Blog

  • Himanta Biswa Sarma: উচ্চ মাধ্যমিক পাশ মেধাবীদের স্কুটার দিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী

    Himanta Biswa Sarma: উচ্চ মাধ্যমিক পাশ মেধাবীদের স্কুটার দিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের স্কুটার বিলি করলেন অসমের (Assam) মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma)। বুধবার উচ্চ মাধ্যমিক উত্তীর্ণ পড়ুয়াদের হাতে ওই স্কুটার (Scooter) তুলে দেন তিনি। প্রয়াগ ভারতী প্রকল্পের অধীনে দেওয়া হয়েছে ডাঃ বাণীকান্ত কাকাতি মেরিট অ্যাওয়ার্ড। চলতি বছর সব মিলিয়ে এই প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৮০০ জন। এর মধ্যে ছাত্র রয়েছে ৬ হাজার ৫২ জন। আর ছাত্রীর সংখ্যা ২৯ হাজার ৭৪৮ জন।

    পুরস্কার পাওয়ার যোগ্যতা…

    তবে মুফতে মেলেনি এই পুরস্কার। এজন্য পুরস্কার দাতাদের তরফে বেঁধে দেওয়া হয়েছিল মাণদণ্ড। যেসব ছাত্র অসম হায়ার সেকেন্ডারি এডুকেশন কাউন্সিল থেকে ৭৫ শতাংশ নম্বর নিয়ে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেছেন, তাঁদেরই হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে স্কুটার। ছাত্রীদের ক্ষেত্রে নম্বরের গণ্ডি ছিল ৬০ শতাংশ। এদিন মূল অনুষ্ঠানটি হয় কামরূপ জেলায়। কামরূপ মেট্রোপলিটনের পড়ুয়াদের হাতে স্কুটারের চাবি তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং। অসম সরকারের এক আধিকারিক বলেন, বাকি পুরস্কার প্রাপকের হাতে স্কুটারের চাবি তুলে দেওয়া হবে চলতি বছর ডিসেম্বর মাসের মধ্যে।

    এদিনের অনুষ্ঠান মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma) বলেন, এটা একটা ঐতিহাসিক মাইলস্টোন তাঁদের জীবনে, যাঁরা ডাঃ বাণীকান্ত কাকাতি মেরিট অ্যাওয়ার্ড প্রাপকদের তালিকা তৈরি করেছেন। এটা সমাজের তরফে একটা উপহার এবং আশীর্বাদ তাঁদের, যাঁরা কঠোর পরিশ্রম করেছেন এবং পড়াশোনায় মনোনিবেশ করেছেন।

    আরও পড়ুন: অসম-মেঘালয় সীমান্তে মাফিয়া-পুলিশ সংঘর্ষ, নিহত ৬, বন্ধ ইন্টারনেট

    হিমন্ত (Himanta Biswa Sarma) বলেন, আগামী কয়েক দশকের মধ্যে বিকাশের মূল মন্ত্র হয়ে উঠবে ডিজিটাইজেশন। তাই ছাত্রছাত্রীদের উদ্ভাবনের ওপর জোর দিতে হবে। তিনি বলেন, এতে কী হবে, কোনও এক ব্যক্তি চাকরি খোঁজার চেয়ে অন্যদের চাকরি দেবেন। অসমের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যাঁরা মেধাবী, তাঁদের সব সময় লক্ষ্য হওয়া উচিত আকাশছোঁয়া। অদূর ভবিষ্যতে তোমরা যদি নিজেদের গ্রেড ৩ কিংবা গ্রেড ৪ এর চাকরিতে বেঁধে ফেল, তাহলে তা হবে তোমাদের মেধার অপব্যবহার। আগামী বছর থেকে মেধাবীদের ইলেকট্রিক স্কুটার দেওয়া যায় কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান হিমন্ত (Himanta Biswa Sarma)। তাঁর মতে, এতে জ্বালানির খরচ কমবে। আরও একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হচ্ছে বলেও এদিন জানান হিমন্ত। তিনি জানান, যেসব ছাত্রী স্নাতকোত্তর কোর্সে ভর্তি হবেন, তাঁদের বছরে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • KCR Daughter: দিল্লির আবগারি কেলেঙ্কারি মামলায় উঠে এল কেসিআরের মেয়ে কে কবিতার নাম

    KCR Daughter: দিল্লির আবগারি কেলেঙ্কারি মামলায় উঠে এল কেসিআরের মেয়ে কে কবিতার নাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির মদ কেলেঙ্কারির তদন্ত এখন তেলঙ্গানায় পৌঁছেছে। আর এই কেলেঙ্কারি মামলায় নাম উঠে এসেছে তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কেসিআরের মেয়ে কে. কবিতার নাম। আজ ইডি তাদের রিপোর্টে কে কবিতার বিষয়ে এই তথ্য জানান। শুধু তাই নয়, ইডি এদিন তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কেসিআর এর কন্যার (KCR Daughter) বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে যে, দিল্লির আবগারি কেলেঙ্কারিতে কবিতা প্রায় ১০০ কোটি টাকা দিয়েছে আম আদমি পার্টি-কে।

