Blog

  • Pakistan: অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকবাজের হামলা! পাকিস্তানে খতম আরএসএস সদর দফতরে হামলা চালানো রজুল্লা

    Pakistan: অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকবাজের হামলা! পাকিস্তানে খতম আরএসএস সদর দফতরে হামলা চালানো রজুল্লা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০০৬ সালে নাগপুর সদর দফতরে পুলিশের বেশে ঢুকে পড়ে একদল জঙ্গি। সেসময় সদর দফতরে থাকা পুলিশি নিরাপত্তার কারণে একেবারে ভিতর পর্যন্ত যেতে পারেনি তারা। সেসময় ছদ্মবেশি জঙ্গিদের (Abu Saifullah) ‘চাল’ বুঝতে পেরেই গুলি চালায় সেখানে মোতায়েন থাকা পুলিশ বাহিনী। সঙ্গে সঙ্গে খতম হয় তিন জঙ্গি। একইসঙ্গে প্রাণ যায় মহারাষ্ট্র পুলিশের ২ জনের (Pakistan)। সেসময় তথ্য উঠে আসে, এই সন্ত্রাসহানার ছক কষেছিল পাক মদতপুষ্ট লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গি গোষ্ঠী। সংঘের সদর দফতরে হামলার গোটা কৌশল সাজিয়েছিল লস্কর কমান্ডর আবু সইফুল্লা ওরফে রজুল্লা। এই ঘটনার ১৯ বছর পর অবশেষে খতম হল সেই মূলচক্রী রজুল্লা।

    পাকিস্তানেই (Pakistan) এক অজ্ঞাত পরিচয়ের গুলিতে খতম রজুল্লা

    জানা গিয়েছে, পাকিস্তানেই (Pakistan) এক অজ্ঞাত পরিচয়ের গুলিতে শেষ হয়েছ আরএসএস-র সদর দফতরে হামলা চালানো মূল চক্রী। এদিন পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশের মাতলি ফালকারা চক এলাকা থেকে উদ্ধার হয়েছে সন্ত্রাসী রজুল্লার দেহ। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, রজুল্লার মৃত্যুর কারণ বালোচ বিদ্রোহীরাও হতে পারে। সাম্প্রতিক কালে, ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষে আবহে নতুন করে ‘শক্তি’ বাড়িয়েছে বালোচিস্তান লিবারেশন আর্মি। তাদের দাপটে কার্যত কোণঠাসা পাকিস্তানের (Pakistan) সরকার ও সেনা।

    কাশ্মীর ও উত্তরপ্রদেশেও হামলার ছক কষেছিল রজুল্লা (Abu Saifullah)

    পাক সরকারের (Pakistan) ওপর ক্রমাগত চাপ বাড়াচ্ছে তারা। নিজেদের স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবেও ঘোষণা করেছে তারা। পাকিস্তানের ওপর চাপ বাড়াতেই এই মৃত্যু সেই চাপেরও একটা নমুনা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আরএসএস সদর দফতর ছাড়া, কাশ্মীর ও উত্তরপ্রদেশের রামপুরের সেনা ছাউনিতেও হামলার ছক কষেছিল এই রজুল্লা। প্রসঙ্গত, ৬ ও ৭ মে, মঙ্গলবার গভীর রাত থেকে ভারত শুরু করে অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor)। পাকিস্তানের ৯ জঙ্গিঘাঁটিতে প্রত্যাঘাত করে ভারত। পাল্টা সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে ড্রোন হামলার চেষ্টা চালায় পাকিস্তান। যদিও সবকটি হামলা প্রতিহত করে ভারতের উন্নত এয়ার ডিফেন্স। ১০ মে পাকিস্তান-ভারত সংঘর্ষ বিরতিতে রাজি হয়। এই আবহেই সামনে এল শীর্ষ এই লস্কর নেতার খতমের খবর।

  • Ramakrishna 358: “শ্রীকৃষ্ণ গোবর্ধনগিরি ধারণ করেছিলেন, আর নন্দের কাছে দেখাচ্ছেন, পিঁড়ে বয়ে নিয়ে যেতে কষ্ট হচ্ছে!”

    Ramakrishna 358: “শ্রীকৃষ্ণ গোবর্ধনগিরি ধারণ করেছিলেন, আর নন্দের কাছে দেখাচ্ছেন, পিঁড়ে বয়ে নিয়ে যেতে কষ্ট হচ্ছে!”

    দক্ষিণেশ্বরে শ্রীরামকৃষ্ণের জন্মমহোৎসব ১৮৮৫ খ্রীঃ

    প্রথম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২২শে ফেব্রুয়ারি
    নরেন্দ্রাদি ভক্তসঙ্গে কীর্তনানন্দে

    গিরিশের বিশ্বাস যে, ঈশ্বর শ্রীরামকৃষ্ণরূপে (Ramakrishna) অবতীর্ণ হইয়াছেন।

    গিরিশ (শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি)—আপনার সব কার্য শ্রীকৃষ্ণের মতো। শ্রীকৃষ্ণ গোবর্ধনগিরি ধারণ করেছিলেন, আর নন্দের কাছে দেখাচ্ছেন, পিঁড়ে বয়ে নিয়ে যেতে কষ্ট হচ্ছে!

