Blog

  • Chetan Sharma: বেফাঁস মন্তব্যের জের! মুখ্য নির্বাচক পদ থেকে সরে গেলেন চেতন শর্মা

    Chetan Sharma: বেফাঁস মন্তব্যের জের! মুখ্য নির্বাচক পদ থেকে সরে গেলেন চেতন শর্মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পদত্যাগ করলেন ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের মুখ্য নির্বাচক চেতন শর্মা। রঞ্জি ফাইনালের প্রথম দিন ইডেনে উপস্থিত ছিলেন চেতন। কলকাতায় বসেই বিসিসিআই সচিব জয় শাহকে নিজের ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দেন তিনি। সেটা গৃহীত হয়েছে। রঞ্জি ট্রফি ফাইনালের প্রথম দিনের খেলা পুরোটাই দেখেন সদ্য প্রাক্তন হওয়া বোর্ডের মুখ্য নির্বাচক। তারপরই পদত্যাগ করেন। শুক্রবার রঞ্জি ফাইনালের দ্বিতীয় দিন আর চেতনকে ইডেনে দেখা যায়নি। 

    বেফাঁস মন্তব্য

    সম্প্রতি স্টিং অপারেশেনে চেতন শর্মার বেফাঁস মন্তব্য নিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছিল বিসিসিআই। এরপর তাঁর চাকরি যাওয়া ছিল সময়ের অপেক্ষা এমনই ধারণা ক্রিকেট মহলের। যদিও বিসিসিআইয়ের কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগেই জাতীয় নির্বাচকের পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দিলেন চেতন শর্মা। স্টিং অপারেশনে ভারতীয় ক্রিকেটের বিতর্কিত অধ্যায় সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও বিরাট কোহলির দ্বন্দ্ব নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করেছিলেন চেতন। সেখানে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় এবং বিরাট কোহলির মধ্যে ইগোর লড়াইয়ের কারণেই অধিনায়কত্ব হারিয়েছিলেন বিরাট বলে মন্তব্য করেছিলেন চেতন। এছাড়া জসপ্রীত বুমরাহকে ব্যাথা কমানোর ইঞ্জেকশন দিয়ে জোর করে খেলানো হয়েছিল বলে দাবি করেন চেতন শর্মা।

    শিবসুন্দরের হাতে দায়িত্ব!

    চেতন শর্মা ইস্তফা দেওয়ায় বোর্ডের নির্বাচন কমিটির সদস্য সংখ্যা নেমে এল চারে। সুব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, সলিল আঙ্কোলা, এস শরথ এবং এসএস দাসকে গত জানুয়ারি মাসে বিসিসিআইয়ের নির্বাচন কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। টি-২০ বিশ্বকাপে ব্যর্থতার পর পুরো সিলেকশন কমিটিকেই বদলে ফেলার পরিকল্পনা ছিল বোর্ডের। তবে মুখ্য নির্বাচক পদে তেমন কাউকে না পাওয়ায় চেতন শর্মাকেই ফিরিয়ে নিয়ে আসা হয়। দ্বিতীয়বার তাঁর মেয়াদ রইল মাসখানেকের মতো।

    আরও পড়ুন: সৌরভের সঙ্গে ইগোর লড়াই, নেতৃত্ব ছাড়েন বিরাট! গোপন ক্যামেরায় আর কী কী বললেন চেতন শর্মা?

    বোর্ড সূত্রে খবর, চেতনের জায়গায় নির্বাচক প্রধানের দায়িত্ব সামলাতে চলেছেন শিবসুন্দর দাস। আগামী দিনে তাঁর হাতেই মুখ্য নির্বাচকের ব্যাটন তুলে দিতে পারে বিসিসিআই। ভারতের হয়ে ২৩টি টেস্ট খেলা শিবসুন্দর কিছু দিন আগেই নির্বাচক কমিটিতে সুযোগ পান। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ভারতীয় দলের অধিনায়ক থাকাকালীন আন্তর্জাতিক ম্যাচে খেলেন শিব। ওড়িশার হয়ে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে খেলতেন তিনি। ভারতের হয়ে চারটি এক দিনের ম্যাচও খেলেছিলেন শিবসুন্দর। টেস্টে দু’টি শতরান-সহ ১৩২৬ রান করেছিলেন তিনি। নির্বাচক কমিটিতে থাকা বাকি সদস্যদের থেকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলার অভিজ্ঞতা কিছুটা বেশি শিবসুন্দরের। সেই কারণেই তাঁর উপর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে, বলে অনুমান।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • ITBP: চিন সীমান্তে মোতায়েনের লক্ষ্যে আরও ৯ হাজার আইটিবিপি জওয়ান নিয়োগে সম্মতি কেন্দ্রের

    ITBP: চিন সীমান্তে মোতায়েনের লক্ষ্যে আরও ৯ হাজার আইটিবিপি জওয়ান নিয়োগে সম্মতি কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-চিন সীমান্তের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর ৯ হাজার ইন্দো-টিবেটান বর্ডার পুলিশ (ITBP) মোতায়েন করা হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, ২০১৩-১৪ সাল থেকেই অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের প্রস্তাব ছিল। সেটাই কার্যকর হতে চলেছে। কিন্তু হঠাতই এই সেনা মোতায়েন করা নিয়ে জল্পনা নানা মহলে। কেন হঠাৎ এই সেনা মোতায়েনের ভাবনা? কোনও আসন্ন বিপদের গোপন সংকেত কি পেয়েছে কেন্দ্র?

    মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত

    কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সাংবাদিকদের জানান, ভারত-চিন সীমান্তে ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশের (ITBP) জন্য একটি নতুন অপারেশনাল ঘাঁটি এবং সাতটি নতুন সীমান্ত ব্যাটালিয়ন তৈরির জন্য ৯৪০০ জন জওয়ান (soldiers) নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে নিরাপত্তা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার কমিটির বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এই প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।  চিন সীমান্তে ভারতীয় প্রতিরক্ষার প্রথম দেওয়াল আইটিবিপি জওয়ানরা। সাম্প্রতিক কয়েক বছরে সীমান্তে একাধিকবার সংঘর্ষে জড়িয়েছেন ভারত ও চিনের জওয়ানরা। বারবার চিনকে যোগ্য জবাব দিয়েছে ভারত।

    আরও পড়ুন: তিনদিন পর বিবিসির অফিস ছাড়লেন আয়কর আধিকারিকরা! কী মিলল দফতর থেকে? 

    আগাম সতর্কতা

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে খবর, ভারত-চিন সীমান্তে সব সময় নিরাপত্তার অভাব থাকে। ডোকালাম, পূর্ব লাদাখ, তাওয়াং ইত্যাদি এলাকায় গত কয়েক বছর ধরেই চিনা সেনার সঙ্গে মুখোমুখি হতে হয়েছে ভারতীয় সেনাকে। ভারত-চিন সীমান্তে উত্তেজনার আবহ তৈরি হয়েছে বারবার। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর গত কয়েক বছরে সেনা মোতায়েন অনেকটা বাড়িয়ে দিয়েছে চিনও। উপগ্রহ চিত্রে চিনের সেনাদের ছাউনি ও অস্ত্র মোতায়েনের ছবি দেখা গিয়েছে। সেটা ভারতের পক্ষে সুখবর নয়। তাই ভারতকেও তৈরি থাকতে হবে। এটা তারই প্রস্তুতি বলে অনুমান। সরকারি সূত্রে বলা হয়েছে, সীমান্ত চৌকি তৈরির জন্য জমি অধিগ্রহণ এবং অফিস ও আবাসিক ভবন তৈরি এবং অস্ত্র ও গোলাবারুদের জন্য ১৮০৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৪৭টি সীমান্ত চৌকি তৈরির ফলে আইটিবিপি’র ক্ষমতা ২৬ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Swara Bhaskar: সাদামাটা বিয়ে সারলেন বলি অভিনেত্রী স্বরা ভাস্কর, কীভাবে প্রেমের শুরু রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে?

    Swara Bhaskar: সাদামাটা বিয়ে সারলেন বলি অভিনেত্রী স্বরা ভাস্কর, কীভাবে প্রেমের শুরু রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের এক বলিউড অভিনেত্রীর বিয়ে! তবে নেই কোনও বলিউডি আয়োজন, নেই কোনও জাঁকজমক, এক্কেবারে সাদামাটা আয়োজনে সবাইকে চমকে দিয়ে রেজিস্ট্রি করে বিয়ে সেরে ফেললেন স্বরা ভাস্কর। পাত্র রাজনৈতিক নেতা। সমাজবাদী পার্টির রাজ্য যুব সভাপতি ফাহাদ আহমেদকে বিয়ে করেছেন স্বরা। জানা গিয়েছে, চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি তাঁরা আইনি বিয়ে করেছেন। কিন্তু সে কথা ঘোষণা করলেন ফেব্রুয়ারি মাসের ১৬ তারিখ। আচমকাই ট্যুইটারে একটি  ভিডিও পোস্ট করে জানালেন, তাঁরা কোর্ট ম্যারেজ সেরে ফেলেছেন। জানা গিয়েছে, তাঁদের প্রেমের শুরুটাও হয়েছে একেবারে অন্যরকমভাবে। আর তারই ঝলক দেখা গেল কিছু ছবি ও ভিডিওর মন্তাজে।

    অভিনেত্রী ও রাজনৈতিক নেতার প্রেমের শুরু কীভাবে?

