Blog

  • Partition Horrors Remembrance Day: ‘‘মানুষ শূন্য থেকে নিজেদের জীবন নতুন করে গড়ে তুলেছিল’’ দেশভাগের ‘বিভীষিকা’কে স্মরণ প্রধানমন্ত্রীর

    Partition Horrors Remembrance Day: ‘‘মানুষ শূন্য থেকে নিজেদের জীবন নতুন করে গড়ে তুলেছিল’’ দেশভাগের ‘বিভীষিকা’কে স্মরণ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের আগে শুক্রবার দেশভাগের কথা স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৷ সেই ভয়াবহ স্মৃতিকে মনে করে শুক্রবার ‘পার্টিশন হররস রিমেমব্রেন্স ডে’ (Partition Horrors Remembrance Day) বা দেশভাগের ভয়াবহতা স্মরণ দিবস উপলক্ষে দেশভাগের শিকার মানুষদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi on Partition)। তিনি বলেন, ১৯৪৭ সালের দেশভাগ বহু মানুষের জীবন ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছিল, পরিবারকে বাস্তুচ্যুত করেছিল এবং অসীম দুর্ভোগের কারণ হয়েছিল। সমাজমাধ্যমে এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশভাগের সময় ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেও সাধারণ মানুষ অসীম সাহস ও দৃঢ়তার পরিচয় দিয়েছিলেন। ঘরবাড়ি, সম্পদ ও প্রিয়জন হারিয়েও তাঁরা নতুন করে জীবন শুরু করেন এবং পরবর্তীকালে দেশের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

    দেশভাগের ভয়ঙ্কর স্মৃতিচারণা প্রধানমন্ত্রীর

    দেশভাগের পরবর্তী দাঙ্গা ও ব্যাপক হিংসাত্মক ঘটনায় যাঁরা প্রাণ হারিয়েছিলেন, তাঁদের স্মরণে মোদি সরকার ২০২॥ সাল থেকে ১৪ অগাস্ট দিনটিকে ‘বিভাজন বিভীষিকা স্মৃতি দিবস’ (Partition Horrors Remembrance Day) হিসেবে পালন করে আসছে। এদিন এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “আজ আমরা ‘বিভাজন বিভীষিকা স্মৃতি দিবস’ পালন করছি। দেশভাগের ফলে যাঁরা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন, তাঁদের সকলের সাহসিকতাকে আমরা স্মরণ করছি। ইতিহাসের সেই মুহূর্তটি বহু মানুষের জীবন ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছিল, বহু পরিবার নিজেদের ভিটেমাটি ও প্রিয়জনদের হারিয়েছিল এবং অকথ্য যন্ত্রণা সহ্য করতে হয়েছিল মানুষকে।”

    দেশে সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও ঐক্যকে সুদৃঢ় করার আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “সেই চরম প্রতিকূলতার মধ্যেও মানুষ শূন্য থেকে নিজেদের জীবন নতুন করে গড়ে তুলেছিল ৷ প্রতিকূলতাকে সাফল্যে পরিণত করেছিল ৷ দেশের অগ্রগতিতে উল্লেখযোগ্য অবদানও রেখেছেন তাঁরা।” তাঁর মতে, সেইসব মানুষদের জীবনগাথা সকলকে অদম্য মানসিক শক্তির কথা মনে করিয়ে দেয় । মোদি বলেন, “এই দিনটি যেন আমাদের দেশে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখার সংকল্পকে আরও দৃঢ় করে ৷ প্রধানমন্ত্রী লেখেন, দেশভাগের স্মৃতি আমাদের মানুষের অসীম মানসিক শক্তির কথা মনে করিয়ে দেয়। এই দিনটি দেশে সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও ঐক্য আরও সুদৃঢ় করার সংকল্পকে গভীর করুক এবং একটি ‘বিকশিত ভারত’ গড়ে তুলতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার প্রেরণা দিক।

    গভীর বেদনা ও স্মৃতির প্রতীক

    ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে ভারত। স্বাধীনতার সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের পাশাপাশি দেশভাগের যন্ত্রণা ভারতীয় ইতিহাসে এক গভীর ক্ষত তৈরি করে। দেশভাগের ফলে ব্যাপক সাম্প্রদায়িক হিংসা, প্রাণহানি ও উদ্বাস্তু সংকট দেখা দেয়। ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম গণ-অভিবাসনের ঘটনা ছিল ১৯৪৭-এর দেশভাগ। প্রায় ২ কোটি মানুষ এর ফলে প্রত্যক্ষভাবে প্রভাবিত হন বলে বিভিন্ন ঐতিহাসিক হিসাব থেকে জানা যায়। লক্ষ লক্ষ পরিবারকে তাঁদের পূর্বপুরুষের ভিটে, গ্রাম, শহর ও সম্পত্তি ছেড়ে অজানা জায়গায় নতুন করে জীবন শুরু করতে হয়েছিল। দেশভাগের সেই ভয়াবহ অধ্যায় আজও ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে গভীর বেদনা ও স্মৃতির প্রতীক। তবে সেই অন্ধকার সময় পেরিয়ে উদ্বাস্তু মানুষের ঘুরে দাঁড়ানোর সংগ্রাম ও সাফল্যও দেশের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

  • CAG Report of Kejriwal Govt: অব্যবহৃত অর্থ থেকে অপূর্ণ প্রতিশ্রুতি, কেজরিওয়াল সরকারের আমল নিয়ে ক্যাগ রিপোর্টে একাধিক প্রশ্ন

    CAG Report of Kejriwal Govt: অব্যবহৃত অর্থ থেকে অপূর্ণ প্রতিশ্রুতি, কেজরিওয়াল সরকারের আমল নিয়ে ক্যাগ রিপোর্টে একাধিক প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নেতৃত্বাধীন আম আদমি পার্টি (AAP) সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে একাধিক গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে ২০২৪-২৫ সালের কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (CAG)-এর রিপোর্ট। সম্প্রতি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা বিধানসভায় রিপোর্টটি পেশ করেন। রিপোর্টে একদিকে যেমন দিল্লির অর্থনৈতিক বৃদ্ধির গতি কমার বিষয়টি উঠে এসেছে, অন্যদিকে বিভিন্ন প্রকল্পে বরাদ্দ অর্থ অব্যবহৃত থাকা, মূলধনী ব্যয় কমে যাওয়া এবং ভর্তুকির উপর নির্ভরতা বৃদ্ধির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

    দেশের তুলনায় পিছিয়ে দিল্লির অর্থনৈতিক বৃদ্ধি

    ক্যাগ-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, গত এক দশকে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক বৃদ্ধির তুলনায় দিল্লির মাথাপিছু আঞ্চলিক আয়-এর বৃদ্ধির হার কম ছিল। ২০১৫-২৫ সময়ে দিল্লির মাথাপিছু জিএসডিপি-এর বার্ষিক চক্রবৃদ্ধি বৃদ্ধির হার (CAGR) ছিল ৬.৩৯ শতাংশ। একই সময়ে দেশের মাথাপিছু জিডিপি বৃদ্ধির হার ছিল ৮.১৪ শতাংশ। রিপোর্টে বলা হয়েছে, দিল্লি দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ ও পরিকাঠামো তৈরিকে যথেষ্ট অগ্রাধিকার দেয়নি। এর ফলে ভবিষ্যতে রাজধানীর অর্থনৈতিক বৃদ্ধির উপর প্রভাব পড়তে পারে।