    গিরিশ—বুঝেছি (Kathamrita), আপনাকে এখন বুঝেছি।

    জন্মোৎসবে নববস্ত্র পরিধান, ভক্তগণকর্তৃক সেবা ও সমাধি

    ঠাকুর ছোট খাটটিতে বসিয়া আছেন। বেলা ১১টা হইবে। রাম প্রভৃতি ভক্তেরা ঠাকুরকে নববস্ত্র পরাইবেন। ঠাকুর বলিতেছেন—“না, না।” একজন ইংরেজী পড়া লোককে দেখাইয়া বলিতেছেন, “উনি কি বলবেন!” ভক্তেরা অনেক জিদ করাতে ঠাকুর বলিলেন—“তোমরা বলছ পরি (Ramakrishna)।”

    ভক্তেরা ওই ঘরেতেই ঠাকুরের অন্নাদি আহারের আয়োজন করিতেছেন।

    ঠাকুর নরেন্দ্রকে একটু গান গাইতে বলিতেছেন। নরেন্দ্র গাহিতেছেন:

    নিবিড় আঁধারে মা তোর চমকে ও রূপরাশি ৷
    তাই যোগী ধ্যান ধরে হয়ে গিরিগুহাবাসী ॥
    অনন্ত আঁধার কোলে, মহার্নিবাণ হিল্লোলে ৷
    চিরশান্তি পরিমল, অবিরল যায় ভাসি ॥
    মহাকাল রূপ ধরি, আঁধার বসন পরি ৷
    সমাধিমন্দিরে মা কে তুমি গো একা বসি ॥
    অভয়-পদ-কমলে প্রেমের বিজলী জ্বলে ৷
    চিন্ময় মুখমণ্ডলে শোভে অট্ট অট্ট হাসি ॥

    নরেন্দ্র যাই গাইলেন, ‘সমাধিমন্দিরে মা কে তুমি গো একা বসি!’ অমনি ঠাকুর বাহ্যশূন্য, সমাধিস্থ। অনেকক্ষণ পরে সমাধিভঙ্গের পর ভক্তেরা ঠাকুরকে (Ramakrishna)  আহারের জন্য আসনে বসাইলেন (Kathamrita)। এখনও ভাবের আবেশ রহিয়াছে। ভাত খাইতেছেন কিন্তু দুই হাতে। ভবনাথকে বলিতেছেন, “তুই দে খাইয়ে।” ভাবের আবেশ রহিয়াছে তাই নিজে খাইতে পারিতেছেন না। ভবনাথ তাঁহাকে খাওয়াইয়া দিতেছেন।

    ঠাকুর (Ramakrishna) সামান্য আহার করিলেন। আহারান্তে রাম বলিতেছেন, ‘নিত্যগোপাল পাতে খাবে।’

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) —পাতে? পাতে কেন?

    রাম—তা আর আপনি বলছেন! আপনার পাতে খাবে না?

    নিত্যগোপালকে ভাবাবিষ্ট দেখিয়া ঠাকুর তাহাকে দু-একগ্রাস খাওয়াইয়া (Kathamrita) দিলেন।

    কোন্নগরের ভক্তগণ নৌকা করিয়া এইবার আসিয়াছেন। তাঁহারা কীর্তন করিতে করিতে ঠাকুরের ঘরে প্রবেশ করিলেন। কীর্তনান্তে তাঁহারা জলযোগ করিতে বাহিরে গেলেন। নরোত্তম কীর্তনিয়া ঠাকুরের ঘরে বসিয়া আছেন।

  • Ramakrishna 357: “ঠাকুর প্রকৃতিস্থ হইয়া বসিলেন, ঠাকুর কি নরেন্দ্রের ভিতর সাক্ষাৎ নারায়ণদর্শন করিতেছিলেন!”

    Ramakrishna 357: “ঠাকুর প্রকৃতিস্থ হইয়া বসিলেন, ঠাকুর কি নরেন্দ্রের ভিতর সাক্ষাৎ নারায়ণদর্শন করিতেছিলেন!”

    দক্ষিণেশ্বরে শ্রীরামকৃষ্ণের জন্মমহোৎসব ১৮৮৫ খ্রীঃ

    প্রথম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২২শে ফেব্রুয়ারি
    নরেন্দ্রাদি ভক্তসঙ্গে কীর্তনানন্দে

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে উত্তর-পূর্ব লম্বা বারান্দায় গোপীগোষ্ঠ ও সুবল-মিলন কীর্তন শুনিতেছেন। নরোত্তম কীর্তন করিতেছেন। আজ রবিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি ১৮৮৫ খ্রীষ্টাব্দ, ১২ই ফাল্গুন, ১২৯১, শুক্লাষ্টমী। ভক্তেরা তাঁহার জন্মমহোৎসব করিতেছেন। গত সোমবার ফাল্গুন শুক্লা দ্বিতীয়া তাঁহার জন্মতিথি গিয়াছে। নরেন্দ্র, রাখাল, বাবুরাম, ভবনাথ, সুরেন্দ্র, গিরীন্দ্র, বিনোদ, হাজরা, রামলাল, রাম, নিত্যগোপাল, মণি মল্লিক, গিরিশ, সিঁথির মহেন্দ্র কবিরাজ প্রভৃতি অনেক ভক্তের সমাগম হইয়াছে। কীর্তন প্রাতঃকাল হইতেই হইতেছে, এখন বেলা ৮টা হইবে। মাস্টার আসিয়া প্রণাম করিলেন(Kathamrita)। ঠাকুর ইঙ্গিত করিয়া কাছে বসিতে বলিলেন।