    সালটা ২০১৯। আন্দোলনেই প্রথম আলাপ। দু’টো জীবন এক হতে পারে, প্রথমে এমন ভাবনাই মাথায় আসেনি। কিন্তু একসময় বোঝেন, তাঁরা প্রেমে পড়েছেন। বাকিটা ইতিহাস। অবশেষে প্রেমিকের সঙ্গে বিয়েটা সেরে ফেললেন স্বরা ভাস্কর। ফলে রাজনৈতিক মঞ্চ থেকেই প্রেমের যাত্রা শুরু, এমনটাই বোঝা যাচ্ছে। এর আগে ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করে জল্পনা উস্কে দিয়েছিলেন স্বরা। এক পুরুষের বাহুডোরে দেখা গিয়েছিল অভিনেত্রীকে। সঙ্গে লেখা ছিল, ‘এই হয়তো প্রেম’। কিন্তু পুরুষের মুখ স্পষ্ট ছিল না।

    কিন্তু অবশেষে গতকাল স্বরা জানিয়ে দিলেন, তিনি বিয়ে সেরে নিয়েছেন। সঙ্গে পোস্ট করেছেন একটি ভিডিও। সেই ভিডিও-র ক্যাপশনে লেখা, “অনেক সময় আমরা এমন কিছু খুঁজি যা চোখের সামনেই থাকে, কিন্তু আমরা দূরে খুঁজতে থাকি। আমরা ভালবাসা খুঁজছিলাম। কিন্তু খুঁজে পেলাম বন্ধুত্ব। তার পর একে অপরকে খুঁজে পেলাম। আমার মনে তোমাকে স্বাগত ফাহাদ। এখানে অনেক শোরগোল, কিন্তু এই মন তোমার।” স্বরার বিয়ের খবর ছড়িয়ে পড়তেই অভিনেত্রীর সোশ্যাল মিডিয়ার কমেন্ট সেকশন অনুরাগীদের শুভেচ্ছাবার্তায় ভরে উঠেছে।

  • Akhil Giri: রাষ্ট্রপতির পর প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য অখিল গিরির! তুমুল বিতর্কে মন্ত্রী

    Akhil Giri: রাষ্ট্রপতির পর প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য অখিল গিরির! তুমুল বিতর্কে মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের শাসকদলের নেতার মুখে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য! বিতর্ক যেন তাঁর পিছু ছাড়ছেই না। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর পর এবার দেশের প্রধানমন্ত্ৰী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করে বসলেন মন্ত্ৰী অখিল গিরি। রামনগরের সভা থেকে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী গরুকে আঁকড়ে ভালোবাসা করতে গিয়েছিলেন। গরু গুঁতিয়ে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে।” স্বভাবতই মন্ত্রীর এই মন্তব্য ঘিরে তুমুল বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এই প্রথম নয়, এর আগেও রাষ্ট্রপতি দৌপদী মুর্মুকে নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন তিনি। ফলে এই নিয়ে ক্ষমাও চাইতে হয় খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

    প্রধানমন্ত্রীর নামে অশালীন মন্তব্য অখিল গিরির

    গতকাল পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরে আরএসএ ময়দানের মাঠে বিজেপির পালটা সভা করে তৃণমূল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। আর সেখান থেকেই প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অশালীন ভাষায় মন্তব্য করতে দেখা যায় তাঁকে। বিজেপি ও মোদি সরকারকে কটাক্ষ করতে গিয়ে তিনি ভ্যালেন্টাইন্স ডে-এর প্রসঙ্গ তুলে এনে বলেন, “১৪ তারিখ ভ্যালেন্টাইন্স ডে ছিল, ভালোবাসার দিবস, ছেলে-মেয়েরা প্রেম করে। গোলাপ ফুল দেওয়া-নেওয়া হয়। একজন মানুষকে আরেকজন মানুষ ফুল দিয়ে ভালোবাসে। প্রধানমন্ত্রী গরুকে আঁকড়ে ভালোবাসা করতে গিয়েছিলেন। গরু গুঁতিয়ে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে। পুরো পড়ে গিয়েছে। ভাগ্য ভালো ষাঁড়টাকে ধরেনি। না হলে গুঁতিয়ে দিত পেটে লেগে যেত…। গরু যদি নরেন্দ্র মোদিকে গুঁতিয়ে দেয় তাহলে আমি কি করব!” মন্ত্রী আরও বলেন, “১৪ তারিখ ভ্যালেন্টাইন্স ডে’তে নরেন্দ্র মোদি গরুকে আঁকড়ে ধরেছেন, কী সুন্দর! আগামী ২৪-এ গুঁতো খাবে। যাতে উলটে পড়বে প্রধানমন্ত্রী মানুষ পার্লামেন্টের বাইরে পাঠিয়ে দেবে।”

