Blog

  • Russia Ukraine War: ইউক্রেন ইস্যুতে রাষ্ট্রসংঘে ভোটদানে বিরত রইল ভারত, কেন জানেন?

    Russia Ukraine War: ইউক্রেন ইস্যুতে রাষ্ট্রসংঘে ভোটদানে বিরত রইল ভারত, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ শুক্রবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের (Russia Ukraine War) বর্ষপূর্তি। রাশিয়ার (Russia) আক্রমণের জেরে কার্যত বিধ্বস্ত ইউক্রেন। এই যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেন থেকে রাশিয়ার সেনা প্রত্যাহারের দাবিতে বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপুঞ্জে (UN) পাশ হল প্রস্তাব। এই ভোটে অংশ নেয়নি ভারত (India)। অংশ নেয়নি চিন সহ ৩২টি দেশও। রাষ্ট্রপুঞ্জের ১৪১টি সদস্য দেশ এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে। প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে ৭ সদস্য দেশ।

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ…

    ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেন আক্রমণের নির্দেশ দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। শুক্রবার ছিল তার বর্ষপূর্তি। এর ঠিক একদিন আগে ভোটাভুটি হয় রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায়। রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ (Russia Ukraine War) শুরু হওয়ার পর থেকেই একাধিকবার রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভা ও নিরাপত্তা পরিষদে এই ইস্যুতে ভোটাভুটি হয়েছে। প্রতিবারই ভোটদানে বিরত থেকেছে ভারত। এবারও অন্যথা হয়নি তার।

    রাষ্ট্রপুঞ্জে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রুচিরা কম্বোজ বলেন, ইউক্রেনের পরিস্থিতি নিয়ে ভারত উদ্বিগ্ন। দু দেশের সংঘাতের কারণে অগুণতি জীবন হারিয়েছে। মানুষের জীবনে দুর্ভোগ বেড়েছে এবং লক্ষাধিক মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। সাধারণ মানুষের ওপর হামলা গভীরভাবে উদ্বেগজনক। তিনি আরও বলেন, ভারত রাষ্ট্রসংঘের সনদের নীতিগুলিকে সমর্থন করে। আমাদের দেশেও আমরা আলোচনা ও কূটনৈতিক পদ্ধতিতে কোনও সমস্যার সমাধানে বিশ্বাসী। তিনি বলেন, আমাদের মনে হয় এই প্রস্তাবে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি সুরক্ষিত করার যে পন্থার কথা বলা হয়েছে, তাতে বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আর সেই কারণেই আমরা ভোটদান থেকে নিজেদের বিরত রাখছি।

    আরও পড়ুুন: অক্টোবরকে ‘হিন্দু হেরিটেজ’ মাস ঘোষণার দাবি ভারতীয় বংশোদ্ভূত স্টেট সেনেটরের

    এদিন ভোটাভুটির সময় নয়াদিল্লির অবস্থান স্পষ্ট করেন রুচিরা। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন তিনি। গত বছর উজবেকিস্তানের সমরখন্দে সাংহাই কর্পোরেশন অর্গানাইজেশনের সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। সেই বৈঠকে পুতিনকে মোদি সাফ জানিয়ে দেন, এটা যুদ্ধের যুগ নয়। মোদির সেই সুরের প্রতিধ্বনিই এদিন শোনা গিয়েছে রুচিরার কণ্ঠে। তিনি বলেন, ভারত সব সময়ই রাষ্ট্রসংঘের নীতিগুলিকে সমর্থন করে এসেছে। এই নীতিগুলি আমরা মেনে চলি। আলোচনা ও কূটনীতির মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান হবে বলে আমরা বিশ্বাসও করি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • SSC Scam: কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চন্দন-যোগ! ‘‘বস্তা বস্তা টাকা গিয়েছে কলকাতায়’’, দাবি স্থানীয় তৃণমূল নেতার

    SSC Scam: কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চন্দন-যোগ! ‘‘বস্তা বস্তা টাকা গিয়েছে কলকাতায়’’, দাবি স্থানীয় তৃণমূল নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে গ্রেফতার বাগদার রঞ্জন ওরফে চন্দন মণ্ডলের বাড়িতে একাধিকবার গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাই কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার এই দাবি করলেন বাগদা গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য অনুপ ঘোষ। তাঁর দাবি, বাগদা থেকে বস্তা বস্তা টাকা গিয়েছে কলকাতায়। শুধু তিনি নন,  গ্রামের এক পরিবারের থেকে পাঁচজনের চাকরির জন্য ৪৪ লক্ষ টাকা নিয়েছেন চন্দন বলে দাবি স্থানীয় এক বাসিন্দার। 

