Blog

  • SSC Scam: এসএসসি দুর্নীতি মামলায় সাতদিনের সিবিআই হেফাজতে এসপি সিন‍্‍হা, অশোক সাহা

    SSC Scam: এসএসসি দুর্নীতি মামলায় সাতদিনের সিবিআই হেফাজতে এসপি সিন‍্‍হা, অশোক সাহা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি দুর্নীতি (SSC scam) মামলায় শান্তিপ্রসাদ সিন‍্‍হা (Shantiprasad Sinha) ও অশোক সাহাকে (Ashok Saha) ৭ দিনের সিবিআই (CBI) হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। আগামী ১৭ অগাস্ট পর্যন্ত এসএসসি-র প্রাক্তন উপদেষ্টা তথা তৎকালীন সচিবকে সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।

    বুধবার সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন এসএসসির প্রাক্তন উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিনহা এবং তৎকালীন সচিব অশোক সাহা। বৃহস্পতিবার তাঁদের সিবিআই হেফাজতে পাঠাল আলিপুর আদালত (Alipore Court)। সূত্রের খবর, এদিনের শুনানিতে সিবিআই আইনজীবীরা সওয়ালে বলেন, এসএসসি দুর্নীতি বৃহত্তর এক ষড়যন্ত্র। অনেক প্রভাবশালী এর সঙ্গে জড়িত।

    আরও পড়ুন: এসএসসি দুর্নীতি মামলায় শান্তিপ্রসাদ সিন্‌হা ও অশোক সাহাকে গ্রেফতার সিবিআইয়ের

    স্কুল সার্ভিস নিয়োগে(School Service Recruitment) দুর্নীতি মামলায় সিবিআই যে এফআইআর দায়ের করেছিল তাতে প্রথম নাম ছিল শান্তিপ্রসাদের। চার নম্বরে নাম ছিল অশোক সাহার। মঙ্গলবার সকাল থেকে এই দুজনকে জেরা করছিল সিবিআই। সন্ধের মুখে দুজনকে গ্রেফতার করার কথা ঘোষণা করা হয় সিবিআইয়ের তরফে। প্রসঙ্গত, এই প্রথম এসএসসি মামলায় কাউকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। এর আগে পার্থ চট্টোপাধ্যায়, শান্তিপ্রসাদ সিনহা, মানিক ভট্টাচার্যদের বহুবার জেরা করেছে সিবিআই।

    সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, জেরার সময়ে বিভ্রান্ত করছিলেন শান্তিপ্রসাদ এবং অশোক। তাঁদের কাছে জানতে যাওয়া হয়েছিল, উপদেষ্টা কমিটিকে কারা নিয়ন্ত্রণ করত। কীভাবে গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়া চলেছিল? কারা কারা তাঁদের নির্দেশ দিতেন? এ হেন প্রশ্নে এক-একবার একএক রকম জবাব দিচ্ছিলেন বলে জানা গিয়েছে নিজাম প্যালেস সূত্রে। এরপরই দুজনকে গ্রেফতার করে সিবিআই।

    আরও পড়ুন: পার্থ-অনুব্রত কাণ্ডের জের! “সবাই চোর নয়”, সাফাই আতঙ্কিত তৃণমূলের

    এর আগে সিবিআই নিজাম প্যালেসে জেরা করার পাশাপাশি শান্তিপ্রসাদের রিজেন্ট পার্কের বাড়িতে গিয়েও তল্লাশি চালিয়েছিল। শুধু তাই নয়। এসএসসি-র অন্য কর্তাদের দুয়ারেও হানা দিয়েছিল তদন্ত এজেন্সি। সিবিআই সূত্রে খবর, দু’জনকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে ৷ মূলত তাঁদের ঘর থেকে একাধিক পেনড্রাইভ, সিডি-সহ যে ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে সেগুলি দেখিয়ে জেরা করবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

  • Amit Malviya on Anubrata: অনুব্রতর মতো দুষ্কৃতীদের পৃষ্ঠপোষকতা করেন মমতা, তোপ অমিত মালব্যর

    Amit Malviya on Anubrata: অনুব্রতর মতো দুষ্কৃতীদের পৃষ্ঠপোষকতা করেন মমতা, তোপ অমিত মালব্যর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার সাত সকালে সিবিআই (CBI) জালে অনুব্রত মণ্ডল ( Anubrata Mondal)। এদিন সকালে সিবিআইয়ের একটি দল ঘিরে ফেলে তৃণমূলের (TMC) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের বাড়ি। পরে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। তার পরেই অনুব্রত ও তাঁর দল তৃণমূলকে তোপ দেগেছেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব। অনুব্রতকে প্রশ্রয় দেওয়ার জন্য তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) কাঠগড়ায় তুলেছেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য (Amit Malviya)।

    গরু পাচার মামলায় নাম জড়িয়েছে অনুব্রতর। তদন্তে নেমে বার দশেক তাঁকে তলব করে সিবিআই। এর মধ্যে মাত্র একবারই নিজাম প্যালেসে গিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হন বীরভূমের এই দাপুটে নেতা। নানা অছিলায় বাকি সময় তিনি এড়িয়েছেন সিবিআইয়ের জেরা। যদিও গরু পাচার মামলায় তাঁকেই জেরা করে সত্য উদ্ঘাটন করতে মরিয়া সিবিআই। বারবার সিবিআই নাগাল এড়ানোয় এদিন তাঁকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    সম্প্রতি সিবিআই এবং ইডি যৌথভাবে তল্লাশিতে নামে বীরভূমের বিভিন্ন জায়গায়। অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা কেরিম শেখ ও অনুব্রত ঘনিষ্ঠ পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের বাড়িতেও হানা দেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। বাজেয়াপ্ত করেন প্রচুর নথি। তা থেকেই সিবিআইয়ের ধারণা, অনুব্রতকে জেরা করলেই খুলে যাবে পাচার-রহস্যের দ্বার। এটাও অনুব্রতকে গ্রেফতার করার অন্যতম একটি কারণ।   

