Blog

  • Recruitment Scam: “চন্দনকে গ্রেফতার করতে ন’মাস লাগল?”, নিয়োগ দুর্নীতিতে সিবিআইকে তীব্র ভর্ৎসনা  বিচারকের

    Recruitment Scam: “চন্দনকে গ্রেফতার করতে ন’মাস লাগল?”, নিয়োগ দুর্নীতিতে সিবিআইকে তীব্র ভর্ৎসনা বিচারকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সিবিআইকে ভর্ৎসনা বিচারকের। নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছেন বাগদার ‘রঞ্জন’ চন্দন মণ্ডল। বাগদার রঞ্জন ওরফে চন্দন মণ্ডলকে মঙ্গলবার আলিপুর আদালতে তোলা হয়েছিল। শুনানি চলাকালীন সিবিআইয়ের তদন্তের গতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারক। চন্দন মণ্ডল যদি নিয়োগ দুর্নীতিতে ওতপ্রোত ভাবে যুক্ত, তা হলে কেন তাঁকে গ্রেফতার করতে ৯ মাস সময় লাগল? সিবিআই আইনজীবীকে প্রশ্ন আলিপুরের দেওয়ানি এবং দায়রা আদালতের বিচারক রানা দামের।

    সিবিআইের তরফে কী বলা হল?

    এদিন চন্দনের জামিনের বিরোধিতা করে সিবিআই। উল্লেখ্য, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত অন্যতম দালাল চন্দন মণ্ডল চাকরি দেওয়ার নামে মোট ১৬ কোটি টাকা তুলেছিলেন। আদালতে আজ এমনই জানিয়েছে সিবিআই। তদন্তকারীদের দাবি, “বৃহত্তর ষড়যন্ত্রে চন্দনের ভূমিকা আছে। চন্দন অযোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের থেকে টাকা তুলে নিজের অ্যাকাউন্টে রাখতেন। সেখান থেকে টাকা তুলে বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে দিতেন। চন্দন কার থেকে টাকা নিয়েছেন, কাকে দিয়েছেন, সেগুলো এখনও জানা দরকার। তাই চন্দনের হেফাজত গুরুত্বপূর্ণ।” গ্রেফতারির আগে চন্দন অন্যদের প্রভাবিত করার চেষ্টা চালিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন সিবিআইয়ের আইনজীবী।

    আরও পড়ুন: চাকরি বিক্রি করে ১৬ কোটি টাকা! চন্দনকে জেরা করে নয়া তথ্য সিবিআই-এর হাতে

    বিচারকের প্রশ্নের মুখে সিবিআই

    সিবিআইয়ের আইনজীবী জামিনের বিরোধিতা করলে বিচারক রাণা দাম প্রশ্ন করেন, “আপনারা চন্দন মণ্ডলকে হেফাজতে নিতে চান না, তাহলে জামিন দিলে কী সমস্যা? এখন কান্নাকাটি করছেন জামিন দেবেন না, তাহলে এতদিন ছেড়ে রেখেছিলেন কেন?” এর উত্তরে সিবিআইয়ের আইনজীবী দাবি করেন, এতদিন তথ্য প্রমাণ সংগ্রহ করছিলেন তাঁরা। ফের বিচারকের প্রশ্ন, “৪ মাস ধরে চন্দনকে বাইরে রেখেছিলেন। বলেছেন, ও তদন্তে সহযোগিতা করেছে। তখন জানতেন না যে, তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করবেন? বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে। ৯ মাস সময় লাগল চন্দনকে দোষী প্রমাণ করতে?”

    বিচারপতির আরও প্রশ্ন, “হঠাৎ করে এমন কী হল যে চন্দন দোষী হয়ে গেল? এখন বলছেন উনি সহযোগিতা করছেন না। তাহলে এত প্রমাণ পেলেন কীভাবে? আপনারা যা বলছেন সেটা আপনাদের কথায় প্রকাশ পাচ্ছে না।” সিবিআইয়ের দাবি, “চন্দন অনেক কিছু চাপা দিতে চাইছেন। সম্পূর্ণটা বলছেন না। মিডলম্যানের কাছ থেকে ৫-১৫ কোটি টাকা পাওয়া যাচ্ছে।” ফের বিচারপতি বলেন, “চারটে নোটিস পাঠিয়েছেন। ওনাকে বাইরে থাকতে দিয়েছেন আপনারাই। হঠাৎ করে আপনাদের মনে হল একে জেলে পুড়তে হবে।”

    এছাড়াও সিবিআইয়ের আইনজীবীকে প্রশ্ন বিচারকের, চন্দন এত গুরুত্বপূর্ণ হলে কেন তাঁর জন্য শুধু জেল হেফাজত চাওয়া হচ্ছে? কেন পুলিশ হেফাজত চাওয়া হচ্ছে না? এর পাশাপাশি, চন্দন যে সব ধরনের প্রশ্ন এড়িয়ে গিয়েছেন, তার উল্লেখও চার্জশিটে নেই বলে বিচারকের পর্যবেক্ষণ। ফলে এদিন চন্দন মণ্ডলের মামলায় সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলেন বিচারক।  এখন এটাই দেখার, চন্দন মণ্ডলের থেকে আর কোনও তথ্য সিবিআইয়ের হাতে উঠে আসে কিনা।