    দিল্লির মদ কেলেঙ্কারিতে নাম এসেছে কেসিআর কন্যার

    এই মামলায় গত মঙ্গলবার গুরুগ্রাম থেকে ব্যবসায়ী অমিত অরোরাকে গ্রেফতার করেছে ইডি। এরপর ধৃত অমিত অরোরার বক্তব্যের ভিত্তিতে দিয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডি দাবি করেছে যে, কেসিআরের মেয়ে কে কবিতা “সাউথ গ্রুপ” এর একজন বিশিষ্ট সদস্য ছিলেন ও তিনি অন্য এক ধৃত ব্যবসায়ী বিজয় নায়ারের মাধ্যমে দিল্লির ক্ষমতাসীন আম আদমি পার্টির (এএপি) নেতাদের অন্তত ১০০ কোটি টাকা দিয়েছিলেন। মঙ্গলবার রাতে গ্রেফতারের পর স্থানীয় আদালত মদ কোম্পানি বাডি রিটেইল প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক অমিত অরোরাকে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত ইডি-র হেফাজতে পাঠায়।

    কেন্দ্রীয় সংস্থা একটি রিপোর্টে দাবি করেছে যে আপ নেতারা, যাদের মধ্যে কিছু সরকারে রয়েছেন, তাঁরা দিল্লির আবগারি নীতিকে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের খরচে অবৈধ তহবিল তৈরি করার জন্য ব্যবহার করতেন। এছাড়াও অভিযোগ করা হয়েছে যে, দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়া এবং মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের এক পিএ সহ ব্যবসায়ী, খুচরো মদ বিক্রেতা এবং আমলা মিলিয়ে কমপক্ষে ৩৬ জন ডিজিটাল প্রমাণ লোপাটে ১৭০ টি মোবাইল সেট ধ্বংস করেছে।

    আবগারি নীতি দুর্নীতি

    গত বছরের ১৭ নভেম্বর দিল্লিতে নতুন আবগারি আইন চালু করা হয়। নতুন আবগারি নীতিতে সরকারির পাশাপাশি বেসরকারি বিভিন্ন দোকান ও সংস্থাকেও মদ তৈরি ও বিক্রির লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর ভি কে সাক্সেনা এই আবগারি নীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলতেই জুলাই মাসে ওই নীতি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয় ও পুরনো নীতিই চালু করা হয়। এক্ষেত্রে বিজেপিও সরব হয়েছিল ও অভিযোগ করেছিল, নতুন আবগারি নীতিতে আপ সরকার নিজেদের ঘনিষ্ঠ কয়েকজনকেই সুবিধা পাইয়ে দিয়েছে। পরে আবগারি নীতির দুর্নীতিতে উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া সহ একাধিক আমলার নাম জড়িয়েছে। দিল্লির আবগারি আইন নিয়ে লেফটেন্যান্ট গভর্নর প্রশ্ন তোলার পরই তদন্ত শুরু করে  সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার এফআইআরের ভিত্তিতেই আর্থিক তছরুপের মামলায় তল্লাশি অভিযান চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আর এরপরেই ইডি কেসিআর কন্যা (KCR Daughter) কে কবিতার নামও উল্লেখ করল। আর এই অভিযোদ আসার পরেই তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কেসিআর-এর মেয়ে বলেছেন, “আমরা ইডিকে স্বাগত জানিয়েছি এবং তাঁদের সাথে সহযোগিতা করব।”

  • Ruchira Kamboj: ডিসেম্বরে ভারতের সভাপতিত্বে সভা, রাষ্ট্রসংঘ প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ রুচিরা কম্বোজের

    Ruchira Kamboj: ডিসেম্বরে ভারতের সভাপতিত্বে সভা, রাষ্ট্রসংঘ প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ রুচিরা কম্বোজের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘে (UN) ভারতের (India) স্থায়ী প্রতিনিধি রুচিরা কম্বোজ (Ruchira Kamboj) দেখা করলেন রাষ্ট্রসংঘের সেক্রেটারি জেনারেল অ্যান্টনিও গুতেরাসের সঙ্গে। মঙ্গলবার রুচিরা দেখা করেন গুতেরাসের সঙ্গে। রাষ্ট্রসংঘের শীর্ষ কর্তার সঙ্গে দেখা করে তিনি আলোচনা করেন কীভাবে সফল করা যাবে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে (UNSC) ডিসেম্বরের সভা। এই সভায় সভাপতিত্ব করবে ভারত। অ্যান্টনিও গুতেরাসের সঙ্গে সাক্ষাৎকার পর্ব শেষে ট্যুইট করেন রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রুচিরা কম্বোজ। ট্যুইট-বার্তায় তিনি লিখেছেন, আজ, রাষ্ট্রসংঘের সেক্রেটারি জেনারেল অ্যান্টনিও গুতেরাসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পেরে খুবই খুশি। তাঁর সঙ্গে প্রোগ্রাম এবং কী কী বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ডিসেম্বর মাসে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের সভাপতিত্বে হবে বৈঠক। তা নিয়েই হয়েছে আলোচনা।