    আরও পড়ুন : অনুব্রত একজন মাফিয়া, মমতার প্রশ্রয়ে ওর বাড়বাড়ন্ত, বললেন শুভেন্দু

    অনুব্রতকে প্রশ্রয় দেওয়ায় তৃণমূলের সর্বময় কর্ত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই সরাসরি দায়ী করেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা অমিত মালব্য। ট্যুইট বার্তায় অনুব্রতকে সরাসরি দুষ্কৃতী বলেও তোপ দাগেন তিনি। তিনি লিখেছেন, অনুব্রত মণ্ডলের মতো দুষ্কৃতীদের পৃষ্ঠপোষকতা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে তিনি তাঁদের নিরাপত্তা দেন, যাঁরা অপরাধ করে। পার্থ চট্টোপাধ্যায় হোন বা অনুব্রত মণ্ডল এর দায় বর্তায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর। বিজেপির এই কেন্দ্রীয় নেতার প্রশ্ন, বীরভূমের স্থানীয় গুন্ডা অনুব্রত মণ্ডলকে তাঁর গাড়িতে বসিয়ে নিয়ে বাংলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কী বার্তা দেন? তিনি বলেন, এই অনুব্রত মণ্ডলের নির্দেশেই চলত আনারুল হোসেনরা, রামপুরহাট গণহত্যাকাণ্ডে যে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছে। অমিত বলেন, এই ছবিই প্রমাণ করে বাংলার রাজনীতির দুর্বৃত্তায়নের সূত্রপাত একেবারে মাথা থেকে।

     

  • VHP on Rohingya: রোহিঙ্গাদের ভারত থেকে বের করে দেওয়া উচিত, মত বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    VHP on Rohingya: রোহিঙ্গাদের ভারত থেকে বের করে দেওয়া উচিত, মত বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  রোহিঙ্গাদের (Rohingya) ভারত (India) থেকে বের করে দেওয়া উচিত। অন্তত এমনই মন্তব্য করলেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP) কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সভাপতি অলোক কুমার (Alok Kumar)। রোহিঙ্গাদের দিল্লিতে পুনর্বাসন দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। তার প্রেক্ষিতেই একথা বলেছেন অলোক কুমার। সরকারি সিদ্ধান্তকে দুর্ভাগ্যজনক আখ্যা দিয়েছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আন্তর্জাতিক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুরেন্দ্র জৈনও (Surendra Jain)।

    মায়ানমার ছেড়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়েছেন রোহিঙ্গারা। দিল্লিতেও ঘাঁটি গেড়েছেন তাঁরা। এই রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফ্ল্যাট দিচ্ছে কেন্দ্র। তাঁদের প্রহরায় মোতায়েন থাকবে দিল্লি পুলিশও। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান কেন্দ্রীয় হাউজিং অ্যান্ড আরবান অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রী হরদীপ সিংহ পুরী।

    ট্যুইটবার্তায় তিনি লেখেন, ভারত বরাবরই এ দেশে আশ্রয়প্রার্থীদের স্বাগত জানিয়েছে। একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দিল্লির বক্করওয়ালা এলাকার অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল শ্রেণির জন্য তৈরি করা ফ্ল্যাটে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। তাদের সাধারণ সুযোগ সুবিধা দেওয়া হবে এবং দিল্লি পুলিশ ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তার জন্য থাকবে। বিরোধীদের কটাক্ষ করে তিনি লেখেন, যাঁরা ভারতের শরণার্থী নীতিকে সিএএ-র সঙ্গে জুড়ে বিরোধিতা করে নিজেদের কেরিয়ার তৈরি করতে অভ্যস্ত, তাঁদের জন্য দুঃসংবাদ।

    আরও পড়ুন : পরপর জেহাদি হামলার জের! হিন্দুদের জন্য হেল্পলাইন নম্বর চালু ভিএইচপির

    সরকারের এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। অলোক কুমার বলেন, রোহিঙ্গাদের থাকার ব্যবস্থা করার চেয়ে তাদের ভারতের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থাই করা উচিত। তিনি বলেন, পাকিস্তান থেকে এদেশে আসা হিন্দু শরণার্থীরা মঞ্জু কা তিলা এলাকায় অতিকষ্টে দিন গুজরান করছেন। তাঁদের টপকে যেভাবে রোহিঙ্গাদের সুযোগ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। রোহিঙ্গাদের ফ্ল্যাট এবং পুলিশ প্রহরা সহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা দেওয়ার বিষয়টিকে দুর্ভাগ্যজনক আখ্যা দিয়েছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আন্তর্জাতিক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুরেন্দ্র জৈনও।

    আরও পড়ুন : ম্যাঙ্গালুরুর মসজিদের অন্দরে হিন্দু মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ! পুজোর উদ্যোগ ভিএইচপি-র

  • Abhishek Banerjee at Dubai: সাত মাসে তিন বার দুবাই যাত্রা অভিষেকের, ফিসফিসানি দলের অন্দরেই

