Blog

  • SSC Scam: এবার পার্থর পকেটেও কাট ছাঁট! জানেন কত হল প্রাক্তন মন্ত্রীর এখনকার বেতন?

    SSC Scam: এবার পার্থর পকেটেও কাট ছাঁট! জানেন কত হল প্রাক্তন মন্ত্রীর এখনকার বেতন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলবন্দি বিধায়ক পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে কড়া অবস্থান নিয়েছে শাসকদল৷ মন্ত্রিসভা থেকে ছেঁটে ফেলার পর দলের সমস্ত পদ থেকেও বরখাস্ত করা হয়েছে তাঁকে৷ এমনকী তৃণমূল থেকেও সাসপেন্ড করা হয়েছে প্রাক্তন মহাসচিবকে৷ এবার বেতনে কোপ পড়ল পার্থের৷ বিধানসভা সচিবালয় সূত্রে খবর, অন্যান্য বিধায়কদের তুলনায় ৬০ হাজার টাকা কম বেতন পাবেন তিনি৷ 

    নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Bengal Recruitment Scam) এই মুহূর্তে প্রেসিডেন্সি জেলে রয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় । এক সময় তিনি রাজ্য মন্ত্রিসভার দু’নম্বর ব্যক্তি হলেও এখন তিনি আর মন্ত্রী নন। সম্প্রতি বিধানসভার তরফ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে দুর্নীতির অভিযোগ মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে বিধানসভার কোনও কমিটিতে রাখা হবে না। এর প্রভাব পড়েছে তাঁর বেতনেও।  বিধানসভায় মোট ৪১টি কমিটি রয়েছে। প্রত্যেক বিধায়ককে ন্যূনতম দুটি কমিটিতে রাখা হয়, যাতে তাঁরা মাসে সর্বোচ্চ ৬০ হাজার টাকা বৈঠক-ভাতা নিশ্চিত করতে পারেন৷ 

    আরও পড়ুন: সিবিআই হেফাজতে আসতে পারেন পার্থ! ১৩১টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সন্ধান

    বিধায়করা মাসিক ২১ হাজার ৮৭০ টাকা মূল বেতন পেয়ে থাকেন, কোনওরকম ভাতা ছাড়া। এরপর যদি কোনও বিধায়ক পরিষদীয় কমিটির মিটিংগুলিতে যোগদান করেন, তবে ভাতা হিসেবে সর্বোচ্চ ৬০ হাজার টাকা পেয়ে থাকেন। সেক্ষেত্রে তাঁর মোট বেতন গিয়ে দাঁড়ায় ৮২ হাজার টাকা। তৃণমূল পরিষদীয় দলের এক সদস্যের কথায়, “পার্থ এখন জেলে রয়েছেন৷ উনি কবে আবার বিধানসভায় এসে কাজে যোগ দিতে পারবেন, তার কোনও ঠিক নেই। তাই তাঁকে কমিটিতে রাখারও কোনও মানে হয় না৷ এর চেয়ে যে সকল বিধায়ক নিয়মিত বৈঠকে যোগ দিতে পারবেন,  তাঁদেরকেই সুযোগ দেওয়া উচিত।”

    এমনিতেই সময় ভালো যাচ্ছে না রাজ্যের প্রাক্তন শিল্পমন্ত্রীর। ইডি (ED)-র জেরার মুখে পড়েছেন ৷ তাঁর একের পর এক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সিল করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এদিকে মন্ত্রিত্ব হারিয়ে বিগত দিন যে পরিমাণ বেতন পেতেন, তাও কমেছে পার্থর। সবমিলিয়ে এখন পার্থের শিরে-সংক্রান্তি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Co-operative Bank Recruitment Scam: এবার রাজ্যের সমবায় ব্যাংক নিয়োগেও দুর্নীতি! জড়াল মন্ত্রী অরূপ রায়ের নাম

    Co-operative Bank Recruitment Scam: এবার রাজ্যের সমবায় ব্যাংক নিয়োগেও দুর্নীতি! জড়াল মন্ত্রী অরূপ রায়ের নাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দমকলের পর এবার রাজ্যের সমবায় ব্যাংক নিয়োগেও লাগল দুর্নীতির ছায়া। শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি (Teachers Recruitment scam) নিয়ে একের পর এক অভিযোগ সামনে এসেছে রাজ্যে। মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক বা প্রাথমিক থেকে শিক্ষাকর্মী সর্বত্রই নিয়োগ দুর্নীতিতে জেরবার তৃণমূল সরকার। এবার ব্যাংকে নিয়োগের ক্ষেত্রেও দুর্নীতির অভিযোগ উঠল।  তমলুক – ঘাটাল কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংকে (Co Operative Bank) মন্ত্রী ও চেয়ারম্যান ঘনিষ্ঠদের বেআইনিভাবে চাকরি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এই বিষয়ে বৃহস্পতিবার একটি জনস্বার্থ মামলায় অতিরিক্ত হলফনামা পেশ করেছেন মামলাকারীরা। সেই হলফনামায় নাম রয়েছে খোদ মন্ত্রী অরূপ রায়ের (Arup Roy)। 

    কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) জমা পড়া অতিরিক্ত হলফনামায় নিয়ম ভেঙে মন্ত্রী ঘনিষ্ঠদের চাকরি পাওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে এবার পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee), পরেশ অধিকারী, অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) সঙ্গে একই সারিতে পড়লেন মন্ত্রী অরূপ রায়ও। মন্ত্রী বা ব্যাংকের চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ অনেককে নিয়োগ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব ও বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে এদিন হলফনামা পেশ করা হয়েছে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে মন্ত্রী জানিয়েছেন, এমন কোনও দুর্নীতিই হয়নি। এই অভিযোগ অসত্য ভিত্তিহীন। তিনি জানান, প্রকৃত তদন্ত হোক। তদন্তে দোষী সাব্যস্ত হলে তাঁরা শাস্তি পাবে।

    হাইকোর্টে দাখিল হলফনামায় অভিযোগ, সমবায়মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ সত্য সামন্তের বোন সমবায় ব্যাংকে চাকরি পেয়েছেন। ৫২টি শূন্যপদ থাকলেও নিয়োগ হয়েছে ১৩৪ জনের। একাধিক ব্যক্তির ঘনিষ্ঠদের চাকরি হয়েছে তমলুক-ঘাটাল কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংকে। এই ব্যাংকে তৃণমূল নেতাদের ঘনিষ্ঠদের চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে আদালতে। 

    আরও পড়ুন: পেগাসাস বিতর্কে স্বস্তি কেন্দ্রের! মাত্র ৫টি ফোনে ম্যালওয়ারের অস্তিত্ব মত শীর্ষ আদালতের

