Blog

  • Tiger Death: চলতি বছরে ২৭টি বাঘের মৃত্যু হয়েছে মধ্যপ্রদেশে, দেশে সর্বাধিক 

    Tiger Death: চলতি বছরে ২৭টি বাঘের মৃত্যু হয়েছে মধ্যপ্রদেশে, দেশে সর্বাধিক 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের মধ্যে সব থেকে বেশি বাঘ (Tiger) দেখতে পাওয়া যায় মধ্যপ্রদেশে (Madhya Pradesh)। কিন্তু সেই রাজ্যেই এখন বাঘ মৃত্যুর ঘটনা দেশের মধ্যে সর্বাধিক। এমনটাই জানাচ্ছে ন্যাশনাল টাইগার কনজারভেশন অথরিটির (NTCA) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য। 

    আরও পড়ুন: স্বাধীনতার ৭৫ বছরে ভারতে আসছে ৮টি আফ্রিকান চিতা

    তথ্যে বলা হয়েছে, বছরের শুরু থেকে ১৫ জুলাই অবধি গোটা দেশে ৭৪ টি বাঘ প্রাণ হারিয়েছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র মধ্যপ্রদেশে মারা গিয়েছে ২৭টি বাঘ। যা এইসময়ে দেশের মধ্যে সর্বাধিক। এর পরেই রয়েছে মহারাষ্ট্র। মহারাষ্ট্রে বাঘ মৃত্যুর সংখ্যা ১৫। তৃতীয় স্থানে রয়েছে কর্ণাটক। সেখানে ১১টি বাঘের মৃত্যু হয়েছে। আসামে ৫, কেরল এবং রাজস্থানে ৪টি করে, উত্তরপ্রদেশে ৩টি, অন্ধ্রপ্রদেশের ২টি, বিহার, ওড়িশা, ছত্রিশগড়ে ১টি করে বাঘের মৃত্যু হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: ১১টির মধ্যে সাতটি পুরনিগম বিজেপির! মধ্যপ্রদেশে প্রথম জয় আপের

    বাঘ মৃত্যুর কারণ কী?

    আধিকারিকদের মতে, বয়সজনিত কারণে, নিজেদের মধ্যে লড়াইয়ের কারণে, রোগ, চোরা শিকারিদের হাতে, বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে বাঘের মৃত্যু হয়। 

    ২০১৮ সালে মধ্যপ্রদেশ ‘টাইগার স্টেট’ – এর তকমা ফিরে পায়। অল ইন্ডিয়া টাইগার এস্টিমেশন রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১৮ সালে মধ্যপ্রদেশে ৫২৬টি বাঘের বাস ছিল। যা দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। সে রাজ্যে চারটি ব্যাঘ্র প্রকল্প রয়েছে। কানহা, বান্ধবগড়, পেঞ্চ, সাতপুরা, পান্না এবং সঞ্জয় দুবরি। 

    ২৭টি বাঘের মধ্যে ৯টি পুরুষ বাঘ এবং ৮টি মহিলা বাঘ ছিল। বাকিদের বিষয়ে কোনও তথ্য দেওয়া নেই। এদের মধ্যে কিছু বাঘ শাবকেরও মৃত্যু হয়েছে। 

    বন দফতরের এক আধিকারিক বলেন, “এই রাজ্যে সবচেয়ে বেশি বাঘের মৃত্যু হয়েছে তার কারণ এই রাজ্যে বাঘের সংখ্যাও সবচেয়ে বেশি।” 

    আরটিআই কর্মী অজয় দুবে বলেন, “পান্নায় ১০ বছর আগেও বাঘের দেখা মিলত না। এনটিসিএ রাজ্যকে ব্যাঘ্র প্রকল্প গড়ে তোলার নির্দেশ দেয়। তারপরে চোরা শিকারিদের হাত থেকে বাঘগুলিকে রক্ষা করা খানিকটা হলেও সম্ভব হয়েছে।”  

     

     

     

  • Salman Khan: হত্যার হুমকি! বন্দুক কাছে রাখার আর্জি বজরঙ্গি ভাইজানের

    Salman Khan: হত্যার হুমকি! বন্দুক কাছে রাখার আর্জি বজরঙ্গি ভাইজানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খুনের হুমকি পাওয়ার একমাস পর মুম্বইয়ের পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করলেন অভিনেতা সলমন খান (Salman Khan)। শুক্রবার বিকেলে পুলিশ কমিশনার বিবেক পানসলকরের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। সেইসময়ে সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুম্বই পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (আইনশৃঙ্খলা) বিশ্বাস নাঙ্গরে পাতিলও।

    ভক্তদের মনে প্রশ্ন হঠাৎ আবার পুলিশের কাছে কেন ‘ভাইজান’? সূত্রের খবর, প্রাণনাশের হুমকি পাওয়ার পর নিজের কাছে বন্দুক রাখতে চান বলি অভিনেতা। সেজন্য পুলিশ কমিশনারের কাছে লিখিত আবেদন জানান তিনি। শুক্রবার বিকেলে মুম্বইয়ের পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করেন সলমন খান। দক্ষিণ মুম্বইয়ের তাঁর দফতরে যান অভিনেতা। ব্যক্তিগত বন্দুক রাখার অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন তিনি। 