    অর্ধেকেরও বেশি কমেছে মূলধনী ব্যয়

    দিল্লির পরিকাঠামোগত উন্নয়নে মূলধনী ব্যয়ের পতনকে বিশেষভাবে তুলে ধরেছে ক্যাগ। ২০২১-২২ সালে দিল্লিতে মূলধনী প্রকল্পে খরচ হয়েছিল ₹৮,৩১১ কোটি। ২০২৪-২৫ সালে তা কমে দাঁড়ায় মাত্র ₹৩,৬৯৫ কোটি। শুধু সড়ক পরিবহণ পরিকাঠামোতেই ব্যয় এক বছরে ₹১,৪৪৮ কোটি থেকে কমে ₹৩৯০ কোটি হয়েছে। ২০২৪-২৫ সালে মোট ব্যয়ের মাত্র ৬.৫৩ শতাংশ মূলধনী খাতে খরচ হয়েছে। এর আগের বছর, অর্থাৎ ২০২৩-২৪ সালে এই খাতে ব্যয় হয়েছিল ₹৬,৮৫৫ কোটি।

    বরাদ্দের প্রায় ২৩ শতাংশই খরচ হয়নি

    রিপোর্টের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ হল, ২০২৪-২৫ সালে দিল্লি সরকারের জন্য মোট ₹৮০,৭৯৮.৮১ কোটি বাজেট বরাদ্দ করা হলেও খরচ হয়েছে মাত্র ₹৬১,৯১১.১৯ কোটি।অর্থাৎ ₹১৮,৮৮৭.৬২ কোটি খরচ হয়নি। এর মধ্যে ₹১১,২৬৩.৩৪ কোটি ফেরত দেওয়া হয় এবং আরও ₹৭,৬২৪.২৮ কোটি মার্চ ২০২৫-এর শেষে ল্যাপ্স করে যায়। ক্যাগ-এর হিসাবে, বিধানসভা যে অর্থ ব্যয়ের অনুমোদন দিয়েছিল তার ২৩.৩৮ শতাংশ ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি। রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত ব্যয়ের হিসাব তৈরি করা দুর্বল বাজেট পরিকল্পনার ইঙ্গিত দেয়। এমনকি অর্থবর্ষের মাঝামাঝি সময়ে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করা হলেও মূল বাজেটের বরাদ্দের সমপরিমাণ ব্যয়ও সরকার করতে পারেনি বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

    এক খাত থেকে অন্য খাতে অর্থ সরিয়েও হয়নি পূর্ণ ব্যয়

    বছরের মাঝামাঝি সময়ে বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ অর্থ এক বিভাগ থেকে অন্য বিভাগে সরানো হয়েছিল। কিন্তু সেই পুনর্বিন্যাসের পরও পুরো অর্থ ব্যয় করা সম্ভব হয়নি। ক্যাগ জানিয়েছে, ২০২৪-২৫ সালে ছয়টি অনুদানের অধীনে ১৬টি উপ-খাতে মোট ₹১,৪৪৫.৭২ কোটি অর্থ অব্যবহৃত থেকে যায়। এর মধ্যে ₹৮৮৯.১০ কোটি ছিল পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে সরানো অর্থ। রিপোর্টের মতে, এই ঘটনাও বাজেট তৈরির ক্ষেত্রে ত্রুটির ইঙ্গিত দেয়।

    ভর্তুকিতে বাড়ছে ব্যয়

    অন্যদিকে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও মূলধনী খাতে ব্যয় কমলেও ভর্তুকির ক্ষেত্রে দিল্লি সরকারের ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে বলে ক্যাগ রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৪-২৫ সালে দিল্লির মোট রাজস্ব ব্যয়ের ১০.১৮ শতাংশ ভর্তুকিতে খরচ হয়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ ভর্তুকির অংশ ছিল সবচেয়ে বেশি—মোট ভর্তুকি ব্যয়ের প্রায় ৬৭ থেকে ৭৩ শতাংশ। আগের বছরের তুলনায় ২০২৪-২৫ সালে ভর্তুকি ব্যয় ₹২৫০ কোটি বা ৫.১৭ শতাংশ বেড়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ ভর্তুকিতে ₹৩৬১ কোটি, নগরোন্নয়ন ও জল ভর্তুকিতে ₹২২ কোটি এবং শিক্ষা ভর্তুকিতে ₹৩৮ কোটি বৃদ্ধি হয়েছে।

    দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক স্থায়িত্ব নিয়ে সতর্কতা

    ক্যাগ সতর্ক করেছে, ভর্তুকিতে অতিরিক্ত ব্যয় দীর্ঘমেয়াদে দিল্লির আর্থিক স্থায়িত্বের উপর চাপ তৈরি করতে পারে। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নমূলক খাতে প্রয়োজনীয় ব্যয়ের জন্য অর্থের সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। রিপোর্টে রাজস্ব বাড়ানো, ব্যয়ের উপর আরও নিয়ন্ত্রণ, কাঠামোগত সংস্কার এবং সময়মতো হিসাব ও রিপোর্টিংয়ের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে আরও বাস্তবসম্মত ও প্রয়োজনভিত্তিক বাজেট বরাদ্দ করার পরামর্শও দিয়েছে ক্যাগ। সব মিলিয়ে, ক্যাগ-এর এই রিপোর্ট দিল্লির প্রাক্তন আপ সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা, বাজেট পরিকল্পনা এবং সরকারি অর্থের ব্যবহার নিয়ে একাধিক প্রশ্ন সামনে এনেছে। বিশেষ করে বিপুল পরিমাণ অর্থ অব্যবহৃত থাকা এবং মূলধনী ব্যয় কমে যাওয়ার বিষয়টি রাজধানীর দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করতে পারে।

  • Kalighat Temple: কালীঘাট মন্দিরের জন্য আলাদা পুলিশ ফাঁড়ি, এই প্রথম কোনও ধর্মস্থানের জন্য এমন উদ্যোগ

    Kalighat Temple: কালীঘাট মন্দিরের জন্য আলাদা পুলিশ ফাঁড়ি, এই প্রথম কোনও ধর্মস্থানের জন্য এমন উদ্যোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই প্রথম কোন ধর্মীয় স্থানের জন্য আলাদা পুলিশ ফাঁড়ি তৈরি সিদ্ধান্ত নিল কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police)। বদলের বাংলায় কালীঘাট মন্দিরের (Kalighat Temple) সুরক্ষায় বেনজির পদক্ষেপ। কালীঘাট মন্দিরের জন্য আলাদা পুলিশ ফাঁড়ি তৈরির সিদ্ধান্ত লালবাজারের (Lalbazar)। বৃহস্পতিবার এই মর্মে নির্দেশিকা জারি করেছেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার (সিপি) অজয় নন্দ। শুধু মন্দির চত্বর এবং দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে আলাদা পুলিশ ফাঁড়ি গঠন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    কেন আলাদা পুলিশ ফাঁড়ি

