Blog

  • Chinese shell companies: ভুয়ো চিনা সংস্থাকে সাহায্য! কেন্দ্রের নজরে দেশের ৪০০ সিএ এবং সিএস

    Chinese shell companies: ভুয়ো চিনা সংস্থাকে সাহায্য! কেন্দ্রের নজরে দেশের ৪০০ সিএ এবং সিএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোপনে চিনকে (China) সাহায্যের অভিযোগ উঠল দেশের বহু চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট সংস্থার (CA Firm) বিরুদ্ধে। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ম লঙ্ঘন করে দেশের বড় বড় শহরগুলিতে ভুয়ো চিনা সংস্থা গড়ে তুলতে এই সংস্থাগুলি সাহায্য করেছে বলে সন্দেহ কেন্দ্রের। জানা গিয়েছে, এই অভিযোগে ৪০০ জন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট (CA) এবং সংস্থার সচিবদের (CS) বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সুপারিশ করেছে কেন্দ্র।      

    ২০২০ এর গালওয়ানে (Galwan Clash) যখন চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মির (PLA) হাতে ভারতের ২০ জন সেনা নিহত হন তারপর থেকেই চিনের প্রতি কঠোর হওয়া শুরু করেছে ভারত। এরপরেই চিনের একাধিক সংস্থার ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করে কেন্দ্র। ব্যান হয় একাধিক অ্যাপও। এরপর থেকে বার বারই দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সম্পর্কের অবনতির ছবি সামনে উঠে এসেছে।

    আরও পড়ুন: শীর্ষ লস্কর নেতা মাক্কিকে আন্তর্জাতিক জঙ্গি ঘোষণায় বাধা চিনের   

    ভারতের নয়া নীতি লাগু হওয়ার পর থেকেই গত দুবছরে চিনা সংস্থার থেকে কোনও প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (FDI) গ্রহণ করেনি ভারত সরকার। ডিপার্টমেন্ট ফর প্রমোশন অফ ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড ইন্টারনাল ট্রেড (DPIIT) অনুসারে, ২০২০ সালের এপ্রিল-জুন মাসে চিন থেকে এফডিআই আসে ১৫ হাজার ৪২২ কোটি মার্কিন ডলার। এবার তা কমে দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৬২২ কোটি ডলারে।”

    আরও পড়ুন: ২ বছর পর ভারতীয়দের জন্য কোভিড ভিসা নিষেধাজ্ঞা তুলল চিন     

    কেন্দ্রের এক সরকারি আধিকারিক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছন যে এই চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট ও সচিবদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেছে কেন্দ্র। বিধি লঙ্ঘন করে দেশের প্রধান শহরগুলিতে প্রচুর পরিমাণে চিনা মালিকাধীন বেনামী সংস্থাকে দেশীয় সংস্থার তালিকায় অন্তর্ভুক্তও করা হয়েছে। কারচুপিতে চিনা সংস্থাগুলিকে সাহায্য করেছে এই অভিযুক্ত চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট সংস্থাগুলি। দেশের সরকারকে ভুল তথ্য দিয়েছে তারা। কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রক (MCA) গত দুমাসে তদন্ত সংস্থার কাছ থেকে খবর পাওয়ার পরই এই সিদ্ধান্তে এসেছে। 

     

  • Tax-saving FDs: ট্যাক্স-সেভিং স্থায়ী আমানতে সবচেয়ে বেশি সুদ দিচ্ছে কোন ব্যাংক? 

    Tax-saving FDs: ট্যাক্স-সেভিং স্থায়ী আমানতে সবচেয়ে বেশি সুদ দিচ্ছে কোন ব্যাংক? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবীণ নাগরিকেরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ঝুঁকিবিহীন জায়গাতেই নিজেদের শেষ সঞ্চয়টুকু রাখতে পছন্দ করেন। মিউচুয়াল ফান্ড বা শেয়ার মার্কেটের মতো ঝুঁকিপূর্ণ আর্থিক বিকল্পগুলিতে টাকা রাখতে নারাজ। তাঁদের পছন্দের বিকল্পগুলির মধ্যে একটি হল স্থায়ী আমানত (FDs)। কারণ স্থায়ী আমানত কোনও আর্থিক ঝুঁকি ছাড়াই নিশ্চিত রিটার্ন দেয়। এছাড়া আরবিআই রেপো রেট বাড়ানোর ফলে স্থায়ী আমানতে সুদের হার বাড়িয়েছে ব্যাংকগুলি। তাই স্থায়ী আমানতে টাকা রাখলেই নিশ্চিত লাভ। দেশের এই প্রবীণ নাগরিকদের অন্যতম দুশ্চিন্তা বছর শেষের কর৷ ট্যাক্স-সেভিং স্থায়ী আমানত (Tax-saving FDs)আয়কর আইনের ধারা ৮০সি-এর অধীনে একটি আর্থিক বিকল্প, যা কর বাঁচানোর জন্য বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ভীষণ লাভজনক। ট্যাক্স সেভিং স্কিমে টাকা জমা রাখার ন্যূনতম মেয়াদ হল পাঁচ বছর।   

    স্থায়ী আমানতে টাকা জমা রাখার ক্ষেত্রে প্রবীণ নাগরিকদের বেশি হারে সুদ দেওয়া হয়। ট্যাক্স-সেভিং স্থায়ী আমানতে বেশি সুদ দেওয়ার পাশাপাশি প্রবীণ নাগরিকদের কর বাঁচাতেও সাহায্য করে। আয়কর আইনের ধারা ৮০সি অনুযায়ী ট্যাক্স-সেভিং এফডি-তে টাকা জমা রাখার জন্য ১.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ট্যাক্স ছাড় দেওয়া হয়। ট্যাক্স-সেভিং এফডির মেয়াদ হয় ৫ থেকে ১০ বছর। এই সময়ের আগে টাকা তুলতে পারবেন না উপভোক্তারা। 

    আরও পড়ুন: দুমাসে দুবার! ফের রেপো রেট বাড়াল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক, কতটা সমস্যায় মধ্যবিত্ত?
     