    কীর্তন শুনিতে শুনিতে ঠাকুর ভাবাবিষ্ট হইয়াছেন। শ্রীকৃষ্ণের গোচারণে আসিতে দেরি হইতেছে। কোন রাখাল বলিতেছেন, মা যশোদা আসিতে দিতেছেন না। বলাই রোখ করিয়া বলিতেছে, আমি শিঙ্গা বাজিয়ে কানাইকে আনিব। বলাই-এর অগাধ প্রেম।

    কীর্তনিয়া আবার গাহিতেছেন। শ্রীকৃষ্ণ (Ramakrishna) বংশীধ্বনি করিতেছেন। গোপীরা, রাখালেরা, বংশীরব শুনিতেছেন, তাহদের নানাভাব উদয় হইতেছে।

    ঠাকুর বসিয়া ভক্তসঙ্গে কীর্তন শুনিতেছেন। হঠাৎ নরেন্দ্রের দিকে তাঁহার দৃষ্টিপাত হইল। নরেন্দ্র কাছেই বসিয়াছিলেন, ঠাকুর দাঁড়াইয়া সমাধিস্থ। নরেন্দ্রের জানু এক পা দিয়া স্পর্শ করিয়া দাঁড়াইয়াছেন।

    ঠাকুর প্রকৃতিস্থ হইয়া আবার বসিলেন। নরেন্দ্র সভা হইতে উঠিয়া গেলেন। কীর্তন চলিতেছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ বাবুরামকে আস্তে আস্তে বলিলেন (Kathamrita), ঘরে ক্ষীর আছে নরেন্দ্রকে দিগে যা।

    ঠাকুর (Ramakrishna) কি নরেন্দ্রের ভিতর সাক্ষাৎ নারায়ণদর্শন করিতেছিলেন!

    কীর্তনান্তে শ্রীরামকৃষ্ণ নিজের ঘরে আসিয়াছেন ও নরেন্দ্রকে আদর করিয়া মিঠাই খাওয়াইতেছেন।

    গিরিশের বিশ্বাস যে, ঈশ্বর শ্রীরামকৃষ্ণরূপে (Ramakrishna) অবতীর্ণ হইয়াছেন।

    গিরিশ (শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি)—আপনার সব কার্য শ্রীকৃষ্ণের মতো। শ্রীকৃষ্ণ গোবর্ধনগিরি ধারণ করেছিলেন, আর নন্দের কাছে দেখাচ্ছেন, পিঁড়ে বয়ে নিয়ে যেতে কষ্ট হচ্ছে!

    গিরিশ—বুঝেছি (Kathamrita), আপনাকে এখন বুঝেছি।

    জন্মোৎসবে নববস্ত্র পরিধান, ভক্তগণকর্তৃক সেবা ও সমাধি

    ঠাকুর ছোট খাটটিতে বসিয়া আছেন। বেলা ১১টা হইবে। রাম প্রভৃতি ভক্তেরা ঠাকুরকে নববস্ত্র পরাইবেন। ঠাকুর বলিতেছেন—“না, না।” একজন ইংরেজী পড়া লোককে দেখাইয়া বলিতেছেন, “উনি কি বলবেন!” ভক্তেরা অনেক জিদ করাতে ঠাকুর বলিলেন—“তোমরা বলছ পরি (Ramakrishna)।”

  • Ramakrishna 356: “তোমার দুইভাব—স্ব-স্বরূপকে চিন্তা করাও বটে, আবার সেব্য-সেবকেরও ভাব বটে”

    Ramakrishna 356: “তোমার দুইভাব—স্ব-স্বরূপকে চিন্তা করাও বটে, আবার সেব্য-সেবকেরও ভাব বটে”

    দক্ষিণেশ্বরে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ও ‘দেবী চৌধুরাণী’ পাঠ

    চর্তুথ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৪, ২৭শে ডিসেম্বর

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) সহাস্যে—না গো, সব একটু একটু চাই। যদি মুদীর দোকান কেউ করে, সবরকম রাখতে হয়—কিছু মুসুর ডালও চাই, হলো খানিকটা তেঁতুল,—এ-সব রাখতে হয়।

    “বাজনার যে ওস্তাদ, সব বাজনা সে কিছু কিছু বাজাতে পারে।”

    ঠাকুর ঝাউতলায় বাহ্যে গেলেন (Kathamrita)—একটি ভক্ত গাড়ু লইয়া সেইখানে রাখিয়া আসিলেন।

