Blog

  • T20 World Cup 2022: পিঠের চোটে কাবু কার্তিক! বিশ্বকাপ কি এখানেই শেষ? বাংলাদেশ ম্যাচে পরিবর্তন ভারতীয় দলে

    T20 World Cup 2022: পিঠের চোটে কাবু কার্তিক! বিশ্বকাপ কি এখানেই শেষ? বাংলাদেশ ম্যাচে পরিবর্তন ভারতীয় দলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটা পরাজয়ে বদলে গেলো পুরো ছবিটাই। ফিল গুড ফ্যাক্টর উধাও ভারতীয় শিবির থেকে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ব্যর্থতার পর অনেকগুলো প্রশ্ন চলে এসেছে সামনে। দীনেশ কার্তিকের বিশ্বকাপ কি এখানেই শেষ? লোকেশ রাহুলের ধারাবাহিক ব্যর্থতার পর ঋষভ পন্থকে কি এবার খেলানোর কথা ভাববেন কোচ রাহুল দ্রাবিড়? এর উত্তর হয়তো পাওয়া যাবে আগামী দিনে। তবে ভারতীয় দলের উইকেট রক্ষক ব্যাটসম্যান দীনেশ কার্তিক যেভাবে পিঠের ব্যথায় কাতরাতে কাতরাতে মাঠ ছেড়েছেন তাতে আশঙ্কার কালো মেঘ ঘনীভূত হয়েছে তাঁকে ঘিরে।

    আরও পড়ুন: সশস্ত্র ও কলমধারী দুই ধরনের নকশালকেই নির্মূল করতে হবে, জানালেন মোদি

    চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ফিনিশার হিসেবে দেখা হচ্ছিল কার্তিককে। কিন্তু রবিবার প্রোটিয়াবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রবল চাপের মুখে সূর্য কুমার যাদব যখন অসাধারণ ব্যাটিং করছিলেন, তখন ক্রিজের উল্টোদিকে ছিলেন দীনেশ কার্তিক। শুরুতেই পরপর উইকেট পড়ে যাওয়ায় সেই মুহূর্তে খেলাটা ধরার প্রয়োজন ছিল। কিন্তু একইসঙ্গে রান রেট সচল রাখাও দরকার ছিল। সূর্য কুমার যাদব মরিয়া চেষ্টা করলেও দীনেশ কার্তিকের খেলায় সেই তাগিদ লক্ষ্য করা যায়নি। মাত্র ছয় রান করতে তিনি খেলেছেন ১৫ টি বল। যা নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠতে শুরু করেছে। প্রাক্তন ক্রিকেটারদের অনেকেই কটাক্ষ করে বলছেন, কার্তিক হয়তো ভুলে গেছে, এটা পার্থের স্টেডিয়াম বেঙ্গালুরু নয়। আসলে দক্ষিণ আফ্রিকার পেশারদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। লোকেশ রাহুল, রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলির পাশাপাশি দীনেশ কার্তিকও গুটিয়েছিলেন। তাই কটাক্ষের সুরে অনেকে বলছেন, কার্তিক ফিনিশারের ভূমিকায় দেখা দেওয়ার আগে নিজেই যেন ফিনিশ হয়ে গেল। দীনেশ কার্তিকের চোট কতটা গুরুতর সেটা অবশ্য এখনও ভারতীয় দলের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়নি। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারের পর টিম ম্যানেজমেন্ট যে প্রথম একাদশে কিছু পরিবর্তন আনার কথা ভাববে সেটা বলাই বাহুল্য। খুব সম্ভবত পরের ম্যাচে বাংলাদেশের বিরুদ্ধেই সেই পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।

    আরও পড়ুন: ‘ভুয়ো মিস্টার বিন!’ ম্যাচের পর ট্যুইট-যুদ্ধে পাক, জিম্বাবোয়ের রাষ্ট্রপ্রধানরা

    অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারের জন্য ফিল্ডিংকেই দুষলেন ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তিনি স্বীকার করে নিয়েছেন, গুরুত্বপূর্ণ সময় সহজ ক্যাচ মিস এবং রান আউটের সুযোগ হাতছাড়া হওয়ার কারণেই দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারানো গেল না। তিনটি ম্যাচ খেলে ভারতের ঝুলিতে এখন চার পয়েন্ট। রোহিতরা রয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে। সম সংখ্যক ম্যাচ খেলে পাঁচ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। একটা গ্রুপ থেকে দুটো দল সেমিফাইনালে উঠবে। ভারতের এখনো খেলা বাকি বাংলাদেশ ও জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে। বাকি দুটি ম্যাচ জিতলে রোহিতরা শেষ চারের টিকিট পাকা করে ফেলবেন। 

  • Gujarat bridge collapse: মোরবি সেতু দুর্ঘটনায় মৃত্যু বিজেপি সাংসদের ১২ আত্মীয়র! মারা গেলেন বাংলার এক যুবকও