    Abhishek Banerjee at Dubai: সাত মাসে তিন বার দুবাই যাত্রা অভিষেকের, ফিসফিসানি দলের অন্দরেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ ঘন ঘন দুবাই (Dubai) যাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বেসর্বা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। কয়লা পাচার কাণ্ডে (Coal scam) ইডি-র (ED) প্রশ্নবাণের মুখে পড়ার দুবাই যাওয়ার প্রবণতা আরও বেড়েছে। গত সাত মাসে তিন বার তিনি মরু দেশে গিয়েছেন। এখনও রয়েছেন দুবাইয়ে। কেন?  এই প্রশ্নেই তোলপাড় তৃণমূলের (TMC) অন্দরমহল। চলছে ফিসফিসানি।

    যদিও তৃণমূলের সর্বেসর্বার আশপাশের ব্যক্তিরা দলের নেতাদের প্রশ্নের মুখে পড়ে জানাচ্ছেন, চোখের চিকিৎসা করাতেই বার বার অভিষেককে দুবাই যেতে হচ্ছে। তা অবশ্য তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata) শিবিরে থাকা নেতা-মন্ত্রীদের বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে না। তাঁরা অভিষেকের দুবাই যাত্রা নিয়ে সান্ধ্য আড্ডায় এমন চর্চাও করছেন যা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিতব্য নয়। তদন্তকারীরা অবশ্য জানেন কয়লা পাচার মামলায় ‘ভাগোড়া’ বিনয় মিশ্র বছর দুই আগে দুবাইয়ে কোনও সম্পত্তি কিনতে তৎপর হয়েছিলেন। সেই সম্পত্তির বিস্তারিত অবশ্য ইডি-সিবিআইয়ের (CBI) হাতে রয়েছে। বিনয় অবশ্য ফেরার, একটি ছোট দেশের নাগরিকত্বও নিয়ে নিয়েছেন। তবে মাঝে মধ্যেই তিনি দুবাই আসেন বলেও শোনা যায়।

    আরও পড়ুন: গরু পাচারের ৪২ ঘাটে যুক্ত ৬২ আইসি-ওসি এবার সিবিআইয়ের আতসকাচে

    তৃণমূল সূত্রের দাবি, সম্প্রতি ১৪ অগাস্ট রাতের বিমানে দুবাই গিয়েছেন অভিষেক। সেদিন জাতির উদ্দেশে তাঁর ভাষণও ছিল। কিন্তু যে সময় তাঁর ভাষণ সম্প্রচারিত হয় সে সময় তিনি বিমানে ছিলেন। ফলে দলের অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, স্বাধীনতা দিবসের আগে দেশের বাইরে যাচ্ছেন তা ধামাচাপা দিতেই কি জাতির উদ্দেশে ভাষণের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। দলে অভিষেকের ঘনিষ্ঠরা এনিয়ে কোনও অন্যায় দেখেন না। দেখার কথাও নয়। কারণ, কোনও নাগরিক বিদেশ গেলে প্রশ্ন করার মানে হয় না। তার পরেও তৃণমূলে মমতাপন্থীরা প্রশ্ন তুলতে ছাড়ছেন না। গত সাত মাসে কতবার অভিষেক দুবাই গিয়েছেন সেই তালিকা তাঁরাই সংবাদ মাধ্যমে ফাঁস করে দিয়েছেন। অভিষেকের মতো ভিভিআইপির মুভমেন্ট এ ভাবে প্রকাশ্যে এনে দেওয়ার পিছনে দলের একাংশ যে সক্রিয় তা নাকি সর্বেসর্বাও জানেন।

    সূত্রের দাবি, এর আগে ৩ জুন দুবাই গিয়েছিলেন অভিষেক, ফিরেছিলেন ১০ জুন। আট দিন ছিলেন দুবাইয়ে। তার আগে আরও একবার দুবাই গিয়েছিলেন ২৫ ফেব্রুয়ারি। ফিরেছিলেন ৪ মার্চ। অর্থাৎ ফেব্রুয়ারি থেকে অগাষ্ট পর্যন্ত সাত মাসে তিনবার দুবাই যাত্রা করেছেন তিনি। এবারও আট-দশ দিন পর ফিরবেন বলে শোনা যাচ্ছে। যার মানে, গত সাত মাসে গড়পরতা একমাস দুবাইতে কাটাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বেসর্বা।

    আরও পড়ুন: নিশুতি রাতে পাচার হত পাল পাল গরু, কীভাবে চলত অপারেশন?

    গত ২১ মার্চ দিল্লিতে ইডি অভিষেককে কয়লা পাচার কাণ্ডে জেরা করেছিল। এরপর ২৭ মার্চ তাঁর পুরো পরিবার দুবাইয়ের টিকিট কেটেছিল। কিন্তু ইডির লুক আউট সার্কুলার থাকায় সে দিন তাঁর পরিবারের সদস্যরা দুবাই যেতে পারেননি। যদিও এক ঘনিষ্ঠ আত্মীয়া সেদিন দেশ ছেড়েছিলেন। এর পর চোখের চিকিৎসা করাতে দুবাই যেতে হবে বলে অভিষেক কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেন। আদালত তা মঞ্জুর করে এবং তিনি ৩ জুন দুবাই গিয়েছিলেন। আবার ইডি জেরার আগেও ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি দুবাইয়ে ছিলেন। আদালতে জমা পড়ার আবেদনের ভিত্তিতে চিকিৎসা করাতেই তিনি বার বার দুবাই যাচ্ছেন। যা খুবই স্বাভাবিক। দলের অভিষেক বিরোধী লবি সে সব অবশ্য মানতে চাইছে না। দলের সর্বেসর্বার চিকিৎসা নিয়েও তাঁরা সন্দিহান হয়ে যাচ্ছেন।

