Blog

  • SIR in Bengal: শুক্রবারই এসআইআর-এ বিবেচনাধীনদের প্রথম তালিকা প্রকাশ! দিনে দু’লক্ষ করে নামের নিষ্পত্তি হচ্ছে, জানাল কমিশন

    SIR in Bengal: শুক্রবারই এসআইআর-এ বিবেচনাধীনদের প্রথম তালিকা প্রকাশ! দিনে দু’লক্ষ করে নামের নিষ্পত্তি হচ্ছে, জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে এসআইআর-এর পর পশ্চিমবঙ্গে অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে শুক্রবারই। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্যে বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (SIR) তালিকায় ‘বিবেচনাধীন’ নামের নিষ্পত্তির গতি বেড়েছে। পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকার দিনে প্রায় দু’লক্ষ করে নামের নিষ্পত্তি হচ্ছে। বুধবার পর্যন্ত নিষ্পত্তি হয়েছে মোট ২৩ লক্ষ ৩০ হাজার ‘বিবেচনাধীন’ নাম। হাইকোর্ট নিযুক্ত ৭০০-র বেশি বিচারবিভাগীয় আধিকারিক এই কাজ করছেন। সিইও দফতর সূত্র জানা গিয়েছে, এই গতিতে চললে ভোটের আগে সমস্ত বিবেচনাধীন ভোটারের নিষ্পত্তি হয়ে যেতে পারে।

    আজই উচ্চ-পর্যায়ে বৈঠক

    অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের আগে রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে স্বরাষ্ট্রসচিব, পুলিশের ডিজি এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে বৈঠকে ডাকলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। ‘বিবেচনাধীন’ ভোটারদের নামের তালিকা প্রকাশের আগে নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে এই বৈঠকে আলোচনা হবে। বৈঠক ডাকা হয়েছে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায়। এই মুহূর্তে রাজ্যের কোথাও আইনশৃঙ্খলাজনিত কোনও সমস্যা রয়েছে কি না, বৈঠকে জানতে চাইতে পারেন প্রধান বিচারপতি। উল্লেখ্য, ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকেই প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে বদল আনা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দাবি, স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ। অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ঘিরে যাতে কোনও উত্তেজনা না তৈরি হয়, সে দিকেই এখন নজর আদালতের।

    সময়ের মধ্যেই সকল বিবেচনাধীন নামের নিষ্পত্তি!

    আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দু’দফায় ভোট হবে পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি বিধানসভা আসনে। ভোটের ফল জানা যাবে ৪ মে। পূর্ণাঙ্গ ভোটার তালিকা ছাড়া নির্বাচন সম্ভব নয়। সে ক্ষেত্রে ভোটের আগে যদি সমস্ত বিবেচনাধীন নামের নিষ্পত্তি না হয়, ঝুলে থাকা ভোটারদের কী হবে, তাঁরা ভোট দিতে পারবেন কি না, স্পষ্ট নয়। সুপ্রিম কোর্টকে এ ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপ করতে হবে। তবে সময়ের মধ্যেই সকল বিবেচনাধীন নামের নিষ্পত্তি করে ফেলতে চান বিচারকেরা। এর পরেও যাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ যাবে, তাঁরা বিচার বিভাগের বিশেষ ট্রাইবুনালে আবেদন জানাতে পারবেন।

    দ্রুত গতিতে কাজ করছে কমিশন

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশের জন্য একটি বিশেষ সফ্‌টঅয়্যার প্রয়োজন। তা তৈরি করার পর আদালতের ছাড়পত্র নিতে হবে। সেই সফ্‌টঅয়্যারের কাজ চলছে। শেষ হলেই তালিকা প্রকাশ করে দেওয়া যাবে। এর মধ্যে প্রতি দিনই ‘বিবেচনাধীন’ নাম নিষ্পত্তির কাজ করে চলেছেন কলকাতা হাইকোর্ট নিযুক্ত বিচারবিভাগীয় আধিকারিক ও বিচারকেরা। যে দিন কমিশন অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করবে, সে দিন পর্যন্ত যত নামের নিষ্পত্তি হবে, সব নাম ওই তালিকায় রাখা হবে। রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার নাম ‘বিবেচনাধীন’ তালিকায় ছিল। কলকাতার শ্যামপুকুর কেন্দ্র থেকে তাঁকে ফের প্রার্থী করেছে তৃণমূল। তাঁর নাম যাতে আগে নিষ্পত্তি করা হয়, বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের কাছে তিনি সেই আবেদন জানিয়েছিলেন। বুধবার সিইও দফতর খোঁজ নিয়ে জানিয়েছে, মন্ত্রীর নামের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে।

    সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ 

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআর প্রক্রিয়া চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। আর সেই তালিকায় ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীনের তালিকায় রয়েছে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা বেরনোর পর কেটে গিয়েছে ২ সপ্তাহের বেশি। বিবেচনাধীন ভোটারদের তথ্য খতিয়ে দেখে তা নিষ্পত্তি করছেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। এই নিয়ে কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত বললেন, “সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, এই সপ্তাহের মধ্যেই আমরা তা প্রকাশ করতে পারব। যে সব নামের নিষ্পত্তি হয়েছে, সেগুলি এক-দু’দিনের মধ্যে আমাদের সঙ্গে শেয়ার করবেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। এখন যে অবস্থায় রয়েছে, তাতে শুক্রবার কিংবা শনিবার সাপ্লিমেন্টারি তালিকা বেরিয়ে যাওয়ার কথা।”

    ৪৭৮ জন পর্যবেক্ষক নিয়োগ

    অন্য দিকে, ভোটের কাজের জন্য পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন কমিশন ৪৭৮ জন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে। ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রতিটিতে এক জন করে সাধারণ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হচ্ছে। এ ছাড়া থাকছেন ৮৪ জন পুলিশ অবজার্ভার এবং ১০০ জন এক্সপেনডিচার অবজার্ভার। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য এক জন করে সাধারণ পর্যবেক্ষক রয়েছেন। এই সমস্ত পর্যবেক্ষক রাজ্যে আসতে শুরু করেছেন বুধবার থেকেই। কমিশন জানিয়েছে, শুধু ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে নয়, বুথ সংলগ্ন এলাকাতেও ভোটারকে হুমকি, ভয় দেখানোর মতো ঘটনা ঘটলে পুনর্নির্বাচন হতে পারে। ছাপ্পা, অশান্তি, বুথ দখলের মতো ঘটনা বরদাস্ত করা হবে না। কমিশনের বক্তব্য, বাংলায় হিংসামুক্ত, রক্তপাতহীন, স্বচ্ছ ভোট করাই লক্ষ্য। তাই অতীতে ভোটের হিংসা যেখানে বেশি হয়েছে এবং স্পর্শকাতর অশান্তিপ্রবণ জেলাগুলিতেই বেশি করে পুলিশ অবজ়ার্ভার নিয়োগের উপরে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে যথাযথ ভাবে ব্যবহার করা হয়। কমিশনের বিশেষ নজরে রয়েছে মুর্শিদাবাদ, মালদা, উত্তর দিনাজপুর, নদিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা। শুধু অশান্তি নয়, কমিশন ভোটকে সামনে রেখে টাকা, মদ–মাদক সমেত বিভিন্ন ধরনের উপহার দেওয়ার খেলা বন্ধ করতেও বদ্ধপরিকর।