    [tw]


    [/tw]

    জানা গিয়েছে, গতমাসে সলমন এবং তাঁর বাবা সালিম খান প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছিলেন। পাঞ্জাবের গায়ক সিধু মুসেওয়ালা খুনের পরেই সলমনের বান্দ্রার বাড়িতে একটি চিঠি পাওয়া যায়। সেখানে লেখা ছিল, ‘তোমার অবস্থাও মুসেওয়ালার মতো হবে।’ প্রতিদিন মর্নিং ওয়াকের পর বাড়ির লনে বসে চা খান এবং খবরের কাগজ পড়েন সলমনের বাবা। সেই সময়েই তিনি ওই চিঠি পান। গোটা ঘটনা জানানো হয় মুম্বই পুলিশকে। বান্দ্রা থানায় অভিযোগও দায়ের করে খান পরিবার।  ইস্ট বান্দ্রায় সলমনের বাংলোর সামনে বাড়ানো হয় নিরাপত্তা। 

    আরও পড়ুন: ‘অলবিদা’ লিখে ইনস্টাগ্রামে সব পোস্ট ডিলিট করলেন আদনান সামি! রহস্য কী?

    প্রসঙ্গত, সেই কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা এখনও পিছন ছাড়েনি সলমন খানের। গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই জানিয়ে দিয়েছেন, ‘এর জন্য সলমনকে ক্ষমা করা হবে না’। দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেলের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে জেলে থাকা গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই সলমন খানের বিরুদ্ধে আরেকটি সতর্কবার্তা পাঠিয়েছেন। জানা গিয়েছে, এদিন সেই সূত্রেই পুলিশের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন সলমন। মিনিট ২০ কথা বলার পর দক্ষিণ মুম্বইয়ের কমিশনারেট থেকে বেরিয়ে যান অভিনেতা। এটি একটি সৌজন্য সাক্ষাৎকার। কোনও কেসের জন্য সলমন যাননি, বলে দাবি খান পরিবারের।

  • Anubrata Mondal: কোথায় কেষ্ট? পার্থর পর এবার কি অনুব্রতর পালা? জোর জল্পনা!

    Anubrata Mondal: কোথায় কেষ্ট? পার্থর পর এবার কি অনুব্রতর পালা? জোর জল্পনা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বলেছিলেন একুশের (TMC Shahid Diwas) সমাবেশে উপস্থিত থাকবেন। একেবারে দলনেত্রী মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই মঞ্চে থাকবেন। এও জানিয়েছিলেন, তাঁর জেলা থেকে ২ লক্ষ মানুষ সমাবেশে যোগ দেবে। বাকিটা ইতিহাস। কোনও কথাই রাখতে পারেননি কেষ্ট। 

    কিন্তু, একুশের সভায় না থেকে কোথায় ছিলেন অনুব্রত (Anubrata) মণ্ডল? জানা গিয়েছে, বাড়িতেই ছিলেন কেষ্ট। ঘনিষ্ঠ মহলে জানিয়েছেন, তাঁর শরীর ভালো নেই। তাই তিনি যেতে পারেননি। এই প্রথম নয়। বেশ কিছুদিন যাবৎ কেষ্টকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। দলীয় কার্যালয়ে নেতা-কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করলেও প্রকাশ্য কোনও সভায় দেখা যায়নি অনুব্রতকে। সূত্রের খবর, এখন নাকি অনুব্রত বোলপুরের বাড়ি থেকে আর বেরোতে চাইছেন না। কারও সঙ্গে দেখা করছেন না। 

    কিন্তু, কীসের জন্য দলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমাবেশে হাজির থাকতে পারলেন না দলনেত্রীর প্রিয় কেষ্ট? এমন কী হয়েছে তাঁর? সূত্রের দাবি, গত কয়েকদিনে বারবার শিরোনামে উঠে এসেছেন বীরভূমের এই নেতা ৷ বর্তমানে পাঁচটি মামলায় কেষ্টর মাথার ওপর কেন্দ্রীয় তদন্তের খাঁড়া ঝুলছে। গরু পাচার, গৌরব সরকার খুনের মামলা, জোড়া বোমা বিস্ফোরণ, বগটুই ও ভাদু শেখের খুনের ঘটনা। এরমধ্যে, বোমা বিস্ফোরণের তদন্ত করছে এনআইএ। বাকিগুলি খতিয়ে দেখছে সিবিআই (CBI)।

    আরও পড়ুন: গরু পাচার মামলায় বিপুল সম্পত্তির হদিশ অনুব্রতর? আদালতে তথ্য দিল সিবিআই

