Blog

  • Narendra Modi: কোচির রাস্তায় মোদি-ম্যাজিক! আজ কেরলে একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    Narendra Modi: কোচির রাস্তায় মোদি-ম্যাজিক! আজ কেরলে একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরল না বরোদা, বোঝা দায়!প্রায় ২কিমি রাস্তা জুড়ে শুধুই মোদি ম্যাজিক। কেরলের স্টাইলে ধুতি পরে পায়ে হেঁটে কোচিতে সোমবার রোড শো করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। দুদিনের কেরল সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।  ঠিক একদিন আগে তাঁর উপর আত্মঘাতী হামলার হুমকি এসেছে। কিন্তু তারপরেও অবিচল মোদি। কেরলের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে রাস্তায় হাঁটা শুরু করেন তিনি। চারপাশে উদ্বেলিত জনতা। তার মাঝে হাত নাড়লেন প্রধানমন্ত্রী। মঙ্গলবার তিরুবনন্তপুরম এবং কাসারগোডের মধ্যে বন্দে ভারত ট্রেন পরিষেবা এবং কোচিতে ওয়াটার মেট্রো পরিষেবার উদ্বোধন করবেন তিনি।

    মোদিকে নিয়ে উৎসাহ

    বাম শাসিত কেরলে এদিন মোদিকে (Narendra Modi) নিয়ে উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। গোটা রাস্তায় দুপাশে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা ছিল। আগামী ২০২৪ এর ভোটের আগে এই রোড শো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকেই। প্রধানমন্ত্রী এবার কেরলে অন্তত ৩২০০ কোটি টাকার প্রকল্পের সূচনা করবেন। দক্ষিণের যে রাজ্যে বিজেপি এখনও দাঁত ফোটাতে পারেনি তা হল কেরল। সরকারি কর্মসূচিতে সেখানে গিয়ে ভবিষ্যতে রাজ্যে ক্ষমতায় আসা নিয়ে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। 

    কেরলবাসীও বদল আনবে

    কেরল নিয়ে আত্মবিশ্বাসী প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) বলেছেন, গোয়া এবং উত্তর-পূর্বকে অনুসরণ করবে কেরলবাসী। এই রাজ্যেও বিজেপিকে ক্ষমতায় আনতে ভোট দেবেন সাধারণ মানুষ। উল্লেখ্য, গোয়া এবং উত্তর-পূর্বে খ্রিস্টান জনসংখ্যা অনেকটাই বেশি। কেরলে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সংখ্যা মোট জনসংখ্যার প্রায় এক তৃতীয়াংশ। বিশ্লেষকরা বলছেন বিজেপি এখানে খ্রিস্টান ভোট বেশি করে পেতে চাইছে। এদিন কেরলের গির্জার প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করেন মোদি। বিভিন্ন চার্চের আটজন প্রধান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁরা রবারের মতো পণ্যের মূল্য হ্রাসের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। 

    আরও পড়ুুন: এবার পাকিস্তানি নাগরিকের কণ্ঠে শোনা গেল ‘মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়’ স্লোগান

    এদিন প্রধানমন্ত্রী(Narendra Modi) বলেছেন কেন্দ্র কেরলের পরিকাঠামো উন্নয়নে প্রচুর অর্থ দিচ্ছে। যা রাজ্যে ব্যাপক কর্মসংস্থান তৈরি করবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর দল চায় কেরলের যুবকরা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, ডিজিটাল ইন্ডিয়া , বিজ্ঞান এবং খেলাধূলা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিক। তিনি বলেন, আয়ুর্বেদ এবং পর্যটনের মতো ক্ষেত্রে কেরলের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। এব্যাপারে কেন্দ্রীয় সরকার পাশে থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি। মোদি বলেন, ‘আগে ভাবা হত, এই দেশে কিছুই বদলাতে পারে না। তবে এখন সবাই জেনে গিয়েছে, গোটা বিশ্বকে বদলে দিতে পারে এই দেশ।’ তিনি যুব সমাজের কাছে আহ্বান করেন যাতে ধর্ম, জাতি, ভাষার ভিত্তিতে দেশের জনগণের মধ্যে বিভাজন তৈরি করা না হয়। মোদির কথায়, ‘আমাদের দেশ অমৃতকালের দোডরগোড়ায় দাঁড়িয়ে। সবাই মিলে হাতে হাতে কাজ করতে হবে।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: মন্দিরে পুজো দিয়েই মিলল ফল! ২১ বছর পর নিখোঁজ স্ত্রীকে ফিরে পেলেন স্বামী

    Murshidabad: মন্দিরে পুজো দিয়েই মিলল ফল! ২১ বছর পর নিখোঁজ স্ত্রীকে ফিরে পেলেন স্বামী