    ভক্তেরা এদিক-ওদিক বেড়াইতেছেন—কেহ বা ঠাকুরের ঘরের দিকে গমন করিলেন, কেহ কেহ পঞ্চবটীতে ফিরিয়া আসিতেছেন। ঠাকুর সেখানে আসিয়া বলিলেন—“দু-তিনবার বাহ্যে গেলুম। মল্লিকের বাড়ি খাওয়া;—ঘোর বিষয়ী। পেট গরম হয়েছে।”

    সমাধিস্থ পুরুষের (শ্রীরামকৃষ্ণের) পানের ডিবে স্মরণ

    ঠাকুরের পানের ডিবে পঞ্চবটীর চাতালে এখনও পড়িয়া রহিয়াছে। আরও দু-একটি জিনিস।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) মাস্টারকে বললেন, “ওই ডিবে আর কি কি আছে, ঘরে আন।” এই বলিয়া ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ নিজের ঘরের দিকে দক্ষিণাস্য হইয়া আসিতে লাগিলেন। ভক্তেরা সঙ্গে সঙ্গে পশ্চাতে আসিতেছেন। কাহারও হাতে পানের ডিবে, কাহারও হাতে গাড়ু ইত্যাদি।

    ঠাকুর মধ্যাহ্নের পর একটু বিশ্রাম করিয়াছেন। দুই-চারিটি ভক্ত আসিয়া বসিলেন। ঠাকুর ছোট খাটটিতে একটি ছোট তাকিয়া হেলান দিয়া বসিয়া আছেন। একজন ভক্ত জিজ্ঞাসা করিলেন —

    জ্ঞানী ও ভক্তের ভাব একাধারে কি হয়? সাধনা চাই

    “মহাশয়, জ্ঞানে কি ঈশ্বরের Attributes —গুণ— জানা যায়?

    ঠাকুর বলিলেন (Kathamrita), “সে এ-জ্ঞানে নয়। অমনি কি তাঁকে জানা যায়? সাধন করতে হয়। আর, একটা কোন ভাব আশ্রয় করতে হয়। দাসভাব। ঋষীদের শান্তভাব ছিল! জ্ঞানীদের কি ভাব জানো? স্ব-স্বরূপকে চিন্তা করা। (একজন ভক্তের প্রতি, সহাস্যে)—তোমার কি?”

    ভক্তটি চুপ করিয়া রহিলেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে)—তোমার দুইভাব—স্ব-স্বরূপকে চিন্তা করাও বটে, আবার সেব্য-সেবকেরও ভাব বটে। কেমন ঠিক কি না?

    ভক্ত (সহাস্যে ও কুণ্ঠিতভাবে)—আজ্ঞা, হাঁ।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—তাই হাজরা বলে, তুমি মনের কথা সব বুঝতে পার। ও-ভাব খুব এগিয়ে গেলে হয়। প্রহ্লাদের হয়েছিল।

    “কিন্তু ও ভাব সাধন করতে গেলে কর্ম চাই।

    “একজন কুলগাছের কাঁটা টিপে ধরে আছে—হাত দিয়ে রক্ত দরদর করে পড়ছে, কিন্তু বলে, আমার কিছু হয় নাই, লাগে নাই! জিজ্ঞাসা করলে বলে,—‘বেশ বেশ’। এ-কথা শুধু মুখে বললে কি হবে? ভাব সাধন করতে হয়।”

    ভক্তেরা ঠাকুরের কথামৃত পান করিতেছেন (Kathamrita)।

  • Ramakrishna 355: “ছেলে যদি বাপের হাত ধরে, তাহলে খানায় পড়লেও পড়তে পারে, কিন্তু বাপ যার হাত ধরে থাকে, তার ভয় কি!”

    Ramakrishna 355: “ছেলে যদি বাপের হাত ধরে, তাহলে খানায় পড়লেও পড়তে পারে, কিন্তু বাপ যার হাত ধরে থাকে, তার ভয় কি!”

    দক্ষিণেশ্বরে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ও ‘দেবী চৌধুরাণী’ পাঠ

    চর্তুথ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৪, ২৭শে ডিসেম্বর

    পঞ্চবটীমূলে শ্রীরামকৃষ্ণ—অবতারের ‘অপরাধ’ নাই

    নিত্যগোপাল সামনে উপবিষ্ট। সর্বদা ভাবস্থ, মুখে কথা নাই।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে)—গোপাল! তুই কেবল চুপ করে থাকিস!

    নিত্য (বালকের ন্যায়)—আমি—জানি—না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—বুঝেছি কিছু বলিস না কেন। অপরাধ?

    “বটে বটে। জয় বিজয় নারায়ণের দ্বারী, সনক সনাতনাদি ঋষিদের, ভিতরে যেতে বারণ করেছিল। সেই অপরাধে তিনবার এই সংসারে জন্মাতে হয়েছিল।

    “শ্রীদাম গোলোকে বিরজার দ্বারী ছিলেন। শ্রীমতী কৃষ্ণকে (Ramakrishna) বিরজার মন্দিরে ধরবার জন্য তাঁর দ্বারে গিছলেন, আর ভিতরে ঢুকতে চেয়েছিলেন—শ্রীদাম (Kathamrita) ঢুকতে দেয় নাই। তাই শ্রীমতী শাপ দিলেন, তুই মর্ত্যে অসুর হয়ে জন্মাগে যা। শ্রীদামও শাপ দিছলো! (সকলের ঈষৎ হাস্য)

    “কিন্তু একটি কথা আছে, ছেলে যদি বাপের হাত ধরে, তাহলে খানায় পড়লেও পড়তে পারে, কিন্তু বাপ যার হাত ধরে থাকে, তার ভয় কি!

