Blog

  • Howrah Station: আসছেন প্রধানমন্ত্রী, নিরাপত্তায় হাওড়া স্টেশনে একাধিক ট্রেনের প্ল্যাটফর্ম বদল

    Howrah Station: আসছেন প্রধানমন্ত্রী, নিরাপত্তায় হাওড়া স্টেশনে একাধিক ট্রেনের প্ল্যাটফর্ম বদল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর শেষে রাজ্যে আসতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। ৩০ ডিসেম্বর শহরে আসতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী। উপলক্ষ বন্দে ভারত এক্সপ্রেস এবং জোকা মেট্রোর উদ্বোধন। রাজ্যে চলছে শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতি। প্রধানমন্ত্রীর সুরক্ষায় শহরকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলেছে প্রশাসন। আর সেই কারণে বন্ধ থাকবে হাওড়ার তিনটি প্ল্যাটফর্মের ট্রেন চলাচল। একইসঙ্গে তিনদিন বন্ধ থাকবে হাওড়া স্টেশনের নিউ ক্যাব রোডও। ইতিমধ্যেই বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে পূর্ব রেল।

    নিরাপত্তা জোরদার 

    পূর্ব রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) বন্দে ভারত এক্সপ্রেস উদ্বোধন করতে হাওড়া স্টেশনে উপস্থিত থাকবেন। আর সেই কারণেই নিরাপত্তার এই কড়াকড়ি। পূর্ব রেলের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২৮ ডিসেম্বর রাত বারোটার পর থেকে ৩০ তারিখ শুক্রবার দুপুর দুটো পর্যন্ত বন্ধ থাকবে স্টেশনের নিউ ক্যাব রোড। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় নজরে রেখে ২১, ২২ এবং ২৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ২৮ তারিখ রাত বারোটার পর থেকে ৩০ তারিখ দুপুর ২টো পর্যন্ত ওই তিন প্ল্যাটফর্মে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। ওই তিন প্ল্যাটফর্মে যাতায়াত করা ট্রেন ওই কদিন চলাচল করবে অন্য প্ল্যাটফর্ম দিয়ে।

    নিরাপত্তা বলয় জোরদার করা হয়েছে হাওড়া সংলগ্ন এলাকায়। হাওড়া স্টেশন সংলগ্ন চত্বর, হোটেল, আবাসন সহ সমস্ত জায়গায় চলছে চেকিং। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে কলকাতায় আসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সাড়ে দশটা নাগাদ হাওড়া স্টেশন চত্বরে আসার কথা রয়েছে প্রধামন্ত্রীর। এরপর হাজির হবেন ২২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে। বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের ফ্ল্যাগ অফ করবেন তিনি। এছাড়াও বেশ কয়েকটি রেল প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi)।

    আরও পড়ুন: এক লাফে ৬ ডিগ্রি পারদ পতন, শীত ফিরল কলকাতায়

    ইতিমধ্যেই বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের ট্রায়াল হয়ে গিয়েছে। হাওড়া থেকে এনজেপি রুটে চলবে এই ট্রেন। এটাই বাংলার প্রথম বুলেট ট্রেন। তিরিশের উদ্বোধন ঘিরে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে সাজ সাজ রব। বিজেপির অন্দরেও চলছে প্রস্তুতি। দেশের দ্রুততম ট্রেনের সঙ্গে বিজেপির লোগো দেওয়া মোদির (Narendra Modi) পোস্টার পড়েছে রাজ্যের নানা প্রান্তে। এদিকে হাওড়া স্টেশন থেকে বিগত কয়েক মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা উদ্ধারের ঘটনায় বেড়েছে চাপানউতর। একাধিক ব্যক্তিকে আটকও করেছে আরপিএফ। মাঠে নেমেছে আয়কর দফতর। আর এতেই আরও সতর্ক প্রশাসন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Year Ender 2022: ফিরে দেখা সাল ২০২২! মহিলাদের স্বার্থে দেওয়া যুগান্তকারী কয়েকটি রায় শীর্ষ আদালতের

    Year Ender 2022: ফিরে দেখা সাল ২০২২! মহিলাদের স্বার্থে দেওয়া যুগান্তকারী কয়েকটি রায় শীর্ষ আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর মাত্র কয়েকটা দিন, শেষ হতে চলল সাল ২০২২। ঘটনাবহুল এই বছরে ভারতীয় মহিলাদের স্বার্থে যুগান্তকারী বেশ কয়েকটি রায় দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। নারীর অধিকার সুরক্ষিত রাখতে  সুপ্রিম কোর্টের সেই রায়গুলির একঝলক:

    বৈবাহিক ধর্ষণ

    ‘বৈবাহিক ধর্ষণ’ও ‘ধর্ষণ’ বলে মন্তব্য করেছে আদালত। এই প্রসঙ্গে বিচারপতি চন্দ্রচূড় বলেন, বিবাহিত মহিলারও যৌন হেনস্থা বা ধর্ষণের শিকার হতে পারেন। বিনা সম্মতিতে স্বামীর আচরণে এক জন মহিলা অন্তঃসত্ত্বা হতে পারেন। প্রসঙ্গত, এ দেশে ‘বৈবাহিক ধর্ষণ’কে আইনি অপরাধ হিসাবে গণ্য করা হয় না। সেই নিরিখে শীর্ষ আদালতের এ হেন পর্যবেক্ষণ উল্লেখযোগ্য। স্বামীও ধর্ষক হতে পারেন এমন একাধিক অভিযোগ থানায় জমা হলেও সেগুলি অপরাধের সামিল বলে মনে করা হত না। চলতি বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর সুপ্রম কোর্ট জানিয়েছে বিবাহের সম্পর্কে ধর্ষণও আইনত দণ্ডনীয়। অর্থাৎ এখন থেকে কোনও স্ত্রী স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনলে পুলিশ তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে বাধ্য। এত দিন পর্যন্ত একে কোনও অপরাধ বলেই ধরা হত না।