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  আট বা দশ বছর নয়। ২১ বছর ধরে প্রতীক্ষা। স্ত্রী ফিরে আসার আশায় ছেলেকে সঙ্গে করে মন্দিরে পুজো দিতেন স্বামী। এক সময় স্ত্রীর বেঁচে থাকার আশাও ছেড়ে দিয়েছিলেন। তবে, মন্দিরে পুজো দেওয়া বন্ধ রাখেননি তিনি। ঠাকুরের কাছে মনপ্রাণ দিয়ে কোনও কিছু চাইলে খালি হাতে ফিরতে হয় না তা এখন বুঝতে পারছেন মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ধারাপাড়া বিধান কলোনির বাসিন্দা গোবিন্দ রায়। কয়েকদিন আগে অচেনা নম্বর থেকে তাঁর কাছে একটি ফোন আসে। আর ফোনের অন্যপ্রান্ত থেকে একজন তাঁর স্ত্রীর খোঁজ দেন। ২১ বছর ধরে যারজন্য অপেক্ষা করে দিন কাটাচ্ছিলেন, অনায়াসে তাঁর খোঁজ মিলতেই হাতে চাঁদ পাওয়ার মতো অবস্থা তাঁর। ফোনের সূত্র ধরে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) থেকে উত্তরপ্রদেশ পাড়ি দেন তিনি। সোমবারই ২১ বছর পর তিনি ফিরে পান স্ত্রীকে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    স্ত্রী যখন বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে যান তখন গোবিন্দবাবুর ছেলের বয়স মাত্র সাড়ে তিন বছর। স্বামী, সন্তানকে ফেলে রেখে তিনি বাড়ি থেকে কোনও কাজে বেরিয়ে গিয়ে আর ফেরেননি। প্রায় ২১ বছর আগে অশন্তি রায় নামে ওই বধূ রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যান। বাড়ির লোকজন থানায় মিসিং ডায়েরি করেছিলেন। কিন্তু, কোথাও তাঁর হদিশ মেলেনি। অবশেষে হ্যাম রেডিও-র হাত ধরে ২১ বছর পর নিজের বাড়ির ঠিকানা খুঁজে পেলেন ওই বধূ। পরিবার ও হ্যাম রেডিও সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়ে ওই বধূ দক্ষিণেশ্বর, কালীঘাট, তারকেশ্বর মন্দিরে ছিলেন। পরে, কোনওভাবে তিনি বেনারসে চলে যান। সেখানকার পুলিশ তাঁকে একটি ট্রাকের ভিতর থেকে উদ্ধার করেন। গ্রেফতার করা হয় খালাসিকে। আর গাড়ির চালক পালিয়ে যায়। ওই বধূ তখন মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছিলেন। তাঁকে বেনারসের সরকারি মেন্টাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি এতদিন ছিলেন।

    কী করে হদিশ মিলল ওই বধূর?

    হ্যাম রেডিও পশ্চিমবঙ্গ শাখার সম্পাদক অম্বরীশ নাগবিশ্বাস বলেন, কলকাতার এক মহিলা কিছুদিন আগে বেনারস গিয়েছিলেন। ওই মেন্টাল হাসপাতালে গিয়ে রোগীদের মধ্যে তিনি ফল বিতরণ করেন। সেই সময় ওই বধূর বাংলা কথা শুনে তাঁরসঙ্গে আলাপ জমান তিনি। কিন্তু, তিনি বাড়ির ঠিকানা বলতে পারেননি। কলকাতার ওই মহিলা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আমরা তাঁরসঙ্গে কথা বলি। মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) মতো কথায় টান রয়েছে তাঁর। সেই মতো মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন ব্লকে যোগাযোগ করেই ওই বধূর আমরা হদিশ পাই। বাড়ির লোকজনের সঙ্গে আমরা কথা বলি। ওই বধূর স্বামী গোবিন্দ রায় বেনারস যান। সোমবারই ওই বধূকে তাঁর স্বামীর হাতে তুলে দেওয়া হয়। ২১ বছর পর স্ত্রীকে ফিরে পেয়ে একসঙ্গে ছবি তোলেন তাঁরা। গোবিন্দ রায় বলেন, আমি প্রতিবছরই স্ত্রীর জন্য মন্দিরে পুজো দিতাম। আমরা বহু জায়গায় তাঁর খোঁজ করেছি। কিন্তু, তাঁর হদিশ পাইনি। আমরা তো আশা ছেড়ে দিয়েছিলাম। এতদিন পর স্ত্রীকে ফিরে পাব তা ভাবতে পারিনি। আমার ছেলের বয়স এখন প্রায় ২৫ বছর। এতদিন পর মাকে দেখতে পেয়ে ও খুবই খুশি। ভগবানের কাছে মনপ্রাণ দিয়ে কিছু চাইলে তিনি যে নিরাশ করেন না, ২১ বছর পর আমি তা সত্যিই অনুভব করলাম।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta-Suvendu-Abhishek: সরকারি অর্থের অপচয়! অভিষেকের জনসংযোগ যাত্রাকে কটাক্ষ সুকান্ত-শুভেন্দুর

