Blog

  • Sukanta Majumdar: ‘মাধ্যমিকে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে দুর্নীতির কারণেই’, দাবি সুকান্তের

    Sukanta Majumdar: ‘মাধ্যমিকে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে দুর্নীতির কারণেই’, দাবি সুকান্তের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতির (Scam) কারণেই কমেছে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা। অন্তত এমনই দাবি করলেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। বৃহস্পতিবার হুগলিতে একটি কর্মসূচিতে যোগ দিতে এসেছিলেন সুকান্ত। সেখানেই তিনি বলেন, অভিভাবকরা ভয় পেয়েছেন। রাজ্য সরকারি স্কুল ও মধ্যশিক্ষা পর্ষদের ওপর তাঁদের আর কোনও আস্থা নেই। সেই কারণেই ছেলেমেয়েদের অন্যান্য বোর্ড এবং বেসরকারি স্কুলে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। সবই রাজ্যের শিক্ষা দুর্নীতির ফল।

    পর্ষদের ব্যাখ্যা…

    বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে চলতি বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষা। পর্ষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি বছর মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমে গিয়েছে প্রায় ৪ লক্ষ। এ বছর মাধ্যমিক পরীক্ষা দিচ্ছে ৬ লক্ষ ৯৮ হাজার ৯২৮ জন। পরীক্ষার্থীর সংখ্যা হ্রাসের কারণ হিসেবে পর্ষদের ব্যাখ্যা, করোনা-উত্তর পরিস্থিতিতে হয়তো পড়ুয়াদের একাংশ পরীক্ষায় বসছে না। অষ্টম ও নবম শ্রেণিতে যে গ্যাপ তৈরি হয়েছিল, সেই গ্যাপের কারণেই এটি হতে পারে বলে ব্যাখ্যা ছিল পর্ষদের। পর্ষদের এও ব্যাখ্যা, ২০১৭ সালের অ্যাডমিশন রুলসে কিছু পরিবর্তন করা হয়েছিল। সেই বছর তিনটি বিজ্ঞপ্তি বেরিয়েছিল ২০১৭ সালের ভর্তির জন্য। ২০১৭ সালের বিজ্ঞপ্তিতে ফ্লেক্সিবিলিটির জায়গাটি বাদ গিয়েছিল। যার ফলে একটি বড় সংখ্যক পড়ুয়া অ্যাডমিশন নিতে পারেনি। সেটিও একটি কারণ হতে পারে। কারণ ২০১৭ সালে যারা ক্লাস সিক্সে ভর্তি হয়েছিল, তারাই এবার দিচ্ছে মাধ্যমিক পরীক্ষা।

    আরও পড়ুুন: ‘শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে আমি মাঝের সেই গুরুকে চাই’, সিবিআইকে বললেন বিচারক

    সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, পর্ষদ কোভিডের ঘাড়ে বন্দুক রাখতে চাইছে। আমি তো আগেই বলেছি, আমাদের মুখ্যমন্ত্রীর একটি বড় হাত হল অজুহাত। তিনি বলেন, অন্যান্য রাজ্যে কিন্তু করোনার পর কমেনি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা। বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) বলেন, শিক্ষা দুর্নীতির জেরে পশ্চিমবঙ্গের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে। অভিভাবকরা তাঁদের ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত। তিনি বলেন, গত ১১-১২ বছরে সরকারি স্কুলগুলির পরিকাঠামো তলানিতে এসে ঠেকেছে। ফুলে ফেঁপে উঠছে বেসরকারি স্কুলগুলির ব্যবসা। বিজেপির রাজ্য সভাপতির অভিযোগ, পরিকল্পনা মাফিক সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা নষ্ট করে দেওয়া হচ্ছে। যাতে বেসরকারি স্কুলের মালিকরা আরও বেশি করে মুনাফা লুঠতে পারেন। এটি একটি বিরাট চক্রান্ত, বলছেন সুকান্ত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

        

     

  • ISSF World Cup: শ্যুটিং বিশ্বকাপে ব্রোঞ্জ বাঙালি কন্যা তিলোত্তমার, সোনা জয় ঐশ্বরীর, পদক জয়ের শীর্ষে ভারত

    ISSF World Cup: শ্যুটিং বিশ্বকাপে ব্রোঞ্জ বাঙালি কন্যা তিলোত্তমার, সোনা জয় ঐশ্বরীর, পদক জয়ের শীর্ষে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বাঙালি ক্রীড়াবিদের জয়জয়কার বিদেশের মাটিতে। কায়রোতে চলছে আইএসএসএফ শ্যুটিং বিশ্বকাপ। আর সেই বিশ্বকাপে ১০ মিটার এয়ার রাইফেল ইভেন্টে ভারতকে ব্রোঞ্জ এনে দিল ১৪ বছরের তিলোত্তমা সেন। জানা গিয়েছে, কোয়ালিফিকেশন রাউন্ডে রুমিতা এবং নর্মদা নামে আরও দুই ভারতীয় শ্যুটার ছিল। কিন্তু যোগ্যতা অর্জন করেন তিলোত্তমা এবং রমিতা। আর এই দুজনের মধ্যে তিলোত্তমা শেষ পর্যন্ত ২৬২ পয়েন্ট পেয়ে ব্রোঞ্জ পদক জিতে নিয়েছে। অন্যদিকে আইএসএসএফ বিশ্বকাপে পদক পাওয়ার ক্ষেত্রে শীর্ষ স্থানে রয়েছে ভারত। ভারতীয় ক্রীড়াবিদরা চারটি স্বর্ণ পদক ও তিনটি ব্রোঞ্জ পদক এনে দিয়েছে দেশকে।

    বিশ্ব মঞ্চে বাঙালির জয়গান!