    মন্ত্রী অখিল গিরিকে কড়া ভাষায় জবাব বঙ্গ বিজেপির

    প্রধানমন্ত্রী প্রসঙ্গে অখিল গিরির মন্তব্যের তীব্র বিরোধীতায় সরব হয়েছে বঙ্গ বিজেপি। এই প্রসঙ্গে কাঁথি সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি সুদাম পণ্ডিত বলেন, “একটা মোস্ট থার্ড ক্লাস দল। দুর্নীতি করতে করতে রাজ্যটাকে শেষ করে দিয়েছে। ওদের কথায় কান দিয়ে আমাদের লাভ কী। ওদের মত আমাদের তো আর অভিনেতা দেখিয়ে লোক ডাকতে হয়নি। বিনাশকালে বুদ্ধিনাশ হয়েছে তৃণমূলের নেতা- নেত্রীদের। তাই ভুল-ভাল কথা বলছেন।” আবার শমীক ভট্টাচার্য বলেন, এটাই তৃণমূল কংগ্রেস! শুধু তাই নয়, এটাই তাঁদের সংস্কৃতি, ভাষা বলেও আক্রমণ বিজেপি নেতার। তাঁর মতে, তৃণমূলের নেত্রী তিনি নিজে এই ভাষায় কথা বলে। প্রত্যেকটি রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সেটাই প্রকাশ পায় বলে কটাক্ষ। এমন কিছু মানুষ আছেন যারা এই সব বলে হাততালি কুড়োতে চায় বলে মন্তব্য বিজেপি নেতার। তবে মানুষ এর জবাব দেবে বলে মন্তব্য তাঁর।

  • YouTube: ইউটিউবের নতুন সিইও হলেন নীল মোহন, জানেন কে তিনি?

    YouTube: ইউটিউবের নতুন সিইও হলেন নীল মোহন, জানেন কে তিনি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউটিউবের সিইও-র পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন সুজান উইচিশকি। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত নীল মোহন। অর্থাৎ গুগলের পর এবার ইউটিউবেরও (YouTube) প্রধান হচ্ছেন এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত। ৫৪ বছর বয়সী সুজান জানিয়েছেন, তিনি এবার পরিবার, স্বাস্থ্য ও ব্যক্তিগত বিভিন্ন কাজে সময় দিতে চান। ইউচিউবের জন্মলগ্ন থেকেই সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন সুজান। গুগলের মাদার কোম্পানি অ্যালফাবেটের সঙ্গেও দীর্ঘ ২৫ বছর সম্পর্ক ছিল তাঁর। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থেকেছেন গুগলেরও।

    কে এই নীল মোহন

    পেশায় ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার নীল মোহন পড়াশোনা করেছেন আমেরিকার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। জানা গেছে, ২০০৮ সালে গুগলে কাজ করতে শুরু করেন তিনি। পরবর্তীতে ২০১৫ সালে গুগলের অডিও-ভিজুয়াল প্রোডাকশন হাউসের, চিফ প্রোডাক্ট অফিসার হিসেবে কাজ শুরু করেন। গুগলেরই আর একটি শাখা ‘ডাবলক্লিক’-এ প্রায় ৬ বছর কাজ করেছেন নীল মোহন। এছাড়াও তিনি দীর্ঘ ৮ বছর গুগলের ডিসপ্লে অ্যান্ড ভিডিও অ্যাডভার্টাইজিংয়ের সিনিয়র প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
    জানা গেছে গত কয়েক বছরে  ইউটিউবে বহু নতুন ফিচার ও আপডেট এনেছেন এই নীল মোহনই। তাঁর হাত ধরে তৈরি হয় ইউটিউব টিভি, ইউটিউব মিউজিক এবং প্রিমিয়াম, শর্টসের মতো নতুন জিনিসগুলি।

    গুগল ও ইউটিউব ছাড়া মাইক্রোসফ্টেও দীর্ঘদিন কাজ করেছেন এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত। 

    দায়িত্ব নেওয়ার পর কী বললেন নীল মোহন

    গতকাল দায়িত্ব নেওয়ার পরে নীল মোহন বলেন, ইউটিউবকে ব্যবহার করে বেশ ভালই আয় করছেন ভারতীয় ইউটিউবাররা। ইউটিউবের মাধ্যমে তাঁরা যে শুধু বড় অংশের মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারছেন শুধু তাই নয় বরং একই সঙ্গে এর মাধ্যমে বৃহৎ অর্থনৈতিক সুযোগও তৈরি হচ্ছে। যে সুযোগের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠছে ব্যবসা। ইউটিউবের মতো মাধ্যমকে ব্যবহার করে সেই ব্যবসা ছড়িয়ে পড়ছে লক্ষ কোটি মানুষের মধ্যে। ভবিষ্যতে ইউটিউবকে আরও বৃহত্তর মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

     

     

  • NDRF: মাঝেরহাট দুর্ঘটনাতেও বাঁচিয়েছিল প্রাণ, তুরস্কে ২ শিশুকে জীবিত উদ্ধার করে হিরো রোমিও-জুলি