    অতিরিক্ত হলফনামায় বলা হয়েছে, পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের প্রাক্তন সভাধিপতি প্রয়াত দেবব্রত দাসের ভাইপোও অবৈধভাবে চাকরি পেয়েছেন। চাকরি পেয়েছেন সেই ব্যাংকের চেয়ারম্যান গোপাল চন্দ্র মাইতির ভাইপো। এখানেই শেষ নয়। অতিরিক্ত হলফনামায় দাবি, কেন্দ্রীয় এই সমবায় ব্যাঙ্কের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত সিইও প্রণয় কুমার চক্রবর্তীর ভাইপোও চাকরি পেয়েছেন। এছাড়াও ব্যাংক সচিব কৌশিক কুলভির ভাইপো, ব্যাংক কর্তা নিমাই অধিকারীর মেয়ে এবং ব্যাংকের কর্তা তপন কুমার কুলিয়ার ছেলেও চাকরি পেয়েছেন বলে অভিযোগ।

    মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, নিয়ম বহির্ভূত ভাবে নিয়োগের জন্য দুই দফায় অনুমতি দিয়েছিলেন মন্ত্রী অরূপ রায়। অভিযোগ, কো-অপারেটিভ, সার্ভিস কমিশন ছাড়া নিয়োগ করতে পারবে ব্যাংক, এই মর্মে দুবার অনুমোদন দিয়েছিলেন মন্ত্রী। মামলাকারীদের দাবি, কো-অপারেটিভ সার্ভিস কমিশন ছাড়া নিয়োগ করা আইনবিরুদ্ধ। মোট ২০৩৫ জন আবেদন করেছিলেন এবং ব্যাংকের নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্ট নম্বরে ফি জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু ফি জমা দেওয়ার এই তালিকায় ১০০ টির বেশি নাম ফাঁকা রয়েছে বলে অভিযোগ। আবেদন না করেও অনেকে চাকরি পেয়েছেন এমনই দাবি মামলাকারীদের। অভিযোগ, মেধাতালিকায় নাম না থাকা সত্ত্বেও অনেকে চাকরি পেয়েছেন। ২০১৯ সালের বিজ্ঞপ্তির প্রেক্ষিতে এই নিয়োগপ্রক্রিয়া শুরু হয়। এই নিয়োগ নিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয় ২০২১ সালে। সেই মামলাতেই অতিরিক্ত হলফনামা দাখিল করে নতুন এই অভিযোগ জানানো হয়েছে।

  • Europe’s Great Drought: ৫০০ বছরে এমন দিন দেখেনি ইউরোপ! খরার কবলে ফ্রান্স, জার্মান থেকে স্পেন, নেদারল্যান্ডস

    Europe’s Great Drought: ৫০০ বছরে এমন দিন দেখেনি ইউরোপ! খরার কবলে ফ্রান্স, জার্মান থেকে স্পেন, নেদারল্যান্ডস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র তাপপ্রবাহে পুড়ছে ইউরোপের (Europe) বিস্তীর্ণ অংশ। সম্প্রতি আবহাওয়া নিয়ে প্রকাশিত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) এক রিপোর্ট বলছে, গত পাঁচশো বছরে এরকম ভয়াবহ খরা দেখেনি গোটা ইউরোপ। মহাদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বৃষ্টির দেখা নেই। কোথাও নদী শুকিয়ে মাঠ হয়ে গিয়েছে, কোথাও দাবানলে পুড়ছে বনাঞ্চল আর তার সংলগ্ন বসতি।

    পরিবেশবিজ্ঞানীদের আশঙ্কা আগামী কয়েক বছরে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের জয়েন্ট রিসার্চ সেন্টার-এর তরফে প্রকাশিত রিপোর্টে বলা হয়েছে,মহাদেশের অন্তত ৪৭ শতাংশ এলাকা এখন সতর্কতার আওতায় রয়েছে। মাটিতে আদ্রতার পরিমাণ  কমছে। ১৭ শতাংশ এলাকার অবস্থা খুব খারাপ। 

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানে শিখ মহিলাকে অপহরণ করে ধর্ষণ ও ধর্মান্তকরণ, জয়শঙ্করের হস্তক্ষেপ দাবি

    ইউরোপীয় ইনোভেশন কমিশনার মারিয়া গ্যাব্রিয়েল (Mariya Gabriel) জানান, ‘প্রবল খরা পরিস্থিতি ও তাপপ্রবাহের সম্মিলিত কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলির নদীতে জলস্তর ভয়ানক ভাবে নেমে গিয়েছে। এখন আমরা ঘনঘন দাবানল দেখতে পাচ্ছি। যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছে ফসল উৎপাদনে’।  অতিরিক্ত শুষ্ক আবহাওয়া চাষাবাদের উপরে প্রত্যক্ষ প্রভাব ফেলেছে। সয়াবিন, সূর্যমুখী ও ভুট্টার উৎপাদন ইতিমধ্যেই যথাক্রমে ১৫, ১২ ও ১৬ শতাংশ কমেছে।

    আরও পড়ুন: জাগুয়ার ও কুমিরের ভয়ঙ্কর লড়াই! জিতল কে?

    খরার ফলে দাবানলের প্রকোপ বাড়ছে। কম বৃষ্টিপাতের জন্য ব্যাহত হচ্ছে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন। দাবদাহের ফলে মানুষের মৃত্যুও হচ্ছে। মূলত ফ্রান্স (France), বেলজিয়াম (Belgium), জার্মানি (Germany), হাঙ্গেরি (Hungery), ইটালি (Italy), লুক্সেমবুর্গ (Luxemburg), মলডোভা, নেদারল্যান্ডস (Netherlands), সার্বিয়া (Serbia), পর্তুগাল (Portugal), ব্রিটেন(Britain) , স্পেন (Spain), রোমানিয়া (Romania), ইউক্রেনে (Ukraine) খরা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

    আবহবিদদের কথায়, চলতি বছরের নভেম্বর পর্যন্ত পশ্চিম ইউরোপ ও ভূমধ্যসাগরীয় এলাকায় খরা ও তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে। এই ভয়াবহ পরিস্থিতির জন্য বিশ্ব উষ্ণায়নকেই দায়ী করছেন বিজ্ঞানীরা। পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে রাতের দিকেও তেমন ঠান্ডা হচ্ছে না, বলে জানান পরিবেশ বিজ্ঞানীরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • IPS Rajib kumar : পুলিশে ফের সক্রিয় রাজীব কুমার, তিনিই কি পরবর্তী ডিজি?

