Blog

  • DA: কেন্দ্রীয় হারে ডিএ-র দাবিতে হবে নবান্ন অভিযান, মহামিছিল

    DA: কেন্দ্রীয় হারে ডিএ-র দাবিতে হবে নবান্ন অভিযান, মহামিছিল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিএ-র (DA) দাবিতে নবান্ন (Nabanna) অভিযানের ডাক দিল কো-অর্ডিনেশন কমিটি (Co-ordination Committee)। গত কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন সরকারি কর্মচারি সংগঠনের সঙ্গে হাত মিলিয়ে যৌথ মঞ্চ গড়ে ডিএর দাবিতে আন্দোলন করছে ওই কমিটি। কেন্দ্রীয় হারে ডিএর দাবিতে শহিদ মিনার চত্বরে চলছে অবস্থান বিক্ষোভ। হয়েছিল অনশনও। কর্মবিরতি, ধর্মঘট দাবি-দাওয়া আদায়ের সব পন্থাই অবলম্বন করেছে যৌথ সংগ্রামী মঞ্চ। তার পরেও সমাধান হয়নি সমস্যার। সেই কারণে চলছে কেন্দ্রীয় হারে ডিএর দাবিতে লাগাতার আন্দোলন। এবার ডাক দেওয়া হয়েছে নবান্ন অভিযানের। মে মাসের ৪ তারিখ দুপুর আড়াইটে নাগাদ হবে নবান্ন অভিযান।

    ডিএ-র (DA) দাবিতে আন্দোলন…

    কেন্দ্রীয় হারে ডিএর (DA) দাবিতে লাগাতার আন্দোলনে ইতি টানতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে রাজ্য সরকারকে বৈঠকে বসার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেই বৈঠকেও মেলেনি রফাসূত্র। তাই বন্ধ হয়নি আন্দোলনও। সেই কারণে এবার নবান্ন অভিযানের সিদ্ধান্ত। যদিও সংগঠনের একাংশের আশঙ্কা, নবান্ন অভিযান করলে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে পারে রাজ্য সরকার। ৪ মে কেবল নবান্ন অভিযানই নয়, আরও একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়েছে কো-অর্ডিনেশন কমিটি। ২৮-২৯ এপ্রিল রাজ্যের সব জেলার সদর দফতরে দুদিন ব্যাপী ধর্নায় বসবেন কমিটির সদস্যরা। কো-অর্ডিনেশন কমিটির তরফে বিশ্বজিৎ গুপ্ত চৌধুরী বলেন, আমরা যে কেবলমাত্র ডিএর দাবিতেই আন্দোলন করছি, তা নয়।

    আরও পড়ুুন: মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজের আবেদন প্রত্যাহার করবে না বিজেপি!

    আমাদের অন্যতম দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে সরকারি শূন্যপদে নিয়োগ, নিয়োগের ক্ষেত্র স্বচ্ছতা, ঠিকা কর্মীদের স্থায়ী পদে নিয়োগের মতো বিষয়গুলিও। তিনি বলেন, এই সব দাবি যতদিন না পূরণ হচ্ছে, ততদিন আমাদের আন্দোলন চলবে। রাজ্যের কোষাগারে প্রতি মাসে ৩৬ টাকা করে ফেরত দিয়ে প্রতীকী প্রতিবাদ জানাচ্ছেন যৌথমঞ্চের নেতারা। তাঁদের দাবি, রাজ্য সরকারের কাছে তাঁদের পাওনা ৩৬ শতাংশ ডিএ (DA)। রাজ্য সরকার জানিয়েছে, তাদের আর্থিক অবস্থা ঠিক না হওয়া পর্যন্ত ডিএ দিতে পারবে না তারা। তাই ট্রেজারিতে ৩৬ টাকা করে অনুদান দিয়ে প্রতীকী প্রতিবাদ জানাচ্ছেন তাঁরা। ৪ মে নবান্ন অভিযানের পর যৌথমঞ্চ মহামিছিল করবে ৬ মে।

    এদিকে, মঙ্গলবার রাজ্যের প্রতিটি জেলায় শীর্ষ প্রশাসনিক ভবনে সরকারি স্বাস্থ্য স্কিম নিয়ে স্মারকলিপি দিল সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। রাজ্যের সব সরকারি সাহায্য প্রাপ্ত এবং অনুদানপ্রাপ্ত স্কুল ও মাদ্রাসার সমস্ত শিক্ষক, শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীকে অন্য সরকারি কর্মীদের মতো হেল্থ স্কিমের সুবিধা দেওয়ার দাবিতে নবান্ন ও বিকাশ ভবনে ডেপুটেশনও দিয়েছে তারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: অয়নের আরও ৮টি ফ্ল্যাটের খোঁজ! অন্তত ৬০টি পুরসভার নিয়োগে দুর্নীতির প্রমাণ স্পষ্ট