    NDRF: মাঝেরহাট দুর্ঘটনাতেও বাঁচিয়েছিল প্রাণ, তুরস্কে ২ শিশুকে জীবিত উদ্ধার করে হিরো রোমিও-জুলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূমিকম্প বিধ্বস্ত তুরস্ক ও সিরিয়ায় এখনও উদ্ধারকাজ অব্যাহত। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় তুরস্ক ও সিরিয়ার পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত। ভারত থেকে পাঠানো হয়েছে ত্রাণ সামগ্রী, এনডিআরএফ-র টিম ও বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ডগ স্কোয়াড। আর এই ডগ স্কোয়াডের অবদান অপরিসীম। জানা গিয়েছে, ভূমিকম্প বিধ্বস্ত তুরস্কের নুরদাগি শহরে ধ্বংসস্তুপের নীচ থেকে ৬ বছরের এক বালিকাকে জীবিত উদ্ধার করেছেন ভারতীয় উদ্ধারকারীরা৷ এনডিআরএফ-এর এই উদ্ধারকাজে বিশেষ ভূমিকা নিয়েছে তাদের ডগ-স্কোয়াডের দুই সদস্য রোমিও এবং জুলি৷ ধ্বংসস্তুপের তলায় প্রাণের স্পন্দনের খোঁজ এই সারমেয়ই দেয় উদ্ধারকারীদের। এমনকী কলকাতায় মাঝেরহাট সেতু ভেঙে পড়ার পরে উদ্ধারের কাজে সাহায্য করেছিল রোমিও ও জুলি।

    উদ্ধারকাজে রোমিও ও জুলির অবদান অপরিসীম

    ৬ ফেব্রুয়ারি বিধ্বংসী ভূমিকম্পে তছনছ হয়ে গিয়েছে তুরস্ক-সিরিয়া সীমান্তবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকা৷ উদ্ধারকাজে যোগ দিতে ভারত থেকে তুরস্কে গিয়েছে এনডিআরএফ-এর দল। রোমিও ও জুলি ছাড়াও সঙ্গে পাঠানো হয় আরও কয়েক জন কুকুরকে। তাদের নাম বব, রক্সি, র‌্যাম্বো এবং হানি। সব মিলিয়ে ৬ সদস্যের সারমেয় টিম। এছাড়া সঙ্গে আরও ১৫২ জন। তারাই উদ্ধার কাজ চালায় তুরস্কে। তবে সবচেয়ে পারদর্শিতার সঙ্গে উদ্ধারের কাজ করে রোমিও এবং জুলিই। এনডিআরএফ-এর সদস্যরা জানিয়েছেন, রোমিও ও জুলি ছাড়া ওই বালিকার সন্ধান পাওয়া বা তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হত না৷ বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত এই দুই সারমেয় গন্ধ শুঁকেই জানিয়ে দিয়েছিল ধ্বংসাবশেষের তলায় কেউ জীবিত অবস্থায় আটকে রয়েছে৷ তাদের দেখানো পথে গিয়েই পরে ওই বালিকাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়৷

    কীভাবে রোমিও ও জুলি উদ্ধার করে ৬ বছরের ব্যারেনকে?

    এনডিআরএফ-এর এক আধিকারিক জানিয়েছেন, প্রথমে জুলিই ওই ধ্বংসস্তুপের তলায় আটকে থাকা বালিকার সন্ধান পায়৷ যার নাম ব্যারেন৷ তাঁর কথায়, “জুলিকে আমরা নির্দেশ দিই ধ্বংসস্তুপের মধ্যে যেতে৷ সেখানে গিয়ে সে ডাকতে শুরু করে৷ এর মানে সেখানে কোনও জীবিত মানুষ রয়েছে৷” ওই উদ্ধারকারী দলের আরও একজন সদস্য জানান, জুলির ওই বার্তা পাওয়ার পর বিষয়টি আরও নিশ্চিত হতে সেখানে রোমিওকে পাঠানো হয়৷ সেও একই বার্তা দেয়৷ এরপরেই নিশ্চিত হয়ে সেখানে উদ্ধারকাজ শুরু হয়, বাঁচানো সম্ভব হয় ৬ বছরের ব্যারেনকে।

    কলকাতায় এক দুর্ঘটনায় উদ্ধারকাজেও ছিল রোমিও ও জুলি

    সূত্রের খবর, এর আগেও দেশে এরকম কয়েকটি উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছে রোমিও ও জুলি৷ কলকাতায় মাঝেরহাট নামে একটি সেতু ভেঙে যাওয়ার পরে তাদের ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল৷ তবে বিদেশে এই প্রথম পাড়ি দিল এই দুই সারমেয়। এরা বীরের মত যেভাবে শিশুটির প্রাণ বাঁচিয়েছে তা সত্যিই প্রশংসনীয়। ফলে রোমিও ও জুলির কীর্তি নিয়ে জয়জয়কার করছে সারা দেশবাসী সহ তুরস্কবাসী।  

  • Partha Chatterjee: ফের খারিজ হয়ে গেল পার্থর জামিনের আর্জি, হতাশ হয়ে পড়ছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী?  