  • S Jaishankar: ‘প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় কে সেনা পাঠিয়েছিল? রাহুল গান্ধী?’, কংগ্রেসকে নিশানা জয়শঙ্করের   

    S Jaishankar: ‘প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় কে সেনা পাঠিয়েছিল? রাহুল গান্ধী?’, কংগ্রেসকে নিশানা জয়শঙ্করের   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় কে সেনা পাঠিয়েছিল? রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)?  মঙ্গলবার সংবাদ সংস্থাকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে এই ভাষায়ই কংগ্রেস (Congress) সাংসদকে নিশানা করলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তিনি জানান, কংগ্রেসের নেতা নয়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় সেনা পাঠিয়েছিলেন। চিন যখন সেনা মোতায়েন করেছিল, তখন পাল্টা ভারতও সেনা মোতায়েন করেছিল সীমান্তে। তিনি বলেন, ১৯৬২ সালে কী হয়েছিল, সেটা বিরোধীরা মনে করে দেখুন। জয়শঙ্কর জানান, সীমান্তে উন্নত পরিকাঠামো গড়তে মোদি সরকার বাজেট বরাদ্দ পাঁচ গুণ বাড়িয়েছে।

    জয়শঙ্কর বলেন…

    গত বছর প্যাংগং লেকের ওপর ব্রিজ তৈরির চেষ্টা করেছিল চিন। এ নিয়ে কেন্দ্রের সমালোচনায় মুখর হয়েছিল কংগ্রেস ও অন্যান্য বিরোধী দল। সে প্রসঙ্গে জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, ১৯৬২ সালের যুদ্ধ থেকেই ওই জায়গাটি চিন জোর করে দখল করে রেখেছে। জয়শঙ্কর বলেন, কখন ওই জায়গাটি চিনের নিয়ন্ত্রণে এল? আসলে ‘সি’ দিয়ে কোনও শব্দ শুরু হলে, বুঝতে সমস্যা হয় কংগ্রেসের। আমার মনে হচ্ছে, তারা বার বার বিষয়টির অপব্যাখ্যা করে। চিনারা প্রথমে ওই জায়গায় এসেছিল ১৯৫৮ সালে। এর পর ’৬২ সালের অক্টোবর মাসে তারা জায়গাটি দখল করে।

    আরও পড়ুুন: ‘গোর্খারা বহিরাগত…’, শোভনদেবের মন্তব্যের প্রতিবাদে বিধানসভায় ওয়াকআউট বিজেপির

    তিনি বলেন, আর এখন ২০২৩ সালে আপনি মোদি সরকারকে ব্রিজ নিয়ে দুষছেন? বিদেশমন্ত্রী বলেন, ১৯৬২ সালেই ওই জায়গাটি দখল করেছিল ওরা। এখন আপনাদের সেটা স্বীকার করার মতো সততাও নেই। জয়শঙ্কর বলেন, রাজীব গান্ধী ১৯৮৮ সালে বেজিং গিয়েছিলেন। ১৯৯৩ ও ১৯৯৬ সালে তিনি চুক্তি সই করেছিলেন। তিনি বলেন, আমি এটা মনে করছি না যে সেই চুক্তি ভুল ছিল। এটা কোনও রাজনৈতিক দিক নয়। সেই সময় এটা করা হয়েছিল সীমান্তে স্থিতাবস্থা আনার জন্য। এর পরেই রাহুলকে নিশানা করে বিদেশমন্ত্রী বলেন, কে সীমান্তে সেনা পাঠিয়েছিলেন? রাহুল গান্ধী পাঠাননি। সীমান্তে সেনা পাঠিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রচুর ব্যয় করে আমরা সেখানে সেনা মোতায়েন করে রাখি। তিনি বলেন, আমরা সীমান্তে প্রতিরক্ষায় ব্যয় বরাদ্দ আরও বৃদ্ধি করেছি বাজেটে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Kolkata Metro: রুবি-নিউ গড়িয়া মেট্রো লাইনে সম্প্রসারণ! এবারে দক্ষিণেশ্বর থেকে সরাসরি পৌঁছে যাবেন বেলেঘাটায়

    Kolkata Metro: রুবি-নিউ গড়িয়া মেট্রো লাইনে সম্প্রসারণ! এবারে দক্ষিণেশ্বর থেকে সরাসরি পৌঁছে যাবেন বেলেঘাটায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার মেট্রো রেলযাত্রীদের জন্য ফের সুখবর! আগেই জানা গিয়েছিল যে, ফেব্রুয়ারিতেই শুরু হচ্ছে রুবি-নিউ গড়িয়া মেট্রো পরিষেবা। চলতি মাসেই পরিষেবা শুরুর জন্য রেলের সবুজ সঙ্কেত মিলেছে। কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটির তরফ থেকে এই অনুমতি মিলেছে। আর এখন জানা যাচ্ছে, সেই লাইন দ্রুতই বেলেঘাটা পর্যন্ত সম্প্রসারণ করার পরিকল্পনা করছে রেল বিকাশ নিগম লিমিটেড। ফলে এই লাইনে মেট্রো পরিষেবা শুরু হলে দক্ষিণেশ্বর থেকে মেট্রো করেই যাওয়া যাবে বেলেঘাটা।