  • Modi Govt: যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরানের দিকে মানবিকতার হাত বাড়াল ভারত, ধন্যবাদ জানাল তেহরান

    Modi Govt: যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরানের দিকে মানবিকতার হাত বাড়াল ভারত, ধন্যবাদ জানাল তেহরান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েল-মার্কিন জোট এবং ইরানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাত থামার কোনও লক্ষণই আপাতত দেখা যাচ্ছে না। এমতাবস্থায় যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরানের দিকে মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দিল ভারতের নরেন্দ্র মোদির সরকার। নয়াদিল্লি ইরানে চিকিৎসা সামগ্রী পাঠিয়েছে। এ প্রসঙ্গে নয়াদিল্লিতে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের দূতাবাস লিখেছে, “ভারতের সম্মানিত জনগণের পক্ষ থেকে প্রেরিত চিকিৎসা সহায়তার প্রথম চালান ইরানিয়ান রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কাছে পৌঁছেছে। আমরা ভারতের সদয় জনগণকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।”

    মানবিক সাহায্য ভারতের (Modi Govt)

    যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরানের প্রতি ভারতের এই মানবিক সাহায্য ভারতের বিদেশনীতির সেই ধারা প্রতিফলিত করে, যেখানে সাধারণ মানুষের কল্যাণ ও মানবিক কর্মকাণ্ডকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। ভৌগোলিক-রাজনৈতিক স্বার্থ বা প্রাধান্য বিস্তারের আকাঙ্ক্ষার ঊর্ধ্বে উঠে ‘মানবতা-প্রথম’ নীতিই ভারতের মূল দৃষ্টিভঙ্গি। ১৮ মার্চ, বুধবার, ভারতের পাঠানো চিকিৎসা সাহায্য ইরানে পৌঁছনোর পর নয়াদিল্লিতে ইরানের দূতাবাস কৃতজ্ঞতা জানায়। ইরান বর্তমানে মার্কিন–ইজরায়েল জোটের সঙ্গে বড় সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছে। এই যুদ্ধের ব্যাপক প্রভাব পড়েছে গোটা পশ্চিম এশিয়ায়।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দাবি

    রাষ্ট্রসংঘে ইরানের রাষ্ট্রদূতের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সংঘাত শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত ১,৩০০-রও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, গুরুতর জখম হয়েছেন ৭,০০০-এরও বেশি মানুষ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) জানিয়েছে, এই হামলায় ইরানজুড়ে প্রায় ১৮টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, নিহত হয়েছেন ৮ জন চিকিৎসাকর্মী। যুদ্ধ ক্রমশ তীব্রতর হওয়ায় এবং হতাহতের সংখ্যা বাড়তে থাকায় ইরানে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা পাঠানোর পরিকল্পনা করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

    ভিডিও ফুটেজও শেয়ার করেছে ইরান

    ভারত থেকে পাঠানো চিকিৎসা সহায়তা পৌঁছনো এবং উদ্ধারকর্মীদের মাধ্যমে তা গ্রহণ ও বিতরণের ভিডিও ফুটেজও শেয়ার করেছে ইরানের দূতাবাস। মানবিক সহায়তা ভারতের বিদেশনীতির একটি মূল স্তম্ভ। যে কোনও জরুরি পরিস্থিতি কিংবা অপ্রত্যাশিত সঙ্কটের মুখোমুখি হওয়া অঞ্চলে নয়াদিল্লিই প্রথম সাড়া দেয়। ভারতের এই সহায়তা বৈশ্বিক কল্যাণ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়। এটি রাজনৈতিক মতাদর্শ বা ভূ-রাজনৈতিক হিসেব-নিকেশের ঊর্ধ্বে। সম্প্রতি শ্রীলঙ্কা একটি ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়েছিল। সেই সময় ভারত চালায় ‘অপারেশন সাগরবন্ধু’। এই অপারেশনের মাধ্যমে ভারত প্রয়োজনীয় সামগ্রী, চিকিৎসা সহায়তা ও পরিকাঠামো পুনর্গঠনে সাহায্য করে।

  • Election Commission: ভোটের আগে রাজ্য-কমিশন সংঘাত চরমে, ভিন রাজ্যে সরানো হল ১৫ আইপিএসকে

    Election Commission: ভোটের আগে রাজ্য-কমিশন সংঘাত চরমে, ভিন রাজ্যে সরানো হল ১৫ আইপিএসকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে রাজ্যের তৃণমূল পরিচালিত সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) সংঘাত চরমে। বঙ্গে নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার পর পরই বিভিন্ন পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল রাজ্য ও কলকাতা পুলিশের বেশ কয়েকজন আইপিএসকে (IPS)। বুধবার ১৯ জন অপসারিত আধিকারিককে সিআইডি, আইবি এবং এসটিএফের মতো শাখায় পুনর্বহাল করার নির্দেশিকা জারি করেছিল রাজ্য সরকার। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই রাজ্য সরকারের সেই নির্দেশিকা বাতিল করে দিয়েছে কমিশন।

    কমিশনের নয়া নির্দেশিকা (Election Commission)

    এদিন রাতেই কমিশনের তরফে নয়া নির্দেশিকা জারি করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ওই আধিকারিকদের মধ্যে ১৫ জনকে অবিলম্বে তামিলনাড়ু এবং কেরলে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক হিসেবে কাজে যোগ দিতে হবে। বিধাননগরের অপসারিত পুলিশ কমিশনার মুরলী ধর এবং শিলিগুড়ির অপসারিত পুলিশ কমিশনার ওয়াকার রাজা-সহ মোট ১৫ জনকে অন্য রাজ্যে পাঠানো হচ্ছে। ওই তালিকায় থাকা অন্য আধিকারিকরা হলেন আকাশ মাঘারিয়া, অলোক রাজোরিয়া, আমনদীপ, অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, সি সুধাকর, ধৃতিমান সরকার, ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়, মুকেশ, প্রবীণ কুমার ত্রিপাঠী, প্রিয়ব্রত রায়, সন্দীপ কাররা এবং রশিদ মুনির খানও।

    কমিশনের সিদ্ধান্তে গুঞ্জন

    নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তে গুঞ্জন শুরু হয়েছে প্রশাসনিক মহলে। সাধারণত, পর্যবেক্ষক হিসেবে কোনও আধিকারিককে পাঠানোর আগে তাঁর জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু এই ১৫ জনের মধ্যে একমাত্র প্রবীণকুমার ত্রিপাঠী ছাড়া বাকি আধিকারিকদের সেই প্রশিক্ষণ নেই। গুঞ্জনের কারণ এটাই। যদিও, কমিশন সূত্রে খবর, পর্যবেক্ষক হিসেবে কাজ করার জন্য প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক নয়। নবান্নের পুনর্বহালের নির্দেশিকা জারির ঠিক পরে পরেই নির্বাচন কমিশনের এই পাল্টা পদক্ষেপকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ (Election Commission)। নির্বাচনের মুখে রাজ্য পুলিশের এই শীর্ষ স্তরের আধিকারিকদের বাংলা থেকে দূরে পাঠিয়ে দেওয়ার নির্বাচনী সমীকরণ কতটা প্রভাব ফেলে, এখন তা-ই দেখার।

