Blog

  • Suvendu Adhikari: রাজ্যের ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ে কবে তৎপর হবেন মুখ্যমন্ত্রী? প্রশ্ন শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: রাজ্যের ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ে কবে তৎপর হবেন মুখ্যমন্ত্রী? প্রশ্ন শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ডেঙ্গির পরিস্থিতি হয়ে উঠেছে আরও ভয়াবহ। দিনের পর দিন ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েই চলেছে। আবার এখন আবার শুধুমাত্র ডেঙ্গিই নয়, ম্যালেরিয়াও নতুন করে চোখ রাঙাতে শুরু করেছে। ফলে এই অবস্থায় রাজ্য সরকার তথা মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়ের পদক্ষেপ নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যে ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে তিনি রাজ্য সরকারকে তোপ দেগে বললেন, “ভয়ঙ্কর অবস্থা, সরকার নেই, সরকার ছুটি কাটাচ্ছে। দুর্গাপুজোয় ১১দিন, কালীপুজোয় ৮দিন, ছুটি আর ছুটি।”

    সরকারি হিসাব অনুযায়ী ম্যালেরিয়ার আক্রান্ত সংখ্যা বেড়েছে তিন গুণেরও বেশি। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রককে পাঠানো রিপোর্ট অনুযায়ী, দু’মাসে রাজ্যে ম্যালেরিয়া আক্রান্ত বেড়ে হয়েছে ৯৭৪৪ জন। আবার অন্যদিকে ডেঙ্গিতে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৫ হাজারে দাঁড়িয়েছে। অন্তত ৬২ জন ডেঙ্গি আক্রান্তের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। যা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ।

    ফলে এই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) রাজ্য সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করে প্রশ্ন করেন, ‘এই মৌসুমে রাজ্যে ৪০ হাজার এরও বেশি ডেঙ্গির ঘটনার সামনে এসেছে। অক্টোবরের শেষের দিকে শহর কলকাতায় ৩৫০০ জনের বেশি কেস সামনে এসেছে। এই রেকর্ড সংখ্যক ডেঙ্গি কেস কি স্বাস্থ্য মন্ত্রীর নজর এড়িয়ে গিয়েছে? কবে তৎপর হবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, ‘যেসব এলাকায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক আক্রান্ত হয়েছে, সেই সব এলাকা গুলি কি স্বাস্থ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে চিহ্নিত করা হয়েছে? কি কি সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে? প্রতিদিন ডেঙ্গিতে মানুষ মারা যাচ্ছে এমনকি পুলিশকর্মীরাও সুরক্ষিত নয়। এবার মুখ্যমন্ত্রীর উৎসবের মেজাজ থেকে বের হওয়া উচিত, কারণ ছুটি শেষ।’  

    প্রসঙ্গত, প্রতি দু’মাস অন্তর অন্তর পতঙ্গ বাহিত রোগে আক্রান্ত এবং মৃতের পরিসংখ্যান কেন্দ্রকে পাঠাতে হয়, প্রত্যেকটি রাজ্য সরকারকে। সব রাজ্য থেকে ডেটা আসার পর সেগুলি বিশ্লেষণ করে তারপর সেগুলি প্রকাশ করে কেন্দ্র। ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত সারা দেশের ম্যালেরিয়া রিপোর্ট চলতি মাসে সর্বসমক্ষে এনেছে কেন্দ্র সরকার। তবে ম্যালেরিয়ার পরিসংখ্যান পাঠানো হলেও, রাজ্য সরকারের তরফে কেন্দ্রকে এখনও ডেঙ্গি রিপোর্ট পাঠানো হয়নি। আৎ এ নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। চলতি বছরের এপ্রিল মাসের পর থেকেই ডেঙ্গিতে আক্রান্ত এবং মৃতের কোন তথ্য কেন্দ্র সরকারকে পাঠায়নি রাজ্য। শেষবার যখন ডেঙ্গির রিপোর্ট পাঠানো হয়েছিল তখন রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২৩৯। বর্তমানে যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫ হাজারে। ফলে এসব নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে। ও এর পাশাপাশি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) রাজ্য সরকারকে একহাত নিলেন।

  • Sukumar Ray: ‘হ য ব র ল’ এর রচয়িতার জন্মদিন আজ, জানুন তাঁর জীবন কথা

    Sukumar Ray: ‘হ য ব র ল’ এর রচয়িতার জন্মদিন আজ, জানুন তাঁর জীবন কথা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমানের শৈশব আটকে রয়েছে স্মার্টফোনের (Smart Phone) গেম এবং ইউটিউবের (Youtube) কার্টুনে। কিন্তু যখন স্মার্টফোন ছিল না, ইউটিউবের এত চল ছিল না, তখনকার শৈশবে বেশ কিছু বন্ধু ছিল। কিছু বন্ধু আমাদের সঙ্গে স্কুলে যেত, কিছু বন্ধু একসঙ্গে ডাংগুলি, লুকোচুরি, ক্রিকেট খেলতো। আর কিছু বন্ধু ছিল কাল্পনিক। শৈশবের এক বন্ধু ৪১ নম্বর গেছোবাজার কাগেয়াপট্টি-র বাসিন্দা।