    Recruitment Scam: অয়নের আরও ৮টি ফ্ল্যাটের খোঁজ! অন্তত ৬০টি পুরসভার নিয়োগে দুর্নীতির প্রমাণ স্পষ্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রোমোটার ও প্রযোজক অয়ন শীলের গ্রেফতারির পর থেকেই বঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলার একের পর এক পর্দা উঠেছে। জানা গিয়েছে, শুধুমাত্র শিক্ষাক্ষেত্রেই নয় পুরসভার নিয়োগেও দুর্নীতি হয়েছে। নেতা থেকে মন্ত্রী নাম জড়িয়েছে বহু হেভিওয়েটের। ইডি সূত্রে খবর, সম্প্রতি অয়নের আরও বেশ কয়েকটি ফ্ল্যাটের সন্ধান মিলেছে। আপাতত যত দূর জানা গিয়েছে, অয়ন শীলের মোট ষোলোটি ফ্ল্যাট রয়েছে। পাশাপাশি গত সপ্তাহেই আরও আটটি ফ্ল্যাটের সন্ধান মিলেছে বলে দাবি তদন্তকারীরাদের।

    অয়নের আরও ৮টি ফ্ল্যাটের খোঁজ

    ইডি সূত্রে খবর, হুগলিতে অয়নের আরও ৮টি ফ্ল্যাটের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। এগুলি প্রায় সবই অয়নের বিভিন্ন আত্মীয়ের নামে কেনা। জানা গিয়েছে, শ্বেতা চক্রবর্তীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও নিজের সংস্থার কর্মীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে টাকা পাচার করতেন অয়ন।  চাকরি দেওয়ার নাম করে অয়ন শীল বাজার থেকে প্রায় ২০০ কোটি টাকা তুলেছেন বলে দাবি ইডির। অয়নের বিধাননগরের অফিসে তল্লাশি চালিয়ে যে নথি উদ্ধার হয়েছে তাতে অন্তত ৬০টি পুরসভার নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে বলে স্পষ্ট। এর মধ্যে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার দমদম ও বারকপুর শিল্পাঞ্চলের প্রায় সমস্ত পুরসভা। অত্যন্ত প্রভাবশালীদের মদতে এই দুর্নীতি হয়েছে বলে জানিয়েছে ইডি।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে এবার তাপসকে তলব সিবিআইয়ের, হাজিরা বুধেই

    পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতিতে (Recruitment Scam) ইতিমধ্যে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। আদালতের নির্দেশে সোমবারই এফআইআর দায়ের করেছে সিবিআই। সেকথা আদালতকে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। অয়ন শীলের ছেলে অভিষেকের বান্ধবী ইমনকেও তলব করেছে সিবিআই। শ্রীরামপুরে থাকেন ইমন। তাঁর নামেও একাধিক সম্পত্তি রয়েছে বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। অয়নের সংস্থার একাধিক কর্মীকেও সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করে জেরা করা হচ্ছে। তাঁদের জেরা করে একাধিক তথ্য হাতে পেয়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mukul Roy: মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজের আবেদন প্রত্যাহার করবে না বিজেপি!

    Mukul Roy: মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজের আবেদন প্রত্যাহার করবে না বিজেপি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুকুল রায়ের (Mukul Roy) বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে আবেদন করেছিল বিজেপির (BJP) পরিষদীয় দল। তৃণমূল (TMC) ঘুরে বিজেপিতে ফিরতে মরিয়া মুকুল দিল্লিতে পড়ে রয়েছেন হত্যে দিয়ে। যদিও বিজেপির কোনও শীর্ষ নেতা দেখা করেননি মুকুলের সঙ্গে। এমতাবস্থায় পদ্ম শিবির সূত্রে খবর, মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজের যে আবেদন করা হয়েছিল, তা ফিরিয়ে নেওয়া হবে না।

    মুকুল রায়ের (Mukul Roy) ভোলবদল…

    দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বিরোধের জেরে বছর কয়েক আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন মুকুল রায়। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে কৃষ্ণনগর উত্তরে তাঁকে প্রার্থী করে পদ্মশিবির। তৃণমূল প্রার্থীকে পরাজিত করে পদ্ম চিহ্ন নিয়ে ওই আসনে হইহই করে জিতে যান মুকুল (Mukul Roy)। এর পর ১১ জুন, ছেলে শুভ্রাংশুকে নিয়ে তৃণমূল ভবনে গিয়ে যোগ দেন ঘাসফুল শিবিরে। সপুত্র মুকুলের ঘর ওয়াপসির অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং এবং তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দলবদলের পুরস্কার স্বরূপ মুকুলকে দেওয়া হয় পিএসি-র চেয়ারম্যানের পদ।

