Blog

  • Commonwealth Games: এলেন, দেখলেন, জয় করলেন! জানুন কমনওেলথে সোনার মেয়ে চানুর পরবর্তী লক্ষ্য

    Commonwealth Games: এলেন, দেখলেন, জয় করলেন! জানুন কমনওেলথে সোনার মেয়ে চানুর পরবর্তী লক্ষ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একেবারে হেলায়, প্রতিদ্বন্দ্বীদের অনেক পেছনে ফেলে নিজের রেকর্ড ভেঙে কমনওয়েলথ গেমসে (Commonwealth Games) নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করলেন মীরাবাই চানু (Saikhom Mirabai Chanu)। ভারতকে গেমসের প্রথম স্বর্ণপদক (Gold) এনে দেওয়ার পর নিজের পরবর্তী লক্ষ্য ঠিক করে ফেলেছেন চানু। এই বছরের শেষে বিশ্ব ভারোত্তোলন চ্যাম্পিয়নশিপ রয়েছে। কলোম্বিয়াতে হবে সেই প্রতিযোগিতা। চানু বলেন, ‘‘বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপে পদক জয়‌ আমার টার্গেট।‌ সেই মঞ্চে পদক জিতে দেশকে আরও একবার গর্বিত করতে চাই। কমনওয়েলথ গেমসে সোনার ফলে বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপের (World Championships) মঞ্চে আরও প্রত্যয়ী হয়ে নামতে পারব। ক্লিন এন্ড জার্কে বিশ্ব রেকর্ড করার চেষ্টা করব।’’

    [tw]


    [/tw]

    সোনা জেতার পর আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন মীরাবাই চানু। নিজের সোনার পদক উৎসর্গ করেন কোচ এবং পরিবারকে। জয়ের পর উচ্ছ্বসিত ভারতের প্রতিযোগী বলেন, “ভীষণ আনন্দ হচ্ছে। দেশকে সোনা দিতে পেরেছি। রেকর্ড গড়তে পেরেছি। এর থেকে বেশি খুশি বোধহয় কিছুই হতে পারে না।” সোনার পদকজয়ী বললেন, “অলিম্পিক্সের পর আমার কেরিয়ারে সবচেয়ে বড় প্রতিযোগিতা কমনওয়েলথ গেমস। জানতাম এখানে আমার প্রতিদ্বন্দ্বী আমি নিজেই। সেরাটা দেব ভেবেছিলাম, সেটাই দিয়েছি।” স্ন্যাচিংয়ে ৯০ কিলো প্রায় তুলে ফেলেছিলেন। একটুর জন্য সেই ভার ধরে রাখতে না পারায় বাতিল হয়ে যায়। তা নিয়ে আক্ষেপ নেই চানুর। তিনি বলেন, “অল্পের জন্য মিস করেছি ৯০ কিলো। একটু আত্মবিশ্বাস প্রয়োজন। পরের বার ঠিক পারব।”

    আরও পড়ুন: কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের প্রথম সোনা জিতলেন মীরাবাই চানু, ভাঙলেন নিজেরই রেকর্ড!

    ২০১৪ সালের গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসে রুপো, ২০১৭ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা, ২০১৮ সালের গোল্ড কোস্ট কমনওয়েলথ গেমসে সোনা, ২০২০ সালের (করোনার কারণে অনুষ্ঠিত হয় ২০২১ সালে) টোকিও অলিম্পিক্সে রুপো, ২০২২ সালের এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন চানু। এবার ২০২২ সালের কমনওয়েলথ গেমসে রেকর্ড গড়ে সোনা জিতলেন।

    আরও পড়ুন: জমজমাট রবিবার! কমনওয়েলথ ক্রিকেটের আসরে আজ ভারতের সামনে পাকিস্তান

    কোমরের চোটে একসময় কেরিয়ারই শেষ হয়ে যেতে বসেছিল চানুর। মানসিক ভাবেও তিনি প্রচণ্ড ভেঙে পড়েছিলেন। কিন্তু ফিরতে পারবেন সেই আত্মবিশ্বাস ছিল। সেটাই তাঁকে একের পর এক প্রতিযোগিতায় পদক জেতাচ্ছে। চানু বলেন, “দেশকে এ বারের প্রতিযোগিতায় প্রথম সোনাটা আমিই দিলাম। এটা বড় করে উদ্‌যাপন করব। বাকি প্রতিযোগীদেরও বলব দেশকে পদক এনে দাও। সোনা না পেলেও যে কোনও পদক এনে দাও। সবাই মিলে উৎসব করব।”

  • Commonwealth Games: অর্থের জন্য খেলা ছেড়েছিলেন দাদা! জানুন কী বললেন কমনওয়েলথে বাংলার সোনার ছেলে অচিন্ত্য