    কথায় বলে , ‘কালী কলকাত্তাওয়ালি’। আর কলকাতাকে মা কালীর শহর করে তুলেছে কালীঘাট মন্দির। সতীর ৫১ পীঠের অন্যতম কালীঘাট। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে কালীঘাট মন্দিরের অসামান্য মাহাত্ম্য রয়েছে। এই মন্দিরের খ্যাতি বিশ্বজোড়া। বাইরে থেকে কলকাতায় এলে একবার অন্তত কালীঘাট মন্দির দর্শন প্রায় সবাই করেন। পীঠ মাহাত্ম্য অনুসারে কালীক্ষেত্র কলকাতার বারাণসীর সমতুল। ভক্তদের বিশ্বাস কলকাতার অভিভাবক রূপে কালীঘাটে বিরাজ করছেন মা কালী। সোম থেকে রবি, প্রতিদিনই এই মন্দিরে থাকে উপচে পড়া ভিড়। পুলিশ কমিশনারের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, অতীতে কালীঘাট মন্দিরকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন নিরাপত্তাগত ঝুঁকি দেখা গিয়েছে। সেকারণেই ফাঁড়ি তৈরির সিদ্ধান্ত। পুলিশকর্মীরা মন্দিরের নিরাপত্তার পাশাপাশি ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং দর্শনার্থীদের স্বাচ্ছ্যন্দের দিকটাও দেখবেন।

    জঙ্গিদের নিশানায় কালীঘাট মন্দির!

    কলকাতা পুলিশের দেওয়া বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, দর্শনার্থীদের সুবিধা এবং মন্দিরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কথা মাথায় রেখে পৃথক পুলিশ ফাঁড়ি তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাছাড়া মন্দির চত্বরে নাশকতা এবং জঙ্গি হামলার আশঙ্কার সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছে। সম্প্রতি রাজ্যে একাধিক বিদেশি জঙ্গির হদিশ পাওয়া গিয়েছে। পাকিস্তান বা বাংলাদেশ থেকে পরিচালিত কোনও জঙ্গি মডিউল কি তাহলে বাংলার ধর্মস্থানগুলিকে টার্গেট করছে? কলকাতা পুলিশের পদক্ষেপে সেই প্রশ্নও জোরাল হচ্ছে।

    কতজন পুলিশকর্মী থাকবেন ফাঁড়িতে

    কলকাতা পুলিশের তরফে প্রাথমিক ভাবে জানানো হয়েছে, একজন ইনস্পেক্টর পদমর্যাদার পুলিশ আধিকারিকের নেতৃত্বে ২০ জন পুলিশকর্মী থাকবেন কালীঘাট পুলিশ ফাঁড়িতে। তার মধ্যে দু’জন সাব ইনস্পেক্টর (এসআই) বা সার্জেন্ট পদমর্যাদার। তা ছাড়াও আট জন কনস্টেবল এবং পাঁচ জন মহিলা কনস্টেবল থাকবেন। কালীঘাট থানার আওতায় থাকবে কালীঘাট পুলিশ ফাঁড়ি। একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার (এসিপি) পুলিশ ফাঁড়ির প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলাবেন। পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (দক্ষিণ) বা ডিসি সাউথ সমস্ত দিকটা দেখভাল করবেন।

  • Tunnel Accident in Chamoli: উত্তরাখণ্ডের চামোলিতে টানেলে আচমকা কাদা-জল ঢুকে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত ৭, এখনও আটকে বেশ কয়েকজন শ্রমিক

    Tunnel Accident in Chamoli: উত্তরাখণ্ডের চামোলিতে টানেলে আচমকা কাদা-জল ঢুকে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত ৭, এখনও আটকে বেশ কয়েকজন শ্রমিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডের চামোলিতে নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গে আচমকা বালি, পাথর ও জল ঢুকে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় অন্তত ৭ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে (Uttarakhand Tunnel Accident)। আহত হয়েছেন আরও অনেকেই। প্রশাসন সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার জেলার পিপলকোটিতে টিএইচডিসি (Tehri Hydro Development Corporation Ltd)-র একটি নির্মাণাধীন টানেলে আচমকাই প্রবাল বেগে ধ্বংসাবশেষ ও জল ঢুকতে শুরু করে। দুর্ঘটনার সময় সেখানে অন্তত ২৮ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন। জলের তীব্র স্রোতে অনেকেই টানেলের বাইরে ছিটকে পড়েন। স্টেট ডিসাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি (SDMA) জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ১৮ জন শ্রমিককে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তবে এখনও ৩ জন শ্রমিক টানেলের ভেতরে আটকে রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    শুক্রবার সকালেও চলছে উদ্ধার অভিযান

    শুক্রবার সকালেও সুড়ঙ্গের ভিতরে আটকে থাকা তিনজন শ্রমিককে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। জেলা শাসক গৌরব কুমার জানিয়েছেন, চামোলি জেলার মায়াপুর-পিপলকোটি এলাকায় তেহরি হাইড্রো ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড (THDC)-র জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টা নাগাদ বিপর্যয় ঘটে। নির্মাণকাজের দায়িত্বে ছিল হিন্দুস্তান কনস্ট্রাকশন কোম্পানি (HCC)। আচমকাই বিপুল পরিমাণ জল, বালি, পাথর ও কাদা সুড়ঙ্গের ভিতরে ঢুকে পড়ে। সেই সময়ে শিফটে কাজ করছিলেন শ্রমিকরা। মুহূর্তের মধ্যে সুড়ঙ্গের একাংশ কার্যত মরণফাঁদ হয়ে ওঠে। ঘটনার খবর পেয়েই দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু হয়। এনডিআরএফ (NDRF) এবং এসডিআরএফ (SDRF)-এর দলগুলি পলি ও ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে আটকে থাকা শ্রমিকদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে। স্থানীয় বিধায়ক লাখপত বুটোলা ঘটনাস্থলে পৌঁছে জানান, এটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা এবং সম্পূর্ণ প্রশাসনিক টিম উদ্ধার কাজে নিয়োজিতদের সব ধরনের সহায়তা প্রদান করছে।

    মুখ্যমন্ত্রীর নজরদারিতে উদ্ধারকাজ

    ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামী উদ্ধার ও ত্রাণ কাজ যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন এবং তিনি নিজেই প্রবীণ কর্মকর্তাদের কাছ থেকে প্রতি মুহূর্তের আপডেট নিচ্ছেন। হাসপাতালে ভর্তি আহত শ্রমিকদের সঙ্গে দেখা করে মুখ্যমন্ত্রী জানান যে তাঁদের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল। এছাড়া, আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের কথা জানিয়ে ঝাড়খণ্ড ও ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গেও কথা বলেছেন তিনি, কারণ ওই দুই রাজ্যের বাসিন্দারাও এতে প্রভাবিত হয়েছেন। আটকে থাকা শ্রমিকের কাছে পৌঁছতে জল সরানোর পাশাপাশি ধ্বংসাবশেষ পরিষ্কার করা হচ্ছে। উদ্ধারকারী দল সুড়ঙ্গের ভিতরে পৌঁছতে অস্থায়ী ড্রাম-বোটও ব্যবহার করেছে। প্রয়োজনীয় ভারী যন্ত্রপাতি ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে ধ্বংসাবশেষ সরানোর কাজ চলছে।