    ইজিপ্টের রাজধানী কায়রোতে বসেছে এই শ্যুটিং বিশ্বকাপের আসর। সেখানেই তার পারফরম্যান্সের মধ্যে দিয়ে সকলের নজর কাড়লেন এই তরুণী শ্যুটার। সূত্রের খবর, তিলোত্তমা বাঙালি হলেও সে বাংলায় থাকে না, থাকে বেঙ্গালুরুতে। তবে বাংলায় না থাকলেও তিলোত্তমা সেনের এই জয় কার্যত বাঙালিকে যে গর্বিত করে তুলেছে, সে ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই।

    ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে সোনা জিতেছেন গ্রেট ব্রিটেনের সিওনেড ম্যাকিনটস। দ্বিতীয় স্থানে শেষ করেছেন সুইজারল্যান্ডের নিনা ক্রিস্টেন। তিলোত্তমা ছাড়াও এই ইভেন্টে লড়াই করেছেন আরও দুই ভারতীয়। লড়াই করেছেন নর্মদা রাজু এবং রমিতা জিন্দাল। নর্মদা চলতি বিশ্বকাপে সপ্তম স্থানে ও রমিতা শেষ করেছেন চতুর্থ স্থানে। অন্যদিকে রমিতার থেকে সামান্য একটু বেশি স্কোর করে তৃতীয় হয়েছেন তিলোত্তমা‌। তিনি স্কোর করেছেন ২৬২ পয়েন্ট।

    সোনা জিতলেন ভারতীয় শ্যুটার ঐশ্বরী প্রতাপ সিং তোমার

    শ্যুটিং বিশ্বকাপে পুরুষদের ৫০ মিটার রাইফেল থ্রি পজিশনে সোনার পদক জিতে নিলেন ভারতের ঐশ্বরী প্রতাপ সিংহ তোমার। শ্যুটিং বিশ্বকাপ থেকে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার পদক জিতলেন ঐশ্বরী। ২০২১ সালে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত এই ইভেন্ট থেকেই সোনা জিতেছিলেন ঐশ্বরী। সোনা জয়ের ম্যাচে তিনি হারিয়ে দেন আলেকজান্ডার স্কিমরিলকে। খেলার ফল ঐশ্বরীর পক্ষে ১৬-৬।

    আইএসএসএফ বিশ্বকাপে পদক জয়ের শীর্ষে ভারত

    মিশরের কায়রোতে ২০২৩ ইন্টারন্যাশনাল শ্যুটিং স্পোর্ট ফেডারেশন বিশ্বকাপে ভারত চারটি সোনা এবং তিনটি ব্রোঞ্জ নিয়ে মেডেল টেবিলের শীর্ষে রয়েছে। ঐশ্বরী প্রতাপ সিং তোমার পুরুষদের ৫০ মিটার রাইফেল থ্রি পজিশনে, রুদ্রাঙ্কশ বালাশেব পাটিল দুটি স্বর্ণ পদক, বরুণ তোমার এবং রিদিম সাংওয়ান জুটিতে ১০ মিটার এয়ার পিস্তল জিতে চতুর্থ স্বর্ণ পদক পেয়েছেন। আবার অনীশ ভানওয়ালা ২৫ মিটার দ্রুত ফায়ার পিস্তলে, বরুণ তোমার পুরুষদের ১০ মিটার এয়ার পিস্তলে ও তিলোত্তমা সেন মহিলাদের ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছেন।

    অন্যদিকে, মাত্র দুটি সোনা ও একটি রূপা পেয়ে হাঙ্গেরি দ্বিতীয় স্থানে শেষ করেছে। একটি সোনা ও একটি রূপা নিয়ে তৃতীয় হয়েছে ইতালি। পরবর্তী আইএসএসএফ বিশ্বকাপ ভারতের ভোপালে হতে চলেছে, যা ২০ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত হবে।

  • Venus: ক্রমশই পরিবর্তিত হচ্ছে শুক্র গ্রহের পৃষ্ঠতল! পৃথিবীর ওপর এর কী প্রভাব? জানুন বিস্তারিত

    Venus: ক্রমশই পরিবর্তিত হচ্ছে শুক্র গ্রহের পৃষ্ঠতল! পৃথিবীর ওপর এর কী প্রভাব? জানুন বিস্তারিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাকাশ বিজ্ঞানীদের কাছে নতুনভাবে গবেষণার বিষয় হয়ে উঠেছে শুক্রগ্রহ (Venus)। রাতের আকাশে আমরা যাকে শুকতারা বলে চিনি। বিজ্ঞানীরা বলছেন, শুক্রগ্রহ (Venus) ক্রমশই কাছে আসছে পৃথিবী এবং চাঁদের। এই গ্রহের আরও বেশি রহস্য আগামীতে উন্মোচন হতে চলেছে বলেই ধারণা গবেষকদের। পৃথিবীর মতোই পাথুরে এই গ্রহ। অনেকে তাই একে পৃথিবীর যমজ গ্রহ বলেন। শুক্রগ্রহের (Venus) পৃষ্ঠের অনেককিছুই পরিবর্তিত হচ্ছে বলছেন গবেষকরা। ১৯৯০ সাল থেকই ভালোভাবে চলছে শুক্রগ্রহের (Venus) উপর গবেষণার কাজ। ম্যাগেলান মহাকাশযানের মাধ্যমে তখন থেকেই জানার চেষ্টা চলছে এই গ্রহের তাপ প্রবাহ ঠিক কেমন! জীবের বেড়ে ওঠার পক্ষে তা অনুকূল কিনা! পৃথিবী এবং শুক্রগ্রহ অনেকটাই একরকমের। গবেষকার তাই অনুসন্ধান চালাচ্ছেন যে পৃথিবী যে পদ্ধতিতে তাপ বিকিরণ করে শুক্রগ্রহের তাপ বিকিরণের পদ্ধতিটা ঠিক কেমন!