    শ্রী কাকেশ্বর কুচকুচের কথা আমাদের নিশ্চয়ই এখনও মনে আছে। আমরা ভুলিনি সেই চন্দ্রবিন্দু নামের অদ্ভুত মোটাসোটা লাল টকটকে বিড়ালটাকে। যে কথায় কথায় এক চোখ বন্ধ করে বিশ্রী রকমের হাসি হাসতো ফ্যাচফ্যাচ করে। কিংবা ধরুন ওই হিজিবিজবিজ-এর কথা।  বিদঘুটে দেখতে এই জন্তুটি যা খুশি কল্পনা করে আর সেগুলো ভেবে ভেবে হেসে গড়িয়ে পড়ে। পাগলা দাশুর কথা শুনতে শুনতে তো হেসে লুটিয়ে পড়ে না এমন মানুষ খুব কম আছেন। বিশেষত নাটকের স্ক্রিপ্টের বাইরে গিয়ে যখন দাশু বলে ‘আবার সে আসিয়াছে ফিরে’। নন্দলাল কে তো আজও ভুলিনি আমরা। বেচারার কপালটা সত্যিই মন্দ। এদের নিয়েই অনেকের শৈশব কেটেছে। স্রষ্টার নাম নিশ্চয়ই আলাদা ভাবে মনে করাতে হবে না। আজ তাঁর জন্মদিন। আবোলতাবোল, হযবরল-র রচয়িতা বিখ্যাত শিশু সাহিত্যিক সুকুমার রায় (Sukumar Ray) ছিলেন উপেন্দ্রকিশোর রায় ও বিধুমুখী দেবীর পুত্র। তাঁরা ছিলেন পাঁচ ভাই-বোন। সুখলতা, পুণ্যলতা ও শান্তিলতা নামের তিন বোন এবং সুবিনয় রায় ও সুবিমল রায় নামের দুই ভাই।

    সুকুমার রায়ের (Sukumar Ray) জন্ম ১৮৮৭ সালের ৩০শে অক্টোবর কলকাতার এক দক্ষিণ রাঢ়ীয় কায়স্থ বংশীয় ব্রাহ্ম পরিবারে। পিতা উপেন্দ্রকিশোর রায় ছিলেন বিখ্যাত শিশু সাহিত্যিক‌। এই অসামান্য প্রতিভার যোগ্য উত্তরাধিকারী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন ‘পাগলা দাশু’ চরিত্রের স্রষ্টা। সুকুমার রায়ের মা বিধুমুখী দেবী ছিলেন ব্রাহ্মসমাজের দ্বারকানাথ গঙ্গোপাধ্যায়ের কন্যা। সুকুমার রায়ের আদিনিবাস বর্তমান বাংলাদেশের ময়মনসিংহ জেলার কিশোরগঞ্জ মহকুমার (বর্তমান কিশোরগঞ্জ জেলা) কটিয়াদি উপজেলার মসূয়া গ্রামে। মসূয়াতে বসবাসের আগে তাঁর পূর্বপুরুষের আদিনিবাস ছিল অধুনা পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া জেলার অন্তর্গত চাকদহে৷ চিত্রশিল্পী হিসেবেও তিনি অসাধারণ মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন। শিশু সাহিত্যের বইগুলির চিত্র তিনি নিজেই আঁকতেন। ছাত্রাবস্থায় অসাধারণ মেধাবী এই ছাত্র কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ১৯০৬ সালে রসায়ন ও পদার্থবিদ্যায় বি.এস.সি. (অনার্স) করার পর মুদ্রণবিদ্যায় উচ্চতর শিক্ষার জন্য ১৯১১ সালে বিলেতে যান। সেখানে তিনি আলোকচিত্র ও মুদ্রণ প্রযুক্তির ওপর পড়াশোনা করেন এবং ভারতের অগ্রগামী আলোকচিত্রী ও লিথোগ্রাফার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ভারতে ফিরে আসেন ১৯১৩ সালে। উপেন্দ্রকিশোর রায় ছোটদের মাসিক পত্রিকা ‘সন্দেশ’ চালাতেন। সুকুমার রায় দেশে ফেরার কিছুদিনের মধ্যে উপেন্দ্রকিশোর রায় প্রয়াত হলে, ‘সন্দেশ’ পত্রিকার দায়িত্বভার নিজের কাঁধে তুলে নেন সুকুমার রায়। প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়াকালীন তিনি ‘ননসেন্স সংঘ’ নামে একটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন যার মুখপত্রের নাম ছিল ‘সাড়ে বত্রিশ ভাজা’।

    সুকুমার রায় (Sukumar Ray) ‘অতীতের কথা’ নামক একটি কাব্য রচনা করেছিলেন, যা ব্রাহ্ম সমাজের ইতিহাসকে সরল ভাষায় উপস্থাপন করেছিল – ছোটদের মধ্যে ব্রাহ্ম সমাজের মতাদর্শ ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে এই কাব্যটি একটি পুস্তিকার আকারে প্রকাশ করা হয়। ১৯২৩ সালে মাত্র ৩৫ বছর বয়সে এই বিখ্যাত শিশু সাহিত্যিক পরলোক গমন করেন। কালাজ্বর রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। দুঃখের কথা তখনও অবধি কালাজ্বর রোগের টিকা আবিষ্কৃত হয়নি। পিতা সুকুমার রায়ের মৃত্যুর ঠিক দু বছর আগে ১৯২১ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন সুযোগ্য সন্তান সত্যজিৎ রায় যিনি পরবর্তীকালে একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতনামা বাঙালি হয়েছিলেন এবং জিতেছিলেন অস্কার।