    গর্ভপাতের অধিকার

    দেশের সব নারীই নিরাপদে গর্ভপাত করাতে পারবেন। গত ২৯ সেপ্টেম্বর এই সংক্রান্ত এক মামলায় এমনই যুগান্তকারী রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। গর্ভপাতের ক্ষেত্রে বিবাহিত ও অবিবাহিত মহিলার ফারাক করা অসাংবিধানিক বলেও উল্লেখ করেছে দেশের শীর্ষ আদালত। ২০ থেকে ২৪ সপ্তাহের মধ্যে অবিবাহিত মহিলারাও গর্ভপাত করাতে পারবেন। ২০০৩ সালে গর্ভপাতের আইনে সংশোধন করে সুপ্রিম কোর্টের তিন বিচারপতির বেঞ্চ এই রায় দেন। সেই বেঞ্চে ছিলেন বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি এএস বোপান্না এবং বিচারপতি জেপি পড়িওয়াল। 

    আরও পড়ুন: রাজ্যে সঠিকভাবে নষ্ট করা হয় না মেডিক্যাল বর্জ্য, অভিযোগ স্বাস্থ্য দফতরের বিরুদ্ধে 

    মায়ের পদবী ব্যবহার করতে পারবে সন্তান

    জন্মের পর নিজের বাবার পদবীই পায় সন্তান,বহুকাল ধরেই এই নিয়ম চলে আসছে। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট এই চিরাচরিত প্রথা ভেঙে নজিরবিহীন রায় দিয়ে জানায়,সন্তানের পদবী কি হবে তা নির্ধারণ করার অধিকার একমাত্র মায়ের। সন্তানের জন্মের সঙ্গে সঙ্গে তার লালন পালনেও মায়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে। সেই সঙ্গে একা অনেক মা তাঁদের সন্তানকে বড় করে তোলেন। সেক্ষত্রে পদবীর ব্যবহার নিয়ে জটিলতা তৈরি হয় স্কুলে-কলেজে। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরী এবং বিচারপতি কৃষ্ণা মুরারীর বেঞ্চ একটি মামলার প্রেক্ষিতে জানিয়েছে সন্তান কোন পদবী ব্যবহার করবে তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা মায়েরও রয়েছে।

    টু-ফিঙ্গার টেস্ট

    ধর্ষণের একটি মামলায় গত ৩১ অক্টোবর গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। ধর্ষিতার ‘টু ফিঙ্গার টেস্ট’ বা ‘দুই আঙুলের পরীক্ষা’ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় ও বিচারপতি হিমা কোহলির বেঞ্চ। বেঞ্চ আরও জানিয়েছে, এরপর কোনও ধর্ষণ মামলায় ‘টু ফিঙ্গার টেস্টের’ নির্দেশ দেওয়া হলে, তাদের অভব্য আচারণের জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হবে। নিম্ন আদালতে ধর্ষণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত এক ব্যক্তির সাজা বহাল রেখেছিল তেলঙ্গানা হাইকোর্ট। হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে আবেদন করা হলে, সেই মামলার শুনানির শেষে গুরুত্বপূর্ণ রায় দেয় আদালত। 

    বাড়ি তৈরির টাকা পণ নেওয়ার সামিল

    বাড়ি তৈরির জন্য টাকা চাওয়া পণ নেওয়ার সামিল সুপ্রিম কোর্ট আরও একটি ঐতিহাসিক রায় দিয়েছে এই বছর। কোনও মেয়ের বাড়ির কাছে যদি বাড়ি তৈরির জন্য টাকা নেওয়া হয় সেটা পণ নেওয়ার সামিল অর্থাৎ পণ নেওয়ার মতই দণ্ডনীয় অপরাধ বলেই বিবেচিত হবে। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিমা কোহলি এবং বিচারপতি এএস বোপান্না এই রায় দিয়েছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Amit Shah: লে-লাদাখ ও জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক! কী উপদেশ দেবেন অমিত শাহ?

    Amit Shah: লে-লাদাখ ও জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক! কী উপদেশ দেবেন অমিত শাহ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপত্যকা ও লে লাদাখের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে বসতে চলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। আজ, বুধবার বিকেলেই শাহি বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে খবর। জম্মু ও কাশ্মীরে আবার হামলা চালাচ্ছে জঙ্গিরা। গোপনে ঘাঁটি গেড়ে বসছে বসতি অঞ্চলে। শীতের শুরুতেই ঠান্ডার সুযোগে সীমান্তের ওপার থেকে জঙ্গি অনুপ্রবেশের চেষ্টা চলছে। তাই উপত্যকায় নিরাপত্তা সুরক্ষিত রাখতে এই বৈঠক বলে জানা গিয়েছে। 