    Sukanta-Suvendu-Abhishek: সরকারি অর্থের অপচয়! অভিষেকের জনসংযোগ যাত্রাকে কটাক্ষ সুকান্ত-শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) জনসংযোগ যাত্রাকে কটাক্ষ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সুকান্ত বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গ কেমন দেখতে উনি আগে কোনওদিন দেখেননি। তাই এসি বাস, এসি তাঁবু দেখতে যাচ্ছেন’। শুভেন্দুর দাবি, সরকারি অর্থ অপচয় করে এই যাত্রার ডাক দেওয়া হচ্ছে।

    তৃণমূলের নব জোয়ার যাত্রা

    সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন। আজ, মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে ‘তৃণমূলের নব জোয়ার’ যাত্রা। টানা ২ মাস ধরে, কোচবিহার থেকে সাগর….জনসংযোগ যাত্রা (Trinamoole Nabo Jowar) করবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তৃণমূলের জনসংযোগ যাত্রায় অভিষেক যেখানে রাত্রিবাস করবেন, তার মধ্যে রয়েছে এমন ১৩টি বিধানসভা, যেখানে গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি জিতেছে। যেমন কোচবিহারের মাথাভাঙা, তুফানগঞ্জ, আলিপুরদুয়ার, মালদা, জলপাইগুড়ির ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি, দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুর, বীরভূমের দুবরাজপুর, বাঁকুড়ার কোতুলপুর, ছাতনা, পুরুলিয়ার কাশিপুর, পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল, হুগলির গোঘাট এবং উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ দক্ষিণ। অভিষেকের কথায়, ‘এত বড় একটা কর্মসূচি কোনওদিন ভারতবর্ষে কেউ নেয়নি, বাংলা তো ছেড়ে দিন।’

    শুভেন্দুর কটাক্ষ

    অভিষেকের এই দাবিকে উড়িয়ে দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ‘এই কর্মসূচির সঙ্গে মানুষের কোনও সম্পর্ক নেই’ বলে মত শুভেন্দুর। বিধানসভার বিরোধী দলনেতার কটাক্ষ, ‘প্রথমত বিপুল সরকারি অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে এই প্রচারে। ডিসি পদমর্যাদার ৫ জন পুলিশ আধিকারিককে নিয়োগ করা হয়েছে যাতে, কয়লা ভাইপোকে চোর স্লোগান শুনতে না হয়।’ অভিষেককে শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি ‘গাড়ির স্পিড একশোর নিচে নামাবেন না, তাহলেই চোর স্লোগান শুনতে হবে।’

    সুকান্তর অভিমত

    সোমবার অভিষেকের প্রচার-যাত্রাকে কটাক্ষ করেই, পঞ্চায়েত ভোটে প্রার্থী বাছাই করতে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য ও জেলা স্তরে কমিটি গঠন প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) মত, ‘তার মানে এতদিন গ্রামের মানুষের মতামত না নিয়ে চলেছেন। তারা গ্রামের মানুষের মতামত কোথা থেকে নেবেন, গ্রামের মানুষের মতামত দেওয়ার সাহস নেই তৃণমূল কংগ্রেসের সম্বন্ধে। তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা যে ধরনের গুন্ডামি করেন কোনও মানুষ সাহস দেখাতে পারবেন না। এক সে এক চোর বসে আছে তৃণমূল কংগ্রেসে’। 

    আরও পড়ুুন: এবার পাকিস্তানি নাগরিকের কণ্ঠে শোনা গেল ‘মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়’ স্লোগান

    পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে সিবিআই প্রসঙ্গে বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি বলেন, ‘আমরা স্বাগত জানাবো এই নির্দেশকে। প্রত্যেকটি পুরসভায় তদন্ত হওয়া উচিত। তাহলে আরও বেশ কিছু চোর এই পশ্চিমবঙ্গ থেকে বেরোবে এবং জেলে থাকবে’। মমতা-নীতীশ বৈঠক প্রসঙ্গে বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘আবার জোট পাকানোর চেষ্টা হচ্ছে। আগেরবার চেষ্টা হয়েছিল নীতিশ কুমার একবার ধোঁকা দিয়েছে এনডিএ-কে। আরও একবার দিল। নীতিশ কুমারের রাজত্ব বিহার থেকে শেষ হবে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজত্ব শেষ করব’।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kedarnath Dham: খুলে গেল কেদারনাথ ধামের দরজা, ‘হর হর মহাদেব’ ধ্বনিতে মুখরিত চত্বর

    Kedarnath Dham: খুলে গেল কেদারনাথ ধামের দরজা, ‘হর হর মহাদেব’ ধ্বনিতে মুখরিত চত্বর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেদারনাথ ধামের (Kedarnath Dham) দরজা আজ পুণ্যার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হল৷ পূর্বেই প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল ২৫ এপ্রিল শুরু হবে কেদারনাথ যাত্রা। সাধারণত, অক্ষয় তৃতীয়ার দিন থেকেই চারধাম যাত্রা শুরু হয়। কিন্তু চলতি বছরে গঙ্গোত্রী এবং যমুনেত্রী যাত্রা অক্ষয় তৃতীয়ার দিন শুরু হয়েছে। আজ শুরু হল কেদারনাথ যাত্রা। ২৭ এপ্রিল বদ্রীনাথ যাত্রা শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে। ২০ কুইন্টাল ফুল দিয়ে আজ সাজানো হয়েছে কেদারনাথ ধামের শিবলিঙ্গকে।