    এর পরেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে চিঠি দেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে। পরে বিষয়টি নিয়ে শুভেন্দু দ্বারস্থ হন কলকাতা হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টের। স্পিকার তাঁর রায় ঘোষণা করলেও, আদলতে বিচারাধীন রাজ্যের বিরোধী দলনেতার আবেদন। এহেন আবহে গত ১৭ এপ্রিল আচমকাই ‘নিখোঁজ’ হয়ে যান মুকুল। বীজপুর থানা এবং দমদমের এয়ারপোর্ট থানায় মিসিং ডায়েরি করেন শুভ্রাংশু। পরে জানা যায়, মুকুল গিয়েছেন দিল্লিতে। সেখানেই রয়েছেন। এর পর বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে মুকুল বলেন, তিনি বিজেপিতেই রয়েছেন। কোনওদিন তৃণমূলে ছিলেন না। তিনি এও জানিয়েছিলেন, বিজেপির সঙ্গে থেকেই কাজ করতে চান। তাই বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করতে দিল্লিতে এসেছেন।

    আরও পড়ুুন: নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে এবার তাপসকে তলব সিবিআইয়ের, হাজিরা বুধেই

    মুকুলের (Mukul Roy) বিজেপিতে ফেরার প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, মুকুল যখন দলত্যাগ করেছিলেন, তখন তিনি কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি ছিলেন। তাই তাঁর বিষয়ে সিদ্ধান্ত যা নেওয়ার তা নেবেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বই। মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজের আবেদন প্রত্যাহার প্রসঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতার দফতর জানিয়েছে, আবেদন প্রত্যাহারের কোনও প্রশ্নই নেই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • World Test Championship: ফিরলেন রাহানে! টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের দল ঘোষণা বিসিসিআই-এর

    World Test Championship: ফিরলেন রাহানে! টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের দল ঘোষণা বিসিসিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালে ভারতীয় দলে ফিরলেন অজিঙ্ক রাহানে। মঙ্গলবার সকালে ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের (WTC 2023 Final) জন্য ১৫ জনের দল ঘোষণা করেছে বিসসিআই। দলে রয়েছেন লোকেশ রাহুলও। অধিনায়ক রোহিত শর্মার নেতৃত্বে খেলবে ভারতীয় দল।

    দলে ফিরলেন রাহানে

    দীর্ঘ দিন পর ভারতীয় দলে ডাক পেয়েছেন অজিঙ্ক রাহানে (Ajinkya Rahane)। ঘরোয়া ক্রিকেট এবং চলতি আইপিএলে রাহানের পারফরম্যান্সই তাঁর সামনে জাতীয় দলের দরজা খুলে দিয়েছে এতে সন্দেহ নেই। এ বারের টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল শুরু ৭ জুন। ইংল্যান্ডের ওভালে সেই ম্যাচে মুখোমুখি হবে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া। আইপিএলের পরেই ইংল্যান্ডে যাবেন রোহিত এন্ড কোং। দলে ওপেনার হিসাবে রয়েছেন শুভমন গিল, রোহিত শর্মা এবং লোকেশ রাহুল। তিন নম্বরে ব্যাট করার জন্য রয়েছেন চেতেশ্বর পুজারা। চারে নামবেন বিরাট কোহলি। রাহানে দলে ফেরায় মনে করা হচ্ছে পাঁচ নম্বরে দেখা যাবে তাঁকে। 

    দলে চার পেসার

    এই নিয়ে টানা দু’বার বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল খেলছে টিম ইন্ডিয়া। গতবার নিউজিল্যান্ডের কাছে ফাইনাল হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল। আইপিএল শেষ হওয়ার সপ্তাহখানেকের মধ্যেই টেস্টে বিশ্বের সেরা দল হওয়ার লক্ষ্যে ঝাঁপাবে টিম ইন্ডিয়া। ভারতীয় দলে উইকেটরক্ষক হিসাবে রয়েছেন শ্রীকর ভরত। ঋষভ পন্থের এখনই দলে ফেরার সম্ভাবনা নেই। দলে রয়েছেন তিন স্পিনার। রবিচন্দ্রন অশ্বিন, রবীন্দ্র জাডেজা এবং অক্ষর প্যাটেল। স্পিন ছাড়াও এই ত্রয়ী ব্যাট হাতেও অনবদ্য। দলে রয়েছেন চার পেসার। যশপ্রীত বুমরার চোট থাকায় তাঁকে দলে রাখা হয়নি। দলে রয়েছেন মহম্মদ শামি, মহম্মদ সিরাজ, উমেশ যাদব এবং জয়দেব উনাদকট।

    আরও পড়ুন: ভারতের উচ্চতম ফুটবল ময়দান নিয়ে ট্যুইট মাহিন্দ্রা গ্রুপের চেয়ারম্যানের! কোথায় জানেন?

    বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ভারতীয় দল: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), শুভমন গিল, লোকেশ রাহুল, চেতেশ্বর পুজারা, বিরাট কোহলি, অজিঙ্ক রাহানে, শ্রীকর ভরত (উইকেটরক্ষক), রবিচন্দ্রন অশ্বিন, রবীন্দ্র জাডেজা, অক্ষর পটেল, শার্দূল ঠাকুর, মহম্মদ শামি, মহম্মদ সিরাজ, উমেশ যাদব এবং জয়দেব উনাদকট।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • World Malaria Day: ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত! লড়তে জরুরি ভাল খাবারও, কী বলছেন পুষ্টিবিদরা?

    World Malaria Day: ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত! লড়তে জরুরি ভাল খাবারও, কী বলছেন পুষ্টিবিদরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে পালিত হয়ে গেল ম্যালেরিয়া দিবস (World Malaria Day)। ফি বছর ২৫ এপ্রিল দিনটি ম্যালেরিয়া (Malaria) দিবস হিসেবে পালন করে তামাম বিশ্ব। ম্যালেরিয়া মশাবাহিত একটি রোগ। ২০২০ সালে বিশ্বে ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিলেন ২৪১ মিলিয়ন মানুষ। বিশ্বের ৮৫টি দেশে এই জ্বরে মৃত্যু হয়েছে ৬ লক্ষেরও বেশি মানুষের। আফ্রিকায় পাঁচ বছরের কম বয়সের শিশুর ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হার সব চেয়ে বেশি। তাই ম্যালেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করতে গেলে প্রয়োজন সঠিক ডায়েট।

    বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবসে (World Malaria Day) দাওয়াই পুষ্টিবিদদের…

    পুষ্টিবিদদের মতে, ম্যালেরিয়া জ্বরে দেহের মেটাবলিক রেট অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যায়। তাই প্রয়োজন ক্যালোরির। সেই কারণে উচ্চ কার্বোহাইড্রেট ডায়েট করা উচিত। এজন্য ভাত এবং মিলেট খাওয়া প্রয়োজন। এই সময় শরীরের প্রয়োজন প্রচুর প্রোটিনের। প্রোটিনের ঘাটতি হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় শরীরের। তাই রোগ প্রতিরোধ (World Malaria Day) ক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন। এজন্য ডিম, বাদাম, মাংস, মাছ এবং ডেয়ারি প্রোডাক্ট খাওয়া উচিত। যেহেতু এই সময় শরীরের ক্ষমতা কমে যায়, তাই ডাবের জল, আখের রস, তাজা ফলের রস, লেবুজল, স্যুপ এবং স্ট্যু খাওয়া প্রয়োজন। প্রয়োজন জল ফুটিয়ে খাওয়াও। মশাবাহিত রোগের মোকাবিলা করতে হলে শরীরে যাতে প্রচুর পরিমাণে চর্বি না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এজন্য চিয়া বীজ, ফ্ল্যাক্স বীজ, ওয়ালনাট, মাছ এবং মাছের তেল খাওয়া প্রয়োজন। এই সব খাবার শরীরকে ফ্যাটমুক্ত রাখতে সাহায্য করে।

    আরও পড়ুুন: কেন্দ্রের পাঠানো করোনার বুস্টার ডোজ স্টোরে থেকে নষ্ট হয়েছে, বাড়তি উদ্বেগ রাজ্যে!

    শরীরে রোগ (World Malaria Day) প্রতিরোধ গড়ে তোলে ভিটামিন এ এবং সি। সেই জন্য পেঁপে, আম, আঙুর, মিষ্টি লেবু, আনারস এবং আমলকি নিত্য খাওয়া প্রয়োজন। এগুলি শরীরে প্রয়োজনীয় ভিটামিনের জোগান দেয়। মশাবাহিত রোগের মোকাবিলা করতে বেশি তেল-মশলা যুক্ত খাবার খাওয়া উচিত নয়। আচার, অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়াও উচিত নয়। চা, কফি এবং ক্যাফিনযুক্ত খাবার না খাওয়াই ভাল। পুষ্টিবিদদের মতে, রোগ প্রতিরোধে শরীরের প্রয়োজন ভিটামিন ডি-এরও। এজন্য প্রতিদিন সকালের নরম রোদে বেশ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা প্রয়োজন। ভিটামিন ই এবং ফলিক অ্যাসিড যুক্ত খাবারও খাওয়া উচিত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tapas Saha: নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে এবার তাপসকে তলব সিবিআইয়ের, হাজিরা বুধেই

