Blog

  • S Jaishankar: বিদেশমন্ত্রীর কাজ কী জানেন? রহস্য ফাঁস করলেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: বিদেশমন্ত্রীর কাজ কী জানেন? রহস্য ফাঁস করলেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদেশমন্ত্রীর কাজ কী, তাঁর ভূমিকাই বা কী, মঙ্গলবার তা বিস্তারিত জানিয়ে দিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। মঙ্গলবার গুজরাটের (Gujrat) আমেদাবাদে এক আলোচনা সভায় যোগ দিয়েছিলেন জয়শঙ্কর। সভার আলোচ্যসূচি ছিল, মোদি জমানায় ভারতের (India) বিদেশ নীতি। ওই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী বলেন, তিনি কেবল জানাতে চান একজন বিদেশমন্ত্রী ঠিক কী কাজ করেন, আর দ্বিতীয়ত বিদেশ নীতি কীভাবে এখন প্রভাব ফেলে প্রত্যেকের ওপর।

    এদিনের আলোচনা সভায় জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, বিদেশমন্ত্রীর বড় দুটি কাজ রয়েছে। একটি হল, বিশ্বের সামনে ভারতকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। আর অন্যটি হল, অন্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং নয়া ভারতে ঠিক হচ্ছে, তা গোটা বিশ্বকে জানিয়ে দেওয়া।

    আলোচনা সভায় ভাষণ দিতে গিয়ে জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, আমি ঠিক কী করি, তা আমি আপনাদের বোঝাতে চাই। মোদি জমানায় যে দেশে অনেক কিছু বদল এসেছে, এদিন তা মনে করিয়ে দেন বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর। ২০১৪ সালে কেন্দ্রের ক্ষমতায় আসে নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) নেতৃত্বে বিজেপি (BJP) সরকার। গত এই আট বছরে যে দেশে অনেক কিছু বদলেছে, তা তুলে ধরেন জয়শঙ্কর। তিনি বলেন, গত আট বছরে মোদি সরকারের আমলে অনেক কিছু বদলে গিয়েছে। বিদেশ নীতির তিনটি স্তরের ওপরও এদিন আলোকপাত করেন জয়শঙ্কর (S Jaishankar)।

    আরও পড়ুন: কেবল ব্যবসা নয়, মিশরের সঙ্গে কাজও করতে চায় ভারত, জানালেন জয়শঙ্কর

    তাঁর ভাষায়, আমাদের বিদেশ নীতির তিনিটি স্তর রয়েছে। প্রথমত, এটি নিরাপত্তা কেন্দ্রিক। দ্বিতীয়ত, এটি উন্নয়ন কেন্দ্রিক। এবং তৃতীয়ত, এটি জনগণ কেন্দ্রিক। তিনি বলেন, আজ আমাদের ভিশন হল ১০ সপ্তাহের, ১০ মাসের এমন কি ১০ বছরের। এর অর্থ হল, আমাদের শর্ট টার্ম এবং লং টার্ম দু রকমের ভিশনই রয়েছে। বিশ্বের কোথাও কিছু ঘটলে তার প্রভাব এখন তামাম বিশ্বের ওপর পড়ে বলেও জানান জয়শঙ্কর। বিদেশমন্ত্রী বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধ এবং কোভিড অতিমারির প্রভাব পড়েছে গোটা বিশ্বে। এটা আমাদের শিক্ষা দিয়েছে কোনও একটি বিশেষ দেশের ওপর নির্ভর না করতে। তিনি বলেন, বিশ্বে কাজের বাজার এবং বিশ্বে ব্যবসার বাজারের উন্নতি ঘটাতে হবে আমাদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • WB Panchayat Election: নতুন বছরের শুরুতেই পঞ্চায়েত নির্বাচন! হাওড়া পুরসভার ভোট কবে?

    WB Panchayat Election: নতুন বছরের শুরুতেই পঞ্চায়েত নির্বাচন! হাওড়া পুরসভার ভোট কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরের গোড়ায়ই হতে পারে পঞ্চায়েত নির্বাচন (WB Panchayat Election)। যদি নিতান্তই জানুয়ারিতে ভোট করানো না যায়, তাহলে সেক্ষেত্রে ভোট হবে মার্চের শেষ কিংবা এপ্রিলের প্রথমে। রাজ্য নির্বাচন কমিশন (State Election Commission) সূত্রেই এ খবর মিলেছে। ইতিমধ্যেই নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে সীমানা পুনর্বিন্যাসের কাজ, আসন সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ হয়ে গিয়েছে। আজ, বুধবারই ওই তালিকা প্রকাশ করে দেবে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। ভোট হবে রাজ্য পুলিশ দিয়ে। এদিকে, হাওড়া পুরসভার ভোটও হতে পারে আগামী বছরেই।