    আরও পড়ুন: কার্তিক মাসে গ্রাম বাংলায় পালিত হয় ‘যমপুকুর ব্রত’! জানেন এর নেপথ্য গল্প?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Narendra Modi: ‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর উদাহরণ ছট পুজো, ‘মন কি বাত’-এ বললেন প্রধানমন্ত্রী

    Narendra Modi: ‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর উদাহরণ ছট পুজো, ‘মন কি বাত’-এ বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, রবিবারের ‘মন কি বাত’ (Mann Ki Batt) অনুষ্ঠানে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) প্রথমে সকল দেশবাসীকে ছট পুজোর শুভেচ্ছা জানিয়ে তাঁর বক্তব্য শুরু করেন ও সূর্য দেবতার প্রণাম জানান। এবং এরপরেই তিনি সৌর শক্তিকে ব্যবহার করে ভারতের অগ্রগতির কথা উল্লেখ করেন। মন কি বাত অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ক্রমেই সৌর বিদ্যুৎ মানুষের জন্য অপরিহার্য হয়ে উঠছে। অর্থাৎ সূর্য দেবতার পুজোর দিনেই তিনি দেশবাসীকে বোঝাতে চেয়েছেন যে, কীভাবে সৌরশক্তির মাধ্যমে মানুষ সাহায্য পেতে পারে ও জীবনে এগিয়ে যেতে পারে।

    তিনি আজ বলেন, ‘এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর অন্যতম নিদর্শন হল ছট পুজো, প্রধানমন্ত্রীর কথায় ছট পুজোয় সূর্যের উপাসনা করা হয়। আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে যে প্রকৃতির গভীর সম্পর্ক রয়েছে এই পূজার আচারই তার প্রমাণ। এরপরই মোদি তাঁর ভাষণে দেশজুড়ে সৌর বিদ্যুতের প্রসারের পক্ষে সওয়াল করেন। সকলকে পরিবার পরিবেশবান্ধব জীবনযাপন করার আবেদন জানান।

    আরও পড়ুন: জম্মু এবং কাশ্মীরকে নয়া উচ্চতায় নিয়ে যাব, রোজগার মেলায় ঘোষণা মোদির

    তিনি (Narendra Modi) আরও বলেছেন যে, ভারত তার প্রাচীন ঐতিহ্যগত অভিজ্ঞতাকে আধুনিক বিজ্ঞানের সঙ্গে যুক্ত করছে এবং আজ সৌরশক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশগুলির মধ্যে ভারত শীর্ষে রয়েছে। এরই উদাহরণ দিতে গিয়ে তিনি জানান, দেশের প্রথম গ্রাম,গুজরাটের মোধেরা যেখানে সৌরশক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। তিনি বলেন, “মোধেরা গ্রামে প্রায় সমস্ত বাড়িই তাদের বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে সৌর শক্তি ব্যবহার করে। সেখানকার মানুষ শুধু সৌরশক্তির মাধ্যমে বিদ্যুৎ ব্যবহারই করছে না, এর থেকে আয়ও করছে। মোধেরা এখন সারা দেশের জন্য মডেল হয়ে উঠেছে।”  তিনি জানান, গুজরাটের মোধেরা গ্রামকে সৌর গ্রামে পরিণত করা হয়েছে।

    এদিন তিনি (Narendra Modi) দেশের মহাকাশ গবেষণারও উল্লেখ করেন। গত ২৩ অক্টোবর মহাকাশে ইসরোর ৩৬টি ব্রডব্যান্ড স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের কথাও উল্লেখ করেছেন। তিনি ভারতের বিজ্ঞানীদের প্রশংসা করে জানান যে, আজ ভারতের বিজ্ঞানীরা শুধু দেশীয় প্রযুক্তিই তৈরি করেননি এবং মহাকাশে কয়েক ডজন স্যাটেলাইটও পাঠাচ্ছেন। দেশের তরুণদের কথাও তিনি বলেছেন। “ছাত্রশক্তি ভারতকে শক্তিশালী করার ভিত্তি। তরুণরা তাদের মেধা দিয়ে দেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে,” প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে বলেন।

  • RSS: সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু বিভাজনে বিশ্বাস করে না আরএসএস, সাফ জানালেন প্রচার প্রমুখ  

    RSS: সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু বিভাজনে বিশ্বাস করে না আরএসএস, সাফ জানালেন প্রচার প্রমুখ  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমাজে বিভাজনের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না আরএসএস (RSS)। এ কথা আরও একবার স্পষ্ট করে দিলেন সংঘের অখিল ভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর (Sunil Ambekar)। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু (Minority-Majority) এই বিভাজনে বিশ্বাস করে না সংঘ। এই দেশের নাগরিকরা সবাই সমান। আমাদের পূর্বপুরুষরা যে এক সেকথা সরসংঘচালকজি (মোহন ভাগবত) বহু বার বলেছেন। তিনি এও বলেছেন, আমাদের ডিএনএ এক, ইতিহাসও এক। সুনীল বলেন, সেই কারণে আমরা প্রত্যেককেই নিজের বলে মনে করি। তাই আমরা প্রত্যেকের জন্য এবং প্রত্যেকের সঙ্গে কথাবার্তা বলতে প্রস্তুত।