    যে ব্যাংকে সেভিংস অ্যাকাউন্ট রয়েছে, সেই ব্যাংকেই এফডি অ্যাকাউন্ট খোলার পরামর্শ দেওয়া হয়। অন্য কোথাও সুদের হার বেশি থাকলে এবং প্রতিষ্ঠানের প্রতি বিশ্বাসযোগ্যতা থাকলে সেখানেও খোলা যেতে পারে এফডি অ্যাকাউন্ট। ট্যাক্স-সেভিং এফডি-র মেয়াদপূর্তির পর সেই টাকা সেভিংস অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরিত হয়। 

    এই মুহূর্তে তিনটি রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংক ট্যাক্স-সেভিং এফডিতে প্রবীণ নাগরিকদের সবচেয়ে বেশি সুদ দিচ্ছে। এই তিন ব্যাংকে সুদের হার ৬.৮-৭.১%। জেনে নিন কোন কোন ব্যাংক। 

    আরও পড়ুন: অবসরের পর কর কমাবেন কীভাবে?

    ডিসিবি ব্যাংক: প্রবীণ নাগরিকদের ট্যাক্স-সেভিং স্থায়ী আমানতে এই ব্যাংকে সুদের হার ৭.১%। ১ হাজার টাকা থেকে দেড় লক্ষ টাকা অবধি একটি অ্যাকাউন্টে রাখা যাবে। লক-ইন পিরিয়ড পাঁচ বছরের। এছাড়া সাধারণ নাগরিকরা ৬.৬% হারে স্থায়ী আমানতে সুদ পাবেন। এই ব্যাংক স্থায়ী আমানতের ক্ষেত্রে অটো রিন্যুয়ালের সুবিধা দেয় না এবং স্থায়ী আমানত থেকে কোনও ঋণ নেওয়া যাবে না। ২১ মে থেকে লাগু হয়েছে এই সুদের হার। 

    ইয়েস ব্যাংক: এই ব্যাংক স্থায়ী আমানতে প্রবীণ নাগরিকদের ৭% সুদ দেয় এবং বাকিদের ৬.২৫% সুদ দেয়। একইভাবে ১ হাজার টাকা থেকে দেড় লক্ষ টাকা অবধি একটি অ্যাকাউন্টে রাখা যাবে। লক-ইন পিরিয়ড পাঁচ বছরের। ইন্টারনেট, ফোন ব্যাংকিং- এর মাধ্যমেও স্থায়ী আমানতের অ্যাকাউন্ট খোলা যায়। মেয়াদ শেষ হলে সেই টাকা আবার বিনিয়োগ করা যেতে পারে। ৬ জুন থেকে লাগু হয়েছে এই সুদের হার। 

    আরবিএল ব্যাংক: প্রবীণ নাগরিকদের ক্ষেত্রে স্থায়ী আমানতে এই ব্যাংকে সুদের হার ৬.৮% এবং অন্যান্যদের ৬.৩%। ৮ জুন থেকে লাগু হয়েছে এই সুদের হার। একশো টাকা থেকে দেড় লক্ষ টাকা অবধি একটি অ্যাকাউন্টে রাখা যাবে। লক-ইন পিরিয়ড পাঁচ বছরের। একজন নমিনি রাখা যাবে। 

     

     

     

  • Dinosaur Fossil: ৯৮ মিলিয়ন বছর পুরনো ডাইনোসরের জীবাশ্মের  সন্ধান পাওয়া গেল সাহারায়

    Dinosaur Fossil: ৯৮ মিলিয়ন বছর পুরনো ডাইনোসরের জীবাশ্মের সন্ধান পাওয়া গেল সাহারায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডাইনোসর বিশ্বের বিলুপ্ত প্রাণী। কিন্তু ডাইনোসরকে নিয়ে মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। এরইমধ্যে এক আশ্চর্যকর তথ্য ঘোষণা করলেন ইজিপসিয়ান-আমেরিকার গবেষকদের দল। তাঁরা জানান, গত বুধবার, ইজিপ্টের (Egypt) সাহারা মরুভূমির (Sahara Desert) বাহারিয়া নামক জায়গা থেকে ৯৮ মিলিয়ন পুরনো নতুন প্রজাতির ডাইনোসরের জীবাশ্ম উদ্ধার করা হয়েছে। এই বাহারিয়া ফরমেশন জায়গাটি জীবাশ্মের জন্য বিখ্যাত ও এখানে এর আগেও বিভিন্ন প্রজাতির জীবজন্তুর জীবাশ্ম উদ্ধার করা হয়েছে। এবারে এখানে খননকার্য চালিয়ে এই নতুন প্রজাতির ডাইনোসরের জীবাশ্ম উদ্ধার করেছেন। যদিও এই প্রজাতির নামকরণ এখনও করা হয়নি, তবে এটি থেরোপডস প্রজাতির আবেলিসৌরিদ (abelisaurid) গোষ্ঠীর অন্তর্গত এবং যেই পাথরে এই জীবাশ্মটি পাওয়া গিয়েছে সেটি ক্রিটেশিয়াস (Cretaceous) যুগের।