    “শ্রীদামের কথা ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে আছে।”

    কেদার (চাটুজ্যে) এখন ঢাকায় থাকেন, তিনি সরকারি কর্ম করেন। আগে কর্মস্থল কলিকাতায় ছিল, এখন ঢাকায়। তিনি ঠাকুরের পরমভক্ত। ঢাকায় অনেকগুলি ভক্তের সঙ্গ হইয়াছে। সেই সকল ভক্তেরা তাঁর কাছে সর্বদা আসেন ও উপদেশ গ্রহণ করেন। শুধু হাতে ভক্তদর্শনে আসতে নাই। অনেকে মিষ্টান্নাদি আনেন ও কেদারকে নিবেদন করেন।

    সবরকম লোকের জন্য শ্রীরামকৃষ্ণের নানারকম “ভাব ও অবস্থা”

    কেদার (অতি বিনীতভাবে)—তাদের জিনিস কি খাব?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—যদি ঈশ্বরে ভক্তি করে দেয়, তাহলে দোষ নাই। কামনা করে দিলে সে জিনিস ভাল নয়।

    কেদার—আমি তাদের বলেছি, আমি নিশ্চিন্ত। আমি বলেছি (Kathamrita), যিনি আমায় কৃপা করেছেন, তিনি সব জানেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে)—তা তো সত্য। এখানে সবরকম লোক আসে, তাই সবরকম ভাব দেখতে পায়।

    কেদার—আমার নানা বিষয় জানা দরকার নাই।

  • Operation Sindoor: বদলা নয়, ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর উদ্দেশ্য বিচার, ভিডিও প্রকাশ ভারতীয় সেনার

    Operation Sindoor: বদলা নয়, ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর উদ্দেশ্য বিচার, ভিডিও প্রকাশ ভারতীয় সেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পহেলগাঁওকাণ্ডের পর পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে প্রত্যাঘাত চালায় ভারত। শুরু হয় অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor)। সেনাবাহিনী, নৌ সেনা, বায়ুসেনার একযোগে এরপর শুরু করে পাকিস্তানে প্রত্যাঘাত। এবার নিজেদের এক্স হ্যান্ডেলে একটি নতুন ভিডিও পোস্ট করল ভারতীয় সেনা। সেখানে তারা সাফ জানাল, বদলার মনোভাব থেকে ‘অপারেশন সিঁদুর’ অভিযান নয়, এর পিছনে উদ্দেশ্য একটাই- বিচার।

    ৫৪ সেকেন্ডের ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে (Operation Sindoor)

    ওয়েস্টার্ন কমান্ড- ইন্ডিয়ান আর্মির (Indian Army) এক্স হ্যান্ডেলে ৫৪ সেকেন্ডের ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে। তারই ক্যাপশনে লেখা, পরিকল্পিত, প্রশিক্ষিত এবং বাস্তবায়িত। ভিডিও-র শুরুতে দেখা যাচ্ছে একদল সেনাকে। তাঁদেরই একজনকে বলতে শোনা যাচ্ছে, ‘‘পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার (Pahalgam Terror Attack) জেরে এর (অপারেশন সিঁদুর) শুরু হয়েছে। রাগ ছিল না, একটাই লক্ষ্য ছিল, এবার উচিৎ শিক্ষা দিতে হবে যাতে আগামী দিনে তাদের পরবর্তী প্রজন্ম মনে রাখবে (Operation Sindoor)।’’

    পহেলগাঁওকাণ্ড (Operation Sindoor)

    প্রসঙ্গত, ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে পর্যটকদের ওপর (Indian Army) হামলা চালায় জঙ্গিরা। এর জেরে মৃত্যু হয় ২৫ পর্যটক ও এক স্থানীয় বাসিন্দার। এই হামলার দায় স্বীকার করে লস্কর-ই-তইবার শাখা সংগঠন ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’। এরপরই ৬ ও ৭ মে, মঙ্গলবার গভীর রাত থেকে ভারত শুরু করে অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor)। পাকিস্তানের ৯ জঙ্গিঘাঁটিতে প্রত্যাঘাত করে ভারত। পাল্টা সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে ড্রোন হামলার চেষ্টা চালায় পাকিস্তান। যদিও সবকটি হামলা প্রতিহত করে ভারতের উন্নত এয়ার ডিফেন্স। ১০ মে পাকিস্তান-ভারত সংঘর্ষ বিরতিতে রাজি হয়।যদিও সেদিনই আবার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সংঘর্ষ বিরতি লঙ্ঘন করে পাকিস্তান সীমান্তে গোলাবর্ষণ করে পাকিস্তান। প্রসঙ্গত,পহেলগাঁও হামলার (Pahalgam Attack) পরেই ভারত সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। এবার দেশের সাংসদরা বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশে যাবেন পাকিস্তানের মদতে চলা সন্ত্রাসবাদ নিয়ে বক্তব্য রাখবেন।