    Gujarat bridge collapse: মোরবি সেতু দুর্ঘটনায় মৃত্যু বিজেপি সাংসদের ১২ আত্মীয়র! মারা গেলেন বাংলার এক যুবকও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাটের মোরবিতে সেতু (Morbi Bridge Collapse) বিপর্যয়কাণ্ডে রাজকোটের বিজেপি সাংসদের পরিবারের ১২ জন সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ৫ জন শিশু। রবিবার সন্ধ্যায় মোরবির ওই ঝুলন্ত সেতু দেখতে যান রাজকোটের সাংসদ মোহনভাই কল্যাণজী কুন্দারিয়ার বোনের পরিবারের সদস্যরা। সেতু ছিঁড়ে পড়ায় সকলেই মাছু নদীতে পড়ে গিয়েছিলেন। রাতভর তল্লাশি চালিয়ে তাঁদের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার কথা বলতে গিয়ে শোকে বিহ্বল হয়ে পড়েন পদ্ম-শিবিরের ওই সাংসদ। তিনি বলেন, “কী ভাবে কী হয়ে গেল, কিছুই বুঝতে পারছি না। আমার বোনের পরিবারটাই শেষ হয়ে গেল। ওই অভিশপ্ত সেতু সব কেড়ে নিয়েছে আমার।” 

    আরও পড়ুন: আমি মর্মাহত, মন পড়ে রয়েছে আক্রান্তদের সঙ্গে! আজ মোরবি যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, এখনও পর্যন্ত সেতু বিপর্যয়কাণ্ডে ১৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে আরও ১৭৭ জনকে। এদের মধ্যে অনেকেরই অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছে প্রশাসন। মোরবিতে ব্রিজ বিপর্যয়ে মৃতদের মধ্যে রয়েছেন বাংলার এক যুবকও। সোনার কাজ করতে গুজরাটে গিয়েছিলেন পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীর ওই যুবক। রবিবার রাতে অন্যদের সঙ্গে ওই যুবকও মোরবির ঝুলন্ত ব্রিজে ঘুরতে গিয়েছিলেন। ব্রিজ ভেঙে অন্য অনেকের সঙ্গে নদীতে পড়ে যান হাবিবুল শেখ নামে ওই যুবক। রাতেই তাঁর দেহ উদ্ধার করা হয়।

    আরও পড়ুন: গুজরাটে সেতু ভেঙে মৃত অন্তত ১৩২, ঘটনাস্থলে তদন্তকারী দল

    গুজরাট প্রশাসন সূত্রে খবর, গত ১৫ বছর ধরে মোরবির এই ঝুলন্ত সেতুর রক্ষণা-বেক্ষণের দায়িত্বে রয়েছে ‘ওরেভা কোম্পানি’ নামে একটি বেসরকারি সংস্থা। গত ৭ মাস ধরে সংস্কারের জন্য সেতু বন্ধ রাখা হয়েছিল। মোরবি পুরসভার দাবি, প্রায় ২ কোটি টাকা খরচ করে সেতু সংস্কার করে ওই সংস্থা। চলতি বছরের ২৬ অক্টোবর জনসাধারণের জন্য়ে খুলে দেওয়া হয় সেতুটি। সংস্কারের ৫ দিনের মাথাতেই বিপর্যয় ঘটায় এই নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে রক্ষণা-বেক্ষণের দায়িত্বে থাকা ওই সংস্থা। কিন্তু পুরসভার অভিযোগ, ফিটনেস সার্টিফিকেট ছাড়াই খুলে দেওয়া হয়েছিল সেতুটি। কেন ফিটনেস সার্টিফিকেট না দিয়েই সেতু খুলে দেওয়া হল, তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। এই সেতুতে উঠতে গেলে টিকিট কাটতে হয়। বেশি লাভের জন্য অতিরিক্ত লোক সেখানে তোলা হয়েছিল বলেও অভিযোগ তুলেছে মোরবি পুর কর্তৃপক্ষ। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে গুজরাট সরকার। 

  • Sonali Chakraborty: চিরঘুমের দেশে ‘খড়ির জেঠিমা’ তথা অভিনেত্রী সোনালি চক্রবর্তী, শোকস্তব্ধ বিনোদন জগত

    Sonali Chakraborty: চিরঘুমের দেশে ‘খড়ির জেঠিমা’ তথা অভিনেত্রী সোনালি চক্রবর্তী, শোকস্তব্ধ বিনোদন জগত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টলিউড জগতে ফের গভীর শোকের ছায়া। চিরঘুমের দেশে চলে গেলেন প্রতিভাময়ী অভিনেত্রী সোনালি চক্রবর্তী (Sonali Chakraborty)। তিনি শংকর চক্রবর্তীর (Shankar Chakraborty) স্ত্রী। জানা গিয়েছে, দীর্ঘ দিন ধরেই লিভারের সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। গত দুই দিন ধরে তিনি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। এরপর আজ, সোমবার ভোর চারটে নাগাদ দক্ষিণ কলকাতার একটি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী। এই মুহূর্তে প্রয়াত অভিনেত্রীর মরদেহ বাসভবনে নিয়ে আসা হয়েছে। পরিবার সূত্রে খবর, অভিনেত্রীর শেষকৃত্য হবে কেওড়াতলা মহাশ্মশানে।

    একটা সময় দাপটের সঙ্গে বাংলা ছবিতে অভিনয় করেছেন সোনালি চক্রবর্তী। খলনায়িকা হিসেবে একটা সময় খুব জনপ্রিয় ছিলেন তিনি। সিনেমা ছাড়াও তাঁকে ছোটপর্দাতেও দেখা গিয়েছে। সম্প্রতি গাঁটছড়া নামক সিরিয়ালে তিনি খড়ির জেঠিমার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন, কিন্তু হঠাৎই সিরিয়ালে তাঁকে আর দেখা যায়নি। শারীরিক অসুস্থতার কারণেই খুব বেশিদিন শ্যুটিং করতে পারেননি বলে জানা গিয়েছিল।