    রুবি-নিউ গড়িয়া মেট্রো লাইনে সম্প্রসারণ

    কলকাতা মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনে কবি সুভাষ বা নিউ গড়িয়া থেকে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় স্টেশন বা রুবি পর্যন্ত পরিষেবা চালু হওয়ার জন্য প্রায় প্রস্তুত। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই কলকাতা পেতে চলেছে চতুর্থ মেট্রো লাইন। নিউ গড়িয়া থেকে রুবি পর্যন্ত চলবে এই মেট্রো। তবে এখন রুবি থেকে আরও ৪ কিমি রুট সম্প্রসারণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নয়া রুটে প্রাথমিক ভাবে একটি মেট্রোই চলবে। এই লাইনটি চালু হয়ে গেলে যাত্রীদের ব্যাপক সুবিধা হবে। উল্লেখ্য, মেট্রোর দুটি লাইন অর্থাৎ ব্লু লাইন এবং অরেঞ্জ লাইনকে সংযুক্ত করবে কবি সুভাষ মেট্রো স্টেশন (নিউ গড়িয়া)। কিন্তু এই রুট নিয়ে নতুন পরিকল্পনা নেওয়ায় শহরবাসীর যাতায়াতে আরও সুবিধা হবে মনে করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: কবি সুভাষ থেকে রুবি, নতুন লাইনে মেট্রো চলবে চলতি মাসেই! জুড়ে যাবে দুটি ভিন্ন লাইন

    কবে থেকে শুরু হবে বেলেঘাটা মেট্রো পরিষেবা?

    নিউ গড়িয়া-রুবি রুটের সম্প্রসারণ করে বেলেঘাটা পর্যন্ত করা হলে এই রুটের প্রাসঙ্গিকতা আরও বাড়বে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ। মনে করা হচ্ছে, পুজোর আগেই এই সুবিধা পেতে পারেন শহরবাসী। যখন রুট আর বাড়ানোর পরিকল্পনা যখন সম্পূর্ণ হবে, তখন দক্ষিণেশ্বর থেকে কবি সুভাষ স্টেশন (নিউ গড়িয়া) হয়ে বেলেঘাটা পর্যন্ত ৪১ কিমি দীর্ঘ টানা লাইন তৈরি হবে। এবং এক টোকেনেই নিউ গড়িয়া হয়ে মেট্রো চেপে দক্ষিণেশ্বর থেকে বাইপাসে পৌঁছে যাওয়া যাবে।

    মেট্রো সূত্রের খবর, আপাতত আট ঘণ্টার পরিষেবা দেওয়া যাবে এই অরেঞ্জ লাইনে। মেট্রো সূত্রের খবর, জোকা-তারাতলা মেট্রোর ধাঁচেই এই পরিষেবা শুরু হতে পারে। সেক্ষেত্রে সোম থেকে শুক্রবার পর্যন্ত সপ্তাহে পাঁচ দিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত পরিষেবা খোলা থাকবে। তবে আগামীতে পরিষেবার সময়কাল এবং মেট্রোর সংখ্যা বাড়ানো হবে।  

  • SSC Scam: চাকরি বিক্রি করে ১৬ কোটি টাকা! চন্দনকে জেরা করে নয়া তথ্য সিবিআই-এর হাতে

    SSC Scam: চাকরি বিক্রি করে ১৬ কোটি টাকা! চন্দনকে জেরা করে নয়া তথ্য সিবিআই-এর হাতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোগ্য চাকরি প্রার্থীদের চাকরি বিক্রি করে  ১৬ কোটি টাকা তুলেছিলেন বাগদার চন্দন মণ্ডল ওরফে রঞ্জন। নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে সিবিআইয়ের হাতে উঠে এল তারই বহু প্রমাণ। কীভাবে স্কুলের এক চতুর্থ শ্রেণির কর্মী থেকে চন্দন মণ্ডল কোটিপতি হয়ে ওঠেন, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই টিনের চালের বাড়ি থেকে কীভাবে চন্দন তিনতলা বাড়ি করলেন, কীভাবেই বা বিলাসবহুল জীবনে অভ্যস্ত হয়ে গেলেন, তা নিয়ে চলছে তদন্ত। 

    কোটি কোটি টাকার লেনদেন

    নিয়োগ দুর্নীতিতে নাম থাকা চন্দন প্রথম থেকেই সিবিআইয়ের আতশকাচের তলায় ছিলেন। সেই সময়েই চন্দনের লেনদেন খতিয়ে দেখে ৬ কোটি টাকার হদিশ পেয়েছিলেন তদন্তকারীরা। হেফাজতে পেয়ে চন্দনকে জেরা করে এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখে আরও ১০ কোটি টাকার হদিশ পেয়েছে সিবিআই। সিবিআই সূত্রে খবর, চাকরি বিক্রি শুধু নয়, চাকরি পেয়েছেন চন্দনের মেয়ে ও ভাইঝি। চন্দন চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন তাঁর নিকট আত্মীয়দের।  