    সূত্রের খবর, এছাড়াও গরুপাচারকয়লা পাচারের ঘটনায় শোনা যাচ্ছে, খুব শীঘ্রেই আসরে নামতে চলেছে ইডি-ও (Enforcement Directorate)। দিল্লির ইডি দফতর থেকে কলকাতার সিবিআই দফতরে চিঠি পাঠানো হয়েছে এবং বিভিন্ন তথ্য চাওয়া হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এর পর কেষ্ট মণ্ডল ও তাঁর মেয়ে সুকন্যা মণ্ডলের দিকে ঘুরতে পারে ইডি তদন্তের ভার। শোনা যাচ্ছে, মেয়ে ও মৃত স্ত্রীর নামে বিপুল সম্পত্তি রয়েছে কেষ্টর। তার হদিশ মিলেছে। এর পাশাপাশি, রাজ্যের এক মন্ত্রীর সঙ্গে বহু পার্টনারশিপে বেনামি সম্পত্তির খোঁজ পেয়েছে ইডি।

    সবমিলিয়ে, এখন চরম সংকটের মুখে অনুব্রত। একুশের মঞ্চ থেকে দলনেত্রীর মুখ দিয়ে ১৩০ বার ইডি-সিবিআই-ভয় শব্দগুলি বেরিয়েছে। তা শুনেই কি আরও ভয় পাচ্ছেন কেষ্ট?

  • PT Usha: সাংসদ হিসেবে শপথ নিলেন ট্র্যাক কুইন, ঊষাকে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর

    PT Usha: সাংসদ হিসেবে শপথ নিলেন ট্র্যাক কুইন, ঊষাকে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অ্যাথলেটিক ট্র্যাক থেকে সংসদ ভবনে। বিজেপির রাজ্যসভায় সদস্য (Rajya Sabha MP) হিসেবে শপথ নিলেন পিটি ঊষা (PT Usha)। সংসদ ভবনে তাঁকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। প্রধানমন্ত্রী এক ট্যুইট বার্তায় ঊষাকে তাঁর নতুন ভূমিকায় স্বাগতও জানান। বুধবার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে হিন্দিতে শপথ নেন কেরলের মেয়ে ঊষা। প্রসঙ্গত, গত ৬ জুলাই বিজেপির সরকারের তরফে তাঁকে সংসদের উচ্চকক্ষে মনোনীত করা হয়। পিটি ঊষা ছাড়াও এই তালিকায় ছিলেন সঙ্গীত কম্পোসার ইলায়ারাজা, সমাজসেবী বীরেন্দ্র হেগগড়ে এবং চলচ্চিত্র পরিচালক কে.ভি. বিজয়েন্দ্র প্রসাদ। 

    [tw]


    [/tw]

    গত সোমবার রাজধানী দিল্লি পৌঁছে গিয়েছিলেন পিটি ঊষা ৷ মঙ্গলবার দেখা করেন বিজেপি-র জাতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডার (Jagat Prakash Nadda) সঙ্গে ৷ নাড্ডাও তাঁকে অভিনন্দন জানান। নাড্ডা বলেন, তাঁর মতো প্রতিভার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তিনি খুশি।

    [tw]


    [/tw]

    প্রসঙ্গত, ভারতের সর্বকালের সেরা ক্রীড়াবিদদের মধ্যে অন্যতম পিটি উষা ৷ কেরলের কোঝিকোড় জেলার এক গ্রামে তাঁর জন্ম ৷ লক্ষ লক্ষ ভারতীয় মেয়ের কাছে পিটি ঊষা আদতে একটি আদর্শ ও অনুপ্রেরণার নাম ৷ অনুরাগী মহলে ‘পায়োলি এক্সপ্রেস’ (Payyoli Express) এবং ‘কুইন অফ ইন্ডিয়ান ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড’ (Queen of Indian Track and Field) নামেও তিনি জনপ্রিয় ৷ ১৯৮৪ সালের অলিম্পিক্সে ভারতের জন্য পদক জিততে না পারলেও গোটা বিশ্বের নজর কাড়েন ঊষা ৷ সেবার ৪০০ মিটারের দৌড় প্রতিযোগিতায় চতুর্থ স্থানে লড়াই শেষ করেন তিনি ৷ 

    আরও পড়ুন: মেয়েকে নিয়ে ইডি দফতরে সোনিয়া, কংগ্রেসের প্রতিবাদে উত্তাল দিল্লি, প্রশ্নবাণে জর্জরিত নেত্রী

    উল্লেখ্য, এর আগে গত সোমবার ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন সদস্য তথা রাজনীতিক হরভজন সিং, লালুপ্রসাদ যাদবের মেয়ে মিসা ভারতী এবং বিসিসিআই-এর সহসভাপতি রাজীব শুক্লা-সহ প্রায় ২৫ জন রাজ্যসভার সাংসদ হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন৷