    প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি তামিলনাড়ু এবং কেরলেও দুয়ারে বিধানসভা নির্বাচন। ওই দুই রাজ্যে ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের একাধিক আধিকারিককে পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠানো হয়েছে। নির্বাচনী নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার আগে পর্যন্ত (IPS) যিনি ছিলেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব, সেই জগদীশ প্রসাদ মিনাকেও পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠানো হয়েছে তামিলনাড়ুতে (Election Commission)।

     

  • Daily Horoscope 19 March 2026: সামাজিক ক্ষেত্রে পরিবেশ অনুকূল থাকবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 19 March 2026: সামাজিক ক্ষেত্রে পরিবেশ অনুকূল থাকবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) নতুন কাজের প্রস্তাব আসতে পারে।

    ২) তাড়াহুড়ো করবেন না কোনও কাজে।

    ৩) ধৈর্য্য ধরুন।

    বৃষ

    ১) কাউকে কটূ কথা বলবেন না।

    ২) বিনিয়োগের জন্য শুভ দিন।

    ৩) শরীরের দিকে নজর দিন।

    মিথুন

    ১) স্বাস্থ্যগত কারণে কাজে বাধা পড়বে।

    ২) নিজের যত্ন নেওয়া আবশ্যক।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    কর্কট

    ১) পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মনোমালিন্য এড়িয়ে চলুন।

    ২) নেতিবাচক চিন্তা রাখবেন না।

    ৩) বিরোধীদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

    সিংহ

    ১) কোনও দরকারি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

    ২) বিনিয়োগ করা আপনার পক্ষে ভালো হবে।

    ৩) শুভ কাজে অংশ নিতে পারেন।

    কন্যা

    ১)  ভালো ডায়েট চার্ট ফলো করুন।

    ২) পরিবারের লোকেদের কথা শুনে চলুন।

    ৩)  সহকর্মীর কাছে আপনার অনুভূতি প্রকাশ করতে পারেন।

    তুলা

    ১)  শেয়ার বাজারের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের লাভের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২) মায়ের চোখ সংক্রান্ত কিছু সমস্যা হতে পারে।

    ৩) শ্বশুরবাড়ির কাছ থেকে আর্থিক সুবিধে পেতে পারেন।

    বৃশ্চিক

    ১) সামাজিক ক্ষেত্রে পরিবেশ অনুকূল থাকবে।

    ২) রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা নতুন পদ পেতে পারেন।

    ৩) জীবনের চাহিদার প্রতি পূর্ণ মনোযোগ দিতে হবে।

    ধনু

    ১) আগামীকাল আধ্যাত্মিক কাজে যুক্ত হতে পারেন।

    ২) ধর্মীয় স্থানে যেতে পারেন।

    ৩) মানসিক শান্তি পাবেন।

    মকর

    ১) দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

    ২) মায়ের সঙ্গে মনোমালিন্য।

    ৩) পুরনো বন্ধু অনেকদিন পর দেখা করতে আসতে পারেন।

    কুম্ভ

    ১) আজকের দিনটি ক্ষতিকর হতে পারে।

    ২)  স্বেচ্ছাচারী আচরণের জন্য ক্ষতির আশঙ্কা আছে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে কেউ আপনার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করতে পারে।

    মীন

    ১) আনন্দদায়ক পরিবেশ থাকবে বাড়িতে।

    ২) সারপ্রাইজ পার্টির আয়োজন করতে পারেন।

    ৩) স্ত্রীর কাছ থেকে সব বিষয়ে সমর্থন পাবেন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Russian Oil Tanker: চিনে না গিয়ে ভারতের দিকে আসছে একাধিক রুশ তেলবাহী ট্যাঙ্কার

    Russian Oil Tanker: চিনে না গিয়ে ভারতের দিকে আসছে একাধিক রুশ তেলবাহী ট্যাঙ্কার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রওনা হয়েছিল চিনের উদ্দেশে। মাঝপথে দিক পরিবর্তন করে ভারতের দিকে আসছে রাশিয়ার তেলবাহী অন্তত সাতটি ট্যাঙ্কার। ব্লুমবার্গের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় নয়াদিল্লি নতুন করে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়ার পর এই পরিবর্তন ঘটেছে। জাহাজ-ট্র্যাকিং সংস্থা ভর্টেক্সা লিমিটেডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই জাহাজগুলির রুট পরিবর্তন হয়েছে তখনই, যখন ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে সাময়িক ছাড়পত্র পায়, যার ফলে সমুদ্রে আটকে থাকা ‘নিষিদ্ধ’ রুশ তেল কেনা সম্ভব হয়েছে।

    আসছে তেলবাহী জাহাজ (Russian Oil Tanker)

    এই সাতটি ট্যাঙ্কারের মধ্যে অ্যাকোয়া টিটান নামের একটি মাঝারি আকারের তেলবাহী জাহাজ শনিবার (২১ মার্চ) নিউ মাঙ্গালোর বন্দরে পৌঁছনোর কথা। এটি জানুয়ারির শেষদিকে বাল্টিক সাগরের একটি বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করেছিল, চিনের রিঝাও বন্দরের উদ্দেশে যাচ্ছিল। তবে মার্চের মাঝামাঝি সময়ে ভারত আমেরিকার ছাড়পত্র পাওয়ার কয়েকদিন পরে এটি হঠাৎ দিক পরিবর্তন করে। সুয়েজম্যাক্স জৌজৌ এন নামের আর একটি ট্যাঙ্কার গুজরাটের জামনগরের সিক্কা বন্দরের দিকে আসছে। ২৫ মার্চ পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এটিও মার্চের শুরুতে পথ বদল করেছিল।

    হরমুজ প্রণালী বন্ধ

    এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এমন একটি সময়ে, যখন ইরানের কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গিয়েছে। অথচ, বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস পরিবহণের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে যায়। বর্তমানে ইরান এই প্রণালীতে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে ভারত রাশিয়ার তেল কেনা বাড়িয়ে দিয়েছে। বছরের শুরুতে কিছুটা কমানোর পর, মাত্র এক সপ্তাহেই ভারত প্রায় ৩০ মিলিয়ন ব্যারেল রুশ তেল কিনে ফেলেছে। জানুয়ারিতে রাশিয়া থেকে ভারতের মোট তেল আমদানি কমে নেমে গিয়েছিল ২১ শতাংশে। কারণ তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছিল ভারতের।