    তাঁরাই জানাচ্ছেন, আগে নিয়মিত সিঙ্গাপুর, ব্যাঙ্কক যেতেন অভিষেক। এখন যাচ্ছেন দুবাই। ২০২১ সালে ১৩ থেকে ১৮ অক্টোবর মালদ্বীপে ছিলেন তিনি। ওই সময় কলকাতায় দুর্গাপুজো চলছিল। ২০২০ সালেও ২১ থেকে ২৮ অক্টোবর দুর্গাপুজোর সময় দুবাইয়ে গিয়েছিলেন তিনি। সে বছর ১৫ থেকে ২৪ জানুয়ারিও অবশ্য সিঙ্গাপুরে গিয়েছিলেন অভিষেক। এবারও কি পুজোয় কলকাতার বাইরেই থাকবেন তিনি? ফিসফিসানি, চর্চা, আলোচনা চলছে দলের অন্দরেই।

  • Kashmir Terror Attack: ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ! সেনার উপর গ্রেনেড হামলা

    Kashmir Terror Attack: ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ! সেনার উপর গ্রেনেড হামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রক্তাক্ত উপত্যকা। জম্মু-কাশ্মীরের সোপিয়ানে জঙ্গি হামলা। মঙ্গলবার জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) সোপিয়ান জেলার কুটপোড়ায় সেনার উপর গ্রেনেড হামলা চালায় জঙ্গিরা। গত কয়েকদিন ধরেই কাশ্মীরে সক্রিয় হয়ে উঠেছে জঙ্গিরা। এদিন সেনার টহলদারির সময় রাতের অন্ধকারে তাদের লক্ষ্য করে গ্রেনেড ছোঁড়ে জঙ্গিরা। অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে জঙ্গলে গা ঢাকা দেয় তারা। তাদের সন্ধানে অভিযান চালাচ্ছে সেনা ও কাশ্মীর পুলিশের যৌথ বাহিনী। 

    আরও পড়ুন: ফের রক্তাক্ত উপত্যকা, দুই কাশ্মীরি পণ্ডিত ভাইকে গুলি করল জঙ্গিরা, মৃত এক

    বুধবার কাশ্মীর জোন পুলিশের তরফে ট্যুইট করে জানানো হয়, গোয়েন্দা সূত্রে, এদিন একটি বাড়িতে জঙ্গিদের লুকিয়ে থাকার খবর পায় সেনা। তারপরই ওই বাড়িতে গোপন অভিযান চালায় নিরাপত্তারক্ষীরা। তখনই তাঁদের লক্ষ্য করে গ্রেনেড ছোড়ে জঙ্গিরা। এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর মেলেনি। অন্ধকারকে হাতিয়ার করে জঙ্গিরা লুকিয়ে পড়লেও ওই বাড়ি থেকে গোলা বারুদ উদ্ধার হয়েছে। মিলেছে গোপন নথিও। এই নিয়ে পরপর ২ দিন সেনার উপর হামলা চালাল জঙ্গিরা। সোমবার, স্বাধীনতা দিবসেই বুদগাম এবং শ্রীনগর জেলায় দুটি পৃথক সন্ত্রাসবাদী হামলায় এক অসামরিক নাগরিক এবং একজন পুলিশ কর্মী আহত হন। দুটি হামলাতেই সন্ত্রাসবাদীরা গ্রেনেড ব্যবহার করে বলে জানা গিয়েছে।


    গত কয়েক দিনে পরপর জঙ্গি হামলায় রক্তাক্ত হয়েছে ভূস্বর্গ। মঙ্গলবার সোপিয়ানে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের উপর হামলা চালায় জঙ্গিরা। মৃত্যু হয় একজনের। এর আগে বান্দিপোড়ায় (Bandipora) পরিযায়ী শ্রমিকের উপর হামলা চালায় সন্ত্রাবাদীরা। জঙ্গিদের গুলিতে নিহত হয় বিহার থেকে জম্মু-কাশ্মীরে কাজ করতে আসা এক শ্রমিক। গত বৃহস্পতিবারই রাজৌরির সেনা ক্যাম্পে আত্মঘাতী হামলা চালায় জঙ্গিরা। উরির কায়দায় বড়সর আত্মঘাতী হামলার ছক বানচাল করে সেনা। গুলির লড়াইয়ে খতম হয় দুই জঙ্গি। শহিদ হন তিন জওয়ান।

     
     
  • Kashmir Terror Attack: ফের রক্তাক্ত উপত্যকা, দুই কাশ্মীরি পণ্ডিত ভাইকে গুলি করল জঙ্গিরা, মৃত এক

    Kashmir Terror Attack: ফের রক্তাক্ত উপত্যকা, দুই কাশ্মীরি পণ্ডিত ভাইকে গুলি করল জঙ্গিরা, মৃত এক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রক্তাক্ত উপত্যকা। ফের বিপন্ন  কাশ্মীরের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়। জম্মু ও কাশ্মীরের সোপিয়ানে জঙ্গি হামলায় ফের মৃত্যু হল এক কাশ্মীরি পণ্ডিতের। ওই হামলাতেই জখম তাঁর ভাই। এই নিয়ে কম সময়ের বিরতিতে পর পর দুবার হামলা চালানো হল কাশ্মীরি পণ্ডিত সম্প্রদায়ের ওপর। কিছুদিন আগেই ওই একই সম্প্রদায়ের ব্যাঙ্ক ম্যানেজারকে গুলি করে হত্যা করে জঙ্গিরা। 