    Commonwealth Games: অর্থের জন্য খেলা ছেড়েছিলেন দাদা! জানুন কী বললেন কমনওয়েলথে বাংলার সোনার ছেলে অচিন্ত্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাবা ছিলেন ভ্যানচালক। মা জরির কাজ করে সংসার চালান। একেবারেই নিম্ন-মধ্যবিত্ত সংসার। সেখান থেকে কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জয়। কঠিন পথে স্বপ্নপূরণ পাঁচলার ছেলে অচিন্ত্য শিউলির। রবিবার মধ্যরাতে (ভারতীয় সময় অনুসারে) পাঁচলার দেউলপুরের শিউলি পরিবারে তখন উৎসবের আমেজ। ঘরের ছেলে সোনা জিতেছে যে! ২০ বছর বয়সি অচিন্ত্য শিউলি পুরুষদের ৭৩ কিলোগ্রাম ভারোত্তলন বিভাগে সোনার পদক জয় করলেন। অচিন্ত্য স্ন্যাচ বিভাগে ১৪৩ কেজি ওজন তুলেছেন। পাশাপাশি ক্লিন অ্যান্ড জার্ক বিভাগে তিনি ১৭০ কিলোগ্রাম ওজন তুলে দেশের হয়ে এক নয়া ইতিহাস কায়েম করলেন। মোট ৩১৩ কেজি ওজন তুলে দেশকে সোনা এনে দিলেন অচিন্ত্য।

    এখন হাওড়ার অচিন্ত্যকে চেনে গোটা দেশ। কিন্তু লড়াইটা সহজ ছিল না। সোনা জয়ের পর জানালেন অচিন্ত্য। বললেন, “বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে দাদাই আমার জন্য সবকিছু করেছে। আর তাই এই পুরস্কার আমি আমার দাদা এবং কোচকে উৎসর্গ করতে চাই। দাদা নিজে ওয়েট লিফটিং করত। কিন্তু আমার দিকে তাকিয়ে ও ছেড়ে দিয়েছে।”

    আরও পড়ুন: কমনওয়েলথ গেমসে রেকর্ড গড়ে সোনা জিতলেন বাংলার অচিন্ত্য, মণিপুরের জেরেমি

    অচিন্ত্যর বাবা পেশায় ছিলেন ভ্যানচালক।  ৯ বছর আগে মারা যান বাবা। তারপর থেকেই টানাটানির সংসার। জরির কাজ করে সংসার চালান মা। ২০১১ সালে দাদা অলোকের হাত ধরেই অষ্টম দাসের কাছে ভারোত্তলন প্রশিক্ষণ নিতে যান অচিন্ত্য। ২০১৩ সালে দুইভাই একসঙ্গে ন্যাশানাল ভারোত্তলক প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। এরপর ভাইকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য খেলা ছেড়ে দেন দাদা। মা ও দাদা মিলে টানতে থাকেন সংসার। সঙ্গে ভাইয়ের খেলার খরচ। তাই পুরস্কার জিতে তা দাদাকেই উৎসর্গ করলেন অচিন্ত্য।

    সোনা জিতলেও, পুরস্কার গ্রহণ করতে এসে খানিকটা হতাশই দেখাল পাঁচলার এই ওয়েট লিফটারকে! কিন্তু কেন? প্রশ্নের জবাবে তিনি জানালেন, “এই লড়াইটা ছিল আমার নিজের সঙ্গে। সোনা জিততে আমি আসিনি। এসেছিলাম নিজের রেকর্ডটা টপকে যেতে। চেষ্টাও করেছিলাম। কিন্তু, শেষপর্যন্ত সেটা আর করতে পারলাম না। তাই খানিকটা খারাপই লাগছে।”

     

  • Japan: তীব্র গরম থেকে পোষ্যকে বাঁচাতে অভিনব পোশাক নিয়ে হাজির জাপানের এক সংস্থা 

    Japan: তীব্র গরম থেকে পোষ্যকে বাঁচাতে অভিনব পোশাক নিয়ে হাজির জাপানের এক সংস্থা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র গরমের হাত থেকে প্রিয় পোষ্যকে (Pet) খানিকটা স্বস্তি দিতে অভিনব উদ্যোগ নিল জাপানের (Japan) পোশাক প্রস্তুতকারী সংস্থা। অবলা প্রাণীদের জন্যে ছোট ছোট ফ্যানযুক্ত পোশাক (Wearable Fans) তৈরি করল তারা। 

    পোশাক প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলির অনুমান, পশুপ্রেমীরা নিজেদের প্রিয় পোষ্যকে তীব্র গরমের হাত থেকে বাঁচাতে এই বিশেষ পোশাকগুলি কিনতে ঝাঁপিয়ে পড়বেন। 

    আরও পড়ুন: মার্কিন ড্রোন হামলায় খতম আল-কায়দা প্রধান আয়মান আল-জাওয়াহিরি

    পোষ্যদের জন্য বিশেষ ভাবে তৈরি এ পোশাকে ৮০ গ্রাম ওজনের ব্যাটারি চালিত একটি ফ্যান যুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। তীব্র গরমে ওই ফ্যানের বাতাসই কুকুর বিড়ালকে শীতল রাখবে। 

    প্রসূতি মায়েদের পোশাক প্রস্তুতকারী সংস্থা ‘সুইট মামি’-র প্রেসিডেন্ট রেই উজাওয়া জানিয়েছেন, গ্রীষ্মের তীব্র গরমে বাইরে হাঁটার সময় তাঁর পোষ্য চিহুয়াহুয়াকে ক্লান্ত অবস্থায় দেখে তিনি এ ধরনের পোশাক তৈরি করার কথা ভেবেছেন।    

    তিনি আরও বলেন, “এ বছর বর্ষাকাল বলতে গেলে প্রায় ছিলই না। তাই গ্রীষ্মের গরম আরও তাড়াতাড়ি এসেছে। তাই আমি মনে করি আমরা এমন একটি পণ্য তৈরি করেছি যা এখনকার জন্য একেবারেই সময়োপযোগী।” 

    আরও পড়ুন: ‘বিশ্বের সবচেয়ে দামি’ বাড়িতে থাকেন সৌদি যুবরাজ! এর দাম জানেন?