    ভারতের অবস্থান…

    পনের সদস্য দেশ নিয়ে গঠিত রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। বিশ্বের পাঁচ শক্তিশালী দেশ চিন, ফ্রান্স, রাশিয়া, আমেরিকা এবং ব্রিটেন নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য। নিরাপত্তা পরিষদের রেজ্যুলেশন, নতুন দেশের অন্তর্ভুক্তি বা মহাসচিব প্রার্থীর নিয়োগে ভেটো দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে এই স্থায়ী সদস্যদের। নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান অস্থায়ী সদস্য দেশগুলি হল ব্রাজিল, আলবানিয়া, ঘানা, কলম্বো, আয়ারল্যান্ড, কেনিয়া, মেক্সিকো এবং নরওয়ে। ভারত নিরাপত্তা পরিষদের অন্যতম অস্থায়ী সদস্য। এই অস্থায়ী সদস্যরা নির্বাচিত হয় দু বছরের জন্য।

    আরও পড়ুন: নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হোক ভারত, এবার দাবি ফ্রান্সের

    জানা গিয়েছে, গত বছর অগাস্টে নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের সভাপতিত্বে সভা হয়েছে রাষ্ট্রসংঘে। সেবার আলোচনার ভরকেন্দ্র ছিল সামুদ্রিক নিরাপত্তা, রাষ্ট্রসংঘে শান্তি রক্ষা এবং সন্ত্রাসবাদ বিরোধিতা। গত বছর অগাস্টের পর এবার ডিসেম্বরে ফের সভাপতিত্ব করার সুযোগ এসেছে ভারতের কাছে। যে পনেরটি দেশ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য, তারা প্রত্যেকই সভাপতিত্ব করার সুযোগ পায়। সেই সুযোগ আসে অ্যালফাবেটিক্যালি। রাষ্ট্রসংঘের সেক্রেটারি জেনারেলের সঙ্গে রুচিরা কম্বোজের (Ruchira Kamboj) বৈঠকে জি-২০ তে ভারতের সভাপতিত্ব নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এটা ভারতের কাছে একটা বড় সুযোগ। কারণে বৈশ্বিক নানা বিষয় তুলে ধরার একটা সুযোগ মিলবে এই জি-২০তে। প্রসঙ্গত, এই জি-২০ শুরু হয়েছে আজ, বৃহস্পতবারই।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Anubrata Mondal: জেলেই অনুব্রত! আগামী ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিচারবিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ আদালতের

    Anubrata Mondal: জেলেই অনুব্রত! আগামী ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিচারবিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের জেল হেফাজতে অনুব্রত (Anubrata Mondal)। গরুপাচারকাণ্ডে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিচারবিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ দিল আসানসোলের বিশেষ সিবিআই আদালত। অর্থাৎ আরও ১৪ দিনের মেয়াদ বাড়ল অনুব্রতর হেফাজতের। গত অগস্ট মাসে গরু পাচার মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। তারপর থেকে বারবার জামিনের আবেদন জানানো সত্ত্বেও কোনও লাভ হয়নি।

    আদালতে অনুব্রত

    শুক্রবার বেলা ১১টা নাগাদ অনুব্রতকে (Anubrata Mondal) আসানসোল আদালতে পেশ করে সিবিআই। হলুদ পাঞ্জাবী পরে এদিন আদালত কক্ষে প্রবেশ করেন অনুব্রত। কিছুটা ভগ্ন স্বাস্থ্যও এদিন চোখে পড়েছে। ওজন যে বেশ কিছুটা কমেছে, তা চেহারাই বলে দিচ্ছে। তবে এদিন তাঁর কোনও জামিনের আবেদন করা হয়নি। তবে অনুব্রতর তরফে এদিন আদলতে ২টি আবেদন করা হয়। অনুব্রতর আইনজীবী বলেন, ভোলে ব্যোম রাইসমিলের অ্যাকাউন্ট ডি-ফ্রিজ করে দিক সিবিআই। অ্যাকাউন্টটি অনুব্রতর নামে নয়। সঙ্গে তদন্তের স্বার্থে বাজেয়াপ্ত অনুব্রতর ফোন ফেরত চান তিনি।  এদিন মোবাইল দুটির বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে সিবিআই-এর তরফে জানানো হয় সেগুলি কেন্দ্রীয় সংস্থার কাছেই রয়েছে, ফরেনসিক পরীক্ষাও হয়ে গিয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই ফেরত দেওয়া যাবে না।

    আরও পড়ুন: ফের বেঁফাস অখিল গিরি, অশীতিপর শিশিরকে কী ভাষায় আক্রমণ করলেন জানেন?