    আরও পড়ুুন: এবার পাকিস্তানি নাগরিকের কণ্ঠে শোনা গেল ‘মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়’ স্লোগান

    আজ সকাল ৬টা ২০ মিনিটে খোলে মন্দিরের দরজা

    এদিন সকালে ৬টা ২০ মিনিটে কেদারনাথ মন্দিরের (Kedarnath Dham) প্রধান পূজারী জগদগুরু রাওয়াল ভীম শঙ্কর লিঙ্গ শিবাচার্য মন্দিরের দ্বার খুলে দেন৷ ভক্তদের হর হর মহাদেব ধ্বনিতে মুখরিত হয় মন্দির প্রাঙ্গণ। অত্যধিক ঠান্ডা থাকলেও হাজার হাজার ভক্ত জমায়েত হয়েছিলেন। কেদারের পঞ্চমুখী চল বিগ্রহের দোলা সোমবার ধামে পৌঁছে যায়৷

    আবহাওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী তুষারপাত হবে তীর্থযাত্রীদের পথে

    তবে আবহাওয়া রিপোর্টে এই এলাকায় আবহাওয়া বিরূপ হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। হাওয়া অফিস, ২৯ এপ্রিল অবধি তুষারপাতের পূর্বাভাস জারি করেছে৷ রয়েছে বৃষ্টির সম্ভাবনাও৷ সেজন্য উত্তরাখণ্ড সরকার ৩০ এপ্রিল অবধি ভক্তদের নাম নথিভুক্তকরণের কাজ পিছিয়ে দিয়েছে৷ গুপ্তকাশী ও সোনপ্রয়াগের মতো জায়গায় পুণ্যার্থীদের থাকতে দেওয়া হয়েছে৷ আবহাওয়া বিরূপ থাকার সম্ভাবনা থাকায় রাজ্য সরকারের জারি করা সুরক্ষা সংক্রান্ত নির্দেশিকা পুণ্যার্থীদের মেনে চলতে বলা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Poll: ‘প্রধানমন্ত্রীত্ব নয়, দেশের ভালই লক্ষ্য’! অখিলেশের সঙ্গে বৈঠক শেষে দাবি নীতীশের

    Loksabha Poll: ‘প্রধানমন্ত্রীত্ব নয়, দেশের ভালই লক্ষ্য’! অখিলেশের সঙ্গে বৈঠক শেষে দাবি নীতীশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীত্ব নয়, দেশের জন্য ভাল করাই লক্ষ্য। সোমবার লখনউয়ে সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবের (Akhilesh Yadav) সঙ্গে বৈঠকের পর এমনটাই জানালেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। দেশের ‘গণতন্ত্র ও সংবিধান বাঁচাতে’ আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে (Loksabha Poll) যৌথভাবে কাজ করার বার্তা দিলেন অখিলেশও।

    নীতীশের বার্তা 

    তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠকের পরেই আরজেডি প্রধান লালুপ্রসাদের পুত্র তথা বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদবকে নিয়ে লখনউ-এ যান নীতীশ। আগামী লোকসভা ভোটে (Loksabha Poll) বিরোধী জোটের বার্তা নিয়ে উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবের সঙ্গে বৈঠক করলেন তাঁরা। বৈঠকের পর নীতীশ বলেন, ‘‘আমার ক্ষমতা ও পদের কোনও লোভ নেই, দেশের মঙ্গলের জন্য কাজ করার চেষ্টা করে যাব আমি। আজ স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিতে চাই, আমি প্রধানমন্ত্রী পদের দাবিদার নই।’’ তাহলে বিরোধী জোটের মুখ কে? এই প্রশ্নের উত্তরে জেডি (ইউ) নেতা বলেন, ‘‘যে দিন আমরা এক মঞ্চে আসব, সে দিন আমাদের নেতাও বেছে নেব।’’

    অখিলেশের কথা 

    সমাজবাদী পার্টির প্রধান বলেন, “আমরা অধিকাংশ রাজনৈতিক দল একসঙ্গে কাজ করব। বিশেষত, আসন্ন লোকসভা ভোটের (Loksabha Poll) প্রস্তুতিতে আমরা সমস্ত রাজনৈতিক দল একসঙ্গে কাজ করব।” এরপরই জেডি (ইউ) প্রধানের জোট-বার্তাকে স্বাগত জানিয়ে অখিলেশের মন্তব্য, “গণতন্ত্র ও সংবিধান বাঁচাতে আমরা আপনার সঙ্গে আছি।” 

    আরও পড়ুুন: এবার পাকিস্তানি নাগরিকের কণ্ঠে শোনা গেল ‘মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়’ স্লোগান

