Blog

  • Annapurna Yojana: ‘বেনো জল’ বাদ দিতে, রাজকোষের অপচয় রুখতে অন্নপূর্ণা যোজনায় কড়া শর্ত আরোপ শুভেন্দুর সরকারের, কী কী নথি লাগবে?

    Annapurna Yojana: ‘বেনো জল’ বাদ দিতে, রাজকোষের অপচয় রুখতে অন্নপূর্ণা যোজনায় কড়া শর্ত আরোপ শুভেন্দুর সরকারের, কী কী নথি লাগবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবারই রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) ফর্ম প্রকাশ করেছেন। নির্দিষ্ট সরকারি ওয়েবসাইটে গেলে মিলবে ফর্ম। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, অনলাইন এবং অফলাইন দুই মাধ্যমেই পূরণ করা যাবে এই ফর্ম। যাঁরা তা (Documents List) করতে পারবেন না, তাঁদের সাহায্য করতে সরকারি আধিকারিকরা যাবেন বাড়িতেও। স্থানীয় বিধায়করাও সাহায্য করবেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে লক্ষ্মীর ভান্ডার যোজনায় লক্ষ লক্ষ ‘বেনো জল’ ঢুকে রয়েছে বলে দাবি করে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছেন, রাজকোষের অপচয় রোধ করতেই অন্নপূর্ণা প্রকল্পে নথি ও তথ্য ভালো করে যাচাই করা হবে।

    ফর্মে জানাতে হবে যেসব তথ্য (Annapurna Yojana)

    ফর্মটি ১১ পাতার। তাতে আবেদনকারী এবং তাঁর পরিবারের বাকি সব সদস্যের খুঁটিনাটি সব তথ্যই জানতে চাওয়া হয়েছে। জমির কাগজ থেকে শুরু করে পরিবারের সদস্যদের আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ব্যাঙ্কের নথি— যাবতীয় তথ্য জমা দিতে হবে। তবেই মিলবে অন্নপূর্ণা যোজনায় আর্থিক অনুদান। উল্লেখ্য, এই প্রকল্পে মহিলারা ফি মাসে তিন হাজার করে টাকা পাবেন। অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্মের মাধ্যমেই রাজ্যবাসীর পরিবার সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জোগাড় করছে সরকার। মুখ্যমন্ত্রী জানান, সেই কারণেই ফর্মটি দীর্ঘ হয়েছে। আবেদানকারীদের ভবিষ্যতে অন্য কোনও সরকারি প্রকল্পের আওতায় আনার জন্যও এই ফর্মের নথি এবং তথ্য বিবেচনা করা হবে।

    ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর

    অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্মে প্রথমেই চাওয়া হয়েছে আবেদনকারীর পরিবারের প্রধানের নাম, জন্মতারিখ, ঠিকানা, আধার নম্বর, আধারের সঙ্গে যুক্ত মোবাইল নম্বর। ফর্মে উল্লেখ করতে হবে পরিবারের বাকি সদস্যদেরও এই সব তথ্য এবং গৃহকর্তা বা কর্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক। পরিবারের প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ওই অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার নম্বর যুক্ত করাও থাকতে হবে। আবেদনকারী ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের কোনও প্রকল্পের সুবিধা পান কি না, কোনও স্বাস্থ্যবিমা আছে কি না, তা-ও জানতে চেয়েছে সরকার। যদি থাকে, সেক্ষেত্রে পরিবারের সদস্যের প্যান কার্ডের নম্বরও ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। আবেদনকারীর পরিবারের প্রধান-সহ প্রত্যেক সদস্যের ভোটার কার্ডের নম্বর, বিধানসভা এবং পার্ট নম্বরও ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ডিজিটাল রেশন কার্ড থাকলে সে সংক্রান্ত তথ্যও বিশদে উল্লেখ করতে হবে ফর্মে।

    শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্যও দিতে হবে

    আবেদনকারীকে তাঁর সম্পত্তির খতিয়ানও দিতে হবে। পাকা বাড়ি আছে কি না, আবেদনকারীর পরিবার কতটা জমির মালিক, মিউটেশন এবং রেজিস্ট্রেশনের নথি-সহ তা ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। পরিবারের কারও চার চাকার গাড়ি আছে কি না, জানাতে হবে তা-ও। পরিবারের প্রত্যেকের পেশা লিখতে হবে ফর্মে। বক্তব্যের সপক্ষে উপযুক্ত কাগজও জমা দিতে হবে (Annapurna Yojana)। পরিবারের সদস্যদের শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্যও উল্লেখ করতে হবে। শিক্ষিত সদস্যদের প্রত্যেককে তাঁদের সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতার কথাও উল্লেখ করতে হবে এই ফর্মে। সে সংক্রান্ত নথিও জমা দিতে হবে। পরিবারের মোট বার্ষিক আয়ের পরিমাণও জানাতে হবে। কেউ সিএএতে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেছেন কি না, স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড বা অন্য কোনও সরকারি কার্ডের সুবিধা নিয়েছেন কি না, এসআইআরে নাম বাদ পড়েছে কি না, পড়লেও ট্রাইবুনালে আবেদন করেছেন কি না, এসবও জানাতে হবে সরকারকে। পরিবারের শিশুদের স্কুলের নাম এবং টীকাকরণের খুঁটিনাটি (Documents List) তথ্যও উল্লেখ করতে হবে ওই ফর্মে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ফর্ম পূরণ শুরু হবে ১ জুন থেকে, চলবে তিন মাস ধরে। তাই তাড়াহুড়ো করার প্রয়োজন নেই (Annapurna Yojana)।

    কেন এত কড়াকড়ি, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের উপভোক্তাদের তালিকা যথাযথভাবে যাচাই না হওয়াতেই নানা ধরনের অসংগতি সামনে আসছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি বহরমপুরের শিয়ালমারা রাধারঘাট ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা রাকিবুল শেখের প্রসঙ্গ তোলেন। তাঁর অভিযোগ, একজন পুরুষ হয়েও নিয়মিত লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পাচ্ছেন রাকিবুল, যা প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্যের পরিপন্থী।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, বর্তমানে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে প্রায় ২ কোটি ২০ লক্ষ উপভোক্তার নাম রয়েছে। এর মধ্যে ৩০ লক্ষেরও বেশি নাম মৃত ব্যক্তি, অ-ভারতীয় নাগরিক অথবা সম্পূর্ণ ভুয়ো উপভোক্তার।

    সরকারি অর্থরে অপচয় রোখা লক্ষ্য

    সরকারি অর্থের অপচয় রোধ এবং প্রকৃত প্রাপকদের চিহ্নিত করার লক্ষ্যে সরকার এবার ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার’ প্রকল্পের মাধ্যমে নতুন করে তথ্য যাচাইয়ের উদ্যোগ নিতে চলেছে। তিনি স্পষ্ট করে জানান, অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ায় ভুয়ো ও অযোগ্য উপভোক্তাদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে। তাঁর মতে, এই যাচাইয়ের ফলে বর্তমান তালিকায় থাকা প্রায় ৩০ লক্ষ ভুয়ো নাম বাদ পড়ে যাবে। একইসঙ্গে, স্বচ্ছতার সঙ্গে ভবিষ্যতে যোগ্য পরিবারের মহিলাদের মাসিক ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও ফের উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। সরকারের লক্ষ্য, নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে শুধু মহিলাদের আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করা নয়, বরং রাজ্য ও কেন্দ্রের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা প্রতিটি পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া।

  • Skin Problems: হিটওয়েভে বিপদে ত্বক! তীব্র গরমে ত্বকের কোন বিপদ বাড়ছে? কাদের বাড়তি খেয়াল রাখা জরুরি?