    আরও পড়ুন: আগামী বছরেই ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাচ্ছে একগুচ্ছ ওয়েব সিরিজ

    এর আগেও সোনালি দেবী হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন লিভারের সমস্যা নিয়েই। তারপর ছেড়েও দেওয়া হয়। ছাড়া পাওয়ার পর তিনি আবার শুটিংয়ের কাজও শুরু করেছিলেন। পরে তাঁর পেটে হঠাৎ ফ্লুইড জমা হওয়ার কারণে আবার অসুস্থ হয়ে পড়ায় শুক্রবার হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয়েছিল তাঁকে। ক্রমশই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। ফলে শেষ রক্ষা করা গেল না। জানা গিয়েছে, অসুস্থতার কারণে শেষের দিকে বাড়িতেই থাকতেন সোনালী দেবী।

    আজ তাঁর মৃত্যুর খবর সোশ্যাল মিডিয়াতে নিশ্চিত করেন অভিনেত্রীর স্বামী তথা শংকর চক্রবর্তী। তিনি পোস্টে লেখেন, “ভরা থাক স্মৃতি সুধায়”।

    অন্যদিকে শোকপ্রকাশ করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনি বলেছেন, ‘‘ বিশিষ্ট অভিনেত্রী সোনালি চক্রবর্তীর প্রয়াণে আমি গভীর শোকপ্রকাশ করছি। তাঁর মৃত্যু অভিনয় জগতের এক বড় ক্ষতি। আমি সোনালি চক্রবর্তীর স্বামী শংকর চক্রবর্তী সহ অন্যান্য পরিবার-পরিজন ও অনুরাগীদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি।’’

  • Anubrata Mondal: গরু পাচার-কাণ্ডে ইডির সামনে হাজিরা বুধবার! দিল্লি গেলেন অনুব্রত কন্যা সুকন্যা

    Anubrata Mondal: গরু পাচার-কাণ্ডে ইডির সামনে হাজিরা বুধবার! দিল্লি গেলেন অনুব্রত কন্যা সুকন্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার মামলায় বুধবার ইডি-র সামনে হাজিরা দিতে দিল্লি গেলেন অনুব্রত (Anubrata Mandal)-কন্যা সুকন্যা মণ্ডল। গত ২৭ অক্টোবর তাঁকে তলব করে ইডি। কিন্তু সেদিন তিনি হাজিরা দেননি। সুকন্যা মণ্ডল জানিয়েছিলেন তিনি রাজ্যের বাইরে রয়েছেন। সেকারণে হাজিরা দিতে পারবেন না।  দ্বিতীয়বার ২ নভেম্বর (বুধবার) দিল্লিতে ইডির সদর দফতরে গিয়ে তাঁকে হাজিরা দেওয়ার কথা বলে ইডি। তাই ৩১ তারিখ দিল্লি রওনা দেন সুকন্যা। প্রয়োজনীয় নথিপত্র-সহ সুকন্যা মণ্ডল সোমবার সকালে বোলপুর (Bolpur) থেকে সড়কপথে অন্ডাল বিমানবন্দরে পৌঁছে যান। সেখান থেকে আকাশপথে দিল্লির উদ্দেশে রওনা হন। তাঁর সঙ্গে তাঁদের পারিবারিক হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি ও অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ আহেমদপুরের চালকল মালিক তথা তৃণমূল (TMC) যুব নেতা রাজীব ভট্টাচার্যও দিল্লি রওনা হয়েছেন।

    আরও পড়ুন: তিন প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সংখ্যালঘু শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব, বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    প্রসঙ্গত, গরুপাচার মামলার তদন্তে নেমে শুরু থেকেই বিপুল সম্পত্তির হদিশ পান তদন্তকারীরা। উঠে আসে ভোলেব্যোম রাইস মিল সহ একাধিক চালকলের নাম। তদন্তের শিকড়ে পৌঁছতে গিয়ে তদন্তকারীদের সামনে উঠে আসে এএনএম অ্যাগ্রোকেম ফুড প্রাইভেট লিমিটেড ও নীড় ডেভেলপার্স প্রাইভেট লিমিটেড নামে দুই সংস্থার নাম। এই দুই সংস্থার ডিরেক্টর পদে রয়েছেন সুকন্যা। সিবিআই চার্জশিটেও এই সংস্থাগুলির নাম রয়েছে।

    আরও পড়ুন: তৃণমূলকে পঞ্চায়েত ভোটে জিতিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন! অভিযোগ শুভেন্দুর