    এদিন তদন্তে অগ্রগতির কথা জানিয়ে আদালতে একটি সিডি পেশ করে সিবিআই। সেই সিডি দেখে বিচারপতি বলেন, আমি বিস্মিত। ২০ বছরের চাকরিজীবনে এই ধরনের তথ্য কোনও দিন দেখিনি। তবে সিবিআই আদালতের হাতে কী তথ্য তুলে দিয়েছে তা ২ পক্ষই গোপন রেখেছে। এর পরই ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনুব্রতকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। আদালত চত্বরে প্রতিবারের মতোই এদিনও ছিল অনুব্রতর (Anubrata Mondal) অনুগামীদের ভিড়। তবে তেমন কিছু বলেননি কেষ্ট। সাংবাদিকদেরও এড়িয়ে যান তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Bypoll Results: মুখ পুড়ল নীতীশের, কুরহানিতে জয়ী বিজেপি, আজম ‘গড়ে’ও ফুটল পদ্ম

    Bypoll Results: মুখ পুড়ল নীতীশের, কুরহানিতে জয়ী বিজেপি, আজম ‘গড়ে’ও ফুটল পদ্ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপ নির্বাচনের ফলে (Bypoll Results) মুখ পুড়েছে নীতীশ কুমারের (Nitish Kumar)! একই দশা অখিলেশ যাদবেরও! নীতীশ এবং অখিলেশের গড়ের রাশ এবার এল বিজেপির (BJP) হাতে। উত্তর প্রদেশের রামপুর কেন্দ্রটি সমাজবাদী পার্টি (SP) নেতা আজম খানের (Azam Khan) গড় হিসেবেই পরিচিত। এখানেই এবার উপনির্বাচনে মুখ থুবড়ে পড়েছে সমাজবাদী পার্টি। জয়ী হয়েছে বিজেপি।

    বিজেপি প্রার্থী…

    তার পরেই নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে অভিযোগ তুললেন সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব। পুনর্নির্বাচনের দাবিও জানান তিনি। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে এই মর্মে দলের তরফে পিটিশন জমা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান সপা সুপ্রিমো অখিলেশ। বিজেপির বিরুদ্ধে ভোটে কারচুপির অভিযোগও করেছেন তিনি। ২০০২ সাল থেকে রামপুর কেন্দ্রের রাশ রয়েছে সপার হাতে। এই কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক আজম খান ও তাঁর পরিবার ১৯৮০ সাল থেকে একবার বাদে প্রতিবার জয়ী হয়েছেন। একটি মামলায় জেলবন্দি আজম খান বিধায়ক পদ খোয়ানোয় উপনির্বাচন হয় এই কেন্দ্রে। সেখানেই হেরে যান সপা প্রার্থী আজম ঘনিষ্ঠ আসিম রাজা। শেষ হাসি হাসেন বিজেপি প্রার্থী আকাশ সাক্সেনা।

    আরও পড়ুন: এক পদ, দাবিদার ৪, হিমাচলে কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী কে?

    রামপুর কেন্দ্রে জয়কে বড় পাওনা হিসেবেই দেখছে বিজেপির একটা অংশ। এই কেন্দ্রের ভোটারদের বড় অংশই মুসলিম। এই কেন্দ্রে এর আগে কখনও জেতেনি বিজেপি। ১৯৮০ থেকে পরের তের বছর বিভিন্ন দলের টিকিটে জয়ী হয়েছিলেন আজম। ২০০২ সাল থেকে ওই কেন্দ্রে জয়ী হয়েছেন তিনি কিংবা তাঁর আত্মীয়রা। এদিকে, বিহারে মহাজোটের হাত ধরার পর এই প্রথমবার ধাক্কা খেল নীতীশ কুমার। বিহারের কুরহানি কেন্দ্রের উপনির্বাচনে জয়ী হয়েছে বিজেপি। গোহারা হেরেছে নীতীশের দল জেডিইউয়ের শরিক দল আরজেডি প্রার্থী অনিলকুমার সাহানি। এই কেন্দ্রে জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী কেদার গুপ্তা। জেডিইউ প্রার্থী মনোজ খুশওয়াকে ৩ হাজার ৬৬২ ভোটে পরাজিত করেছেন কেদার।