  • Bangladesh: এবার বিহার-ওড়িশা-ঝাড়খণ্ডকেও দেখানো হল গ্রেটার বাংলাদেশের ম্যাপে, পোস্টার পড়ল ঢাকায়

    Bangladesh: এবার বিহার-ওড়িশা-ঝাড়খণ্ডকেও দেখানো হল গ্রেটার বাংলাদেশের ম্যাপে, পোস্টার পড়ল ঢাকায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-পাক যুদ্ধের আবহে পাকিস্তানকে অস্ত্র ও সেনা দিয়ে সাহায্য করে তুরস্ক (Turkey)। তার মাশুল অবশ্য গুনতে হচ্ছে তুরস্ককে। নিরাপত্তা থেকে উড়ান, শিক্ষা, বাণিজ্য- সব ক্ষেত্রেই এই দেশটির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করছে ভারত। তবে তুরস্কের ভারত বিরোধিতা এবার দেখা গেল বাংলাদেশে (Bangladesh)। ভারত মুখ ফেরাতেই নতুন করে কারসাজি শুরু করেছে এই দেশ। এক সর্বভারতীয় সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী অনুযায়ী, বাংলাদেশে ফের একবার হঠাৎ সক্রিয় হয়ে উঠেছে তুরস্ক। ওই সংবাদমাধ্যমের খবর, তুরস্কের একটি এনজিও সমর্থিত ইসলামিক সংগঠন বাংলাদেশের ঢাকায় গজিয়ে উঠেছে। জানা যাচ্ছে, এই সংগঠনের নাম ‘সালতালাত-ই-বাংলা’। এই সংগঠনই এবার দাবি তুলেছে গ্রেটার বাংলাদেশের। এনিয়ে নতুন একটি মানচিত্রও প্রকাশ করেছে তারা। ভারতের বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা ও গোটা উত্তর-পূর্বকে বৃহত্তর বাংলাদেশ বা গ্রেটার বাংলাদেশের অংশ বলে দাবি করা হল।

    মানচিত্রের পোস্টার সাঁটানো হল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (Bangladesh)

    শুধু তাই নয়, এই ম্যাপ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল ও অন্যান্য এলাকাতেও লাগানো হয়েছে। লাগানো হয়েছে। দেখা যাচ্ছে, মূলত যে জায়গাগুলিতে পড়ুয়া ও যুব সম্প্রদায় যায়, সেখানেই এই গ্রেটার বাংলাদেশের (Bangladesh) পোস্টার লাগানো হয়েছে। এদিকে আবার ইউনূস সমর্থকরা এই ম্যাপের সমর্থনও জানিয়েছে। তারাও বিভিন্ন জায়গায় দাবি করছে, অন্তত উত্তর-পূর্ব ভারতকে বাংলাদেশের অংশ করা হোক।

    ২০২৪ সালে পতন হয় হাসিনা সরকারের, তারপরেই বেড়েছে ভারত বিরোধিতা

    প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের অগাস্ট মাসে জামাত-বিএনপির ষড়যন্ত্রে হাসিনা সরকারের পতন এবং মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশে (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত হয়। এর পর থেকেই সেদেশে হিন্দু নির্যাতনের পাশাপাশি বেড়েছে ভারত বিরোধিতাও। ওপার বাংলা থেকে ক্রমাগত উসকানিমূলক মন্তব্য এসেছে ভারতের বিভিন্ন অংশ দখল করার। শুধু তাই নয়, এই আবহে ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে জঙ্গি কার্যকলাপও বেড়েছে। সাম্প্রতিক, মুর্শিদাবাদে ওয়াকফ আন্দোলনের নামে ব্যাপক হিংসা ছড়ায়। সেখানেও উঠে আসে বাংলাদেশ যোগ।

  • Amit Shah: গান্ধীনগরে উন্নয়নের জোয়ার বইয়ে দিলেন অমিত শাহ

    Amit Shah: গান্ধীনগরে উন্নয়নের জোয়ার বইয়ে দিলেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। নির্বাচিত হয়েছেন গুজরাটের (Gujarat) গান্ধীনগর থেকে। সেই গান্ধীনগরে বস্তুত উন্নয়নের জোয়ার বইয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। শনিবার তিনি গান্ধীনগর শহর ও জেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন। প্রকল্পগুলির মোট মূল্য ৭০৮ কোটি টাকারও বেশি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল এবং স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হর্ষ সাংঘভি।

    কী বলছে সরকারি বিবৃতি? (Amit Shah)