    Skin Problems: হিটওয়েভে বিপদে ত্বক! তীব্র গরমে ত্বকের কোন বিপদ বাড়ছে? কাদের বাড়তি খেয়াল রাখা জরুরি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    তাপমাত্রার পারদ ক্রমশ বাড়ছে! আবহাওয়ায় বাড়াচ্ছে অস্বস্তি! একাধিক শারীরিক সমস্যার মতোই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ত্বকের সমস্যা। শিশু থেকে বয়স্ক, এই গরমে ত্বকের সমস্যায় কমবেশি সকলেই ভুগছেন। তীব্র গরমে তাই ত্বক নিয়ে বাড়তি সচেতন থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন ত্বক-বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, রোদের তাপ প্রচন্ড। তার সঙ্গে দিনভর ঘাম! সব মিলিয়ে একটা অস্বস্তি তৈরি হচ্ছে। এই সময়ে ত্বকের সমস্যা দেখা দিলে, বাড়তি ভোগান্তি হবে। তাই ত্বক ভালো রাখতে কয়েকটি দিকে নজর রাখা জরুরি। তাহলে সহজেই ত্বকের ভোগান্তি কমানো যাবে।

    এই আবহাওয়ায় কী ধরনের সমস্যা হচ্ছে?

    ত্বকে ছড়াতে পারে ছত্রাক সংক্রমণ!

    ত্বক বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, প্রচন্ড গরমে ত্বকে নানা রকম ফ্যাঙ্গাল ইনফেকশন হয়। সাধারণত মহিলাদের এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। গরমে কুঁচকি, বগলের নীচে কিংবা স্তনের নীচে অতিরিক্ত ঘামের জেরে একধরনের ছত্রাক জন্মায়। যার ফলে শরীরে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। চুলকানি, লাল দাগ হয়। এমনকি সংক্রমণ বাড়লে ঘা হয়ে যেতে পারে। গরমে যাতে ত্বকে এই ধরনের সংক্রমণ না হয়, সেদিকে বিশেষ নজরদারি জরুরি।

    সানবার্ন!

    দিনের বেশির ভাগ সময় যাদের বাড়ির বাইরে থাকতে হচ্ছে, তাদের সানবার্নের মতো‌ ত্বকের সমস্যা হতে পারে। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, প্রচন্ড রোদের মধ্যে থাকলে ত্বক পুড়ে যায়। এর ফলে ত্বকের রং পরিবর্তন হয়। তাছাড়া, ত্বকের উপরে একটা কালো আস্তরণ পড়ে। এর জেরে ত্বক রুক্ষ হয়ে যায়। ত্বকের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হয়।

    ঘামাচির ভোগান্তি বাড়ে!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, গরমে সবচেয়ে বড় ত্বকের সমস্যা হলো ঘামাচি। ছোটো ছোটো লাল ফুসকুড়ি শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। অতিরিক্ত ঘাম থেকেই এই ধরনের সমস্যা তৈরি হয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই সমস্যা শিশুদের সবচেয়ে বেশি হয়। কারণ, শিশুরা অতিরিক্ত দৌড়াদৌড়ি করে। এর ফলে ঘাম হয়। তার ফলেই ত্বকে এই ধরনের সমস্যা তৈরি হয়।

    ব্রণর সমস্যা বেড়ে যায়!

    ত্বক বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, অনেকেই ব্রনের সমস্যায় ভোগেন। এই আবহাওয়ায় সেই ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই সময়ে অতিরিক্ত ঘাম। ত্বকের মধ্যে তেল ভাব বেশি হয়। এই তৈলাক্ত ত্বক ব্রণর সমস্যা বাড়িয়ে দেয়।

    ডিহাইড্রেশন ত্বকের সমস্যা বাড়িয়ে দেয়!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই তীব্র গরমে সবচেয়ে বেশি বিপদ বাড়ায় ডিহাইড্রেশন। অর্থাৎ, শরীরে জলের ঘাটতি দেখা যায়। অতিরিক্ত তাপপ্রবাহ এবং ঘামের জেরে শরীরে জলের ঘাটতি হয়। তার ফলে ত্বকের একাধিক সমস্যা তৈরি হয়। ত্বক আরও শুষ্ক হয়ে যায়। ত্বকের আদ্রতা কমে। ফলে ত্বকে নানান অ্যালার্জি হতে পারে।

    এই আবহাওয়ায় কীভাবে ত্বকের ভোগান্তি কমবে?

    ঘরোয়া ডিটক্স ওয়াটার কমাবে বিপদ!

    ত্বক বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, এই আবহাওয়া মোকাবিলায় সবচেয়ে বড় হাতিয়ার ডিটক্স ওয়াটার। তাঁদের পরামর্শ, ঘরোয়া সহজ পদ্ধতিতে তৈরি ডিটক্স ওয়াটার বড় বিপদ আটকাতে সাহায্য করবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, দু’লিটার জলের মধ্যে কুচানো আদা, একটি পাতিলেবুর রস এবং একটি আমলকি মিশিয়ে রাখতে হবে। সারাদিন ওই জল মাঝেমধ্যে খেলে শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের চাহিদা পূরণ হবে। এই আবহাওয়ায় অতিরিক্ত ঘামের ফলে শরীরে যে ধরনের সমস্যা হচ্ছে, সেগুলো মোকাবিলা করা সহজ হবে।

    পর্যাপ্ত পরিমাণ জল ও রসালো ফল খাওয়া জরুরি!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন,এই আবহাওয়ায় শরীরে জলের ঘাটতি যেন না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা সবচেয়ে জরুরি। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণ জল খাওয়া দরকার। প্রাপ্ত বয়স্কদের নিয়মিত চার লিটার জল খাওয়া জরুরি। ছোটোদের অন্তত তিন লিটার জল খাওয়া প্রয়োজন। এর পাশপাশি ডাব, তরমুজ, আমের মতো রসালো ফল খাওয়া জরুরি। এতে শরীরে জলের চাহিদা মেটায়।‌ ফলে ত্বকের শুষ্কতা কমে।

    সানস্ক্রিন ব্যবহার অপরিহার্য!

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রোদে ত্বক পুড়ে যাওয়ার পাশপাশি ত্বকের একাধিক দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ, এই রোদে বাইরে যাওয়ার আগে সানস্ক্রিন ব্যবহার অপরিহার্য। তাঁদের পরামর্শ, বাচ্চা থেকে বয়স্ক, সকলের উচিত বাইরে যাওয়ার আগে হাতে, মুখের যে অংশে রোদ লাগতে পারে, সেখানে ভালোভাবে সানস্ক্রিন লাগিয়ে তারপরে বাইরে যাওয়া। আবার, দীর্ঘ সময় বাইরে থাকলে প্রতি তিন ঘণ্টা অন্তর সানস্ক্রিন ব্যবহার করা জরুরি।

    গরমে অতিরিক্ত মেকআপ ব্যবহার করা উচিত নয়!