    প্রসঙ্গত, এই নিয়ে তৃতীয়বার কুরহানি কেন্দ্রে হার স্বীকার করতে হল নীতীশের দলকে। কিছুতেই এই আসনটির রশি হাতে নিতে পারেনি তারা। বিজেপি সঙ্গ ছেড়ে মহাজোটে শামিল হওয়ার পর থেকে নীতীশের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল এই আসনটি দখল করা। কিন্তু সেখানেই চরম ব্যর্থ বিহারের মুখ্যমন্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ।    

     

  • Badruddin Ajmal: হিন্দু মহিলাদের বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্যের জের, অসম মহিলা কমিশনের নোটিশ মুসলিম সাংসদকে

    Badruddin Ajmal: হিন্দু মহিলাদের বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্যের জের, অসম মহিলা কমিশনের নোটিশ মুসলিম সাংসদকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসম রাজ্য মহিলা কমিশন বৃহস্পতিবার এআইইউডিএফ প্রধান তথা ধুবরির লোকসভা সাংসদ বদরুদ্দিন আজমলকে (Badruddin Ajmal) একটি নোটিশ জারি করে হিন্দু মহিলাদের বিরুদ্ধে তার বিতর্কিত মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে বলেছে। আজমলকে দেওয়া নোটিশে কমিশন বলেছে, রাজনীতিবিদকে তিন দিনের মধ্যে তাঁর মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে হবে, তা না হলে তাকে কমিশনে হাজির হতে হবে। হিন্দু মহিলাদের বিয়ের বয়স সম্পর্কে তাঁর সাম্প্রতিক মন্তব্যকে অসামাজিক, যৌনতাবাদী, আপত্তিকর এবং অনৈতিক বলে অভিহিত করেছে কমিশন।

    আজমল (Badruddin Ajmal) ইতিমধ্যেই হিন্দু ছেলে-মেয়েদের বিয়ের বয়স এবং বিয়ের আগে তাদের আচরণ নিয়ে তাঁর মন্তব্যের জেরে প্রচুর সমালোচিত হয়েছেন। অনেকে আজমলের উর্বর জমির সঙ্গে নারীর তুলনা করাতেও আপত্তি জানিয়েছেন। হিন্দু মহিলাদের কম বয়সেই বিয়ে করা উচিত বলে সম্প্রতি মন্তব্য করেন তিনি। এআইইউডিএফ প্রধানের মতে, বিয়ে এবং সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষেত্রে হিন্দু মহিলাদের উচিত মুসলিম ‘ফরমুলা’ অনুসরণ করা।

    আরও পড়ুন: আজ মধ্যরাতেই উপকূলে আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় মনদৌস, লাল সতর্কতা জারি তামিলনাড়ুতে

    কী সেই মন্তব্য? 

    গত সপ্তাহে বদরুদ্দিন আজমল (Badruddin Ajmal) বলেন, “সরকারের নির্দেশ এবং আইন মেনে, ১৮ বছরেই মুসলিম মেয়েরা এবং ২১ বছরের ছেলেরা বিয়ে করেন। কিন্তু, হিন্দুরা ৪০ বছরের আগে বিয়ে করেন না। যদিও তার আগে তারা ২-৩টি অবৈধ সম্পর্ক এবং স্ত্রী রাখেন। সেই সময়ে কোনও সন্তানের জন্ম দেন না, খরচ বাঁচান। তারপরে পরিবারের চাপে বিয়ে করেন। ৪০ বছর বয়সে বিয়ে করে কী পাবেন? আপনার কী করে সন্তান জন্মগ্রহণ করবে?” আজমলের আরও বলেন, “১৮-২০ বছর বয়সে মেয়েদের এবং ২১ বছরেই ছেলেদের বিয়ে হওয়ার কারণেই মুসলিমদের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। হিন্দুদের উচিত বিয়ের ক্ষেত্রে ‘মুসলিমদের ফর্মুলা’ ব্যবহার করা। কারণ, বাঁজা জমিতে ফসল উৎপাদন হয় না। ভাল ফসল হয় একমাত্র উর্বর জমিতে।”

    আজমলের (Badruddin Ajmal) এই মন্তব্যের পরেই দেশজুড়ে বিতর্কের ঝড় ওঠে। আজমলের এই মন্তব্যের কড়া নিন্দা করে বিজেপি। অসমের বিজেপি বিধায়ক ডি কালিতা সতর্ক করে বলেন, “এই ধরনের অপমানজনক কথা হিন্দুরা কোনও মতেই মেনে নেবে না। এই রকম অপমানজনক কথার আমরা তীব্র নিন্দা করছি। এবার থেকে সংযত থাকুন। আর তা করতে না পারলে বাংলাদেশ চলে যান। এটা ভগবান রাম এবং মা সীতার দেশ। এখানে বাংলাদেশিদের কোন জায়গা নেই। আপনি একজন মুসলিম এবং আমরা হিন্দু। আমাদের আপনার এবং আপনাদের কাছে শিখতে হবে না।”