    রুশ তেল কেনার অনুমতি দেওয়ায় প্রতিযোগিতা

    নয়াদিল্লি যখন রুশ তেল কেনা কমিয়ে দিয়েছিল, তখন চিন কম দামে সেই তেল কিনে নেওয়ার সুযোগ লুফে নিয়েছিল। এখন আমেরিকা অন্যান্য দেশকে রুশ তেল কেনার অনুমতি দেওয়ায় প্রতিযোগিতা গিয়েছে বেড়ে। রাশিয়ার তেল আসা ভারতের স্বস্তির কারণ হবে। কারণ ভারত মোট জ্বালানির প্রায় ৯০ শতাংশ আমদানির ওপর নির্ভরশীল। হরমুজ প্রণালী ভারতের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ দেশের ৪০–৫০ শতাংশ  অপরিশোধিত তেল এই পথ দিয়ে আসে। এলএনজি আমদানির প্রায় অর্ধেক এবং অধিকাংশ এলপিজি সরবরাহও এই পথ দিয়েই হয়। এদিকে, যুদ্ধের তৃতীয় সপ্তাহে ভারত ইতিমধ্যেই রান্নার গ্যাসের সঙ্কটে পড়েছে। তার জেরে মুম্বই এবং বেঙ্গালুরুর কিছু রেস্তোরাঁ বন্ধ রাখতে হয়েছে।

    হরমুজ প্রণালী

    জানা গিয়েছে, বুধবার পর্যন্ত ভারতীয় পতাকাবাহী তিনটি ট্যাঙ্কার হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে দেশে পৌঁছেছে। পারাপারের অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে প্রায় ২০টি জাহাজ। ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানান, ইরানের সঙ্গে ভারতীয় জাহাজ চলাচল নিয়ে কোনও সর্বজনীন ব্যবস্থা নেই। এই পরিস্থিতিতে রাশিয়ার তেলবাহী সাতটি ট্যাঙ্কারের আগমন ভারতের স্বল্পমেয়াদি জ্বালানি সঙ্কট কিছুটা লাঘব করবে বলেই অনুমান।

     

  • I-PAC Case Hearing: ‘মুখ্যমন্ত্রী যা করেছেন, তা মোটেও সুখকর নয়’, আইপ্যাক-কাণ্ডে মমতার ভূমিকায় বিরক্ত সুপ্রিম কোর্ট

    I-PAC Case Hearing: ‘মুখ্যমন্ত্রী যা করেছেন, তা মোটেও সুখকর নয়’, আইপ্যাক-কাণ্ডে মমতার ভূমিকায় বিরক্ত সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে (SC) ফের ভর্ৎসনার মুখে রাজ্য। ‘ইডির তদন্তে কোনও মুখ্যমন্ত্রীর ঢুকে পড়াটা অনভিপ্রেত ঘটনা’! আইপ্যাক-কাণ্ড (I-PAC Case Hearing) নিয়ে মামলার শুনানিতে মন্তব্য শীর্ষ আদালতের। বুধবার আইপ্যাক মামলার শুনানি চলাকালীন আরও সময় চাইল রাজ্য। ইডি-র তরফে যে হলফনামা দেওয়া হয়েছে তার উত্তর দেওয়ার জন্য সময় চাওয়া হল। বাড়তি সময় চাওয়ার তীব্র বিরোধিতা করা হয় ইডি-র তরফে। ৪ সপ্তাহ সময় ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়েছে, জানান বিচারপতি মিশ্র।

    সময় নষ্ট করার চেষ্টা করা হচ্ছে

    বুধবার সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এবং বিচারপতি এন ভি আঞ্জারিয়া বেঞ্চে ফের সময় চেয়ে আবেদন জানান রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বল। তাতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতার বক্তব্য, “সময় নষ্ট করার চেষ্টা করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ।” সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতার বক্তব্য,“এটা অত্যন্ত আশ্চর্যের ব্যাপার, যে একজন মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে হস্তক্ষেপ করছেন। ৪ সপ্তাহ পরেও তাঁরা কিছু জমা দেওয়ার জন্য সময় চাইছেন।”

    আদালত কীভাবে চলবে, সেটা তার বিষয়

    ইতিমধ্যেই রাজ্যকে যে আদালত চার সপ্তাহ সময় দিয়ে দিয়েছে, তা রাজ্যকে স্মরণ করান বিচারপতি। বর্ষীয়ান আইনজীবী কপিল সিব্বল তখন বলেন, “আমরা রিজয়েনডার জমা দিতে চাই।” ৪ সপ্তাহ সময় ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়েছে, জানান বিচারপতি মিশ্র। আমরা শুনব, শুনানি শুরু করুন, মন্তব্য বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রর। রাজ্যের আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান সওয়াল করেন, ‘ইডি যে রিজয়েন্ডার জমা দিয়েছে, তাতে মূল মামলার আবেদনের থেকেও বেশি কথা বলা হয়েছে।’ সঙ্গে তিনি জানান, আদালত যদি সময় না দিতে চায়, আদালত তা করতেই পারে। এতেই ক্ষিপ্ত হন বিচারপতি মিশ্র। বলেন, ‘আপনারা আদালতকে এটা বলতে পারেন না যে, আদালতে কীভাবে শুনানি চালাবে। কেউ সময় নিয়েছে বলে আপনাকেও সময় নিতে হবে… এটা কোনও যুক্তি হতে পারে না, মামলা হবে কিনা সেটা নিয়ে যুদ্ধ চলতে পারে না।’

    ইডি-র মামলা নিয়ে প্রশ্ন রাজ্যের

    রাজ্যের আইনজীবী শ্যাম দেওয়ান ইডির মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন তুলে সওয়াল শুরু করেন। রাজ্যের আইনজীবীর বক্তব্য, ইডি কোনও জুরিস্টিক এনটিটি নয় এবং সেই কারণে ইডি সংবিধানের ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে কোনও পিটিশন দাখিল করতে পারে না। দ্বিতীয়ত, যদি ইডির মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হওয়ার কোনও সুযোগ না থাকে, তবে ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে করা পিটিশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ইডি আদৌ কোনও পিটিশন দাখিল করতে পারে কি না, তা এখানে বিবেচ্য। আর্টিকেল ৩২ অনুযায়ী সংবিধানের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন হওয়ার অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার অধিকার একজন নাগরিক বা ব্যক্তির থাকতে পারে অথবা একটি লিগ্যাল কর্পোরেট সংস্থার থাকতে পারে। যদি তা না হয়, তাহলে এই মামলা করা যায় না। রাজ্যের তরফে বলা হয়, “আমরা বলছি, কেন্দ্রীয় সরকার এক্ষেত্রে মামলা করতে পারে। কিন্তু কোনও দফতর নয় বা সিআইডি বা ইডির মত সংস্থা নয়। যদি তারা করেন, তাহলে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৫ ধারা অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টে পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ গঠন করে এ ধরনের সংস্থার ক্ষমতা এক্তিয়ার সব নতুন করে ঠিক করতে হবে।”