    মঙ্গলবার সকালেই ঘটনাটি ঘটে সোপিয়ানের চিতপোরা এলাকায়। একটি আপেল বাগানে জঙ্গিরা ওই দুই পণ্ডিতের ওপর গুলি চালায়। জঙ্গিদের গুলিতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তাঁদের মধ্যে এক জন। গুরুতরভাবে আহত অন্যজনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ট্যুইটারে কাশ্মীর পুলিশ লিখেছে, খুব শীঘ্রই পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে জানানো হবে। তবে মঙ্গলবার দুপুর দেড়টা পর্যন্ত হামলাকারীদের খোঁজ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।  

     

    জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ সূত্রে খবর, নিহতের নাম সুনীল কুমার। কাছের ছোটিগাম গ্রামের বাসিন্দা সুনীল এবং তাঁর ভাই পিন্টু। সুনীল কুমারের শরীরের দুটি গুলি লাগে। জঙ্গি হামলায় আহত হন তাঁর ভাই পিন্টুও। হামলার পরেই গোটা এলাকা ঘিরে ফেলেছে নিরাপত্তাবাহিনী। জঙ্গিদের খোঁজে চলছে তল্লাশি।

    ঘটনার পরে, উপত্যকায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করেছে পুলিশ। বেশ কয়েকদিন ধরেই জঙ্গি হামলায় বিপর্যস্ত ভূস্বর্গ। রবিবারই নাওহাটায় জঙ্গি হামলায় এক পুলিশকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। কয়েকদিন আগেই বিহার থেকে কাশ্মীরে কাজ করতে আসা এক পরিযায়ী শ্রমিককেও বান্দিপোরায় গুলি করে খুন করে জঙ্গিরা। এই নিয়ে চলতি বছরে ভিনরাজ্যের চার নম্বর বাসিন্দাকে খুন করল জঙ্গিরা। 

    সোপিয়ানের জঙ্গি আক্রমণের ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। ট্যুইটারে তিনি লেখেন, “সোপিয়ানে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের ওপর আক্রমণের তীব্র নিন্দা করি।”

     

    ঘটনার নিন্দা করেছেন কাশ্মীরের লেফটান্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহাও। ট্যুইটারে তিনি লেখেন, “কাশ্মীরের সোপিয়ানের হামলায় গভীরভাবে শোকাহত। মৃতের পরিবারের প্রতি সমব্যাথী। আহতের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। এই ঘটনার নিন্দা সবার করা উচিৎ। যেই জঙ্গিরা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তাদের ক্ষমা করা হবে না।” 

    কাশ্মীরি পণ্ডিতদের ওপর হামলার দায় শিকার করেছে জঙ্গি সংগঠন কাশ্মীর ফ্রিডম ফাইটারস (KFF)। মূলত এটি লস্কর-ই-তৈবার শাখা সংগঠন। এদের ঘনিষ্ঠ যোগ রয়েছে লস্কর জঙ্গিদের সঙ্গে। 

     

     

  • Health Tips: সুন্দর ত্বকের জন্য ডায়েটে রাখুন এই ১০টি প্রয়োজনীয় খাবার

    Health Tips: সুন্দর ত্বকের জন্য ডায়েটে রাখুন এই ১০টি প্রয়োজনীয় খাবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উজ্জ্বল আর কোমল ত্বক কে না চায়! সুন্দর ত্বক পেতে আমরা কত রকমের জিনিসই ব্যবহার করে থাকি। যেমন- স্কিন ট্রিটমেন্ট, স্কিন কেয়ার রুটিনে কত রকমের স্টেপ, ঘরোয়া টোটকা, ফেসিয়াল, দামি দামি ক্রিম আরও কত কী! পারফেক্ট স্কিনের জন্য প্রয়োজন সঠিকভাবে স্কিন কেয়ার রুটিন ফলো করা। তবে ত্বককে ভেতর থেকে সুন্দর করে তুলতে শুধু বাইরের রূপচর্চাই যথেষ্ট নয়। ভেতর থেকেও পুষ্টির যাতে ঘাটতি না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা উচিত। প্রয়োজনীয় পুষ্টি পেলেই ত্বক হয়ে উঠবে দাগহীন। ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে ডায়েটে রাখুন কিছু স্বাস্থ্যকর খাবার। কোন খাবারগুলো ত্বকের জন্য কার্যকরী, চলুন জেনে জেনে নেওয়া যাক-

    ক্যাপসিকাম

    এটি আপনার ত্বকের জন্য বিশেষ কার্যকরী কারণ এটি ত্বকের টিস্যু তৈরির জন্য অপরিহার্য এবং এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পূর্ণ। এছাড়াও ক্যাপসিকামে উচ্চ ফাইবার, কম শক্তি এবং ভিটামিন এ, আয়রন, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, পটাসিয়াম এবং ম্যাঙ্গানিজের মতো পুষ্টি উপাদান রয়েছে যা ত্বকের জন্য উপকারী।