    IPS Rajib kumar : পুলিশে ফের সক্রিয় রাজীব কুমার, তিনিই কি পরবর্তী ডিজি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশের কার্যকলাপে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছেন বিতর্কিত আইপিএস অফিসার রাজীব কুমার। কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে, ইদানীং নাকি তাঁর পরামর্শেই চলছেন রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্য। নবান্নের (Nabanna) খবর, গত দুই তিন বারের আইপিএস বদলিও হয়েছে রাজীব কুমারের অঙ্গুলিহেলনে। এমনকী সিআইডি প্রধানের পদ থেকে ছাঁটা পড়েছেন জ্ঞানবন্ত সিংহের মতো চোদ্দতলার এক প্রকার তল্পিবাহক অফিসারও। হঠাৎই রাজীব কুমারের সক্রিয় হয়ে ওঠার নেপথ্যে ফের চর্চা শুরু হয়েছে তা হলে পঞ্চায়েত ভোটের পর তিনিই কি হচ্ছেন রাজ্যের পরবর্তী ডিজি?

    শোনা যাচ্ছে, মহারাষ্ট্রের সরকার পতনের পর নবান্ন রাজ্য গোয়েন্দা বিভাগ, সিআইডি, এসটিএফকে ফের বিরোধী দলের ব্লকস্তর পর্যন্ত নেতাদের ফোনে নজরদারি চালাতে নির্দেশ দিয়েছে। বাদ যাচ্ছে না শাসক দলের বেশ কিছু নেতার ফোনও। বিশেষ করে পুরনো তৃণমূল এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একদা ঘনিষ্ঠ সমস্ত মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়কদের উপর রাজ্য গোয়েন্দা বিভাগই কড়া নজরদারি চালাচ্ছে।

    আরও পড়ুন: কেন অনুব্রতর বাড়িতে ডাক্তার? হাসপাতাল সুপারকে ধমক স্বাস্থ্য কর্তার, দায় নেবে না নবান্ন

    রাজ্য গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান রাজীব মিশ্র নজরদারির দায়িত্বে থাকা অফিসারদের দেদার ফোন ট্যাপিংয়ের সঙ্গে এমন নির্দেশও দিয়েছেন যাতে নজরদারির কোনও নথি দফতরের সংগ্রহে না রাখা হয়। অর্থাৎ ফোন শোনার পর পরই কিছুদিনের মধ্যেই সেগুলি নষ্ট করে দিচ্ছে গোয়েন্দা বিভাগ। একইভাবে সক্রিয় হয়েছে সিআইডি এবং এসটিএফ। আইপিএস মহলের অনেকেই সেই কারণে মনে করছেন, রাজ্য পুলিশের পরবর্তী ডিজি হতে চলেছেন রাজীব কুমার। তাই এক বছর আগে থেকেই প্রস্তুতি শুরু করেছেন। পুরনো নকশা মতোই কাজ শুরু করেছে রাজ্য পুলিশ।

    নবান্নের খবর, বর্তমান ডিজি মনোজ মালব্য ২০২৩ এর ৩১ মে অবসর নেবেন। ডিজি হওয়ার প্রশ্নে সিনিয়রিটির  নিরিখে রাজ্যে কর্মরত অফিসারদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন বিবেক সহায়, সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়, রাজীব কুমার, রণবীর কুমার, রাজেশ কুমার, দেবাশিস রায় এবং জয়ন্ত বসু। আইপিএস কর্তাদের একাংশের ধারণা, রাজীব কুমার, রণবীর কুমার এবং রাজেশ কুমারের ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত চাকরি রয়েছে। ফলে তাঁদের মধ্য থেকেই কেউ একজন পরবর্তী ডিজি হতে পারেন। বাঙালি কোনও অফিসারকে বসাতে হলে সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়ের নামও ভাবতে পারে নবান্ন। কিন্তু পরবর্তী ডিজিই লোকসভা ভোট পরিচালনা করবেন, সে দিক থেকে মুখ্যমন্ত্রী বিশ্বস্ত লোককেই চাইবেন বলে ধরে নিচ্ছেন আইপিএসদের একাংশ।

    আরও পড়ুন: ফের তলব এড়ালেন অনুব্রত, এবার কোন পথে হাঁটবে সিবিআই?

    সারদা মামলায় এখন সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে জামিনে রয়েছেন রাজীব কুমার। সিবিআই সর্বোচ্চ আদালতে তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করার জন্য তৎপর হতে পারে বলেও শোনা যাচ্ছে। কারণ, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা যে ভাবে এগচ্ছে তাতে এসএসসি মামলার জাল কিছু গুটিয়ে আনার পর চিট ফান্ড, কয়লা, গরু পাচারের মামলাগুলিতেও সক্রিয় হবে বলে ধরে নেওয়া যায়। এখন রাজ্য গোয়েন্দা বিভাগ, সিআইডিসহ নবান্নর বিশ্বাসভাজন হিসাবে কাজ করছেন যে গুটিকয় আইপিএস তাঁদের কয়লা, গরু, চিটফাণ্ড কাণ্ডে যোগসূত্র রয়েছে বলেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের হাতে নথি রয়েছে। ফলে পিঠ বাঁচাতেই বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে পাল্টা মামলা তৈরিতে মরিয়া তাঁরা। অনেকেই জানাচ্ছেন, রাজীব কুমারের পুলিশি কর্মকাণ্ডে ফের সক্রিয় হয়ে ওঠার পিছনে সে সবও কারণ থাকতে পারে। কারণ, তথ্য প্রযুক্তি সচিব হিসাবে নিযুক্ত থাকলেও তাঁর কাছে প্রতিদিনই বেশ কয়েকজন আইপিএস অফিসার দেখা করতে আসছেন। এমন দেখা করতে আসা কয়েকজন সম্প্রতি গুরুত্বপূর্ণ পোস্টিংও পেয়েছেন। ডিজি নবান্ন বা ভবানী ভবনে বসলেও ওয়েবেল ভবনই এখন পুলিশ মহলের নতুন ক্ষমতাকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

    কিছুদিন আগে পর্যন্ত রাজীব কুমার ঘনিষ্ঠ মহলে স্বেচ্ছাবসর নিয়ে বিদেশে পড়াশোনা করতে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করতেন। তাঁর কৃতকর্মের জন্য আপেক্ষ করতেন। এখন সে সবের বালাই নেই বলেই শোনা যাচ্ছে। কলকাতার পুলিশ কমিশনার থাকাকালীন তাঁরই সতীর্থরা রাজীব কুমারকে ডেপুটি সিএম বলে মজা করতেন। পুলিশি সক্রিয়তা, রাজ্য পুলিশের বিরোধীদের উপর নজরদারি বেড়ে যাওয়ায় এখন আবার অনেকেই রাজীব কুমার পুরনো ভূমিকায় ফিরতে চাইছেন বলে মনে করছেন।

  • Professor Bikini Controversy: ইনস্টাগ্রামে পুরনো বিকিনি-পোস্টের জেরে চাকরি গেল সেন্ট জেভিয়ার্সের অধ্যাপিকার