    প্রভাবশালীদের চন্দন-যোগ

    এদিন অনুপবাবু বলেন, ‘সরকার কি জানে না এই চাকরি কী করে হচ্ছে? তাহলে আগা থেকে মাথা পর্যন্ত সব ধরুক। চন্দনকে একা দোষ দিলে হবে না। এ কার মাস্টারপ্ল্যান? যারা সরকার চালাচ্ছে, শিক্ষা দফতরে কারা আছে? চন্দন কে? চন্দন তো আমার মামাভাগ্নের (গ্রামের নাম) ছেলে। তাহলে কলকাতায় শিক্ষা পরিচালনা কারা করছে? শিক্ষা দফতর কারা চালাচ্ছে? সেটা আগে দেখুক।’ চন্দনের কথায়, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাই কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায় আসতেন ওনার বাড়ি। যারা এই এলাকায় বড় বড় চাকরি করে আর প্রভাবশালী লোক, সবাই ওখানে গিয়েছে। চন্দনের ফোঁটা সবাই নিয়েছে।’ অনুপবাবুর বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘আমরা রাজনৈতিক কর্মী। দলের কর্মীরা ভালোবেসে কোথাও ডাকলে যাওয়ার চেষ্টা করি। তেমনই বাগদাতেও গেছি। চন্দন মণ্ডলকে আলাদা করে চিনি না।’

    বস্তা বস্তা টাকা গিয়েছে কলকাতায়

    অনুপ দাবি করেন, কালীপুজোর ফিতে কাটতে প্রতি বছর চন্দনের বাড়ি আসতেন কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যত ভিড় না থাকত, চন্দনের বাড়িতে তার থেকে বেশি ভিড় থাকত। এলাকার ১০০ জনকে টাকার বিনিময়ে চাকরি দিয়েছেন চন্দন। ক্লাস এইট পাশ ছেলেমেয়েরা টাকার বিনিময়ে চাকরি পেয়েছে। সাদা খাতা জমা দিয়ে চাকরি দেওয়া হতো বলে দাবি করেছেন তিনি। ১৬ কোটি টাকা লেনদেনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন ১৬ কোটি বস্তা বস্তা টাকা গিয়েছে এখান থেকে। তাঁর দাবি, বিডিও, ওসিদের যাতায়াত ছিল চন্দনের বাড়িতে। 

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতিতে এবার কুন্তলের মুখে রহস্যময়ীর নাম! তাঁর কাছেই রয়েছে সব টাকা! কে তিনি?

    এক পরিবার থেকে ৪৪ লক্ষ 

    চন্দন মণ্ডল বাগদার মামা ভাগ্নে গ্রামের বাসিন্দা। ওই গ্রামের বাসিন্দা তথা চন্দনের এক দূরসম্পর্কের আত্মীয় অরবিন্দ বিশ্বাসের দাবি, চন্দন মণ্ডলকে তিনি প্রায় ৪৪ লক্ষ টাকা দিয়েছেন। জমি বিক্রি করে ওই টাকা দেন তাঁর মেয়ে সহ পরিবারের পাঁচজনের চাকরির জন‍্য। প্রাথমিক, উচ্চ প্রাথমিক ও গ্রপ-ডি পদে নিয়োগ পেতে দু’বছর আগে চন্দনকে ওই টাকা দেন তিনি। মাথা-পিছু ১২ লক্ষ টাকা করে চেয়েছিলেন চন্দন। অগ্রিম ৫ লক্ষ টাকা এবং চাকরি হয়ে গেলে বাকি ৭ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা হয়। দু’জনের গ্রুপ-ডি পদে চাকরিও হয়েছিল। কিন্তু দু’মাস চাকরি করার পর আদালতের নির্দেশে তাদের বরখাস্ত করা হয়। এরপর টাকা ফেরত চাইলেও চন্দন দেননি বলে অভিযোগ অরবিন্দ বিশ্বাসের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Adeno Virus: চিন্তা বাড়াচ্ছে অ্যাডিনো ভাইরাস! আরটি-পিসিআর পরীক্ষা বাধ্যতামূলক, নয়া নির্দেশিকা স্বাস্থ্য দফতরের

    Adeno Virus: চিন্তা বাড়াচ্ছে অ্যাডিনো ভাইরাস! আরটি-পিসিআর পরীক্ষা বাধ্যতামূলক, নয়া নির্দেশিকা স্বাস্থ্য দফতরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অ্যাডিনো ভাইরাস (AdenoVirus)-এর হানায় উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্য ভবন। রাজ্যে শ্বাসকষ্টজনিত অসুখে হাসপাতালে শিশু ভর্তির সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। তাই নয়া নির্দেশিকা জারি করেছে স্বাস্থ্য ভবন।  সবক’টি মেডিক্যাল কলেজ, জেলা স্বাস্থ্য দফতরকে এই নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। 

    নয়া নির্দেশিকা

    নয়া নির্দেশিকায় বলে হয়েছে, ‘হাসপাতালে পর্যাপ্ত অক্সিজেনের (Oxygen System) ব্যবস্থা রাখতে হবে। শিশুদের জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক ভেন্টিলেটর (Ventiletor) প্রস্তুত রাখতে হবে। শিশুবিভাগে পর্যাপ্ত বেড রাখতে হবে। শিশু বিভাগ না থাকলে তৈরি করতে হবে’। আপদকালীন পরিস্থিতিতে প্রয়োজনে মহিলা মেডিসিন ওয়ার্ডে শিশুরোগ বিভাগ খুলতে হবে বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সঙ্গে সচেতনতা প্রচারে এএন‌এম, আশা কর্মীদের কাজে লাগানোয় জোর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সম্প্রতি আইএলআই (ILI), সারি (SARI)-এর উপসর্গ নিয়ে কোন হাসপাতালে কত রোগী ভর্তি হচ্ছে সেই সংক্রান্ত তথ্য হাসপাতালগুলির কাছে চেয়েছিল স্বাস্থ্য ভবন। এরপর‌ই এই নির্দেশিকা সামনে এল।