    সিবিআইয়ের জমা দেওয়া চার্জশিট অনুসারে ২০১৩-১৪ অর্থবর্ষে সুকন্যার আয় ছিল ৩ লক্ষ ১০ হাজার টাকা। ২০২০-২১ অর্থবর্ষে তা বেড়ে হয়েছে ১ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা। অন্তত ৩ কোটি টাকার ফিক্সড ডিপোজিট রয়েছে সুকন্যার নামে। সুকন্যার মালিকানাধীন সংস্থা এএনএম অ্যাগ্রোকেম লিমিটেডের আয়ব্যায়ের হিসাব চেয়েছে ইডি। আয়বৃদ্ধিতে বাবা অনুব্রত মণ্ডলকেও পিছনে ফেলেছেন সুকন্যা। দিল্লিতে অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে জেরা করেছেন ইডি গোয়েন্দারা। তাঁর থেকে সুকন্যার ধনসম্পত্তির বহু তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা। সূত্রের খবর, সেই তথ্য যাচাই করতেই সুকন্যাকে দিল্লিতে তলব করেছে ইডি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Team India: রোহিত, বিরাটদের বিশ্রাম দিল বিসিসিআই! নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-২০ ম্যাচে নেতা হার্দিক, একদিনের সিরিজে শিখর

    Team India: রোহিত, বিরাটদের বিশ্রাম দিল বিসিসিআই! নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-২০ ম্যাচে নেতা হার্দিক, একদিনের সিরিজে শিখর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সাদা বলের সিরিজে রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলিকে বিশ্রাম দেওয়া হল। বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে লোকেশ রাহুল, দীনেশ কার্তিককেও। কিউইদের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ভারতকে নেতৃত্ব দেবেন হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর ডেপুটি ঋষভ পন্থ। দলে ডাক পেয়েছেন সঞ্জু স্যামসন এবং উমরান মালিকও। টি-টোয়েন্টি সিরিজের পর একদিনের সিরিজে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে হার্দিককে। ওয়ান-ডে ম্যাচে ভারতের অধিনায়কত্ব সামলাবেন শিখর ধাওয়ান। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে ভালো বোলিং এবং ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো খেলার সুবাদে দলে সুযোগ পেয়েছেন বাংলার শাহবাজ আহমেদ। সোমবার নিউজিল্যান্ড ও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সিরিজের দল ঘোষণা করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (BCCI)। আগামী ডিসেম্বরে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে টেস্ট এবং একদিনের সিরিজ খেলবে ভারত। আগামী ৪ ডিসেম্বর থেকে একদিনের সিরিজ শুরু হবে। তারপর টেস্ট সিরিজ শুরু হবে ১৪ ডিসেম্বর থেকে। চলবে ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের নিরিখে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দুটি টেস্ট ভারতের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি দল: হার্দিক পান্ডিয়া (অধিনায়ক), ঋষভ পন্থ (সহ-অধিনায়ক এবং উইকেটকিপার), শুভমন গিল, ইশান কিষান, দীপক হুডা, সূর্যকুমার যাদব, শ্রেয়স আইয়ার, সঞ্জু স্যামসন (উইকেটকিপার), ওয়াশিংটন সুন্দর, যুজবেন্দ্র চাহাল, কুলদীপ যাদব, আর্শদীপ সিং, হার্ষাল প্যাটেল, মহম্মদ সিরাজ, ভুবনেশ্বর কুমার এবং উমরান মালিক।

    নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে একদিনের দল: শিখর ধাওয়ান (অধিনায়ক), ঋষভ পন্থ (সহ-অধিনায়ক এবং উইকেটকিপার), শুভমন গিল, দীপক হুডা, সূর্যকুমার যাদব, শ্রেয়স আইয়ার, সঞ্জু স্যামসন (উইকেটকিপার), ওয়াশিংটন সুন্দর, শার্দুল ঠাকুর, শাহবাজ আহমেদ, যুজবেন্দ্র চাহাল, কুলদীপ যাদব, আর্শদীপ সিং, দীপক চাহার, কুলদীপ সেন এবং উমরান মালিক।

    ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড সিরিজ

    ১) প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচ: ১৮ নভেম্বর (শুক্রবার), ওয়েলিংটন। 

    ২) দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচ: ২০ নভেম্বর (রবিবার), বে ওভাল। 

    ৩) তৃতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচ: ২২ নভেম্বর (মঙ্গলবার), নেপিয়ার।

    ৪) প্রথম একদিনের ম্যাচ: ২৫ নভেম্বর (শুক্রবার), অকল্যান্ড। 

    ৫) দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচ: ২৭ নভেম্বর (রবিবার), হ্যামিলটন। 

    ৬) তৃতীয় একদিনের ম্যাচ: ৩০ নভেম্বর (বুধবার), ক্রাইস্টচার্চ।

    বাংলাদেশের বিরুদ্ধে একদিনের দল: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), কেএল রাহুল (সহ-অধিনায়ক), শিখর ধাওয়ান, বিরাট কোহলি, রজত পতিদার, শ্রেয়স আইয়ার, রাহুল ত্রিপাঠী, ঋষভ পন্থ (উইকেটকিপার), ইশান কিষান (উইকেটকিপার), রবীন্দ্র জাদেজা, অক্ষর প্যাটেল, ওয়াশিংটন সুন্দর, শার্দুল ঠাকুর, মহম্মদ শামি, মহম্মদ সিরাজ, দীপক চাহার এবং যশ দয়াল।