    চর্বিযুক্ত মাছ

    স্যামনের মতো মাছ যাতে ওমেগা -3 ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ উচ্চ মানের প্রোটিন, ভিটামিন ই এবং জিঙ্ক রয়েছে যা প্রদাহ কমাতে পারে এবং আপনার ত্বককে কোমল রাখতে পারে।

    আখরোট

    আখরোট হল প্রয়োজনীয় চর্বি, ভিটামিন ই, জিঙ্ক, সেলেনিয়াম এবং প্রোটিনের একটি বড় উৎস- এগুলি সবই আপনার ত্বককে ঠিক রাখার জন্য প্রয়োজনীয়।

    ব্রকলি

    ব্রকলি ক্যারোটিনয়েড, ভিটামিন এবং খনিজগুলির একটি দুর্দান্ত উৎস যা ত্বকের ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে এবং ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে সহায়তা করতে পারে।

    আরও পড়ুন: এই ছটি ফল খান, আর পেয়ে যান উজ্জ্বল ও কোমল ত্বক

    ডার্ক চকোলেট

    কোকোতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ত্বকের গঠন, বলিরেখা এবং রক্ত ​​প্রবাহ উন্নত করতে সাহায্য করে।

    বেরি

    স্ট্রবেরি, রাস্পবেরি বা ব্লুবেরি ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ যা ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে।

    অ্যাভোকাডো

    অ্যাভোকাডোতে প্রচুর পরিমাণে ভালো চর্বি, ভিটামিন ই এবং সি থাকে যা স্বাস্থ্যকর ত্বকের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    সূর্যমুখী বীজ

    সূর্যমুখী বীজে ভিটামিন ই এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে যা ত্বকের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ খাবার।

    গ্রিন টি

    গ্রিন টি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ যা আপনার ত্বককে সূর্যের ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে পারে। এছাড়াও ত্বককে হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করে।

    টোম্যাটো

    ত্বক ভালো রাখতে উজ্জ্বল রঙের সবজি, টকজাতীয় খাবার (ভিটামিন সি), প্রোটিন ও ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড বেশ কার্যকর। তবে ত্বকের জন্য হিসেবে আলাদা করে লাল টোম্যাটোর কথা বলতেই হয়। টমেটোতে রয়েছে প্রচুর পটাসিয়াম ও ভিটামিন সি, যা উজ্জ্বল ত্বকের মূল রহস্য। এতে লাইকোপিন নামের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে, যা ত্বকের বিভিন্ন দাগ, বলিরেখা এবং শুষ্কভাব দূর করে ত্বক মসৃণ করে।

     

  • Sukanta on Anubrata: বন্যেরা বনে সুন্দর, চোরেরা জেলে, অনুব্রতর গ্রেফতারিতে প্রতিক্রিয়া সুকান্তর 

    Sukanta on Anubrata: বন্যেরা বনে সুন্দর, চোরেরা জেলে, অনুব্রতর গ্রেফতারিতে প্রতিক্রিয়া সুকান্তর 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্যেরা বনে সুন্দর, চোরেরা জেলে। খাঁচা তৈরি হয়েছে। অনেকদিন লুকোচুরি খেললেন। এখন উপযুক্ত জায়গায় পৌঁছে গিয়েছেন। তৃণমূলের (TMC) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) গ্রেফতারির খবর পেয়ে এমনই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

    গরু পাচারকাণ্ডে (Cattle Smuggling Case ) নাম জড়ানোয় বুধবার সাত সকালে সিবিআই গ্রেফতার করে অনুব্রতকে। তৃণমূল সুপ্রিমোর আশীর্বাদপুষ্ট অনুব্রত গ্রেফতার হওয়ায় হতাশ জেলা নেতৃত্ব। তবে শাসক শিবির যতটা মুষড়ে পড়েছে, ততটাই উৎফুল্ল পদ্ম শিবির। সুকান্ত বলেন, বিজেপি কর্মীরা গুড়, বাতাসা বিলি করবেন। প্রসঙ্গত, গত পঞ্চায়েত ভোটের আগে ঠিক এই কথাটাই বলেছিলেন অনুব্রত। ২০২৩ সালে ফের পঞ্চায়েত নির্বাচন। তার আগে অনুব্রতর গ্রেফতারি বিজেপিকে কতটা মাইলেজ দেবে, তা বলবে সময়। এদিন সে প্রসঙ্গ টেনে সুকান্ত বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনে অক্সিজেন কতটা দেবে, তা সময়ই বলবে। তিনি বলেন, বিজেপি কটা আসন পাবে, সেটা বড় কথা নয়। চোরেদের ধরাটাই বড় কথা।

    আরও পড়ুন : অনুব্রত একজন মাফিয়া, মমতার প্রশ্রয়ে ওর বাড়বাড়ন্ত, বললেন শুভেন্দু

    পাচারকাণ্ডে যে কেবল অনুব্রত একাই নন, তাও জানান বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন, এর সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের নাম ক্রমেই প্রকাশ্যে আসবে। ট্যুইটবার্তায় সুকান্ত বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার গরু পাচারকাণ্ডে চোখ বন্ধ করে রেখেছিলেন। ধীরে ধীরে অপরাধীরা সবাই গ্রেফতার হবে। গ্রিন করিডরের মাধ্যমে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে পাচারের টাকা পৌঁছাত বলেও অভিযোগ সুকান্তর। অনুব্রতর এই গ্রেফতারি তাঁর স্বাস্থ্যোন্নতির কারক হবে বলেও মনে করেন সুকান্ত। বলেন, এতদিন অনুব্রত টেনশনে ছিলেন। এখন তিনি বিশ্রামের সময় পাবেন। ওঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হবে।