    আরও পড়ুন: গ্রহাণুর আঘাতেই কি বিলুপ্ত হয়েছে ডায়নোসর? নিদর্শন মিলল ফসিল সাইটে

    এই গবেষনার লিডার জানিয়েছেন যে, এই আবিষ্কারের একটি আশ্চর্যকর তথ্য হল যে, এই জায়গাতেই একসঙ্গে অনেক মাংসাশী ডাইনোসর একই সময়ে বসবাস করতে সক্ষম ছিলেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, মধ্য ক্রিটেশিয়াস যুগে এই বাহারিয়া মরুদ্যানটি (Bahariya Oasis) পৃথিবীর অন্যতম ভয়ঙ্কর জায়গা ছিল। একই সময়ে একসঙ্গে অনেক বিশালাকৃতির ডাইনোসর কিভাবে বসবাস করতে পারত, সেটিই একটি বিস্ময়কর ব্যাপার। যদিও ধারণা করা হয়েছে, তাদের শিকার হয়ত বিভিন্ন ধরণের ছিল বলেই তারা একসঙ্গে বসবাস করতে পারত। গবেষকরা জানিয়েছেন, বাহারিয়াতে এটিই শুধুমাত্র উদ্ধার করা হয়নি, এর আগেও এই জায়গা থেকে অনেক জীবাশ্ম উদ্ধার করা হয়েছে।

    এই নতুন প্রজাতির ডাইনোসরের জীবাশ্ম থেকে বোঝা যায়, এটির দৈর্ঘ প্রায় ৬মিটার। এর মুখ বুলডগের মুখের ন্যায় ও এর ছোট আকৃতির দাঁত ও  ছোট হাত ছিল। এই আবেলিসৌরিদ গোষ্ঠীর জীবাশ্ম উদ্ধারের পর জানা যায়, এই জায়গায় একসময়ে এর চেয়েও বড় আকৃতির ডাইনোসর ঘুরে বেড়াত। ২০২২ সালেও এত বছর পুরনো ডাইনোসরের জীবাশ্ম পাওয়ার পর মানুষের কৌতূহল আরও বেড়ে গিয়েছে এবং ভবিষ্যতে আর কী কী উদ্ধার করা হবে তা নিয়েই বিশেষ আগ্রহী হয়ে পড়েছে মানুষ।

    আরও পড়ুন: বিলুপ্তির ৭০ বছর পর ফের ভারতে আসতে চলেছে চিতা?

     

  • CBI Quizzes Rujira Banerjee: কয়লাকাণ্ডে রুজিরাকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের, করা হল কোন প্রশ্ন?

    CBI Quizzes Rujira Banerjee: কয়লাকাণ্ডে রুজিরাকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের, করা হল কোন প্রশ্ন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার কাণ্ডে (Coal Smuggling Scam) এবার তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Rujira Banerjee) জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের (CBI)। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ অভিষেকের কলকাতার বাড়ি শান্তিনিকেতনে হাজির হন কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। এদিন সিবিআইয়ের চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল যান রুজিরা বাড়িতে। এই চারজনের মধ্যে দুজন মহিলা। এদিকে, এদিনই প্রচারের কাজে ত্রিপুরা গিয়েছেন অভিষেক।  

    কয়লা, গরুপাচার, এসএসসি দুর্নীতির তদন্তরত অফিসারকে কেন সরিয়ে দিল সিবিআই?

    সিবিআই সূত্রে খবর, এদিন রুজিরাকে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন করা হয়। তার মধ্যে ছিল কয়লা পাচারের টাকা কোন কোন ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে গিয়েছিল? কোন কোন প্রভাবশালী ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা এসেছিল? কারা লাভবান হয়েছেন?

    সম্প্রতি অভিষেক ও রুজিরাকে চিঠি দিয়েছিল সিবিআই। ওই চিঠিতে গোয়েন্দারা জানতে চান, তাঁরা কবে সিবিআইয়ের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন? সেই চিঠির উত্তর পেয়েই এদিন সটান শান্তিনিকেতনে হাজির হয় সিবিআই।

    সিবিআইয়ের এদিনের জেরার আগে দিল্লিতে ইডি-র জেরার মুখে পড়েছিলেন অভিষেক। সেবার তাঁকে মূলত কয়লা পাচারকাণ্ডের টাকাপয়সার বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়।

    আরও পড়ুন : এবার কয়লা পাচারকাণ্ডে তৃণমূল বিধায়ক সওকত মোল্লাকে তলব সিবিআইয়ের

    কয়লাপাচার কাণ্ডে জেরা করতে অভিষেক ও তাঁর স্ত্রীকে দিল্লিতে তলব করেছিল সিবিআই।এর পরেই দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। তিনি জানিয়েছিলেন, করোনা পরিস্থিতিতে সন্তানদের ছেড়ে দিল্লিতে গিয়ে সিবিআইয়ের মুখোমুখি হওয়া সম্ভব নয় রুজিরার পক্ষে। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের সেই আর্জি খারিজ করে দেওয়া হয়। এর পর সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। দেশের শীর্ষ আদালত জানিয়ে দেয়, অভিষেক ও তাঁর স্ত্রীকে জেরা করা হোক কলকাতায়। সেই মতো এদিন তাঁর বাড়িতে হাজির হয় সিবিআই। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সিবিআই কর্তা বলেন, মামলার বিষয়ে আমরা কিছু নতুন তথ্য পেয়েছি। তার জন্য ফের রুজিরার বক্তব্য রেকর্ড করার প্রয়োজন রয়েছে।