    Tapas Saha: নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে এবার তাপসকে তলব সিবিআইয়ের, হাজিরা বুধেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে (Recruitment Scam) সিবিআইয়ের (CBI) আতস কাচের তলায় ছিলেন নদিয়ার তেহট্টের বিধায়ক তৃণমূলের (TMC) তাপস সাহা (Tapas Saha)। দিন কয়েক আগে তাঁর বাড়ি ও কার্যালয়ে টানা তল্লাশি চালিয়েছিলেন তদন্তকারীরা। সিবিআই সূত্রে খবর, তল্লাশিতে উদ্ধার হয়েছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি। তার জেরেই বুধবার তাপসকে নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে তলব করা হয়েছে। কেবল সিবিআই নয়, তাপসের দিকে নজর রয়েছে আর এক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডিরও। সিবিআইয়ের এফআইআরের সূত্র ধরেই তাপসের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করতে পারে ইডিও। যদিও সিবিআই তল্লাশির পর এই তৃণমূল নেতা জানিয়েছিলেন তাঁর বাড়িতে তল্লাশিতে কিছুই পায়নি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    তৃণমূল নেতা তাপস সাহার (Tapas Saha) দাবি…

    তিনি এও দাবি করেছিলেন, তৃণমূলেরই একাংশ বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন। চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি কোনও টাকা নেননি বলেও দাবি করেছিলেন তেহট্টের বিধায়ক। তাঁর বাড়িতে সিবিআই তল্লাশি চালানোর পর দলীয় কর্মীরা যাতে তাঁর পাশ থেকে সরে না যান সেজন্য তদন্তকারীরা চলে যাওয়ার পরেই বাড়িতে দলীয় কর্মীদের মহাভোজ দিয়েছিলেন তৃণমূল নেতা তাপস। দলের নেতা-কর্মীদের ডেকে খাইয়েছিলেন মাংসভাত। এহেন তৃণমূল নেতাকেই এবার দফতরে হাজিরা দেওয়ার নোটিশ পাঠাল সিবিআই।

    আরও পড়ুুন: ‘‘রাজ্যের ৯০ শতাংশ মুসলিম বাংলা-ভাষী, তাও কেন হিন্দিতে ভাষণ’’, মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন শুভেন্দুর

    প্রসঙ্গত, নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ায় তাপসেরও (Tapas Saha)। তাঁর বিরুদ্ধেও চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কোটি কোটি টাকা তোলার অভিযোগ ওঠে। এ ব্যাপারে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পরে তাপসের বাড়িতে হানা দেয় সিবিআই। টানা প্রায় ১৫ ঘণ্টা ধরে চলে তল্লাশি। সেই সময় তাঁকে বেশ কিছুক্ষণ জেরাও করেছিলেন তদন্তকারীরা। পরে তেহট্টের বিধায়কের মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করে সিবিআই। বাজেয়াপ্ত করা হয় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিও। বেঙ্গালুরুতে ফ্ল্যাট রয়েছে তাপসের ছেলের। সেই ফ্ল্যাটেও তল্লাশি চালান সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। তাপসের বাড়িতে তল্লাশির পর তাঁর প্রাক্তন আপ্ত সহায়ক প্রবীর কয়াল ও তাপসের ঘনিষ্ঠ এক তৃণমূল নেত্রীর বাড়িতেও তল্লাশি চালায় সিবিআই।

    নিয়োগ কেলেঙ্কারি কাণ্ডে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূলের তিন বিধায়ক। এঁদের মধ্যে রয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ও। বর্তমানে তিনজনেই রয়েছেন গরাদ-বন্দি। এবার তাপসকে (Tapas Saha) ডাকল সিবিআই। তাহলে কি তাঁরও পরিণতি হবে দলীয় তিন বিধায়কের মতোই? উঠছে প্রশ্ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NIA: ভারতীয় দূতাবাসে খালিস্তানপন্থীদের হামলা, তদন্তে লন্ডনে যাচ্ছে এনআইএ

    NIA: ভারতীয় দূতাবাসে খালিস্তানপন্থীদের হামলা, তদন্তে লন্ডনে যাচ্ছে এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লন্ডনে যাবে এনআইএ (NIA)। গত মাসে লন্ডনে (London) ভারতীয় দূতাবাসের সামনে তাণ্ডব চালিয়েছিল খালিস্তানপন্থীরা (Pro Khalistan)। সেই ঘটনার তদন্ত করতেই এবার ব্রিটেন যাচ্ছেন এনআইএর তদন্তকারী আধিকারিকরা। সূত্রের খবর, লন্ডনে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলবেন তাঁরা। তাঁদের সেই বিবৃতি করা হবে রেকর্ডও। ভারতীয় দূতাবাসের সামনে থাকা সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখবেন তদন্তকারীরা। গত সপ্তাহেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে এনআইএ তদন্তের ব্যাপারে সবুজ সংকেত মিলেছে। তার পরেই রাজার দেশে যাচ্ছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    তদন্তে এনআইএ (NIA)…