    তৃণমূল জমানায় রাজনীতির অপরাধীকরণ হয়েছে বলেও মনে করেন বিজেপি নেতৃত্ব। সুকান্ত বলেন, রাজনীতির অপরাধীকরণ হলে এবং অপরাধীরা দাপাদাপি করলে এই ধরনের ঘটনাই ঘটে। অনুব্রতর মতো লোকজন রাজনীতি থাকলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বপ্ন সব চুরি হয়ে যাবে বলেও মনে করেন তিনি। এদিন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। বলেন, মমতার প্রিয় তত্ত্ব হল ইউজ অ্যান্ড থ্রো। কিষেনজি থেকে শুরু করে সবাই জানে একথা। ব্যবহার করে ছুড়ে ফেলে দাও। তৃণমূল রণে বনে জলে জঙ্গলে এবং অন্তরীক্ষেও সুযোগ পেলে চুরি করবে বলেও মনে করেন সুকান্ত।

     

  • IAF’s Sukhoi: শীঘ্রই আসছে রাশিয়ার প্রতিনিধি দল! সুখোই নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনায় জোর

    IAF’s Sukhoi: শীঘ্রই আসছে রাশিয়ার প্রতিনিধি দল! সুখোই নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনায় জোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান চায় বায়ুসেনা। পুরনো মিগ সিরিজের বিমানগুলিকে বসিয়ে দিয়ে আধুনিক ফাইটার জেট ব্যবহার করতে আগ্রহী ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF)। মেক ইন ইন্ডিয়া (Make in India) প্রকল্পের আওতায় ১১৪টি নতুন যুদ্ধবিমান কিনতে চায় বায়ুসেনা। প্রতিরক্ষামন্ত্রক ও বায়ুসেনার সঙ্গে সুখোই-৩০ ও আরও আধুনিক এবং উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন যুদ্ধবিমান নিয়ে কথা বলতে শীঘ্রই ভারতে আসছে রাশিয়ার একটি প্রতিনিধি দল। প্রতিরক্ষা শিল্প নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনা করা এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নয়া চুক্তির জন্যই দিল্লি আসার কথা ওই দলের।  

    বায়ুসেনা সূত্রে খবর, অতি দ্রুত ১১৪টি যুদ্ধবিমান প্রয়োজন। ভারতের সঙ্গে যুদ্ধবিমান নিয়ে চুক্তি করতে বোয়িং, লকহিড মার্টিনের মতো মার্কিন সংস্থা, রাশিয়ার ইউনাইটেড এয়ারক্র্যাফট এবং সাব-এর মতো সংস্থা আগ্রহী। এই সব সংস্থা এর আগেও মিডিয়াম মাল্টি রোল কমব্যাট এয়ারক্র্যাফটের (এমএমআরসিএ) টেন্ডারে অংশ নিয়েছে। একাধিক সংস্থা ইতিমধ্যেই নানা ‘অফার’ নিয়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এবং বায়ুসেনার সঙ্গে যোগাযোগ করতে শুরু করেছে। রাশিয়া সরকারের সঙ্গেও কয়েক প্রস্ত আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। তবে প্রতিরক্ষামন্ত্রক সূত্রে জানা যাচ্ছে সব প্রস্তাব এবং পরিকল্পনাই খতিয়ে দেখছে সরকার।

    আরও পড়ুন: অজিত ডোভালের আকস্মিক রাশিয়া সফর, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে শান্তির বার্তা?

    এই পরিস্থিতিতে রাশিয়ার প্রতিনিধি দলের ভারতে আসা বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। রাশিয়ার ইউনাইটেড এয়ারক্র্যাফটের এক উচ্চ পদস্থ আধিকারিকের কথায়, তাঁরা ভারতের সঙ্গে নয়া চুক্তি করতে আশাবাদী। তাঁরা Sukhoi-30 MKI ফ্লিটের আপগ্রেডেড রূপ নিয়ে কথা বলতে চায়। এই  প্রস্তাবিত আপগ্রেডেড রূপে আরও ভাল রাডার, শক্তিশালী অস্ত্র প্যাকেজ, একটি নতুন ককপিট সিস্টেম-সহ আরও অনেক কিছু রয়েছে। 

    প্রসঙ্গত, সুখোই গোত্রের সব যুদ্ধবিমানই রাশিয়ায় তৈরি। তার মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী শ্রেণিগুলির অন্যতম হল সুখোই-৩০। ভারতীয় বিমানবাহিনী এই সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমানই ব্যবহার করে। এই ফাইটার জেটে রয়েছে ক্যানার্ড নামে অতিরিক্ত দুটি ডানা। এই ক্যানার্ড যুদ্ধবিমানের গতি ও ভারসাম্য দারুণভাবে চালকের নিয়ন্ত্রণে রাখে। থ্রাস্ট-ভেক্টর কন্ট্রোল নামে একটি বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে সুখোই-৩০ বিমানে। সেই ব্যবস্থা বিমানের অভিমুখ নিয়ন্ত্রণে খুব দক্ষ। থ্রাস্ট-ভেক্টরিং-এর সুবাদে কোনও নির্দিষ্ট লক্ষ্যে এত দ্রুত এগিয়ে যায় সুখোই-৩০ যে তাকে তাড়া করা অপেক্ষাকৃত পুরনো দিনের যুদ্ধবিমানের পক্ষে খুব কঠিন।