    জুনের শেষের দিকে টোকিওতে বর্ষাকাল শেষ হওয়ার পর, রেকর্ড গরম অনুভূত হয়েছে। সেখানে টানা ন দিন তাপমাত্রা ছিল ৩৫ ডিগ্রি সেলসিসয়াসের ওপরে। 

     

    মামি কুমামোটো নামে ৪৮ বছর বয়সী এক পশুপ্রেমি বলেছেন, “তীব্র গরমে আমার কুকুরের শরীর ঠান্ডা রাখতে আমি সাধারণত শুকনো আইস প্যাক ব্যবহার করি। আমি মনে করি, এ ধরণের পাখাযুক্ত পোশাক থাকলে, আমার কুকুরের হাঁটা- চলা আরও সহজ হবে।” 

    জুলাইয়ের শুরুতে ফ্যানযুক্ত এ বিশেষ পোশাক বাজারে আসার পর এখন পর্যন্ত জন্য প্রায় ১০০টি অর্ডার পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন উজাওয়া। বাজারে পাঁচটি ভিন্ন সাইজে পাওয়া যাচ্ছে এই পোশাক। আর এর দাম ধার্য করা হয়েছে ৯,৯০০ ইয়েন  বা ৭৫ মার্কিন ডলার। 

  • Earth Rotation: ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে নিজের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ পৃথিবীর, ভাঙল সবচেয়ে ছোট দিনের রেকর্ড

    Earth Rotation: ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে নিজের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ পৃথিবীর, ভাঙল সবচেয়ে ছোট দিনের রেকর্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি ২৪ ঘণ্টার থেকে কম সময়ে নিজের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ (Rotation) করেছে পৃথিবী (Earth)। ৫০ বছরে এটাই আপাতত সব থেকে ছোট দিনের (Shortest Day) রেকর্ড। এক দিন সম্পন্ন হতে ২৪ ঘণ্টার থেকে ১.৫৯ মিলি সেকেন্ড কম সময় লেগেছে। 

    বিজ্ঞানীদের মতে সম্প্রতি নিজের গতি বাড়িয়েছে পৃথিবী। ১৯৬০ সালের পরে ২০২০ সালের ১৯ জুলাই ছিল পৃথিবীর সব থেকে ছোট দিন। সেই দিন পৃথিবীর নিজের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ করতে ২৪ ঘণ্টার থেকে ১.৪৭ মিলি সেকেন্ড কম সময় লেগেছিল। 

    আরও পড়ুন: প্রশান্ত ও ভারত মহাসাগরে আছড়ে পড়ল চিনা রকেটের ধ্বংসাবশেষ! ভাইরাল ভিডিও

    পৃথিবীর গতি বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়ার কারণ এখনও বিজ্ঞানীদের অজানা। বিজ্ঞানীদের অনুমান, পৃথিবীর এই ভিন্ন ঘূর্ণন গতি হতে পারে অভ্যন্তরীণ কারণে, আবার হতে পারে বাইরের স্তরের কারণেও। আবার মহাসাগরের জোয়ার-ভাটা কিংবা জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেও এমন ঘটনা ঘটতে পারে। গবেষকরা বলেন, পৃথিবীর উপরিভাগ চ্যান্ডলার ওয়াবল নামে পরিচিত। ওই জায়গা থেকেই গতি পেতে শুরু করে পৃথিবী। সেখানকার কোনও কারণেও গতি কম বা বেশি হতে পারে। 

    মহাকাশ বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ২৯ জুলাই পৃথিবী ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে নিজের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ করেছে। আর একইসঙ্গে ভেঙে দিয়েছে সবথেকে ছোটো দিনের আগের সব রেকর্ড। 
     
    পৃথিবী অবিরত সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে চলেছে। তারই জেরে হচ্ছে দিন-রাত। পুরো একটা দিন অর্থাৎ পৃথিবী নিজের কক্ষপথে একবার ঘুরে আসতে ২৪ ঘণ্টা সময় লাগে। তাই আমরা ২৪ ঘণ্টাকে এক দিন বুঝি।

    আরও পড়ুন: ২০২৩ সালেই মহাকাশে পাড়ি দেবে ইসরোর ‘গগনযান’, ঘোষণা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    পৃথিবীর প্রদক্ষিণের গতি যখন এমন বেড়ে যায়, তখন পরের বছরও তা সাধারণত বর্ধিত হারে ঘুরতে থাকে। কিন্তু ২০২১ সালে পৃথিবীর গতি কোনও রেকর্ড ভাঙতে পারেনি। কিন্তু কেন এমনটা হয়? পৃথিবীর ঘূর্ণনের ভিন্ন গতির কারণ এখনও অজানা।  