  • INS Vikramaditya: আইএনএস বিক্রমাদিত্যে আগুন! তদন্তের জন্য বোর্ড গঠনের নির্দেশ

    INS Vikramaditya: আইএনএস বিক্রমাদিত্যে আগুন! তদন্তের জন্য বোর্ড গঠনের নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের একমাত্র বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রমাদিত্যে (INS Vikramaditya) অগ্নিকাণ্ড। বুধবার কর্নাটক (Karnataka) উপকুলবর্তী এলাকায় থাকাকালীন আগুন লাগে ভারতের বিশাল এই রণতরীতে। ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর নেই, বলে জানিয়েছে নৌসেনা (Indian Navy)৷ এই ঘটনায় কোনও ক্ষয়ক্ষতিও হয়নি। জাহাজের ক্রু মেম্বারদের তৎপরতায় আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে৷ 

    এর আগেও একবার এই যুদ্ধজাহাজে আগুন লেগে এক নৌ-কমান্ডারের মৃত্যু হয়েছিল। কী কারণে এই আগুন লাগল সেই ব্যাপারে তদন্ত শুরু করেছেন নৌসেনার অফিসাররা। তদন্তকারী দলও গঠন করা হয়েছে। নৌসেনার তরফে জানানো হয়, জাহাজে থাকা অফিসার এবং কর্মীদের তৎপরতায় এ যাত্রায় জাহাজের পুরো অংশে আগুন ছড়িয়ে পড়েনি। সময় থাকতেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা গিয়েছে। তাই জাহাজে থাকা জিনিসপত্রের বিশেষ ক্ষতি হয়নি বলেই জানিয়েছে নৌসেনা।

    আরও পড়ুন: অদূর ভবিষ্যতে ড্রোন উৎপাদনের হাব হবে ভারত, আশা ডিআরডিও প্রধানের

    ২০১৪ সালে রাশিয়া (Russia) থেকে এই এয়ারক্র্যাফ্ট ক্যারিয়ারটি কেনে নৌসেনা। খরচ পড়েছিল ১৬,১২৩ কোটি টাকা। জাহাজটিতে ৩০ টি মিগ-২৯কে (MiG 29K) যুদ্ধবিমান ও ছ’টি হেলিকপ্টার রাখা যেতে পারে। ২৮৪ মিটার লম্বা ও ৬০ মিটার উচ্চতার এই যুদ্ধজাহাজ ২০ তলা বাড়ির সমান উঁচু, ওজন ৪০০০০ টন। পৃথিবীতে খুব কম দেশের কাছেই  বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ বা এয়ারক্র্যাফ্ট ক্যারিয়ার রয়েছে। নৌসেনা সূত্রে জানা গেছে, এটি ৪৪ হাজার ৫০০ টন ওজন ধারণে সক্ষম। এছাড়া প্রায় ১ হাজার ৬০০ মানুষ বহনে সক্ষম রণতরীটিতে ২২টি ডেক রয়েছে। এটি ৮ হাজার টন জ্বালানি ধারণ করতে এবং একবারে ৭ হাজার নটিক্যাল মাইল বা ১৩ হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে পারে।

    আরও পড়ুন: নারীর ক্ষমতায়নের উজ্জ্বল উদাহরণ দ্রৌপদী, বলছে ওড়িশার রায়রংপুর

    আইএনএস বিক্রমাদিত্যকে নতুনভাবে সাজিয়ে তোলার কাজ চলছে এখন। বিমানবাহী এই যুদ্ধজাহাজটিতে বসানো হচ্ছে ‘মেরিন হাইড্রলিক সিস্টেম’। এর ফলে আরও সহজে এই রণতরী থেকে যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার ওঠানামা করতে পারবে।
     

  • PM Modi Hosts Dinner: জয়ের শংসাপত্র দ্রৌপদীকে, কোবিন্দের ফেয়ারওয়েল পার্টিতে চাঁদের হাট

    PM Modi Hosts Dinner: জয়ের শংসাপত্র দ্রৌপদীকে, কোবিন্দের ফেয়ারওয়েল পার্টিতে চাঁদের হাট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি (President) পদে জয়ের শংসাপত্র পেলেন এনডিএ (NDA) প্রার্থী বিজেপির (BJP) দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। এদিন নির্বাচন কমিশনের তরফে তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয় জয়ের শংসাপত্র। এদিকে, বিদায়ী রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজে হাজির ছিলেন শাসক ও বিরোধী দলের সব সাংসদরা।

    ২০ জনের নামের তালিকা থেকে এনডিএর তরফে বেছে নেওয়া হয়েছিল দ্রৌপদী মুর্মুর নাম। তিনি জনজাতি সম্প্রদায়ের মহিলা। দেশের পঞ্চদশ রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন তিনি। বিজেপি বিরোধী ১৭টি দলের সম্মিলিত প্রার্থী ছিলেন তৃণমূলের প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট যশবন্ত সিনহা। বিপুল ভোট তাঁকে পরাস্ত করে জয়মাল্য গলায় পরেন দ্রৌপদী। বৃহস্পতিবারই দ্রৌপদীকে জয়ী ঘোষণা করা হয়। বিজেপি সহ এনডিএর সমস্ত দলের সমর্থন তো তিনি পেয়েইছেন, পেয়েছেন বিরোধীদের অনেকের সমর্থনও। তার জেরেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন এনডিএ প্রার্থী। তবে বৃহস্পতিবার দ্রৌপদীকে জয়ী ঘোষণা করা হলেও, তাঁর হাতে জয়ের শংসাপত্র তুলে দেওয়া হয় শনিবার। সোমবার  দেশের পঞ্চদশ রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেবেন তিনি।