    বাংলাদেশের বিরুদ্ধে টেস্ট দল: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), কেএল রাহুল (সহ-অধিনায়ক), শুভমন গিল, চেতেশ্বর পূজারা, বিরাট কোহলি, শ্রেয়স আইয়ার, ঋষভ পন্থ (উইকেটকিপার), কেএস ভরত (উইকেটকিপার), রবিচন্দ্রন রবীন্দ্র জাদেজা, অক্ষর প্যাটেল, কুলদীপ যাদব, শার্দুল ঠাকুর, মহম্মদ শামি, মহম্মদ সিরাজ এবং উমেশ যাদব। 

    ভারত বনাম বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ সফরের পুরো সূচি –

    ১) প্রথম একদিনের ম্যাচ: ৪ ডিসেম্বর (রবিবার), ঢাকা। 

    ২) দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচ: ৭ ডিসেম্বর (বুধবার), ঢাকা। 

    ৩) তৃতীয় একদিনের ম্যাচ: ১০ ডিসেম্বর (শনিবার), ঢাকা।

    ৪) প্রথম টেস্ট: ১৪ থেকে ১৮ ডিসেম্বর, চট্টগ্রাম। 

    ৫) দ্বিতীয় টেস্ট: ২২ থেকে ২৬ ডিসেম্বর, ঢাকা।

  • Citizenship Ammendment Act: পশ্চিমবঙ্গেও সিএএ প্রয়োগ হবে, সুবিধা পাবেন মতুয়ারাও, ঘোষণা শুভেন্দুর

    Citizenship Ammendment Act: পশ্চিমবঙ্গেও সিএএ প্রয়োগ হবে, সুবিধা পাবেন মতুয়ারাও, ঘোষণা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক যাত্রায় পৃথক ফল হবে না। গুজরাটের পর পশ্চিমবঙ্গেও সিএএ (Citizenship Ammendment Act) প্রয়োগ হবে। এতে নমঃশুদ্রদের সুবিধা হবে। মঙ্গলবার এ কথা বলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    গুজরাটের (Gujarat) মেহসানা ও আনন্দ জেলায় বসবাসকারী পাকিস্তান, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান থেকে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্শি ও খ্রিস্টানদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। জেলা আধিকারিকদের এই মর্মে শংসাপত্র দেওয়ার অনুমতিও দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে এ দেশে অন্তত পাঁচ বছর বসবাস করতে হয়। এ ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য হবে না। গুজরাটের এই খবরেই যারপরনাই উচ্ছ্বসিত রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (Citizenship Ammendment Act) নিয়ে নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, এটা তো সিএএ-র অংশ। সিএএ-র বাস্তবায়ন শুরু হয়ে গেল। ভারতবর্ষের অংশ পশ্চিমবঙ্গ। পশ্চিমবঙ্গেও হয়ে যাবে। সিএএ আইন দুটো সংসদেই পাশ করা আছে। আমরা অপেক্ষা করছিলাম। নিশ্চয় রুল হয়ে গিয়েছে। তিনি বলেন, এই একই রুলে পশ্চিমবঙ্গে মতুয়া সমাজ, নমঃশুদ্র সমাজ তাঁরা ভিসা করতে গেলে, পারমিট করতে গেলে, চাকরির ক্লিয়ারেন্স নিতে গেলে বলা হয়, ৭১এর আগের দলিল আনো, সেই সমস্যা আর থাকল না। শুভেন্দু বলেন, এক যাত্রায় পৃথক ফল হয় না। গুজরাটে যখন বাস্তবায়ন হয়ে গিয়েছে, নিশ্চয় রুল ফ্রেম করে ফেলেছে ভারত সরকার।

    আরও পড়ুন: তিন প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সংখ্যালঘু শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব, বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (Citizenship Ammendment Act) প্রয়োগ করা হবে বলে বারংবার বলেছে কেন্দ্র। উনিশের ভোটের আগে সিএএ প্রয়োগের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল বিজেপি। তার পুরস্কারও পেয়েছিল পদ্ম শিবির। মতুয়াদের একটা বিরাট অংশের সমর্থন গিয়ে পড়েছিল গেরুয়া ঝুলিতে। ভোট পর্ব চুকে যাওয়ার পরেও সিএএ কেন লাগু হয়নি, সে প্রশ্নও ওঠে। এ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বনগাঁর সাংসদ বিজেপির শান্তনু ঠাকুর। শান্তনু কেন্দ্রের মন্ত্রীও। পরে সিএএ প্রয়োগ করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয় কেন্দ্রের তরফে। শান্ত হন শান্তনু। প্রসঙ্গত, ৬ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টে শুরু হবে সিএএ শুনানি।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • POCSO Act: ‘শরিয়ৎ আইন পকসো আইনের ওপরে নয়’, আঠারোর কম বয়সে বিয়ে বেআইনি বলল কর্নাটক হাইকোর্ট

    POCSO Act: ‘শরিয়ৎ আইন পকসো আইনের ওপরে নয়’, আঠারোর কম বয়সে বিয়ে বেআইনি বলল কর্নাটক হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৮ বছরের কম বয়সে বিয়ে পকসো আইন (POCSO Act) বিরোধী। শরিয়ৎ আইন পকসো আইনের থেকে বড় হতে পারে না। এই বিয়ে বেআইনি। এমনই নিদান দিল কর্নাটক হাইকোর্ট। ১৫ বছর বয়সেই মেয়েদের বিয়ে করার অনুমতি দেয় ইসলামিক আইন। সম্প্রতি পাঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্ট এই ইসলামিক রীতির পক্ষেই রায় দিয়েছে। কিন্তু এই রায় খারিজ করে দিল কর্নাটক হাইকোর্ট।