    রাজ্য প্রশাসনের একটি অংশ জানুয়ারিতেই ভোট (WB Panchayat Election) করানোর পক্ষপাতী। শীতে নিতান্তই সম্ভব না হলে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার দরুণ ভোট পর্ব শুরু হবে না মার্চের তৃতীয় সপ্তাহের আগে। সেক্ষেত্রে ভোট হবে এপ্রিলের গোড়ায়। কারণ পরীক্ষা শেষ হলে তবেই মাইক বাজিয়ে প্রচারে কোনও নিষেধাজ্ঞা থাকবে না। তবে ঠিক কবে ভোট হবে, তা জানা যাবে আর কিছু দিন পরে। এদিকে, দোরগোড়ায় পঞ্চায়েত নির্বাচন (WB Panchayat Election) ধরে নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে রাজ্যের শাসক, বিরোধী সব শিবিরই। তৃণমূল নেতাদের জেলায় জেলায় গিয়ে জনসংযোগ বাড়াতে বলা হয়েছে। শীঘ্রই জেলা সফর শুরু করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে বিজেপিও। ২০ জনের একটি বিশেষ কমিটি তৈরি করেছে পদ্ম শিবির। জেলাগুলিতে নিয়োগ করা হয়েছে পর্যবেক্ষক।

    আরও পড়ুন: ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় তলব সিবিআইয়ের, দু ঘণ্টা জেরা তৃণমূলের দেবরাজকে

    রাজ্যে এর আগে পঞ্চায়েত ভোট (WB Panchayat Election) হয়েছিল ২০১৮ সালে। সেবারও ভোট হয়েছিল রাজ্য পুলিশ দিয়ে। সেবার ব্যাপক সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছিল বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএম। বিরোধীদের অভিযোগ, সন্ত্রাসের কারণে সেবার ৩৪ শতাংশ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছিল তৃণমূল। বিরোধীদের দাবি, রাজ্য পুলিশ দিয়ে নির্বাচন হলে অবাধ ভোট হবে না। ফের সৃষ্টি হবে অশান্তির বাতাবরণ। সেই আবহে কীভাবে নিরপেক্ষ ভোট হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীদের একাংশ। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে (WB Panchayat Election) রাজ্যের বহু আসনে প্রার্থী দিতে পারেননি বিরোধীরা। বিশেষত অনুব্রত মণ্ডলের বীরভূমে। তবে অনুব্রত এখন জেলে। ভোট পর্যন্ত তিনি ছাড়া না পেলে বীরভূমেও প্রার্থী দিতে পারবেন বিরোধীরা। এদিকে, নতুন বছরে ভোট হতে পারে হাওড়া পুরসভায়ও। মেয়াদ শেষেও নির্বাচন না হওয়ায়  পুরসভা চলছে প্রশাসক দিয়ে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Suvendu Adhikari: রাজ্যে শীঘ্রই চালু হবে সিএএ! নাগরিক সংশোধনী বিল নিয়ে আশার আলো দেখালেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: রাজ্যে শীঘ্রই চালু হবে সিএএ! নাগরিক সংশোধনী বিল নিয়ে আশার আলো দেখালেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘নিশ্চিত থাকুন, খুবই শীঘ্রই আপনাদের স্বপ্নপূরণ হবে।’ বনগায় বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে নাগরিক সংশোধনী বিল (CAA) নিয়ে আশার আলো দেখালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, ‘কয়েকদিন আগেই দিল্লি গিয়েছিলাম। জানতে চেয়েছিলাম, কবে আমাদের রাজ্যে CAA চালু হবে। ইতিবাচক উত্তর পেয়েছি। আমার বিশ্বাস, সেই সময় খুব দেরি নেই।’ পাঞ্চায়েত ভোটের আগে শুভেন্দু অধিকারীর এই বক্তব্যে বেজায় খুশি বনগাবাসী। কারণ, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন পাস করা নিয়ে দীর্ঘদিন তারা আন্দোলন করেছেন।

    আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীর বিজয়া সম্মিলনীতে হাজির করাতে হবে অনুদান পাওয়া ক্লাবগুলিকে, সরকারি নির্দেশে সরব শুভেন্দু

    যদিও এই আইন নিয়ে অতীতে কম বিতর্ক হয়নি। অনেকেরই মনে হচ্ছিল, ব্যাপারটি হয়তো লাল ফিতের ফাঁসে আটকে পড়েছে। কিন্তু রাজ্যের বিরোধী দলনেতার কথা শুনে ফের আশায় বুক বেঁধেছেন অনেকেই। ঠাকুর নগরে এক জনসভায় খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) রাজ্যে সিএএ চালুর ব্যাপারে জোর সওয়াল করেছিলেন। সেই প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু বলেন, ‘আজ না হয় কাল সিএএ আইন রাজ্যে লাঘু হবেই। কেউ আটকাতে পারবে না। কারণ, কথা দিয়েছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ। তাঁরা যখন কথা দেন, তা রাখেন। আমি মনে করি, শুধু  সিএএ নয়, অবিলম্ব রাজ্যে এনআরসিও চালু হওয়া দরকার। এমনকী, জন্ম নিয়ন্ত্রণ আইন খুবই প্রয়োজন। তবে সবার আগে সিএএ চালুর ব্যবস্থা করছি আমরা। কারণ, এটা শান্তনু ঠাকুরের লড়াই, এই লড়াই বিধায়ক স্বপন মজুমদার, অশোক কীর্তনীয়া, সুব্রত ঠাকুর, অম্বিকায় রায়, অসীম সরকারদের। যা কোনওভাবইে বিফলে যাবে না। আমরা জয়ী হবই।’