    প্রসঙ্গত, কয়লা পাচারকাণ্ডে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার জিজ্ঞাসাবাদ করা হল রুজিরাকে। এর আগে চলতি বছরের মার্চ মাসে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হয়েছিলেন অভিষেক-পত্নী।

     

     

  • Rajya Sabha Polls Update: রাজ্যসভা নির্বাচনে ১৬-র মধ্যে ৮ আসনে জয়ী বিজেপি

    Rajya Sabha Polls Update: রাজ্যসভা নির্বাচনে ১৬-র মধ্যে ৮ আসনে জয়ী বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভার (Rajya Sabha) ১৬টি আসনের মধ্যে বিজেপির (BJP) দখলে এল ৮। বাকি ৭টি আসনের রাশ গিয়েছে কংগ্রেস (Congress)-এনসিপি (NCP)-শিবসেনা (Shivsena) জোটের দখলে। বিজেপি সমর্থিত নির্দল প্রার্থী জয়ী হয়েছেন একটি আসনে।

    ১৫টি রাজ্য মিলিয়ে রাজ্যসভার মোট ৫৭টি আসনে ভোট হওয়ার কথা ছিল ১০ জুন। ৪১ জন প্রার্থী আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়ে যাওয়ায় এদিন ভোট হয়েছে ১৬টি আসনে। নির্বাচনে মহারাষ্ট্র, হরিয়ানা, কর্নাটক ও রাজস্থান চার রাজ্যে নিয়োগ করা হয়েছে বিশেষ পর্যবেক্ষক। পুরো ভোটপর্ব ভিডিওগ্রাফি করা হয়েছে। চার রাজ্যের ১৬টি আসনে ভোট হলেও, জোর লড়াই হয়েছে মূলত রাজস্থান ও মহারাষ্ট্রে।

    আরও পড়ুন : টানটান উত্তেজনায় শেষ রাজ্যসভা নির্বাচন, হল ক্রস ভোটিংও

    এদিন ক্রসভোটিংয়ের সম্ভাবনা ছিল। হয়েছেও তাই। কর্নাটকে জনতা দল সেকুলারের (JDS) দুই বিধায়ক ভোট দিয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থীকে। ভোটপর্ব শুরু হয়েছিল সকাল ৯টায়। শেষ বিকেল ৪টায়। বিকেল পাঁচটায় শুরু হয় গণনা। ফল প্রকাশ হতেই দেখা যায়, ১৬টি আসনের মধ্যে বিজেপি প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন ৮টি আসনে। বাকি ৭টিতে কংগ্রেস। বিজেপি সমর্থিত এক নির্দল প্রার্থীও জয়ী হয়েছেন।

    যে ১৬টি আসনে ভোট হয়েছে, তার মধ্যে মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) আসন সংখ্যা ৬। রাজস্থান ও কর্নাটকে ৪টি করে আসন। আর দুটি আসন হরিয়ানায় (Haryana)। গণনা শেষ হয় মধ্য রাতে। তখনই জানা যায়, মহারাষ্ট্রের তিনটি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি। কংগ্রেস-এনসিপি-শিবসেনা জোট জয়ী হয়েছে একটি আসনে। হরিয়ানায় বিজেপি জিতেছে একটি আসন। আর বিজেপি সমর্থিত নির্দল প্রার্থী জয়ী হয়েছেন একটি আসনে।

    আরও পড়ুন : রাজ্যসভা নির্বাচনে প্রথম ১৬ জনের তালিকা প্রকাশ বিজেপির, কারা পেলেন জায়গা?

    রাজস্থানের (Rajasthan) কুর্সিতে রয়েছে কংগ্রেস। সেখানে তিনটি আসনে জয়ী হয়েছে সোনিয়া গান্ধীর (Sonia Gandhi) দল। একটি আসনে জয়ী হয়েছেন পদ্ম-প্রার্থী। কর্নাটকে (Karnataka) রাজ্যসভার তিনটি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি। আর কংগ্রেস পেয়েছে একটি আসন।

    আগামী মাসেই রয়েছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (Presidential Polls)। তাই রাজ্যসভার এই নির্বাচন শাসক এবং বিরোধী দু পক্ষের কাছেই ছিল গুরুত্বপূর্ণ। এর ফলে রাজ্যসভায় স্বভাবতই শক্তি বাড়ল বিজেপির। শক্তি খোয়াল কংগ্রেস। প্রত্যাশিতভাবেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অ্যাডভান্টেজ বিজেপি!

     

  • Akasa Air: আজ থেকেই টিকিট বুকিং শুরু ভারতের নয়া বিমান সংস্থা ‘আকাশা এয়ার’-এর

    Akasa Air: আজ থেকেই টিকিট বুকিং শুরু ভারতের নয়া বিমান সংস্থা ‘আকাশা এয়ার’-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে বহু প্রতীক্ষিত আকাশা এয়ার (Akasa Air) বিমান সংস্থার পরিষেবা। আর কয়েকদিনের মধ্যেই শুরু হবে আকাশা এয়ারের উড়ান। স্বাধীনতা দিবসের ঠিক এক সপ্তাহ আগে অর্থাৎ ৭ অগাস্ট থেকে উড়ান নিতে চলেছে আকাশা বিমান সংস্থার বিমান। আজ থেকে অর্থাৎ ২২ জুলাই থেকেই এই এয়ারলাইন্সের টিকিট বুকিং শুরু হয়েছে। বর্তমানে আহমেদাবাদ, বেঙ্গালুরু, মুম্বই ও কোচির মধ্যে চলা বিমানের জন্যই টিকিট বুকিং করতে পারবে যাত্রীরা। 