    পৃথিবী যদি ক্রমবর্ধমানে হারে ঘুরতে ঘুরতে লিপ সেকেন্ডের প্রবর্তন করে, তবে পারমানবিক ঘড়ির পরিমাপের সঙ্গে সমাঞ্জস্য রেখে চলবে। তা হলে লিপ সেকেন্ড স্মার্টফোন, কম্পিউটার ও যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে। এই লিপ সেকেন্ড ভালোর থেকে বেশি ক্ষতি করতে পারে বলেই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। এটি টাইমারের সফটওয়ারের উপর বিধ্বংসী প্রভাব ফেলবে। এর ফলে একটি নেতিবাচক লিপ সেকেন্ড যোগ করতে হতে পার। যাকে বলে ড্রপ সেকেন্ড। 

  • World Lung Cancer Day 2022: জানেন কি, কয়েকটি সহজ পদ্ধতি মেনেই আপনি হারাতে পারেন ফুসফুসের ক্যান্সারকে?

    World Lung Cancer Day 2022: জানেন কি, কয়েকটি সহজ পদ্ধতি মেনেই আপনি হারাতে পারেন ফুসফুসের ক্যান্সারকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমাদের শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ হচ্ছে ফুসফুস। আর শ্বাস নিতে কাজ করে এমন গুরুত্বপূর্ণ এই অঙ্গটির সবচেয়ে ভয়াবহ সংক্রমণ হচ্ছে ক্যান্সার। বর্তমান বিশ্বে ফুসফুসের ক্যান্সার (Lung Cancer) সবচেয়ে বেশি মারাত্মক হয়ে উঠেছে বলে দাবি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার। হু- এর দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী মোট ক্যান্সার রোগীর মৃত্যুর মধ্যে ২৫%-ই ফুসফুসে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারান। আজ ১ অগাস্ট, বিশ্ব ফুসফুসে ক্যান্সার দিবস (World Lung Cancer Day 2022)। 

    আরও পড়ুন: কী করলে নিয়ন্ত্রণে থাকবে কোলেস্টেরল? জেনে নিন

    আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা ফুসফুসে ক্যান্সারের লক্ষণগুলো না বুঝেই অবহেলা করেন। আবার ফুসফুসের ক্যান্সার উপসর্গ সবসময় প্রাথমিক পর্যায়ে দেখা নাও দিতে পারে। কিন্তু ফুসফুসের ক্যান্সার যত তাড়াতাড়ি আপনি বুঝতে পারবেন, এটির চিকিৎসাও তত তাড়াতাড়ি করা সহজ হবে। 

    আজ জেনে নিন এই ফুসুফুসে ক্যান্সার সংক্রান্ত কিছু তথ্য

    ফুসফুসে ক্যান্সার কত রকম?

    ফুসফুসে ক্যান্সার মূলত দুধরণের হয়। স্মল সেল ক্যান্সার এবং নন-স্মল সেল ক্যান্সার।

    নন- স্মল সেল ক্যান্সারেরও আবার কিছু ভাগ রয়েছে। অ্যাডিনোকারসিনোমাস, স্কুয়ামাস সেল কারসিনোমাস এবং লার্জ সেল কারসিনোমাস। 

    আরও পড়ুন: ত্বক ও চুল ভালো রাখতে চান? আজ থেকেই ব্যবহার করুন ডাবের জল

    ফুসফুসে ক্যান্সারের উপসর্গগুলি কী কী?

    ফুসফুসে ক্যান্সারে বুক এবং পাঁজরে ব্যাথা হয়।

    কাশি, কাশির সঙ্গে রক্তের মত লক্ষণও দেখা দিতে পারে।

    দুর্বল লাগতে পারে, খাবার ইচ্ছে চলে যায়।

    শ্বাসকষ্টের মত সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    ওজন কমা, গলায় অস্বস্থি, গলা ফোলা, দুর্বল হওয়ার মত লক্ষণ দেখা দিতে পারে। 

    চিকিৎসা 

    ক্যান্সার কোন স্টেজে রয়েছে তার ওপর চিকিৎসা নির্ভর করে। ফুসফুসে ক্যান্সারের ক্ষেত্রে চার রকমের চিকিৎসা হতে পারে। সার্জারি, কেমো থেরাপি, টার্গেটেড থেরাপি, রেডিয়েশন থেরাপি। চিকিৎসকই ঠিক করেন, কোন রোগীর কোন চিকিৎসা প্রয়োজন।

    কী কী করলে ফুসফুসে ক্যান্সার থেকে দূরে থাকতে পারবেন? 

    ধুমপান ছাড়ুন।

    প্যাসিভ স্মোকিং থেকেও বিরত থাকুন।

    স্বাস্থ্যকর খাবার খান।

    রোজ ব্যায়াম করুন।

    টক্সিক কেমিক্যাল থেকে দূরে থাকুন। 

     

     

     

  • Mamata Banerjee: বুধবার মন্ত্রিসভায় রদবদল, ঘোষণা মমতার, কে বাদ যাবেন, কে ঠাঁই পাবেন?