    কী বলছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা

    জনৈক মহাকাশ বিজ্ঞানীর কথায়, এতদিন অবধি আমাদের ধারণা ছিল শুক্রের (Venus) লিথোস্ফিয়ার খুব পুরু। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে আমাদের আরও বেশি গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে পৃথিবীর এই যমজ গ্রহ সম্পর্কে। কারণ যত বেশি এই গ্রহের রহস্য উন্মোচিত হচ্ছে ততই আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাচ্ছে।

    পৃথিবীর কেন্দ্র অত্যন্ত উত্তপ্ত। এই তাপ লিথোস্ফিয়ার পর্যন্ত আসে এবং তারপর বিকিরিত হয়। শুক্রগ্রহের (Venus) ক্ষেত্রে তাপের বিকিরণ কীভাবে হয় সেটাই এখন জানা চেষ্টা করছেন গবেষকরা।

    গবেষকরা বলছেন, শুক্রগ্রহ (Venus) আমাদের জানার সুযোগ করে দিয়েছে যে ঠিক ২৫০ কোটি বছর আগে পৃথিবী ঠিক কেমন ছিল। 

    প্রসঙ্গত বিশ্বের অনেক দেশই এখন কৌতুহলী হয়ে উঠেছে পৃথিবীর এই যমজ গ্রহের হালচাল জানতে। পিছিয়ে নেই আমাদের দেশও, সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, শুক্র গ্রহের রহস্য উন্মোচন করতে নেওয়া হবে বেশ কতকগুলি মিশন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Delhi Liquor Policy: কেজরির দুয়ারে ইডি! এবার জেরা মুখ্যমন্ত্রীর আপ্ত সহায়ককে, কেন জানেন?

    Delhi Liquor Policy: কেজরির দুয়ারে ইডি! এবার জেরা মুখ্যমন্ত্রীর আপ্ত সহায়ককে, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির আবগারি নীতি (Delhi Liquor Policy) মামলায় এবার মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) আপ্ত সহায়ক বিভব কুমারকে জিজ্ঞাসাবাদ করল ইডি (ED)। বিভব  কেজরিওয়ালের ঘনিষ্ঠ সহচর। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার বিভবকে দিল্লির আবগারি নীতি ও তৎপরবর্তীকালে ঘুষ নিয়ে মদের দোকানের লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগেই জেরা করা হয়েছে। সম্প্রতি এই মামলায়ই দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই। তল্লাশি চালানো হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়েও। এবার খোদ মুখ্যমন্ত্রীর আপ্ত সহায়ককে তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করতে শুরু করল ইডি।

    ইডির দাবি…

    ইডির দাবি, প্রায় ১০০ কোটি টাকা ঘুষ নেওয়া হয়েছিল। প্রমাণ লোপাট করতে ইতিমধ্যেই নষ্ট করা হয়েছে ১৭০টি ফোন। কিছু দিন আগেই তদন্তকারীরা জানিয়েছিলেন, লাইসেন্সের (Delhi Liquor Policy) বিনিময়ে নেওয়া ঘুষের অর্থের প্রমাণ লোপাট করার চেষ্টা চলছে। ওই কাজে অন্তত ৩৬ জন যুক্ত বলেও অভিযোগ ইডির। এই ৩৬ জনের মধ্যেই রয়েছেন মনীশ এবং বিভব। সেই সূত্রেই এদিন জেরা করা হয় বিভবকে।

    আবগারি নীতিকাণ্ডে ইতিমধ্যেই দুটি চার্জশিট জমা দিয়েছে ইডি। তাতে বলা হয়েছে, অন্তত ৩৬ জন অভিযুক্ত লেনদেন ও বেআইনি কারবার গোপন করতে ঘন ঘন মোবাইল সেট বদল করতেন। ওই তালিকায় দিল্লির আবগারি মন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়া ও কেজরিওয়ালের পিএ বিভব কুমারের নামও রয়েছে। গোয়েন্দাদের বক্তব্য, আবগারি নীতি (Delhi Liquor Policy) তৈরির প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়ালও। সেই কাজে তাঁর ফ্রন্টম্যান ছিলেন বিভব। গোয়েন্দাদের আরও দাবি, আবগারি নীতির খসড়ার কপি মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি থেকে এনে সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন বিভবই। বিজেপির দাবি, এই কাণ্ডে আসল চক্রী মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল। এদিন তাঁরই আপ্ত সহায়ককে জেরা করা হল।

    আরও পড়ুুন: ‘শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে আমি মাঝের সেই গুরুকে চাই’, সিবিআইকে বললেন বিচারক