    কী কারণে বিপর্যয়

    চামোলি জেলায় গত কয়েক দিন ধরে ভারী বৃষ্টি চলছিল। এর আগেও নীতি উপত্যকা এলাকায় নদীর জল বেড়ে একটি সেতু ভেসে গিয়েছিল। পাহাড়ি এলাকায় লাগাতার বৃষ্টির ফলে মাটি আলগা হয়ে যাওয়াকে এই দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, প্রবল বৃষ্টি ও ভূমিধসের জেরে সুড়ঙ্গের উপরের অংশে একটি গহ্বর তৈরি হয়েছিল। সেই ফাঁক দিয়েই হঠাৎ বিপুল পরিমাণ জল ও ধ্বংসাবশেষ ২ কিলোমিটার দীর্ঘ টেল রেস টানেলে ঢুকে পড়ে। প্রবল জলস্রোতের ধাক্কায় অনেক শ্রমিক সুড়ঙ্গের মুখের দিকে ভেসে এলেও কয়েকজন ভিতরে আটকে পড়েন।

  • Weather Update: স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে বিঘ্ন ঘটাবে বৃষ্টি! কলকাতার পাশ দিয়ে ঝাড়খণ্ডে প্রবেশ নিম্নচাপের, জেলায় জেলায় লাল সতর্কতা

    Weather Update: স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে বিঘ্ন ঘটাবে বৃষ্টি! কলকাতার পাশ দিয়ে ঝাড়খণ্ডে প্রবেশ নিম্নচাপের, জেলায় জেলায় লাল সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল বৃষ্টিপাতের (Rain in Bengal) পূর্বাভাস ছিল। কিন্তু তা হয়নি। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপটি শুক্রবার সকালে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ পেরিয়ে ঝাড়খণ্ডে প্রবেশ করতে চলেছে। নিম্নচাপ কিছুটা সরে যাওয়ায় শুক্রের সকালে কলকাতার আকাশে রোদের দেখা মিলেছে। তবে, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই রয়েছে বৃষ্টির পূর্বাভাস। স্বাধীনতা দিবসের সকালেও হতে পারে হালকা থেকে ভারী বর্ষণ। আবহাওয়া দফতর (Weather Update) সূত্রে খবর, ঝাড়খণ্ডের দিকে এগোনোর পথে নিম্নচাপের জেরেই শুক্রবার কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গে দফায় দফায় ধেয়ে আসছে মুষলধারে বৃষ্টি।

    শহরে বৃষ্টির পূর্বাভাস

    আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণবঙ্গের একটি বড় অংশে ৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে। কিছু কিছু স্থানে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ২০ সেন্টিমিটার ছাপিয়ে ‘চরম ভারী’ আকার ধারণ করতে পারে। কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। নিম্নচাপের গতিপথ কলকাতার অতি নিকটে হওয়ায় শহরে বৃষ্টির তীব্রতায় ওঠানামা দেখা যাবে। এই পরিস্থিতিতে জরুরি দরকারে যাঁরা বাইরে বেরোবেন, ঝড়-বৃষ্টির সময় তাঁদের গাছপালা, বিদ্যুতের খুঁটি ও পুরানো বা দুর্বল নির্মাণ থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, নিম্নচাপের গতিপথ শেষ মুহূর্তে কিছুটা বদলে যাওয়াতেই কলকাতায় পূর্বাভাস অনুযায়ী বৃষ্টি হয়নি। বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটে নাগাদ উপগ্রহচিত্র ও রাডারে দেখা যায়, নিম্নচাপের মূল অংশ কলকাতার উপর দিয়ে এগোচ্ছে। কিন্তু পরে সেটি আচমকাই দক্ষিণ-পশ্চিমে সরে যায়। ফলে কলকাতা, হাওড়া ও হুগলি ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির বলয় থেকে বেরিয়ে যায়। বিপরীতে দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে থাকে। তবে এ দিন নিম্নচাপটি কলকাতার খুব কাছ দিয়ে অতিক্রম করায় শহরে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। নিম্নচাপের গতিপথের একেবারে কাছে থাকায় কলকাতায় বৃষ্টির তীব্রতাও বাড়তে পারে।

    দক্ষিণের জেলাগুলিতে দুর্যোগের কালো মেঘ

    শুক্রবারের জেলাভিত্তিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঝাড়গ্রামের কিছু অংশে ভারী (৭–১১ সেমি) থেকে অতিভারী (৭–২০ সেমি) বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং পশ্চিম বর্ধমানে ভারী বৃষ্টির (৭–১১ সেমি) সম্ভাবনা রয়েছে। উপকূলীয় জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটারে পৌঁছাতে পারে; অন্য জেলাগুলিতে ঝড়ের গতি থাকবে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার। আগামী কাল, শনিবারও পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা থাকছে। পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির জন্য লাল সতর্কতা জারি হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ায় রয়েছে কমলা সতর্কতা। এই জেলাগুলিতে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান ও পশ্চিম বর্ধমানে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

    ভিজবে উত্তরবঙ্গও, পাহাড়ে ভারী বৃষ্টি

    দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ারও পারদ চড়ছে। আজ পাহাড়ি জেলা দার্জিলিঙে তুমুল বৃষ্টির বিশেষ পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তেমনই উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলাগুলি যেমন জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারেও বৃষ্টির আবেশ বজায় থাকবে। এছাড়া উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও দিনভর দফায় দফায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত চলবে। ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে মালদা, কোচবিহার-সহ একাধিক জেলায়।

  • Shyamaprasad Mukherjee: প্রাথমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুলপাঠ্যে শ্যামাপ্রসাদ অধ্যায়! নবান্ন থেকে একগুচ্ছ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    Shyamaprasad Mukherjee: প্রাথমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুলপাঠ্যে শ্যামাপ্রসাদ অধ্যায়! নবান্ন থেকে একগুচ্ছ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত কেশরী ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের (Shyamaprasad Mukherjee) ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী পালিত হচ্ছে বঙ্গে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) উদ্যোগে শ্যামাপ্রসাদকে ঘিরে নানা পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে তৈরি হয়েছে বিশেষ কমিটি। বৃহস্পতিবার সেই কমিটির প্রথম বৈঠক ছিল। তাতে বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সিদ্ধান্ত হয়েছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের (Shyamaprasad Mukherjee) ঐতিহাসিক অবদান, রাষ্ট্রবাদী দর্শন ও দেশপ্রেমকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে বছরভর একাধিক কর্মসূচি গ্রহণ করতে চলেছে রাজ্য সরকার (West Bengal Government)। নিউ টাউনের ইকো পার্কে (Eco Park) ১২৫ ফুট উঁচু দণ্ডায়মান মূর্তি ও সংগ্রহশালা নির্মাণ, পৈতৃক ভিটে সংস্কার, বিদ্যালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় স্তর পর্যন্ত পাঠ্যক্রমে তাঁর ইতিহাস অন্তর্ভুক্তি এবং স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ—রাজ্য গঠিত উচ্চপর্যায়ের সরকারি কমিটির প্রথম বৈঠকেই চূড়ান্ত ছাড়পত্র পেল এই সব প্রকল্প।

    নতুন প্রজন্মের সামনে শ্যামাপ্রসাদ

    বৃহস্পতিবার সচিবালয়ের সভাগৃহে দীর্ঘক্ষণ ধরে চলা পর্যালোচনা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)-সহ রাজ্যের অর্থমন্ত্রী-সহ একাধিক মন্ত্রী, বিধায়ক প্রতিনিধি, মুখ্যসচিবের নেতৃত্বাধীন শীর্ষ আমলা ও আধিকারিকেরা। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সরকারের একাধিক দফতরের প্রতিনিধি এবং রাজ্যের প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায়-সহ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্মৃতি ও আদর্শের সঙ্গে যুক্ত বহু চিন্তাশীল ব্যক্তিবর্গ। সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরের পাঠ্যক্রমে শ্যামাপ্রসাদের জীবন ও রাজনৈতিক ভূমিকা অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তাঁর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, দেশ ও সমাজের প্রতি অবদান এবং আত্মত্যাগের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে।