    Professor Bikini Controversy: ইনস্টাগ্রামে পুরনো বিকিনি-পোস্টের জেরে চাকরি গেল সেন্ট জেভিয়ার্সের অধ্যাপিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপরাধ বিকিনি (Bikini) পরে ইনস্টাগ্রামে ছবি পোস্ট করা। আর এই কারণেই চাকরি গেল এক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপিকার। যে সে বিশ্ববিদ্যালয় নয়। ঘটনাটি ঘটেছে কলকাতার এক অত্যন্ত কুলীন বিশ্ববিদ্যালয়ে। নাম সেন্ট জেভিয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয় (St. Xavier’s University)। শিক্ষিকার বিকিনি পরা ছবি এক ছাত্র দেখে ফেলায়, তাঁকে ইস্তফা দিতে বাধ্য করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। এমনই অভিযোগ করেছেন ওই অধ্যাপিকা (Professor)।

    আরও পড়ুন: কেন অনুব্রতর বাড়িতে ডাক্তার? হাসপাতাল সুপারকে ধমক স্বাস্থ্য কর্তার, দায় নেবে না নবান্ন  
     
    সেন্ট জেভিয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই প্রাক্তন অ্যাস্টিস্ট্যান্ট প্রফেসর বিস্ফোরক অভিযোগ করে বলেন, “প্রথম বর্ষের এক ছাত্রের বাবা তাঁর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জানান, এরপরই তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।” সেন্ট জেভিয়ার্স যদিও এই সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সাফ জানিয়েছে,স্বেচ্ছায় চাকরি ছেড়েছিলেন ওই অধ্যাপিকা। 

    ভাইরাল হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ছাত্রের বাবার লেখা সেই চিঠি। চিঠিতে বি কে মুখোপাধ্যায় নামে ওই ব্যক্তি লিখেছেন, “আমার ছেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপিকার বিকিনি পরা ছবি দেখতে পেয়েছে। ছবিগুলি অত্যন্ত কুরুচিকর, অশ্লীল,প্রায় নগ্ন বললেই চলে। ছবিগুলিতে শিক্ষিকা যৌন উত্তেজনামূলক পোশাক পরে রয়েছেন। শিক্ষিকার অন্তর্বাস পরা ছবি ছেলে দেখছে, বাবা হিসেবে আমার কাছে ভীষণ লজ্জার এই দৃশ্য। একজন ১৮ বছরের ছেলে তার অধ্যাপিকার স্বল্পাবাসের ছবি দেখছে, তাও আবার প্রকাশ্যে পাবলিক প্ল্যাটফর্মে, এটি অত্যন্ত নিকৃষ্টমানের ও লজ্জাজনক ঘটনা।” 

    আরও পড়ুন: ‘দিদি’ ফোন ধরছেন না, সিবিআই ডাকে বিচলিত কেষ্টর চোখে ঘুম নেই  

     

    প্রাক্তন অধ্যাপিকার অভিযোগ, এর পরই তাঁকে ডেকে পাঠায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বৈঠক চলাকালীন তাঁকে অভিভাবকের চিঠিটিও দেখানো হয়। তাঁকে চাকরিতে ইস্তফা দেওয়ার কথা বলা হয়। গত ২০২১ সালের ২৪ অক্টোবর ওই অধ্যাপিকা পুলিশে অভিযোগ জানান, তাঁর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়ে থাকতে পারে। কারণ তাঁর ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল প্রাইভেট মোডে রয়েছে, কোনও ছবিই বাইরের কারও পক্ষে দেখা সম্ভব নয়। তা সত্ত্বও কী করে ওই ছাত্র ছবি দেখতে পেল তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন তিনি। 

    অধ্যাপিকার অভিযোগ একরকম জোড় করেই ইস্তফা দেওয়ানো হয় তাঁকে। যদিও সেন্ট জেভিয়ার্স বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ওই অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর স্বেচ্ছায় চাকরি ছেড়েছেন বলেই দাবি তাঁদের।  

  • Jhulan Purnima 2022: ঝুলন উৎসব পালন করছেন? দোলনা কোন দিক করে রাখতে হবে, জানেন তো?

    Jhulan Purnima 2022: ঝুলন উৎসব পালন করছেন? দোলনা কোন দিক করে রাখতে হবে, জানেন তো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝুলন পূর্ণিমাকে শ্রাবণী পূর্ণিমাও বলা হয়। বৃন্দাবনে রাধা-কৃষ্ণকে কেন্দ্র করে দ্বাপরযুগে এই ঝুলন উৎসবের সূচনা হয়েছিল, তারপর থেকে যুগ যুগ ধরে এই পর্ব চলে আসছে। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কৃপা করে দ্বাপরযুগে এই পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়েছিলেন এবং তার বয়ঃবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বৃন্দাবন তথা নন্দালয়ে নানারকম লীলাসাধন করেছিলেন। বয়ঃসন্ধিতে কিশোর কৃষ্ণ ও রাধারানীর যে মধূর প্রেমের পরিপূর্ণ প্রকাশ বৃন্দাবনে স্থাপিত হয়েছিল তারই লীলা স্বরূপা এই ঝুলনযাত্রা।

    দোলনা কেন রাখতেই হবে পূর্ব-পশ্চিম দিকে?

    ঝুলনযাত্রায় রাধাকৃষ্ণের মূর্তি দোলনায় স্থাপন করে পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে ঝোলানো হয়। এখানে শ্রীকৃষ্ণ হচ্ছেন প্রকৃতি আর রাধারানী হলেন তার পরম ভক্তস্বরূপিনী। সূর্য হলেন পৃথিবীর সমস্ত শক্তির উৎস, পূর্ব দিকে উদয় ও পশ্চিম দিকে অস্ত যায়। এই উদয়অস্ত-এর দিক স্বরূপ পূর্ব দিক থেকে পশ্চিম দিকে রাধাকৃষ্ণকে দোলানো হয়ে থাকে। রাধাকৃষ্ণের মূর্তিকে দোলনায় স্থাপন করে মূর্তিযুগলকে ঝোলানো থেকে শুরু করে পাঁচদিন তাদের নানারকম সাজে সাজানো, প্রেমভক্তি, নামগান— বৃন্দাবনে তাঁদের বিশুদ্ধ প্রেমপর্ব সমস্তকিছু ভক্তগনের সামনে ঝুলনযাত্রার মাধ্যমে পরিবেশন করা হয়। এককথায় রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলার পাঁচদিন ব্যাপী এই অনুষ্ঠান ঝুলন উৎসব নামে পরিচিত।

    আরও পড়ুন: রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে ঝুলন উৎসব, জানুন ঝুলনযাত্রার মাহাত্ম্য ও তাৎপর্য