    মমতার মত 

    প্রসঙ্গত, সোমবার বিকেলে নবান্নে বৈঠক শেষে মমতা এবং নীতীশ-তেজস্বী বিরোধী ঐক্য আরও জোরদার করার ডাক দেন। এদিন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “নীতীশজিকে অনুরোধ করছি, আপনি পাটনায় একটা বিরোধী বৈঠক ডাকুন।” আগামী বছর লোকসভা ভোটে (Loksabha Poll) বিরোধী জোটের নেতা হিসাবে কাউকে মেনে নিতে তাঁর যে আপত্তি নেই, সে ইঙ্গিত দিয়ে মমতা বলেন, “আমাদের মধ্যে কোনও ইগো নেই। আমরা সবাই এক।” তবে, রাজনৈতিক মহলের অনুমান, বিরোধী ঐক্য নিয়ে যতই প্রচারের আলোয় আসার চেষ্টা করুন মমতা-নীতীশ-অখিলেশ, বাস্তবে তা কতটা প্রতিফলিত হবে তা- সময় বলবে। অতীতেও বহুবার জোট-জল্পনা শেষ সময়ে এসে ভেস্তে গিয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ISS: কী রহস্য লুকিয়ে রয়েছে মহাশূন্যে ভাসমান আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে?

    ISS: কী রহস্য লুকিয়ে রয়েছে মহাশূন্যে ভাসমান আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমাদের পৃথিবী ভেসে আছে এক মহাশূন্যে, আর সেই মহাশূন্যে লুকিয়ে আছে অজস্র রহস্য। সেইসব রহস্য ভেদ করতে পৃথিবীতে আছে অনেক স্পেস স্টেশন, যেখান থেকে বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর বহির্জগৎ নিয়ে প্রতিনিয়ত গবেষণা করে চলেছেন। কিন্তু আপনাদের কি জানা আছে, পৃথিবীর বাইরে অর্থাৎ মহাকাশেও আছে ভাসমান স্পেস স্টেশন, যেগুলি পৃথিবীকে প্রতিনিয়ত প্রদক্ষিণ করে চলেছে এবং মহাশূন্য থেকে বিভিন্ন গবেষণা করে চলেছে? ঠিক এরকমই একটি বৃহৎ আকারের স্পেস স্টেশন হল ISS বা ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশন। এই স্পেস স্টেশনটি বিজ্ঞানীদের বসবাসযোগ্য এবং সেখানে অর্থাৎ মহাশূন্যে থেকেই বিজ্ঞানীরা গবেষণা করতে পারেন। 

    কী এই আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন?

    এই ISS বা আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন হল এখনও পর্যন্ত মহাকাশে ভাসমান সবথেকে বড় একটি স্পেস স্টেশন। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের মূল উদ্দেশ্য হল, মহাকাশ বিষয়ক যে কোনও বিষয়বস্তুকে আরও কাছে থেকে গবেষণা করা। মাইক্রোগ্র্যাভিটি, মহাকাশে মানুষের অভিযান, পৃথিবীর আবহওয়া ও বিভিন্ন ভৌগোলিক বিষয়বস্তু নিয়ে গবেষণা করা। ১৬টি দেশের সহযোগিতা ও প্রচেষ্টার ফসল এই ISS। এর মহাকাশ যাত্রা শুরু হয় ১৯৯৮ সালের ২০ নভেম্বর কজাকাস্তানের বাইকোনুর কসমোড্রাম লঞ্চ সাইটের একটি লঞ্চ প্যাড থেকে। 

    ওজন ৪৫০ টন, আকারে প্রায় একটি ফুটবল মাঠের সমান

    এর (ISS) ওজন প্রায় ৪৫০ টনের কাছাকাছি। কিন্তু একদিনে এত বড় স্পেস স্টেশন পূর্ণতা পায়নি, পর পর ১২ বছর ধরে ৩০টিরও বেশি মিশনের মাধ্যমে পূর্ণতা পায় আইএসএস। প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ২৮০০ কিলোমিটারের বেশি বেগে পৃথিবীকে ৯০ মিনিটে একবার প্রদক্ষিণ করছে এটি, যা শুনলেই অবাক হতে হয়। এটি একদিনে ১৬ বার প্রদক্ষিণ করে পৃথিবীকে। পৃথিবীর লোয়ার আর্থ অরবিটে মাত্র ৪৮০ কিলোমিটার দূরত্বে এটি পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে। ১৫০ বিলিয়নের বেশি মার্কিন ডলার খরচে তৈরি এই স্পেস স্টেশন ২০১৫ সালের তথ্য অনুযায়ী ইতিহাসের তৈরি সবথেকে ব্যয়বহুল বস্তু। এতে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন কানাডা, ইউরোপিয়ন স্পেস এজেন্সি, রাশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের বিজ্ঞানীরা, যাঁরা ISS এর মধ্যে থেকে তাঁদের গবেষণার কাজ করেন। 

    রাতের আকাশে চোখ মেললে দেখা যায় ISS?