    ত্বক বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, এই আবহাওয়ায় অতিরিক্ত মেকআপ করা উচিত নয়। অনেক সময়েই অতিরিক্ত মেকআপ করলে ঘাম আরও বেশি হয়। এই গরমে যা ত্বকের বাড়তি ক্ষতি করবে!

    দিনে একাধিকবার ত্বক পরিষ্কার করা জরুরি!

    চিকিৎসকদের, একাংশ জানাচ্ছেন, দিনে একাধিকবার ত্বক পরিষ্কার করা জরুরি। বিশেষত যারা অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম করছেন, ঘাম বেশি হচ্ছে, তাদের বারবার পরিষ্কার জলে ত্বক ধুয়ে ফেলতে হবে। শরীরে বেশি সময় ঘাম থাকলেই ত্বকে অ্যালার্জি, ছত্রাক সংক্রমণের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই দিনে বারবার শরীর পরিচ্ছন্ন রাখলে এই ধরনের সমস্যা এড়ানো সহজ হবে।

    হালকা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার জরুরি!

    গরমে ত্বক তেলতেলে মনে হলেও, ঘাম হলেও নিয়মিত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার জরুরি বলেই জানাচ্ছেন ত্বক বিশেষজ্ঞেরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, হালকা ময়েশ্চারাইজার নিয়মিত রাতে ব্যবহার করলে এই গরমে ত্বকের শুষ্ক ভাব এড়ানো সহজ হবে।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
  • Daily Horoscope 28 May 2026: কর্মক্ষেত্রে জটিলতা কাটতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 28 May 2026: কর্মক্ষেত্রে জটিলতা কাটতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) সন্তানদের নিয়ে সংসারে কলহ সৃষ্টি হতে পারে।

    ২) আইনি সমস্যা থেকে মুক্তিলাভ।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) প্রেমে মাত্রাছাড়া আবেগ ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে জটিলতা কাটতে পারে।

    ৩) সতর্ক থাকবেন সব বিষয়ে।

    মিথুন

    ১) যানবাহন খুব সাবধানে চালাতে হবে, বিপদের আশঙ্কা রয়েছে।

    ২) প্রেমের ক্ষেত্রে দিনটি শুভ।

    ৩) বাণীতে সংযম জরুরি।

    কর্কট

    ১) আগুপিছু না ভেবে উপার্জনের রাস্তায় পা দেবেন না।

    ২) অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতার যোগ।

    ৩) সবাইকে ভালোভাবে কথা বলুন।

    সিংহ

    ১) কর্মচারীদের জন্য ব্যবসায় বিবাদ হতে পারে।

    ২) ভ্রমণের পক্ষে দিনটি শুভ নয়।

    ৩) প্রতিকূল কাটবে দিনটি।

    কন্যা

    ১) প্রেমের ক্ষেত্রে সাফল্য লাভ।

    ২) কুটিরশিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অগ্রগতি হতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    তুলা

    ১) ভালো কথার দ্বারা অন্যকে প্রভাবিত করতে পারবেন।

    ২) দুপুর নাগাদ ব্যবসা ভালো হবে।

    ৩) দিনটি মোটামুটি কাটবে।

    বৃশ্চিক

    ১) প্রিয়জনের কুকর্মের জন্য বাড়িতে বিবাদ।

    ২) ব্যবসায় ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) আশাহত।

    ধনু

    ১) চাকরিতে সুখবর আসতে পারে।

    ২) রক্তচাপ নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    মকর

    ১) শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকায় কর্মে ক্ষতির আশঙ্কা।

    ২) আপনার সহিষ্ণু স্বভাবের জন্য সংসারে শান্তি রক্ষা পাবে।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    কুম্ভ

    ১) কাজের চাপে সংসারে সময় না দেওয়ায় বিবাদ হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় কিছু পাওনা আদায় হতে পারে।

    ৩) আশা পূরণ।

    মীন

    ১) সন্তান-স্থান শুভ।

    ২) আজ কোনও সুসংবাদ পাওয়ার জন্য মন চঞ্চল থাকবে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 657: “কি সংসারী কি ত্যাগী সব্বাইকে ভাল করে দিতে পারেন! মলয়ের হাওয়া বইলে, আমি বলি, সব কাঠ চন্দন হয়”

    Ramakrishna 657: “কি সংসারী কি ত্যাগী সব্বাইকে ভাল করে দিতে পারেন! মলয়ের হাওয়া বইলে, আমি বলি, সব কাঠ চন্দন হয়”

    ৫৩ কাশীপুর বাগানে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    পঞ্চদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৬, ১৬ই এপ্রিল

    অবতার বেদবিধির পার — বৈধীভক্তি ও ভক্তি উন্মাদ

    গিরিশ পুনর্বার ঘরে আসিয়া ঠাকুরের সম্মুখে বসিয়াছেন ও পান খাইতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) — রাখাল-টাখাল এখন বুঝেছে কোন্‌টা ভাল, কোন্‌টা মন্দ; কোন্‌টা সত্য, কোন্‌টা মিথ্যা। ওরা যে সংসারে গিয়ে থাকে, সে জেনেশুনে। পরিবার আছে, ছেলেও হয়েছে — কিন্তু বুঝেছে যে সব মিথ্যা। অনিত্য। রাখাল-টাখাল এরা সংসারে লিপ্ত হবে না।

    “যেমন পাঁকাল মাছ। পাঁকের ভিতর বাস, কিন্তু গায়ে পাঁকের দাগটি পর্যন্ত নাই!”

    গিরিশ — মহাশয়, ও-সব আমি বুঝি না। মনে করলে সব্বাইকে নির্লিপ্ত আর শুদ্ধ করে দিতে পারেন। কি সংসারী কি ত্যাগী সব্বাইকে ভাল করে দিতে পারেন! মলয়ের হাওয়া বইলে, আমি বলি, সব কাঠ চন্দন হয় —

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) — সার না থাকলে চন্দন হয় না। শিমূল আরও কয়টি গাছ, এরা চন্দন হয় না।

    গিরিশ — তা শুনি না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — আইনে এরূপ আছে।

    গিরিশ — আপনার সব বে-আইনি!

    ভক্তেরা অবাক্‌ হইয়া শুনিতেছেন। মণির হাতের পাখা এক-একবার স্থির হইয়া যাইতেছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — হাঁ, তা হতে পারে; ভক্তি-নদী ওথলালে ডাঙ্গায় একবাঁশ জল।

    “যখন ভক্তি উন্মাদ হয়, তখন বেদবিধি মানে না। দূর্বা তোলে; তা বাছে না! যা হাতে আসে, তাই লয়। তুলসী তোলে, পড়পড় করে ডাল ভাঙে! আহা কি অবস্থাই গেছে (Kathamrita)!

