Blog

  • Calcutta High Court: কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে শপথ নিলেন টিএস শিবজ্ঞানম

    Calcutta High Court: কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে শপথ নিলেন টিএস শিবজ্ঞানম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে (Calcutta High Court New Chief Justice) বৃহস্পতিবার শপথ নিলেন টিএস শিবজ্ঞানম (Justice TS Shivagnanam)। আজ সকাল ১১টা নাগাদ অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (Governor C V Ananda Bose) প্রধান বিচারপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান। 

    শপথ অনুষ্ঠান

    এদিনের শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় ও কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম-সহ একাধিক বিশিষ্ট জনেরা। ছিলেন হাইকোর্টের বহু সিনিয়র আইনজীবী ও বারের সদস্যরাও। ছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ও। হাইকোর্টের বারান্দায় বড় পর্দার মাধ্যমে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান দেখানোর ব্যবস্থাও করা হয়। করা হয় লাইভ সম্প্রচারও। আজ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে পাশাপাশি আসনে দেখা গেল বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও মেয়র ববি হাকিমকে। এদিন প্রধান বিচারপতির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে মুখোমুখি হলেও কোনও কথা হয়নি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। মূল অনুষ্ঠান শুরুর আগে দেখা যায় রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের পাশের চেয়ারে বসেছেন শুভেন্দু। তারপর এক নম্বর কোর্টে মুখ্যমন্ত্রী পৌঁছনোর পর বিরোধী দলনেতা উঠে দাঁড়ান এবং আসন বদল করে কিছুটা বাঁ দিকের সারিতে গিয়ে বসেন।

    আরও পড়ুুন: রামনবমীর মিছিলে অশান্তি, ৬টি এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু এনআইএ-র

    কলকাতার প্রধান বিচারপতি হয়ে গর্বিত

    শপথ গ্রহণ চলাকালীন প্রধান বিচারপতি বলেন, “কলকাতার প্রধান বিচারপতি হয়ে গর্বিত। এই শহর সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র। রবীন্দ্রনাথ, সুভাষ বোসের জন্মভূমি। এই কোর্ট বড় বড় মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করেছে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা দিতে চেষ্টার কোনও ত্রুটি রাখব না। বারের সহযোগিতা আশা করছি।” গত ৯ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম বিচারপতি শিবজ্ঞানমের নাম সুপারিশ করেছিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পদের জন্য। গত ৩০ মার্চ ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসেবে তাঁর নাম উল্লেখ করে বিজ্ঞপ্তি জারি করে কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রক। প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব অবসর গ্রহণের পর ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসাবে দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন তিনি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kaliyaganj Murder Case: কালিয়াগঞ্জে ছাত্রীকে ধর্ষণ ও খুনের মামলায় সিট গঠন কলকাতা হাইকোর্টের

    Kaliyaganj Murder Case: কালিয়াগঞ্জে ছাত্রীকে ধর্ষণ ও খুনের মামলায় সিট গঠন কলকাতা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে (Kaliyaganj Murder Case) দ্বাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে খুনের মামলায় সিট গঠন করল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা বৃহস্পতিবার ওই বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করেন। রাজ্য পুলিশের আধিকারিক দময়ন্তী সেন, প্রাক্তন আইজি পঙ্কজ দত্ত এবং প্রাক্তন সিবিআই কর্তা উপেন্দ্রনাথ বিশ্বাসকে সিটে রেখেছেন তিনি। তাঁর নির্দেশ, আদালতের নজরদারিতে হবে তদন্ত। সিট যদি প্রয়োজন মনে করে, তাহলে দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত করতে পারবে বলেও নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। 

    সিটকে বিশেষ ক্ষমতা

    এই মামলায় (Kaliyaganj Murder Case) বিচারপতির পর্যবেক্ষণ— ‘‘প্রচণ্ড চাপের মুখে কাজ করতে পারছে না পুলিশ। তাই এই সিট গঠন।’’ তিনি জানান, এই মামলার তদন্ত চলাকালীন বাইরে নিজেদের মত প্রকাশ করবেন না সিটের সদস্যরা। পাশাপাশি, হাইকোর্টের নির্দেশ, কেস ডায়েরি এবং অন্যান্য নথি সিটকে দেবে রাজ্য পুলিশ। তদন্তে রাজ্যকে সাহায্য করতে হবে। পরবর্তী শুনানির আগে প্রাথমিক রিপোর্ট পেশ করবে রাজ্য। নিহত ছাত্রীর পরিবারের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার জন্যও রাজ্য পুলিশকে নির্দেশ দেন বিচারপতি মান্থা। সিআরপিসি অনুযায়ী, তদন্তের সব ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে সিটকে। প্রয়োজনে নতুন অফিসার নিয়োগ করে তদন্ত করতে পারবে এই তদন্তকারী দল। আগামী ২৮ জুন এই মামলার পরবর্তী শুনানি। 