    প্রসঙ্গত, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে দিল্লির ক্ষমতা দখল করেছিল কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি। সরকার জানিয়েছিল, নয়া আবগারি নীতিতে মদের কালোবাজারি কমবে, শায়েস্তা হবে মদ মাফিয়ারা। এর আগে দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়ার বাড়িতে হানা দিয়েছে সিবিআই। দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর বিনয় কুমার সাক্সেনা আগেই আবগারি নীতি নিয়ে সিবিআই তদন্তের সুপারিশ করেছিলেন। তাঁর দাবি ছিল, দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী আবগারি নীতিতে দুর্নীতিতে সরাসরি যুক্ত এবং বিভিন্ন ব্যক্তিকে এই আবগারি নীতির মাধ্যমে সুযোগ সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে তিনি নিজেও আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • Methi: হার্ট ভাল রাখা থেকে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ! জানেন আর কী কী স্বাস্থ্যগুণ রয়েছে মেথির?

    Methi: হার্ট ভাল রাখা থেকে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ! জানেন আর কী কী স্বাস্থ্যগুণ রয়েছে মেথির?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেথি (Methi) একধরনের  ভেষজ উপাদান। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রথমদিকে মেথি কেবলমাত্র এশিয়া মহাদেশেই পাওয়া যেত কিন্তু এখন ভারত, উত্তর আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য, ফ্রান্স, স্পেন এবং আর্জেন্টিনা সহ বিশ্বের অন্যান্য দেশেও পাওয়া যায়।

    এই ভেষজ প্রাচীনকালে পৃথিবীতে চিকিৎসার কাজে ব্যবহার করা হত। প্রায় ৪ হাজার খ্রীষ্টপূর্বাব্দ থেকে মেথির ব্যবহারের বিষয়ে জানা যায়। এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা।  এর বীজ খুবই পুষ্টিকর এবং যা প্রায়শই রান্নায় ব্যবহৃত হয়।

    মেথির (Methi) ৮টি স্বাস্থ্য উপকারিতার বিষয়ে জানব

    ১. মেথি (Methi)  আপনার হার্টকে ভাল রাখে

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মেথির (Methi) আয়রন উপাদান হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভাল। পুষ্টিবিদদের মতে, বেশিরভাগ লোকেরা যখন আয়রন সমৃদ্ধ খাবারের কথা ভাবেন তখন মাংসের কথা ভাবেন, তবে এটি মেথির (Methi) মতো গাছপালা এবং বীজেও রয়েছে ভরপুর আয়রন।

    ২. মেথি (Methi) উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে 

    স্বাস্থ্যবিদরা বলছেন, কিছু বৈজ্ঞানিক গবেষণায় প্রমাণ হয়েছে মেথি রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরল কমাতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ এবং উচ্চ কোলেস্টেরল হৃদরোগের রোগের জন্য দুটি সবচেয়ে বড় ঝুঁকির কারণ।

    ৩. এটি প্রদাহ কমাতে পারে

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন মেথিতে (Methi) প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা দীর্ঘস্থায়ীভাবে প্রদাহ কমাতে সক্ষম।

    ৪. রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক রাখে মেথি (Methi)

    গবেষকরা বলছেন, মেথি (Methi) প্রায়শই রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণের জন্য এবং ডায়াবেটিস প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়। ডায়াবেটিস রোগীদের প্রতিদিন এককাপ গরমজলে ১০ গ্রাম মেথি মিশ্রিত করে খাওয়া উচিত, বলছেন স্বাস্থ্যবিদরা।

     

    ৫. মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য মেথি (Methi) অত্যন্ত ভাল

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন মেথি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। স্মৃতিশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে।

    ৬. অন্ত্রের স্বাস্থ্যের  জন্যও ভাল মেথি 

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন এবং ফাইবার, সবই মেথিতে পাওয়া যায়। ম্যাগনেসিয়াম হজমে সাহায্য করে। আয়রন পেটে অ্যাসিডের মাত্রাকে স্বাভাবিক রাখে। অর্থাৎ অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য মেথি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    ৭. সদ্য মায়েদের বুকের দুধ বাড়াতে সাহায্য করে মেথি

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সদ্য যাঁরা মা হয়েছেন তাঁদের বুকের দুধের বৃদ্ধি হতে পারে নিয়মিত মেথি (Methi) সেবনে।

    ৮. নিয়মিত মেথি (Methi) খাওয়া চুলের স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই ভাল

    গবেষণায় দেখা গেছে, মেথির নির্যাস খাওয়া চুলের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ভাল।

     

    DISCLAIMER: এই লেখাটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • SSC Scam: ‘শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে আমি মাঝের সেই গুরুকে চাই’, সিবিআইকে বললেন বিচারক