    সন্ত্রাসবাদ যে দেশের পক্ষে বড় বিপদ, এদিন তাও জানিয়ে দেন সংঘের (RSS) অখিল ভারতীয় প্রচার প্রমুখ। তিনি বলেন, যারা সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে তারা আমাদের দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করছে। আমাদের দেশকে এদের সঙ্গেই যুদ্ধ করতে হচ্ছে। এই শক্তিকে পরাস্ত করতে আমাদের পুলিশ ও সশস্ত্র নেতা প্রতিটি পদক্ষেপ নিচ্ছে। এটা সন্ত্রাসবাদ এবং আইনশৃঙ্খলার ব্যাপার। আমাদের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সেনা এদের সঙ্গে লড়ছে।

    আরএসএসের (RSS) এই নেতা বলেন, সংঘ সমতা ও ঐক্যের জন্য কাজ করে। এজন্য আমরা অবিরাম কাজ করে চলেছি। সমাজের সর্বস্তরের মানুষই স্বয়ংসেবক হচ্ছেন। আর এই স্বয়ংসেবকরা পৌঁছে যাচ্ছেন সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে। তিনি বলেন, সর্ব প্রথম তাঁদের সমান সুযোগ দিতে হবে। এটা করতে আমরা বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নিয়েছি। প্রত্যেকে যাতে পরস্পরকে চেনেন, জানেন, সেজন্যও আমরা অনেক কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। তিনি বলেন, আমরা প্রতিটি জেলায় সামাজিক সদ্ভাব বৈঠকের আয়োজন করে চলেছি। আমাদের স্বয়ংসেবকরা সমাজের সঙ্গে কাজ করছে। অনেক প্রকল্প হাতে নিয়েছে, যাতে কেউ নিজেকে অসহায় মনে না করেন অথবা কারও কোনও অভাব না থাকে। তিনি বলেন, স্বয়ংসেবকরা বহুমুখী কাজ করছেন যাতে করে সাম্যের পরিবেশ গড়ে ওঠে, সবাই সমান সুযোগ পান।  

    আরও পড়ুন: বর্ণ ও জাতিভেদ প্রথা লুপ্ত হোক, চান আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত

    ২০২৫ সালে শতবর্ষপূ্র্তি পালন করবে সংঘ (RSS)। সে প্রসঙ্গে সুনীল আম্বেকর বলেন, সবার কল্যাণার্থে সংঘ যেসব কাজ করছে, তার সুফল যাতে সবাই ভোগ করতে পারেন, সেজন্য দেশের সর্বত্র আমাদের উপস্থিতি প্রয়োজন। ২০২৪ সালের মধ্যে তা করাই আমাদের লক্ষ্য। তার আগে পর্যন্ত আমাদের স্বয়ংসেবকরা দ্রুত সেই সব জায়গায় পৌঁছে যাবেন, যেখানে আমাদের উপস্থিতি নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • CTET 2022: কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়গুলির জন্য ‘সি-টেট’ এর দরখাস্ত নেওয়া শুরু ৩১ শে অক্টোবর থেকে

    CTET 2022: কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়গুলির জন্য ‘সি-টেট’ এর দরখাস্ত নেওয়া শুরু ৩১ শে অক্টোবর থেকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৬ তম সেন্ট্রাল টেট পরীক্ষার দরখাস্ত নেওয়া শুরু হবে ৩১ শে  অক্টোবর ২০২২ থেকে। চলবে ২৪ শে নভেম্বর অবধি। এই পরীক্ষার দ্বারা কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনস্থ কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়, নবোদয় বিদ্যালয় ও তিব্বতী স্কুল গুলিতে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণীর স্তর অবধি শিক্ষক- শিক্ষিকা হওয়া যাবে। কয়েক শো’ শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ করা হবে এই পরীক্ষার দ্বারা।

    যোগ্যতা

    নিম্নলিখিত গুলির মধ্যে যে কোনো একটি যোগ্যতা থাকলেই এই পরীক্ষায় বসা যাবে।

    প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণীর ক্ষেত্রে

    ১) মোট অন্তত ৫০% ( তপশিলি , ওবিসি দের জন্য ৪৫%) নম্বর পেয়ে যেকোন শাখার উচ্চমাধ্যমিক পাশরা  ২ বছরের ডি এল এড   কোর্স পাশ হলে।

    ২) মোট ৫০ শতাংশ নম্বর সহ ( তপশিলি , ওবিসি দের জন্য ৪৫%) যে কোন শাখায় উচ্চমাধ্যমিক পাশরা ডিপ্লোমা ইন এডুকেশন ( স্পেশাল এডুকেশন) এর ২ বছরের কোর্স পাশ হলে অথবা পাঠরত থাকলে।

    ৩) যে কোন শাখার গ্রাজুয়েটরা বিএড কোর্স পাশ হলে বা পাঠরত থাকলে।

     ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণীর ক্ষেত্রে 

    ১) ডিগ্রি কোর্স পাশরা ,এলিমেন্টারি এডুকেশন এর উপর ২ বছরের ডিপ্লোমা কোর্স পাশ বা এ বছরের ফাইনাল পরীক্ষার্থী হলে।
    ২) মোট অন্তত ৫০% ( তপশিলি , ওবিসি দের জন্য ৪৫%) নম্বর সহ ডিগ্রি কোর্স পাশরা ১ বছরের বিএড কোর্স পাশ হলে।