    আদালতের পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করা হয়েছে, পকসো (POCSO) আইন ওই ইসলামিক আইনের ঊর্ধ্বে। তাই ১৫ বছরের কোনও কিশোরীকে বিয়ে করা ও তাকে গর্ভবতী করে দেওয়া ভারতীয় আইন-বিরুদ্ধ এবং ধর্ষনের সমান। এক মামলা প্রসঙ্গে এই রায় দেয় আদালত। ওই অভিযুক্তকে এক লক্ষ টাকার বন্ডে জামিন দেওয়া হয়েছে। তবে ওই মুসলিম কিশোরীর বিয়েকে বেআইনি ঘোষণা করা হয়েছে। বিচারপতি রাজেন্দ্র বাদামিকরের বেঞ্চে ছিল সেই মামলার শুনানি হয়।           

    সম্প্রতি এক অভিযোগের ভিত্তিতে ওই কিশোরীর স্বামীকে আটক করা হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে বাল্যবিবাহ নিরোধক আইনের ৯ ও ১০ ধারায় মামলা হয়। এছাড়া পকসো আইনের ৪ ও ৬ ধারায় মামলা রুজূ হয় ওই যুবকের বিরুদ্ধে। অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরীকে বিয়ে করা ও শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগে মামলা করা হয়।

    আরও পড়ুন: “প্রকল্পের নামে প্রহসন”, দুয়ারে সরকার শুরুর ঠিক আগেই রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ শুভেন্দুর  

    চলতি বছরের জুন মাসে প্রথম ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। ওই কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়ায় এলাকার একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে দেখা যায়, কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা। সেই সময় বয়স ছিল ১৭ বছর। স্বাস্থ্য কেন্দ্রের তরফে থানায় বিষয়টি জানানো হয়। কিশোরীর স্বামীর বিরুদ্ধে কে আর পুরম থানায় একটি মামলা দায়ের করে পুলিশ। এরপরই গ্রেফতার হন যুবক।    

    এরপর আদালতের দ্বারস্থ হন ওই ব্যক্তি। কর্নাটক হাইকোর্টে তাঁর আইনজীবী জানান, বিয়ের সময় ১৫ বছর পেরিয়ে গিয়েছিল কিশোরীর। ইসলামিক আইনে যা বৈধ। তাই এই বিয়েকে অবৈধ বলা যায় না। কিন্তু আদালত সেই দাবি খারিজ করে দেয়। বিচারপতি উল্লেখ করেন, পকসো আইন এক বিশেষ আইন। এটি ইসলামিক আইনের ঊর্ধ্বে। পকসো আইন অনুযায়ী, শারীরিক সম্পর্কের ন্যুনতম বয়স ১৮। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • FD Interest: স্থায়ী আমানতে এই চার ব্যাঙ্কে সুদের হার বেড়েছে ৭ শতাংশেরও বেশি, জানেন?

    FD Interest: স্থায়ী আমানতে এই চার ব্যাঙ্কে সুদের হার বেড়েছে ৭ শতাংশেরও বেশি, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি বেশ কিছু ব্যাঙ্ক নিজেদের স্থায়ী আমানতে (Fixed Deposits) সুদের হার বাড়িয়েছে। যেমন ভারতীয় স্টেট ব্যাঙ্ক, পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক এক সপ্তাহের ব্যবধানে দু’বার সুদের হার বৃদ্ধি করেছে। এছাড়াও সুদের হার বাড়িয়েছে এইচডিএফসি, আইসিআইসিআই, অ্যাক্সিস, কোটাক মাহিন্দ্রা, আইডিএফসি এবং আরবিএল ব্যাঙ্ক। রেপো রেট বৃদ্ধি পাওয়ার কারণেই মূলত স্থায়ী আমানতে সুদের হার বৃদ্ধি পেয়েছে। এর মধ্যে চার ব্যাঙ্কে সুদের হার ৭%- এরও বেশি। 

    আইডিএফসি ব্যাঙ্ক: ৭ দিন থেকে ১০ বছরের স্থায়ী আমানত করা যাবে এই ব্যাঙ্কে। প্রবীণ নাগরিকরা এই আমানতগুলিতে ৫০ বিপিএস পাবেন। ৭৫০ দিনের স্থায়ী আমানতে সুদের হার ৭.২৫%। প্রবীণ নাগরিকদের ক্ষেত্রে এই হার ৭.৭৫%। 

    আরবিএল ব্যাঙ্ক: ১৫ মাসের স্থায়ী আমানতে এই ব্যাঙ্কে সুদের হার ৭%। প্রবীণ নাগরিকদের ক্ষেত্রে এই সুদের হার ৭.৫%। 

    ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া: ২ কোটির নীচে স্থায়ী আমানতে সুদের হার বাড়িয়েছে এই ব্যাঙ্কও। এই ব্যাঙ্কে স্থায়ী আমানতে সুদের হার ৩%-৭%। ৭ দিন থেকে ১০ বছরের স্থায়ী আমানতের প্রকল্প রয়েছে এই ব্যাঙ্কের। 