    ঝুলনযাত্রার তাৎপর্য

    ঝুলনযাত্রা শুরুর দিন সহজ কিছু উপায়ের মাধ্যমে মনের বাসনা পূর্ণ করুন। শ্রীকৃষ্ণের ভক্তদের জন্য ঝুলনযাত্রা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। ভূলোকে রাধাকৃষ্ণের লীলা উৎসবই হল ঝুলনযাত্রা। শ্রীকৃষ্ণ পুজোর মাধ্যমে মানুষ শান্তি পেতে পারেন এবং মনের ইচ্ছা পূরণ করতে পারেন। ঝুলনযাত্রার দিন সঠিক নিয়মে রাধাকৃষ্ণের পুজো করে এবং সহজ কিছু উপায়ের মাধ্যমে অত্যন্ত শুভ ফল লাভ করতে পারবেন।

    পুজোর নিয়ম

    রাধাকৃষ্ণের যুগল মূর্তি বা ছবি প্রতিষ্ঠা করুন। সঙ্গে অবশ্যই গণেশের মূর্তি বা ছবি রাখবেন। প্রথমে গণেশের পুজো করবেন, তার পর রাধাকৃষ্ণের পুজো করবেন। যথাসাধ্য মিষ্টান্ন নিবেদন করুন এবং হলুদ রঙের ফুল ও ফল অর্পণ করুন। একটা কথা বিশেষ করে মনে রাখতে হবে, এই পুজোর স্থানটি যেন খুব শান্ত হয়।

    • রাধাকৃষ্ণকে হলুদ বস্ত্র দিয়ে সাজান।

    • শ্রীকৃষ্ণের মন্দিরে ময়ূরের পালক ও মুকুট দান করুন।

    • পুজোর সময় ঘিয়ের প্রদীপ অবশ্যই জ্বালতে হবে।

    • পুজো শেষে গীতা পাঠ ও গায়ত্রীমন্ত্র জপতে হবে।

    • রাধাকৃষ্ণের চরণে তুলসীপাতা অর্পণ করতে হবে।

    • দরিদ্রদের দান করতে হবে।

    • বাড়িতে নারায়ণ সেবার ব্যবস্থা করতে হবে।

    • পুজো হলুদ বস্ত্র পরে করতে হবে।

    • পুজোর জায়গায় এক টুকরো চন্দন রাখুন। এতে বাড়িতে শুভ শক্তি প্রবেশ করে।

    • এই দিন জল দান করলে জীবনে সুখ সমৃদ্ধি লাভ হয়।

  • Anubrata treatment fiasco: কেন অনুব্রতর বাড়িতে ডাক্তার? হাসপাতাল সুপারকে ধমক স্বাস্থ্য কর্তার, দায় নেবে না নবান্ন

    Anubrata treatment fiasco: কেন অনুব্রতর বাড়িতে ডাক্তার? হাসপাতাল সুপারকে ধমক স্বাস্থ্য কর্তার, দায় নেবে না নবান্ন

     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ এসএসকেএম হাসপাতাল ফিরিয়ে দিয়েছে। তারপরেও কেন অনুব্রত মণ্ডলের(Anubrata) চিকিৎসার জন্য  সরকারি ডাক্তাররা তাঁর বাড়ি গেলেন তা নিয়ে বোলপুর মহকুমা হাসপাতালের সুপার বুদ্ধদেব মুর্মুর কাছে জবাব তলব করল স্বাস্থ্য ভবন। সূত্রের খবর, রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা মঙ্গলবারই ফোন করে হাসপাতাল সুপারকে ধমক দেন। তারপরেই তড়িঘড়ি অবস্থান বদলে চিকিৎসক চন্দ্রনাথ অধিকারী সংবাদমাধ্যমে জানিয়ে দেন, চাপের মুখে বাধ্য হয়ে তিনি অনুব্রতর বাড়ি গিয়েছিলেন। এর থেকে স্পষ্ট রাজ্যের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক স্তর এবার কেষ্ট মণ্ডলকে ঝেড়ে ফেলতে চাইছে। তাই সরকারি চিকিৎসকদের তাঁর চিকিৎসা না করার ফরমান জারি করে দিয়েছে স্বাস্থ্য ভবন।

    ফের তলব এড়ালেন অনুব্রত, এবার কোন পথে হাঁটবে সিবিআই?

    সরকারি সূত্রের খবর, বীরভূম জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক হিমাদ্রি আড়িও স্বাস্থ্য ভবনকে জানিয়ে দেন বোলপুর হাসপাতালের সুপার যে অনুব্রতর বাড়িতে ডাক্তার পাঠাচ্ছেন তা তাঁর জানা ছিল না। তাঁকে পুরো প্রক্রিয়ার বাইরে রাখা হয়েছিল। জানা যাচ্ছে, জেলার স্বাস্থ্য কর্তারা না জানলেও জেলা প্রশাসনের সর্বোচ্চ এক কর্তা এবং এক পুলিশ অফিসার এ নিয়ে অতি সক্রিয় হয়ে উঠেছিলেন। তাঁরাই বোলপুরের সুপারকে কেষ্টর বাড়িতে ডাক্তার পাঠিয়ে আনফিট সার্টিফিকেট দিতে বলেছিলেন। এখন স্বাস্থ্য ভবন বেঁকে বসায় তাঁরাও আর দায় নিচ্ছেন না।

    স্বাস্থ্য ভবন সূত্রের খবর, পিজি হাসপাতাল কেষ্টকে ভর্তি না করার পরই বোঝা উচিৎ ছিল সরকার আর ওই ব্যক্তির চিকিৎসা নিয়ে জড়াতে চায় না। তারপরও সরকারি ডাক্তাররা তাঁর বাড়িতে গিয়ে ভিন্ন মত পোষণ করায় রাজ্য প্রশাসনের সর্বোচ্চস্তর থেকে বিরক্তি প্রকাশ করা হয়। ঘটনাচক্রে রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরই স্বাস্থ্য অধিকর্তা বোলপুরের সুপারকে ধমক দিয়ে আর কোনও চিকিৎসা না করার পরামর্শ দেন। কেন ওই ডাক্তারকে পাঠানো হয়েছিল তাও সবার সামনে জানিয়ে দিতে নির্দেশ দেন।

    গরু পাচার মামলায় সিবিআই চার্জশিটে কাদের নাম?