    শাহি-বৈঠকের আগেই হামলা

    বুধবার সকালেই জম্মু ও কাশ্মীরের সিধরা এলাকায় জঙ্গিদের সঙ্গে নিরাপত্তাবাহিনীর গুলির লড়াইয়ে ৩ জঙ্গি নিহত হয়। ঘটনার কয়েক ঘণ্টা কাটতে না কাটতে উপত্যকা ও লাদাখ নিয়ে শাহি বৈঠকের সম্ভাবনা যথেষ্ট ইঙ্গিতপূর্ণ বলে মনে করছে  বিশেষজ্ঞ মহল। প্রসঙ্গত, চলতি বছরে অগাস্ট মাসে উপত্যকার পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে ওই বেঠকে জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) রাজ্যপাল, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল সহ উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। ওই বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (home minister amit shah) দাবি করেছিলেন, “কাশ্মীরে নাশকতার ঘটনা আগের চেয়ে অনেকটাই কমেছে।” পাশাপাশি দেশে অনুপ্রবেশ আটকানোর জন্য একাধিক পদক্ষেপও গ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি।

    আরও পড়ুন: বড়সড় সাফল্য নিরাপত্তা বাহিনীর! কাশ্মীরে এনকাউন্টারে খতম ৪ জঙ্গি

    চিনকেও কড়া বার্তা

    অমিত শাহের নির্দেশের পর সক্রিয় ছিল সেনা। কিন্তু উপত্যকার বিভিন্ন প্রান্তে মাঝে মাঝেই বিস্ফোরক উদ্ধার ও জঙ্গি খতমের ঘটনা প্রমাণ করছে, এখনও কাশ্মীরে অশান্তি সৃষ্টির চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে সীমান্তের ওপারের জঙ্গিরা। শাহি বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে নতুন করে নাশকতা রুখতে একগুচ্ছ পরিকল্পনার কথাও জানাতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী। এছাড়া, কয়েকদিন আগে অরুণাচলে চিনা আগ্রাসনের ঘটনা ঘটেছে। লাদাখ সীমান্তেও চিনা আগ্রাসনের ঘটনা নতুন কিছু নয়। লাদাখ সংক্রান্ত বৈঠকে বেজিংয়ের প্রতিও অমিত শাহ (Amit Shah) কড়া বার্তা দিতে পারেন বলে সূত্র মারফৎ খবর। পাকিস্তান ও চিন দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের চক্রান্ত কোনওভাবেই সফল হতে দেবে না ভারত। এ বিষয়ে সেনা ও নিরাপত্তাবাহিনীকে বিশেষ উপদেশ দিতে পারেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

     

  • Medical Waste: রাজ্যে সঠিকভাবে নষ্ট করা হয় না মেডিক্যাল বর্জ্য, অভিযোগ স্বাস্থ্য দফতরের বিরুদ্ধে

    Medical Waste: রাজ্যে সঠিকভাবে নষ্ট করা হয় না মেডিক্যাল বর্জ্য, অভিযোগ স্বাস্থ্য দফতরের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টিকা দেওয়ার পরে ইঞ্জেকশনের সিরিঞ্জ কিংবা ফাঁকা ওষুধের প্যাকেট ঠিক মত নষ্ট করা হয় না। আর তার জেরেই সংক্রামক রোগের বাড়বাড়ন্ত। এমনি অভিযোগ উঠেছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের বিরুদ্ধে। 

    স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি কেন্দ্রের তরফ থেকে রাজ্যকে নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। যেখানে টিকাকরণের পরে মেডিক্যাল বর্জ্য ঠিকমত নষ্ট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এর আগে ব্রুসেলা ভাইরাসের টিকাকরণের সময়ে মেডিক্যাল বর্জ্য নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে নষ্ট না করার জন্য রোগ ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছিল। প্রাণীবাহিত এই রোগ পশুপালক ছাড়াও, সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়াচ্ছে। মেডিক্যাল বর্জ্য নির্দিষ্ট নিয়মে নষ্ট না করার জেরেই এই বিপদ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই ধরণের সংক্রামক রোগের টিকা দেওয়ার পরে যদি নির্দিষ্ট নিয়মে বর্জ্য নষ্ট করা না হয়, তাহলে তা খুব সহজেই সুস্থ মানুষের দেহে রোগ ছড়াতে পারে। তাই এক্ষেত্রে স্বাস্থ্য কর্মীদের বাড়তি সতর্কতা নেওয়া অবশ্যই জরুরি। 

    দিন কয়েক আগে রাজ্যে এক ব্রুসেলা আক্রান্তের মৃত্যু আশঙ্কা আরও বাড়িয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের বাসিন্দা বছর পঞ্চাশের শরদিন্দু ঘোষ ব্রুসেলা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন বলেই পরিবারের অভিযোগ। জ্বর, ডায়রিয়ার মত উপসর্গ নিয়ে শরদিন্দু ঘোষ কলকাতা স্কুল অব ট্রপিক্যাল মেডিসিনে ভর্তি ছিলেন। পরিবারের অভিযোগ, মৌখিকভাবে ব্রুসেলা আক্রান্ত জানানো হলেও ডেথ সার্টিফিকেটে মৃত্যুর কারণ হিসেবে শুধু মাল্টি অর্গ্যান ফেলিওর লেখা হয়েছে। যদিও স্বাস্থ্য দফতর এ নিয়ে কোনও কথা বলতে নারাজ।

    আরও পড়ুন: বুস্টার ডোজ নেওয়ার পর নেজাল ভ্যাকসিন নেওয়া যাবে না, জানালেন কোভিড টাস্ক ফোর্স প্রধান