    আরও পড়ুন: তিস্তায় রমরমিয়ে চলছে বালি পাচার, ভিডিও শেয়ার করে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    লোকসভা ও রাজ্যসভায় সিএএ আইন পাস হয়েছে। এবার সেটা প্রয়োগ হবে, বলে জানান শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতার কথায়, ‘আমাদের রাজ্যে দিনের পর দিন অনুপ্রবেশ বাড়ছে। কাঁটা তারের বেড়া টপকে এসে অনুপ্রবেশকারীরা আমাদের রেশন খাচ্ছে, জমি ছিনিয়ে নিচ্ছে, ভাগ বসাচ্ছে একশো দিনের কাজেও। আর বঞ্চিত হচ্ছে আমাদের ঘরের ছেলে-মেয়েরা। ভারতভূমিকে রক্ষা করার জন্য, পশ্চিমবঙ্গকে রক্ষা করার জন্য নাগরিক পঞ্জি তৈরি ভীষণই জরুরি।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • T20 WC 2022: তীক্ষ্ণ নজর! মহারণের আগে একে অপরের শক্তি-দুর্বলতা বিশ্লেষণে ব্যস্ত ভারত-পাকিস্তান

    T20 WC 2022: তীক্ষ্ণ নজর! মহারণের আগে একে অপরের শক্তি-দুর্বলতা বিশ্লেষণে ব্যস্ত ভারত-পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী রবিবার, ২৩ অক্টোবর টি-২০ বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2022) ভারত-পাকিস্তান (IND vs PAK) মহারণ। যেই ম্যাচ ঘিরে ইতিমধ্যেই চড়তে শুরু করেছে পারদ। একে অপরকে মেপে চলেছেন দুই দেশের ক্রিকেটারেরা। সেই ছবিই ধরা পড়ল অস্ট্রেলিয়ায়। ঐতিহ্যবাহী মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে মুখোমুখি হবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত এবং পাকিস্তান। সেই ম্যাচকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার আঁচ অনেক আগে থেকেই চলতে শুরু করেছে। চলতি বছরে ইতিমধ্যেই দুবার মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। দুই দলই একবার করে জয় পেয়েছে। দ্বিতীয় সাক্ষাতে একে অপরকে টেক্কা দিতে বদ্ধপরিকর রোহিত-বাবররা। কে বাজি মারবে সেটা দেখার জন্যে উদগ্রীব হয়ে অপেক্ষা করছেন ক্রিকেটপ্রেমীরাও। 

     দুই দলের ক্রিকেটাররা অনুশীলনে কোনও খামতি রাখছেন না। আসলে রোহিত শর্মা, বাবর আজমরা জানেন, এই ম্যাচটা জিততে পারলে টি-২০ বিশ্বকাপের অর্ধেক পথ অতিক্রম করে ফেলা যাবে। তাই জিততে হবে যে কোনও উপায়ে। খোঁজ রাখতে হবে শত্রু শিবিরের উপর। সেই ছবিই ধরা পড়ল ব্রিসবেনের গাব্বায়। এখানে ছিল দু’টি প্রস্তুতি ম্যাচ। প্রথম ভারত খেলল অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে। পরে পাকিস্তান মুখোমুখি হয়েছিল ইংল্যান্ডের। রোহিতদের যখন ম্যাচ চলছে, তখন মাঠে চলে আসে পাক দল। বাবর আজম, রিজওয়ানরা গ্যালারিতে বসে খেলা দেখেন। আদলে খেলা দেখা তো নয়. শত্রু শিবিরের শক্তি-দুর্বলতা যাচাই করে নিচিছলেন। ম্যাচ শেষ হতে ভারতীয় ক্রিকেটাররা কিন্তু হোটেলে ফিরে যাননি। একইভাবে হার্দিক পান্ডয়া, অক্ষর প্যাটেলরা গ্যালারি থেকেই ম্যাচের উপর নজর রাখেন। তাঁরা হয়তো দেখে নিতে চাইছিলেন, শাহিন আফ্রিদিরা কেমন পারফর্ম করছেন।