    Partha Chatterjee: ফের খারিজ হয়ে গেল পার্থর জামিনের আর্জি, হতাশ হয়ে পড়ছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও খারিজ হয়ে গেল রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) জামিনের আর্জি। বৃহস্পতিবার আলিপুর সিবিআইয়ের (CBI) বিশেষ আদালতে শুনানি ছিল নিয়োগ দুর্নীতিতে অন্যতম অভিযুক্ত পার্থর। এদিনও জামিনের আবেদন করেন তিনি। যদিও জামিনের আবেদন খারিজ করে পার্থ সহ বাকিদের ২ মার্চ পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।

    সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত…

    এদিন দুপুরে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে তোলা হয় পার্থকে। সবুজ পাঞ্জাবি ও ধূসর জ্যাকেট পরিহিত পার্থকে বেশ বিধ্বস্ত লাগছিল। জামিন খারিজ হয়ে যাওয়ার পর আদালত থেকে বেরনোর সময় এবারও প্রশ্নবাণে বিদ্ধ হন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী, প্রতিবারের মতো। রাজ্য সরকার যে ৩ শতাংশ ডিএ বাড়িয়েছে, এদিন সে খবর দেওয়া হয় রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে (Partha Chatterjee)। তার পরেই এক সাংবাদিক বলেন, অর্পিতা বলেছেন সব টাকা গয়না আপনার। একের পর এক খবর এবং প্রশ্ন শুনে প্রথমে একটু থমকে যান পার্থ। পরে উপস্থিত সাংবাদিকদের দিকে তাকিয়ে বলেন, আপনারা সবাই ভাল থাকুন।

    এর আগেও বিভিন্ন সময় সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন পার্থ। কখনও বলেছেন, আসল দুর্নীতি কে করেছে, তা প্রকাশ্যে আসবে। কখনও বলেছেন, তৃণমূলের ক্ষতি কেউ করতে পারবে না। দুর্গাপুজোর শুভেচ্ছাও জানিয়েছিলেন। তবে এখন তো সেই অর্থে কোনও উৎসবই নেই। ভ্যালেন্টাইনস ডে-ও গত হয়েছে। তার পরেও কেন শুভেচ্ছা জানালেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী? তাহলে কি পার্থ বোঝাতে চাইলেন, তিনি ভাল নেই?

    ভাল না থাকারই কথা। মাস সাতেক হল পার্থ রয়েছেন জেলের অন্ধকার কুঠুরিতে। তদন্ত করছে সিবিআই। এদিন এ নিয়ে সিবিআইয়ের উদ্দেশে বিচারক বলেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) গ্রেফতার হয়েছেন অনেক মাস হল। এর পরেই বিচারক বলেন, যেটা হচ্ছে, সেটা ঠিক হচ্ছে না। সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিচারক বলেন, যাঁরা অভিযুক্ত, তাঁদেরও অধিকার থাকে। অনির্দিষ্টকাল ধরে তদন্ত চলছে, এরকম বলা যায় না।

    প্রসঙ্গত, শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ানোয় জেল হেফাজতে রয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। এর আগে কখনও তাঁকে দেখা গিয়েছে কান্নায় ভেঙে পড়তে, কখনও আবার নীরব থেকেছেন এজলাসে। এদিনও ফের জামিনের জন্য কাতর আর্জি জানাতে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের বহিষ্কৃত মহাসচিবকে। আদালত থেকে জেলের কুঠুরিতে ফিরে যাওয়ার আগে করলেন শুভকামনাও।

     

  • Sukesh Chandrashekhar: আর্থিক প্রতারণা মামলায় ফের গ্রেফতার সুকেশ চন্দ্রশেখর, এবার ইডি হেফাজতে

    Sukesh Chandrashekhar: আর্থিক প্রতারণা মামলায় ফের গ্রেফতার সুকেশ চন্দ্রশেখর, এবার ইডি হেফাজতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর্থিক প্রতারণা মামলায় (Money Llaundering Case) ফের গ্রেফতার সুকেশ চন্দ্রশেখর (Sukesh Chandrashekhar)। জালিয়াতির অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরেই জেলে বন্দি রয়েছেন সুকেশ। অন্য একটি মামলায় তাঁকে আবারও গ্রেফতার করে ইডি। কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে দাবি, অন্য একটি মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে সুকেশকে। জানা গিয়েছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক ও আইনমন্ত্রকের সচিবের পরিচয় দিয়ে রেলিগেয়ার সংস্থার অবসরপ্রাপ্ত প্রোমোটার মলবিন্দর সিংয়ের স্ত্রীর সঙ্গে আর্থিক প্রতারণা করার একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছিল সুকেশের বিরুদ্ধে। প্রতারণা করা হয়েছিল ৪ কোটি টাকা। সেই মামলায় নতুন করে গ্রেফতার করা হয় সুকেশকে।