    আরও পড়ুন: রামনবমীর মিছিলে অশান্তি, ৬টি এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু এনআইএ-র

    কেন সিট গঠন

    সম্প্রতি উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে (Kaliyaganj Murder Case) এক কিশোরীর দেহ উদ্ধার হয়। পরিবার ও প্রতিবেশীরা দাবি করেন, কিশোরীকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। কিন্তু পুলিশের তদন্তে উঠে আসে বিষ খেয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন ওই কিশোরী। বৃহস্পতিবার রাজ্যের তরফে ওই ঘটনার তদন্তের রিপোর্ট পেশ করা হয়েছে। রিপোর্টে দেখা যায়, ইনকোয়েস্ট বা সুরতেহাল হয়েছিল ঘটনার দিন বিকেল সাড়ে ৫ টায়, আর ময়নাতদন্ত হয় সাড়ে ৩ টেয়। বিচারপতি মান্থা প্রশ্ন তোলেন, কেন ময়নাতদন্তের পর সুরতেহাল হল? সুরতেহাল ও ময়নাতদন্তের সময়ের মধ্যে সন্দেহজনক পার্থক্য রয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন বিচারপতি মান্থা। রিপোর্টে আরও জানা গিয়েছে, ময়নাতদন্তের সময় পরিবারের লোক উপস্থিত ছিল না। পুলিশ নৃশংসভাবে দেহ টেনে নিয়ে গিয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন বিচারপতি। এরপরই সিট গঠনের নির্দেশ দেন বিচারপতি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Shiv Sena: সুপ্রিম কোর্টে স্বস্তি মহারাষ্ট্রের শিন্ডে সরকারের, কী বলল আদালত?

    Shiv Sena: সুপ্রিম কোর্টে স্বস্তি মহারাষ্ট্রের শিন্ডে সরকারের, কী বলল আদালত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে স্বস্তি মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) একনাথ শিন্ডে (Eknath Shinde) গোষ্ঠীর। মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে সহ ১৬ জন বিদ্রোহী শিবসেনা (Shiv Sena) বিধায়কের পদ খারিজ করল না সুপ্রিম কোর্ট। দলত্যাগ বিরোধী আইনে তাঁদের বিধায়ক পদ খারিজের আবেদন জানানো হয়েছিল। এর পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে শিবসেনার রাশ হাতে পাওয়ার পরে শিন্ডে গোষ্ঠীর চিফ হুইপ উদ্ধব ঠাকরের অনুগামী বিধায়কদের পদত্যাগের যে নির্দেশ দিয়েছিলেন, বুধবার তাকেও অসাংবিধানিক বলল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ। বেঞ্চ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, জুন মাসে শিন্ডে গোষ্ঠীর বিদ্রোহের সময় বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার (ভারপ্রাপ্ত স্পিকার) নরহরি সীতারাম জিরওয়াল দলত্যাগী বিধায়কদের অবস্থান স্পষ্ট করার যে নির্দেশ দিয়েছিলেন, তা তাঁর এক্তিয়ার বহির্ভূত।

    শিবসেনায় (Shiv Sena) ভাঙন…

    প্রসঙ্গত, মহারাষ্ট্রের (Shiv Sena) মুখ্যমন্ত্রী পদে ছিলেন শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে। মহা বিকাশ আগাড়ি জোটের নেতা হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেন তিনি। পরে বিজেপির সঙ্গে হাত মেলানো নিয়ে দলীয় নেতৃত্বের একাংশের সঙ্গে বিরোধ বাঁধে একনাথ শিন্ডের। তার জেরে ভাঙন ধরে শিবসেনার ঘরে। উদ্ধবকে সরিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেন একনাথ। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী পদে উদ্ধবকে পুনর্বহালের আর্জিও খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের মন্তব্য, বিধানসভায় আস্থা ভোটের আগে উদ্ধব নিজেই ইস্তফা দিয়েছিলেন। তাই তাঁকে আবার মুখ্যমন্ত্রীর আসনে ফেরানো সম্ভব নয়। রাজ্যপাল ভগৎ সিংহ কোশিয়ারি মহারাষ্ট্র বিধানসভার বৃহত্তম দল বিজেপি সমর্থিত শিন্ডেকে সরকার গড়তে ডেকে অযৌক্তিক কিছু করেননি বলেও জানিয়েছে সাংবিধানিক বেঞ্চ।