    Mamata Banerjee: বুধবার মন্ত্রিসভায় রদবদল, ঘোষণা মমতার, কে বাদ যাবেন, কে ঠাঁই পাবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রত্যাশিত ছিলই। বিশেষ করে, এসএসসি কাণ্ডে (SSC scam) ইডি-র (ED) হাতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই জোর জল্পনা ছিল। এবার আর কোনও জল্পনা নয়। মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের মুখে জানিয়ে দিলেন, আগামী বুধবার রাজ্য মন্ত্রিসভায় রদবদল (Bengal Cabinet Reshuffle) হতে চলেছে। 

    এদিন নবান্নে (Nabanna) সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ওইদিন বিকেল চারটে নাগাদ মন্ত্রিসভায় রদবদলের ঘোষণা করা হবে। তিনি বলেছেন, “কামরাজ মডেলে মন্ত্রিসভা ভাঙার কোনও পরিকল্পনা আমাদের নেই। সুব্রত মুখোপাধ্যায়, সাধন পাণ্ডের প্রয়াণে মন্ত্রিসভার রদবদল হবে।” একইসঙ্গে তিনি জানিয়ে রাখলেন, দায়িত্বে আসছেন ৫-৬ জন নতুন মুখ। বাদ যাবেন ৪-৫ জন।

    প্রসঙ্গত, দুই বর্ষীয়ান মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে এবং সুব্রত মুখোপাধ্যায় মারা গিয়েছেন। পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করেছে ইডি। তার পরেই মন্ত্রী পদ থেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে সরিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরেই একটা ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল যে মন্ত্রিসভায় রদবদল করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। আজ মন্ত্রিসভার বৈঠক ছিল। ফলে, জল্পনা ছিল হয়তো আজই হয়ত রদবদলের কোনও ঘোষণা হবে। এদিন সেরকম কোনও ঘোষণা না হলেও রদবদলের কথা নিজেই জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। 

    আরও পড়ুন: টাকা আমার নয়, আমার নয়, আমার নয়, তিন সত্যি পার্থর!

    ঠিক কী বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী?

    এদিন মমতা বলেন, ‘সুব্রতদা মারা গিয়েছেন। সাধন পান্ডে মারা গিয়েছেন। পার্থদা জেলে রয়েছেন। এদের কাজগুলো কে করবে। কাউকে না কাউকে তো কাজগুলি করতে হবে। অনেকগুলি দফতর ফাঁকা পড়ে রয়েছে। আমার পক্ষে একা সবটা নিজের ঘাড়ে রাখা সম্ভব নয়।’ তিনি বলেন, ‘পরশুদিন আমরা একটা ছোট্ট রদবদল করব। বিকেল চারটে।’

    এদিকে, একাধিক জেলায় দলের জেলা সভাপতি বদল করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। বারাসাত সাংগঠনিক জেলার সভানেত্রী হলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। বনগাঁয় গোপাল শেঠকে সরিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হল বিশ্বজিৎ দাসকে। শ্রীরামপুরে স্নেহাশিস চক্রবর্তীকে সরিয়ে জেলা সভাপতি করা হল অরিন্দম গুঁইকে। ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি পদ থেকে সরানো হল পার্থ ভৌমিককে। নতুন সভাপতির নাম পরে জানানো হবে।

    আরও পড়ুন: গাড়ি ভর্তি টাকা! হাওড়ায় আটক ঝাড়খণ্ডের তিন বিধায়ক, ১০ দিনের পুলিশ হেফাজত 

    এছাড়া, কোচবিহারে জেলা সভাপতি পদ থেকে সরানো হল পার্থপ্রতিম রায়কে। পার্থপ্রতিমের বদলে নতুন জেলা সভাপতি হলেন অভিজিৎ দে ভৌমিক। দক্ষিণ দিনাজপুরের নতুন জেলা সভাপতি হলেন মৃণাল সরকার। দক্ষিণ দিনাজপুরের তৃণমূল জেলা সভাপতি ছিলেন উজ্জ্বল দে বসাক। 

  • ED: ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় ইয়ং ইন্ডিয়ার অফিস সিল করল ইডি 

    ED: ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় ইয়ং ইন্ডিয়ার অফিস সিল করল ইডি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় (National Herald Case) আরও সক্রিয় হল ইডি (ED)। সিল করে দেওয়া হল ইয়ং ইন্ডিয়ার (Young India) অফিস। বুধবার বিকেল থেকে কংগ্রেসের (Congress) সদর দফতর ২৪ আকবর রোড এবং ১০ নম্বর জনপথে সোনিয়া গান্ধীর (Sonia Gandhi) বাড়ির সামনেও মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল বাহিনী।