    নিজেদের খেলার পর পাকিস্তানের খেলা তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করলেন বিরাট কোহলি, হার্দিক পান্ডিয়ারা। দেখে নিলেন প্রতিপক্ষের দুর্বলতাগুলো। জানলেন তাঁদের শক্তিশালী দিক। এই খেলা দেখেই হয়ত বা গেম প্ল্যান তৈরি করল মেন-ইন-ব্লু। যা কাজে লাগবে কি না তা জানা যাবে রবিবার।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Manik Bhattacharya: টেট পরীক্ষার আগেই প্রশ্ন পৌঁছে যেত ট্রেনিং সেন্টারে! বিস্ফোরক তথ্য ইডি-র হাতে

    Manik Bhattacharya: টেট পরীক্ষার আগেই প্রশ্ন পৌঁছে যেত ট্রেনিং সেন্টারে! বিস্ফোরক তথ্য ইডি-র হাতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক টেট সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলায় (Primary Tet Recruitment Scam) ফের এক পর্দা ফাঁস হল মানিক ভট্টাচার্যের (Manik Bhattacharya)। নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে সামনে এল টেটের (TET) ‘প্রশ্নফাঁস’-এর কথা। এই দুর্নীতি কাণ্ডে আগেই এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (Enforcement Directorate) হাতে গ্রেফতার হয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি তথা তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress) বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য (Manik Bhattacharya)। আর গ্রেফতারের পর থেকেই একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ্যে এসে চলেছে। আর এর মধ্যেই এবার আরও একটি তথ্য এল ইডির হাতে, যা দেখে চক্ষু চড়কগাছ। পরীক্ষার আগেই প্রশ্নপত্র কয়েকটি টিচার্স ট্রেনিং সেন্টারে চলে আসত বলে তথ্য পেয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (‌ইডি)‌। আর এই তথ্যেই ফের শোরগোল পড়ে গিয়েছে।  

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, মাঝে রাজ্যে একাধিক টিচার্স ট্রেনিং সেন্টার (Teachers Training Centre) গজিয়ে উঠেছিল, আর পরীক্ষার আগেই টেট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র পৌঁছে যেত এই ট্রেনিং সেন্টারগুলোতে। আর এতে পুরো হাত ছিল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যের (Manik Bhattacharya)। এমনটাই অভিযোগই উঠে আসে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED) কাছে। ফলে এমন বিস্ফোরক অভিযোগের খবর সামনে উঠে আসতেই তদন্ত শুরু করেছে ইডির অফিসাররা।

    আরও পড়ুন: ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় তলব সিবিআইয়ের, দু ঘণ্টা জেরা তৃণমূলের দেবরাজকে

    এই প্রশ্ন ফাঁস-এর কাণ্ডে শুধুমাত্র মানিক (Manik Bhattacharya) নয়, এনার সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডলেরও হাত রয়েছে বলে অনুমান করা হয়েছে। তাই তাপসের ৩৫ টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের উপর ক্রমাগত নজর রেখে চলেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। শুধু তাই নয়, একইসঙ্গে তাপস মণ্ডলের বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া একাধিক মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তাঁর সঙ্গে মানিক ভট্টাচার্যের কি সম্পর্ক রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে ইডি।

    সম্প্রতি তদন্ত চলাকালীন ইডি আধিকারিকদের কাছে খবর আসে যে, টেট পরীক্ষার আগে প্রশ্নফাঁস হয়েছিল। অভিযোগ উঠেছে যে, মানিক ভট্টাচার্যের (Manik Bhattacharya) সম্মতিতেই তাঁর ঘনিষ্ঠদের শিক্ষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রেই পৌঁছে যেত প্রশ্ন ও উত্তরপত্র। তার আগে ওই কেন্দ্রের কর্মকর্তারা প্রাথমিক স্কুলে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ছাত্র ছাত্রীদের কাছ থেকে টাকা নিতেন। তার বদলে ওএমআর শিটগুলি সঠিক উত্তর লিখে ভরাট করানোর ব‌্যবস্থা করা হত। আর এই তথ‌্যগুলিই ইডি যাচাই করছে এখন। তার জন‌্য যে ‘ভুয়ো’ শিক্ষকদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে, তাঁদের জেরা করাও শুরু করছেন ইডির গোয়েন্দারা।

  • Lifestyle for Environment: দুদিনের সফরে ভারতে আসছেন রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব, দেখা করবেন মোদির সঙ্গে

    Lifestyle for Environment: দুদিনের সফরে ভারতে আসছেন রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব, দেখা করবেন মোদির সঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার রাষ্ট্রসংঘের সেক্রেটারি জেনারেল (un secretary general) অ্যান্টনিও গুতেরেস দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে। কেবল মোদি নন, রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব সাক্ষাৎ করবেন ভারতের (India) বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গেও। দু দিনের সফরে ভারতে আসছেন অ্যান্টনি গুতেরেস। সেই সময়ই তিনি দেখা করবেন মোদি এবং জয়শঙ্করের সঙ্গে। গুতেরেসের মুখপাত্রই এ খবর জানিয়েছেন।