    সম্প্রতি খালিস্তানের দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন স্বঘোষিত ধর্মগুরু তথা ওয়ারিশ পঞ্জাব দে-র নেতা অমৃতপাল সিংহ। বিস্তর খোঁজাখুঁজির পর প্রায় ৩৬ দিন পরে গ্রেফতার করা হয় বিচ্ছিন্নতাবাদী ওই নেতাকে। অমৃতপালের বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযান শুরু হতেই লন্ডনে ভারতীয় হাইকমিশনের বাইরে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখান খালিস্তানপন্থীরা। সেই সময় ভারতীয় দূতাবাসে ভাঙচুরও চালানো হয়। খালিস্তানের সমর্থনে স্লোগান দিতে দিতে ভারতীয় দূতাবাসের সামনে টাঙানো জাতীয় পতাকা নামিয়ে ফেলেন বিক্ষোভকারীরা। দ্রুত সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হয় সেই ছবি। তার পরেই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দেয় ভারত (NIA)। ঘটনার পরে পরেই ব্রিটেনের কাছে এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে নয়াদিল্লি। নয়াদিল্লিতে ব্রিটিশ হাইকমিশনার অ্যালেক্স এলিসকে তলব করে বিদেশ মন্ত্রক।

    আরও পড়ুুন: কোচির রাস্তায় মোদি-ম্যাজিক! আজ কেরলে একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    খালিস্তানপন্থীদের আচরণের তীব্র নিন্দা করেন অ্যালেক্স। ঘটনাটিকে মর্যাদাহানিকর ও সম্পূর্ণ অবাঞ্ছনীয় বলেও আখ্যা দিয়েছিলেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার। লন্ডনে ভারতীয় দূতাবাসে হামলা চালানোর ঘটনায় ইউএপিএ আইনের ধারা সহ একাধিক ধারায় এফআইআর করা হয়েছে। তদন্তে নামে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। তার পরেই এনআইএকে তদন্তের নির্দেশ দেয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। সেই তদন্ত করতেই লন্ডনে যাচ্ছেন এনআইএর তদন্তকারী আধিকারিকরা।

    লন্ডনের ওই ঘটনার পরে কড়া প্রতিক্রিয়া দেয় ভারত। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেন, লন্ডনে ভারতীয় দূতাবাসে বেনজির হামলা, জাতীয় পতাকার অবমাননাকে লঘু করে দেখছে না ভারত। শুধুমাত্র পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়ে কাজ হবে না। অপরাধীদের খুঁজে বের করে কড়া শাস্তিও দিতে হবে। দূতাবাসের (NIA) নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে। সেই দায়িত্ব পালন করতে হবে ব্রিটিশ প্রশাসনকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Yogi Adityanath: টোল ফ্রি ১১২ নম্বর থেকে যোগী আদিত্যনাথকে প্রাণনাশের হুমকি! চাঞ্চল্য উত্তরপ্রদেশে

    Yogi Adityanath: টোল ফ্রি ১১২ নম্বর থেকে যোগী আদিত্যনাথকে প্রাণনাশের হুমকি! চাঞ্চল্য উত্তরপ্রদেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাণনাশের হুমকি পেলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (UP CM Yogi Adityanath)। আচমকাই উত্তরপ্রদেশে টোল ফ্রি ১১২ নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপে একটি অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির মেসেজ আসে। যেখানে হুঁশিয়ারির সুরে মুখ্যমন্ত্রী যোগীর প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে উত্তরপ্রদেশে। যোগী আদিত্যনাথকে হুমকির পরপরই রিহান নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে  দায়ের করা হয় এফআইআর। সেই সঙ্গে উত্তরপ্রদেশের এটিএসকেও গোটা বিষয়টি জানানো হয়েছে বলে খবর।

    মাফিয়া-মুক্ত উত্তরপ্রদেশ

    সম্প্রতি মাফিয়া আতিক আহমেদের খুনের পর থেকে উত্তরপ্রদেশ জুড়ে জোর শোরগোল শুরু হয়ে যায়। আতিক আহমেদ এবং তার ভাই আশরফ আহমেদের হত্যার পর উত্তরপ্রদেশে আর কোনও মাফিয়া নিজেদের খাতা খুলতে পারবে না বলে স্পষ্ট জানানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর তরফে। উত্তর প্রদেশকে মাফিয়া মুক্ত করতে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।  তিনি বলেছিলেন, “আগে উত্তর প্রদেশের একাধিক জেলায় অপরাধ ছিল নিত্যদিনের রুটিন। এতে মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছিল আতঙ্ক। কিন্তু এখন ভয় পাওয়ার কোনও দরকার নেই।” এমনকী আতিক আহমেদের পর তার স্ত্রী শায়েস্তা পারভিনকেও গ্রেফতার করা হবে বলে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে। তার মধ্যেই এই হুমকি। 