    বুধবার বিকেলে ইডি আধিকারিকরা ন্যাশনাল হেরাল্ড অফিসে যান। তার পরেই খবর ছড়িয়ে পড়ে বেআইনি অর্থ তছরুপের অভিযোগে ন্যাশনাল হেরাল্ডের পুরো অফিসটাই সিল করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। পরে ইডির তরফে জানানো হয়, ন্যাশনাল হেরাল্ডের পুরো দফতর সিল করা হয়নি। ওই বিল্ডিংয়ে ইয়ং ইন্ডিয়ার যে দফতর ছিল সেটা সাময়িকভাবে সিল করা হয়েছে। গত দুদিন ধরে তল্লাশির সময় ইয়ং ইন্ডিয়ার দফতরে সংস্থার পদস্থ কর্তাদের কাউকে পাওয়া যায়নি। সেই কারণেই চালানো হয়নি তল্লাশিও। তাই সিল করা হয়েছে অফিস। ইডি সূত্রে খবর, ইয়ং ইন্ডিয়ার আধিকারিক মল্লিকার্জুন খাড়গেকে তলব করা হয়েছে। তিনি এসে গেলেই তল্লাশি চালানো হবে এবং খুলে দেওয়া হবে সিল। ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি পক্ষ হল ইয়ং ইন্ডিয়া। ইডির অভিযোগ, এই ইয়ং ইন্ডিয়ার মাধ্যমেই বেআইনিভাবে ন্যাশনাল হেরাল্ডের সম্পত্তি দখল করেছেন রাহুল গান্ধী, সোনিয়া গান্ধীরা। এই সংস্থার বেশিরভাগের অংশীদার রাহুল।

    আরও পড়ুন : ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় ১২ জায়গায় হানা ইডি-র

    এদিকে, অফিস সিল করে দেওয়ার পর ইয়ং ইন্ডিয়ার অফিসের বাইরে লটকে দেওয়া হয় একটি নোটিশ। তাতে লেখা ইডির আগাম অনুমতি ছাড়া এটা খোলা যাবে না। ইডির এক আধিকারিক বলেন, কেবলমাত্র ইয়ং ইন্ডিয়ার অফিস সিল করা হয়েছে। হেরাল্ড হাউসের বাকি অফিসগুলিতে কাজ হবে আগের মতোই। এদিন কেবল ইয়ং ইন্ডিয়ার অফিস সিল করা হয়নি, কংগ্রেসের সদর দফতর ও সোনিয়া গান্ধীর বাড়িতেও মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল বাহিনী। ঘটনার প্রেক্ষিতে বৈঠকে বসেন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। পরে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জয়রাম রমেশ এক ট্যুইটবার্তায় বলেন, দিল্লি পুলিশ এআইসিসির সদর দফতরের পথ রুদ্ধ করেছে। এটা একটা ব্যতিক্রমী ব্যাপার। তারা কেন এটা করেছে, তা রহস্যজনক।

    আরও পড়ুন : সোনিয়া, রাহুলকে সমন ইডি-র! ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় বিপাকে কংগ্রেস

  • Al-Qaeda: মার্কিন হামলায় নিহত আল-কায়দা প্রধান আল-জাওয়াহিরি, এবার নেতৃত্বে কে? জানুন 

    Al-Qaeda: মার্কিন হামলায় নিহত আল-কায়দা প্রধান আল-জাওয়াহিরি, এবার নেতৃত্বে কে? জানুন 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানে (Afghanistan) মার্কিন ড্রোন হামলায় (US Drone strike) নিহত হয়েছেন আল-কায়দা (Al-Qaeda) প্রধান আয়মান আল-জাওয়াহিরি (Ayman Al-Zawahiri)। এমনটাই দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (US President Joe Biden)। হোয়াইট হাউস সূত্রে খবর, শনিবার বিকেলে আমেরিকার ড্রোন হামলায় আল-কায়দা প্রধানের মৃত্যু হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, ‘ন্যায়বিচার মিলল, এই জঙ্গি নেতা আর বেঁচে নেই।’

    আরও পড়ুন: চিকিৎসক থেকে জঙ্গি ! জেনে নিন আল-কায়দা প্রধান আয়মান আল-জাওয়াহিরির ইতিহাস 

    টেলিভিশনে ভাষণ দিতে গিয়ে জো বাইডেন (Joe Biden) দাবি করেছেন, কাবুলে মার্কিন ড্রোন হানায় মৃত্যু হয়েছে ৭১ বছর বয়সি আল কায়দা প্রধানের৷ তবে এই অপারেশনে কোনও সাধারণ মানুষের প্রাণহানি ঘটেনি৷ মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেছেন, বিশ্বের সবথেকে কুখ্যাত এই সন্ত্রাসবাদী প্রাণ হারানোয় ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে (WTC) বিমান হানায় প্রাণ হারানো তিন হাজার মানুষের পরিবার ন্যায়বিচার পেল৷ পরে, ট্যুইটারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন লিখেছেন, ‘শনিবার, আমার নির্দেশে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফলভাবে আফগানিস্তানের কাবুলে (Kabul) ড্রোন হামলা চালায়। এই হামলায় আল-কায়দার আমির (প্রধান), আয়মান আল-জাওয়াহিরি নিহত হয়েছেন। যথার্থ বিচার হয়েছে।’  

    আয়মান আল-জাওয়াহিরির মৃত্যুর পর ব্যাপক নেতৃত্ব সংকটে আল-কায়দা। মধ্য প্রাচ্যের একটি সংস্থার মতে সাইফ আল-আদেল (Saif al-Adel) নিতে চলেছেন এই জঙ্গি সংগঠনের দায়িত্ব। 

    কে এই সাইফ আল-আদেল?