    আরও পড়ুন : ইতিহাস রচনা করল ভারত! দ্রৌপদী হবেন ‘মহান রাষ্ট্রপতি’, শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

    এদিকে, রবিবার ২৪ জুলাই কার্যকালের মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে বিদায়ী রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের। তাঁকে সংবর্ধনা দিতে প্রথা মাফিক নৈশভোজের আয়োজন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দিল্লির হোটেল অশোকায় শুক্রবার হয় ওই অনুষ্ঠান।  এদিন বিকেল থেকে একে একে আসতে শুরু করেন সাংসদরা। উপস্থিত ছিলেন বিদায়ী রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং সাংসদরা। বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও হাজির ছিলেন এই ফেয়ারওয়েল পার্টিতে। উপস্থিত ছিলেন দেশের ভাবী রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু স্বয়ংও। পদ্ম পুরস্কার পাওয়া অনেকের পাশাপাশি জনজাতির অনেক নেতাও যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া এই নৈশভোজে। উপরাষ্ট্রপতি এম বেঙ্কাইয়া নাইডু, লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং মন্ত্রিসভার সব সদস্যকেই দেখা গিয়েছে এই পার্টিতে। কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরীও যোগ দিয়েছিলেন ফেয়ারওয়েল পার্টিতে।

    আরও পড়ুন : মমতা আদিবাসী বিরোধী? পোস্টার সাঁটিয়ে প্রমাণ বঙ্গ বিজেপি-র

    ২০১৭ সালে দেশের চতুর্দশ রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন রামনাথ কোবিন্দ। তিনি ছিলেন দেশের দ্বিতীয় দলিত রাষ্ট্রপতি। রাইসিনা হিলসে এবার আসতে চলেছেন জনজতি সম্প্রদায়ের এক মহিলা। তিনি দ্রৌপদী মুর্মু।

     

  • Draupadi Murmu: রাইসিনা হিলসের দৌড়ে এগিয়ে দ্রৌপদী, যোজন পিছিয়ে যশবন্ত

    Draupadi Murmu: রাইসিনা হিলসের দৌড়ে এগিয়ে দ্রৌপদী, যোজন পিছিয়ে যশবন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি ভবনের দৌড়ে এগিয়ে এনডিএ (NDA) প্রার্থী বিজেপির (BJP) দ্রৌপদী(Draupadi Murmu)। সোমবার হয়েছে ভোট। মূল লড়াই হয়েছে এনডিএ প্রার্থী দ্রৌপদীর সঙ্গে বিজেপি বিরোধী প্রার্থী যশবন্ত সিনহার (Yashwant Sinha)। ভোটের পরেই স্পষ্ট রাইসিনা হিলসের দৌড়ে এগিয়ে দ্রৌপদীই, যশবন্ত নয়।

    ইতিমধ্যেই ব্যালট বাক্স চলে গিয়েছে দিল্লিতে। ভোট গণনা হবে ২১ জুলাই। যিনি জয়ী হবেন, তিনি শপথ নেবেন ২৫ তারিখে। বর্তমান রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ অবসর নেবেন ২৪ তারিখে। এদিকে, নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, সংসদের ৭৭১ জন সদস্য ভোট দিতে পারেন। আর বিধানসভার ৪০২৫ জন ভোট দিতে পারেন। এঁদের মধ্যে ইতিমধ্যেই ভোট দিয়েছেন ৯৯ শতাংশ ভোটার।

    আরও পড়ুন : দ্রৌপদী মুর্মুকে সমর্থন করতে বাধ্য হয়েছেন উদ্ধব, তোপ যশবন্তের

    রাষ্ট্রপতি পদে কাকে সমর্থন করা হবে, তা নিয়ে বিরোধী শিবিরে ফাটল ধরেছিল আগেই। সেই ফাটল চওড়া হল নির্বাচনের দিন। ক্রশ ভোটিং ঠেকাতে পারলেন না বিরোধী শিবির। এনসিপি ও কংগ্রেসের দুজন করে বিধায়ক বিজেপি বিরোধী প্রার্থী যশবন্ত সিনহাকে ভোট না দিয়ে দিয়েছেন দ্রৌপদীকে। জানা গিয়েছে, ঝাড়খণ্ড ও গুজরাটের দুই এনসিপি বিধায়ক ও হরিয়ানা এবং ওড়িশার দুই কংগ্রেস বিধায়ক ভোট দিয়েছেন দ্রৌপদীকে। গুজরাটের একমাত্র এনসিপি বিধায়ক কান্ধাল জাদেজাও ভোট দিয়েছেন দ্রৌপদীকে। বিধানসভা থেকে বেরিয়ে সেকথা ঘোষণাও করলেন তিনি। যদিও তাঁর এই স্বীকারোক্তির পরে পরেই দলের তরফে শোকজ করা হয় জাদেজাকে। দ্রৌপদীকে ভোট দেওয়ার বিষয়ে সাফাই দিতে গিয়ে জাজেদা বলেন, আমাকে গুজরাটে থাকতে হয়। আমার নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নের কথা মাথায় রাখতে হয়। তাই ভোটিংয়ের সময় স্বার্থপর হতে পারিনি।