    রাকেশ ঝুনঝুনওয়ালা (Rakesh Jhunjhunwala) সমর্থিত বিমান সংস্থাটি আগেই আকাশা এয়ার সংস্থার পরিষেবা শুরু করার জন্যে DGCA-এর থেকে সার্টিফিকেট পেয়ে গিয়েছে আকাশা এয়ারলাইন। এবারে শুধু এর পরিষেবা শুরু হওয়ার পালা। জানা গিয়েছে, ৭ অগাস্টে প্রথম বিমানটি মুম্বই-আহমেদাবাদ রুটে চলবে। অন্যদিকে, বেঙ্গালুরু-কোচি রুটে বিমান চলা শুরু হবে ১৩ অগাস্ট থেকে। কোম্পানির তরফে শুক্রবার জানানো হয়েছে, ২৮ টি বিমানের জন্য টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ফের বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি, পাকিস্তানের মাটিতে জরুরি অবতরণ ইন্ডিগোর বিমানের

    খবরসূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার ছাড়া প্রতিদিনই মুম্বই ও আহমেদাবাদের মধ্যে বিমান চলাচল হবে। ১০টা ৫ মিনিটে যাতায়াতকারী মুম্বই থেকে আহমেদাবাদের বিমানের টিকিটের মূল্য ৪৩১৪ টাকা। আমেদাবাদ থেকে মুম্বই যাওয়ার টিকিটের দাম ৩৯০৬ টাকা। আবার যেগুলো দুপুরের দিকে মুম্বই থেকে আহমেদাবাদগামী বিমান, সেগুলোর টিকিটের দাম বেশি। একইভাবে কোচি ও বেঙ্গালুরুর মধ্যে চলা বিমানের টিকিটের দাম ৩৪৮৩ থেকে শুরু হচ্ছে।

    জানা গিয়েছে এই বিমান সংস্থার প্রতিটি রুটেই বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স (Boeing 737 MAX) বিমান চলবে। আকাশার বিমানের টিকিট বুকিং বিভিন্ন মোবাইল অ্যাপ, আকাশার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট  www.akasaair.com, ট্র্যাভেল এজেন্টদের থেকেও করতে পারবেন। এছাড়াও ক্যাফে আকাশা (Café Akasa) নামে অন বোর্ড খাবারের জন্য ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: করাচিতে জরুরি অবতরণ, কী হল দুবাইগামী স্পাইসজেটের বিমানে? 

  • CBSE Results 2022: দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার ফল প্রকাশ করল সিবিএসই, পাশের হার ৯২.৭১% 

    CBSE Results 2022: দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার ফল প্রকাশ করল সিবিএসই, পাশের হার ৯২.৭১% 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষে দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার ফল (CBSE Results 2022) প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় বোর্ড সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (CBSE)। অন্যান্য বোর্ডগুলি ফল প্রকাশ করে দিলেও, দেরি করছিল সিবিএসই। এদিকে কলেজগুলিতে ভর্তিও শুরু হয়ে গিয়েছে। তাই এই নিয়ে পড়ুয়াদের এবং অভিভাবকদের চিন্তার শেষ ছিল না। সেই দুশ্চিন্তার অবসান হল আজ। 

    আরও পড়ুন: বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে স্নাতক স্তরে ভর্তির শেষ তারিখ চূড়ান্ত না করার আর্জি ইউজিসির 

    পরীক্ষায় মোট পাশের হার ৯২.৭১ শতাংশ। পাশের নিরিখে ছাত্রদের থেকে এগিয়ে আছেন ছাত্রীরা। মেয়েদের পাশের হার যেখানে ৯৪.৫৪ শতাংশ, সেখানে ছাত্রদের পাশের হার ৯১.২৫ শতাংশ। রূপান্তরকামী পরীক্ষার্থীদের ১০০ শতাংশই পাশ করেছেন।  এবছর ৩৩ হাজার ৪৩২ জন ৯৫ শতাংশের ওপরে নম্বর পেয়েছেন। 

    আরও পড়ুন: জেইই মেইন সেশন ২ – এর অ্যাডমিট কার্ড প্রকাশ করল এনটিএ, জানুন বিস্তারিত  

    cbse.gov.in এবং result.cbse.nic.in – এই লিঙ্কে রেজাল্ট দেখতে পারবেন সিবিএসই বোর্ডের পড়ুয়ারা। বোর্ডের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, দুটি ওয়েবসাইটে রোল নম্বর এবং স্কুলের নম্বর ব্যবহার করে রেজাল্ট ডাউনলোড করা যাবে। বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, দুপুর ২টোর পরেই প্রকাশ করা হবে দশম শ্রেণির ফল। উমঙ্গ এবং ডিজিলকার অ্যাপে দল দেখা যাবে।   

    কেরলের তিরুঅনন্তপুরমে রেকর্ড সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী পাশ করেছেন। সেখানে পাশের হার ৯৮.৮৩%। তারপরেই রয়েছে বেঙ্গালুরু। সেখানে পাশের হার ৯৮.১৬%। চেন্নাই রয়েছে তৃতীয় স্থানে। পাশের হার ৯৭.৭৯%। দিল্লিতে পাশের হার ৯৬.২৯%। পাশের সংখ্যা সবচেয়ে কম উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে। সেখানে পাশের হার ৮৩.৭১%।