    ৩) মোট অন্তত ৫০% নম্বর সহ  উচ্চমাধ্যমিক পাশরা চারবছরের বিএ/বিএসসি (এড)/ করে থাকলে।

    এবছরের ফাইনাল ইয়ারের পরীক্ষার্থীরাও এই পরীক্ষার জন্য যোগ্য হবে। যদি ঐ একই শতাংশ নম্বর পাওয়ার বিষয়ে তারা নিশ্চিত থাকেন।

    পরীক্ষা হবে কলকাতা, দুর্গাপুর, আগরতলা ,গ্যাংটক, সম্বলপুর, ভুবনেশ্বর, রাঁচি, ধানবাদ, বোকারো, শিলচর, গুয়াহাটি ,পাটনা এবং গয়া তে। প্রশ্ন হবে বাংলা ,ইংরেজি, হিন্দি ,অসমীয়া সহ দেশের কুড়িটি আঞ্চলিক ভাষায়। যেকোনো দুটি ভাষায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাওয়া যাবে। আড়াই ঘন্টার এই পরীক্ষা হবে সকাল সাড়ে নটা থেকে দুপুর বারোটা পর্যন্ত। দ্বিতীয় পেপারে আবার আড়াই ঘন্টার পরীক্ষা হবে। দুপুর আড়াইটা থেকে বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত। নেগেটিভ মার্কিং নেই। এমসিকিউ প্রশ্ন আসবে। পরীক্ষা হবে দেড়শো নম্বরের। বিস্তারিত তথ্য পেতে ক্লিক করুন এই ওয়েবসাইটে www.ctet.nic.in

  • Saradha Scam: ৯ নভেম্বর নিলামে সারদা-র সম্পত্তি, আপনার টাকা আছে?

    Saradha Scam: ৯ নভেম্বর নিলামে সারদা-র সম্পত্তি, আপনার টাকা আছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের খবরের শিরোনামে সারদাকাণ্ড (Saradha scam)। চিটফান্ড সংস্থা সারদার বেআইনিভাবে তোলা অর্থ উদ্ধার করতে সম্পত্তি নিলাম করা হবে, তা আগেই জানা গিয়েছিল, তবে এই নিলামের দিন আরও বাড়িয়ে দেওয়া হল। এর আগে জানা গিয়েছিল, ১ নভেম্বর সারদার সম্পত্তির নিলাম করা হবে। কিন্তু পরে বাজার নিয়ামক সংস্থা সিকিউরিটিস অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অফ ইন্ডিয়া-র (সেবি) তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়, চলতি বছরের ৯ নভেম্বর সম্পত্তির ই-নিলাম করা হবে।

    এই নিয়ে দুবার নিলামের দিন পিছিয়ে দেওয়া হল। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এবার উৎসবের মরশুম এবং আগের নির্ধারিত নিলামের দিনে ব্যাংক ছুটির কারণে অগ্রিম (আর্নেস্ট মানি ডিপোজিট) জমা দেওয়ার জন্য আরও সময় চেয়ে বিডারদের স্বার্থ বিবেচনা করে, দিন  বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ই-নিলামের (Saradha scam) শেষ তারিখ ৯ নভেম্বর, সেবি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে। আরও জানানো হয়েছে, নিলামের ডাকে অংশ নিতে অগ্রিম জমা দেওয়ার শেষ দিন ৩ নভেম্বর।

    সারদা মামলায় (Saradha scam) এখনও বহু আমানতকারী টাকা ফেরত পায়নি। সেই সমস্ত আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য কলকাতা হাইকোর্ট সারদা মামলা পাঠায় অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শৈলেন্দ্রপ্রসাদ তালুকদারের কমিটির কাছে। সারদা কেলেঙ্কারি প্রকাশ্যে আসার পরেই তদন্ত করেছে সিবিআই, ইডি এবং রাজ্যের একাধিক তদন্তকারী সংস্থা। এই সমস্ত তদন্তকারী সংস্থার হাতে সারদার টাকা এবং সম্পত্তি আছে। সেই সমস্ত অর্থ এবং সম্পত্তি তালুকদার কমিটির হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। আবেদনকারীদের আইনজীবী অরিন্দম দাস জানান, বিচারপতি আইপি মুখার্জি এবং বিচারপতি শুভেন্দু সামন্তের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে এই সমস্ত স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজার নিয়ামক সংস্থা সেবির মাধ্যমে বিক্রি করবে তালুকদার কমিটি। এরপর সেই টাকা আমানতকারীদের ফেরাতে পদক্ষেপ নেবে কমিটি।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, সারদা গ্রুপ অফ কোম্পানির (Saradha scam) ৬৯টি সম্পত্তি নিলাম করা হবে। সবমিলিয়ে এগুলির সর্বনিম্ন দাম ৩০ কোটি টাকা। এই সম্পত্তিগুলি পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরে ছড়িয়ে আছে। বেআইনি প্রকল্পের মাধ্যমে সারদা জনগণের কাছ থেকে যে অর্থ সংগ্রহ করেছে, তা উদ্ধার করতেই সেবি-র এই উদ্যোগ। এছাড়াও সেবি C1 ইন্ডিয়াকে ই-নিলাম প্রদানকারী হিসাবে নিয়োগ করেছে ও অনলাইন রেজিস্ট্রেশন এবং ই-নিলাম Quikr Realty-র মাধ্যমে পরিচালিত করা হবে বলে জানানো হয়েছে। আবার বিডারদের তাদের বিড জমা দেওয়ার আগে নিলামে রাখা সম্পত্তির দায়বদ্ধতা, মামলা, সংযুক্তি, অধিগ্রহণের দায় সম্পর্কে তাদের নিজস্ব তদন্ত করার জন্য বলা হয়েছে।  