    আরও পড়ুুন: রামনবমীর মিছিলে অশান্তি, ৬টি এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু এনআইএ-র

    ২০২২ সালের জুন মাসে প্রকাশ্যে আসে শিবসেনার (Shiv Sena) অভ্যন্তরীণ কোন্দল। বিদ্রোহী ৪০ জন বিধায়ককে নিয়ে উদয়পুরের রিসর্টে আশ্রয় নেন শিবসেনার একনাথ শিন্ডে। পরে সেখান থেকে তাঁদের নিয়ে চলে যাওয়া হয় বিজেপি শাসিত অসমে। বিদ্রোহী শিবিরে বিধায়কের সংখ্যা বেশি হওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন উদ্ধব। পতন ঘটে মহা বিকাশ আগাড়ি জোট সরকারের। পরের দিনই বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে মহারাষ্ট্রে সরকার গড়ে শিবসেনার শিন্ডে গোষ্ঠী। মুখ্যমন্ত্রী হন একনাথ শিন্ডে। উপমুখ্যমন্ত্রী হন বিজেপি নেতা তথা মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Indian Railways: একলাখী-বালুরঘাট স্পর্শ করল মাইলফলক, সুকান্তর উপস্থিতিতে বিদ্যুৎচালিত ইঞ্জিনের সূচনা

    Indian Railways: একলাখী-বালুরঘাট স্পর্শ করল মাইলফলক, সুকান্তর উপস্থিতিতে বিদ্যুৎচালিত ইঞ্জিনের সূচনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একলাখী-বালুরঘাট রেলপথ পরিষেবা উন্নয়নের পথে আরও একটি মাইলফলক স্পর্শ করল বৃহস্পতিবার সকালে। বালুরঘাট রেল স্টেশন (Indian Railways) থেকে এখানকার বিজেপি সাংসদ তথা দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের উপস্থিতিতে বালুরঘাট-শিলিগুড়ি ইন্টারসিটি এক্সপ্রেসের বিদ্যুৎচালিত ইঞ্জিনের সূচনা হল। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এনএফ রেলওয়ের ডিআরএম শুভেন্দু চৌধুরী সহ রেলের অন্যান্য আধিকারিকরা।

    সাংসদ সুকান্ত মজুমদার হাতে নিয়েছেন একাধিক প্রকল্প  

    একলাখী-বালুরঘাট রেল প্রকল্প (Indian Railways) চালু হয় ২০০৪ সালে, তৎকালীন রেলমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদবের হাত ধরে। তারপর দীর্ঘ প্রায় কুড়ি বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। একলাখী-বালুরঘাট রেলপথে ট্রেনের সংখ্যা বেড়েছে। উন্নত হয়েছে বেশ কিছু স্টেশন। কিন্তু এখনও এই রেল পরিষেবা সিঙ্গল লাইনে চলে। অবশ্য বুনিয়াদপুর, গঙ্গারামপুর ও রামপুর স্টেশনে সিগন্যালিং ও ক্রসিং ব্যবস্থা চালু হয়েছে। আগামী পঞ্চায়েত ও লোকসভা ভোটকে পাখির চোখ করে সাংসদ সুকান্ত মজুমদার একলাখী-বালুরঘাট রেল প্রকল্পের সামগ্রিক উন্নতির জন্য একাধিক প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। তার মধ্যে অন্যতম ছিল বিদ্যুতায়নের কাজ, যা মাত্র ছয়মাসের মধ্যেই সম্পূর্ণ হল।

