করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। একটি বাসের ছবি দিয়ে তাঁর অভিযোগ, বিনীত গোয়েলের পুলিশ পাহারা দিয়ে এই বাসটি পটুয়াপাড়া থেকে বের করেছে। মনে হয় এই বাসটিতে টাকা রয়েছে। আমি (Suvendu Adhikari) সিবিআই-ইডিকে অনুরোধ করব এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করতে। এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশের তরফে আবেদন জানানো হয় যে, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হয়েছে। পুলিশের দাবি, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। পরে মানহানির মামলা দায়ের করে রাজ্য।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IPL 2023: প্লে-অফের লড়াইয়ে থাকতে হলে আজ হায়দ্রাবাদের বিরুদ্ধে জিততেই হবে নাইটদের

    IPL 2023: প্লে-অফের লড়াইয়ে থাকতে হলে আজ হায়দ্রাবাদের বিরুদ্ধে জিততেই হবে নাইটদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাপ-লুডোর খেলা চলছে আইপিএলের (IPL 2023) পয়েন্ট তালিকায়। আর সেই লড়াইয়ে ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছে কলকাতা নাইট রাইডার্স (KKR)। ৯টি খেলে ৬ পয়েন্ট নিয়ে নীতীশ রানারা রয়েছেন অষ্টম স্থানে। প্লে-অফের লড়াইয়ে টিকে থাকতে হলে এখন আর হারলে চলবে না। এই অঙ্ক মাথায় নিয়েই আজ নিজামের শহর হায়দ্রাবাদ সানরাইজার্সের মুখোমুখি হচ্ছে কেকেআর। প্রতিপক্ষ দলের অবস্থাও ভালো নয়। সানরাইজার্সও ৬ পয়েন্ট পেয়েছে। রয়েছে নবম স্থানে। তবে মার্করামের দল নাইটদের তুলনায় খেলেছে একটি কম ম্যাচ।

    দুর্বল বোলিং

    কেকেআরকে মূলত ভোগাচ্ছে দুর্বল বোলিং। বিশেষ করে পেসারদের পারফরম্যান্স একেবারেই প্রত্যাশা মতো হচ্ছে না। উমেশ যাদবরা প্রচুর রান দিচ্ছেন পাওয়ার প্লে’তে। এই সমস্যা মেটাতে না পারলে হায়দ্রাবাদের বাধা টপকানো কঠিন হবে কলকাতার। তুলনায় স্পিন বিভাগ কিছুটা শক্তিশালী। সুয়াশ শর্মা, সুনীল নারিনের সঙ্গে বরুণ চক্রবর্তী রয়েছেন কেকেআর দলে। তাঁরা ম্যাচের মোড় ঘোরাতে সক্ষম। তবে তার জন্য দরকার ভালো পুঁজি। সেক্ষেত্রে ব্যাটসম্যানদের ভূমিকা হবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জেসন রয় চোট সারিয়ে মাঠে ফিরতে পারেন। ছন্দে আছেন গুরবাজও। তাঁদের দু’জনকে এক সঙ্গে খেলানো হয় কিনা, সেটাই দেখার। কিন্তু নীতীশ রানা, বেঙ্কটেশ আয়ার গত ম্যাচে হতাশ করেছিলেন। তাঁরা যদি ফর্মে না ফেরেন তাহলে পরের দিকের ব্যাটসম্যানরা খোলা মনে খেলতে পারবেন না। রিঙ্কু সিং, আন্দ্র রাসেল মূলত দ্রুত গতিতে রান যোগ করেন। তাই শুরুটা ভালো হলে তাঁদের কাজটা অনেক সহজ হয়ে যাবে।

    হায়দ্রাবাদের লক্ষ্য

    সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের পেস আক্রমণ বেশ শক্তিশালী। অভিজ্ঞ ভুবনেশ্বর কুমারের সঙ্গে নটরাজন ও উমরান মালিকের খেলার সম্ভাবনা রয়েছে। ঘরের মাঠে পেস সহায়ক উইকেটে নাইটদের বিপাকে ফেলতে চাইবেন তাঁরা। ব্যাটিংয়ে তেমন কোনও তারকা না থাকলেও, এমন অনেকে আছেন, যাঁরা খেলার ধরন বদলে দিতে পারেন। গত ম্যাচে ওপেনার হিসেবে হাফ-সেঞ্চুরি করেছিলেন অভিষেক শর্মা। এছাড়া আছেন ময়াঙ্ক আগরওয়াল, রাহুল ত্রিপাঠি, হ্যারি ব্রুক, আইডেন মার্করামের মতো ব্যাটসম্যান। মিডল অর্ডারে ক্লাসেন দুর্দান্ত পারফর্ম করছেন।

    আরও পড়ুন: পিএসজি ছাড়ছেন! দু’সপ্তাহের জন্য নির্বাসিত মেসি কি ফের বার্সেলোনায়?

    লিটনের পরিবর্ত

    প্রথম সাক্ষাৎতে ইডেনে হায়দ্রাবাদের কাছে হারতে হয়েছিল কেকেআরকে। এবার বদলার পালা। নিজামের শহরে সূর্যাস্ত ঘটিয়ে প্লে-অফের সম্ভাবনা রাসেলরা জাগিয়ে তুলতে পারেন কিনা সেটাই দেখার? এদিকে, লিটন দাসের বদলি হিসেবে জনসন চার্লসকে নিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই কিপার-ব্যাটারের অভিজ্ঞতা প্রচুর। ৪১টি আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচ খেলেছেন তিনি। ২০১২, ২০১৬ টি-২০ বিশ্বকাপেও প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটারটি। ৫০ লক্ষ টাকা দিয়ে তাঁকে নিল শাহরুখ খানের দল। কারণ, লিটন ব্যক্তিগত কারণে দেশে ফিরে গিয়েছেন। ৪ মে পর্যন্ত তিনি বোর্ডের থেকে রিলিজ পেয়েছিলেন আইপিএলে খেলার জন্য। সেই মেয়াদ শেষ হতেই লিটনের পরিবর্তন ক্রিকেটারের নাম জানিয়ে দিল কেকেআর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share