    প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের আগে পর্যন্ত সক্রিয় ছিল এই চিটফান্ড  সংস্থা (Saradha scam)। সারদা গ্রুপ অফ কোম্পানি, ২৩৯ টিরও বেশি বেসরকারী সংস্থার একটি কনসোর্টিয়াম, খুব অল্প সময়ের মধ্যে প্রায় ১৭ লাখ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করেছে সারদা। সূত্রের খবর অনুযায়ী, প্রায় ১৭ লক্ষ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে প্রায় ৪০০০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছিল এই সংস্থা। ঘটনায় অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তির নামও জড়ায়। তদন্তভার হাতে নিয়ে তাঁদের মধ্যে কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই।

     

  • SSC Job Alert: জিডি কনস্টেবল পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি স্টাফ সিলেকশন কমিশনের, শূন্যপদ ২৪,৩৬৯

    SSC Job Alert: জিডি কনস্টেবল পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি স্টাফ সিলেকশন কমিশনের, শূন্যপদ ২৪,৩৬৯

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি (SSC Job Alert) জারি করেছে স্টাফ সিলেকশন কমিশন (Staff Selection Commission)। প্রথম ও দ্বিতীয় বিভাগে মোট ২৪,৩৬৯ টি শূন্যপদে জিডি কনস্টেবল নিয়োগ করা হবে। আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে ২৭ অক্টোবর। চলবে ৩০ নভেম্বর অবধি। জিডি কনস্টবল পরীক্ষার মাধ্যমে এসএসসি সীমান্ত রক্ষা বাহিনী (BSF), কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (CAPF), এসএসএফ (SSF), আসাম রাইফেলে রাইফেলধারী সৈনিক এবং নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরোর সেপাই পদে প্রার্থীদের নিয়োগ করা হয়। ২০২৩- এর জানুয়ারি মাসে নেওয়া হবে অনলাইন পরীক্ষা। 

    এই বিষয়ে জেনে নিন কিছু তথ্য।

    শূন্যপদের সংখ্যা: মোট ২৪,৩৬৯ টি শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে।  

    নিয়োগ প্রক্রিয়া: এই পদে নিয়োগের জন্য প্রার্থীদের তিনটি স্তরের পরীক্ষা দিতে হয়। প্রথমে অনলাইনে একটি কম্পিউটার-নির্ভর পরীক্ষা দিতে হয়। ওই পরীক্ষায় পাশ করলে পরীক্ষার্থীদের শারীরিক সক্ষমতা যাচাই করা হবে। তারপর হবে পরীক্ষার্থীদের মেডিক্যাল পরীক্ষা।

    আরও পড়ুন: ২০২১ সালে ভারতে যক্ষ্মা আক্রান্ত ২১.৪ লক্ষ, জানাল হু 

    যোগ্যতা: এই পদে আবেদন করতে হলে পরীক্ষার্থীদের কোনও স্বীকৃত বোর্ড থেকে দশম শ্রেণি পাশ হতে হবে। পরীক্ষার্থীদের ভারতীয় নাগরিক হতে হবে। তাঁদের নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র দেখাতে হবে।  

    বয়সসীমা: পরীক্ষার্থীদের এই পদে আবেদন জানানোর জন্য ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর এবং সর্বোচ্চ বয়স ২৩ বছর হতে হবে। এ ছাড়া, এসসি/এসটি প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ৫ বছর ওবিসি প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ৩ বছর, প্রাক্তন সেনাকর্মীদের ক্ষেত্রে ৩ বছর, ১৯৮৪-র দাঙ্গা বা ২০০২-এর গুজরাত দাঙ্গায় মৃত অসংরক্ষিত ক্যাটেগরির ব্যক্তিদের আত্মীয় ও সন্তানদের ক্ষেত্রে ৫ বছর, ১৯৮৪-র দাঙ্গা বা ২০০২-এর গুজরাট দাঙ্গায় মৃত ওবিসি ক্যাটেগরির ব্যক্তিদের আত্মীয় ও সন্তানদের ক্ষেত্রে ৮ বছর, ১৯৮৪-র দাঙ্গা বা ২০০২-এর গুজরাট দাঙ্গায় মৃত এসসি/ এসটি ক্যাটেগরির ব্যক্তিদের আত্মীয় ও সন্তানদের ক্ষেত্রে ১০ বছরের বয়সের ছাড় দেওয়া হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Amit-Mamata Meet: নবান্নে এখনই বৈঠক হচ্ছে না অমিত শাহ- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের, বাতিল হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাংলা সফর