    এটা মোটেই সুখকর চিত্র নয়

    সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা অভিযোগ করেন, “যেভাবে মুখ্যমন্ত্রী জোর করে তদন্ত চলাকালীন ঢুকেছেন, তা অত্যন্ত ‘আনইউজুয়াল।’এর আগে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা পেশ করে ইডি। হলফনামায় ইডি-র তরফে স্পষ্ট করে বলা হয়, রাজ্য় পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় নিরাপত্তারক্ষীদের মুখোমুখি সংঘর্ষ এড়াতেই তল্লাশি বন্ধ করতে বাধ্য হয় ইডি অফিসাররা, হলফনামায় এমনটাই উল্লেখ করা হয়েছে। এমনকি, কোনও তদন্তকারী সংস্থা কখনওই তল্লাশি চলাকালীন কোনও তৃতীয় ব্যক্তিকে সেখানে প্রবেশ করতে এবং জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিতে পারে না, সেটাও উল্লেখ করে ইডি। বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র বলেন, “একজন মুখ্যমন্ত্রী যেখানে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এজেন্সি তদন্ত করছে, সেখানে বলপূর্বক ঢুকে পড়ছেন, এটা মোটেই সুখকর চিত্র নয়। যদি আর্টিকেল ৩২ বা আর্টিকেল ২২৬ অনুযায়ী মামলা করা না যায়, তাহলে কী করা যাবে? কাল অন্য কোনও মুখ্যমন্ত্রী একই কাজ করতে পারেন।”

    মামলা স্থগিত নয়, রাজ্যের আর্জি খারিজ

    আইপ্যাক মামলায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তল্লাশি চলাকালীন হস্তক্ষেপের অভিযোগ এনেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডি এই মামলায় মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ চেয়েছে। পাশাপাশি রাজ্যের তৎকালীন ডিজিপি রাজীব কুমার এবং কলকাতা পুলিশের কমিশনার মনোজ কুমারকেও এই মামলায় যুক্ত করা হয়েছে। শুনানির সময় পশ্চিমবঙ্গ সরকার ইডির হলফনামার জবাব জমা দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত সময় চেয়েছে। তবে সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা এই আবেদনের তীব্র বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, এই মামলাকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্বিত করার চেষ্টা করছে রাজ্য। ইডি ইতিমধ্যেই দুই সপ্তাহ আগে তাদের প্রতিক্রিয়া আদালতে দাখিল করেছে। এদিন আইপ্যাক মামলা স্থগিত করার রাজ্যের সিদ্ধান্তকে খারিজ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে ইডির অভিযোগের জবাব দিতে রাজ্যকে অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়েছে।

  • Seat Selection: ডোমেস্টিক ফ্লাইটে ৬০ শতাংশ আসন বিনামূল্যে বেছে নেওয়া যাবে, নির্দেশ কেন্দ্রের

    Seat Selection: ডোমেস্টিক ফ্লাইটে ৬০ শতাংশ আসন বিনামূল্যে বেছে নেওয়া যাবে, নির্দেশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খুব শিগগিরই অতিরিক্ত চার্জ থেকে খানিক হলেও স্বস্তি পেতে চলেছেন ভারতের বিমানযাত্রীরা (Seat Selection)। কারণ সরকার এয়ারলাইন্স সংস্থাগুলিকে সিট পছন্দের দরুন অতিরিক্ত ফি তুলে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে (Airlines)। সরকারের এই পদক্ষেপে টিকিটের মূল ভাড়া অবশ্য কমছে না, তবে নিশ্চিত করা হয়েছে যে,  আন্তঃদেশীয় উড়ান বা ডোমেস্টিক ফ্লাইটে অন্তত ৬০ শতাংশ আসন বিনামূল্যে বেছে নেওয়া যাবে। এর ফলে বুকিংয়ের পরে বা ওয়েব চেক-ইনের সময় পছন্দের সিটের জন্য অতিরিক্ত টাকা দেওয়ার দীর্ঘদিনের প্রথার অবসান ঘটবে।

    অতিরিক্ত চার্জ নেওয়া যাবে না (Seat Selection)

    এক নির্দেশিকায় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক এয়ারলাইন্সগুলিকে জানিয়েছে, যে কোনও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে অন্তত ৬০ শতাংশ আসনের ওপর অতিরিক্ত চার্জ নেওয়া যাবে না। ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল এভিয়েশন (DGCA)-এর মাধ্যমে জারি করা এই নির্দেশের উদ্দেশ্য হল ন্যায্য প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা এবং টিকিট বুকিং বা ওয়েব চেক-ইনের সময় যাত্রীদের যে লুকোনো খরচের সম্মুখীন হতে হয়, তা কমানো। এতদিন পর্যন্ত মাত্র প্রায় ২০ শতাংশ আসন বিনামূল্যে পাওয়া যেত। তাই অধিকাংশ পছন্দের আসনের জন্য যাত্রীদের অতিরিক্ত টাকা দিতে হত।

    কী বলছেন অসামরিক বিমান পরিবহণমন্ত্রী

    অসামরিক বিমান পরিবহণমন্ত্রী কে রামমোহন নাইডু জানিয়েছেন, সরকারের এই পদক্ষেপ যাত্রীসুবিধা বাড়ানোর বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ। তিনি বলেন, “৬০ শতাংশ আসন বিনামূল্যে মিলবে। পরিবারের সদস্যদের একসঙ্গে বসার নিশ্চয়তা, এবং ক্রীড়া সরঞ্জাম, বাদ্যযন্ত্র ও পোষ্য প্রাণী বহনের জন্য এটি একটি স্বচ্ছ ও স্পষ্ট নিয়ম।” মন্ত্রক এয়ারলাইন্সগুলিকে এও নির্দেশ দিয়েছে, একই পিএনআরে সফরকারী যাত্রীদের সম্ভব হলে পাশাপাশি আসনে বসাতে হবে। এই পদক্ষেপের জেরে বিশেষভাবে সুবিধা হবে পরিবার ও দলগত যাত্রীদের। এতদিন একসঙ্গে বসার জন্য অতিরিক্ত টাকা দিতে হত এঁদের।

    যাত্রীবান্ধব নীতি প্রণয়ন করতে হবে

    সরকারি নির্দেশের পর এয়ারলাইন্সগুলিকে অতিরিক্ত পরিষেবার ক্ষেত্রে স্বচ্ছ ও যাত্রীবান্ধব নীতি প্রণয়ন করতে হবে (Seat Selection)। ডিজিসিএ-কে ক্রীড়া সরঞ্জাম ও বাদ্যযন্ত্র পরিবহণ সহজ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।  যদিও তা নিরাপত্তা ও পরিচালনাগত নিয়ম মেনেই করতে হবে। পোষ্য প্রাণী বহনের ক্ষেত্রেও, যা নিয়ে আগে অনেক বিভ্রান্তি ছিল, এখন এয়ারলাইন্সগুলিকে পরিষ্কার ও প্রকাশ্য নির্দেশিকা দিতে হবে। সরকার যাত্রী অধিকারের আরও কঠোর প্রয়োগে জোর দিয়েছে, বিশেষ করে ফ্লাইট দেরি, বাতিল বা বোর্ডিং অস্বীকারের ক্ষেত্রে। এয়ারলাইন্সগুলিকে তাদের ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ, বুকিং প্ল্যাটফর্ম এবং বিমানবন্দর কাউন্টারে যাত্রীদের এসব অধিকার স্পষ্টভাবে প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সচেতনতা বাড়াতে যাত্রীদের আঞ্চলিক ভাষায় তাঁদের অধিকার সম্পর্কে জানাতে হবে।