  • SSC SCAM & PARTHA: পার্থর ফোনে মিলল ৩০ হাজার মেসেজ, ইডির মতে, মহাসচিব ‘রসিক’ লোক

    SSC SCAM & PARTHA: পার্থর ফোনে মিলল ৩০ হাজার মেসেজ, ইডির মতে, মহাসচিব ‘রসিক’ লোক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ এসএসসি কাণ্ডের তদন্তে নেমে একের পর এক পর্দা ফাঁস হচ্ছে বলে ইডি-সিবিআইয়ের দাবি। নাকতলার বাড়িতে তল্লাশিতে গিয়ে প্রাক্তন শিল্প মন্ত্রীর মোবাইল ফোনটি বাজেয়াপ্ত করেছিল ইডি। সেই ফোনের ভিতরে ঢুকে কার্যত বহু রহস্য কিনারার সূত্র মিলেছে। পার্থবাবুর ফোন থেকে প্রায় ৩০ হাজার মেসেজ পাওয়া গিয়েছে। সেই সূত্রেই শিক্ষা দফতরের কেলেঙ্কারির একাধিক নতুন দিক পাওয়া যাচ্ছে। যদিও সিবিআই-ইডিকে কলকাতা হাইকোর্ট শুধুমাত্র নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তভার দিয়েছে। ফলে শিক্ষা দফতরের বাকি বিষয় তদন্তকারীরা আপাতত দূরে সরিয়ে রাখছেন। তবে বাহারি মেসেজ দেখে তাঁরা মানছেন, পার্থবাবু একজন রসিক ব্যক্তি।

    ইডি-সিবিআইয়ের তদন্তকারীদের দাবি, পার্থবাবুর ফোন থেকে উদ্ধার হওয়া প্রতিটি মেসেজ পরীক্ষা ও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। তাতে প্রাথমিকভাবে বোঝা যাচ্ছে,যতবারই শিক্ষা দফতরে নিয়োগ হয়েছে পার্থবাবুর কাছে দলের বিধায়ক, সাংসদ, নেতাদের ভূরি ভূরি সুপারিশ জমা পড়ত। একশোর বেশি বিধায়কের সুপারিশ তালিকা প্রাক্তন শিক্ষা মন্ত্রীর ফোনে রয়েছে। ইডি সেগুলি মিলিয়ে দেখবে কোন কোন নেতার কতগুলি সুপারিশ মেনে চাকরি দেওয়া হয়েছে। চাকরি প্রাপকেরার সত্যিই পরীক্ষা দিয়ে নিজেদের যোগ্যতায় চাকরি পেয়েছে, নাকি টাকার বিনিময়ে চাকরি মিলেছে তাদের। সেই কারণেই প্রাথমিকে নিয়োগ পাওয়া সমস্ত শিক্ষকের নথি সিবিআইয়ের কাছে জমা করেছে স্কুল শিক্ষা দফতর। তদন্তকারীদের দাবি, শুধুমাত্র দলীয় বিধায়ক-সাংসদ নয় বেশ কয়েকজন বিরোধী দলের নেতার সুপারিশের মেসেজও মিলেছে। প্রয়োজনে তাঁদেরও ডাকা হতে পারে।

    ‘টাকা মাটি মাটি টাকা’! সেলে পার্থর হাতে কথামৃত! ফিরবে চৈতন্য?

    নিয়োগ দুর্নীতি ছাড়াও ৩০ হাজার মেসেজের পাহাড় থেকে তৃণমূল সরকারের প্রায় প্রতিটি দফতরের নানা অনিয়মের ইঙ্গিতও মিলেছে। দলের মহাসচিব থাকাকালীন বিভিন্ন দফতরের নানাবিধ তথ্যও তাঁর কাছে আসত। সে সব দেখেও অবাক তদন্ততকারীরা। তবে কলকাতা হাইকোর্ট সিবিআইয়ের হাতে কেবলমাত্র নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তাদেশ দিয়েছে। ফলে শুধুমাত্র সে বিষয়েই নিজেদের আপাতত সীমাবদ্ধ রাখছেন তদন্তকারীরা।

    তাঁদের একাংশ জানাচ্ছেন, ফরেনসিক পরীক্ষার পর উদ্ধার হওয়া বার্তাগুলির বিশ্লেষণ বেশ বড় কাজ। প্রতিটি বার্তার কোডিং করতে হবে। জানা যাচ্ছে, ইডি হেফাজতে তদন্তে বিশেষ সহযোগিতা করেননি পার্থবাবু। এই অসহযোগিতায় এসএসসি তদন্তে তাঁর বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হতে পারে। কারণ তথ্য-নথি তদন্তকারীদের হাতে যে ভাবে প্রতিদিনই এসে পৌঁছচ্ছে তাতে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ শুধু সময়ের অপেক্ষা বলে জানাচ্ছেন তাঁরা।

    এসএসসি দুর্নীতি মামলায় শান্তিপ্রসাদ সিন্‌হা ও অশোক সাহাকে গ্রেফতার সিবিআইয়ের

    পার্থবাবুর ফোনের মেসেজের বিশ্লেষণ করে তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, মহাসচিব একজন রসিক মানুষ। তা হলে কি অর্পিতার মতো আরও কয়েকজন পরিচিতাকে নিয়ে যে সব তথ্য সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, সে দিকেই ইঙ্গিত করছেন তদন্তকারীরা। মুচকি হাসা ছাড়া কোনও জবাব নেই তাঁদের মুখে।   

      

LinkedIn
Share