    সে রাজ্যের মন্ত্রী পীযূষ হাজারিকা বলেন, “বদরুদ্দিন আজমল (Badruddin Ajmal) চাইছেন সবাই ১৫-২০টা করে সন্তান জন্ম দিক। তারপরে তারা অশিক্ষিত হয়ে থাকবে, আর চুরি করবে। তারপরে ধনীরা যেন তাদের শোষণ করতে পারে।” আজমলের এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের হয়েছে। 

    যদিও এরপরেই ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে ক্ষমা চেয়ে নেন আজমল (Badruddin Ajmal) । তিনি বলেন, “আমি কাউকে আঘাত দিতে চাইনি। তবে, যদি আমার মন্তব্য কারোর আবেগে আঘাত করে থাকে তাহলে আমি আমার বক্তব্য ফিরিয়ে নিচ্ছি।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • PM Modi: মোদিই সব চেয়ে বড় ভোট ক্যাচার, কেন জানেন?

    PM Modi: মোদিই সব চেয়ে বড় ভোট ক্যাচার, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেকর্ড গড়ে ফের গুজরাটের (Gujarat) রশি এসেছে বিজেপির (BJP) হাতে। গুজরাট বিধানসভার ১৮২টি আসনের মধ্যে পদ্ম শিবির জয়ী হয়েছে ১৫৬টিতে। বিজেপি ঝড়ে কার্যত দুরমুশ হয়ে গিয়েছে বিরোধীরা। এর যাবতীয় কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) দিচ্ছেন দলীয় নেতৃত্ব। মোদি নিজেও স্বীকার করেছেন, ভূপেন্দ্রকে জেতাতে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে নরেন্দ্রকে। প্রশ্ন হল, কেন মোদিই বৃহত্তম ভোট ক্যাচার?

    গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী পদে...

    দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে মোদি ছিলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী পদে। ১২ বছরেরও বেশি সময় তিনি ছিলেন ওই পদে। পরে প্রধানমন্ত্রী হয়ে দিল্লি চলে যান। তাঁর নেতৃত্বেই দু দুবার দিল্লির তখতে বসে বিজেপি। এর প্রধান কারণ মোদির নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন। করোনা অতিমারি পরিস্থিতিতে যখন ধুঁকছিল গোটা বিশ্বের অর্থনীতি, তখনও ভারতের অর্থনীতির হাঁড়ির হাল হয়নি। সাময়িক টাল খেয়েছে বটে, তবে ফের তা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। যার জেরে গোটা বিশ্বে ভারতের অর্থনীতির ঠাঁই হয়েছে পঞ্চম স্থানে। এতদিন যে স্থান দখল করেছিল ব্রিটেন।

    মোদির (PM Modi) সুশাসনও তাঁর তুঙ্গ জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ। গুজরাট হিংসায় নাম জড়িয়েছিল মোদির। পরে আদালতে কলঙ্কমুক্ত হন তিনি। ওই হিংসার সময়কার পরিস্থিতিও দক্ষ হাতে সামলেছেন মোদি। অন্যান্য রাজ্যে যেখানে বেকারত্ব বেড়েছে চড়চড়িয়ে, সেখানে মোদির গুজরাটে তা কমেছে দিনের পর দিন। এর পর কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী হন মোদি। তাঁর নেতৃত্বেই হয়েছে দেশে একের পর এক উন্নয়ন। বেকারত্ব সমস্যার সমাধানও হয়েছে আগের সরকারের তুলনায় ঢের বেশি পরিমাণে। মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্রে বিজেপি রয়েছে প্রায় সাত বছর। এই সময়সীমায় একটাও দাঙ্গা দেখেনি দেশ। সর্বোপরি, বিশ্বের দরবারে নানা সময় উজ্জ্বল হয়েছে দেশের মুখ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মোদি আর ভারত হয়েছে সমার্থক। এর নেপথ্য নায়ক সেই মোদিই।

    আরও পড়ুন: ঐতিহাসিক জয়ের পর গুজরাটের ‘জনশক্তি’-কে প্রণাম প্রধানমন্ত্রীর, ট্যুইটে কী লিখলেন মোদি?