    (মাস্টারের প্রতি) — “ভক্তি হলে আর কিছুই চাই না!”

    মাস্টার — আজ্ঞা হাঁ।

    সীতা ও শ্রীরাধা—রামাবতার ও কৃষ্ণাবতারের বিভিন্ন ভাব

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— একটা ভাব আশ্রয় করতে হয়। রামাবতারে শান্ত, দাস্য, বাৎসল্য, সখ্য ফখ্য। কৃষ্ণাবতারে ও-সবও ছিল, আবার মধুরভাব।

    “শ্রীমতীর মধুরভাব — ছেনালি আছে। সীতার শুদ্ধ সতীত্ব — ছেনালি নাই।

    “তাঁরই লীলা। যখন যে ভাব।”

    বিজয়ের সঙ্গে দক্ষিণেশ্বরে কালীবাড়িতে একটি পাগলের মতো স্ত্রীলোক ঠাকুরকে গান শুনাইতে যাইত। শ্যামাবিষয়ক গান ও ব্রহ্ম সঙ্গীত। সকলে পাগলী বলে (Kathamrita)। সে কাশীপুরের বাগানেও সর্বদা আসে ও ঠাকুরের কাছে যাবার জন্য বড় উপদ্রব করে। ভক্তদের সেই জন্য সর্বদা ব্যস্ত থাকতে হয়।

  • Annapurna Bhandar Yojana: “‘অন্নপূর্ণা ভান্ডার’ প্রকল্প থেকে কেউ বঞ্চিত হবেন না”, জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

    Annapurna Bhandar Yojana: “‘অন্নপূর্ণা ভান্ডার’ প্রকল্প থেকে কেউ বঞ্চিত হবেন না”, জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’ (Annapurna Bhandar Yojana) নিয়ে অবসান যাবতীয় জল্পনার। ১ জুন থেকে শুরু হচ্ছে ফর্মপূরণের (Form) কাজ। চলবে তিন মাস। এই প্রকল্পে আর্থিক অনুদান পেতে হলে ফর্ম পূরণ করতে হবে উপভোক্তাদের। বুধবার নবান্ন থেকে ফর্ম প্রকাশ করে রাজ্যে এই প্রকল্প সূচনার কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, অনলাইন এবং অফলাইন দু’ভাবেই আবেদন করা যাবে। তৃণমূলের আমলে যাঁরা লক্ষ্মীর ভান্ডার পেতেন, তাঁদের সকলকেই এই ফর্মপূরণ করতে হবে। যতদিন না অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত উপভোক্তারা লক্ষ্মীর ভান্ডারের আর্থিক সুবিধা পাবেন। কেউ যে বঞ্চিত হবেন না, তা-ও স্পষ্ট করে দিয়েছেন রাজ্যে পালাবদলের মুখ্যমন্ত্রী।

    ফর্মের খুঁটিনাটি (Annapurna Bhandar Yojana)

    জানা গিয়েছে, বিডিও অফিস এবং পুরসভায় ফর্ম মিলবে। আবেদনকারীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেই সব তথ্য যাচাই করা হবে। মুখ্যসচিব এবং অর্থসচিবের নেতৃত্বে আধিকারিকরা এর সঙ্গে যুক্ত থাকবেন। যাঁরা আধারের কাজ করেন, ভোটার তালিকা তৈরির কাজে যাঁরা যুক্ত, তাঁরা এই কাজ করবেন। যাঁরা অনলাইন বা অফলাইনে ফর্ম পূরণ করতে পারবেন না, তাঁদের ক্ষেত্রে আধিকারিকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফর্ম পূরণে সাহায্য করবেন। সাহায্য করবেন বিধায়করাও। এই প্রকল্পে সুবিধা পাবেন কেবলমাত্র উপযুক্ত প্রাপকরাই। যে ফর্ম দেওয়া হচ্ছে, সেখানে উপভোক্তার পরিবার সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য জানতে চাওয়া হবে। ওই পরিবারকে আরও একাধিক সামাজিক প্রকল্পের সুবিধা দিতেই এই তথ্য চাওয়া হবে (Annapurna Bhandar Yojana)। ১৫, ১৬, ১৭ জুন ‘জনকল্যাণ শিবির’ হবে। সেখানেও ফর্ম পূরণে সাহায্য করা হবে। বর্তমানে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ পান ২ কোটি ২০ লাখ মহিলা। এসআইআরের পরে মৃত, ভুয়ো, স্থানান্তরিত এমন কমবেশি ৩০ লাখ উপভোক্তার নাম বাদ যাবে। আবার, নতুন আবেদনও জমা পড়বে।

    উপযুক্তদেরই টাকা দেওয়া হবে

    ধীরে ধীরে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডারে’র উপভোক্তাদের ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’য় নথিভুক্ত করা হবে। তাই কাউকে তাড়াহুড়ো করে আবেদন না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যতদিন না কোনও উপভোক্তা ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন, ততদিন তিনি লক্ষ্মীর ভান্ডার পাবেন (Form)।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা ভেবেছিলাম তালিকা ভেরিফায়েড। কিন্তু অনেক অভিযোগ এসেছে। ভুয়ো প্রাপক, অ-ভারতীয়দের বাদ দেওয়া হবেই। স্বচ্ছতা বজায় রাখতে উপযুক্তদের টাকা দেওয়া হবে। এই স্কিম তাঁদেরই (Annapurna Bhandar Yojana)।”

    অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পাবেন যাঁরা

    তিনি বলেন, “অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পেতে এই ফর্ম পূরণ করতে হবে। অন্নপূর্ণা যোজনায় মহিলারা পাবেন ৩ হাজার করে টাকা। আয়কর দিলে প্রকল্পের সুবিধা মিলবে না। সিএএ (CAA)-তে আবেদনকারীরা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। সরকারি, আধা সরকারি চাকরি করলেও এই সুবিধা পাবেন না। ভারতীয় ছাড়া কাউকে অন্নপূর্ণা যোজনার ভাতা নয়।” তিনি বলেন, “এসআইআরে ট্রাইব্যুনালে আবেদনকারীরাও এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। আধারযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রতিমাসে টাকা ঢুকবে। অন্নপূর্ণা যোজনায় পরিচ্ছন্ন তালিকা হবে। ফর্ম পূরণের সঙ্গে সঙ্গে পরিবারের ডিটেলসও নেওয়া হবে, যাতে কোনও অভিযোগ না ওঠে। যাঁরা প্রকৃতই পাওয়ার যোগ্য তাঁরা যেন পান, সেটা দেখতে হবে (Annapurna Bhandar Yojana)।”

     

  • TMC Inner Clash: তৃণমূলের পদ ছাড়লেন কাকলি, দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন কলকাতা পুরসভার আরও দুই কাউন্সিলরও