    [tw]


    [/tw]
      
    ১৫ জুন শেষ হয়েছে দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা। কোভিড অতিমারি ফের হানা দিতে পারে এই ভয়ে, শিক্ষাবর্ষকে দু’ভাগে ভাগ করা হয়েছিল। প্রতিটি টার্মে ৫০ শতাংশ করে সিলেবাস সম্পূর্ণ করা হয়েছিল। তাই দুটি টার্মের আলাদা আলাদা ফল প্রকাশ করেছে সিবিএসই। প্রথম টার্মের ফল ইতিমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে। এবার দুই টার্ম মিলিয়ে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করল বোর্ড। 

     

  • Commonwealth Games: হতাশ সৌরভ! কমনওয়েলথ ক্রিকেটে রুপো হরমনপ্রীতদের, সোনার স্বাদ পেলেন নিখাত, শরথ-সৃজারা

    Commonwealth Games: হতাশ সৌরভ! কমনওয়েলথ ক্রিকেটে রুপো হরমনপ্রীতদের, সোনার স্বাদ পেলেন নিখাত, শরথ-সৃজারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কমনওয়েলথ গেমসে (Commonwealth Games 2022) সোনার আশা জাগিয়েও রুপো নিয়ে দেশে ফিরছেন হরমনপ্রীত কৌররা। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ফাইনালে ভারতের এই হার মেনে নিতে পারছেন না প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক তথা বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর মতে, খেলা হরমনপ্রীতদের হাতে ছিল। সেখান থেকে হারায় হতাশা আরও বেশি হবে ভারতীয় দলের। অস্ট্রেলিয়ার কাছে ভারতের হারের পরে ট্যুইট করেন সৌরভ। রুপো জয়ের জন্য ভারতীয় মহিলা দলকে শুভেচ্ছা জানালেও নিজের হতাশা লুকিয়ে রাখতে পারেননি তিনি। সৌরভ লেখেন, ‘রুপো জেতার জন্য ভারতীয় মহিলা দলকে শুভেচ্ছা। কিন্তু ওরা হতাশ হয়ে দেশে ফিরবে। কারণ খেলা ওদের হাতে ছিল।’

    কমনওয়েলথ গেমসের আসর থেকে ভারতকে ১৭তম সোনা  এনে দিলেন নিখাত জারিন। মহিলাদের বক্সিংয়ের লাইট ফ্লাইওয়েট বিভাগে (৪৮-৫০ কেজি) সোনা জিতলেন নিখাত। ফাইনালে হারালেন নর্দান আয়ারল্যান্ডের কার্লি এমসি নাউলকে। ইস্তানবুলে আয়োজিত গত বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপে মহিলাদের ফ্লাইওয়েট বিভাগে সোনা জিতেছিলেন নিখাত। সেই থেকেই স্বপ্ন দেখা শুরু। এদিন নর্দান আয়ারল্যান্ডের প্রতিযোগীকে একের পর এক শক্তিশালী ঘুসিতে ঘায়েল করে দেন নিখাত। ফাইনালের পাঁচ বিচারকই ভারতীয় মহিলা বক্সারের পক্ষে রায় দিয়েছেন। রবিবার নিখাতের হাত ধরে এল বক্সিংয়ে ভারতের তৃতীয় সোনা। 

    আরও পড়ুন: আজ পাঁচটি সোনার হাতছানি! কমনওয়েলথের শেষ দিনে ভারতের বাজি সিন্ধু, শরথ কমলরা

    টেবিস টেনিসের ডাবলসে সোনা জয়ের স্বপ্ন পূরণ হল না অচিন্ত্য শরথ কমল-সাথিয়ান জ্ঞানশেখরন জুটির। ফাইনালে উঠলেও সোনা অধরা থাকল। রুপো নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হল শরথ-সাথিয়ান জুটিকে। ফাইনালে তাঁরা দুরন্ত লড়াই করেও ২-৩ গেমে হেরে গেলেন ইংল্যান্ডের পল ড্রিঙ্কহল-লিয়াম পিচফোর্ড জুটির কাছে। 

    তবে ডাবলসের খিদে মিক্সড ডাবলসে মেটালেন শরথ। সৃজা আকুলাকে নিয়ে শরথ কমল দেশকে এনে দিলেন এবারের গেমসের অষ্টাদশ সোনাটি। মিক্সড ডাবলসের ফাইনালে তাঁদের প্রতিপক্ষ ছিল মালয়েশিয়ার জুটি। জাভেন চুং ও কারেন লিনের বিরুদ্ধে আগাগোড়া দাপট বজায় রাখলেন শরথ ও সৃজা। ভারতীয় জুটির জয় এলো ১১-৪, ৯-১১, ১১-৫, ১১-৬ ব্যবধানে।

    অন্যদিকে, ২০০৬ সালে মেলবোর্নে রুপো জয়ের ১৬ বছর পর ভারতীয় মহিলা হকি (Indian women hockey team) দল আবারও কমনওয়েলথ গেমসে পদক জিতল। রবিবার ব্রোঞ্জ পদকের ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে টাই ব্রেকারে ২-১ হারাল ভারতীয় দল। গত ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টাই ব্রেকারে হেরেই সোনা জেতার স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল ভারতীয় মহিলা হকি দলের। ভারতের হয়ে অসাধারণ পারফর্ম করলেন দলের গোলকিপার তথা অধিনায়িকা সবিতা পুনিয়া (Savita Punia)। 