    ১৯৮০ সালে এই সাইফ আল-আদেল মাক্তাব আল-খিদমাত নামের চরমপন্থী সংগঠনে যোগদান করেন। ইজিপশিয়ান ইসলামিক জিহাদের সময় সাইফের পরিচয় হয় লাদেন এবং আল-জাওয়াহিরির সঙ্গে। তারপর থেকেই আল-কায়দার সঙ্গে যুক্ত তিনি। ১৯৮০ সালে রুশ সেনার বিরুদ্ধে আফগানিস্তানে যুদ্ধও করেন এই কুখ্যাত জঙ্গি। এমনটাই দাবি মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার।

    আরও পড়ুন: মার্কিন ড্রোন হামলায় খতম আল-কায়দা প্রধান আয়মান আল-জাওয়াহিরি    

    ওসামা বিন লাদেনের দেহরক্ষীদের প্রধান ছিলেন এই সাইফ। ২০০১ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তালিকায় রয়েছে তাঁর নাম। তাঁর মাথার দাম ১ কোটি মার্কিন ডলার রেখেছে আমেরিকা। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলির মতে, বহু মার্কিন নাগরিক খুন, নাশকতা, আমেরিকার সম্পত্তি নষ্টের মতো ঘটনায় মূল চক্রী ছিলেন এই জঙ্গি। ১৯৯৩ সাল থেকে মার্কিন সেনা খুঁজছে এই কুখ্যাত জঙ্গিকে। ‘ব্ল্যাক হক ডাউন’ নাশকতার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন এই জঙ্গি। এই হামলায় ১৮ জন মার্কিন নাগরিক প্রাণ হারান। তখন সাইফের বয়স ছিল ৩০ বছর। যদিও মধ্য প্রাচ্যের ওই সংস্থা এও দাবি করেছে যে, ইরানের উপস্থিতিতে সাইফকে আল-কায়দার প্রধানের পদ দেওয়া খুব একটা সহজ হবে না। 

     

     

  • Partha Chatterjee: ১৪ দিন শ্রীঘরে! পার্থ-অর্পিতাকে জেল হেফাজতের নির্দেশ ব্যাঙ্কশাল কোর্টের

    Partha Chatterjee: ১৪ দিন শ্রীঘরে! পার্থ-অর্পিতাকে জেল হেফাজতের নির্দেশ ব্যাঙ্কশাল কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি কাণ্ডে (SSC Scam) এবার পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে (Arpita Mukherjee) জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল ব্যাঙ্কশাল কোর্ট (Bankshall court)। খারিজ করা হল তাঁর জামিনের আবেদন। অর্পিতা মুখোপাধ্যায় জামিনের আবেদন জানাননি। তাঁকেও ১৪ দিনের জন্য জেল হেফাজতে (Partha Arpita 14 day judicial custody) পাঠানো হল। 

    আজই ২ দিনের ইডি (ED) হেফাজত  শেষ হয়েছিল। যে কারণে, এসএসসি কাণ্ডে ইডি-র হাতে ধৃত প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে পেশ করা হয় বিশেষ আদালতে। সেখানে ধৃতদের জেল হেফাজতের জন্য আবেদন করা হয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে।

    শুনানিতে তদন্তকারী সংস্থার তরফে দাবি করা হয়, জেরায় অর্পিতা সহযোগিতা করলেও, একেবারেই তা করছেন না পার্থ। ইডি সূত্রে দাবি, তথ্যপ্রমাণের সঙ্গে মিলছে না পার্থর বয়ান। জেরায় তথ্য গোপনের চেষ্টা করছেন প্রাক্তন মন্ত্রী। আদালতে এই বিষয়টি জানানো হয়, দাবি ইডি সূত্রে।

    আরও পড়ুন: ঘনিষ্ঠতা! তিনি ভালোভাবে চেনেনই না অর্পিতাকে, পার্থর কথা শুনে অবাক ইডি

    তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল পার্থ-অর্পিতাকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হয়েছিল। জেরায় অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কথা অস্বীকার করেন পার্থ। অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্ক তো দূরের কথা, তাঁকে ভালোভাবে চেনেন না বলে দাবি করলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। 

    ইডি সূত্রে খবর, প্রাক্তন মন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হয়, তিনি অর্পিতাকে চেনেন কিনা। জবাবে পার্থ জানান, না, তেমনভাবে নয়, অনেকেই তাঁর কাছে আসতেন। অর্পিতাকেও সেভাবে মাঝেমাঝে দেখেছেন। মুখোমুখি জেরায় পার্থকে প্রশ্ন করা হয়, অর্পিতা কি আপনার ঘনিষ্ঠ? সরাসরি অস্বীকার করে পার্থ জানান, নাকতলার পুজোয় দেখেছেন। 