    TMC Inner Clash: তৃণমূলের পদ ছাড়লেন কাকলি, দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন কলকাতা পুরসভার আরও দুই কাউন্সিলরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষমতা খোয়াতেই টলোমলো হয়ে গিয়েছিল তৃণমূল নেত্রীর আসন (TMC Inner Clash)। কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে রোজকার যে ভিড়টা দেখা যেত, সেই চেনা ছবিটাও তো দু’সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে আর দেখা যাচ্ছে না। রাজ্যে বিপুল জনাদেশ নিয়ে (Calcutta Municipal Corporation) বিজেপি নবান্নের কুর্সিতে বসতেই তৃণমূল নেত্রীর পাশ থেকে সরে গিয়েছে স্তাবকের দল। আক্ষরিক অর্থেই একা মমতা প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে চলেছেন ‘নকল বুঁদি গড়’ রক্ষা করতে। তবে তিনি সেই ‘গড়’ কতদিন আগলে রাখতে পারবেন, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। কারণ, ছাব্বিশের নির্বাচনে দল খাদে পড়ে যেতেই তৃণমূল নেত্রীর পাশ থেকে সরে যেতে শুরু করেছেন এক এক করে বহু প্রবীণ নেতাও।

    পদ ছাড়লেন তৃণমূল সাংসদ কাকলি (TMC Inner Clash)

    এই যেমন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তৃণমূলের টিকিটে জিতে সংসদে গিয়েছেন কাকলি। ইদানিং তিনিই শুরু করেছেন বেসুরো গাইতে। দিন তিনেক আগে কাকলি ছেড়েছিলেন জেলা সভাপতির পদ। এবার তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন-সহ সমস্ত সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে দলীয় নেতৃত্বকে চিঠি দিলেন কাকলি। কারণ, কাকলির ‘বিলম্বিত বোধদয়’! শুধু তা-ই নয়, তৃণমূল জমানায় রাজ্যে হওয়া একের পর এক কেলেঙ্কারি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। নাম না করে কাকলি আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূলেরই শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি কাকলিকে তৃণমূলের সংসদীয় দলের মুখ্যসচেতকের পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে দায়িত্ব ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে কল্যাণকে। তার জেরে সোশ্যাল মিডিয়ায় কাকলি লেখেন, “’৭৬ থেকে পরিচয়, ‘৮৪-তে পথ চলা শুরু। চার দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম।”

    কাকলির বিলম্বিত বোধদয়!

    তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীকে কাকলি লিখেছেন, ‘দুর্নীতি থেকে আরজিকরকাণ্ড তাঁকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে।’ বুধবার তিনি লেখেন, “আমার বিবেক আজ গভীরভাবে আলোড়িত। রেশন দুর্নীতি, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি-সহ একাধিক আর্থিক ও প্রশাসনিক অনিয়ম সাধারণ মানুষের মনে গভীর ক্ষোভ ও অবিশ্বাসের জন্ম দিয়েছে।’ কাকলি জানান (TMC Inner Clash), ২০২৪ সালে আরজিকর মেডিকেল কলেজে তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনাকে ‘সম্ভাব্য ধামাচাপার অভিযোগ’ সমাজকে স্তম্ভিত করেছে। তার অভিঘাত তিনি অনুভব করেছেন। তৃণমূলের সাংসদ লিখেছেন, ‘যে পদে থাকাকালীন মহিলা সাংসদের ওপর অন্য এক জন অশিক্ষিত, অভদ্র দলীয় সাংসদের অশালীন আচরণ বন্ধ করা যায় না বা ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের সহযোগিতা-সহানুভূতি পাওয়া যায় না, তখন আর সে পদে থাকার মানে হয় না।”

    কাকলির নিশানায় আইপ্যাক

    ওই চিঠিতেই কাকলি চাঁদমারি করেছেন আইপ্যাককে। নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে এই সংস্থাই ছিল তৃণমূলের পরামর্শদাতা। তিনি জানান, আইপ্যাক নিয়ে নানা মহল থেকে অভিযোগ উঠেছে। সেগুলিও তাঁকে বিচলিত করেছে (Calcutta Municipal Corporation)। কাকলি লিখেছেন, “যদি কোনও অস্বচ্ছ ও অগণতান্ত্রিক প্রভাব ক্রমশ সংগঠনের ওপর প্রভাব বিস্তার করে, তবে তা দলের আদর্শ ও ঐতিহ্যের পক্ষে শুভ হতে পারে না বলেই আমি মনে করি।” তৃণমূলের এই প্রবীণ নেত্রী জানান, তিনি তৃণমূলের সাধারণ কর্মী। কোনও ব্যক্তিগত ক্ষোভ বা অভিমান থেকে তিনি এই সিদ্ধান্ত নেননি। দল, গণতন্ত্র এবং মানুষের প্রতি নৈতিক দায়বদ্ধতা থেকেই সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে নিজেকে মুক্ত করে নিলেন তিনি।

    পদ ছাড়লেন সুশান্ত-অরূপ

    এদিকে, মঙ্গলবারই কাউন্সিলরদের নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন ঝাঁপিয়ে পড়ে কাজ করতে। তৃণমূল সুপ্রিম সেই নির্দেশের পর ২৪ ঘণ্টাও পেরোয়নি, গুরুত্বপূর্ণ পদে ইস্তফা দিলেন কলকাতা পুরসভার দুই তৃণমূল কাউন্সিলর – সুশান্ত ঘোষ এবং অরূপ চক্রবর্তী। বুধবার ১২ নম্বর বোরোর চেয়ারম্যান পদে ইস্তফা দেন সুশান্ত। আর মিউনিসিপ্যাল অ্যাকাউন্টস কমিটির পদে ইস্তফা দেন অরূপ চক্রবর্তী (TMC Inner Clash)। সুশান্ত এবং অরূপ যথাক্রমে ১০৮ এবং ৯৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর।

    বিজেপিকে ধন্যবাদ সুশান্তর

    সুশান্ত বলেন, “মানুষ যাঁদের ক্ষমতায় এনেছেন, তাঁদের কাজ করতে দেওয়া উচিত। দলের যেসব মন্ত্রী জেড প্লাস, ওয়াই প্লাস সিকিউরিটি নিয়ে ঘুরে বেড়াতেন, গত কয়েকদিনে তাঁদের আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। এঁদের জন্যই মমতার ধারে-কাছে ঘেঁষতে পারতাম না। বিজেপিকে ধন্যবাদ। ওদের জন্য আমাদের দলের অনেককে ঘরে ফেরাতে পেরেছি। বাকিদের ফিরিয়ে আনলে আমাদের দায়িত্ব শেষ।” তিনি বলেন, “২০২০ সালে আমার ওপর আক্রমণ হয়। ২০২৪ সালেও ফের আক্রমণ হয়। অবাক করা ব্যাপার হল, আমার সরকার ঠিক করে তদন্তটাও করেনি। অদ্ভুতভাবে মূল দুষ্কৃতীর জামিন হয়। আমি ব্যক্তিগতভাবে আইনজীবীর ব্যবস্থা করে বাকি অভিযুক্তদের আটকে রেখেছি। রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করব, এই তদন্তটা দেখতে (Calcutta Municipal Corporation)।”