    আরও পড়ুন: বাড়তি ওজন কমাতে চান! খাদ্য তালিকায় রাখুন এই ৭টি নেগেটিভ-ক্যালোরিযুক্ত খাবার

    অ্যাডিনো ভাইরাসের দাপটে দিশাহারা শিশুদের অভিভাবকরা। এই অবস্থায় কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগ এসওপি স্থির করে দিয়েছে। কলকাতা পুরসভার চিকিৎসক থেকে নার্স এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের কী কী দায়িত্ব পালন করতে হবে তার নির্দেশিকা তৈরি করে দেওয়া হয়েছে ইতিমধ্যেই। অ্যাডিনো ভাইরাসের বাড়বাড়ন্তের জন্য মূলত দায়ী দু’টি স্ট্রেন। টাইপ ৩, টাইপ ৭ স্ট্রেনের আধিক্য এক্ষেত্রে বেশি। উদ্বেগ বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে, নাইসেড-এর রিপোর্ট। যেখানে বলা হয়েছে, গত দেড়মাসে স্বাস্থ্য দফতরের পাঠানো ৫০০-রও বেশি নমুনার মধ্যে ৩২ শতাংশই অ্যাডিনো ভাইরাসে আক্রান্ত।

    আরটি-পিসিআর পরীক্ষা 

    জ্বর ও শ্বাসযন্ত্রে সংক্রমণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি শিশুদের ক্ষেত্রে এ বার করোনার পরীক্ষাও (আরটি-পিসিআর) বাধ্যতামূলক করল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। ঘরে ঘরে জ্বর এবং সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত শিশুদের এই অবস্থার নেপথ্যে কি শুধুই অ্যাডিনোভাইরাস? না কি, গোপনে করোনাও ছোবল মারছে? এই নিয়ে সংশয় দেখা দেওয়ায় করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে যে সব বিধি ছিল, সেগুলি ফের মেনে চলার কথা বলছেন স্বাস্থ্যকর্তারা। এক স্বাস্থ্যকর্তার কথায় ‘‘ফুসফুসে দ্রুত সংক্রমণ ছড়াচ্ছে এই ভাইরাস। সে ক্ষেত্রে অক্সিজেন ও ভেন্টিলেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Women T20 World Cup: নেওয়া হল না প্রতিশোধ! অজিদের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় ভারতের

    Women T20 World Cup: নেওয়া হল না প্রতিশোধ! অজিদের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি মহিলা টি-২০ ক্রিকেট বিশ্বকাপে জয়ের স্বপ্ন শেষপর্যন্ত অধরাই থেকে গেল। আজ, বৃহস্পতিবার কেপটাউনে সেমিফাইনালে অজিদের কাছে ৫ রানে হেরে বিশ্বকাপ অভিযান শেষ করল টিম ইন্ডিয়া। গত টি-২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হারের মধুর প্রতিশোধ নিতে পারলেন না হরমনপ্রীতরা। হরমনপ্রীতদের হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল মেগ ল্যানিংয়ের অস্ট্রেলিয়া।

    তীরে এসে তরী ডুবল!

    সেমিফাইনালের গুরুত্বপূর্ণ টস হেরে যান ভারত অধিনায়ক হরমনপ্রীত। বল করতে নেমে শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রণহীন বোলিং ভারতীয় বোলারদের। জয়ের জন্য ১৭৩ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে খেলতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে যায় ভারত। দ্বিতীয় ওভারে ব্যক্তিগত ৯ রানে ফিরে যান শেফালি ভার্মা। পরের ওভারে অ্যাশলি গার্ডনারের বলে ফেরেন টিম ইন্ডিয়ার বড় ভরসা স্মৃতি মান্ধানা, তিনি করেন ৫ বলে ২ রান। যশ্তিকা ভাটিয়াও তাড়াহুড়ো করে রান নিতে গিয়ে রান আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন। ২৮ রানে তিন উইকেট হারিয়ে হারের মুখে দাঁড়ায় ব্লু ব্রিগেড।

    এর পরে চতুর্থ উইকেটে কিছুটা হলেও জেতার স্বপ্ন দেখায় জেমাইমা ও টিম ইন্ডিয়ার অধিনায়ক হরমনপ্রীতের জুটি। দুজনে অজি বোলারদের পাল্টা আক্রমণের পথে হাঁটেন। দুজনে জুটি বেঁধে ৪১ বলে ৬৯ রান যোগ করেন। কিন্তু জেমাইমা ২৪ বলে ৪৩ আউট হতেই চাপে পড়ে যায় ভারত। দলকে জেতানোর দায়িত্ব এর পরে নিজের কাঁধে তুলে নেন ভারত অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর। ৩২ বলে নিজের জীবনের দশম অর্ধশতরানও পূর্ণ করেন। কিন্তু অর্ধশতরান করার পরে দুর্ভাগ্যজনকভাবে রান আউট হন তিনি। এদিন ৫২ রানের মাথায় রান আউট হন হরমনপ্রীত। এর পর ভারতের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৩২ বলে ৪০ রান। ১৪ রান করে আউট হন রিচা। শেষের দিকে স্নেহ রানা ও দীপ্তি শর্মা মরিয়া হয়ে চেষ্টা চালান। কিন্তু অবশেষে শেষ রক্ষা আর হল না।