    অক্টোবরের ১৮ থেকে ২০ এই দুদিন ভারত সফরে আসছেন রাষ্ট্রসংঘের সেক্রেটারি জেনারেল। ভারত-রাষ্ট্রসংঘ যৌথভাবে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। অংশ নেবেন লাইফস্টাইল ফর এনভায়রনমেন্ট (Lifestyle for Environment) মিশনেও। গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক এই খবর জানিয়েছেন। তিনি জানান, গুতেরেসের এই দু দিনের ভারত সফরে তিনি দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে। গুজরাটের মধেরা গ্রামেও যাবেন রাষ্ট্রসংঘের সেক্রেটারি জেনারেল। এই গ্রামেই রয়েছে সূর্য মন্দির। গ্রামটিকে সম্প্রতি একশো শতাংশ সৌরশক্তির গ্রাম ঘোষণা করা হয়েছে। গুতেরেসের মুখপাত্র জানান, গুজরাটের মধেরায় গিয়ে রাষ্ট্রসংঘের সেক্রেটারি জেনারেল চাক্ষুষ করবেন সোলার রুফটপ। ওই গ্রামের ১৩০০ বাড়িতে বসানো হয়েছে ওই রুফটপ। ভারত সফর শেষে গুতেরেস চলে যাবেন ভিয়েতনামে।

    এই প্রথম ভারত সফরে আসছেন গুতেরেস। এর আগে তিনি ভারত সফরে এসেছিলেন ২০১৮র অক্টোবরে। গুতেরেসের ভারত সফরের কথা জানানো হয়েছে বিদেশমন্ত্রকের তরফেও। মন্ত্রকের খবর, গুতেরেস প্রথমে মুম্বইয়ের তাজমহল প্যালেস হোটেলে ২৬\১১য় মৃতদের শ্রদ্ধাজ্ঞাপণ করবেন। মুম্বই আইআইটির একটি অনুষ্ঠানেও যোগ দেবেন তিনি। অক্টোবরের ২০ তারিখে গুতেরেস সাক্ষাৎ করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে। গুজরাটের কেভাদিয়ার একতা নগরে লাইফস্টাইল ফর এনভায়রনমেন্ট (Lifestyle for Environment) মিশনের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। উদ্বোধন করবেন বুকলেট, লোগো এবং ট্যাগলাইনের। কেভাদিয়ায় স্ট্যাচু অফ ইউনিটিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপণ করার কথাও রয়েছে গুতেরেসের। পরে মাধেরায় দর্শন করবেন সূর্য মন্দির। প্রধানমন্ত্রীর পর বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গেও দেখা করবেন গুতেরেস। বিশ্ব উদ্বেগ সহ নানা বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা দ্বিপাক্ষিক ওই বৈঠকে।

     

  • Howrah: বাড়িতেই না, ব্যাংকেও হয়েছে ৭৭ কোটি টাকার লেনদেন! হাওড়া কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে

    Howrah: বাড়িতেই না, ব্যাংকেও হয়েছে ৭৭ কোটি টাকার লেনদেন! হাওড়া কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে শুধুই টাকার পাহাড়! গতকালই উদ্ধার হয়েছে ২৮ কোটি টাকা সহ সোনা রুপো এমনকি হিরের গয়নাও। কিন্তু এবার কোনও হেভিওয়েট নেতা-মন্ত্রীর বাড়ি থেকে নয় বরং এক ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ এবং গয়না। ব্যবসায়ীর নাম শৈলেশ পাণ্ডে। পুলিশের অভিযানের আগে থেকেই খোঁজ নেই হাওড়ার পাণ্ডে ব্রাদার্সের। হাওড়ার শিবপুর টাকা উদ্ধার কাণ্ডে এবারে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, আরও টাকার হদিশ পাওয়া গিয়েছে। শুধুমাত্র নগদ অর্থই নয়, ব্যাংকের দুটি অ্যাকাউন্টে প্রায় ৭৭ কোটি টাকার লেনদেনের খবর সামনে এসেছে। ফলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে যে, এত টাকার উৎস কী?