    মোদির (PM Modi) ক্যারিশ্মাও তাঁর তুঙ্গ জনপ্রিয়তার অন্যতম একটি কারণ। সেই কারণেই তিনি ভোট পান সমাজের উচ্চতম শ্রেণির পাশাপাশি সমাজের দরিদ্রতম অংশেরও। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলের কাছে তিনি ভীষণ জনপ্রিয়। মোদির জনপ্রিয়তার কাছে দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বড়ই ম্লান। এসব কারণেই দিনের পর দিন বাড়ছে বিজেপির জনপ্রিয়তা। দুর্বল হচ্ছে বিরোধীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘১২, ১৪, ২১… খেয়াল রাখুন, দেখুন কী হয়’’, নিশানায় রাজ্য! কীসের ইঙ্গিত শুভেন্দুর?

    Suvendu Adhikari: ‘‘১২, ১৪, ২১… খেয়াল রাখুন, দেখুন কী হয়’’, নিশানায় রাজ্য! কীসের ইঙ্গিত শুভেন্দুর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহুদিন ধরেই ডিসেম্বর ডেড লাইনের কথা শোনা যাচ্ছে বঙ্গ বিজেপির নেতাদের মধ্যে।  এরই মাঝে এবার ডিসেম্বরের তিনটি তারিখের উল্লেখ করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) বার্তা, ‘ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ’। বৃহস্পতিবার বিকেলে নিজাম প্যালেসে সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “১২, ১৪, ২১… খেয়াল রাখুন। দেখুন কী হয়। এই তিনটে দিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ওয়েট এন্ড ওয়াচ।” যদিও এর থেকে বেশি কিছুই আর বলতে চাননি তিনি। তবে শুভেন্দু অধিকারীর এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা। 

    কী হতে পারে এই তিন দিন

    ১২ ডিসেম্বর তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইডি দিল্লিতে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চেয়ে করা আবেদনের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার শুনানির কথা। ওই দিনই আবার হাজরায় সভা করবেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। ১৪ ডিসেম্বর দিল্লি হাইকোর্টে অনুব্রত (মণ্ডল) মামলার শুনানি আছে। ২১ ডিসেম্বর আবার কাথিঁতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা করে যাওয়ার মাঠে সভা করার কথা শুভেন্দুর। ওই তিন দিন রাজ্য রাজনীতিতে কী ঘটনা ঘটে সেই দিকে তাকিয়ে রাজ্যবাসী।

    আরও পড়ুন: হাজরা ও কাঁথিতে শুভেন্দু অধিকারীকে সভা করার অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট

    সূত্রের খবর, আগামী সপ্তাহেই নয়াদিল্লি যেতে পারেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকে বসার সম্ভাবনা তাঁর। সব ঠিক থাকলে ১৩ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে অমিত শাহের মুখোমুখি বৈঠকে বসতে পারেন শুভেন্দু। এই সফরে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গেও সাক্ষাৎ করতে পারেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রসঙ্গত, এদিনই কলকাতা হাইকোর্টে বড়সড় স্বস্তি পেয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দুর বিরুদ্ধে করা সব FIR-এর উপর স্থগিতাদেশ দিয়েছে আদালত। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার নির্দেশে আপাতত হাইকোর্টে মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিতাদেশ। তবে CBI তদন্ত করবে কি না পরে সিদ্ধান্ত জানাবে হাইকোর্ট।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Suvendu Adhikari: হাজরা ও কাঁথিতে শুভেন্দু অধিকারীকে সভা করার অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট

    Suvendu Adhikari: হাজরা ও কাঁথিতে শুভেন্দু অধিকারীকে সভা করার অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রশাসনের আপত্তিতে কিছু হল না। কাঁথি ও হাজরায় সভা করতে পারবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালতের নির্দেশ, আগামী ১২ ডিসেম্বর কলকাতার হাজরা এবং ২১ ডিসেম্বর কাঁথিতে সভা করতে পারবেন শুভেন্দু অধিকারী। অনুমতি দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার।

    শুভেন্দুকে সভা করার অনুমতি আদালতের

    শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) পাড়ায় গিয়ে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে এসেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার ঘরের মাঠ থেকেই সেই চ্যালেঞ্জের জবাব দিতে চান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ফলে শুভেন্দুর কাঁথির সভাকে অভিষেকের কাঁথির সভার ‘পাল্টা জবাব’ বলেই দাবি করা হচ্ছে। তাই এবার কাঁথিতেই সভা করবেন শুভেন্দু। আর এতে আইনি জটিলতা যা ছিল তা সব কেটে গেল। ২১ ডিসেম্বরের সেই সভার প্রস্তুতি এখন তুঙ্গে৷