    হ্যাঁ, ঠিকই তাই। খোলা চোখে পৃথিবীতে বসেও আমরা দেখতে পাই এই ISS কে। অনেক সময় রাতের আকাশে চোখ রাখলে দেখা যায়, আলোকিত উজ্জ্বল তারার মতো একটি বস্তু এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ভেসে চলেছে। সেটিই ISS যা অনেক সাধারণ মানুষই নজর করেছেন। 

    ISS এর ভবিষ্যৎ

    গত এক দশকে মহাকাশ গবেষণায় ও মহাকাশের বিভিন্ন অজানা তথ্য জানতে এই ISS অসামান্য ভূমিকা পালন করেছে। কিন্তু সম্প্রতি জানা গেছে, এর ভবিষ্যৎ রয়েছে অনিশ্চয়তার মধ্যে। ২০২৪ সালের পর নাসা এই ISS খাতে আর কোনও অর্থ বিনিয়োগ করবে না বলে জানিয়েছে। এখনও পর্যন্ত ১৬০ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে নাসা ১০০ বিলিয়ন ডলার নিজে ব্যয় করেছে। ফান্ডিং-এর সংকটের কারণে ২০২৮ সালের পর শেষ হতে চলেছে এই কালজয়ী মহাকাশ স্টেশনের যাত্রা, ডোনাল্ড ট্রাম্প এমনটাই ঘোষণা করেছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Stadium in Ladakh: ভারতের উচ্চতম ফুটবল ময়দান নিয়ে ট্যুইট মাহিন্দ্রা গ্রুপের চেয়ারম্যানের! কোথায় জানেন?

    Stadium in Ladakh: ভারতের উচ্চতম ফুটবল ময়দান নিয়ে ট্যুইট মাহিন্দ্রা গ্রুপের চেয়ারম্যানের! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিল্পপতি আনন্দ মাহিন্দ্রার ট্যুইটার হ্যান্ডেল খুবই জনপ্রিয়। সমাজ সচেতনা হোক বা আকর্ষণীয় নতুন কিছু সৃজনশীলতা! কোনও কিছুই বাদ দেন না মাহিন্দ্রা গ্রুপের চেয়ারম্যান। বর্তমানে তাঁর ট্যুইটারে ফলোয়ার সংখ্যা কোটি ছাড়িয়েছে। সম্প্রতি তাঁর ট্যুইটের বিষয়, নির্মীয়মান একটি ফুটবল মাঠ (Stadium in Ladakh)। তাঁর ট্যুইটে দেখা গেল লাদাখের ওই স্টেডিয়ামের (Stadium in Ladakh) একাধিক আকর্ষণীয় ছবি।

    শুধু তাই নয় টিভির সামনে বসে ক্রিকেট ম্যাচ দেখার চেয়ে লাদাখের ওই ফুটবল মাঠে (Stadium in Ladakh) বসে তিনি যে ফুটবল ম্যাচ দেখতে উদগ্রীব সেকথাও উল্লেখ করলেন শিল্পপতি। জানা গিয়েছে, লাদাখের ওই স্টেডিয়াম গড়ে উঠেছে ১১ হাজার ফুট উচ্চতায়। দর্শকাসন থাকছে ৩০ হাজার। ইতিমধ্যে এই ময়দান বিশ্বের প্রথম দশটি উচ্চতম স্টেডিয়ামের (Stadium in Ladakh) মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে। দেশের মাটিতে এটাই হতে চলেছে সব থেকে উচ্চতম স্টেডিয়াম।

    খেলো ইন্ডিয়া প্রকল্পে গড়ে উঠছে এই স্টেডিয়াম (Stadium in Ladakh)

    প্রসঙ্গত, স্টেডিয়ামখানি (Stadium in Ladakh) তৈরি হচ্ছে মোদি সরকারের খেলো ইন্ডিয়া প্রকল্পের আওতায়। এই প্রকল্প মোদি সরকারের এক বিশেষ উদ্যোগ।

    যেখানে দেশের প্রত্যন্ত প্রান্ত থেকে প্রতিভাদের খুঁজে বের করা হবে। এই প্রকল্পের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদি একাধিকবার তাঁর ভাষণে বলেছেন, এর দ্বারা একদিকে যেমন নতুন প্রতিভাদের তুলে আনা সম্ভব তেমনি পর্যটন শিল্পেও জোয়ার আনবে এই প্রকল্প। এর মাধ্যমে কর্মসংস্থানেরও সুযোগও তৈরি হবে দেশের তরুণ প্রজন্মের সামনে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

     

  • Mann Ki Baat: প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’ শুনেছেন ১০০ কোটিরও বেশি মানুষ!