    অতিরিক্ত ফি নেওয়ায় পুঞ্জীভূত হচ্ছিল ক্ষোভ

    এই নির্দেশটি এমন একটি সময়ে এসেছে, যখন সিট নির্বাচন-সহ বিভিন্ন পরিষেবার জন্য অতিরিক্ত ফি নেওয়ায় এয়ারলাইন্সগুলির বিরুদ্ধে পুঞ্জীভূত হচ্ছিল ক্ষোভ। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হল এয়ারলাইন্স পরিষেবায় স্বচ্ছতা ও একরূপতা আনা এবং যাত্রীদের অতিরিক্ত খরচের বোঝা কমানো। ভারতের অভ্যন্তরীণ বিমান পরিবহণ খাত দ্রুত সম্প্রসারিত হয়েছে এবং বর্তমানে এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম বাজার, যেখানে প্রতিদিন পাঁচ লাখেরও বেশি যাত্রী বিমানবন্দর ব্যবহার করেন। এই প্রেক্ষাপটে মন্ত্রক সাফ জানিয়ে দিয়েছে, যাত্রীসুবিধাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তাই সাশ্রয়ী খাবারের জন্য উড়ান যাত্রী ক্যাফে এবং বিমানবন্দরে বিনামূল্যে ওয়াইফাইয়ের মতো পরিষেবা দিতে হবে (Seat Selection)। এই নতুন পদক্ষেপ বিমান সফরকে আরও যাত্রীবান্ধব করে তুলবে বলেই আশা সংশ্লিষ্ট মহলের (Airlines)।

     

  • Assembly Election 2026: একঝাঁক জেলখাটাদের ফের প্রার্থী করল তৃণমূল! জানেন কারা কারা টিকিট পেলেন?

    Assembly Election 2026: একঝাঁক জেলখাটাদের ফের প্রার্থী করল তৃণমূল! জানেন কারা কারা টিকিট পেলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেউ জেল খেটেছেন সারদা দুর্নীতিতে! কেউ জেল খেটেছেন চাকরি দুর্নীতিতে! আবার কেউ জেলে গিয়েছিলেন রেশন দুর্নীতিতে এরকম একঝাঁক প্রভাবশালী জেলখাটাদের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ফের প্রার্থী করল তৃণমূল। রেশন দুর্নীতি হোক কিংবা নিয়োগ দুর্নীতি, একাধিক মামলায় নাম জড়িয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যাবিনেট মন্ত্রী ও বিধায়কদের। নিয়োগ মামলায় নাম জড়ায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। নাম জড়িয়েছিল বিদায়ী বিধায়ক পরেশ অধিকারীর মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারীর। অপরদিকে, রেশন দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। নিয়োগ মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন বড়ঞাঁর প্রাক্তন বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ। এদের অনেকেই জেল খেটে এসেছেন।

    প্রার্থী কুনাল ঘোষ

    বেলেঘাটা থেকে কুনাল ঘোষকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। ২০১৩ সালে সারদা চিটফান্ডে কাণ্ডে জেলে গিয়েছিল কুনাল ঘোষ৷ প্রায় ৩৪ মাস জেলে ছিলেন কুনাল ঘোষ। ২০১৬ সালে জামিনে মুক্ত হয় কুনাল ঘোষ৷ আজ যে তৃণমূল দলের হয়ে প্রার্থী হচ্ছেন কুনাল ঘোষ সেই তৃণমূল সরকারের পুলিশই গ্রেফতার করেছিল কুনালকে। তার আগে কান্নাকাটি করল কুনাল বলেছিলেন ‘মমতা দি পুলিশ পাঠিয়ে আমাকে ধরে নিয়ে যাক’৷ সে ভিডিও এখনও ভাইরাল সোশালে৷ সে সময় মমতার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ করেছিল কুনাল।

    প্রার্থী মদন মিত্র

    মদন মিত্রকে কামারহাটিতে প্রার্থী করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সারদা চিটফান্ড কাণ্ডে গ্রেফতার হয়ে ২০১৪ সালে জেলে যান মদন মিত্র। প্রায় ২ বছর জেলে থাকার পর ২০১৬ সালে জামিনে মুক্তি পান মদন৷ মদন মিত্রকে জেরার পর গ্রেফতার করেছিো সিবিআই৷

    প্রার্থী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক

    জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে হাবড়া থেকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। কয়েক শ কোটি টাকার রেশন দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। খাদ্য দফতরের প্রাক্তন মন্ত্রী ছিলেন জ্যোতিপ্রিয়। রেশন দুর্নীতিতে গ্রেফতার হওয়ার আগে বনমন্ত্রকেরও দায়িত্ব সামলেছেন জ্যোতিপ্রিয়। ২০২৩ সালে রেশন দুর্নীতি মামলায় জেল হয় জ্যোতিপ্রিয়র। ২০২৫ সালে জামিনে ছাড়া পেয়েছেন, তারপরই তাকে প্রার্থী করল তৃণমূল কংগ্রেস।

    প্রার্থী ফিরহাদ হাকিম

    ফিরহাদ হাকিমকে কলকাতা বন্দর থেকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই ফিরহাদ হাকিমের ঘুস নেওয়ার ভিডিও এখনও সোশাল মিডিয়াতে জ্বলজ্বল করছে৷ নারদা কেসে ঘুস নেওয়ার অপরাধে অভিযুক্ত ফিরহাদ। ২০২১ সালে জেলেও যান ফিরহাদ, কিছুদিন পর জামিন পান। তারপর বুক ঠুঁকে তৃণমূলের সরকারের হয়ে কলকাতার মেয়র হন ফিরহাদ৷ এবার তিনি কলকাতা বন্দরের প্রার্থী।

    দুর্নীতিমুক্ত বাংলা চায় বিজেপি

    বাংলার প্রধান বিরোধী দল বিজেপি দুর্নীতিমুক্ত বাংলা, স্থায়ী উন্নয়ন, শিল্প সবকে গুরুত্ব দিয়ে প্রার্থী তালিকা তৈরি করেছে। সেখানে জেলখাটা, দুর্নীতিতে অভিযুক্ত প্রার্থীদের আবারও টিকিট দিয়ে নিজেদের মানসিকতা স্পষ্ট করছে তৃণমূল। এঁরা বাইচান্স জিতে ফিরলে ঠিক সেটাই করবে যেটা এত বছর ধরে বাংলায় করে এসেছে৷ বাংলার উন্নয়ন এঁদের কাছে গৌণ। দুর্নীতি থেকে বাঁচতে তাই এবার বিজেপিকে জেতানোই বাংলার মানুষের একমাত্র উপায়।