    কেষ্টু-বিষ্টুরা কোথায়?, প্রশ্ন অরূপের

    অরূপ বলেন, “মমতাদি-অভিষেক ছাড়া বাকি নেতৃত্ব কই? বাকি কেষ্টু-বিষ্টুরা কোথায়? যাঁদের কনভয়ের আগে চার-পাঁচটা করে গাড়ি থাকত? জনাদেশ আমাদের বিপক্ষে গিয়েছে। এটা আমাদের মানতে হবে। হার স্বীকার করতে হবে। ছাব্বিশের হার না মানা মানে বাকি সব জয় মিথ্যে হয়ে যায়। গণতন্ত্রে মানুষের রায়কে মান্যতা দিতেই হবে।” তিনি বলেন, “কেউ ক্ষমতায় সারাজীবন থাকে না। সিপিএম ভেবেছিল থাকবে, নেই। এখন আমরা নেই। মমতার বাড়িতে রবীন্দ্র-জয়ন্তী অনুষ্ঠানে যেসব সেলিব্রিটি ছিলেন, তাঁরা কোথায় (TMC Inner Clash)?” এদিন দুপুরে পুর-কমিশনার স্মিতা পাণ্ডের কাছে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন সুশান্ত-অরূপ। পরে তাঁরা পদত্যাগপত্র জমা দেন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের ঘরে গিয়েও।

    জনাদেশ মাথা পেতে নিয়ে ৯ নম্বর বরোর চেয়ারপার্সনের পদে ইস্তফা দিয়েছিলেন কলকাতা পুরসভার ৭৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দেবলীনা বিশ্বাস। তিনি পুরসভার চেয়ারপার্সন মালা রায়ের কাছে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছিলেন (Calcutta Municipal Corporation)। ঘাসফুল শিবির সূত্রে খবর, ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে দলের ভরাডুবির জেরেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন দেবলীনা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, দলনেত্রী স্বয়ং গোহারা হারতেই আর ‘রিস্ক’ নেননি তিনি (TMC Inner Clash)।

     

  • Anik Dutta: টলিউডে শোকের ছায়া, গরমের দুপুরে ছাদ থেকে পড়ে রহস্যজনক মৃত্যু পরিচালক অনীক দত্তের

    Anik Dutta: টলিউডে শোকের ছায়া, গরমের দুপুরে ছাদ থেকে পড়ে রহস্যজনক মৃত্যু পরিচালক অনীক দত্তের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টলিউডে ফের শোকের ছায়া। বুধবার দুপুরে আচমকাই ছড়িয়ে পড়ে খবর— গড়িয়াহাটের বাড়ির ছাদ থেকে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছেন পরিচালক অনীক দত্ত (Anik Dutta)। প্রথমে তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকুরিয়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলে জানা যায়। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। কী করে ছাদ থেকে পড়ে গেলেন অনীক, নেহাত দুর্ঘটনা, না কি অন্য কিছু, এখনও স্পষ্ট নয়। ভরদুপুরে তিনি ছাদে উঠেছিলেন কেন, তাও জানা যায়নি। গড়িয়াহাট থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। পরিচালকের মৃত্যুকে ঘিরে ইতিমধ্যেই নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।

    কীভাবে ঘটে দুর্ঘটনা

    বুধবার দুপুরে বহুতলের ছ’তলার ছাদ থেকে পড়ে যান তিনি। বহুতলের গা ঘেঁষে থাকা একটি গাছের ডালও ভেঙে যায়। ছাদ থেকে পড়ার সময় অনীক ওই গাছে ধাক্কা খান বলে মনে করা হচ্ছে। ঘটনার সময় বাড়িতেই ছিলেন অনীকের স্ত্রী। তবে অনীক দুর্ঘটনাবশত পড়ে যান, না কি নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ ছিল, তা এখনও স্পষ্ট হয়নি। (Anik Dutta Dies)হাসপাতাল সূত্রে খবর, হাসপাতালে পৌঁছনোর আগেই মারা যান অনীক। তাঁর সারা শরীরে চাপ চাপ রক্ত ছিল। মাথায়, কাঁধে, বুকে আঘাত ছিল তাঁর। তাঁকে এমার্জেন্সিতে নিয়ে যাওয়া হলেও, মারা যান। অনীকের স্ত্রী হাসপাতালে রয়েছেন। মেয়ে আসছেন মুম্বই থেকে। দুপুর ৩টে বেজে গিয়েছে বলে আজ ময়নাতদন্ত হবে না। দেহ সংরক্ষণ করা হবে। ময়নাতদন্ত হবে কাল। দেহ নিয়ে কী হবে, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে মেয়ে এসে পৌঁছনোর পর। গড়িয়াহাট থানার একটি টিমও হাসপাতালে রয়েছে। যে চিকিৎসক প্রথন অনীককে দেখেন, জিজ্ঞাসাবাদ কার হবে তাঁকেও।

    বাংলা সিনেমায় ব্যতিক্রমী চিন্তাভাবনা

    বাংলা সিনেমায় ব্যতিক্রমী চিন্তাভাবনা এবং তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গাত্মক উপস্থাপনার জন্য আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছিলেন অনীক দত্ত (Anik Dutta)। বিজ্ঞাপনের জগৎ থেকে চলচ্চিত্র পরিচালনায় আসা অনীক দত্ত ২০১২ সালে ‘ভূতের ভবিষ্যৎ’ ছবির মাধ্যমে পরিচালনায় আত্মপ্রকাশ করেন। মুক্তির পরই ছবিটি দর্শকমহলে বিপুল সাড়া ফেলে। ভৌতিক আবহের আড়ালে সমাজ ও সময়কে ব্যঙ্গ করার অভিনব ভাষা তাঁকে বাংলা ছবির অন্যতম স্বতন্ত্র নির্মাতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা দেয়। এরপর একে একে তিনি পরিচালনা করেন ‘আশ্চর্য প্রদীপ’, ‘মেঘনাদবধ রহস্য’, ‘বরুণবাবুর বন্ধু’, ‘অপরাজিত’-র মতো একাধিক আলোচিত ছবি। সত্যজিৎ রায়কে শ্রদ্ধা জানিয়ে তৈরি ‘অপরাজিত’ বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছিল দর্শক ও সমালোচক মহলে। তাঁর ছবিতে বারবার উঠে এসেছে মধ্যবিত্ত বাঙালির মনন, সামাজিক টানাপোড়েন এবং সূক্ষ্ম রসবোধ। কেরিয়ারে মোট আটটি ছবি পরিচালনা করেন অনীক দত্ত। তাঁর শেষ মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘যত কাণ্ড কলকাতাতেই’, যা ২০২৫ সালে মুক্তি পেয়েছিল। কাজের প্রতি নিষ্ঠা এবং নিজস্ব ঘরানার জন্য বরাবরই আলাদা মর্যাদা পেয়েছিলেন তিনি। সুদীর্ঘ কেরিয়ারে একাধিক সম্মান ও পুরস্কার পেয়েছেন অনীক। সেই তালিকায় রয়েছে ‘আনন্দলোক পুরস্কার’, ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল ফিল্ম জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন অ্যাওয়ার্ড’।

  • TMC MLA Dilip Mandal: পুরী থেকে গ্রেফতার তৃণমূল বিধায়ক দিলীপ মণ্ডল, আদালতের নির্দেশে নজিরবিহীন পদক্ষেপ