    এই প্রথম নয়

    জানা গিয়েছে, গত ২৩ এপ্রিল মধ্যরাতে ১১২ নম্বরে এই হুমকি মেসেজটি আসে। মেসেজটি রিসিভ করেন জনসংযোগ আধিকারিক শিখা অবস্তি। যেখানে যোগী আদিত্যনাথকে খুনের হুমকি দেওয়া হয়। ওই আধিকারিক মেসেজটির একটি স্ক্রিনশট করেন। ৫০৬, ৫০৭ এবং ৬৬ নম্বর ধারা অনুযায়ী এক অজ্ঞাতপরিচয় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তদন্তে নেমেছে উত্তরপ্রদেশের সুশান্ত গলফ সিটি থানার পুলিশ। তদন্ত শুরু করেছে উত্তরপ্রদেশের সন্ত্রাস দমন শাখা (ATS)। কয়েকগুণ বাড়ানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা।

    আরও পড়ুন: কোচির রাস্তায় মোদি-ম্যাজিক! আজ কেরলে একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    এই প্রথমবার নয়। এর আগেও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে সেই হুমকি এসেছিল। বাগপত এলাকার বাসিন্দা অমন রাজার প্রোফাইল থেকে এই হুমকি দেওয়া হয়েছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • African Cheetah:  গত একমাসে দ্বিতীয়বার! কুনোতে ফের মৃত্যু চিতার, কারণ জানালেন চিকিৎসকরা

    African Cheetah: গত একমাসে দ্বিতীয়বার! কুনোতে ফের মৃত্যু চিতার, কারণ জানালেন চিকিৎসকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র ৬ বছর বয়সেই চলে গেল কুনো জাতীয় উদ্যানের চিতা উদয়। চিকিৎসকরা বলছেন, এক মারাত্মক অসুখ বাসা বেঁধেছিল আফ্রিকার নামিবিয়া (African Cheetah) থেকে ভারতে নিয়ে আসা চিতাটির শরীরে। গত এক মাসে পরপর দুই চিতার মৃত্যু ভাবিয়ে তুলেছে বন দফতরকে। ইতিমধ্যে চিতা উদয়ের ময়নাতদন্ত ও নেক্রোপসির রিপোর্ট সামনে এসেছে যা রীতিমতো চিন্তা বাড়িয়েছে বনকর্মীদের।

    কী জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা?

    উদয়ের মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধান করতে তৈরি করা হয়েছিল ৫ সদস্যের চিকিৎসকের দল। তাঁরা জানাচ্ছেন, কুনোর এই দ্বিতীয় চিতার মৃত্যুর কারণ, কার্ডিয়ো পালমোনারি ফেলিওর। প্রধান বন্যপ্রাণ সংরক্ষক জেএস চৌহান বলেছেন, ‘পশু চিকিৎসকেরা চিতাটির (African Cheetah) মৃতদেহের ময়নাতদন্ত করে দেখেছেন। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, মৃত্যুর কারণ কার্ডিয়ো পালমোনারি ফেলিওর। কিন্তু এই কার্ডিয়াক ফেলিওরের কারণ কী? সেই রিপোর্টও হাতে পেয়েছেন বন আধিকারিকরা।

    পশু চিকিৎসকরা বলছেন, চিতা (African Cheetah) উদয় মারাত্মক বটুলিজম অসুখে ভুগছিল। একধরনের স্নায়ুর রোগ যা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে হয়। শরীরে টক্সিন ঢোকে এবং তার থেকেই ধীরে ধীরে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র বিকল হতে শুরু করে। রোগটি লক্ষণ দুর্বলতা, ঝাপসা দৃষ্টি, ক্লান্তি এবং কথায় জড়তা দিয়ে শুরু হয়। এরপরে হাত, বুকের পেশী এবং পা দুর্বল হয়ে যেতে পারে। বমি বমি ভাব, পেট ফুলে যাওয়া এবং ডায়রিয়াও হতে পারে।

    চিতা উদয়ের মধ্যেও একই উপসর্গ দেখা গিয়েছিল। হাঁটাচলা করতে কষ্ট হচ্ছিল তার। প্রায় পঙ্গু হয়ে গিয়েছিল। ঝাপসা হয়েছিল দৃষ্টি। খেতেও পারছিল না উদয়। তাকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল অন্য এনক্লোজারে। সেখানেই মৃত্যু হয় তার।