    একশোর বেশি অযোগ্য প্রার্থীকে চাকরি

    মঙ্গলবার চন্দন এবং আর এক অভিযুক্ত সুব্রত সামন্ত রায়কে সিবিআই হেফাজত থেকে আদালতে তোলা হয়। সিবিআই সূত্রে খবর, একশোর বেশি অযোগ্য প্রার্থীকে টাকার বিনিময়ে চাকরি পাইয়ে দিয়েছিলেন চন্দন মণ্ডল। চন্দন মণ্ডলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে বিপুল লেনদেনের হদিশ পেয়েছে সিবিআই। উত্তর ২৪ পরগনা ছাড়াও দুই দিনাজপুরের অযোগ্য প্রার্থীদের চাকরির ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন তিনি। নিয়োগ দুর্নীতিতে ‘মিডলম্যান’ প্রসন্ন রায়ের কাছে সুপারিশ চাকরি প্রার্থীদের তালিকা পৌঁছে দিতেন চন্দন। ইতিমধ্যেই চন্দনের মাধ্যমে চাকরি পাওয়া ২২ জন প্রার্থীর চাকরি চলে গিয়েছে হাইকোর্টের নির্দেশে। 

    আরও পড়ুুন: ‘রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে কুকথা বললে কান ধরে বের করে দিতাম’, বললেন সুকান্ত

    চন্দন মণ্ডল গ্রেফতারির পর থেকেই একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে সিবিআই-এর হাতে। এই চন্দন মণ্ডলই মোটামুটি একটা ‘রেট চার্ট’ তৈরি করতেন। কার সুপারিশের ভিত্তিতে কোন প্রার্থী কী চাকরি করতে চাইছেন, তার ভিত্তিতে নির্ধারিত হত টাকার অঙ্ক। প্রাইমারিতে ১২ থেকে ১৫ লক্ষতে রফা হতো, আপার প্রাইমারির ক্ষেত্রে তা ছিল ২০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা। অন্তত সিবিআই জেরায় তেমনটাই জানিয়েছেন চন্দন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Walk Out: ‘গোর্খারা বহিরাগত…’, শোভনদেবের মন্তব্যের প্রতিবাদে বিধানসভায় ওয়াকআউট বিজেপির

    Walk Out: ‘গোর্খারা বহিরাগত…’, শোভনদেবের মন্তব্যের প্রতিবাদে বিধানসভায় ওয়াকআউট বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোর্খাদের বহিরাগত ও আদিবাসীদের পরিযায়ী বলেছিলেন পরিষদীয় মন্ত্রী তৃণমূলের (TMC) শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় (Shovondeb Chatterjee)। সোমবার বিধানসভায় বঙ্গভঙ্গ প্রস্তাবের আলোচনায় ওই মন্তব্য করেছিলেন তিনি। মন্ত্রীর এই মন্তব্যের প্রতিবাদে বিধানসভায় ওয়াকআউট (Walk Out) করলেন বিজেপি (BJP) বিধায়করা। মঙ্গলবার বিধানসভায় বিষয়টির উল্লেখ করেন কুমারগ্রামের বিধায়ক বিজেপির মনোজ ওঁরাও। বিজেপির দাবি, গোর্খা জনজাতিদের বহিরাগত ও অনুপ্রবেশকারী বলে অপমান করেছেন মন্ত্রী। অবিলম্বে মন্তব্য প্রত্যাহার ও ক্ষমা চাওয়ার দাবিতে বিধানসভার অধিবেশন কক্ষের বাইরে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা। কিছুক্ষণ বিক্ষোভ দেখানোর পর ওয়াকআউট করেন তাঁরা। বিধানসভার বাইরে দীর্ঘক্ষণ অবস্থানও করেন।

    বিজেপির বক্তব্য…

    বিজেপি বিধায়কদের বক্তব্য, পরিষদীয় মন্ত্রী অন রেকর্ড বলেছেন, আদিবাসীরা আসলে বাইরে থেকে এসে বসবাস করছেন। এবং গোর্খা সম্প্রদায়ের মানুষ যাঁরা পশ্চিমবঙ্গে রয়েছেন, তাঁরা বহিরাগত। এই শব্দ প্রত্যাহার করতে হবে। না হলে আগামী দিনে আন্দোলন (Walk Out) আরও জোরদার হবে। মনোজ ওঁরাও বলেন, কোন ইতিহাসের পাতায় উনি এই তথ্য পেয়েছেন, তার সদুত্তর দিতে পারেননি। আমরা মনে করি, ভারতে বসবাসকারী গোর্খাদের ও রাজ্যের আদিবাসী ভাইবোনেদের এই শব্দের মাধ্যমে অপমান করা হয়েছে। বিজেপি পরিষদীয় দলের মুখ্য সচেতক মনোজ টিগ্গা বলেন, গতকাল মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ইতিহাসের অপলাপ করেছেন। তিনি বলেছেন, গোর্খারা বহিরাগত ও আদিবাসীরা অন্য জায়গা থেকে এসেছেন। তাঁরা এ রাজ্যে পরিযায়ী। তাই আমাদের দাবি, বিধানসভায় মন্ত্রী যে মন্তব্য করেছেন, তা অত্যন্ত নিন্দাজনক। আমরা নিঃশর্তে এই মন্তব্য প্রত্যাহার করে তাঁর ক্ষমা প্রার্থনার দাবি জানাচ্ছি।

    আরও পড়ুুন: ‘মমতার সরকার লুঠের সরকার হয়ে গিয়েছে’, এ কথা কেন বললেন গিরিরাজ সিং?