    করোনা আবহে এই ধরণের গাফিলতি বাড়তি উদ্বেগ তৈরি করছে বলেই মনে করছেন চিকিৎসকেরা। তারা জানাচ্ছেন, করোনা টিকাকরণের সাফল্য শুধু কতজনকে টিকা দেওয়া হল, তার উপরেই নির্ভর করে না। যদি টিকা দিতে গিয়ে কোনও রকম গাফিলতির জেরে রোগ ছড়ায় তাহলে আরও বিপদ বাড়বে। তাই স্বাস্থ্য দফতরের এদিকে নজর দেওয়া দরকার। তবে, শুধু করোনা নয়, যে কোনও টিকাকরণের পরেই এই ধরণের সতর্কতার সঙ্গে মেডিক্যাল বর্জ্য নষ্ট করতে হবে। 

    পাশাপাশি চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, করোনার মত ব্রুসেলা ভাইরাসের উপসর্গ। তাই ব্রুসেলা রোগ ছড়ানো আটকানো জরুরি। জ্বর, কাশি, গায়ে ব্যথা, ডায়রিয়ার মত একধরণের উপসর্গ দুটি রোগেই দেখা যায়। তাই মানুষের মধ্যে আতঙ্ক আরও বাড়তে পারে। স্বাস্থ্য দফতরের অসতর্কতার জেরেই মানুষের এই হয়রানি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

  • Jorhat: অসমের জোরহাটে চিতাবাঘের হামলায় জখম ১৩, দেখুন ভিডিও

    Jorhat: অসমের জোরহাটে চিতাবাঘের হামলায় জখম ১৩, দেখুন ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে মানুষের উপর চিতাবাঘের হামলার ঘটনা ঘটেই চলেছে। যত দিন যাচ্ছে মানুষের বাসস্থান এবং নানা রকম কার্যকলাপের জন্য বনাঞ্চল ক্রমশ ছোট হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে বন্য জন্তুর সঙ্গে মানুষের সংঘর্ষ নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনই একটি ভয়ংকর ঘটনার সাক্ষী থাকল ভারতের অসম রাজ্যের জোরহাট (Jorhat)। যেখানে একটি চিতাবাঘের আক্রমণে ১৩ জন মানুষ আহত হয়েছেন যার মধ্যে তিনজন বনকর্মীও আছেন।

    আরও পড়ুন: লকার নিয়ে নয়া নির্দেশিকা জারি আরবিআই- এর, ১ জানুয়ারি থেকে নতুন নিয়ম লাগু

    ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে কী দেখা যাচ্ছে

    চিতাবাঘের হামলার এই ভিডিও ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে এবং সেখানে দেখা যাচ্ছে যে বাঘটি একটি ছোট গাড়িকে আক্রমণ করছে। ঘটনাটি  সোমবার অর্থাৎ ২৬ ডিসেম্বরের বলেই জানা যাচ্ছে। প্রত্যেক আহত ব্যক্তিকে ইতিমধ্যে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে যে আহতরা এখন বিপদের বাইরে।

     

    নয়ডায় চিতাবাঘ আতঙ্ক 

    অপর একটি ঘটনায়, এবার দিল্লির গ্রেটার নয়ডাতেও ছড়িয়ে পড়ল চিতাবাঘের আতঙ্ক। সেখানে একটি আবাসনের কয়েকজন বাসিন্দা দাবি করেন, মঙ্গলবার সকালে তাঁরা একটি চিতাবাঘকে আবাসনে ঘোরাফেরা করতে দেখেছেন। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। গোটা আবাসনে হুলস্থুল বেঁধে যায়। খবর দেওয়া হয় বন দফতরে। আবাসনে তন্ন তন্ন করে চল্লাশি চালানো হচ্ছে। আবাসনের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: এখন থেকে বুস্টার ডোজ হিসেবে নিতে পারবেন নেজাল ভ্যাকসিন, দাম কত জানেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Blind T20 World Cup: গ্রামে ফিরলেন ব্লাইন্ড টি-২০ ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয়ী ভারতীয় দলের সদস্য বাংলার শুভেন্দু

    Blind T20 World Cup: গ্রামে ফিরলেন ব্লাইন্ড টি-২০ ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয়ী ভারতীয় দলের সদস্য বাংলার শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘরে ফিরলেন ব্লাইন্ড টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয়ী ভারতীয় দলের সদস্য বাংলার শুভেন্দু মাহাতো। ঝাড়গ্রামের এই অলরাউন্ডারকে নিয়ে গর্বিত তাঁর গ্রাম। চলতি বছরের ব্লাইন্ড টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয়ী হয়েছে ভারত। ফাইনালে বাংলাদেশকে ১২০ রানে হারিয়ে দিয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। সেই দলের একমাত্র বাঙালি সদস্য শুভেন্দু। সোমবার নিজের বাড়ি ফিরলেন শুভেন্দু। স্টেশন থেকেই তাঁকে রাজকীয় সংবর্ধনা দিয়ে বরণ করে নেন আত্মীয়রা। 

    মনের জোরেই সাফল্য

    জীবনের শুরুতে শুভেন্দু দু চোখেই দেখতে পেত। ছোটবেলায় একটা দুর্ঘটনার পর  থেকেই দৃষ্টিশক্তি হারান শুভেন্দু। দৃষ্টি হারালেও মনের জোর হারাননি তিনি। উল্লেখ্য, চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দৃষ্টিহীনদের বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলতে মাঠে নেমেছিল ভারতীয় দল। লক্ষ্য ছিল বিশ্বকাপে নিজেদের একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রাখা। বাংলাদেশকে ১২০ রানের বিরাট ব্যবধানে হারিয়ে দেয় ভারত। সুনীল রমেশ ও ভারতীয় অধিনায়ক অজয় কুমার রেড্ডির শতরানের সুবাদেই টানা তৃতীয়বার বিশ্বকাপ জেতে ভারতীয় দৃষ্টিহীন দল।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ২-০ জয়! বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের ছাড়পত্র কী পাবে টিম ইন্ডিয়া?