    আরও পড়ুন: ভাঙল অতীতের সব রেকর্ড, গুজরাটে ইতিহাস সৃষ্টি বিজেপির

    কাঁথি ও হাজরা এই দুই জায়গায় সভা করার অনুমতি পাওয়া যায়নি প্রশাসন থেকে। ফলে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। এরপর বৃহস্পতিবারের শুনানিতে অবশেষে সেই অনুমতি দিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার। তবে এতে কিছু শর্ত ও বিধিনিষেধ মানতে হয়েছে গেরুয়া শিবিরকে। আদালত থেকে বলা হয়েছে, শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রেখে, শব্দবিধি মেনে সভা করতে হবে এমনকি সভার পর সভাস্থল পরিস্কার করে দিতে হবে বলে নির্দেশে জানানো হয়েছে।

    উল্লেখ্য, গত ৩ ডিসেম্বর কাঁথিতে শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) বাড়ির কাছে সভা করেছিলেন সর্বভারতীয় তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেককে জবাব দিতে সেদিনই পাল্টা সভা করেছিলেন শুভেন্দুও। ডায়মন্ড হারবারে সভা করেছিলেন তিনি। কিন্তু এবারে কাঁথিতে দাঁড়িয়েই অভিষেককে কড়া জবাব দিতে চান বিজেপি নেতা। কাঁথি শহরের যে মাঠে অভিষেক বক্তব্য রেখেছিলেন, সেই প্রভাত কুমার কলেজের মাঠেই আগামী ২১ ডিসেম্বর সভা করতে চলেছে বিজেপি। প্রধান বক্তা শুভেন্দু অধিকারী। ফলে আজ আদালতের থেকে অনুমতি পাওয়াার পর কাঁথি সভার প্রস্তুতি নিয়ে তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে কাঁথির সভার আগে ১২ ডিসেম্বর কলকাতার হাজরাতে সভা করবেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Fatty Liver: ফ্যাটি লিভারে ভুগছেন! মেনে চলুন এই নিয়মগুলো

    Fatty Liver: ফ্যাটি লিভারে ভুগছেন! মেনে চলুন এই নিয়মগুলো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লিভারে ফ্যাট জমা হওয়ার পরিমাণ যখন বাড়তে থাকে তখন তাকে ফ্যাটি লিভার (Fatty Liver) বলে। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে তাই ফ্যাটযুক্ত খাবার খাদ্যতালিকায় একেবারেই কমিয়ে দিতে হবে।

    আরও পড়ুন: রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে খান এই লো-কার্বযুক্ত সবজি

    স্বাস্থ্যবিদরা কী বলছেন?

    স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, সাধারণত পাঁচ থেকে ছ’শতাংশ চর্বি শোষণ করার ক্ষমতা রয়েছে লিভারের। এর চেয়ে বেশি চর্বি জমা হলেই তা ফ্যাটি লিভারের (Fatty Liver) কারণ হতে পারে । ডাক্তারদের মতে, ফ্যাটি লিভার (Fatty Liver) ডেকে আনতে পারে ‘সিরোসিস অফ লিভার’- নামের ভয়ঙ্কর রোগকে। ওবেসিটি, ডায়াবিটিস, কোলেস্টেরল, থাইরয়েডের মতো রোগ থাকলেও ফ্যাটি লিভার হতে পারে। তেমন কোনও ওষুধ নেই, যা খেলেই ফ্যাটি লিভার (Fatty Liver) একেবারে সেরে যাবে। স্বাস্থ্যসম্মত খাবার এবং শারীরিক কসরত এই রোগের ক্ষেত্রে ভালো ফল দেয়। গ্রেড ১, গ্রেড ২ এবং গ্রেড ৩ ইত্যাদি বিভিন্ন পর্যায় থাকে ফ্যাটি লিভারের (Fatty Liver)। গ্রেড ২ বা তার বেশি পর্যায়ে যদি এই রোগ ছড়িয়ে পড়ে তখন পুষ্টিবিদের পরামর্শ মেনেই চলতে হয়। তবে গ্রেড ১ ফ্যাটি লিভার (Fatty Liver) রোগ অত বিপজ্জনক নয়। জীবনের কিছু অভ্যাসে পরিবর্তন এনেই এর থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। 

    ফ্যাটি লিভার (Fatty Liver) থেকে মুক্তি পেতে কী কী করবেন

    -ঘুমের পরিমাণ বাড়াতে হবে। দিনে অন্তত ৮ ঘণ্টা ঘুমোতে হবে।

    -নিয়মিত ৩ লিটার করে জল খেতে হবে।

    -খালি পেটে থাকা যাবে না। সময়ের খুব বেশি ব্যবধান রেখে খাওয়া দাওয়াও করা যাবে না। বার বার করে খেতে হবে।

    -ঘি, মাখন, চিজ, রেড মিট— এইগুলি একেবারেই খাওয়া যাবে না। 

    – শরীরচর্চা খুব গুরুত্বপূর্ণ । দিনে অন্তত এক ঘণ্টা সময় বার করে হাঁটাহাটি করলেও উপকার পাবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

LinkedIn
Share