  • West Bengal Election 2026: রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনে ফের বড় রদবদল করল কমিশন, সরানো হল ৫ ডিআইজি, ১১ ডিএমকেও

    West Bengal Election 2026: রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনে ফের বড় রদবদল করল কমিশন, সরানো হল ৫ ডিআইজি, ১১ ডিএমকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) ঢাকে কাঠি পড়ার পরেই শুরু হয়েছে পুলিশ-প্রশাসনে রদবদল। আগেই সরানো হয়েছিল মুখ্যসচিব, ডিজি এবং সিপিকে। এবার জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission) সরিয়ে দিল ১১ জেলাশাসক, এক পুক-কমিশনার, পাঁচ জায়গার ডিআইজিকে। সরানো হয়েছে কলকাতার দুই ডিইওকে-ও। নয়া নির্দেশিকায় সরানো হয়েছে রায়গঞ্জ, মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান, প্রেসিডেন্সি রেঞ্জ এবং জলপাইগুড়ির ডিআইজিকে। বুধবার কমিশনের তরফে জারি করা নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে এই রদবদলের কথা। নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কমিশনের মতে, ভোট যাতে শান্তিপূর্ণ এবং অবাধ হয়, সেই জন্যই এই পদক্ষেপ জরুরি।

    প্রশাসনে রদবদল (West Bengal Election 2026)

    রায়গঞ্জের ডিআইজি পদে বসানো হয়েছে রথোদ অমিতকুমার ভারতকে। মুর্শিদাবাদ অঞ্চলের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অজিত সিং যাদবকে। বর্ধমানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শ্রীহরি পাণ্ডেকে। প্রেসিডেন্সি অঞ্চলে বসানো হয়েছে কঙ্কর প্রসাদ বারুইকে। জলপাইগুড়ির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অঞ্জলি সিংকে। কমিশনের নির্দেশ, এই বদলি অবিলম্বে কার্যকর করতে হবে এবং তা বাস্তবায়নের রিপোর্টও জমা দিতে হবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, যাঁদের এই বদলির আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে, নির্বাচন প্রক্রিয়া চলাকালীন তাঁদের কোনওভাবেই ভোট সংক্রান্ত দায়িত্বে নিয়োগ করা যাবে না।

    সরানো হল একঝাঁক জেলাশাসককেও

    এদিকে, এদিনই একঝাঁক জেলাশাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিককে অপসারণ করল নির্বাচন কমিশন। সরানো হয়েছে কলকাতার দুই ডিইওকে-ও। এই মর্মে নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে কমিশনের তরফে। এই নির্দেশিকা জারির ঘণ্টাখানেক আগেই একটি নির্দেশিকা জারি করে রাজ্যের পাঁচ ডিআইজিকে সরিয়ে দেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। নয়া নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, রাজ্যের ১১ জেলায় নয়া জেলাশাসক নিয়োগ করার বিষয়। এই তালিকায় রয়েছেন কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব বর্ধমান, দুই ২৪ পরগনা, দার্জিলিং এবং আলিপুরদুয়ার। এঁরা সবাই সংশ্লিষ্ট জেলার নির্বাচনী আধিকারিকের দায়িত্বে ছিলেন। কমিশনের নির্দেশের প্রেক্ষিতে কোচবিহারের নয়া জেলাশাসক হয়েছেন জিতেন যাদব। জলপাইগুড়িতে এই পদে বসানো হয়েছে সন্দীপ ঘোষকে।

    প্রশাসনে বদল উত্তরেও

    উত্তর দিনাজপুরের জেলাশাসক হয়েছেন বিবেক কুমার (West Bengal Election 2026)। মালদায় ওই পদে বসানো হয়েছে রাজনবীর সিং কপূরকে। মুর্শিদাবাদের নয়া জেলাশাসক পদে বসানো হয়েছে আর অর্জুনকে। নদিয়ার নয়া জেলাশাসক হয়েছেন শ্রীকান্ত পাল্লি, পূর্ব বর্ধমানে ওই পদে বসানো হয়েছে শ্বেতা আগরওয়ালকে, উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসক হয়েছেন শিল্পা গৌরিসারিয়া। দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক পদে বসানো হয়েছে অভিষেক কুমার তিওয়ারিকে, দার্জিলিংয়ের নয়া জেলাশাসক হয়েছেন হরিচন্দ্র পানিকর, আলিপুরদুয়ারে ওই পদে বসানো হয়েছে টি বালাসুব্রহ্মণ্যমকে (Election Commission)।

    সরানো হল কলকাতার দুই ডিইওকে

    বদলে দেওয়া হয়েছে কলকাতার দুই নির্বাচনী আধিকারিককেও। দিন কয়েক আগেই উত্তর কলকাতার ডিইও পদে বসানো হয়েছিল পুরসভার কমিশনারকে। নয়া নির্দেশিকায় ডিইও পদে বসানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলাশাসককে (West Bengal Election 2026)। প্রসঙ্গত, কলকাতার ক্ষেত্রে নিয়মটা অবশ্য আলাদা। কলকাতায় জেলাশাসক না থাকায় কোনও দফতরের আইএএস পদমর্যাদার আধিকারিককে ওই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, এবার থেকে উত্তর কলকাতার ডিইও হবেন তিনিই, যিনি পুরসভার কমিশনার থাকবেন। বুধবার পুর কমিশনার সুমিত গুপ্তের জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে স্মিতা পাণ্ডেকে। আর দক্ষিণ কলকাতার নয়া ডিইও হয়েছেন রণধীর কুমার।

    কমিশনের বক্তব্য

    কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, অবিলম্বে এই নির্দেশিকা কার্যকর করা হবে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টের মধ্যে এই আধিকারিকদের কাজে যোগদানের সম্মতিসূচক রিপোর্ট পাঠাতে বলেছে কমিশন। নির্বাচন কমিশন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, যেসব আধিকারিককে পদ থেকে সরানো হয়েছে, নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের নিয়োগ করা যাবে না ভোট সংক্রান্ত কোনও পদে (West Bengal Election 2026)। প্রসঙ্গত, নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবকে সরিয়ে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। নন্দিনী চক্রবর্তীকে সরিয়ে রাজ্যের নয়া মুখ্যসচিব পদে বসানো হয়েছে দুষ্মন্ত নারিয়ালাকে। ১৯৯৩ ব্যাচের আইএএস দুষ্মন্ত। রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব পদে বসানো হয়েছে সঙ্ঘমিত্রা ঘোষকে। তিনি ছিলেন হোম ও হিল অ্যাফেয়ার্সের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি। ১৯৯৭ ব্যাচের আইএএস তিনি। আগে স্বরাষ্ট্রসচিব পদে ছিলেন জগদীশ প্রসাদ মিনা। তাঁকে সরিয়েই বসানো হয়েছে সঙ্ঘমিত্রাকে।