    Mann Ki Baat: প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’ শুনেছেন ১০০ কোটিরও বেশি মানুষ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০০ কোটিরও বেশি মানুষ শুনেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) মন কি বাত (Mann Ki Baat) অনুষ্ঠান। এঁরা অন্তত একবার শুনেছেন মন কি বাত। ২৩ কোটি মানুষ নিয়মিত হয় শোনেন নয় দেখেন প্রধানমন্ত্রীর এই অনুষ্ঠান। আইআইএম রোহতেকের করা একটি সমীক্ষায়ই উঠে এসেছে এই তথ্য। সাংবাদিক বৈঠক করে আইআইএম রোহতকের তরফে বলা হয়েছে, দেশের মোট জনসংখ্যার ৯৬ শতাংশ মানুষ মন কি বাত অনুষ্ঠানের বিষয়ে জানেন। যা এক বিশাল সংখ্যা, তা বলাই চলে। জানা গিয়েছে, ১০ হাজার তিনজন মানুষের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে এই অনুষ্ঠানে।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) মন কি বাত…

    দেশবাসীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন বলে ২০১৪ সালের ৩ অক্টোবর মন কি বাত (Mann Ki Baat) অনুষ্ঠান চালু করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রতি মাসের শেষ রবিবার সম্প্রচারিত হয় এই অনুষ্ঠান। এই মাসের শেষে সম্প্রচারিত হবে এই অনুষ্ঠানের ১০০ তম পর্ব। সমীক্ষক সংস্থার এক আধিকারিক বলেন, দেশের উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব এবং পশ্চিম অঞ্চল থেকে ডেটা সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রতিটি জোন থেকে রেসপন্স মিলেছে প্রায় ২,৫০০ জনের।

    সমীক্ষা থেকে এও জানা গিয়েছে, ৪১ কোটি মানুষ রয়েছেন, যাঁরা আংশিক সময়ের শ্রোতা থেকে পূর্ণ সময়ের শ্রোতা হয়েছেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। নানা প্রকল্প এবং সরকারি উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা করেন ওই অনুষ্ঠানে। তাই ৭৩ শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, তাঁরা মনে করেন ভারত সরকার সঠিক পথেই এগোচ্ছে এবং দেশকে উন্নতির পথে নিয়ে যাচ্ছে। আরও জানা গিয়েছে, শ্রোতাদের মধ্যে ৬০ শতাংশ দেশ গড়ার কাজে অংশ নেওয়ার কথা ভেবেছেন প্রধানমন্ত্রীর এই অনুষ্ঠান থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে। ৫৫ শতাংশ শ্রোতা দেশের দায়িত্ববান নাগরিক হওয়ার বিষয়ে এগিয়ে আসার কথা বলেছেন।

    আরও পড়ুুন: এবার পাকিস্তানি নাগরিকের কণ্ঠে শোনা গেল ‘মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়’ স্লোগান

    দেশের ৫৯ শতাংশ মানুষ মনে করেন সরকারের ওপর তাঁদের আস্থা ও বিশ্বাস বৃদ্ধি পেয়েছে। ৫৮ শতাংশ মানুষ মনে করেন তাঁদের জীবন যাপনের মান আগের চেয়ে উন্নত হয়েছে। সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর (Mann Ki Baat) এই অনুষ্ঠানের সব চেয়ে বেশি শ্রোতার বয়স ১৯ থেকে ৩৪ বছরের মধ্যে।

     

  • Bangladesh President: বাংলাদেশের নয়া রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন সাহাবুদ্দিন

    Bangladesh President: বাংলাদেশের নয়া রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন সাহাবুদ্দিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নয়া রাষ্ট্রপতি পেল বাংলাদেশ (Bangladesh President)। সোমবার দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মহম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। তাঁর অধীনেই হবে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন। চলতি বছরই ওই নির্বাচন হওয়ার কথা। এদিন বাংলাদেশের সময় অনুযায়ী বেলা ১১টায় বঙ্গভবনের ঐতিহাসিক দরবার হলে শপথ নেন সাহাবুদ্দিন। তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। বর্তমানে বাংলাদেশের ক্ষমতায় রয়েছে আওয়ামি লিগ। ১২ ফেব্রুয়ারি সাবাবুদ্দিনকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেয় ক্ষমতাসীন দল। অন্য কোনও দল প্রার্থী না দেওয়ায় নির্বাচিত হন সাহাবুদ্দিন। ১৩ ফেব্রুয়ারি তাঁকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা হয়। এদিন নিলেন শপথ। সাহাবুদ্দিন ছিলেন দেশের প্রাক্তন বিচারপতি। ছিলেন মুক্তিযোদ্ধাও। তিনি রাজনীতিবিদও। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠও তিনি।

    নয়া রাষ্ট্রপতিকে (Bangladesh President) অভিনন্দন…

    দেশের নয়া রাষ্ট্রপতিকে (Bangladesh President) অভিনন্দন জানিয়েছেন আওয়ামি লিগের নেতারা। তবে দেশের প্রধান বিরোধী দল বিএনপির তরফে এখনও কেউ অভিনন্দন জানাননি সাহাবুদ্দিনকে। নির্দল সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। আওয়ামি লিগ সরকারের ইস্তফাও দাবি করেছেন বিএনপি নেতৃত্ব। বাংলাদেশের বয়স ৫২ বছর। সাহাবুদ্দিন হলেন ২২তম রাষ্ট্রপতি। প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি মহম্মদ জিল্লুরর রহমানের মৃত্যুর পর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথমে ৪১দিন দায়িত্ব সামলান আবদুল হামিদ। তার পরের দুটো টার্মেই তিনি ছিলেন রাষ্ট্রপতি। আবদুল হামিদই একমাত্র ব্যক্তি যিনি পর পর দুটো টার্ম অলঙ্কৃত করেছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পদ।