  • Partha Chatterjee: অ্যারেস্ট মেমোয় মমতার নাম-নম্বর লিখলেন কেন পার্থ? জড়িয়ে দিতে নাকি বিপদের বন্ধু হিসাবে

    Partha Chatterjee: অ্যারেস্ট মেমোয় মমতার নাম-নম্বর লিখলেন কেন পার্থ? জড়িয়ে দিতে নাকি বিপদের বন্ধু হিসাবে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি কেলেঙ্কারিতে (SSC scam) ইডি’র (ED) হাতে গ্রেফতারির সময় অ্যারেস্ট মেমোয় (Arrest Memo) মুখ্যমন্ত্রী মমতা (Mamata) বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম ও মোবাইল নম্বর লিখে দিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী তথা প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। যা নিয়ে তোলপাড় তৃণমূলের অন্দরের রাজনীতি। শুধু নাম লেখাই নয়, গ্রেফতারির রাতে ২টো থেকে সকাল পর্যন্ত অন্তত চার বার মুখ্যমন্ত্রীকে ফোনও করেছিলেন পার্থবাবু। এখানেই শেষ নয়। পরের দিন স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জানিয়েও দেন, মুখ্যমন্ত্রীকে ফোনে চেষ্টা করেও যোগাযোগ করতে পারেননি তিনি।

    ইডির জেরার মুখে পার্থবাবু যে দিব্যি সচেতন রয়েছেন তা তদন্তকারী সংস্থা আদালতেই জানিয়েছে। তল্লাশি ও জেরা পর্বে পার্থবাবুর আইনজীবীও সঙ্গে ছিলেন। ফলে অ্যারেস্ট মেমোয় মুখ্যমন্ত্রীর নাম জুড়ে দেওয়া নেহাৎই কাকতালীয় নয় বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট পক্ষ। পার্থবাবুর ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, স্ত্রী ও মা মারা যাওয়ার পর নাকতলার বাড়িতে একাই থাকতেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। তাঁর মেয়ে-জামাই বিদেশে থাকেন। ফলে মুখ্যমন্ত্রী ছাড়া তাঁর নিকটতম আর কেই বা আছেন? মুখ্যমন্ত্রীর ডাকেই তো তিনি চাকরি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। তিনি দলের মহাসচিব, ফলে দল এসএসসি কেলেঙ্কারির পর তাঁকে ছেড়ে দিতে চাইলেও তিনি তো দল ছাড়তে পারবেন না। সে ক্ষেত্রে তৃণমূলে তাঁর একমাত্র যোগসূত্র রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অ্যারেষ্ট মেমোয় তাঁর নাম সেই কারণেই দিয়েছেন বলে পার্থবাবুর ঘনিষ্ঠ আইনজীবীরা মাধ্যমকে জানিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: হুইল চেয়ারে আইসিসিইউ রোগী! পার্থকে দেখে বিস্মিত হৃদরোগ চিকিৎসকদের একাংশ

    অনেকে আবার এরমধ্যে রাজনীতিও খুঁজছেন। তাঁদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিক্ষক নিয়োগ (Teacher Recruitment) নিয়ে বিধায়কদের মধ্যে যে কোটা ভাগ করে দেওয়া হয়েছিল তা এখন দিনের আলোর মতোই স্পষ্ট। কয়েক জন বিধায়কের প্যাডে সই করা চাকরি প্রার্থীদের নামের তালিকা আদালতে পর্যন্ত জমা পড়েছে। পার্থবাবুর ঘনিষ্ঠদের দাবি, শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ নিয়ে যা হয়েছে তা দলের সর্বোচ্চস্তরের সিদ্ধান্ত ছিল। গত নভেম্বরে যখন প্রথম কলকাতা হাইকোর্ট এ নিয়ে নাড়াচাড়া শুরু করে তখনই পার্থবাবু অশণি সঙ্কেত দেখেছিলেন। দলও সেই সময় থেকে পার্থবাবুর সঙ্গে দূরত্ব বাড়াতে থাকে। এমনকি বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে শিল্পমন্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও পার্থবাবুর ভূমিকা সেভাবে চোখে পড়েনি।

    তৃণমূলের দলীয় সূত্রের খবর, পরিস্থিতি বেগতিক বুঝতে পেরে পার্থবাবু দলের অন্দরে বার্তা দেন, যদি এসএসসি কেলেঙ্কারি নিয়ে দল তাঁর পাশে না দাঁড়ায় তা হলে তিনিও মুখ খুলতে বাধ্য হবেন। এর পর দলের তরফে আইন মন্ত্রী মলয় ঘটককে বিষয়টি নিয়ে তৎপর হতে বলা হয়। ঘটনাচক্রে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের রায়ের উপর কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ স্থগিতাদেশ গিয়ে বিচারপতি রণজিৎ বাগ কমিটির তদন্ত রিপোর্ট পেশ করতে নির্দেশ দেয়। সেই কমিটির সামনে রাজ্যের স্কুল শিক্ষা সচিব জানিয়ে দেন, সব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। যার প্রেক্ষিতে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চও সিবিআই তদন্ত বজায় রাখে।

    আরও পড়ুন: কেন অমর্ত্য সেন নিচ্ছেন না বঙ্গবিভূষণ? বিদেশে থাকার জন্যই কি, না অন্য কারণ?