    আসানসোল দক্ষিণের বিধায়ক বিজেপির অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, আমরা কখনও কাউকে দূরে ঠেলে দিতে পারি না। তাই গতকাল শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় যেভাবে গোর্খাদের বহিরাগত ও আদিবাসীদের পরিযায়ী বলে আক্রমণ করেছেন, তা নিয়ে আমরা বিধানসভায় উল্লেখ করে ক্ষমা প্রার্থনার দাবি জানিয়েছিলাম। কিন্তু স্পিকার আমাদের সেই অনুমতি দেননি। তিনি বলেন, তাই বাধ্য হয়ে আমরা বিধানসভার বাইরে বিক্ষোভ অবস্থান করছি। এ ব্যাপারে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, ইতিহাস অনেকে অনেক রকমভাবে লিখে গিয়েছেন। আপনার যেটা পছন্দ হবে সেটা তুলে ধরে আপনি গোর্খাকে বলবেন বহিরাগত, আপনি সাঁওতাল, ওঁরাও-মুন্ডা এঁদের বলবেন পরিযায়ী। আপনার কাছে অনুরোধ, এই ধরনের স্পর্শকাতর বিষয়ে আপনি বলবেন না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Online Payment: এবার দেশের বাইরেও ইউপিআই! শুরু ভারত-সিঙ্গাপুর ডিজিটাল পেমেন্ট পরিষেবা

    Online Payment: এবার দেশের বাইরেও ইউপিআই! শুরু ভারত-সিঙ্গাপুর ডিজিটাল পেমেন্ট পরিষেবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রচনা হল নয়া ইতিহাস! দেশের বাইরে পৌঁছে গেল ইউপিআই (UPI)। সিঙ্গাপুরে (Singapore) এক সঙ্গে অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেমে কাজ করবে ইউপিআই এবং পে নাও। মঙ্গলবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লি সিয়েন লুং এই ডিজিটাল পেমেন্টের (Online Payment) চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এদিন সকালে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এর সূচনা করেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী। এর ফলে এদিন থেকেই সিঙ্গাপুরের বাসিন্দারা ভারতের ইউপিআই ব্যবহার করে ভারতে অর্থ স্থানান্তর করতে পারবেন। যার ফলে কম খরচে, তাৎক্ষণিক এবং সব সময় তহবিল স্থানান্তর সক্ষম করতে দুই দেশের মধ্যে রিয়েল-টাইম পেমেন্ট সিস্টেম লিঙ্কেজ থাকবে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার গভর্নর শক্তিকান্ত দাস ও মনিটারি অথরিটি অফ সিঙ্গাপুরের ম্যানেজমেন্ট ডিরেক্টর রবি মেনন এই সুবিধা চালু করেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন…

    এদিনের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি ভারত ও সিঙ্গাপুরের জনগণকে এই চুক্তির জন্য অভিনন্দন জানাই। এই চুক্তি দুই দেশের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে। এর মাধ্যমে সিঙ্গাপুরে বসবাসকারী ভারতীয়রা সহজে ইউপিআইয়ের মাধ্যমে ভারতে অর্থ পাঠাতে সক্ষম হবেন। ভারতে ডিজিটাল পেমেন্টের (Online Payment) ক্ষেত্রে এটি একটি ঐতিহাসিক সময়। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে দুই দেশের নাগরিকরা তাঁদের মোবাইলে দেশের মানুষের কাছে অর্থ পাঠাতে ও গ্রহণ করতে সক্ষম হবেন। এতে শিক্ষার্থী, প্রফেশনাল ও সাধারণ নাগরিকরা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন। সিঙ্গাপুরের তরফে সাইমন ওং বলেন, ভারতের প্রথম ক্রস বর্ডার রিয়েল টাইম পেমেন্ট পার্টনার হিসেবে এই উদ্যোগটি উভয় দেশের মধ্যে গভীর আস্থা প্রমাণ করে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাবে। আমরা ভারতের ডিজিটাল রূপান্তর যাত্রার অংশ হতে উন্মুখ।

    আরও পড়ুুন: ‘মমতার সরকার লুঠের সরকার হয়ে গিয়েছে’, এ কথা কেন বললেন গিরিরাজ সিং?

    কেন্দ্রীয় তথ্য প্রযুক্তি সচিব অখিলেশ কুমার শর্মা বলেন, ১০টি দেশের প্রবাসীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে এই ইউপিআই পরিষেবা। অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, হংকং, আমেরিকা, ব্রিটেন, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সিঙ্গাপুরের প্রবাসী ভারতীয়রা এই পরিষেবা পাবেন। সিঙ্গাপুরের পে নাও সিস্টেমের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছে ইউপিআই। শীঘ্রই এক সঙ্গে কাজ করবে এই পেমেন্ট (Online Payment) পরিষেবা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Adenovirus: ‘অ্যাডিনো ৭’ এবং ‘অ্যাডিনো ৩’-এর মিলিত রূপ ‘রিকম্বিন্যান্ট ভাইরাস’! এর ফলেই কী ভয়াবহ পরিস্থিতি?