    সোমবার সকাল ন’টার সময় কলকাতা থেকে সাঁতরাগাছি লোকালে করে ঝাড়গ্রাম স্টেশনে পৌঁছয় শুভেন্দু। ঝাড়গ্রাম স্টেশনে উপস্থিত ছিলেন শুভেন্দুর মা দিপালী মাহাতো সহ কৈমা গ্রামের শতাধিক মানুষ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ঝাড়গ্রামের বিশিষ্ট সমাজসেবী ও জনপ্রতিনিধিরা। শুভেন্দুকে মিষ্টিমুখ করায় তাঁর মা দিপালী মাহাতো। শুভেন্দুর সঙ্গে ছবি তুলতে এবং সেলফি নেওয়ার জন্য মানুষের হুড়োহুড়ি লেগে যায়। গ্রামের মাটিতে পা রেখে আবেগতাড়িত শুভেন্দুর কথায়, “ঝাড়গ্রামে ফিরে খুব ভালো লাগছে। আমার মা ও গ্রামের সকল মানুষজন এসেছে খুবই ভালো লাগছে। এই জয় আমার একটা স্বপ্ন ছিল। আমার স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দিতে পেরে আমি খুব আনন্দিত। ভবিষ্যতে ভারতীয় জাতীয় দলের হয়ে খেলা চালিয়ে যাব। কেন্দ্র সরকার ও রাজ্য সরকার (West Bengal News) যদি আমার পাশে এসে দাঁড়ায় তাহলে আমার এগিয়ে যেতে আরও সুবিধা হবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Pralay Missile: চিন-পাকিস্তানকে জবাব দিতে সীমান্তে বসছে ‘প্রলয়’, এই ক্ষেপণাস্ত্রের বৈশিষ্ট্য জানেন?

    Pralay Missile: চিন-পাকিস্তানকে জবাব দিতে সীমান্তে বসছে ‘প্রলয়’, এই ক্ষেপণাস্ত্রের বৈশিষ্ট্য জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-চিন সীমান্তে অরুণাচলে চিনা সেনার আগ্রাসনের মোকাবিলা করেছে ভারতীয় জওয়ানরা। ফলে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে সেখানেও। এমনই পরিস্থিতিতে ভারতীয় সেনাকে ১২০টি ‘প্রলয়’ কোয়াসি-ব্যালিস্টিক বা আধা-ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (Pralay Missile) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। সূত্রের খবর অনুযায়ী, ওই সব মিসাইল মোতায়েন করা হবে ভারত-চিন ও ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এই ১২০টি ট্যাকটিকাল ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কেনার অনুমোদন দিয়ে দিয়েছে। তাই খুব শীঘ্রই ভূমি থেকে ভূমি আঘাতে সক্ষম প্রলয় ক্ষেপণাস্ত্র আসতে চলেছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর হাতে।

    ক্ষেপণাস্ত্র ‘প্রলয়’

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, ‘প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে ১২০টি প্রলয় মিসাইল (Pralay Missile) কেনার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছে। ওইসব মিসাইল ভারতীয় সীমান্ত এলাকায় মোতায়েন করা হবে।’ সূত্রের খবর অনুযায়ী, প্রলয় ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ১৫০ থেকে ৫০০ কিলোমিটার, অর্থাৎ, ১৫০ থেকে ৫০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে এটি। এই মিসাইলের বিশেষত্ব হল এটিকে অন্য কোনও মিসাইল দিয়ে খুব সহজে ধ্বংস করা যায় না। শুধু তাই নয়, একবার উৎক্ষেপণ করার পরও এর গতিপথ পরিবর্তন করা সম্ভব। সেক্ষেত্রে আকাশেই বদলে ফেলা যায় টার্গেট। প্রলয়কে যাতে ট্র্যাক করা না যায়, তার জন্য বিশেষ দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে এই মিসাইলে। ডিআরডিও নির্মিত এই প্রযুক্তির নাম ‘র‌্যাডোম’। সেনা সূত্রে খবর, ঘণ্টায় প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার বেগে উড়ে গিয়ে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে প্রলয় নামক স্বল্পপাল্লার এই কোয়াসি-ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (Pralay Missile)।

    কোয়াসি-ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কী?

    ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রকে এক বা একাধিক পর্যায়ের রকেটের মাধ্যমে প্রয়োজন অনুযায়ী বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তরে পৌঁছে দেওয়া হয়। এরপর, ক্ষেপণাস্ত্রটি অর্জিত গতির ওপর ভর করে খিলানের মতো ওপর দিকে আরও কিছুটা ওঠে। তারপর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির দৌলতে প্রবল গতিতে অন্য একটি জায়গায় আছড়ে পড়ে। ঠিক যেমন কোনও একটি পাথরকে আড়াআড়িভাবে শূন্যে ছুড়ে দিলে, তা অন্য একটি জায়গায় গিয়ে পড়বে। অর্থাৎ, যত উঁচুতে ছোড়া হবে, পাথরটি ততদূর গিয়ে পড়বে। ঠিক একইভাবে কাজ করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। ফ্রি-ফল হওয়ায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কখনই নামার সময় গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে না। উদাহরণ স্বরূপ – অগ্নি, পৃথ্বী ক্ষেপণাস্ত্র।

    অন্যদিকে, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র অধিক উচ্চতায় যায় না। কিছুটা উচ্চতায় পৌঁছে তা ভূমি বা সমতল বরাবর এগোতে থাকে এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুলভাবে আঘাত হানে। শব্দের চেয়ে অধিক গতিতে উড়তে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্র। সবচেয়ে বড় কথা, প্রয়োজন অনুযায়ী, নিজের গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। ফলত, শত্রুর কোনও কিছু বোঝার আগেই এই ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যে পৌঁছে যেতে সক্ষম। উদাহরণ স্বরূপ – ব্রহ্মোস।

    প্রলয় (Pralay Missile) হল কোয়াসি-ব্যালিস্টিক। অর্থাৎ, এটি পুরোপুরি ব্যালিস্টিক নয়। আবার পুরোপুরি ক্রুজ নয়। বলা যেতে পারে, এটি একটি হাইব্রিড ক্ষেপণাস্ত্র। প্রলয় কম গতিপথ বজায় রাখে। এটি ওপরে ওঠার সময় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মতোই আচরণ করে। তবে, নীচে নামার সময় ম্যানুভার করে। অর্থাৎ, গতিপথ পরিবর্তন করতে সক্ষম।  

    রাশিয়ান ‘ইস্কান্দার’ ও চিনের ‘ডং ফেং ১২’ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সঙ্গে মিল প্রলয়ের

    চিনের হাতে থাকা ‘ডং ফেং ১২’-র তুলনায় এর গতিবেগ কিছুটা বেশি। কিন্তু প্রলয়কে চিনের এই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও রাশিয়ার ‘ইস্কান্দার’ ক্ষেপণাস্ত্রের সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে। এটি চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধেও ব্যবহার করা হচ্ছে।

    সীমান্তে রকেট বাহিনী গড়ে তোলার স্বপ্ন

    ‘প্রলয়’ (Pralay Missile) ও ‘ব্রহ্মোস’ সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল নিয়ে পৃথক ‘রকেট ফোর্স’ গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেছিলেন দেশের প্রথম চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ (CDS) প্রয়াত জেনারেল বিপিন রাওয়াত। ২০১৫ সালেই প্রলয় ক্ষেপণাস্ত্র প্রজেক্ট অনুমোদন পেয়েছিল। এরপর এই মিসাইল তৈরি হলেও এটি আরও শক্তিশালী করে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়। সূত্রের খবর, বিপিন রাওয়াতই প্রথম দেশের একটি কৌশলগত ‘রকেট ফোর্স’ গড়ে তোলার জন্য সচেষ্ট হয়েছিলেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ‘রকেট ফোর্স’-এর আওতায় থাকবে প্রথাগত ক্ষেপণাস্ত্র, যেমন প্রলয়, ব্রহ্মোস, পিনাকা ইত্যাদি। অন্যদিকে, পরমাণু অস্ত্রবহনে সক্ষম ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো থাকবে স্ট্র্যাটেজিক ফোর্সেস কমান্ডের অধীনে। সেই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়িত করার প্রথম পদক্ষেপ করল কেন্দ্র।

    ২০২১ সালের ডিসেম্বরেও দুবার এটির পরীক্ষা করা হয়। প্রতিবারই প্রলয় মিসাইলের নিক্ষেপ সফল হয়েছে। ফলে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের এই ক্ষেপণাস্ত্রকে ঠেকানো মুশকিল হবে শত্রু সেনাদের। উল্লেখ্য, প্রলয় মিসাইল তৈরি করেছে ডিআরডিও। এটিকে আরও শক্তিশালী করে তোলা হচ্ছে। বাড়ানো হচ্ছে এটির পাল্লাও। আর এটিকে প্রথমে ভারতীয় বায়ুসেনা ও পরে তা সেনাবাহিনীকে দেওয়া হবে বলে খবর।

  • Suvendu Adhikari: অনুব্রতর গড়ে শুভেন্দুর সভা! কী বার্তা দেবেন বিরোধী দলনেতা?

    Suvendu Adhikari: অনুব্রতর গড়ে শুভেন্দুর সভা! কী বার্তা দেবেন বিরোধী দলনেতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার অনুব্রত মণ্ডলের গড় হিসেবে পরিচিত বীরভূমের নলহাটিতে সভা করছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আবাস যোজনায় দুর্নীতি, ১০০ দিনের কাজে বেনিয়ম-সহ শাসক দলের নেতাদের একাধিক দুর্নীতি ইস্যুকে হাতিয়ার করে নলহাটির হরিপ্রসাদ হাই স্কুল ময়দানে বেলা দুটোয় সভার আয়োজন করেছে বিজেপির বীরভূম সাংগঠনিক জেলা। ‘অনুব্রতহীন’ বীরভূমে তৃণমূলের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক চাপ তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি। একাধিক রাজনৈতিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