    অজিদের দুরন্ত ব্যাটিং ও বোলিং

    এদিকে অস্ট্রেলিয়া ১ উইকেট হারিয়ে ৬৯ রান তুলে নেয়। মেগ ল্যানিং অপরাজিত ৪৯ রান করেন। অ্যাশলে গার্ডনার মাত্র ১৮ বলে ৩১ রান করেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে মাত্র ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭২ রান করে অস্ট্রেলিয়া। ফলে সেমিফাইনালের মঞ্চে এক বিশাল রান করেই ফাইনালে উঠে যায় অস্ট্রেলিয়া। আর ভারতের হয়ে শিখা পাণ্ডে ২টি এবং দীপ্তি শর্মা ও রাধা যাদব ১টি করে উইকেট নেন।

  • Ajay Banga: এবারে কি বিশ্ব ব্যাঙ্কের শীর্ষেও ভারতীয় বংশোদ্ভূত! অজয় বাঙ্গাকে মনোনীত করলেন জো বাইডেন

    Ajay Banga: এবারে কি বিশ্ব ব্যাঙ্কের শীর্ষেও ভারতীয় বংশোদ্ভূত! অজয় বাঙ্গাকে মনোনীত করলেন জো বাইডেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে কি বিশ্ব ব্যাঙ্কের দায়িত্ব সামলাবেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত অজয় বাঙ্গা! বৃহস্পতিবারে বিশ্ব ব্যাঙ্কের নেতৃত্বের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মনোনীত করলেন মাস্টারকার্ডের প্রাক্তন সিইও অজয় বাঙ্গাকে। বিশ্ব ব্যাঙ্কের বর্তমান প্রধান ডেভিড ম্যালপাস ইতিমধ্যেই নিজের পদ থেকে সরে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন। আর সেই জায়গায় এবার ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রবাসী অজয় বাঙ্গাকে মনোনীত করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

    বিশ্ব ব্যাঙ্কের প্রেসিডেন্টের জন্য প্রথমবার মনোনীত ভারতীয় বংশোদ্ভূত

    মেয়াদ শেষ হওয়ার এক বছর বাকি থাকতে আচমকাই ইস্তফা দিয়েছিলেন বিশ্ব ব্যাঙ্কের প্রেসিডেন্ট ডেভিড ম্যালপাস। তিনি জানিয়েছিলেন, ‘অনেক চিন্তার পরে আমি নতুন কোনো চ্যালেঞ্জ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ কী কারণে মেয়াদ শেষের এক বছর আগে সরে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি, তা নিয়ে কোনও ব্যাখ্যা দেননি বিশ্ব ব্যাঙ্কের পদত্যাগী শীর্ষ কর্তা।

    ফলে এর পর এই পদের জন্য ইন্দো-আমেরিকান ব্যবসায়ী অজয় বাঙ্গার উপরই ভরসা রেখেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সাধারণত বিশ্ব ব্যাঙ্কের সভাপতি পদে আমেরিকান কাউকেই বসানো হয়। কিন্তু এই প্রথমবার এমন ঘটনা ঘটতে চলেছে। এই প্রথম কোনও ভারতীয় বংশোদ্ভূত বিশ্ব ব্যাঙ্কের প্রেসিডেন্ট পদের জন্য মনোনীত হলেন। ফলে অজয় বাঙ্গা এক ইতিহাস সৃষ্টি করতে চলেছেন। উল্লেখ্য, ম্যালপাস ক্ষমতা থেকে সরে আসার পর থেকেই এই মনোনয়নের কাজ চলছিল। ২৯ মার্চ পর্যন্ত মনোনয়ন চলবে।

    ভারতীয় বংশোদ্ভূত অজয় বাঙ্গা

    ৬৩ বছর বয়সী অজয় বাঙ্গা বর্তমানে ‘জেনারেল আটলান্টিক’ নামে এক বেসরকারি শেয়ার লেনদেন সংস্থার ভাইস চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন। আগে তিনি মাস্টারকার্ডের প্রেসিডেন্ট ও সিইও ছিলেন। ২০১৬ সালে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হয়েছিল বাঙ্গাকে।

    বাঙ্গার জন্ম ভারতের পুণেতে। দিল্লিতে সেন্ট স্টিফেন্স কলেজের অর্থনীতির স্নাতক। পরে আমদাবাদে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট থেকে এমবিএ করেন। ‘নেসলে ইন্ডিয়া’-র হাত ধরে কর্মজীবন শুরু হয় বাঙ্গার। এর পর কাজ করেন সিটি ব্যাঙ্কেও। ১৯৯৬ সালে আমেরিকা পাড়ি দেন তিনি। সেখানে ‘পেপসিকো’ সংস্থায় যোগ দেন। এর পর ধীরে ধীরে ওই সংস্থার সিইও-সহ একাধিক পদে দায়িত্ব সামলেছেন ও পরে মাস্টারকার্ডের প্রেসিডেন্ট ও সিইও হন। আর এবারে এক ইতিহাস গড়ার পথে তিনি।

  • Kuntal Ghosh: নিয়োগ দুর্নীতিতে এবার কুন্তলের মুখে রহস্যময়ীর নাম! তাঁর কাছেই রয়েছে সব টাকা! কে তিনি?