    Adenovirus: ‘অ্যাডিনো ৭’ এবং ‘অ্যাডিনো ৩’-এর মিলিত রূপ ‘রিকম্বিন্যান্ট ভাইরাস’! এর ফলেই কী ভয়াবহ পরিস্থিতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনার পর এবারে নতুন করে ভয় ধরাচ্ছে অ্যাডিনো ভাইরাস। বিশেষত শিশুদের মধ্যে এই ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে বাড়ছে দুশ্চিন্তা। কলকাতা সহ একাধিক জেলাতেও অ্যাডিনো ভাইরাসের সংক্রমণ অতিরিক্ত মাত্রায় ছড়াচ্ছে। এই ভাইরাস মূলত সর্দি-কাশির জন্য দায়ী, কিন্তু এখন করোনার মতই রূপ বদলে আরও বেশি সংক্রামক ও ছোঁয়াচে হয়ে উঠেছে। এখনও অবধি রাজ্যে তিনশোর বেশি আক্রান্ত, হাসপাতালে ভর্তি বহু। তবে এই ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার কী কারণ তা নিয়েই গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

    ‘রিকম্বিন্যান্ট ভাইরাস’

    জানা যাচ্ছে, মিউটেশন হয়ে অ্যাডিনো ভাইরাসের নতুন কোনও প্রজাতি তৈরি হয়নি ঠিকই, কিন্তু দু’টি স্ট্রেন বা সেরোটাইপের মিশ্রণের ফলে তৈরি হয়েছে ‘রিকম্বিন্যান্ট ভাইরাস’। এ বারের ভয়াবহ পরিস্থিতির নেপথ্যে এই ভাইরাস কতটা দায়ী, তা জানার চেষ্টা করছেন বিশেষজ্ঞরা। সূত্রের খবর, পরিচিত অ্যাডিনো ভাইরাস কেন এতটা ভোগাচ্ছে, তা জানতে ৪০টির মত নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিং করেছিল নাইসেড। সেই রিপোর্টেই উঠে এসেছে ভাইরাসের দু’টি স্ট্রেন ‘অ্যাডিনো ৭’ এবং ‘অ্যাডিনো ৩’-এর মিশে থাকার বিষয়টি। নাইসেডের অধিকর্তা শান্তা দত্ত বলেন, “আগেও রিকম্বিন্যান্ট ভাইরাস মিলেছে। কিন্তু তখন সংখ্যায় কম থাকলেও এ বার অধিকাংশই তাতে আক্রান্ত। এই রিকম্বিন্যান্ট ভাইরাসের মধ্যে অ্যাডিনো-৭ সেরোটাইপ আগেও ছিল। এর সঙ্গে মিশেছে অন্য সেরোটাইপ।” তিনি জানান, দু’টি সেরোটাইপ মিশ্রিত ভাইরাস কতটা ভয়াবহ, পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।

    এক ভাইরোলজিস্টের মতে, মানুষের অ্যাডিনো ভাইরাসের সাতটি প্রজাতি রয়েছে। যার মধ্যে ৬৮ প্রকার (সেরোটাইপ বা স্ট্রেন) অ্যাডিনো ভাইরাসের খোঁজ মিলেছে। আরও জানা গিয়েছে, শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ মূলত ঘটায় অ্যাডিনো ১, ২, ৩, ৫, ৬ ও ৭ সেরোটাইপ। এছাড়াও অ্যাডিনোভাইরাস শ্বাসনালি তথা ফুসফুসের সংক্রমণ, প্রদাহ ছাড়াও পরিপাকতন্ত্র, মূত্রনালি তথা রেচনতন্ত্র এবং চোখের কনজাংটিভা-র সংক্রমণ ও প্রদাহেও পটু।

    আরও পড়ুন: খুদেদের মধ্যে ক্রমশ বাড়ছে অ্যাডিনো-সংক্রমণ! হাসপাতাল পরিদর্শনে রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশন

    বিশেষ নির্দেশিকা জারি পুরসভার

    এই নতুন ভাইরাস নিয়ে উদ্বেগের সৃষ্টি হলে গতকাল কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষের নেতৃত্বে বিশেষ বৈঠক করা হয়। পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করে কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগ। কলকাতা পুরসভার ১৪৪ টি ওয়ার্ডে যে সমস্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্র রয়েছে এবং সুস্বাস্থ্যকেন্দ্র রয়েছে সব-কটিতেই অ্যাডিনো ভাইরাস নিয়ে বিশেষ নির্দেশিকা পাঠানো হচ্ছে।

    কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ জানান, কলকাতায় বাড়িতে বাড়িতে বাচ্চাদের জ্বর কেমন রয়েছে তা ক্ষতিয়ে দেখতে স্বাস্থ্য কর্মীদের বিশেষ নজর দিতে বলা হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে সার্ভে করবেন কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য কর্মীরা। জ্বর-সর্দিকাশি হলেই শিশুদের হাসপাতালে বা  নার্সিং হোমে ভর্তি করতে বলা হয়েছে। শিশুদের অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া যায় না, তাই কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে কোনও ওষুধ দেওয়া হচ্ছে না। যাদের সমস্যা বেশি রয়েছে, তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করতে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আক্রান্ত শিশুদের কাছে যাতে বড়রা দূরে থাকেন বা মাস্ক পরেন, তাদের সংস্পর্শে থাকেন সেই পরামর্শ দিয়েছেন কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র ও মেয়র পরিষদ স্বাস্থ্য অতীন ঘোষ।

  • Anubrata Mondal: মাইনে এক হাজার, অথচ ব্যাঙ্কে ১৫ লক্ষ! অনুব্রতর পরিচারকের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ!