    আরও পড়ুন : পাঁচ বছরের মেয়াদে রাষ্ট্রপতি কোবিন্দ আটকে দিয়েছেন রাজ্যের ৩ বিল, স্বাক্ষর করেছেন ১৫৯টিতে

    রাঁচিতে ঝাড়খণ্ডের একমাত্র এনসিপি বিধায়ক কমলেশ সিং বিধানসভা থেকে বেরিয়ে তিনিও ঘোষণা করেন যশবন্ত নন, তিনি ভোট দিয়েছেন দ্রৌপদীকে। বলেন, দ্রৌপদী মুর্মু ঝাড়খণ্ডের মানুষের জন্য কাজ করেছেন। আমার সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্কও ভাল। তাছাড়া আমার নির্বাচনী এলাকায় ন’ হাজারের মতো আদিবাসী ভোটার রয়েছেন। ওড়িশার কংগ্রেস বিধায়ক মহম্মদ মোকিমও ভোট দিয়েছেন দ্রৌপদীকে। তাঁর দাবি, দ্রৌপদী ওড়িশার ভূমিপুত্র। আমি একজন ওড়িয়া। তাই বিবেকের কথা শুনে দ্রৌপদীকে ভোট দিয়েছি। অন্তরাত্মার কথা শুনতে বিধায়কদের বাধা দেওয়া যাবে না। বিবেকের কথা শুনে ক্রশ ভোটিং করেছেন হরিয়ানার কংগ্রেস বিধায়ক কুলদীপ বিষ্ণোই। বিরোধী প্রার্থী যশোবন্তকে ভোট না দিয়ে, তিনি ভোট দিয়েছেন এনডিএর দ্রৌপদীকে। তিনি বলেন, অন্তরাত্মার কথা শুনে ভোট দিয়েছি আমিও।

    একাধিক বিধায়কের এই ‘অন্তরাত্মা’র ডাকেই রাইসিনা হিলসের দৌড়ে এগিয়ে গিয়েছেন দ্রৌপদী।

     

     

  • Missing Workers from AP: অরুণাচল প্রদেশে  ঘন অরণ্যে ৭ শ্রমিকের খোঁজ মিলল,  এখনও নিখোঁজ ১২

    Missing Workers from AP: অরুণাচল প্রদেশে ঘন অরণ্যে ৭ শ্রমিকের খোঁজ মিলল, এখনও নিখোঁজ ১২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচলের (Arunachal Pradesh) ভারত-চিন সীমান্তবর্তী (Indo-China border) গ্রামে রাস্তা তৈরির কাজ করতে গিয়ে নিখোঁজ হন ১৯ জন পরিযায়ী শ্রমিক। গত ১৩ জুলাই তাঁদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে, অভিযোগ দায়ের করা হয়। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় দুই সপ্তাহ পর খোঁজ মিলল ৭ জন শ্রমিকের। এখনও নিখোঁজ ১২ জন। শুক্রবার কুরুং কুমে ( Kurung Kumey ) জেলার ঘন অরণ্যে তাঁদের খুঁজে পাওয়া যায়। 

    এক সরকারি আধিকারিক জানান, ৭ জন শ্রমিককে বর্ডার রোড অর্গানাইজেশনের (BRO) চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়েছে। সেখানেই তাঁদের চিকিৎসা চলছে। তাঁদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। এদিকে অপর ১২ জনের খোঁজে শনিবার সকালে সার্ভে শুরু করেছে ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF)।  কুরুং কুমের জেলা বিপর্যয় মোকাবিলার আধিকারিক করণ খোলি বলেছেন, ‘বর্তমানে রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ২৬ জন তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে। অসমের তেজপুর থেকে বায়ুসেনার একটি চপার শনিবার বাকি ১২ শ্রমিকের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে।’

    আরও পড়ুন: ওয়েব চেক-ইনে অতিরিক্ত টাকা আর নয়, নয়া সিদ্ধান্ত অসামরিক বিমান মন্ত্রকের

    ওই শ্রমিকরা কুরুং কুমে জেলার হুরিতে কাজ করতেন। সেখান থেকে প্রায় ২০-২৫ কিলোমিটার দূরে একটি গভীর অরণ্যে প্রথমে নিখোঁজ তিন শ্রমিকের খোঁজ পান দামিনের স্থানীয় গ্রামবাসীরা। পরে আরও তিনজনের খোঁজ মেলে। কুরুং কুমের জেলা বিপর্যয় মোকাবিলার আধিকারিক করণ খোলি জানিয়েছেন, দামিনে যোগাযোগ ব্যবস্থা খুব দুর্বল হওয়ায় খোঁজ পাওয়া শ্রমিকদের নাম এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। তিনি জানিয়েছেন, নির্মাণ সাইট থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর তাঁরা হেঁটেই অসমের উদ্দেশে রওনা দেন। কিন্তু মাঝ পথেই রাস্তা হারিয়ে ফেলেন তাঁরা। 