    Amit-Mamata Meet: নবান্নে এখনই বৈঠক হচ্ছে না অমিত শাহ- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের, বাতিল হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাংলা সফর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন আগেই শোনা গিয়েছিল নবান্নে মুখোমুখি সাক্ষাৎ হতে পারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। কিন্তু শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী আপাতত রাজ্যে আসছেন না অমিত শাহ। রাজ্যে মূলত পূর্বাঞ্চলীয় কাউন্সিলের বৈঠকে যোগ দিতে আসার কথা ছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। কিন্তু অন্যান্য কর্মসূচি থাকায় বাতিল করেছেন পূর্বাঞ্চলীয় রিজিওনাল কাউন্সিলের বৈঠক। কবে হবে সেই বৈঠক, তা এখনও ঠিক করা হয়নি। আর সেই কারণেই এখন দেখা হচ্ছে না মুখ্যমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। ৫ নভেম্বর হওয়ার কথা ছিল পূর্বাঞ্চলীয় কাউন্সিলের বৈঠকে।      

    আগামী ৫ নভেম্বর পূর্বাঞ্চলীয় বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। অমিত শাহে পূর্বাঞ্চলীয় পরিষদের চেয়ারম্যান। তাই এই বৈঠকে নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল তাঁরই। কিন্তু ওই সময় অন্য বিষয়ে ব্যস্ত থাকবেন। সেই কারণে নির্ধারিত বৈঠক বাতিল করেছেন। পরবর্তীকালে কবে বৈঠক হবে তা অবশ্য তিনি সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনা করেই স্থির করবেন বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রের খবর।

    আরও পড়ুন: টেক অফের আগে আগুনের ঝলক, ইন্ডিগো বিমানে বিপত্তিতে বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশ ডিজিসিএর         

    পূর্বাঞ্চলীয় পরিষদের চেয়ারম্যান অমিত শাহ এবং ভাইস চেয়ারম্যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুজনের সম্পর্কের তিক্ততার কথা কারও অজানা নয়। পূর্বাঞ্চলীয় বৈঠকের পাশাপাশি মমতা- অমিত শাহের একটি আলাদা বৈঠক হওয়ারও কথা ছিল। এই নিয়ে রাজনৈতিক জল্পনাও হয় বিস্তর। সূত্রের খবর, নবান্নেই সেই বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অমিত শাহর রাজ্য সফর আপাতত বাতিল হওয়ায়, বাতিল হয়েছে বৈঠকও। 

    পূর্বাঞ্চলীয় পরিষদের সদস্য রাজ্যগুলি হল- পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ওড়িশা, অসম, ঝাড়খণ্ড ও সিকিম। পরিষদের বৈঠক হওয়ার কথা ছিল কলকাতায়। ২০২০ সালে  এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল ওড়িশায়। সেই বৈঠকে অমিত শাহের মুখোমুখী হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগে ২০১৯ সালে এই বৈঠক হয়েছিল এই রাজ্যের নবান্নে। সেই বৈঠকে তখন উপস্থিত ছিলেন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। 

    মূলত পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলির সীমান্ত নিরাপত্তা সংক্রান্ত আলোচনা নিয়ে এই বৈঠক হওয়ার কথা ছিল৷ অমিত শাহ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও বৈঠকে অংশ নিতে কলকাতায় আসার কথা ছিল বিহার, ওড়িশা, অসম, ঝাড়খণ্ড এবং সিকিমের মুখ্যমন্ত্রীদেরও৷

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • lpg distribution: গ্যাস সিলিন্ডার ডেলিভারি থেকে রেলওয়ে টাইম টেবিল! জেনে নিন নভেম্বরের ১ তারিখ থেকে বদলে যাওয়া নিয়মগুলি

    lpg distribution: গ্যাস সিলিন্ডার ডেলিভারি থেকে রেলওয়ে টাইম টেবিল! জেনে নিন নভেম্বরের ১ তারিখ থেকে বদলে যাওয়া নিয়মগুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১ নভেম্বর থেকে দেশের ১০০টি স্মার্ট শহরে নতুন নিয়মে গ্রাহকদের বাড়ি বাড়ি গ্যাস সরবরাহের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আগামী দিনে দেশজুড়ে নয়া ব্যবস্থা চালু করার ইঙ্গিত দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সেক্ষেত্রে অবাঞ্ছিত সমস্যা এড়াতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে গ্যাসের ডিলারদের কাছে যে ঠিকানা এবং ফোন নম্বর নথিভুক্ত আছে গ্রাহকদের তা একবার যাচাই করে দেওয়া প্রয়োজন। মোবাইল নম্বর আপডেট না করা থাকলে বা অসম্পূর্ণ বাড়ির ঠিকানার ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে সমস্যার মধ্যে পড়তে পারেন তাঁরা। এই ব্যবস্থা আপাতত শুধুমাত্র গার্হস্থ্য রান্নার গ‍্যাসের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে। রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার বাড়িতে পৌঁছে দিতে নয়া ব্যবস্থা চালু করেছে ইন্ডিয়ান অয়েল, ভারত পেট্রোলিয়াম-সহ বিভিন্ন তেল কোম্পানি। এর পোশাকি নাম দেওয়া হয়েছে DAC বা ডেলিভারি অথেনটিকেশন কোড। এই ব্যবস্থায় গ্রাহকের রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বরে একটি কোড পাঠানো হচ্ছে। ডেলিভারি পার্সন গ্যাস সিলিন্ডার বাড়িতে ডেলিভারির জন্য এলে গ্রাহককে তেল কোম্পানির পাঠানো সেই অথেনটিকেশন কোর্ড (OTP) তাঁকে জানাতে হবে। তেল কোম্পানির তরফে জানানো হয়েছে, এই দু’টি কোড মিললেই তবে গ্যাস সিলিন্ডার ডেলিভারি করা হবে। 