    হিডকো-কে শ্যামাপ্রসাদের মূর্তি নির্মাণের অনুমতি

    বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, নিউ টাউনের ইকো পার্কে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫ ফুট উঁচু দণ্ডায়মান মূর্তি বসানোর জন্য ইতিমধ্যে জমি নির্বাচন ও ভূমিপূজন সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবারের বৈঠকে হিডকো (HIDCO)-র তরফে একটি বিশেষ পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে প্রস্তাবিত মূর্তি, মিউজিয়াম এবং আনুষঙ্গিক পরিকাঠামোর পুরো রূপরেখা ও নকশা কমিটির সামনে তুলে ধরা হয়। আগামী ৬ জুলাই যাতে প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা যায়, সে কথা মাথায় রেখে হিডকো-কে অবিলম্বে নির্মাণকাজ শুরু করার প্রশাসনিক অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

    জিরাটে শ্যামাপ্রসাদের লাইব্রেরি

    হুগলির জিরাটে শ্যামাপ্রসাদের (Shyamaprasad Mukherjee) পৈতৃক ভিটেতে রাজ্য সরকারের কেনা ৩০ ডেসিমেল জায়গায় জোড়া প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে কমিটি। সেখানে তৈরি হতে চলেছে ‘স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়’-এর নামাঙ্কিত একটি আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন লাইব্রেরি এবং একটি সুসজ্জিত সংগ্রহশালা।

    প্রাথমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পাঠ্যক্রমে শ্যামাপ্রসাদ

    নতুন প্রজন্মকে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য গঠন ও স্বাধীন ভারতের উন্নয়নে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকা চেনাতে বড় পদক্ষেপ করছে স্কুল শিক্ষা দফতর। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই পর্যায়ক্রমে প্রাথমিক স্তর থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সিলেবাসে শ্যামাপ্রসাদের অবদান যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্বাধীন ভারতে প্রথম শিল্প ও শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে তাঁর সুদূরপ্রসারী অর্থনৈতিক ভাবনা, গঠনমূলক চিন্তাধারা এবং দৃষ্টিভঙ্গি বিস্তারিত ভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে পাঠ্যসূচিতে। তাঁর আত্মবলিদান পড়ানো হবে স্কুল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় সর্বস্তরে।

    শ্যামাপ্রসাদকে নিয়ে প্রকাশ পাবে দুটি বিশেষ গ্রন্থ

    এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বছরব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে দুটি বই প্রকাশের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায়ের সক্রিয় উদ্যোগে রামকৃষ্ণ মিশনের একটি প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে নিয়ে পাণ্ডুলিপি প্রস্তুত করা হয়েছে। এই পাণ্ডুলিপি যৌথ ভাবে সরকারি উদ্যোগে মুদ্রণ ও প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারের গণশিক্ষা প্রসার ও গ্রন্থাগার পরিষেবা দফতকে নোডাল এজেন্সি করে বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় একটি পূর্ণাঙ্গ পুস্তিকা প্রকাশের জন্য বিশেষ কমিটি তৈরি হয়েছে। এ ছাড়াও সাধারণ মানুষ, গবেষক, ইতিহাসবিদ কিংবা বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের কাছ থেকে পরামর্শ ও প্রস্তাব সংগ্রহের জন্য তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের তরফে একটি বিশেষ ডিজিটাল পোর্টাল চালু করা হচ্ছে। নির্দিষ্ট ১৫ থেকে ৩০ দিনের সময়সীমায় যে কেউ সেখানে নিজেদের প্রস্তাব জমা দিতে পারবেন।

    শ্যামাপ্রসাদকে নিয়ে রাজনীতি

    এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আরও জানান, ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের উজ্জ্বল জীবনী ও তাঁর আত্মবলিদান এতদিন প্রচারের আলোয় আনা হয়নি। এর নেপথ্যে রাজনীতি হয়েছে। কিন্তু এবার বঙ্গে বিজেপি সরকার আসায় ‘ভারত কেশরী’র অবদানকে প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে দিতে উদ্যোগ নিয়েছে। এবছরটা তাঁর ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী। তাই বছরভর উদযাপনের সুদীর্ঘ পরিকল্পনা করেছে রাজ্য সরকার। তারই প্রথম ধাপ হিসেবে বৃহস্পতিবার শ্যামাপ্রসাদ সংক্রান্ত বিশেষ কমিটি বৈঠকে বসে। শুভেন্দু জানান, স্বাধীনতা আন্দোলন, পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য প্রতিষ্ঠা, কাশ্মীর নীতি এবং স্বাধীন ভারতের পরিকাঠামো গঠনে শ্যামাপ্রসাদের অবিস্মরণীয় ভূমিকা স্মরণ করার মাধ্যমেই ২০৪৭ সালের ‘বিকশিত ভারত’ ও ‘এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর স্বপ্নপূরণে নতুন উদ্দীপনা সঞ্চারিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

     

     

     

     

  • NRS: এনআরএসে নার্সের রহস্যমৃত্যু! স্বাধীন তদন্ত কমিটি গড়ার সিদ্ধান্তের কথা জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    NRS: এনআরএসে নার্সের রহস্যমৃত্যু! স্বাধীন তদন্ত কমিটি গড়ার সিদ্ধান্তের কথা জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে (NRS) কর্মরত নার্সের রহস্যমৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বুধবার রাতে হাসপাতালের স্ত্রীরোগ বিভাগে কর্মরত অবস্থায় মৃত্যু হয় রূপালি বর্মণের। প্রাথমিকভাবে তাঁর শরীরে কোনও আঘাতের চিহ্ন (Nurse Death) মেলেনি। কোনও সুইসাইড নোটও উদ্ধার হয়নি। তাই অনুমানের ভিত্তিতে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে ধরে নিয়ে তদন্ত এগোতে নারাজ স্বাস্থ্য দফতর ও পুলিশ। পরিবারের দাবি মেনে রূপালির দেহের ময়নাতদন্ত হচ্ছে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে করা হচ্ছে।

    হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী (NRS)

    বৃহস্পতিবার সকালে বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। তিনি মৃত নার্সের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, ওয়ার্ডের রোগী এবং অন্য কর্মীদের সঙ্গেও কথা বলেন। কয়েক ঘণ্টা হাসপাতালে থাকার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “স্বামী ও ভাইয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। ওঁরা চেয়েছিলেন, তাই মেডিক্যাল কলেজে ময়নাতদন্ত হবে। আমার ফোন নম্বর বাড়ির লোককে দেওয়া হয়েছে। যে কোনও ঘটনারই তদন্ত হবে, আলাদা কিছু নয়। কেউ কোনও সন্দেহ করছেন না।”