    Kuntal Ghosh: নিয়োগ দুর্নীতিতে এবার কুন্তলের মুখে রহস্যময়ীর নাম! তাঁর কাছেই রয়েছে সব টাকা! কে তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত যত এগোচ্ছে তত সামনে আসছে নতুন নতুন চরিত্র। বৃহস্পতিবার আলিপুর কোর্ট থেকে জেল হেফাজতে যাওয়ার সময়ে এক রহস্যময়ী নারীর নাম করলেন কুন্তল ঘোষ (Kuntal Ghosh)। সেই ‘রহস্যময়ী’র পরিচয়ও দিয়েছেন তিনি। কুন্তলের দাবি, সব টাকা রয়েছে গোপাল দলপতি ওরফে আরমান গঙ্গোপাধ্যায়ের স্ত্রী হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছে। 

    রহস্যময়ীর পরিচয়

    এর আগেও একাধিকবার গোপাল দলপতির বিরুদ্ধে চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা তোলা-সহ নানা অভিযোগ করেছিলেন কুন্তল। এমনকি তাঁকে নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডের ‘মেন লোক’ বলেও অভিহিত করেন তিনি। কুন্তল বললেন, ‘তদন্ত ঘোরানোর জন্য কোনও কথা বলে লাভ নেই। যা টাকা আছে… যা টাকা রেখেছে… গোপাল দলপতি এবং হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়।’ কুন্তল ঘোষকে আরও প্রশ্ন করা হয়েছিল এই দুর্নীতির অভিযোগে গোপাল দলপতি ও হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের ভূমিকা কী ছিল? সেই নিয়ে অবশ্য মুখ খুলতে চাননি কুন্তল। বললেন, ‘তদন্তের ভিতরের কথা কিছু বলব না।’

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জামিন খারিজ তাপস-কুন্তলের! ‘কালীঘাটের কাকু’-কে নিয়ে বাড়ছে ধোঁয়াশা

    প্রসঙ্গত, গোপাল দলপতি ওরফে আরমান ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের স্ক্যানারে রয়েছেন। গতকাল গোপাল দলপতিকে তলব করা হয়েছিল সিবিআই অফিসে, কিন্তু তিনি হাজিরা এড়িয়েছেন। এরই মধ্যে সামনে এল তাঁর স্ত্রীয়ের নাম। সূত্রের খবর, হৈমন্তীর একটি কোম্পানি রয়েছে। তবে গোপাল ইতিমধ্যে দাবি করেছেন তার সঙ্গে বছর তিনেক ধরে হৈমন্তীর যোগাযোগ নেই। ইতিমধ্যে গোপালের সঙ্গে মুখোমুখি জেরায় কুন্তল হৈমন্তীর নাম বলেছেন বলে খবর। সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপাল দলপতি দাবি করেছেন, তাঁর স্ত্রী তাঁকে ছেড়ে বছর তিনেক আগে চলে গিয়েছেন। কোথায় আছেন, কী করছেন পত্নীর ব্যাপারে কিছুই জানেন না দলপতি।

    সিবিআই সূত্রে খবর, কুন্তল দাবি করেছেন উত্তরবঙ্গের এক প্রভাবশালী নেতার পিএ-এর অ্যাকাউন্ট থেকে গোপাল দলপতির কাছে প্রায় চল্লিশ লক্ষ টাকা এসেছিল। সেই টাকা ট্রান্সফার হয়েছিল মুম্বইয়ের একটি কোম্পানিতে।সেলোকো পার্টনার্স নামের সেই কোম্পানির মালিকের নাম হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Hizbul: সন্ত্রাসবাদীদের আশ্রয় দিচ্ছে পাকিস্তান! রাওয়ালপিন্ডির রাস্তায় সেনা নিরাপত্তা নিয়ে ঘুরছেন হিজবুল প্রধান

    Hizbul: সন্ত্রাসবাদীদের আশ্রয় দিচ্ছে পাকিস্তান! রাওয়ালপিন্ডির রাস্তায় সেনা নিরাপত্তা নিয়ে ঘুরছেন হিজবুল প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বমঞ্চে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার কথা বললেও, দেশের মাটিতে সন্ত্রাসবাদীদের আশ্রয় দিচ্ছে পাকিস্তান। সম্প্রতি তারই প্রমাণ মিলল একটি ভিডিও ফুটেজে। ওই ভিডিওয় দেখা গেল রাওয়ালপিন্ডির রাস্তায় সেনা নিরাপত্তা নিয়ে ঘুরছেন হিজবুল মুজাহিদ্দিনের (Hizbul Mujahideen) প্রধান তথা আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী তকমাপ্রাপ্ত সইদ সালাহুদ্দিন (Syed Salahuddin)।  ভারতের তরফে ঘোষণা করা মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি বসির আহমেদ পীরের শেষযাত্রাতেই তাঁকে প্রার্থনা করতে দেখা যায়।  প্রকাশ্যে ভারত বিরোধী বক্তৃতাও দিতে দেখা যায় এই হিজবুল নেতাকে।