    এই ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ জানিয়েছে যে, লোক ঠকানোর কারবারের জন্য খোলা হয়েছিল আইএক্স গ্লোবাল নামক অ্যাপ। এই অ্যাপের মাধ্যমে বিদেশ থেকে অনলাইনে টাকা রোজগারের ব‌্যাপারে প্রশিক্ষণ বা শিক্ষা দেওয়া হত। এই প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য ৮০ ডলার থেকে শুরু করে ১২৫ ডলার নেওয়া হত আর এরই মাধ্যমে অনেক বেশি টাকা রোজগার করা হত। এখানেই শেষ নয়, যারা ট্রেনিং নিত তাদের লোভ দেখানো হত যে, এই অ্যাপে আরও বেশি লোক নিয়ে আসলে তাদের কমিশন দেওয়া হবে। এরপর তাদের প্রথম কমিশন দেওয়া হলেও সেটি দশ হাজার ডলার ছাড়িয়ে গেলেই তাদের অ‌্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হত। আর এভাবেই পাণ্ডে ব্রাদার্সের অ্যাকাউন্টে জমা হত টাকা।

    আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রীর বিজয়া সম্মিলনীতে হাজির করাতে হবে ক্লাবকে, জেলাশাসকদের নির্দেশ নিয়ে সরব শুভেন্দু

    আরও জানা গিয়েছে, এভাবে মোট ৩৪টি বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও অ‌্যাপ থেকে টাকা আসতে শুরু করে আইএক্স গ্লোবাল অ‌্যাপে, যা নিয়ন্ত্রণ করত টি পি গ্লোবাল নামে একটি সংস্থা। এরপর এই নিয়ে প্রথম অভিযোগ জমা পড়েছিল চলতি বছরের অগাস্ট মাসে। অভিযোগ জানিয়েছিল একটি রাষ্টায়ত্ত ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। ১৬, স্ট্র্যান্ড রোডের ঠিকানা দিয়ে অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছিল। দুটি অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছিল অগাস্টে।

    চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে দেখা যায় বিশাল পরিমাণে টাকার লেনদেন হয়েছে ওই অ্যাকাউন্টে। এক মাসে প্রায় ৭৭ কোটি টাকার লেনদেন। আর এত টাকার লেনদেনের ফলেই সেটির উপর বিশেষ নজর রাখা হয়। ওই সংস্থা থেকে আরও কয়েকটি সংস্থায় ভাগ হয়ে টাকা জমা পড়ছে দু’টি অ‌্যাকাউন্টে। এক মাসে ওই দুই অ‌্যাকাউন্ট থেকে ৭৭ কোটি টাকার লেনদেন হওয়ায় গোয়েন্দাদের সন্দেহ হয়। এরপর পুলিশ সূত্র ধরে সেই জায়গায় পৌঁছলে শৈলেশ পাণ্ডের নাম সামনে আসে। আরও জানা গিয়েছে, শৈলেশ চার্টার্ড অ‌্যাকাউন্ট‌্যান্টও ছিলেন ও এর সুযোগ নিয়ে বহু মানুষের পরিচয়পত্রের কপি ও ছবি জোগাড় করে ভুয়ো অ‌্যাকাউন্টও খুলতেন। আর এভাবেই চিট ফান্ডের মতই প্রতারণা করে এত পরিমাণের সম্পত্তি বানিয়েছে তারা।

  • Multidimensional Poverty Index: ১৫ বছরে দারিদ্রমুক্তি ৪১ কোটি ভারতবাসীর, ‘ঐতিহাসিক’ আখ্যা রাষ্ট্রসংঘের  

    Multidimensional Poverty Index: ১৫ বছরে দারিদ্রমুক্তি ৪১ কোটি ভারতবাসীর, ‘ঐতিহাসিক’ আখ্যা রাষ্ট্রসংঘের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলির আগেই মিলল খুশির খবর! ভারতে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা কমেছে উল্লেযোগ্যভাবে। গত ১৫ বছরে ৪১.৫ কোটি মানুষ মুক্তি পেয়েছেন দারিদ্র (Poverty) থেকে। ২০০৫-০৬ অর্থবর্ষ থেকে ২০১৯-২০ অর্থবর্ষ এই পনের বছরে ভারতে (India) কমেছে দরিদ্র (Poor) মানুষের সংখ্যা। নিছক গল্প কথা নয়, গ্লোবাল মাল্টিডাইমেনশনাল পোভার্টি ইনডেস্ক (Multidimensional Poverty Index) ২০২২ এই উঠে এসেছে এই তথ্য।

    তবে এই সুখবরের উল্টো একটি দিকও রয়েছে। সেটা হল ২০২০ সালেও ভারতে বিশ্বের সব চেয়ে বেশি দরিদ্র মানুষ বাস করেন। এঁদের সংখ্যা ২২৮.৯ মিলিয়ন। ইউনাইটেড নেশনস ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (United Nations Development Programme) ও অক্সফোর্ড পোভার্টি অ্যান্ড হিউম্যান ডেভলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভের (Oxford Poverty and Human development Initiative) প্রকাশিত রিপোর্টেই জানা গিয়েছে এই তথ্য। গত পনের বছরে ভারতে যে বিপুল পরিমাণ মানুষ দারিদ্র থেকে মুক্তি পেয়েছেন, তাকে ‘ঐতিহাসিক’ আখ্যা দিয়েছে রাষ্ট্রসংঘ। তবে রাষ্ট্রসংঘের তরফে এও আশা করা হচ্ছে, ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র দূরীকরণে বিশ্বের কাছে উদাহরণ হয়ে উঠতে পারে ভারত।