    তদন্ত কমিটি

    জানা গিয়েছে, সাতটি বিভাগের প্রধানকে নিয়ে ওই তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। নার্সিং, স্ত্রীরোগ-সহ সংশ্লিষ্ট সাতটি বিভাগের প্রধানরা কমিটিতে থাকবেন। ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে সাত দিনের মধ্যে স্বাস্থ্য ভবনে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কর্মক্ষেত্রে রূপালি কোনও ধরনের মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন কি না, তাও খতিয়ে দেখা হবে। মানসিক বিভাগের প্রধানকেও তদন্ত কমিটিতে রাখার কথা বলা হয়েছে। হাসপাতালে ময়নাতদন্ত না করে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে কেন ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে, সে বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “মৃত মহিলার স্বামী চেয়েছেন, তাই করা হচ্ছে। এ নিয়ে কোনও কথা নয়। তিনটের মধ্যে ময়নাতদন্ত শুরু হবে। বিভাগীয় তদন্তও করা হবে।”

    পুলিশ দেখবেন পুলিশ

    বুধবার নাইট শিফটে ছিলেন রূপালি। স্ত্রীরোগ বিভাগে কাজে যোগ দেওয়ার কিছুক্ষণ পর থেকেই তাঁর আর খোঁজ মিলছিল না। সহকর্মীরা খোঁজ করতে গিয়ে বাথরুমের দরজা বন্ধ অবস্থায় দেখতে পান। ভিতর থেকে কোনও সাড়া না পাওয়ায় দরজা ভেঙে রূপালিকে উদ্ধার করা হয়। চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে হাসপাতালের তরফে খবর দেওয়া হয় তাঁর পরিবারকে। রূপালির আচরণ নিয়ে সহকর্মীদের বক্তব্যও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সহকর্মী ও রোগীদের অনেকেই জানিয়েছেন, তিনি হাসিখুশি স্বভাবের ছিলেন। রূপালির আকস্মিক মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না তাঁর সহকর্মীরাও। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “সকলেই বলেছেন, উনি খুবই হাসিখুশি ছিলেন। কী হয়েছে হঠাৎ, তদন্ত করে তা খুঁজে দেখা পুলিশের কাজ। তাঁরা বিষয়টি দেখবেন (NRS)।”

    তদন্তে সব সম্ভাবনাই!

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার খবর পেয়ে বুধবারই হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন। পরে এন্টালি থানার পুলিশ এবং গোয়েন্দা বিভাগের হত্যাকাণ্ড শাখার তদন্তকারী দলও সেখানে যায়। প্রাথমিক তদন্তে রূপালির শরীরে কোনও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। উদ্ধার হয়নি কোনও সুইসাইড নোটও। তাই আত্মহত্যার সম্ভাবনা সামনে রেখে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে না পুলিশ। রূপালির বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরে। বছরখানেক আগে বিয়ে হয়েছিল তাঁর। স্বামী রাহুল দাসের সঙ্গে দমদম থানা এলাকায় থাকতেন তিনি। মৃত্যুর আগে তাঁর আচরণে কোনও অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা গিয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্বাস্থ্য দফতরের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে (Nurse Death), ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে সমস্ত সম্ভাবনাই খতিয়ে দেখা হবে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, পুলিশের তদন্ত এবং (NRS) তদন্ত কমিটির রিপোর্ট—এই তিন দিকের প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই করা হবে পরবর্তী পদক্ষেপ।

     

  • Vande Mataram: ঐতিহাসিক! প্রথমবার ‘বন্দে মাতরম্’ দিয়ে শুরু লোকসভার কার্যক্রম, জাতীয় গানের পরই শেষ অধিবেশন

    Vande Mataram: ঐতিহাসিক! প্রথমবার ‘বন্দে মাতরম্’ দিয়ে শুরু লোকসভার কার্যক্রম, জাতীয় গানের পরই শেষ অধিবেশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিহাসের সাক্ষী থাকল ভারতের সংসদ। বাদল অধিবেশনের শেষ দিনে বৃহস্পতিবার প্রথম ‘বন্দে মাতরম্’ গান (Vande Mataram in Lok Sabha) পরিবেশনের মাধ্যমে লোকসভার কার্যক্রম শুরু হল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী-সহ লোকসভার প্রায় পূর্ণাঙ্গ উপস্থিতির মধ্যেই জাতীয় গান পরিবেশিত হয়। ‘বন্দে মাতরম্’-এর ছয়টি স্তবক পরিবেশনের পর লোকসভার অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতুবি (sine die) করে দেওয়া হয়। একইভাবে জাতীয় গানের পর এদিনই রাজ্যসভার কার্যক্রমও শেষ হয়। তবে ঐতিহাসিক সূচনার মধ্যেও রাজনৈতিক উত্তেজনা কমেনি। ২০ জুলাই অধিবেশন শুরু হওয়ার পর থেকেই একাধিক ইস্যুতে বারবার অচল হয়েছে সংসদের কাজ। শেষ দিনেও বিরোধীরা বিভিন্ন দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন।

    ‘বন্দে মাতরম্’-কে আইনি সুরক্ষা

    সংসদে এই প্রথম অধিবেশনের শেষ দিন ছয়টি স্তবক ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া হল। কয়েক দিন আগে এই জাতীয় স্তোত্রকে আইনি সুরক্ষা দেওয়ার বিলে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সম্মতি দিয়েছেন। এক্ষেত্রে গানের নির্দিষ্ট পরিস্থিতি ও প্রোটোকল নিয়েও কেন্দ্র আগে নির্দেশিকা জারি করেছিল। নতুন আইনে ইচ্ছাকৃতভাবে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া আটকানো বা ব্যাহত করাকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে মনে করা হচ্ছে। এর ফলে ‘বন্দে মাতরম্’ জাতীয় সঙ্গীতের সঙ্গে তুলনীয় আইনি সুরক্ষা পেল। এর আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সরকারি অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম্’ পরিবেশনের জন্য নির্দিষ্ট প্রোটোকলও জারি করেছিল। ২৮ জানুয়ারির নির্দেশিকায় রাষ্ট্রপতির আগমন, জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং রাজ্যপালদের ভাষণের মতো গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে গানটির ছয়টি স্তবক পরিবেশনের কথা বলা হয়।

    রাজনৈতিক টানাপড়েনে ভরা

    শেষ দিনের সূচনাটা যতটা তাৎপর্যপূর্ণ, অধিবেশনের শেষটা ততটাই রাজনৈতিক টানাপড়েনে ভরা। সকাল থেকেই বিরোধী সাংসদদের স্লোগানে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সংসদ চত্বর। লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা এ বার তাঁর স্বাভাবিক বিদায়ী ভাষণও দেননি। অধিবেশনে সংসদের কাজকর্ম এবং উৎপাদনশীলতার হিসেব তুলে ধরার রীতিও তাই এ বার দেখা গেল না। ২০ জুলাই থেকে শুরু হওয়া বাদল অধিবেশনের অধিকাংশ দিনই বারবার থমকে গিয়েছে। দিল্লিতে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে পড়ুয়াদের আন্দোলনে পুলিশের পদক্ষেপ এবং অযোধ্যার রাম মন্দিরের অনুদান সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়ে বিরোধীরা আলোচনার দাবি জানিয়ে সরব ছিলেন। সরকারের সঙ্গে বিরোধীদের এই টানাপড়েনে সংসদের স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হয়েছে।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রস্তুত, বিরোধীরা অপ্রস্তুত

    বুধবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আলোচনায় বসার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছিলেন। বিরোধীদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছিলেন তিনি। ছাত্রদের ইস্যুতে আলোচনার জন্য বিরোধীদের সঙ্গে পরামর্শ করে সময় বরাদ্দের জন্য তিনি স্পিকারকে অনুরোধও করেছিলেন। কিন্তু শেষ দিনেও সেই আলোচনার পথ মসৃণ হল না। সংসদ চত্বরের মকর দ্বারে এ দিন বিজেপি এবং বিরোধীদের পৃথক কর্মসূচি দেখা যায়। রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে স্লোগান তোলে বিজেপি। অন্য দিকে নিজেদের দাবিতে সরব থাকে বিরোধী দলগুলি। ওঠে দলিত প্রসঙ্গ। ফলে রাজনৈতিক সংঘাতের আবহেই শেষ হয় বাদল অধিবেশন। গোটা বাদল অধিবেশনে বিরোধীদের বিক্ষোভের জেরে দফায় দফায় মুলতুবি হয়ে গিয়েছে লোকসভা এবং রাজ্যসভার অধিবেশন। শাহের বিবৃতির দাবিতে অনড় অবস্থান নিয়েছিল বিরোধী দলগুলি। এই আবহে বুধবার শাহ বলেন, “আমি সংসদীয় মন্ত্রী হিসাবে গোড়া থেকেই আলোচনা শুরুর জন্য বিরোধীদের সঙ্গে কথাবার্তা চালিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু বিরোধীরা পালাচ্ছেন। তাঁরা আসলে আলোচনা চান না।’’ শাহের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে রাহুল বলেন, “ছাত্রদের উপর কে গুলি চালাল? পেরেক লাগানো লাঠি দিয়ে ছাত্রদের মারার নির্দেশ কে দিল? যদি অমিত শাহ এই নির্দেশ দিয়ে থাকেন, তা হলে তাঁর পদত্যাগ করা উচিত। আমরা তাঁর বক্তৃতা শুনতে আগ্রহী নই।”

    ১২টি বিল পাশের দাবি সরকারের

    বাদল অধিবেশনের বড় অংশই অচলাবস্থার কারণে নষ্ট হলেও সরকারের দাবি, এই সময়ের মধ্যে সংসদে মোট ১২টি বিল পাশ হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বিরোধীদের লাগাতার বিক্ষোভকেই সংসদের কাজ ব্যাহত হওয়ার জন্য দায়ী করা হয়েছে। সরকারের বক্তব্য, বিরোধীদের সঙ্গে আলোচনায় বসা বা সংসদে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করার ক্ষেত্রে সরকারের কোনও অনীহা ছিল না। তবে বিরোধীদের লাগাতার প্রতিবাদ ও হট্টগোলের কারণে সংসদের স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হয়েছে। শেষ দিনেও সেই রাজনৈতিক অচলাবস্থার কোনও ব্যতিক্রম দেখা যায়নি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে সরব হন। নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে রাহুল গান্ধী যথাযথভাবে আলোচনায় অংশ নেননি বলে অভিযোগ করেন তিনি। বিজেপির অন্যান্য নেতারাও সংসদে বিরোধীদের আচরণ নিয়ে সরব হন। পাশাপাশি পাঞ্জাব ও ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন বিষয় নিয়েও বিরোধীদের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানান তাঁরা। অন্যদিকে, বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ একাধিক জনস্বার্থের বিষয় নিয়ে সংসদে পর্যাপ্ত আলোচনা ও সরকারের জবাব পাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি।

     

     

     

  • TMC: আরজি করকাণ্ডে তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগ, গ্রেফতার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ

    TMC: আরজি করকাণ্ডে তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগ, গ্রেফতার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডে (TMC) তথ্যপ্রমাণ লোপাট ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গ্রেফতার পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক তৃণমূলের নির্মল ঘোষ (Nirmal Ghosh)। সম্প্রতি এই ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে নতুন করে এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। তাঁর পাশাপাশি আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধেও শুরু হয়েছে তদন্ত।

    নতুন করে মামলা দায়ের (TMC)

    গত রবিবার আরজি করের নিহত  চিকিৎসক-পড়ুয়ার দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটির লোকসংস্কৃতি ভবনে একটি স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। সেখানে নিহত চিকিৎসকের মা-বাবার পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। স্মরণসভা থেকেই তিনি ঘোষণা করেন, ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনারের নেতৃত্বে একটি বিশেষ তদন্তকারী কমিটি গঠন করা হবে। নতুন করে মামলা দায়ের করে সেই মামলার ভিত্তিতেই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। এর পরের দিন, সোমবার ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটে নিহত চিকিৎসকের বাবা নতুন করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হওয়া এফআইআরে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, তথ্যপ্রমাণ লোপাট-সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। তদন্তে উঠে আসা তথ্যের ভিত্তিতেই নির্মলকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে খবর।

    শ্মশানে দেহ সৎকারের ঘটনা

    আরজি করকাণ্ডের পর ঘোলা থানার নাটাগড় কদমতলা শ্মশানে দেহ সৎকারের ঘটনাকে ঘিরে আগেই একাধিক প্রশ্ন উঠেছিল। ওই ঘটনায় নির্মল ছাড়াও সোমনাথ দে এবং সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। তাঁদের ভূমিকা খতিয়ে দেখার দাবিও উঠেছে (TMC)। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, নির্যাতিতার দেহ সৎকারের ক্ষেত্রে নিয়মবহির্ভূতভাবে তৎপরতা দেখানো হয়েছিল। তাঁর দাবি, সৎকারের তালিকায় দেহটির ক্রম ছিল তিন নম্বরে। কিন্তু রাতারাতি সেই ক্রম বদলে এক নম্বরে করে দ্রুত দেহ সৎকার করা হয়। এমনকী শ্মশানের নির্ধারিত খরচও পরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। মৃতার পরিবারের কোনও নিকটাত্মীয়ের বাধ্যতামূলক স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে (Nirmal Ghosh)।

    সৎকারের প্রক্রিয়ায় নিয়ম ভাঙা হয়েছিল!

    এই সমস্ত অভিযোগের ভিত্তিতেই নতুন করে তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তকারীরা ওই দিনের ঘটনাক্রম, শ্মশানে উপস্থিত ব্যক্তিদের ভূমিকা এবং সৎকারের প্রক্রিয়ায় কোনও নিয়ম ভাঙা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন (TMC)। প্রসঙ্গত, গত ১৩ জুলাই নির্মলের ছেলে তীর্থঙ্কর ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তার ঠিক এক মাসের মাথায় গ্রেফতার হলেন নির্মল স্বয়ং। তবে তীর্থঙ্করের গ্রেফতারির কারণ ছিল ভোট-পরবর্তী হিংসা সংক্রান্ত একটি মামলা। আর আরজি কর কাণ্ডে তথ্যপ্রমাণ লোপাট ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে নির্মলকে (TMC)।

     

  • Air India Pilot: মাদক পরীক্ষায় পাইলটের রিপোর্ট পজিটিভ! মাঝআকাশে বিপত্তির ঘটনায় এয়ার ইন্ডিয়াকে কড়া বার্তা কেন্দ্রের