    ইডি-র তদন্তকারীরা প্রশ্ন করেন, অর্পিতার বাড়ি থেকে টাকা উদ্ধারের কথা পার্থ জানেন কিনা। জবাবে পার্থ জানান, তিনি শুনেছেন। প্রশ্ন করা হয়, ওই টাকা কি আপনার? জবাবে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী জানান, একদমই না। তাহলে কার টাকা, প্রশ্ন করেন ইডি-র তদন্তকারীরা। জবাবে পার্থ জানান, কার টাকা, সেটা তাঁর জানা নেই।

    আরও পড়ুন: ১৮ জোড়া দুল, ১১টি বালা…! অর্পিতার ফ্ল্যাটে উদ্ধার হওয়া সোনার পুরো তালিকা

    সব বিচার করে, বিচারক পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠিয়ে দেন। পার্থ থাকবেন প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে। অর্পিতা আলিপুরে। ১৮ তারিখ  দু’জনকে ফের আদালতে তোলা হবে।

  • Partha Chatterjee: সুদীপ্ত সেন থেকে গৌতম কুণ্ডু, আইসিস জঙ্গি মুসা, রইল জেলে পার্থর প্রতিবেশীর তালিকা…

    Partha Chatterjee: সুদীপ্ত সেন থেকে গৌতম কুণ্ডু, আইসিস জঙ্গি মুসা, রইল জেলে পার্থর প্রতিবেশীর তালিকা…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রেসিডেন্সি জেলের (Presidency Jail) যে ব্লকে রয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee), সেখানেই রয়েছেন ‘এক-সে-বড়কর-এক’ বন্দিরা। এক কথায় ওই ব্লকে রয়েছে অপরাধীদের ‘হুজ হু’-রা। জেলের পরিভাষায় ওই সেলকে বলা হয় ‘পয়লা বাইশ’।

    প্রেসিডেন্সি জেলে রয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, সেল ব্লকের ২ নম্বর ঘরে রাখা হয়েছে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রীকে। পাশের সেলে রয়েছেন রোজভ্যালি কর্ণধার গৌতম কুণ্ডু (Rose Valley chairman Goutam Kundu), সারদা-কর্তা সুদীপ্ত সেন (Saradha director Sudipta Sen)। আর্থিক দুর্নীতি মামলায় বর্তমানে জেলবন্দি গৌতম কুণ্ডু। এদিকে, পার্থর উপরেও রয়েছে এসএসসি দুর্নীতি (SSC scam) মামলার অভিযোগ। যা নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে ইডি। অর্থাৎ, এঁদের সকলকেই হাই-প্রোফাইল বন্দি (High profile inmates) বলা হয়ে থাকে। 

    আরও পড়ুন: প্রাণনাশের আশঙ্কা রয়েছে অর্পিতার! কী বিশেষ নির্দেশ দিলেন বিচারক?

    এখানেই শেষ নয়। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের প্রতিবেশীর তালিকায় সেলগুলোতে রয়েছে যথাক্রমে ছত্রধর মাহাতো (Chhatradhar Mahato) সহ একাধিক মাওবাদী নেতা (Maoist leaders)। আরও আছে। পাশের সেলগুলোয় রয়েছে আইএস জঙ্গি মুসা (ISIS terrorist Musa), আফতাব আনসারি (dreaded criminal Aftab Ansari) ও তার ঘনিষ্ঠ জামালউদ্দিন আনসারি! এমনই প্রায় দেড়শোর অধিক দুষ্কৃতী এবং অপরাধীদের সঙ্গেই একই শ্রীঘরে ঠাঁই হয়েছে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর। 

    এই প্রেক্ষিতেই প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর গলায় নাকি ধরা পড়েছে আক্ষেপের সুর! সূত্রের খবর, জেলে পৌঁছেই পার্থকে নাকি বলতে শোনা গিয়েছে, ‘‌কেন যে বেসরকারি সংস্থার উচ্চপদের চাকরি ছেড়ে রাজনীতিতে এলাম!‌ হয়ত রাজনীতিতে না এলে এই দিন দেখতে হতো না। রাজনীতিতে না এলে এই দিন দেখতে হত না আমাকে।’‌ তাঁর প্রশ্ন, ‘‌এখানে থাকব কী করে?‌’‌ প্রসঙ্গত, রুটি-ডাল-সবজি খেয়ে মেঝেয় কম্বল বিছিয়ে প্রথম রাত কাটান তৃণমূলের সাসপেন্ডেড মহাসচিব।

    আরও পড়ুন: ডাল-রুটি খেয়ে মেঝেয় কম্বল পেতে শুয়ে পড়লেন পার্থ, খাবার মুখেই তুললেন না অর্পিতা

    গতকাল এসএসসি কাণ্ডে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে (Arpita Mukherjee) ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় ব্যাঙ্কশাল কোর্ট। ব্যাঙ্কশাল কোর্টে পার্থ–অর্পিতার জামিনের আবেদন খারিজ করে দেন বিচারক।  ১৮ তারিখ পার্থ-অর্পিতা দু’জনকেই ফের আদালতে তোলা হবে। পার্থকে পাঠানো হয়েছে প্রেসিডেন্সি জেলে। অন্যদিকে, অর্পিতা থাকছেন আলিপুর মহিলা সংশোধনাগারে।

LinkedIn
Share