    আরও পড়ুুন: এবার পাকিস্তানি নাগরিকের কণ্ঠে শোনা গেল ‘মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়’ স্লোগান

    সাহাবুদ্দিনের (Bangladesh President) জন্ম ১৯৪৯ সালে, পাবনায়। ছাত্রজীবনে তিনি ছিলেন ছাত্রলিগের পাবনা জেলা সভাপতি। পরে হন পাবনা জেলা যুবলিগের সভাপতি। পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক হিসেবে মুক্তিযুদ্ধেও অংশ নিয়েছিলেন তিনি। পরে যোগ দেন বিচারবিভাগে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান হত্যা মামলার বিচার চলাকালীন আইন মন্ত্রণালয় তাঁকে সমন্বয়কারী হিসেবে নিযুক্ত করেন। বিচার বিভাগের  বিভিন্ন পদে ২৭ বছর চাকরি করার পরে অবসর নেন জেলা আদালতের বিচারপতি হিসেবে। আওয়ামি লিগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্যও ছিলেন তিনি। এবার হলেন দেশের রাষ্ট্রপতি।

     

    শের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gemini Circus: প্রয়াত ভারতীয় সার্কাসের জনক জেমিনি শঙ্করন

    Gemini Circus: প্রয়াত ভারতীয় সার্কাসের জনক জেমিনি শঙ্করন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত হলেন জেমিনি শঙ্করন। রবিবার রাতে প্রয়াত হন তিনি। বয়স হয়েছিল ৯৯ বছর। বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার কারণে গত কয়েকদিন ধরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ভারতীয় (Indian) সার্কাসের জনক হিসেবে পরিচিত শঙ্করন। রবিরার রাতে সেখানেই শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। সার্কাস (Gemini Circus) জনকের প্রয়াণের খবরটি প্রথম জানান কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। তিনি বলেন, ভারতীয় সার্কাসকে বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় করার জন্য প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন শঙ্করন। বিজয়ন বলেন, ভারতীয় সার্কাসের আধুনিকীকরণে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন তিনি। প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সার্কাস কোম্পানিও। তাঁকে ভারতের প্রাচীনতম সার্কাস শিল্পী মনে করা হয়। একজন সার্কাস পারফর্মার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন তিনি।

    সার্কাস (Gemini Circus) জনকের কৃতিত্ব…

    ১৯২৪ সালের ১৩ জুন কেরলের থ্যালাসেরির কোলাসেরিতে জন্মগ্রহণ করেন শঙ্করন। ছোট থেকেই সার্কাসের প্রতি এক অদম্য টান অনুভব করতেন তিনি। ১৯৩৮ সালে সার্কাস দলে যোগ দেন। এজন্য প্রখ্যাত সার্কাস শিল্পী কেলেরি কুনহিকান্নানের কাছে তিন বছরের প্রশিক্ষণও নেন শঙ্করন। পরে যোগ দেন সামরিক বাহিনীতে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সেখান থেকে অবসর নেন শঙ্করন। চাকরি থেকে অবসর নিয়ে শঙ্করন হয়ে পড়েন পুরোদস্তুর সার্কাস (Gemini Circus) শিল্পী। দেশের বিভিন্ন সার্কাস কোম্পানিতে চাকরি করেছেন তিনি। ১৯৫১ সালে তিনি কিনে নেন বিজয়া সার্কাস। নাম বদলে রাখেন জেমিনি সার্কাস। পরে জাম্বো নামে আরও একটি সার্কাস কোম্পানি তৈরি করেন শঙ্করন। সার্কাসের প্রতি তাঁর অবদানের কথা স্মরণে রেখে তাঁকে আজীবন কৃতিত্ব পুরস্কারে ভূষিত করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার।

    আরও পড়ুুন: বিজেপি বিরোধী জোট গড়তে ফের বৈঠকে মমতা-নীতীশ, দোসর তেজস্বী

    দেশ-বিদেশে সার্কাস দেখাতে যেতেন শঙ্করন। ভারতীয় সার্কাস ফেডারেশনের সভাপতিও ছিলেন তিনি। সার্কাসের সূত্রেই তাঁর সঙ্গে হৃদ্যতা গড়ে ওঠে জওহরলাল নেহরু, ইন্দিরা গান্ধী, রাজীব গান্ধী, মার্টিন লুথার কিং, মাউন্টব্যাটেন, মহাকাশচারী ভ্যালেন্টিনা তেরেশকোভা সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে। কেরলের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তাঁর মৃত্যুতে অপূরণীয় ক্ষতি হল দেশের সার্কাস শিল্পে। আত্মজীবনী লিখেছিলেন শঙ্করন (Gemini Circus)। ‘মারিয়ুন্না জীবিথা’ নামের ওই বইটি প্রকাশিত হয়েছিল ২০১২ সালে। ‘মালাক্কাম মারিয়ুন্না জীবিথাম’ নামে তাঁর জীবনী সম্বলিত একটি বইও রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
     
LinkedIn
Share