    জ্ঞানেশকে চিঠি মমতার

    উল্লেখ্য যে, সোমবার রাতেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে পাঠানো চিঠিতে রাজ্যের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছিলেন, এক তরফা রাজ্যের শীর্ষ প্রশাসনিক অফিসার ও পুলিশ কর্তাদের না বদলাতে। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন যে জ্ঞানেশ কানে তোলেননি, তার প্রমাণ মিলল ওই চিঠি পাওয়ার পরপরই নির্বাচন কমিশন সরিয়ে দেয় (Election Commission) পুলিশ-প্রশাসনের একাধিক শীর্ষ আধিকারিককে (West Bengal Election 2026)।

  • Supreme Court: দত্তক নেওয়া মায়েরাও শিশুর বয়স নির্বিশেষে ১২ সপ্তাহের ছুটির অধিকারী, ‘সুপ্রিম’ রায়

    Supreme Court: দত্তক নেওয়া মায়েরাও শিশুর বয়স নির্বিশেষে ১২ সপ্তাহের ছুটির অধিকারী, ‘সুপ্রিম’ রায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সামাজিক সুরক্ষা আইনের একটি বিধান বাতিল করে দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। ওই বিধানে দত্তক নেওয়া মায়ের মাতৃত্বকালীন সুবিধা সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছিল শুধুমাত্র তিন মাসের কম বয়সি শিশুর ক্ষেত্রে। শীর্ষ আদালত এই শ্রেণিবিভাগকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছে (Maternity Leave)।

    ‘হামসা নন্দিনী নান্দুরি বনাম ইউনিয়ন অফ ইন্ডিয়া’ মামলা (Supreme Court)

    ২০২৬ সালের ১৭ মার্চ, ‘হামসা নন্দিনী নান্দুরি বনাম ইউনিয়ন অফ ইন্ডিয়া’ মামলায় বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি আর মহাদেবনের বেঞ্চ রায় দেয়, সোশ্যাল সিকিউরিটি কোড ২০২০-এর ধারা ৬০(৪) সংবিধানের ১৪ এবং ২১ নম্বর অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করছে। এই দুই অনুচ্ছেদ সমতা ও জীবনের অধিকারের নিশ্চয়তা দেয়। আদালত রায় দেয়, দত্তক নেওয়া মায়েরা শিশুর বয়স নির্বিশেষে ১২ সপ্তাহের মাতৃত্বকালীন ছুটির অধিকারী।

    আদালতের নির্দেশ

    প্রসঙ্গত, আগে এই সুবিধা সীমাবদ্ধ ছিল শুধুমাত্র তিন মাসের কম বয়সি শিশু দত্তক নেওয়া মহিলাদের ক্ষেত্রে। যার ফলে অধিকাংশ দত্তক গ্রহণকারী অভিভাবক এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতেন। ২০২০ সালের আইনের ধারা ৬০(৪)-এ বলা ছিল, “যে নারী আইনত তিন মাসের কম বয়সি শিশু দত্তক নেন বা কমিশনিং মাদার, তিনি শিশুটিকে হস্তান্তরের তারিখ থেকে ১২ সপ্তাহের মাতৃত্বকালীন সুবিধা পাবেন।” আদালতের নির্দেশ, এখন এই ধারা হবে, “যে নারী আইনত কোনও শিশুকে দত্তক নেন বা কমিশনিং মাদার, তিনি শিশুকে হস্তান্তরের তারিখ থেকে ১২ সপ্তাহের মাতৃত্বকালীন সুবিধা পাবেন।”

    দত্তক গ্রহণের ক্ষেত্রে অভিভাবকের প্রয়োজন কম নয় 

    আদালত মনে করে, শিশুর বয়সের ভিত্তিতে দত্তক নেওয়া মায়েদের মধ্যে পার্থক্য করার কোনও যুক্তিসঙ্গত ভিত্তি নেই। আদালতের পর্যবেক্ষণ, “মাতৃত্বকালীন সুবিধার উদ্দেশ্য সন্তান জন্মদানের প্রক্রিয়ার সঙ্গে নয়, বরং মাতৃত্বের প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত (Supreme Court)।” আদালত এও জানায়, দত্তক গ্রহণের ক্ষেত্রে দায়িত্ব, পরিচর্যার প্রয়োজন এবং মানসিক অভিযোজন শিশুর বয়স নির্বিশেষে প্রায় একই থাকে। দত্তক গ্রহণ সংবিধানের ২১ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে প্রজনন স্বাধীনতার একটি বৈধ রূপ এবং এটি জৈবিক পিতামাতার তুলনায় গৌণ নয় (Maternity Leave)।

    রায়ের গুরুত্বপূর্ণ দিক

    রায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল ভারতের আইনি কাঠামোয় খুব কম বয়সি শিশুকে দত্তক নেওয়ার বাস্তব অসুবিধা। আদালত জানিয়েছে, কোনও শিশুকে আইনিভাবে দত্তকের জন্য মুক্ত ঘোষণা করতে করতে সাধারণত তিন মাসের বেশি সময় লেগে যায়। তাই আগের বিধানটি কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়ে। শীর্ষ আদালতের রায়ে বলা হয়, “এই বয়সসীমা বিধানটিকে কার্যত অর্থহীন ও অপ্রয়োগযোগ্য করে তোলে।” বেঞ্চ জানিয়েছে, শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থই নীতিনির্ধারণের মূল হওয়া উচিত। দত্তক পরিবারের সঙ্গে শিশুর মানিয়ে নেওয়ার জন্য সময়, যত্ন ও মানসিক বন্ধন প্রয়োজন, যা কেবল আইনি প্রক্রিয়ায় সীমাবদ্ধ নয়। আদালতের রায়, বড় বয়সের শিশুকে দত্তক নেওয়া মায়েদের ছুটি না দেওয়া মাতৃত্বকালীন যত্ন এবং শিশুর বিকাশ—দু’টিকেই ক্ষতিগ্রস্ত করে। এই রায়ের পর আদালতের নির্দেশ, ধারা ৬০(৪) এমনভাবে পড়তে হবে যাতে সব দত্তক গ্রহণকারী মা ও কমিশনিং মাদার শিশুকে হস্তান্তরের তারিখ থেকে ১২ সপ্তাহের মাতৃত্বকালীন সুবিধা পান (Supreme Court)।

    পিতৃত্বকালীন যত্ন

    এদিকে, আদালত কেন্দ্রীয় সরকারকে সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা হিসেবে পিতৃত্বকালীন ছুটি চালু করার বিষয়টি বিবেচনা করার আহ্বান জানায়। আদালত বলে, সন্তানের যত্ন নেওয়ার দায়িত্ব উভয় অভিভাবকের মধ্যে ভাগ হওয়া উচিত এবং তা তাঁদের ও শিশুর প্রয়োজন অনুযায়ী নির্ধারিত হওয়া প্রয়োজন। শীর্ষ আদালত নির্দেশে জানিয়েছে, “আমরা কেন্দ্রকে পিতৃত্বকালীন ছুটিকে সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য একটি বিধান আনার আহ্বান জানাচ্ছি (Maternity Leave)। এই ছুটির সময়সীমা এমনভাবে নির্ধারণ করা উচিত, যাতে তা অভিভাবক ও শিশুর প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় (Supreme Court)।”

LinkedIn
Share