    জঙ্গিদের স্বর্গরাজ্য পাকিস্তান

    এই ভিডিও সোশ্যাল সাইটে ছড়িয়ে পড়তেই পাকিস্তানের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। জঙ্গিদের মদত দেওয়ার অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরেই এফএটিএফ-এর ধূসর তালিকায় ছিল পাকিস্তান। তবে সম্প্রতি সেই তালিকা থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছে তারা। তবে পাকিস্তান যে জঙ্গিদের জন্য স্বর্গরাজ্য, এই ভিডিও ফুটেজ সামনে আসাতে তা ফের একবার প্রমাণিত হল। 

    আরও পড়ুন: ভারতকে জব্দ করতে গিয়ে চিনের থেকে অস্ত্র কিনে ডাহা ঠকল পাকিস্তান, জানুন বিশদে

    সম্প্রতিই পাকিস্তানে নিকেশ করা হয় মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি বসির আহমেদ পীরকে। দিন কয়েক আগে তাঁর শেষযাত্রার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানেই দেখা যায়, আন্তর্জাতিক জঙ্গি তথা হিজবুল মুজাহিদ্দিন প্রধান সইদ সালাহুদ্দিনকে। ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োটিতে দেখা গিয়েছে, সালাহুদ্দিনকে চারপাশ থেকে ঘিরে রেখেছে পাকিস্তানি সেনা। সূত্রের খবর, পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডির একটি সুরক্ষিত জায়গায় ওই কুখ্যাত জঙ্গির শেষযাত্রার আয়োজন করা হয়েছিল। ভাইরাল ভিডিয়োয় সালাহুদ্দিনকে ভারতকে ধ্বংস করার শপথ নিতেও দেখা যায়। একদিকে যেমন পাক সেনারা তাঁকে চারপাশ থেকে কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ঘিরে রেখেছিল, তেমনই উপস্থিত জনতাদের হিজবুল প্রধানদের সমর্থনে স্লোগান দিতেও দেখা যায়। প্রসঙ্গত, রাওয়ালপিন্ডি পাক সেনার সদর দফতর। সেই শহরে হিজবুল প্রধানকে দেখতে পাওয়া বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Calcutta High Court: হাজিরা এড়ালেন পর্ষদ সভাপতি, হাইকোর্টেই নিয়োগপত্র পেলেন ‘বঞ্চিত’ অঞ্জনকুমার

    Calcutta High Court: হাজিরা এড়ালেন পর্ষদ সভাপতি, হাইকোর্টেই নিয়োগপত্র পেলেন ‘বঞ্চিত’ অঞ্জনকুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজই শুরু হয়েছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। আর প্রথমদিনেই মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়কে তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট।  ১২ বছরের পুরনো একটি মামলায় নির্দেশ না মানায় তাঁর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করে ডেকে পাঠানো হয়েছিল আজ। এদিন বিচারপতি অমৃতা সিংহের সিঙ্গল বেঞ্চ তাঁকে আদালতে গিয়ে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। অভিযোগ, ১২ বছর ধরে চাকরি পাননি পূর্ব মেদিনীপুরের অঞ্জনকুমার খাটুয়া। গত মাসে কলকাতা হাইকোর্ট তাঁকে চাকরি দেওয়ার নির্দেশ দেয়। সেই মত অঞ্জনের সুপারিশ পত্র পর্ষদকে পাঠায় এসএসসি। কিন্তু তার পরও চাকরি দেয়নি পর্ষদ৷ এর পর আজই হাইকোর্টে শুনানি কক্ষের মধ্যেই হাতে হাতে নিয়োগপত্র পেলেন এক মামলাকারী।

    ঠিক কী ঘটেছে?

    সূত্রের খবর, যোগ্য হয়েও ১২ বছর ধরে চাকরি পাননি অঞ্জনকুমার খাটুয়া নামে ওই ব্যক্তি। তাঁর একটি চোখে দৃষ্টিশক্তি নেই। গত মাসে তাঁকে শীঘ্রই নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। এরপর অঞ্জনবাবুর সুপারিশপত্র পর্ষদকে পাঠায় এসএসসি। তারপরও তাঁকে চাকরি দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ ওঠে। এই জন্য পর্ষদের অফিসেও যান ওই ব্যক্তি। পর্ষদ অফিসে চাকরিপ্রার্থীকে অপমান করা হয় বলে অভিযোগ। কমিশনের সুপারিশপত্র পাওয়ার পরও ওই ব্যক্তিকে এখনও নিয়োগ করা হয়নি। এদিন এই মামলা ওঠে হাইকোর্টে। আর তখনই পর্ষদ সভাপতিকে ডেকে পাঠানো হয়।

    অন্যদিকে পর্ষদ দাবি করে, অঞ্জনের নিয়োগপত্র অনেক দিন ধরেই তৈরি হয়ে রয়েছে। পর্ষদের আইনজীবীও আদালতকে একই কথা জানান। তাঁর দাবি, হাইকোর্টের নির্দেশ মত অঞ্জনের নিয়োগপত্র তৈরিই আছে। কিন্তু অঞ্জন তা সংগ্রহ করেননি। যদিও অঞ্জনের আইনজীবী সুভাষ জানার অভিযোগ, তাঁর মক্কেল পর্ষদের দফতরে নিয়োগপত্র আনতে গেলে তাঁকে হেনস্থা করা হয়। নিয়োগপত্র তাঁর মক্কেল হাতে পাননি। আবার পর্ষদের আইনজীবী পাল্টা দাবি করেন, প্রার্থীকে বোর্ডের অফিসে হেনস্থার অভিযোগ ভিত্তিহীন। এমন কোনও কথা কেউ বলেনি। মন গড়া অভিযোগ করা হচ্ছে।