    Anubrata Mondal: মাইনে এক হাজার, অথচ ব্যাঙ্কে ১৫ লক্ষ! অনুব্রতর পরিচারকের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার মামলার তদন্তে নেমে বীরভূমের সিউড়ি সমবায় ব্যাঙ্কে তিনশোর বেশি ভুয়ো অ্যাকাউন্টের খোঁজ পেয়েছিল সিবিআই। গরুপাচারের কালো টাকা সাদা করার কাজে ব্যবহার করা হতো ওই অ্যাকাউন্টগুলি। সেই মামলার তদন্ত করতে গিয়েই এবার অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) পরিচারকের ব্যাঙ্ক অ্য়াকাউন্ট ফ্রিজ করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (CBI)।

    টাকার উৎস নিয়ে প্রশ্ন

    সূত্রের খবর, তদন্তে নেমে অনুব্রত মণ্ডলের পরিচারকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। অনুব্রতর ওই পরিচারকের নাম বিজয় রজক। তাঁর অ্যাকাউন্টে বেশ কয়েক লক্ষ টাকা রয়েছে। কিন্তু এই টাকার উৎস নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে তদন্তকারী আধিকারিকদের মনে। ওই টাকার উৎস কী? কিভাবে এল তা নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত। 

    সিবিআই সূত্রে খবর, অনুব্রতর পরিচারক হিসেবে মাসে মাত্র কয়েক হাজার টাকা আয় হলেও ওই ব্যক্তির অ্যাকাউন্ট থেকে লক্ষ লক্ষ টাকার লেনদেন হয়েছে। এমন কি, এখনও ওই অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা রয়েছে৷ গরুপাচারের টাকাই এই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে লেনদেন করা হয়েছে বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। কারা কারা এই টাকা নিতেন এবং কোথায় সেই টাকা গুলি যেত সেটাকে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    তদন্তকারীদের অনুমান পরিচারকের পরিচয়পত্র দিয়ে এই অ্যাকাউন্ট খুলে গরু পাচারের টাকা কেষ্টর নির্দেশেই লেনদেন করা হত। এত টাকার লেনদেন রজতের আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন বলে মনে করছে সিবিআই। ওই অ্যাকাউন্ট থেকে যাতে কোনও টাকা তোলা না যায় বা অন্যত্র সরানো না যায়, বীরভূমের সিউড়ির সমবায় ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে সেই নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা৷

    আরও পড়ুুন: পনির ছাড়াই, বাটার মশালা! নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে ফের সিবিআইকে তোপ আদালতের

    এর আগে একাধিক ভুয়ো অ্যাকাউন্টের হদিশ পেয়েছেন তদন্তকারীরা। সিউড়ি সমবায় ব্যাঙ্কের ম্যানেজারকে জেরা করে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন  যে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশেই এই অ্যাকাউন্ট গুলো খোলা হয়েছিল। যাঁদের নামে অ্যাকাউন্টগুলি খোলা হয়েছে তাঁরা কেউ জানেন না তাঁদের নামে রয়েছে অ্যাকাউন্ট। পঞ্চায়েত অফিসে আধার কার্ড জমা দিয়েছিলেন তাঁরা। সেই আধারকার্ড দেখিয়েই অ্যাকাউন্টগুলি খোলা হয় বলে মনে করা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • NIA Raid: পাকিস্তান থেকে অস্ত্রপাচার, রয়েছে আইএসআই-গ্যাংস্টার যোগ! দেশের ৭২ টি জায়গায় তল্লাশি এনআইএর

    NIA Raid: পাকিস্তান থেকে অস্ত্রপাচার, রয়েছে আইএসআই-গ্যাংস্টার যোগ! দেশের ৭২ টি জায়গায় তল্লাশি এনআইএর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্যাংস্টারদের বিরুদ্ধে বড় ধরণের অভিযানে নামল ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেটিভ এজেন্সি। এবারে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসএআই এবং গ্যাংস্টারদের যোগসাজশের পর্দা ফাঁস করল এনআইএ। গোপন সূত্রে খবর পেতেই দেশের একাধিক জায়গায় হানা দেয় এনআইএ। উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি, রাজস্থান সহ দেশের ৭২টি জায়গায় মঙ্গলবার একযোগে তল্লাশি চালাচ্ছে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা।

    আটটি রাজ্যে এনআইএ অভিযান

    এনআইএ সূত্রে খবর, উত্তরপ্রদেশের পিলিভিটে তল্লাশির সময় একটি বাড়ি থেকে প্রচুর অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। তাদের দাবি, এই অস্ত্রগুলি পাকিস্তান থেকে ভারতে পাচার করা হয়েছে। আরও জানা গিয়েছে, কুখ্যাত গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই এবং নীরজ বাওয়ানা গ্যাংয়ের বেশ কয়েক জন সদস্যকে দিন কয়েক আগে গ্রেফতার করা হয়েছিল। আর তাঁদের জেরা করেই দেশের বেশ কয়েকটি জায়গার হদিশ পেয়েছিল এনআইএ। আর তার পরই আজ, মঙ্গলবার তল্লাশি অভিযানে নেমেছে তদন্তকারী সংস্থাটি।