    প্রসঙ্গত, গত ৫ জুলাই দামিন সার্কেলে নির্মাণ সংস্থার সাইট থেকে পালিয়ে যান ১৯ জন শ্রমিক। জানা গিয়েছিল অসম থেকে আসা এই শ্রমিকরা ইদ উপলক্ষে বাড়ি যাওয়ার ছুটি চেয়েছিলেন। কিন্তু ছুটি দিতে মালিক পক্ষ রাজি না থাকায় সেখান থেকে পালান তাঁরা। তারপর থেকেই তাঁদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। দীর্ঘ প্রায় তিন সপ্তাহ পর ভারত-চিন সীমান্তের কাছে গভীর অরণ্য থেকে তাঁদের মধ্যে ৭ জনের খোঁজ মিলল।

  • Nitish Kumar: জেডি(ইউ) ছেড়ে বিজেপিতে পাঁচ বিধায়ক, নীতীশ কুমারকে কটাক্ষ গেরুয়া শিবিরের   

    Nitish Kumar: জেডি(ইউ) ছেড়ে বিজেপিতে পাঁচ বিধায়ক, নীতীশ কুমারকে কটাক্ষ গেরুয়া শিবিরের   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নীতীশ কুমার (Nitish Kumar) যখন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্নে বুঁদ, ঠিক তখনই জেডি(ইউ) (Jdu) ছাড়লেন মনিপুরের পাঁচ বিধায়ক। শুক্রবার নীতীশের দল ছেড়ে তাঁরা যোগ দেন বিজেপিতে (BJP)। ঘটনাটিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি গেরুয়া নেতৃত্ব। বিহারের (Bihar) মহাজোট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশকে তাঁরা খোঁড়া হাঁস (Lame Duck) মুখ্যমন্ত্রী আখ্যা দিয়েছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা অমিত মালব্য (Amit Malviya)। নীতীশকে নিশানা করে তিনি বলেন, নীতীশ কুমার দেখতে পাচ্ছেন বিহার এবং তার বাইরেও ক্রমেই সংকুচিত হয়ে আসছে তাঁর দল, অথচ তিনি স্বপ্ন দেখে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী (Prime Minister) হওয়ার।

    বিজেপির সঙ্গে জোট বন্ধন ছিন্ন করে সম্প্রতি নীতীশ কুমার কংগ্রেস (Congress) এবং লালু প্রসাদ যাদবের দল আরজেডির (RJD) সঙ্গে হাত মিলিয়ে গড়েছেন মহাজোট। মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেছেন নীতীশ স্বয়ং। উপমুখ্যমন্ত্রী পদে বসানো হয়েছে লালু প্রসাদের ছেলে তেজস্বী যাদবকে। বিজেপি সঙ্গ ছেড়ে মহাজোট গড়তেই জল্পনা ছড়ায় ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বিজেপির নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে বিজেপি-বিরোধী শিবিরের প্রার্থী হচ্ছেন নীতীশ। জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে, কারণ সম্প্রতি বদলে গিয়েছে নীতীশের দলের পোস্টারের ভাষা। ২০২০ সালে, নীতীশ যখন বিজেপির সঙ্গে ছিলেন, তখন পোস্টারে লেখা ছিল নীতীশই সব, বিচার এবং বিকাশ, আইন এবং শৃঙ্খলা। বিজেপির সঙ্গ ছাড়ার পর দিন কয়েক আগে প্রকাশ্যে এসেছে যে পোস্টার, তাতে লেখা, রাজ্যে যা দেখা গিয়েছে, সেই দৃশ্য দেখা যাবে গোটা দেশে। নীতীশের দল জনতা দল ইউনাইটেডের এই পোস্টারের পরেই জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে, তাহলে কি নীতীশই হচ্ছেন বিরোধী শিবিরের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী?

    আরও পড়ুন : বিহারে নীতীশ মন্ত্রিসভার ৭২ শতাংশ মন্ত্রীই দুর্নীতিগ্রস্ত!

    এদিন যাঁরা নীতীশের দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, তাঁরা হলেন কেএইচ জয়কিষান, এন সানাতে, মহঃ আছাবউদ্দিন, প্রাক্তন ডিজিপি এলএম খাউতে এবং থাংজাম অরুণকুমার। এঁদের মধ্যে খাউতে এবং অরুণকুমার বিজেপিতে টিকিট না পেয়ে গিয়েছিলেন জেডিইউতে। মনিপুরে এই দলবদলের জেরে নীতীশকে কটাক্ষ করেছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা অমিত মালব্য। বিহারের মুখ্যমন্ত্রীকে আখ্যা দিয়েছেন খোঁড়া হাঁস।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Covid-19 in Bengal: প্রতিষেধকের বেড়া ভাঙছে ওমিক্রন, কিন্তু হুঁশ আছে কি রাজ্যের শাসক দলের?