    TMC MLA Dilip Mandal: পুরী থেকে গ্রেফতার তৃণমূল বিধায়ক দিলীপ মণ্ডল, আদালতের নির্দেশে নজিরবিহীন পদক্ষেপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরের তৃণমূল বিধায়ক দিলীপ মণ্ডলকে (TMC MLA Dilip Mandal) ওড়িশার পুরী থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশের পর এই নজিরবিহীন পদক্ষেপ নেওয়া হল। আদালতের কড়া নির্দেশের পরই রাজ্য পুলিশের একটি বিশেষ দল (STF) ওড়িশায় গিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করেছে। আজ, বুধবারই তাঁকে কলকাতায় ফিরিয়ে এনে আলিপুর আদালতে হাজির করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

    মূল ঘটনা ও আইনি জটিলতা (TMC MLA Dilip Mandal)

    বিষ্ণুপুর বিধানসভা কেন্দ্রের এক বাসিন্দার দায়ের করা জমি সংক্রান্ত মামলার পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্ট বিধায়ক দিলীপ মণ্ডলকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু বারবার সমন পাঠানো সত্ত্বেও তিনি আদালতে উপস্থিত হননি। বিধায়কের এই আচরণকে আদালত অবমাননা হিসেবে গণ্য করে বিচারপতি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

    উল্লেখ্য দক্ষিণ ২৪ পরগনার তৃণমূল বিধায়ক দিলীপ মণ্ডল বিজয় মিছিল করার সময়ে মাইকে বলেছিলেন, “এলাকার বিজেপি কর্মীদের বাড়িঘর এবং সম্পত্তি জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে ছারখার করে দেবো। যাঁরা বিজেপিকে ভোট দিয়েছে বা বিজেপির হয়ে কাজ করেছে,তাঁদের বিষ্ণুপুর এলাকায় থাকতে দেওয়া হবে না।” তারপর অভিযোগ দায়ের হয় থানায়।

    আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, কোনও জনপ্রতিনিধি আইনের ঊর্ধ্বে নন। এর পরেই ডিভিশন বেঞ্চের পক্ষ থেকে অবমাননার দায়ে বিধায়কের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা (Non-Bailable Warrant) জারি করা হয় এবং রাজ্য পুলিশকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

    পুরীর হোটেল থেকে গ্রেফতার

    দিলীপ মণ্ডলের ছেলেকে গ্রেফতার করে  জিজ্ঞাসাবাদ করতেই  একাধিক আত্মীয়-স্বজন ও ঘনিষ্ঠ সহযোগীর ফোন নম্বর হাতে পান তদন্তকারীরা । সেই সূত্র ধরে বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ শুরু হয় । তদন্তকারীরা ধীরে ধীরে নিশ্চিত হন যে দিলীপ মণ্ডল রাজ্যের বাইরে কোথাও আত্মগোপন করে রয়েছেন । প্রথম দিকে তাঁর অবস্থান নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলেও পরে মোবাইল ফোনের লোকেশন ও যোগাযোগের সূত্র ধরে তদন্তকারীরা জানতে পারেন ওড়িশায় রয়েছেন। আদালতের নির্দেশের পর পুলিশ বিধায়কের (TMC MLA Dilip Mandal) অবস্থান চিহ্নিত করতে তদন্ত শুরু করে। জানা যায়, তিনি সপরিবারে ওড়িশার পুরীর ব্লুলিলি নামক একটি হোটেলে আত্মগোপন ছিলেন। সেই তথ্যের ভিত্তিতে রাজ্য পুলিশের একটি বিশেষ দল পুরী পৌঁছায় এবং স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় তাঁকে গ্রেফতার করেছে।

    তৃণমূল বিধায়কের এই গ্রেফতারিকে কেন্দ্র করে বর্তমান রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তিনি ভোটে জিতে প্রকাশ্যে মাইক লাগিয়ে বিজেপির নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছিলেন। যদিও এই বিষয়ে শাসকদলের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, বিরোধী দলগুলি এই ঘটনাকে স্বাগত জানিয়ে দাবি করেছে যে, আইন সবার জন্য সমান—তা এই পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রমাণিত হলো।

  • IPL 2026: দুর্গাপুজোর সময় আইপিএল! তীব্র গরম থেকে ক্রিকেটারদের স্বস্তি দিতে ভাবনা বিসিসিআই-এর

    IPL 2026: দুর্গাপুজোর সময় আইপিএল! তীব্র গরম থেকে ক্রিকেটারদের স্বস্তি দিতে ভাবনা বিসিসিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছর থেকে দুর্গাপুজোর সময় হতে পারে আইপিএল (IPL 2026)। বদলে যেতে পারে আইপিএলের সময়। দীর্ঘ দিন ধরেই মার্চে শুরু হয় প্রতিযোগিতা। তা ছ’মাস পিছিয়ে দেওয়া হতে পারে। দু’টি কারণে এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে বোর্ড। এমনটাই জানিয়েছেন আইপিএলের চেয়ারম্যান অরুণ ধুমল। আপাতত অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছেন তাঁরা। বরাবরই মার্চ থেকে মে – দেড়মাস হয় আইপিএল। তবে ২০২০ ও ২০২১ সালে কোভিডকালে সেপ্টেম্বরে আয়োজিত হয়েছিল আইপিএল। খুব সম্ভবত ওই সময়েই এবার থেকে আয়োজন করা হতে পারে আইপিএল। প্রবল গরম ও ক্রিকেটারদের অত্যধিক ক্লান্তির কারণে এই সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে আইপিএল কর্তৃপক্ষ।

    কেন পিছোচ্ছে সময়

    আইপিএলের গোড়া থেকেই মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত আইপিএল আয়োজন করা হয়। মাঝে ২০২০ ও ২০২১ সালে করোনার কারণে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে হয়েছিল আইপিএল। তবে সব ঠিক থাকলে পাকাপাকি ভাবে ওই সময়েই আইপিএল আয়োজন করা হতে পারে। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের প্রবল গরম এবং ক্রিকেটারদের ক্লান্তির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। ধুমলের মতে, প্রতিযোগিতার সময় পিছোনোর জন্য কোনও চাপ রয়েছে এমন নয়। তা ছাড়া অনুমতি পেতে হবে সম্প্রচারকারী চ্যানেল এবং আইসিসি-রও। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে আইপিএল আয়োজন করা হলে সেই সময় উৎসবের মেজাজে থাকা সমর্থকদের বেশি সংখ্যায় মাঠে টেনে আনা যাবে বলে মত বোর্ডকর্তাদের। ওই সময়ে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে দুর্গাপুজো, দশেরা, দীপাবলি হয়। ধুমল বলেছেন, “প্রতিযোগিতা কিছুটা পিছিয়ে দেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে সম্প্রচারকারী চ্যানেলের সঙ্গে বৈঠক করে ওদের মতামত জানতে হবে। একটা পরামর্শ অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে আইপিএল হতে পারে। বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছে সময়টা খুবই ভাল। কারণ দীপাবলির ঠিক আগে আইপিএল হবে। এর পরের দ্বিপাক্ষিক সূচি দেখতে হবে আমাদের। সেই সময় আইপিএল করা যায় কি না তা বুঝতে হবে।”