    বালুরঘাট স্টেশনের উন্নয়নে আরও ২ কোটি 

    রেল সূত্রের খবর, আগামী দিনে বালুরঘাট থেকে সমস্ত ট্রেনই বিদ্যুৎচালিত ইঞ্জিনের দ্বারা টানা হবে। বালুরঘাট রেল স্টেশনের (Indian Railways) উন্নয়নের জন্য আরও ২ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে রেল দফতর। তারও কাজ শুরু হবে। আরও সুন্দর করে গড়ে তোলা হবে বালুরঘাট স্টেশনকে। দূরপাল্লার ট্রেন চালু করতে রেক মেনটেন্যান্স সহ অন্যান্য কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। আগামী দু-একমাসের মধ্যেই সেই কাজ সম্পন্ন হলে বালুরঘাট থেকে গুয়াহাটি এবং দিল্লিগামী ট্রেনের ব্যবস্থা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। রেলের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন জেলার সাধারণ মানুষ। কিন্তু তাঁদের দাবি, বালুরঘাট থেকে মালদা সারাদিনে কিছু লোকাল ট্রেন চালানো হোক। শিক্ষা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য-সব ক্ষেত্রেই জেলার মানুষকে মালদায় যেতে হয়। বাসে সময় লাগে তিন ঘণ্টা, ট্রেনে গেলে দু’ঘণ্টাতেই পৌঁছে যাওয়া যায়। সেই কারণে লোকাল ট্রেনের দাবি তুলছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IPL 2023: জয়ের হ্যাটট্রিক করার হাতছানি নাইটদের সামনে! জিতলে প্লে-অফের দৌড়ে কলকাতা

    IPL 2023: জয়ের হ্যাটট্রিক করার হাতছানি নাইটদের সামনে! জিতলে প্লে-অফের দৌড়ে কলকাতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খাদের কিনারা থেকে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। জিতেছে পর পর দু’টি ম্যাচ। আজ, বৃহস্পতিবার ইডেনে কেকেআরের প্রতিপক্ষ রাজস্থান রয়্যালস। চলতি আইপিএলে (IPL 2023) প্লে-অফের দৌড়ে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। এই অঙ্ক মাথা রেখে নামছে কলকাতা ও রাজস্থান। গত ছ’টি ম্যাচের মধ্যে রাজস্থান পাঁচটিতে হেরেছে। সেখানে জয়ের হ্যাটট্রিক করার হাতছানি নাইটদের সামনে।

    প্লে-অফের দৌড়

    কলকাতা নাইট রাইডার্স ১১টি ম্যাচে পেয়েছে ১০ পয়েন্ট। রয়েছে ষষ্ঠ স্থানে। সমসংখ্যক ম্যাচ খেলে রাজস্থান রয়্যালসের ঝুলিতে সেই ১০ পয়েন্ট। তবে নেট রান রেটের বিচারে তারা কেকেআরের উপরে, পঞ্চম স্থানে আছে। তবে আজ যারা ইডেনে জিতবে তাদের প্লে-অফে ওঠার পথ কিছুটা সহজ হবে। এবারের আইপিএলে (IPL 2023) জোর টক্কর চলছে। প্লে-অফের দৌড়ে কিছুটা এগিয়ে গুজরাট টাইটান্স। ১১ ম্যাচে তাদের ঝুলিতে ১৬ পয়েন্ট। বুধবার দিল্লিকে হারিয়ে প্লে-অফের দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস। ধোনির দলও ১১টি খেলেছে। তবে তাদের পয়েন্ট ১৫।

    ঘুরে দাঁড়িয়েছে কলকাতা

    একটা সময় পর পর ম্যাচ হেরে কেকেআর অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছিল। তবে নীতীশ রানারা ঘুরে দাঁড়িয়েছেন। প্রত্যাশার পারদ নতুন করে চড়ছে রাসেল, রিঙ্কুদের ঘিরে। কারণ, গত ম্যাচে ইডেনে পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে কেকেআরের জয়ের অন্যতম দুই কারিগর ছিল রিঙ্কু ও রাসেল। ২৩ বলে ঝোড়ো ৪২ রান করেছিলেন ক্যারিবিয়ান তারকা। অনেকদিন পর ব্যাটে বড় রান আসায় তিনি কিছুটা চাপমুক্ত। আর রিঙ্কু এখন কেকেআরের প্রাণভোমরা। অধিকাংশ ম্যাচে তিনি ফিনিশারের ভূমিকা পালন করছেন। পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে শেষ বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে জিতিয়েছিলেন দলকে। তার আগে গুজরাটের বিরুদ্ধে শেষ ওভারে ২৯ রান তাড়া করতে নেমে মেরেছিলেন পাঁচটি ছক্কা। ছন্দে আছেন নীতীশ রানাও।

    আরও পড়ুন: বাতাস থেকে জলীয় বাষ্প শুষে নিচ্ছে ‘মোকা’! দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে তাপপ্রবাহের ভ্রুকুটি