    উন্নয়ন সত্ত্বেও ভারতবাসী কোভিড অতিমারি ও ক্রমবর্ধমান খাদ্যশস্যের মূল্য এবং উচ্চ জ্বালানি মূল্যের সঙ্গে লড়াই করছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতে পুষ্টি ও শক্তির ঘাটতি সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে কাজ করা সরকারের অগ্রাধিকারের তালিকায় থাকা প্রয়োজন। এত মানুষের দারিদ্র মুক্তি ঘটলেও, এখনও এ দেশে দরিদ্র মানুষ রয়েছেন ২৩ কোটি। রাষ্ট্রসংঘের প্রতিবেদনেই একথা বলা হয়েছে। ২০১৯-২১ এই বছরগুলিতে অতিমারি থাবা বসায় গোটা বিশ্বের সঙ্গে সঙ্গে ভারতেও। এই অতিমারির কারণেই এখনও ২৩ কোটি মানুষ রয়েছেন দারিদ্রের তালিকায়। জানা গিয়েছে, শহরে দারিদ্র সীমার নীচে বাস করেন ৫.৫ শতাংশ মানুষ। গ্রামে এই সংখ্যাটাই ২১.২ শতাংশ। জানা গিয়েছে, ভারতের কিছু অঞ্চলে জাতীয় গড়ের চেয়ে দ্রুত হারে হ্রাস পেয়েছে দারিদ্র। এর মধ্যে রয়েছে বিহার, ঝাড়খণ্ড এবং উত্তর প্রদেশ। এই রাজ্যগুলিতে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা কমেছে দ্রুত।

    আরও পড়ুন: নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য পদে ভারতকে ঠেকিয়ে রাখা যাবে না, সাফ জানালেন জয়শঙ্কর

    প্রসঙ্গত, ২০০৪ থেকে পরের দশ বছর কেন্দ্রে ছিল কংগ্রেসের নেতৃত্বে ইউপিএ সরকার। ২০১৪ সাল থেকে রয়েছে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি সরকার। দেশকে দারিদ্রমুক্ত করতে একের পর এক পদক্ষেপ করেছেন মোদি। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই সময়সীমায়ই দেশে ব্যাপকভাবে ঘটেছে দারিদ্রমুক্তি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Recruitment Scam: কামদুনির মৌসুমীও কাজ করতেন তাপসের সংস্থায়! মহিষবাথানের অফিস নিয়ে কী জানালেন তিনি?

    Recruitment Scam: কামদুনির মৌসুমীও কাজ করতেন তাপসের সংস্থায়! মহিষবাথানের অফিস নিয়ে কী জানালেন তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কামদুনির প্রতিবাদী মুখ মৌসুমী কয়ালও কাজ করতেন মানিক ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডলের (Tapas Mondal) মহিষবাথানের (Mahishbathan)অফিসে। নিজেই একথা জানালেন মৌসুমী। তবে আর্থিক দুর্নীতি বা নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে কিছুই জানেন না বা দেখেননি তাঁরা এমনই দাবি মৌসুমীর। চার-পাঁচ মাস বেতন না পেয়ে ওই চাকরি ছেড়ে দেন তিনি। 

    মৌসুমীর কথায়, প্রায় আড়াই বছর আগে তাপসের সংস্থায় কাজ করতেন তিনি। মৌসুমী বলেন, ‘একজনের সূত্রে আলাপ হয়েছিল তাপস মণ্ডলের সঙ্গে। তাপসবাবু কামাখ্যায় তাদের আশ্রমে ঘুরতে যেতে বলেন। অনুরোধ রক্ষা করতে সেখানে যাই। তখন একজন ভাল মানুষ বলেই জানতাম তাঁকে। ফিরে আসার কিছুদিন পর তাপসবাবু বলেন, ওনার প্রোজেক্টের কিছু কাজ চলছে, সেগুলো দেখাশুনো করলে ভালো হয়। সেই সময় আমরা ১৪ – ১৫ জন ওনার মহিষবাথানের অফিসে কাজে যোগ দিই। কিন্তু প্রায় ৫ থেকে ৬ মাস মাইনে না পাওয়ায় চাকরি ছেড়ে দিয়েছিলাম’।        

    আরও পড়ুন: নানারকমের সোনার অলঙ্কারই অনুব্রতর কালী প্রতিমার বৈশিষ্ট্য! জানেন কী কী রয়েছে সেই তালিকায়?