    Air India Pilot: মাদক পরীক্ষায় পাইলটের রিপোর্ট পজিটিভ! মাঝআকাশে বিপত্তির ঘটনায় এয়ার ইন্ডিয়াকে কড়া বার্তা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফুকেট থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India Pilot) একটি বিমানে মাঝআকাশে একাধিক বিপত্তির ঘটনায় কড়া অবস্থান নিল কেন্দ্র। ঘটনার পরে বিমানের দায়িত্বে থাকা (Marijuana) পাইলটের মাদক পরীক্ষার নিশ্চিতকরণ পরীক্ষায় গাঁজার উপস্থিতি ধরা পড়েছে। একই সঙ্গে বিমানে থাকা ২০ জন যাত্রী এবং চার কেবিন কর্মীও আহত হয়েছেন বলে খবর। এয়ার ইন্ডিয়ার এআই ২৩৭৯ বিমানটি গত মঙ্গলবার ফুকেট থেকে দিল্লির উদ্দেশে উড়েছিল। ওড়িশার আকাশসীমার উপর দিয়ে যাওয়ার সময় বিমানটিতে একাধিক সতর্কবার্তা দেখা দেয়। বিমানের তিনটি জলচাপ-নির্ভর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, দরজা এবং উল্লম্ব নিয়ন্ত্রণ পাখনা সংক্রান্ত সতর্কবার্তাও পাওয়া গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। এর মধ্যে স্বয়ংক্রিয় উড্ডয়ন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাও বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে বিমানটি প্রায় ৩০০ ফুট নীচে নেমে আসে। ঘটনার পর কেন্দ্র এয়ার ইন্ডিয়াকে পরিচালনগত নজরদারি আরও শক্তিশালী করার নির্দেশ দিয়েছে। বিমান চলাচলের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সংস্থাকে আরও বেশি দায়িত্বশীল হওয়ার কথাও জানানো হয়েছে। ঘটনার তদন্তে যার বা যাদের গাফিলতি প্রমাণিত হবে, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র (Air India Pilot)।

    উদ্বেগ বাড়ছে বিমান নিরাপত্তা নিয়ে

    ওই ঘটনায় ২০ জন যাত্রী এবং চারজন কেবিন কর্মী আহত হন। বিমানটি দিল্লিতে অবতরণের পর আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। এর আগে ঘটনার দিন অন্তত ১৪ জনকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে খবর।ঘটনাটি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে কারণ গত বছরের জুনে আহমেদাবাদে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান দুর্ঘটনায় ২৬০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। সেই দুর্ঘটনার চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন এখনও প্রকাশিত হয়নি। এক সরকারি আধিকারিক বলেন, “গত জুনের আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনায় ২৬০ জনের প্রাণহানি হয়েছিল। সেই ঘটনার চূড়ান্ত রিপোর্ট এখনও প্রকাশিত হয়নি। তার মধ্যেই এয়ার ইন্ডিয়াকে ঘিরে এমন একটি ঘটনা ঘটল।” ওই আধিকারিক আরও জানান, এআই ২৩৭৯-এর ঘটনা সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। তদন্তের পর যাঁদের দোষ প্রমাণিত হবে, তাঁদের কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না।

    পাইলটের মাদক পরীক্ষায় গাঁজার উপস্থিতি

    ঘটনার পর আরও গুরুতর তথ্য সামনে এসেছে। ফুকেট-দিল্লি বিমানের দায়িত্বপ্রাপ্ত পাইলটের প্রথম মাদক পরীক্ষার ফল নিয়ে সন্দেহ হওয়ার পর নিশ্চিতকরণ পরীক্ষা করা হয়। সেই পরীক্ষায়ই গাঁজার উপস্থিতি ধরা পড়ে (Air India Pilot)। তদন্তকারীদের কাছে পাইলট দাবি করেছেন, ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে তাঁকে ঘুমের ওষুধ দেওয়া হয়েছিল। তাঁর বক্তব্য, ওই ওষুধ খাওয়ার ফলেই মাদক পরীক্ষার ফল ইতিবাচক এসেছে (Marijuana)। তবে তাঁর এই দাবি এবং পরীক্ষার ফল—দুই বিষয়ই এখন তদন্তের আওতায় রয়েছে। এদিকে বিমানের কেবিন কর্মীরাও পাইলটের আচরণ নিয়ে এয়ার ইন্ডিয়ার কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। তদন্তকারীদের মতে, বিমানটি হঠাৎ উচ্চতা খোয়ানোর পেছনে একাধিক বিরল প্রযুক্তিগত ত্রুটি ছিল, নাকি পাইলটের আচরণের কোনও ভূমিকা ছিল, তা তদন্তেই স্পষ্ট হবে। ঘটনার সময় বিমানটি সাময়িকভাবে এমন অবস্থায় চলে গিয়েছিল, যেখানে বিমানের ভিতরে যাঁরা সিটবেল্ট পরেননি, তাঁদের কেউ কেউ আহত হন। কো-পাইলটকে পরিস্থিতি সামলে বিমানটি নিরাপদে দিল্লিতে নামাতে হয় (Air India Pilot)।

    মাদক পরীক্ষা আরও কড়া করার নির্দেশ

    ঘটনার পর কেন্দ্রীয় সরকার বেসামরিক বিমান চলাচল দফতরকে বিমান চলাচলের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের মাদক পরীক্ষা সংক্রান্ত বর্তমান নিয়ম আরও কঠোর করার নির্দেশ দেয় (Air India Pilot)। বাধ্যতামূলক মাদক পরীক্ষার আওতায় আরও বেশি সংখ্যক বিমানকর্মীকে আনার পাশাপাশি নিষিদ্ধ মাদক গ্রহণের অভিযোগে ধরা পড়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা আরও কঠোর করার কথাও বলা হয়েছে। বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইতিমধ্যেই বিমানকর্মীদের মাদক গ্রহণ সংক্রান্ত পরীক্ষার নিয়ম পর্যালোচনা করছে। কেন্দ্র এয়ার ইন্ডিয়াকেও স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, সংস্থার পরিচালন ব্যবস্থায় নজরদারি বাড়াতে হবে এবং বিমানের নিরাপত্তা সংক্রান্ত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন (Marijuana) নিশ্চিত করতে হবে। ঘটনাটি নিয়ে বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত সংস্থাও প্রযুক্তিগত, পরিচালনগত, চিকিৎসা এবং মানবিক—সব দিক খতিয়ে দেখছে (Air India Pilot)।

    এ কী কাণ্ড!

    জানা গিয়েছে, ডিজিসিএ (বেসামরিক বিমান চলাচল অধিদফতর) ফুকেট থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার ওই ফ্লাইটে ঘটে যাওয়া গুরুতর নিরাপত্তাজনিত ঘটনার তদন্ত করছে। অভিযোগ, বিমান যখন উড়ছিল, তখন পাইলট-ইন-কমান্ড ককপিট ছেড়ে যাত্রী কেবিনে প্রবেশ করেন এবং সেখানে ধূমপান করার চেষ্টা করেন। একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই পাইলট যাত্রী কেবিনে গিয়ে একটি আপৎকালীন বেরনোর দরজার কাছে গিয়ে মেঝেতে বসে পড়েন এবং কেবিন ক্রু সদস্যদের কাছে একটি লাইটার চান। অভিযোগ, কেবিন ক্রুরা তাঁকে ককপিটে ফিরে যেতে বলেন। এনিয়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

LinkedIn
Share