    ব্যাটল অব স্পিন

    ইডেনের পিচে ‘ব্যাটল অব স্পিন’ দেখা যেতে পারে। কেকেআর দলে রয়েছেন তিন স্পিনার বরুণ চক্রবর্তী, সুনীল নারিন ও সুয়াশ শর্মা। অন্যদিকে রাজস্থানে বোলিংয়ের বড় ভরসা যুজবেন্দ্র চাহাল, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, মুরুগান অশ্বিন ও অ্যাডাম জাম্পা। তবে রাজস্থানের ব্যাটিং বেশ শক্তিশালী। বাটলার, যশস্বী জয়সওয়াল, সঞ্জু স্যামসন বড় ইনিংস গড়তে পারেন। তাই কেকেআরের বোলারদের চেষ্টা করতে হবে শুরুতেই আঘাত হানতে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Imran Khan: ইমরানের পরে গ্রেফতার প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী কুরেশি! দাবি তেহরিক-ই-ইনসাফের

    Imran Khan: ইমরানের পরে গ্রেফতার প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী কুরেশি! দাবি তেহরিক-ই-ইনসাফের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইমরানের (Imran Khan) পরে এবার গ্রেফতার প্রাক্তন পাক বিদেশ মন্ত্রী কুরেশি। অন্তত এমনটাই দাবি তেহরিক-ই-ইনসাফের। বুধবার মধ্যরাত্রে কুরেশিকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে গেছে, শেহবাজের পুলিশ। এমনই অভিযোগ তুলে চাঞ্চল্যকর একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ইমরানের দল। যদিও ভিডিও-এর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। সবমিলিয়ে আর্থিক সংকটে ভোগা পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে।

    কী দেখা যাচ্ছে ভিডিওতে?

    ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে সাদা পোশাকের কয়েকজন লোক ইমরানের (Imran Khan) মন্ত্রিসভার বিদেশ মন্ত্রী কুরেশিকে গাড়িতে চাপিয়ে কোথাও নিয়ে যাচ্ছে। সেসময় কুরেশি তাঁর দলের সদস্যদের উদ্দেশে হাত নাড়ছেন। ইমরানের দলের সদস্যদের দাবি, কুরেশিকে কোনও গোপন আস্তানায় লুকিয়ে রেখেছে শেহবাজ সরকার।

    ইমরানের দলের একাধিক নেতাকে অপহরণের অভিযোগ শেহবাজ সরকারের বিরুদ্ধে

    শুধু ইমরান বা কুরেশি নয়, তাদের দলের একাধিক নেতাকে অন্যায়ভাবে আটক করেছে শেহবাজ সরকার, এমন দাবি তুলল তেহরিক-ই-ইনসাফ। সূত্রের খবর, দলের চেয়ারম্যান মুসারত চিমা এবং সেনেটর এজাজ চৌধুরিকে ইসলামাবাদ থেকে অপহরণ করেছে পাকিস্তানি পুলিশ। অন্যদিকে, পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের বাইরে থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে দলের সহ-সভাপতি ফাওয়াদ চৌধুরিকে, এমনটাই দাবি ইমরানের দলের। এ ছাড়াও গ্রেফতার করা হয়েছে দলের সেক্রেটারি জেনারেল আসাদ উমরকে। 

    অশান্ত পাকিস্তান…

    জমি দুর্নীতি মামলায় ইমরান (Imran Khan) গ্রেফতার হতেই অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে সমগ্র পাকিস্তান। সরকারি হিসেব অনুযায়ী হিংসায় মৃত এখনও অবধি ৮, আহত ২৯১। বিক্ষোভের আঁচ ছড়িয়েছে লন্ডনেও। সেখানেও ইমরানের সমর্থকরা বুধবার দীর্ঘক্ষণ ঘেরাও করে রাখেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের বাড়ি।

    আরও পড়ুন: গ্রেফতার ইমরান! মোদির বিরুদ্ধে মামলা করতে চেয়ে ট্যুইট পাক অভিনেত্রীর, কী বলল দিল্লি পুলিশ?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Cyclone Mocha: বৃহস্পতিবার ভোরে জন্ম নিল ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’! কবে, কোথায় ল্যান্ডফল?