    মৌসুমী আরও জানিয়েছেন, তিনি যখন মহিষবাথানে তাপস মণ্ডলের মিনার্ভা এডুকেশন অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টে কাজ করতেন তখন ওই সংস্থার উদ্যোগে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে একটি অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন মানিক ভট্টাচার্য (Manik Bhattacharya)। সেখানে মানিকবাবুর সঙ্গে পরিচয় হয় তাঁর। মৌসুমী জানিয়েছেন, তিনি যতদিন সেখানে ছিলেন, চাকরি বিক্রি বা কোনও লেনদেন সংক্রান্ত অস্বাভাবিক কিছু দেখেননি। তবে তার পর গত আড়াই বছরে কী হয়েছে তা জানা নেই তাঁর।

    আরও পড়ুন: মানিক-ঘনিষ্ঠের ৩৫টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখছে ইডি! জানেন কে এই তাপস মণ্ডল?

    অন্যদিকে, তাপস মণ্ডলের মহিষবাথানের অফিসে এত টাকা আসত, যে তা গোনার জন্য রীতিমতো মেশিন বসানো ছিল। সম্প্রতি অমন মন্তব্য করেছেন তাপস মণ্ডলের মিনার্ভা এনজিও-র দীনদয়াল উপাধ্যায় কেন্দ্রীয় কারিগরি শিক্ষা প্রজেক্টের এক কর্মী। সরকার তার পাশে আছে, এই দম্ভেই লোককে ভয় দেখিয়ে কাজ করাতেন তাপস এমনই দাবি তাঁর। তিনি জানান,মিনার্ভার ১৬ জন কর্মচারীর ৫ মাসের বেতনও আত্মসাৎ করেছেন তাপস মণ্ডল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Suvendu Adhikari: তিস্তায় রমরমিয়ে চলছে বালি পাচার, ভিডিও শেয়ার করে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: তিস্তায় রমরমিয়ে চলছে বালি পাচার, ভিডিও শেয়ার করে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি টাকায় এক তৃণমূল বিধায়কের রিসর্ট সংস্কারের কাজ হচ্ছে। এমনই অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রীকে বিঁধেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মুখ্যমন্ত্রী ওই রিসর্টে যেতে পারেন বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। এর পর আটচল্লিশ ঘণ্টাও কাটেনি, ফের মুখ্যমন্ত্রী মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে বালি পাচারের (Sand Smuggling) একটি ভিডিও শেয়ার করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতার কটাক্ষ, মুখ্যমন্ত্রী যখন পাহাড় সফরে তখন তাঁর উপস্থিতির মধ্যেই ওই জেলায় রমরমিয়ে চলছে বালি পাচার।

    সোমবার উত্তরবঙ্গ (North Bengal) সফরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজয়া দশমীর দিন মালবাজারে মাল নদীতে প্রতিমা বিসর্জন দিতে গিয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আচমকাই জলপাইগুড়ির ওই নদীতে চলে আসে হড়পা বান। বানের জলে ভেসে যান বেশ কয়েকজন। পরে উদ্ধার হয় তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের দেহ। এদিন উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়ে দশমীর দিনের ওই মর্মান্তিক ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী যখন ওই পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা করে কুম্ভীরাশ্রু বিসর্জন করছেন, ঠিক তখনই উত্তরবঙ্গের গুরুত্বপূর্ণ নদী তিস্তা থেকে অবৈধভাবে বালি তোলার ভিডিও শেয়ার করলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

    ২ মিনিট ১৪ সেকেন্ডের ভিডিওটি শেয়ার করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর অভিযোগ, তিস্তা থেকে অবৈধভাবে বালি তোলা চলছে। মুখ্যমন্ত্রী যখন পাহাড় সফর করছেন, তখন তাঁর উপস্থিতির মধ্যেই জেলায় রমরমিয়ে চলছে অবৈধভাবে বালি পাচার। নন্দীগ্রামের বিধায়েকর অভিযোগ, তৃণমূল নেতাদের মদতেই চলছে বালি পাচার। পাচারের কাজ চলছে রাজগঞ্জ বিধানসভার পাহাড়পুর এলাকায়।

    আরও পড়ুন: ওরা হিন্দুদের তাড়াতে চায়! মোমিনপুর-কাণ্ডে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক শুভেন্দু

    রবিবারই শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) অভিযোগ করেছিলেন, সরকারি ব্যয়ে উত্তরবঙ্গে একটি বেসরকারি রিসর্ট সংস্কার করা হচ্ছে। রিসর্টটি মহেশতলার বিধায়ক তৃণমূলের দুলাল দাসের। কেবল ওই রিসর্টটি নয়, তার আশপাশের এলাকা এবং রিসর্টে যাওয়ার রাস্তাও সংস্কার করা হচ্ছে সরকারি অর্থ ব্যয়ে। মুখ্যমন্ত্রী ওই রিসর্টে যেতে পারেন বলেও জানিয়েছিলেন শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রী যখন বিরোধী নেত্রী ছিলেন, তখন একবার ওই রিসর্টে গিয়েছিলেন। সরকারি অর্থ ব্যয়ে কেন চলছে ব্যক্তিগত রিসর্ট সংস্কারের কাজ, সে প্রশ্নও তুলেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share