    কানাড়া ব্যাঙ্ক: ৬৬৬ দিনের একটি বিশেষ স্থায়ী আমানতের প্রকল্প লঞ্চ করেছে এই ব্যাঙ্ক। এই স্থায়ী আমানত প্রকল্পে সাধারণদের জন্যে সুদের হার ৭% এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্যে ৭.৫%। 

    সম্প্রতি রেপো রেট (Repo Rate) বাড়িয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (Reserve Bank Of India)। আর তার সঙ্গে সঙ্গেই দেশের একাধিক ব্যাঙ্কও নিজেদের ঋণদানের সুদের হার বাড়িয়েছে। দেশের সবচেয়ে বড় সরকারি ব্যাঙ্ক, স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়াও (State Bank Of India) ঋণে সুদ বাড়িয়েছে। এছাড়া আরও অনেক ব্যাঙ্ক ঋণের সুদ বাড়িয়ে দিয়েছে। মূল্যবৃদ্ধির উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে গিয়ে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক শুক্রবার রেপো রেটে ০.৫০ শতাংশ বৃদ্ধি করেছে। কিন্তু এই রেপো রেট বৃদ্ধির কারণেই স্থায়ী আমানতে সুদের হার বাড়িয়েছে ব্যাঙ্কগুলি।

    আরও পড়ুন: ঋণ রেট ৫০ বিপিএস বাড়িয়েছে এসবিআই, বাড়তে পারে হোম লোন খরচও

    মূল্যবৃদ্ধির উপর নিয়ন্ত্রণ আনার জন্য রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এ বছর মে মাস থেকে শুরু করে চারবার রেপো রেট বৃদ্ধি করেছে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক শুক্রবার, চতুর্থবার রেপো রেট বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে। ৫০ বেসিস পয়েন্ট বেড়েছে রেপো রেট। আরবিআই এই বৃদ্ধির পরে রেপো রেট ৫.৯০ শতাংশতে পৌছে গিয়েছে। এই দরেই আরবিআই ব্যাঙ্কগুলিকে ঋণ দিয়ে থাকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Coimbatore Blast: কোয়েম্বাতুর গাড়ি বিস্ফোরণকাণ্ডে কেরল লিংক?

    Coimbatore Blast: কোয়েম্বাতুর গাড়ি বিস্ফোরণকাণ্ডে কেরল লিংক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামিলনাড়ুর (Tamil Nadu) কোয়েম্বাতুরে মন্দিরের সামনে গাড়ি বিস্ফোরণকাণ্ডের (Coimbatore Blast) তদন্ত শুরু করেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এএনআই (NIA)। তারা ওই বিস্ফোরণের সঙ্গে কেরালা লিংকের দিকে ইঙ্গিত করেছে। তার পরেই গাড়িগুলিতে নাকাচেকিং শুরু করেছে রাজ্য পুলিশ। কোয়েম্বাতুরে যে ধরনের বিস্ফোরণ ঘটেছে, সেই ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে অন্যান্য রাজ্যেও। এই মর্মে রাজ্যগুলিকে সতর্কও করে দিয়েছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    রবিবার সকালে কোয়েম্বাতুরের কোট্টাই ঈশ্বরান মন্দিরের কাছে একটি গাড়িতে বিস্ফোরণ (Coimbatore Blast) হয়। মৃত্যু হয় গাড়িতে থাকা বছর পঁচিশের যুবক জামেজা মুবিনের। ওই ঘটনার পরে পরেই তাঁর বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। বাজেয়াপ্ত হয় প্রচুর বিস্ফোরক। তদন্তকারীদের অনুমান, ভবিষ্যতে বড় ধরনের নাশকতার ছক ছিল। বছর কয়েক আগেও একবার মুবিনকে জেরা করেছিল এনআইএ। ওই ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এঁরা হলেন মহম্মদ তালকা, মহম্মদ আজহারউদ্দিন, মহম্মদ রিয়াজ, ফিরোজ ইসমাইল এবং মহম্মদ নওয়াজ ইসমাইল। প্রত্যেকেরই বয়স কুড়ির কোঠায়। জানা গিয়েছে, এঁদের মধ্যে কয়েকজনকে ২০১৯ সালে একবার জেরা করেছিল এনআইএ। গাড়ি বিস্ফোরণকাণ্ডেরও তদন্তে নেমেছে এনআইএ।  

    এক প্রবীণ তদন্তকারী আধিকারিক বলেন, এনআইএ নিশ্চিত করেছে কোয়েম্বাতুর বিস্ফোরণ (Coimbatore Blast) কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। অন্যান্য রাজ্যেও জনবহুল এলাকাগুলিতে এরকম হামলা হতে পারে। এনআইএর তরফে এ ব্যাপারে রাজ্যগুলিকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে। বাড়াতে বলা হয়েছে পুলিশি নজরদারি। ওই আধিকারিক বলেন, রাজ্যের সন্দেহভাজন বিভিন্ন গোষ্ঠীর ওপর নজর রাখছি আমরা। তার মধ্যে কয়েকটি গোষ্ঠীর ওপর আমরা কড়া নজরদারি চালাচ্ছি।