    SSC Scam: ‘শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে আমি মাঝের সেই গুরুকে চাই’, সিবিআইকে বললেন বিচারক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামকৃষ্ণের কথা শুনেছেন? ভক্ত এবং ভগবানের মাঝে কে থাকেন, জানেন ? গুরু থাকেন। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে আমি মাঝের সেই গুরুকে চাই। গুরু কে, আপনারা জানেন? বৃহস্পতিবার সিবিআইকে (CBI) একথা বললেন আলিপুরের বিশেষ সিবিআই আদালতের বিচারক অর্পণ চট্টোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার নিয়োগ দুর্নীতিতে (SSC Scam) ধৃত তাপস মণ্ডল, কুন্তল ঘোষ এবং নীলাদ্রি ঘোষকে অর্পণ চট্টোপাধ্যায়ের এজলাসে হাজির করে সিবিআই। তখনই বিচারক রামকৃষ্ণ প্রসঙ্গ টানেন। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সম্প্রতি যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের কেউ এজেন্ট, কেউ আবার মিডলম্যান হিসেবে কাজ করেছেন বলে অভিয়োগ। কিন্তু শেষমেশ টাকাটা কার হাতে যেত, চাকরিই বা দিতেন কে, সেটার ওপরই গুরুত্ব দিচ্ছে আদালত। নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে নাটের গুরুকে খোঁজার চেষ্টা করছে সিবিআই। এদিন সিবিআইয়ের তরফে বলা হয়, সেটাই খোঁজার চেষ্টা করছে তারা। বিচারক তখনই বলেন, চেনটা সম্পূর্ণ করুন।

    নিয়োগ দুর্নীতি…

    নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডের (SSC Scam) শুনানিতে এর আগে বিচারক সিবিআইকে বলেছিলেন, আপনারা পনির বাটার মশালা রাঁধতে চাইছেন, অথচ পনির নেই। তখনও মূল অভিযুক্তদের দিকেই ইঙ্গিত করেছিলেন বিচারক। এদিনও সেই প্রসঙ্গ টেনে সিবিআইয়ের আইনজীবী বলেন, অভিযুক্তরাই বলুক পনির কোথায়? এ কথার রেশ ধরে কুন্তলের আইনজীবী শেখ মেহেদি নওয়াজ বিচারককে বলেন, আপনারা পনিরের কথা বলছেন। আসলে তো আগুনটাই নেই! তার মানে সিবিআইয়ের তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনিও।

    আরও পড়ুুন: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ফের ‘গ্ল্যামার-যোগ’! সিবিআই স্ক্যানারে গোপাল দলপতির ‘মডেল স্ত্রী’ হৈমন্তী

    এদিন ধৃতদের জামিনের বিরোধিতা করেন সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, তিন অভিযুক্তকে মুখোমুখি বসানো হয়েছে। অনেক গুরুত্বপূর্ণ নাম উঠে এসেছে। অনেক প্রভাবশালীর নামও জানা গিয়েছে। এখন ধৃতদের জামিন দিলে তদন্ত প্রভাবিত হতে পারে। এর পরেই তাপস, কুন্তল ও নীলাদ্রিকে ৯ মার্চ পর্যন্ত জেল হেফাজতে পাঠান বিচারক। তাপসের শারীরিক পরিস্থিতিও গুরুত্ব দিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রয়োজনে চিকিৎসার বন্দোবস্ত করতে বলেন তিনি।

    নিয়োগ দুর্নীতিতে (SSC Scam) ধৃত তাপস সবার আগে কুন্তলের নাম ফাঁস করেছিলেন। সেই সূত্রে গ্রেফতার করা হয় কুন্তলকে। এদিন কুন্তল নাম নেন হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের। গোপাল দলপতি আবার কালীঘাটের কাকু সুজয় ভদ্রের নাম নিয়েছেন। সুজয় আবার বলেছেন তাঁর সাহেব অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এমতাবস্থায় আদালত ধরে আনতে বলছে গুরুকে। সেই নাটের গুরুর খোঁজই করছেন সিবিআইয়ের আধিকারিকরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • SSC Scam: নিয়োগ পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণদের জন্যও ‘ইন্টারভিউ’ নেওয়া হতো বিকাশ ভবনে! কুন্তলকে জেরা করে মিলল নানা তথ্য

    SSC Scam: নিয়োগ পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণদের জন্যও ‘ইন্টারভিউ’ নেওয়া হতো বিকাশ ভবনে! কুন্তলকে জেরা করে মিলল নানা তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির গোটা প্রক্রিয়ায় জড়িত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের যুবনেতা কুন্তল ঘোষ। এবার তাঁর নিজস্ব এজেন্টদেরও সন্ধান মিলল। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) সূত্রে খবর, শুধু তাপস মণ্ডল মারফতই নয়, ‘অযোগ্য চাকরিপ্রার্থী’ নিয়োগে কুন্তলের নিজস্ব এজেন্টদের তথ্যও তদন্তকারীদের হাতে এসেছে। এ রকম ২২ জনকে তাঁরা চিহ্নিত করেছেন।

    অনুত্তীর্ণদের জন্যও ‘ইন্টারভিউ’

    ইডি সূত্রে খবর, চাকরির পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণদের জন্যও ‘ইন্টারভিউ’ নেওয়া হতো বিকাশ ভবনে খোদ শিক্ষা দফতরের অফিসে। ইন্টারভিউ নিতেন কুন্তল। তাঁর সঙ্গে হাজির থাকতেন সরকারি কর্তারাও। ইন্টারভিউয়ের নামে কার্যত হতো চাকরি বিক্রির ‘ডিল’। সেই প্রক্রিয়া শেষে এসএসসি অফিস থেকে নিয়োগপত্র হাতে পেতেন অনুত্তীর্ণরা। নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে এসেছে বলে দাবি  অফিসারদের। এই ইন্টারভিউতে বসা অফিসারদের তালিকা তৈরি করে ফেলেছে ইডি। শীঘ্রই তাঁদের বয়ান রেকর্ড করা হবে বলে সূত্রের খবর। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, এক নেতার মাধ্যমে পার্থ–কুন্তল পরিচয় ঘটে। সেখান থেকেই কুন্তল চাকরি বিক্রির সিন্ডিকেটের সক্রিয় সদস্য হয়ে ওঠেন। নামের তালিকা পাঠাতেন তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রীকে। কুন্তলের তালিকার প্রার্থীদের অধিকাংশই টেট, নবম–দশম এবং একাদশ–দ্বাদশ শ্রেণিতে শিক্ষক পদে চাকরি পেয়েছেন। 