    Covid-19 in Bengal: প্রতিষেধকের বেড়া ভাঙছে ওমিক্রন, কিন্তু হুঁশ আছে কি রাজ্যের শাসক দলের?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল: করোনার চতুর্থ ঢেউয়ের চোখরাঙানি রোজ বাড়ছে। ওমিক্রনের নতুন সাব-ভেরিয়েন্ট করোনা টিকার সুরক্ষা রেখাকে দূর্বল করছে। ২০ জুলাই রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের দেওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, নতুনভাবে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২,৪৫৫ জন। অর্থাৎ, লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। বাদ নেই শিশুরাও। করোনা পজিটিভিটি রেট ১৫ শতাংশ ছাড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, রাজ্যের শাসক দলের ভূমিকা নিয়ে।
     
    বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, নিত্যদিন করোনার নতুন উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। তাই অনেক সময় চিকিৎসা দেরিতে শুরু হচ্ছে। ফলে, জটিলতা বাড়ছে। এমনকি, ওমিক্রনের নতুন সাব-ভেরিয়েন্টের যেভাবে শক্তি বৃদ্ধি হচ্ছে, তা দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে কলকাতায় তৃণমূলের শহিদ দিবসে যেভাবে মাস্ক পরা ও শারীরিক দূরত্ববিধির নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখানো হল, তা গোটা রাজ্যে করোনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    আরও পড়ুন: নামেই শহিদ দিবস! দিকে দিকে মোচ্ছব আর ক্ষমতার আস্ফালনের ছবি

    গত দু’বছর রাজ্যের শাসক দল ২১ জুলাই, তাদের শহিদ দিবস ভার্চুয়ালভাবে সমাবেশ করেছিল। কিন্তু এই বছর ধর্মতলায় সভা হয়। বৃহস্পতিবারের এই সভা উপলক্ষ্যে রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে সোমবার থেকেই মানুষ কলকাতায় আসতে শুরু করেন। তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের একাংশ সল্টলেকের সেন্ট্রাল পার্ক, কসবার গীতাঞ্জলি স্টেডিয়ামে থাকেন। দেখা যায়, অধিকাংশ মানুষের মুখে মাস্ক নেই। শারীরিক দূরত্ববিধি বজায় রাখারও তোয়াক্কা তাঁরা করেননি। পাশপাশি বসে তিনদিন ধরে খাওয়া, ঘুম সব চলছে। এমনকি পুরসভার যেসব কর্মীরা গীতাঞ্জলি স্টেডিয়াম স্যানিটাইজ করতে গিয়েছিলেন, তাঁদের একাংশ জানাচ্ছেন, যেভাবে নূন্যতম স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না, সেখানে শুধু স্যানিটাইজার ছড়িয়ে বিশেষ কাজ হবে না।
     
    বৃহস্পতিবার সকাল থেকে উত্তর থেকে দক্ষিণ কলকাতার বিভিন্ন রাস্তায় তৃণমূলের লম্বা মিছিল ধর্মতলামুখী ছিল। সেখানেও স্বাস্থ্যবিধি মানা হয়নি। অধিকাংশ নেতা, কর্মী, সমর্থক মাস্ক পরেননি। গত কয়েক মাস করোনা রুখতে রাজ্য সরকার স্কুল বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এমনকি অতিমারির জেরে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়েও নানান জটিলতা তৈরি হয়েছে। আজকে স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করে রাজ্যের শাসক দলের সমাবেশ দেখে অভিভাবক ও শিক্ষকদের একাংশের প্রশ্ন, এই সমাবেশের জেরে আবার করোনা বাড়লে কি স্কুল কলেজ বন্ধ করে দেওয়া হবে? অসচেতন রাজনৈতিক কর্মসূচির খেসারত দেবে পড়ুয়ারা?

    আরও পড়ুন: করোনা ভ্যাকসিনের পর এবার বিনামূল্যে বুস্টার ডোজ, চলবে আগামী ৭৫ দিন

    যদিও শাসক দল এই সব অভিযোগে গুরুত্ব দিতে নারাজ। তৃণমূলের তরফে অবশ্য জানানো হয়েছে, তারা স্বাস্থ্যবিধি মেনেই সভা করেছে। স্যানিটাইজ গেট তৈরি করা হয়েছিল। তাছাড়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিমের মতো প্রথম সারির নেতারা সব সময় মাস্ক পরেই যাবতীয় কাজ করেছেন। তাঁদের মাস্ক পরতে দেখে কর্মীরা সচেতন হবেন। তৃণমূলের এক নেতার কথায়, “কয়েক লাখ মানুষ আজ এসেছিলেন। প্রত্যেকের মুখে তো মাস্ক পরিয়ে দিতে পারব না। তবে, করোনার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করা হয়নি।”

LinkedIn
Share