    বিচারপতির নির্দেশ

    উল্লেখ্য, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি অমৃতা সিংহই নির্দেশ দিয়েছিলেন, ২০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে অঞ্জনকে নিয়োগপত্র না দিলে ২৩ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ বৃহস্পতিবার পর্ষদ সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়কে সশরীরে আদালতে হাজিরা দিতে হবে। যদিও বৃহস্পতিবার পর্ষদ সভাপতি আদালতে হাজিরা দেননি। এদিন বিচারপতি অমৃতা সিংহের সিঙ্গল বেঞ্চ বলেন, “এত বছর ধরে একজন ঘুরছে তারপরও আপনারা তাঁকে ঘোরাচ্ছেন। এটাই এখনকার পরিস্থিতি।” এর পর দু’পক্ষের কথা শোনার পর বিচারপতি নির্দেশ দেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অঞ্জনকুমার খাটুয়া নামের ওই ব্যক্তিকে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের দফতরে গিয়ে নিয়োগপত্র সংগ্রহ করতে হবে। একই সঙ্গে পর্ষদকে বিচারপতি অমৃতা সিংহ নির্দেশ দিয়েছেন, শুক্রবারের মধ্যে ওই নিয়োগপত্র মামলাকারীর হাতে তুলে দিতে হবে।

    এছাড়াও অঞ্জনের হেনস্থার প্রসঙ্গে বিচারপতির মন্তব্য, “হেনস্থার যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা ঠিক, না ভুল, তা জানি না। তবে ওখানে কী হয়, সেটা এখন ওপেন সিক্রেট। কিন্তু আমাদের চোখ খোলা রয়েছে।” অঞ্জনের হেনস্থার অভিযোগও গৃহীত হয়েছে কোর্টে। বিচারপতি জানিয়েছেন, আগামী দিনে ওই বিষয়ে পদক্ষেপ করা হবে। আগামী ১৬ মার্চ এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

  • Ohio: অক্টোবরকে ‘হিন্দু হেরিটেজ’ মাস ঘোষণার দাবি ভারতীয় বংশোদ্ভূত স্টেট সেনেটরের

    Ohio: অক্টোবরকে ‘হিন্দু হেরিটেজ’ মাস ঘোষণার দাবি ভারতীয় বংশোদ্ভূত স্টেট সেনেটরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অক্টোবরকে হিন্দু হেরিটেজ মাস (Hindu Heritage Month) হিসেবে ঘোষণা করার রেজ্যুলিউশন নিলেন এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত। তিনি নিতাজ আন্তানি। আমেরিকার ওহিও-র (Ohio) ইন্দো-মার্কিন স্টেট সেনেটর। সম্প্রতি ওহিও স্টেট সেনেটে তিনি দাবি জানিয়েছেন, অক্টোবর মাসকে যাতে হিন্দু হেরিটেজ মাস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বুধবার ওই মার্কিন স্টেট সেনেটর জানান, আমেরিকায় হিন্দুদের (Hindu) অবদান স্মরণ করতেই এই রেজ্যুলিউশন নিয়েছেন তিনি।

    নীরজ…

    নীরজ জানান, যদি এই রেজ্যুলিউশন পাশ হয়ে যায়, তাহলে ওহিও-ই হবে আমেরিকার তৃতীয় রাজ্য যারা একে আইনে পরিণত করল। ট্যুইটারে এ খবর শেয়ার করেছেন ওই সেনেটর। তিনি লিখেছেন, ওহিও-র প্রথম হিন্দু এবং ইন্দো-আমেরিকান স্টেট সেনেটর আমি। কনিষ্ঠতমও। আমি আজ এসবি ৭০ পেশ করেছি। এতে অক্টোবর মাসকে হিন্দু হেরিটেজ মাস হিসেবে ঘোষণা করার দাবি জানিয়েছি। এটা হলে ওহিও হবে আমেরিকার তৃতীয় রাজ্য যেখানে এটাকে আইনে পরিণত করা হবে।

    আন্তানি রিপাবলিক পার্টির নেতা। তিনি বলেন, অক্টোবরকে হিন্দু হেরিটেজ মাস ঘোষণা করা হলে ওহিওতে (Ohio) হিন্দু-আমেরিকানদের বিরাট পরিচিতি হবে। এ রাজ্যে আমাদের অবদানের কথা সবাই স্মরণে আনবে। তিনি বলেন, অক্টোবরের এই পরিচিতি পেতে  ওহিওতে এই প্রস্তাব আনতে পেরে আমি গর্বিত। কবে এসবি ৭০ পাশ হয়, আমি সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছি। সম্প্রতি সেটেল সিটি কাউন্সিলে শ্রেণি বৈষম্য নিয়ে একটি রেজলিউশন পাশ হয়। আন্তানি বলেন, এই পদক্ষেপই বলে দিচ্ছে আমেরিকায় হিন্দু ফোবিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘মোটা দা টুকি’’! জেলের ভিতর টিটকিরি দুই ছিঁচকের, রেগে আগুন ‘হেভিওয়েট’ পার্থ