    তৃণমূল ছাড়লেন অনুব্রত ঘনিষ্ঠ

    শুভেন্দুর সভার ঠিক আগে দল ছাড়লেন বীরভূমের অনুব্রত ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা বিপ্লব ওঝা। অনুব্রত ঘনিষ্ঠ এই নেতা আচমকা দল ছাড়ায় স্বাভাবিক ভাবেই জল্পনা তুঙ্গে। ২০০৯ সালে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল যোগ দেন তিনি। সেই সময়ে নলহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন। দলবদলের জেরে নলহাটি পুরসভা কংগ্রেস থেকে তৃণমূল হয়ে যায়। ২০১২ সাল পর্যন্ত পুরপ্রধান ছিলেন বিপ্লব। তিনি বলেন, “আমি ২০০৯ সাল থেকে তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত আছি। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, আজ থেকে আমি তৃণমূলের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ত্যাগ করব। আমি রাজনীতির লোক। মানুষকে সঙ্গে নিয়ে চলতে ভালবাসি। কিন্তু দীর্ঘদিন দল আমার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে না।” অন্য দলে যোগ দেবেন কিনা, সেই প্রশ্নে কিছুটা ইঙ্গিতপূর্ণ ভাবেই বিপ্লব ওঝা বলেন, “রাজনীতি যখন করি তখন অনেক রাস্তা খোলা থাকছে।” এরপরই মনে করা হচ্ছে, সম্ভবত শুভেন্দুর হাত ধরে বিজেপিতেই যোগ দিতে চলেছেন বিপ্লব। 

    আরও পড়ুন: ঝটিকা সফরে শুক্রবার শহরে প্রধানমন্ত্রী! বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সূচনা করবেন মোদি

    একুশের নির্বাচনের পর সব জেলার মতো বীরভূমেও বিজেপির কর্মী–সমর্থকরা বসে গিয়েছেন। এবার পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে, অনুব্রতহীন বীরভূমের দখল নিতে মরিয়া বিজেপি। তাই দলীয় কর্মীদের চাঙ্গা করতে মঙ্গলবার রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। এখান থেকে শুভেন্দু অধিকারী এখন ঠিক কি বার্তা দেন সে দিকেই তাকিয়ে রয়েছে সবাই। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Bomb Cyclone: বাতিল ১৫ হাজারের বেশি উড়ান, বম্ব সাইক্লোনে আমেরিকায় মৃত ৬০

    Bomb Cyclone: বাতিল ১৫ হাজারের বেশি উড়ান, বম্ব সাইক্লোনে আমেরিকায় মৃত ৬০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর আমেরিকা মহাদেশের পরিস্থিতি ক্রমশই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে। তুষার ঝড়ে বিধ্বস্ত সম্পূর্ণ মহাদেশের একটি বিস্তীর্ণ অংশ। প্রবল তুষারপাতে (Bomb Cyclone)  সেখানকার রাস্তাঘাট সবকিছুই বরফের পুরু চাদরে ঢেকেছে। আমেরিকার জাতীয় আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে যে দেশে এমন পরিস্থিতির রেকর্ড অতীতে খুব কমই আছে। তারা আরও জানাচ্ছে এই বছর তাপমাত্রা যেভাবে নীচে নামতে শুরু করেছে তাতে মনে হচ্ছে অতীতের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে যাবে।

    কোথায় কোথায় তাপমাত্রার রেকর্ড পতন হল

    পশ্চিম কানাডায় ইতিমধ্যে তাপমাত্রার পারদের রেকর্ড পতন হয়েছে। তাপমাত্রার পারদ থেমেছে হিমাঙ্কের ৫৩ ডিগ্রি নিচে। মিনেসোটার তাপমাত্রা বর্তমানে মাইনাস ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ডালাসের তাপমাত্রা নেমেছে হিমাঙ্কের  ১৩ ডিগ্রি নীচে। তুষার ঝড়ের (Bomb Cyclone) কারণে আমেরিকার সম্পূর্ণ রাজপথ পুরু বরফের আস্তরণে ঢাকা পড়ে গেছে। এই কারণে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে যোগাযোগ ব্যবস্থা, পরিবহন ব্যবস্থা এবং বিদ্যুৎ পরিষেবা। বেশিরভাগ জায়গাতেই বরফের আস্তরণের উচ্চতা ৮ থেকে ১০ ফুট। জানা যাচ্ছে, এখনও পর্যন্ত সম্পূর্ণ মহাদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ১৫ হাজার বিমান বাতিল করতে হয়েছে। সরকারি পরিসংখ্যান বলছে,  এই মুহূর্তে আমেরিকাতে প্রায় ২ লক্ষেরও বেশি মানুষ বিদ্যুৎহীন ভাবে রয়েছেন এবং তাদের স্বাভাবিক গৃহকর্মও বন্ধ রয়েছে।

    এমন পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে তার কোন নিশ্চয়তা দিতে পারছে না আমেরিকার আবহাওয়া দপ্তর। অন্যদিকে আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন এই পরিস্থিতিতে যতটা সম্ভব বাড়ির ভিতরে থাকতে হবে, তুষার ঝড়ে (Bomb Cyclone) আক্রান্ত হলে মৃত্যুও হতে পারে। এই নিয়ে টানা ৫ দিন এই তুষার ঝড়ের সাক্ষী থাকছে আমেরিকা। এই পরিস্থিতি ক্রমশ ভয়াবহ হচ্ছে। তীব্র এই তুষারঝড় (Bomb Cyclone) কে স্থানীয় আমেরিকানরা বলছেন বোম সাইক্লোন বা সাইক্লোন বোমা (Bomb Cyclone)। ইতিমধ্যে এই প্রবল শৈত্যপ্রবাহে ৬০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া যাচ্ছে। দেশের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এরকম পরিস্থিতিতে উদ্ধার কার্য চালিয়ে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে আমেরিকার পরিস্থিতি বেশ ভয়ঙ্কর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
  • Covid Vaccine: রাজ্যে করোনা টিকার ভাঁড়ার শূন্য! সাফাই শাসকদলের, তীব্র কটাক্ষ বিজেপির