    সরকারি বিবৃতি অনুযায়ী, গান্ধীনগর মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন একাই ২০০.৯৪ কোটি টাকার নাগরিক ও পরিকাঠামো প্রকল্পের উদ্বোধন করেছে। নতুন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে ৩৫২.৭৬ কোটি টাকার। গান্ধীনগর জেলা প্রশাসন সম্পন্ন করেছে ৪৫.৭০ কোটি টাকার কাজ। গান্ধীনগর নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কাজ করেছে ১০৭.৮৫ কোটি টাকার। এদিন উদ্বোধন করা প্রকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে বাসান, পালাজ ও পোর অঞ্চলে আরসিসি এবং সিসি রোড, ভাভোল ও পেঠাপুরে প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং সিএইচ-০ থেকে জিএইচ-০ মিউনিসিপ্যাল করিডরে ল্যান্ডস্কেপিং ইত্যাদি।

    গুচ্ছ প্রকল্প

    অন্যান্য প্রকল্পের মধ্যে ছিল বরিজ ও কোলাভাদা-সহ বিভিন্ন এলাকায় পয়ঃপ্রণালী নিষ্কাশন ও ড্রেনেজ পাইপলাইন স্থাপন, টাউন প্ল্যানিং এরিয়া উন্নয়নমূলক কাজ যার মূল্য ৭৫.০৮ কোটি টাকা, ভাট এলাকায় একটি পয়ঃশোধনাগার স্থাপন এবং সেক্টর ২১ ও ২২-এর মধ্যে একটি সড়ক আন্ডারপাস নির্মাণ। অতিরিক্ত পরিকাঠামোর মধ্যে রয়েছে সৌর প্যানেল ও রাস্তার আলোর ব্যবস্থা, অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা ও পরীক্ষাগার উন্নয়ন (Amit Shah)।

    যেসব প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয়েছে, সেগুলি হল খোরাজ, কোবা, রান্ধেজা এবং সরগাসনে রাস্তা নির্মাণের কাজ, সেক্টর ৭, ২১, ২২ ও ঢোলাকুয়ায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র নির্মাণ, নবহোই ও ডাভোলে জল ও ড্রেনেজ লাইনের কাজ এবং কোলাভাদা রায়সান ও নবহোইতে তিনটি নয়া পয়ঃশোধনাগার নির্মাণ। পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত ছিল দুটি নয়া জোনাল অফিস নির্মাণ, অঙ্গনওয়াড়ি সংস্কার, শহরজুড়ে পাবলিক টয়লেট নির্মাণ, কুদাসন ও আমিয়াপুরে কমিউনিটি হল, ইন্দ্রোডায় গুজরাট দর্শন পার্ক, রিচার্জ ও টিউবওয়েল স্থাপন, টিপি-০৯ এলাকায় একটি নয়া ইলেকট্রিক বাস ডিপো (Gujarat) এবং বিভিন্ন সেক্টরে ক্রিকেট বক্স স্থাপন ও কাম্পাউন্ড ওয়াল নির্মাণ (Amit Shah)।

  • Pakistan: পাকিস্তানের হয়ে চরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার আরও ৯

    Pakistan: পাকিস্তানের হয়ে চরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার আরও ৯

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সর্ষের মধ্যেই ভূত! পাকিস্তানের (Pakistan) হয়ে চরবৃত্তির অভিযোগে ভারতেরই হরিয়ানা (Haryana) থেকে গ্রেফতার আরও এক। ভারতীয় সেনার গোপন তথ্য আরহান নামের ওই যুবক পাকিস্তানে পাচার করে দিত বলে অভিযোগ। দিল্লিতে পাক দূতাবাসের এক কর্মচারীর সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল। পুলিশ তার কাছ থেকে দীর্ঘ হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট উদ্ধার করেছে। উদ্ধার হয়েছে ছবি এবং ভিডিও। আরমান নামের বছর ছাব্বিশের ওই যুবককে শনিবার গ্রেফতার করা হয়েছে হরিয়ানার নুহ জেলা থেকে। নুহ পুলিশ জানিয়েছে, ভারতীয় সেনা ও সামরিক পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাকিস্তানে পাঠাত ওই যুবক। দিল্লির পাক দূতাবাসের এক কর্মচারীর মাধ্যমে সে এই কাজ করত। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছ থেকে এ খবর পেয়েছিল নুহ পুলিশ। তার পরেই গ্রেফতার করা হয় আরমানকে।

    আরমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ (Pakistan)

    আরমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তানের হয়ে চরের কাজ করছিল সে। সমাজমাধ্যম ব্যবহার করে, বিশেষত হোয়াটসঅ্যাপে এই সংক্রান্ত তথ্য সে শেয়ার করত। পাকিস্তানের একাধিক নম্বরের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট পাওয়া গিয়েছে। অনেক ছবি এবং ভিডিও-ও সে ওই নম্বরে পাঠিয়েছে। আরমানকে গ্রেফতারির পর আদালতে হাজির করানো হয়েছিল। তাকে ছ’দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে (Pakistan)। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে।

    হরিয়ানা থেকে চরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার

    প্রসঙ্গত, শনিবারই হরিয়ানা থেকে চরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে ইউটিউবার জ্যোতি মালহোত্রকে। অভিযোগ, পাক গুপ্তচরদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন তিনি। তদন্তকারীদের অনুমান, গুপ্তচরদের কাছে তথ্য পাচার করার একটি চক্র তৈরি হয়েছে এ দেশে। এই চক্র সক্রিয় মূলত পাঞ্জাব ও হরিয়ানায়। জ্যোতি এবং আরমান সেই চক্রের সদস্য কিনা, তা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা।