    আইসিসি-কেও সূচি বদলাতে হবে

    ধুমল আরও জানান, আইপিএল শুধুমাত্র বিসিসিআই-এর ওপর নির্ভর করে না। যেহেতু এই প্রতিযোগিতায় অনেক বিদেশী প্লেয়াররা খেলে, তাই আইসিসি ও সংশ্লিষ্ট দেশের ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গেও কথা বলা দরকার। আইপিএলের সময়ে কোনও ক্রিকেট ম্যাচ রাখে না আইসিসি, যাতে সব দেশের ক্রিকেটারেরা অংশ নিতে পারেন। আইপিএলের সময় বদলালে আইসিসি-কেও সূচি বদলাতে হবে। এই মুহূর্তে আইপিএল খেলে মোট ১০ দল। ২০২২ সালে যোগ হয়েছে দুই নতুন দল, গুজরাট টাইটান্স ও লখনৌ সুপার জায়েন্টস। মোট ম্যাচ সংখ্যা ৭৪। এই ৭৪ ম্যাচ খেলা হয় দুই মাস জুড়ে। তবে যদি আইপিএল পিছিয়ে দুর্গাপুজোর সময় অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে বিশ্ব ক্রিকেটেও এর প্রভাব পড়বে। তবে যেহেতু বর্তমান সময়ে প্রচন্ড গরমের কারণে প্লেয়ারদের স্বাস্থ্যে প্রভাব পড়ছে, তাই এই বিষয়ে ভেবে দেখতে পারে আইসিসিও।

  • Municipal elections: রাজ্যে পুরভোটের প্রস্তুতি, নভেম্বর-ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন করতে তৎপর শুভেন্দুর সরকার

    Municipal elections: রাজ্যে পুরভোটের প্রস্তুতি, নভেম্বর-ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন করতে তৎপর শুভেন্দুর সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই রাজ্যে পুরভোটের (Municipal elections) প্রস্তুতি শুরু করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। কলকাতা সহ রাজ্যের সমস্ত পুরসভা ও পুরনিগমগুলির নির্বাচনের জন্য এখন থেকেই প্রশাসনকে কোমর বেঁধে নামার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। নবান্ন সূত্রে খবর, আগামী নভেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যেই এই নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে চাইছে নতুন সরকার। এই লক্ষ্যে ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস (ডিলিমিটেশন) এবং আসন সংরক্ষণের (রিজার্ভেশন) কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট মহলকে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পরিস্থিতি অনুকূল থাকলে, আগামী নভেম্বর মাসেই কলকাতায় পুর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে।

    নির্বাচন কমিশনের শূন্যতা ও বড় চ্যালেঞ্জ (Municipal elections)

    আগামী ৯ মাসের মধ্যে রাজ্যের মোট ১২৭টি পুরসভার মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। নতুন রাজ্য সরকারের পক্ষে এই বিপুল কর্মযজ্ঞ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সুচারুভাবে সম্পন্ন করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এর প্রধান কারণ হল, রাজ্য নির্বাচন কমিশন এই মুহূর্তে কার্যত নেতৃত্বহীন। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে তৎকালীন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা পদত্যাগ করার পর থেকে এই পদটি এখনও শূন্য রয়েছে।

    তাছাড়া, সম্প্রতি এক নির্দেশিকার মাধ্যমে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সচিব নীলাঞ্জন শাণ্ডিল্যের মেয়াদ বৃদ্ধি বাতিল করা হয়েছে। রাজ্যে নতুন সরকার গঠন এবং শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari) মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর, নির্দেশ মোতাবেক তিনি পদত্যাগ করেছেন। বর্তমানে কমিশনে যুগ্ম সচিব পর্যায়ের কোনও আধিকারিকও কর্মরত নেই। এই প্রশাসনিক শূন্যতার মধ্যে কীভাবে দ্রুত সীমানা পুনর্গঠন ও ভোটপ্রক্রিয়া চালানো সম্ভব, তা নিয়ে নবান্নের অন্দরে চিন্তাভাবনা চলছে।

    দীর্ঘদিনের বকেয়া ভোট ও হাওড়া প্রসঙ্গ

    বর্তমানে রাজ্যের ১২টি জেলার মোট ১৫টি পুরসভায় (Municipal elections) কোনও নির্বাচিত বোর্ড নেই। দীর্ঘদিন ধরে সেখানে প্রশাসকের মাধ্যমেই নাগরিক পরিষেবা প্রদান করা হচ্ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত এলাকাটি হলো হাওড়া, যেখানে বিগত ১৩ বছর ধরে কোনও পুর নির্বাচন হয়নি। নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পরেই এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এক জরুরি বৈঠকে বসেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। বৈঠক শেষে তিনি বলেন, “হাওড়ার নির্বাচন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর (CM Suvendu Adhikari) সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। খুব শীঘ্রই এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। শুধু হাওড়া নয়, রাজ্যের সব ক’টি পুরসভার নির্বাচন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী দ্রুত উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করবেন।”

    বহু পুরসভায় বকেয়া ভোট…

    উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগেই হাওড়ার নিউ কালেক্টরেট ভবনে আয়োজিত এক প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন যে, প্রায় এক দশক ধরে হাওড়া পুরসভায় নির্বাচন না হওয়ায় নাগরিক পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছিল। তাই ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের কাজ দ্রুত শেষ করে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই হাওড়া ও বালি পুরসভায় ভোট গ্রহণ করা হবে। হাওড়া ছাড়াও ২০১৭ সালের পর থেকে রাজ্যের যে সমস্ত পুরসভায় দীর্ঘদিন নির্বাচন (Municipal elections) বকেয়া রয়েছে, সেই তালিকায় রয়েছে— দুর্গাপুর পুরনিগম, ডোমকল, রায়গঞ্জ, বুনিয়াদপুর, পূজালি, কার্শিয়াং, মিরিক, কালিম্পং, পাঁশকুড়া, হলদিয়া, কুপার্স ক্যাম্প, নলহাটি এবং ধূপগুড়ি পুরসভা।

    রাজনৈতিক সমীকরণ ও নবান্নের কড়া বার্তা

    অন্য দিকে, বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে থাকা পুরবোর্ডগুলিতে (Municipal elections) ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত সোমবার দুপুরে ডায়মন্ড হারবার পুরসভায় এক নজিরবিহীন পরিস্থিতি তৈরি হয়, যেখানে পুরসভার চেয়ারম্যানের কাছে একযোগে পদত্যাগপত্র জমা দেন তৃণমূলের ৮ জন কাউন্সিলর। এই ধরনের রাজনৈতিক ডামাডোলের জেরে যে সমস্ত পুরবোর্ড ভেঙে যাচ্ছে বা সংখ্যালঘু হয়ে পড়ছে, সেখানে সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা মাথায় রেখে অবিলম্বে সরকারি প্রশাসক নিয়োগের স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)।

LinkedIn
Share