    আরও পড়ুন: কোয়েম্বাতুর বিস্ফোরণ কাণ্ডে এবার ইউএপিএ ধারায় মামলা পুলিশের

    কোয়েম্বাতুর বিস্ফোরণকাণ্ডের (Coimbatore Blast) পর রাজ্যের গাড়িগুলিতে ব্যাপক তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তামিলনাড়ুর এক প্রবীণ পুলিশ আধিকারিক বলেন, গত কয়েকদিন ধরে গাড়িগুলিতে চেকিং চালানো হচ্ছে। হঠাৎ করে গাড়ি পরীক্ষার জন্যও স্পেশাল টিম মোতায়েন করা হয়েছে। নজরদারি চালাতে আরও কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তবে সেগুলি এই মুহূর্তে প্রকাশ করা যাবে না।

    কোয়েম্বাতুর বিস্ফোরণকাণ্ডে (Coimbatore Blast) গ্রেফতার করা হয়েছে ফিরোজ ইসমাইল নামে একজনকে। তিনি সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে বিতাড়িত হয়ে এসেছেন। এক আধিকারিক বলেন, কেরালার কয়েকজন যুবককে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে তাড়ানো হয়েছে। আইএস কাজের সঙ্গে তারা জড়িত বলে সন্দেহ। ঘটনা প্রবাহের ওপর আমরা কড়া নজর রাখছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Kiren Rijiju: ‘বাংলায় গণতন্ত্র রক্তাক্ত, কাঁদছে’, মুখ্যমন্ত্রীর ‘আবেদনে’র প্রেক্ষিতে পাল্টা দিলেন রিজিজু

    Kiren Rijiju: ‘বাংলায় গণতন্ত্র রক্তাক্ত, কাঁদছে’, মুখ্যমন্ত্রীর ‘আবেদনে’র প্রেক্ষিতে পাল্টা দিলেন রিজিজু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিচার ব্যবস্থার কাছে গণতন্ত্র বাঁচানোর আবেদন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সে প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীকে একহাত নিয়েছেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী কিরেন রিজিজু (Kiren Rijiju)। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস আইনের শাসনকে হরণ করেছে। বিচার ব্যবস্থার প্রতি তাদের আস্থা সামান্যই। ঘটনা প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও (Suvendu Adhikari)। তাঁর মতে, বিচারব্যবস্থাকে প্রভাবিত করতেই এই কথাগুলো বলছেন মুখ্যমন্ত্রী।

    রবিবার নিউটাউনের বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে পশ্চিমবঙ্গ ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ জুরিডিক্যাল সায়েন্সসের ১৪তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে নাম না করে বিজেপিকে নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, আমি বলছি না যে মানুষ বিচার ব্যবস্থার প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। কিন্তু আজকাল দেখা যাচ্ছে এটি আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে। বিচার বিভাগ মানুষকে বিপর্যয়ের হাত থেকে বাঁচায়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জনগণের কান্না শুনতে হবে। মানুষ দরজার আড়ালে কাঁদছে। আজকাল অনেক কিছুই চলছে। রায়ের আগে মিডিয়া ট্রায়াল চলছে। তারা যে কাউকে অভিযুক্ত করতে পারে? আমাদের সম্মান না থাকলে কিছু থাকে না। আমি সকলের কাছে অনুরোধ করছি, যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোকে বাঁচান। অহেতুক হয়রানি চলছে, প্লিজ গণতন্ত্র বাঁচান।

    এর পরেই বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে একহাত নিয়েছেন রিজিজু (Kiren Rijiju)। ট্যুইট বার্তায় তিনি লেখেন, মমতা দিদি পশ্চিমবঙ্গ সম্পর্কে সত্য বলছেন। কারণ বিচারব্যবস্থার প্রতি তৃণমূলের (TMC) আস্থা সামান্যই। বিচারকদের প্রতি কোনও শ্রদ্ধাও নেই। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যে আইনের শাসনের বদলে তৃণমূলের শাসন চলছে। রিজিজু বলেন, বাংলায় গণতন্ত্র রক্তাক্ত, কাঁদছে।

    আরও পড়ুন: ডিসেম্বরেই পতন হচ্ছে তৃণমূল সরকারের? কী বললেন শুভেন্দু?

    মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করেছেন শুভেন্দুও। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, বিচারব্যবস্থাকে প্রভাবিত করতেই মুখ্যমন্ত্রী এই কথাগুলো বলছেন। এর আগেও তিনি বিচারপতিরা কীভাবে বিচার করবেন, সে পরামর্শ দিয়েছেন। এ রাজ্যে বিভিন্ন দুর্নীতির ইস্যু নিয়ে যেভাবে বিচার ব্যবস্থা অগ্রসর হয়েছে, তাতে তিনি ভীত এবং আতঙ্কিত। শুধুমাত্র মুখ্যমন্ত্রী নন, গোটা তৃণমূল কংগ্রেস আতঙ্কিত। মিডিয়া ট্রায়াল প্রসঙ্গে নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, চাকরি বিক্রি সহ যেভাবে সংবাদ মাধ্যম বিভিন্ন দুর্নীতি জনসমক্ষে তুলে ধরছে, সেই কারণেই সংবাদমাধ্যমকে ভয় দেখাচ্ছেন উনি। সংবাদ মাধ্যম একের পর এক দুর্নীতি ফাঁস করাতেই মুখ্যমন্ত্রী আতঙ্কিত ও ভীত হয়েই এমন বক্তব্য পেশ করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share