    Cyclone Mocha: বৃহস্পতিবার ভোরে জন্ম নিল ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’! কবে, কোথায় ল্যান্ডফল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার ভোরে জন্ম নিল ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’ (Cyclone Mocha)। গতকাল পর্যন্ত ছিল গভীর নিম্নচাপ। আজ থেকে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হল ‘মোকা’। এমনটাই জানাল আবহাওয়া দফতর। উপগ্রহ চিত্র থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড় মোকার শেষ অবস্থান পোর্ট ব্লেয়ার থেকে ৫১০ কিলোমিটার দূরে। ১২ মে পর্যন্ত তা আরও শক্তি সঞ্চয় করতে চলেছে। ১৪ মে তা স্থলভাগে আছড়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে ‘মোকা’ প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হতে পারে। শুক্রবার আরও শক্তি সঞ্চয় করে ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’ অত্যন্ত প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নেবে।

    আগেই জানা গিয়েছিল, বাংলাদেশ ও মায়ানমার সীমান্তে সম্ভবত ল্যান্ডফল হবে ‘মোকা’-র। আগামী রবিবার বাংলাদেশের কক্সবাজার এবং মায়ানমার সীমান্তের মধ্যবর্তী স্থানে আছড়ে পড়বে ‘মোকা’। আবহাওয়া দফতর অনুযায়ী, সেই সময় ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার। 

    এদিকে, আজ আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। আন্দামান সাগর এবং দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে সমুদ্রের অবস্থা খুবই খারাপ থাকবে। ঢেউয়ের উচ্চতা খুব বেশি হবে, শক্তিশালী হাওয়া ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে এবং মাঝে মাঝে ৭০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বেগে বইতে পারে।

    আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ‘মোকা’র (cyclone mocha) সরাসরি প্রভাব পশ্চিমবঙ্গে পড়বে না। তবে, পরোক্ষ প্রভাব পড়বে এরাজ্যে। শুক্রবার থেকে সামান্য বদলাতে পারে পরিস্থিতি। শনিবার দক্ষিণবঙ্গের তিন জেলা পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনাতে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তার আগে ‘মোকা’র জেরে রাজ্যে চড়চড়িয়ে বাড়ছে তাপমাত্রার পারদ। বৃহস্পতিবার রাজ্যে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৪০ ডিগ্রির আশেপাশেই।

    মৎস্যজীবীদের সমুদ্রযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা প্রশাসনের

    ‘মোকা’র (cyclone mocha) কারণে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রযাত্রায় ইতিমধ্যে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে রাজ্য প্রশাসন। বাংলাদেশ সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর উপকূলে মৎস্যজীবীদের যেতে নিষেধ করেছে প্রশাসন।

    উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া….

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে, উত্তরবঙ্গের আকাশ পরিষ্কার থাকবে। বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তাপমাত্রা বাড়লেও তাপপ্রবাহেরও সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। তবে আগামী তিন দিন গরমে অস্বস্তিজনিত পরিবেশ বজায় থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

    দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া….

    দক্ষিণবঙ্গে আপাতত চলবে গরম। উত্তরবঙ্গের মতো দক্ষিণবঙ্গেও কোনও বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

    আন্দামানে বৃষ্টি….

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে ‘মোকা’র প্রভাবে আন্দামানে ভারী বৃষ্টি হবে। সঙ্গে চলবে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৭০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া। হাওয়া অফিস জানিয়েছে ‘মোকা’র প্রভাবে বাড়বে আন্দামানের সমুদ্রের ঢেউয়ের উচ্চতা। মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে অসম, তামিলনাড়ু, সিকিম, অন্ধ্র উপকূলে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • UNSC: রাষ্ট্রসংঘে জইশ জঙ্গিনেতাকে কালো তালিকাভুক্ত করতে ভারতকে বাধা চিনের

    UNSC: রাষ্ট্রসংঘে জইশ জঙ্গিনেতাকে কালো তালিকাভুক্ত করতে ভারতকে বাধা চিনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের পথে ফের বাধা হয়ে দাঁড়াল চিন। সম্প্রতি, রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে (UNSC) পাকিস্তানের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদের শীর্ষ নেতা আব্দুল রউফ আজহারকে কালো তালিকাভুক্ত করার প্রস্তাব রেখেছিল ভারত। কিন্তু, সেই প্রস্তাবে আপত্তি জানিয়েছে চিন। 

    জইশ প্রধান মাসুদ আজহারের ভাই রউফের জন্ম পাকিস্তানে ১৯৭৪ সালে। ১৯৯৯ সালে কান্দাহারে ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের বিমান অপহরণ কাণ্ড সহ ভারতে একাধিক নাশকতামূলক ও সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে রউফ জড়িত। কোথাও হামলার ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করা তো কোথাও জঙ্গি হামলায় নেতৃত্ব দেওয়া। ২০০১ সালে পার্লামেন্টে হামলা ও ২০১৬ সালে পাঠানকোট বায়ুসেনা ঘাঁটিতে হামলার সময়ও রউফ প্রত্যক্ষভাবে জড়িত বলে তদন্তে উঠে এসেছিল। 

    আরও পড়ুন: চলতি মাসেই কাশ্মীরে জি২০-র বৈঠক, বানচাল করতেই কি লাগাতার জঙ্গি হামলা?