    দক্ষিণ আফ্রিকার পশু চিকিৎসক কী বলছেন

    দক্ষিণ আফ্রিকার পশু চিকিৎসক আদ্রিয়ান টরডিফে বলছেন, বটুলিজম এমন এক রোগ যা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে হয়। এটির কারণ এন্ডোস্পোর। মাটি, জল ও খাবার থেকে শরীরে ঢুকতে পারে। অক্সিজেনের মাত্রা কম হলে বা নির্দিষ্ট কোনও তাপমাত্রায় এলে এরা বোটুলিনাম টক্সিন তৈরি করে। টক্সিনযুক্ত খাবার খেলে শরীরে ক্লোসট্রিডিয়াম বটুলিনাম ব্যাকটেরিয়ার বাড়বৃদ্ধি হয়। রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে। পক্ষাঘাত দেখা দেয়, দুর্বল হয়ে পড়তে পারে শরীর। কার্ডিয়াক ফেলিওর হতে পারে। চিতা (African Cheetah) উদয়েরও তাই হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে। কৃষিক্ষেত্রে অত্যধিক সার, কীটনাশক থেকে অথবা বিষাক্ত জল, খাবার থেকে পশুদের শরীরে এই রোগ হয়। জল থেকেও রোগ ছড়াতে পারে। চিতার শরীরে কীভাবে ব্যাকটেরিয়া ঢুকল তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘রাজ্যের ৯০ শতাংশ মুসলিম বাংলা-ভাষী, তাও কেন হিন্দিতে ভাষণ’’,  মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘রাজ্যের ৯০ শতাংশ মুসলিম বাংলা-ভাষী, তাও কেন হিন্দিতে ভাষণ’’, মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেড রোডে ইদের সমাবেশে ‘মুখ্যমন্ত্রী হিন্দিতে কেন ভাষণ দেবেন? এবার এই প্রশ্ন তুললেন পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর মতে, পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম জনসংখ্যা সাড়ে ৩ কোটি এবং এদের মাত্র ১০ শতাংশ উর্দুতে কথা বলেন। রাজ্যে বসবাসকারী ৯০ শতাংশ মুসলিম বাংলায় কথা বলেন। তা সত্ত্বেও মুখ্যমন্ত্রী হিন্দিতে ভাষণ দিলেন। শুভেন্দুর আরও অভিযোগ, আগে রেড রোডের নামাজ আয়োজন করত খিলাফৎ কমিটি। কিন্তু এবার দেখা গেল পূর্ত দফতর টেন্ডার ডেকে সব খরচ করেছে।

    শুভেন্দুর আরও অভিযোগ, আগে খিলাফৎ কমিটি চালাতেন ধর্মপ্রাণ মানুষরা। এখন মুখ্যমন্ত্রী তাঁর দলের ছত্রচ্ছায়ায় আনার জন্য খিলাফতের মাথায় জাভেদ খানকে বসানো হয়েছে। অন্যদিকে এবার রাজ্যে মুসলিম সমাবেশের পথে বিজেপি। প্রসঙ্গত,  গত মাসের ২৯ ও ৩০ তারিখ কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে রেড রোডে আম্বেদবকর মূর্তির সামনে ধর্না কর্মসূচি করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই জায়গাতেই মুসলমান সমাবেশ করতে চলেছে বিজেপি। সোমবার রাজ্য বিজেপি অফিসে সাংবাদিক সম্মেলন করে এই কর্মসূচির ঘোষণা করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    কোন ইস্যুতে হবে এই সমাবেশ

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) বক্তব্য, পবিত্র ইদের দিন মুখ্যমন্ত্রী গিয়ে যেভাবে রেড রোডের নামাজে বিভাজনের কথা বলেছেন, মুসলমান ভোট ভাগাভাগি নিয়ে কথা বলেছেন তা বাংলার সম্প্রীতিকে বিঘ্নিত করতে পারে। বিরোধী দলনেতার বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওই বক্তব্যকে বড় অংশের মুসলিমরা সমর্থন করেন না। উনি ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মঞ্চে গিয়ে সরাসরি রাজনৈতিক বিভাজনের কথা বলেছেন। বিরোধী দলনেতার বক্তব্য, বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চা এই সমাবেশ আয়োজন করবে। সার্বিকভাবে গোটা দল সেই কর্মসূচির পাশে থাকবে।  তাঁর আরও সংযোজন, তিনি বলেন, ‘ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি করে যিনি বিভাজনের রাজনীতি করতে চান তাঁর মুখোশ খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় জনতা সংখ্যালঘু মোর্চা।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share