    তিনি বলেন, সেটেল সিটি কাউন্সিলে যে এই অর্ডিন্যান্স পাশ হয়েছে, আমি তার প্রতিবাদ করি। শ্রেণি বৈষম্য এখন আর নেই। আন্তানি বলেন, হিন্দু ফোবিয়া একটি হাতিয়ার যেটি হিন্দু বিরোধী। এটি হিন্দু বিরোধীরা আমেরিকা, ভারত এবং তামাম বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে হিন্দুদের বিরুদ্ধে প্রয়োগ করেন। তিনি বলেন, সেটেল সিটি পুলিশের উচিত ছিল শ্রেণি বৈষম্য থেকে হিন্দুদের রক্ষা করার নীতি গ্রহণ করা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

     

  • TET Scam: সিবিআই ও ইডির কাছে মুখ খোলার জের! জেলেই কুন্তলকে হুমকি-ধমক পার্থ ও মানিকের

    TET Scam: সিবিআই ও ইডির কাছে মুখ খোলার জের! জেলেই কুন্তলকে হুমকি-ধমক পার্থ ও মানিকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে জেলেই পার্থ ও মানিকের থেকে ‘ধমক’ খেতে হল কুন্তল ঘোষকে। “আমাদের নাম ইডিকে বলেছ কেন? আগে জেরার সময় নিশ্চয়ই সিবিআইকেও জানিয়েছ আমাদের নাম।” জেলে কুন্তলকে রীতিমত বকাবকি পার্থর। ধমক দিয়েছেন মানিকও। এমনটাই সিবিআই আধিকারিকদের জানিয়েছেন নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার কুন্তল ঘোষ। এমনকী এই বিষয়টি ইডির আধিকারিকদেরও বলেছেন কুন্তল। ফলে তিনি এখন আশঙ্কায় রয়েছেন যে, তাঁর ফের জেল হেফাজত হলে তাঁকে আবার প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর থেকে ধমক শুনতে হবে।

    পার্থ ও মানিকের বিষয়ে কী কী জানিয়েছিলেন কুন্তল?

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে ইডির হাতে গ্রেফতার যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ। এর পর তাঁকে সিবিআই হেফাজতে নেওয়া হয়। ইডি জেরার মুখেই কুন্তল জানিয়েছিলেন যে, কীভাবে দফায়-দফায় কুন্তল কোটি-কোটি টাকা পার্থ চট্টোপাধ‌্যায়ের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন। এসএসসি দুর্নীতি টাকায় কুন্তল বেনামে যে শতাধিক গাড়ি কিনেছিলেন, তার মধ্যে অনেকগুলিই পার্থকে দেন তিনি। ফলে পার্থ চট্টোপাধ‌্যায়ের সঙ্গে  তাঁর যোগাযোগের বিষয়টি স্বীকার করেন কুন্তল।

    এরপর মানিকের সঙ্গেও কুন্তলের যোগাযোগ ছিল তাও স্বীকার করে নেয় কুন্তল। টেট পরীক্ষার বহু প্রার্থীর কাছ থেকে টাকা তুলেছিলেন কুন্তল ঘোষ, সেই টাকার একটি বড় অংশ মানিক ভট্টাচার্যের কাছেই যে গিয়েছে, সেই ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন যুব তৃণমূল নেতা।

    পার্থ ও মানিকের ‘হুমকি’ ও ‘ধমক’

    কুন্তলের এই স্বীকারোক্তির বিষয়ে মানিক ও পার্থ জানতেই জেলেই কুন্তলকে হুমকি দিতে ছাড়েননি তাঁরা। সূত্রের খবর, পার্থবাবু প্রত্যেকদিনই প্রেসিডেন্সি জেলে তাঁর সেলের সামনে হাঁটাহাঁটি করেন। তাঁর সেলের কাছ দিয়ে অন‌্যান‌্য বন্দিরাও যাতায়াত করেন। কারা সূত্রে জানা গিয়েছে, সিবিআই কুন্তলকে হেফাজতে নেওয়ার আগে ইডির মামলায় জেলবন্দি কুন্তল তাঁর ওয়ার্ড থেকে পার্থবাবুর সেলের কাছ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখনই পার্থবাবু দেখতে পেয়ে তাঁকে ডাকেন। তখনই তাঁকে বকাবকি করতে শুরু করেন পার্থ চট্টোপাধ‌্যায়। তিনি রীতিমত হুমকি দিয়ে কুন্তলকে বলেন, কেন তিনি তাঁর নাম ইডি-র কাছে বলেছেন?  

    আবার এই ঘটনার দু’একদিনের মধ্যেই প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের সামনে পড়ে যান কুন্তল। ফলে কুন্তলকে ধমক ও হুমকি দেন মানিকও। বিষয়টি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে, জেলের মধ্যে রীতিমত আতঙ্কে ভুগতে শুরু করেন কুন্তল ঘোষ। ফলে কুন্তলের আশঙ্কা যে, তাঁর ফের জেল হেফাজত হলে তাঁকে আবার পার্থ ও মানিকের হুমকির মুখোমুখি পড়তে হবে। ফলে ফের যাতে তাঁকে হুমকির মুখে পড়তে না হয় সেই ব‌্যাপারে নজরদারি রাখা হবে বলে জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।

LinkedIn
Share