    পার্থবাবু ক্রমেই বুঝতে পারছিলেন চাকরি চুরির মামলায় তাঁর পরিণতি ভাল হবে না। ঘনিষ্ঠ মহলে বলেও রেখেছিলেন, যদি দলের সমর্থন না থাকে, তা হলে মুখ খুলতে বাধ্য হব। তাঁর কাছেও যে নবান্ন (Nabanna) থেকে পাঠানো তালিকা রয়েছে সে কথাও ঠারেঠোরে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন অনেককেই। গ্রেফতারির পর অ্যারেস্ট মেমোয় মমতার নাম লিখে মহাসচিব শুধু মুখ্যমন্ত্রীকে জড়িয়েই নেননি, উল্টে পাল্টা চাপও তৈরি করেছেন। যার মোদ্দা কথা হল, শিক্ষক নিয়োগের কোটা পদ্ধতিতে টাকা তোলার সিদ্ধান্ত ছিল দলগত, তাই গ্রেফতারির নথিতেও সেই দাগ যেন রেখে গেলেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। যদিও ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করে দিয়েছিলেন, জেনে বুঝে কেউ ভুল করলে শাস্তি পেতে হবে। তবে অজান্তে ভুল করলে শুধরে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত। অ্যারেস্ট মেমোয় মমতা জেনেবুঝে ভুল, নাকি অজান্তে ভুল তা ইডি যখন তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাবে তখনই স্পষ্ট হবে।

  • SC on Pregnancy Termination: অবিবাহিত মহিলাকে গর্ভপাতের অনুমতি দিল শীর্ষ আদালত

    SC on Pregnancy Termination: অবিবাহিত মহিলাকে গর্ভপাতের অনুমতি দিল শীর্ষ আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবিবাহিত মহিলাকে গর্ভপাতের অনুমতি দিল শীর্ষ আদালত। বৃহস্পতিবার গর্ভপাত (Abortion) নিয়ে একটি অন্তর্বতীকালীন নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court of India)। সেই নির্দেশে বলা হয়েছে অবিবাহিত মহিলাদের গর্ভবতী অবস্থায় লিভ-ইন সম্পর্কে (Live in Relation) থেকে বেরোনোর ২৪ সপ্তাহের মধ্যে গর্ভপাতের অনুমতি দিতে হবে।

    আরও পড়ুন: ‘ভ্রূণ হত্যার সামিল!’ গর্ভপাতের অনুমতি নাকচ দিল্লি হাইকোর্টের, সুপ্রিম কোর্টে তরুণী

    সম্প্রতি গর্ভপাত নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের (Delhi High Court) রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন ২৫ বছর বয়সী মহিলা। তাঁর দাবি ছিল, তিনি অবিবাহিত এবং আর্থিক ভাবেও সচ্ছল নন। এছাড়াও তাঁর সঙ্গী তাঁকে বিয়ে করতে অস্বীকার করেছেন। গর্ভধারণের ২০ সপ্তাহ পেরিয়ে যাওয়ায় গর্ভপাতের আর্জি জানিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ওই মহিলা। কিন্তু তাঁকে গর্ভপাতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি হাইকোর্ট। দিল্লি হাইকোর্টের তরফ থেকে বলা হয়, এই সময় গর্ভপাতের অনুমতি দেওয়া মানে ভ্রূণ হত্যার সমান। তারপরেই শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন মহিলা। 

    আরও পড়ুন: প্রতীক্ষার অবসান, শেষমেশ সুপ্রিম কোর্টে চেম্বার পেলেন ধনখড়

    এবার ওই মহিলাকে গর্ভপাতের অনুমতি দিল শীর্ষ আদালত। দিল্লি এইমসের এক বিশেষ মেডিক্যাল বোর্ডের সঙ্গে আলোচনার পর শীর্ষ আদালত এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে, যে এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কোনও ঝুঁকি ছাড়াই গর্ভপাত করা যেতে পারে। বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় ও বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, বিষয়টিতে দিল্লি হাইকোর্ট ‘অযথা’ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এদিনের পর্যবেক্ষণে বিশেষভাবে অবিবাহিত মহিলাদের ওপর জোর দিয়েছে আদালত। আদালত বলেছে, যেহেতু আবেদনকারী অবিবাহিতা, তাই তাঁকে গর্ভধারণের জন্যে বাধ্য করা যেতে পারে না।  

    সম্প্রতি সরকারের নতুন নিয়ম অর্থাৎ মেডিকেল টার্মিনেশন অফ প্রেগনেন্সি আইন ২০২১ অনুযায়ী গর্ভপাতের সময়সীমা ২০ সপ্তাহ থেকে বাড়িয়ে ২৪ সপ্তাহ করা হয়েছে। কিন্তু সেক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি নিয়ম প্রযোজ্য হতে হবে, যেমন কোনও মহিলা যদি যৌন নিপীড়ন বা ধর্ষণের শিকার হন, বিধবা, বিবাহ বিচ্ছেদ, প্রতিবন্ধী, মানসিকভাবে অসুস্থ, ভ্রূণের বিকৃতি প্রভৃতি ক্ষেত্রে গর্ভপাতের অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু অবিবাহিত মহিলার ক্ষেত্রে ওই আবেদন খারিজ করে দেয় দিল্লি হাইকোর্ট। 

    সুপ্রিম কোর্টের কাছে ওই অবিবাহিত মহিলা তাঁর ২৩ সপ্তাহ ৫ দিনের গর্ভাবস্থা থেকে মুক্তি পেতে গর্ভপাতের আবেদন জানিয়েছিলেন। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, মহিলার যদি প্রাণের কোনও ঝুঁকি না থাকে তবে তিনি চিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়ে গর্ভপাত করাতে পারবেন এবং তাঁর রিপোর্ট আদালতে পেশ করতে হবে।   

     

LinkedIn
Share