    আরও পড়ুন: কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চন্দন-যোগ! ‘‘বস্তা বস্তা টাকা গিয়েছে কলকাতায়’’, দাবি স্থানীয় তৃণমূল নেতার

    কুন্তলের এজেন্ট

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, বিভিন্ন জায়গায় কুন্তলের এজেন্টরা চাকরি করিয়ে দেওয়ার নাম করে ‘অযোগ্য’ প্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা তুলতেন। তার পর সেই টাকা তাঁরা পৌঁছে দিতেন কুন্তলের কাছে। এখনও পর্যন্ত ‘কুন্তলের হয়ে কাজ করা’ ২২ জন এজেন্টের হদিস পেয়েছেন তদন্তকারীরা। তাঁদের একে একে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সংস্থার ওই সূত্রের দাবি, চাকরির টাকা মূলত নগদে লেনদেন হয়েছে। হুগলির এক এজেন্ট জিজ্ঞাসাবাদের সময় ইডিকে জানিয়েছেন, কুন্তলকে তিনি ৩ কোটি ৪ লক্ষ টাকা দিয়েছেন। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় যে কুন্তলের একাধিক এজেন্ট ছিলেন, সে ব্যাপারেও এক প্রকার নিশ্চিত ইডির আধিকারিকেরা। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই কুন্তলের হয়ে কাজ করা ৯ জন এজেন্টকে তলব করা হয়েছে। বয়ান নেওয়া হচ্ছে তাঁদের। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৮ কোটি টাকার হিসাবের হদিস মিলেছে খবর তদন্তকারীদের সূত্রে। তদন্ত যত এগোবে, টাকার অঙ্ক আরও বাড়তে থাকবে বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা। কুন্তলের অবশ্য দাবি, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ফের ‘গ্ল্যামার-যোগ’! সিবিআই স্ক্যানারে গোপাল দলপতির ‘মডেল স্ত্রী’ হৈমন্তী

    Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ফের ‘গ্ল্যামার-যোগ’! সিবিআই স্ক্যানারে গোপাল দলপতির ‘মডেল স্ত্রী’ হৈমন্তী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে (Recruitment Scam) আবারও সামনে এল গ্ল্যামার-যোগ। পার্থ চট্টোপাধ্যায়-অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ‘অপা’ পর্ব দেখেছে রাজ্যবাসী। এবার সামনে এল অভিযুক্ত গোপাল দলপতির ‘মডেল’ স্ত্রী হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম। গতকালই, বোমা ফাটিয়েছেন এই মামলায় অভিযুক্ত যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ। তাঁর মুখেই উঠে এসেছিল ‘রহস্যময়ী’ হৈমন্তীর নাম। কুন্তলের দাবি, গোপালের দ্বিতীয় স্ত্রী এই হৈমন্তীর কাছেই নাকি রয়েছে যাবতীয় টাকা৷

    তদন্তকারীদের রেডারে ‘রহস্যময়ী’ হৈমন্তী

    তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, জেরায় কুন্তল জানিয়েছেন যে, হৈমন্তীর কথাতেই নাকি নিজের নাম বদলে ফেলেছিলেন গোপাল দলপতি। হয়েছিলেন আরমান গঙ্গোপাধ্যায়। হৈমন্তীর সঙ্গে পার্টনারশিপে কোম্পানিও খুলেছিলেন তিনি। কলকাতার ডালহৌসিতে থাকা সেই কোম্পানির নাম দিয়েছিলেন হৈমন্তী অ্যাগ্রো প্রাইভেট লিমিটেড। সেখানে ডিরেক্টর পদে ছিলেন স্বামী-স্ত্রী। কিন্তু, ন’বছর পর আচমকাই একদিন বন্ধ হয়ে যায় কোম্পানিটি। মুম্বইয়ের নরিম্যান পয়েন্টে থেকেও গুটিয়ে নেওয়া হয় দফতর৷ 

    সিবিআই সূত্রের খবর, গোপাল দলপতির ‘ঘনিষ্ঠ’ হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়। হৈমন্তী পেশায় মডেল। গোপাল ২০১৮ সালে গ্রেফতারের পর থেকে আলাদা থাকেন। আগে টালিগঞ্জ এলাকায় থাকতেন। গোপালের আগে বিয়ে হয়। সেই স্ত্রীকে ছেড়ে হৈমন্তীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন গোপাল দলপতি। যদিও কুন্তলের দাবি, গোপালের স্ত্রী হৈমন্তী।

    সিবিআই স্ক্যানারে গোপালের সম্পত্তি

    নিয়োগ দুর্নীতিতে (Recruitment Scam) গোপাল দলপতির সম্পত্তি এ বার সিবিআইয়ের স্ক্যানারে। সিবিআই সূত্রের খবর, গোপালের প্রায় ২৪টি জমির প্লট রয়েছে। প্লটগুলি রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি-সহ এ রাজ্যর বিভিন্ন জায়গায়। বেশিরভাগ জমি গোপালের স্ত্রী এবং স্ত্রীয়ের কোম্পানির নামে। মুম্বইতে হৈমন্তীর কোম্পানিতে গোপাল বিপুল পরিমান টাকা ট্রান্সফার করেছিল। এমনকী গোপালের বিপুল পরিমান জমিও হৈমন্তীর কোম্পানির নামে। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, এজেন্ট মারফত কোটি কোটি টাকা কুন্তলের থেকে গোপাল দলপতি মুম্বইতে নিজের স্ত্রীর কোম্পানির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করেছিলেন।