    জানা গিয়েছে, পরিষদের (UNSC) ১২৬৭ আইএসআইএল এবং আল কায়দা নিষেধাজ্ঞা তালিকায় আব্দুল রউফের নাম অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছিল নয়াদিল্লি। কিন্তু, সেই প্রস্তাবে আপত্তি তোলে বেজিং। ২০১০ সালে রউফকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে, গত বছরের অগাস্ট মাসে রউফকে ‘বিশ্ব সন্ত্রাসবাদী’ ঘোষণা করার যৌথ প্রস্তাব রেখেছিল ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ওই প্রস্তাব কার্যকর হলে বিশ্বব্যাপী রউফের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হত। তার বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ হত। কিন্তু, তখনও সেই প্রস্তাবেও ‘ভেটো’ দিয়েছিল পরিষদের অন্যতম স্থায়ী সদস্য চিন। 

    পাকিস্তানের ‘সব-ঋতুর বন্ধু’ বলে পরিচিত চিন। গত বছর একইভাবে নিরাপত্তা পরিষদে (UNSC) তোলা হাফিজ সঈদ, লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গি শাহিদ মাহমুদ এবং সাজিদ মিরকে নিষিদ্ধ করার প্রস্তাবও আটকে দিয়েছিল বেজিং। একইভাবে, গত বছরই লস্করের ডেপুটি প্রধান আব্দুল রেহমান মাক্কিকে কালো তালিকাভুক্ত করার জন্য ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ প্রস্তাবেও আপত্তি জানিয়েছিল চিন। যদিও, গত জানুয়ারি মাসে হাফিজের ভাই মাক্কির ওপর থেকে চিন আপত্তি তুলে নেওয়ায় তাকে ‘বিশ্ব সন্ত্রাসবাদী’ ঘোষণা করা হয়।

  • Ram Navami: রামনবমীর মিছিলে অশান্তি, ৬টি এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু এনআইএ-র

    Ram Navami: রামনবমীর মিছিলে অশান্তি, ৬টি এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু এনআইএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামনবমীর (Ram Navami) শোভাযাত্রা ঘিরে ব্যাপক অশান্তি হয়েছিল হাওড়া এবং হুগলিতে। কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশে ওই অশান্তির ঘটনার তদন্তভার দেওয়া হয় এনআইএ-কে (NIA)। তার পরেই হাওড়ার পুলিশ কমিশনার, চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার ও এডিজি সিআইডিকে চিঠি দেয় এনআইএ। অশান্তির মামলার তদন্ত কীভাবে এগোবে, তা নিয়েও বৈঠক করেন এনআইএ-র কলকাতা শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিআইজি।

    রামনবমীর (Ram Navami) অশান্তিতে এফআইআর…

    হাওড়া ও হুগলির ওই অশান্তির ঘটনায় এফআইআর দায়ের করেছে এনআইএ। বৃহস্পতিবার তা আদালতে পেশ করে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাইকোর্টের নির্দেশে হাওড়ার শিবপুরে একটি, হুগলির শ্রীরামপুরে দুটি, রিষড়ায় একটি এবং উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলায় রামনবমীর মিছিলে গোলমালের ঘটনার প্রেক্ষিতে এফআইআর দায়ের করেছে এনআইএ। প্রসঙ্গত, রামনবমীর (Ram Navami) মিছিলে অশান্তির জেরে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। এনআইএকে দিয়ে তদন্তের দাবিতে আদালতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন তিনি। ২৭ এপ্রিল তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দেয়।

    আরও পড়ুুন: ফের সভার অনুমতি দেওয়া হল না শুভেন্দুকে, আদালতে যাচ্ছে বিজেপি!