    এদিকে, জ্যোতির পাশাপাশি গুজালা নামে আরও এক মহিলাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পাক চর সন্দেহে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছে মালেরকোটলার ইয়াসিন মহম্মদ, হরিয়ানার কৈঠালের দেবেন্দ্র সিং ধিঁলো-ও। উত্তরপ্রদেশের কৈরানার বাসিন্দা নোমান ইলাহিকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। হরিয়ানার কাইথাল জেলার গুহলা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে দেবেন্দর সিংকে। উত্তরাখণ্ডের রুরকির পেশায় দর্জি রাকিব খানকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে বিহারের সমস্তিপুরের মুচি সুনীল কুমারকেও। গত ৩ মে সেনানিবাস ও বিমানঘাঁটির তথ্য সংগ্রহ এবং ছবি তোলার অভিযোগে অমৃতসরে গ্রেফতার করা হয়েছিল পলক শের মাসিহ এবং সুরজ মাসিহ নামে দু’জনকে। অমৃতসর (Haryana) কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দি হরপ্রীত সিং ওরফে পিট্টু ওরফে হ্যাপির মাধ্যমে তারা আইএসআইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল (Pakistan)।

  • Operation Sindoor: অপারেশন সিঁদুর নিয়ে সমাজমাধ্যমে বিতর্কিত পোস্ট, গ্রেফতার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক

    Operation Sindoor: অপারেশন সিঁদুর নিয়ে সমাজমাধ্যমে বিতর্কিত পোস্ট, গ্রেফতার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অপারেশন সিন্দুর’ (Operation Sindoor) নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেশবিরোধী মন্তব্য করার জন্য গ্রেফতার কার হল অশোকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (Ashoka University) অধ্যাপক আলি খান মাহমুদাবাদকে। ইতিমধ্যে তাঁর আইনজীবী সংবাদমাধ্যমের কাছে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অপারেশন সিঁদুর নিয়ে মহিলা সেনা অফিসারদের বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপত্তিকর পোস্ট করেন ওই অধ্যাপক। এমনটাই অভিযোগ ওঠে আলি খানের বিরুদ্ধে। এর পরেই হরিয়ানা রাজ্য মহিলা কমিশন স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এই বিষয়টির ওপর নজর দেয়। এই ঘটনার কয়েকদিন পরেই এই অধ্যাপককে গ্রেফতার করা হল।

    মহিলা অফিসারদের অবমাননা করার অভিযোগ (Operation Sindoor)

    প্রসঙ্গত, আগেই একটি নোটিশে মহিলা কমিশন বলেছিল যে আলি খানের মন্তব্য ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর মহিলা অফিসারদের অবমাননা করা হয়েছে এবং সাম্প্রদায়িক বিভেদ উস্কে দিয়েছে। নিজেকে বাঁচাতে কোনওরকমের চেষ্টার ত্রুটি করছেন না আলি। মহিলা কমিশনের নোটিশের জবাবে তাঁর দাবি করেছিলেন, অপারেশন সিঁদুর (Operation Sindoor) এবং এর সঙ্গে যুক্ত মহিলা অফিসারদের নিয়ে তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টগুলি নারীবিদ্বেষী ছিল না। তবে এসব ধোপে টিকল না, গ্রেফতার হতেই হল আলিকে (Ashoka University) ।

    নিজের পোস্টে কী লিখেছিলেন আলি?

    তিনি নিজের পোস্টে সেনার সাংবাদিক সম্মেলনকে ‘অপ্টিক’ এবং ‘ভণ্ডামি’ বলে মন্তব্য করেন। নিজের ফেসবুক পোস্টে আলি লিখেছিলেন, ‘‘আমি খুব খুশি যে অনেক ডানপন্থী কর্নেল কুরেশির প্রশংসা করছেন। তবে তারা একই ভাবে গণপিটুনি, একতরফা বুলডোজার কার্যক্রমের বিরুদ্ধেও জোর গলায় সরব হতে পারেন। যারা বিজেপির বিদ্বেষের রাজনীতির মুখে পড়ছেন, তাদের সুরক্ষার দাবি জানাতে পারেন।’’

    স্বতঃপ্রণোদিতভাবে তদন্ত করা হয়

    এই আবহে হরিয়ানা রাজ্য মহিলা কমিশন আইন, ২০১২ এর ধারা ১০(১)(এফ) এবং ১০(১)(এ) অনুসারে আলি খানের মন্তব্যের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে তদন্ত শুরু করে। তবে এই গোটা বিতর্কের জবাবে আলি খান বারবার দাবি করেন, এটা একটা নতুন ধরনের সেন্সরশিপ। তবে এই আবহে অশোকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফ থেকে এক বিবৃতি (Operation Sindoor) জারি করে। আলি খানের বক্তব্য তারা সমর্থন করেনা বলেও জানায় বিশ্ববিদ্যালয়।

LinkedIn
Share