    সিবিআই জানতে পেরেছে, শুধুই দ্বিতীয় স্ত্রী হৈমন্তীর সঙ্গেই নয়, আরও পাঁচটি সংস্থা রয়েছে গোপালের৷ এখন প্রশ্ন, এত জমি কেনার টাকা কোথা থেকে পেলেন গোপাল? নিয়োগ দুর্নীতির কোটি কোটি টাকাতেই কি এই বিপুল সম্পত্তি গোপালের? পাশাপাশি নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে গোপালের ‘গ্ল্যামারাস স্ত্রী’ হৈমন্তীর ভূমিকাও খতিয়ে দেখছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। 

    বিয়ে প্রসঙ্গে কী জানাল হৈমন্তীর পরিবার? 

    হাওড়ার বাকসাড়া রোডে হৈমন্তীর বাপের বাড়ি। এই ঠিকানাতেই থাকে হৈমন্তীর পরিবার। হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের মাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, মেয়ে বহু বছর আগে গোপালের সঙ্গে প্রেম করে বিয়ে করেছিল। গোপালকে আমাদের পরিবার পছন্দ করে না তাই কোনও যোগাযোগ রাখি না। তবে, হৈমন্তীর মা অস্বীকার করলেও প্রতিবেশীরা জানাচ্ছেন, এই বাড়িতে হৈমন্তী আসেন। বিলাসবহুল গাড়িতে আসেন। অনেকবার দেখা গিয়েছে। কয়েকদিন আগেও নাকি এসেছেন।

    গোপাল দলপতির মা

    ‘নিখোঁজ’ গোপাল দলপতি

    বুধবার গোপাল দলপতিকে তলব করেছিল সিবিআই। যদিও, হাজিরা দেননি তিনি। তার পর থেকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না গোপাল দলপতিকে। এদিকে, গোপাল দলপতির আদিবাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের ২ নম্বর ব্লকের খিরিসবাড়ি গ্রামে। সেখানে একাই থাকেন তাঁর মা লক্ষ্মী দলপতি৷ ছেলের কীর্তি প্রকাশ্যে আসার পর গোপাল দলপতির মা জানান, এক ব্যক্তি চিঠি নিয়ে এসেছিল তাঁদের বাড়িতে। কিন্তু সেই চিঠিতে কী রয়েছে, তা তিনি জানেন না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Antony Blinken: মার্চে ভারতে আসছেন মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন, এই সফর কতটা তাৎপর্যের?

    Antony Blinken: মার্চে ভারতে আসছেন মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন, এই সফর কতটা তাৎপর্যের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে (India) আসছেন মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন (Antony Blinken)। মার্চ মাসের ১ তারিখে ভারতে আসবেন তিনি। এবার জি ২০ (G 20) সম্মেলনের আয়োজক দেশ ভারত। এরই অঙ্গ হিসেবে মার্চে হবে সদস্য দেশগুলির বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক। ওই বৈঠকে যোগ দিতেই ভারতে আসছেন ব্লিঙ্কেন। ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেটের তরফেই জানা গিয়েছে এ খবর। এই বৈঠকে মূলত আলোচনা হবে খাদ্য সহযোগিতা, শক্তি, নিরাপত্তা, বহু পাক্ষিকতা এবং  উন্নয়ন নিয়ে।

    অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন…

    ভারত সরকারের বিভিন্ন আধিকারিকের সঙ্গে বৈঠকও করবেন ব্লিঙ্কেন। এ পর্বের ভারত সফরে তিনি নাগরিক সমাজের সঙ্গেও বৈঠক করবেন। অফিসিয়াল স্টেটমেন্ট অনুযায়ী, মার্চের ১ তারিখে ব্লিঙ্কেন নয়াদিল্লি সফরে আসবেন জি ২০ সম্মেলনে বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিতে। এই বৈঠকে আলোচনা হবে মূলত বহু পাক্ষিকতার ওপর। আলোচনা হবে খাদ্য সহযোগিতা, শক্তি নিরাপত্তা, উন্নয়ন, মাদক বিরোধী, বিশ্ব স্বাস্থ্য, মানবিক সহযোগিতা এবং বিপর্যয় ত্রাণ নিয়েও। লিঙ্গ-সাম্য এবং মহিলাদের ক্ষমতায়ন নিয়েও আলোচনা হবে। বিবৃতিতে এও জানানো হয়েছে, ব্লিঙ্কেন ভারত সরকারের আধিকারিক এবং নাগরিক সমাজের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

    আরও পড়ুুন: ‘‘শেহবাজ-ইমরান নয়, আমাদের মোদিকে প্রয়োজন’’! দাবি পাক নাগরিকদের, দেখুন ভিডিও