    এদিন সকালে পাঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান, দিল্লি, চণ্ডীগড়, উত্তর প্রদেশ, গুজরাট ও মধ্যপ্রদেশে এনআইএ অভিযান শুরু করে। পাঞ্জাবের অন্তত ৩০ টি জায়গায় অভিযান চালানো হয়। ছবিতে দেখা যাচ্ছে পাঞ্জাবের গিদ্দারবাহায় তল্লাশি চালাচ্ছেন এনআইএ আধিকারিকরা।

    উল্লেখ্য, আইএসআই-গ্যাংস্টার যোগসাজশের মামলায় এই নিয়ে চতুর্থ বার অভিযানে নামল এনআইএ। তদন্তকারী সংস্থাটির এক সূত্রের দাবি, ধৃতদের জেরা করে আইএসএআই এবং গ্যাংস্টারদের যোগসাজশের তথ্য প্রকাশ্যে আসে। ইতিমধ্যেই ধৃত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে ইউএপিএ আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। ধৃতদের কাছ থেকে বিপুল অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে বলেও ওই সূত্রের দাবি।

    এর আগেও গত বছরের অক্টোবর মাসে সন্ত্রাসী, গ্যাংস্টার এবং মাদক পাচারকারীদের যোগসাজশ লক্ষ্য করে দেশের পাঁচটি রাজ্যের ৫০টিরও বেশি জায়গায় অভিযান চালায় এনআইএ। এনআইএর তরফে তখনই জানানো হয়েছিল যে, এই নেটওয়ার্ক যত দিন না ভেঙে ফেলা হচ্ছে, তত দিন পর্যন্ত এই অভিযান চলবে।

  • Kolkata Weather: মার্চেই ৪০ ডিগ্রি ছুঁতে পারে শহরের তাপমাত্রা! এদিন এক ধাক্কায় পারদ চড়ল ৫ ডিগ্রি

    Kolkata Weather: মার্চেই ৪০ ডিগ্রি ছুঁতে পারে শহরের তাপমাত্রা! এদিন এক ধাক্কায় পারদ চড়ল ৫ ডিগ্রি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফেব্রুয়ারি মাস শেষ না হতেই শহর থেকে উধাও শীত। ক্রমশই বেড়ে চলেছে দিন ও রাতের তাপমাত্রা। নতুন করে ঠান্ডা পরার সম্ভাবনা খুবই কম, আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর। ফেব্রুয়ারিতেই গরমে নাজেহাল অবস্থা রাজ্যবাসীর। জেলায় জেলায় তাপমাত্রার পারদ পাল্লা দিয়ে বাড়তে শুরু করেছে। আজ শহরে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ৪-৫ ডিগ্রি বেশি। অন্যদিকে, দেশজুড়েও ঊর্ধ্বমুখী পারদ। ৫৪ বছর পর রেকর্ড গরম দিল্লিতে। ফেব্রুয়ারি মাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রাজধানীতে।

    কলকাতার আবহাওয়া

    আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ৫ ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে এক ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৫ শতাংশ। আজ মঙ্গলবার দিনের আকাশ রৌদ্রোজ্জ্বল থাকবে। সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩২ এবং ২১ ডিগ্রির আশেপাশে থাকবে।

    মার্চেই ৪০ ডিগ্রি হতে পারে তাপমাত্রা!

    আবহাওয়াবিদদের মতে, মার্চেই শহরের তাপমাত্রা পৌঁছে যেতে পারে ৪০ ডিগ্রির কোঠায়। এ প্রসঙ্গে এক আবহাওয়াবিদ বলেন, “ফেব্রুয়ারির শেষেই বঙ্গের তাপমাত্রা পৌঁছে যাবে ৩৫ থেকে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। মার্চেও ভ্যাপসা গরম পড়বে রাজ্যে। তাপমাত্রা পৌঁছে যাবে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। তবে রাজ্যের আবহাওয়া মূলত শুষ্কই থাকবে। উল্লেখযোগ্যভাবে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে চলতি বছর।”

    এছাড়াও জানা গিয়েছে, এবছর রাজ্য জুড়ে ব্যাপক গরম পড়বে। আবহাওয়াবিদদের আশঙ্কা, তার প্রভাব পড়তে পারে ফসল উৎপাদনেও। এমনকী খরাও দেখা দিতে পারে। আবহাওয়াবিদের অনুসারে, পশ্চিমবঙ্গে একটা মারাত্মক খরা সৃষ্টি হবে। রাজ্যের গ্রাউন্ড ওয়াটার লেভেল অর্থাৎ ভূগর্ভস্থ জলের মাত্রা অনেকটাই নীচে নেমে যাবে। দ্রুত তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আর্সেনিকের প্রভাব পড়বে। কৃষিকাজেও ব্যাপক ক্ষতি হবে বাংলায়। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ বাড়বে না ফলে দিল্লির মতই এবার কলকাতাও শুষ্ক হবে।

    দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। রাতের তাপমাত্রা বা সর্বনিম্ন তাপমাত্রা একই রকম থাকলেও দিনের তাপমাত্রা আগামী দু-তিন দিনে সামান্য বাড়বে। অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গে দার্জিলিং এবং কালিম্পং-এ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি হতে পারে। তবে উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাতে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই।

LinkedIn
Share