    স্বাস্থ্য ভবনের এমন অবস্থানে প্রমাদ গুনতে শুরু করেছেন জেলা তৃণমূলের নেতারা। যে কর্তা হাসপাতাল সুপারকে ফোন করে নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনিও নবান্নে নানা ব্যাখ্যা পাঠিয়েছেন। তৃণমূল নেতারা বুঝতে পারছেন যে কেষ্টর মাথায় অক্সিজেন পৌঁছানো নিয়ে রাজ্যের সর্বময়কত্রীর চিন্তার শেষ ছিল না, তিনিই এখন অনুব্রতর পশ্চাৎদেশের অসুখেও গা করছেন না। তৃণমূল নেতারা আড়ালে বলছেন,  পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের(parta chatterjee) পর অনুব্রত মণ্ডলের দায়ও দল ঝেড়ে ফেলল। এখন হাজতবাস ছাড়া আর কোনও উপায় নেই।

  • Tu-160 Bomber: রাশিয়া থেকে টিইউ-১৬০ স্ট্র্যাটেজিক বম্বার কিনলে কতটা লাভবান হবে ভারত?

    Tu-160 Bomber: রাশিয়া থেকে টিইউ-১৬০ স্ট্র্যাটেজিক বম্বার কিনলে কতটা লাভবান হবে ভারত?

    সুশান্ত দাস: বেশ কিছুদিন ধরেই একাধিক দেশীয় সংবাদমাধ্যমে খবর ভেসে আসছে যে, চিনের আগ্রাসী মনোভাবের মোকাবিলা করতে নিকট ভবিষ্যতে রাশিয়া থেকে ‘স্ট্র্যাটেজিক বম্বার’ কিনতে বা লিজ় নিতে চলেছে ভারত। একটা বা দুটো নয়, জানা যাচ্ছে, একেবারে ৬টি টুপোলেভ টিইউ-১৬০ (Tupolev TU-160) বোমারু যুদ্ধবিমান নিতে পারে ভারত। তেমনটা হলে, এই প্রথম কোনও ‘স্ট্র্যাটেজিক বম্বার’ ভারতের কাছে আসবে।

    কিন্তু, এই প্রসঙ্গে মনের মধ্যে একাধিক প্রশ্ন উঠছে, যা স্বাভাবিক। প্রথমত, হঠাৎ এমন বিশেষজ্ঞ বোমারু বিমানের প্রয়োজনীয়তা কেন উঠল? দ্বিতীয় প্রশ্ন, বর্তমান যুগে বোমারু বিমানের তাৎপর্য কোথায়? তৃতীয়ত, ভারত রাশিয়া থেকে কেনা বিমানের যন্ত্রাংশ নিয়ে অতীতে ভুগতে হয়েছে ভারতকে। এর পরও এই বিমানের গ্রহণযোগ্যতা কতটা? চতুর্থ, এই বিমানের এমন কী মাহাত্ম্য যে, ভারত তা কিনতে তৎপর হয়ে পড়েছে বলে খবর।

    এই সব প্রশ্নের বিশ্লেষণে যাওয়ার আগে, জেনে নেওয়া যাক স্ট্র্যাটেজিক বম্বার ঠিক কী? বোমারু বিমান দুই প্রকারের হয়। একটি স্ট্র্যাটেজিক ও দ্বিতীয়টি ট্যাক্টিক্যাল। সহজ সরল ভাষায়, স্ট্র্যাটেজিক বম্বার হল বিশেষজ্ঞ বোমারু বিমান। এগুলো সাধারণত দূরপাল্লা পাড়ি দিতে পারে। বিশাল পরিমাণে এবং পরমাণু সহ বিভিন্ন ধরণের মারণাস্ত্র বহনে সক্ষম। এরা মূলত শত্রুদেশের একেবারে ভেতরে ঢুকে সেখানকার গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত লক্ষ্য বা পরিভাষায় স্ট্র্যাটেজিক টার্গেট ধ্বংস করে বেরিয়ে আসতে পারে। এই বিমান শত্রুর গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান যেমন— রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক বা সামরিক ঘাঁটি উড়িয়ে দিতে পারদর্শী।

    ‘স্ট্র্যাটেজিক বম্বার’-এর প্রয়োজনীয়তা বা গুরুত্ব প্রথম টের পাওয়া গিয়েছিল সাবেকি সোভিয়েত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে থাকা ঠান্ডা যুদ্ধের সময়। দুপক্ষই সেই সময় পরমাণু অস্ত্র বহনের জন্য ‘স্ট্র্যাটেজিক বম্বার’-এর ব্যবহার করেছিল। বর্তমান যুগে, শক্তশালী দেশগুলোর হাতে আন্তর্মহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র চলে এসেছে। যুদ্ধবিমানগুলো মাঝ-আকাশে জ্বালানি ভরতে সক্ষম হওয়ায়, তারাও দূরে পাড়ি দিতে পারছে। ফলে, এই পরিস্থিতিতে ধীরে ধীরে এই স্ট্র্যাটেজিক বম্বারের প্রয়োজনীতা ফুরিয়ে আসছে। 

    তবে, একইসঙ্গে এও বলে রাখা দরকার। বর্তমান প্রেক্ষাপটে ‘স্ট্র্যাটেজিক বম্বার’ হয়ত সেরা অস্ত্র নয়। তবে তা শক্তিশালী অস্ত্র, এটা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। শত্রু দেশের সীমান্তের কাছে যতই ক্ষেপণাস্ত্র বা পরমাণু অস্ত্রবহনে সক্ষম সাবমেরিন মোতায়েন করা হোক না কেন, সীমান্তের কাছে যদি ‘স্ট্র্যাটেজিক বম্বার’ ঘোরাফেরা করে, তাহলে তার তাৎপর্য অন্য পর্যায়ে চলে যায়। সেটা অস্বীকার করার কোনও জায়গা নেই বলেই মনে করেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা। 

    এবার প্রশ্ন, ভারত কেন এই বিমানে ইচ্ছাপ্রকাশ করেছে বলে শোনা যাচ্ছে? চিনের কাছে তাদের নিজেদের স্ট্র্যাটেজিক বম্বার ‘শিয়ান এইচ-এস ৬কে’ (Xian HS-6K) রয়েছে। ভারতীয় সেনা জানতে পেরেছে, সীমান্তের কাছে এই বোমারু বিমান মোতায়েন করেছে চিনা বায়ুসেনা (PLAAF)। এতে ভারতের উদ্বেগ বেড়েছে। কাজেই ভারতের হাতে এই রুশ স্ট্র্যাটেজিক বম্বারগুলো এলে চিনা আগ্রাসী মনোভাবের যথোপযুক্ত জবাব দেওয়া যাবে বলে বিশ্বাস ওয়াকিবহাল মহলের।

    কিন্তু, কেন রুশ বোমারু বিমান কেনার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছে ভারত? এই প্রশ্নের উত্তর জানতে গেলে আগে জানা দরকার টুপোলেভ টিইউ-১৬০ বিমানের সম্পর্কে। জানতে হবে, কতটা শক্তিশালী এই বিমান। বর্তমানে বিশ্বের তিনটি দেশের কাছে নিজ নিজ স্ট্র্যাটেজিক বম্বার রয়েছে। এরা হল— আমেরিকা, চিন ও রাশিয়া। যারা শত্রুর সীমায় ঢুকে সেখানে বিশেষ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য ধ্বংস করতে সক্ষম।