    ভারতে আসার আগে ব্লিঙ্কেন (Antony Blinken) কাজাখাস্তান ও উজবেকিস্তান সফর করবেন। কাজাখাস্তানের আস্তানায় ব্লিঙ্কেন বৈঠক করবেন ওই দেশের প্রবীণ আধিকারিকদের সঙ্গে। সি ফাইভ প্লাস ওয়ানের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকেও অংশ নেবেন তিনি। রবিবার ব্লিঙ্কেন ও চিনের উচ্চ পর্যায়ের কূটনীতিজ্ঞ ওয়াং ই মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সের বাইরে বৈঠক করেন। দুই দেশের উত্তেজনা কমাতেই হয়েছে এই বৈঠক। ঘণ্টাখানেকের ওই বৈঠকে হয়েছে অজ্ঞাত এক স্থানে। প্রসঙ্গত, এই মাসের প্রথম দিকে বেলুন ওড়ানো নিয়ে উত্তেজনা ছড়ায় দুই দেশের মধ্যে। রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে সাহায্য করার অভিযোগে বেজিংকে একহাত নেন ব্লিঙ্কেন। এমতাবস্থায় হচ্ছে দুই দেশের বৈঠক।

    দিন কয়েক আগে চিনের বেলুন ঢুকে পড়ে মার্কিন আকাশে। সেই বেলুনটিকে গুলি করে নামায় মার্কিন সেনা। তার পর থেকেই চিন এবং আমেরিকার মধ্যে দেখা গিয়েছে উত্তেজনা। সেই উত্তেজনা প্রশমিত করতেই এদিনের বৈঠক (Antony Blinken) বলে আন্তর্জাতিক মহলের ধারণা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebookবং Twitter পেজ।

     

     

     

  • Thalassemia Examination: সরকারি হাসপাতালের সুযোগ সুবিধা পেতে চান! গর্ভবতী হলে করাতেই হবে থ্যালেসেমিয়ার পরীক্ষা

    Thalassemia Examination: সরকারি হাসপাতালের সুযোগ সুবিধা পেতে চান! গর্ভবতী হলে করাতেই হবে থ্যালেসেমিয়ার পরীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যাতে থ্যালাসেমিয়া ও সিক্‌ল সেল অ্যানিমিয়া— এই দুই রক্তের রোগে আক্রান্ত না হয়, সে বিষয়ে জোর দিল স্বাস্থ্য দফতর। নির্দেশিকা জারি করে সমস্ত স্তরের সরকারি হাসপাতালে প্রসূতিদের ওই রোগ নির্ণয়ের জন্য রক্ত পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হল। গর্ভবতী হওয়ার পরে সরকারি হাসপাতালের সুযোগ সুবিধা পেতে হলে এবার থেকে থ্যালাসেমিয়া ও সিকল সেল রোগের পরীক্ষা করাতেই হবে।

    নির্দেশিকায় যা বলা হয়েছে

    স্বাস্থ্য দফতরের তরফে বলা হয়, সরকারি হাসপাতালে গর্ভাবস্থায় পরীক্ষানিরীক্ষার সময় এই দুটি পরীক্ষা করাতে হবে সবাইকেই। পরীক্ষা পদ্ধতি বাধ্যতামূলক করার জন্য প্রতিটি সরকারি হাসপাতালকে ইতিমধ্যেই থ্যালাসেমিয়া কন্ট্রোল ইউনিটের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। শহরের মোট পাঁচটি সরকারি হাসপাতাল আইটিজিএমইআর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ, ক্যালকাটা মেডিক্যাল কলেজ, আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ, ক্যালকাটা স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিনে এই পরীক্ষাগুলি করা হবে। এক স্বাস্থ্য আধিকারিকের কথায়, এতদিন গর্ভবস্থায় থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা থ্যালাসেমিয়া কন্ট্রোল ইউনিটেই করা হত। তবে এবার থেকে সমস্ত সরকারি হাসপাতালের জন্যই এই পরীক্ষার নমুনা সংগ্ৰহ করা বাধ্যতামূলক করা হল। রাজ্যে বিপুল সংখ্যক থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কমাতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নিল স্বাস্থ্য দফতর।

    আরও পড়ুন: চিন্তা বাড়াচ্ছে অ্যাডিনো ভাইরাস! আরটি-পিসিআর পরীক্ষা বাধ্যতামূলক, নয়া নির্দেশিকা স্বাস্থ্য দফতরের

    থ্যালাসেমিয়া একটি জিনঘটিত সমস্যা। সাধারণত বাবা মায়ের জিনে রোগটি প্রচ্ছন্ন থাকলেও শিশুর মধ্যে তা প্রকট হতে পারে।স্বাস্থ্য দফতরের নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, রক্তের সংগৃহীত নমুনা ঠিক তাপমাত্রায় রেখে তা তিন দিনের মধ্যে পাঠাতে হবে থ্যালাসেমিয়া কন্ট্রোল ইউনিটে (টিসিইউ)। স্ত্রীরোগ ও প্রসূতি বিভাগ থেকে পাঠানো ওই নমুনার রিপোর্ট তিন দিনের মধ্যে দিতে হবে। প্রসূতির পরীক্ষায় যদি থ্যালেসেমিয়া পজিটিভ আসে, তখন স্বামীরও পরীক্ষা করা হবে। তাঁরও রিপোর্ট পজিটিভ এলে, গর্ভস্থ ভ্রূণের জিন পরীক্ষা করে দেখা হবে। যদি দেখা যায়, ওই ভ্রূণও একই ভাবে আক্রান্ত, তা হলে ২০ সপ্তাহের মধ্যে গর্ভপাত করানোর বিষয়ে বোঝানো হবে দম্পতিকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share