    দু সপ্তাহের মধ্যে মামলা সংক্রান্ত সমস্ত নথি এনআইএকে হস্তান্তর করার নির্দেশও রাজ্যকে দেয় আদালত। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, পুলিশের রিপোর্টে স্পষ্ট যে অশান্তি হয়েছে। কারা এই অশান্তির ঘটনায় জড়িত এবং কারা উসকানি দিয়েছে, তা জানা রাজ্য পুলিশের পক্ষে সম্ভব নয়। কেন্দ্রীয় সংস্থাকে দিয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন। তার পরেই এনআইএ তদন্তের নির্দেশ। সচরাচর তদন্ত শুরু করার আগে এনআইএ এফআইআরের একটি খসড়া তৈরি করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে পাঠায়। তার ভিত্তিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সবুজ সংকেত মিললেই শুরু হয় তদন্ত। ইতিমধ্যেই সেই এফআইআরের খসড়া পাঠানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর। 

    ৩০ মার্চ রামনবমীর (Ram Navami) মিছিলকে কেন্দ্র করে দু পক্ষের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে হাওড়ার শিবপুর থানার জিটি রোড এলাকা। পুলিশের গাড়ি, বাস, টোটো, অটো, বাইকে ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। পুলিশকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয় ইটপাটকেল। সেদিনই অশান্তি হয় উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলায়ও। রামনবমীর দু দিন পরে অশান্ত হয়ে ওঠে হুগলির রিষড়াও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Road: দুর্গাপুরের কাঁকসায় ব্যস্ততম রাস্তার বেহাল দশা, দুর্ভোগের শিকার এলাকাবাসী

    West Bengal Road: দুর্গাপুরের কাঁকসায় ব্যস্ততম রাস্তার বেহাল দশা, দুর্ভোগের শিকার এলাকাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুরের কাঁকসা থানার বিদবিহার গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার শিবপুর বাইপাস থেকে গৌরবাজার যাওয়ার প্রধান রাস্তা (West Bengal Road) দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় থাকায় দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন এলাকাবাসী। অভিযোগ, খানাখন্দে ভরা ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন পথচারীরা। ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন পড়ুয়ারাও। এলাকাবাসীর দাবি, রাস্তাটি অবিলম্বে মেরামত না করলে ভোগান্তি থেকে রেহাই মিলবে না। কিন্তু প্রশাসন এ ব্যাপারে কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে।

    কী বলছেন এলাকার বাসিন্দারা?

    দুর্ভোগের শিকার স্থানীয় বাসিন্দা দয়াময় বাগদি জানান, এটি খুবই ব্যস্ততম রাস্তা (West Bengal Road)। শিবপুরের জয়দেব ঘাট থেকে দুর্গাপুর শহর ও লাউদোহা এলাকায় যাতায়াতের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা এটি। এই রাস্তা দিয়ে অনবরত বালির গাড়ি যাতায়াত করায় রাস্তা বেহাল হচ্ছে। বালির জল পড়ে পড়ে খানাখন্দে ভরেছে রাস্তা। সামনেই আসছে বর্ষাকাল। এই বেহাল রাস্তা অবিলম্বে মেরামত না করলে বর্ষায় বৃষ্টির জলে তা মরণফাঁদে পরিণত হবে। পথচারীরা সাইকেল, বাইক নিয়ে রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় প্রায়শই ছোটখাট দুর্ঘটনার কবলে পড়ছেন। গ্রামের পড়ুয়ারাও এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াতের সময় দুর্ঘটনার সম্মুখীন হচ্ছেন। রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার করা হলে বহু মানুষ উপকৃত হবে।

    কী বলছেন পঞ্চায়েত সদস্য?

    বিদবিহার গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য গিরিধারী সিনহা বলেন, শিবপুর বাইপাস থেকে গৌরবাজার পর্যন্ত ওই ১০ কিলোমিটার রাস্তা (West Bengal Road) বেহাল, একথা ঠিক। রাস্তাটা মোরামের ছিল। পরে পিচরাস্তা ও কিছুটা ঢালাই রাস্তা হয়েছিল। কিন্তু ভারী পণ্যবাহী যান চলাচলের জন্য কোনও রাস্তাই টেকে না। বর্তমানে ওই রাস্তা ভগ্নদশায় রয়েছে। শুনেছি কোটি কোটি টাকার টেন্ডার হয়েছিল বা হচ্ছে। কেন এখনও রাস্তা মেরামত করা হচ্ছে না, সেই সঠিক তথ্য জানা নেই।

    তোপ দাগলো বিজেপি

    বর্ধমান সদরের বিজেপির সহ সভাপতি রমন শর্মা এই বিষয়ে বলেন, পঞ্চায়েত ভোটের আগে যত সব রাস্তাশ্রী, পথশ্রী প্রকল্পের নাম তো শোনা যাচ্ছে। এত বছর কোথায় ছিল এই সব প্রকল্প। মানুষ যে এত দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে, তার উত্তর দেবে কে? 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share