    Covid Vaccine: রাজ্যে করোনা টিকার ভাঁড়ার শূন্য! সাফাই শাসকদলের, তীব্র কটাক্ষ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা নিয়ে নতুন করে আতঙ্কের সৃষ্টি হচ্ছে, বাড়ছে উদ্বেগও। করোনা থেকে বাঁচতে রাজ্যে দেখা দিয়েছে বুস্টার ডোজের চাহিদা (Covid Vaccine)। সূত্রের খবর অনুযায়ী, শুধুমাত্র বুস্টার ডোজ নয়, রাজ্যে করোনা টিকা কোভিশিল্ড, কোভ্যাক্সিন, কর্বিভ্যাক্স সবই বাড়ন্ত। এমনকী মানুষ টিকা নিতে গিয়েও শূন্য হাতে ফিরে আসছে। ফলে রাজ্যে টিকার আকাল, তাই করোনার বাড়বাড়ন্তে রাজ্যবাসীর কপালে চিন্তার ভাঁজ।

    রাজ্যে টিকার ভাঁড়ার শূন্য

    কলকাতার বেলেঘাটা আইডি থেকে এসএসকেএম, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ, এন‌আর‌এস, আরজিকর, ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ-সহ রাজ্যের সর্বত্রই একই অবস্থা। কোনও জায়গাতেই নেই পর্যাপ্ত পরিমাণে টিকা। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যে এখনও পর্যন্ত লক্ষাধিক কোভ্যাক্সিন মজুত রয়েছে। কিন্তু, ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে মজুত কোভ্যাক্সিনের একাংশের মেয়াদ ফুরিয়ে যাবে। এই পরিস্থিতিতে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মেনে আম জনতা ফের টিকা নিতে আগ্রহী হলেও তাঁদের টিকা না নিয়েই ফিরতে হচ্ছে‌।  

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, রাজ্যের ভাঁড়ারে কোভিশিল্ড পড়ে আছে মাত্র ২৮০। কর্বিভ্যাক্সও নেই রাজ্যের কাছে। অন্যদিকে নেজাল ভ্যাকসিনের অনুমোদন মিললেও রাজ্য সরকার, রাজ্যের মানুষের জন্য সেই টিকা নিজেরাই কিনবে কিনা সে বিষয়েও এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানা গিয়েছে। ফলে, বুস্টার ডোজ নিয়ে সমস্যা থেকেই যাচ্ছে।

    আরও পড়ুন: ঝটিকা সফরে শহরে প্রধানমন্ত্রী! বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সূচনা করবেন মোদি

    এদিকে, টিকার ঘাটতির মধ্যেই বেলেঘাটা আইডি, এসএসকেএম, কলকাতা মেডিক্যাল, এন‌আর‌এস, আরজিকর সহ রাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন স্বাস্থ্য আধিকারিকেরা। তবু করোনা টিকার জোগান বাড়ানোর জন্য কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা এখনও কিছু জানানো হয়নি। 

    ভ্যাকসিনের আকালে শাসকদলের সাফাই

    কলকাতা পুরসভার দাবি, বুস্টার ডোজ নেওয়ায় মানুষের মধ্যে অনীহা রয়েছে। পুরসভার তথ্য বলছে, এখনও পর্যন্ত করোনার প্রথম ডোজ নিয়েছেন সাত কোটির বেশি। দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন সাত কোটির কম। সেখানে বুস্টার ডোজ নিয়েছেন মাত্র দেড় কোটির কিছু বেশি। পুরসভার মেয়র পরিষদ অতীন ঘোষ জানান, নির্দিষ্ট পরিমাণ লোক না হওয়ায় প্যাক খোলা যাচ্ছে না। অন্যদিকে আবার নির্দিষ্ট কিছু ভ্যাকসিনের জোগানের অভাব রয়েছে বলে জানাচ্ছে পুরসভা। আরও জানানো হয়েছে, কিছু কোভিশিল্ড, কর্বিভ্যাক্স ফেরত পাঠানো হয়েছিল। ফলে এখন সেগুলি রাজ্যে নেই।

    বিজেপির কটাক্ষ

    রাজ্যে করোনা টিকার আকাল, ফলে বিজেপির তরফে তীব্র কটাক্ষ করা হয়েছে শাসকদলকে। বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, “কেন্দ্র কোথাও অভাব রাখেনি। কেন্দ্র তো ভ্যাকসিন পাঠাচ্ছে। তাহলে এখানে নেই কেন? নিচু থেকে ওপর খতিয়ে দেখা উচিত।” তাঁর মতে, চিন ভুয়ো ভ্যাকসিন দিয়েছে। তাই বিপদ বেড়েছে। আমাদের রাজ্যে ভুয়ো সরকার চলছে। শুধু আওয়াজের ওপর আছে। অনেকে এখনও একটাও ভ্যাকসিন নেননি। সরকারের উচিত তাদের বোঝানো।”

LinkedIn
Share