    আরও পড়ুন: প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছে শি জিনপিংয়ের জিরো-কোভিড টলারেন্স নীতি…   

    ভারতীয় রেলের নতুন টাইম টেবিল
    ১ নভেম্বর থেকে ভারতীয় রেলের নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, কয়েক হাজার ট্রেনের টাইম টেবিল পরিবর্তন হবে। তাই আপনি যদি ১ নভেম্বর বা তার পরে ট্রেনে যাত্রা করবেন বলে ভাবেন,তাহলে অবশ্যই যাত্রার সময় পরীক্ষা করে নিন। ১ নভেম্বর থেকে প্রায় ১৩ হাজার প্যাসেঞ্জার ট্রেন, ৭ হাজার মালগাড়ি এবং ৩০টি রাজধানী এক্সপ্রেসের সময় পরিবর্তন করা হচ্ছে।

     স্বাস্থ্য ও সাধারণ ইন্সিওরেন্স ক্লেইমের জন্য KYC বাধ্যতামূলক
    ইন্সিওরেন্স রেগুলেটরি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (IRDAI) ১ নভেম্বর থেকে বিমাকারীদের KYC করা বাধ্যতামূলক করতে পারে। এখনও পর্যন্ত, একটি নন-লাইফ ইন্সিওরেন্স পলিসি কেনার সময় KYC-র বিশদ বিবরণ দিতে হয়, যা আগামী ১ নভেম্বর থেকে বাধ্যতামূলক করা যেতে পারে। KYC সম্পর্কিত নিয়মগুলি নতুন ও পুরনো উভয় গ্রাহকদের জন্য বাধ্যতামূলক করা হতে পারে। এর আওতায় ইন্সিওরেন্স ক্লেইম করার সময় আপনি KYC নথি না দিলে আপনার ক্লেইম বাতিল হতে পারে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • SSC Scam: দুর্নীতি হচ্ছে জেনেও চুপ ছিলেন পার্থ-মানিক, আদালতে জানাল ইডি  

    SSC Scam: দুর্নীতি হচ্ছে জেনেও চুপ ছিলেন পার্থ-মানিক, আদালতে জানাল ইডি  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই ইডির জালে জড়িয়ে পড়ছেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য (Manik Bhattacharya)। শুক্রবার তাঁর বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযোগ করল ইডি (ED)। কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, অনলাইন ক্লাস পরিচালনার জন্য মানিকের ছেলে শৌভিকের সংস্থা এডুক্লাসেস অনলাইনকে ২ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছে। অনলাইন ক্লাসের নামে যে দুর্নীতি হচ্ছে, সে সম্পর্কে তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) সব জানতেন। মানিককে তিনি তা জানিয়েওছিলেন। তার পরেও দুর্নীতি রুখতে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলে অভিযোগ ইডির।

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থার দাবি, এডুক্লাসেসের মাধ্যমে পড়ুয়াপিছু নেওয়া হয় ৫০০ করে টাকা। ওই টাকা দিলেই মিলত অনলাইনে ক্লাসের ছাড়পত্র। পলাশিপাড়ার বিধায়কের এসব কাজকর্ম সম্পর্কে সবই জানতেন পার্থ। তার পরেও চোখ বুজে ছিলেন। এদিন, আদালতে নথি জমা দিয়ে ইডির আধিকারিকরা বলেন, ২০২০ সালের পয়লা এপ্রিল থেকে ২০২১ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত অল বেঙ্গল টিচার্স ট্রেনিং অ্যাচিভার্স অ্যাসোসিয়েশনের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে এডুক্লাসেসের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দফায় দফায় মোট ২ কোটি ৪৭ লক্ষ টাকা পাঠানো হয়েছে অনলাইন ক্লাসের জন্য। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, সব জেনেশুনেও মানিককে নিরস্ত করেননি পার্থ। অনলাইন ক্লাসের নামে পড়ুয়াদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া বন্ধেও কোনও পদক্ষেপ করেননি তিনি। মানিকও দিব্যিই ছিলেন।

    আরও পড়ুন: মৃত ব্যক্তির সঙ্গে জয়েন্ট অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকা মানিকের স্ত্রীর! বিস্ফোরক ইডি

    ইডির আরও দাবি, পলাশিপাড়ার তৃণমূল বিধায়কের পরিবারের একাধিক সদস্যের সন্দেহজনক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। মানিকের স্ত্রীর সঙ্গে জনৈক মৃত্যঞ্জয় চট্টোপাধ্যায়ের জয়েন্ট অ্যাকাউন্টের হদিশ মিলেছে। ২০১৬ সালে প্রয়াত হন মৃত্যুঞ্জয়। কিন্তু তাঁর সঙ্গে এখনও জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট রয়েছে তৃণমূল বিধায়কের স্ত্রীর। এ থেকে এটাও স্পষ্ট, মৃত্যুঞ্জয়ের প্রয়াণের পরেও তাঁর কেওয়াইসি আপডেট এবং প্যানকার্ড ব্যবহার করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, এই মামলায় চার্জশিট দিয়ে পার্থ ও মানিকের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের বিষয়টি আগেই প্রকাশ্যে এনেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share