    জেলবন্দি সুকেশ…

    জেলবন্দি সুকেশকে (Sukesh Chandrashekhar) হেফাজতে চেয়ে বৃহস্পতিবার আদালতের দ্বারস্থ হয় ইডি। দিল্লির স্থানীয় আদালতের অতিরিক্ত দায়রা বিচারক শৈলেন্দ্র মালিক সেই আবেদন মঞ্জুর করেন। তার জেরে এদিন আদালতে তোলা হয় সুকেশকে। ৯ দিনের হেফাজত মঞ্জুর করেন বিচারক। যদিও ইডি চেয়েছিল ১৪ দিনের হেফাজত। সুকেশের আইনজীবী অনন্ত মালিক আদালতে বলেন, যে অভিযোগে সুকেশকে আদালতে চাইছে ইডি, সেটি ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ঘটনা। এতদিন পর সেই মামলায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের কোনও অর্থই নেই। যদিও আদালত তাতে কর্ণপাত করেনি।

    আরও পড়ুুন: তিনদিন পর বিবিসির অফিস ছাড়লেন আয়কর আধিকারিকরা! কী মিলল দফতর থেকে?

    সুকেশের বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার মামলা এই প্রথম নয়। এর আগেও তাঁর বিরুদ্ধে দুটি মামলা দায়ের হয়েছিল। এটি সুকেশের বিরুদ্ধে তৃতীয় আর্থিক প্রতারণার মামলা। ওই দুটি মামলার একটিতে সুকেশের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি মলবিন্দরের ভ্রাতৃবধূ অদিতি সিংকে ঠকিয়ে ২০০ কোটি টাকা নিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের এক অফিসারকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। সুকেশের স্ত্রী লীনা মারিয়া পাল অভিনেত্রী। আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে সুকেশের সঙ্গে সঙ্গে তাঁকেও গ্রেফতার করেছিল ইডি। সুকেশের সঙ্গে যোগাযোগ থাকায় বলিউডের বেশ কয়েকজন অভিনেতা এবং মডেলকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। ২০২১ সালের মামলায় জেরা করা হয় তাঁদের। ওই মামলায় যাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে ছিলেন নোরা ফতেহি-ও।

    জানা গিয়েছে, নিজেকে সরকারি আধিকারিক পরিচয় দিয়ে মাত্র ১৭ বছর বয়স থেকেই প্রতারণা করতে শুরু করেছিল সুকেশ (Sukesh Chandrashekhar)। ২০০৭ সালে তার বয়স যখন ১৮, তখনও বেঙ্গালুরু ডেভেলপমেন্ট অথরিটিতে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়েছিল সে। ওই বছরই প্রথম গ্রেফতার করা হয় সুকেশকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Sukanta Majumdar: প্রবেশিকা না দিয়েই ডাক্তারি পড়ছেন বিধায়ক সুদীপ্ত রায়ের মেয়ে! বিস্ফোরক ট্যুইট সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: প্রবেশিকা না দিয়েই ডাক্তারি পড়ছেন বিধায়ক সুদীপ্ত রায়ের মেয়ে! বিস্ফোরক ট্যুইট সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তনু সেনের পর এবার বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) নিশানায় তৃণমূলের বিধায়ক সুদীপ্ত রায়। শ্রীরামপুরের তৃণমূল বিধায়কে মেয়ে কীভাবে কোনও প্রবেশিকা ছাড়াই মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হলেন তা নিয়ে ট্যুইট করে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার এই নিয়ে পরপর দুটি ট্যুইট করেছেন সুকান্ত। সুকান্ত লেখেন, “প্রবেশিকায় উত্তীর্ণ না হয়েও ডোনার কোটায় মেডিক্যালে ভর্তি হয়েছেন বিধায়কের ছোট মেয়ে।” আরও প্রশ্ন করেন, “বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ থেকে কীভাবে মেডিক্যাল কলেজে ট্রান্সফার হল তাঁর?” কিছুদিন আগে, তৃণমূল সাংসদ শান্তুনু সেনের মেয়ের আরজিকরে ভর্তি নিয়েও স্বজনপোষণের অভিযোগ তুলেছিলেন সুকান্ত। সেই বিতর্ক ঠাণ্ডা হতে না হতেই আরও এক অভিযোগ। 

    আরও পড়ুন: “বিচার না পেলে সেনায় ফিরব না”, প্রতিজ্ঞা নিহত জওয়ানের ভাইয়ের 

    এদিন পরপর দুটি ট্যুইট করেছেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। প্রথমটিতে তিনি লিখেছেন, বিধায়ক ডঃ সুদীপ্ত রায়ের মেয়ে সুবেশা বসু রায় কীভাবে বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ থেকে ২০০২ সালে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত হলেন? একই সঙ্গে কনিষ্ঠ কন্যা শিল্পা বসু রায়ের কথাও উল্লেখ করেছেন সুকান্ত। তিনি দাবি করেছেন, কোনও পরীক্ষা না দিয়েই ডাক্তারি পড়ার সুযোগ পেয়েছেন বিধায়কের মেয়ে। ‘ডোনার্স কোটা’য় পড়ার সুযোগ পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন তিনি।

     