    টুপোলেভ টিইউ-১৬০ এখন বিশ্বের বৃহত্তম এবং একমাত্র সুপারসনিক স্ট্র্যাটেজিক বম্বার। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২২০০ কিলোমিটার বেগে উড়তে পারে টিইউ-১৬০ বোমারু বিমানটি। শব্দের চেয়ে দ্বিগুণ গতিতে উড়তে সক্ষম এই বিমানটি। এর সার্ভিস সিলিং ১৫ হাজার। অর্থাৎ, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার  মিটার উচ্চতায় উড়তে সক্ষম এই বোমারু বিমান। বিশ্বে একমাত্র মার্কিন ‘বি-২ স্পিরিট’ স্টেলথ বম্বার (B-2 Spirit stealth Bomber) প্রযুক্তিগতভাবে এই বিমানের চেয়ে উন্নত। তবে, মার্কিন বিমান শব্দের গতির চেয়ে ধীরে চলে। অর্থাৎ, সেটি সাব-সনিক।

    জানা গিয়েছে, যে কোনও পরিস্থিতি এবং যে কোনও ভৌগোলিক অবস্থানে উড়তে পারে টুপোলেভ টিইউ-১৬০। বিশ্বে রাশিয়ার এই বম্বার বিমানটি ‘হোয়াইট সোয়ান’ নামেই প্রসিদ্ধ। ন্যাটো এই বিমানগুলোর সাংকেতিক নাম দিয়েছে ‘ব্ল্যাকজ্যাক’। বিমানটি একটানা ১২,৩০০ কিলোমিটার উড়তে পারে। সব মিলিয়ে ৪০ টন অস্ত্র বইতেও সক্ষম এগুলি। এটি সাড়ে ৭ হাজার কিলোমিটার এলাকা জুড়ে কার্পেট বম্বিং করতে পারে। 

    সূত্রের খবর, ভারত এই বোমারু বিমানের সর্বাধুনিক ভেরিয়েন্ট ‘টিইউ-১৬০এম’ (TU-160M) সংস্করণ নিয়ে ইচ্ছাপ্রকাশ করেছে বলে শোনা যাচ্ছে। রাশিয়ার দাবি, টিইউ-১৬০ বিমানের তুলনায় টিইউ-১৬০এম মডেলে ৮০ শতাংশ আধুনিকীকরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নতুন উন্নত ইঞ্জিন, টার্গেটিং সিস্টেম, উন্নত ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার স্যুট। এছাড়া, বিমানের রেডার ক্রস-সেকশনও কমানো হয়েছে। প্রথাগত ও পরমাণু অস্ত্র ছাড়াও, হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র বহনে সক্ষম বিমানের নতুন সংস্করণ। 

    বর্তমান পরিস্থিতিতে, স্ট্র্যাটেজিক বম্বার কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে, তা কতটা যুক্তসঙ্গত হবে? এই মুহূর্তে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম হলেও ভারতীয় বায়ুসেনার অস্ত্রাগারে বর্তমানে কোনও সুপারসনিক বোমারু বিমান নেই। অন্যদিকে চিনের হাতে রয়েছে শিয়ান এইচ-এস ৬কে স্ট্র্যাটেজিক বম্বার। কাজেই এই বিমানগুলি ভারতের হাতে এলে দেশের সামরিক শক্তিতে নতুন মাত্রা যোগ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। মূল উদ্দেশ্য যদি হয় ড্রাগনের চোখে চোখ রেখে জবাব দেওয়া, তাহলে এই বিমান প্রয়োজন। কারণ, এই বিমান ভারতের কাছে থাকলে, চিন ভারতকে সমঝে চলতে বাধ্য। যে কোনও হঠকারি সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ভাবতে বাধ্য হবে চিন।

    কিন্তু, কেন রুশ বিমান কেনার বিষয়ে আগ্রহ দেখাতে চলেছে ভারত? রাশিয়া থেকে টিইউ-১৬০ বোমারু বিমান কেনার পক্ষে এবং বিপক্ষে বিভিন্ন যুক্তি রয়েছে। একপক্ষের মতে, এই বিমানগুলি অতীতের কোল্ড-ওয়ার সময়ের একটি স্মৃতিচিহ্ন। এই বিমান কিনলে সামরিক সক্ষমতার দিক দিয়ে ভারতের কোনও লাভের লাভ হবে না। কারণ, এই বিমানের রেডার সিগনেচার (শত্রুর রেডারে ধরা পড়ার সম্ভাবনা) অনেকটাই। সমালোচকদের আরও যুক্তি যে, এই দৈত্যাকার বিমানগুলি কেনা এবং রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বিস্তর। তৃতীয়ত, এই বিমানের স্পেয়ার পার্টস বা যন্ত্রাংশ রাশিয়া থেকে পেতে কালঘাম ছুটে যাবে।

    কিন্তু, অপর পক্ষের মতে, ভারতের হাতে এলে রণকৌশলগত সম্পদ হয়ে উঠতে পারে টিইউ-১৬০। কারণ, ভারতের আকাশপথে অভিযানের ক্ষমতা ও সক্ষমতা দুই-ই এই বিমানের ফলে কয়েক গুণ বেড়ে যাবে। বিশেষ করে, ভারতের এই জায়গায় একটা বড় খামতি রয়েছে। টিইউ-১৬০ স্ট্র্যাটেজিক বম্বার সেই জায়গা পূরণ করতে সক্ষম। 

    এখন দেখার, কোন যুক্তি শেষে গিয়ে জেতে।

  • Indian Economy: দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ হতে চলেছে ভারত, দাবি সরকারি সূত্রের  

    Indian Economy: দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ হতে চলেছে ভারত, দাবি সরকারি সূত্রের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরেও দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির (Fastest Growing Economy) দেশ হতে চলেছে ভারত (India)। মুদ্রাস্ফীতির হার বেশি হওয়া সত্ত্বেও ভারত দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির দেশ হবে। সরকারি একটি  সূত্রেই এ খবর মিলেছে।

    দিন কয়েক আগে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ স্বয়ং জানিয়েছিলেন, ভারতীয় অর্থনীতি (Indian Economy) বিশ্বের বাকি দেশগুলোর তুলনায় যথেষ্ট ভালো অবস্থায় রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন এজেন্সি ভারতীয় অর্থনীতিকে যথেষ্ট উচ্চস্থানে রেখেছে। তিনিও জানিয়েছিলেন, এই মুহূর্তে ভারত সারা বিশ্বের মধ্যে দ্রুততম বৃদ্ধির অর্থনীতির দেশ।

    আরও পড়ুন : ট্যুইটে ডেরেকের জবাব দিলেন অর্থমন্ত্রী, কী বললেন তৃণমূল সংসদকে?

    ভারতীয় মুদ্রার দাম ক্রমশ পড়ছে। ক্রমেই নিম্নগামী টাকার দর। জানা গিয়েছে, এক মার্কিন ডলারের তুলনায় তা পৌঁছে গিয়েছে ৮০ টাকায়। চড়া মুদ্রাস্ফীতি (Inflation)। শতাংশের হিসেবে ৮। তার পরেও ভারতীয় অর্থনীতি নিয়ে দেশবাসীকে উদ্বেগে থাকতে নিষেধ করেছিলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ (Nirmala Sitharaman)। তিনি বলেছিলেন, টাকার দর পড়ছে ঠিকই, তবে তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনও কারণ নেই। ভারতীয় অর্থনীতি বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় বেশ ভাল অবস্থায় রয়েছে।

    আরও পড়ুন :বক্তাকে জল এগিয়ে দিলেন অর্থমন্ত্রী, নির্মলার ভাইরাল ছবিকে ঘিরে প্রশংসা নেটিজেনদের

    সরকারি ওই সূত্রের খবর, মুদ্রাস্ফীতির হার বাড়লেও, ভারতীয় অর্থনীতি চলছে সংস্কারের পথে। মুদ্রাস্ফীতির হার কমাতে নিরন্তর পদক্ষেপ করা হচ্ছে। এর সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে রিজার্ভ ব্যাংককেও। মুদ্রাস্ফীতি টানা ছ মাস ধরে টলারেন্স লেভেল ছয় শতাংশের ওপরে রয়েছে।  

    সরকারি ওই সূত্রই জানাচ্ছে, ভারতে আর্থিক বৃদ্ধির এই হার এখনই কমে যাওয়ার কোনও সুযোগ নেই। অন্ততঃ এ বছর এবং তার পরের বছর। বাণিজ্য ঘাটতি স্ফীত হওয়া সত্ত্বেও কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ডেফিসিট (CAD) ক্রমেই এগিয়ে চলেছে। সরকারের নিজস্ব যে ধার রয়েছে, সেই বাবদ খরচের ওপর প্রতিনিয়ত নজরদারি চালানো হচ্ছে। স্ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যাপারেও সতর্ক থাকা প্রয়োজন বলে দাবি ওই সূত্রের।

     

  • RBI on Loan App: লোন অ্যাপ থেকে ঋণ নেওয়ার বিষয়ে সতর্ক আরবিআই

    RBI on Loan App: লোন অ্যাপ থেকে ঋণ নেওয়ার বিষয়ে সতর্ক আরবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পকেটে টান পড়লেই আমরা অনেকেই ঋণ নেওয়ার পথে ঝুঁকি। আজকাল বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে ঋণ নেওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। এবার সেই ঋণ অ্যাপগুলি সম্পর্কে সতর্ক করল দেশের রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI)। বুধবার এ বিষয়ে একটি নির্দেশিকা (Guideline) জারি করেছে আরবিআই। সেখানে ডিজিটাল ঋণের (Digital Lender) বিষয়ে স্পষ্ট গাইডলাইন দেওয়া হয়েছে।    

    আরবিআই – এর নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, ডিজিটাল ঋণের ক্ষেত্রে অধিকাংশ সময় সুদের হার অত্যাধিক। তথ্যের গোপনীয়তার নিয়ম  লঙ্ঘন এবং অতিরিক্ত চাপ দিয়ে ঋণের টাকা আদায়ের মতো একাধিক অভিযোগ রয়েছে এই সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে। এছাড়া প্রতারণার মতো ঘটনার সঙ্গেও যুক্ত থাকে এই অ্যাপগুলির নাম। বাড়িতে বাড়িতে ইন্টারনেট পৌঁছানোয় সহজেই ঋণ অ্যাপগুলি মানুষের ফোনে জায়গা করে নিচ্ছে। এই থার্ড পার্টি ঋণ অ্যাপগুলি কোনও তথ্য যাচাই না করেই ঋণ দেয়। তৎক্ষণাৎ ঋণ দিতে গিয়ে বহু নিয়ম লঙ্ঘন করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। 

    আরও পড়ুন: মোদিকেই ফের প্রধানমন্ত্রী পদে দেখতে চাইছে তামাম ভারত!

    রিজার্ভ ব্যাঙ্ক, ডিজিটাল ঋণদাতাদের মূলত তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করেছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র প্রথম ও দ্বিতীয় বিভাগের সদস্যদের ডিজিটাল ঋণ দেওয়ার অনুমতি রয়েছে। এই সংস্থাগুলিকে সাধারণত রিজার্ভ ব্যাঙ্ক নিয়ন্ত্রণ করে। ঋণ প্রদানের জন্য আরবিআই তাদের অনুমোদন দিয়ে থাকে। আরবিআইয়ের নিয়ন্ত্রণের বাইরের ঋণপ্রদানকারী সংস্থাগুলিই মূলত মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের। এই ধরনের ঋণপ্রদানকারী সংস্থাগুলি যাতে বন্ধ করা যায়, সেজন্য WGDL কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি করেছে।    

    ২০২১ সালের ১৩ জানুয়ারি রিজার্ভ ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে ‘Working group on Digital Lending Including Lending Through Online Platforms and Mobile Apps’ (WGDL) তৈরি করা হয়েছিল। সম্প্রতি WGDL রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ওয়েবসাইটে একটি রিপোর্ট জমা দিয়েছে। সেখানে ডিজিটাল ঋণ সংক্রান্ত একাধিক বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।  

    আরও পড়ুন: ফের জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গি হামলা, শহিদ তিন জওয়ান, নিকেশ দুই জঙ্গি

    আরবিআই গাইডলাইনে জানিয়েছে, ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রিত সংস্থাগুলির সঙ্গে সরাসরি ঋণগ্রহিতার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের যোগ থাকতে হবে। এর মাঝে কোনও তৃতীয় পক্ষ থাকবে না। এর মধ্যে কোনওরকম ফি ঋণগ্রহিতাকে বহন করতে হবে না। সেটি আরবিআইয়ের নিয়ন্ত্রিত ঋণপ্রদানকারী সংস্থা বহন করবে। বর্তমানে ঋণগ্রহিতার সম্মতি ছাড়া ক্রেডিট লাইন বাড়ানো নিষিদ্ধ। ঋণগ্রহিতার কোনও অভিযোগ যদি ৩০ দিনের মধ্যে নিয়ন্ত্রিত সংস্থা সমাধান না করে, তা হলে Reserve Bank – Integrated Ombudsman Scheme (RB-IOS)-এর অধীনে অভিযোগ জানাতে পারবেন ঋণ গ্রহীতা।   

LinkedIn
Share