    শান্তনু সেনের মেয়ের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও সে সময় প্রশ্ন তোলেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। ট্যুইটেই এই প্রশ্ন তুলছেন তিনি। সুকান্তর প্রশ্ন ছিল, মেডিক্যালে ১ লক্ষ ২১ হাজার ৪৭৩ র‌্যাঙ্ক থাকা সত্ত্বেও কীভাবে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে পড়ার সুযোগ পেলেন শান্তনুকন্যা সৌমিলি সেন? এর উত্তরে শান্তনু সেন জানিয়েছিলেন, সুবর্ণ বনিকদের জন্য যে আসন সংরক্ষিত থাকে, তাতেই পড়ার সুযোগ পেয়েছেন তাঁর মেয়ে। মেয়েকে মানসিকভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছিলেন শান্তনু। তবে এই বিষয়ে এখনও মুখ খোলেননি সুদীপ্ত রায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Sukanta Majumdar: জনতার পাশে দাঁড়াতে এবার ‘পাড়ায় সুকান্ত’ কর্মসূচি বিজেপির রাজ্য সভাপতির

    Sukanta Majumdar: জনতার পাশে দাঁড়াতে এবার ‘পাড়ায় সুকান্ত’ কর্মসূচি বিজেপির রাজ্য সভাপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির (Scam) অভিযোগ থেকে আমজনতার দৃষ্টি ঘোরাতে ‘দিদির দূত’ কর্মসূচি হাতে নেয় তৃণমূল (TMC)। দলীয় নেতৃত্বের ধারণা ছিল, পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে নয়া এই কর্মসূচি জনতার ক্ষোভের ক্ষতে প্রলেপ দেবে। তা তো হয়ইনি, উল্টে মাঝমধ্যেই জনরোষের মুখে পড়ে লেজ গুটিয়ে পগার পার হয়েছেন তৃণমূলের নেতারা। ক্ষুব্ধ জনতার পাশে দাঁড়াতে এবার ‘পাড়ায় সুকান্ত’ কর্মসূচি হাতে নিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বালুরঘাটের সাংসদ। জানা গিয়েছে, তাঁর সংসদ ক্ষেত্রেই প্রথম যাবেন সুকান্ত। ঘুরবেন পাড়ায় পাড়ায়। শুনবেন জনতার অভাব-অভিযোগের কথা। কেন্দ্রের নানা প্রকল্পের সুবিধাও যাতে তাঁর সংসদ ক্ষেত্রের বাসিন্দারা পান, তাও দেখবেন তিনি। এই কর্মসূচি যে তাঁরই মস্তিষ্ক প্রসূত, তা জানিয়েছেন সুকান্ত নিজেই।

    সুকান্ত বলেন…

    সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, এই কর্মসূচি সম্পূর্ণভাবে আমার মস্তিষ্ক প্রসূত। এই কর্মসূচি আমি শুধু আমার লোকসভার জন্য চালু করছি। আমার লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে সাধারণ মানুষের সুবিধা অসুবিধার কথা শোনা, তাঁদের বিভিন্ন সার্টিফিকেট দেওয়া, অসুস্থ মানুষদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা সহ স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়া ও প্রধানমন্ত্রীর প্রকল্পগুলির সুবিধা যাঁরা পাননি, তাঁদের সুবিধা প্রদান করাই এই কর্মসূচির লক্ষ্য। এই কাজগুলো যে আগেও হত না, তা নয়। তবে এই সব ‘প্রাপ্য’ জনতার দরবারে পৌঁছে দিতেই তিনি নয়া কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন বলে জানান বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

    আরও পড়ুুন: চলন্ত ট্রেন থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ! নলহাটিতে উদ্ধার ত্রিপুরার যুবক

    দক্ষিণ দিনাজপুর বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার পরে ব্যস্ততা বেড়েছে সুকান্তর। তা সত্ত্বেও জেলায় এলেই জনসংযোগে মন দেন সুকান্ত। বিজেপি নেতারা জানান, ১৭ ফেব্রুয়ারি কলকাতা থেকে জেলায় ফিরেছেন সুকান্ত। জেলায় তাঁর থাকার কথা তিন দিন। এই তিন দিনই তাঁর কর্মসূচি রাখা হয়েছে জেলার বিভিন্ন এলাকায়।

    প্রসঙ্গত, পঞ্চায়েত নির্বাচনে জনমত ঘাসফুল আঁকা ঝুলিতে ভরতে দিদির দূত কর্মসূচি হাতে নিয়েছিল তৃণমূল। জেলায় জেলায় ওই কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে নানা সময় অপদস্থ হতে হয়েছে তৃণমূল নেতাদের। কেন্দ্রীয় আবাসন প্রকল্প সহ নানা দুর্নীতির অভিযোগের কৈফিয়ত দিতে গিয়ে কার্যত কালঘাম ছুটেছে তৃণমূল নেতাদের। তার জেরে ইদানিং আর ওই কর্মসূচি পালিত হচ্ছে বলে শোনা যায় না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

LinkedIn
Share